সম্মানিত জুমা জামাতের উপস্থিতি সর্বাগ্রে সেই মহান রব্বুল আলামীনের শুকরিয়া আদায় করি যিনি আমাদেরকে সুস্থ শরীরে জুমার সালাতের জন্য মসজিদে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। তাই সকলেই বলি আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ। >> অতঃপর দরুদ এবং সালাম বর্ষিত হোক। সাইয়েদুল মুরসালিন খাতামুন নাবিয়্যিন রহমাতুল্লিল আলামিন নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি। সম্মানিত মুসল্লিবৃন্দ ছোট্ট একটি আয়াত তেলাওয়াত করেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীর মধ্য একটি হাদিস পেশ করেছি। এর আলোকে আজকে আমার আলোচনার বিষয় আশুরায়ে মহাররম করণীয় এবং বর্জনীয়। যেহেতু মহররম মাস শুরু হয়েছে। মহররমের ১০ তারিখ কেন্দ্রিক ইবাদতও রয়েছে। সিয়াম রয়েছে। বিধায় বিষয়টি আলোচনা করা যৌক্তিক মনে করে এ বিষয়টি বেছে নিয়েছি।
তো চলুন কোরআন সুন্নাহর আলোকের ফজিলত তাৎপর্য পারিপার্ষিক যে আরো কিছু বিষয় প্রচলিত রয়েছে সেগুলো পর্যালোচনা করার চেষ্টা করি। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের বান্দা হিসেবে আমাদের কিছু করণীয় কিছু বর্জনীয় নির্ধারণ করে দিয়েছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন। আর সেটা সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্যই তিনি নবী এবং রাসূলদেরকে নির্বাচিত করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ নবী এবং রাসূল হচ্ছেন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনিও এ বিষয়গুলো বিভিন্নভাবে আলোকপাত করেছেন, বাস্তবায়ন করেছেন, বিশ্লেষণ করেছেন সাহাবীদের মধ্যে। আরবি ১২টি মাস। আরবি ১২টি মাসের চারটি মাসকে বলা হয় সম্মানিত মাস। হারাম মাস চারটির তিনটি হচ্ছে পাশাপাশি জুলকাদা জুলহিজ্জা এবং মহাররম কয়েক মাস গ্যাপ দিয়ে রজব তো জুলকদা জুলহিজ্জা মহাররম এই তিনটি মাস পাশাপাশি হারাম বা সম্মানিত মাস জাহেলী যুগেও এই মাসগুলোতে সাধারণত যুদ্ধ বিগ্রহ হতো না।
তারাও বন্ধ রাখতেন। অনেকগুলো কারণ হতে পারে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ভালো জানেন। তার একটা কারণ হতে পারে তিন মাস যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধ থাকা। কারণ জুলহিজ্জা জিলহজ্ মাসের প্রথম দশকে ইসলামের পাঁচটি রুকুন বা স্তম্ভের একটি স্তম্ভ কেন্দ্রিক ইবাদত। জেল হজের প্রথম দশকে রয়েছে তথা হজ্। তো হজ মুসলিমরা যেন সুচারুপে সম্পাদন করতে পারে নিরাপদে। এজন্য হতে পারে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই সিস্টেমটা এভাবে রেখেছেন পরস্পর তিনটি মাস। জিলকদ মাসে মানুষ যাবে। জিলহজ্ মাসে হজ করবে। জিলহজ্ মাস থেকে ফিরে আসা শুরু করবে। পরে মুহরম মাসও লেগে যেতে পারে। হতে পারে কিছু কারণের মধ্যে এটি একটি কারণ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই তিনটি মাস পাশাপাশি হারাম বা সম্মানিত রেখেছেন যে যুদ্ধ বিগ্রহ কলহ যেন এই মাসগুলো না হয়।
যেন সহজে মানুষ কাবায় যেতে পারে। হজ করে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে। এটা একটা কারণ হতে পারে। আল্লাহু আলাম। সম্মানিত উপস্থিতি তো মহাররম মাস গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস মহাররমের সিয়াম গুরুত্বপূর্ণ একটি সিয়াম মহাররমের সিয়ামের গুরুত্বের সম্পর্কে আ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম যা বলেছেন আবদল সিয়াম বাদ রমাদান শাহরুল্লাহিল মুহাররম আল্লাহর নিকটে রমাজানের পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিয়াম হচ্ছে মহাররমের সিয়াম। সালাবাল ফরিদা সালাতুল লাইল। আর ফরজ সালাতের পরে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে সবচেয়ে প্রিয় পছন্দনীয় সালাত হচ্ছে রাতের সালাত। কেয়ামুল্লাইল বা তাহাজ্জুদ যেটাই বলি না কেন রাতের সালাত রমাজানের সিয়ামের পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিয়াম এই হাদিসে বলা হয়েছে মহাররমের সিয়াম আর ফরজ সালাতের পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সালাত রাতের সালাত সহী বুখারীর মধ্যে যে আলোচনা রয়েছে আরো একাধিক গ্রন্থ সহী মুসলিম সহ একাধিক গ্রন্থ রয়েছে মহাররমের এর সিয়াম অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ একটি সিয়াম।
