আপনার অনুরোধ অনুযায়ী টেক্সটের কোনো শব্দ পরিবর্তন না করে শুধুমাত্র ইংরেজি সংখ্যাগুলোকে বাংলা সংখ্যায় রূপান্তর করে এবং প্রসঙ্গের ভিত্তিতে অনুচ্ছেদে সাজিয়ে নিচে দেওয়া হলো:
ইন্নালহামদলিল্লাহ ইন্নালহামদলিল্লাহ নাহমাদুহুবিল্লাহিমিনলাহলা আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহ আশহাদু আনা মুহাম্মাদান আবদুহু রাসুল ইয়া আইুহলাহ্লাহলা ইন্নাল্লাহা আলাইকুম রাকিবা ইয়া আইুহাল্লাজনালাকলাকলাস আম্মাবাদুনা আস হাদিস কিতাবুল্লাহ হাদি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মতলাফ আইুহনাস ইত্তাল্লাহ তাকওয়া।
সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম আমি আমার নিজেকে এবং আপনাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার অনুরোধ জানাচ্ছি যেই তাকওয়া অবলম্বন করলে আমরা আল্লাহর কাছে আখেরাতে নাজাত পাবো দুনিয়াতে শান্তিতে বসবাস করতে পারবো। সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম দুটি জিনিস আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ফরজ করে দিয়েছেন। একটি হচ্ছে বিশুদ্ধ ঈমান আরেকটি হচ্ছে বিশুদ্ধ আমল। বিশুদ্ধ ঈমান হচ্ছে আকিদা আর বিশুদ্ধ আমল হচ্ছে শরীয়া। আকিদা এবং শরীয়া দুটিই একটার সাথে আরেকটা জড়িত। যদি কেউ আকিদা বিশুদ্ধ করেছে শরীয়া মানেনি সে ব্যক্তি কাফের। যদি কেউ শরীয়া মানে কিন্তু আকিদা বিশুদ্ধ হয়নি সে ব্যক্তিও কাফের। দুটি জিনিসকে আমাদের মেনে চলতে হবে।
আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সলামকে আল্লাহ তালা যে দ্বীন দিয়েছেন সেই দ্বীনের শুরু হচ্ছিল আকিদা দিয়ে আর সর্বশেষ আল্লাহ তালা দ্বীনকে পূর্ণ করে দিয়েছেন শরীয়া দিয়ে আল্লাহ তালা বলেছেন আকুলাদিনা ইসলামাদিনা ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা ইসলামের সর্বদিক থেকে পরিপূর্ণ ইসলাম আকিদার দিক থেকে পরিপূর্ণ ইসলাম শরীয়তর ইসলামী শরীয়ত পরিপূর্ণ। ইসলামী শরীয়তে এবাদতের যেমন জিনিসপত্র আছে এবাদত কিভাবে করতে হবে বিস্তারিত বলা আছে তেমনিভাবে পরিবার কিভাবে পরিবার কিভাবে মেনটেন করতে হবে তাও বলা আছে তেমনিভাবে সমাজ কিভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে সেটাও বলা আছে রাষ্ট্র কিভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে সেটা বলা আছে। বিচার ব্যবস্থা কিভাবে হবে সেটাও বলা আছে। কেউ যদি মনে করে আল্লাহর দ্বীন পরিপূর্ণ নয় সে ব্যক্তি ঈমানদার নয়। কারণ আল্লাহ তালা ঘোষণা করেছেন আলমাতুলাকুমদিনাকুম তোমাদের দ্বীন তোমাদের জন্য আজকে পূর্ণ করে দিলাম।
মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম দুনিয়াতে দুনিয়া থেকে যাবার আগে দ্বীনকে পূর্ণ করে দিয়ে গেছেন সাহাবায়ে কেরাম বলছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম বলেছেন তারা লাইলহা তোমাদেরকে শুভ্র একটি পথের উপর রেখে যাচ্ছি যেই পথে রাতদিন সমান অর্থাৎ এমন নয় যে অন্ধকারে পড়ে যাবে জানবে না কি জিনিস তোমাদেরকে আল্লাহ তাআলা সেরকম একটা দ্বীনের উপরে আমার নবীর মাধ্যমে রেখে গেছেন অর্থাৎ মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম আকাশে যে পাখি উড়ে সেই ব্যাপারেও জ্ঞান দান করেছেন। সাহাবী বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম আমাদেরকে দিনকে এমনভাবে রেখে গেছেন এই দিনকে যে এখানে আকাশে কোন পাখি উড়লে সে ব্যাপারেও তিনি আমাদেরকে কি জ্ঞান দান করেছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম যে রাসূল আমাদেরকে বাথরুমের নিয়ম কানুন শিখিয়েছেন সেই রাসূল আমাদেরকে আকিদা শিক্ষা দিবেন না সে রাসূল আমাদেরকে শরীয়ার পূর্ণবিধান দিবেন না এই কথা কোন মানুষ ঈমান রাখতে বিশ্বাস করতে পারে না এই কথা যে ব্যক্তি বিশ্বাস করবে সে ব্যক্তি দ্বীনের পূর্ণতায় বিশ্বাসী নয় অথচ আল্লাহ তালা দীনকে পূর্ণ করে দিয়েছেন এই দ্বীনকে শুধু পূর্ণ করেন নাই পূর্ণ বাস্তবায়ন করে দিয়েছেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের যুগে ছোট বড় সবকিছুতে এই দিন রাসূুল্লাহ বাস্তবায়ন করতেন। এমনকি একজন মানুষ পানি কিভাবে খাবে একজন মানুষ কিভাবে বসবে একজন মানুষ কিভাবে শুইবে সেটা পর্যন্ত মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ বর্ণনা করে গেছেন। এটার নাম হচ্ছে শরীয়ত। ছোট জিনিস বর্ণনা করেছেন আর বড় জিনিস ছেড়ে দিয়েছেন। আপনার সেটা কিভাবে বিশ্বাস হতে পারে?।
আল্লাহর ব্যাপারে কি ঈমান রাখতে হবে সেটা বলে দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা। তিনি হচ্ছেন আহকামুল হাকিমিন। সমস্ত বিচারকদের তিনি প্রধান। অর্থাৎ তার চেয়ে বড় বিচারক আর কেউ হতে পারে না। মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেছেন ইন্নাল্লাহু হাকা হুকুম। আল্লাহ তালা তিনি হচ্ছেন বিচারক। তার কাছ থেকে বিচার দিতে হবে। তার কাছ থেকে হুকুম নিতে হবে। এইজন্য ঈমানের মূল কথা হচ্ছে যে আল্লাহ তাআলাকে সবকিছুতেই প্রধান মনে করতে হবে। আকিদার বিষয়ে তিনি আমাদেরকে জানিয়েছেন। কি বিশ্বাস রাখতে হবে? কি বিশ্বাস রাখতে হবে? এখানে কোন ভাষা নেই। আপনাকে আল্লাহ সম্পর্কে কি বিশ্বাস রাখতে হবে তা বলে দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা রব হিসেবে তাকে মানতে হবে। অর্থাৎ তাকে তিনি স্রষ্টা। তিনি মালিক এবং তিনি বিধানদাতা। এটা আপনি মানবেন এবং তিনি যাবতীয় হুকুম দেন তিনি হুকুমে শার যেভাবে দিয়েছেন হুকমে কাউনি সেভাবে দিয়েছেন তার হুকমে কাউনিক আপনি মান প্রাকৃতিক যে হুকুম আছে বিধান আছে সেটা তিনি ধারণ করে দিয়েছেন সূর্যকে বলেছেন পূর্ব দিক থেকে উঠতে সেটা উঠবে আপনাকে বলেছেন ফজরের সালাত পড়তে আপনি পড়বেন এটাই হচ্ছে আল্লাহর বিধান একটাকে বলা হুকুমে কাউনি আরেকটাকে বলা হুকুমেশারী।
আল্লাহ তালা শরীয়তকে পরিপূর্ণ করে দিবেন এটাই তার রুবুবিয়তের দাবি কেউ যদি মনে করে আল্লাহ তাআলা তার দ্বীনকে পূর্ণ করে দেননি সে ব্যক্তি আল্লাহর রবুবিয়তের দোষ ত্রুটি খুঁজছে সে ব্যক্তি ঈমানদার হতে পারে না এজন্য আল্লাহ তাআালার রববিতের দাবি হচ্ছে তিনি মানুষের জন্য শরীয়ত দিবেন এবং দিয়েছেন তিনি মানুষের জন্য শরীয়ত দিয়েছেন এজন্য আল্লাহ তালা কোরআনে কারীম বলেছেন সারকহ আল্লাহতালা বলছেন তোমাদের জন্য সেই শরীয়ত দিয়েছেন শরীয়ত তিনি দিয়েছেন আল্লাহতালা দিয়েছেন তোমাদের জন্য আমাদের সবার জন্য তিনি শরীয়ত দিয়েছেন এমন শরীয়ত যেরকম শরীয়ত তিনি দিয়েছেন আগে নূহকে দিয়েছেন মুসা ঈসা এবং ইব্রাহিম সবাইকে তিনি এই শরীয়ত দিয়েছেন শরীয়তের মধ্যে সেখানে সেখানে আকিদা উভয়টাই সমৃদ্ধ অর্থাৎ এমন এমন পরিপূর্ণ দ্ীন তিনি আমাদেরকে দিয়েছেন যেই পরিপূর্ণ দিনের মধ্যে অন্যদিকে হাত বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই। সুতরাং আল্লাহ তালা আমাদেরকে তিনি শরীয়ত দিয়েছেন। আল্লাহতালা আরো বলেছেন তোমাদের প্রত্যেকের জন্য আমি শরীয়ত এবং পথ নীতিন কিভাবে চলতে হবে সে পথ নির্ধারণ করে দিয়েছি।
