তারবি তালিম মানে হচ্ছে থিওরিটিক্যাল জ্ঞান। কারণ কোরআনের থিওরিগুলো তো বুঝতে হবে। মানুষ যদি কাউকে জিজ্ঞেস করেন গভীর জ্ঞান সম্পন্ন কোন তো কালকে সবকিছুর দাম আবার বেড়ে গেছে বিশ্ববাজারে বেড়েছে কিনা? যখন আবার যুদ্ধের ঘোষণা আসলো যতবার বাজে ততবার মানুষের জীবনে কঠিন কিছু বাস্তবতা এবং চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়। সে ইউক্রেন যুদ্ধ কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ, ইসরাইল যুদ্ধ এগুলো কিন্তু সারা বিশ্ববাজারকে একদম অস্থির করে দিচ্ছে। আর যারা একটু অল্প আয়ের মানুষ তাদের জন্য কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এগুলোকেও কাটানোর জন্য শের কিছু ট্রিটমেন্ট আছে, ইনস্ট্রাকশন আছে। সেটাও কিন্তু আমরা ফলো করি না। একের পর এক ভূমিকম্প আসছে ঝড় বৃষ্টি। এই সমাজের মধ্যে জলস্থলে অন্তরিক্ষে সবখানে যে বিপর্যয় যে ফাসাদ এগুলো কাদের কারণে? মানুষের কারণে না।
মানুষের কারণে। করা উচিত। ফলে একের পর এক আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা কিন্তু বড় বড় বিপদ দিচ্ছেন এবং এই অঞ্চলে খুবই সম্ভাবনা দেখছেন যদি আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি। তারা বলেছেন এই বার্তাগুলো হচ্ছে ছোট বার্তা মানে যাতে মানুষ সাবধান হয়ে যায়। আর যদি মানুষ সাবধান না হয় তারপরে আসবে বিশাল বিপর্যয়। এবং সেই বিশাল বিপর্যয় যদি ধরেই নেন এই যে ভেনেজুয়েলায় কয়দিন আগে হলো না বেশিদিন তো হয়নি এক সপ্তাহের মত দেখেন বিশাল বিশাল বিল্ডিং ধসে পড়েছে যারা বিল্ডিং কোড রক্ষা করে নাই ঢাকা শহরে কি অবস্থা হবে আর তখন দারিদ্র অনেক কমে যাবে তাই না একটা বড় >> অর্থনৈতিক বিশাল বিপর্যয় তৈরি করেছে কিনা বলেন আমাদের ব্যবসা বাণিজ্য সব গুটি ফুটিয়ে যাচ্ছে তাই না? আর দ্বিতীয় বিপর্যয় যদি হয় আল্লাহ না করুন আল্লাহ রক্ষা করুন।
আমরা সে দোয়া করছি। বিপর্যয় হলে দারিদ্র আরো অনেক কঠিনভাবে আঘাত হানবে। ষষ্ঠ যে বিষয়টা সেটি হলো আমাদের অনেক আনেমপ্লয়মেন্ট সমস্যা। বেকারত্ব। একটা সমাজ যখন প্রোডাক্টিভ কাজ না করে তখন সেখানে অটোমেটিক বেকারত্ব তৈরি। ইউনিভার্সিটির ডিগ্রিও নিতে হবে। অথচ উনি গবেষকও হবেন না কিছু হবেন না। এটা একটা যেমন বিষয় তাহলে শিক্ষিত বেকার বেড়ে যাবে না। এই সমাজে দেখেন এক সাবজেক্টে পড়ে সে অন্য চাকরি করছে। তার মানে প্রফেশনালও তৈরি হচ্ছে না। একটা ইউজলেস শিক্ষা কর্মমুখী শিক্ষা নয়। কর্মমুখী শিক্ষা এই পৃথিবীতে বড় পথ প্রদর্শক। সেটা আপনি তার হাদিসগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখতে পাবেন। কিন্তু আজকে কি হচ্ছে আমরা আমাদের জীবনের বিশাল একটা সময় নষ্ট করে ২২ দেশ ক্ষয় করে ফেলতে হয় চাকরির পেছনে।
নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লামের আরেকটা শিক্ষা যেটা আমরা হয়তো পরে আরেকটু ইলাবরেট করবো যদি সময় পাই। তিনি কিন্তু চাকরির চাইতে উদ্যোক্তা হওয়াকে বেশি পছন্দ গ্রাজুয়েট বের হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বমানের কোন আলেম কি বের হচ্ছে? যদি আমরা প্রশ্ন করি দাড়ি কি বের হচ্ছে যে দাড়ি পুরো দেশকে আলোকিত করতে পারে ছোট্ট একটা দেশ বাংলাদেশ পৃথিবীর অনেক দা হয় তাহলে দেখবেন একটা মানুষ যে ১০০০ কোটি টাকা চুরি করে বাংলাদেশ থেকে চলে যাবে তার বদলে যদি সে কোন টাকাই চুরি না করে তাহলে বলেন তো সে প্রডাক্ট আসলে আনপ্রোডাক্টিভ করে দিচ্ছে আমরা শিক্ষিত পাচ্ছি বহু বাট দে আনপ্রোডাক্টিভ প্রোডাক্টিভ হচ্ছে যারা মরা টি নিয়ে মানুষ হয় নৈতিকতা সমৃদ্ধ ফলে তারা আখিরাতের হাইসিয়তে প্রোডাক্টিভ দুনিয়ার হাইসিয়তেও অষ্টম যে বিষয়টি মূল কারণ সেটি হচ্ছে সম্পদের বন্টনটা আদল ইনসাফ নিজের বেনিফিটের জন্য সে চেষ্টা করবে করছে কিনা বলেন দারিদ্র কিন্তু এখান থেকেই আসে নবম যে বিষয়টি সেটি হচ্ছে পাশাপাশি ধনী ব্যক্তিদের লোভ এটাও আমাদের দারিদ্রের একটা
বড় কারণ যিনি ধনী তিনি আরো চান এক কোটি টাকা প্রথমে স্বপ্ন দেখেন তারপর ভয়ঙ্কর করাপশন করে এই টাকাটা অর্জন করে আর কিছু লোক আছে ব্যবসায়ী ছলে বলে কৌশলে অনেক অফার দেয় অথবা এটাকে মনোপলি বলে মনোপলি বিজনেস আপনি দেখেন পৃথিবীর বড় বড় এখনো কেন আপনি এই দামটা রাখবেন তার মানে আপনি একটা অদ্ভুত বিজনেস সিস্টেম করেছেন একটা লিগাল ফরমেটে। অথচ ইউ আর টেকিং দা মানি ফ্রম দা হ্যান্ডস। আপনাকে ল এনফোর্সমেন্ট কমিটিও ধরছে না। আপনি তো জায়েজ পন্থায় ইনকাম করেছেন। এটা হচ্ছে আমাদের ধনী ব্যক্তিদের লোভ। মনে রাখবেন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে এটা মানুষের এফোরডেবল প্রাইসে দিতে হবে।
যে মূল্যে মানুষ কিনতে পারে সে মূল্যে তাকে দিতে আপনি বাধ্য। রাষ্ট্র এখানে হস্তক্ষেপ করবে। রাষ্ট্র এখানে হস্তক্ষেপ করবে। নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম হস্তক্ষেপ কর। নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম হস্তক্ষেপ করতেন। এটার মূল্য এই টাকার বেশি ভোগ করি। ব্যাপারটাতেন। এটার মূল্য এই টাকার বেশি ভোগ করি। ব্যাপারটা কি? আসলে তাই। ওরা তো আমাদের হাতের সমস্ত টাকা শুষে নিয়ে যায়। নিয়ে যায় কিনা বলেন? আহারে আমাদের মুসলিম মাইন্ডটা এখনো খুব উইক রয়ে আহারে আমাদের মুসলিম মাইন্ডটা এখনো খুব উইক রয়ে গেছে। যেহেতু আমরা গভীর গবেষণা এই দেশেও নানা বৈষম্য আছে। এই বৈষম্যটা আমরা টের পাই। এটা নিয়ে হয়তো বৈষম্যটা আমরা টের পাই। এটা নিয়ে হয়তো দীর্ঘ আলোচনা হতে পারে।
