লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: ইবাদতকেন্দ্রিক মুসলিম পরিবার গঠন

ইবাদতকেন্দ্রিক মুসলিম পরিবার গঠন



আর মারা গেলে যেটা যাবে সেটার সাথেই আপনার প্রতারণা সেটা হলো সালাত বা সিয়াম। অথচ বাড়ি কার জন্য? টাকা কার জন্য করলেন? ওই টাকাটার জন্যই আপনি সালাতের টাইম পাচ্ছেন না। কিন্তু টাকা কার জন্য? ও টাকা আপনাকে কবরে রক্ষা করবে না। কবরে যিনি রক্ষা করবেন, যে এবাদত রক্ষা করবে যে এবাদতের কারণে আল্লাহ রহমত পাওয়া যাবে সেই এবাদতকে সে এবাদতের জায়গাতে রাখতে হবে। কাজকে যদি কাজের থেকে বেশি গুরুত্ব দেন তাহলে দেখবেন যে আপনি কখন যে ইসলাম থেকে বেরিয়ে চলে গেছেন হোশ পাবেন না। সম্মানিত সমবেত মুসল্লিবৃন্দ তাই এক নম্বর যে কথাটা বলছিলাম যে বাড়িতে আমাদের বাড়িটাকে জিকির আজকারে একটা রূপান্তরিত করতে হবে।

                                                           

বাড়িতে আপনি আজকের পরে হিসাব নিবেন মালিক হিসাবে। বাড়িটাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত কয়বার হয়? পাঁচ ওয়াক্ত সালাত হওয়ার পরে আপনার স্ত্রীর সালাত হওয়ার পরে আপনার নফল সালাতের বাইরে ওই বাড়িতে কতক্ষণ পর্যন্ত ফোন টিভি সিনেমা চলে আর কতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর জিকির আজগার চলে যারা ওই মাজারে বসে আছে তাদের জিকির না হলে ভুল তারা যে কি বলল না বলল সেটা আল্লাহ জানছে কিন্তু আপনি যেগুলি বিশুদ্ধভাবে জানেন সেগুলোও তো বলছেন না তো জানা মানুষের তো অভাব নাই আমলদার মানুষের অভাব আমি এখানে খুতবা না দিয়ে যদি আর কাউকে বলি আপনি খুতবা দেন আমার থেকে ফাটিয়ে খুতবা দিতে পারবে জানা মানুষ শিক্ষিত মানুষের অভাব নেই বর্তমান সময়ে তবে আমলদার মানুষের অভাব আমলের অভাব একসময় মানুষ কম জানতো একটা গ্রামে একটা আলেম ছিল তারপরও তার বাড়ির পাশ দিয়ে যদি যাওয়া যেত তাহলে দেখা যেত ফজরের সময় টনটন করে কোরআন পড়া হচ্ছে আর এখন মানুষ বলতে শিখেছে অশুদ্ধ নাকি চলবে না বিশুদ্ধ হতে

                                                           

হবে এটা ওটা করতে করতে পন্ডিত সবাই সেজেছে একটা গ্রামে ২০টা আলেম আছে ২০টা কোরআন হাদিস পড় আছে ২০টা কোরআন হাদিসের হাফেজা আছে আলেমা আছে অথচ ২০টা বাড়ির মধ্যে একটা বাড়িও খুঁজে পাওয়া যায় না যে ফজর আজানের সময় উঠেছে কষ্ট দিবেন না মনে যে স্ত্রী আপনার সাথে ফজরের সময় উঠতে পারে না সেই স্ত্রীকে আপনি জান্নাতে পাবেন এটা আপনার হিসাবে ভুল হয়েছে আর কি ওখানে কারণ আছে যে ফজরের সময় আপনার সাথে আপনার বউ উঠবে না আপনার টাইম টাইম হবে ফজরের আজান হয়েছে তার মানে বাড়ির সকল সদস্য উঠে যাওয়ার টাইম হয়েছে গেট খুলে যাবে তালা খুলে যাবে স্বাভাবিকভাবে সালাত হয়ে সবাই তারা বের হবে তারা এবাদত করবে জিকির আজকার করবে তাসবি তাহলীল করবে তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম আজ থেকেদেড় হাজার বছর পূর্বে বলছেন যে ওই বাড়ি যেই বাড়িটা জিকির হয় জিকির আজকার হয় সেই বাড়িটাকে তিনি বলছেন যে বাড়িটা জীবিত আর ওই বাড়ি যেখানে জিকির আজকার হয় না সেই বাড়িটাকে মৃত্যুর সাথে তুলনা করা হয়েছে।

                                                           

বাস্তবে ৭তটা আটটার সময় ঘুম থেকে উঠার পরে দেখবেন আপনার কাজ তেমন করতে মন চায় না। আগের মানুষ ফজরের সময় উঠতো ১২:০০ টার পরে তাদেরকে কাজ করা লাগতো না। ফজরের পর উঠে সতটা আটটা ৯য়টা বাজতে না বাজতে জমির অনেক কাজ হয়ে গেছে। আর এখন আমরা করি কি? ৯য়টা বাজতে বাজতে আমাদের বিছানায় ছুটে না। সম্মানিত সমবেত মুসল্লিবৃন্দ এই জিকির থেকে আমি একটা বিষয় দেখালাম। এ জিকির আমি আপনি করতে পারছি না কেন? এ আমার হাতের ফোন, এ আমার বাড়ির টিভি সিনেমা, এ বাড়ির ল্যাপটপ, এ বাড়ির কম্পিউটার জিনিসগুলো ভালো। তবে ভালোকে ভালোভাবে ব্যবহার করতে হবে। গরুর গোস্ত খাওয়া হালাল।

