সম্মানিত মুসলিয়ান কেরাম আমি আমার নিজেকে আপনাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করে অনুরোধ জানাচ্ছি যেই তাকওয়া অবলম্বন করলে আমরা আল্লাহর জান্নাতে যেতে পারব আল্লাহ তালা কোরআনে কারীম বলেছেন তিলকাল জান্নাতুল এই জান্নাতের ওয়ারিস আমরা করব আমার আমাদের বান্দাদের মধ্যে যারা তাকওয়ার অধিকারী হবে তাকওয়ার বিরোধী যত কিছু আছে সব রেখে আপনাকে জান্নাতে যেতে হবে শুধু তাকওয়া যেটা আছে ওটা নিয়ে জান্নাতে যেতে হবে সুতরাং সময় থাকতে তাকওয়ার কাজগুলি করা উচিত। আর তাকওয়া হচ্ছে আল্লাহর সচেতনতা। আর সর্বক্ষণ আল্লাহর কথা স্মরণ করা। তাকে ভয় করা। তার কাছে আশা করা এবং তার তাকে ভালোবাসা। আল্লাহকে ভালোবাসবেন, আল্লাহর কাছে আশা করবেন এবং আল্লাহকে আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহকে ভয় করবেন, আশা করবেন এবং আল্লাহকে ভালোবাসবেন।
এই তিন জিনিস দিয়ে যদি সারাদিন আপনি চলতে পারেন সারাজীবন চলতে পারেন তাহলে আপনি অবশ্যই তাকওয়ার অধিকারী হতে পেরেছেন। যেখানে ভয়ের জায়গা সেখানে ভয় করবেন। গুনাহর জায়গা যেখানে এবাদতের জায়গা সেখানে ভালোবেসে এবাদত করবেন। যেখানে আল্লাহর রহমত পাওয়ার ইচ্ছা আশা থাকবে সেখানে আল্লাহর রহমতের জন্য তার কাছে চাইবেন। এই তিনটি জিনিস মিলেই হচ্ছে আপনার তাকওয়ার পূর্ণতা পাবে। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি তাকওয়া পূর্ণতা না পাচ্ছেন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি মহসিন হতে পারবেন না। মহসিন হতে হলে পরিপূর্ণ তাকওয়ার অধিকারী ব্যক্তি হতে হবে আপনাকে। একজন মানুষ প্রথমে মুসলিম হয় তারপরে মোমেন হয় তারপরে মহসিন হয় মুসলিম মোমেন মহসিন এ তিনটি স্তর ঈমানদারের সবসময় আছে আবার এটা একবার হয়ে গেলে হয়ে গেছে তা নয় যার সারাটা জীবন এ তিন স্তরের মধ্যে উঠানামা করে কখনো মুসলিম থাকে কখনো মুমিন হয়ে যায় কখনো মসজিদ পর্যন্ত হয়ে যায় ঈমানদার এই তিনটি স্তরের মধ্যে উঠানামা করে।
যদি আপনি এহসান করতে করতে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেন আপনার মৃত্যু এসে যায় তাহলে আপনার জন্য আল্লাহ তাআলা মহসিনদের জন্য যা ঘোষণা করেছেন সেটা আপনি পেয়ে যাবেন। আপনি জান্নাতে যাবেন বিনা হিসাবে। আপনার কোন হিসাব নেই। আপনি এমনি জান্নাতে চলে যাবেন। আর যদি আপনি মোমেনদের মধ্যে পড়েন তাহলেও আপনি জান্নাতে যাবেন। আর যদি আপনি সর্বনিম্ন স্তরে থাকেন মুসলিম থাকেন আপনার জন্য ভালো মন ভালো করেছেন মন্দ করেছেন তওবা করে যাননি আপনার জন্য বিপদের কোন শেষ নেই মহসিন জান্নাতে চলে যাবে আল্লাহতালা নিজে ঘোষণা করেছেন ইন্নাল্লাহ যারা মুত্তাকী মহসিন আল্লাহ তাদের সাথে আছেন আল্লাহ আরশের উপর থেকে সাথে থাকার অর্থ হচ্ছে তিনি আপনাকে দেখছেন আপনার সম্পর্কে জানেন আপনাকে কে তিনি সব রকমের বিপদ আপদ থেকে উদ্ধার করবেন আপনাকে সাহায্য করবেন মুহসিনর জন্য এজন্য দুই রকমের সাথী আল্লাহর সাথে থাকা আছে একটা হচ্ছে ব্যাপক অর্থে আরেকটা হচ্ছে সাহায্য সহযোগিতার অর্থে এজন্য মহসিন পর্যায়ে না যাওয়া পর্যন্ত ঈমানদার কাঙ্খিত মান ঈমানের আপনি কাঙ্খিত
মানে পৌঁছতে পারেন নাই এ তাকওয়ার এই পর্যায় পর্যন্ত আপনাকে পৌঁছতে হবে মনে রাখবেন এ সবগুলির মূল কথা হচ্ছে আল্লাহর এবাদতে মৃত্যু পর্যন্ত লেগে থাকা যাবতীয় এবাদত আল্লাহর জন্য করা যার জন্য আল্লাহ আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন দাসত্ব শুধু আল্লাহরই করব আজ আমরা দাসত্ব আল্লাহ ছাড়া অনেকের জন্যই করি অনেক কিছু দাসত্ব করি আমরা প্রবৃত্তির দাসত্ব সবচেয়ে ভয়াবহ সবচেয়ে ভয়াবহ হচ্ছে প্রবৃত্তির দাসত্ব। বেশিরভাগ মানুষ দাসত্ব করে যাচ্ছে। মনে যা চায় তা আল্লাহ তাআলা যেই নীতি দেননি সেই নীতি যারা অনুসরণ করে তারা তার প্রবৃত্তি দাসত্ব করে যাচ্ছে। প্রবৃত্তি দাসত্ব করে যাচ্ছে। তার প্রবৃত্তি দাসত্ব করা হচ্ছে ভয়াবহ বিপদের কারণ।
এজন্য আল্লাহ তালা কোরআনে কারীমে এটাকে বলেছেন ইলা আপনি কি দেখেছেন তাকে যে তার প্রবৃত্তিকে ইলাহ বানিয়ে নিয়েছে আপনি কি তার উপর কর্মবিধায়ক হবেন প্রবৃত্তিকে ইলাহ বানানোর অর্থ আজ এত বেশি পরিমাণ আমাদের মাঝে আছে আপনি হয়তো উপলব্ধি করতে পারছেন যদি আল্লাহর বিধানের কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে পারেন আল্লাহর শরীয়তকে পুরোপুরি মানতে পারেন শরীয়ত বিরোধী কিছু না চলতে পারেন তাহলে আপনি প্রবৃত্ত দাসত্ব করেননি। যতটুকু আল্লাহর শরীয়ত বিরোধী পথে চলেন অতটুকু প্রবৃত্তি দাসত্ব শয়তানের দাসত্ব অথবা অন্য কারো দাসত্ব করে চলেছেন। আল্লাহর দাসত্ব যদি করতে চান আল্লাহ তাআলা আল্লাহ তাালার শরীয়তকে পরিপূর্ণ মেনে চলতে হবে। সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম আল্লাহ তালা আমাদেরকে যে জন্য সৃষ্টি করেছেন তিনি বলে দিয়েছেন যে একমাত্র তার এবাদতের জন্য এবাদত দাসত্ব এবাদতই দাসত্ব অর্থাৎ আমরা সবাই দাস তিনি আমাদের মনিব আল্লাহ আমাদের মনিব আমরা সবাই দাস দাস অর্থ এটা যে দাস যা ইচ্ছে তা করতে পারে না দাসের কাজ হচ্ছে মনিবের সন্তুষ্টি বিধান করে চলা।