বাট এখানে আজকে আমার আলোচনার সুযোগ নেই। এদেশে কোন আলাদা কাবিলা নাই। সে এখন অন্যদেরকে ডিফ্রাইভ করে। এটা জাস্ট একটা উদাহরণস্বরূপ বললাম। আচ্ছা এখন দ্বিতীয় আলোচনাটা হচ্ছে এটা খুব সংক্ষেপে করব। থার্ডটাও খুব সংক্ষেপে করব। যেহেতু আমরা আজকেটাও খুব সংক্ষেপে করব। যেহেতু আমরা আজকে প্রবলেম প্রথম প্রবলেমটা আমি বলব আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ধস নেমেছে নেমেছে একটা দরিদ্র দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকে বলে বরং আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা স্মরণাতীতকালের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে আমরা প্রয়োজনীয় স্কলারশিপ দিতে পারছি না আমরা আমাদের মাদ্রাসা দিতে পারছি না। মানসম্পন্ন লাইব্রেরি দিতে পারছি না। ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের মধ্যে সুন্দর সুন্দর অবস্থান তৈরি করতে পারছি না। যেখানে ছেলে মানে শিক্ষার্থীরা বসে বসে টিচারদের সাথে ডিসকাস করতে পারে।
দরিদ্র মানে শুধুমাত্র বস্তির লোকদেরকে চিন্তা করবেন না। আমাদের দেশের আপনিও দরিদ্র, আমিও দরিদ্র। আমাদের সরকারও দরিদ্র। চাইলে কিছু করতে পারেন। বিপদের ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। এটা কিন্তু ঢাকায় শান্তিনগরে ফ্ল্যাট বাড়িতে বসে আপনি টের পাবেন না। এটা টের পাওয়ার জন্য আপনাকে হিল ট্রাক্সে যেতে হবে। আপনাকে যেতে হবে লালমনিরহাট, পঞ্চগড়। আমাদের দেশের বিভিন্ন এরিয়াতে যেতে হবে। তাহলে আপনি টের পাবেন। আমাদের দারিদ্রের কষাঘাতে আমাদের প্রিয় মুসলিম ভাই বোনেরা তারা ঈসায়ী হয়ে যাচ্ছে।
তারা বিভিন্ন আর আকিদা কি ঠিক থাকে? এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের কাছে যতটুকু সংবাদ এসেছে আমরা জানি দেশের এ সমস্ত অঞ্চলে যেহেতু আমাদের করতো না বা অন্যদের ভুল মতবাদও গ্রহণ করতো না এবং আরেকটা হচ্ছে একটা সামাজিক বিপর্যয় এটাও আপনি কি তাদেরকে উদ্যোক্তা হওয়ার মত ট্রেইন আপ করে করতে পারছেন ট্রেনিং দিচ্ছেন দিচ্ছেন না এরা কি করবে কোথায় চাকরি পাবে এমনি এমনিতো সারা বাংলাদেশ ভরে গেছে অটোতে আমরা তৈরি করতে পারি নাই অথচ মানুষ কিন্তু সম্পদ মানুষ কিন্তু সম্পদ এর মধ্যে যারা সৎ তারা আরো বড় সম্পদ নারীদেরকেও যদি তারা সতি সাধ্যে নারী হয় তাদেরকেও সম্পদ বলা হয়েছে আপনার মেধা আপনার চমৎকার কর্মকাণ্ড এগুলো দিয়ে তো আপনি দেশকে আলোকিত করবেন।