                                                           

তবে গরুর গোস্ত জাতগতভাবে জাতিগতভাবে আল্লাহ বৈধ করেছেন। কিন্তু গরুটা যদি চুরি করা হয় তখন ওই গরুর গোস্ত খাওয়া অবৈধ। তেমনিভাবে মোবাইল ভালো, কম্পিউটার ভালো, ল্যাপটপ ভালো। কিন্তু এই জিনিসগুলি যদি এক সেকেন্ডের জন্য এবাদতের প্রতিবন্ধক হয় তাহলে তখন আর এক সেকেন্ড নয় তখন ওই কম্পিউটারকে ওই ল্যাপটপকে ওই মোবাইল ফোনকে ভেঙ্গে চৌচির করে মাটির নিচে ফেলে দিয়ে সাধারণ জীবন যাপন করে কবরে যাবার চেষ্টা করতে হবে। এই কথাই এটাই শরীয়ত। এইভাবে পথনির্দেশনা দিয়ে গেছেন বিশ্বনবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম আজকে আমার আপনার জিকির আমার আপনার এবাদত আমার আপনার নফল সালাত সবগুলিকে কেড়ে নিয়েছে আপনার আঙ্গুলগুলো ব্যথা করে আপনার হাতটা ব্যথা করে আপনার এটা ওটা ব্যথা করে শুধু ওই জিনিসটা নিয়ে নিয়ে চলাফেরা করার কারণে সম্মানিত সমবেত মুসল্লিবৃন্দ সম্মানিত মা ও ভগ্নিগণ আপনাদেরকে আরেকটু বিষয় বলি আপনারা বাসাতে অবস্থান করেন আপনাদের বাসাতে অবস্থান মানে ফোন নয়।

                                                           

আপনাদের বাসাতে অবস্থান মানে টিভি দেখা নয়। আপনাদের বাসাতে অবস্থান মানে অশ্লীল ছবি গান বাজনার সাথে যুক্ত হবেন এমনটা নয়। স্বামী আছে বাড়িতে। স্বামীর সাথে কথা বলেন। স্বামীর কাজ করেন। স্বামীর সাথে আলাপ করেন। স্বামী নাই বাড়িতে। নফল সালাতে দাঁড়িয়ে যান। অনেক নফল সালাতের পথ আল্লাহ দিয়েছে। নফল সালাত পড়লাম। সালাতুদ জোহা চা এগুলো পড়লাম। দুই চার ছয় আট ১০ পড়লাম। এখন আর পড়ি না। তাহলে আপনি তখন বসে বসে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে বাড়িটাকে পরিপূর্ণ জিকির আজকারের মধ্য দিয়ে কাটানোর চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ যেন আমি সহ আপনাদের সকলকে সেই তৌফিক দান করেন। সকলে পড়ি আল্লাহুম্মা আমিন।

                                                           

সম্মানিত উপস্থিতি তাহলে আমরা মুসলমানের বাড়ির বৈশিষ্ট্য হিসেবে একটা পথ পেলাম যে বাড়িতে যেন অবশ্যই জিকির আজগাত হয়। এবং এর পূর্ণ ভূমিকা কে পালন করবে? যিনি বাড়ির মালিক মেয়েদেরকে কোন সময় আপনি অত সহজে বলবেন না মেয়েটা খারাপ। আমি যতটুকু জানি যে আপনি যদি ঠিকভাবে চলেন তাহলে আপনার বউ আপনার মেয়ে এমনি ঠিকভাবে চলবে। আর আপনার চলা যদি ১৯ ২০ হয় তাহলে আপনার বউ এমনি ১০ ঘন্টাতে ঘুরবে। এমনিতেই চলে যাবে। আপনার বউ যদি একটু পোশাকটা ভালো করে পড়ে চলে তা আপনার মেয়ে জিন্দেগীতে পোশাক ছোট পোশাক পড়ে বের হবে না। আর আপনার স্ত্রী যখন হয়ে আড়াই হাতের পোশাক পড়ে বের হয়ে গেছে।

                                                           

তখন আপনার মেয়ে তার মার দিকে দেখছে আড়াই হাত ও দেড় হাতের পোশাক পড়ে বের হবে এটা স্বাভাবিক। এজন্য রাস্তাঘাটে আলেম ওলামার মেয়েকে দেখলে বা যারা যোগ্য মানুষ ভালো মানুষ যারা আল্লাহকে ভয় করে তাদের স্ত্রী তাদের ছেলেমেয়ে তাদের স্বজন তারা যখন রাস্তায় চলে তখন তাদের পোশাক শালীনভাবে চলে। আর খুবই শিক্ষিত। অথচ তারা যখন চলে তখন অশালীনভাবে চলে। আর ওটাই নাকি বাংলাদেশের ভদ্র সমাজ। তাদের সামনে অত সহজে কিছু বলা যাবে না। তারা উন্নত সমাজ। তাদের সামনে হিসাব করে কথা বলতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। সম্মানিত উপস্থিতি দ্বিতীয় নম্বর হলো মুসলমানের বাড়িতে সালাতের ব্যবস্থা থাকতে হবে। মুসলমানের বাড়িটাই যেন সলাত হয়।

                                                           

