প্রশংসা মাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা যিনি বিশ্বজগতের একমাত্র মালিক যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তিনি আমাদেরকে মুসলিম করেছেন সম্মানিত করেছেন আমাদেরকে হেদায়েত দিয়েছেন এবং তার দ্বীনের উপরে বাঁচিয়ে রেখেছেন আমরা তার প্রশংসা করি আলহামদুলিল্লাহ সালাম প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাই আল্লাহুম্মা বারিক আজকের এই খুতবা হচ্ছে মহাররম মাসের ১০ তারিখ। যেই দিনকে হাদিসের ভাষায় ইমে আশুবা বলা হয়েছে। এই দিনটি পৃথিবীর ইতিহাসের এক আশ্চর্যজনক দিন এবং একটি মহান দিন। এই দিন সম্পর্কে যা কিছু আছে সেটা ইনশাল্লাহ আমরা আজকের অধ্যায় কিছু আলোচনা করবো। প্রথমত এটা হচ্ছে হিজরী সন। হিজরি সন মূলত কখন থেকে গণনা করা হয় এটা হয়তো অনেকেই জানে।
কিন্তু এখানে একটা সূক্ষ দিকনির্দেশনা রয়েছে। যে জ্ঞানী যারা বা আমাদের সালাফ তাদেরকে আল্লাহ সুবহানাহুতালা কতটা মেধা বা প্রজ্ঞা দিয়ে আমাদের মাঝে প্রেরণ করেছিলেন তা লিঙ্গিত রয়েছে। সাধারণত আমরা জানি যে মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে ইসলামের বিজয় হয়েছে। কিন্তু জ্ঞানীদের দৃষ্টিভঙ্গি একটু ভিন্ন। তার মধ্যে ওমর রাদিয়াল্লাহু তালা অন্যত তিনি যখন খেলাফতে বসলেন এবং এ বছর গণনার বিষয়টাকে নজর দিলেন তখন তিনি মক্কা বিজয়ের দিন থেকে ইসলামকে বিজয়ী ঘোষণা করেননি। বরং যেইদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম মক্কা থেকে মদিনাতে হিজরত করেছিলেন সেই বছরটাকে তিনি ইসলামের বিজয়ী হিসেবে ধরেছেন। কেননা কারণ মক্কা বিজয় তো পরে হয়েছিল। ইসলামের বিজয় তখনই হয়ে গিয়েছিল যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম সশরীরে মক্কা থেকে মদিনাতে হিজরত করতে পেরেছিলেন।
তার দৃষ্টিভঙ্গিটা এতটা প্রথম। সেই বছরকে তিনি ইসলামের প্রথম বছর হিসেবে ধরলেন এবং মহররম মাস যেহেতু আরবি মাসের প্রথম এজন্য এই তখন ওই বছরের মহররম থেকে আজকে মহররমে আমরা মূলত ১৪৪৮ হিজরীতে পৌঁছেছি। তার মানে আজ থেকে ১৪৪৮ বছর পূর্বে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছিলেন। এটা ছিল এই হিজরী বছর গণনার একটি অন্যতম মাধ্যম। এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে মূলত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের হিজরতটাই হচ্ছে ইসলামের হিজরত। তো আজকে মহররমের ১০ তারিখ তথা ইউমে আশুরা এই দিন সম্পর্কে অনেক কিছু আলোচনায় আছে। আপনি দেখতে পাবেন আলোচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য যে দিনগুলো আছে তার মধ্যে ইমে আশুরা একটি।
বরং কিছু কিছু বিষয় দেখলে আশ্চর্যবোধ হয় যে এই দিনের আলোচনা কিছু কিছু মানুষের কাছে ইয়ামে কদরের চাইতেও বেশি প্রাধান্য পেয়ে আছে। ইমু নাহার কুরবানর দিনের চাইতেও বেশি প্রাধান্য পেয়ে আছে। ইমুল জুমা জুমার দিনের চাইতেও বেশি তারা এই দিনটাকে স্মরণ করে এবং উদযাপন করে। এর পেছনে কিছু কারণও আছে। সেগুলো আমরা উল্লেখ করব। তবে আমাদেরও স্বভাব হলো আমরা যেটাকে বেশি সঠিক মনে করি শুধু অতটাই ব্যক্ত করি। কিতাবে কি আছে সেগুলো সব আমরা তুলে ধরি না। যেমন আজকের দিনটাকে যদি আপনি লক্ষ্য করেন যারা একটু বয়জ আছেন তাদের হয়তো স্মরণ হয়ে যাবে।
বিগত ১০ ২০ বছর আগেও আমরা দেখেছি আমরা যখন ছোট ছিলাম যেই বছর ১০ই মহররমের দিনের শুক্রবার পর্বে সেই বছরের লোকজন একটু ভিত থাকতো একটা কানাঘোষা চলতো তাদের একটা ধারণা ছিল যে কেয়ামত যেইদিন হবে সেইদিন ১০ই মহররম হবে এবং সেই দিনটা জুমার দিন হবে তখন মানুষের মধ্যে একটা কথা ছড়াছড়ি থাকতো এবং তারা একটা ভয় পেত কিন্তু এই কথাটা সঠিক না ভুল সেটা একটু পরে আলোচনা করবো। কিন্তু এই দিন দিন মানুষের অন্তর থেকে মৃত্যু পরকাল কেয়ামতের ভয় যে হারিয়ে যাচ্ছে এটা একটা এক্সাম্পল দেওয়ার জন্য কথাটাকে তুলে নিয়ে আসলাম। বিগত কিছুদিন আগেও মানুষ আজকের দিনটাকে ভয় পেত। যে ১০ই মহরম শুক্রবার না জানি কিয়ামত না হয়ে।
কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে মানুষ আগেই জানতেছে যে এ বছর ১০ই মহররম জুমার দিন কিন্তু মানুষের মধ্যে এই ধরনের কোন আলোচনা নাই মানুষ ভয়ও পায় না এগুলো নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যথাও নাই বরং মানুষ কতটা নিচে নেমে গেছে মনে করে চোখের সামনে ভূমিকম্প দেখতে পাচ্ছে টের পাচ্ছে সজাগ কিন্তু তারা তাদের কর্ম থেকে মুখ ফিরায়নি ওই খেলতামসার মধ্যেই ডুবে থাকবে বরং এগুলোকে কে নিয়ে বর্তমান মানুষ টল করে অপেক্ষা করে আমরা তো ক্ষমতা নাই সাধ্য নাই যে আপনাদেরকে বলি বা আমাদের নিজেরও ক্ষমতা নাই প্রস্থান করা না হলে আমাদের উচিত খুব শীঘ্রই এ বিল্ডিংগুলো ছেড়ে দেওয়া খুব শীঘ্রই আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে আমাদেরকে কিন্তু সতর্ক করতেছেন এ ভেনজুয়েলাতে কালকে যে ভূমিকম্প হয়েছে এবং জাপানে যেটা হয়েছে বারবার হচ্ছে আমাদের দেশের ভূতাত্বিক যারা তারা কিন্তু আমাদেরকে সতর্ক করেই যাচ্ছে হতে পারে তাদের কথাতে এতটা ভুল হয় যে কালকে বলেছে হয়তো কালকে হবে না এক বছর পরে হবে
কিন্তু হবে এটা নিশ্চিত জেনে রাখি এজন্য আমাদেরকে উঁচু উচু বিল্ডিং এর চেয়ে বিশেষ করে দুর্বল বিল্ডিংগুলো থেকে প্রস্থান করা উচিত আল্লাহ আমাদেরকে তৌফিক দান করুন আমিন >> দ্বিতীয়ত হচ্ছে এই যে মহররম মাস সম্পর্কে যে একটা মিথ্যা প্রচার ছিল মিথ্যা প্রচার বলব না একটা ভুল প্রচার কারণ এ কথাটা আংশিক সত্য সেটা যেই দিন কেয়ামত হবে সেটা জুমার দিন হবে। এটা সত্য। কিন্তু ওই দিনটা কোন দিন কত তারিখ সেটা হাদিসে উল্লেখ নাই। ওটা মহাররমের ১০ তারিখ না। সেটা অন্য কোন মাসে হতে পারে। ওইদিন তারিখটা আল্লাহ আমাদেরকে জানায়নি। তবে একটা জানিয়েছেন যেইদিন পৃথিবী কেয়ামত হবে সেটা জুমার দিন হবে।
এর মর্মে স্পষ্ট হাদিস আছে। যে হাদিসটা আমি আপনাদের জন্য উল্লেখ করব। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এই পৃথিবীতে যে দিনগুলোর উপরে সূর্য উদিত হয় তার মধ্যে উত্তম শ্রেষ্ঠ দিন হচ্ছে। জুমার দিন হল অন্যদিনের চেয়ে সবথেকে বেশি শ্রেষ্ঠ। এর বৈশিষ্ট্য কি? আল্লাহ এই দিনে আদমকে সৃষ্টি করেছিলেন। এই দিন তার মধ্যে রুহ ফুকি দেওয়া হয়েছিল। আর এই দিনে তাকে আল্লাহ জান্নাত দিয়েছিলেন। আবার তার যে ভুল ভুলের কারণে তাকে যে আল্লাহ জান্নাত থেকে বের করেছেন ওটাও জুমার দিন ছিল। তার মানে এক জুমায় তিনি জান্নাতে ঢুকেছেন। তার কতকাল পরে আবার যখন ভুল হয়েছে তাকে যখন আল্লাহ বের করেছেন সেই দিনটাও জুমার দিন ছিল।