ফলে আপনার চেয়ে বড় সম্পদ আসলে পৃথিবীতে নাই। কিন্তু আপনার সম্পদ হওয়ার জন্য আপনার ক্যাপাসিটি বিল্ড আপ করতে হবে। কাজে লাগালে বুদ্ধি কিন্তু চমৎকার কাজ করবে। এই মেধাকে কাজে লাগিয়েই তো মানুষ উপরে উঠতে পারে। তো মানুষ উপরে উঠতে পারে। আর যদি কাজে না লাগান তাইলে মেধা কিন্তু বসে থাকবে না। আর যদি কাজে না লাগান তাইলে এই মেধা কিন্তু বসে থাকবে না। কি করবে বলেন? অকাজ না। কি করবে বলেন? অকাজ করবে। হয় মেধাটা কাজ করবে। করবে। হয় এ মেধাটা কাজ করবে নয় অকাজ নয় অকাজ করবে এটা মনে রাখবেন এবং সেটাই হচ্ছে অনেক ভালো ভালো মেধাবী মানুষ হ্যাকার মনে রাখবেন একটা হ্যাকার মনে রাখবেন একটা বিপদ ঘটে যাওয়ার পরে ঘটে যাওয়ার পরে বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়াটা অনেক কঠিন।
বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়াটা অনেক কঠিন। এজন্য এজন্য প্রিভেনশন মোডে থাকতে হবে। ইংরেজিতে প্রিভেনশন মোডে থাকতে হবে। ইংরেজিতে রক্ষা করা এটা চিকিৎসার চাইতে উত্তম। চিকিৎসা তো করবেন যখন আপনি অলরেডি রোগ আক্রান্ত হবেন। তাই না? তো রোগ আক্রান্ত হওয়ার আগেই আপনি নিজে যদি সাবধান থাকেন। এটা আল্লাহর সুন্নাহ। আল্লাহর সুন্না। আমরা একটা দিক মানে যদি আল্লাহর সুন্নাহ কাউনিয়া সুন্নাহ আমরা একটা দিক মানে যদি আল্লাহর সুন্নাহ কাউনিয়া সুন্নাহ শারইয়া এইশারইয়া এই দুই হাইসিয়াতে দেখি তাহলে দেখব দারিদ্র দুই হাইসিয়াতে দেখি তাহলে দেখব দারিদ্র পৃথিবী থেকে জিরো হয়ে যাবে এটা আশা করা যায় না। সুতরাং সে সকল আদর্শকে সামনে রেখে সামনে রেখে আমাদের কাজ করে যেতে হবে।
আমাদের ঈমানের পক্ষে কাজ আমাদের কাজ করে যেতে হবে। আমাদের ঈমানের পক্ষে কাজ করতে হবে। কোর্ট করতে হবে। কোরআন সুন্নাহর অনুশাসন যাতে প্রতিষ্ঠিত হয় সেজন্য যেমন কাজ করতে হবে। ব্যাপারটা এমন নয়। কিন্তু অনেকাংশেই আজকের কিন্তু অনেকাংশেই আজকের উন্নত জাতিগুলো অমুসলিম হওয়ার পরে আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছে কিভাবে তাদের পার ক্যাপিটা ইনকাম বাড়ানো। শান্তিপূর্ণ নিরাপদ সমাজ তৈরি করা যায় নিরাপত্তা সৃষ্টি করা যায় সেটা তারা দেখিয়েছে তাহলে আমরা মুসলিমরা কেন পারবো না আমাদের তো আরো বেশি শক্তি আমাদের সাথে কি আল্লাহ আছেন না >> ভাষাভাষা ইসলামকে নিচ্ছি ইসলামের অধিকাংশ মূলনীতিগুলো আমরা পালন করছি না এই কারণে এটা হচ্ছে আমি খুব সংক্ষেপে বলি প্রথম যে বিষয়টা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা মধ্য দিয়ে মধ্য দিয়েই আপনার প্রোডাক্টিভিটি বাড়াবেন।