তো এত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার পিছনে কারণ কি? এই সিয়াম কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? এর গুরুত্ব বোঝা যায় সহী মুসলিমের একটি হাদিসে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করে আসলেন মদিনায় হিজরত করে এসে মহাররমের ১০ তারিখে তিনি মদিনার পথে একটু হাঁটছিলেন। তো দেখলেন ইহুদিরাও সিয়াম রাখ রেখেছে এই দিনে। মূসা আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসারী হিসেবে যারা নিজেকে পরিচয় দেয়। ইহুদি ইহুদিরাও সিয়াম রেখেছে মহররমের ১০ তারিখে। তো রাসূলুল্লাহ জিজ্ঞাসা করলেন যে তোমরা কেন সিয়াম রেখেছো? ১০ই মহররম তোমরা কেন সিয়াম রেখেছো? তো ইহুদিরা জবাব দিলেন যে এই দিনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুসা আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ফেরাউন এবং ফেরাউনের কওম থেকে ফেরাউনের কবল থেকে রক্ষা করেছিলেন বাঁচিয়েছিলেন ফেরাউনকে নীল নদে বাহারে কুলজুম যেটা বলা হচ্ছে বাহারে কুলজুমে ডুবিয়ে মেরে দিয়েছিলেন ফেরাউন এবং ফেরাউনের দলবলকে আর মূসা আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য রাস্তা বের করে পার করে দিয়েছিলেন।
মুক্তি দিয়েছিলেন, নাজাত দিয়েছিলেন। এইজন্য মূসা আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাজাতের শুকরিয়ার জন্য আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি আমরা এদিন। যে তিনি মূসা আলাইহি সাল্লাম এবং তার অনুসারীদেরকে এদিনে বাঁচিয়েছিলেন প্রতাপশালী ফেরাউনের কবল থেকে। তারই শুকরিয়া স্বরূপ আমরা এদিনে সিয়াম পালন করি। তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন যে তোমাদের চেয়ে আমরা বেশি হকদার মুসা আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই শুকরিয়া আদায়ের ক্ষেত্রে। সাহাবীদেরকেও বললেন তোমরা এদিনে সিয়াম পালন করো। মুসা আলাইহি সাল্লামের নাজাতের শুকরিয়ার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সন্তুষ্টির জন্য এদিনে সিয়াম পালন করো।
ফলে আরো অনেকগুলো আহলে হাদিস রয়েছে সহি মুসলিম সহ একাধিক গ্রন্থে যে এই দিনে আল্লাহ রাসূল সাল্লাম সাহাবায়ে কেরাম সিয়াম পালন করতেন সাহাবীরাও করতেন আল্লাহ রাসূ সাল্লাম করতেন এমনকি আরেকটি সহী হাদিসে আরেকটা আলোচনা রয়েছে অপ্রাপ্ত বয়স্ক বাচ্চা যেগুলো যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি সিয়াম ফরজ হয়নি এদেরকেও সাহাবীরা উদ্বুদ্ধ করতেন বাচ্চাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতেন এই মহররমের সিয়াম পালন করার জন্য একজন সাহাবী মহিলা সাহাবী তিনি বলছেন যে আমাদের ছোট ছোট বাচ্চারাও সিয়াম পালন করতো এই মহররমের ১০ তারিখে যখন তাদের ক্ষুধা লাগতো তখন আমরা তাদেরকে খেলনা দিতাম কিছু খেলনা দিতাম তারা খেলার ছলে ক্ষুদার কথা ভুলে যেত। এইভাবে আমরা দিনটা পার করে দিতাম।
মানে বাচ্চাদেরকেও উদ্বুদ্ধ করতেন একজন মা একজন বাবা এই দিনে সিয়াম পালন করার জন্য। পরবর্তীতে যখন রমাজানের সিয়াম ফরজ হলো তখন মহাররমের সিয়ামটা কিছুটা শিথিল হয়ে গেল। রমাজানের সিয়াম ফরজের পর্যন্ত যে অনেক গুরুত্ব দেওয়া হতো কিন্তু রমাদানের সিয়ামের পরে এটা স্বাভাবিক কিছুটা হালকা হয়েছে স্বাভাবিক হয়েছে আরেকটি হাদিসে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাললাম বলেছেন যে আশুরা মুহাররমের সিয়াম আমি রেখেছি তবে তোমাদের যাদের যারা ইচ্ছুক আগ্রহী তারা রাখো যারা রাখতে না চাও বাদ দাও তবে আমি নিজে রেখেছি আল্লাহ রাসূলাম সাহাবীদের মাঝে একদিন আলোচনা পর্যায়ে খুতবা দিতে গিয়ে কথা বললেন। মানে এটা একটা নফল সিয়াম। আর সিয়ামের কারণ হল নাজাতে মুসা।
মূসা আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাজাতের জন্য ফেরাউনের কবলে কবল থেকে আল্লাহ বাঁচিয়েছিলেন তারই শুকরিয়া স্বরূপ কৃতজ্ঞতা স্বরূপ এসি। যেটা সহীহ মুসলিম সহীহ মুসলিমে বেশি আলোচনা রয়েছে। সহীহ বুখারীতে ইঙ্গিত কিছুটা রয়েছে। আরো অন্যান্য অনেক গ্রন্থে আলোচনাগুলো রয়েছে। এই সিয়াম হবে মুসা আলাইহি সাল্লামের নাজাতের শুকরিয়ার জন্য। আশুরা সিয়াম আশুরায় মুহাররম। আশার মানে ১০ আশার আশুরা দশম। মহাররমের দশম তারিখ। তো মুহাররমের দশম তারিখকে বলা হয় আশুরায় মুহাররম। মানে ১০শেই মোহাররম। তো সিয়ামটা রাখা হয় ১০ই মোহাররম। এইজন্য এই সিয়ামের নামই হয়েছে আশুরায় মুহাররম। আরাফার দিনের সিয়াম রাখার জন্য ওটার নাম হয়েছে সিয়ামু ইয়াউমে আরাফা। আরাফার দিনের সিয়াম। শাবান মাসে রাখার জন্য এটা শাবানের সিয়াম বা নফল সিয়াম।
তো যাই হোক তো এই সিয়াম চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। আরেকটি ইতিহাস এখানে উঠে উঠে আসে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশম হিজরীতে বা ১১ হিজরীতে তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। এই পৃথিবী থেকে চলে গিয়েছেন। এরপরে সাহাবীদের খেলাফতকাল ছিল খোলাফায়ে রাশেদীনের প্রায় ৪০ বছর। আসলাম ১০ হিজরী পর্যন্ত আর চার খলিফা আবু বকর ওমর, ওসমান, আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু। এই চার খলিফার খেলাফতকাল গেল আরো ৪০ বছর। মানে প্রায় ৫০ ৫১ হিজরী। এরপরে মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু খেলাফতকাল। তিনি খলিফা হিসেবে থাকলেন। এরপরে খলিফা হল ইয়াজিদ। ৬১ হিজরী।
