আলহামদুলিল্লাহ ডেমরায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ইমাম মুসলিম জামে মসজিদের সম্ভবত সম্মানিত তাওহীদ বাদ সুধী মুসলিম প্রার্থীবৃন্দ আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের সম্মুখে সূরাতুশ শুয়ারার ৬১ তম আয়াত থেকে নিয়ে একেবারে টানা আমরা ৬৮ তেলাওয়াত করেছি ইনশাল মুস্তাল আয়াতে কারীমের আলোকে বর্তমান প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে কিতাব ও সুন্নাহর আলোকে কিছু কথা বলার চেষ্টা করব আমার তৌফিক ইল্লা বিল্লাহ সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমরা অবগত অবগত আছি আজকে পবিত্র মুহাররমুল হারাম মাসের আজকে তিন তারিখ আজকে তৃতীয় দিবস চলছে মহাররম মাসের এবং মহাররম মাসটি হল আরবি বর্ষপুঞ্জি বা হিজরি বর্ষপুঞ্জির প্রথম মাস সূচনা মাস মহরম মাসের নানাবি অত্যাধিক গুরুত্ব রয়েছে একদিকে সেটা হল এটা একটা নিষিদ্ধ মাস মিনহা আরবাতুল আল্লাহ যেটা বলেছেন রব্বুল আলামন চারটি মাস হল নিষিদ্ধ মহিমান্বিত পবিত্র এ মাসগুলিতে নেকির কাজ করলে অনেক গুণ সব বেড়ে যায় আবার পাপাচার করলে মারাত্মক সে পরিণত পাপের মাত্রা বেড়ে যায় আল্লাহর এই মাসগুলিতে অত্যাচার করবে না কাবিরা করবে না এ মাসগুলিতে বিশেষ করে এ মাসে বেশি বেশি এবাদত
সিয়াম কিয়ামুল লাইল জিকির আজকার যদি আফসোস লাগে যে আপনার বাংলাদেশের বহু জায়গায় ঢাকা ইউনিভার্সিটির আপনার সেই চত্তর দেখবেন সেটা কিয়ামুল রাত্রি জাগরণ ওখানে রাত্রি জাগরণ হচ্ছে কিন্তু কেয়ামুল লাইল সালাতের জন্য একটা বেহুদা খেলা দেখার জন্য বাহির বাড়াবাড়ি আমাদের দেশের নাগরিকরা আপনার তারা তাদের জমি বিক্রি করে পতাকা ফ্লাক কিনতেছে কত জঘন্য কাজ কিন্তু এখানে আমাদের আলেম ওলামারা ব্যর্থ আমাদের ভূমিকা কি হবে কিন্তু আলেমও এত সীমাহীন বাড়াবাড়ি করতেছে এরা অযোগ্য এরা কোন আলেমই না যারা বলতেছে যে যারা যারা আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের ফ্রান্সের অমুক দলের সাপোর্টার তাদের নাকি জানাজা পড়াই জায়েজ নাউজুবিল্লাহ এরাও আরেক ভন্ড সে কি কাফের হয়ে গেল যে তার জানাজা পড়া যাবে না মধ্য জানাতে হবে আরেকজন বলছে যে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে দিলেন কাফের আস্তাগফিরুল্লাহ এমনকি কি অনেক বড় বড় আলেম যারা বলতেছেন আমাদের সৌদি হয়তো দেখেছেন অনেকে তারা গোল দেওয়ার পরে আল্লাহকে সেজদা দিছে এটারও সমালোচনা সব জায়গায় ঠিক আছে খেলতেছেন অন্যায় সেটা মারাত্মক যদি
আপনি শর্ত সাপেক্ষে খেলেন কিন্তু আল্লাহকে সেজদা সেজদা নিয়ে আপনি উপহাস করেন এটাও ঠিক না আমাদের নিয়ন্ত্রণ সীমার মধ্যে ফতোয়া দিতে হবে বর্তমানে ফতোয়াবাদ চলতেছে এবং আপনার গালাগালি পতাকা ছিড়ে পড় পায়ে মারো লাথি মারো এটাতো ইসলাম বলে না ইসলাম তো বলে আপনি প্রত্যেক রাষ্ট্রের সাথে প্রত্যেক নাগরিকের সাথে সুসম্পর্ক রাখবেন তাদেরকে হিকমার সাথে মাওদার সাথে তাদেরকে বুঝাবেন সঠিক তাদের দ্বীনের বুঝ তাদেরকে দিবেন ঠিক আছে ওখানে তারা নাউজুবিল্লাহ খেলতেছে রাত্রি জাগরণ কয়টা কয়জন ফজরের নামাজ পড়েছে আল্লাহর উদ্দেশ্যে তো জাগো না কিয়াম লাইলার জন্য তো জাগো না ঠিক আছে তোমার আগ্রহ খেলা দেখতেছো রাত্রি জেগে তারপরে সাথে তুমি যদি ফজরের জামাতটা আদায় করো হালকা হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ লাগব হয়ে যাবে আমাদের সঠিক নির্দেশনা দিতে হবে জাতির বাড়াবাড়ি করতে গেলে তো আরেক সমস্যা এটা কোন পাগলে বলবে যে আপনি যদি আর্জেন্টিনা জারসি পড়েন আপনি কাফের আপনার জানাজা পড়া যাবে না এ জুমার মেম্বার থেকে এ ফতোয়াবাজি করা হচ্ছে য অত্যন্ত দুঃখজনক তো বলছিলাম সম্মানিত সুধীবৃন্দ এটা সে নিষিদ্ধ মাস মুহাররমুল হারাম এটা একদিকে বলছিলাম যে হিজরি বর্ষের প্রথম মাস হিজরি বা হিজরত থেকে এই হিজরি মাস হিজরতের উপরে বলতে গেলে একটা খুতবার প্রয়োজন।
