আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তিনি আমাদেরকে খুশি স্বরূপ তার তাকবীর তাহালীল পাঠ করার প্রতি উৎসাহিত করেছেন। তাই আমরা সে সত্তার প্রশংসা করি। তার গুণগান করি। আমরা তার প্রশংসায় বলি আলহামদুলিল্লাহ। সালাতু ওসসালাম প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যার মাধ্যমে আমরা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার পরিচয় পেয়েছি। যার মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের ইবাদতের মাত্রা দিন ক্ষণ সংখ্যা সবকিছু জানিয়েছেন এবং তিনি ওইভাবে ইবাদত করে দেখিয়েছেন যেভাবে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা পছন্দ করে থাকেন যার উপর আল্লাহ রাজি এবং খুশি যাকে আমাদের জন্য উচায়ে হাসানা করা হয়েছে যার মত ইবাদত হলেই গ্রহণযোগ্য হবে নয়তো নয় আমরা সে রাসূলের প্রতি সালাত এবং সালাম পাঠ করি আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ওয়াবারিক আলাবিকা মুহাম্মাদ আজকের খুতবায় আমরা যে বিষয়টা স্মরণ করে দিতে চাইবো সেটা হচ্ছে এই যে দিনগুলো আমরা অতিবাহিত করতেছি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার নিকট সবথেকে মর্যাদাপূর্ণ যে দিনগুলো রয়েছে তার দ্বিতীয় দিন হচ্ছে এটি কারণ শুধু ঈদের পরেই মর্যাদা শেষ হয়ে যায় না বরং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার গণনায় তিনি এই যে চলমান দিনগুলো তার মধ্যে তিনটা দিন হচ্ছে শ্রেষ্ঠ যেই তিনটা দিনকে আইয়ামে তাশরিক বলা হয়েছে এটা হাদিসের ভাষা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি তার জবান দিয়ে তিন দিনের নামকরণ করেছেন আইয়ামে তাশরিক।
আমরা এই সংক্রান্ত কিছু কথা আজকে আপনাদের কাছে ব্যক্ত করব। আইয়ামে তাশরিক মূলত জিলহাজ্ের তিন দিনকে বুঝায়। ১১ জিলহাজ্ থেকে ১৩ই জিলহাজ্ মানে ১১, ১২ এবং ১৩ এই তিন দিনকে বুঝায়। হাদিসে এই দিনগুলোকে আইয়ামে তাশরিক হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে। কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার ভাষায় এই দিনগুলোকে মাদুদাত বলা হয়েছে। যেমন আইমাদু সূরা বাকারা দুই নাম্বার সূরার ২০৩ নাম্বার আয়াতে এ মাদুদাত শব্দটি রয়েছে। এর ব্যাখ্যায় ইমাম বুখারী রাহমা্লাহ তিনি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুমা থেকে ব্যাখ্যা গ্রহণ করেছেন। আব্বাস ্লাহ আইয়া মালুমা কোরআনে দুইটা শব্দ আসছে আইয়া মালুমাটা আইয়ামে মাদু মালুমাত মানে হচ্ছে আইয়ামিল আশরা যেদ দিন আমরা পার করেছি এটা হচ্ছে জানাশোনা ১০ দিন আরমুল মাদু গণনার দিনগুলো হচ্ছে আইয়ামুতাশরিক তিন দিন এই তিন দিনকে মাদুদাত বলা হয়েছে মানে নির্ধারিত তিন দিন আর গণনার ১০ দিন এই ভাষাগুলো কোরআনে ব্যবহার করা হয়েছে।
ইমাম বুখারী তার কিতাবুল ইদাইনের মধ্যে আপনি ১১ নাম্বার পর্বে এটা পাবেন। এই দিনগুলোকে কেন ইয়ামে তাশরিক বলা হয়। তাফসীরকারগণ বিভিন্ন মত ব্যক্ত করেছেন। তার মধ্যে একটি প্রসিদ্ধ মত পেলাম যে এই দিনগুলোতে হাজিরা মিনাতে অবস্থান করে। আর আপনারা জানেন যে ইয়ামুন্ নাহার কুরবানির দিনে এত সংখ্যক প্রাণী কুরবানি করা হয়। প্রত্যেক হাজী তাম যারা তামাক্ত এবং কেরানকারী তারা প্রত্যেকে একটা করে হাদি করবে। আবার ভুল হলে ওয়াজিব ছুটে গেলে সেখানে একটা করে হাদি তারা ফিদিয়া দিয়ে থাকে। এভাবে অসংখ্য প্রাণী আবার যারা সামর্থ্যবান তারা একাধিক পশু কুরবানী করে থাকে। তার মানে লাখো শতক প্রাণী সেখানে জবা হয়। এই পশুগুলোকে একটা সময় তিনদিন পর্যন্ত খাওয়া জায়েজ ছিল।
তারপরে আর খাওয়া জায়েজ ছিল না। তারপরে ইসলাম যখন অনুমতি দিয়েছেন যে এখন তোমরা খেতে পারো। সে হাদিসটা একটু পরেই আসবে। তারপর থেকে এই গোস্ত সংরক্ষণ করার জন্য মিনাতে যারা অবস্থান করতো তারা কি টেকনিক অবলম্বন করেছিল? আমাদের সমাজে এই রীতিনীতি ফ্রিজ আসার আগ পর্যন্ত ছিল। আমরা দেখেছি প্রায় বাড়িতে বসতো। যাদের ফ্রিজ নাই তারা গোশতকে সংরক্ষণ করার জন্য গুনা তালের মধ্যে ঢুকিয়ে শুকা দিয়ে রাখে। এটাকে শুটকির মত করে শুকা দিয়ে রাখে। সেটা বছর ভরে তারা খেতে পারতো বা সংরক্ষণ করে রাখতে পারতো। এটা মূলত ওই যুগ থেকেই এসেছে। মিনাতে যারা অবস্থান করত তারা সেখানে গোস্তকে শুখা দিত। রৌদ্রের তাপে।
আর গোশতের একটা বৈশিষ্ট্য আপনি দেখতে পাবেন যে দূর থেকে তাকালে সূর্যের রশনি পড়লে একটা চমক চোখের মধ্যে একটা চমক আসে। যখনই গোশতের টুকরাটা ঘুরবে আপনার চোখে একটা রিফ্লেশ মারবে এটা আলোর প্রতিফল ঘটে। তো যার ফলে ওই পুরো মিনার মাঠে গোস্তগুলো চমকাত। যখন শুকিয়ে যেত রুদ্রের তাপে সেগুলো চমকাত। তো সেই শুকন ওই সুরুক থেকে মানে ইশরাক। সূর্যের তাপের কারণে যেহেতু এগুলো শুকাত আর চমকাত। ওই ইশরাক ও শুরুকুন থেকে তাশরিক মানে তাশরিকের দিনগুলো এই একটা বর্ণনা পাচ্ছি যে সূর্যের তাপে গোসতের শুখানোর দিন এই তিন দিন তারা সেটা করত ওখান থেকে সম্ভবত এই নামটা এটা একটা মত এটা আসছে এটা আমরা নিতে পারি তেমন কোন আকিদার বা অন্য কোন সাথে কোন সম্পর্ক নাই তা থেকে এই নামকরণটা করা হয়েছে বলে একটা মত পাওয়া যাচ্ছে এই আইয়ামে তাশরিকের বিশেষ মর্যাদা এবং বিশেষ কর্ম সম্পর্কে কোরআন এবং হাদিসে যেটা এসেছে সেটা হচ্ছে হাদিসের ভাষায় এই দিনগুলোকে বলা হয়েছে শ্রেষ্ঠ দিন।