মনিব যা পছন্দ করে, মনিব যা ভালোবাসে, মনিব যা করতে বলেছে, মনিব যা করতে বলেছে, মনিব যা বলতে বলেছে, মনিব যা বিশ্বাস করতে বলেছে। এগুলি যদি কোন আমাদের যথাযথ মনিবের কথা অনুসারে মনিবের নির্দেশ অনুসারে হয় তাহলে আমরা দাসত্ব করেছি। এটাই হচ্ছে যে সংজ্ঞা দেয়া হয় দাসত্ব সেটা হচ্ছে সেটা হচ্ছে অন্তরে এবং প্রকাশ্যে সর্ব অবস্থায় একমাত্র আল্লাহর দাসত্ব করে দিতে হবে। আল্লাহর দাসত্ব করার ক্ষেত্রেও যা ইচ্ছে তা দিয়ে দাসত্ব চলে না। আপনি মনে মনে করলেন বললেন যে রাস্তার পাশে এক ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকবো অথবা আমি রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকবো অথবা বিনা খালি পায়ে চলবো অথবা আমি কারো সাথে কথা না বলে রোজা রাখবো এগুলো নিয়ে আসতে হয় এগুলি আমার নবী অনুমোদন করেন নাই মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম দেখলেন কিছু লোক এক ব্যক্তির উপর ঝটকাফকি আছে রসূল বললেন যে কি হয়েছে? বলে আবু ইসরাইল শপথ করেছে।
কি শপথ করেছে? সে কারো সাথে কথা বলবে না। সে ছায়ায় যাবে না। সে হেটে যাবে হজে। সে কারো সাথে কথা বলবে না। সে ছায়ায় যাবে না। সে হাঁটবে বাহনে চড়বে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন যে তাকে বল কথা বলতে। তাকে বলো বাহনে চড়তে। তাকে বলো সে যেন বাহনে চড়ে। সে যেন রোদে না যায়। রোদে তো দাঁড়িয়ে থাকার স্বভাব নাই। তাকে বলো সে যেন হজটা পূর্ণ করে। বৈধ হচ্ছে হজ। বাকিগুলি বৈধ না। আপনার মন মত এবাদত করলেই হবে না। আপনি যদি নেকি কামাইতে চান, সৎ আমল করতে চান, অবশ্যই আপনাকে কোরআন এবং সুন্নাহর অনুসরণ করে চলতে হবে।
নিজের মন মত কোন নেক অর্জন করতে পারবেন না। মন চাইলেও আমি নেকের এটা করে ফেললাম একটা কিছু। এটা কিন্তু করা যায় না। আজ তো আমাদের মহাউৎসব চলতেছে। যে কেউ ওরস পালন করে। কেউ খোসরোজ দিবস পালন করছে। আমি আসার সময় দেখলাম একপাশে খোসরোজ দিবস পালন করা হচ্ছে। আপনাদের এই এখান থেকে চার কিলোমিটার দূরে দেখলাম গাড়িতে ছিলাম তখন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম খুশুস জিনিসটা কি? এটা করলে কি লাভ? ওরস করলে কি লাভ? এই কাজ এগুলি যারা করে ওরা কি গুনাহর আশায় করে? সওয়াবের আশায় করে। সওয়াব তো যেমনে সেমনে পাওয়া যায় না। সওয়াব তো পেতেই হবে। হাসানা। নেকটা খুবই দরকার।
এজন্য হাসানা অর্থই হচ্ছে কল্যাণ। হাসানা। দুনিয়া এবং আখেরাতে আপনার জন্য যেটা কাজে লাগবে সেটা হাসানা। দুনিয়া আখেরাতে কাজে লাগবে হাসানা। দুনিয়াতে আল্লাহ সন্তুষ্টি পাবেন। আখেরাতে আল্লাহ তালা তার বিনিময়ে জান্নাত দিবেন। তার সরাসরি বিনিময় অর্থাৎ সেটার কারণে জান্নাত দিবেন। বিনিময়ে জান্নাতের কোন বিনিময় হয় না। কিন্তু সেটার কারণে জান্নাত দিবেন। কিন্তু হাসানা না থাকলে বিপদে আটকে যাবে। হাসানা লাগবেই। আল্লাহর উপর উত্তম ধারণা একটি হাসানা। হাসানা লাগবেই। ঈমানদাররা দোয়া করে রব্বানা হাসানা দুনিয়াতেও চাই আখেরাতেও চাই সবচেয়ে উত্তম কাজটা চায় কল্যাণমূলক কাজ চাই কল্যাণ কোনটি দুনিয়াতে আপনি করবেন সেটার প্রতিদান লেখা হবে আখেরাতে সেটার প্রতিদান আপনি পাবেন এটা আপনাকে জানতে হবে ভুল পথে পরিচালিত হবে অনেকে আছে বেদাত করে কেন করে নেক করাটা শিখে নাই।
নেক কোনটা জানে না। অনেকে আছে নেক জানার পরেও তার কাছে কম মনে হয় যে এটা আবার কি হইলো? এত কম আরো বেশি করে করি। আপনারা জানেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলামের তার মসজিদের কাছে এক ব্যক্তি তিন ব্যক্তি আসছে আসে জিজ্ঞাসা করল রসূল কি কি আমল করেন তো খোঁজ নিয়ে জানল যে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম রাতে তিনি ঘুমান আবার নামাজও পড়েন দিনের বেলা তিনি সওম পালন করেন আবার তিনি সওম ভঙ্গ করেন অন্যদিন কোনদিন সওম রাখেন সওম ভঙ্গ করেন আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিয়ে শাদি করেছেন তার এ সমস্ত কম কর্ম তাদের কাছে খুব পছন্দনীয় মন্ত্রণ এত কম আমরা আরো বেশি করতে পারি তারা একজন বলল আমি বিয়ে শাদি করব আরেকজন বলল আমি সারারাত দাড়িয়ে করব আরেকজন বলল সারা বছর শ্রম পাব রাসূুল্লাহ সালা শুনে বললেন তোমরা তোমরা এ কথাগুলি বলেছ আপনি আশ্চর্য হবেন না রাসূুল্লাহ সাল্লা তাদেরকে সাবধান করছেন যে তোমরা তার নির্দেশের বাইরে যা করো সেগুলো গ্রহণযোগ্য হবে না।