আল্লাহতালা আরো বলেছেন তার নবীকে অতঃপর আপনাকে আমরা শরীয়তের উপর রেখেছি। এর বাইরে অন্য কোন তরিকত অন্য কোন হাকিকত বা মারেফতের উপর আমার নবীকে রাখেননি। আল্লাহ তালা বলছেন সুম্মাজনা অতঃপর আমরা আপনাকে শরীয়তের উপর রেখেছি। সুতরাং শরীয়ত মানতে প্রত্যেকটি মানুষ বাধ্য। প্রত্যেকটি বিবেকবান মানুষ প্রত্যেকটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মুসলিম আল্লাহর শরীয়ত মানতে বাধ্য। এমনকি কোন কোন ইমামের নিকট এই শরীয়তের দাবি ঈমানদার কাফির সবার উপরেই কবুল হবে। তখন ঈমান আনবে না হলে তারা গুনাগার হতে থাকবে কেন তারা আল্লাহর শরীয়ত মানবে না আল্লাহর শরীয়ত মানতে প্রতিটি মানুষে বাধ্য এই শরীয়ত মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ বাস্তবায়ন করেছেন তার একটা রাষ্ট্র ছিল মদিনা রাষ্ট্র সেই রাষ্ট্রে তিনি আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন শান্তি অনাদিন শান্তিতে পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছিল এই শরীয়ত বাস্তবায়ন করেছেন খোলাফায়ে রাশেদা আবু বকর ওমর ওসমান আলী তারা এ আল্লাহ শরীয়ত বাস্তবায়ন করেছেন আর কোনদিকে তারা হাত বাড়াননি। এজন্য সেজন্য শান্তিতে ভরপুর ছিল। এই শরীয়তের উপরে চলেছে বনি উমাইয়ারা। বনি উমাইয়ারা আল্লাহর শরীয়তের বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোন ছাড় দেয়নি। নিজেরা ভুল ভ্রান্তি করেছে। কিন্তু শরীয়তের ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়নি। এটার নামই হচ্ছে তার কারণ তারা এটা বুঝতেন যে আল্লাহর শরীয়ত মানা হচ্ছে ফরজ আইন। প্রতিটি মানুষকেই মানতে হবে।
শুধু কোন একক নয় বা রাষ্ট্র নয় বা ব্যক্তি নয়। বরং ব্যক্তি তার পরিবারের শরীয়ত মানবে নিজের ব্যাপারে শরীয়ত মানবে আল্লাহ তালা বলছেন আল্লাহ তালা কোরআন কারীম বলছেন নিজে বাঁচাও পরিবারকে বাঁচাও বাঁচতে হলে আল্লাহর শরীয়তকে ধারণ করতে হবে আল্লাহর শরীয়তকে ধারণ না করার কারণে আমাদের মধ্যে আজ যত রকমের অশান্তি বিরাজ করছে পরিবারেও আপনার আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়ন করতে হবে এবং সমাজেও এবং বিচার ব্যবস্থাও রাষ্ট্রতে সব জায়গাতে যদি আল্লাহর শরীর বাস্তবায়িত থাকতো তাহলে আর কারো এই অশান্তি যে জিনিসটা সারা দুনিয়াতে বিরাজ করছে তা থাকতো না। কারণ ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রহমাতুল্লাহ আলাই সময় যখন শরীয়ত পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়েছিল তখন একটা নারী হজ করতে চলে আসতে পারতো। একটা নারী মক্কা থেকে আরেক দেশে সফর করতে পারতো। কারো আশঙ্কা সে করতো না। আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত হলে দেশের দেশে যে সম্পদ বিদেশে লুট হয়েছে সেগুলির শাস্তি যথাযথ বাস্তবায় বাস্তবায়িত হতো। আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত হলে একে অপরের প্রতি আক্রমণ করার সাহস করতো না। আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত হলে তথাকথিত মব সৃষ্টির সুযোগ থাকতো না। আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত হলে মানুষ আল্লাহর দ্বীনকে ভালোবাসতো এবং মানুষ মনে করত তারা কত শান্তিতে বসবাস করছে।
একটি ব্যভিচারের শাস্তি যদি আজ বাস্তবায়িত হয় দেখবেন যে লক্ষ লক্ষ অপরাধী ঘরে ঢুকে গেছে। একটি হাত একটি চোরের চোরের চুরির বিচার যদি আজ বাস্তবায়িত হয় দেখবেন যে সারা বিশ্বের অনেক জায়গাতেই এ অনাচার কমে গেছে একটি দেশে আমরা বসবাস করে এসেছি ১৫ বছর ছিলাম যে দেশে আল্লাহর শরীয়তে শুধু হলুদগুলো জারি আছে তাতেই শান্তি যা দেখেছি আমাদের জীবনে সেটা কোনদিন ভুলতে পারবো না টাকা পয়সা পকেটে নিয়ে আপনি হাটেন কেউ চিন্তা করবে না যে আপনার পকেট থেকে কেউ পকেটে কেউ হাত দিবে কারণ হাত তার কাছে অনেক বেশি মূল্যবান। পকেটে হাত দিয়ে হাত খোয়ানোর চিন্তা সে ব্যক্তি করবে না। আপনি ভালো করেই বুঝেন। আল্লাহর শরীয়ত যদি বাস্তবায়িত হয় তাহলে এই মাদকতায় দেশ ভরে যাবে না। আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত হলে হেরোইনে দুনিয়া ভর্তি হবে না। মাদক দিয়ে আজ যুব সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন ছাত্রদেরকে আজ নষ্ট করা হচ্ছে মাদক দিয়ে। যুবকদের নষ্টের একটা কারণ হচ্ছে। কারণ হচ্ছে মাদকতা। যারা মাদকতা নিয়ে দেশে প্রবেশ করে বা মাদকতা ব্যবসা করে আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত থাকলে তাদেরকে হদ্দু হেরাবা জারি করা হতো। হদুল হেরাবা অর্থ হচ্ছে মৃত্যুদন্ড এবং বিভিন্নভাবে মৃত্যুদন্ড। যারা দুনিয়ার বুকে ফাসাদ সৃষ্টি করতে চায় আল্লাহ তালা তাদেরকে কোনদিন ছাড় দেননি। আল্লাহ বলে দিয়েছেন ইন্নাল্লাহস আল্লাহতালা বলছেন যে যদি যারা দুনিয়ার বুকে ফেতনা ফাসাদ তৈরি করতে চায় ফেতনা ফাসাদের মূল উৎপাঠন করার জন্য আল্লাহর একটি বিধানে যথেষ্ট সেটা হচ্ছে হেরাবা কিভাবে হেরাবা বাস্তবায়িত করতে আপনি বুঝতে পারবেন যেখানেই ম সৃষ্টি করবে কেউ যেখানেই সমস্যা তৈরি করবে আল্লাহর বিধান যদি বাস্তবায়িত হতো অনেক সমস্যার আজ সমাধান আপনি দেখতে পেতেন কিন্তু তারা আল্লাহর বিধানকে বাস্তবায়িত করতে চায় না। নিজেরা এমন সব বিধান বানাচ্ছে যেই বিধানের মাধ্যমে শান্তি তারা কোনদিন খুঁজে পাবে না।
একটা বিশাল সময় আল্লাহর বিধান দিয়ে সারা দুনিয়া চলেছে। আপনি আশ্চর্য হবেন। এই দেশেও সুলতানি আমল পর্যন্ত আল্লাহর বিধান বাস্তবায়িত ছিল। এমনকি মোগলরা আসা পর্যন্ত আল্লাহর বিধানে একমাত্র এদেশে চলেছে। মোগলরা আসার পরে তারা সাক নিয়ে এসেছে। অর্থাৎ এটা পরিবর্তিত একটা বিধান তারা চালু করেছে। তারপরও তারা আল্লাহর শরীয়তে হাত দিতে সাহস করেনি। বরং আল্লাহর শরীয়তে ইংরেজরা পর্যন্ত হাত দেয়নি। এখন মুসলিম নামধারী যারা আল্লাহর শরীয়ত পরিবর্তন করেছে তারা আল্লাহকে ভয় করা উচিত? তারা কি আল্লাহর কাছে যাবে না? তারা কি আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে না? যারা আল্লাহর শরীয়তকে পরিবর্তন করে তারা তো ঈমানদার হতে পারে না। সুতরাং ঈমানদার কখনো চিন্তা করতে পারে না কিভাবে আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত হবে কি হবে না পারবো এটা বলবে না। বলবে কিভাবে করতে হবে এই চিন্তা তার থাকতে হবে যে আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত হতেই হবে। আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত না হলে আল্লাহ তাআলা কোন কাউকে সেটাকে ছাড় দিবেন না। পরিবারের যিনি পরিচালক তাকেও তিনি ছাড় দেবেন না। তার পরিবার আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত না হলে তেমনিভাবে যিনি ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আছেন তাকেও ছাড়বেন না। যিনি এমপি সাহেব আছেন তাকেও ছাড়বেন না। যিনি বিচারক আছেন তাকেও ছাড়বেন না। যিনি পুলিশের প্রধান আছেন তাকেও ছাড়বেন না। যিনি রাষ্ট্রপ্রধান আছে তাকেও ছাড়বেন না। আল্লাহ তাআলা তিনি ছাড় দেন। একেবারে ছেড়ে দেন না। যখন তিনি পাকড়াও করবেন তখন আপনার আর কিছু বলার থাকবে না।