সালাত কেন্দ্রিক যেন চলে। সহীহ বুখারীতে হাদিসটি এসেছে। আল্লাহ রাসূল বলছেন মিন সালাতিকুম বুতকুম তোমরা তোমাদের কিছু সালাত সব সালাত নয় কিছু সালাত এইযে মিন শব্দটি এসেছে তোমরা কিছু সালাত তোমাদের বাড়িতে আদায় করো কিছু বলতে কোনটা অন্য হাদিস আরো স্পষ্ট করেছে যে ফরজ ব্যতীত আপনি পুরুষ মানুষ বাড়িতে ফরজ আদায় করতে হবে না কোনভাবেই না যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন যে বাড়িতে আপনার যেন ফরজ সালাত আদায় না তবে নফল সালাতগুলি আপনার বাড়িতে আদায় করতে হবে। আল্লাহ রাসূল বললেন, কিছু সালাত তোমরা তোমাদের বাড়িতে আদায় করো। কিছু সালাত বলতে যেমন নফল সালাত। নফল কোনগুলো হতে পারে? স্বাভাবিক সালাত আছে। তারপরও সালাতুদ দোহা আছে।

                                                           

সালাতুল হাজাত আছে। ইত্যাদি ইত্যাদি একাধিক নফল সালাত আছে। সম্মানিত মা ও ভগ্নিগণ আপনি একজন মুসলিম নারী হিসাবে আপনার বাড়িতে ফজরের সময় উঠেছেন। ফজরের সময় উঠার পরে আপনার স্বামী বাইরে চলে গেল। কাজে চলে গেছে। ইনকামের জন্য বের হয়েছেন। আপনি বাসায় আছেন। তো আপনি বাসাতে থেকে কি করবেন? রান্নাবান্নার কাজ তো শুরু হবে ১১ টায়। আর যদি আরো টাকা পয়সার মালিক হন তাহলে তো রান্নাবান্না করার জন্য একজন মহিলা আছে আর হাট বাজার করার জন্য একটা ছেলে আছে। তাহলে তো আপনার কাজই নাই। তাহলে কি করবেন? তাহলে তো অটোমেটিক যেখানে কাজ নাই সেখানে শয়তান এসে চেপে বসবে। আপনি যখন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিসে ডিউটি করেন তখন আপনার ফোন দেখার শয়তানি করার সুযোগ নেই।

                                                           

কিন্তু যেদিন ছুটি আছে সে ছুটির দিন সালাতটাও টাইমে আপনি আদায় করতে পারছেন না। কেন? ফাঁকা জীবনকে শয়তান বেশি ব্যবহার করে। আর ব্যস্ততা জীবনকে শয়তান ব্যবহার করতে পারে না। আপনি সকালে কাজ করলেন কাজ করার পর ১২:০০ টার সময় গোসল করে ঠিকই দুপুরে সালাত আদায় করলেন। কিন্তু যেদিন ছুটিতে ছিলেন সেদিন আপনি সকাল থেকে বাড়িতে আছেন। কিন্তু দেখা গেল বাড়িতে থাকতে থাকতে গোসলটা শুরু হলো সড়ে টায়। এই যে গল্প করতে করতে গেছেন শয়তান ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে আপনাকে কোন জায়গায় চলে গেছে। তো আল্লাহ রাসূল বললেন যে বাড়িতে কিছু সালাতগুলি আদা করো। কিছু বলতো নফল সালাত। আমি দুইটা সালাতের কথা বলি।

                                                           

একটা হলো চাস। যেটাকে চাস ফারসি শব্দ। নাস্তা খাওয়া। চাস মানে নাস্তা খাওয়া। তো এই নাস্তা খাওয়ার সময়ে সালাতটা পড়ে। এইজন্য এটাকে চাসতে সালাত বলে। হাদিসের শব্দ হলো সালাতুদ দোহা। তো অনেক এলাকাতে বাঁচ নামাজ বলে এক মাস পরিমাণ বেলা হয় এগুলো গ্রাম্য কথা সেটা আলাদা তো এই যে সালাতুদ দোহা দু রাকাত চার রাকাত ছয় রাকাত আট রাকাত ১০ রাকাত পর্যন্ত যে পড়বেন তো আপনার স্ত্রী বাড়িতে বসে আছে সকালে খাওয়া দাওয়ার পরে রান্নাবান্না করবে দেখা যাবে যে ১১ টা বা ১২:০০ টার সময় রান্না শুরু করবে এখন তো সুইজে রান্না হয় তা আমার আপনার বোন মা ফুফু তারা সকাল থেকে নিয়ে এই ১১ রান্না করার আগ পর্যন্ত বাসাতে এমনি বসে থাকবে।

                                                           

এই যে রাসূল বললেন যে তোমরা তোমাদের বাড়িতে কিছু সালাত আদায় করো নফল গুলি। একটা হলো সালাতুদ দোহা যেটা ছয় আট ১০ পর্যন্ত পড়বেন এই মেয়েটা বাড়িতে যদি তার ফোন না দেখে বাড়িতে শুয়া না যেয়ে বাড়িতে ঘুমিয়ে না যেয়ে আমার বউ আপনার বউ যারা সম্মানী মহিলা যাদের টাকা পয়সা আছে বাড়িটা ভালো আছে তারা সকাল আটটা থেকে নিয়ে ১১ টায় রান্নাবান্নার কাজ শুরু করবে আটটা থেকে ১১ টা পর্যন্ত কেন ঘুমিয়ে যাবে যদি ঘুমের প্রয়োজন হয় এক ঘন্টা ঘুমায় যদি ঘুমের প্রয়োজন হয় দেড় ঘন্টায় ঘুমায়। কিন্তু তার মানে এটা না যে ৮:০০ টা থেকে ঘুমিয়ে গেল। ১১:০০ টা পর্যন্ত ঘুমাবে।

                                                           