তিনি বলছেন তিনি কি বলছেন যে আমি তো বিয়ে করেছি। আমি রাতের বেলায় ঘুমাই এবং এবাদত করি। আমি সওম পালন করি এবং সওম ভঙ্গ করি। তোমরা যদি আমার আদর্শের বাইরে মুখ ফিরিয়ে থাকো তাহলে আমার আমার দল হতে পারবে না রাসূুল্লাহ যেটা করছেন পুঙ্খানুপুঙ্খ সেটা অনুসরণ করার নাম হচ্ছে হাসানার অনুসরণ নালে সাইয়া করা হবে নালে গুনাহর কাজ করা হবে খারাপ কাজ করা হবে ভালো কাজ হবে না ভালো কাজটা শিখতে হবে কোরআন এবং সুন্নাহর ভিতর থেকে এর বাইরে থেকে কেউ ভালো কাজ আপনাকে দেখিয়ে দিতে পারবে না শরীয়তের নির্দেশ সরাসরি কখনো নির্ধারিত ফিল্ডে আসে অথবা শরীয়ত কখনো ইল দেয় কারণ দিয়ে দেয় না শরীয়ত কোন ব্যাপক অর্থে হাসানার কাজ করতে বলে তিনটা জিনিস শরীয়তে আছে সরাসরি যেগুলো আছে এগুলো আমল কিন্তু আপনি শেষ করতে পারবেন না আমি কিছু হাসানার কথা আজকে আপনার আলোচনা করব যেগুলো আপনি দোয়া করেন যে হাসানা হাসানা অথবা সাইয়া মানুষের ভিতরে মাঝখানে আর কোন কিছু
নেই আপনি মসজিদে আসছেন হাসানা আপনি মসজিদে আসে দেরি করেছেন আপনি মসজিদের দ্বিতীয় রাকাত পেয়েছেন অথবা জমাতে হাজির হন নাই ইচ্ছা করে আপনি সাইয়ার ভিতরে আছেন আপনি ইচ্ছা করে অন্যায় করেছেন হাসানা এবং সাইয়ার বাইরে আপনি যেতে পারবেন না হাসানা এবং সাইয়া হয় হাসানা সাইয়া দুই একটার ভিতরে আপনি আছে আপনি হাসানা অর্জন করবেন না সাই ভিতরে থাকবেন আপনি সিদ্ধান্ত নেন কোরনে কারীমে আল্লাহতালা বলছেন যে সাইয়া অর্জন করলে সেটার পরিণতি তাকে ভোগ করতে হবে। আর হাসানা অর্জন করলে সেটার প্রতিফল আল্লাহ তাকে দিবেন। সুতরাং আমরা সেদিকে যাই যে কেন আমাদেরকে হাসানা অর্জন করতে হবে। হাসানা অর্জনের দুইটা একটা মূলনীতি হচ্ছে যে আল্লাহর জন্য হতে হবে।
দ্বিতীয় মূলনীতি হচ্ছে শরীয়ত অনুমোদিত পদ্ধতিতে হতে হবে। যেভাবে আল্লাহ এবং তার রাসূল বলেছেন সেভাবে করতে হবে। আর প্রথমটা হচ্ছে একমাত্র আল্লাহর জন্য। যেকোনভাবে আপনি হাসানা পাবেন না। কখনো কখনো ভালো দুনিয়ার কাজও আপনি হাসানা পান। কেন? নিয়তের কারণে। কাজটা যদি অনুমোদিত হয় নিষিদ্ধ না হয় নিয়তের কারণে পাবেন। যেকোন ভালো কাজ হতে পারে। যেটা আমরা উদাহরণ দেব। কিন্তু হাসানা অর্জন করতে হলে আল্লাহর জন্য কাজটা আল্লাহ তালাকে সন্তুষ্ট করার জন্য হতে হবে।
সূরা কাহফের শেষে আল্লাহতালা বলেছেন তোমাদের কেউ যদি কোন আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের আশা করে সে যেন আল্লাহ নেক আমল করে সৎ আমল করে হাসানাথে শরিক না করে এটা হাসানা হাসানা করে যায় আল্লাহর সাথে হাসানা না হলে উত্তম কাম না হলে আল্লাহর দরবার সেগুলি জমা হবে না সেগুলি জমা হবে না কারণ আল্লাহতালা বলছেন তারা অনেক আমল করবে সেগুলোকে অগ্রসর হয়ে তিনি সেগুলিকে বিক্ষিপ্ত ধনিকনায় পরিণত করবেন বিক্ষিপ্ত ধনিকনা পরিণত হওয়া আপনার শেষে আপনি কিছুই পাবেন না খুঁজে হওয়ার পরে সেখানে কিছু পাবেন না আপনি যখন দেখবেন মনে করছেন বিশাল বিশাল কাজ করে গেছে আর কবরে গিয়ে দেখবেন যে কিছুই নেই হাশরের মাঠে কিছুই পাবেন না আপনার তখন বিপদের শেষ থাকবে না কারণ সেদিন কেউ কাউকে কিছু দিবে না।
এজন্য যে সমস্ত কারণে আমাদেরকে হাসানা অর্জন করতে হবে সেটা আমাদেরকে জানতে হবে। আল্লাহ তালা কোরআন কারীম বলেছেন যার মিজানগুলো ভারী হবে সে তো সন্তুষ্ট জীবনে থাকবে। অর্থাৎ জান্নাতের জীবনে থাকবে। আল্লাহ তালা আরো বলেছেন আখেরাতে অনেক উঁচু মর্যাদা থাকবে শ্রেষ্ঠত্ব বড় বড় সোপানগুলি থাকবে কাদের জন্য যারা হাসানা করেছে তাদের জন্য এজন্য হাসান প্রতি গুরুত্ব দেয়া দরকার আপনি একটু চিন্তা করেন জান্নাত জাহান্নামে যাওয়ার জন্য মানুষ ভাগ হচ্ছে একদল জান্নাতে চলে গেছে হাসানা বেশি হওয়ার কারণে আরেকদল হাসানার প্রতি ঈমান ছিল না ঈমানের জাহান্নামে চলে গেছে ঈমানের সমস্যার কারণে জাহান্নামে চলে গেছে ঈমানের সমস্যার কারণে মুক্তি পাবে না ঈমানে যদি সমস্যা হে মুক্তি পাবেন ধরেন ঈমানের ছয়টি রক আছে তাইবিল্লাহ এগুলি যদি কোন কোন সমস্যা থাকে একটা মানে নাই তাহলে সে কাফের কোনদিন জান্নাত মুখ দেখবে না জান্নাত যেতে পারবে না এগুলি এগুলি তার সমস্যা হবে জাহান্নামে চলে গেছে এগুলো সমস্যার কারণ শিরিক করে নাই।
