লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: শিয়াদের আকীদা বিশ্বাস

শিয়াদের আকীদা বিশ্বাস



সম্মানিত মুসলিয়ান কেরাম আমি আমার নিজেকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি আপনাদেরকে অনুরোধ করছি আল্লাহ যেন আল্লাহ আমাদেরকে মুত্তাকী বানিয়ে দেন এবং জান্নাতের অধিবাসী করেন। আল্লাহর কাছে আমরা এই দোয়া করছি। সম্মানিত মুসল্লি কেরাম আল্লাহতালা আমাদেরকে বলছেন আল্লাহর রজুকে সবাই মিলে একসাথে ধর। আল্লাহর রজু হচ্ছে কোরআনে কারীম এবং রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলামের হাদিস। এই দুইটাকে যারা আকড়ে ধরবে তারা দুনিয়া ও আখেরাতে সৌভাগ্যবানের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে। সুতরাং যদি সৌভাগ্যবান হতে চাই আমাদের প্রত্যেকেই চাই যেন আমরা সৌভাগ্যবান হই। তাহলে আমরা যেন আল্লাহর কোরআন এবং রাসূলের হাদিসের উপরে এক একমত থাকি। এর উপরে ঐক্যবদ্ধ থাকি। আল্লাহ তালা বলছে আর তোমরা বিভিন্ন মতবাদে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেও না।

                                                           

আজকের জগতে মুসলিমরা যত বিচ্ছিন্ন এর মূল কারণ হচ্ছে কোরআন এবং হাদিস থেকে দূরে সরে যাওয়া। আল্লাহর কোরআনকে নিজের মন মত করে বুঝা। রসূলের হাদিসকে অস্বীকার করা। অনেক গুষ্টিকে আপনি দেখতে পাবেন। তারা বলবে কোরআনের আমরা নতুন করে ব্যাখ্যা করবো। আরেক গুষ্টি পাবেন যারা বলবে কোরআন থেকে শরীয়া নিতে আমরা বাধ্য নই। আমরা কোরআনকে নিজের মত করে আমরা চলবো। আরেক গুষ্টি পাবেন যারা হাদিসকে অস্বীকার করে। আরেক গুষ্টি পাবেন যারা সাহাবাকে অস্বীকার করে। আরেক গুষ্টি পাবেন যারা ইমামদেরকে ইমামদের যুহুদকে তাদের প্রচেষ্টাকে ইগনোর করে। এরকম যুগে যুগে এরকম ফেতনাবাজদের তৈরি হয়েছিল। আমার মনে হয় বর্তমান সময়ে এই ফেতনা সবচেয়ে ভয়াবহ।

                                                           

মুসলিমরা তাদের দ্বীন সম্পর্কে জানে না। তবে আবেগ তাড়িত হয়ে নিজেদেরকে মুসলিম বলে দাবি করে। অনেক কাজ তারা করে যেগুলো ইসলামের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম আমি আপনাদেরকে আজ এমন একটি ফেরকা সম্পর্কে জানাবো যাদের ব্যাপারে আপনারাই যখন শুনবেন তাদের আকিদা বিশ্বাস এবং তাদের করম সম্পর্কে আপনারা তাদেরকে মুসলিম কিনা আপনারাই বিচার করবেন। আমার বলার দরকার নেই। এই মানুষগুলো কারা? যারা ১২ ইমাম শিয়া বলে পরিচিত রাফে এদের সম্পর্কে আপনাদেরকে কিছু জানাবো। আল্লাহ তালা কোনদিনই আমাদেরকে দ্বীনের মধ্যে ভাগ ভাগ হইতে নিষেধ করেছেন। অনুমোদন করেন নাই যেন ভাগ ভাগ হই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু নিষেধ করেছেন যেন ভাগ ভাগ হই।

                                                           

আমাদেরকে দ্বীন মানার ক্ষেত্রে ঐক্যবত থাকতে বলেছেন। কি কোন দিন মানবো? যে দিন মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাম নিয়ে এসেছেন সেটাই। যেই দ্বীনের উপর সাহাবায়ে কেরাম চলেছেন সেটাই। কিন্তু আপনি যতগুলি ফেরকা দেখবেন সবার কমন একটা সমস্যা হচ্ছে। তারা রসূলের হাদিসকে মানবে না। তারা সাহাবায়ে কেরামকে মানবে না। তারা কোথাও না কোথাও তারা সমস্যা তৈরি করবে। তারা চাইবে নিজেদের বিবেককে প্রাধান্য দিতে অথবা নিজেদের নেতাদেরকে প্রাধান্য দিতে। যারা এই কাজগুলি করবে তারাই বিভ্রান্ত এবং পথভ্রষ্ট হয়ে যায়। এদের মধ্যে কেউ কেউ দ্বীন থেকে বেরিয়ে যায়। কেউ কেউ দ্বীনের নাম মাত্র দ্বীনের ভিতরে থাকে। কখনো কখনো তাদেরকে আপনি নিজেও দ্বীনের ভিতরে মনে করবেন না।

                                                           

তেমনি একটি ফেরকা হচ্ছে শিয়াদের কথা। শিয়া ফেরকা। যাদের সম্পর্কে আপনাদের অনেকেই হয়তো ভাষাভাষা মনে জানেন। আজকে আমি আপনাদেরকে তাদের ব্যাপারে জানাবো। শিয়াদের নিকট ঈমান হচ্ছে। আমাদের নিকট ঈমান হচ্ছে শাহাদাতু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। ও আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ। শিয়াদের নিকট ঈমান হচ্ছে শাহাদাতু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদ রাসুলুল্লাহ। ও আন্না আলিয়ান ওলি আল্লাহ। এটা ঈমানের অংশের ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়েছে। যদি কেউ তিন নম্বরটা না মানে অর্থাৎ আলীকে আল্লাহর ওলি হিসেবে ঘোষণা না করে তাহলে সে ঈমানদার হইতে পারবে না। এটা শিয়াদের শিয়াদের তাদের মূল কালেমার ভিতরে এটা অন্তর্ভুক্ত। আপনি এইজন্য দেখবেন তাদের নেতা যুদ্ধ করার সময় বলছিল বানামে হায়দারী। অর্থাৎ আমরা কোন কাজ করতে বিসমিল্লাহ বলি।

                                                           

এরা নামে হায়দ হায়দারত আলী আলীর নামে যুদ্ধ শুরু করেছে। এটা আপনারা দেখতে পাবেন স্পষ্ট যেটা মরে গেছে যার জন্য আজ দৌড়াচ্ছে মানুষ তার জানাজার জন্য সে এই ঘোষণা দিয়েছিল। আপনাদের চোখের সামনে সেগুলি ঘটেছে। আপনারা কিন্তু কোনদিন চিন্তা করে দেখেননি। আমাদের নিকট ঈমানের রোকন হচ্ছে ছয়টা। আল্লাহর উপর ঈমান। ফেরেশতার উপর ঈমান। কিতাবের উপর ঈমান, রাসূলদের উপর ঈমান, আখেরাতের উপর ঈমান এবং তাকদীরের উপর ঈমান। শিয়াদের নিকট ঈমানের রোকন হচ্ছে পাঁচটা। একটা হচ্ছে তাওহীদ। একটা হচ্ছে আদল, ইনসাফ। আরেকটা হচ্ছে নবুয়ত। আরেকটা হচ্ছে ইমামত। অর্থাৎ ইমাম মানতে হবে। আরেকটা হচ্ছে আখেরাত। এগুলি তাদের হচ্ছে ঈমানের রোকট। আমাদের সাথে তাদের পার্থক্য ঈমানের সংজ্ঞাতেও পার্থক্য ঈমানের রোকনেও তাদের পার্থক্য রয়েছে।

                                                           

আর তারা আমাদের নিকট ঈমানের জন্য দুইটা জিনিসই লাগে। কথা ও কাজ লাগে। তাদের নিকট শুধু মুখে বললেই হবে। অর্থাৎ মুরজিয়া তারা। আকিদার ক্ষেত্রে তারা ঈমানের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ মুরজিয়া। অর্থাৎ শুধু মুখে আলীকে অলি মানলেই হবে। বাকি দুইটার ব্যাপারে তাদের মাথা ব্যথা নেই। আল্লাহ তাালার ব্যাপারে তাদের কি আকিদা পোষণ করে? আল্লাহ তাালার ব্যাপারে তারা যে আকিদা পোষণ করে তা হচ্ছে আল্লাহ তাআলা তার উপরে বাধা জায়েজ। বাধ শব্দের অর্থ হচ্ছে আল্লাহ তালা আগে জানতেন না পরে জানেন। নাউজুবিল্লাহ। অর্থাৎ তারা মনে করে যে আল আল্লাহ তালা আবু বকর ওমরকে খলিফা বানানোর বিষয়টি আগে জানতেন না পরে জেনেছেন এইজন্য তিনি আফসোস করে নাউজুবিল্লাহ অর্থাৎ ইহুদিরা যেভাবে মনে করে যেহেতু আব্দুল ইবনে সাবা এই প্রথম প্রবর্তক শিয়াদের প্রথম প্রবর্তক সে ইহুদি ছিল আর ইহুদিরা বাধায় বিশ্বাসী ছিল।

                                                           

বাধা অর্থ হচ্ছে ইহুদিরা মনে করে ইহুদিদের যে দুর্গতি আছে পৃথিবীর যেখানে তাদের কষ্ট আছে এটার মূল কারণ হচ্ছে যে এদের বিরুদ্ধে এদের বিরুদ্ধে যারাই দাঁড়িয়েছে আল্লাহ তালা এটা জানতো না পরে জেনেছে। ঠিক একই কারণে যেহেতু এটার প্রবর্তক হচ্ছে আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা। সে শিয়াবাদের প্রবর্তক হিসেবে সে শিয়াদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে যে আবু বকর ওমর ওসমান তারা জলেম জুলুম করে নিয়েছে খেলাফত এটা আল্লাহ তালা আগে জানতো না পরে জেনেছে এজন্য তারা আল্লাহর উপরে নতুন কিছু জানা অর্থাৎ আগে আল্লাহ তাালার জ্ঞানে নতুন কিছু সংযোজন হয় এইটাই তারা বিশ্বাস করে এইটা তাদের জাতীয় আকিদা বিশ্বাস কারণ এটা ব্যতীত তারা জবাব দিতে পারে না যখন আহ আহলে সুন্নাহ তাদেরকে বলে যে আল্লাহ তাআলা মঞ্জুর না করলে কি আবু বকর ওমর ওসমান খলিফা হয়েছে তখন তারা এটা দিয়ে জবাব দেয় যে আল্লাহ তাআলা আগে জানেনি পরে জেনেছে নাউজুবিল্লাহ এই কথা বলে তারা জবাব দিয়ে থাকে এজন্য তাদের আকিদা বিশ্বাসের মূল মূল

                                                           