এভাবে এই জুমার দিনের বৈশিষ্ট্যটা আমাদের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। এবং আজকের খুতবার সাথে যেটা রিলেটেড সেটা হচ্ছে এবং রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন কেয়ামত হবে না অন্য কোন দিনে। তবে বলে সেটা জুমার দিন হবে। জুমা জুমার দিনে কেয়ামত হবে। এটা ইমাম মুসলিম কোট করেছেন। যেটা জুমার অধ্যায়ে পাবেন। জুমা জুমার দিনের মর্যাদা পর্বে তিনি হাদিসটা এনেছেন ১৮৬২ তে পাবেন। আবু দাউদে আছে ইবনে মাজাতে আছে। ইবনে মাজাতে ১০৮৫ তে আছে। ১০৮৬ বা ৮৪ তে একটা হাদিস আছে। যে হাদিসটা একটু দুর্বল। অভিকম এই হাদিসটাই। কিন্তু দেখেন দুর্বল হাদিস আর সহির মধ্যে একটু তো অনেক বড় পার্থক্য থাকে। সেটা কি? ওই হাদিসটাতে আছে যে জুমার দিন এতটা শ্রেষ্ঠ যে ইমে আরাফা এবং ইমে নাহারের চাইতেও শ্রেষ্ঠ।
ওই শব্দটা দুর্বল হাদিসের মধ্যে আছে। এজন্য সহি এবং দুর্বল এগুলোকে মেনে না চললে তখন এই খেয়ানতগুলো হয়। ওলামা আমাদের শিক্ষকগণ সেগুলোকে জাস্টিফাই করতে পারে। তারা সেগুলোকে পরক করতে পারে। এজন্য আমাদেরকে সতর্ক সাবধান করেছেন। তবে ওই হাদিসগুলো হচ্ছে দুর্বল। মানে এত বেশি মর্যাদা নাই যেটা ইয়ামু নাহার কেউ হার মানিয়ে দিবে না। ওই বর্ণনাটা দুর্বল। কিন্তু এই হাদিসে যা আছে হাদিস অবিকল সে কথা বলে আছে। এখানে আরেকটা কথা বাড়তি আছে যেটা আমি আপনাকে আবু দাউদ থেকে দেখাই। ইমাম আবু দাউদ হ্লাহ এই হাদিসের একটা শব্দ এখানে উল্লেখ করেছেন মসনাতলা আজ এই শব্দটা আবু দাউদের এসেছে তাতে কি আছে যে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন প্রত্যেক জুমার দিনে মানুষ এবং জিন ছাড়া এমন কোন প্রাণী নাই যে ভীত না থাকে।
কখন? যখন ফজরের আজান হয় তখন থেকে সূর্য উঠা পর্যন্ত। যেই সময়টাতে আমাদেরকে সাধারণত জিকির আসার করে কাটাতে বলা হয়েছিল। যদিও আমাদের বদ অভ্যাসের কারণে আমরা ঘুমিয়ে থাকি ফজরের পরে। কিন্তু ফজর থেকে সূর্য উঠা পর্যন্ত এই সময়টা হচ্ছে খুব সেন্সিটিভ সময়। পৃথিবীতে ইতিহাসে দেখা যায় বড় বড় যুদ্ধ যখন হতো এটাক হতো এই সময় আল্লাহর আজাব আসলে এই সময়ে হতো এবং এই সময়টাই কেয়ামত শুরু হবে পৃথিবীতে যখন কেয়ামত শুরু হবে এই সময়টাতেই হবে আর এই সময়ের কারণে মানুষ এবং জিন ছাড়া প্রত্যেকটা প্রাণী ভিত থাকে যদিও আমরা তাদের হাল অবস্থা বুঝতে পারি না এইজন্য সকাল বেলা আপনি দেখতে পাবেন তিন ক্যাটাগরির পাখি তিন রকম টাইমে তারা কিচিল মিছিল করে পরপর করে দেখেছি খুবই আশ্চর্যজনক ব্যাপার।
আপনি দেখতে পারবেন আমি যেটা লক্ষ্য করেছি দোয়েল পাখি যেটা ওটা ডাকবে ফজর সেহরের সময় মানে ফজর হওয়ার আগে চরি পাখি ডাকে ফজর থেকে সময় পর্যন্ত। এটা খুবই বিশ্বয়কর একটা ব্যাপার। লক্ষ করে দেখেছি। তো এশরাক মানে সূর্য উঠার আগ পর্যন্ত চরি পাখি আপনার দেখ পাবেন। পাখিগুলোর ক্যাটাগরি টাইমের সাথে সেট করা এটা খুবই বিশ্বয়কর। যেটা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তিনি আব্দুল ইবনে উনে মাখতুম এবং বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দুইজনকে দুই টাইমের জন্য মুয়াজ্জিন হিসেবে ফিক্স করেছিলেন যাতে দুইজনের কন্ঠ শুনে তারা বুঝতে পারে যে এখন তাহাজ্জুদের সময় আর এখন ফজরের সময় মানে সুরের পরিবর্তন মাধ্যমে যাতে মানুষ বুঝতে পারে যেমন আমরা এখন বিভিন্ন রিংটোন সেটপ করার মাধ্যমে বুঝতে পারি এটা এলারম এটা রিং বা এটা সিম ওয়ানের এটা সিন টু এর এইভাবে আমরা সেট করে বুঝতে পারি আল্লাহ সুবহানাহুতাালার সৃষ্টির মাঝেও তিনি পৃথক ব্যবস্থা করে রেখেছেন তালাক হাল আল মহিম এই হাদিসের মধ্যে যেটা জানা যায় যে জুমার দিনের এই সময়টাতে মানুষ ছাড়া বাকি পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীগুলো ভেতর সন্ত্রস্ত থাকে যখন সূর্য উঠে যায় তখন তারা স্বস্তি পায় যে না আজকে কেয়ামত হবে না কিন্তু মানুষ এমন একটা জাতি যাদেরকে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা প্রজ্ঞা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।
কিন্তু এ মানুষ পশুর চাইতেও বেশি গাফেল অবস্থায় দুনিয়াতে বর্তমানে বসবাসরত আছে। আল্লাহ আমাদেরকে তাদের থেকে পৃথক করুন। আমিন। >> তাহলে এই জুমার দিন কেয়ামত হবে এটাই সত্য। কিন্তু সেটা ১০ই মহররম হবে। এ কথাটা সঠিক বর্ণনায় আসেনি। তো এইভাবে এই আশুরার দিন সম্পর্কে বহু কথা আছে যেগুলো সঠিক মর্যাদায় পৌঁছেনি। এগুলোকে আমাদেরকে ছাড়তে হবে। আরো কিছু কথা একটু পরে আমরা উল্লেখ করব। এবার আসুন আমরা মূলত এই ইমুল আশুরা এই ১০ দিনের এই দশম দিনের মর্যাদা সম্পর্কে আমরা কিছু জানি। এটা একটা আশ্চর্যজনক দিন যেটা বলেছি। আমার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যেটা আমি দেখতে পাই এই দিনটা হচ্ছে ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের মত।
যেটা গত খুতবায় আমরা বলেছি। আপনি কি জানেন যে এই পৃথিবীতে ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম হচ্ছেন এমন এক ব্যক্তি যাকে সম্মান করে ইহুদিরা। যাকে সম্মান শ্রদ্ধা করে খ্রিস্টানরা যাকে সম্মান শ্রদ্ধা করত মক্কার পৌতলিকরা মক্কার মুশরিকরা কোরাইশরা আর যাকে সম্মান করে সমস্ত মুসলিম তার মানে এই পৃথিবীর মানুষকে যদি তিন ভাগ করা হয় তাহলে দুই ভাগ মানুষ ইব্রাহিম আলাইহি সালামকে সম্মান করে আর মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম তার মর্যাদা সবথেকে বেশি কিন্তু পৃথিবীর মানুষ তাকে মেনে নেয়নি বরং ১০ ভাগ করলে এক ভাগ মানুষ শুধু মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে মেনে নিয়েছে বাকি নয় ভাগ মানুষ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে মেনে নেয়নি কিন্তু কেয়ামতের মাঠে তাকে মানতে বাধ্য ওইদিন আবার মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সলাম হবে সবথেকে বেশি সম্মানিত আর দুনিয়াতে আল্লাহ সুবহানাহুতাালার সবথেকে সম্মান রেখেছেন ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম কোরআনে বর্ণনা আছে যেটা আপনি সূরা বাকারাতে ৩০ ৩১ নাম্বার আয়াতে পেয়ে যাবেন আল্লাহ বলেছেন আমি দুনিয়াতে ইব্রাহিমকে সম্মানিত করেছি এবং সে পরকালে একজন সৎ বান্দা হয়ে উঠবে সেখানে আল্লাহ করে দিয়েছে মর্যাদা এমেশ ইব্রাহিম আলা সালামের মত তারানে এমন একটা দিন যেই দিনকে সম্মান করে ইহুদিরা যেই দিনটার সম্মান আছে খ্রিস্টানদের কাছে যেই দিনের সম্মান ছিল মক্কার মুশরিক দের কাছে ইসলাম নাযিল হওয়ার আগে এই দিনের সিয়াম বাধ্যতামূলক ছিল।
আশ্চর্যের ব্যাপার হলো যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা ইসলামের মধ্যে এই দিনটার মর্যাদাকে বহাল রেখেছেন। কথা বলে কে? এটা তো খুতবা চলতেছে। যে বাচ্চাগুলা কথা বলে এটা গার্জেনদের দায়িত্ব। এটা তো কথা বলার জায়গা না। পিছেদেরকে আলাদা করে দেন। আশুরা এটা প্রত্যেক জাতির কাছে সম্মানিত ছিল। তার মধ্যে ইসলামে এর সম্মানকে কিভাবে বহাল রাখা হয়েছে। যে এই আশুরার দিনের একটি বিশেষ আমল রয়েছে। যেটা নিয়ে কেয়ামত পর্যন্ত এই দনের মর্যাদাকে অক্ষণ রাখা হয়েছে। আর সেটা হচ্ছে সিয়াম পালন করা। এটা আমি আশাবাদী যে আজকে আমরা এখানে যারা উপস্থিত হয়েছি তাদের অধিকাংশরাই আজকে সিয়াম অবস্থায় আছেন যারা জানেন যে এটা আজকে হচ্ছে আশরা আল্লাহ আমাদের সিয়ামকে কবুল করুন এইদিনের সিয়ামের মর্যাদা অনেক বেশি হাদিসের ভাষাগুলো থেকে সেটা জানতে পারি সেটা কি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসের পরে মর্যাদার দিক থেকে যেই সিয়ামটা মর্যাদার দিক থেকে প্রাধান্য পাবে সেটা হচ্ছে আল্লাহর মাস এ মহাররম মাসের সিয়াম।