শিরিক করলে জাহান্নামে চিরস্থায়ী হয়ে যাবে। বের হইতে পারবে না। ইয়া হোসাইন করে ডাকাডাকি করছে। আল্লাহ ছাড়া কি হবে? মুশরিক হয়ে গেছে জাহান্নামে চলে যাবে। তওবা করে না গেলে অথবা আলীকে ডাকছে চিরস্থায়ী জাহান্নামে চলে যাবে। কোনদিন জান্নাতের মুখ দেখবে না যদি কোন তওবা করে মারা না যায়। সুতরাং এই জাতীয় যতগুলি শিরিক আছে আব্দুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহ আলাইকে ডাকছে বিপদে আপদে সে ব্যক্তি মুশরিক অথবা শাহজালাল মুজাদ ইয়ামানীর জন্য কিছু টাকা বরাদ্দ করেছে মানত করেছে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়ে গেছে কারণ তার সন্তুষ্টির জন্য কিছু দান করেছে আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য দেয়নি এজন চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়ে গেছে এরা কিন্তু আর কোনদিন পার হ পেতে পারবে না তো দুই দল একদল জান্নাতে চলে গেছে মহসিন হওয়ার কারণে সর্বোচ্চ স্তরে জান্নাতে যাবেই তারা আটকাবে না কিছু দ্বিতীয় স্তরে আরেকটা গুষ্টি সম্পূর্ণ বিপরীত তারা জাহান্নামে চলে গেছে শিরিক করার কারণে বাকি রইল মাঝখানে গুনাগাররা গুনাগার রয়ে গেছে কিছু মানুষ এদের বিচার হবে এদের হিসাব নিকাশ হবে এদেরকে আল্লাহ কাউকে পার করে দিবেন কাউকে মাফ করবেন কারণ শিরিক নাই কাফের হয় নাই কিন্তু গুনাগার মুসলিম হিসেবে আছে তাদের জন্য বিভিন্ন রকম পদ্ধতি আমার আল্লাহ গ্রহণ করবেন।
তার রহমতের ভান্ডার থেকে যাকে তাকে মাফ করবেন। কিন্তু যদি শিরিক থাকে কাউকে তিনি আর ক্ষমা করবেন না। তিনি ঘোষণা করেছেন তার সাথে শরিক করা হলে তিনি আর ক্ষমা করবেন না। মুশরিকের জানাজায় হাজির হওয়া জায়েজ নাই। মুশরিকের জানাজায় হাজির হওয়া জায়েজ। মুশরিকের জানাজা দেয়াও জায়েজ নাই। আল্লাহ নিষেধ করে দিয়েছেন। যারা এরকম শিরিক অবস্থায় মারা যাবে কাফের হয়ে মারা যাবে বা কুফরি আকিদা নিয়ে মারা যাবে তারা কোনদিন জান্নাতের মুখ দেখবে না জান্নাতে যেতে পারবে না আপনার এটা মনে রাখতে হবে কাফের যারা হয়ে গেছে তাদেরকে তাদের জন্য জাহান্নামের ঘোষণা দিবে রাসূুল্লাহ সাহাবীকে বলেছেন যখনই তুমি কোন মুশরিকের কবর পাশ দিয়ে যাবে তাকে জাহান্নামের সুসংবাদ দিবে।
সুসংবাদ মানে মানে দুঃসংবাদ দেয়া। তুমি জাহান্নামে যাও। সাহাবী তখন বলেছিলেন রসূ আমাকে বিশাল দায়িত্ব দিয়েছে। অর্থাৎ এটা আমি যখনই মুশরিকের কবরের পাশ দিয়ে গেলে জাহান্নামের সংবাদ দিতে হবে যে মুশক জাহান্নামে চলে যাবে। যাদের সম্পর্কে জানেন না শিরিক করেছে কি করেন নাই সেটা আলাদা কথা। আল্লাহর উপর ছেড়ে দেন। যাদের স আপনি দেখেছেন চোখের সামনে শিরিক করেছে শিরিক করে মারা গেছে। শিরকের বিশ্বাস তাদের ছিল। তারা সারাজীবন কবর পূজা করেছে মাজার পূজা করেছে তাদের জন্য ভালো কিছু অপেক্ষা করে নাই যদি তওবা করে মারা না যায় চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়ে থাকবে থাকবে এজন্য গুরুত্ব দিতে হবে হাসানা নষ্ট হয়ে যায় হাসানা তো হয়েছিল ঈমান আনার কারণে কিন্তু হাসানা তো নষ্ট হয়ে যায় অনেক সময় হাসানা তো নষ্ট হয়ে যায় যার আলোচনা আমি করব একটু পরেই প্রথমে আসি হাসানার প্রতি গুরুত্ব কেন দিব যে কারণে বলছিলাম একদল জাহান্নামে চলে গেছে তাদের শিরিক কুফরের কারণে মুনাফিকের কারণে আরেকজন জান্নাতে চলে গেছে নেক
আমলের কারণে উত্তম আমল করেছে জান্নাতে চলে গেছে আলহামদুলিল্লাহ মসজিদ তারা বা মমিন কিন্তু ঈমান যাদের সমান সমান হয়েছে তারা থাকবে আটকে থাকবে কোথায় থাকবে আরাফে আটকে থাকবে আরাফে আটকে থাকবে হাসানা হাসানা এবং সাইয়া সমান হয়ে গেছে জান্নাতে যেতে পারছে না আটকে রয়েছে একটি একটি যদি বেশি হতো হাসানা তাহলে জান্নাতে যেতে পারতো। আপনি একটু চিন্তা করেছেন। আপনি দুনিয়াতে যে সমস্ত আমল করেন এর মধ্যে একটা আমল হচ্ছে যে আপনি দিনের দিনে রাতে ১২টা রাকাত সালাত আদায় করেন না। প্রতিদিন একটা ঘর আপনার আছে। রাসূল বলছেন জান্নাতে এক ঘর আল্লাহ দিয়ে দিবেন। ১২ রাকাত নফল সালাত পড়। এটা হাদিস সহি হাদিস।
আপনি এমনভাবে পড়েছেন যে এগুলো পড়ার বলা যায় না। পড়া হিসেবে ধরা হয় না। অর্থাৎ আপনি আল্লাহ রাসূলের সুন্নাহ মোতাবেক পড়ে নাই। নিজের মন মত পড়ছেন। এটার অর্থ কিছু কবুল হয়েছে কিছু কবুল হয় না। আপনি যদি জান্নাতে গিয়ে দেখেন যে আপনার ঘরে ছাদ নাই। আপনার ঘরটা ঠিকমত হয় নাই। আপনার আমলটা ঠিকমত হয় না। আমল অনুসারে তো আপনি সওয়াব পাবেন। যে আমল যতটুক করেছেন ওটুকু তো সওয়াব পাবেন। আপনার আমলটা তো আপনার পরিপূর্ণ সুন্দর আকারে হতে হবে আপনার। তো আপনি এমন সব আমল করেছেন যে কারণে নেক এবং বদ সমান হয়ে গেছে। আপনি আটকা পড়ে গেছেন। শেষে জান্নাতে যাবেন।
কিন্তু জান্নাতে আল্লাহর রহমতে যেতে হবে সেটা। আল্লাহর রহমতে আল্লাহ এদেরকে দিবেন। কারণ তিনি ঈমানদার কাফেরকে একসাথ করবেন না। একসাথে রাখবেন না। শেষে জান্নাত দিবেন। কিন্তু আপনি তো আটকে পড়ে গেছেন। এর মধ্যে অনেকেই গিয়ে তাদের জান্নাতের বাড়িঘরে তারা বসবাস শুরু করে দিয়েছে। আর আপনি আটকে আছেন। এ আটকে থাকার মূল কারণ হচ্ছে একটি হাসানা কম হয়ে গেছে। একটি নেকি আপনার কম হয়ে গেছে। এজন্য নেকি বাড়ানোর প্রচেষ্টা আপনাকে চালিয়ে যেতে হবে।
