ইন্নালহামদলিল্লাহ ইন্নালহামদলিল্লাহ নাহমাদুহুবিল্লাহিল্লাহলা আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহ ও আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু রাসুলুহ ইহজ্লাহ ইন্নাল্লাহা আলাইকুমবা ইয়া আইুহাল্লাজনাতুল্লাহ মুসলিম ইয়াহল্লাহ আম্মাবাদ কিতাবুল্লাহ মুহাম্দ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওশার মহ ওলা মতবিলা আইহ্লাহ সাল্লাল্লাহুলা তাকওয়া সামান জান্নাত সম্মানিত মুসলি কেরাম আমি আপনাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার অনুরোধ জানাচ্ছি । যেই তাকওয়া অবলম্বন করলে আমরা আল্লাহর জান্নাত পেয়ে ধন্য হতে পারব। যতদিন পর্যন্ত কেউ মুত্তাকী না হবে আল্লাহর জান্নাতে যেতে পারবে না । তাকওয়াবিরোধী প্রতিটি কাজই জান্নাতে যাওয়ার পথে বাধা। তাকওয়া বিরোধী প্রতিটি কাজই জান্নাতে জান্নাত যাওয়ার পথে বাধা । যিনি মুত্তাকী হবেন তিনি সরাসরি জান্নাতে চলে যাবেন। কোথাও আটকাবেন না। এইজন্য তাকওয়ার নসিহত সবসময় আমরা করি। ওসিয়ত করি। তাকওয়ার কথা বলি । তাকওয়া কি জিনিস? তাকওয়া অর্থ আল্লাহ যেখানে আপনাকে দেখতে চান না সেখানে যেন আপনি না যান ।
আল্লাহ আপনাকে যেখানে দেখতে চান সেটা যেন আপনি করেন সেখানে যেন আপনাকে আল্লাহ তালা আপনাকে সেখানে যেন পান আপনাকে মসজিদে দেখতে চান মসজিদে থাকবেন আপনাকে হারাম জায়গায় দেখতে চান না সেখান থেকে দূরে থাকবেন আপনাকে নেক আমল করতে বলেছেন সেটা করবেন হারাম কাজ করতে নিষেধ করেছেন সেটা পরিত্যাগ করবেন গুনাহর কাজ থেকে দূরে থাকবেন আপনাকে সংশোধন করতে বলেছে সংশোধন করবেন ফাসাদ সৃষ্টি করবেন না জমান জমিনের বুকে জমিনের বুকে ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি করা জমিনের জমিনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়া এগুলো থেকে দূরে থাকবেন যতটুকু পারেন আপনি আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক চলার চেষ্টা করে যাবেন তাহলে আপনি ইনশআল্লাহ তাকওয়ার অধিকারী হতে পারবেন তাকওয়ার অধিকারী হওয়ার জন্য আল্লাহর আল্লাহর দয়া লাগবে আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার জন্য তৌফিক লাগবে তাকওয়া অধিকারী হলে ইচ্ছা করলে কেউ হতে পারে না। এজন্য আমরা সবসময় দোয়া করি ইদিনা সিরাতাল মুস্তাকিম। এজন্য আমরা সবসময় বলি ইয়া হাইয়াহমাত আসলাসলাহ দরকার। মানব জীবনের সর্বক্ষেত্রে ইসলাহ দরকার । আকিদাতে ইসলাহ দরকার। আমলে ইসলাহ দরকার। আখলাকে এসলাহ দরকার। মানুষের সাথে চলা শব্দে এসলাহ দরকার। এসলাহ শব্দের অর্থ হচ্ছে কোন কিছু সংশোধন করা । অনেকদিন থাকার পরে কোন কিছু নষ্ট হয়ে যায় সেটাকে সংশোধন করতে হয় । আবার অনেক সময় ভুল পথে থাকে তাকে সঠিক পথ দেখায় ।
এটাও সংশোধন। আল্লাহ তালা কোরআনে কারীম বলেছেন ল্লাহুলা ফাসাদ। আল্লাহ তাআলা তিনি ফাসাদকে পছন্দ করেন না । অর্থাৎ যে জিনিসটা ক্ষতিকর সেটা আল্লাহ পছন্দ করেন না। ক্ষতি করে নিজে ক্ষতি করা পছন্দ করেন না । ইমাম ইবনে জদা ত রহমাতুল্লাহ আলাই তাফসীরে বলেছেন এর অর্থ হচ্ছে আল্লাহ তালা গুনাহ পছন্দ করেন না । শিরিক পছন্দ করেন না, কুকুর পছন্দ করেন না। অনুরূপভাবে আল্লাহ তালা পছন্দ করেন না। ডাকাতি পছন্দ করেন না। চুরি পছন্দ করেন না । অনুরূপ আল্লাহ পছন্দ করেন না। রাস্তাঘাটে মানুষকে ভয় দেখানো পছন্দ করেন না। তিনি তিনটি উল্লেখ করেছেন। তারপর বলেছেন খারাপ । কেউ বলছে জগতের মুখে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা এটাকে আল্লাহ পছন্দ করেন না । বিশৃঙ্খলাকে অর্থাৎ পাঁচ হাদিসে উল্লেখ করেছেন ইমাম কুরতুবী রহমতুল্লাহ আলাই বলেন আয়াত দ্বারা বোঝা যাচ্ছে আল্লাহ এমন প্রতিটি কাজ জমিনের বুকে হয় যেগুলোতে মানুষের মধ্যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে এগুলো থেকে আল্লাহ তা নিষেধ করেছেন । সম্পদে হোক অথবা ধর দ্বীনে হোক অথবা জমিনে হোক যে কোোন জায়গাতে ক্ষতিকর যা কিছু হবে আল্লাহ সেটা পছন্দ করেন না ।