তার মানে এদিকে ইমে আশুরার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এ হাদিসটি ইমাম মুসলিম কোট করেছেন ২৬৪৫ এ পেয়ে যাবেন। এই দিনের সিয়ামের গুরুত্ব কিভাবে আপনি বুঝবেন? আরেকটা হাদিস নিয়ে নেন। এটা ইমাম বুখারী এবং মুসলিম কোট করেছেন। বুখারীতে সিয়ামের অধ্যায় ২০০৬ এবং মুসলিমে হাদিসটি সিয়ামের অধ্যায় ২৫৫২তে রয়েছে। রাদিয়াল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবনী থেকে যেটা উপলব্ধি করেছি সেটা হল তিনি বহু সিয়াম রাখতেন কারণ অকারণে সোমবার বৃহস্পতিবার আরাফার সিয়াম অমুক সিয়াম তমুক সিয়াম এভাবে কিন্তু যতটা গুরুত্বের সাথে তিনি রমজান মাসকে ফলো করতেন যতটা গুরুত্বের সাথে তিনি ইওমে আশুরার দিনকে গুরুত্ব দিতেন অন্য কোন দিনকে তিনি এতটা গুরুত্ব দিতেন না।
তার মানে কবে রমজান শুরু হবে, কবে মহররমের ১০ তারিখ আসবে এটাকে তিনি এত সূক্ষভাবে হিসাব করতেন বা স্মরণ রাখতেন বা গুরুত্ব দিতেন যেটা অন্য কোন সিয়ামকে এতটা গুরুত্ব তিনি দিতেন না। তার মানে তার এই ভাষাটাই প্রমাণ করে যে মহররমের এই ১০ তারিখের সিয়াম কতটা গুরুত্বপূর্ণ। বরং এমন একটা হাদিস রয়েছে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে বছর তাকে জানানো হয়েছিল যে ১০ই মহাররমের সিয়ামের কারণটা কি এবং এর মর্যাদা কি সেই বছর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম দিনের বেলায় একজন লোককে নিয়োগ করলেন মদিনাতে পাঠালেন এবং বললেন যারা আজকে সকালে সিয়াম অবস্থায় আছে তারা যেন সিয়ামটাকে কন্টিনিউ করে আর যারা ভোরবেলায় সিয়াম ভঙ্গ করার কোন কাজ করে ফেলেছে তারা যেন বাকি দিন মানে আজকের বাকি সময় সময়টা যেন সিয়াম অবস্থায় কাটায় তার মানে আর যেন পাঠানো এভাবেই যেন থাকে তো তার মানে যেই বছর এই দিনের সিয়ামটাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল যদি এটা বাধ্যতামূলক না শব্দে যেটা বললাম গুরুত্বের সাথে পেশ করা হয়েছিল সেইদিন থেকে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এই সিয়ামকে এত সূক্ষভাবে তিনি গণনা করতেন এবং হিসাব করতেন তার এই যত্নবান হওয়াটাই প্রমাণ করে যে ১০ মহরমের সিয়ামের মর্যাদা এত বেশি এর একটা ফজিলত আছিল অনেক সময় ভাষাগুলো আপনাকে চিন্তায় একটু দ্বিধায় ফেলে দিবে।
যেমন দেখেন হাদিসের ভাষা হলো রমজানের পরে মহাররমের সিয়ামের মর্যাদা সবচাইতে বেশি। এটার আরেকটা কারণ আছে। এই মহাররমের সিয়াম রমজান মাসের সিয়াম ফরজ হওয়ার আগে মহরমের সিয়ামটা আমাদের উপরে ফরজ ছিল। এটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? এটা হচ্ছে মহরমের সিয়ামের মর্যাদা। কিন্তু আপনি ফজিলত দিয়ে যখন কম্পেয়ার করবেন তখন দেখতে পাবেন আরাফার সিয়ামের দিনের দুই বছরের গুনাহ মাফ। কিন্তু মহাররমের সিয়ামের মাত্র এক বছরের গুনাহ মাফ। তাই বলে যে আরাফার সিয়ামের মর্যাদা বেড়ে যাবে বিষয়টা এমন না। সম্মান এক জায়গায় আর কোন কাজে নেকি বেশি হওয়া সেটা আরেক বিষয়। সেটা হচ্ছে খাস একটা অপশন। কিন্তু মর্যাদার দিক থেকে মহররমের সিয়াম প্রাধান্য পেয়ে যাবে।
যেটা হাদিসের ভাষাগুলোতে এইভাবেই আসছে। ফজিলতের দিক থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে ইমে আশুরার আজকের দিনের সিয়াম সম্পর্কে। আনা রাসূুল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম আশুরার সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে এই একটা সিয়ামের মাধ্যমে আল্লাহ তার অতীতের এক বছরের পাপগুলোকে মাফ করে দিবেন। যেই বছরটা অতীত হয়ে গেছে তার মানে ২০০০ হাজার ১৪৪৭ হিজরী এই বছরের পাপকে আল্লাহ মাফ করে দিবেন এই আজকের এই একটা সিয়ামের মাধ্যমে এটাই ইমাম মুসলিম কোড করেছেন ২৬৩৬ এ রয়েছে এটাই হল আজকের আশুরার মূল কাজ আর আশুরার সিয়াম মূলত একটাই সেটা হচ্ছে ১০ই মহরমের সিয়াম কিন্তু রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন একটা কারণে আমাদেরকে দুইটা রাখার অনুমতি বা ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইঙ্গিত কেন বলব? রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ভাষায় এটা প্রকাশ করে গেছেন। যেটা একটু পরেই আসতো মহারমের সিয়াম মূলত একটি। দুইটা কিভাবে হল এটা একটু বর্ণনা করি। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুমা তিনি বলেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তিনি নিজে মহরমের সিয়াম রাখলেন এবং যখন আমাদেরকে আদেশ করলেন যে আমরাও যেন মহরম সিয়াম পালন করি তখন বেশ কিছু সাহাবীরা বললেন এমন একটা দিন যেই দিনকে সম্মান করে ইহুদিরা এবং খ্রিস্টানরা তাহলে আমরা কেন করব? আজকে এই মুসলিম জাতি যদি বুঝতো যে মুসলিম হওয়া মানে কি? এই সাহাবায়ে কেরামদের মত যে আমাদেরকে হইতে বলা হয়েছিল আমরা যদি তাদের মত হইতে পারতাম।
আর কেন আমরা তাদের পথ ছেড়ে দিয়েছে আমরা জানি না। আপনি কি জানেন? কোরআনে যে আল্লাহ সুবহানাহুতালা আমাদেরকে এই আদেশই করেছেন যেন আমরা সাহাবায়ে কেরামদের মত হই। তাদের মত ঈমান তাদের মত আমল যেন আমাদের হোক এটা আল্লাহ চেয়েছেন বরং আল্লাহ এটা কত কঠিন ভাষায় বলেছেন আল্লাহ বলেছেন আল্লাহ সুবহানাতালা সরা বাকারার সম্ভবত ১৩৭ নাম্বার আয়াতে সেটা আছে আল্লাহ আপনি এবং আপনার জামাত আজকে যেভাবে আমার প্রতি ঈমান এনেছে কেয়ামত পর্যন্ত তারা যদি আপনাদের মত ঈমান আনতে পারে তাহলে হেদায়েত প্রাপ্ত তাহলে হেদায়েত পাবে পাবে না হলে তারা বিচ্ছেদবা তারা হক থেকে মুখফান জাতি আল্লাহ আপনার জন্য যথেষ্ট। তো এইযে কঠিন একটা বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু আজকে মুসলিমদেরকে এই চিন্তা আছে যে আমি যে ঈমানদার দাবি করি আমার ঈমানটা কি আমাদের সাহাবায়ে কেরামদের মত কিনা? আমার ঈমান আমলটা কি তাদের মত হচ্ছে কিনা? তাদের মত চেতনা নিয়ে আমরা বাঁচি।
কিন্তু এই চেতনা শব্দটার যখন ব্যবহার হয় আমরা বাঙালি চেতনায় নিয়ে বেঁচে আছি। আমরা ২১ এর চেতনা, ৭১ এর চেতনা, স্বাধীনতার চেতনা, নিজের দলের চেতনা, ভাষার চেতনা সব চেতনা আমাদের মধ্যে জেগে যায়। জাতীয়তাবাদ যত মূর্খামি আছে, জাহেলিয়াতের যত চেতনা সেগুলো আমরা বহাল রেখেছি। কিন্তু আমাদেরকে যে মুসলিম চেতনা বা সাহাবায়ে কেরামদের চেতনা ধারণ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু কোনদিন মুসলিমদের মধ্যে এই চিন্তা কেন আসে না? তাহলে তিনি ভাষাটা কি বলেছেন? আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইবাদতের কথা বলেছেন। ভালো কিছু কথা বলেছেন। এখানে খেলতাম সাহেবের কথা বলা হয়নি। ইবাদত সেখানেও সাহাবায়ে কেরামরা পছন্দ করতেছেন না যে যেই দিনটাকে যেই স্থানটাকে ইহুদি নাসারারা পছন্দ করে আমরা সেই দিনটাকে কিভাবে সম্মান করতে পারি।