আমরা হয়তো ওইভাবে গুরুত্বের সাথে এই দিনগুলোকে মূল্যায়ন করি না। কিন্তু আবার যারা বিপদে পড়ে যায় যারা নিজের ফায়দার মধ্যে পড়ে যায় তখন তারা বোঝে যে এই দিনগুলোর মূল্যটা কি? যেমন ধরেন গতকাল আমাদের যে দিনটা গিয়েছিল সেটা কিসের দিন ছিল? কুরবানির দিন। তাই না? আজকে কি কুরবানি জায়েজ কি জায়েজ নেই? আজকেও জায়েজ। কালকে কালকেও জায়েজ। একটা মতে তার পরের দিনও জায়েজ। তার মানে কুরবানি চার দিন পর্যন্ত করা যায়। এখন প্রথম দিন আমাদের কাছে যতটা গুরুত্বপূর্ণ অন্তর যতটা মানে ঝোকে। আজকে কুরবানি করলে কি অন্তর ততটা প্রশান্তি পায়? পায় না বা আমরা ওটা ভালো চোখে নেই না। বরং এটা জায়েজ রাখার কারণে আমাদের অনেকের অনেক কঠিন পরিস্থিতি হাল করা হয়েছে।
এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা এহসান। যদি একদিনই কুরবানি করা হইতো তাহলে হয়তো আমাদের অনেকের কুরবানি করা কঠিন হয়ে যেত। আমরা হয়তো সহজেই পশু পেয়ে গেলাম। নিয়ে ফেললাম, কুরবানি করে ফেললাম। আবহাওয়া অনুকূলে। সবকিছু আমাদের অনুকূলে। কোন বাধাবিঘ্ন নাই। তাই আমাদের কাছে বিষয়টা অতটা মানে গুরুত্ব মনে হচ্ছে না। কিন্তু পৃথিবীতে এমনও জায়গা আছে যেখানে গতকাল কোরবানি করার মত পরিস্থিতি ছিল না। পশু হয়তো পায়নি। কারেন্ট নাই। আমাদের কাছে ফোন আসছে চাঁদপুরে। তার আগের দিন এমন ঝড় হয়েছে সেখানে ইলেকট্রিসিটি নাই। তার মানে আরো তিনদিন লেগে যাবে কারেন্ট আসতে। যেহেতু আমাদের গরীব রাষ্ট্র। আর এখানে খবর নেওয়ার মতন কোন নেতা হয়তো থাকবে না।
দেখা যাবে দুই তিন দিন পর কারেন্ট আসবে। তাহলে গতকাল যদি কুরবানি তারা করতো তাহলে সেই গোস্তগুলোর কি হতো? কারণ কারো বাসার ফ্রিজ চলবে না। কারেন্টই নেই। একদিন দুইদিন পরে আসবে। তাহলে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার এই বিধান আমাদের জন্য কতটা সহজ করা হয়েছে। তারা হয়তো আজকে দিবে না হয় কালকে দিবে। দিলে তারপর কালকে কারেন্ট চলে আসবে। তাহলে তারা গোস্তটাকে সংরক্ষণ করার একটা ব্যবস্থা পাবে। এই সিচুয়েশনে যারা পড়বেন তারা বুঝতে পারবেন যে আজকের দিনের মর্যাদা কি।
আজকের দিনের মর্যাদা বুঝতে হলে এটাই সবচেয়ে বড় ইস্যু যে গতকালকে যারা কুরবানি করেছেন আপনি কুরবানির যে নেকি পাবেন আজকে করলেও আপনাকে সেই রকমই নেকি দেওয়া হবে বঞ্চিত করা হবে না তবে পার্থক্য এতটাই গতকালের কুরবানিটা উত্তম ছিল কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পুরো জীবনে তিনি ইমুন্ নাহারই কুরবানি করতেন তিনি বিলম্ব করেননি তো যাদের এই সিচুয়েশন হয়েছে তারা ছাড়া বাকিরা যারা করতে পেরেছেন আলহামদুলিল্লাহ আর যারা পারবে তারা এই দিনগুলোতেও কুরবানি করতে পারবেন। এটাই হচ্ছে এই তাশরিকের দিনগুলোর সবচাইতে বড় মর্যাদা। উপরন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার দিক নির্দেশনা মোতাবেক আমরা যেটা দেখতে পাচ্ছি ইসলামের প্রত্যেকটা বিধানে স্থানের চেয়ে স্থানের মূল্য বেশি।
ব্যক্তির চেয়ে ব্যক্তির মূল্য বেশি। কারো মর্যাদা কারো থেকে কম বেশি। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে করা হয়েছে। এটা দিয়ে যেমন প্রমাণ হয় তেমনি প্রমাণ হয় যে একটার পরে মর্যাদায় আরেকটা পৌঁছে। যেমন গতকালকার যে দিন সেটা ইমুন্ নাহার ছিল। এটা ছিল সবথেকে শ্রেষ্ঠ দিন। তারপরেই যদি শ্রেষ্ঠত্বের প্রাধান্য কোন যোগ্য দিন থাকে সেটা হচ্ছে আজকের দিন। এবং আগামীকাল এই দুইদিন ১১ এবং ১২ তারিখ। এই শব্দটাই হাদিসে এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ইন্না আই ইন্দল্লাহি তাবারাকাতালা ইয়ামুন্ নাহার। আল্লাহর কাছে মহান দিন। এবং আরেকটা শব্দ হচ্ছে আফুল আইয়াম। সবথেকে শ্রেষ্ঠ দিন হচ্ছে আল্লাহর কাছে ইয়ামুন্ নাহার। কুরবানির দিন তারপরে সুমমাইমুল কার তারপরেই হল তার পরের দুই দিন ঠান্ডার দিন এখানে কার শব্দটা এসছে কার হল মিনাতে আজকে যাবেন কোন হট্টগোল পাবেন না কোন হইহাল্লা নাই গতকাল যে ব্যস্ততাজি যে হুরাহুড়ি ছিল আজকে মিনার মাঠে সেই হুড়াহুড়িটা নাই সবাই শান্তভাবে ইবাদতে মগ্ন।