এর অর্থ হচ্ছে আল্লাহ তাআলা তিনি নিজে আমাদের জন্য চান। আমরা যেন দুনিয়ার বুকে ইসলাহের সাথে চলি। নবীরা হচ্ছেন মিনাল মুসলাহিদ। ইসলাহ করতেন । নবীরা সবচেয়ে বেশি ইসলাহ করতেন। মীমাংসা করতেন, সংশোধন করতেন। পরিশোধিত করতেন। নবীদের কাজ ছিল এটা । এজন্য আল্লাহ তালা কোরআনে কারীম বলেছেন নবীরা বলতেন ফিকলাবিল্লাহ। আমি তো শুধুমাত্র আমার ক্ষমতা অনুসারে ইসলাহের কাজ করে যাই । আপনার আমার প্রত্যেকের কাজেও ইসলাহের কাজ করা। ইফসাদের কাজ করা না। আপনার পরিবারে ইসলাহ করবেন। সন্তানদেরকে মসজিদে নিয়ে আসবেন। এটা ইসলাহ । পরিবারকে সালাতের প্রতি আদেশ দিবেন। এটা ইসলাহ। হারাম থেকে দূরে থাকবেন। ইসলাহ। ঘরের ইসলাহ। বাইরের ইসলাহ । মসজিদে যেখানে সেখানে সর্ব জায়গাতে ইসলাহের চিন্তা করতে হবে যে কিভাবে আমি জগতের সব জায়গাতে পরিশুদ্ধ কাজ করে যাব। নিজে করব । অন্যকে করতে উদ্বুদ্ধ করব। এ হচ্ছে ঈমানদারের কাজ। ঈমানদার নবীদের কাজটা করে নবীদের কাজ হছে ইসলাহের কাজ এই কাজটি আল্লাহ তালা পছন্দ করেন ইসলাহকে আল্লাহ তালা পছন্দ করেন ইফসাদকে আল্লাহ পছন্দ করেন না এই আয়াতের মধ্যে আমরা জানতে পেরেছি সুতরাং কেউ যদি কোন ইফসাদ করে জমিনের বুকে সে হচ্ছে সবচেয়ে ক্ষতিকর সে ক্ষতিকর কাজ করেছে এবং মানুষের জন্য বসবাসের উপযোগীতা নষ্ট করে দিয়েছে বিভিন্নভাবে সেটা হতে হতে পারে শান্ত একটি দেশের প্রতি কেউ আক্রমণ করলেও সেটা হতে পারে আবার কোন শান্ত দেশের প্রতি কেউ বিনা কার উজকারী মূলক বোমা মারলো সেটা হতে পারে বিভিন্ন রূপ আমরা চোখের সামনে দেখতে পাই ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে একেবারে রাষ্ট্রীয় জীবন পর্যন্ত আজ ইফসাদ ঢুকে গেছে মানুষের মধ্যে দুর্নীতি ঢুকে গেছে বিভিন্ন রকমের কাজ হয় যেটা হয় যারা এই ইফসাদের কাজ করে এদের মধ্যে সবচেয়ে উপরে হচ্ছে কাফেররা এফসাদের কাজ করে। কাফেররা ক্ষতিকর জিনিস সবসময় করে ।
মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম এবং তার সাথীরা মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনায় চলে গেলেন যে সেখানে গিয়ে আল্লাহর দ্বীন প্রতিপালন করবেন । কিন্তু মক্কার যারা কাফের তাদের সেটা সহ্য হলো না। কারণ তারা মুফসের তারা ক্ষতিকর। তারা ক্ষতি করে । এইজন্য তারা ৪০০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে তাদের হিংসা তাদের হিংসাকে হিংসার বশীবর্তী হয়ে মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ তার সাথীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে নেমে গেল চিন্তা করতে পারেন কতটুকু হিংসা থাকলে তারা সেটা করতে পারে এমনকি তারা আশেপাশে লোকদেরকে ডেকে আনল যে এরা আল্লাহর পথে কেন ডাকে এজন্য এইজন্য আর কোন কারণ নাই আল্লাহর পথে যারা ডাকে তাদের বিরুদ্ধে যারা নেমে যায় তারা মুফসের তারা কাফেরদের চরিত্রকে নিজের মধ্যে ধারণ করে এ কাফেরদের চরিত্র ধারণ করেছে দেখেন কিভাবে তারা মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললামকে ৪০০ মাইল দূরে গিয়ে ৪০০ মাইল ৪০০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে তাদেরকে আক্রমণ করে উঠেছে এরা চায় না আপনি ভালো থাকেন আপনার ঘর যদি কোন ভালো থাকে এদের কষ্ট লাগে আপনার ঘরের ভিতরে কিভাবে সার ঢুকাইতে পারে ফাসাদ ঢুকাইতে পারে এরা সবসময় চিন্তায় বিভর থাকে এদের চিন্তা চেতনার মধ্যে কাজ করে কিভাবে বাংলাদেশ সহজ শুরু করে বিশ্বের প্রতিটি আনাচে কানাচে মুসলিমদেরকে কিভাবে নষ্ট করা যায় সে চিন্তায় তারা বিভর থাকে । কেউ চিন্তা করে কিভাবে মসজিদে আনবে? কেউ চিন্তা করে কিভাবে মসজিদ থেকে বের করে নিয়ে যাবে । কেউ চিন্তা করে আল্লাহর পথের দিকে কিভাবে আনবে আর কেউ চিন্তা করে আল্লাহর পথ থেকে কিভাবে সরিয়ে নিবে । মানুষের ভিতরে কেউ ইসলাহের নিয়তে কাজ করে তারা নবীদের ওয়ারিস। আর যারা আর যারা ফাসাদের নিয়তে কাজ করে তারা কাফেরদের ওয়ারিস ।