জিনিসটাই দেখা যাচ্ছে ইহুদিদের থেকে ধার করা এটা আপনারা তাদেরকে যদি তাদের এই প্রশ্নের সাথে সাথে আলোচনা তারা এটা মেনে নিবে কারণ যদি আপনাদের সাথে তাকিয়ে না করে গোপন করতে না চায় তাহলে স্পষ্ট বলে দিবে তাওহীদের ব্যাপারে যে তাওহীদ আমাদের আহলে সুন্নাতুল জামাতের আমাদের সালফে সালেহীনের আকিদার মূল আমাদের মুসলিমদের আকিদার মূল সে আকিদা তাওহীদের ব্যাপারে তাদের কি ধারণা তারা তাওহীদ বলতে কি বুঝে তারা তাওহীদ আমাদের নিকট আল্লাহ তাালার তাওহীদ তার রুবুবিয়ত সাব্যস্ত করতে হবে আল্লাহ রব হওয়া সাব্যস্ত করতে হবে তারা রুবুবিয়তের ব্যাপারে বিভিন্ন জায়গাতে শিরিক করে থাকে। আমরা সবসময় বলে থাকি রুবুবিয়তের দুইটা জিনিস অবশ্যই মানতে হবে।

                                                           

একটা হচ্ছে আল্লাহ তাালার সত্তা এবং আল্লাহ তাালার কর্ম। তারা আল্লাহ তাালার সত্তায় বিশ্বাস করে যে সত্তা সৃষ্টি করেছে এটা বিশ্বাস করে। কিন্তু তারা বিশ্বাস আল্লাহ তাালার কর্মগুলিতে শরিক করে। আল্লাহর কর্মগুলি হচ্ছে আমাদের নিকট। যেটা আমরা বলে থাকি। তিনি স্রষ্টা, তিনি মালিক, তিনি পরিচালক। তাদের নিকট এই তিন জিনিসে তাদের ইমামদের সরাসরি দখলদারিত্ব রয়েছে। তাদের ইমামরা জগত পরিচালনা করে। জগতের মালিক হচ্ছে তাদের তথাকথিত ইমামরা। তারাই মালিক। এই জায়গাতে তারা আল্লাহর সাথে শরিক করে। আল্লাহর রুবুবিয়তে শরিক করে। অনুরূপভাবে তারা আল্লাহর নাম ও নাম ও গুণের মধ্যে শরিক করে। নামের মধ্যে নাম ও গুণে কিভাবে শরিক করে? আমাদের নিকট আল্লাহ তাআালার নাম গুণ অনেক।

                                                           

তারা আল্লাহ তাআালার নাম স্বীকার করলেও গুণগুলি স্বীকার করে না। আল্লাহর সমস্ত গুণগুলোকে অস্বীকার করে। কোরআন এবং সুন্নাহয় আসা আল্লাহর গুণগুলিকে অস্বীকার করে। আল্লাহ তাআলাকে আরশের উপর থাকা অস্বীকার করে। আল্লাহ তালাকে উপরে থাকা অস্বীকার করে। আল্লাহর চেহারা অস্বীকার করে। আল্লাহ তাালার হাতকে অস্বীকার করে। আল্লাহ তালা যে সমস্ত গুণে তাকে গুণান্বিত করেছেন কোনটি তারা মানে না। কারণ তারা এই আকিদাতে মতাজিলাদের অনুসরণ করে চলে। আর তারা আমাদের নিকট আল্লাহ তাালার যে মৌলিক গুণের মধ্যে একটি হচ্ছে তিনি সবকিছু জানেন। তাদের নিকট এগুলিতে তাদের ইমামরা শরিক।

                                                           

এজন্য কাফি কুলাইলি তার কাফি কিতাবে লিখেছে কাফি হচ্ছে শিয়াদের কাছে আমাদের কাছে ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহ কিতাব যেমন খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং কোরআনের পরে জমিনের বুকে বুখারীর মত সত্য কোন গ্রন্থ আসেনি আমরা বিশ্বাস করি তারা মনে করে এগুলি কোনটাই তারা মানা তাদের মতে কুলাইনর কাফি নামক কিতাবটি তাদের কাছে এরকম ওই কাফি কিতাবের লেখা আছে যে বাবুন আল আইমাতুইলাম অধ্যায় ইমামরা গায়েব জানে তারাই বিশ্বাস করে এটা তাদের অধ্যায় বিস করে সেখানে এগুলো উল্লেখ করা হয়েছে আবার এরকম অধ্যায় বিন্যাস করা হয়েছে বাবমাইলাম এ অধ্যায় ইমামরা আগামী দিন কি হবে সেটা তারা জানে আবার ওখানে অধ্যায় বিন্যাস করা হয়েছে কেয়ামত কখন হবে ইমামরা জানে।

                                                           

আবার অধ্যায় বিন্যাস করা হয়েছে কার পেটে কি বাচ্চা আছে ইমামরা জানে। অধ্যায় এভাবে তারা একটার পর একটা শিরকি কথা দিয়ে তাদের বই গ্রন্থ পূরণ করেছে। আর যাদের গ্রন্থ শিরকি শিরকি আকিদাতে ভর্তি তারা শিরকি আকিদায় বিশ্বাস করবে। এটাই স্বাভাবিক। আপনারা সেটা সহজে বুঝতে পারেন। এইজন্য তারা আল্লাহর এলমের মধ্যেও তারা শরিক করে তাদের ইমামদেরকে। আর আমাদের নিকট আল্লাহর দ্বিতীয় বড় যে গুরুত্বপূর্ণ গুণ যা সমক গুণের সমষ্টি সেটা হচ্ছে আল্লাহর জন্য পরিপূর্ণ ক্ষমতা সাব্যস্ত করা। তারা তাদের ইমামদের জন্য পরিপূর্ণ ক্ষমতা সাব্যস্ত করে। আল্লাহর সাথে তারা এখানেও শরিক করে। এজন্য তারা অনেকেই ইয়া হোসাইন বলে ইয়া আলী বলে হায়দারী বলে।

                                                           

তারা এইজন্য আল্লাহর আল্লাহর ক্ষমতার সাথে তাদের ইমামদের ক্ষমতাকে একাকার করে দেখে এবং তাদের ইমামদের সমস্ত ক্ষমতার অধিকারী মনে করে কিন্তু তারা খেয়াল করে না তাদের ইমাম প্রথম আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু শুরু হতে শুরু করে অনেক ইমামেই তাদের অন্যদের হাতে মারা গেছে এত ক্ষমতা থাকার পরেও তারা রাষ্ট্র ক্ষমতার অধিকারী হইতে পারে নাই আলী স্যার কেউ তাহলে তারা কিভাবে ভাবে তারা মারা গেল। হোসাইন ইবনে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কারবালায় মারা গেছেন। কোন সন্দেহ নেই। আল্লাহ তাকে শহীদের মর্যাদা দিন। আমরা দোয়া করি। তিনি মাজলুম অবস্থায় মারা গেছেন। কিন্তু তারা যে ক্ষমতার কথা বলে যে ইমামরা অনেক ক্ষমতার অধিকারী তিনি তো তার মৃত্যুকেও ঠেকাইতে পারেন নাই।

                                                           

তিনি তার শত্রুকেও মেরে ফেলতে পারেন নাই। এ কথা বলতে পারেন নাই যে ফু দিয়ে মেরে ফেললাম এমন কিছু করতে পারেন নাই। তারা যে মিথ্যা দাবি করে স্পষ্ট প্রমাণিত হল। তারা এই দাবিগুলি তাদের কিতাবে লেখে তাদের কথায় বলে তারা আলী ছাড়া কোন কিছু তাদের জীবনে চলে না আলী ইবনে আব তালেব রাদিয়াল্লাহু তাদের থেকে মুক্ত তাদের পূর্বপুরুষ একদিন আলী ইবনে আব তালেব রাদিয়াল্লাহু কাছে এসে বললেন আন্তা আন্তা অর্থাৎ আপনি আপনি তিনি আনা আমি আমি কি তিনি বললেন যে তারা বলতে লাগল আন্তায়া আপনি সেই তিনি বললেন যে আমি সেই মানে তখন তারা বলল যে আপনি হচ্ছেন আল্লাহ নাউজুবিল্লাহ সাবা গোষ্ঠী সাবা একটা ফেরকা এখনো তাদের অস্তিত্ব আছে কোথাও কোথাও তারা আলীকে ইলাহী আল্লাহ হিসেবে ডাকে নাউজুবিল্লাহ এদের অনুসারীরা হচ্ছে যারা সিরিয়াতে ক্ষমতায় ছিল বাদশার বাদশার এই গোষ্ঠী এবং তার বাপ এরা সিরিয়াতে এই গোষ্ঠী ছিল তারা পাঁচ আল্লাহ বিশ্বাস করতো তাদেরকে এইজন্য আলম বলা হয় কারণ তারা আলীর এবাদত করত এইজন্য এই নয় যে তারা আলীর বংশধর এইজন্য নয় তারাও এই কথা শোনার পরে আলী ইবনে আব যখন দেখলেন এরা তাকে আল্লাহ ঘোষণা করতেছে।

                                                           

তখন তিনি বললেন যে এদেরকে আগুনের ভিতরে পুড়িয়ে মারতে হবে। এরা এত ভয়াবহ অন্যায় করেছে। রাগে ক্রোধে তিনি তাদেরকে আগুনে পুড়িয়ে মারার ঘোষণা দিলেন। যখন তাদেরকে আগুনে পুড়িয়ে মারার ঘোষণা দিলেন তখন তিনি এথা বললেন একটি কবিতা বললেন তার দাস তাকে ডেকে বললেন এদেরকে আগুনে পুড়িয়ে মার। তখন আগুনের ভিতর থেকে তারা বলতে আরম্ভ করলো আল্লাহ না হলে কি আমাদেরকে আগুন দিছে নাকি? আল্লাহ যে আল্লাহ হওয়ার কারণে তো আগুনি দিচ্ছে। মানে তারা ভয়াবহ ফেতনা নিয়ে ইসলামের ভিতরে ঢুকেছে। ইসলামকে নষ্ট করার জন্য ইসলামকে ভাগ করার জন্য এই সবার আগে ইহুদিদের প্রীরণক হয়ে যারা এই কাজটি করেছে তারা হচ্ছে শিয়া সম্প্রদায়।

                                                           