মানে চার খলিফার বিদায় প্রায় ১০ বছর পরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার প্রায় ৫০ বছর পরে ৬১ হিজরীতে ইয়াজিদ কর্তৃক মনোনীত প্রাদেশিক গভর্নর ওবায়দুল্লাহ বিন জিয়াদ ওবায়দুল্লাহ বিন জিয়াদের মনোনীত সেনাপ্রধান সীমার তার হাতে নির্মমভাবে খুন হন শহীদ হন হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু কারবালার প্রান্তরে ৬১ হিজরীতে নিঃসন্দেহে অত্যন্ত একটি ট্রাজিডিপূর্ণ বেদনাদায়ক ইতিহাস মুসলিম ইতিহাসে নিঃসন্দেহে তো সেই ঘটনা কমবেশি সবাই জান সবাই জানেন ওজন্য ইতিহাসেও আমি আর বেশি যেতে চাচ্ছি না সফ ঘটনাটা বোঝানোর জন্য কিছুটা ইঙ্গিত দেওয়াতো ৬১ হিজরীতে নির্বমভাবে শহীদ হলেন হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু কারবালার প্রান্তরে সেখানেও নানান ধরনের মিথ্যার আশ্রয় ছিল যেমন খেলাফত কেন্দ্রিক একটা ঝামেলা ছিল মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুর পরে ইয়াজিদকে খলিফা মেনে নেওয়া আর না মেনে নেওয়া নিয়ে তো তৎকালীন সাহাবীদের মধ্যে যারা বেঁচে ছিলেন ইয়াজিদকে চারজন সাহাবী বাদ দিয়ে সকলেই কিন্তু ইয়াজিদের হাতে বায়াত নিয়েছিলেন।
এটা বাস্তব। ইতিহাস নিরপেক্ষ ইতিহাস যেগুলো রয়েছে পড়লে প্রায় পাওয়া যাবে। চারজন সাহাবী ইয়াজিদের হাতে বায়াত নেননি। বাকিরা নিয়েছিলেন যারা বেঁচে ছিলেন। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর, আব্দুল্লাহ ইবনে জুবায়র, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস, আর হুসাইন ইবনে আলী। এই চারজন ইয়াজিদের হাতে বায়াত নেননি। খলিফা হিসেবে তাকে মেনে নেননি। বাকি যারা বেঁচে ছিলেন তারা খলিফা হিসেবে এজিদকে মেনে নিয়েছিলেন। এই যে একটা রাজনৈতিক দামাডল ঝামেলা চলছিল। তখন এনারা মদিনায় এই চারজন সাহাবী মদিনায়। কারণ ইসলামের রাজধানী বা ইসলাম স্টেট পরিচালনা হতো মদিনা থেকে। প্রসঙ্গত একটা সময় এসে মদিনা থেকে ইরাকে গিয়েছিল। কুফায় গিয়েছে। শেষের দিকে এসে খোলাফায়ে রাশেদার শেষ পর্যায়ে এসে। তো মদিনায় তারা ছিলেন।
তো ঝামেলার এই একটা পর্যায়ে এসে হোসাইন রাদিয়াল্লাহু মদিনা থেকে মক্কায় চলে যান। যদিও বয়জষ্ঠ সাহাবীরা এটা বাধা দিচ্ছিলেন। না যাওয়াটাই শ্রেয় মনে করছিলেন। তোরা চলে যান মতো। তো চারজনের দুইজন পরবর্তীতে আবার তারাও এজিদের হাতে বায়াত নিয়েছিলেন। যেটা ইতিহাস বলে। তাহলে আর বাকি থাকে দুইজন। এই সময় কুফা থেকে বেশ কিছু পত্র আসতে থাকে। হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে যে আপনাকে আমরা খলিফা হিসেবে মেনে নিতে চাই। আপনি কুফায় চলে আসেন। আপনি কুফায় চলে আসেন। আপনাকে আমরা খলিফা হিসেবে মেনে নিতে চাই। তো এই বিষয়টা ক্ষতিয়ে দেখার জন্য বা কতটুকু সত্য এইটা উদ্ঘাটনের জন্য মুসলিম বিন আতিল হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর চাচাতো ভাই মুসলিম বিন আকিলকে পাঠান কুফায়।
যে কুফায় তুমি গিয়ে দেখো ঘটনা কতটুকু সত্য। তো মুসলিম বিন আকিল যখন যান তখন কুফার মানুষ তাকে আরো আগলিয়ে দেন। আরো ঘিরে ধরেন যে হোসাইন রাদিয়াল্লাহুকে ডাকেন। আমরা ইয়াজিদের হাতে বায়াত করিনি। উনার হাতে আমরা বায়াত করতে আগ্রহী। রাসূল সাল্লামের দৌহিত্র নাতি তার হাতে বায়াত করব তাকে খলিফা হিসেবে মেনে নেব আপনি ডাকেন ফলে বেশ কিছু পত্র তো আগে এসেছিল মুসলিম বিন আকিলও পত্র লিখলেন যে না সত্য তারা আপনার হাতে বায়াত করতে চান আপনি কুফায় আসেন তখন হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু বের হলেন কুফার উদ্দেশ্যে বের হন তখনও সাহাবীরা যারা বেঁচে ছিলেন কিছু সাহাবী বাধা যে না কুফায় যাওয়া আপনার জন্য উচিত হবে না।
মদিনা যতটুকু নিরাপদ মক্কা যতটুকু নিরাপদ কুফা ততটুকু নিরাপদ নয়। বিধা আপনি যাবেন না। কিন্তু যেহেতু তারা বারবার ডাকছেন চাচাতো ভাইও পত্র লিখেছেন মুসলিম বিন আকিল। এজন্য বেরিয়ে গেলেন একটা আলোচনা পাওয়া যায় বেদায়ার মধ্যে। যখন চলে যান তখন আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু চৌকস সাহাবী একেবারে ছোট থেকে যা একাধিক হাদিসে বোঝা যায় কতটা চৌকস ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু একজন বিচক্ষণ রাষ্ট্রনায়ক ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু পরবর্তী খলিফা তারপরে খলিফা কে হবেন এটা নির্ধারণের জন্য ছয় সদস্যের একটা নির্বাচনী প্যানেল খলিফা মনোনীত করার প্যানেল তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে এই চার ছয়জন বিশিষ্ট সাহাবী এই ছয়জন তারা আলোচনার সাপেক্ষে ছয় জনের মধ্যে একজনকে খলিফা বানাবে বাহিরের কেউ নাই ছয় জনের মধ্যে একজন খলিফা হবে আলোচনার সাপেক্ষে তখন বলেছিলেন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যে ছয়জনের যদি তোমরা না পারো একমত হতে না পারো তাহলে ইবনে ওমর আমার ছেলে আব্দুল্লাহর কাছে পরামর্শন নিয়ত বা তাকে খলিফা বানায় না বাবা খলিফা পরবর্তী খলিফার সম্পর্কে কিনি কি