প্রতিটি কাওমের ওয়ারিস থাকে প্রতিটি কাওমের ওয়ারিস থাকে প্রতিটি আইডিওলজির ওয়ারিস থাকে কাফের কাজ করত মুনাফেকরা কাজ করত কিন্তু মুনাফেকরা কি বলছে আল্লাহতালা কিব আল্লাহতালা দেখুন আল্লাহ বলছেন যখন তাদেরকে বলা হয় দুনিয়াতে ফাসাদ সৃষ্টি করো না আমরা তো সংশোধনকারী আলা ইন্না জেনে রাখো এরাই ফাসাদ সৃষ্টিকারী কিন্তু যারা বুঝছে না সূরা বাকারার ১১ ১২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন এভাবে ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি করাটা এটা অহংকারীদের কাজ অহংকারীদের কাজ অহংকারী মানে কি হক যারা মানতে চায় না তারাই অহংকারী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যখন তিনি বলেছেন এক সাহাবী বললেন ইয়া রাসূ আমার জুতো সুন্দর হতে চাই কাপড় সুন্দর পড়তে চাই এটা কি অহংকার তিনি বলছেন না ইন্নাল্লাজ সুন্দরকে তিনি পছন্দ করেন তিনি নিজেই সুন্দর অহংকার তো হচ্ছে হককে ঠেলে দেয়া এবং মানুষকে অবজ্ঞা করা এই কাজটি যারা করে । অহংকারীদের কাজই হচ্ছে তারা জমিনের বুকে ফেতনা ফাসাদ তৈরি করতে চায় জমিনের বুকে ফেতনা ফাসাদ কিভাবে তৈরি করতে চায় তারা এ ব্যাপারে কোন ডিটারমাইন তারা তাদের কোন কোন সামান্যতম কোন চিন্তা চেতনা নাই যে আমরা কি করতে চাচ্ছি করেই যাবে তারা কিভাবে আপনার উপর আক্রমণ করতে পারে কিভাবে আপনার জায়গা দখল করতে পারে কিভাবে আপনার সন্তানকে বকাটে বানাইতে পারে কিভাবে আপনার দেশকে নষ্ট করতে পারে এরা এই দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষগুলো এই কাজের মধ্যে লিপ্ত থাকে এরা অহংকারী অহংকারী মানে শরীয়ত এবং দ্বীনকে তারা মানতে রাজি নয় এদের মধ্যে একটা বড় অহংকারীর কথা আল্লাহ কোরআনে কারীমে উল্লেখ করেছেন সে হচ্ছে ফেরাউন ফেরাউন কি বলছে শুনেন ।
ফেরাউন নিজে তো অহংকারী কিন্তু সে কোনদিন অহংকারী বলে দাবি করে না। উলটা মুসা আলাইহি সালাতু সালামকে মস দা হিসেবে উল্লেখ করেছে । মুসা আলাই সালাতু সালাম উল্লেখ করে অহংকারী। মস আল্লাহতালা কোরনে কারীম বলেছেন আল্লাহতালা বলছেন ফেরাউন হচ্ছে জমিনের বুকে অহংকারী একজন ব্যক্তিত্ব কাউকে মারতো কাউকে ছাড়তো তারপর আল্লাহ তালা বলছে যারা যারা ফাসাদ সৃষ্টিকারীর মধ্যে সবচেয়ে উপরে উপরে যারা তাদের মধ্যে একটা হচ্ছে ফেরাউন ফেরাউন কি করত আপনারা জানেন ফেরাউন সে সুলে চড়াতুলে চড়াত ফেরাউন গাছের সাথে কাউকে তাকে শুলে লাগায় দিত প্যারেক মেরে দিত এরকম কষ্ট দি তাকে তারপরেও সে নাকি চায় কারো প্রতি চায় না । ফেরাউনের কাজ নিজে অন্যায় করেও সে অন্যায়টাকে ভালো রূপ দিতে চায় । আর মুসা আলাই সালাতু সালামকে সে বলতেছে যে মুসা আমাকে ছাড় মুসাকে হত্যা করে ফেলব । কেন? আমার আশঙ্কা হয় আমার আশঙ্কা হয় যে তোমাদের দ্বীন পরিবর্তন করে দিবে দ্ীন সে বুঝেছে তার দ্বীন তোমাদের দন কি ফেরাউনের এবাদত অথবা জমিনের বুকে ফেতনাদে ভরে নিজে ফেতনা ফাসাদে ভরে দিয়েছে উলফেরাউন মুসাকে বলতেছে মুসাফা বর্তমান যুগে তাই দেখবেন যারা শরীয়ত মানে তাদের উপর বিভিন্ন রকমের কথা বলা হয় এই অপবাদ অপবাদ শেষ যারা অন্যায় করে তারা সবচেয়ে ভালো আছে মনে হয় তারা বলতেছে যারা গান বাধ্য করবে হারামের পিছনে দৌড়াবে নারীদেরকে ঘর থেকে বের করবে অপকর্ম করবে তাদের কোন তাদের বিরুদ্ধে কোন কথা নাই যত কথা এই যারা হক পথে চলবে সঠিক পথে চলবে তাদের বিরুদ্ধে হয় আমাদের মিডিয়াগুলো আমাদের নেতাগুলো সবগুলি এই ফাসাদে লিপ্ত এরা সবগুলি মুফ জমিনের বুকে ফাসা সৃষ্টি করে চলেছে ।
এরা যদি কোন দেখে অপকর্ম দেখে অনেকগুলো সেগুলো চুপ থাকে চুপ থাকে এগুলো প্রচার প্রসার করে । আর যারা যদি কোন ভালো কাজ দেখে এটাকে কিভাবে বন্ধ করা যায় পিছনে লেগে থাকে । এরা মুফস জমিনের বুকে মসদ জমিনের বুকে এরা ফেতনা তৈরি এরা বাতিলকে সবসময় এমন সব কথাবার্তা বলবে যা দিয়ে বাতিল দিয়ে হককে ঢেকে রাখার চেষ্টা তারা করে তাদের কথা এত সুন্দর তাদের কথা শুনে আপনি মনে কনভিন্স হয়ে যাবে আল্লাহতালা কোরআনে কারীমে সৃষ্টি সম্পর্কে সম্পর্কে বলেছেন দুনিয়া মানুষের মধ্যে কিছু লোক আছে যাদের কথা শুনলে আপনাকে চমৎকৃত করে ফেলবে । আমার নবীকে পর্যন্ত সেটা বলছে। এর অর্থ হচ্ছে নবীকে পর্যন্ত তাদের কথা দিয়ে তারা বুধ করে রাখতে পারবে । এরকম তাদের কথা বলার ক্ষমতা । আমাদের টকশোতে যাগুলি যেগুলি হয় আমাদের বিভিন্ন আলোচনা সভাতে নেতারা যেগুলি করে এগুলি কোনটা এর চেয়ে কম নয় । আপনাদেরকে এমনভাবে তুলে ধরবে আপনারা মনে করবেন তারা একেবারে ফেরেশতার আপনারা বড় অপরাধী। ঈমানদাররা বড় অপরাধী। এ কাজ তারা করে । আল্লাহ তালা বলছেন মানুষের মধ্যে কিছু মানুষ আছে যার কথা শুনে আপনি একবারে চমকত হয়ে যাবে অন্তরের পরিচ্ছন্নতার সাক্ষী দিবে বড় বড় শপথ করে বলবে অন্তর আমার একেবারে ঠিক আপনাদের ভালো চাচ্ছি যেমনিভাবে ভালো চেয়েছে দাবি করেছে কে ইবলিশ আমাদের পিতা আদমকে বলেছিল যেহুমা আদম হাওয়াকে নসিহত করার কথা দিয়েছে আমি তোমাদের খুব পিতা তোমাদের ভালো চাই ঠিক জগতের বুকে আজ এই শ্রেণীর মানুষগুলো সবচেয়ে বেশি এদেরকে চিনে রাখা দরকার আমাদের এই ফেতনা সৃষ্টিকারী আল্লাহ যখনই তাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হয় অথবা যখনই তারা কোথাও দায়িত্ব পেয়ে যায় তখন তারা কি করে ফাসাদ সৃষ্টি জমিনের বুকে ফাসাদ সৃষ্টি করে অথবা যখনই ।