হাশরের দিন যতই বলেন এই কত রকমের ওজর নিয়ে আসবে। রাব্বি তারা আল্লাহ রব আমাকে ফেরত দিক এরপরে গেলে খুব ভালো কাজ করে আসবো আল্লাহ তালা কাল্লা কখনো না ফিরে যাওয়ার আর কোন সমুযোগ তোমাদের নেই একবারেই পৃথিবীতে এসেছেন এই পৃথিবীতে একবারেই পৃথিবীতে এসেছেন আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন করার জন্য যার যেখানে যতটুকু সামর্থ্য আছে সেটা করে যাবেন আপনি আপনার অধীনস্থদের উপর আপনি রাখাল আল্লাহতালা আপনাকে রাখালীপনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন আল্লাহ তাআলা বলছেন আলা কুল্ক আল্লাহ রাসূ সলা বলেছেন আলা তোমাদের প্রত্যেককেই রাখাল এবং তোমাদের প্রত্যেককে সেই রাখালীপনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে একজন মানুষ তার অধীনস্থদের ব্যাপারে রাখাল এর অর্থ হচ্ছে যে যত বড় দায়িত্ব তার কর্তব্য তত বেশি একজন মানুষ যত বড় দায়িত্বশীল হবেন তার কর্তব্য তত বেশি হবে এজন্য সালফে সা অনেকেই দায়িত্ব নিতে চাইতেন না ইমাম আবু আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ আলাইহ তিনি দায়িত্ব নেননি। কেন নেননি? তিনি বলেছিলেন যে তোমার গুনাহর ভাগ আমি নিতে পারবো না। এটাই হচ্ছে ঈমানদারের কাজ। দায়িত্ব নেয়ার জন্য যতটুকু আমরা পাগল আমাদের পুরুষবর্তী শাসকপূর্ববর্তী আলেমরা দায়িত্ব থেকে দূরে থাকার জন্য তত বেশি গুরুত্ব দিতেন। কারণ তারা জানেন যে এই দায়িত্ব একবার কাঁধে নিলে হাশরের দিন সেটার জন্য জবাবদিহি করতে হবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তার কাছে একদিন আবু রাদিয়াল্লাহু বললেন আবু রাদি বললেন ইয়া রাসূল্লাহ আমাকে কোথাও কি আপনি শাসক বানাবেন না আমাকে দায়িত্ব দিবেন না তিনি বলছেন আবু ইন্না আবু তুমি দুর্বল মানুষ অর্থাৎ দুর্বল মানে শরীর দুর্বল না মদ দেয়াতে দুর্বল তুমি শাসন করতে দুর্বল তুমি সেটা করতে পারবে না আমানা এই শাসন ক্ষমতা হচ্ছে আমানা তুমি তোমার পরিবারের উপর আমানত রক্ষা করতে হবে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে প্রত্যেকটি মানুষ এটার আমানতের অধীন এজন্য তিনি বলেছেন আবু রাদিয়াল্লাহুকে এটা হচ্ছে আমানত একটা দায়িত্ব নেয়াই বড় কথা নয় দায়িত্ব পালন করা বড় কথা যদি সেটা আল্লাহর শরীয়া মোতাবেক না হয় আল্লাহ তালা সেখানে আপনাকে ছাড় দিবেন না আল্লাহ বলেছেন কিয়ামতের দিন এই যে তুমি আজ দায়িত্বের জন্য আকাঙ্ক্ষিত হচ্ছ তোমার আফসোসের কারণ হবে এবং তোমার লজ্জার কারণ হবে এবং তোমার নিন্দার কারণ হবে সারা মানুষেরা বিশ্বের সবার সামনে তোমার পিছনে তখন লাগিয়ে দেয়া হবে যে এই লোকটি গাদ্দার ছিল আল্লাহর দ্বীনের সাথে বেওফাই করেছে আল্লাহর দ্বীনকে মেনে চলেনি আল্লাহর শরীয়তকে মেনে চলেনি বরং পরিবর্তন করে দিয়েছে অথবা আল্লাহর শরীয়ত থেকে মুখ ফিরিয়ে থেকেছে তখন কি অবস্থা হবে একটু চিন্তা করে দেখুন আপনার।
এজন্য রাসূুল্লাহ একটি হাদিসে তিনি বলেছেন কেয়ামতের মাঠে বিচারক বলবে আফসোস করবে হায় আমি যদি দুজন মানুষের মধ্যে বিচার না করতাম কঠিন অবস্থা একজন মানুষ যদি ঈমানের উপর থাকে তার ব্যাপারে বিচারক এবং শাসকরা ঈমানের উপর তার সুসংবাদ দেয়া হয়েছে কি বলা হয়েছে ইমামুন আদেল যে শাসক ইনসাফকারী হবে আরশের নিচে সে ছায়া পাবে হাশরের মাঠে যখন কোন ছায়া থাকবে না আরশের নিচে সে ছায়া পাবে আবার যে ব্যক্তি জালেম হবে সেই ব্যক্তি যদি মূর্তের সাথে হয় তার হাশর হবে ফেরাউনের সাথে তার হাশর হবে আবু জাহেলের সাথে কোন পক্ষ নিবেন আপনি দুনিয়াতে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন কারণ এখানে সিদ্ধান্ত নেয়ার জায়গা রয়েছে একজন মানুষ কখনো আল্লাহর দ্বীন সম্পর্কে উদাসীন থাকতে পারে না উদাসীন থাকা পড়বো না পড়তে দিবও না অর্থাৎ পড়ার গুরুত্ব দিব না এটা আল্লাহর দ্বীন সম্পর্কে চলতে পারে না আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন তার থেকে বড় জালেম আর কেউ নেই যাকে আল্লাহর দীন সম্পর্কে সাবধান করা হয়েছে তাকে বলা হচ্ছে যে দনের বিধান এটা তারপর সে মুখ ফিরিয়ে থাকে আল্লাহ তালা বলছেন ইন্না মুজমিতাম মুজমদের থেকে অবশ্যই আমি কঠিন শাস্তি দেব মুজমদেরকে আল্লাহ তালা যেটা বলেছেন এটা বাস্তবায়ন অবশ্যই করবেন।
আপনি মনে করার কোন কারণ নাই যে মরে গেলেই শেষ শেষ হয়ে গেলেন। মরার পরে হাশরের মাঠে আমাদের প্রত্যেককে তার আমল নিয়ে হাজির হতে হবে। ব্যক্তি তার আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। সেদিন জিজ্ঞাসা আল্লাহতালা কোরআনে কারীম শেষ যে আয়াতটি নাজিল হয়েছে সেদিনকে সেদিনকে ভয় কর যেদিন তোমরা তোমার রবের সামনে উপস্থিত হবে। দুনিয়ার যা অর্জন কর পরিপূর্ণ তাকে দেয়া হবে। ভালো হলে ভালো পাবেন। ভালো দিলে ভালো পাবেন। খারাপ দিলে খারাপ পাবেন। মানুষের মুখে আপনার প্রশংসা দুনিয়াতেও থাকবে। ভালো বললে আর খারাপের কথাটা দুনিয়াতেও খারাপ হিসেবে থাকবে। জিয়াউর রহমান যখন আমাদের সংবিধানে বিসমিল্লাহ সংযোজন করেছিলেন এটা প্রশংসিত হয়েছিল কেয়ামত পর্যন্ত যতদিন থাকবে প্রশংসিত হবে। আবার যারা দ্বীনকে পরিবর্তন করে দিয়েছেন কোন সব এমন সব শব্দ সেখানে ঢুকিয়েছেন আল্লাহর দ্বীন বিরোধী তারাও নিন্দিত হবে আমাদের দুনিয়ার মানুষের কাছে নিন্দিত হবে আল্লাহর কাছেও তেমনি তারা নিন্দিত তারা যদি তওবা করে না গিয়ে থাকে তাদের অবস্থান খুবই খারাপ হবে এজন্য প্রত্যেকটি মানুষ তার অবস্থান সম্পর্কে জানবেন যে আপনি কতটুকু আল্লাহর দ্বীনের মধ্যে আছেন ততটুকু আল্লাহর কাছে আপনি প্রিয় হবেন।