আবার দেখেন হাশরের মাঠে গেছেন হাশরের মাঠে একটি হাসানার জন্য আপনি আফসোস করবেন বোঝেন কিনা কি আফসোস করবেন আপনি দেখবেন আপনার ছেলেকে আপনার মেয়েকে আপনার আত্মীয়কে আপনার স্ত্রীকে আপনি বলবেন যে একটা হাসানা কম হয়ে গেছে আমাকে একটা দিবে কি কেউ আপনাকে দিবে না প্রত্যেকে পালাবে প্রত্যেকে পালাবে আপনার থেকে যাদের জন্য আপনি সালাতে আসা বন্ধ করে দিয়ে কাজ করেছেন ক্ষেত খামারে ব্যবসা বাণিজ্য করেছেন বিদেশ ডুবতে ছিলেন বহুৎ কিছু রোজগার করেছেন জমি বিক্রি করে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন তাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য সন্তানের ভবিষ্যৎ প্রতিষ্ঠার জন্য তারাই আপনার কাছ থেকে পালাবে এটা আমার কথা না আল্লাহ বলে দিয়েছেন সেদিন কেউ কিছু কাউকে দিবে না সবাই নিজেকে নিয়ে টেনশনে থাকবে সেদিন আপনি হাসানা বেশি হলে তার দিকে আপনার তাকাতে হবে এজন্য হাসানার কত দরকার আমরা বুঝতে পেরেছি হাসানা খুবই দরকার এজন্য সেদিনের নাম হচ্ছে ঠকে যাওয়ার দিন আল্লাহতালা যেদিন তোমাদেরকে একত্রিত করবেন একত্রিত করার দিন কেয়ামতের কেয়ামতের দিনকে সেদিন ঠকে যাওয়ার দিন কাফের বলতো ঠকে এসেছি।
আর ঈমানদার বলবে আমি আরেকটু বেশি আমল করলে আরো ভালো হতো। আমার এটা জান্নাতে আফসোস হবে না। জান্নাতে হয়তো আফসোস হবে না। দুনিয়ার হাশরের মাঠে আফসোস সবাই করবে। আরো ভালো করতে পারতাম যদি আরো উপকার কোন কিছু করতে পারতাম যদি কিন্তু সেদিন পিছনের দিকে যাওয়ার আর কোন সুযোগ নাই। আল্লাহতালা কখনো না আর পিছনে যাওয়ার কোন সুযোগ নাই। এ আফসোসের বিষয়টি খুবই ভয়াবহ বিষয়। আগে সময় থাকতে সেটা করতে হবে কিছুই না অল্প জিনিস অনেক বিশাল আমল রাসূ আমদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন অল্প কয়টা কথা বিশাল আমদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন এজন হাসানার খুব দরকার আবার দেখেন হাসানা যদি থাকে আল্লাহ বাড়িয়ে আপনার একটা হাসানা না থাকলে বাড়াবে কি আপনি যদি একটা হাসানা করেন আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন যারা ঈমান আম করেছে তাদেরকে তাদের প্রতিদান পূর্ণ আকারে দেওয়া হবে।
অর্থাৎ যতটুকু দিছে আরো বাড়ায়ে দিবে। হাদিসে আপনারা শুনেছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন যে আল্লাহ তালা নিজ হাতে গ্রহণ করেন কোন দান। নিজ হাতে গ্রহণ করে এটাকে এমনভাবে বাড়িয়ে তুলেন যে আমার বান্দার জন্য বাড়িয়ে তুলছে যেন একটা আপনাদের কারো উটের বাচ্চা বাড়তে বাড়তে বাড়তে এটা পুরো উপত্যকা ভর্তি হয়ে যায়। আপনার একটা নেক আমল। আপনার একটা নেক আমল আল্লাহ তালা সেভাবে বাড়িয়ে বাড়িয়ে সেটাকে উপর তাকাপড়ি করে দেয়। এর অর্থ হচ্ছে আপনি যদি একটু থাকে আল্লাহ বাড়িয়ে দিবেন। হাসানা না থাকলে বাড়াবেন বাড়াবেন না তিনি। হাসানা থাকতে হবে আপনার। কারণ এই হাসানা ঈমানও একটা হাসানা। ঈমান না থাকলে কিছু হবে না।
ঈমানদারকে আল্লাহ রহমত করবেন। ঈমান না থাকলে আল্লাহ পরিপূর্ণ করে দিবেন না সেটা। তাছাড়া যেই রকমের হাসানাই হোক বহু রকমের সওয়াব আল্লাহতালা দিবেন। একটি হাসানার বিনিময়ে বহু রকমের সওয়াব তিনি দেবেন। আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলছেন ইন্না মুততাকনামা যারা তাকওয়া অবলম্বন করবে তাদেরকে আল্লাহ তালা সবচেয়ে সম্মানিত আসনে রাখবেন। জান্নাত প্রশ্রবণের মধ্যে রাখবেন। জান্নাতের মধ্যে রাখবেন। তাদেরকে অত্যন্ত সম্মানিত পোশাক পরিধান করাবেন। সেগুলো রেশমের পোশাক। মুতাকাবিলিন। তারা সামনাসামনি বসে গল্প করবে। এত সামনাসামনি কাছাকাছিও নয়। কারণ একেকজনের জন্য ১০টা জান্নাত হবে। তাহলে দেখা করতে আসতে হলে বিশাল ব্যাপার হবে। বিশাল বিশাল। ১০টা জান্নাত যদি হয় যে ব্যক্তি সর্বশেষ জান্নাতে যাবে তার জন্য ১০ টা দুনিয়া।
দুনিয়ার মত ১০ টা। তাহলে সেই ব্যক্তি কত বড় জান্নাত নিয়ে আছে আমরা চিন্তা করে দেখ সেখানে তারা আবার পরস্পর সাক্ষাত করবে মুতাকাবিলিন এটা হচ্ছে যদি আপনার হাসানা থাকে সেগুলি বহু রকমের সব পাচ্ছেন হাসানা না থাকলে আপনি সেটা পাবেন না আর কি পাবেন তারপর আপনাকে ডাগর নয়নাদের সাথে আপনার বিয়ের ব্যবস্থাপনা করে দিবেন মিলিয়ে দিবেন আপনাকে মনে যা চায় নিরাপদ সে নিরাপদ অবস্থায় মনে যা চায় সেরকম সের ফল ফলাদি আপনি পাবেন আর মৃত্যু আসবে না অর্থাৎ সাধারণত মানুষ নেয়ামত পাইলে মনে করে কখন শেষ হয়ে যায় তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেল জান্নাতের মধ্যে এরকম না আপনার নেয়ামত কোনদিন বন্ধ হবে না অনবরত নতুন নতুন নেয়ামত আল্লাহতালা ব্যবস্থা করুন আপনার জন্য আগের মৃত্যু ছাড়া কোন মৃত্যু আসবে না জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়ে দিবেন আল্লাহর পক্ষ থেকে দয়া হিসেবে হচ্ছে মহা সফলতা সফলতা এটার নাম জান্নাতে গিয়ে আল্লাহ যে নেয়ামত পাওয়ার কথা সেগুলো সফলতা সেগুলো যদি আপনি না পান যদি সফলতা যদি আপনি না জান্নাতে যেতে না পারেন আপনি সফল হতে পারেননি দুনিয়ার বুকে অনেকের কাছে সফলতা হচ্ছে ঢাকা শহরে একটা বাড়ি অথবা সবচেয়ে বড় দামি একটা গাড়ি অথবা কোন পরিবারের তার একটা নারী এই চিন্তায় বসে আছেন আপনার সফলতা।