৮:০০ টা থেকে ১১:০০ টা পর্যন্ত অন্য বাড়ির মেয়েরা এসেছে তাদের সাথে গল্প করবে। এক ফ্ল্যাটে বাসা ভাড়া থাকেন। দেখা গেছে চার বান্ধবীতে গল্প শুরু করেছেন। এগুলো ইসলাম সমর্থন করে না। আপনার আটটা থেকে ১১:০০ টা পর্যন্ত আপনার কোন কাজ নাই। আপনি সালাতুদ দোহা শুরু করেন। আপনার বউকে বলেন যে আমি যখন কাজে বের হয়ে গেছি তখন তো আমি নদীতে মাছ মারছি। শহরে ব্যবসা করছি রাস্তাঘাটে কাজ করছি কৃষির কাজ করছি তুমি বাড়িতে আছো তুমি বাড়িতে এই যে দুই ঘন্টা পাঁচ ঘন্টা ফাঁকা পড়ে আছো বসে সময় কাটায়ও না দুই রাকাত চার রাকাত ছয় রাকাত এভাবে তুমি সালাতুদ দোহাগলা পড় আল্লাহ রাসূল বলছেন এই সালাতগুলি তোমরা বাড়িতে পড় সালাতটা বাড়িতে যেন হয় আরেকটা সলাত সালাতুল হাজাত মানুষ আজকে প্রয়োজন পূরণের সলাত একে বলা হয় সালাতুল হাজাত জীবনে পড়েন কি পড়েন না আল্লাহ ভালো জানে কারণ আমরা প্রয়োজন আল্লাহর মাধ্যমে পূরণ করে নেব এই বিশ্বাসের মানুষ খুবই কম যদি টাকা কম

                                                           

হয় তাহলে বয়স্ক ভাতার কাঠ করতে যাবে ওই চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে তো বয়স্ক ভাতার যে চেয়ারম্যানের কাছে কাঠ করতে গেলেন যান দুনিয়া হিসাবে যান কিন্তু চেয়ারম্যানকে যেয়ে তার সামনে বলছেন স্যার কাঠটা করে দিতে হবে বয়স্ক ভাতা অন্তত ২০ বার সার বললেন কিন্তু এই যে কাড করলেন তার আগে একবার উচিত ছিল সালাতুল হাজাত পড়ে আল্লাহকে বলা যায় আল্লাহ খাদ্যের অভাব হয়েছে খাদ্য আকাশ থেকে পাঠাও। কিন্তু আমরা তো জানি না যে সালাতের মাধ্যমে পৃথিবীর সব সমস্যার সমাধান হয়। আপনি যেটা দেখবেন বৃষ্টি হচ্ছে না সালাত সেখানে আছে। প্রয়োজন আছে সালাত সেখানে আছে। বিপদে পড়েছেন সালাত সেখানে আছে। জান্নাতে যাবেন সালাত সেখানে আছে।

                                                           

যত পর্যায়ে দেখবেন একটার পর একটা প্রত্যেকটা সমস্যার সমাধানের মূল যেটা সমাধান সেটা হলো সালাত। সালাত দিয়ে কাজ করা যায়। এখন আপনার ছেলেটা ওয়ে পরীক্ষা দিয়েছে একটা চাকরির প্রয়োজন। আপনার বাড়িতে ছেলে নাই মেয়ে আছে ছেলের প্রয়োজন। আপনার বাড়িতে ছেলে মেয়ে বাচ্চাই নাই বাচ্চার প্রয়োজন। আপনার একটু বাড়ি করার মত কোন জায়গা নেই। একটু বাড়ির প্রয়োজন। তো আপনাকে উচিত আপনাদের আমাদের উচিত সালাতুল হাজাত পড়ি। দুই রাকাত সালাতুল হাজাত পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করা। সেটা কিভাবে? কোন কঠিন নিয়ম নয়। স্বাভাবিক যেভাবে সালাত পড়েন সেভাবে দু রাকাত সালাত পড়বেন। আর শেষ বৈঠকে শেষ বৈঠকে এই দোয়াটা পড়বেন। রব্বানা আতিনাফিদুনিয়া হাসানা হাসানা সবাই সবার দোয়াটা জানা।

                                                           

দোয়াটা পড়বেন। আর নিয়ত থাকবে দোয়া পড়ার সময়। যেই প্রয়োজনের কারণে ওই সলাতটা পড়ছেন ওই প্রয়োজনটা আপনার মাথায় থাকবে। নিয়তে থাকবে। আর দোয়াটা পড়বেন রব্বানাতিনাফিদুনিয়া হাসানাফি হাসানা আরেকটু উদাহরণ দিয়ে স্পষ্ট করি ছেলে ঢাকায় পরীক্ষা দিয়েছে ছেলে পরীক্ষা দিয়েছে চাকরির পরীক্ষা সে টিকে কিনা ৪ হাজার ছাত্র পরীক্ষা দিয়েছে তার মধ্যে পাঁচজন নিবে বাংলাদেশ তো খুব কঠিন বিষয় তো আপনি আপনার ছেলের জন্য এই সালাতুল হাজাত পড়েন দু রাকাত পড়েন শেষ বৈঠকে আপনি বলবেন তাশাহুদ দরুদ যা পড়লেন পড়লেন তারপর আপনি বলবেন রব্বানাতিনাফিদুনিয়া হাসানাফ হাসানা দোয়াটা বলবেন মুখে আর নিয়তে থাকবে যে আমার ছেলের যে চাকরি আল্লাহ তুমি সেটার সমাধান করো এভাবে পথ দিয়েছেন একটা মানুষের জীবনে মানুষের জীবনে চলাফেরার জন্য আপনার কত প্রয়োজন আছে আপনার ছেলের প্রয়োজন আপনার মেয়ের প্রয়োজন আপনার খাবারের প্রয়োজন আপনার জায়গা জমির প্রয়োজন ঠিক আটটা থেকে ১০টা পর্যন্ত আপনার বউ আপনি বাসায় বসে থেকে যদি আপনি এই সালাতুল হাজাতটা পড়তেন তো সমাধানটা সপ্ত আকাশের উপর থেকে হতো।