এই ভাষাটা ব্যবহার করা হয়েছে। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনিও কথাটাকে এপ্রিশিয়েট করেছেন মানে গ্রহণ করেছেন এবং সেটার গুরুত্ব বুঝেন। তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তাদের খেলাফ না গিয়ে বরং তাদের পক্ষে কি বলেছেন? রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যাপারটা ইনশাআল্লাহ যখন আগামী বছর আসবে ইনশা আল্লাহ ইনশল্লাহ। তারিখে সিয়াম পালন করব। এইযেন তারিখের সিয়ামটা এখান থেকে আসছে। আরেকটা বর্ণনা আসছে এভাবে আমি যদি আগামী বছর বাকি থাকিবে থাকি অবশ্য তারিখে সিয়াম পালন করব। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। কিন্তু তারপরের বছর মহম আসছে পৃথিবীতে বেঁচে ছিলেন না। তার মানে মহাররমের আগেই তার ইন্তেকাল হয়ে গেছে। তাহলে যেমন রাসূুল্লাহ সাল্লালাম ইন্তেকাল হয়েছে যেমন আজকে মহরমের ১০ তারিখ এই বছরে রাসূলাম ১২ই রবিউল আউয়াল ইন্তেকাল করেছেন না তার রবিউল মাস কখন আসে? মহারম সফর রবিউল আউয়াল।
তার মানে তার দেড় মাস পরে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করে গেছেন ওই বছর। আর না হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম তার পরের মহাররম পেলে অবশ্যইন তারিখে সিয়াম পালন করতেন। ইমাম মুসলিম হাদিসটা ২৫৫৬ তে এনেছে। এই হাদিসকে কেন্দ্র করে আমাদের সালাফদের মধ্যে একটা মত হল যে ১০ তারিখের চেয়েন তারিখের সিয়াম শ্রেষ্ঠ। কেন? কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যখনই ওই কথা শুনলেন তিনি ৯য় তারিখে সিয়াম রাখার ইচ্ছা পোষণ করলেন। তার মানে বোঝা যাচ্ছে যে ১০ তারিখের চেয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম ৯য় তারিখে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। কিন্তু বিজ্ঞ আলেম যারা বা যাদের মতটা বেশি প্রাধান্যযোগ্য তারা বলেছেন যে না ১০ তারিখের মর্যাদা বহাল থাকবে।
কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আরো একদিন তাদের খেলাফ করার জন্য নয় তারিখেও সিয়াম রাখার ইচ্ছা করেছেন। এজন্য আমাদের মুসলিমদের উচিত দুইদিন সিয়াম রাখা। এই এখান থেকে দুইটা সিয়ামের কথা এসেছে। অতএব গতকালকেন নয় মহররম গিয়েছে। যারা সিয়াম রাখতে পেরেছিলেন আলহামদুলিল্লাহ। যদি আপনি রাখতে না পেরে থাকেন আজকে তো অবশ্যই আছেন ইনশাআল্লাহ। তাহলে আপনি চেষ্টা করবেন আগামীকালও রেখে নিতে তাহলে দুইটা হয়ে যাবে। নয় ১০ পারেননি ১০ ১১ আপনি রেখে নেন এটা সহজ হয়ে যাবে আর যাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন তাদের জন্য একটাই চলবে কারণ একটা সিয়াম দিয়ে আপনি সেই নেকিটা পেয়ে যাবেন মূলত দুইটা সিয়াম হচ্ছে ইহুদি নাসারাদের খেলাফ করার জন্য এই জায়গাটাতে আমরা সেইখানে ফিরে আসতে চাই যে মুসলিমদেরকে সবসময় শিক্ষা দেওয়া হয়েছে আমরা যেন ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের খেলাফ চলি কারণ ওদের পথ ভিন্ন আমাদের পথ ভিন্ন।
আজকে যখন আমরা কোরআন সুন্নাহর কথা বলি এই ইহুদি নাসারাদের পথে চলা লোকগুলাই বেনামাজি গুলা সব ইহুদি নাসারাদের পথে আছে জেনে নেন তা আপনি তাদের জার্সি পড়েন বা না পড়েন বেনামাজি মানেই ইহুদি নাসারাদের পথে আছে যারা হজ ফরজ হয়ে গেছে হজ করেন না তাদেরকেও রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এ কথাই বলেছিলেন যে এই ব্যক্তি যারা হজ ফরজ হয়ে গেছে সে হজ করে করল না না করে মরে গেল সে খ্রিস্টান হয়ে মরুক না ইহুদ হয়ে মরুক তাতে কিছু যায় আসে তহলে যেখানে হজের ব্যাপারে এমন কথা আছে যদি হাদিসের সনদ সময় সহ নয় দুর্বল পর্যায়ে আছে কিন্তু বেনামাজি মুসলমানের কাতারে পড়ে সেই ইহুদি নাসারের পথে আছে তারপরে নেশাখোর জুয়ারি সুদখোর মাজারভক্ত পূজারী এগুলো সব মুশরিকদের কাতারে আছে কিন্তু এরা কিছু থেকে কিছু হলে আমাদেরকে বলে ইহুসারাদের আর যখন আমরা বলি যে মুসলিম হলে আপনাকে ইহুদি নাসারাদের খ্রিস্টানদের খেলাফ থাকতে হবে তখন এই কথাগুলো কানে আর ঢোকে না।
তখন প্রমাণ হয় না যে আমরা ইহুদি নাসারাদের পক্ষে না বরং আমরা ইহুদি নাসারাদের বিপক্ষে। বরং আপনি ওই কাতারে আছেন। সেটা কেন তাদের নজরে আসে? উপরন্ত এই খেলাধুলার মাধ্যমে আপনি প্রমাণ করে দিলেন আপনার ঘরে ইহুদিদের সন্তান রয়েছে। আপনার বাবা গার্জিয়ান যারা আপনার ঘরের উপরে আপনার ছেলেই তো টাঙ্গিয়েছে না। ইহুদি নাসারা খ্রিস্টানদের পতাকা। আপনি ভাবতেছেন এটা পোলাপানরা করে খেলতামশা। এগুলো বড় বিষয় না। এটা অনেক বড় বিষয়। কারণ আপনার ছেলে একসময় আপনার সন্তানগুলো ওদের চরিত্রের মত হয়ে যাবে ওদের মতন ভেসভুষা ওদের মত সবকিছু ইয়ং বয়সের মেয়েগুলো আপনি জার্সি করে ওরনাবিহীন আপনি ওদের গোল হয়েছে ওদের টিম জিতেছে বা কিছু ও যেভাবে বেহায়ার মত লাফায় বা নাচে এগুলো আপনার মুসলিম সন্তান হিসেবে আপনি কিভাবে এটা মেনে নিবেন তবে খেলতামশা দেখা এটা অত বড় অপরাধ না যেটা যত বড় অপরাধ হিসেবে আমাদেরকে পেশ করা হয়।
আমি এটা বলতেছি না। বাস্তবিক কি খেলতামশা দেখা অত বড় অপরাধ না। যত বড় অপরাধ লংটা দেখা যত বড় অপরাধ ফিলিং দেখা। যত বড় অপরাধ এই সমস্ত কাজে জড়িয়ে থাকা এবং যত বড় অপরাধ বেনামাজি হওয়া। আপনি খেলতাম সাব দেখেছেন এটার জন্য শাস্তি পাবেন বা মাফ পেতে পারেন। কিন্তু নামাজবিহীন একটা মানুষ মুসলিম এগুলো নিয়ে পড়ে থাকে। এইটা হচ্ছে আপনার জীবনের সবচাইতে চরম ব্যর্থনা। আর এই খেলতামশা একটা সময় আমরাও দেখেছি ছোটবেলা কিন্তু বুঝতাম না আমাদেরকে কেউ বুঝায় নাই তারা হয়তো বুঝতো যে আমরা গোলপথে আছি আমরা বাড়াবাড়ি করতেছি কিন্তু গার্জানরা আমাদেরকে কোনদিন বলে নাই কিন্তু আমাদের দায়িত্বটা আমরা আমাদের যুবকদেরকে বলতেছি তুমি হয়তো এখনো বোঝ নাই বিষয়টা কতটা সেনসিটিভ কিন্তু তোমার বিবেক কি বলে যেখানে ফজরের জামাত চলতেছে প্রায় তিনদিন এই ঘটনা ঘটেছে আর ওই সময়টাতে সম্ভবত ব্রাজিলের না কার খেলা ফজরের টাইমে ছিলদুইটার দুইটা দুইটা আমাদের কানে আসছে জামাত চলতেছে হানাফিদের আজান তো একটু পরে হয় আমরা জামাত
পড়তেছি প্রথম রাকাত শেষ এখান দিয়ে হানাফী আরেক মসজিদে আজান হচ্ছে কারণ তাদের আজান তো টাইমটেবিল নাই ওই পৌনে পাচটা থেকে শুরু হয় কয়টা থেকে এখন তো চারটা থেকে শুরু হয় একবারে ৪০টা পর্যন্ত আজান চলতেই থাকে চলতেই থাকে আল্লাহই ভালো জানে যে এদের এই সিয়াম কবুল হবে কি হবে জাতিটাকে গোমরা করে রেখে দিয়েছে তো কথা হচ্ছে যে এক রাকাত শেষ হই করে একটা শব্দ শুনতে পেলাম মানেটা কি বল যে খেলা চলতেছে এইযে যে ভূমিকম্পটা হলো তখন ৯:৩০টা বাজে আমাদের যে বিল্ডিং আমরা থাকি সেই বিল্ডিং এ সবাই মিলে পৌনেটায় জামাত সেই স:১৫টায় জামাত হয় এশার জামাত নামাজ শেষ হয়েছে মাত্র বসে আছি সালাম ফিরিয়ে ৯:৩০টা বাজে তখন ভূমিকম্পটা হল টের পাচ্ছি ছয় তলার উপরে নামার কোন অপশন নাই শুধু একটু দোয়া পড়ার মত অপশন আছে এখন মনে হচ্ছে যে এখন যদি মরে যাই আমাদের বাঁচানোর কেউ নাই তাই না ঠিক ওই সময় আরেকটা জাতি ওখানে নিচে খেলার