যার যখন সময় হচ্ছে জামারাতগুলোতে পাথর মারতেছে আবার নিজের জায়গায় এসে অবস্থান নিচ্ছে। কোন হুরাহুড়ি নাই। যার যখন সময় হবে কিন্তু গতকাল পরিস্থিতিটা এমন ছিল অনেকগুলো কাজ তাদেরকে করতে হতো কার আগে কি করবে পারাপারি লেগে যেত কত দ্রুত করতে হতো হট্টগোল ছিল আজকে সেই মিনা একবারে নিস্তব্ধ হয়ে আছে লাখো মানুষ তারপরওযে মসজিদটা আজকে যেভাবে নীরব মিনার মাঠটা ঠিক ওরকম নীরব এজন্য হাদিসের ভাষায় এটাকে ইয়ামুল কার বলা হয়েছে এই হাদিসটি আপনি পাবেন আবু দাউদ ১৭৬৫ আহমদ ১৯৭৫ সাহ ইবনে হিব্বান ২৮১ সাহ ইবনে খজাইমাতে ২৯৬৬ সুনানুল কুবরা লিলবা নাসা ৪৮৩ এবং মিশকাত হাদিসটি ২৬৩৪ এ রয়েছে এর বর্ণনাকারীগণ ঈসা সারী আবু বকর বলেছেন ইমুল কার ইমু মিন নাহার এটা হচ্ছে কুরবানির পরের দিন কুরবানির দিন এবং তার পরের দিন মানে আজকের দিনটা হচ্ছে ইয়ামুল কার এই দিনটাও আল্লাহর কাছে অনেক বেশি মূল্যবান অনেক বেশি মূল্যবান এ সম্পর্কে বহু কিছু এসেছে এই দিনগুলোর মর্যাদায় একদিন থেকে ওই ১০ জিলহাজ্ তথা ঈদের দিনের সমান।
তা হলো এই দিনগুলো ঈদের তথা কুরবানর দিন। একটু আগে যে কথাটা বলেছি মানে আজকের এই তিন দিন আজকে কালকে তারপরের দিন মানের দিক থেকে কুরবানর দিনের সমান। কোন দিক থেকে? যে গতকালকে যেমন কুরবানি করা জায়েজ ছিল। তাহলে আজকেও কুরবানি করা জায়েজ। মানে আজকেও যারা কুরবানি করবেন তাদের কুরবানি কবুল হবে। একটু আগে দেখে আসলাম। এটা মসজিদ দেখতে গিয়েছিলাম। এখানে পাশে এক বাড়িতে দেখলাম কুরবানী করেছে। তবে তাদের এই সময়টা বেছে নেওয়াটা ঠিক হয় নাই। কোরবানিটা কি ফরজ না নফল? বলেন আমি দুইটা শব্দ ব্যবহার করেছি। ফরজ আর নফল। কিন্তু আপনারা তো জানেন যে ওয়াজিব একটা শব্দ আছে। সুন্নতে মুয়াক্কাদা আছে।
এজন্য অনেকে বুঝতে পারতেছেন না। ইবাদতের সবগুলার মৌলিক কিছু নাম আছে। হয় ফরজ আর এর বাইরে কি? নফল। অতিরিক্ত। এটা হচ্ছে সাধারণ শব্দ। ওই নফল বলতে শুধু নফল না এর মধ্যে সুন্নত শামিল। সুন্নতে মুয়াক্কাদা শামিল। আর ফরজের মধ্যে ওয়াজিব শামিল। কিন্তু ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়াক্কাদা, সুন্নাহ এগুলো টার্ম বিভিন্ন ক্যাটাগরি। কিন্তু এবাদতের রূপ দুইটা। হয় ফরজ হবে আর না হয় নফল হবে। হালাল হবে না হয় হারাম হবে। এটা হচ্ছে মৌলিক। পাঁচটা জিনিস আছে। তার মধ্যে কুরবানিকে যদি আপনি এভাবে ভাবেন সুন্নাতে মুয়াক্কা এটা টার্ম। নফলের একটা টার্ম। কিন্তু যা ফরজ না তা কি? নফল। সেটা কি? নফল। যেমন জুমার সালাত ফরজ না নফল? ফরজ।
কিন্তু ওই দুই রাকাত আইসা বইসা পড়া তারপরে দুই রাকাত সুন্নত যেগুলো আমরা বলি এগুলা কি? নফল। বেতের সালাত। ফরজ না নফল? নফল। এটা মনে থাকলে অনেক সময় আপনার জন্য সহজ হবে। অনেকে এটা বোঝে না বিধায় তার প্যাচ লেগে যায়। নফলের মধ্যে যদি বলেন গুরুত্বপূর্ণ কি? তখন বলব বিতরের সালাত আর ফজরের সুন্নত। এটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারপরে নফলের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কি? ঈদের সালাত। বুঝতে পারছেন? এটা নফল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নফল। তার মানে সুন্নতে মুয়াক্কাদা। যখনই গুরুত্ব দেওয়া হবে তখন সুন্নতে মুয়াক্কাদা পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। আর যেটাতে নেকির সাথে পাপের সম্পর্ক আছে। করলে নেকি না করলে পাপ। ওটা কি? ওটা ফরজ।
এটা মনে রাখবেন। কারণ ফরজের সাথে শাস্তির যাও সম্পর্ক আছে। করলে করতে হবে বাধ্যতামূলক। আর না করলে পাপ আছে। গুনাহ আছে। শাস্তি পাবেন। আর নফলের মধ্যে এটা নাই। নফলের মধ্যে শুধু নেকির ভাগ আছে। পাপের ভাগ নাই। মানে যে নফল করলো তার নেকি আছে। কিন্তু না করলে আল্লাহ তাকে তার জন্য ধরবে না। এটা হচ্ছে নফল আর ফরজের মধ্যে পার্থক্য। তো কোন কথার প্রেক্ষিতে এটা বললাম? কুরবানি করা। কোরবানি করা কি ফরজ না নফল? নফল। কালকে করলো গতকালকে আমরা যা করেছি ওটা আমাদের ফরজ বিধান ছিল না। নফল। আজকে যারা করবেন একই হুকুম। আচ্ছা যদি না বুঝেন সুন্নতে মুয়াক্কাদা ধরেন।
গতকালকে আমাদের যারা করেছে সুন্দা। আজকে যারা করবে সুন্নতে মুয়াক্কাদা। কিন্তু জুমার নামাজের আজান হয়ে গেছে। উপস্থিত হওয়া ফরজ। ত আজকে এখন যারা কুরবানি করেছে বসে বসে গরু কাটতেছে জুমার সালাতে আসলো না খুতবা শুনলো না নামাজ পড়লো না তাহলে আপনি কি মনে করেন আল্লাহ যে বলেছেন ইন্নাল্লাহ মুত্তাক আল্লাহ মুত্তাকীর ইবাদত কবুল করেন আপনার এ ইবাদতটা কি মুত্তাকীর পরিচয় দিলেন আপনি আপনার এই পশুটা তার লোভ দেখানো হয়ে যাবে এটা নিছক একটা আপনার ট্রেডিশনাল একটা সমাজ একটা প্রথায় রূপ নিল আপনি যদি মুসলিম হইতেন আগে আপনার কাছে প্রাধান্য কি পেত ফরজ আপনার কাছে আগে ফরজ পেত। হয় আপনাকে ফজরের পরে কুরবানি করে ফেলতে হইতো অথবা জুমার নামাজ পড়ে গিয়ে পড়তে হইতো।
আর না হয় আপনাকে এই অবস্থায় গরু রেখে দিয়ে এখন মসজিদে আসতে হবে। কিন্তু কে কাকে বুঝায়? আপনারা ধর্মের গুরুদেরকে বা শেখদেরকে বা ইমামদের কথাকে আপনার ধর্মীয় কিতাবকে উপেক্ষা করে চলতেছেন। প্রাধান্য কি পেয়েছে? আপনার স্বেচ্ছাচারিতা। কে কার কথা শোনে? আমরা হয়ে গেছে অনেক ইহুদি খ্রিস্টানদের মত। খ্রিস্টানদের মত আমাদের ধর্মীয় অবস্থা হয়ে গেছে। খ্রিস্টানরা ওদের পাদ্রীদের কথা শোনে না। ওরা নিজেরা নিজেরা সবকিছু করে। আর আমাদের মুসলিম সমাজেও তাই কিতাবে যা আছে তো আছে। ধর্ম আপনি আমি নিজে বানিয়েছি। মানে আপনার আমার চলমান পরিস্থিতিটা হচ্ছে নিজের ধর্ম। নামকামাত্র মুসলিম। যেমন প্রত্যেকটা দোকান খোলা। আজান হয়ে গেছে। কারো কানে ঢুকে নাই।