                                                           

কিন্তু আজকে মানুষেরা সালাতুল হাজাত একটা যে মানুষের সালাত প্রয়োজন পূরণের সলাত আছে এটা অনেকেই জানে না। আর অনেকেই জানলে তার সালাতটা পড়ার সময় হয় না। ওই যে প্রথম কথা বলে এসেছি আমাদেরকে এবাদতের টাইমগুলি এই বিভিন্ন জিনিসে আমাদের সময়গুলিকে ছিনিয়ে নিয়েছে। চেষ্টা করতে হবে এই সলাতগুলি পড়ার। আপনি আপনার বাড়িতে আপনি যখন পারবেন পড়বেন। আর না হলে আপনার স্ত্রী আপনার ছেলেমেয়ে যদি থাকে তাদেরকে আপনি শিক্ষা দিবেন যে আমি যখন বাড়িতে থাকি না তখন তোমরা বাড়িতে এমনিতে বসে না থেকে হয় সালাতুদ দোহা পড় নচে তোমরা সালাতুল হাজাত পড় আমাদের কত প্রয়োজন আছে সে প্রয়োজনগুলি আল্লাহ পূরণ করবেন। তৃতীয় নম্বর এ হাদিসের শেষ অংশে আল্লাহ রাসূল বলছেন লামা তোমরা তোমাদের বাড়িগুলিকে কবরে পরিণত করিও না।

                                                           

কবর আল্লাহ রাসূ বাক্য দিয়ে বাড়ির ভিতরে আঙ্গিনাতে কবর দিতে নিষেধ করছেন এটা না। বাড়ির ভিতরে কবর কেউ দিবে না। বাড়ির ভিতরে যে কবর দিবে এটা কেউ করবে না। এখান থেকে বুঝানো হচ্ছে যে যেই বাড়িতে সলাত জিকির আজগার করা হয় না। ওই বাড়িটা হলো কবরের মত। ওই গোড়স্থানের মত। কারণ কবরের উপর সালাত চলে না। কবরে কেউ সালাত পড়ে না। কবরের উপর সালাত পড়া যায় না। তো তোমার বাড়িটা তুমি রেখে রেখে এমন কাজ করেছো বাড়িটা বিল্ডিং তিন তালা পাঁচ তলা ১০ তালা বিল্ডিং। কিন্তু বাড়িটাতে কোনভাবে সলাত হয় না। এই নফল সালাতগুলি হয় না। যার ফলে বাড়িটা কবরের পরিণত হয়েছে।

                                                           

আল্লাহ রাসূল এটাই বলছেন যে তোমরা তোমাদের বাড়িকে তোমরা কবরে পরিণত করিও না। সম্মানিত সময়ত মুসল্লিবৃন্দ চেষ্টা করবেন বাড়িতে নফল সালাতগুলি পড়া। আপনার পাশে মসজিদ ফরজ সালাত পড়ছেন। নফল পড়তে পারা যায়। তবে ভালো হলো উত্তম হলো আপনি নফল সালাত গুলি বাড়িতে পড়ে আসবেন আবার যেয়ে বাড়িতে পড়বেন সব জায়গাতে সালাত হবে সেটা বলে কথা নয় কিন্তু আপনি বাড়িতে নফল সালাতগুলি বেশি বেশি পড়ার চেষ্টা করবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন কবুল করেন সকলে পড়ি আল্লাহুম্মা আমিন সম্মানিত সময়ত মুসল্লিবৃন্দ তাহলে আমরা মুসলিম হিসেবে আমাদের বাড়িতে যেভাবে বাড়ির পথগুলি চলছে সে পথকে পরিবর্তন করে আমাদের বাড়িগুলোকে স্বচ্ছ সুন্দরভাবে শরীয়া মোতাবেক চালানোর চেষ্টা করতে হবে।

                                                           

আর এইজন্য ভূমিকা রাখতে হবে আপনি বাড়ির মালিক হিসাবে আগে আপনাকে। তাহলে বাকি সদস্যরা আশা করা যায় সহজেই হালকা হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ যেন কবুল করেন। বলি আমিন। আলহামদুলিল্লাহি ওয়াহদা ওসসালাতুওসসালামু আলা মালানা নাবিয়া বাদা আম্মাবাদ। তারপরের বৈশিষ্ট্য হলো তৃতীয় নম্বর বৈশিষ্ট্য হল যে বাড়িকে বাড়িতে বাড়িকে ছবি মূর্তি থেকে পরিপূর্ণ মুক্ত রাখতে হবে। বাড়িতে যেন কোনভাবে ছোট ছেলের মাধ্যমে হোক আর বড়দের মাধ্যমে হোক বাড়িতে কোনভাবে যেন ছবি মূর্তি এগুলো প্রবেশ করার কোন সুযোগ না পায় মনে কষ্ট নিবেন না উচ্চ শিক্ষিত মানুষ বাংলাদেশের কিন্তু ছবি মূর্তিকে আমরা অনেক ভালোবাসি অনেক ভালোবাসি মানে অনেক ভালোবাসি আমার একসময় মনে হচ্ছিল রাস্তা দিয়ে যদি কোথাও যাই বাংলাদেশে তো রাস্তার কোনা কোনায় এমন মোড় খুঁজে পাওয়া যায় না যেই মোড়টা একটু ভালো মোড় সেই মড় একটা মোড়তে দাঁড়িয়ে আছে খুব সুন্দরভাবে পোশাক পড়ে কোট গাই দিয়ে টাই পড়ে দাঁড়িয়ে আছে তো আমার মাঝেমধ্যে ভাবতাম কোন জায়গায় গেলে যে বাংলাদেশের সকল এ মোড়গুলিতে যেভাবে মূর্তি সাজানো হয়েছে এই মূর্তিগুলি থেকেই যাবে এই মূর্তিগুলো মনে হয় কোনদিন ভাঙ্গা পড়বে না এইভাবে দেশ মূর্তি রাস্তা দখল হলো মূর্তিতে প্রতিষ্ঠান দখল হচ্ছে মূর্তিতে আস্তে আস্তে ইত্যাদি ইত্যাদি বাড়িতে মানুষের মূর্তি ঢোকা শুরু হবে।