আল্লাহর শরীয়ত যে ব্যক্তি মানবে না সে ব্যক্তি যত রকমের যত পদ্ধতি করুক না কেন শান্তি আনতে পারবে না। শান্তি আনার জন্য আল্লাহর শরীয়তকে মানতে হবে। আল্লাহ তালা শরীয়তকে দিয়েছেন ঘাট হিসেবে। শরীয়া শব্দের অর্থই হচ্ছে ঘাট। যে ঘাটে গেলে পানি পান করা যায়। আপনি যদি কোন সেই ঘাটে না অবতরণ না করেন পানি পাবেন না। জগতের মানুষ পানি না পাইলে বেঁচে থাকতে পারে না। আল্লাহর দ্বীনের জন্য আল্লাহর শরীয়ত যদি আপনিের হাতে নেন আপনি বেঁচে থাকতে পারবেন। জাহিল যুগের মানুষগুলো অশান্তিতে কেন ছিল? কারণ তারা শরীয়তে ছিল না। শরীয়ত যদি মানতো আকিদা যদি বিশুদ্ধ হতো তারা অশান্তি থাকতে পারতো না। তাদেরকে কেন জাহেলিয়ায়ত বলা হয়? কারণ তারা আল্লাহর শরীয়ত মানেনি। আল্লাহর শরীয়ত পায়নি এবং মানেনি। আমরা আল্লাহর শরীয়ত মেনেছি। তারপর আমরা আল্লাহর শরীয়তকে দূরে ঠেলে রাখলে আমরা শান্তি পাবো না। আমরা জাহেলিয়াতের বিবাহ বিচারণ করব। আল্লাহ এজন্য বলছেন তারা কি তবে জাহিলিয়াতের বিধান চাচ্ছে? তারা কি জাহিলিয়াতের হুকুম চাচ্ছে? আল্লাহর শরীয়ত বিরোধী বিধান কি তারা চাচ্ছে? যারা আল্লাহর উপর ইয়াকিন রাখে আল্লাহর উপর দৃঢ় বিশ্বাস রাখে। তাদের জন্য আল্লাহর বিধানের চেয়ে উত্তম কোন বিধান কি কোত থেকে আসবে কে হুকুম দিতে পারে আল্লাহর বিধানের চেয়ে উত্তম আল্লাহ তালা কেন আপনার জন্য উত্তম বিধান দিয়েছেন কারণ তিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন তিনি জানেন আপনার জন্য কোনটা উপযোগী আল্লাহ তালা বলছেন আলালাম যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি কি জানেন না আপনার কোন কানে কি দরকার আপনার জন্য যে বিধানটি দরকার আপনার জন্য যে শরীয়ত কি দরকার আপনার জন্য যা যা দরকার সেটাই তিনি আপনার জন্য দিয়েছেন।
আপনি একটু চিন্তা করেন। শুধু এবাদাত এবং মোমেলাতের কথা চিন্তা করেন। অন্যগুলি আমরা বললাম না। যদি আপনি একটু চিন্তা করেন বিয়ের ব্যবস্থাপনা না থাকতো জগত অনাচারে ভর্তি হয়ে যেত। সন্তান সন্ততির দায়িত্ব কেউ নিত না। এবং জগতের মধ্যে যেই সমস্যা তৈরি হতো সেই সমস্যার কোন কিছুই কেউ কোনদিন সমাধান করতে পারতো না। আল্লাহর পক্ষ থেকে বিয়ের সমাধান দিয়েছেন তার শরীয়তের মাধ্যমে। একটা পরিবারের ক্ষেত্রে তালাকের সমাজ তালাকেরও বিধান দিয়েছেন। আর কিভাবে কিভাবে শান্তি আসবে সেটার ব্যবস্থাপনাও আল্লাহ শরীয়ত দিয়েছেন শুধু পরিবারের মধ্যে। যদি পরিবারের মধ্যে আল্লাহ ব্যবস্থা করতে পারেন একটি রাষ্ট্র একটি পরিবার আল্লাহর বিধানকে যদি বাস্তবায়ন করেন আল্লাহর শরীয়তকে যদি মেনে চলেন অবশ্যই সেখানে শান্তি আসবে। কোন কারো রক্তচক্ষুকে ভয় না করে লাফিল্লাহ তিরস্কারকারী তিরস্কারকে ভয় না করে যদি একমাত্র আল্লাহকে আল্লাহকে ভয় করার জন্য ভয় করে আপনি চলতে পারেন দুনিয়াতেও আপনি প্রশংসিত হবেন আখেরাতেও আপনি আরশের নিচে ছায়া পাবেন প্রত্যেকটি মানুষের প্রতিটা বুঝা এবং এটা অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে আল্লাহর বিধান ছাড়া যত রকমের বিধান আছে আল্লাহর শরীয়ত ছাড়া অন্য যত শরীয়ত আছে অন্য যত বিধান কানুন আইন মানুষ চালু করেছে। এগুলি বাস্তবতা হচ্ছে এটা যে এগুলি কোনদিন তার উদ্দেশ্য উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারবে না। আজ একটি আইন বানায় কালকে আইনটা পরিবর্তন করে। কেন? কারণ এ আইন তার তার অবস্থা হারিয়েছে। অবস্থান হারিয়েছে। এ আইনে আর সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। নতুন আরেকটি বানায়। আরেকজন এসে আরেকটি বানায়। এত আইন আপনার বানাতে হবে না। যদি আল্লাহর শরীয়তকে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করুন।
আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত ছিল। আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত ছিল। আল্লাহর শরীয়তকে পরিবর্তন না করলে এত অশান্তিতে জগত ভরে যেত না। আপনাদের পরিবার থেকে তা শুরু করতে হবে। শাসকের যেমন দায়িত্ব তা শাসিতেরও তা দায়িত্ব যে আমি শরীয়ত ছাড়া কিছু মানবো না। এটা ঈমানদার প্রত্যেকটি শাসিতের ব্যক্তিরও দায়িত্ব। শাসকেরও তেমনি দায়িত্ব রয়েছে। আল্লাহর শরীয়তকে মেনে চলা। মনে রাখবেন আল্লাহর শরীয়ত এবং জাগতিক বিধানের মধ্যে কোন মিল সৃষ্টি করার চেষ্টাও জায়েজ হবে না। হ্যা যদি যেখানে আল্লাহর বিধান নির্ধারিত নয় সেখানে আপনি বিচারক তার সুবি বিবেচনা দ্বারা বিচার করতে পারবেন। কিন্তু যেখানেই নির্ধারিত আছে। আল্লাহর বিধান নির্ধারিত আছে। অনেক জায়গাতে আছে। পরিবারে আছে। বিচার ব্যবস্থার প্রত্যেকটি জায়গাতে আল্লাহর বিধানে কিছু না কিছু দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেগুলি অনুসারে যদি কোন কেউ বিচার করে তাহলে সে শান্তি পাবে। আর যদি কেউ মনে করে দুইটার মধ্যে মিল করব কোন রকমে একটু মানবো এটা মানবো এটা কিছু মানব এটা কিছু মানব। আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন তারাই হচ্ছে প্রকৃত কাফের। আল্লাহর কথার এরপরে কি বলেছেন কাফমা যারা কাফের তাদের জন্য আল্লাহ তালা কঠিন শাস্তি ব্যবস্থাপনা করে রেখেছেন কিছু মানি কিছু মানি না এটা চলবে না আপনাকে আল্লাহর দীন পরিপূর্ণ মেনে চলতে হবে।
আল্লাহ তালা বলছেন আলা আল্লাহতালাবাদ যাচ্ আপনি কি দেখেননি ওই ব্যক্তিকে যে তাদেরকে যারা মনে করে তারা ঈমান এনেছে আমরা সবাই মনে করি আমরা ঈমান আল্লাহর উপর ঈমান কিতাবের আগে সব আমরা সবাই মনে করি আল্লাহ বলছেন তারা চায় বিচারটা যেন ঈমান আনার কথা বলে আবার বিচারটা যেন তাতের কাছে হচ্ছে আল্লাহ বিরোধী প্রতিটি শক্তি শক্তি আল্লাহর বিধান বিরোধী প্রত্যেকটি শক্তি তগুত। আল্লাহর বিধান বিরোধী প্রত্যেকটি ব্যক্তি তয়াগুত হইতে পারে। আল্লাহর বিধান বিরোধী প্রত্যেকটি মাজারও তগুত হইতে পারে। কারণ আল্লাহ আল্লাহ শরীয়ত নষ্ট করে। আল্লাহ তাালার উপর কি আকিদা রাখতে হবে সে নষ্ট করে দেয়। এজন্য যারা বিচারপার্থীর জন্য তাগুতদের কাছে যায় তাদের ব্যাপারে আল্লাহ সাবধান করেছেন যে আল্লাহতালা বলছেন তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে ঈমানদারদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যেন তাগুতের সাথে কুফরি করে। করে শয়তান চায় তাদেরকে পথভদ্রষ্টতায় অনেক দূরে নিয়ে যেতে যারা আজ আল্লাহর শরীয়ত থেকে দূরে সরে যায় আল্লাহ তালা দেয়া কোরআন বিধান থেকে হাদিসের নির্দেশনা থেকে দূরে সরে যায় তারা শয়তানের খপড়ে পড়েছে শয়তান চায় তাদেরকে অনেক দূরে সরিয়ে নিয়ে যেতে শয়তান কখনো তাদের ভালো চায় না ইন্নাশয়তলা শয়তান তোমাদের জন্য শত্রু তাকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ করো।