তারা ফিরে যায় আপনার হাত থেকে তারা ছুটে যায় তখনই তারা ফেতনা ফাসাদ দুইটাই অর্থ হতে পারে এখানে অর্থাৎ যে কোনভাবে তারা ফেতনা ফাসা তাদের কাজ কথা সুন্দর হলে কি হবে ফেতনা ফাসাদ ছাড়া তাদের আর কোন কাজ থাকে না এরাই হচ্ছে বর্তমান জমানায় আপনি দেখবেন ফেরাউনের উত্তরসুরী রয়েছে আল্লাহতালা কোরআনে কারীমে দুই ধরনের উত্তরসুরী কথা বলেছেন আল্লাহতালা বলেছেন ফেরাউন গোষ্ঠীকে ইমাম বানিয়েছি যারা মানুষকে জাহান্নামের দিকে ডাকবে তাদের সাহায্য করা হবে না আবার আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন তাদেরকে ইমাম বানিয়েছি সূরা আসার মধ্যে বলেছেন এরা জান্নাতের দিকে মানুষের আহবান করবে এরা মুসা আলাইহি সালাতু শুরু করে নবীরা হচ্ছে ইমাম যারা জান্নাত দিকে আহবান জানায় এরা ইসলাহের কাজ করে আরফেরা গোষঠি তারা মস তারা জমিনের বুকে ফেতনাফাসাদ তৈরি করে হারামের বেশাতি দিয়ে তারা চলে হারামকে প্রচার করতে চায় হারামকে হালালের মরক দিতে চায় এদেরকে আপনি দেখবেন এরা দুই ধরনের মানুষ আছে এক ধরনের মানুষ তারা শয়তানের দোষরে পড়েছে এজন্য সেটা করে আরেক ধরনের মানুষ তারা শরীয়ত পরিবর্তন করে দিতে চায় নিজের মন মত ব্যাখ্যা দাড় করতে চায় যেটা আল্লাহ হারাম করেছে স্পষ্ট হারাম সেটাকে নতুন একটা ব্যাখ্যা দাড় করে কিভাবে হালাল করা চিন্তা করে থাকে এরা আরো বেশি ভয়াবহ ইসলামের নাম দিয়ে যারা এটা বেশি ভয়াবহ আর যারা ভুল করছে ।
তাদেরকে সংশোধন করা যায় কিন্তু এদেরকে সংশোধন করা যায় না কারণ তো এরা ইচ্ছাকৃত নেমেছে কিভাবে তাদের মন মত ইসলামকে সাজিয়ে এরাও ফেতনা ফাসাদকারী জমিনের বুকে এদের কাজ হচ্ছে এদের বড় এক বড় কাজ হচ্ছে এরা তারা কি করে বাতিলের মোড়কে বাতিলের মোড়কের ভিতর হককে ঢুকায় দিতে চায় বাতিলকে হক হিসেবে আপনার কাছে প্রচার করতে চায় আমরা দেখতে পেয়েছেন কিভাবে মুসা আলাই সালাতু সালামকে আক্রমণ করে বসেছে ফেরাউন এদের আরেকটি বড় কাজ হচ্ছে আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে আটকিয়ে দেয় । আল্লাহর পথের দিকে চলতে দেয় না। আল্লাহর পথে চলতে গেলে সে কাজগুলি তার বাধাগ্রস্ত করে । আপনি সারা বাংলাদেশে কোথাও যদি আলোচনা করেন শরীয়া আইনের কথা আপনার বিরুদ্ধে একজন লেগে যাবে। শরীয়া আইন তো ফরজে আইন । প্রত্যেকে মানতে হবে। রাজা হোক, প্রজা হোক, ব্যক্তি হোক, স্ত্রী হোক, স্বামী হোক, সন্তান হোক, ছেলে হোক, মেয়ে হোক সবাইকে শরীয়া আইন মানতে হবে । আল্লাহর বিধান না মেনে কেউ যদি কবরে যায় তার খবর আছে। আল্লাহর বিধান মেনে চলতে হবে । যেমনি মসজিদে বিধান মানতে হয় সালাতের রাষ্ট্রেও সে বিধান মেনে চলতে হয়। আপনার লেনদেনও চলতে হয় । এখানে যদি কেউ যদি বলে যে আমি কোথাও মানি কোথাও মানি আল্লাহতালা সেটা বলে দিছে প্রকৃত কাফের । কোথাও মানি কোথাও মানি চলবে না। সর্ব জায়গাতে আপনাকে আল্লাহর বিধান মেনে চলতে হবে। এগুলি হচ্ছে কি করে তারা? আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বাধা দেয় ।