এ মহাররম মাস এটা হিজরীর প্রথম মাস। এটা হল পুনরজাগণীর মাস। জেগে ওঠার মাস। মুসলিম উম্মার বিজয়ের মাস। একদিকে হিজরতটা বিজয়। এটা শুধু আপনার পবিত্র মক্কা নগরী থেকে মদিনা গমন ছিল না। ওটা বিশাল একটা ব্যাপার ছিল। ওখানে আপনার একটা কাফের রাজ্য ছেড়ে ইসলামের রাজ্য এবং একটি নতুন ইসলামী স্টেট প্রতিষ্ঠার শুভ সূচনা ছিল। ওটা একটা ভূমিকা ছিল। তারপরেই তো আপনি দেখলেন দ্বিতীয় হিজরিতেই মক্কার বড় বড় কাফেররা আবু জাহাল, উম্বা, সাইবা, রাবেয়া সবার কিভাবে লাশ পড়ে থাকলো? আর তাদের অপবিত্র লাশগুলি বদর যুদ্ধের বদরের একটা কূপের মধ্যে নিক্ষেপ করে ছুড়ে ফেলা হল তার আগে সূর্যের সেখ প্রখরতা সেই আবু জাহাল উদবা সাহেবা রাবিয়া নাড়ি ভুড়ি ফুলে গেছিল শরীর ফুলে গেছিল সূর্যর তাপে যেন এখন গন্ধ বের হয় এমন অবস্থায় গেছিলো এটা বিজয় ছিল ইসলামের আরেক বিজয় ছিল এটা আমাদের বিজয় ছিল মুসলমানদের বিজয় ছিল তিনি আমাদের একজন নবী ছিলেন তিনি আমাদের নবী তিনি ছিলেন এজন্য বিশ্বনবী বলেছেন সম্প্রদায় জেনে রাখ আমাদের সম্পর্ক মুসালামের সাথে অনেক গভীর তবে তোমাদের চেয়ে আমরা তার নিকটতম আমরা তার কাছের নাম দিয়ে যদি মূর্তি পূজা করেছর পূজা করে সে তো মুসলিমই না।
আর এখন তো আল্লাহ রাসূলের আগমনের পরে বিশ্বনবীর শাহাদাত তার আল্লাহর রিসালাত আল্লাহ রাসূলের নবুয়ত এবং রিসালাতের শাহাদাত ছাড়া কেউ মুসলিমও হতে পারে না। সব কাফের। বর্তমান ইহুদি, খ্রিস্টান সব কাফের। একটা সময় ছিল যখন আমাদের প্রিয় নবীর আবির্ভাব ঘটে নাই মুসা সলাম জীবদশায় ছিলেন তখন তারাই ছিলেন মুসলিম তারাই ছিল আমাদের জায়গায় আলহামদুলিল্লাহ বলছিলাম সম্মানিত সুধীবৃন্দ যে আপনার আল্লাহ রাসূল স্বয়ং তিনি বলেছেন তো সুতরাং এদিক আপনার মহারম মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ মহাররম মাসে একটি দিবস আছে ইয়ামে আশুরা আশুরা দিবস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মাহত্বপূর্ণ এই আশুরা দিবসেই কিন্তু আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুসা আলাইহিস সালামকে তার সকল অনুসারী ইসরাইলদের সবাইকে নাজাত দিয়েছিলেন মুক্তি দিয়েছিলেন সমুদ্র পার করে দিয়েছিলেন সুবহানাল্লাহ চিন্তা করছেন উত্তাল তরঙ্গমালা সমুদ্র খালি পাহাড় সমে তোমার লাঠি দ্বারা শুধু আঘাত করো আঘাত করলেন একেবারে সুস্ক পথ বেরিয়ে গেল।
সুবহানাল্লাহ। তো ইতিহাসগুলো আমাদের পড়তে হবে। সম্মানিত সুধীবৃন্দ তাহলে আপনি আশুরার তাৎপর্য বুঝতে পারবেন। এটা আমরা আসব আলোচনায়। যে শিয়া এই ভ্রান্ত পথভ্রষ্ট জনগোষ্ঠীর তারা আপনার এ বিজয়টাকে একটা আনন্দ দিবসকে যে মুসা সলাম আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে সিয়াম পালন করেছিলেন সে আনন্দ দিবসকে তারা সুখ দিবসে পরিণত করে কতটা বিকৃত করল ইসলাম দীনকে কতটা তারা বিকৃত করে ফেলল এশিয়া গোষ্ঠী আমি সেদিকে যাব ইনশাল্লাহ। তবে তার আগে যেটা বলতে চাই যে এ আশুরা দিবসে সিয়াম। তো সিয়ামটা কেন আসলো? মানে আশুরা আশুরার ঘটনা ইনশাল্লাহ আমি বলব। তবে তার আগে আমি সংক্ষিপ্তভাবে আপনাদের সামনে কিছু আহকাম বলি। যে আশুরার সিয়াম আমাদের পালন করতে হবে।
আল্লাহর রাসূল সাল্লাম তিনি যখন মদিনায় হিজরত করলেন তিনি দেখেন ইহুদিরা এ দিবসে সিয়াম পালন করছেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাম বললেন এটা কেমন দিবস কেন তোমরা সিয়াম পালন করো তারা বলল এ দিবসে আজিম এটা মহান একটা দিবস যে দিবস আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুসা কালিমুল্লাহকে এবং বানী ইসরাইলকে ফেরাউনের হাত থেকে নাজাত দিয়েছিলেন আর ফেরাউন তার সমস্ত সৈন্যবাহিনীকে সাগরে সমুদ্রে সলিল সমাধি ঘটিয়ে তাদেরকে নিঃশেষ করে দিয়েছিলেন কাজেই শুকরলিল্লাহ আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা আদায় করতে গিয়ে তিনি শুকরিয়া আদায় করতে গিয়ে সিয়াম পালন করেছিলেন কাজে নবী আল্লাহ রাস নিজেও সিয়াম পালন করলেন এবং তিনি সিয়াম পালনের নির্দেশ প্রদান করলেন সেখান এখান থেকে কিন্তু আমরা সম্মানিত সুধীবৃন্দ আশুরা দিবসের আমরা সেখান থেকে সিয়াম পালন করি আলহামদুলিল্লাহ সিয়ামটা আসলে চার পালন করা যায় মনে রাখবেন এটা চার ভাবে পালন করা যায় ইবনে কাইম তিন ভাবে বলেছেন তিনিও তিন ভাবে বলেছেন কিন্তু হাদিস কোরআনের আলোকে আমরা দেখতে পাই এটা চার ভাবে চারটি স্তর আছে চারটা আরবাউ মারাতিব চারটি স্তর রয়েছে।