ইঙ্গিত দিচ্ছেন একটু ভাবা দরকার আমাদের নেতৃত্বের লড়াই নিয়ে আমরা কোন পর্যায়ে আছি ডজন ডজন খুন হয় হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট হয় একটা নির্বাচন করতে কত কি হয় এটা আপনার আমার সবার জানা অথচ একজন খলিফা আরেক পরবর্তী খলিফা সম্পর্কে কি নির্দেশ নির্দেশনা দিচ্ছেন য আমার ছেলের কাছে পরামর্শ নিয় সুন্দর পরামর্শ দেয় তবে তাকে খলিফা বানাবে না তোমরা ওই ছয়জনের মধ্যে একজন খলিফাতো এইরকম বিচক্ষণ একজন সাহাবী হচ্ছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু।
তো আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে যখন বিদায় নিতে গেলেন হোসান রাদিয়াল্লাহু আনহু তখন আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু একটা দোয়া বলেছিলেন আস্তাহামিন যে হে নিহত ব্যক্তি তোমাকে আল্লাহর রাস্তায় সপে দিলাম এই দোয়াটা বলেছিলেন ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু মানে উনার একটা বিশ্লেষণ যে তোমাকে আমি আল্লাহর রাস্তায় সপে দিলাম তুমি নিহত মানে নিহত হতে যাচ্ছ তুমি তুমি শহীদ হতে বের হয়েছো তোমাকে আল্লাহর রাস্তায় সপে দিলাম তো শেষ পর্যন্ত তিনি গেলেন ওখানে কারবালা নামক প্রান্তরে উনি যাওয়ার আগেই হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু মাঝপথে থাকতেই মুসলিম ইবনে আকিলকে হত্যা করা হয় এজিদ কর্তৃক ওবায়দুউল্লাহ বিন জিয়াদ প্রাদেশিক গভর্নরের যে দায়িত্বশীলরা ছিলেন তারা মুসলিম ইবনে আকিল মানে যে দুধ পাঠিয়েছিলেন হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু এই দুধকে আগেই তারা হত্যা করেছেন।
ফলে মাঝখানের যে ঘটনাগুলো ঘটছে এই খবরগুলো হোসাইন রাদি পাননি। তার দুধকে হত্যা করা হয়েছে আগেই। এর পরের ঘটনাগুলো উনি পাননি। ফলে তিনি বের হয়েছেন যখন কারবালার প্রান্তরে গেলেন তার গতিরোধ করা হলো সীমার নেতৃত্ব দিচ্ছল তার নেতৃত্বে গতিরোধ করা হয় তখন হোসাইন রাদিয়াল্লাহু তিনটা শর্ত দিয়েছিলেন যে ঠিক আছে আমাকে এখান থেকে ছেড়ে দেওয়া হোক আমি অন্য কোন একটা এলাকায় চলে যাব মক্কায়ও যাব না মদিনাতেও যাব না বা অন্য কোথাও না একটা নিরুদ্দেশ অন্য একটা এলাকায় গিয়ে আমার পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করব। আমাকে ছেড়ে দাও। এক দুই যদি এটা তোমরা মেনে না নাও তাহলে আমাকে সুযোগ দাও। আমি আবার মদিনায় ফিরে চলে যাই।
যদি এটাও মেনে না নাও তাহলে আমরা আমাকে নিয়ে চল সরাসরি ইয়াজিদের কাছে। তার কাছেই যদি বায়াত নিতেই হয় সেটা আমরা আমি তার কাছে নিব। বা তার সাথে আলোচনার সাপেক্ষে যেটা হয়। আর সীমবারের কথা যে না ওবায়দুল্লাহ বিন জিয়াদ গভর্নরের হাতেই তাকে শপথ নিতে হবে। ইয়াজিদকে খলিফা মেরে নিয়ে। ঝামেলাটা এই জায়গায় বাধ। একটা পর্যায়ে গিয়ে শুরু হলো মারামারি বা যুদ্ধ। এক কেন্দ্রিক। যেখানে নির্মমভাবে পরিবারের সামনে নিহত হলেন হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু। সেই ঘটনা ছিল ১০ই মহররম ৬১ হিজরী। ১০ই মহররমের ঘটনা এটি।
পরবর্তীতে যখন ইয়াজিদের কাছে তথ্য গেল যেটা ইতিহাস ঐতিহাসিকগণ লিখেছেন যেমন তাফসীর ইবনে কাসীরের লেখক ইমাদউদ্দিন ইবনে কাসীর তিনি যেটা লিখেছেন বেদাহার মধ্যে তাফসীরে কুরতুবর মধ্যে যেটা পাওয়া যায় বা আরো প্রামাণ্য ঐতিহাসিক যারা মুসলিমদের যে এর জন্য অনুশোচনাও করেছিলেন অনুতপ্ত হয়েছিলেন এজিদ এবং এজিদ ওবায়দুল্লাহ বিন জিয়াদকে কিছু বকাঝকাও করেছিলেন যে তাকে খেলাফতের অধীনে বায়াত নিতে বলেছিলাম কিন্তু হত্যা করতে তো তাকে তোমাকে নির্দেশ দি তুমি হত্যা করেছ কেন তুমি বড়জ আমার কাছে দিয়ে আসতে তুমি হত্যা করেছ কেন এইরকম কিছু আলোচনা তারা তুলে ধরেছেন আল্লাহ ভালো জানেন তো যাই হোক এটাও ঘটে গেল ১০ই মহররম ৬১ হিজরীতে এইভাবে ভাবে বিষয়টা চলতেছিল।