মুফসদ যারা আল্লাহর শরীয়ত পড়তে বাধা দেয়। আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়নে বাধা দেয় । আল্লাহর হুকুম বাস্তবায়নে বাধা দেয়। আল্লাহর হুকুমকে বাস্তবায়ন করতে তারা আগ্রহী না । তারা বিভিন্নভাবে অন্যদের দ্বারা ক্রীড়ণক হয়ে কাজ করে অথবা নিজের নফসের কীনক হয়ে কাজ করছে । এরা আল্লাহর শরীয়তকে মানতে পারে না। আল্লাহতালা কোরআনে কারীমে এক নবী সম্পর্কে সালাম সম্পর্কে বলেছেন তিনি তার কাউকে বলেছিলেন প্রত্যেক রাস্তার মধ্যে পথে পথে বসে যে না ডাক্তার ডাকাতি করার জন্য । যারা হক পথে চলতে তাদেরকে আটকয়ে দিও না তোমরা তোমরা কম ছিল আল্লাহ তোমাদেরকে বাড়িয়ে দিয়েছেন তোমাদের আগে যারা চলে গেছে তাদের শাস্তি কেমন হয়েছে তা দেখো ওরাও মুফস ছিল ওরা দুনিয়ার বুকে ফেতনাফাসাদ তৈরি করেছে আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করেছেন কিছুই লাগে না জিব্রল আলাইহি সালাতুস সালাম কোন জনপদের সামনে দাঁড়িয়ে একটি চিৎকার করেছেন এই চিৎকারে সব মরে শেষ হয়ে গেছে । কখনো কোন বাতাস প্রেরণ করেছেন তাতেই ধ্বংস হয়ে গেছে। কখনো কখনো আল্লাহ তালা ফেতনা ফাসাদ তৈরিকারীর জন্য শুধুমাত্র পাথর নিক্ষেপ করার ব্যবস্থা করে তাতে ধ্বংস হয়ে গেছে । আল্লাহ তালা ফেতনা ফাসাদকারীকে ধ্বংস করতে বেশি কিছু লাগে না। কখনো একটা মশা দিয়ে ধ্বংস করে দেন তিনি । আল্লাহ তালা আল্লাহর লসকর অনেক বেশি । আল্লাহর সেনাবাহিনী আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না কত বেশি আছে ।
ও আল্লাহ যখন পাকড়াও করবেন তখন কাউকে তিনি ছাড়বেন না। ঈমানদার কাফের সবাইকে তখন একসাথে তাদেরকে মরতে হবে । কারণ ঈমানদারের দায়িত্ব ছিল ইসলাহের করে নাই। এজন্য আল্লাহ তালা সবাইকে সে শাস্তির অন্তর্ভুক্ত করবেন । এইজন্য কোথাও যদি কোন ফেতনা ফাসাদ বেড়ে যায় আর সেখানে যদি মানুষ চুপ মেরে থাকে কথা না বলে তাহলে এটা তাদের উপর দিয়েও শাস্তি হয় । আপনাদের সে হাদিসটির কথা মনে আছে কিনা? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিও সাল্লাম তিনি বলেছেন কোথাও কোন ব্যক্তিরা যাচ্ছিল তারা সবাই লটারি করলো কে কোন তালায় যাবে । নিচে নৌকার নিচের অংশে যারা আছে তারা মনে করল উপরে উঠতে গেলে তো আমাদের ভাইদের কষ্ট দেয়া হয় । তারা নিচে দিয়ে ছিদ্র করতে লাগল। ছিদ্র করলে সেখানে পানি ঢুকে। এরাও ডুব ওরাও ডুব। সবাই ডুববে । যারা বুদ্ধিমান তারা এদেরকে বাধা দিবে না ছিদ্র করা যাবে না আমরা যে দেশে থাকি সে দেশকে নষ্ট করি আমাদের দেশটাকে নষ্ট করার জন্য বাইরের লোক এসে করে নাই আমরাই নষ্ট করছি এই ফেতনা ফাসাদে বাধা দেয়ারও দায়িত্ব আপনাদের সবার যারা ফেতনা ফাসাদ করে তারা পরিবার থেকে আসছে কোন পরিবারের লোক তারা কোন কারো কারো না কারো সন্তান কারো না কারো স্বামী কারো না কারো স্ত্রী এবং তারা কোন না কোন ভাবে এদেশে ফেতনা ফাসাদ করে যাচ্ছে আপনি তাদেরকে কিভাবে সাপোর্ট করছেন তাদের বিরুদ্ধে কেন দাড়াচ্ছেন ঈমানদার কখনো চুপ থাকতে পারে না সে দেখিয়ে দেয় যে তাদের আগে ফেতনা ফাসাদের পরিণত কি হয়েছিল সেটা দেখো ফেতনাফাসা যারাই করেছে ইন্না রব্বাকলা আল্লাহ তাদের তাদেরকে পাকরাও করার জন্য সময়ের শুধু দিয়ে থাকছেন যখন তিনি চাইবেন তখনই তিনি তাকে পাকড়াও করবেন কখনো তিনি তাদেরকে ছেড়ে দিবেন না রাসূুল্লাহ সলা বলেছেন ইন্নাল্লাহ আল্লাহ তালা জালেমকে ছাড় দেন কিন্তু যখন তিনি তাকে পাকড়াও করেন তখন তারে আর ছাড়েন না ।
তাকে তাকে তার শেষ পরিণতি পর্যন্ত তাকে নিয়ে যান। এইজন্য আপনি যে আপনি আমি বা যারা আমরা ফেতনা ফাসাদে জড়িত হয়ে পড়েছি আমাদের উচিত কখনো চিন্তা না করা যে আমাদের বধ তিনি দেখছেন না । না আল্লাহ প্রতিটি পদক্ষেপ আপনার দেখছেন আপনার নয়। অন্ধকার রাত্রিতে কালো পিপড়া কালো পাথরের উপরে বেয়ে চলা তো তিনি দেখেন । আপনার ফেতনা পাচা তিনি দেখবেন না। তা হতে পারে না। আপনি মনে করবেন না যে আপনি ছাড় পেয়ে যাচ্ছেন তা নয় । দুনিয়ার বুকে কোন কারণে যদি আপনি ধরা নাও খান আখেরাতের জায়গাতে আপনি অবশ্যই ধরা খেয়ে যাবেন। সুতরাং ফেতনা ফাসাদ করে পা পেতে পারবেন না । ফেতনা ফাসাদকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া চিন্তা করবেন না। আজ ফেতনা ফাসাদকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া হচ্ছে। কিভাবে বৈধ করা সে চিন্তা করা হচ্ছে । এই যে দুর্নীতির যে আখড়া চলছে এমন কোন জায়গা নেই যেখানে দুর্নীতি নাই। এমন কোন জায়গা নেই । বাজারে যাবেন, তেল কিনতে যাবেন অথবা কোন একটা দরখাস্ত করতে যাবেন, কোন একটা কাজে যাবেন, সব জায়গাতে আপনি দুর্নীতির ছড়াছড়ি দেখতে পাবেন । এটাই নাম হচ্ছে ফাসাদ। এই ফাসাদ বহুমুখী আছে। তার মধ্যে এটা একটা উল্লেখ করে দেখলাম । যারা ফাসাদ করে এদের আরেকটি কাজ হচ্ছে এরা অশ্লীলতা ছড়িয়ে অশ্লীলতা মসদের কাজ ।