সবচেয়ে পূর্ণ হল পরিপূর্ণ হল সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি হল আপনি আশুরা সিয়াম পালন করবেন মহররমেরন তারিখ থেকে শুরু করবেন। ৯ ১০ ১১ এটা সবচেয়ে পরিপূর্ণ পদ্ধতি শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি। যে আপনি সিয়াম আশুরা সিয়াম পালন করবেন তিনদিন। তারিখ ১০ তারিখ, ১১ তারিখ। এবার আসুন দ্বিতীয় পদ্ধতি। সেটার পরে হল নয় এবং ১০। তার কারণ আল্লাহ রাসূ তিনি বলেছিলেন আমি যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি আমি তাহলে তার মুসলিমের হাদিস। এটা হল আপনার দ্বিতীয় পদ্ধতি। তিন নাম্বার পদ্ধতি মুসনাদে আহমদ হাম্ব হাদিস বর্ণিত হয়েছে পালন কর।
তোমরা তার আগে একদিন অথবা পরের একদিন মানে ১১ অথবা নয় এবং তার আল্লাহ রাস বলেছেন ইহুদের তোমরা বিরুদ্ধচারণ কর তারিখে রাখে সুতরাং তোমরা হয় একদিন আগে অথবা একদিন পরে এই হাদিসের চেয়ে সহি মুসলিমের হাদিসটি বেশি শক্তিশালী সুতরাং আমরা বলব যে আপনি নয় এবং ১০ রাখবেন সর্বোত্তম নয় ১০ ১১ দ্বিতীয় শুধু নয় এবং ১০ তৃতীয় পদ্ধতি ১০ এবং ১১ যেহেতু একটা হাদিস আসছে চতুর্থ পদ্ধতি আপনি রাখতে পারেন নাই সমস্যা হয়ে গেছে কেবলমাত্র ১০ তারিখ রাখবেন কিন্তু কখনোই আপনি এটা নিয়ত করবেন না ইহুদিদের অনুকরণ আল্লাহ রাসূলের অনুকরণ বিশ্বনবীর অনুকরণে আমি দশম তারিখে কে সিয়াম পালন করতেছি। তার কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কেবলমাত্র দশম দিবসে সিয়াম পালন করেছিলেন।
তবে তিনি আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছিলেন। আগামী বছর বেঁচে থাকলে আমি নয় এবং ১০ রাখবো। কিন্তু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার আগে তিনি মৃত্যুবরণ করেন ইন্তেকাল করেন। তিনি আর নয় তারিখের সিয়াম পালন করতে পারেন নাই। কিন্তু তিনি নির্দেশ প্রদান করে গেছেন। কাজেই কিয়ামত পর্যন্ত এটি বিধান হয়ে যাবে। সম্মানিত সুধীবৃন্দ। কাজেই আমরা আশা করি তবে ফলাফল কি হবে এক বছরের গুনা মাফ হয়ে যাবে ইনশল্লাহ সবচেয়ে বড় ব্যাপার আল্লাহ রাস্ব বলেছেন রমাদান শাহরুল্লাহি মহার রমাদানের পরে আল্লাহর নিকটে সবচেয়ে প্রিয় সিয়াম হল যেহ মহার আল্লাহর মাস মহার মাসের আল্লাহ রাস একমাত্র মহার মাসকে কি বলেছেন এটা আল্লাহর মাস রমজানের অনেক ফজিলত কিন্তু আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তারপরেও রমজানকে তিনি শাহরুল্লাহ বলেন নাই কেবলমাত্র শাহরুল্লাহ বলেছেন মহরমকে তো এটা আসলে এ মাসের মর্যাদা প্রমাণ করে আল্লাহ রাসূ বলছেন মহার মহার আল্লাহর মাস যেমন বাইতুল্লাহ বাইতুল্লাহ আল্লাহতালা কাবা শরীফকে বলছেন বাইতুল্লাহ বলেছেন তার মানে এটা সারা পৃথিবীর সকল মসজিদের চেয়ে
শ্রেষ্ঠ মসজিদ সুবহানাল্লাহ যে আপনি কল্পনা করেছেন এক ওয়াক্ত সালাত আদায় করবেন সেখানে ১ লক্ষ গুণ সওয়াব হবে সুবহানাল্লাহ >> সুবহানাল্লাহ >> যে আপনারা যারা হজে যান এটার মর্যাদাগুলো বুঝবেন হজ করে আসলেন আর হজ করে আসার পরেও যদি আপনি বলেন যে কাবা শরীফের ১ লক্ষ তীর মান কোটি আপনার হজ বাতিল বাতিল বাতিল এই আকিদা আপনার ভ্রান্ত আকিদা আর আপনি ওই মক্কা মোকাররমা মদিনা মুনাবারা শরীফ বলতে পারেন আপনি হজ করার সুযোগ যদি বলেন ফুরফুরা শরীফ আজম শরীফ অমুক শরীফ অমুক পণ্য স্থান আপনার হজ হয় নাই সম্মানিত হজ হতে হলে আপনার আকিদাকে সঠিক করতে হবে আকিদা সঠিক না হলে সব বাতিল কোন কাজ হবে না এসব উদ্দেশ্যে হজে যান তবে স্বার্থ তো হজ আসা যদি কবর পূজা করেন মাজার পূজা করেন আর যদি বলেন ওখানে গেলে এক লক্ষ কিন্তু আমাদের এখানে আসলে ৪৯ কোটি গুণ সবতো বলছিলাম সম্মানিত সুধীবৃন্দ আল্লাহ বলছেন বাইতুল্লাহ আল্লাহ কোরআনে বলছেন নাহ একটি উট
সালাম নিদর্শন মজে ছিল উট ওই উটকে আল্লাহতালা বলছেন নাকাতুল্লাহ ওটা আল্লাহর উট সুবহানাল্লাহ হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ উট পাবেন এখনো পাবেন ওই সব উট আর কি একটু ছিল না আল্লাহ এই গোত্রের লোকেরা তার কাছে দাবি করেছিল যে আপনি যদি আল্লাহর নবী হন এই যে আমরা আছি আমাদের সামনে বিশাল পাথরের পাহাড় এই পাহাড় থেকে আপনি একটা উট বের করে দেখেন আমরা আপনার প্রতি ঈমান নিয়ে আসব। সলাম আল্লাহর কাছে দোয়া করব আলামিন তুমি আমাকে একটি মোজেজা দান করো। এই পাহাড় থেকে পাথরের পাহাড় তুমি এক উট বের করে দেখিয়ে দাও। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার দোয়া কবুল করলেন। একেবারে বিশাল আকারের উট।