এই শিয়া সম্প্রদায় আকিদার ক্ষেত্রে ভয়াবহ বিভ্রান্তি তৈরি করে মুসলিমদের মধ্যে প্রবেশ করে দিয়েছে। এরা সমস্ত ক্ষমতার অধিকারী বানিয়ে দিয়েছে তাদের ইমামদেরকে বিশেষ করে আলী ইবনে আব তালেব রাদিয়াল্লাহ আনহুকে। এজন্য তাদের আমাদের সমাজের মধ্যে অনেককে দেখবেন ইয়া আলী বলে কোন কিছু দিয়ে টান দেয়ার সময় আলী বলছে তারা আল্লাহকে উদ্দেশ্য করে না। আলীকে উদ্দেশ্য করে। কখনো কখনো তারা এই জাতীয় আলীর নামে চিৎকার করে বলে যে আলীর নামে শুরু করেছে অথবা তাদের আমাদের অনেকে নামের পিছনে আলী নামের সামনে হোসাইন নামের শেষে হাসান হোসেন এগুলি সবই শিয়াবাদের বাকি অংশ ছাড়া কিছুই নয় এগুলি থেকে আমাদের বাঁচতে হবে এরা ক্ষমতার অধিকারী মনে করে এমনভাবে যে তারা মনে করে যে আলী ইবনে আব তালিব রাদিয়াল্লাহ আনহু খাবারের একটা গিরজা একটা কিল্লার দরজা টেনে এনে তিনি সেটা কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

                                                           

এরপরে ৪০ জন সেটা উঠাইতে পারেনি। এই জাতীয় ঘটনাগুলি বানোয়াট এগুলি দিয়ে তারা তাদের কথা প্রকাশ করে আলীর অনেক ক্ষমতা এই কথা তারা প্রকাশ করতে থাকে। তাদের মধ্যে একটি গুষ্টি মনে করে আকাশে বিদ্যুৎ চমকালে আলী হেসেছে। আকাশের যে আওয়াজ হয় আলী ধমক দিচ্ছে। এই বিশ্বাস তাদের মধ্যে কেউ কেউ করে থাকে। আলী ছাড়া আকাশের বৃষ্টি কেউ দেয় না। আলী ছাড়া কেউ রিজিকের ব্যবস্থা করে না। এগুলি তারা বিশ্বাস করে থাকে।

                                                           

বলেন তারা যদি আপনাদের সাথী হয়ে থাকে এই বিশ্বাস তারা কিভাবে রাখতে পারে তাদের মধ্যে আমাদের আহলে সুন্নাতল জামাতের তৃতীয় যে বড় গুণটি আমরা বলে থাকি আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত করে থাকি এবং সমস্ত গুণের মূল বলে থাকি তিনটির মধ্যে একটি হচ্ছে একটি হচ্ছে আল্লাহ তাালার বিধান দেয়ার ক্ষমতা এই বিধান দেয়ার ক্ষমতা তাদের তারা তাদের ইমামদের দিয়ে দিয়েছে বিশেষ করে সর্বশেষ নতুন তারা আবিষ্কার করেছে বেলায়াতুল ফাকি নাম দিয়ে একটি আবিষ্কার করেছে যার আবিষ্কারই হচ্ছে খোমাইনি সে সেটা আবিষ্কার করে চালু করে এই মুসলিম ভূখন্ড ইরান দখল করে মুসলিম সুন্নিদেরকে মেরে সেখানে শিয়াবাদ কায়েম করেছে আর নিজের জন্য একটা নতুন ফোস দাবি করেছে সেই ফোসটি হচ্ছে ওয়ালাতুল ফকি ওয়ালাতুল ফকি তারা কেন দাবি করেছে এটা একটা বিরাট ইতিহাস আছে ইতিহাস হচ্ছে শিয়ারা যখন যখন তাদের ইমাম চলে যায় সব ১১ তম ইমাম নিঃসন্তান অবস্থায় চলে যায় তখন দেখে যে এটা দ্বিতীয় শতকেই তখন দেখে যে তার কোন সন্তান নেই তখন

                                                           

তারা তৃতীয় শতকে তখন তারা পাগল হয়ে যায় যার ১২ ইমাম পূর্ণ হচ্ছে না ১১ ইমাম হচ্ছে তখন তারা বলল যে যে ১১তম ইমামের একটা সন্তান গোপনে হয়েছিল এবং সেটা পালিয়ে গিয়ে গর্তের ভিতরে ঢুকেছে আজও আপনি যদি যান ইরাকে গেলে রেজবা পাহাড়ের পাশে পাহাড় দেখতে পাবেন কেউ ঘোড়া নিয়ে কেউ গাধা নিয়ে কেউ গাড়ি নিয়ে কেউ মারসিডিজ নিয়ে বসে আছে আর ডাকতেছে উকরুজিয়া মাওলানা মাওলানা তুমি আসো মাওলানা তুমি আসো মাওলানা তুমি বের হও মাওলানা তুমি বের হও এইভাবে তাকে ডাকছে আপনি কি চিন্তা করে পারছেন কিভাবে ডাকছে তারা দেখতে পাবেন অর্থাৎ মাওলানা তো বের হয় না কারণ আসলে কেউ তো ওই গর্তে ঢুকে নাই ওই গর্তে তো কারাত ইমামের কোন অস্তিত্ব ছিল না তখন তারা সেই থেকে শুরু করেছে তারা তো অভিভাবকহীন হয়ে গেছে।

                                                           

কারণ তো ইমামের পথে চলে। ইমাম নাই। তখন এই খুবাই ফ্রান্সে বসে সিদ্ধান্ত নিল। এখন থেকে নতুন একটা বুদ্ধি বের করতে হবে যে উনি তো আসে নাই। উনার পক্ষ থেকে আমরা ওলি হিসেবে এখন জগৎ পরিচালনার দায়িত্ব নিচ্ছি। সেটার নাম দিয়েছে তারা ওয়ালাতুল ফাকি। মুসলিমদের কাছে যেটা খলিফাতুল মুসলিমিন ছিল। এরা তারা বানিয়ে নিয়েছে ওয়ালাতুল ফকি। এইটা দিয়ে তারা এখনো চলছে। ইরানেও ইরানে এটাই তারা চালাচ্ছে। আপনারা এটা বুঝেন না না বুঝেন তাদেরকে ইমাম বলে ঘোষণা করছেন। আমি জানিনা আপনাদের বিবেকে কতটুকু আল্লাহ তালা বিবেক দিয়েছেন সেটা চিন্তার বিষয় রয়েছে। এরা মনে করে যে এই ওলাতুল ফকি অর্থাৎ যে ইমাম তারা বানিয়েছে এখন তার হুকুম দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

                                                           

অর্থাৎ তার যে কোন বিষয়ে অর্থাৎ আল্লাহর বিধান দেয়ার ক্ষমতা তাদের রয়েছে বলে তারা মনে করে। এর অর্থ হচ্ছে তারা আল্লাহর হুকুমের মধ্যেও শিরিক করছে। অথচ তারা মনে করে তারা আপনারা মনে করেন যে তারা আল্লাহ তাআালার দ্বীনের বড় খেদমত করে যাচ্ছে। কখনো নয় তারা ইসলামকে ধ্বংসের জন্য নেমেছে। তারা প্রথম দিন আলী রাদিয়াল্লাহ আনহু যুগ থেকে তারা নিজেদেরকে আলাদা করতে শুরু করেছে। আর তারা এখন পরিপূর্ণ আলাদা দ্বীনে পরিণত হয়েছে। তার বিস্তারিত বিবরণ আপনাদেরকে আমি শোনাতে যাচ্ছি। আমি একটু আগেই বলেছি তারা আল্লাহর সমস্ত সিফাতকে অস্বীকার করে।

                                                           

কিন্তু আপনি জানেন যে জগৎ পরিচালনার জন্য এই গুণগুলি প্রয়োজন আল্লাহর সিফাত গুলি প্রয়োজন এই সিফাতগুলি তারা তাদের ইমামদেরকে দিয়ে দিয়েছে অর্থাৎ তাদের যে সমস্ত ইমাম আছে সেগুলিকে দিয়ে দিয়েছে তারা নাকি ওরাই নাকি এগুলির মালিক আল্লাহ তাালার কোন গুণ থাকতে পারে না তাদের নিকট নাউজুবিল্লাহ তারা আল্লাহর উলুহিয়াতেও শিরিক করে উলুহিয়াত মানে এবাদতেও শিরিক করে এজন্য তারা দেখবেন যে ডাকছে তাদের ইমামদেরকে ডাকে অর্থাৎ যত আপনি যদি বাগদাদ আপনি যদি কোন আজ ইরাকে যান দেখবেন নাজাফে তারা আলীর কবরের পাশে ডাকাডাকি করছে। আপনি হোসাইনের কবরের কাছে ডাকাডাকি করছে। অথচ হোসাইনের কবর বা আলীর কবর কোনটাই কোনটাই নির্ধারিত নয়। আসলেই হোসাইন রাদিয়াল্লাহুর কবর এবং আলী রাদি কবর কোনটাই জানা যায় না কোথায় হয়েছে।

                                                           

এটা রাতের অন্ধকারে দূর দূরান্তে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু শিয়ারা যেহেতু গাধা মার্কা লোক তাদেরকে তাদের লোকেরা ঠকিয়েছে। ইমামরা ঠকিয়ে বলছে অমুকের কবর এটা তমুকের কবর এটা সেখানে গিয়ে তারা অনবরত ডাকছে। অর্থাৎ ইমামদেরকে তারা তাদের ফরিয়াদ নিবেদন করছে। যারা এরকম আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ডাকে তারা অবশ্যই মুশরেক। কোন সন্দেহ নাই। তাদেরকে আপনি দেখতে পাবেন। ইবনে তাইমিয়া রহমাতুল্লাহ বলতেন তারা আম্মারুল মাশাহেদ। তারা কি করছে? মাশাহেদ তারা কবরগুলোকে তারা কবরগুলোকে আবাদ করেছে ওতালুল মাসাজিদ মসজিদগুলোকে বন্ধ করে দিয়েছে তারা তারা মসজিদগুলো পছন্দ করে না তাদের কাছে শুধু কবর পছন্দ মদিনাতে যদি আপনি হজে যান দেখবেন তারা মসজিদের চেয়েও বেশি পছন্দ করে ওই যে বাকি গোস্থানের ভিতরে ঢোকার কোন সুযোগ পায় কিনা সেখান থেকে পাথর চুরি করে সেখান থেকে পাক পাথর নিয়ে চলে যায় এভাবে তারা সারা শিরকের ভিতরে তারা পরিপূর্ণভাবে ডুবে আকন্ঠ নিমজ্জিত হয়ে রয়েছে।

                                                           