দলিল আল্লাহ তালা কোরআনে কারীম বলেছেন আর লুত আলাই সালাতু সালাম তিনি তার কাউকে বলেছিলেন তার জাতিকে বলেছেন ইন্না এমন এক অশ্লীল কাজ করে চলেছ তোমরা তোমাদের আগে কেউ তো সেটা করেনি তোমাদের আগে সেটা কেউ করেনি আল্লাহু আলাটা করার পরে তাদের কোন ভাবান্তর হয়নি তাদের উপর আল্লাহ তালা শাস্তি নাযিল করলেন । আল্লাহ তালা তখন বললেন যে দেখুন এই কাওমের মুরসেদ কওমের শাস্তি আমি কিভাবে দিয়েছি । আজ যারা তথাকথিত তথাকথিত তৃতীয় লিঙ্গের নাম দিয়ে তৃতীয় লিঙ্গ নাম দিয়ে অথবা এলজিবিটি কেউ চাল পরিচালনা চিন্তা যারা করছেন তারা মুফসেদ । যদি এলজিবিটি কেউ আইন পাশ করা। আপনার সন্তান ছেলে যদি মেয়ে দাবি করে আর মেয়ে যদি বলে আমি ছেলে আপনি বলতো কত বড় ফেতনা হইতে পারে তাকে কোথায় রাখবেন তাকে কি মেয়ের পোশাকে রাখবেন না ছেলের পোশাকে রাখবেন তারে কি মসজিদে দিবেন না তাকে মন্দিরে পাঠাবেন তাকে কোন জায়গায় পাঠাবেন তাকে কি ছেলেদের হোস্টেলে দিবেন না মেয়েদের হোস্টেলে দিবেন সে কত বড় মসজিদ আপনি কি বুঝতে পেরেছেন এর মাধ্যমে তারা শুধুমাত্র সমকামিতাকে সমকাম প্রমোট করতে চায় এইটা যদি করে আগামী ২০ বছর পরে অথবা ১০ বছর পরে পৃথিবী জনশূন্য হয়ে যাবে । কারণ এর মাধ্যমে আল্লাহর ফেতরাতকে নষ্ট করা হচ্ছে। এটাই হচ্ছে ফাসাদ। জমিনের বুকে কিভাবে ফাসাদ সৃষ্টি করা এটা দেখে নেন । এইটাকে যারা আইন করবে তারাও মুফ তারাও লুতের কওমের বংশধর। প্রতিটি কাওমের ওয়ারিস থাকে। লুতের কাওমের বংশধর ।
যেই দেশে এগুলি হয়েছে সে দেশ বিরান হয়েছে। আর আপনার দেশের মুসলিমদেরকে বিরান করার জন্য এগুলি তাদের পয়তারা ছাড়া কিছুই নয় । তারা চায় না মুসলিমরা সংখ্যা বেড়ে যাক। যেমনিভাবে তারা চায়নি মুসলিমদেরকে তথাকথিত বিশেষ লোকেরা মুসলিমদেরকে সংখ্যা কমানোর জন্য ৭% প্রবৃদ্ধিকে বাড়িয়ে 4ার% নিয়ে এসেছে । বিভিন্নভাবে তারা নাইট উপাধি পাওয়ার জন্য তথাকথিত এক ব্যক্তির কাছে ইউরোপ আমেরিকায় গিয়ে তাদের লাঠির নিচে বুক থাকে । নাবাদী হওয়ার জন্য আর দেশে তারা ঈমান আমল নষ্ট করার জন্য মেয়েদেরকে রাস্তায় বের করে দিয়েছে এরা সব মুরছেদ এই মুফসদের চিনে রাখুন এই মুফসদেরকে আপনারা বড় বড় বোর্ড দিয়ে দিয়ে জায়গায় জায়গা পাঠিয়ে দিয়েছেন এরা দুই ধরনের মসদ একটা হচ্ছে সরাসরি আল্লাহ বিরোধী আরেকটা হচ্ছে আল্লাহর বিধানকে পরিবর্তনকারী দুই ধরনের মসদ আপনারা পাঠিয়েছেন আপনাদের সেগুলো গুনা বহন করতে হবে কেন আপনার অন্যায় করেছেন আপনারা জানেন আমি জানিনা কি করেছেন এই মসজিদের মধ্যে আরেকটি মসদ হচ্ছে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দেয় তাদের মধ্যে আরেক গোষ্ঠী আছে মসদ যারা তারা কি করে নিজেরা অন্যায় করে আর অন্যদের উপর দোষটা দেয় অন্যদের উপর দোষটা দেয় যত দোষ দাড়িওয়ালা যত দোষ টুপিওয়ালা যত দোষ বোরকাওয়ালি আর যত মানুষ লংটা হইতে পারে তত ভালো নাউজুবিল্লাহ এ হচ্ছে তাদের অবস্থা মিজান নষ্ট করে দেয় চিন্তা চেতনা নষ্ট করে দেয় মানুষ ছোট বাচ্চাদের পর্যন্ত চিন্তা চেতনা তৈরি করে দেয় যারা কোরআন হেফজ করে শরীয়া মেনে চলে তাদের দিকে তাকিয়ে তারা নিজেরা আফসোস করে য এরা তো নষ্ট হয়ে নষ্ট হয়েছে নিজেরা উলটা দোষ করে দেয় যারা কোরআন সুন্নাহ মেনেছিল তাদেরকে নষ্ট হয়ে গেছে বলে আল্লাহতালা যখন তাদেরকে বলা জমিনেরা তৈরি করে না তখন তারা বলে যে আমরা তোলা করছে ওরা কোন করছে ওরা যা যা পড়াচ্ছে যা যা শিখাচ্ছে তাদের সন্তানদেরকে তারা সম্পূর্ণ আল্লাহর দীন বিরোধী আল্লাহর দন বিরোধী যা শিক্ষা দিবে এটা কোনদিন এসলা হতে পারে না এসা জমিনের বুকে ফাসাদ তৈরি করা ছাড়া কিছুই নয় এদের মধ্যে যারা এদের মধ্যে কাফের প্রতিটি কাফের ।