একেবারে গর্ভবতী উট। পাহাড় সবার চোখের সামনে পাহাড় থেকে বের হয়ে চলে আসল সুবহানাল্লাহ পৃথিবীর কোন অন্যটনি তাকে জন্ম দেয় নাই যেমনভাবে আদম আলাইহি সালামকে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন সৃষ্টি করেছিলেন বিনা পিতা-মাতায় আর ঈসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সৃষ্টি করেছিলেন বিনা পিতায় উট হল বিনা পিতা মাতায় আল্লাহর নিদর্শন মোজেজা তো মুসা বলেছিলেন আল্লাহ এটা আল্লাহ খবরদার এটাকে খারাপ উদ্দেশ্যে কেউ এটাকে স্পর্শ করবে না আল্লাহতালা বলে দিয়েছেন সম্মানিত সুধীবৃন্দ তো এ ব্যাপারে অনেক আয়াত আছে আয়াতগুলো আপনারা পড়তে পারেন তো আল্লাহ বলছেন যে সলাম তার বলেছিলেন হে আমার কম লোকেরা তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তোমাদের নিকটে আল্লাহ নিদর্শন হাজির হয়েছে আল্লাহর পক্ষ তোমাদের জন্য লোকেরা দুধ পান কর এত বিশাল পুরা এলাকাবাসী গ্রামবাসী একটি উটে দুধ পান করলে দুধ শেষ হ আল্লাহর পথে নেয়ামত ছিল কিন্তু তারা এত বড় ফাসেক আপনার তাদের একজন পাপিষ্ঠ লোক আপনার সেটাকে পরে আল্লাহ বলছেন ছেড়ে দাও সে খাবে জমিনে বিচরণ করবে খারাপ উদ্দেশ্য স্পর্শ করো না।
তো বলছিলাম যে সেটা আল্লাহ সম্মানিত অনুরূপভাবে বাইতুল্লাহ আরো অনেক কিছু ব্যাপার আছে। আল্লাহতালা বিশ্বাস করি ইব্রাহিম আলাইহি সাল্লাম ঈসা আলাইহিস সালাম আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তিনি রব। রব তো আমাদেরও। রব তো আপনাদের। কিন্তু রব্বি মুসা রব্বি মিকাইল রব্বি জিব্রল রব্বি ইব্রাহিম কি যেন বলা হয় তাদের মর্যাদা বোঝানোর জন্য যে তিনি জিবরীল আমিনের রব ইব্রাহিম ঈসা আলাইহি সালামের রব মহাম্মদ রব তিনি মুসা রব মানে এই নবী আম্বে কেরামের মর্যাদা বোঝাতে তো কাজে সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমরা বিভিন্ন বিভিন্ন প্রসঙ্গত এদিক এদিক আলোচনা চলে আসতেছে। তো আমি যেটা আসল কথা বলতে চাচ্ছি যে আপনারা অবশ্যই আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করবেন ইনশাআল্লাহ।
তো এর ইতিহাস আছে সম্মানিত সুধী ইতিহাসটা আমি বলছিলাম যে ফেরাউন। সুবহানাল্লাহ। আল্লাহর জমিনে কিয়ামত পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আকবর। সবচেয়ে বড় আল্লাহর দ্রহী ফেরাউন। সে কি বলেছিল? আমি তোমাদের সর্বমহান সবচেয়ে বড় রব হলাম আমি ফেরাউন দাবি করেছিল কত বড় সে অপরাধী চিন্তা করছেন সম্মানিত সুধীবৃন্দ তো মুসালাম নবুয়তের দাওয়াত নিয়ে আসলেন সে সবদিকে সবদিকে সে পরাজিত হয় লাঞ্ছিত হয় মুসা আলাইহি সালামের কাছে টিকে না মুসা আলাইহি সালাম এর কাছে তার বাইয়েনা চাইল দলিল চাইলো ওই কওমেলের মত বলল ফেরাউন বলল মুসা তুমি যদি সত্যিকার নবী হও আল্লাহ রাসূ হও আমরা নিদর্শন দেখতে চাই তার হাতে লাঠি ছিল লাঠি ব্যবহার করতেন ছেড়ে দিলেন বিশাল সর্বপরিবারে সবাই দেখতে পাচ্ছে এটা না যে কেউ দেখে কেউ দেখে না জাদু ভেলকিত কেউ দেখে কেউ দেখে না এটা জাদু না মোজেজা সবাই দেখতে পাচ্ছেন লাঠি স্বর্মে সর্পে রূপান্তরিত হয়ে গেল সুবহানাল্লাহ তো মুসা আলাইহি সালামের এই মোজেজা দেখার পরেও ফেরাউন বলল যে এটা
তো জাদু এটা জাদু ছাড়া কিচ্ছু না আবারো বড় বড় জাদুকর আছে মিশরেও বড় বড় জাদুকর আছে ঠিক আছে একদিন হবে প্রতিযোগিতা হবে একেবারে কিন্তু সে আপনার শুধু তাই নয় সম্মানিত সুধীবৃন্দ একটা ডেট ধার্য বাহাসের মোনাজার হয় এখনো বহু মোনাজার হয় আমাদের বেনার একটি মোনাজা হয়েছিল আপনাদের জ্ঞাতার্থে একটু বলে রাখি আল্লামা শফিউ রহমান মোবারকপুর যিনি আমার সরাসরি ওস্তাদ যার কাছে আমি সহি বুখারী পড়েছি উনি সেই মাসে অংশগ্রহণ করেছিলেন আহলে পক্ষে আর বেদাতিও আজ ছিল বেনারসের পাশে বাজিরহাটে যার বাজি ডিহা ওরা তো পরাজিত হলই অনেকে ভাগল ওরা আগে থেকে পোস্টার ছাপা নিয়ে আসছিল মবিল বিশাল বিষয় বেদাতিদের নাউজুবিল্লাহ মানে মোনাজারা শুরুই হয় নাই তারই আগে তারা পোস্টার লাগ দিছে পুরা বেনারসর পোস্টারে ছাপে ফেলছে।