                                                           

মানুষ আলেম ওলামা মানুষ, মাস্টার ডিগ্রি পাস মানুষ, মাস্টারস পাস মানুষ, বিচক্ষণর মানুষ, বড় বড় চাকরিজীবী মানুষ সালাতও পড়ে, সিয়ামও পড়ে, ইতিহাসও ভালো জানে। কিন্তু যখন মূর্তির জায়গাতে যায় তখন সে মূর্তিকে সুন্দরভাবে সমর্থন করে। কোন অসুবিধা নাই। তাই মূর্তিতে দেশ পরিপূর্ণ হয়েছিল। আল্লাহর কি হুকুম আল্লাহর কি রহস্য যে দেখা গেল একদিনের মধ্যে বাংলাদেশের সব মূর্তি চৌচির হয়ে গেল সব চলে গেল আবার এক শ্রেণীর মানুষ ওই মূর্তিকে আবার সম্মান করা শুরু করেছে অরজিনালি যদি কেউ মুসলমান দাবি করে তাহলে অতীত ইতিহাস থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের শেষ নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম পর্যন্ত যে মূর্তির সম্মান মূর্তিকে ভালোবাসা ইট পাঠক দিয়ে মূর্তি করা এগুলি এক সেকেন্ডের জন্য কোন ক্ষেত্রে তার বৈধতা আসবে না।

                                                           

অথচ সেগুলি বড় বড় মানুষেরা তাই করছে। আপনার বাড়িতে ছেলে যদি একটা পুতুলও আনে সেটাও যদি মূর্তি আকারে হয় সেখানে বাড়িতে রাখেন না। একটা অনেক কিছু করা হয়েছে যে জিনিসটাতে কাজ করা হবে। কিন্তু একটা মূর্তির ছবি ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলি থেকে বিরত থাকতে হবে। বাড়িকে যেকোন মূল্যে মূর্তি থেকে বাড়িকে আলাদা রাখতে হবে। কোনভাবে যেন মূর্তি বাড়িতে প্রবেশ করতে না পারে। যদি পারেন যেই বাড়িগুলিতে মূর্তিতে ভর্তি আছে মূর্তি পরিপূর্ণ আছে ওই বাড়িগুলিতে আপনার দাওয়াত খাওয়া তাদের বাড়িতে অবস্থান করা এগুলি থেকেও বেঁচে থাকার চেষ্টা করবেন। সবসময় ভাবিয়েন না বড় মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখা ভালো। টাকাওয়ালা মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখা ভালো।

                                                           

এটা তো একটা টাকাওয়ালা মানুষ পেলে সম্মান তার মানুষ আলাদা করে। কিন্তু গরীব মানুষের সম্মান হয় না। কিন্তু এতটুকু মাথায় রাখেন আল্লাহ রাসূল অন্য একটা হাদিসে তিনি বলছেন যে ব্যক্তি মানুষ তো তার সাথেই থাকবে যে যাকে ভালোবাসে। খুব মূর্তিওয়ালাদেরকে যদি ভালোবাসেন তো কিয়ামতের মাঠে মূর্তিওয়ালাদের সাথে থাকতে হবে। সম্মানিত সমবেত মুসল্লিবৃন্দ যে কথা বলছিলাম বাড়িকে ছবি মূর্তি থেকে হেফাজত করতে হবে রক্ষা করতে হবে এবং সেইভাবেই ছোট বাচ্চা যখন আসবে এখন অনেক খেলনা উঠেছে যে খেলনাগুলি ওই মূর্তির মত করে এটা ওটা করছে সেগুলিও ছেলেমেয়েদেরকে কিনে দেওয়া থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করতে হবে সম্মানিত উপস্থিতি এই চতুর্থ নম্বর বৈশিষ্ট্য যেটা বললাম এই যে মূর্তি এই মূর্তি থেকে চেষ্টা করবেন বেঁচে থেকে সবাইকে বাঁচানোর এবং আপনারা যে যেখানে দায়িত্বে থাকেন বাংলাদেশে মূর্তি হতে হতে ভর্তি হয়েছিল আবার কারো মূর্তি গড়ানোর চেষ্টা করবেন না স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করেন আর যদি মূর্তি আবার যদি আমরা আপনারা যদি আবার গড়াই তো তাহলে কেমন হলো তাহলে সবগুলি এক খাতাতে চলে গেল তো সেটা না করে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে বিশ্বাস করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আ সাল্লামের পদ্ধতি অনুযায়ী আমাদেরকে জীবন পরিচালনা করার চেষ্টা করতে হবে।