৩৫২ হিজরীতে এসে ৩৫২ হিজরী ৬১ হিজরীর ঘটনা এটি। আর ৩৫২ হিজরী মানে প্রায় ৩০০ বছর পরে ১০ বছর কম। ৩০০ বছর পরে এসে কট্টর শিয়া নেতা মজুদ দৌলা ইরাকের। তিনি এসে করলেন কি? এটাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে তখন শিয়া প্রভাবিত ব্যক্তিরা শাসন ক্ষমতায় বেশি ছিল ইরাক কেন্দ্রিক এলাকাগুলোতে। তো সেই সময় উনি করলেন কি? এটা রাষ্ট্রীয়ভাবে মর্যাদা দিলেন। শোক দিবস। ১০ই মহররম রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক দিবসের ঘোষণা দিলেন এবং হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুকে যারা ভালোবাসেন তাদেরকে আহ্বান জানালেন শোক মিছিল করতে মেয়েদেরকে কিছু শোক প্রকাশ করতে বুক চাপড়াতে হাই হুতাস করতে এগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে কিছু সিস্টেম উনি নিয়ে আসলেন মৌজুদ দৌলাত ৩৫২ হিজরীতে ৩৫৩ হিজরীতে এসে এইটাকে কেন্দ্র করে দশের মহররমের রাষ্ট্রীয় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে একটা বড় ধরনের দ্বন্দবাদে শিয়া এবং সুন্নির মধ্যে কারণ শিয়ারা এগুলো শুরু করল রাষ্ট্রীয়ভাবে সুন্নিরা এগুলো করবে না এই নিয়ে বড় ধরনের ঝামেলা হয় অনেক মানুষ হতাহত হয় সেই সময় ৩৫৩ হিজরীতে এরপরে বিষয়টা এভাবে চলে আসছে আমাদের ভারত
উপমহাদেশের হিসাব যদি করি তো ভারত উপমহাদেশে ৭৫০ বছর মুসলিম শাসন আমলে একটা পর্যায়ে শেষ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে পোষ্টে যারা ছিলেন তারা শিয়া দ্বারা প্রভাবিত শিয়াদের দ্বারা প্রভাবিত রাষ্ট্র পরিচালকদের বড় একটা অংশ ছিল ভারত উপমহাদেশে তরমধ্যে নবাব সিরাজুদ্দৌলা শেষ নবাব বাংলার যেটা তিনি শিয়া প্রভাবিত ছিলেন বিভিন্নভাবে তার ইমামবাড়া হাজার দুয়ারিতে গেলে যারা গিয়েছেন তারা দেখেছেন হাজার দুয়ারির তার কার্যালয়ের পাশে ইমামবাড়া বিশাল বড় শিয়াদের ইমামবাড়া মানে সে আমলে তারা করেছে মানে শিয়া প্রভাবিত ছিলেন তাই স্পষ্ট বোঝা যায় ঠিক বাংলাদেশের ইতিহাসে এই আশুরায়ে মুহাররম বা কারবালার ইতিহাসকে বড় করে তুলে ধরা আছে যেগুলো তার মধ্যে একটা হলো বিষাদ সিন্ধু মীর মোশারফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু এই বিষাদসিন্ধু এটা একটা সাহিত্য এটা কিন্তু কোন ঐতিহাসিক সাহিত্য কিন্তু ইতিহাস গ্রন্থও কিন্তু এটা নয় ঐতিহাসিক একটা সাহিত্য উপন্যাস তো উপন্যাস কেন্দ্রিক তো সবাই বুঝেনি যে উপন্যাসে কিছু রসকশ না থাকলে উপন্যাসের ভ্যালু থাকে না।
সবাই জানে প্রত্যেক শিক্ষিত ব্যক্তি বুঝে যে উপন্যাসে যদি রসকস না থাকে তো উপন্যাসের ভ্যালু থাকে না। তুমি একজন উপন্যাসিক হিসাবে লেখক হিসাবে উপন্যাসের যে রসকশ দরকার সেটা দিয়েছেন সেটা এখানে দিয়েছেন। দ্বিতীয় বিষয় হল মোশারফ হোসেন। বিশাদ সিন্ধুর মানে এটা এজন্য বলছে যে বিশাদ সিন্ধু তো দীর্ঘদিন এখন আছে কিনা জানিনা দীর্ঘদিন সিলেবাসের অন্তর্ভুতভুক্ত একটা আলোচনা যেমন আমরা নিজে আমি নিজে আমি নিজে পড়াশোনা করতে গিয়ে সিলেবাসের বিষাদ সিন্ধু পড়তে হয়েছে মানে বিষাদ সিন্ধুর এই কারবালের ইতিহাস আমরা নিজেরাই পড়েছি কারবালের ইতিহাস মূল ইতিহাস পড়েছি সিলেবাসে পড়তে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হবে পড়তে গিয়ে পড়েছি পরে এসে ব্যক্তিগতভাবে পড়াশোনা করতে গিয়ে হিসাবগুলো মিলাচ্ছে।
তো যে কথা বলছিলাম তো তিনি বিষাদ সিন্ধুতে সাহিত্যিক রসকশ দিয়ে উপন্যাসের ধারা দিয়ে তিনি বিষাদ সিন্ধু লিখলেন। মীর মোশারফ হোসেনও ছিলেন শিয়া। প্রভাবিত একজন লেখক। উনার মা মোশারফ হোসেনের মা। তিনি বংশীয়ভাবে শিয়াদের ঘর থেকে আসা। মীর মোশারফ হোসেনের যেটা গৃহ শিক্ষক তিনিও ছিলেন শিয়া। একটা সন্তান শিক্ষা গ্রহণ করে বড় একটা অংশ মায়ের কাছ থেকে। দ্বিতীয়ত গৃহশিক্ষকের কাছ থেকে। ক্লাসে প্রতিষ্ঠানে যে শিক্ষা পায় না। এইজন্য তো গৃহশিক্ষক নিয়োগ করা হয়। যে প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শিক্ষা পাচ্ছে না বা শিক্ষা যে তৈরি করা সেটা পাচ্ছে না যার কারণে গৃহশিক্ষক।
তো মায়ের দিক থেকেও তিনি নানার বংশ থেকেও প্রভাব পেয়ে প্রভাবিত শিয়া মতবাদ মতাদর্শ দিয়ে ঠিক তার গৃহশিক্ষক ছিলেন শিয়া সে গৃহশিক্ষকের কাছেও শিয়া মতদর্শ দিয়ে প্রভাবিত ইনি লিখলেন বিষাদ সিন্ধু বিধায় ওই শিয়াদের ধারাগুলো ওটাকেই হাইলাইটস করেছেন বিষাদ সিন্ধুর মধ্যে যেটা আমরা বাংলাদেশের ছাত্র বড় একটা অংশ সেখান থেকে আমরা ইতিহাস জানি কারবালের ইতিহাস ফলে একটা পর্যায়ে এসে এমন একটা পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে এখন বহু কলামিস্ট বহু সাংবাদিক বহু উপস্থাপক যারা টকশোবাটি টিভি বা বিভিন্ন পর্যায়ে বা চ্যানেলে তাদের আলোচনা আপনি দশই মহররমে শুনবেন যেদশ মহররম নাজাতে মুসা মুসা আলাই সালামের নাজাত কেন্দ্রিক ওটা হারিয়ে গেছে পুরো হাইলাইট হচ্ছে আসলে কারবালার কারলার ইতিহাস মানে ১০ই মহররম মানে কারবালা ১০ই মহররম মানে কারবালা মূল ইতিহাস হারিয়েছে আপনি সামনে আগামী বৃহস্পতি এবং শুক্রবার হচ্ছে মহররমের সিয়াম ৯ তারিখ বৃহস্পতিবার ১০ তারিখ শুক্রবার তো আগামী শুক্রবারের আপনি টিভি টকশো বা বিভিন্ন পত্রিকায় কলামিস্টদের লেখক বা সাংবাদিকদের লেখন পড়বেন যদি বাস্তবতা আপনি আগামী শুক্রবার মিলিয়ে নিয়েন কয়জন নাজাতে মুসার ইতিহাসকে টেনেছেন ১০শে মহরমের সাথে সবাই টানছেন কারবালার ট্রাজে সংগত কারণে ভাগ্যের দুর্ভাগ্য নির্গম পরিহাস ভাগ্যের যে ১০ই মহররম ঘটনা ঘটেছে নিঃসন্দেহে এটা একটা ট্রাজে এটা কষ্টের এটা শোকের কিন্তুদশই মহররমের যে ইবাদত ইবাদতের সাথে কোন সম্পর্ক নেই এর কোন সম্পর্ক নেই।