তাদের অনেকেই কারবালার মাটি নিয়ে আসে। কারবালার মাটিকে কি কাজে ব্যবহার করে আপনারা জানেন? সেগুলিকে তারা সবকিছু থেকে প্রিয় জিনিস মনে করে। অর্থাৎ তাদের কাছে কারবালার মাটি হচ্ছে মক্কার মক্কার মাটির চেয়ে হাজির আস চেয়েও তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নাউজুবিল্লাহ। তারা দোয়া যেমন করে এদের কবরের কাছে যেমন চায় তেমনিভাবে কবরের কাছে সাহায্যও চায় এবং কবরের কাছে উদ্ধার কামনা করে তারা ইয়া হোসাইন ছাড়া কোন কথাই বলে না হোসাইন অথবা অমুকের নাম ধরে ডাকবে তমুকের নাম ধরে ডাকবে তাদের সমস্ত প্রেয়ার সমস্ত আকাশ সমত দোয়া সবই হচ্ছে হুসাইনের কাছে এবং আলীর কাছে আল্লাহর কাছে চাওয়ার কোন প্রয়োজন তারা মনে করে না তারা জবাই করে এই কবর কবরগুলির কাছে জবাই করে এই মাজারগুলির কাছে তারা তারা জবাই করে এই মাজারগুলির জন্য তারা মান্নত করে আমাদের দেশে যেভাবে কবর পূজারীরা মানত করে অলি আল্লাহদের কবরের জন্য তাদের সমস্ত মানত তারা তথাকথিত ইমামদের তাদের ইমামদের জন্য তারা সে মানতগুলি তাদের কবরের দিকে তারা মানত করে থাকে তারা কবরে সেজদা করে আপনি নিজে দেখবেন অনেক যাদেরকে আপনি ইমাম বলে জানেন তারা অনেকেই তারা খুমাইনিকে খামিনকে দেখবেন খুমাইনর কবরের কাছে সেজদা করতেছে এইভাবে তারা দেখবেন সামনে নিয়ে সেজদা তারা এটাকে কিছুই মনে করে না।

                                                           

কারণ তাদের কাছে এটা কোন শিরিক নয়। আমাদের কাছে কবর সেজদা করা শিরিক কিন্তু তারা কবর সেজদাকে শিরিক মনে করে না। এভাবে তারা কবরশির শিরিক হিসেবে শিরিক হিসেবে শিরিক করে থাকে তারা কবরের কাছে। তারা এটা নয়। তারা এটা কি তাদের আরো ভয়াবহ আকিদা কয়েকটি আমি উল্লেখ করছি। তিন নম্বর তাদের ভয়াবহ আকিদা হচ্ছে তারা আল কোরআনুল কারীমের ব্যাপারে তারা মনে করে কোরআনে কারীম সৃষ্ট জিনিস কোরআনে কারীম সৃষ্ট জিনিস আরও তারা মনে করে এই কোরআনে এক হরফও নাই যেটা আল্লাহ নাযিল করেছে তাদের কাছে মুশফে ফাতেমার দাবি তারা করে যে ফাতেমার কাছে মুশফ ছিল সেই মুশফে আমল করা হয়নি তাদের ইমাম বলতেছেন এই কিতাবে আল্লাহর যা নাযিল করেছে আমাদের যে কোরআনে তাতে মুসাফে ফাতেমার একটি হরফ নেই।

                                                           

নাউজুবিল্লাহ। অর্থাৎ তারা কোরআনকে বিকৃত মনে করে এবং তাদের একজন তবরাস কিতাব লিখেছে একটা কিতাবে আর যেতা কিতাবে আল্লাহর কিতাব যে বিকৃত হয়ে গেছে এর উপরে বইটা লিখছে নাউজুবিল্লাহ। আপনি বলেন তারা কোন ধরনের মুসলিম যাদের জন্য আপনি কান্নাকাটি করেন যাদের জন্য আপনি দৌড়াচ্ছেন তাদের সম্পর্কে আপনার জানা ফরজ যে তারা কোন ধরনের মুসলিম যারা আল্লাহর কোরআনকে বিকৃত মনে করে এটা তাদের ইমাম লেখেছে এটা কোন এদিক সেদিক সাধারণ কোন ব্যক্তি লেখেনি তাদের ইমাম যাদেরকে তারা গ্রহণযোগ্য মনে করে তারাই সেটা লিখেছে এবং তাদের বড় বড় ইমামরা এর উপরে তারা একমত হয়ে গেছে এতে সন্দেহ তারা করে না কিন্তু তারা মানুষের সামনে বলে না কেন বলে না সেটা আপনাদেরকে আমি জানাবো।

                                                           

চতুর্থ যে বিষয়টি জানা দরকার সেটা হচ্ছে আমাদের সুন্নাহ বা হাদিস আমাদের নিকট অবশ্য পালনীয়। ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহ আলাই যা লিখেছেন বা বুখারী মুসলিম আবু দাউদ তিরমিজী নাসা ইবনে মাজা সহ হাদিসের কিতাবগুলিতে সমস্ত হাদিসে এসেছে সেগুলি আমরা মেনে চলি। কিন্তু শিয়ারা আমাদের হাদিসের কিতাবের একটি হাদিসও তারা মানে না। কারণ তাদের নিকট এগুলি সাহাবায়ে কেরামের হাতে দিয়ে এসছে। সুতরাং সেগুলি মানা যাবে না। কারণ তারা এই হাদিসগুলো মানা জরুরি মনে করছে না। তাদের নিকট তাদের ইমামরা যা বলেছে সেটাই দরকার। এই হাদিসগুলোকে তারা কোনভাবেই মানে না। একটি হাদিসের কিতাবও তারা মানে না। কখনো কখনো আমাদের বিরুদ্ধে তারা ব্যবহারের জন্য হাদিসগুলো তারা উল্লেখ করে থাকে।

                                                           

নিজেরা তারা এগুলি একটাও মানে না তাদের ইমামুদলা পদভ্রষ্ট ইমাম খুমাইন বলছে কি বলছে পদভ্রষ্ট ইমাম বলছে আমাদের ইমামের যে মজিলে আছে সেখানে কোন আল্লাহর প্রেরিত ফেরেশতা আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহর নৈকট্যপাপ্ত ফেরেশতা পৌছতে পারবে না মুরসাল আল্লাহর প্রেরিত কোন রাসূলও পৌঁছতে পারবে না। অর্থাৎ সেখানে পৌঁছার ক্ষমতা কারো নেই। তাদের ইমামের মর্যাদা আমাদের রাসূলের উপরে হওয়ার কারণে তারা রসূলের বাণীর মর্যাদা দেয় না। তারা ইমামদের বক্তব্যই যথেষ্ট মনে করে থাকে। তারা এভাবেই তারা মনে করে যে যদি শুধুমাত্র ইমামদের কার বক্তব্য এসে যায় তাতে সেটা মানার জন্য জরুরি। সেখানে সুন্নাহর কোন সুন্নাহর কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই। কারণ তারা এই ব্যাপারে মুতাজিলাদের অনুসরণ করে।

                                                           

মতাজিলাদের মতাজ শিয়াদেরকে মতাজিলারাও সুন্নাহকে মেনে চলে না। তাকদীরের মাসআলায় তারা সম্পূর্ণরূপে মতাজিলাদের মত। মতাজিল কি বিশ্বাস করে? আল্লাহ তালা আগে থেকে জানতেন না। আল্লাহ তালা হওয়ার পরে হওয়ার পরে জানেন। এটা মতাজিরা বিশ্বাস করতে। এরাও বিশ্বাস করে। তেমনিভাবে তারা আল্লাহ তালা কোন কিছু লিখে রাখেননি এটা বিশ্বাস করে অথবা লিখে রাখলেও আমরা করব বলে লেখছি এরকম বিশ্বাস করে আবার এদের মধ্যে এই শিয়াদের মধ্যে আরেকটি আল্লাহ তালা তিনি চাইলে হয় তিনি চাইলে হয় না এটা আমাদের যে বিশ্বাস এ ব্যাপারে তাদের কথা হচ্ছে এটাও তারা মানবে না এবং তারা এইযে তাকদীরের মাসলা সম্পূর্ণরূপে আমাদের বিপরীত তারা তাকদীর মানে না তাকদীরকে তারা অস্বীকার করে এইজন্য তারা কাদারিয়া শিয়ারা এদিক থেকে কাদারি ইবনে রহমাতুল্লাহ এজন্য তার কিতাব মিনহাজ সুন্না ফিরশিয়াল কাদারিয়া বলেছেন কারণ শিয়ারা মাসলাতে কাদারী হিসেবে তাদেরকে তিনি উল্লেখ করেছেন এজন্য শিয়ারা আকিদাতে আমাদের সাথে এইদিক দিয়েও মিলে না যে তাকদীরের মাসালা মিলে না আমরা এটা বিশ্বাস করি আল্লাহ তালা

                                                           

সকল সৃষ্টির আগেই তিনি সবকিছু নির্ধারণ করেছেন কি নির্ধারণ করেছেন তিনি তা জানেন কি নির্ধারণ করেছেন তা তিনি লেখে রেখেছেন কি নির্ধারণ করেছেন যা হওয়ার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন আর তা সৃষ্টি হয় এর কোন কিছুতে ব্যর্থ আমরা করি না এগুলি সব আমরা মেনে মেনে চলি আমরা বিশ্বাস করি জগতে এই জগতে কোথাও বা আগে কোথাও কোন কিছুতে আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত কোন কিছু সংঘটিত হয় না যেটা তারা অস্বীকার করে থাকে শিয়ারা শিয়ারা আখেরাতের ব্যাপারে কি বিশ্বাস করে থাকে যেহেতু তারা আকিদাতে আকিদাতে তারা মতাজিলাদের অনুসরণ করে থাকে। সেজন্য তারা বিভিন্ন আকিদাতে এমন সব জিনিস তারা অস্বীকার করে। সে এমন সব জিনিস তারা বলে যেগুলো নিজেদের আবেগ দিয়ে পরিচালিত হয়।

                                                           

কেউ তাদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করে তাদের ইমামরা যাকে ইচ্ছে তাকে জান্নাত দিবে। তাদের ইমামরা যাকে ইচ্ছে তাকে জাহান্নাম দিবে। এই বিশ্বাস তারা করে থাকে। আবার তারা কবরের আজাবকে অস্বীকার করে, মিজান অস্বীকার করে, সিরাত অস্বীকার করে। এগুলি তারা অস্বীকার করে থাকে। কারণ তাদের নিকট এগুলি হচ্ছে কোন প্রয়োজন নেই এ জাতীয় কথা কারণ হাদিসে এসেছে আর হাদিসে যা এসেছে সেগুলি তারা মানতে রাজি নয় এজন্য তারা এগুলিকে অস্বীকার করে থাকেন বর্তমানেও এদের অনুসরণ করে অনেকেই দেখবেন এগুলি অস্বীকার করে যাচ্ছে এইটা ভয়াবহ বিভ্রান্তি ছাড়া আর কিছু নয় সপ্তম তাদের আকিদা বিশ্বাস সাহাবায়ে কেরামের উপরে তারা মাত্র কেউ তিনজন কেউ পাঁচজন সর্বোচ্চ ১০ জন ছাড়া আর সমস্ত সাহাবীকে তারা কাফের বলে নাউজুবিল্লাহ।

                                                           