খেলার মঞ্চে মাত্র হয়তো টিম মাঠে নেমেছে হই করে চিল্লান দিয়ে উঠেছে তার মানে এক মিনিটের ব্যাপার মাত্র এই ভূমিকম্পটা যদি ভেনিজুয়েলার এই ভূমিকম্পের মত হতো তাহলে আপনার এই চিৎকারটা সেটা আত্মচিৎকার হইতো খুশির চিৎকার হইতো যখন তখন হইতে পারে তখন আলহামদুলিল্লাহ একটা ফিল হয়েছে প্রথম ভূমিকম্প যখন হয়েছে তখন অনেক ভয় পেয়েছিলাম তখন আমি বাথরুমে ছিলাম এই জুমার দিনে মনে আছে সকাল সড়টায় আমরা জুমায় আসার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম গোসল করতে ঢুকেছি বাথরুমে আর তখনই মারাত্মক এই ভূমিকম্পটা তখন মনে হয়েছে আল্লাহ যদি এই অবস্থায় মরে যাই এটা সম্মানজনক মৃত যদি আমি কোন পাপে ছিলাম না কিন্তু সম্মানজনক মৃত্যু না ভয় পেয়েছি কিন্তু কালকের ভূমিকম্পে দুইদিন আগের ভূমিকম্পে ভয় লাগেনি আলহামদুলিল্লাহ মনে একটা প্রশান্তি যদি আজকে এখন মরে যাই আমি আল্লাহর কাছে বলতে পারব আল্লাহ এইমাত্র আমরা নামাজের মধ্যে বসা আল্লাহ কিতা কিন্তু আপনি আর আমি যখন খেলতাম সারা মাঠে থাকি ভূমিকম্পটা যদি তখন আসে আপনি বলেন তো কেয়ামতের
মাঠে আপনি গিয়ে আল্লাহর কাছে কি কি বলবেন আপনি কোন অবস্থায় ছিলেন আমাদের প্রত্যেকটা মুসলিমকে চিন্তাশীল হতে হবে আমাদের অন্তর থেকে পরকালের ভয় আল্লাহর কাছে দাঁড়ানো বিচার এগুলা সব আমাদের অন্তর থেকে কাফের হয়ে গেছে আপনি কি জানেন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কোরআনে এই কথাটাই বলেছেন যে আল্লাহর পক্ষ থেকে যখন কোন গুরুত্বপূর্ণ আদেশ আসে ওই আদেশ দেশটা মানুষ কখন গ্রহণ করতে পারে না যখন তারা লিপ্ত থাকে এটা আল্লাহ বাচ্চাদের সাথে তুলনা করেছে একটা বাচ্চা ও যখন খেলতামশায় থাকবে না ওকে যত গুরুত্বপূর্ণ কাজ দেন কথা বলেন ওর মাথায় ঢুকবে না কারণ ও এখন খেলতামশায় লিপ্ত আর যখন ওর মাথা থেকে খেলতাম সার চিন্তা সরে যাবে তখন দেখবেন ওর মনে পড়ে যে আমি তো পড়া রেডি করিনি আমাকে এগুলো পিটাবে আমি তো এই অপরাধটা করে ফেলেছি এখন তো আমাকে মার খাইতে হবে তখন দেখবেন ও কান্না করে কিন্তু খেলতাম সার সময় ওর এই অনুভূতিটাই হয় নাই এটা আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন আল্লাহ
বলেছেন তাদের হিসাব বিকাশের সময় অত্যন্ত নিকটে চলে আসছে আর তারা এখন খেলতাম লিপ্ত এজন আপনি মনে রাখেন খেলতাম যখন কেউ লিপ্ত থাকে কারণ ওই অবস্থাটাই এমন তৈরি হয়ে যায় তখন মানুষের অন্তরে আর কোন ভয় থাকে না মরে যাবে ভয়টা থাকে না এজন্য যত বেশি পারেন এই খেলতামশা থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেন এতে মজা আছে আনন্দ আছে কিন্তু আনন্দটা ক্ষণিকের কারণ এটা জীবনের শেষ দিন হলে শেষ মুহূর্ত হলে নাজাতের কিন্তু আর কোন উপায় থাকবে না আল্লাহর কাছে আমরা দোয়া করি আল্লাহ তুমি আমাদের মুসলিম ভাইদেরকে হেফাজত কর >> আমাদের যুবকদের ঈমানকে আল্লাহ তুমি হেফাজত কর >> তারা বোঝে না আল্লাহ আমরা মুসা আলাইহি সালামের মত দোয়া করতে হবে আল্লাহ তুমি কি আমাদের নির্বুদ্ধের কারণে আল্লাহ আমাদেরকে হালাক করে দিবা মুসা এটা বলেছে আল্লাহ তুমি আমার নির অজ্ঞদের কারণে আল্লাহ তুমি আমাকেও হলাক করে দিবা তার মানে আমাদের প্রত্যেকটা মুসলিম পিতা-মাতাকে আমাদেরকে বলতে হবে আল্লাহ আমাদের সমাজের
চারপাশে যা হচ্ছে এর জন্য আল্লাহ তুমি আমাদেরকে হালা করে দিও আল্লাহ আমাদেরকে ঈমানের সাথে বাঁচিয়ে রাখুন >> আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা আমাদের জীবনের শেষ মৃত্যুটা যেন ইসলাম এবং হকের উপরে রাখেন আমিন ইয়া রাব্বুল আলামিন >> তো এই ইওমে আশুরা এটা হচ্ছে মহান একটা দিন তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি তার সুন্নাহ দিয়ে এই দিন দিনটা প্রতিষ্ঠিত আমাদের কাছে করে গেছেন। আর এটাই হলো মূলত মহাররমের আমল। এছাড়া আর কোন আমল নাই। কিন্তু বিগত দিনগুলোতে আমি আরো আমাদের বড়দেরকে উল্লেখ করে বলি তারা হয়তো জানেন। বর্তমান জেনারেশন সেটা ভুলে গেছে। আলহামদুলিল্লাহ। সেটা হচ্ছে আমাদের সমাজে আমরা দেখেছি এই মহররমের দিনকে কেন্দ্র করে তারা এক সপ্তাহ আগে থেকেই বৃষ্টির মধ্যে ভিজে চাল কালেশন করতো।
এবং কত শিরকি বাক্য ব্যবহার করত। কুরবানির গোশতকে সংরক্ষণ করে রেখে দিত। কেন? মহররমের দিনের খিচুড়ি পাক করার জন্য। আমি অনেকের বাসায় এই পানির ট্যাংক রেখে দেখতে দেখেছি। মানে মহররমের দিন পানি খাওয়ায়, মহরমের দিন শরবত খাওয়ায়। এগুলো মূলত মহাররমের কোন আমল না। এগুলো আমাদের সমাজ থেকে হয়তো উঠে গেছে। তবে আবার পরিস্থিতি যা দেখতেছি এই জ্ঞান যখন হারিয়ে যাবে আমাদের সন্তানগুলো আবার শিয়াদের মত। এ কাজেই লিপ্ত হবে। যখন দেখবে মজা ভালো লাগে তো? দেখতে ভালো লাগে না। যুবক-যুবতী রাস্তার মধ্যে দাঁড়াইয়া সবাইকে পানি পান করাবে।
দেখতেও মজা লাগে ওদের করতেও মজা লাগবে এটাকে ভালো মনে করবে এই দিন আবার ফিরে আসতে পারে যে খেলতাম মাঝখান দিয়ে কিন্তু এতটা বেশি মাথাচাড়া দিয়ে উঠে নাই আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতেছে তার মানে দিনের পরিবর্তনে মানুষ ওই তামসা দিকে ফিরে যায় এটাই হচ্ছে মানুষের সবচাইতে বড় ঘাটতি সবচাইতে বড় ত্রুটি যে তারা তাদের জ্ঞান হারিয়ে ফেলে এজন্য আমাদের সন্তানদের মাঝেও এগুলো ফিরে আসতে পারে তবে জেনে নেন শরবত পান করানো পানি পান করানো মহরমের দিনের খিচুড়ি বিতরণ করা এগুলোর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নাই। এগুলোরা এগুলোকে বাস্তবায়ন বা এগুলোকে টিকিয়ে রেখেছে শিয়া প্রেমী যারা তারা যাদের মাধ্যমে কারবালার চেতনা রয়েছে তাদের মধ্যে ওই মহাররমের চেতনা নাই।
তারা মহাররম বলতে কারবালাকে বুঝায়। আসুন এর সাথে ইসলামের কি সম্পর্ক আছে সেটা একটু বলে দেই। এই যে মুহাররমের দিনের সাথে একটা ঘটনা ঘটে গেছে কারবালাতে। আহলে বায়াতের সম্মানিত ব্যক্তিদেরকে শহীদ করা হয়েছে। কারা করেছে জেনে নেন। এটা ইরানের এশিয়ারাই করেছে। এটা মাথায় রেখেন। যারা এশিয়া প্রেমী ইরান পন্থী আপনি জেনে রাখেন আপনার সবচাইতে পছন্দনীয় ব্যক্তিকে। যারা হত্যা করেছে তারা অধিকাংশ শিয়া ছিল। তারা হত্যা করেছে হাসানকে। তারা হত্যা করেছে হোসাইন রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুমাকে। তারাই হত্যা করেছে তার পিতাকে। তারাই হত্যা করেছে ওসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে। এগুলা সব শিয়া খারেজ অন্তর্ভুক্ত ছিল। আর আপনি বোঝেন না বিধায় আজকে আপনি ইরানপন্থী হয়ে গেছেন।