কারণ শোখ দিবস বা শোখ পালন করা একটা মৃত মানুষের জন্য কতদিন শরীয়তে বৈধ? কতদিন বৈধতা আছে? সাধারণ মানুষ আম জনতা বা পরিবারের নিকটতম এদের জন্য শোখ দিবস হল তিন দিন। মারা গেছে তার জন্য শোখ হবে সর্বোচ্চ তিন দিন। স্ত্রী তার স্বামীর জন্য শখ পালন করবেন চার মাস ১০ দিন শুধু স্ত্রীর জন্য এই সুযোগটা রাখা আছে সাধারণ মানুষের জন্য নিকটতমদের জন্য না তো তিনদিন শোখ পালনের সুযোগ তিনি যেই হন না কেন শুধু স্ত্রী পালন করবে চার মাস ১০ দিন শোখ পালন করবে অন্যরা তো চার মাস ১০ দিনের পরে তার কারো জন্যই ওই ব্যক্তি কেন্দ্রিক শোখের কোন আয়োজন থাকে না।
ব্যক্তিকেন্দ্রিক শোকের কোন আয়োজন থাকে না। চার মাস ১০ দিন পরে কারোই থাকে না। সেখানে হাজার হাজার শত শত বছর শোখের শোখ হিসেবে ধরে নিয়ে এগুলো পালন করা কতটুকু যৌক্তিক। এগুলোকে কেন্দ্র করে বাবা-মা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের শোখকে আমরা জিয়ে রেখেছি। শত শত বছর ধরে যার ইসলামের ইতিহাসে কোন ভ্যালু নেই। ইসলামে যার কোন দূরতম কোন সম্পর্ক নেই শোকের কোন সুযোগই নেই সে যেই হোক তিনি মারা গেছেন তার জন্য দোয়া করেন দোয়া করতে পারেন কিন্তু আলাদা শোখ পালন করে শোখ দিবস করে আলাদা বিভিন্ন সিস্টেম দিয়ে পালন করবেন এতো কোন ভিত্তি নেই যদি শোখ পালনই করবেন তাহলে আরেকটু আগে চলেন নিঃসন্দেহে হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর শাহাদাত যতটা কষ্টের যতটা বেদনা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর শাহাদাত কোন ক্ষেত্রে তার চেয়ে কম নয়।
কারণ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত ১০ জন সাহাবীর একজন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু খোলাফায়ে রাশেদার একজন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লামের জামাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লামের চাচা তো ভাই আরো বিভিন্ন দিক রয়েছে ইসলামের একদম সূচনা থেকে যারা রাসূ সাল্লামের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ঢাল হিসাবে তার মধ্যে আলী রাদিয়াল্লাহু একজন যেদিক দিয়ে যাবেন যদি সব পালন করতেই হয় বা করার সুযোগই থাকে ইসলামে তাহলে আলী রাদিয়াল্লাহু শখ দিবস নেই কেন তার আগে যদি যান উসমান রাদিয়াল্লাহু সমান উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর শাহাদাত এর চেয়ে কোন অংশের ট্রাজেডিতে কম নয়। উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু মুসলিম বিশ্বকে ঢেলে সাজানোর ক্ষেত্রে তার অবদান অনেক বেশি। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু সময় পেয়েছিলেন একেবারে অল্প।
অল্প সময়ে গোলযোগ মিটাতে মিটাতে তার সময় পার হয়ে গেছে। ওমর রাদিয়াল্লাহু সময় পেলেন একটু বেশি। তিনি গলযোগ মিটিয়ে রাষ্ট্র ঢেলে সাজানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। আর এটাকে পূর্ণাঙ্গতা দিয়েছেন ১২ বছর ধরে তিনি হচ্ছেন উসমান রাদিয়াল্লাহু। মুসলিম বিশ্বকে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যে ছক একে এগিয়েছিলেন এই ছককে পূর্ণাঙ্গতা দিয়েছেন বলা যায় উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু। সে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু তার যে অবদান অর্থনৈতিক যে অবদান ইসলাম প্রচার এবং প্রতষ্ঠায় তা হিসাব মিলানো যায় না। সে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নির্মমভাবে তার বাড়িতে প্রাচিক টপকিয়ে ঢুকে বাড়িতে হত্যা করা হয়েছিল। তো সেটাও তো ট্রাজেডিতে কম নয়। উসমান রাদিয়াল্লাহ দিবস থাকল না কেন ইসলামে? তার আগে যদি যান ওমর রাদিয়াল্লাহু।
ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর শাহাদাত তো কোন অংশে কম নয়। নবী রাসূলদের পরে যাদের শাসনামল স্মরণীয় তিনি হচ্ছেন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু। ওমর রাদিয়াল্লাহু থেকে নিয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বে নামকরা কয়েকজন যারা শাসক বলা হয় তার মধ্যে ওমর রাদিয়াল্লাহুকে রাখা হয়। এবং বাস্তব ওমর রাদিয়াল্লাহু শাসন আমল ছিল একটা ব্যতিক্রম শাসন আমল। সে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নির্মমভাবে হত্যা করো করা হলো ফজরের সালাতে সালাতরত অবস্থায় তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তিনি শহীদ হলেন তো সেটাও তো কম কাজের নির্ণয় সেটাও তো সব দিবসেরই তারও তো সব পালন হয় না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল স্বাভাবিকভাবে তিনি মৃত্যু পালন করেছেন।