এই সর্বোচ্চ ১০ জন কারা? সর্বোচ্চ ১০ জনের মধ্যেও তারা আহলে বাইতের মধ্যে যারা আছে এরা। আর আম্মার ইবনে ইয়াস রাদিয়াল্লাহু আনহু অথবা আবু দারদা অথবা সালমান ফারেসী এই কয়েকজনকে হাতে গুনে এই এরা ছাড়া সমস্ত সাহাবাকে তারা কাফের বলে। এটা তাদের কিতাবে স্পষ্ট উল্লেখ আছে। যদি আপনি তাদের কিতাব পড়তে পারেন আপনি অস্বীকার করবেন না। আপনাকে আমি তাদের কিতাব দিব। আপনি পড়ে পড়ে বলবেন যে সত্য কি মিথ্যা সেটা বলবেন। এটা যদি কেউ যদি বলে আমার কিতাবে কি আছে আমি বিশ্বাস করি না এটা সত্য নয়। তাহলে তারা শিয়া থাকতো না। তারা সুন্নি হয়ে যেত। এজন্য আপনি তারা শিয়া থাকার অর্থই হচ্ছে যে তারা এগুলি বিশ্বাস করে।

                                                           

তাদের কিতাবে এটা আছে এবং তাদের বক্তব্যের মধ্যে এটা ফুটে ওঠে। এজন্য তাদের এখনো বিশ্বাস যে তাদের ইমাম আসবে। আপনি দেখবেন ইমাম তাদের ইমাম পথভ্রষ্ট ইমাম কমেনি এবং খামেনি। এরা যখন তাদের মাহাদীর কথা উল্লেখ করে ১২ নম্বর ইমাম যে কোনদিন ছিলও না অস্তিত্ব ছিল না তখনই লেখা আজ আজ অর্থ হচ্ছে আল্লাহ তাকে যেন বের করে দেয় অর্থাৎ আল্লাহ যেন তারে আটক রাখছে নাউজুবিল্লাহ এই জাতীয় বিশ্বাস তারা করে থাকে কত বছর আটকে থাকতে পারে কত বছর বাঁচতে পারে এই ১২০০ বছর ১৪০০ বছরের মধ্যে ২০০ বছর বাদ দিলে ১২০০ বছর যেন সে গর্তের ভিতরে ঢুকে আছে এইজন্য তারা নিজেরা বুদ্ধিমান হলে বুঝতো যে মিথ্যা কথা আসলে পাহাড়ের গর্তের ভিতরে কেউ ঢুকে নেই কিন্তু তারা বুদ্ধিমান নয় তাদেরকে দিয়ে তাদের ইমামরা তাদের নেতারা তাদেরকে দিয়ে গাধার মত খাটাচ্ছে এবং বিভ্রান্তি পরিচালনা করছে তারা এর পিছনে ছুটে চলেছে বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে সেমিনার সিম্পুজিয়াম করছে বড় বড় প্রফেসররা সেখানে গিয়ে নিজেদেরকে ঈমান

                                                           

বিক্রি করে তাদের সাথে একাত্ব ঘোষণা করছে তাদের যেটা বলেছিলাম এজন্য তারা মাহদীর মাহদী আমাদের নিকট ইমাম মাহদী আসবেন তিনি আসবেন হাসানের ইমাম হাসান ইবনে আলী বংশধর হিসেবে আসবেন এবং এমন এক সময় আসবেন যখন সেটার প্রয়োজন হবে তাকে খুঁজতে আমাদেরকে অনুমোদন করা হয়নি তিনি যখন আসবে তার পিছনে চলতে আমাদেরকে অনুমোদন করা হয়েছে অগ্রিম তার জন্য সৈনিক সৈনিক তৈরি করা তার জন্য কোন কিছু তাদের জন্য প্রপাগেশন চালানো অথবা তার জন্য বিভিন্ন জায়গায় বলে বেড়ানো তিনি অমুক তারিখে আসবেন এগুলি আমাদের নীতি নয় আমরা এগুলি করি না এগুলি শিয়াদের নীতি শিয়ারা এরকম বলতো যে এত বছর পরে আসবেন গায়েবাতা সরা কিছুদিন পরে পরে বলে যে না এখন রাগ করে তিনি চলে গেছেন তিনি একবার বের হয়ে দেখছেন যে তার সহযোগী নাই রাগ করে আবার গর্তে ঢুকে গেছেন সুতরাং তিনি এবার কখন আসবেন তিনি ছাড়া কেউ জানে না এই বিশ্বাস তারা পোষণ করে থাকে এইজন্য তাদের মাহাদী বিশ্বাস হচ্ছে ভয়াবহ ভয়াবহ বিভ্রান্তি এটা কখনো কখনো তারা কি করে মুসলিমদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয় আর মুসলিম স্কলাররা সেটাকে অত্যন্ত রশিয়ে রশিয়ে আমাদের ওয়াজের মধ্যে আলোচনা করে মাহাদি আসতেছে কেউ যেন আর কোন কিছু করার নাই।

                                                           

মাহদীর পিছনে সময় ব্যয় করা একটি কাজ। এই কাজগুলি যারা করে তাদেরকে আপনারা চিনে রাখবেন। এদের অনেকেই শিয়াদের দ্বারা প্রভাবিত। মাহদী যখন আসবে তখন আমরা দেখব মাহদী আসার বিষয়টি তখন তার তার অনুসরণ করব। ঠিক আছে তারা জীবিত থাকবে তারা। কিন্তু অগ্রি মাহদীর জন্য কিছু তৈরি করার জন্য আমাদেরকে ইমামরা নির্দেশনা দেয় নাই। ইমাম সুফিয়ান ইবনে রহমাতুল্লাহ কাছে একজন বলল যে মাহদীর আলোচনা শোনা যাচ্ছে। তিনি বললেন যে মাহদী তুমি মাহদী এসে তোমাকে বললে যে আমি মাহাদী তারপর তোমার কাজ এর আগ পর্যন্ত তোমার কোন কাজ নেই মাহদী খোঁজার দায়িত্ব আমাদের নয় এই জাতীয় কাজ শিয়ারা করে তারা মাহাদী খোঁজার জন্য বসে আছে এবং তারা মনে করে তাদের মাহদী আসার পরে তারা অনেকগুলো কাজ করবে সেগুলো কি কি সেটা তারা বলে থাকে এগুলির মধ্যে একটা হচ্ছে যে মাহাদী এসে আরবদেরকে কচুকাটা করবে এক নম্বর কাজ আরবদেরকে মেরে ফেলবে দুই নম্বর হচ্ছে কোরাইশদেরকে আগে মারবে তিন নম্বর কাজ হচ্ছে কাবার ছবি ছিনিয়ে নিবে।

                                                           

কাবার ছাবি ছিনিয়ে নিবে। মাহাদিয়া আসবে এবং চার নম্বর হচ্ছে রাজা বিশ্বাসী। অর্থাৎ শুধু মাহাদী একা আসবে না। মাহাদীর সাথে সমস্ত ইমামরা আবার আসবে। অর্থাৎ আলী তারপরে তার সন্তানরা তার সন্তান হাসান হোসেন সব আবার আসবে। অর্থাৎ তারা রাজ বিশ্বাস করে যে এরা আবার আসবে। এদের কিতাবের মধ্যে এটা স্পষ্ট আছে যদি ভালো দেখতে চান বিস্তারিত দেখতে চান আল্লামা এহসান আলাইহি জহির রহমাতুল্লাহ আলাই সিয়াশিয়া সুন্ন কিতাব পড়লে আপনি সব পাবেন দলিল সহ কিতাবের রেফারেন্স সহ আপনি সেখানে পাবেন স্পষ্ট বুঝতে পারবেন এজন্য আমি লম্বা করছি না শুধু বুঝাই চাচ্ছি আপনাদেরকে যে কাদের পিছনে ছুটে চলেছেন একটু জানার বিষয় রয়েছে তারা মনে করেন যে তাদের মাহদী তিনি সে যখন আসবে আর কি করবে তারা এই কবর থেকে তুলে আবু বকর লাশকে তারা লটকাবে শুলে চড়াবে এবং সেটাকে তারা আয়েশা রাদিয়াল্লাহ সম্পর্কে তারা খারাপ কথা বলে নাউজুবিল্লাহ তারা বলে যে আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আনহাকে তারা পাথর মেরে হত্যা করবে আবার কবর থেকে

                                                           

উঠে তাদের মাহাদি আসলে এই বিশ্বাস তাদের কিতাবে লেখা আছে যদি না থাকে আপনি দেখেন আমার কথা বিশ্বাস করুন আল্লাহর ওয়াস্তে আমি পড়ে বলতেছি না পড়ে বলছি না তাদের কিতাবে এগুলি লেখা আছে তারা বিশ্বাস করে যে তাদের ইমাম মাহদী আবার আসলে এই কাজগুলি তারা করবে তারা আর কি বিশ্বাস তাদের ইমামরা সব মাসুম। মাসুম অর্থ হচ্ছে নিরপরাধ। কোন ভুল হইতে পারে না। যা করেছে তা ঠিক। অর্থাৎ তাদের তারা আল্লাহ তাদেরকে নিরাপত্তা দিয়েছেন। এজন্য তাদের সমস্ত বক্তব্য গ্রহণ করতে হবে। কারণ সাহাবায়ে কেরামের বক্তব্য এজন্য গ্রহণ করে না। তারা কাফের বলে। কিন্তু ইমামদের বক্তব্য গ্রহণ করে কেন? তাদের মাসুম বলে।

                                                           

এজন্য নিরাপদ। এইজন্য তাদের কথা এটা প্রচার করে। ইমামদের আমরা বক্তব্য নেই। তারা হচ্ছে ভয়াবহ বিভ্রান্তিতে লিপ্ত। এই এই কুফরিতে লিপ্ত। আল্লাহ তালা আল্লাহ তালা তার নবী ছাড়া কাউকে নবীদের ছাড়া কাউকে আল্লাহ তালা এসমতের এসমত দেননি কিন্তু তারা মানুষের জন্য ইমামদের জন্য এসমতের দাবি করে মাসুম হওয়ার দাবি করে কোন ব্যক্তি বিশেষকে মাসুম বলার অধিকার কারণেই কোরআন এবং সুন্নাহয় কাউকে মাসুম করা হয়নি আল্লাহ তালা তার নবীদেরকে স্পেশালি সেই ক্ষমতা দিয়েছেন আল্লাহর দ্বীন প্রচারের জন্য তাদের আল্লাহর বাণীকে প্রচারের জন্য এই সহযোগিতা করেছেন আর কাউকে সেটা দেননি কেউ দাবি করলে মিথ্যা ছাড়া কিছু বলেনি তাদের ১১ নম্বর আকিদা হচ্ছে তাকিয়া।

                                                           