                                                           

আল্লাহ কবুল করুন। বলি আমিন। সম্মানিত সময়ত মুসল্লিবৃন্দ আজকের আলোচনায় খুব সংক্ষিপ্তভাবে কয়েকটা বিষয় তুলে ধরেছি। তার মধ্যে এক নম্বর হলো আপনার বাড়ি বড় করা বলে কথা নয়। আপনার বাড়ি মুসলমানের বাড়ি হিসাবে যেন প্রতিয়মান হয়। যার এক নম্বর বৈশিষ্ট্য বলেছি যে বাড়িতে যেন জিকির, আজকার, কোরআন তেলাওয়াত এগুলো যেন হয়। জানছেন জানাতে অসুবিধা নেই। জানার পরে আমলে পার্থক্য। আল্লাহর কাছে যেটা পার্থক্য সেটা হলো আমল। যদি জানার বিষয় লেন বিদ্যার বিষয় যদি লেন তাহলে পৃথিবীর মধ্যে পন্ডিত একজন ছিল সেটা ছিল ইবলিশ। এত বিচক্ষণ ছিল যার বিষয়ে বলা হয়েছে যে সর্বপ্রথম কিয়াশ্রেয় করেছিল। অথচ স্যার বিদ্যা অনেক ছিল কিন্তু তার আমল ছিল না।

                                                           

তাই উনি একজন কবি এভাবে বলছিলেন যে লাকলা যদি কেউ তাকওয়া ছাড়া আল্লাহর এবাদত করা ছাড়া আল্লাহকে ভয় করা ছাড়া কেউ যদি আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান হতো তাহলে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মর্যাদা ছিল হতো ইবলিশ। কারণ সে অনেক বিচক্ষণ অনেক জ্ঞান রাখে। কিন্তু সে কেন নয় যে তার তাকওয়া নেই। তা আমি আপনি কোরআন হাদিস পড়ি। শুধু পড়ি না বিশুদ্ধ করে পড়ি কোরআন হাদিসের বিশ্লেষণ বুঝি ফতোয়া অনুবাদ বুঝি সবকিছু বুঝেন আর দেখা গেল বাড়িতে ফজরের আজান হলো সবাই সদস্য সকল সদস্য মিলে সকাল হচ্ছে সাতটার সময় তাহলে আমার আপনার বৈশিষ্ট্য যদিও কোরআন হাদিসের হাফেজ যদিও কোরআন হাদিসের আলেম তবুও আমার আপনার বৈশিষ্ট্য মিলে যাবে ইবলিশের সাথে দুই পয়সারও আল্লাহর কাছে দাম থাকবে না ওই রিকক্সাচালকেরটাই আল্লাহর কাছে দাম পাবে যেই রিক্সাচালকের চাকা আজান হলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

                                                           

যে রিক্সাচালকের চাকা আজান হলে থেমে যায় ওই রিকক্সাচালকই আল্লাহর কাছে হবে। আর যদি মানুষেরা বাংলাদেশে যদি আজকে সালাতের যদি হিসাবটা বুঝতো সালাতকে যদি আগিয়ে রাখতো ছোট থেকে বড় পর্যন্ত সকল সেক্টরে সালাতের টাইমটাকে আলাদা রাখতো। সালাতের টাইম পারকে পার হয়ে যাচ্ছে। অথচ বড় বড় প্রতিষ্ঠানে বড় বড় প্রতিষ্ঠানে মিটিং চলছে। অথচ মিটিং এর মধ্যখানে সালাতের টাইম যিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি সালাতের জন্য বেরেক দিচ্ছেন না। তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে কিয়ামতের দিন সালাতের টাইমে তোমার মিটিং কত কত সুন্দরভাবে চলে। বাংলাদেশের বড় বড় সচিবালয় আছে। যে সচিবালয়গুলিতে থেকে বাংলাদেশের পরীক্ষার নিয়ম পার হয়। পরীক্ষা নিতে হবে। দেখা যেত পরীক্ষাটা নয়টা থেকে নেওয়া যেত।

                                                           

১০টা থেকে নেওয়া যেত চারটা থেকে নেওয়া যেত এমনভাবে পরীক্ষার টাইম সাজানো হয়েছে যে একজন নয় দুইজন নয় শত শত ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক অফিসার আদালতের সবার সালাত নষ্ট হয়ে গেল টাইমগুলো কোন কিছু হয় না যেদিন এই বাংলাদেশে যেদিন কোরআন হাদিস থেকে একবারে সুন্দরভাবে আইন পাস থাকবে সেদিন দেখতে পাবেন এই নিয়মগুলি থাকবে না সুন্দর সুষ্ঠভাবে দেশ পরিচালনা হবে যদি বাস্তবে আজকে কোরআন হাদিস এর নিয় নিয়ম সরিয়ার নিয়ম থাকতো তাহলে মানুষ আজকে এত জুলুমের শিকার হতো না যেগুলো আপনারা বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে দেখছেন। আরে একটা ছোট ছেলে বুঝে এর বিচার এরকম হবে। একটা মেয়ে মানুষ বুঝে এর বিচার এরকম হবে।

                                                           