তো আমরা যে ইসলাম পালন করছি যিনি ইসলামের প্রচার প্রসার ধারক বাহক ছড়িয়েছেন তিনি মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তার তুলনা তো কারো সাথে দেওয়া যায় না। সাইদুল মুরসালিন যাকে বলা হয়েছে নবীদের সর্দার যাকে বলা হয়েছে তো তার মৃত্যুতো শোখ হিসাবে পালন হয় না। হ্যা নবী মুহাম্মদ সলামের জন্মদিবস পালন হয়। এখানেও নানান ঝামেলা আছে সেটা আলাদা পাঠ সময় শেষের দিকে ও পাঠে আমি আজকে ঢুকতেও চাই না জন্মদিবস পালন হয় কিন্তু মৃত্যু দিবস শোখ দিবস তো পালন হয় না তাহলে এত কিছু ডিঙ্গিয়ে হোসাইন রাদি শোখ দিবস পালন করতে গেল কেন পুরো একটা শিয়ার ছকে মুসলিম বিশ্ব পা রেখে দিয়েছে নিঃসন্দেহে তার শাহাদাত ট্রাজেডিপূর্ণ কিন্তু সেইটা যুগ যুগ ধরে পালনীয় বিষয় নয়।
এবং এই শোক কেন্দ্রিক যা হচ্ছে এখন বাংলাদেশেও কিছু কিছু ছিটাফোটা ঘটনা ঘটছে। যেটা কোন মুসলিম যদি নিজেকে মুসলিম মনে করেন তাহলে এগুলোর সাথে দূরতম কোন সম্পর্ক রাখার সুযোগ নেই। ১০ই মহররমে তাজিয়া মিছিল হবে। এই তাজিয়া মিছিল আর হিন্দুদের পূজা আর মাজার পূজারীদের কবর পূজার মধ্যে তফটা কোথায়? হিন্দুরা মূর্তি বানিয়ে পূজা করছে সামনে রেখে। আর মাজার পুজিররা কবরের ভিতরে লাশ রেখে দিয়ে পূজা করছে। আর শিয়া প্রেমীরা তাজিয়া কল্পিত একটা রূপ দিয়ে কবরের একটা রূপ দিয়ে সেটাকে সম্মান কুর্নিশ বা বিভিন্নভাবে শোডাউন দিচ্ছে।
তো তিনটার মধ্যে তফাতটা কোথায়? হিন্দুদের মূর্তি পূজা মাজার পূজারীদের ব্রৌলভীদের কবর পূজা আর শিয়াদের এই তাজিয়া পূজা এ তিনপত্র কোথায় আপনি সিমপ্যাথি দেখাবেন ঈমান হারিয়ে যাবে যদি এগুলোর বিষয়ে সিমপ্যাথি দেখাতে অলা এবং একটা আলোচনা রয়েছে ইসলামের ইসলাম যাদের সাথে সুসম্পর্ক রাখতে বলেছে অন্তর থেকে তাদেরকে ভালোবাসতে হবে যাদের সাথে সুসম্পর্ক রাখতে পারেনি তাদের সাথে অন্তর থেকে ভালোবাসা মানে আপনি ঈমান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ভয় আছে হ্যা সামাজিকতা রাখতে গিয়ে সৌজন্যমূলক আচরণ সে শিয়া হোক আর হিন্দু হোক আর খ্রিস্টান হোক আর ইহুদি হোক সামাজিকভাবে আপনার কাছে একটা সম্মান সে পাবে সেটা আপনি দিতে পারবেন কিন্তু অন্তর থেকে নয় তাদের উসুল নীতিওয়ালার সাথে আপনি নয় সম্মানিত উপস্থিতি যে কথা বলছিলাম আশুরায় মহররমে শিয়াদের ফাদে পা রাখা যাবে না কোন মুসলিমের কাজে মিছিলের কোন ভিত্তি নেই শোখ পালনের কোন ভিত্তি নেই বুক চাপানোর কোন ভিত্তি নেই ছুরি দিয়ে আঘাত করবেন আর হাই হুতাসে হুসাইন করবে কোন ভিত্তি নেই শরীয়তে পরবর্তীতে হোসাইন রাদি মৃত্যুর সময়গুলোর কোন ভিত্তি ছিল না এগুলো তৈরি হল ৩৫২ হিজরীর শিয়া প্রভাবিত নেতৃবৃন্দর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয়ভাবে এগুলো পরবর্তীতে চলে আসল।
সম্মানিত উপস্থিতি আপনাকে আমাকে সঠিক ইতিহাসটা জেনে সঠিকভাবে আগাতে হবে। ১০ই মহররম সিয়াম পালন করেন যদি নাজাতে মুসা হয় ইনশাআল্লাহ আপনি নেকি পাবেন। কিন্তু যেটা এটা যদি কারবালার ট্রাজেডির জন্য হয় তাহলে আপনি নেকির কিছুই পাবেন না। কারণ এটাতো মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ রেখেছেন কারবালা হল তো তার ৫০ বছর পরে তিনি কোন কারবালার জন্য রেখেছেন? তিনি কোন কারবালার জন্য রেখেছেন? আল্লাহ রাসূ মৃত্যুর তো ৫০ বছর পরে কারবালা হল তিনি তো সে সময় রেখেছেন কারবালার সাথে কারবালার ট্রাজেডি সাথে মহারমের সিয়ামের কোন সম্পর্ক নেই ওটা আলাদা এটা আলাদা কিন্তু একই দিনে ঘটে গেছে বিষয় দুইটি এই রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আশুরা আশুরার যদি কেউ একটা সিয়াম পালন করে আমি আশা করি আমি আশা করি পূর্ববর্তী এক বছরের পাপ আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন।
আর দুই বছরের যেটা সেটা আরাফার সিয়ামের সাথে সম্পর্ক। সিয়াম যদি আশুরার একটা সিয়াম কেউ রাখে তাহলে তার এক বছরের পাপ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ক্ষমা করে দিবেন। যে হাদিস সহ মুসলিমের মধ্যে রয়েছে। সহী মুসলিমের মধ্যে আরেকটি আলোচনা রয়েছে রাসূুল্লাহ সলামের কাছে এসে ইবনে আব্বাস রাদি হাদিস বর্ণনা করেছেন যখন তার কাছে এসে বলা হল রাসূের কাছে এসে বলা হল যে আমরাও সিয়াম রাখি মহরমের ১০ তারিখে ইহুদিরাও সিয়াম রাখে মহরমের ১০ তারিখে তাহলে একই হয়ে যাচ্ছে তখন ইহু এবং নাসারাদের বিপরীত কর বিপরীত কর যদি আল্লাহ আমাকে সুযোগ দেন বেঁচে থাকি তাহলে আগামী বছর আমিন নয় মহররমও সিয়াম পালন করব আমিন নয় এবং ১০ দুইটি সিয়াম পালন করব দিয়ে তাদের আলাদা তাদের সাথে আলাদা হয়ে যাব তাদের বিরোধিতা করব অবশ্য আরেকটি হাদিসে হাদিস সহ মুসলিমের নয় এবং ১০ দুইটি সিয়াম রাখব আগামী বছরে হাদিস সহ মুসলিমের বাইহাকের একটা আলোচনা রয়েছে যে হাদিসটা নিয়ে একটু সমস্যা আছে যে হাদিসের রাবিদের নিয়ে একটু আলোচনা পর্যালোচনা রয়েছে।