বিজয় মহাবিজয় অথচ মোনাজার শুরুই হয় নাই। এ হল বেদাতিদের এটা হল আপনার ভাষা বেদাতি অস্ত্র। তো ফেরাউন বলল ঠিক আছে জমা হবে। তো আপনারা আসুন আমরা আসি। চ্যালেঞ্জ থাকলো। মুসতা একদম গ্রামে দেখবেন একটা ঘোষণা দেওয়া হয় আপনার পিঠে যে বিশ্বাস ঘোষণা ঘোষণা ঘোষণা অমুক অমুক অত তারিখে এ প্রতিযোগিতা হবে ঘোষণা করে দিল হাজার হাজার লোক লক্ষ লক্ষ লোক সম্মানিত সুধীবৃন্দ সেদিন হাজির হয়ে গেল সম্মানিত সুধীবৃন্দ আপনার মুসা বললেন জাদুকরেরা জাদুকর তোমরা আগে জাদু দেখাবে না আমি মসজি দেখাব তারা বলছে আপনি আগে দেখবে তোমরা দেখাও তারা তাদের দড়ি রশি ছেড়ে দিল ফেরাউন ফেরাউনের শপথ করে বলছি ইন্না আমরা বিজয়ী হব জাদুকর জাদুকর আমরা বিজয় তবে তার আগে তারাও কিছু শর্ত দিয়েছিল ফেরাউনকে তারাও কিছু শর্ত দিয়েছিল যে জাহাপনা হে সম্রাট আমরা যদি বিজয়ী হতে পারি তবে আমরা কি আপনার নিকটতম সবার সাথে মুকাররাবিন আমরা কি সুখ কিছু কি মন্ত্রণালয় পাবো? আমরা কি দুই একটা মন্ত্রী হবো? সে বলেছিল আরে হবে মানে তোমরাই তো মন্ত্রী হবে।
সমস্ত মন্ত্রণালয় তোমাদের মধ্যে আমি বন্টন করে দেব। আর কি পুরস্কার চাও? যত টাকা পয়সা লাগে সব তোমাদের আমি দিয়ে দেব। আল্লাহ বলছেন সূরাতুশ প্রায় ৪০ আয়াতের পরে শুরু হয়ে দেখবেন আল্লাহ বলছেন যে ছেড়ে দিলেন তারা মিথ্যা তারা জাদু করেছিল অস্তিত্ববারে আলহামদুলিল্লাহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সর্পবাতি তাদের যে জাদুকরের বিষয়গুলো ছিল সবগুলোকে গিলে খেয়ে ফেলে দিল। সুবহানাল্লাহ। এবার জাদুকররা তো বিস্মিত অতবাদ। এটা তো আল্লাহর জমিনে কোনো জাদু হতে পারে না। আমরা তো জাদু বিদ্যার আমরাই পারদর্শী। আমরাই পৃথিবীর বিখ্যাত শ্রেষ্ঠ জাদুকর। আর আমাদের চোখের সামনে আমাদের জাদু বিষয়গুলোকে মুসা আলাইহিস সালামের লাঠি সর্পে রূপান্তরিত হয়ে সব গিলেখে দিল। তারা বলে জাদু হতেই পারে না।
তারা কি বলল? সমস্ত জাদুকর লুকিয়ে পড়া লুটিয়ে পড়ল। আলামিন আমরা রব্বুল আলামনের প্রতি ঈমান নিয়ে আসলাম। ফেরাউন মনে মনে ভাবতে পারে আমি রব্বুল আলামিন। তাদের ভুল সংশোধন করে কি বলে? ফেরাউন তুমি না বরং মুসা এবং হারুনের আসমান জমিনের সৃষ্টিকর্তা সে রবের প্রতি আমরা ঈমান নিয়ে এসে আমরা সেজদা দিয়ে কি বল আমি অনুমতি দেই নাই ফেরাউন বলে আমার অনুমতি ছাড়াই তোমরা মুসার প্রতি ঈমান নিয়ে আসলে এত বড় দুঃসাহস খবরদার ইন্নাহুল্লা কাবিরকম সে তোমাদের গুরু তোমাদের ভিতরে আত মুসা তোমাদের ওস্তাদ আল্লা তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিছে মুসা তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়েছেন এবার দেখবে পরিণতি কি হয় এবার দেখাব মজা আমি তোমাদের উল্টো করে আগে ডান হাত প্রথম করে দিব তারপর বাম পা তারপর ডান হাত ডান পা বাম হাত উল্টো করে পূর্ণমাত্রায় বিকঙ্গ করে পৃথিবীতে চলার মত কোন তোমাদের সাহস শক্তি থাকবে না মানে ডান হাত আর বাম পা কেটে ফাস্টে তারপর আবার পরেরটা অথবা তোমাদের প্রত্যেকের সুরের
কাজ চড় ছড়িয়ে মৃত্যুদন্ড দন্ডিত করব সম্মানিত তারা কি বলেছিলেন তাদের যে জবাব সম্মানিত কিয়ামত পর্যন্ত ইতিহাস কিয়ামত পর্যন্ত শিক্ষণীয় প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ওই যে একজন ভারতবর্ষে সাড়া ফেলে দিয়েছে আয়ুষ না কি নাম নাম ধরে মোহাম্মদ আলী কোটিপতির সন্তান একক সন্তান এক বাপের এক সন্তান তিনি বলেছেন যত আমার প্রতি নির্যাতন করো আমার সম্পত্তি কেন আমার জীবন যদি কেটে নাও তবে আমি আল্লাহর তাওহীদ থেকে আমি কখনো ফিরে আসব না তারাও তাই বলেছিলেন জাদুকর বলেছিলেন কোন পরোয়া করি না কোন পরোয়া করি না যদি আমার জীবন যদি আল্লাহ উৎসর্গ হয়ে যায় আমরা নিজেকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত সুবহানাল্লাহ তারা কি বলেছিলেন লাইরা কোন আফসোস নাই কোন নাই ইন্না ইলা রব্বিনা আমরা তো ফিরে যাব আল্লাহর কাছে তখন তো আল্লাহ আমাদের কি দিবেন জান্নাত দিয়ে দিবেন সুবহানাল্লাহ তখন তো তিনি আমাদেরকে প্রতিদান দিবেন জান্নাত দিবেন সুতরাং ফেরাউন ভয় দেখাবে না আমাদের মেরে দিবে শরীর চড়াবে হাত কর্তন করবে পাথন করবে এই ভয় দেখিয়ে লাভ নাই আমরা সেই আলোর সন্ধান পেয়ে গেছি সুবহানাল্লাহ আমরা আল্লাহর একত্ববাদের সন্ধান পেয়ে গেছি।