তাকিয়া হচ্ছে আপনাকে একটা কথা বলে ধোকা দেয়া। আপনাকে বলবে শিয়া সুন্নি বিভেদটা ঠিক নয়। আমরা মুসলিম। আবার আপনাকে বলবে যে আমরা সবাই মিলে একসাথ হলে তো আমরা অমুককে শেষ করে দিতে পারি। অমুকদের বিরুদ্ধে বলতে পারি। আপনার আবেগ নিয়ে তারা খেলবে। আপনার আবেগ তায়িত করে আপনাকে তাদের দলে ঢুকাবে। কিন্তু এইভাবে তারা আপনাকে ধোঁকা দিবে। তারা যদি একবার যদি আপনাকে ধোকা দিতে পারে তাইলে তারা মনে করে যে হোসাইনের সাথে মুসাফা করার সওয়াব পাইছে আর দ্বিতীয়বার ধোকা দিলে আলীর সাথে মুসাফা করার সওয়াব পাইছে তৃতীয়বার ধোকা দিলে স্বয়ং মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহর সাথে মুসাফা করার সওয়াব তারা পেয়েছে সুতরাং আপনাকে যত মিথ্যা কথা বলতে পারে যত মিথ্যা বলে আপনাকে পটাইতে পারে আপনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে ঈমান থেকে বের করতে পারে সুন্নি থেকে শিয়া বানাইতে পারে যত মিথ্যা কথা বলে সবই তারা সওয়াবের কাজ মনে বড় বড় সওয়াবের অধিকারী হওয়ার কারণে এই তাকিয়া নীতির কারণে আপনি তাদেরকে দেখবেন তারা মুখে যা বলে অন্তরে তা রাখে না।

                                                           

এজন্য আপনি তাদের দ্বারা ধোকাগ্রস্ত হন। রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু বলেছেন আল কার্লা ঈমানদার ধোকা খায় দ্রুত। কারণ সে কারিম মানুষকে স্বাভাবিকভাবে বিশ্বাস করে ফেলে। কিন্তু ফাসকু এই ফাসেকার সে নিকৃষ্ট এবং সে ধোকাবাজ ধরিবাজ সে মানুষকে ধোকা দেয়ার জন্য বসে থাকে এরা মানুষকে ধোকা দেয় আহলে সুন্নাতল জামাতকে ধোকা দিয়ে বিভিন্নভাবে দখল করার পরে আপনাদের টনক নড়ে না এরা যুদ্ধ করে ইরাককে ধ্বংস করেছে এরা ইয়ামানকে ধ্বংস করেছে এরা সিরিয়াকে ধ্বংস করেছে এরা বাহরাইনকে ধ্বংস করেছে এরা লেবাননকে ভাগ করে দিয়েছে এরা সিরিয়ার সুন্নিদের দের এমন মারা মারছে যে এর আগে কোনদিন এত মুসলিমদের মধ্যে এই মৃত্যু ইহুদিরাও করে নাই। এত মানুষকে তারা মেরেছে।

                                                           

এদের কিন্তু শিয়া মারেনি। সবগুলি সুন্নিদেরকে তারা মেরে ফেলেছে। এটার কারণ হচ্ছে তারা মনে করে এদেরকে মারা সবের কাজ। কারণ তারা এদেরকে আমাদেরকে ঈমানদারী মনে করে না। যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা আলী ওলা ওলিউল্লাহ দাবি না করব ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের কাছে আমরা ঈমানদার হইতে পারবো না। নাউজুবিল্লাহ। কিন্তু তারা সবখানেই লুকুচুরি করে। বিশাল বিশাল হুংকার ছাড়বে অমুক দেশকে উড়িয়ে দেব অমুক দেশকে এই করে ফেলবো অমুকের জন্য মৃত্যু শেষ পর্যন্ত তাদের সাথে আবার চুক্তি করে সবচেয়ে নিকৃষ্টতম চুক্তি করে তাদের সাথে থাকে এবং তাদের সাথে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক ভয়াবহ অস্ত্রকে এলাংকার তারা জড়িত হয়ে পড়ে আপনারা সেটা ভালো করে জানেন ইরাককে ধ্বংস করার জন্য আমেরিকার সাথে তারাই আতাত করেছে তারাই ইরাকের আমেরিকান ট্যাংকের উপর চড়ে তারাই ক্ষমতা দখল করেছে আবার অস্বীকার করে যে আমরা আমেরিকাকে চাই, এটা করতে চাই, ওইটা করতে চাই।

                                                           

কিন্তু তাদের মুখের কথা ছাড়া কিছুই নয়। বাস্তবে তাদের সবচেয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কাফেরদের সাথেই থাকে। কাফেররাও ভালো করে জানে যে উম্মতে মুসলিমার জন্য কোনটা ক্যান্সার। তারা জানে যে শিয়ারা হচ্ছে উম্মতে মুসলিমার জন্য ক্যান্সার। কারণ সঠিক ধারা আহলে সুন্নাত জামাতের বাইরে যারা গেছে তারা সবসময় ইসলামকে ভাগ করা এবং বিকৃত করার চিন্তায় সবসময় নিবেত থাকে। তাদের খেলাফতের ব্যাপারে তাদের বিশ্বাস হচ্ছে যে খেলাফতে ইমামত বিশ্বাস হচ্ছে যে রসূল আলীর কথা স্পষ্ট করে বলে গেছেন এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাললাম আবু বকরকে তার জায়গায় সালাত আদায় করতে বলেছেন এবং কেউ যদি বলতো আপনাকে না পেলে কার কাছে আসব রাসূল বলে দিতেন আবু বকরের কাছে আসবে এবং রাসূুল্লাহ মৃত্যুর সময় বলেছেন আব্লাহসলা আবু বকর আবু বকর ছাড়া আল্লাহ রাসূ কেউ সন্তুষ্ট হবে তিনি বলে দিয়েছেন অর্থাৎ তিনি আকারে ইঙ্গিতে স্পষ্ট অস্পষ্ট বিভিন্নভাবে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু খেলাফতের কথা বলেছে এটাই বিশুদ্ধ কথা কিন্তু এরা মনে করে যে খেলাফতের হক শুধুমাত্র

                                                           

আহলুল বাইত নাম দিয়ে এদের ভিতরে না আলবাত রাসূুল্লাহ পরিবারতান্ত্রিক কোন কিছু তৈরি করেন নাই বলেন নাই এই পরিবারতান্ত্রিক যারা মনে করছে রাসূলের পরিবারের মধ্যে খলিফা হবে এরা শুধু মিথ্যাচার করেছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তিনি সবসময় এটাই বলতেন যে রাসূুল্লাহ আবু বকর ওমর ওমর ওসমান আলী এদের কথায় বেশি বেশি বলতেন সাহাবায়ে কেরামও রসূলের যুগে বলতেন আবু বকর ওমর ওসমান আবু বকর ওমর ওসমান আবু বকর ওমর ওসমান আলী এভাবে তারা বলতেন কখনো কখনো আলী বলতেন কখনো আলী বলতেনও না তারা তারপরেও আমরা বলি যে খেলাফত হচ্ছে আবু বকর ওমর ওসমান আলী এভাবে সিরিয়াসলি ঘটতে হবে কিন্তু তারা মনে করে খলিফা হচ্ছে শুধুমাত্র আলী ইবনে আব তালেব এবং তার বংশধরের মধ্যে এটা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ঘোষণা করেননি তারা এটাকে খেলাফত ঘোষণা এটাই তারা মনে করে থাকে যে এরা তাদের খলিফা।

                                                           

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে খলিফা তো রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন। তাদের ইমামদের একমাত্র আলী ইবনে আব তালেব ব্যতীত এবং হাসান ইবনে আলী ব্যতীত আর কেউ রাষ্ট্র পরিচালনা করেন নাই। তাহলে কিসের ইমাম? কিসের খলিফা? তাদের ইমামদের মধ্যে বিখ্যাত হচ্ছে। আপনারা জানেন তার ১২ জন হচ্ছে আলী ইবনে আব তালেব। হাসান ইবনে আলী রাদিয়াল্লাহ। হোসাইন ইবনে আলী রাদিয়াল্লাহ। এই তিনজনের পরে আল জুল আবেদিন। যাকে আবেদিন বলা হয় তিনি। আপনারা জানেন যে তিন হোসাইন ইবনে আলী রাদি তিনি খলিফা হন নাই এবং তো রাষ্ট্র পরিচালনা করেন নাই শুধুমাত্র আলী হাসান আলী রাদিয়াল্লাহু এবং হাসান এই দুইজন শুধুমাত্র রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন কিছুদিন হাসান ইবনে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আর আলী ইবনে আব তালেব চার বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন কিন্তু এরপরে যাদেরকে বলা হয় তারা কেউ রাষ্ট্রের মুখও দেখে নাই কিন্তু তাদেরকে তারা খলিফা বলে ইমাম বলে কি হিসেবে ইমাম বলে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করতে হবে হ্যা তাদের মধ্যে আলেম ছিলেন আলী ইবনে জল আবেদিন আলেম ছিলেন মোহাম্মদ আল বাকের আলেম ছিলেন।

                                                           

তাদের মধ্যে জাফর আস সাদেক আলেম ছিলেন। এরপরে যারা আসছে তাদের মধ্যে কেউ আর বড় আলেম বলে বিবেচিত হয়নি। তারা যদিও নিজেদের ইমামদেরকে বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলে এদের মধ্যে তারা বলে এরপরে হচ্ছে মুসা কাদেম আলী রেদা মোহাম্মদ আল জাওয়াদ আলী আল হাজী হাসান আজকারী এই ১১ জন পর্যন্ত শেষ হয়ে যায়। কারণ হাসান আজকারীর কোন সন্তান হয়নি। তারা জোর করে বলে তার একটা সন্তান হয়েছিল তার অন্ধকারে সেটা চলে গিয়ে গর্তের ভিতরে ঢুকেছে পাহাড়ের সেটা আর বের হয় না আসলে কোন সন্তান ছিল না কারণ তারা আল্লাহ তালা তাদের মিথ্যাবাদীকে মিথ্যা প্রকাশ করে দিয়েছেন যে এই ১২ জন ইমামের কথা আল্লাহ ও তার রাসূল কখনো বলেন নাই তারা কোত থেকে সেটা নিল তারা নিয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা হাদিস থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন আমার উম্মতের মধ্যে যতদিন ১২ জন খলিফা থাকবে ততদিন উম্মত শক্তিশালী থাকবে এই কথাটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাম বলেছেন এই ১২ জন খলিফা ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের

                                                           

মধ্যে শেষ হয়ে যায় সেদিকে না গিয়ে তারা খেলাফত নিয়ে এসেছে তাদের আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর বংশধরের ভিতরে এই বিভ্রান্তি তারা তৈরি করে মানুষের ভিতরে ছড়িয়ে দিচ্ছে কিন্তু আল্লাহ তালা মিথ্যাবাদী মিথ্যা প্রকাশ করে দিয়েছেন হাসান আসকারী রাহমা্লাহ তিনি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যাক তার কোন সন্তান ছিল না এর মধ্যে প্রকাশিত হল যে ১২ জন এদিকে আসার সুযোগ নাই ১২ জন উল্টা দিকে অর্থাৎ যেটা স্বাভাবিকভাবেই মুসলিমদের খেলাফত যারা পরিচালনা করেছেন তাদের মধ্যে সর্বশেষ খলিফা ১২ জনের মধ্যে হচ্ছেন ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রহমতুল্লাহ আলাই জিহাদের ব্যাপারে তাদের কি বিশ্বাস জানতে হবে আমাদেরকে আমাদের অনেকেই না বুঝে ভুল করে থাকি তাদের বিশ্বাস হচ্ছে যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের ইমাম মাহদী না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত কোন জিহাদ নেই এখন হয়তো বলেন যে এই যে তারা যুদ্ধ করতেছে এগুলি সবই হচ্ছে দুনিয়ার মাসলাহাত স্বার্থের জন্য তারা মনে করে যে প্রতিরোধমূলক জিহাদ দরকার আছে এইজন্য যখন আক্রমণ হয়েছে তখন প্রতিরোধ করেছে পর্যন্ত তারা করেনি।