তো কথা হচ্ছে যে এই যে রোদ করা ধরে নেন আপনি কারবালাতে হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং তার পরিবারকে এইভাবে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু এই দিনকে কেন্দ্র করে সুখ পালন করার কথা ইসলামে কোথায় আছে? তার আগে তার থেকে শ্রেষ্ঠ তার পিতা আলী রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই দিনের শোখ কোথায়? তার আগে তার থেকে সম্মানিত ব্যক্তি ওসমানকে হত্যা করা হয়েছে। আপনি জানেন সেই দিনটা কবে? সেই দিনের সক্ষ্য থাকে। তার আগে তার থেকে সম্মানিত ব্যক্তি ওমর রাদিয়াল্লাহুকে হত্যা করা হয়েছে তাও আপনার নবীর জায়গায় মসজিদে নববী যেখানে রাসূ সাল্লা দাড়িয়ে সালাত পড়ত মেহরাবের মধ্যে নামাজরত অবস্থায় ওমর রাদিয়াল্লাহুকে হত্যা করা হয়েছে।
আপনি কি জানেন সেই দিনটা কবে? সেদিনের সুখ কোথায়? তার মানে কারা পালন করে এই কারবালার শোখ এটা আপনাকে জানতে হবে এটা মুসলিমদের কোন আমল না এটা শিয়াদের আমল এই কারবালার শোকের ক্ষেত্রে এমনকি যে কোন শোকের ক্ষেত্রে ইসলামের একটা মূলনীতি আছে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যেই ব্যক্তি গালচাপ বুক চাপটায় তারা আমার অন্তর্ভুক্ত না রাস ইঙ্গিত দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গেছেন মুসলিম জাতিকে কারা উম্মতে মুসলিমা আমার উম্মার অন্তর্ভুক্ত তোরা চিনে রাখ যারা দেখবা কোন কারণে রোদন করে আর বুকচাপটায় জামা কাপড় ছিড়ে ফেলে জামা কাপড় টেনে ছিড়ে ফেলে আর যারা জাহেলিয়াতের মতন ডাক থাকে তারা আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত না তার মানে নিজের সন্তান ভাই কেউ যদি মরে যায় আপনি মহিলাদের দৃশ্য দেখবেন ধরেন তার আপন সন্তান বা প্রিয় ভাইকে রাস্তায় কুপিয়ে মেরে ফেলেছে ঝগড়াতে অনেক ঘটনা ঘটনা পিটিয়ে মেরেছে সেই মহিলা দেখবেন যে কি করে তার ভাইয়ের লাশের সাথে এসে বিলাপ করবে আর ওই গুনগানগুলো বলতে থাকে গালাগালি
করতে থাকে নিজের ওনা ফেলে দেয় জামা কাপড় ছিড়ে ফেলে থাকে ১০ জন ধরে রাখতে পারে না সে গলাগুলি খায় রাস্তায় এটা কাদের চরিত্র রাসূল বলেছেন এটা জাহেলিয়াতের চরিত্র এটা মূর্খ এটা কোন মুসলিম মহিলা পড়তে পারে না তার জীবনের সবচাইতে কলিজার টুকরা যদি সে নিয়ে নেয় আল্লাহ সুবহানাহুতালা যদি নিয়ে নেয় কোন মুসলিম কোনদিন রাস্তার মধ্যে বসে তার জামা কাপড় খুলে ফেলে দিয়ে এইভাবে চিৎকার করতে পারে না বরং কি করা উচিত স্পষ্ট হাদিসে আছে রাস সাল্লালাহু সলাম বলেছেন যখন কোন মুসলিম ব্যক্তির সন্তান মারা যায় আর সে যদি ধৈর্য ধারণকারী ব্যক্তি হয় সে যদি আলহামদুলিল্লাহ মনে বলতে পারে তাহলে আল্লাহ সুবহানাহুতাালার পক্ষ থেকে বলা হয় ফেরেশতাদেরকে আমার বান্দার কি অবস্থা তারপর তোমরা নিয়ে আসব বলছে আল্লাহ এমনটাই নিয়ম তখন বলতেছে আমার বান্দা কি করেছে? বলছে আপনার প্রশংসা করেছে।
বলছে তার জন্যে জান্নাতে একটা ঘর বানিয়ে রাখো যার নামকরণ করে দাও বাইতুল হামদ। এটা হচ্ছে প্রশংসার ঘর। তার মানে নিজের কষ্টের জিনিসটা হারিয়ে যায়। ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে বাইতুল হামদ নামের একটা ঘরের ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু রোদন করে আপনি কি পাবেন? নিজের নাম আরো কেটে যাবে। উম্মতে মুসলিম। তাহলে এই যে হাদিসটা ইমাম মুসলিম কোট করেছেন ১৮৬ এবং বুখারীতে হাদিসটি ১২৯৪ তে রয়েছে। আপনি দেখেন তো দেখি এই শিয়ারা কি হাদিস মানে কিনা। আপনি দেখেন মিলিয়ে দেখেন তারা কি করে। তারাই সবচাইতে বেশি কারবালার দিন আসলে নিজের গায়ের মধ্যে চাক্কু মারে কথিত চাক্কু। তারপরে যে চেন দিয়ে বাইরে পাকিস্তানের শিয়ারা বা অন্যান্য দেশের শিয়ারাগুলো আরো শিথিল তারা শুধু খাব।
বাস এতটাই এইযে বুকে আঘাত করা। করা জামাকাপড় ছিড়ে ফেলা রাস স্পষ্ট হাদিসের খেলাফ তারপর আপনার কাছে কিভাবে তারা হক মনে তাদের শাস্তি সম্পর্কে আরেকটা হাদিস নিয়ে রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু বলেছেন আমার উম্মতের মাঝে চারটা জাহেলিয়াতের লোক পাওয়া যাবে স্বভাবের লোক তার একটা হল তারা সেটাকে ছাড়বে না তারেকটা হচ্ছে হচ্ছে নহা করা সাথে চিৎকার করা যেটা জাহিয়া রাস বলেছেন রদ করাটা হল জাহিলিয়াতের স্বভাব যারা করেছেন ইতিপূর্বে তারা যদি তওবা না করে মরে যায় তাদের অবস্থাটা কি হবে যদি সে মৃত্যুর আগে এই মহিলা তওবা না করে মরে ব্যক্তি মহিলা হাশরের মাঠে উঠবে একটা আলকাত পরিহিত জামানি তার গায়ে একটা আলকত জামান নিয়ে তাকে উঠানো হবে এবং তার গায়েলা আগুনের একটা লেলিহান একটা বর্ম আলকত পোশাকের উপরে চাপিয়ে দেয়া ভিতরে আলকাত আর উপরে হচ্ছেটা আগুনের লোহার বর্ম তার গায়ে পড়িয়ে দে হবে আর তার শরীর চুল খাবে সে ছটফট করবে কেন কারণ এই ছটফট সে দুনিয়াতে করেছিল মনে আছে যে
জামা কাপড় ছিড়ে ফেলা মৃগি বেরামগের মত কেউ তাকে ধরে রাখতে পারে নাই এজন আল্লাহও কিয়ামতের মাঠে এটাকে বাস্তব এজন এই বর্ণনাগুলো যখন আসে একটা কথা আমার মনে পড়ে বারবার সেটা হচ্ছে কি জানেন দেখেন দুনিয়ার সাথে পরকালের প্রত্যেকটা বিষয়ের সম্পর্ক আছে সেজদার সাথে ঈমানের সম্পর্ক আছে এখানে নামাজে ধীরস্থির সাথে দাঁড়িয়ে থাকার সাথে হাশরের মাঠে দাঁড়ানোর সম্পর্ক আছে সিরাতাল মুস্তাকিম সঠিক পথের উপরে চলার সাথে পুলসিরাতের সম্পর্ক আছে। এগুলোকে প্রত্যেকটাকে আপনি গুরুত্বের সাথে নিয়েন। এগুলোকে আপনি হেলায় নিয়েন না। ওজুর সাথে আলোর সম্পর্ক আছে। নামাজের সাথে নূরের সম্পর্ক আছে। আর আল্লাহ সুবহানাহুতালা প্রত্যেকটার এগেনেস্টে হাশরের মাঠে ব্যবস্থা রেখেছেন। মানে সেখানে হবে অন্ধকার।
প্রত্যেকের আলো লাগবে। আল্লাহ বলছে আলো কি? নামাজ। এজন্য এগুলোকে আপনি ছেড়ে যাবেন। সেখানে গেলে এগুলা মিসিং পাবেন। এগুলোকে গুরুত্বের সাথে নিতে হবে। যেমন এই যে বলা হয়েছে যেই ব্যক্তি যেমন আচরণ করবে তাকে হাশরের মাঠে এইভাবে তাকে উঠানো হবে। যারা আত্মহত্যা করে পড়ে যায় তাকে বলা হয়েছে না শাস্তির ওভাবে দেওয়া হবে। এজন্য প্রত্যেকটা মুসলিমের উচিত ইসলামের এই বিধানগুলোকে মূল্যায়ন করা। এগুলো থেকে নিজেকে মুখ ফেরানো মোটে উচিত নয়। তো এই হাদিসটা ইমাম মুসলিম কোট করেছেন। যেটা ২০৪৯ এ পেয়ে যাবেন। ইবনে মাজাতে ১৫৮১ তে রয়েছে।
তো তার মানে বোঝা যাচ্ছে যে ইসলামে মৃত ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে বাৎসরিক যে অনুষ্ঠান করা হয় শোখ পালন করতে হবে ইসলামে এগুলো জায়েজ নাই অতএব এই ১০ই মহররমের দিনের সাথে কারবালার এই এই কর্মের কোন সম্পর্ক নাই কারবালার সম্পর্ক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের পরিবারের সাথে হয়েছে বটে কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি তার জীবনদশায় তার আরো তিনটা কন্যা সন্তান মারা গিয়েছিল তার আরো দুইটা বা তিনটা ছেলে সন্তান মারা গিয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি তাদের সুখের কারণে বছরে কোন কিছু উদযাপন করতেন তাহলে হাসান হোসাইন রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুমার সুখেও আমরা কিছু না কিছু করতাম। কিন্তু রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তার জীবনদশায় করে যাননি।