দলিল আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন আল্লা সবিল্লাহ যারা আল্লা কাফ যারা কাফের সবিল্লাহ এবং আল্লাহর রাস্তা থেকে মানুষকে বাধা দিয়েছে তাদেরকে আজবের উপর আজব দিব কারণ তারা ফাসাদ সৃষ্টি করত শাস্তির উপরে শাস্তি কাফের প্রতিটি কাফের নিজে যেমন ফাসাদ ফাসাদ লিপ্ত অন্যকে তারা ফাসাদে লিপ্ত করতে চায় কাফের আপনাকে কাফের বানাতে চাইবে কারণ কাফেররা হচ্ছে শয়তানের দোষ তারা তারা আপনাকে কাফের বানাতে চাইবে কোন সন্দেহ নেই আপনি তাদেরকে কেন বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবেন আপনি আর তাদেরকে বন্ধ করার অর্থ হচ্ছে আপনি পাছাদ পছন্দ করতেছেন ওল্লাহুলা আল্লাহ পাচাত পছন্দ করেন না মুনাফেকরা তারাও তারাও মসজিদ ফাসাদ সৃষ্টি করে যেমনি আমরা সূরা বাকারার আয়াতগুলোতে আমরা দেখতে পেয়ে যেখানে তারা বলে থাকে এরা এদের চরিত্র হচ্ছে এটা তারা মানুষদেরকে ধোকা দেয় যখন দেখা হয় বলে ঈমান এনেছি ঈমান এনেছি আমরা ঈমান এনেছি যেমন কিছুদিন আগে আপনারা দেখেছেন জায়গায় গিয়ে সবাই নামাজ পড়েছে মসজিদে মসজিদে নামাজ পড়েছে আবার যখন এখান থেকে বেরিয়ে যায় তখন আল্লাহর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায় এরা হচ্ছে মুনাফেক এদেরকে চিনে রাখা দরকার আমাদের ঈমানদাররা ঈমানদার হাদিসটি আমার মনে পড় তিনি বলেছেন আলম ঈমানদার ধোকা খায় দ্রুত কারণ সে কার সহজে বিশ্বাস করে ফেল কিন্তু মনাফে কাফের সে হচ্ছে ধোকাবাজ নিকৃষ্ট এজন্য এখন একটা তখন মিনিটে পরিবর্তন করবে কথা এরপরেও আগেরটা ভুলে যাবে এরকম মানুষদেরকে আপনার দেখে রাখুন চিনে রাখবেন আপনারা তাদেরকে এরা বুকে ফেতনাফাসাদ তৈরি করতে চায় ইহুদিরা আরেক গুষ্টি ইহুদিরা ফেতনা তৈরি করতে চায় ইহুদিদের কারণে আর মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি তৈরি হচ্ছে এরা বিভিন্ন জায়গাতে আক্রমণ করে কি করেছে এরা আক্রমণ করে একটা করবে অন্য আর ১০টা তৈরি তো ওরা করে দিয়েছে ইহুদি নাসারা সবাই ফেতনাবাজ কাফেররা ফেতনা তৈরি করেছে আগেও এখনো করে যাচ্ছে ইহুদিদের এই ফেতনা থেকে আমরা এখনো বাঁচতে পারি নাই পরেও বাঁচতে পারব না একমাত্র দাজ্জাল আসা পর্যন্ত এদেরকে শান্ত করা যাবে এদেরকে সম্পর্কে সাবধান থাকতে হবে এদের ফেতনা এরা কি চায় সম্পর্কে সাবধান থেকে তার বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে এজন্য ইহুদিরা ফেতনাবাজ ফেতনা করবে আল্লাহ কোরআনে কারীম বলেছেন আল্লাহতালাছেন আল্লাহতালা সিদ্ধান্ত দিয়ে দিয়েছেন যে এরা জমিনের বুকে ফেতনা তৈরি কাজ হল ফেতনা তৈরি করা মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলামের মদিনাতে তারা ছিল রাসূ তাদেরকে মদিনার সমাজে রাখতে বাধা দেন নাই কিন্তু তারা প্রথম বনি কাইল যুদ্ধে আপনারা জানেন কেন যুদ্ধটা হয়েছে এক নারীকে তারা বস্ত্র মুক্ত করেছে বাজারের মধ্যে মুসলিম নারীকে সেজন্য যুদ্ধটা অবশ্যভাবে হয়ে পড়েছে কারণ চুক্তি ভঙ্গ করেছে আবার দেখেন তারা কি করেছে খন্দকের যুদ্ধের সময় তারা কাফেরদের সাথে হাত মিলিয়েছে রাসূ বিরুদ্ধে ফেতনা ফাসাদ দুই নম্বর তিন নম্বর বনী নদীর গোত্র লোকেরা তারা মুসলিম হত্যার চেষ্টা করেছে এই কারণগুলো ভুলে গিয়ে কেন তাদেরকে তাড়ানো হল কেন তারা চলে গেল এটা তো বললে হবে না জানতে হবে ফেতনা ফাসাদকারী তারা এই ফেতনা ফাসাদকারীদেরকে রাসূুল্লাহ সলা জিরাতুল আরব থেকে বের করতে বলেছেন তাদেরকে সেখানে তার ঢুকানোর কোন সুযোগ নাই তাহলে এরা ফেতনা ফাসাদকারী এদেরকে চিনে রাখা দরকার এদের যে কোন নীতি ফেতনা ফাসাদ করা এদের নীতি যেগুলি আপনাকে দিয়েছে অনেকগুলো তন্ত্রমন্ত্র দিয়েছে ।
সবগুলি ফেতনা ফাসাদ জিনিস। এগুলিকে কোনদিন গ্রহণ করতে পারবেন না। এগুলি গ্রহণ করার অর্থ হচ্ছে আল্লাহর বিধানকে আপনি দূরে সরিয়ে দেয়া। আল্লাহর বিধানকে যে ব্যক্তি দূরে সরিয়ে দিবে । আর কাফেরদের বিধানকে কাফেরদের মতবাদকে পছন্দ করবে তার মধ্যে ঈমানের লেশ মাত্র আর বাকি নেই। মনে রাখতে হবে অনেক সময় না বুঝে করে থাকেন। বুঝতে হবে আল্লাহর বিধান যথেষ্ট। আল্লাহ দীনকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন । আল্লাহতালা পরিপূর্ণ হওয়ার পরে অন্য কারো থেকে কিছু ধার করা হচ্ছে। আপনি মনে করছেন ইসলাম পরিপূর্ণ নয়। ইসলামের কোন সমাধান নেই । এর অর্থ হচ্ছে আপনি নিজে বিভ্রান্ত এবং অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টায় লিপ্ত আছেন । বর্তমান সময়ে আরো যে সমস্ত ফেতনা আমরা দেখতে পাই সেটা হচ্ছে ফেতনা ফাসাদ দেখতে পাই দুর্নীতি দেখতে পাই তার মধ্যে একটা হচ্ছে সরকারি সম্পদকে আত্মসাৎ করা । সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ সবাই করছে। যে যায় লঙ্কা সে হয় রাবন একটা কথা আছে । এখন যারাই ক্ষমতা দেয় সেই যেন সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ কিভাবে করবে চিন্তায় মগ্ন থাকে । অথচ মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বলেছেন যে আল্লাহ তালা গালুর থেকে কোন সদকা কবুল করেন না। গাল হতে সরকার সম্পদ সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎকারী ।