                                                           

তারা প্রতিরোধমূলক করতে পারবে। আর তাদের যত জিহাদ সব সুন্নিদের বিরুদ্ধে সবসময় হয়েছে। ইতিহাস সাক্ষ্য যতগুলি তাদের যুদ্ধ হয়েছে সুন্নিদেরকে মারার জন্য তাদের হয়েছে। যখনই তারা ক্ষমতায় গিয়েছে কোথাও তখনই সুন্নিদেরকে তারা মেরেছে। এবং সেখানে আবু বকর ওমর বলতে কাউকে রাখেনি। আজও যদি আপনি ইরানে যান আবু বকর ওমর এই নামে কাউকে আপনি সেখানে খুঁজে পাবেন না। আয়েশা নামে কাউকে সেখানে আপনি খুঁজে পাবেন না। এমনকি আপনি নিজেই শুনবেন ইরাকে যখন তারা ঢুকেছে কিছুদিন আগে অর্থাৎ সাদ্দামের পতনের পরে তখন তারা যত নাম খুঁজে দেখেছে যেখানে যেখানে এই জাতীয় সুন্নিদের আয়েশা আবু বকর ওমর পেয়েছে সেগুলিকে একটাকেও তারা জীবিত রাখেনি।

                                                           

সবগুলিকে মেরে ফেলেছে এবং কি সবচেয়ে খারাপভাবে তারা মেরেছে নিকৃষ্টভাবে তাদেরকে মেরেছে এইগুলি সবগুলি আপনারা YouTube এ দেখতে পাবেন তাদের ছবি সহ কিভাবে তাদেরকে মারছে আমি শুধু এটাই বলছি জিহাদ নামে তারা যে লাফালাফি করছে এগুলি তারা কখনো কাফেরদের বিরুদ্ধে জিহাদের জন্য নয় তাদের জিহাদ হচ্ছে আমাদের বিরুদ্ধে আহলে সুন্নাহকে কিভাবে দমন করা যায় এইজন্য তারা সবসময় এই নিকৃষ্ট কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকেন তাদের এবাদতের কিছু পরিচয় দিবে আকিদা শুনলে এবাদতের কিছু পরিচয় দেই তাদের কালেমা শুনছেন আশহাদু আন্না আলিয়ান ওলি আল্লাহ না কইলে কালেমা হয় না আমাদের নিকটত কালেমার দুইটা অংশ একটা হল কালেমাতু তাওহীদ শাহাদাতলাহ কালেমাতু রিসালা মুহাম্মাদান আবদু আবদুহুস মুহাম্মাদ আবদ রাসুল এটা হচ্ছে আমাদের তাদের নিকট কালেমা কালেমায় তিনটা লাগবে তাদের কালেমাই পূর্ণ হয় নাই আসেন সালাতের ব্যাপারে আসি আযানের মধ্যে তারা আমরা বলি হাই আলা সালা তারা বলে হাইলা একটা বাড়িয়ে দিছে এটার মধ্যে আযানের মধ্যে তারা বাড়িয়ে দিয়েছে আপনি যে কোন যান যেকন ইরানে যে

                                                           

কোন আজান শুনতে চেষ্টা করেন দেখবেন এটা পাবেন আমি কোন একটা শব্দ বাড়িয়ে বলছি না আপনার শুনবেন এটা আবার দেখবেন অজু অজুতে তারা পা ধোয় না আপনি যে কোন শিয়াকে দেখবেন কোনদিন পা ধোয় না ভালো করে দেখবেন তাদের নিকট পায়ে মচে করতে হয় এজন্য তারা পা ম করে যদি কারো মোজা থাকে পায়ে মোজা খুলে পায়ে মচে করবে তবুও পা ধুইবে না কোনদিন পা ধুবে না আর আপনার নিকট পা না ধুলে ওযু হয় নাই। তাদের ওযু যেখানে হয় নাই সালাত কেমনে হয় এটা আপনি বলবেন। আমার বলার কিছু নেই। তাদের সালাত হচ্ছে তিন ওয়াক্ত। আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত। তাদের সালাত হচ্ছে তিন ওয়াক্ত।

                                                           

কারণ হাদিস মানে না। হাদিসে পাঁচ ওয়াক্তের কথা আসছে। এজন্য আর কোরআনের তিন ওয়াক্ত তারা হিসাব করে। তারা দিনে একটা পড়ে। সকালে একটা সারাদিনে একটা রাতে একটা পড়লে তাদের সালাত হয়ে যায়। এইজন্য তারা তিন ওয়াক্ত সালাত আদায় করে। আপনি এটা স্পষ্ট কোন এটা কোন একটিও বানিয়ে বলছি না তাদের থেকে শুনবেন তারা নিজেরা স্বীকার করে তাদের জানাজা আমাদের জানাজার মত না তাদের জানাজা দাঁড়িয়ে কতক্ষণ শিষ করাশিষ করা শিষ দেয়া এটা তাদের জানাজা এগুলি আমাদের মত তাদের জানাজা না আপনি তাহলে তাদের জানাজা সার্চ দিয়ে আপনি দেখতে পারেন তারা জানাজা কিভাবে দিচ্ছে আমি কোন তাদের ইমামরা কিভাবে দিচ্ছে জানাজা আপনি নিজেই দেখতে পাবেন যে কিভাবে জানাজা দিচ্ছে শিয়ারা তাদের সালাত কিরকম যেটা আপনাদেরকে বলেছি আমাদের সাথে তাদের সালাত অনেক পার্থক্য তারা যখন শেষ বৈঠকে বসে তখন তারা আবু বকর ওমরকে লানত করতে থাকে নাউজুবিল্লাহ তারপর তারা সালাম ফিরায় তাদের সালাত দোয়া হচ্ছে সব লানত এইটা হচ্ছে তাদের অন্তর্ভুক্ত নাউজুবিল্লাহি

                                                           

মিন জালিক তাদের যাকাত হচ্ছে যত খুমুস পাঁচ ভাগের এক অংশ আয় তাদের ইমামের জন্য পাঠাতে হবে অর্থাৎ তাদের ইমামের জন্য তথাকত ইমামুদলা খুমাইনর জন্য অথবা আহলে বাইতের নাম দিয়ে তারা বসে আছে আর সারা বিশ্বে যত শিয়া পাঁচ ভাগ নিজের আয়ের পাঁচ ভাগের এক অংশ ইমামের জন্য পাঠিয়ে দিলে তারা সব শেষ আর ইমামের জন্য সেটা না দেশিয়া হইতে পারবে না কারণ খুমুজ দিতেই হবে বাংলাদেশে অনেকে ইরানে খুমুজ পাঠায় দুর্ভাগ্যের বিষয় তারা খুমুজ পাঠানোর জন্য বসে থাকে তাদের হজ হচ্ছে কবর থেকে বরকত অর্জন করা তারা কবরের হজে যায় যখন তারা শুধু বরকতের জন্য ঘুরে আর মিছিল করে মিছিল মিটিংকে তারা গুরুত্ব সাথে নিচ্ছে তাদের অভ্যাসের মধ্যে মারাত্মক বড় অভ্যাস হচ্ছে মোতাবিয়া মোতাবিয়া হচ্ছে কন্টাক্ট মেরিট এরা হচ্ছে তারা কয়েক ১০ মিনিটের জন্য ১৫ মিনিটের বিয়ে কন্টাক্ট করে।

                                                           

এভাবে তারা পুরো দেশটাকে তারা পুরো দেশটাকে একটা প্রস্টিটিউশনে তৈরি করে দিয়েছে। কারণ তারা মনে করে এর মধ্যে সওয়াব আছে এবং বলে যে একবার মোতা করলে এই সওয়াব। সওয়াবের আশায় অনেকে মোতা করতেছে। মানে যুবকদেরকে তারা এই রাজিলা এই নিকৃষ্ট কাজের মধ্যে ডুবিয়ে রাখছে। তারপরও আপনাদের কাছে এগুলি হচ্ছে আপনাদের মডেল। আপনাদের বিবেককে আমি জিজ্ঞাসা করছি কোন ঘাটেলে আপনি চলছেন তারা এভাবে আমাদের যে সমস্ত আমরা শুধু এক আরেকটা সওমের ব্যাপারে শুধু বলব এবং শেষ করে দিব সেটা কি স তারা সওম আমি তারা স ইফতার কখন করে আমরা ইফতার করে সূর্য ডুবলে তারা ইফতার করে তারকা উঠা পর্যন্ত দেরি করবে তারকা দেখা যাওয়া পর্যন্ত আমার মনে আছে এটা আমি সরাসরি দেখেছি একবার আমি আইউটিতে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজিতে একটা কাজে গিয়েছিলাম একদিন ইফতার দাওয়াত দিয়েছে আমি ইফতার করতে বসেছি ইরানি এম্বাসেডর ছিল সেখানে তখনকার সময় এম্বাসেডরশিয়া ছিল তো সে এসে এবং তার ওয়াইফ ছিল তারা দেরি করছে আমরা ইফতার

                                                           

করে নামাজ পড়ে আসি দেখি তারা এরপরে ইফতার শুরু করেছে কারণ এরা কখনো ইফতার সূর্য ডুবার সাথে ইফতার করবে না কারণ ইহুদিরা তারকা না দেখা পর্যন্ত ইফতার করে না আর বর্তমানে শিয়ারা শিয়ারাও তারকা না উঠা পর্যন্ত তারা ইফতার করে না আপনি তাদের সাথে কোন জায়গায় মিল পেয়েছেন আমাকে বলেন না আকিদাতে মিল, না আমলে মিল, না সালাতে মিল, না ওযুতে মিল, না আজানে মিল। এই গুষ্টিকে আপনি কিভাবে সাপোর্ট করতে পারেন? তাদের জানাজার জন্য আপনি কি জন্য দৌড়াচ্ছেন? তারা কিসের জানাজা পাবে? চার মাস অতিবাহিত হওয়ার পরে এটা কিসের জানাজা? এটা আবার উপস্থিত করবে মানুষদেরকে। এটার জন্য ঘটা করতেছে।

                                                           