এটাই প্রমাণ করে যে মৃত ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে বছরের কোন উদযাপন স্মরণ করা এগুলো ইসলামের বৈধতা রাখা হয়নি। যেমনটা বলেছিলাম যে যদি করতেই হয় তাহলে তার পিতা আলী রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুর দিন ওসমান রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুর দিন ওমর রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুর দিন কেন আপনারা সেটা করেন না যেহেতু কথা এ পর্যন্ত আসছে বলে দেই ওমর রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুকে শহীদ করা হয়েছিল জিলহজ মাসে চিন্তা করা যায় হারাম মাসের একটা জিলহজ মাস ওসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিলহজ মাসে হত্যা করা হয়েছে এটাও ২শে জিলহ ওমর রাদিয়াল্লাহু হচ্ছে ইন্তেকাল করেছিলেন ২৭শে জিলহাজ্ ২৪শে জিলহজ তাকে ফজরের নামাজে আঘাত করা হয়। ২৭শে জিলহাজ তার ইন্তেকাল হয়েছে।
আলী রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুকে একটা মতে ২০ তারিখ একটা মতে ২১ তারিখ রমজান মাসে তাকে হত্যা করা হয়েছে। চিন্তা করা যায় তার ভাই তার ছেলে হাসান মানে হোসাইন রাদি ভাই হাসান রাদিয়াল্লাহু তালাকে বিষ পান করা হয়েছিল সেটা ২৮শে সফর। মৃত্যু তার সম্ভবত দুই রবিউল আউয়াল। তাহলে এই দিনগুলোর কোথায়? আপনার সুখ কোথায়? এজন্য শিয়াদের খপ্পরে পড়বেন না। ধর্ম মোতাবেক চলার চেষ্টা করেন। এই ১০ই মহররমের সাথে আবারও বলি শরবত খাওয়ানো, খিচুড়ি পান করানো বা এই ধরনের কোন আমলের কোন সম্পর্ক নাই। সম্পর্ক একটাই সেটা হচ্ছে সিয়াম পালন করা। কেন আমরা আশুরার দিনের সিয়াম পালন করি? এটা একটু জেনে নেন।
এটা জানা থাকাটা জরুরি। এবং এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে। যদি সময় অনেকটা পাস হয়ে চলে যাচ্ছে। আশুরার দিনের সিয়াম মূলত হচ্ছে শুকরিয়া আদায় করার সিয়াম। এটা মনে রাইখেন এটা সুখের সিয়াম না। আশুর সিয়াম হচ্ছে শুকরিয়া আদায় করার সিয়াম। এটা আসছে আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে। এটা আসছে আমাদের নবী মুসা আলাইহিস সালামের বিজয়ের মাধ্যমে। মুসা আলাইহিস সালামকে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা এই যে আজকের দিন এটা একটা বিস্ময়কর ঘটনা। আমাদের বাংলাদেশেও কিছুদিন আগে ঘটে গেল।
নেপালে ঘটেছে প্রত্যেক রাষ্ট্রে এরকম কোন না কোন ঘটনা ঘটে মানে একটা শাসক যখন খুব বেশি অত্যাচার জালেম হয়ে যায় সাধারণ মানুষ মনে করে যে এদের থেকে রক্ষা পাওয়ার আর কোন উপায় নেই কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা ফেরাউনের ঘটনা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীর কেয়ামত পর্যন্ত এটা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত সহজ আল্লাহ একা একজনকে এক সময় যেভাবে মারতে পারে আল্লাহ চাইলে পুরা পৃথিবীটাকে ওই এক সময় একসাথে ধ্বংস করে দিতে পারে একটা টিমকে কে আল্লাহ ফেরাউন এত বড় জালেম ছিল মুসা আলাইহিস সালাম কোনদিন কল্পনাও করতে পারে নাই যে আল্লাহ এই কোরআন করে রেখেছে যে একই মুহূর্তে পুরা সাম্রাজ্যটাকে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা হালাক করে দেবে এটা মুসা আলাইহি সালামের কল্পনা তো কোনদিন ছিল না কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা কত সূক্ষভাবে এটা করেছে চিন্তা করা যায় ফেরাউনের মাথায় কি ঢুকেছে যে আমার পুরা সাম্রাজ্য সহ একবারে আমাকে চান্সে মেরে ফেলা হলো আমাদের দেশের রাষ্ট্রগুলো তারা জালেম ছিল না কি ছিল সবাই জানে কিন্তু আমাদের মাথায় আসে নাই যে এইভাবেও কোন বিপ্লব ঘটতে পারে।
একটা পুরা পুরা টিম পুরা টিম উধা হয়ে যেতে পারে একদিনের মধ্যে। তাতে নাম বন্ধ পর্যন্ত মিটে যাবে। বাড়িঘর গুলা পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হবে। তাহলে পরবর্তীতে যারা ক্ষমতায় আসবে আল্লাহ হয়তো তাকে ফেরানোর মত পানিতে ডুবাবে। নূহ আলাইহিস সালামের মত হয়তো বন্যা দেবে না বা বিগত ক্ষমতাধর দলের মত করে হয়তো এইভাবে হয়তো আল্লাহ হালাপ করবে না আল্লাহ ভিন্নভাবে করতে পারে যেটা আমি আর আপনি এখন পর্যন্ত টের পাচ্ছি না এজন্য যারাই রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবেন নেতা হবেন আপনি মনে রাখতে হবে জালেমকে আল্লাহ কোন না কোনভাবে ধরবেই এটাই চূড়ান্ত এটাই প্রতিষ্ঠিত অতএব জুলুম করা থেকে যতটুকু পারেন বেঁচে থাকার চেষ্টা করে এটা মিম্বর থেকে আমাদের দাওয়াত থাকবে আমাদের নেতাদের প্রতি অন্তত নিজেকে জুলুম করা থেকে বাচিয়ে রাখেন আল্লাহ কিন্তু এটা দেখিয়ে দিয়েছেন আল্লাহ প্রত্যেক জালেমের জন্য একটা নির্দিষ্ট টাইম ফিক্স করে রেখেছেন সেটা আসলে তাকে দুনিয়াতে ধরা হবে এবং পরকালেও তাকে ধরা হবে এই মুসা আলাইহি সালামের ঘটনাতে যেটা ঘটেছিল
এই মহারমের দিন মুসা আলাইহিস সালামের মাধ্যমে আল্লাহ ফেরাউনকে এক করে নয়টা মজে দেখছেন যেটা আল্লাহ নাম্বার সূরার আপনি সম্ভবত ১০০র পরে গিয়ে পাবেন যে আমি মূসা আলাইহিস সালামের কাছে বা মাধ্যমে ফেরাউনের কাছে নয়টা নিদর্শন পেশ করেছিলাম আপনি জিজ্ঞেস করেন ইসরাইলদেরকে যখন এগ আসছে তখন এই ফেরাউন কি বলেছিল ফেরাউন বলেছিল মুসা এগ সব জাদু এভাবে বলেছিল আমার মনে হয় তুমি জাদু দেখাচ্ছ তখন আল্লাহ সুবহানাহুতালা যখন মুসা আলাইহিস সালামকে কায়েম রাখলেন এবং ফেরাউন তখন কি উদ্যত নিয়েছিল সে আয়াতটাই শুধু আমি উল্লেখ করে এখানে বলেছেন চেয়েছিল মুসা আলাইহিস সালামকে এবং তার অনুসারীদেরকে এই জমিনে রাখবে না আজকে একটা এই ঘটনাটা কোরনের বহু সূরাতে আসছে কিন্তু আমি এই আয়াতটা কেন আপনার কাছে নিয়ে আসলাম যখনই ইসলামের কথা বলা হয় যা হক পথে আছে দেখবেন তাদেরকে হুমকি ধামকি দিলে এই কথাটাই বলা হয় এরা বাংলাদেশ ছেড়ে যায় না কেন যেমন গতকালকে আমি ওই যে আমাদের শেখ আবু বকর মোহাম্মদ জাকারিয়া
হাফেজ একটা ভিডিও ক্লিপ দেখতে পাচ্ছিলাম তিনি সেকুলারিজম নিয়ে একটা বক্তব্য পয়েন্ট দিচ্ছে হঠাৎ করে একটা কমেন্ট নিচে আসলো বলতেছে এক লোকে বলতেছে যে এই লোকটাকে বলেন এই দেশ ছেড়ে দিয়ে এমন দেশে চলে যাক যেখানে সেকুলারিজম নাই তার মানে আমি তখন মনে পড়লো আসলে যেই কোন জাতির এটা একটা স্বভাব যে সেই শুধু এখানে টিকে থাকতে চায় তার এগেনেস্ট পার্টিকে চায় না যে সেই জমিনে টিকে থাকুক। কিছু হইলে একদল কাউকে ইন্ডিয়া পাঠায় দেয়। কিছু হলে একদল আরেকদলকে পাকিস্তান পাঠায়ে দেয়। আমরা কিছু বললে আমাদেরকে সৌদি আরব পাঠায় দেয়। আর ইরানপন্থী যারা মানে আমরা কিছু বললে এরা এরা সৌদি আরবের গোলাম।