আপনি সরকারি সম্পত্তি নিয়েছেন এর কোন মসজিদ বানিয়ে কোন কাজ। সরকার সম্পত্তি নিয়েছেন দান করেছেন তাও কোন কাজ হবে না । ফেরত না দেয়া পর্যন্ত আপনার এটা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং হাশরের মাঠে নিয়ে আসবেন । আল্লাহ বলছে যে কেউ সরকারি সম্পত্তি কিছু নিয়ে যাবে সেই ব্যক্তি সেটা কাঁদে নিয়ে হাশরের মাঠে উঠবে । রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলামের সময় তার এক তার এক ছিল খাদেম ছিল নাম ছিল কারা । তিনি যুদ্ধের মাঠে যুদ্ধের পরপরে একটা উড়া তীর এসে তাকে মেরে ফেলে তাকে সাহাবায়ে কেরাম বলেছে ইয়া রাসূ একেবারেই সদ্যজাত শহীদ আল্লাহর রাস্তায় জান্নাতি বলে ফেলতে থাকবে এককজন রাসূুল্লাহ সাল্লাম বলেছেন কাল্লা কখনো না যেই সামলাটা চুরি করে রেখেছিল গনিমতের মাল থেকে গনিমতের মানে সরকারি সম্পত্তি সেটা যে চুরি করে রেখেছিল বন্টন হয় নাই আমি দেখতে পাচ্ছি এটা তাকে আগুন আগুন আগুন জ্বলতেছে সে এটা শোনার পরে সাহাবায়ে কেরামের কারো পকেটে সুতা পাইছিল কেউ সুতা কারো সুই পাইছিল সেটা সব দিয়ে বলছে আমরা আগুনে যেতে চাই না এই হচ্ছে ঈমানদারের কাজ ঈমানদার যা ইচ্ছা তা করবে না চিন্তা করবে যে আমার পরকালে জবাবদিহিতা আছে যাদের জবাবদিহিতার ভয় নাই অধিকাংশ আখেরাত সত্যিকার ঈমান আনে কি সন্দেহ আছে আখেরাত ঈমান কি জবাবদিহিতা তৈরি করেছে তারা এভাবে সরকারের সম্পত্তি অনবরত খাচ্ছে অনবরত যেখানে সেখানে বিলাচ্ছে দেশের বাইরে কেউ কেউ দেখা যায় কোন কোন দেশে অন্য দেশে যায় ভিলা কিনেছে এবং একটা দুইটা নয় কেউ কেউ ১০০০ ভিলা কিনে বসেছে দেশের বাইরে সম্পদ কিনে তারা জোগাড় করেছে এটা শুধুমাত্র একদিনের কাজ নয় যে যাচ্ছে সেই করছে দেখা যাচ্ছে প্রত্যেকেই যেন চুরির মহা উৎসব চলছে এগুলি সবই হচ্ছে ফাসাদ দুর্নীতি এগুলির কারণে আখেরাতে শাস্তি হবে দুনিয়াতেও সে শান্তি পাবে তা নয় দুনিয়াতে এগুলি তার জন্য ক্ষতির কারণ হবে এমন একটা সময় আসবে আপনার সম্পদ আপনার কাজে লাগবে না হাসপাতালে মরতে হবে কিছুই পাচ্ছেন আপনি খাইতেও পাবেন না।
আখেরাতে জবাবদিহিতার ভয় না থাকার কারণে অনেকে সরকারি সম্পত্তি অনবরত ভোগ করছে এবং যেখানে সেখানে বিলাচ্ছে। এমনকি দেশের সম্পদ চুরি করে বিদেশে ভিলা বা সম্পদ গড়ার মহোৎসবে লিপ্ত রয়েছে। এই সবই মূলত ফাসাদ বা দুর্নীতির অন্তর্ভুক্ত। এই দুর্নীতির কারণে আখেরাতে যেমন কঠোর শাস্তি পেতে হবে, তেমনি দুনিয়াতেও মানুষ প্রকৃত শান্তি পায় না। এমন এক সময় আসবে যখন এই অবৈধ সম্পদ কোনো কাজে লাগবে না, এমনকি হাসপাতালের বিছানায় শুয়েও মানুষ এর থেকে মুক্তি পাবে না।
ইবাদতের ক্ষেত্রেও আমাদের হিসাবনিকাশ না খুঁজে আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন। যেমন—সাওয়াল মাসের রোজা বা নফল রোজার ক্ষেত্রে অনেকে বিভিন্ন হিসাব মেলাতে চান। আপনি চাইলে সোমবার বা বৃহস্পতিবারের রোজার সাথে অন্য নফল রোজা রাখতে পারেন, কিন্তু মনে রাখতে হবে যে আমলগুলো আলাদাভাবে করা সম্ভব, সেগুলো একসাথে করলে ডবল সওয়াব পাওয়া যাবে এমনটি নয়। আমাদের উচিত হিসাব না মিলিয়ে সুন্নাহর অনুসরণ করা।
পরিশেষে দোয়া করি, আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিন। আমাদের অন্তরে এমন তাকওয়া দান করুন যার মাধ্যমে আমরা সব ধরনের ফাসাদ বা দুর্নীতি থেকে বেঁচে থাকতে পারি। আল্লাহ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ থেকে যাবতীয় ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা দূর করে দিন। যারা আমাদের শাসন করছেন, আল্লাহ তাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার এবং জনকল্যাণমূলক ভালো কাজ করার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সিরাতুল মুস্তাকিমে অবিচল রাখুন। আমীন।