সুতরাং আমরা অন্ধকারে থাকতে চাই না। আপনি আমাকে করুকলে শুনে রাখ আমি পরসলিম মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হয় আমাকে কতল করা হয় আর আমার যদি ঈমান থাকে আমি কোন পর করি না কিভাবে হত্যা করবে কোথায় তোমরা চাকু ঢুকাবে ডাকার মারবে বুকে না সিনায় না কলিজা কেটে ফেল দিবে কোন পর শুধু একটিমাত্র আল্লাহর কাছে পরোয়া করি আমার মৃত্যুটা যেন ঈমানের উপরে হয় কালেমার উপরে হয় তাহলে আমার কোন পর আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহতালা আমার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বরকত দিবেন হাজার হাজার দেহ আল্লাহ আমার যদি সবগুলোকে আমি আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করে সুবহানাল্লাহ তারা সে কথা বলেছিলেন যে আমরা মৃত্যুর পরে আমাদের জান্নাত শুরু হয়ে যাবে সম্মানিত আমরা আশাবাদী আল্লাহ আমাদের গুনাহ মাফ করে দিবেন আমরা প্রথম মুসলিম তোমার বিরুদ্ধে আমরা আল্লাহর পক্ষে আমরা ইসলাম গ্রহণ করে আসলাম।
আল্লাহ চমৎকারভাবে দৃশ্যগুলি তুলে ধরেছেন যখন সমস্ত জাদুকর হত্যা করে ফেল এবং তার টারগেট নিধন করে দিবে নিশ্চিহ্ন করে দিবে আল্লাহ রাব্বুল আলাহ প্রেরণ করলেন মুসা যাও এখানে থাকা যাবে না হিজরত করতে হবে তবে হিজরত করবে রাতের শেষে ফজরের সময় একেবারে হিজরত করবে কেন ইন্নাকুম আপনাদেরকে ধাওয়া করা হবে তোমাদেরকে ধাওয়া করা হবে বাহিনী করবে সুতরাং যখন রাতে সব ঘুমে থাকবে সেই মুহূ্তে তোমরা একদম হিজরত করে চলে যাবে আল্লাহ ফেরাউন প্রত্যেকটা শহরে লোক যেখানে কোনদিকে সমস্ত বাণিজ লোকদেরকে ধরে নিয়ে আসো। একদম চতুর্দিকে সে তার জনবল সৈন্য বাহিনী ছড়িয়ে দিল। এবং তিনি বললেন যে সে বলল যে এত কয়েকটি মাত্র লোক এরা কখনো আমাদের উপর বিজয় লাভ করতে পারে এদেরকে ধরে নিয়ে আসো।
তো সম্মানিত সুধী আল্লাহতালা এখানে অনেক তিনি সে বলছে কি দিবে তাদেরকে। কি পুরস্কার দিবে? শেষে আল্লাহতালা বলছেন চমৎকারভাবে যে সকাল সকাল এরা তাদেরকে ধাওয়া করলাম লোকদেরকে ধাওয়া করল তারাওতো পলায়ন করতেছেন সাগরের দিকে যাচ্ছেন এমন এক অবস্থা হয়ে গেল সম্মানিত সুধী দুটো বাহিনী মুখোমুখ হয়ে গেল সুবহানাল্লাহ একটি বাহিনী ছিল নিরস্ত্র অস্ত্রহীন শিশু নারী বৃদ্ধ বনিতা আবা বনিতা মানে না আছে অস্ত্র না আছে ঘোড়া না আছে উট না আছে গাধা কিচছু নাই নিরস্ত্র ক্ষুধার্থ কিছু লোক তাদের পিছ করল আল্লামা বাহিনী যখন মুখোমুখি মানে একজন এক বাহিনী আরেক বাহিনী দেখতে পাচ্ছে এত কাছাকাছিলাম বললেন আ সালাম ইন্নালা মুজরাকুন আমরা তো নিশ্চিত ধরা পড়ে গেলাম আমাদের তো বাঁচার পথ নাই তার পিছনে দেখাই যাচ্ছে অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত একেবারে ধারালো তরবারি আর ঘোড়ার উপর দ্রুতভাবে ঘোড়া নিয়ে ছুটে আসতেছেলা আমরা তো পাকড়া হয়ে গেলাম সুবহানাল্লাহ একজন নবীর কি ঈমান একজন নবীর আল্লাহর প্রতি আশ্বাস কি বিশ্বাস অবিচ তিনি কি বলতেছেন খবরদার
কোন ভয় করবে না আমার সাথে আমার রব আছেন তিনি আমাদের অবশ্যই পথ দেখাবে এটা একজন মমিনের আল্লাহর প্রতি তাকওয়া আল্লাহর প্রতি কখনোই নিরাশ হবে না যেন মুহূর্তে আল্লাহর সাহায্য চলে আসবে ইনশাল্লাহ মুসা তখন আল্লাহ প্রেরণ করলাম আপনার সামনে সাগর উত্তাল তরঙ্গা সাগর প্রবাহিত সাগরে মেরে প্রহার করার করলেন বিদীর্ণ হয়ে গেল সুবহানাল্লাহ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল সুবহানাল্লাহ আল্লাহর কুদরত আল্লাহর শক্তি অসীম শক্তি এটার চ্যালেঞ্জ করার কেউ আছে পৃথিবীর কোন শক্তি যত বড় বিজ্ঞানী সুপার পাওয়ার এটম বোমার পর বোমার শক্তিধারক আপনার প্রবাহমান সাগরকে উত্তাল তরঙ্গা সাগরকে থামায় দিবে শক্তি আছে পৃথিবীতে কেউ নাই একটা অংশ ডানে এবং বামে একটা জন্য বিশাল উচ্চ পাহাড় সমতুল সুবহানাল্লাহ মানে পানির জন্য একটা পাহাড় দাঁড়িয়ে গেল।
আবার বামদিকেও একটি পাহাড়। মাঝখানে শুষ্ক পথ। সুবহানাল্লাহ। ফেরাউন তো একটা গর্ধক বেকুফ আহাম্মক। সে ভাবল যে শুষ্ক পথ এটা বধি সবার জন্য। তুই যারা কাফের ফেরাউন তুই কাফের ফেরাউন আল্লাহর তৈরি। ওই পথ কি তোর জন্য হবে? এটা তো মুসা আলাইহিস সালামের জন্য। তার অনুসারীদের জন্য। সেটা বুঝলো না সে মনে করলো আহাম্মুক মনে করল রাস্তা তো তৈরি চলো তারাও সবাই ঝাপায় পড়লো আল্লাহ বলছেন একটু রাখো মাঝামাঝি আসো যখনই মাঝামাঝি তাদেরকে প্রায় ধরবে আল্লাহতালা বলছেন এবার আল্লাহতালা তিনি খেলা দেখালেন আমি গ্রুপ নিয়ে আসলাম কাছে নিয়ে আসলাম গ্রুপ কাছে নিয়ে আসলাম আল্লাহ করতে পারতেন যে তোমাদের রাস্তা তুলে খুলে দিলাম রাস্তা তৈরি পার হয়ে চলে যাও পার হয়ে চলে যেত পরবর্তীতে তারা দেখতো যেন আবার সাগর আল্লাহ সেটাও করেন নাই বরং মাঝপথে নিয়ে সাগরের মাঝপথে নিয়ে এসে তাকে আপনার শরীর সমাধি করে তার একদম নিশ্চ তার সাথে যত তার সফর সঙ্গী ছিল বাণী সূরা প্রত্যেককেই তাফসীর কারকরা বলেছেন