কারো কানে ঢুকে নাই। কিন্তু কোরআনের আয়াত যদি ঢুকতো যে আল্লাহ আয়াতটা বলে হে মানুষ তোমরা শোনো বরং ওখানে ডাইরেক্ট আল্লাহ মুসলিমদেরকে সম্বোধন করে বলেছেন হে মুসলিম ইয়া আইুহাল্লাজনা যারা ঈমান আনার দাবি করো যাদের কানে এই আজান পৌছবে তোমরা বেচা কিনা থামাও তোমার সমস্ত ব্যস্ততা থেমে যেতে হবে বলা হয়েছে আল্লাহর জিকিরের উদ্দেশ্যে আসটা সবচাইতে বড় জিকির কিন্তু কুরবানিটা আল্লাহর জিকির নফল জিকির আপনি ফরজ রেখে নফল নিয়ে পড়ে তহলে যতদিন পর্যন্ত বাংলার মুসলিম তার আকলের মধ্যে এটা না ঢুকবে যে কোনটা তার নাজাতের সাবাব তাহলে ততদিন পর্যন্ত সে কোন কল্যাণের পথে নাই লাখো টাকা খরচ হবে বটে কিন্তু আপনি জান্নাতের নাগাল পর্যন্ত পেতে পারবেন না এজন্য এগুলোকে কদর করা উচিত তো এই কুরবানি মোটেও উচিত হয় নাই এই সময় তার পশুটাকে ফেলা আর কুরবানি নামাজ না পড়ে সে এগুলো নিয়ে ব্যস্ত থাকবে বরং গতকালকার ঘটনায় তো হাজারো বেনামাজি কুরবানি করেছে হাজারো বেনামাজি এই কুরবানির পশু নিয়ে গোসত নিয়ে
লাফালাফি পাড়াপারি বন্টন এগুলো নিয়ে ব্যস্ত যোহর পড়ে নাই আসর পড়ে নাই বহু ঘরের মহিলারা আছে যাদের ঘরের গোস্ত মানে সেটাআপ করতে করতে তার যোহর গেছে আসর গেছে মাগরিবের পরে সে গোসল করে তিন ওয়াক্ত এক নামে একসাথে পড়বে এটা নামাজীদের কথা বলতেছি আর যারা বেনামাজি তাদের কথা কোন প্রয়োজন পড়ে না তা এইটা নাজাতের মাপকাঠি না আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা মানুষকে বলেছেন তোমরা তোমাদের নাজাতের জন্য কাজ করো যেটা তোমার কল্যাণ হবে কিন্তু আমরা ফরজ বাদ দিয়ে নফল কি নিয়ে বেশি টানাটানি করি এটা মোটেও কাম্য নয়। তো তো যারা আজকে কুরবানি করবেন এটাও গতকালকের মতই ফজিলতপূর্ণ দিন। রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার আগে ইমান তার মানে ঈদের দিন ছাড়াও আরো দুই দিন।
তার মানে আজকের দিন আবার কালকের দিন। আজকে ১১ তারিখ এবং কালকে ১২ তারিখ। তার মানে আব্দুল ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুর মতে কুরবানি তিন দিন চলবে। কুরবানর দিন আমরা করেছি আজকের দিন আর কালকের দিন। কয়দিন হইল? তিনদিন। তবে আরেকটা মত আছে সেটাও বলি। বালাগাহু ইমাম মালিক বলতেছেন আমাদের কাছে পৌঁছেছে আলন আলী ইবনে আবু তালেব আলী রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু থেকে মিসজালিক ও সেম মানে আলী রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু থেকে এবং ইবনে ওমার থেকে তারা কুরবানির মাত্র তিন দিন ধার্য করেছেন একদিন হচ্ছে ১০ তারিখ আর সাথে ১১ এবং ১২ এটা মুয়াত্তা ইমাম মালেক তার ৯২৩ এবং মিশকাতে ১৪৭৩ এ করেছেন।
তবে কুরবানীর দিন ছাড়াও আরো তিন দিন কুরবানী করা যায় এর পক্ষেও মত রয়েছে ইমাম কুর্তুবি ও অন্যান্য মুফাসসিরান মুফাসসিরীনগণ তারা সে কথাগুলো উল্লেখ করেছেন যে কুরবানীর দিন মূলত চার দিন ১০ তারিখ ১১ ১২ এবং ১৩ মানে যেই তিন দিনকে আইয়ামে তাশরিক বলা হয় সেই তিন দিন পর্যন্ত কুরবানি চলবে এই সম্পর্কে ইবনে আব্বাস যিনি হচ্ছেন মুফাসসিরে কোরআন যিনি হচ্ছেন রাইসুল মুফাসসিরীন মানে তাফসীরকার মধ্যে শীর্ষস্থানীয় একজন সে আব্দুল ইবনে আব্বাস তিনি বলতেছেন আল আইয়ামু আল মাদুদাত এর মানে হল আইয়ামুত তাশরিক আইয়ামে মাদুদাত মানে হচ্ছে আইয়ামে তাশরিক আর সেটা হচ্ছে চারদিন কুরবানর দিন সহ আরো তিন দিন হচ্ছে আইয়ামে তাশরিকমা এবং তার দলিল হল আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালার সে আয়াত আল্লাহ বলেছেন এইযে কোরআনের যে আয়াতটি আছে ২০৩ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ কি বলেছেন দুইদিন কেউ যারা হজে আসছো তোমরা এখন আল্লাহর জিকির করো কেউ যদি তাড়াহোড়া করে দুইদিন থেকে চলে যাও তোমার উপরেও কোন পাপ নাই অন্যায় নাইযে আরো বিলম্ব করবে তার জন্য কোন পাপ নাই আল্লাহ কিন্তু দুই দিনের কথা বলেছেন।
হজের দিন ছাড়াও আরো দুই দিন। তারপরের দিনের কথা আল্লাহ বলেছেন। তার মানে আল্লাহ এখানে তিন দিনের কথা বলেছেন। হজের দিন কুরবানর দিন সহ চার দিন। এইটাই হলো দলিল যে চারদিন কুরবানি চলবে। কারণ যেহেতু অনেকে আছে যে আজকে আজকের পর আজকেই তো। কারণ আজকে সৌদি আরবে কয় তারিখ? ১২ তারিখ। তার মানে আজকে অনেক হাজিরা তারা মক্কা ছাড়ার পারমিশন পেয়ে যাবে। যাদের ব্যস্ততা আছে তারা চাইলে হজ থেকে আজকে ফিরতে পারে। আর যারা অধিক বেশি তাকওয়াবান বা অনেক সময় আছে তারা আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। আ জুবা বিন মতন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাত আরাফার যে কোোন জায়গায় হচ্ছে অবস্থানের জায়গা মলিফা মুজদাফাতা মলিফার যেকন জায়গায় অবস্থানের জায়গা মানহার আর এই প্রত্যেকটা জায়গায় হচ্ছে মিনার অন্তর্ভুক্তা এবং মানহারুন মানে যেখানে নাহার করা যেতে পারে মানে কুরবানি করার জায়গা আর আইয়ামে তাশরিকের প্রত্যেকটা দিনই হচ্ছে জবাহ করার দিন।