কেউ গ্রহণ করতে চেয়েছেন, কেউ এটাকে গ্রহণ করতে চাননি। ও হাদিসের রেওয়েতকে। তো ওইখানে বলেছেন, যদি আল্লাহ আগামী বছর আমাকে বাঁচান তাহলে ১০ই মহররমের আগের দিন কিংবাদই মহররমের পরের দিন একটা সিয়াম রেখে আমি আলাদা করে নিব। ইহুদের সাথে। ৯ ১০ কিংবা ১০ ১১ এই হল মূল আলোচনা। কিন্তু পরবর্তী মহররম আসার আগেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাম পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। পরবর্তী মহররম আসার আগে দুনিয়া থেকে চলে গেছেন। যেহেতু তিনি ওটা বলেছিলেন এবং ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন এবং বলেছিলেন ইহুদিদের সাথে আলাদা করতে বিরোধিতা করতে। ফলে সাহাবীরা প্রায় সকলেই কোন সাহাবী দ্বিমত করেনি এই জায়গায়। প্রায় সকল সাহাবী পরবর্তী বছর থেকে দুইটি করে সিয়াম পালন করেছেন।
নয় ১০ সিয়াম পালন করেছেন। এইজন্য সুন্নার অনুকূলে হচ্ছে নয় এবং ১০ দুইটি সিয়াম পালন করা। যেটা অকাট্য সহি হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। সহ মুসলিমের হাদিস দিয়ে প্রমাণিত। এজন্য আমাদের যাদের সুযোগ রয়েছে আমরা আগামী ২৫ এবং ২৬ জুন তথা আগামী বৃহস্পতি এবং শুক্রবার বৃহস্পতিবার ৯য় তারিখ মহররমের শুক্রবার মহররমের ১০ তারিখ এই মহররমেরন এবং ১০ আমরা দুইটি সিয়াম পালন করার চেষ্টা করব যাদের সুযোগ আছে ইনশাআল্লাহ কোন কারণে যদি নয় তারিখ কেউ করতে না পারি কোন কারণে সম্ভব হলো না হতেই পারে অসুস্থতা জার্নি বিভিন্ন কারণে তাহলে ১০ এর সাথে ওটা হাদিসে একটু সমস্যা আছে তারপর একটু সাপোর্ট আছে অনন্য উপায় হয়ে কিন্তু সর্বোচ্চ চেষ্টা করব নয় এবং ১০ তারিখ ইনশাআল্লাহ দুইটি সিয়াম পালন করার চেষ্টা করব একটি সিয়ামের ফজিলত এত বেশি রাসূুল্লাহ বলেছেন কেউ যদি একটি সিয়াম পালন করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি জাহান্নামের আগুন থেকে ৭০ বছর রাস্তা দূরে রাখবেন আল্লাহ তাকে বুখারী আরেকটা রয়েছে মল্লা আল্লাহ সন্তুষ্টির
জন্য যদি একটা সিয়াম পালন করে তাহলে ওই ব্যক্তি ওই ব্যক্তি আর জাহান্নামের মধ্যে আল্লাহ একটা পরীক্ষা খনন করে দিবেন একটা ক্যানেল খনন করে দিবেন যে ক্যানেলের বা পরীক্ষার খালের এই পাার থেকে ওই পাারের দূরত্ব হবে আসমান এবং জমিনের যে দূরত্ব এ দূরত্বের সমান একটা সিয়াম পালন করলে সেখানে দুইটি সিয়াম নিঃসন্দেহে ফজিলত অনেক বেশি আমরা চেষ্টা করব মহরমের দুইটি সিয়াম পালন করার জন্য >> এবং পরস্পরকে আমরা উদ্বুদ্ধ করব আত্মীয়স্বজন পাড়া প্রতিবেশী কাছের মানুষদেরকে আমরা উদ্বুদ্ধ করব এই সিয়ামটা হবে নাজাতে মুসা মুসা আলাইহি সালামের নাজাতের শুকরিয়ার নিয়তে এটা কারবালার নিয়তে নয় আল্লাহ রাব্বুল আলামন আমাদের সকলকে সঠিক বুঝ দান করুন।
>> আমিন। >> আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে ইবাদত কবুলযোগ্য ইবাদত করার তৌফিক দান করুন। >> আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে সিরাতে মুস্তাকিমের পথিক হিসেবে কবুল করেন। >> আল্লাহ রাব্বুল আলামন আমাদেরকে জান্নাতি ব্যক্তিদের তালিকায় আমাদের নামগুলো অন্তর্ভুক্ত করেন। সম্মানিত মুসল্লিম বৃন্দ আলামিন জামে মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি মনিরুজ্জামান তিনি অসুস্থ বেশ কিছুদিন থেকে অসুস্থ রয়েছেন। চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দেশের বাহিরে তার ভালো চিকিৎসার জন্য দ্রুত নিয়ে যাওয়া উচিত বলে ডাক্তার পরামর্শ দিয়েছেন। যেখানে মোটা অংকের একটা অর্থ ব্যয় হবে খরচ হবে। তো এই জায়গায় আপনাদের যার যতটুকু সাধ্য রয়েছে অংশগ্রহণ করবেন। অনেকেই দিয়েছেন শুনলাম আলহামদুলিল্লাহ। তো যাদের দেওয়ার সুযোগ আছে দিবেন। যেটা হয়েছে সেটা পর্যাপ্ত নয়।
বিধায় যার যতটুকু সুযোগ আছে তাকে সহযোগিতা করবেন। গেটের বাম পাশে তার নামে একটা বক্স রাখা আছে সেখানে দিবেন আরক পরস্পরকে উদ্বুদ্ধ করবেন আরেকজন মহিলা মুসল্লি তিনি দোয়া চেয়েছেন হাসপাতালে আপনাদের এই মসজিদের মহিলা মুসল্লি তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আজকে উনিও দোয়া চেয়েছেন তার জন্য দোয়া করবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন তাকে সেফায়ে কামেলা দান করেন ইনশাল্লাহ পাশাপাশি যারা অসুস্থ রয়েছেন আপনাদের উপস্থিতিদের মধ্যে বা পরিবার পরিজনের মধ্যে তাদের জন্য দোয়া করি