কিন্তু এগুলি সফলতা নয়। আপনি হয়তো দুনিয়ার সফলতা চিন্তা করছেন। আপনি দুনিয়াতে কোন এসেম্বলির সদস্য হবেন অথবা কোন কিছু যাবেন এগুলো সফলতা নয়। সফলতা হচ্ছে একমাত্র আল্লাহর জান্নাত যে ব্যক্তি করতে পারছে সে ব্যক্তি হচ্ছে সফল। মহা সফলতা। ওই সফলতা আমাদের অর্জন করতে হবে। কিসের মাধ্যমে? হাসানা থাকতে হবে। ঈমান হাসানা আবারও বলছি নেক আমল হাসানা হাসানা থাকতে হবে হাসানা যদি আপনার থাকে তাহলে আপনার আপনার সীমাহীন ভাবে আল্লাহতালা আপনাকে দান করবেন যে আপনি হিসাব করতে পারেন নাই কোরআনে কারীম আল্লাহতালা বলছেন কোন মানুষ জানে না যে আমল করেছে নেক আমল করেছে হাসানা করেছে এর প্রতিদান হিসেবে আল্লাহ তার চক্ষু শীতল যা রেখেছে কোন ব্যক্তি তার চিন্তা করতে পারবে না।
দুনিয়া থেকে চিন্তা করতে পারেন নাই। আপনি আল্লাহর কাছে ভালো আশা করে বসে আছেন। আল্লাহ আপনাকে ভালো দিবেন। কাজ করলে হবে। কিন্তু কাজটা যেন শুদ্ধ হয়। শুদ্ধ না হলে এ আশা গ্রহণযোগ্য না। এটা দরাশায় পরিণত হবে। কাজটা শুদ্ধ হয় আপনি অনেক কিছুই পাবেন। রাসূুল্লাহ সলা বলেছেন হাদিসে কুদসতে আল্লাহ তালা বলেন আমি আমার সহ নেককার বান্দাদের জন্য এমন কিছু প্রস্তুত করে রেখেছি যা কোন চোখ দেখেনি যা কোন চোখ দেখেনি এবং কোন কান তা শুনেনি কোন কান তা শুনেনি কোন অন্তরে তা দিত হয়নি এমন জিনিস আপনার জন্য রেখেছে। তবে যদি হাসানা না থাকে সেগুলি কোনটাই আপনি পাবেন না।
আল্লাহ স্পেশাল বান্দা হতে হলে হাসানা থাকতে হবে। আপনার নেকি থাকতে হবে। আপনার ভালো কাজ থাকতে হবে। এই ভালো কাজ যদি আপনি করে যেতে পারেন, ভালো কথা আপনি বলে যেতে পারেন, ভালো আকিদা নিয়ে যেতে পারেন তাহলে আপনার সেটা কাজে লাগবে। তবে হাসালা হওয়ার জন্য দুটি শর্ত আমরা আগেও বলেছি। একমাত্র আল্লাহর জন্য হতে হবে এবং মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাললামের তরিকা মোতাবেক হতে হবে। এজন্য আমরা সবসময় কি দোয়া করি? আনি আলাদিকরিশুকরি এবাদত করার পরেও বলি এবাদত করার শেষে বলি। কারণ যদি প্রশ্নে এবাদত না হয় সেটা আল্লাহর দরবারে কখন হবে না। এবাদতটা একমাত্র সুন্দর পদ্ধতিতে হতে হবে।
যেই পদ্ধতি মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম অনুমোদন করেছেন নিজের মন মত সালাত পড়লেই হয় না নিজের মন মত এবাদত করলেই হয় না আপনার জন্য আরেকটি কাজ করতে হবে সেটা হচ্ছে হাসানার ক্ষেত্রে আপনার সবসময় অনুভূতি থাকতে হবে যে আল্লাহ তালা আমাকে দিবেন এবং আল্লাহ তালা সেটা দেন এবং সেটা রাসূুল্লাহ আমদেরকে জানিয়েছেন একটি হাসানা কিভাবে পরিবর্তন করে দেখেন রাসূুল্লাহ বলেছেন যে এক লোক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল যাওয়ার সময় দেখে যে একটা ডাল পড়ে আছে মানুষের কষ্ট দিচ্ছে গাছটা এই ডালটা কেটে সরিয়ে দিল রসূুল্লাহ বললেন যে আমি তাকে জান্নাতে ঘুরাফিরা করতে দেখেছি এর অর্থ হচ্ছে একটা হাসানার কারণে জান্নাতে চলে গেছে এ অনুভূতি আপনার থাকা দরকার কোন একটা কাজ করলে যে এটাই হয়তো আমার কাজে লাগবে আখেরাতে কোনটা যে আপনার কাজে লাগবে আপনি বলতে পারেন না আপনি যে কোন কাজ করবেন অনুভূতি নিয়ে করবেন যে এইটা আমার কাজে লেগে যাবে আমি এটা আল্লাহর কাছে চাই আল্লাহ আমাকে যেন একান্তে সেটা
দিয়ে দেয় সেদিন হয়তো আপনি চিন্তাও করতে পারবেন এটা চলে আসছে এটা দিয়ে আল্লাহ পাক করে দিছেন আপনা একটা হাদিস আপ শুনেছেন রাসুল বলেছেন এক ব্যক্তি অনেক গুনা খাতা করেছে কি করে আল্লাহ জিজ্ঞাসা কর হাদিসটা মনে আছে হাদিসটা কিছু করি নাই তবে আমি মানুষকে ঋণ দিতাম দিতে না পারলে হয় ছাড় দিতাম নালে ছেড়ে দিতাম মানে বেশি সময় দিতাম আল্লাহতালাতো আমার কাজ আমি তো বান্দা ক্ষমা করে যাও তোমাকে পার করে দিলাম একটা হাসানা ছোট করে দেখার কোন কারণ নাই ছোট্ট করে দেখবেন না রাসূুল্লাহছেন ভালো কাজের হাসান কোন কিছুকে তুমি হাকি ছোট মনে কর তুচছ মনে করো না এটা হয়তো তোমার জন্য বিদায় উপকার এক মহিলা সে বেশা ছিল কিন্তু ঈমান ছিল ছিল বঝেন আপনারা সে কি করেছে দেখছে একটা কুকুর পানি পান করতে পারছে না সে তার মজা মজা তখন চামড়ার মজা পানি আটকায় সেটা দিয়ে পানি তুলে কুকুরকে খাইয়েছে কুকুর খাইয়েছে আল্লাহতালা তাকে কিন্তু ক্ষমা করে