একটা আট বছরের বাচ্চা বুঝে এর বিচার এরকম হবে। ১২ বছরের ছেলে বুঝে এর বিচার এরকম হবে। আর লন্ডন পাশ করে আমেরিকা পাশ করে বুঝতে পারে না যে এর বিচার এমন হবে। তার জন্য সাতদিন ১০ দিন করে ঘুরিয়ে পিছিয়ে পুলিশ পিস করে নিয়ে চলে যাচ্ছে। খুব সতর্ক সাবধান আল্লাহ তালা যেদিন বিচার কায়েম করবেন সেই বিষয়ে তিনি বলছেন আলাইল্লাহু আহকামিল হাকিমিন তিনি কি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিচারক নয় সেদিন বাংলাদেশের হাইকোর্ট জজ কোর্ট সুপ্রিম কোর্ট যত অফিস আদালত আছে সেদিন তার যারা হাকিম আছে যারা উকিল আছে তারা সবকে আল্লাহতালা আসামির কাঠগারে তাদেরকে দান করিয়ে তিনি এ কথাগুলি বলবেন সেদিন বিচার বুঝিয়ে দিতে হবে বাংলাদেশ তৈরি হওয়ার পর থেকে পৃথিবী তৈরি হওয়ার পরে থেকে কোরআন হাদিসে যে বিচার আছে সেই বিচার যদি না হয়ে থাকে ওই বিচার কিয়ামতের মাঠে আবারও অনুষ্ঠিত হবে সেইদিন ওই বিচার পরিপূর্ণভাবে আপনাকে বুঝিয়ে সামনে পার হতে হবে অনেকগুলি সালাত তো ঠিকই পড়ি সিয়াম তো

                                                           

ঠিকই পড়ি কিন্তু মনে হয় কোরআন হাদিস শুধু সালাতের জন্য বিষয়টা এমন নয় কিছুদিন আগেই বিবাহ দিতে হলে রাত্রে বিবাহ দেওয়া লাগতো কেননা তো বয়স হয়নি ১২ বছর ১৪ বছর তার বয়স হয়নি ১৮ বছর ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না ২২ বছর ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না আইনগুলি লিখেছেন কোন অসুবিধা নাই কিন্তু আইন বুঝিয়ে দিতে হবে কতটুকু ভিত্তি আছে কোরআন হাদিসের ভিত্তিতে যে এত ছাড়া বিবাহ দেয়া যাবে না ১৯৬৫ সালে আইয়ুব খান তিনি আইন করে গেছিলেন যে যদি বাপের আগে ছেলে মারা যায় আর তার ছেলেমেয়ে যদি থাকে তাহলে তার চাচারা যতটুকু জমি জায়গা পাবে ঠিক তার মরে যাওয়া বাপও সমান হারে অংশ পাবে এগুলি প্রত্যেকটাই যদিও তিনি একটা দিককে হিসাব করে করেছিলেন কিন্তু বাস্তবে কোরআন হাদিস এমনটা নয় বরং যিনি মারা গেছেন তিনার জায়গা জমি থাকলে তার ছেলে পাবে তার মেয়ে পাবে তার স্ত্রী পাবে আর তার বাপ বেঁচে আছে তার বাপ পাবে তার মানে মানুষের বুঝ আলাদা শরীয়ত আলাদা শরীয়ত অনুযায়ী আমাদের বাড়ি আমাদের পরিবার আমাদের সমাজ আমাদের দেশ পরিচালনা করার চেষ্টা করতে হবে আল্লাহ যেন কবুল করেন সকলে পড়ি আল্লাহুম্মা আমিন সম্মানিত সমবেত মুসল্লিবৃন্দ এই পর্যন্ত যেটুকু আলোচনা হয়েছে অবশ্যই আমরা আমল করার চেষ্টা করব।

                                                           

আমরা গ্রাম সমাজ দেখার আগে বাড়িটা মোটামুটি কন্ট্রোল করার চেষ্টা করি। আজকে থেকে অবশ্যই আপনি বাড়িকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবেন। কয়েকটা কাজ করে দেখেন যে যেটা এক নম্বরে বলে এসেছি যা ফজর হলো সব উঠে যান। উঠে সালাত পড়েন। সালাত পড়ে কোরআন তেলাওয়াত করে যে যেখানে কাজে চলে যান। বাড়িতে আপনার স্ত্রীকে সালাতুজ দোহাতে অভ্যস্ত করেন। আপনি নিজে অভ্যস্ত হন। আপনার প্রয়োজন কত আছে প্রয়োজন অনুযায়ী সালাতুল হাজাত পড়ার অভ্যস্ত করেন। বাড়িতে সেকেন্ডের জন্য ছবি মূর্তি থাকবে না। দুধ খাওয়া বাচ্চাও যদি কিনে আনে তাকেও সাথে সাথে ভেঙ্গে দেন। টয়লেট করে ছোট বাচ্চাদের হাঁচ দিয়ে টয়লেটটা করা আছে। বাঘের ছবি দিয়ে করা আছে।

                                                           

দুই সেকেন্ডের জন্য বাসাতে রাখেন না। তাকে বাইরে করে দেন। আপনার ছেলে বুঝবে এই জিনিসগুলি বাড়িতে আনা যায় না। যদিও আপনার বড় ছেলে কিনে এনেছে ১০০ টাকা দিয়ে আপনার বড় ছেলে স্কুলে পড়ে কলেজে পড়ে ওই জিনিসটাকে নিয়ে ভেঙ্গে বাহিরে ফেলে দেন। আপনার বড় ছেলে জানবে। এরপরে এই ধরনের কোন জিনিস বাড়িতে নিয়ে আসা যাবে না। এভাবে আমি যে কথাগুলি খন্ড বিখন্ড করে বলেছি অবশ্যই আমল করার চেষ্টা করবেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন আমাদের সকলকে আমল করার তৌফিক দান করেন। বলি আমিন। আজকের খুতবা এখান থেকে শেষ করছি। ও সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।