এইজন্য যারা এরকম করে যে ইমারানসি মনে করে আবার কিন্তু বিচার ভালো লাগে না ইমরানসি মনে করে কিন্তু ওই হুকুমটা ভালো লাগে না আল্লাহ তালা তাদেরকে বলছেন তারা তারা শয়তানের খপপরে পড়ে গেছে এরপর আল্লাহতালা বলছেন যখন তাদেরকে বলা হয় আসো আল্লাহ যা নাযিল করেছেন এবং রাসূল যা বলেছেন অর্থাৎ আল্লাহ যা নাযিল করেছেন কোরআনে রাসূল যা বলেছেন তার হাদিসে এইটার দিকে আসো তখন দেখতে পাবেন কিছু মানুষকে এই পথ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে মানুষকে বাধা দিচ্ছে আল্লাহতালা তাদেরকে বলছেন মুনাফে তারা মুনাফেক তাদের মুখের কথা আর তাদের আমল এক হয়নি তারা মুনাফে আল্লাহতালা তারপর বলছেন তারা যে অপরাধ করেছে এ অপরাধের কারণে তাদের যদি বিপদ হয়ে যায় আজ আমরা যে বিপদে নি তার কারণ হচ্ছে আল্লাহর শরীয়তকে মেনে চলছে কোরআন এবং হাদিসকে মেনে চলছি না। এজন্য তাদের মুসিবত হয়ে গেলে কি হবে? আল্লাহতালা বলছেন মসিবত আসলে তারা কি বলেনাবিল্লাহ আপনার কাছে এসে বলবে আমরা যে একটু মানছি একটু মানি নাই কিছু মানি কিছু মানি না বিষয়টা ছিল এটাতো উদ্দেশ্য ছিল ভালো করার উদ্দেশ্য ছিল। আমরা কোন খারাপ চিন্তা করি নাই। আমরা চেয়েছি একটা সমন্বয় করতে চেয়েছি। কিন্তু সমন্বয় করাটা এই নীতি ইসলাম অনুমোদন করে না। যত কেউ সমন্বয় করে মনে রাখতে হবে আল্লাহ তাআালার আয়াত বিরোধী কথা বলেছে। আল্লাহ বলছে মুনাফিকরা এসে বলতো যে আমরা তো ভালো চেয়েছি। আমরা তো সমন্বয় করতে চেয়েছি। আল্লাহ তালা এটা অনুমোদন করেননি। সূরা নিসার ৬০ থেকে ৬২ নম্বর আয়াত আমি আপনাদের সামনে তেলাওয়াত করে শুনিয়েছি। আপনারা বাসায় গিয়ে তাফসীর দেখবেন। তাফসীর ইবনে কাসীর দেখবেন কোন সমস্যা নেই।
এরপর আল্লাহতালা কি বলেন? এরাই ওই সমস্ত সম্প্রদায় যারা আল্লাহ তালা জানেন তাদের অন্তরে কি আছে আপনি হয়তো মুখে বলছেন আমি ভালো চাচ্ছি আল্লাহতালাছেন তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন নবী সলা তাদের থেকে মুখ ফিতে বলেছেন কারণ তারা ঈমানদার নয় তারা সঠিক ঈমানদার নয় তারা মুখের কথা বলছে তারা মুনাফে তাদেরকে নসিহত করুন যেন ফিরে আসে তাদেরকে এমন ভাষায় চিত্তাকশক ভাষায় তাদেরকে বুঝিয়ে দিন যদি তারা ফিরে আসে তাদের এই ঈমানের দিকে ফিরে আসে আল্লাহর বিধানকে তারা যেন বাস্তবায়ন করতে আসে সূরা ৬৩ নম্বর আয়াত আমি পড়েছি।
তারপর আল্লাহতালা বলছেন এতক্ষণ পরে যত কিছু বলছে বুঝেছেন সেটা হচ্ছে কিছু মানুষ থাকবে এটা কিছু মানুষটা থাকবে তারপর বলছেন আল্লাহ তালা নসিহত করার পরেও না শুনলে বলছেন লা রব্বিক আপনার রবের শপথ করে বলছি অর্থাৎ নিজের শপথ করে আল্লাহ নিজে বলছেন লাইতার তারা ঈমানদার হইতে পারবে না তারা ঈমানদার হতে পারবে না তাদের মধ্যে যা যা ঘটবে প্রতি বিষয়ে আপনার কাছে ফয়সালা যেন না আসবে অর্থাৎ আল্লাহর শরীয়তের কাছে ফয়সালার জন্য যদি কেউ না আসে আসতে রাজি না হয় তাহলে ঈমানদার হতে পারবে না আমার কথা আল্লাহ বলেছে ঈমানদার হতে পারবে আপনি যে ফয়সালা দিবেন আল্লাহর শরীয়ত হচ্ছে রসূলের ফয়সালা রসূলের ফয়সালা হচ্ছে শরীয়ত এই শরীয়ত যে ব্যক্তি মানতে অন্তরের মধ্যে দিদা থাকবে আল্লাহতালা বলছেনমা যতক্ষণ পর্যন্ত অন্তর দিদা থাকবে আপনার ফয়সাল মেনে নেয়ার মত মেনে নিবে না ততক্ষণ পর্যন্ত তারা ঈমানদার হতে পারবে না এর অর্থ হচ্ছে ছোট বড় কোন কিছুকে আপনি বলে করতে পারবেন না যে এটা কিভাবে হলো কেউ বাম হাতে পানি খাচ্ছে দেখে আপনি বললেন বাম হাতে খাইতে রাসূুল্লাহ নিষেধ করেছেন সে মনে করল যে ডান হাত বাম হাত একই রকম সে খেয়ে ফেলল আপনি মনে করেন না যে সেই ব্যক্তি পার পেয়ে যাবে সে ব্যক্তি এই কথার পরে আর ঈমানদার থাকতে পারবে না যদি এ কথা বলে যদি তাকে জানানো হয় যে রাসূ এটা করেছেন মনে রাখবেন কখনো কখনো এই যে এটার নাম হল বলা অস্বীকার করার কারণে কাফের হয়ে যায় আল্লাহর বিধান মানতে অস্বীকার করলে কাফের হয়ে যায় অনুরূপভাবে আল্লাহর বিধান নিয়ে কেউ যদি কোন ঠাট্টা করে সেও কাফের হয়ে যায়। কাফের হওয়ার ক্ষেত্রে অনেকগুলো সূত্র আছে। অনেকগুলো কারণে কাফের হয়ে যায়। সুতরাং আল্লাহর বিধানকে আপনি ধারণ করতে হবে। আল্লাহর শরীয়তকে বাস্তবায়নের চেষ্টা আপনার করতেই হবে।
দ্বিতীয় যে কথাটি বলব তা হচ্ছে এ উম্মতের জন্য যদি আপনি পরিপূর্ণ শান্তি চান শান্তি চান, যদি নিরাপত্তা চান অবশ্যই আপনাকে আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়ন করতে হবে। আল্লাহ তালা কোরআনে কারীম বলেছেনল্লাহ ঈমানদারগণ তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে সবাই মিলে ধারণ করো। আল্লাহর রজ্জু কোনটা? আল্লাহর রজ্জু তো আল্লাহর কোরআন। রসূলের হাদিস। আল্লাহর রজ্য হচ্ছে ইসলাম। আল্লাহর রজ্য হচ্ছে আল্লাহর শরীয়ত। এগুলি যদি কোন কেউ যদি কোন আকে না ধরে আল্লাহর নির্দেশের বিরুদ্ধে চলেছে। আল্লাহতালা এই ব্যাপারে বিচ্ছিন্ন হওয়ার কোন সুযোগ নেই। স্মরণ করো তোমাদের আল্লাহর নেয়ামতকে তোমরা শত্রু ছিলে জাহেলি যুগে সবাই একে অপরের হানাহানি মারামারিতে ছিল আল্লাহতালা বলছেন শত্রুত্ব দূর করে তিনি তোমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দিয়েছেন তোমরা পরস্পর মুসলিম হয়ে গেলে তোমরা পরস্পর আত্মীয়তার বন্ধনের মত বন্ধন হয়ে গেল তোমাদের মাতৃত্ব বন্ধনের মত বন্ধন হয়ে গেল কিভাবে হল আল্লাহর শরীয়তের মাধ্যমে শুধু যদি আপনি চান নিরাপত্তা চান যদি ভালো চান যদি আপনি আপনার ভালো চান দেশের ভালো চান ১০ এর ভালো চান আপনাকে আল্লাহর শরীয়তের কাছে ফিরে আসতেই হবে সূরা আল ইমরান ১০৩ নম্বর আয়াত আমি আপনাদের আপনাদের কাছে সেজন্য বলে আপনাদের কাছে আমি উচ্চারণ করেছি।
আল্লাহতালা আরো বলেছেন আপনি আজ চান ঐক্য চান আমরা সবাই ঐক্যের কথাই বলি ঐক্য যদি চান আল্লাহর শরীয়তের কাছে ফিরে আসতে হবে। ঐক্য থাকার কারণেই আমাদের সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে আল্লাহ তালা বলছেন যে আপনি দুনিয়ার সব টাকা ব্যয় করলেও এই মনের মনস্তাত্বিক দূরত্ব দূর করতে পারতেন না কিন্তু তাদের সব দূরত্ব ঘুসে গেছে যখন তারা ঈমান এনেছে বেলাল হাবশা মানুষ হয়েও ভাই হয়েছে আবু বকরের তেমনিভাবে তেমনি সোহাইবার রুমে রুম দেশের মানুষ হয়েও আফ ইউরোপিয়ান হয়েও সাহাবায়ে কেরামের ভাই হয়েছে সালমান ফারেসী তিনি পারস্য দেশের লোক হয়েও সাহাবায়ে কেরামের ভাই হয়েছে। আবার আবু জাহাল কাছের মানুষও দূরের হয়ে গেছে। কারণ ঈমানের শরীয়ত মানেনি। সেজন্য আল্লাহর শরীয়ত যারা মানবে না, আল্লাহর শরীয়তকে যারা বাস্তবায়িত করবে না, কোনদিন শান্তির ফলস তারা পাবে না। শান্তি যদি পেতে হয়, ঐক্য যদি ধরে রাখতে হয়, আল্লাহর শরীয়তের উপর ঐক্য করতে হবে। এজন্য আল্লাহর শরীয়ত মানার ব্যাপারে কোন রকমের ছাড় চলবে না। দুর্ভাগ্যবসত অনেকেই বসে বসে এখনো চিন্তা করছে সব কি মানতে হবে নাকি? সব মানতে হবে। কোন কিছু বাদ দেয়া যাবে না। কোন কিছু বাদ দেয়া যাবে না। পীর ছোট বড় কোন কিছু বাদ দেয়া যাবে না। আপনাদের কাছে তাফসীর ইবনে কাসীর আছে। সূরায়ে মায়েদার ৫০ নম্বর আয়াতে তাফসীর পড়বেন। আপনি বুঝতে পারবেন যে যুগে যুগে আলেমরা বলে গেছেন যে ছোট বড় কোন কিছু আল্লাহর শরীয়তের বাদ দেয়ার মতো না। কোন কিছু কেউ বাদ দিতে পারবে না। সব মেনে নিতে হবে।