দিয়েছে আপনি কোন হাসানা দিয়ে আপনি ক্ষমা পাবেন আপনি জানেন না এজন হাসানাগুলো সবসময় গুরুত্বের সাথে নিবেন আবার উল্টাটা করেছে এক মহিলা একটা বিড়ালকে বেঁধে রেখেছে তার জন্য সে জাহান্নামে যেতে হয়েছে কারণ সে বিশাল অন্যায় করেছে এমনি মরে গেছে খাবারও দেয় নাই ছেড়েও দেয় নাই এমনি মরার জন্য রেখে দিয়েছে আমাদের সমাজে অনেকেই দেখবেন কোন কিছুকে মারার জন্য সুন্দর করে মারতে হবে। এটা না করে তাকে চিটাকে যদিন আপনি এমনি রেখে দেন বিনা কারণে কষ্ট দিতে দিতে মারেন এটা কিন্তু একটা অপরাধ। এটা একটা অপরাধ। এটা করতে যাবেন না। রাসুল হত্যা করলেও সুন্দরভাবে করতে হবে। তোমাকে কষ্ট দিয়ে দিয়ে তার মারা শরীয়তন করে না।
যেটা হত্যা করা যায় সেটার কথা বলছে। মানুষগুলো হত্যা করার জিনিসগুলি কথা বলছে। একটি হাসানার কারণে আপনি সেদিন সেদিন আপনার থেকে আপনার আত্মীয়রা পালাবে এটা কোরআনে আল্লাহ তালা বলে দিয়েছেন এবং সেদিন আপনার শুধু হাসানায় কাজে আসবে সত্য কথা কেউ আপনাকে সাহায্য করতে আসবে না সুতরাং এখন সময় থাকতে আমাদের উচিত হাসানার পিছনে দৌড় দেয়া যে হাসানা কিভাবে অর্জন করা যায় কোরআনে কারীমে আল্লাহতালা আমাদেরকে বলেছেন আমলের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এই হাসানা হাসানা যেন হয় ইন্না মুসলিমিনা মুসলিমা সব পেতে চান তাহলে কাজগুলি করতে হবে ইসলাম থাকতে হবে মমিন হতে হবে হতে হবে বেশি বেশি এবাদত দাড়াতে হবে সালাতের মধ্যে এবং সত্য কথা বলতে হবে সবরকারী হতে হবে এবং সবর এবং বিনয়ী হতে হবে সদাকা দানকারী হতে হবে এবং সওম পালন করে হতে হবে আল্লাহর সীমারেখা যথাযথ হেফাজত করতে হবে এবং জিকির করতে হবে বেশি বেশি করে এবং নিজের লজ্জাস্থানে হেফাজত করতে হবে এ সবগুলি যারা করবে আল্লাহ তাদের জন্য
বিশাল প্রতিদান রেখেছে আল্লাহ ঘোষণা করেছেন আপনি যদি নেক আমল করেন বিশাল প্রতিদান পেয়ে পাবেন এটা আপনার জাগর থাকে কিভাবে নেক আমলের মাধ্যমে শুধুমাত্র আপনি হাসান অর্জন করতে হবে অন্য কোন মাধ্যম নয় আল্লাহতালা আরো বলেছেন কিতালা আল্লাহর কিতাব তেলাওয়াত করা নেক আমল সলাত কায়েম করা এটা একটা নেক আমল প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে বেশি বেশি দান করা প্রকাশ্যে অপ্রকাশে বেশি বেশি দান করা এদের সম্পর্কে আল্লাহ এমন ব্যবসা আশা করা যায় যে ব্যবসা কোনদিন কোনদিন কি হবে নষ্ট হবে না এই ব্যবসা সবসময় থাকবে অর্থাৎ তার জান্নাতে জান্নাতের যে বিনিময় যে পাচ্ছে বিনিময় মানে আমি আবার বলছি বিনিময় মানে বুঝাচ্ছি যে প্রতিদান হিসেবে দিবে জান্নাতের কোন সরাসরি বিনিময় কেউ দিতে পারবে না কেন এত বড় জিনিসের বিনিময় কেউ আমরা আমল করিনি সেটা পাবে সেটা কোনদিন ধ্বংস হবে না এমন ব্যবসা যে ব্যবসায় কোনদিন লস নাই সে ব্যবসা হচ্ছে আল্লাহর সাথে ব্যবসা আল্লাহ আল্লাহ ব্যবসা হচ্ছে আপনি আমল করবেন নেক আমল করবেন
আর সওয়াব দিবেন আল্লাহ তালা এই ব্যবসাতে কোন লস নাই এটা শুধু লাভ আর লাভ ইন্ আপনার জান মাল তিনি কিনে নিয়েছেন জান্নাত দিবেন বলে কিনি জান্নাত দিবেন প্রতিদান হিসেবে নয় বিনিময় হিসেবে নয় প্রতিদান হিসেবে সরাসরি সেটার বিনিময়ে জান্নাতের বিনিময়ে কিছু আপনি দিতে পারবেন না কোনদিনই কারণ আপনার ক্ষমতা নে আপনি যে নেয়ামত ভোগ করেছেন এতেই আপনার সবকিছু শেষ হয়ে যায় কিন্তু তিনি দয়া করে আপনার নেক আমলগুলো গ্রহণ করে সেগুলিকে বাড়িয়ে তুলবেন যাতে আপনাকে জান্নাত দিতে পারেন। সল সালিন সবসময় নেক আমল যদি ছুটে যেত তাদের আফসোস হতো সবচেয়ে বেশি দুনিয়ার বুকে আপনি আমি হয়তো আফসোস করি না।
তাদের আফসোস হয় কেমন শুনে দেখেন একজন সালাতু জামা ছুটে গেছে। কান্নাকাট আরম্ভ করছেন জামাত ছুটে গেছে। সালাত জামাত জামাতে সালাত ছুটে গেছে। এই নয় যে জামাত সালাত ছুটে গেছে এটা না। জামাতে সালাত ছুটে গেছে দেখে কান্নাকাটি করছেন। কেউ কেউ আছে তাকবীরউলা ছুটে গেছে কান্নাকাটি করছে। তাকবীরে উলা পাইনি। তাকবরউলা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে তাকবরউলার কারণে তারা আফসোস করেছে। আফসোস করেছে। সুতরাং বোঝা গেল যে আপনি নেক আমল করতে থাকতে হবে। এটা সলাফদের নীতি। আমর ইবনে আব্দুল কাস তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে তার মৃত্যুর সময়। আপনি কেন কাঁদছেন? বলে কাঁদছি। এজন্য মৃত্যুর কারণে কাঁদছি না অথবা দুনিয়া ছেড়ে যাচ্ছি এজন্য কাঁদছি না।
আমি কাঁদছি এজন্য যে আমি যে এবাদত করতাম যে মজা পেতাম সেটার জন্য আমি যে সওম পালন করতাম অর্থাৎ গরমের দিনে সওম পালন করতাম সেটা করতে পারবো না। এবং আমি যে রাতের বেলা দাঁড়িয়ে আল্লাহর জন্য এবাদত করতাম সেটা করতে পারবো না। অর্থাৎ তারা এটার মধ্যে একটা মজা পেয়েছে। মজা পেয়েছে। আনন্দ লাগতো তাদের কাছে এবাদত করতে। আপনার এবাদত যেন এরকম না হয় যে আমি একটা দায়িত্ব কাধ থেকে নামায়ে দিচ্ছি বোঝা কোনরকম বোঝা লাগব করতেছি এরকম চিন্তা যেন না হয় বরং আপনার এবাদত যেন এরকম হয় রাসূুল্লাহ সলা তিনি বলছেন সালাতের মধ্যে আমার চক্ষু শীতল হয় সালাতের মধ্যে তিনি আনন্দ পান আল্লাহর সাথে সম্পর্ক তৈরি হয় সওমের মধ্যে তিনি আনন্দ পান রাতের বেলা তিনি দাঁড়িয়ে দিতেন নফল সালাতে তার পা ফুলে যেত কিন্তু তিনি সালাত ছাড়তেন না।