মানে যেহেতু রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম থেকে হাদিস পেশ করে দেওয়া হয়েছে ইবনে হিব্বান ৩৮৫৪তে হাদিসটা রয়েছে এবং আলবানী সিলসিলাতুল হাদিস সাহী মধ্যে ২৪৬৪তে হাদিসকে সহী বলেছেন। তার মানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন আইয়ামে তাশরিক যে কয়দিন এই ওই কয়দিনই কুরবানি চলবে। তার মানে আইয়ামে তাশরিক যদি হয় চার দিন মানে তিন দিন সহ একদিন সহ তিনদিন চার দিন তাহলে চার দিন চলবে। আর তাশরিক যদি দুইদিন গণনা করেন কুরবানর দিন সহ তাহলে তিন দিন হয় তিন দিনই কুরবানি চলবে। তার মানে এখন দেখার বিষয় হচ্ছে যে আইয়ামে তাশরিক আপনি কয়দিন গণনা করবেন? দুইদিন কি তিনদিন। তার মানে একটা প্রমাণ হচ্ছে তিনদিন পর্যন্ত গণনা করা যায়।
এটাতে কোন বাধা নাই। তার মানে আমরা বাংলাদেশের যারা আছি তারা ঈদের দিন সহ আরো তিন দিন কুরবানী করার সুযোগ পাচ্ছি। কিন্তু সৌদি আরবের সাথে ইখলাফ হওয়ার কারণে আমরা মনে করি বাংলাদেশে আমরা যারা আছি যেহেতু চাঁদ দেখার একদিন আমরা পেছে তাহলে সেই ক্ষেত্রে দুইদিনের মধ্যেই সেরে নেওয়াটাই সবচাইতে বেশি কল্যাণ হবে। সৌদি আরবে যারা আছে তারা তিনদিন সময় পাচ্ছে। কিন্তু আমাদের একদিন আগেই তো পার হয়ে চলে যাচ্ছে। তাহলে আমরা অন্তত কুরবানর দিন সহ আজকের দিন এবং আগামীকাল পর্যন্ত এই উত্তম সময়ের মাঝে আছি। যদি কারো প্রয়োজন হয় এই তিন দিন আপনি কুরবানি করতে পারেন। তো এটা ছিল এই আইয়ামে তাশরিকের মূল আলোচনা।
তো এই দিনগুলো হলো কুরবানর দিন এবং এই দিনগুলো হল আমাদের জন্য ঈদের দিন। গতকালকে যে ঈদ চলে গেছে তা না। বরং আমাদের ঈদ কয়দিন? আরো দুইদিন বাকি আছে। আজকের দিন সহ আরো দুই দিন বাকি। এই চার দিন হচ্ছে ঈদের দিন। এবং কেন ঈদের দিন? কারণ এই চার দিন আমাদের জন্য সিয়াম রাখা কি নিষেধ। এই চার দিন আমাদের জন্য আল্লাহ সুবহানাহু তাালার পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়েছে দুই ঈদের দুই দিন আর আইয়ামে তাশরিকের তিন দিন এ পাঁচ দিন বছরে সিয়াম রাখা নিষেধ করা হয়েছে এই মর্মে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফা নাহার আহল ইসলাম আরাফাতের দিন কুরবানর দিন এবং আইয়ামে তাশরিক এই তিন দিন এগুলো হচ্ছে আমাদের জন্য ঈদের দিন তাহলে আমাদের জন্য যেহেতু ঈদের দিন সবার জন্য কিন্তু যারা হজে নাই তাদের জন্য আরাফার সিয়াম আছে।
শুধুমাত্র ঈদের দিনটা আমরা সিয়াম রাখি না। কিন্তু আরাফার দিনের সিয়াম রাখি। যদিও আরাফার দিনটাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম ঈদের দিন বলেছেন। ওটা কাদের জন্য? হাজীদের জন্য। কারণ হাজীরা আরাফাতে সিয়াম রাখবে না। যদিও ঈদের মত। কিন্তু তারা সেইদিন সিয়াম রাখবে না। আনন্দের দিক থেকে ঈদের দিন। আর আমরা আনন্দের দিক থেকে ঈদের দিন। কিন্তু আমাদের জন্য আরাফার দিনে সিয়াম রাখার বিধান রয়েছে। যেহেতু একদিন সিয়াম রাখলে দুই বছরের গুনাহকে আল্লাহ সুবহানাহুতাালার পক্ষ থেকে মাফ করে দেওয়ার ওয়াদা রয়েছে। রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বলেছেন আরাফাতের দিন ঈদের দিন এবং তারপরের দিনগুলো এগুলো হচ্ছে খাদ্য খাওয়া খাওয়ানোর নাম পান করার নাম। কিন্তু আমরা তো আরাফার দিন সিয়াম রেখেছি।
কারণ ওটার জন্য আলাদা হাদিস আছে বিধায় আমরা সেইদিন সিয়াম ছিলাম। যদি হাদিস না থাকতো তাহলে এই হাদিসের ভিত্তিতে আমরা ওটাকে ঈদের দিন ঘোষণা করতাম। তখন আর সিয়াম রাখতে পারতাম না। ওটা পাস হয়ে চলে গেছে। এজন্য এটাকে ওখানে নিয়ে ফিট করা যাবে না। এই হাদিসটা ইমাম তিরমিজি কোট করেছেন ৭৭৩ এ আবু দাউদে আছে ২৪১৯। দুইটাই কিন্তু সহি। আরাফার দিনের সিয়াম রাখার কথা রাসূল সালাম। এটাও সহি বুখারী মুসলিমের হাদিস। এটাও হাদিস সহি। কিন্তু এইখানে আরাফার দিনকে আবার কি করা হয়েছে? ঈদের দিন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এজন্য দুইটাকে আপনি ভাববেন না যে একটার সাথে আরেকটা মানে কন্ট্রাডিক্ট না।
যেহেতু রাসূল সাল্লাল্লাহু সাললাম আমল করে দেখিয়েছেন। আমরা সেটাকে কিভাবে নেব? ওটা হচ্ছে হাজীদের জন্য। আরাফার দিনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কি সিয়াম রেখেছেন কি রাখেননি? এটা প্রমাণ করার জন্য তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়নি। বরং তার কাছে এক পেলা দুধ পেশ করা হয়েছিল। যদি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিয়াম রেখে থাকে তাহলে তো খাবে না। আর যদি না রেখে থাকে তাহলে পান করে নেবে। ওটাতে আমরা বুঝে যাব যে রাসূল কি অবস্থায় আছে। সুবহানাল্লাহ। তারপরে রাসূ সাল্লামের কাছে পেশ করা হলো রাসূল পান করলেন। তার মানে ওটা ছিল আরাফার দিন। তার বোঝা গেল যে রাসূল সাল্লাম আরাফার দিন সিয়াম রাখেননি। এটা হচ্ছে হাজীদের জন্য।