আপনার ইনকাম করবেন। তাহলে আপনার ইনকাম আপনার প্রোডাক্টিভিটি বাড়াবেন। আপনার ইনকাম করবেন। তাহলে আপনার ইনকামটা বৈধ হবে। সমাজ যখন বৈধ হয়ে যাবে তখন দেখবেন যে অটোমেটিভিটিক প্রোডাক্টিভিটি বাড়বে। কারণ সবাই বৈধ কাজ করছে। সবাই বৈধ কাজ করছে। যখনই সমাজে অবৈধ কোন কিছুর প্রচলন হবে। তখন প্রোডাক্টিভিটি অটোমেটিক কমে যাবে। কারণ আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হওয়ার জন্য টাকা পয়সা নানা। আমরা দেখি নবী সলা বলেছেন এটা সহ বুখারী একটা হাদিস নবী সলাবলছেন কোন ব্যক্তি তার নিজের কাজ থেকে উদ্ভূত কোন উত্তম খাবার সে খায় নাই এ সবচেয়ে উত্তম আচ্ছা এরপরে আমরা দেখি যে নবী সলা সলামের পাশাপাশি মানে আরো অনেকগুলো উদাহরণ আমরা কোরআনেও পাই আল্লাহ সেগুলো তুলে ধরেছেন আর আমি দাউদকে কে তোমাদের জন্য বর্ম তৈরির প্রশিক্ষণ দিয়েছি তাকে এলেমটা জ্ঞানটা তাকে যুদ্ধ থেকে রক্ষা করে নিরাপত্তা দেয় তারপরেও তোমরা কি শুকর গুজার হচ্ছ তহলে এখানে দেখেন বর্ম তৈরি এবং লোহা থেকে সেটা তৈরি করা হয় আমাদের পক্ষ থেকে দাউদকে অনুগ্রহ
প্রদান করেছিলাম আর বলেছিলাম ইয়াজবাহু ওতর হে পর্বতমালা আমার তাসবি পাঠ করো তার সাথেবাসর আর ভালো কাজ করো নিশ্চয়ই তোমরা যে কাজ করছো আমি সে কাজ সম্পর্কে অবহিত দেখেন খুব সংক্ষেপে আল্লাহতালা মূলনীতি হয় সুন্দর একটা মডেল হয় সেজন্য এটা দিলেন আচ্ছা এরপরে আমরা আরো বিষয়গুলো খুব সঠিকভাবে ভ সঠিক ম্যানেজমেন্ট ক্যাপাসিটির মধ্য দিয়ে দারিদ্র বিমোচনে ব্যবহার করা যায় এটা হিউজ পরিমাণ হতে পারে। এরপরে হচ্ছে ওয়াকফাই। তিন নাম্বার ওয়াক চারিটেবল ওয়াক এটা হতে পারে ওয়াকফ মানে আমরা মনে করছি শুধু মসজিদটা ওয়াকফ হবে। নবী সাল্লা যুগে একটা কূপ পানির জলাধার সেটাকে ওয়াকফ করা হতো পথিকদের জন্য। এই ঢাকা শহরে একটাও কি এরকম পানির টাঙ্কি পাবেন যে সবাই মিলে আমরা ওয়াকফ করেছি? আচ্ছা তারপরে ওয়াকফ হতে পারে আপনার আত্মীয়স্বজনদের জন্যে যে আমার আত্মীয়স্বজন একদম কেয়ামত পর্যন্ত আমি কিছু ওয়াকফ করলাম এই ইনকাম দিয়ে।
ওয়াকফ মানে হচ্ছে জিনিসটা ঠিক রেখে এর বেনিফিট বা রেভিনিউ দিয়ে মানুষকে উপকার করা। তো সেটা কি আমরা করেছি? আলোচনা করব। তো এটাও আমাদের দারিদ্র বিমোচনের জন্য কারণ হতো। আমি যদি এক কোটি টাকার একটা ওয়াকফো করতে পারি আমার আত্মীয়স্বজন ছেলেমেয়েরা যারা পড়বে গরীব অথবা তার জন্য কাঁধে কাধ মিলিয়ে হাতে হাত মিলিয়ে সকলে মিলে কিছু পলিসি স্ট্রাটেজি এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করা এটা তো নাই এটাও নাই আমরা সবসময় চেয়ে থাকি এভাবে আমরা দারিদ্র বিমোচনের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে পারি সামাজিক বিপর্যয় রোধ করতে পারি। সমাজের প্রতিষ্ঠানগুলোকে একক্টিভ করতে পারি। আমাদের ওলামায়ে কেরামের জন্য আলাদা করে সারা দেশে যাতে করে ওলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকেও কিভাবে ভালো কিছু করে সমাজকে আমরা যেকোন অধপতন এবং অনৈতিকতা থেকে মুক্ত করতে পারি।