চতুর্থ যে কথাটি বলব সেটা হচ্ছে এই দেশে যারা শত্রুরা গেড়ে বসেছে কাফেররা এদের একমাত্র অস্ত্র হচ্ছে আল্লাহর শরীয় বিরোধী বিধিবিধান আল্লাহর শরীয়ত থাকার কারণে আমি নিজে দেখেছি আমি একবার কাসিম আল কাসিমে ছিলাম সৌদি আরবের সেখানে সাধারণত অনেক কাফের দেশের লোকেরা থাকে তারা কি করত যখনই আযান হতো তারা ঘরের দরজা বন্ধ করতো দোকানের দরজা বন্ধ করতো তারা এই কথা কোনদিন বলতো না যে আমরা খুলে রাখবো এটা নয়। কারণ তারাও আল্লাহর শরীয়তের তারাও মুসলিম দেশে আল্লাহর শরীয়তের নির্দেশের কাছে হার মানতে বাধ্য। তারা আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়ন করে আমল করতে পারবে না। কিন্তু আল্লাহর শরীয়তের বিরোধিতা তারা করতে পারবে না। আর যখন আমরা আমাদের শরীয়ত ছেড়ে দিয়েছি তাদের কাছ থেকে যখন বিধান নিয়েছি তারা যেভাবে বলে আমরা সেভাবে চলি। তারা নতুন নতুন বিধান জারি করে দেয়। হঠাৎ করে দেখবেন তারা এলজিপিটি কিও চালু করে পাঠিয়ে দিছে আপনার দেশে। আপনি বসে বসে এটা বাস্তবায়নের জন্য এখন লোক খুজতেছেন লক্ষ কোটি কোটি ডলার নিয়ে নেমেছে তারা এ দেশকে মানুষ শূন্য করার জন্য পুরুষ শূন্য করার জন্য এদেশকে বিয়ে শূন্য করার জন্য আর আপনি তাতে পা দিবেন এটা কেন দিয়েছে তারা এই সাহস কেন করেছে যখন আপনি আল্লাহর শরীয়তকে সেখানে পাশ কাটিয়ে গেছেন আল্লাহর শরীয়ত থাকলে তারা সেটা বলতে পারতো না যেমনি তারা সৌদি আরবকে বলতে পারে না সেটা করতে কারণ সেখানে ঢোকার রাস্তাও তারা খুঁজে পায় না কোনভাবেই কারণ তারা জানে যে এখানে আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়ন হয় আল্লাহর শরীয়ত যদি বাস্তবায়িত হয় বাইরের চাপ আপনার উপর আসবে না আপনি বলবেন আমি আল্লাহ আমি মুসলিম আমি মুসলিম ইসলামের বাইরে চলতে পারি না আমি আকিদা ও বিশ্বাসে এবং আমি শরীয়া ও আমার বিধানে একমাত্র আল্লাহ তাালার তাবেদারী করি তার রাসূল সাল্লাল্লাহু সাললামের কথা শুনে চলি নিজের মন মত ব্যাখ্যায় আমি চলি না।
সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম এরা যারা আজ আমাদেরকে বিভক্ত শব্দা বিভক্ত করেছে এর একটাই কারণ হচ্ছে আমরা আল্লাহর বিধানের সাথে নিজে আল্লাহর বিধানের সাথে খাপ খাওয়াইতে পারি নাই। অনেকে আছে মুসলিম হয়েছি সব মানতে হবে এটা এখনো অনেকেই বিশ্বাস করে না। যারা বিশেষ করে অনেক পড়ালেখা করে তাদের নিজেরা বিশেষ ডিগ্রি নিয়েছে। অনেকেই কিছু মানে কিছু মানি নাই। এই টেন্ডেন্সি তাদের মধ্যে রয়েছে। যেটা তার মন মত হয় এটা তার সে মানে। যেটা তার মন মত হয় না তার প্রবৃত্তির মত হয় না সেটা সে মানতে পারে না। মনে রাখবেন আল্লাহর বিধান ছাড়া যত বিধান আছে আল্লাহর শরীয়ত ছাড়া যত রকমের আইন কানুন আছে সবগুলি যদি আল্লাহর শরীয় বিরোধী হয় তাহলে সেগুলি বাতিল হিসাবে আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে বিশ্বাস করতে হবে এবং সেটার উপরে আপনাকে আমল করে যেতে হবে আল্লাহ রাসূলাল্লাহ আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেনল্লাহ আমার আল্লাহ তাইলা হুকুম তো কেবল আল্লাহই দিবেন শরীয়ত আল্লাহ দিবেন আর কেউ শরীয়ত দিতে পারবে না আমার আল্লাহ তাইলা নির্দেশ দিয়েছেন একমাত্র তারই এবাদত হবে। অর্থাৎ যদি শরীয়ত মানেন আপনি আল্লাহর এবাদত করলেন। আর শরীয়ত না মেনে যদি অন্য কোন কারো শরীয়ত বিধান নেন আপনি আল্লাহর এবাদত করলেন না। আপনি শিরকে লিপ্ত হলেন এটা আল্লাহর এই বাণীর অর্থ সূরা ইউসুফের ৪০ নম্বর আয়াত। আল্লাহতালা সূরা ইউসুফ আরো বলেছেনল্লাহ বিধান তো আল্লাহই দিবেন। শরীয়ত আল্লাহ দিবেন। আলাইহ তার উপরে আমি ভরসা করছি। যারা ভরসা করতে চায় যারা তাওয়াক্কুল করতে চায় একমাত্র আল্লাহর উপরে যেন তাওয়াক্কুল করে তারা যেন আর কারো ভয়ে ভীত না হয় আল্লাহর ভয়ে ভীত হয়ে আর দুনিয়া এবং আখেরাতে আল্লাহর বিধানকে আল্লাহর শরীয়তকে তারা বাস্তবায়ন নামে আল্লাহতালা আরো বলছেন সূরাটা সূরা ইউসুফের ৬৬ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন সূরা কাসাসের ৮৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহতালা বলছেন আল্লাহর জন্য যা হবে না তা ধ্বংস প্রাপ্ত হবে কোন কাজে লাগবে না দুনিয়ার বুকে অনেকে অনেক কষ্ট করে অনেক কষ্ট করে প্রজার জন্য কিন্তু আল্লাহর শরীয়া মোতাবেক হয় না শরীয় বিরোধী হয় সেটা কাজে লাগবে না এর তাফসীর যেটা সন করতেন তা হচ্ছে আল্লাহর জন্য আল্লাহ তাআালার চেহারা দেখার জন্য যা হবে না তা হালে ধ্বংস হয়ে যাবে লাহুক হুকুম তো তিনিই দিবেন তার কাছেই আমাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
আল্লাহতালা আরো বলেন লাহ প্রশংসা আগে পরে দুনিয়াতে এবং আখেরাতে একমাত্র আল্লাহর জন্য নির্ধারিত দুনিয়াতে আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি আলহামদুলিল্লাহ বলি আর আখেরাতে যখন জান্নাতে যাব তখনও আলহামদুলিল্লাহিললা শেষ কথা হবেলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন এটা শেষ কথা হবে আমাদের। সুতরাং অবশ্যই মনে রাখবেন আল্লাহর বিধান ছাড়া আর কোন বিধান চলতে পারে না। কারণ এরপর আল্লাহ বলছেন ওয়ালাহু কারণ দুনিয়া আখেরাত তার প্রশংসা এজন্য হবে তিনিই শুধুমাত্র আমাকে শরীয়ত দিচ্ছেন। আল্লাহর বিধান তিনি জানিয়ে দিচ্ছেন। এই বিধান মেনে চলতে হবে তার কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে। এটা প্রত্যেকটি কথার পর পর কেন বলছেন? কারণ যদি বিধান না মেনে তার কাছে যাও তাহলে আপনি কিন্তু আল্লাহর দ্বীন যে আপনি সাক্ষ্য দিবেন দিতে পারবেন না। মান রব্বুকা বললেন ওমাদিনুকা বলতে পারবেন না। কারণ আপনি আল্লাহর বিধান মেনে চলে আসেন নাই। আপনি অমুক তমুকের বিধান মেনেছেন। আপনি আমেরিকার বিধান মেনেছেন। রাশিয়ার বিধান মেনেছেন। আল্লাহর বিধান আপনি মানেননি। আপনি কখনো বলতে মুখ থেকে আপনার বের হবে না। যে দ্বীনি আল ইসলাম সেটা বের হবে না। আপনি মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে আদর্শ মানেননি। আপনার মুখ থেকে বের হবে না কবরে যে আমার নবী হচ্ছেন মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাললাম কারণ আপনি তো দুনিয়ার বুকে তাকে নবী হিসেবে মেনে চলে আসেন নাই সেখানে জবাব দিবেন কি করে এজন্য আল্লাহ তালা বারবার যখন হুকুমের কথা বসছেন বলছেন তখনই বলেন তার কাছেই প্রত্যাবর্তিত হবে তুমি দুনিয়ার বুকে এখন মানতে পারো নাও মানতে পারো কিন্তু আমার কাছে আসতে হবে।