কিন্তু আমাদের জন্য রাখতে হবে যেমন আমরা রেখেছি। আলহামদুলিল্লাহ। এই দিনগুলোর অপর মর্যাদা হলো এই দিনগুলো হলো হাজীদের মিনায় অবস্থানের দিন। এটা আমাদের সাথে সম্পর্ক না। কিন্তু মিনাতে যারা আছে তাদেরকে এই তিন দিন এখানে অবস্থান করতেই হবে। বিশেষ করে দুইদিন। ১১ এবং ১২ এই দুইদিন থাকতেই হবে। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে আইন। কেউ যদি একদিনে চলে আসে তাহলে তার একটা ওয়াজিব ছুটে যাবে এবং তাকে কুরবানি করতে হবে অথবা ১০টা সিয়াম রাখতে হবে। তিনটা হল ওখানে রেখে আসবে আর সাতটা ফিরে এসে রাখবে। এগুলো আমরা মাসলা মাসল বা বড় শেখদের কাছ থেকে আপনারা জানবেন। এটার সম্পর্কে কোরআনে আয়াত আছে স্পষ্ট।
যেটা বললাম ২০৩ নাম্বার আল্লাহ বলেছেন যারা দুইদিন থেকেই চলে যাবে তাড়াহুড়া করবে তাদেরও কোন পাপ নাই আর যারা তিনদিন থাকবে তাদের কোন পাপ নাই ত দুইদিন থাকতে হবে এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে আইন এটা হচ্ছে ওয়াজিব এই দুইদিন মিনাতে রাত কাটাতে হবে এটাই হচ্ছে হজের বিধান যদি কোন ব্যক্তির বড় ধরনের কোন সমস্যার কারণে সে থাকতে না পারে সে যদি বিদায় তাওয়াফ করে চলে আসে তাহলে তাকে এর বিনিময়ে ফিদিয়া যেটাকে বলা হয় কুরবানী তাকে করতে হবে। এই দিনগুলোর অপর মর্যাদা বা বৈশিষ্ট্য হল এদিন সিয়াম রাখা নিষেধ একটু আগেই বলেছিলা এই দিনগুলো হচ্ছে খাদ্য খাওয়া এবং পান করার দিন।
কেউ যেন সিয়াম না রাখে। এটা আলহামদুলিল্লাহ অনেক বড় একটা ব্যাপার। কারণ অনেক পরহেজগারিতা আছে যাদের বাসায় মেহমান আসবে দেখা যাবে সে সিয়াম রেখে বসে আছেন আপনার বাসায় গেলে সে ইতস্তবোধ করবে না আলহামদুলিল্লাহ এই ক্ষেত্রে সবার জন্য সমান করা হয়েছে যাতে করে দুই তিন দিন কেউ সিয়াম না রাখে খাবে খাওয়াবে এটাই হচ্ছে আমাদের ঈদ এ সম্পর্কে হাদিস মুসাদ আহমদ ৫০০ ৫৬ স৭ ৫৬ তে রয়েছে এবং রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম থেকে ইমাম মুসলিম কোট করেছেন হাদাসা আইয়ামু তাশরিক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি আউস রাদিকে পাঠালেন আইমে তাশরিকের দিন তিনি আওয়াজ করে ডাকলেন বললেন আস রাদিয়াল্লাহু পাঠিয়েছেন মিনার মাঠে এলান করে জানিয়ে দাও আনাহ নিশ্চয় বিষয়টা এমন জান্নালা জান্নাতে মুমিন ছাড়া কোন ব্যক্তি ঢুকতে পারবে না।
মিনার মাঠে এটা কেন ঘোষণা করা হলো? কারণ সেখানে ছিল রাসূুল্লাহ সলা বিদায় হজ এবং সেখানে লাখো মানুষের বেশি উপস্থিত ছিল মুসলিমদের মধ্যে। তাদের থ্রোতে পুরা পৃথিবীবাসীর জন্য এটা একটা উদ্যত্ত আহ্বান ছিল। আজ পর্যন্ত মেম্বার থেকে ওই একটাই দাওয়াত দেওয়া হবে। আপনি আপনার সন্তানকে, পরিবারকে, নিজেকে, আপনার অন্তরকে শুধু এটা বুঝান। এই দুনিয়া ছাড়তে হবে সবাইকে। অন্তত অন্তরকে বুঝান এটা আমার জীবনের যত বিপ্লব ঘটে যাক আমার পরিচয় যেন হয় আমি মুসলিম। আমি যেন আল্লাহর সাথে মুসলিম রূপে নিয়ে সাক্ষাত করতে পারি। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাধ্যমে এটা আল্লাহ জানিয়ে দিয়েছেন। আর এই ভাষাটা আরেকটা বর্ণনা এভাবে আছে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম সমস্ত সাহাবা কেরামদের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন ইয়াহজ্ানলা মুসলিমা পৃথিবীর মানুষ তোমরা জেনে রাখো মুসলিম ব্যক্তিত্ব ছাড়া কোন ব্যক্তি জান্নাতে ঢুকতে পারবে না। এটা বলার পর রাসূ বলছেন আল্লাহুম্মা আল্লাহ আমি কি আমার কথাটা পৌঁছে দিলাম? তোমার পক্ষ থেকে যে দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে আমি কি পৌঁছে দিলাম? তারপরে বলা হয়েছে আল্লাহুম্মাদ তিনবার করে এভাবে ইশারা করে দেখিয়েছেন আল্লাহ তুমি সাক্ষী এদেরকে যারা বলছে না আল্লাহ আল্লাহুম্মাদ আল্লাহুম্মাদ যাতে বিচারের মাঠে পৃথিবীর কোন ব্যক্তি কথা বলতে না পারে যে আমাদের কাছে এ কথা পৌঁছে নাই এজন্য আমরা আমাদের গার্জিয়ানদেরকে বলতেছি আপনার সন্তানের কানে অন্তত এটা দেন। এই পৃথিবীর ধ্বংস হবে।
আমরাও মরবো। অন্ততপক্ষে নাজাত চাইলে নিজেকে যেন মুসলিম হিসেবে পরিচয় দেয়। মুসলিম ছাড়া কেউ জান্নাতে যেতে পারবেন না। আপনার আমার পাপ আপন জায়গায় থাকবে। আল্লাহ বিচার করবেন, শাস্তি দেবেন, মাফ করবেন। কিন্তু জান্নাতটা একমাত্র মুসলিমদের জন্য। আর সেটা তথাকথিত মুসলিম না। আপনাকে অন্তর থেকে মুসলিম হইতে হবে। না হলে কিন্তু নাজাতের কোন রাস্তা বাকি থাকবে না। আল্লাহ তুমি আমাকে এবং আমাদের মুসলিম ভাইদেরকে মুসলিম হওয়ার তৌফিক দান করো। তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের এটা ভাষা ছিল যে এই দিনগুলো হচ্ছে খাদ্য খাওয়া খাওয়ানোর দিন। এটাতে সিয়াম রাখা যায় না। এরপরে এই আইয়ামে তাশরিকগুলোতে এখন আপনারা কিভাবে ঈদ পালন করবেন? গতকাল তো কেটেছে ব্যস্ততায়।