উনি একজন বিকলাঙ্গ লংড়া খোড়া শিশু বৃদ্ধ বরিতা কেউ বাদ চায় নাই আল্লাহ প্রত্যেকে নাজাত দিয়েছে আল্লাহ বলছেন আমি অপর বাহিনীটাকে সবাইকে নিশ্চ করে নিদর্শন আছে আল্লাহ কেয়ামত পর্যন্ত মুমিনদের জন্য এখানে নিদর্শন আছে কি নিদর্শন আল্লাহতালা সর্বম ক্ষমতার অধিকারী কাদির কাজে আল্লাহর প্রতি আমাদের তাওয়াক্কুল আল্লাহর প্রতি আমাদের বিশ্বাস আল্লাহর প্রতি আমাদের ভালোবাসা সেটা থাকতেই হবে সম্মানিত সুধীবৃন্দ তো সম্মানিত সুধীবৃন্দ আসলে বিশাল একটা ইস্যু বিশাল একটা টপিক এটা পুরোটা আপনার এত কম সময়ে এটা উপস্থাপন করা কঠিন তবে সবচেয়ে বড় ব্যাপার যে এই একই দিনে আরেকটা অত্যন্ত মহা মানে বেদনাদায়ক একটা ঘটনা ঘটে ৬১ হিজরীতে আমাদের প্রিয় মহাম্মদ আল্লাহ রাস কলিজার টুকরা হোসাইন বিন আব্দুল্লাহ তিনি শাহাদাত বরণ করেছিলেন কারবালার প্রান্তরে সেটা ছিল আপনার এই ১০ই মহরম একই দিবসে তো আসলে এই দিবসটির মর্যাদা ফজিলত তো আরো অনেক আগ প্রায় ১৩ আরো ৩০০০ ৪০০০ বছর পূর্বে থেকে কিন্তু এই বেদাতিরা এই রামবে শিয়া গোষ্ঠীরা বিশেষ করে এটাকে আপনার
করল কি এই আপনার একটা বিজয় দিবসকে শুকুর আদায় যে দিবস এটাকে তারা একটা আপনার শোক দিবস রূপান্তরিত করে দিল সম্মানিত সুধীবৃন্দ এটা তার উপরে দিল একটা শোখ দিবস এবং সেটাকে তারা মুসালামের সাথে যে ঘটনাটা সম্পৃক্ত এটা তারা ভুলে গেল তারা করে দিল কি যে ১০ই মহররম ইয়ামে আশুরা এটার সম্পর্ক হল হোসাইন আলীর শাহাদত দিবসের সাথে এটার বিকৃত করে ইসলাম দ্বিতীয় বিকৃত সেটা ছিল একটা বিজয় বিজয়গাথা স্মৃতি বিজয় যে ফেরাউনের মত আল্লাহর দ্রহী যে সবচেয়ে বড় আল্লাহর দুশমন যে নিজেকে রব দাবি করেছিল আল্লাহ রাব্বুল আলা আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তাকে কিভাবে নিশ্চিহ্ন করেছিলেন তার পুরো সদলকে আনন্দ দিবস আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিয়াম পালন করেছিলেন শুকরান আল্লাহর প্রতি শুকুর আদায় করতে গিয়ে তো শুকুর দিবসকে তার কি করে দিল শোক দিবসের রূপান্তর করে দিল এই শিয়ারা বিশ্বাস করে সম্মানিত সুধীবৃন্দ এবং তারা সিয়ামের পরিবর্তে কি করল তারা হাই হোসেন হাই হোসেন হাই হোসেন তারা
সুখ দিবসে রূপান্তরিত করে দিল আল্লাহ রাস বলেছেন খবরদারামি ব্যক্তি আমাদের মধ্যকার নাই ব্যক্তি আমাদের গোত্রের বাইরে কারা গালে গালে মারবে বুকে মারবে দিবে চিৎকার করবেন বলেন উম্মতের আর দ্বিতীয় কথা দ্বিতীয় বেদাত হয়েছিল আরেকটি গোত্র ওটা নির্মল হয়ে গেছে ওটা পাওয়া যায় না বা একটি গোত্র এরা করল কি আপনার উৎসব সব দিবস পালন করল যেহেতু হোসাইন আলাইহি সালাম ইন্তেকাল করেছেন কাজেই এটা আনন্দ দিবস ঈদ দিবস নাউজুবিল্লাহ এরা আলী রাদি ছিল আলী রাদি আলীর বংশ আপনার কারবালা প্রাণ করে শাহাদাত বরণ করেন পানির জন্য বিশ্বাস করে তারা মৃত্যুবরণ করলেন এটা তার উৎসব পালন করত আপনার নাসেবা গোত্র এরা যদি অনেকটা বিরুদ্ধ হয়ে গেছে আরেকটা গোত্র আহলে সুন্নাত জামাতের মধ্যে নিরে মূর্খ এরা তো সেদিন করে কি একটু ভালো গোসল করে জাবা কাপড় পড়ে তারপর সুরমা লাগায় আতর লাগায় একটু খেজাব লাগায় একটু সুগন্ধি ব্যবহার করে আরেকটু ভালো খাওয়া দাও একটা জাল হাদিসের ভিত্তিতে ওরা ভালো খায় যেন যে গরু জবাই হেডিক পড়ে গেছে গোস্ত নিয়ে আসবে হালুয়া রুটি খাবে তারা মনে করে যে এই জিনিসটা ভালো খেলে সারা বছর ভালো খাবো নাউজুবিল্লাহ এইযে খুব সমস্যা তো এগুলা সবই বেদাত।
সম্মানিত সুধীবৃন্দ আমরা বলতে চাই সম্মানিত সুধীবৃন্দ যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আহলে বাইত যারা বিশেষ করে আপনার কারবালা প্রান্তরে শাহাদাত বরণ করেন। ওবাইদুল জিয়াদের নিমক হারামিতে মুনাফেকিদের ষড়যন্ত্রের কারণে। আর সে আপনার ইয়াজিদ। ইয়াজিদ ইস্যু একটা আমাদের দেশের বড় ইস্যু। সম্মানিত সাধারণ। ইয়াজিদ আসলে ঠিক আছে ওভাবে আমরা তাকে কেউ লানত বর্ষণ করি না। কিন্তু সে ভালো মানুষ ছিল না। এটি সঠিক কথা। সম্মানিত সুজন আমাদের কেউ একেবারে এখানে বাড়াবাড়ি করতে হোসাইন আলাইহিস সালাম হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সমালোচনা করতে ছাড়ে না। এরাও কিন্তু অত্যন্ত মহা ভুলের মধ্যে সম্মানিত সুধীবৃন্দ। তার ইস্তেহাতি ভুল হতে পারে। অনেক সাহাবাকে বলেছিলেন যে আপনি যাবেন না।