আল্লাহতালা সূরা কাহফের মধ্যে বলছেন হে নবী আপনি বলেন যে এটা হক আপনার তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যেটা এসেছে এটা হক এই শরীয়ত এই আকিদা এবং এই বিধিবিধান সব হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে দেয়া হক যে চায় ঈমান আনবে যে চায় কাফের হবে এর অর্থ হচ্ছে যেটা এসেছে এটা মানলে ঈমানদার হবে আর এটা না মানলে কাফের হবে আমার কথা নয় আল্লাহতাছাড় দেয় নাই এরপরে বলেছেন অনেকে হয়তো মনে করতে পারেন যে চাটা করেছে না নয় তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কুফরি করবে আল্লাহর বিধান মানবে না শরীয়ত মানবে না তার জন্য আগুন প্রস্তুত করে রেখেছি তাকে পাকড়াও করবে এমনভাবে সেখান থেকে পালাতে পারবে না এর অর্থ হচ্ছে আপনি মনে করছেন যে দিচ্ছেন তা নয় আপনাকে ছাড় দিচ্ছেন এমন সময় আপনাকে পাকড়াও করবেন আপনি সেটা কিছুই করতে পারবেন না আল্লাহতালাস বলেছেন আল্লাহতালাকে ছাড় দেন কিন্তু যখন পাক করেন তখন তার হাত থেকে কেউ পালাইতে পারে না।
এজন্য আল্লাহর বিধানকে অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। শরীয়ত বাস্তবায়নের জিনিস এটা কোন ব্যক্তির একক একক বিষয় একক ব্যক্তির নয়। সমস্ত ব্যক্তির উপরে প্রত্যেকটি ব্যক্তির উপরে সেটা ফরজ। আপনি যদি মনে করেন যে অমুকের তমুকের হুজুরে করবে তাহলে ভুল। আপনাকে আল্লাহর বিধান মানতে হবে। সালাত যেমন আপনাকে পড়তে হবে তেমনিভাবে বিচার ব্যবস্থা আল্লাহর শরীয়া মোতাবেক করতে হবে। কারণ বিচার ব্যবস্থা সেই আল্লাহ দিয়েছেন যে আল্লাহ সালাত আদায় করতে আপনাকে নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তালা বলছেন সূরা কাহফের ২৬ নম্বর আয়াতে বলছেন আল্লাহর বিচার ব্যবস্থায় আল্লাহর বিধানে আল্লাহর শরীয়তে তারা কাউকে শরিক করে না। এটা ঈমানদারের কাজ। যারা আল্লাহর বিধানকে অন্য বিধান নিয়ে আসে তারা আল্লাহর সাথে শরী করে। এ প্রমাণ হচ্ছে আল্লাহ তালা বলছেন কোরআনে কারীমে আমলা সরা আল্লাহ যে অনুমতি দেননি এমন বিধান যারা নিয়ে আসবে তারা কি আল্লাহর সাথে আরেকটা শরীক সাব্যস্ত করেছে আমার কথা আল্লাহর কথা সূরা শোহার ২১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ সেটা বলেছেন এর অর্থ হচ্ছে কোন ব্যক্তির জন্য আল্লাহর বিধানের বিপরীত অন্য কোন বিধান বাস্তবায়ন করা বা সেটা প্রবর্তন করা তার জন্য কখনো বৈধ হইতে পারে না সে ব্যক্তি মুশরিক এবং সেই ব্যক্তি আল্লাহর সাথে প্রতিযোগিতায় নেমেছে আল্লাহর বিধানের নেমে বেশিদিন টিকতে পারবে না। ফেরাউনের মত হয়তো কিছুদিন থাকবে। শেষ পর্যন্ত নীল শেষ পর্যন্ত সে ডুবে মরেছে। নদে নদীতে ডুবে মরেছে। এরকম প্রত্যেকটি মানুষই মরবে। কিন্তু মরার পরে তার হুশ হবে। দুনিয়ায় থাকতে অনেকের সে হুশ হয় না।
কোরআনে কারীমে আল্লাহতালা আরো বলেছেন আর আপনি খাবেন না। যা আল্লাহর নামে জবাবে করা হয়নি। এতো আল্লাহর অবাধ্যতা। শয়তানরা তোমাদের তাদের শয়তানের যে ছেলার আছে ওদের কাছে এমন সব তথ্য দেয় যা দিয়ে তোমাদের সাথে বিবাদ করতে পারে অর্থাৎ শয়তানরা বিবাদ করতে পারে এইজন্য তথ্য দিয়ে আপনাদেরকে বিভ্রান্ত করবে অর্থাৎ তারা কি করবে এমন সব সাপ্লাই দিবে তথ্য যা দিয়ে আলেমদের সাথে বিবাদ লিপ্ত হয় যে এটা মানতে হবে কিনা এটা করা দরকার কিনা মানে বিবাদ লিপ্ত হয় এরা যারা বিবাদ করে বেশিরভাগ শয়তান তাদেরকে তথ্য সাপ্লাই দেয়। আমার কথা না আল্লাহ বলছেন যদি তাদের কথা শুনে তোমরা তাদের দিকে তোমরা চল তাহলে অবশ্যই তোমরা মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হবে। তারা কি বলেছিল শুনে তারা বলেছিল তোমরা যেটা জবে করটা খাও। আল্লাহ যেটা মেরেছে এটা কেন খাও না? শয়তানরা এই জিনিস আজও দেখবেন বহু মানুষ বলবে যে মরা খাইলে সমস্যা নাই। আপনি জবাবে করলে কি খাওয়া যাবে? মরা খাইলে কি সমস্যা? মানে তাদের কাছে পার্থক্য নাই। আমাদের কাছে পার্থক্য আছে। একটা হচ্ছে আল্লাহর বিধান। আরেকটা হচ্ছে তাদের নিজেদের মন গড়া বিধান। এটা দিয়ে বিবাদের দরকার নাই। আপনি আল্লাহর শরীয়ত কি তা জানিয়ে দিবেন। যে মানবে সে আখেরাতে দুনিয়া এবং আখেরাতে শান্তি পাবে। আর যে মানবে না দুনিয়াতে অপমানিত এবং আখেরাতে লাঞ্ছিত এবং শাস্তির সম্মুখীন হবে। সূরা নামের ১২১ নম্বর আয়াতে আল্লাহতালা সেটা বলেছেন।
সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম আল্লাহ তালা আরো বলেছেন যে যারা আল্লাহর শরীয়ত মানবে না তারা শয়তানের এবাদতকারী আল্লাহতালা আমি কি তোমাদেরকে অঙ্গীকার নে বনি আদম যে তোমরা শয়তানের এবাদত করবে না শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু আমারই একমাত্র এবাদত করবে এ হচ্ছে সরল সঠিক পথ কোনটা সরল সঠিক পথ আল্লাহর দেয়া ইসলাম আল্লাহর দেয়া আকিদা আল্লাহর দেয়া শরীয়া এটাকে হচ্ছে সরল সঠিক পথ রাসূুল্লাহ আল্লাহ তালা আমদেরকে বলেছেন আল্লাহতালা আরো বলছেন অনুরূপভাবে মুশরিকদেরকে আল্লাহ তালা মুশরিকদের মনের ভিতর সুশোভিত করে দিয়েছেন সন্তানদেরকে হত্যা করা বুঝেন তো কিভাবে হত্যা করে বহু রকম হত্যা করে সন্তান পেটে আসার পরে গর্ভপাত করিয়ে দেয় কেউ পেটে আসার পথ বন্ধ করে দেয় কেউ বা বিভিন্ন রকমের রহমতের নাম দিয়ে সন্তান মেরে ফেলে যে এর খুলি হবে না এর তুলি হবে না ইত্যাদি বলে বলে সন্তান মেরে ফেলছে এগুলিকে আল্লাহতালা বলছেন শয়তান তাদেরকে সুশুবিত করে দিয়েছে এবং এটা শয়তানের কাজ। অর্থাৎ যদি আল্লাহর শরীয়ত না মানেন শয়তানের সুশোবনে আপনি পড়ে গেছেন।
আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন যারা জলেম তাদের দিকে আপনি একটু ঝুকে যান তাহলে আগুন আপনাকে স্পর্শ করবে। আমার আমার নবীর সাহাবীদেরকে আল্লাহতালা এ ব্যাপারে সাবধান করেছেন। এর অর্থ হচ্ছে আমরা আরো বড় ভয়াবহ বিধে আছি। যদি যদি আমরা জালেমদের পথে চলি অবশ্যই আমরা আল্লাহর জুলুম আল্লাহ তাালার শাস্তির ভিতরে আমাদেরকে পড়তে হবে। সর্বশেষ যে কথাটি বলব সেটা হচ্ছে আল্লাহর বিধান মানা। আল্লাহর বিধান মানতে হবে নলে তাগুতের বিধান আপনাকে মেনে চলতে হবে। আল্লাহর বিধান কি? আল্লাহর বিধান আল্লাহ তালা যা নাযিল করেছেন। আল্লাহ তালা বলছেন সূরা নিসার ৬০ নম্বর আয়াতে যে আল্লাহ যা নাযিল করে সেটার দিকে আসতে হবে। সেটা তাগুতের বিধান হবে। আল্লাহর বিধান মানবেন নয় তাগুতের বিধান হবে। আল্লাহতালা কোরআনে কারীমের সূরা সূরা মায়েদার ৫০ নম্বর আয়াত আল্লাহ সূরা ৪৯ নম্বর আয়াতে বলছেন আপনি তাদের মধ্যে আল্লাহ যে বিধান দিয়েছেন যে শরীয়ত দিয়েছেন তা দিয়ে বিচার করুন এর বিপরীত হচ্ছে প্রবৃত্তির তাড়ান তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না হয় আল্লাহর বিধান নয় প্রবৃত্তি মাঝখানে কোন কিছু নেই আপনি কোনটা নিবেন আপনি সিদ্ধান্ত নেন আল্লাহর শরীয়ত মানবেন না প্রবৃত্তি যে কোন জায়গাতেই ঘরে পরিবারে সমাজে আপনি যেখানে যেখানে আছে সেখানে চিন্তা করবেন আল্লাহর শরীয়ত কোন জিনিস তা আমাকে মানতে হবে এর বিপরীত হচ্ছে প্রবৃত্তি কারণ আল্লাহ তালা সেটা বলেছেন এবং যারা এটা মানবে না তাদের আল্লাহ তালা বলছেন যে তারা ঈমানদার এবং তাদেরকে আল্লাহতালা বলছেন যে তারা কাফের বলেছেন। তাদেরকে জালেম বলেছেন এবং তাদেরকে ফাসেক বলেছেন। বিভিন্ন অবস্থা ভেদে তাদেরকে আল্লাহ তালা বিভিন্ন রকমের বিভিন্ন বিভিন্ন ইয়া দিয়েছেন বিভিন্ন উপাধি তাদেরকে দিয়েছেন। কাউকে বলেছেন কাফের, কাউকে বলছেন ফাসে, কাউকে বলছেন জালেম।