আজকে হয়তো ঘোরাফেরা এইসব নিয়েই কাটবে। তবে এই ক্ষেত্রে আমরা বলব আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার বড়ত্ব তার জিকির করা থেকে নিজেকে গাফিল রাখবেন না। যখন তখন জবানে তাকবীর গুলো পাঠ করবেন। যখন তখন বলবেন সুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ। ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার। বিশেষ করে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহুলাহুল মুলক ওলাহুল হাহাম ওহুয়ালা কুল্লি শাইন কাদির। ইস্তেগফার করেন বেশি বেশি। এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু সাললামের উপরে দরুদ ও পাঠ করতে হবে। কারণ এতে আমাদের জন্য বড় কল্যাণ রাখা হয়েছে। তো ওমর রাদিয়াল্লাহু ওমর রাদিয়াল্লাহু নিজে তিনি তার ক্যামার ভিতরে থেকে মিনাতে যে তিনদিন অবস্থান করতেন তিনি ক্যামার ভিতরে থেকে তাকবীর পাঠ করতেন মসজিদ।
এমনকি তার ওই ক্যামার ভিতরের আওয়াজ তার মসজিদ পর্যন্ত পৌঁছে যেত। তিনি আল্লাহু আকবার বলে এভাবে তাকবীর পাঠ করতেন কাববিরুনা এবং তার তাকবীরের সাথে সাথে আশেপাশে যারা আছে স্মরণ তারাও তাকবীর বলতো আস এবং বাজারের পর্যন্ত তখনও সবাই তাকবীর পাঠ করতে থাকতো মানে একের পর এক স্মরণ হয়ে যায় না তো দেখবেন আমরা একজন আলহামদুলিল্লাহ বলে পাশের জন্য আলহামদুলিল্লাহ বলতেছে অথচ একটু আগে তার কোন খেয়াল ছিল না এটাই নিয়ম মুসলিমদের এটাই নিয়ম একে অপরকে স্মরণ করিয়ে দেওয়াতো তিনি ওই জন্য উচ্চস্বরে তাকবীর পাঠ করতেন এবং তার দেখাদেখি বাজারের লোকেরাও তাকবীর পাঠ করত হাততা তার মিনান তাকবর তাকবরে পুরা মিনাটা ধনিত হতো এইযে দেখেন স্তব্ধ থাকার দিন তারপর এটাকে চাঙ্গা করে নেওয়া হতো তাকবীরের মাধ্যমে এই বর্ণনাগুলো আসছে তার ছেলে ইবনে ওমার সম্পর্কে বলা হয়েছে এই দিনগুলোতে তিনিও তারপরে তাকবীর পাঠ করতেন ওখালফা সালাতখালফা সালাওয়াত এবং তার পেছনেই মানুষ নামাজ পড়ত ওলাফহ এবং ওখানেই বসে তিনি সালাত আদায় করতেন হাদিস এই বর্ণনাগুলো আসছেনা এবং মহিলারা তারাও তাকবীর পাঠ করবেনা খালফা আবান ইবন ওসমান আবান ইবনে ওসমান তার পেছনে মহিলারাও তাকবীর পাঠ করত।
ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ লালিন আতাশরিক তাশরিকের রাতগুলোতে ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ তিনিও তাকবীর পাঠ করতেন। মারিজল মাসজিদ তার সাথে পুরুষদের সাথে মহিলারাও তাকবীর পাঠ করত। তবে এটা ইমাম বুখারী কোট করেছেন। যেটা আপনি ঈদ আইনের পর্বে পেয়ে যাবেন। তবে মহিলাদের তাকবীর পুরুষদের মত উচ্চ আওয়াজে হবে না। তারা নিমস্বরে জবান দিয়ে বলবে আল্লাহু আকবার। আল্লাহু আকবার। মানে ঘরে তার আওতায় তার শব্দ পুরুষরা যেন না শুনে সে কিচেন রুমে, তার বেডরুমে, তার ঘরে সে তাকবীরগুলো পাঠ করতে থাকবে।
এবং এই মর্মে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা যেহেতু আমাদেরকে উল্লেখ করেছেন এই বিশেষ করে আমি কোরআন এবং হাদিস থেকে যেটা একটা নুক্তা দেখেছি সেটা হচ্ছে বড় ধরনের কোন গ্যাদারিং বড় ধরনের কোন আমল শেষ হওয়ার পরে মানুষ একটু থেমে যায় শিথিল হয়ে যায় ঠিক আল্লাহ ওই সময় তাদেরকে যেই দিক নির্দেশনা দিয়েছেন সেটা হচ্ছে জিকরিল্লাহ আল্লাহ সুবহানাহুতাালার জিকিরের যেমন জুমার সালাত শেষ এখন আমরা আবার জমিনে ছড়িয়ে পড়ব সেখানে আল্লাহ কি বলেছেন তোমরা সেখানে গ আল্লাহকে অধিক মাত্রায় স্মরণ করো। ঠিক। এই হজের হজের মূল কাজ শেষ হয়ে গেছে কালকে। এখন মানুষ অলস নীরব পড়ে থাকবে। কিন্তু আল্লাহ তাদেরকে কি বলেছেন? তোমরা যখন তোমাদের হজের মূল কাজগুলো সম্পূর্ণ করে ফেলবে।
তোমরা আল্লাহকে স্মরণ কর। ্লাহা যেভাবে তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষদেরকে স্মরণ করতে এটা বলে দিয়ে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বাপ দাদার জিকিরকে পর্যন্ত নাকচ করে দিয়েছেন কারণ মানুষের স্বভাব কি জানেন বন্ধু-বান্ধব একসাথে বসলে আমরা দেখেছি কিছু ভালো কথা হলো তারপরে যখন ওই মূল সাবজেক্ট শেষ তখন দেখবেন সবাই যার যার কৃতিত্ব পেশ করে আমার বাবা এটা করছে আমার দাদা এটা করছে এই যে উনার এই জমিগুলো রেখে গেছে এই মসজিদ মাদ্রাসা সব এসব বাপ দাদার কৃতিত্ব দেখবেন মানুষের স্বভাব একসাথে বসলেই কে কতটুক জমি কে কত টাকার মালিক কে কি করেছে না করেছে দেখবেন এগুলো এমনকি যারা অতীতকালে ডাকাত ছিল সন্ত্রাস ছিল বা কে কা হত্যা করেছে এগুলো পর্যন্ত বসে বসে ওই টেবিলের মধ্যে উচ্চারণ করেগুলো পাপ উচিত ছিল না এগুলো প্রকাশ করা মানুষ এগুলো করে আমি জানা করেছি আমি এটা করেছি সেটা করেছিলাম আমি এই যে মিউজিক করতাম আমি গানবাজনা করতাম না আপনার অতীত পাস [নাক ডাকা] হয়ে গেছে আল্লাহ সুবহাতা ঢেকে দিয়েছেন এটা আপনি আবার মাথা চাড়া দিয়ে তুলতেছেন প্রকাশ করতেছেন এটা মোটেও কাম্য নয়।