যদি সেভাবে আমরা চলতে পারি তাহলেই সম্ভব দারিদ্র থেকে বিভচিত হওয়া। নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লামের আরো অনেক সুন্দর সুন্দর ঘটনা আছে যেখানে তিনি একজন ব্যক্তি যখন তার কাছে চাইতে আসলেন তিনি বললেন তোমার বাড়িতে কি আছে বললেন কিছু নাই বলছে একটু চিন্তা করে বল কিছু আছে কিনা বলে দুটো জিনিস আছে একটা কাপড় এবং আরেকটা অন্য কিছু তিনি বললেন যে ওটা নিয়ে আসো নিয়ে আসার পরে তিনি উপস্থিত জনতাকে জিজ্ঞেস করলেন তোমরা কেউ এটা কিনবা নিলামে উঠানোর মত একজন বলল কিনব এক দেরহাম দিয়ে তখন তিনি বললেন না আমি চাই আরো দাম দিয়ে কেউ কিনবে কিনা তখন আরেকজন বলল দুই দেরহাম দিয়ে আমি কিনবো।
তিনি তখন সেটা বিক্রি করলেন। এক দেরহাম ওই সাহাবীকে দিয়ে বললেন, তোমার যে নিড আছে তোমার পরিবার এবং তোমাকে খাওয়ানোর জন্য এখন যার দরকার সেটা কিনে খাও। আর এটা দিয়ে একটা কুঠার তিনি বাকিটা দিয়ে দিয়ে বললেন তুমি বনে যাও কাঠ কাটো। সেখান থেকে কাঠ বিক্রি করে তুমি নিজের উপর নির্ভরশীলতা রাখার চেষ্টা করো। আর ১৫ দিন আগে দেখা করবা। ১৫ দিন পরে সে লোক এসে বলল ইয়া রাসূল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আমার কাছে এখন ১০ দিরহাম ডিপোজিট আছে। নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লামের এরকম আরো অনেক সুন্দর সুন্দর ঘটনা আছে। এইভাবে যদি আমরা আসলে কাজ করি তাহলে দারিদ্র বিমোচন আমাদের জন্য সম্ভব হবে।
দারিদ্র বিমোচনের ইসলামিক ফর্মুলাটা আমাদের ফলো করতে হবে। আপনি দারিদ্র বিমোচনের পাশ্চাত্য ফর্মুলা ফলো করাটা উচিত হবে না। কারণ তারা যে এনজিও কিংবা বিভিন্ন মাধ্যমে নানা সিস্টেমে করে সেটা দারিদ্রকে আরো কঠিন করে ফেলে। কারণ এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানের যারা এডভাইজর এবং যারা চালায় তাদের বিশাল বেতন দিতে হয়। দেখা যায় ১০০ কোটি টাকা যদি আপনি দারিদ্র বিমোচনের জন্য অ্যালোকেট করেন তাহলে ৬০ ৭০ ৮০ কোটি টাকা তাদের বেতনে যায়। বাকি ২০ কোটি টাকা দরিদ্র লোকেরা পায়। এই শুভঙ্করের ফাঁকি এবং পুঁজিবাদী সিস্টেমের মধ্য দিয়ে আসলে হবে না। হবে ইসলামিক সিস্টেমের মধ্য দিয়ে। আমি যেহেতু আমাদের দেশে অধিকাংশই হচ্ছেন মুসলিম বরং বৃহত্তর জনগোষ্ঠী মুসলিম তাদেরকে আমি আবারো নাসিহা করব এ কথা বলে যে আমাদের সমাধান হবে কোরআন সুন্নাহ থেকে।
সেই সমাধানের মধ্য দিয়েই আমাদের দুনিয়ার উন্নতি আখেরাতের উন্নতি। সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম এটা আমাদের মাথায় বসিয়ে নিতে হবে। এইভাবে যদি আমরা যেতে পারি তাহলে জাতের দিক থেকেও স্বতন্ত্র আমরা পাব এবং অন্যদিক থেকে আল্লাহ সুবহাতাার পক্ষ থেকে বারাকা পাব। আর সত্যিকার অর্থে আমরা প্রোডাক্টিভ মুসলিম হতে পারব। আল্লাহ সুবহাতালা আমাদের সবাইকে তৌফিক দান করুন।