কখন কাফের হয়ে যায়। যদি কেউ মনে করে যে আল্লাহর বিধান এখন চলবে না। শরীয়ত এখন মানা যাবে না সে ব্যক্তি কাফের। যে ব্যক্তি মনে বলবে যে আল্লাহর শরীয়ত এবং দুনিয়ার মানুষের দেয়া বিধান সমান সে ব্যক্তি কাফের। যে ব্যক্তি মনে করবে যে আল্লাহর বিধানের চেয়ে দুনিয়ার বিধান সুন্দর সে ব্যক্তি কাফের। যে ব্যক্তি আল্লাহর বিধান পরিবর্তন করে দিবে দুনিয়ার বিধান দিয়ে সে ব্যক্তি কাফের। যেই ব্যক্তি আল্লাহর বিধানের কার্যকারিতা অস্বীকার করবে যে এখন সেটা অকার্যকর অথবা বলবে মধ্যযোগীয় বর্বরতা বর্বরতা এই জাতীয় কথা বলবে তারাও কাফের এরা কাফের এজন্য আল্লাহ তাআলা কোন আয়াতে কাফের বলেছেন আবার কখনো জালেম হয় কখনো জালেম হয় একজনের টাকা খেয়ে সে জুলুম করে ভুল বিচার করেছে কিন্তু তার অন্তরে আছে যে আল্লাহর বিধানে সত্য সে ব্যক্তি জালেম আবার ফাসেক ওই ব্যক্তি যে ব্যক্তি অন্যায় করেছে গুনাহ করেছে অনবর্ত গুনাহ করে অন্যায় করে যাচ্ছে তিনি অন্তরে আছে আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন করতে হবে সে ব্যক্তি হচ্ছে ফাসেক তাহলে কখনো কখনো ফাসেক হয় জালেম হয় কিন্তু কাফেরও হয় এটা আপনাকে মনে রাখতে হবে আল্লাহ আল্লাহর বিধানকে যদি পাশ কাটিয়ে যান আপনি ঈমানদার থাকতে পারবেন না। আল্লাহর বিধানের পিছু নেয়ার মত কোন কিছু নেই। অর্থাৎ ছানি দেয়ার কোন কিছু নেই। আপনি যদি মনে করেন যে আল্লাহর বিধান এটা হয়েছে আমরা আরেকটু কমায়ে বাড়িয়ে দেই আইব খানের ১৯৬১ নম্বর আইন ৬১ সাল আইন সম্পূর্ণ পরিত্যজ্য। কেউ এটাকে মানতে পারবেন না। এটা যদি মানেন আপনার আল্লাহর বিধানের বিরুদ্ধে আপনার চলাফেরা হবে। আল্লাহ শরীয়তের বিরুদ্ধে চললে সেটা মানলে যে ব্যক্তি এটা বিচার করবে তারও ঈমান থাকবে না। যে ব্যক্তি সেটা নিবে তারও ঈমান থাকবে না। এটা পরীক্ষা আপনাদের জন্য ঈমান নিবেন কি? আপনার ঈমান থাকবে কি থাকবে না? আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার তৌফিক দান করুন।
আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু আনা মুহাম্মাদান আবদুহু রাসুল সম্মানিত মুসলিম আমরা এতক্ষণ আপনাদেরকে বলেছি যে আল্লাহর শরীয়ত মানতে আমরা বাধ্য এটার নাম হচ্ছে ফরিদা এটা ফরজে আইন এখানে কোন ছাড় নেই প্রত্যেকেই মানবেন যার যেটা ফরজ আছে এটুক আপনাকে মানতেই হবে। যেটাই ফরজ এটাই শরীয়ত অন্তর্ভুক্ত। যেটাই সুন্নাহ এটা শরীয়তের অন্তর্ভুক্ত। একটা হচ্ছে আমি মানবো। আমি মানেছি কিন্তু করতে পারছি না। আল্লাহ এটা দেখবেন। এটাটাতে এটাতে আপনি কাফের হয়ে যাবেন না। হ্যা একটা আপনি মানবেন অন্তরে ঠিক আছে কিন্তু গুনাহ করে যাচ্ছেন। এটাও আল্লাহ তালা আপনাকে হয়তো তওবা করলে মাফ করবেন। কিন্তু আপনি ইচ্ছা করে আল্লাহ আল্লাহর শরীয়তের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন। আল্লাহর শরীয়তকে বাস্তবিত না হওয়ার জন্য আপনি বিভিন্ন রকমের ষড়যন্ত্র করবেন। বিভিন্ন ব্যবস্থা নিবেন এবং বিভিন্ন অপবাদ দিবেন। মানুষদেরকে বিভ্রান্ত করবেন। এটা আল্লাহ তাআলা ক্ষমা করবেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি কায়মানকে আল্লাহর কাছে তওবা না করেন। আপনি মনে রাখবেন আপনি তখন ঈমান ঈমানের গন্ডি থেকে বাইরে চলে যাবেন যদি আপনি আল্লাহর শরীয়তকে কখনো পাশ কাটানোর চিন্তা করেন। আল্লাহর শরীয়তকে মানতে হবে। আল্লাহর শরীয়তে যেটা যেটা আছে সেটা কোন কিছু ছাড়তে পারবেন না।
দুনিয়ার ব্যাপারে যে সমস্ত ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম ঈমানদারদেরকে তাদের একমত হওয়ার বা তাদেরকে সুযোগ দিয়েছে মতামত দিয়ে পেশ করার সেটাতে আপনারা মতামত দিয়ে ভিন্ন একটা পথ নিতে পারেন। যতক্ষণ আল্লাহ শরীয় বিরোধী না হবে। আল্লাহর শরীয় বিরোধী কোন মত হবে সেখানে কারো আনুগত্য করা যাবে না। এটা হচ্ছে আল্লাহর রাসূলের নির্দেশ। আল্লাহ রাসূ সলা বলেছেন লামাললা আল্লাহর অবাধ্যতায় কোন আল্লাহর অবাধ্যতা কোন সৃষ্টির কারো আল্লাহর অবাধ্যতায় সৃষ্টির কারো কারো আল্লাহর অবাধ্যতা সৃষ্টির কারো আনুগত্য করা যাবে না আল্লাহর অবাধ্য যেখানে হবে সৃষ্টির কারো আনুগত্য করা যাবে না এমনকি পিতামাতার আনুগত্য সেখানে করা যাবে না কারো আনুগত্য করা যাবে না আল্লাহর অবাধ্যতা আপনি যদি কোন দুনিয়ার বুকে উত্তম ব্যবহার করতে পারবেন পিতামাতার শুধুমাত্র অবাধ্য হলেও কিন্তু অন্য কারোটা মানার মানতেও পারবেন না এবং তাকে সেখানে সহযোগিতা করতে পারবেন না। আল্লাহতাছেন ভালো কাজে একে অপরের সহযোগী হও। খারাপ কাজে একে অপরের সহযোগিতা করা যাবে না। করলে আপনি সমপরিমাণ গুনাহ অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন। সেজন্য আমরা আল্লাহকে ভয় করি। আল্লাহর শরীয়তের দিকে ফিরে আসি। এই শরীয়ত যদি আপনি না মানেন আল্লাহর কোন ক্ষতি হবে না। আপনারই শুধুমাত্র ক্ষতি। আপনার ক্ষতি হবে। আল্লাহর কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। দুনিয়ার মানুষ যদি সব কাফের হয়ে যায় আল্লাহর কোন ক্ষতি হবে না। তার জন্যই শুধু শুধুমাত্র তার বিপদ অপেক্ষা করছে। আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার তৌফিক দান করুন।
আলাইহিস সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহুম্মা মুহাম্মাদ মহাম্দ্রহ আল্লাহ মুহাম্মাদি মহাম্হদল্লাহ আমাদের সবাইকে আপনি ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে আপনি আল্লাহ শরীয়তের দিকে ফিরিয়ে দিন। আল্লাহ আমাকে আমাদেরকে শরীয়তের মর্যাদা বোঝার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ আমাদেরকে আল্লাহ শরীয়ত মানার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ আমাদের সকলকে আল্লাহ শরীয়ত শরীয়তের অধীন করে দিন। আল্লাহ আমরা যেন আল্লাহ শরীয়ত মেনে চলেছি অন্তর আমাদেরকে দিয়ে দিন। আল্লাহ আমাদেরকে পরিবর্তন করে দিন। আল্লাহ অন্তরকে পরিবর্তন করে দিন। আল্লাহ আমাদেরকে আপনার পথে পরিচালিত করুন। আল্লাহ আমাদের শাসকদেরকে আপনি সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আল্লাহ তাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আল্লাহ তাদেরকে সুমতি দিন। আল্লাহ তাদেরকে আল্লাহ শরীয়ত বাস্তবায়ন করার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ আমাদেরকে আপনি সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আমাদের পরিবারের মধ্যে আল্লাহ শরীয়ত মানার তৌফিক দান করুন। আমাদের সমাজে আমাদের যেখানে যেখানে দায়িত্বশীল সেখানে আল্লাহ শরীয়া মোতাবেক চলার আমাদেরকে তৌফিক দিন। আল্লাহ আমাদেরকে কবুল করুন। আল্লাহু আকবারস।