সৌদি আরব যায় না কেন? বোঝেন না? মানে কিছু থেকে কিছু হলেই মানুষকে নিজের মাতৃভূমি নিজের এই জমিন ছাড়া করার একটা প্রবণতা ছিল। যেই কারণে নবীদেরকে তাদের জমিন ছাড়তে হয়েছিল। মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলামকে পর্যন্ত তার জমিন ছাড়তে তারা বাধ্য করেছে এই ফেরাউন সম্পর্কে বলা হয়েছিল চেয়েছিল মুসাকে এবং তার পুরা টিমকে জমিনে ঠাই দিবে না কিন্তু আল্লাহ সুহতালা কি করেছেন সুবহানাল্লাহ বলেছেন আমি তাকে এবং তার সাথে যত কেউ ছিল প্রত্যেকটাকে আমি ডুবিয়ে মেরে দিলাম চেয়েছি মুসা আলাইহি সালামকে জমিনে রাখবে না। আল্লাহ বলছে তোকে আমি জমিনে রাখব। আল্লাহ সুবহানাতালা ফেরাউনকে সহ তার পুরা টিমকে এই পানির মধ্যে ডুবিয়ে দিলেন।
আর সেই দিনটা কোন দিন ছিল? এই ১০ই মহরমের দিন ছিল। আল্লাহ সুবহানাহুতালা এক্সাম্পলে সবচাইতে বেশি উদাহরণ টেনে নিয়েছেন মুসা আলাইহি সালাম এবং ফেরাউনের ঘটনাকে। আর এই দিনটা ছিল এই ১০ মহররমের দিন। আর আপনি জানেন না একটা জাতি যখন কোন জুলুম থেকে মুক্তি পায়, যেই দিন মুক্তি পায় এই দিনটা তার কতটা স্মরণীয় হয়ে থাকার কথা। কিভাবে তাকে স্মরণীয় হয়ে থাকে? যে মুসা আলাইহিস সালাম তার যতদিন বেঁচে ছিলেন তিনি ১০ই মহরমের দিন সিয়াম পালন করতেন। এবং তার অনুসারী যারা তারাও সিয়াম পালন করতো।
কিন্তু পরবর্তীতে পরবর্তীতে তাদের অনুসারীদের মধ্যে এই ভ্রান্ত যখন ইহুদিদের জন্ম নিল তখন তারা এই দিনে কেউ কেউ সিয়াম পালন করতে কিন্তু কেউ কেউ এটাকে ঈদের দিন হিসেবে ঘোষণা করে নিয়েছে এই ১০ই মহররমের দিন ইহুদিদের কাছে এটা ঈদের দিন জানেন কারণ বিজয়ের দিন এটা হচ্ছে মানুষের স্বভাব এই দুইটা পয়েন্টকে মনে রাইখেন আজকে যারা এখানে আসছেন আমাদের কিছু কথা হয়তো আপনি গুরুত্বের সাথে নেন না কিন্তু আমি যেটা বুঝাতে চেয়েছি দেখেন মুসলিমদের স্বভাব হল বিজয়ের জন্য শুকরিয়া আদায় আর আম পাবলিকের নেচার হল তারা খুশিতে উৎফুল্য করে নাচানাচি গানবাজনা করে কিন্তু মুসলিমদের স্বভাব হলো না মুসলিমরা যদি কোন সুখ স্বাচ্ছন্দ পায় নিরাপত্তা পায় বিজয়ী হয় তাহলে তারা এর জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবে আর শুকরিয়াটা কি সিয়াম পালন করা শুকরিয়া আদায় হল দুই রাকাত সালাত আদায় করা একটা সেজদা করা অন্ততপক্ষ এটা হচ্ছে শুকরিয়া আদায় করার মুসলিমদের থিওরি কিন্তু মুসলিমরা যদি পয়সাওয়ালা হয় সন্তানের মালিক হয়ে গেছে এটা বিজনেসের
লাভবান হয়েছে সে তখন পার্টি দেয় পার্টিটা মুসলিমদের ন্যাচার হয়ে গেছে এটা মোটেও হওয়া উচিত আল্লাহ এটা পছন্দ করে না আল্লাহ চায় আমি যদি কাউকে উৎফুল দেই তাহলে সে শুকর বান্দা করেছিলেন আর দলিল যে মুসা আলাইহি সালাম শুকরিয়া এইদিনের রেখেছিলেন আর আমাদের নবী মহাম্মাদুর রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম তার চার দেখেন তিনি বলছেন আমার ভাই মুসার বিজয় তিনি যে সিয়াম পালন করেছেন আমরা বেশি হক আমরা তাদের চাইতে বেশি হক রাখি মুসলিমদেরকে সিয়াম পালন করার মাধ্যমে শুকরিয়া আদায়টাকে বেছে নিয়েছেন এই দিনটা উৎফুলতার দিন নয় এটাই হচ্ছে আশুরার সিয়ামের মূল তাৎপর্য যে আল্লাহ সুবহানাহুতালা এই দিনে পৃথিবীর অনেক বড় একটা সাম্রাজ্য স্বৈরাচারকে আল্লাহ সুবহানাতালা হালাক করে দিয়েছিলেন এবং হককে বিজয়ী দিয়েছিলেন।
এজন্য এটা আমাদের প্রত্যেকের শিক্ষায় নিয়ে আসা উচিত। আর এটাও আমি আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিলাম। যখন কোন কিছু নেয়ামত আপনি প্রাপ্ত হয়েছেন আপনি পার্টি উৎফুল এসব করেন না। আপনি পারলে সেই দিনটাকে আপনি সিয়াম পালন করেন। পারলে আপনি দুই রাকাত সালাত আদায় করেন। এটাই হচ্ছে হকদের কাজ। আল্লাহ আমাকে এবং আপনাদেরকে কথাগুলো বোঝার এবং সে অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন। হম আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন ওসসালাতুসসালামু আলা আশরাফিল আম্বিয়া মুহাম্মাদিন ওয়ালা আলিহ ওহ আজ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নগরভবন এত থেকে কি এটা ইমাম খতিবদের জন্য বার্তা আগামী ২৮শে জুন এত হিজর এত খ্রিস্টাব্দ তারিখে রোজ রবিবার সারাদেশে ভিটামিন এ এটা খুতবা বিষয় না এটা খুতবার বিষয় না তো এগুলো সম্পর্কে আলাদা এলার্ন করে বা জানিয়ে দেওয়া হবে এটা ভিটামিন মনে হয় খাওয়ানো হবে এ সম্পর্কে বলতে বলা হয়েছে আমি মনে করি এই ধরনের সরকারি পক্ষ থেকেও যদি দেওয়া হয় এটা মিম্বরে কোনদিন দিবেন না খুতবার সাথে কোন সম্পর্ক বরং দুনিয়াবী বিষয়গুলা এটা মসজিদে হওয়াই উচিত না।
এই যে মাইকে মাইক চালানো ঘোষণা করা হয়। ভিটামিন খাওয়ানো হবে, টিকা দেওয়া হবে, অমুক হারায়ে গেছে, গরু চুরি হয়ে গেছে। এগুলোর জন্য মসজিদের মাইক না। এটা আপনাদের হীনতা যে এগুলো মসজিদের মাইকে ব্যবহার করে। কারণ জোর যার মূল্য তার কথায় আছে না। দুনিয়াতে ক্ষমতা আছে, খাটিয়ে নিলেন। কিন্তু এগুলা কি মিম্বরে এলান করার জিনিস? এটা হচ্ছে স্বাস্থ্যসম্মত বিষয়। সেটা নগরের ঘর থাকতে পারে। ক্লাব থেকে হতে পারে এটা। এটা ক্লাব থেকে হতে পারে। মসজিদের মেম্বার থেকে না। তো যাই হোক সরকারিভাবে দিয়েছে আমরা এটার ই করতেছি না। এটা কল্যাণকর জিনিস। কিন্তু এটা মিম খুতবায় না অন্তত। জি। মামুন তার মৃত বাবা-মার জন্য ১০০০ টাকা দান করেছে।
আরেকজন মসজিদে ৫০০ টাকা দান করেছে। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা আমরা দোয়া করি তিনি যেন আমাদের এবং আমাদের মুসলিম ভাইদের সব আমলগুলাকে কবুল করেন। >> যারা এই দান করেছে আল্লাহ তাদের দানকে কবুল করো। এবং যারা তাদের পিতা-মাতার জন্য কল্যাণকর কিছু করে। আল্লাহ তুমি তার এবং তার পিতা-মাতার জন্য কল্যাণকর হিসেবে গ্রহণ করো। আল্লাহ আমাদের এই সিয়ামকে তুমি কবুল করো। আল্লাহ তুমি আমাদের মুসলিম জাতিটাকে হেফাজত করো। আমাদেরকেও আল্লাহ তুমি বিজয়ী দান করো। আমাদের বাংলাদেশকে নিয়ে মুসলিমদেরকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করে আল্লাহ তাদের এই ষড়যন্ত্র থেকে তুমি আমাদেরকে উদ্ধার করো। এবং আমাদেরকেও মুসা আলাইহিস সালামের মত এমন একটা দ্বীন দান করো যেই দিনে আমরা বুঝতে পারব যে আমরা মুসলিমরা পরাধীন থেকে মুক্ত।
আমরা আল্লাহ তোমারই গোলাম। আমরা অন্যের গোলামী করতে চাই না। অন্যের গোলামী থেকে তুমি আমাদেরকে উদ্ধার কর। আমাদেরকে একটা মুসলিম লিডার দান করো। যারা কেবল ইসলামের উপরে টিকে থাকবে এবং মুসলিমদেরকে আল্লাহর পথ দেখাবে এবং আমাদেরকে অন্যের গোলামী থেকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শেখাবে আমাদের সাথে দুর্নীতি করবে না আমাদের প্রয়োজনগুলো ভোগ করবে এবং আমাদের যে নাগরিক অধিকারগুলো আছে সেটা যার যার হককে বুঝিয়ে দিবে আল্লাহ আমাদের নেতাদেরকে হিতাহিত জ্ঞান দান করুক আমিন রাব্বুল আলামিন