আল্লাহর দ্বীনে এইটা নেই। এটা কোত থেকে আবিষ্কার করেছে? আপনি এই কাজের জন্য সমর্থন করছেন, যাচ্ছেন, পয়সা খরচ করছেন। আপনি কেন বুঝেন না এরা আমাদের এই মুসলিম সমাজের জন্য এরা ক্যান্সার। এরা আমাদের ইসলামকে পরিবর্তন করে দিয়েছে। জগতে যতগুলি বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে তার মধ্যে এদের বড় একটা এদের একটা কন্ট্রিবিউশন আছে। বিভ্রান্তি তৈরির পিছনে। শিয়ারা আকিদা নষ্ট করার ক্ষেত্রেও তারা সিদ্ধহস্ত। মানুষদের ঈমান নষ্ট করার ক্ষেত্রে সিদ্ধহস্ত। মানুষের এবাদত নষ্ট করার ক্ষেত্রে সিদ্ধস্ত। মানুষের শক্তি ক্ষয় করার জন্য সুন্নির আহলে সুন্নাতল জামাতের শক্তি ক্ষয় করার জন্য তাদের মত কাউকে আপনি পাবেন না। এরা সবসময় বিভ্রান্তি তৈরিতে বিপপ্ত রয়েছে। এদের থেকে সাবধান করা।

                                                           

এদের আকিদা বিশ্বাসকে মানুষের সামনে তুলে ধরা। এটা একটা কর্তব্য বটে। যারা এদিকে লুকুচুরি করবেন তারা এখনো সঠিক পথে আসতে পারেননি। ঈমান ও আকিদার মূল দাবি হচ্ছে এই বিভ্রান্তী লোকদেরকে তাদেরকে তুলে ধরা এবং তাদেরকে বিভ্রান্ত বলে প্রকাশ করা। এটা ঈমানি দায়িত্ব বলে আমি মনে করছি। হলহামদলিল্লাহুবিল্লাহ আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আনা মুহাম্মাদস সম্মানিত মুসলিম বলছিলাম শিয়াদের অপকর্মের কিছু ইতিহাস বলছিলাম। শিয়ারা কিনা করেছে? বাগদাদের খলিফাতুল মুসলিমিনকে তারা মেরেছে। বাগদাদ ধ্বংস হালাকু খানের হালাকানের সাথে তারা হাত মিলিয়েছে। হাত মিলিয়ে বাগদাদ ধ্বংস করেছে। এভাবে বারবার তারা কাফেরদের সাথে হাত মিলিয়ে তাদের কারণে সালাউদ্দিন আয়ুবকে অনেক ব্যাগ পেতে হয়েছে। নুরুদ্দিন জঙ্গিকে অনেক সময় দিতে হয়েছে।

                                                           

তাদের পিছনে। তাদের পিছনে শাইখুল সাইমিয়া তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করা তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করা এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মুসল্লিম রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং তাদেরকে কখনো প্রশ্রয় না দেয়া তাদেরকে কোন সুযোগ না দেয়া এটা একটা রাষ্ট্রের কর্তব্যের ভিতরে পড়ে। এরা মুসলিমদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতির কাজগুলি তারা করে থাকে। এরা বড় ধরনের ক্ষতির কাজ করে থাকে। কি ক্ষতি করেছে আপনারা বুঝতে পারেন তারা এমন সব ক্ষতি করেছে মুসলিম বিশ্বে কিছুদিন এই যুদ্ধের মধ্যে আপনারা দেখেছেন এমন সব জায়গাতে তারা তাদের বিভিন্ন অস্ত্র নিক্ষেপ করে যার মাধ্যমে তারা মুসলিমদেরকে অনেক বেশি কষ্টের মধ্যে নিভত করেছে অনেক আমাদের বাংলাদেশী অনেক ভাই সেখানে মারা গিয়েছে এগুলির কোন কারণ নাই শুধুমাত্র এই জন্য যে তারা সেখানে কাজ করতো এই গৃহ মানুষ দুর্কেতদেরকে তারা মেরে ফেলেছে এই সমস্ত আরব দেশে থাকার কারণে আরবদের প্রতি ঘৃণা তৈরি করা এটা বৈধ কোন কাজ নয়।

                                                           

তেমনিভাবে মুসলিমদের আকিদার মধ্যে সন্দেহ তৈরি করা এটাও বৈধ কাজ নয়। এরা সারাক্ষণ এই আকিদা বিশ্বাসকে নষ্ট করার জন্য কেউ বলবে মাওলা আলী। কেউ বলবে অলি। এই জাতীয় আলী মাওলা বলে যারা চিৎকার করে এরা সবগুলি বিভ্রান্ত। এদের ব্যাপারে সাবধান থাকবেন। এদের থেকে নিজেদেরকে দূর রাখবেন। এদের সবগুলি হচ্ছে বিভ্রান্তি। আকিদা বিশ্বাস কর্মকাণ্ড। যারা এগুলি প্রচার করে তাদের থেকেও আপনারা বিভ্রান্ত থাকবেন। মনে রাখবেন ইসলাম হচ্ছে যার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাললাম বলে দিয়েছেন রাসূুল্লাহ সালা বলেছেন তিনি বলেছেন আলাইকুম সুন্নাতি খলাফ তোমরা আমার সুন্নতকে আকড়ে ধর আমার খলিফা রাশি সুন্নতকে আকড়ে ধর রাসূুল্লাহ বলেছেন আমার উম্মত ৭৩ ভাগ বিভক্ত হবে ৭২ ভাগ জাহান্নাম যাবে একটি শুধুমাত্র জান্নাতে যাবে সেটি কি যার উপর আমি আছি এবং আমার সাহাবীরা আছে।

                                                           

রসূলের সাহাবীরা যে পথে নাই সেই পথে আপনি থাকবেন না। যারা রাসূলের সাহাবীদেরকে সমালোচনা করে রসূলের সাহাবীকে সমষ্টি রাসূলের সাহাবীদের সাহাবীদের সমষ্টি সামষ্টিকভাবে তাদেরকে মেরিয়ার হক মনে করে না। তারা অবশ্যই পথভ্রষ্ট। এরা শিয়াদের দ্বারা প্রভাবিত। এজন্য তাদের দ্বারা দেখবেন তারা শিয়াদের কর্মকাণ্ডে সবার আগে দৌড়াচ্ছে। এরা বিভ্রান্ত। এই গোষ্ঠি থেকেও সাবধান থাকবেন। মনে রাখবেন যদি আপনি হকের পথে চলতে চান আল কোরআনকে অনুসরণ করবেন। সুন্নাহকে অনুসরণ করবেন। কোরআন সুন্নাহকে সাহাবায়ে কেরামের পদ্ধতিতে অনুসরণ করবেন। এবং মনে রাখবেন রাসূ যেটা বলেছেন যে উত্তম প্রজম্য হচ্ছে আমার প্রজম্য। তারপর হচ্ছে তারা যার পরে আসবে। তারপর তারা তিনটি কথা বলেছেন বিশুদ্ধ মতে।

                                                           

অর্থাৎ অর্থাৎ সাহাবা তাবেন আবা তাবেনের পরে যত কিছু আসছে এগুলি আসলে কোনদিন কিছু নিয়ে আসবে না। এ ভালো কিছু নিয়ে আসবে না। এজন্য এই বিভ্রান্তি যারা তৈরি করছে যারা সাহাবায়ে কেরামকে মেনে চলে না যারা রসূলের সুন্নাহকে মেনে চলে না। যারা ইমাম আইমা ইমাম আবু হানিফা মালেক শাফি আহমদ এদের ব্যাপারে খারাপ মন্তব্য করে অথবা যারা বুখারী মুসলিম আবু দাউদ তিরমিজি আছে ইবনে মাজা সহ হাদিসের ইমামদের ব্যাপারে খারাপ মন্তব্য করে আমাদের সম্মানিত আলেমদেরকে যারা মোটেই সহ্য করতে পারে না এদের থেকে সাবধান থাকবেন নিজেরা এরা ইসলামকে ধ্বংস করবে যদিও তারা ইসলামের মুখে ইসলামের কথা মুখে বলে বেড়ায় ইসলামকে ধ্বংস ছাড়া আর কিছু তারা করবে না আপনাদেরকে সাবধান করার দায়িত্ব ছিল বলে দিয়েছি আকুল আল্লাহুম্মা আল্লাহুম্মা তাকাব্বা মিন্না আল্লাহ আল্লাহর কাছে আমি চাই আল্লাহ যেন আমাদেরকে ফেতনা থেকে বাঁচিয়ে দিন জগতের যখানে যত রকম ফেতনা বের হয়েছে যতগুলি ফেরকা বেরিয়েছে আহলে সুন্নাত জামাত ছাড়া এর বাইরে যতগুলি ফের সবগুলি

                                                           

থেকে আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করেন আল্লাহর কাছে এই দোয়া করছি মহাম্দ আবদুল্লাহ আলাইহিস সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ আলা মুহাম্মাদ মহাম্দহ আল্লাহ মুহাম্মাদ মহাম্মা ইব্রাহিম ইব্রাহিম হাদ আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ আমাদের সবাইকে আপনি ক্ষমা করে দিন আল্লাহ আমাদের মধ্যে যারা পথ তাদের ইসলামের ফিরিয়ে দিন আল্লাহ আমাদের মধ্যে যারা সুন্না থেকে তাদেরকে ফিরিয়ে দিন আল্লাহ আমাদেরকে অনুসারী বানিয়ে দিন আল্লাহ আমাদের প্রতিষ্ঠিত রাখুন। আল্লাহ আমাদের মধ্যে যারা অসুস্থ আছে সুস্থতা দান করুন। আল্লাহ আমাদের মধ্যে যারা কবরে শুয়ে তাদেরকে আপনি ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ আমাদের মধ্যে যারা বিপদে আছে বিপদ থেকে উদ্ধার করে দিন। আল্লাহ আমাদের ইসলামকে আমাদের বাংলাদেশ ইসলামকে আপনি হেফাজত করুন।

                                                           

আল্লাহ আমাদের শাসকদেরকে ইসলামের দিকে ফিরিয়ে দিন। আল্লাহ তাদেরকে আপনি সাহায্য করুন। তারা যেন ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করতে সে তৌফিক দিন। আল্লাহ তাদেরকে দ্বীনের দিকে ফিরিয়ে দিন। আল্লাহ আমাদের যারা জনপ্রতিনি প্রতিনিধি আছে তাদেরকে আপনি ইসলামের দিকে ফিরিয়ে দিন। আল্লাহ তাদের দ্বারা দ্বীনের খেদমত করার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ তাদের দেশের মানুষের খেদমত করা তাদেরকে তৌফিক দিন। আল্লাহ তাদেরকে আল্লাহ দ্বীন থেকে আল্লাহ দ্বীন বিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন। আল্লাহ আমাদেরকে আপনি ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ আমাদের সন্তানদেরকে দ্বীনের উপর রাখুন। আমাদের মেয়েদেরকে দ্বীনের উপর রাখুন। আল্লাহ আমাদের মেয়েদেরকে হেমত দান করুন। আল্লাহ আমাদেরকে আপনি কবুল করুন। আমাদের আমলগুলি কবুল করুন।