তিনি মনে করেছিলেন আমার শরীরে বিশ্বনবী মোহাম্মদের রক্ত আমি বাতিলের সামনে মাথা নত করতে পারি না। কাজেই তিনি এই বাসনে তিনি গেছিলেন আর কুফাবাসী তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। আপনার পাশে দাঁড়াবে কেউ পাশে দাঁড়ায় নাই। এটা তার ভুল হতে পারে ইসুল কিন্তু হোসাইন আলাইহি সালাম রাদি আমরা দুটাই বলি ইমাম বুখারী দুটাই বলেছেন আহলেবাতের আলোচনা আসলে তিনি আলাইহি সালাম বলেছেন আলাইহি সালাম বলতে পারি আমরা বলতে পারি আমরা হোসাইন রাদিয়াল্লাহুর আমরা কোন কমে সমালোচনা করতে পারি না তবে আমরা অবশ্যই বলব যে ইয়াজিদ ফাসেক ছিল এবং মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি আল্লাহ রাসুলের সাহাবী ছিলেন কাতেব ছিলেন তারা যারা সমালোচনা করবে তারাও আপনার বেহুদা তারা ওই আপনার শিয়া গোষ্ঠীর পর্যায়ে ভক্ত হবে তারা শিয়াদের দ্বারা প্রভাবিত সম্মানিত সুধীবৃন্দ কাজে কোথায় মুয়াবিয়া কোথায় ইয়াজিদ বাপ বেটা হতে পারে কিন্তু হতে পারে কি বাপ বেটা কিন্তু আসমান জমিন পার্থক্য আমরা এজিদের ব্যাপারে ওভাবে লালত বর্ষণ করব না কিন্তু আমরা তার মোট গুণগান গাইব
আমাদের অনেকে বলে একেবার খালিফাতুল মুসলিমিন নাউজুবিল্লাহ এত গুণগান দরকার নাই আপনি মবিকে বলেন খালিফাতুল মুসলিমিন কোন সমস্যা নাই কিন্তু সেভাবে আমার প্রশংসা আমরা করতে পারি না তবে আমরা যেহেতু কিছু বিতর্ক আছে উনি জড়িত ছিলেন কিনা সেই যুগে সম্মানিত সুধীবৃন্দ শত শত মাইলের দূরত্ব টেলিফোন নাই মোবাইল নাই ইন্টারনেট নাই এখন ওখানে একটা হত্যা যজ্ঞ চলে ঘটনা ঘটে গেছে উনি নাও জানতে পারেন তার লাগে আদেশ ছিল না কার সাথে চক্রান্ত হয়ে গেছে এটা আল্লাহ ভালো জানে যদি তার চক্রান্ত থাকে জড়িত থাকে আল্লাহ তা কঠিন শাস্তি দিবেন ইনশাল্লাহ যদি সে নির্দোষ হয় জড়িত না থাকে সেটা আল্লাহর উপর আমরা ছেড়ে দিলাম সুতরাং আমরা ইয়াজিদ নিয়ে তেমন মন্তব্য করব না বাড়াবাড়ি করব না তবে আপনার অবশ্য আমরা হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর জন্য দোয়া করব আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তার শাহাদত কবুল করুন ব্যাপারে বলতে চাই যে তারা যেভাবে আপনার বাড়াবাড়ি করে এবং তারা অন্যান্য বড় বড় সাহাবা কেরামকে আবু বকর
কাফের আবু তারা বলে আবু বকর জাহান্নামী আবু বকর কাফের ওমর কাফের আমরা এগুলো তীব্র প্রতিবাদ করি আবু বকর হলেন উম্মতের শ্রেষ্ঠ সন্তান কেরামদের পরে শ্রেষ্ঠ সন্তান আবু বকর তারপরে ওমর তারপর ওসমান আলী রাদিন সুতরাং আমরা এটাই বিশ্বাস করি আল হাসান হুসাইন সাইদা জান্নাতি হাদিস আল্লামা হাদিস থেকে সহ বলেছেন হাসান হোসাইন জান্না হাসান হোস জান্নাতের সকল যুবকদের সরদার সুবহানাল্লাহ আমরা হাসান হোসাইনকে ভালোবাসি আহলে বাত ভালোবাসি আর আসলে তারাই কিন্তু আহলে বায়াতকে ঘৃণা করে। আপনি দেখুন তাদের হযরত হাসানকে নিয়ে কোন কথা নাই। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু যে আরো অন্যান্য সন্তান ছিল সেটা নিয়েও কথা নাই। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর ছেলের নামও ছিল ওমর।
আবু বকর নাম ছিল। উমর নাম ছিল। উনি যদি তাদেরকে ঘৃণা করতেন তাহলে কেন নাম দিবে? আর এই শিয়াদের আকিদা বলতে গেলে একটা প্রকৃত খুতবার সেদিকে যাচ্ছি না। এ শিয়ারে বলে কোরআন নাকি বিকৃত, অবিকৃত। কোরআন নাকি বিকৃত হয়ে গেছে। এখানে নাকি আরো অনেকগুলো পারা ছিল, সূরা ছিল। আবু বকর ওমর চক্রান্ত করে সব গায়েব করে ফেলেছে নাউজুবিল্লাহ এ কোরআন কিয়ামত পর্যন্ত অরক্ষিত থাকবে সংগ্রহিত থাকবে এক অক্ষর জেল যাবার কিয়ামত পর্যন্ত পরিবর্তন হবে না ইনশাল্লাহ আল্লাহতালা আমাদের সম্মানিত সুধিবৃন্দ মহাররম হারাম মাস এখন চলতেছে টানা কিন্তু তিনটা মাস হারাম মাস জিলদা জিলহজ্জাম আল্লাহতালা আমাদের বেশি বেশি এবাদত করার তিনি তৌফিক দান করুন এবং আল্লাহতালা আমাদের সকলকে দ্বীনের উপর তিনি কায়েম দায়ে রাখুন