এগুলোকে আমাদের রসিকতার সাথে বলা উচিত না। অতীত ভুলে যান। অতীতকে শুধু গোপন রাখেন। কারণ আল্লাহ বলেছেন কেয়ামতের মাঠে প্রত্যেকটা ব্যক্তি মাফ পাবে। রাসূ বলেছেন আমার উম্মতের প্রত্যেকটা ব্যক্তি নাজাত পাবে। ইল্লা মজাহ একমাত্র প্রকাশকারীরা ছাড়া বলতেছে ইয়া রাসূল্লাহ কিভাবে এটা প্রকাশ করা হয়? বলেছেন রাত্রে কোন ব্যক্তি এটা পাপ করল। কেউ জানত না। কেউ জানেনি। আল্লাহ এটাকে ঢেকে রেখেছে। দিনের বেলা এই ব্যক্তি তার বন্ধুর কাছে অমুকের কাছে তোমার কাছে বলে আমি কালকে রাত্রে চুরি করেছি, মদ খেয়েছিলাম, জেনা করেছিলাম, হত্যা করেছিলাম বলে দেয়। এই যে বলে দিল আল্লাহ এটাকে ঢেকে রেখেছিলেন, প্রকাশ করতে দেননি। কিন্তু সে নিজেরটা নিজে প্রকাশ করে দিয়েছে।
আর যার পাপ প্রকাশ পেয়ে গেছে তাকে তার জবাবদিহী তার আন্ডারে নিয়ে আসাই হবে। আল্লাহ জিজ্ঞেসই করবেন বিচার হবেই তার এটা। তারপর আল্লাহর ইচ্ছা। মাফযোগ্য হলে ক্ষমা করবে। না হলে আল্লাহ শাস্তি দেবে। কিন্তু প্রকাশ হয়ে গেলে আল্লাহর জবাবদিহিতার আন্ডারে পড়তেই হবে। তাহলে যারা প্রকাশ্যে পাপ করে এরা কত বড় অহংকারী। প্রকাশ্যে যারা পাপ করে এজন্য যারা প্রকাশ্যে সিগারেট এক রাস্তা দিয়ে হেটে খেতে খেতে যান টাকনার নিচে যাদের প্যান্ট দাড়ি ফেলে দিয়েছেন বেনামাজি অবস্থায় দোকানে বসে আছেন প্রকাশ্য পাপ। যে সমস্ত মহিলারা বেপর্দা হয়ে ঘরে প্রকাশ্য পাপ। এদের কি হবে? একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা ভালো জানে। আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুন।
আমাদেরকে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা তওবা করার তৌফিক দান করুন। আমিন। তো আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন হজ শেষ হয়ে যাবে। এখন তোমরা আনন্দে উৎফুলের নামে তোমরা ওই ঈদের আনন্দের নামে পাপে জড়িয়ে যেও না। তোমরা আল্লাহকে স্মরণ করো। কাকি এবং আল্লাহ সুবহানাহুতাালার কাছে দুনিয়া এবং পরকালের কল্যাণ আমাদেরকে চাইতে বলা হয়েছে। এই ছিল আইয়ামে তাশরিকের দিনগুলোর কাজ। এবং এই দিনগুলোতে মূলত আমরা সিয়াম রাখবো না, খাবো এবং চাইলে কুরবানি যাদের বাকি আছে তারা করতে পারে।
এখন আর পূর্বের ন্যায় আর গোসত খাওয়ার বিধান যেটা সেটা হচ্ছে যে আগে একটা সময় নিষেধ ছিল এখন আপনার খুশি যেই কয়দিন আপনি গোসত রাখতে পারেন খেতে পারেন সাথে করে বয়ে নিতে পারেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ভাষাটা ছিল এই তিনি আমাদেরকে নিষেধ করতেন কুরবানর গোসত খেতে বালা আইয়াম তিন দিনের বেশি সমমা তারপরে তিনি বললেন বাদ এই বিধানের পরে এখন তোমরা খেতে পারো তোমরা এটাকে সংরক্ষণ করে পাথি হিসেবে নিতে পারো এটা তোমরা বয়ে বেড়াইতে পারো তার মানে তারা মিনার মাঠে খেত শুখাইতো এবং লগে করে বয়ে নিয়ে মদিনায় বা বিভিন্ন প্রান্তরে তারা নিয়ে যেত তাহলে ওই প্রথা এখন আমাদের ফ্রিজ ইলেকট্রিসিটির মাধ্যমে চলে আসছে সেটাকে আমরা ওভাবে রেজা করতেছি খাচ্ছি তবে উচিত হবে নেকের জন্য যেহেতু করেছেন রেজাব না রেখে যাদের বাসায় গোস্ত পৌঁছেনি খবর নিয়ে যার কথা স্মরণ হয়ে যাবে আপনার ভাগ থেকে তাদের ঘরে পৌঁছে দেওয়া আল্লাহ আমাদের এই কুরবানীকে কবুল করুন আমিন রাব্বুল আলামিন আস্তাগফিরুল্লাহ গাফুর রাহিম আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন আসসালাতুও আসসালামু আলা আশরাফিল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালিন নবনা মুহাম্মাদিন ওয়ালা আহ আমরা যারা ইবাদত করেছি আমাদের প্রত্যেকের উচিত এই ইবাদত যেন কবুলযোগ্য হয়।
এর জন্য কিছুটা সময় হলেও মাঝে মাঝে আপনি একান্ত আল্লাহর কাছে বলবেন আল্লাহুম্মা তাকাব্বা মিন্নি আল্লাহ তুমি আমার পক্ষ থেকে এটা কবুল করো। কারণ কবুল যোগ্য হওয়াটাই হচ্ছে সবচাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ইবাদত করাটা যথেষ্ট নয়। ইবাদত যেন আল্লাহ কবুল করেন। এই মন মানসিকতা নিয়ে করতে হবে এবং আল্লাহকে বলতে হবে। আল্লাহকে যদি আপনি আমি না বলি এটা অহংকারের প্রদর্শন হলো। এটা হচ্ছে ওই ব্যক্তির মত কোন একটা দায়িত্ব দিয়েছেন ইনসাফ নাই। সে জাস্ট রেখে দিয়ে চলে গেল। মানে এমন ব্যক্তি যেই ব্যক্তির মধ্যে কোন মাধুর্যতা নাই। আন্তরিকতার সাথে কাজ করে না। ওর সম্পর্ক শুধু জাযার সাথে হবে।
আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা এটা গ্রহণ করলেন কিনা? এভাবে রাখলে আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন কিনা? এই দিক নির্দেশনাগুলো মেনে আমাদেরকে ইবাদত করা উচিত এবং আল্লাহকে প্রতিনিয়ত বলতে হবে কারণ আমাদেরকে স্মরণ করতে হবে আমাদের সেই বিশিষ্ট রাসূলের প্রতি ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম তার এবং তার ছেলে ইসমাইল আলাইহিস সালাম যারা আমাদের অতীত যাদেরকে অনুসরণ করতে আমাদেরকে আদেশ করা হয়েছে তারা কোন কাজ করলে এমনি এমনি করত না অন্তর থেকে করত যখন তিনি আল্লাহর দিকনির্দেশনা মোতাবেক বায়তুল্লাহ বানাচ্ছিলেন দেন।