এর অর্থ হল লম্বা সময় কেরাত পড়তেন। সাহাবী বললেন যে আমার মনে হলো যে আমার দুই পা ফেটে যাচ্ছে। আমি চলে যাওয়ার পর্যন্ত চিন্তা করছিলাম। তারপর রাসূ সালাত শেষ করেছেন লম্বা টাইম নিয়ে এক রাকাতে তিনি সূরা বাকারা পড়েছেন তারপরে নিসা পড়েছেন তারপরে আলে ইমরান পড়তে যাইয়া তারপর দেখেন যে মানে কোথাও তার গলা গলা আটকে গেছে এজন্য তিনি তাড়াতাড়ি রুকুতে গেছেন চিন্তা করেন কত লম্বা টাইম নিয়ে সেটা পড়েছেন আর আপনি আমি কোনরকম হালাকা নাস এখলাস দিয়ে কোনরকম শেষ করার চিন্তাভাবনা করি যে পড়লাম আনন্দ পেতে হবে এবাদতের মধ্যে এবাদতের মধ্যে আপনার ভালো লাগতে হবে এবার থেকে কোন মুখ ফিরে যাবেন যদি এবাদতকে কঠোর লাগে বুঝতে হবে শয়তান আপনার এখনো দখল করে আছে আল্লাহতালা এজন্য বলেছেন যারা বিনয়ী তারা শুধু এবাদতে মজাটা পায় আর যারা বিনয়ী না তাদের এবাদতে ভালো লাগে না কষ্ট লাগে কখন বের হবে কখন রাস্তায় গিয়ে বাক্সটা দেখবে কখন গিয়ে খেলাটা দেখবে ওই চিন্তায় বসে
থাকে কিন্তু সে চিন্তা করে না যে এখানে যতক্ষণ থাকে এটা আমার জন্য খুবই উপকারী জায়গা এই জায়গায় সে থাকছে না মনে রাখবেন কিন্তু এবাদতগুলো নষ্ট হয়ে যায় আমরা আগেও বলেছি কিভাবে নষ্ট হয় যেভাবে এক নম্বর শিরিক থাকলে এবাদতগুলো সব বলবার হয়ে যায় আপনি এত কষ্ট করেন হজ করেছেন দান করেছেন মসজিদ দিয়েছেন মাদ্রাসা দিয়েছেন অথবা আপনি পিতামাতার সেবা করেছেন আরো অনেক কাজ করেছেন কিন্তু আপনার শিরিক আছে মনের ভিতরে আপনার কর্মে শিরিক আছে অথবা আপনার কোন মুখ দিয়ে শিরিকের শব্দ বের হয়ে গেছে আপনি জেনে বুঝে সেটা করেছেন। এর অর্থ হচ্ছে আপনি কোনদিন এই যে আমল করেছেন সবগুলি বরবাদ হয়ে গেছে।
সবগুলি বরবাদ হয়ে গেছে। হজ করে আসছেন। আমি অনেক সময় বলে থাকি এটা। হজ করছেন মক্কা গিয়ে লাব্বাইক পড়েছেন। লাব্বাইক পড়ে অনেকে। লাব্বাইক অর্থ কি? তাওহীদের ঘোষণা দেয়া। লাব্বাইক তাওহীদের ঘোষণা দেয়া। একেবারে আপনি পরিচ্ছন্ন হয়ে গেছেন। তাওহীদের ঘোষণা তালবিয়া পাঠ করলে তো গুনাহ মাফ হয়। এবং এবাদত করলে গুনাহ মাফ হয়। মক্কাতে আপনি হজ করেছেন গুনা একদম নাই। আপনি কার মত হয়ে গেছেন? ছোট বাচ্চার মত আপনি হয়ে শিশুর মত নিষ্পাপ হয়ে ফিরে আসছেন। এর অর্থ হচ্ছে আপনার আর গুনাহ নাই। কিন্তু মদিনায় গিয়ে রাসূলের কাছে বলছেন রাসূল আপনি আমার জন্য এটা করেন ওটা করেন অথবা কোন কবরের কাছে গিয়ে এটা বলেছেন অথবা দেশে এসে শাহজালালের কাছে এটা বলেছেন আপনার সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে গেছে।
হজ গেছে গেছে আগের চলে গেছে। আপনাকে শিরিক করলে আপনার সমস্ত হাসানা বরবাদ হয়ে যায়। এমন কোন কাজ করবেন না যে আপনার সমস্ত হাসানা বরবাদ হয়ে যায়। আপনি অনেক একটা বাগান করছেন এই বাগানে আপনার সুন্দর ফলফলাদি আছে সবকিছু আছে এবং একেবারে চক্ষু শীতল হয়ে যেমন কাজগুলি আছে হঠাৎ করে একটা আগুন এসে বাগানটা পড়া ফেলছে আপনি কি এটা চান আল্লাহ এটা কেন উদাহরণ দিছে বুঝতে পারেন এত সুন্দর আমল করেছেন কিন্তু একটু শিরিক করে ফেলেছেন। কি হইছে? আপনার বাগানটা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আবার বাগানটা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আপনি এটা শিখাতে হবে আমাদের ভাইদেরকে। আপনি যদি সত্যিকার অর্থে আপনার ভাইকে ভালোবাসেন।
আপনার বাবাকে ভালোবাসেন। আপনার মাকে ভালোবাসেন। আপনার বোনকে ভালোবাসেন। আপনার আত্মীয়কে ভালোবাসেন। শিরিক থেকে মুক্তির জন্য তাকে বলতেই হবে। তার হাতে আপনি দেখেছেন যে সে তাবিজ কবজ লাগাইছে তার হাতে লাগাইছে সে মাদুলি তার গলায় লাগাইছে সে কোন কিছু হাতাগা লাগাইছে আপনি কিছু বললেন না আপনি তার হিতাকাঙ্ক্ষী নন আপনি তার হিতাকাঙ্ক্ষী নন আপনি তাকে আসলে ভালোবাসেন নাই আপনি জানেন আপনার সন্তানকে আপনি ভালোবাসেন যখন আগুনে হাত দেয় আপনি বলেন না যে থাক আপনি কি বলেন না আগুনে হাত দেয়া যাবে না পুড়ে যাবে চিরস্থায়ী জাহান্নামে সে পুড়বে আপনার বন্ধু আপনার ভাই ভাই আপনার বাবা আপনার মা আর আপনি তাকে ছেড়ে দিবেন এটা কিন্তু ঈমানদারের কাজ হতে ভালোবাসার নমুনা নয় এটা তার জন্য আপনি পাগল হয়ে যাবেন কেন সেটা করছে সে সে তো চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়ে যাবে তওবা করো ফিরে আসো আপনার এ চিন্তা থাকা উচিত আপনার আশেপাশে এগুলি হচ্ছে আপনি কেন সেটা করেন না আপনার উপরে আক্রমণ হলেও করবেন সুন্দর করে বুঝিয়ে বলবেন ভাই এটা করলে তুমি চিরস্থায়ী জাহান্নাম হয়ে যেতে পারবে তুমি কবরের বেশি আশা করিও না কবরওলা তোমার কাছে কিছু দিতে পারবে না কবর তোমাকে উপকার করতে পারবে না।
কবর নিজের বিপদে আছে এখন তার জন্য তোমার দোয়া করা উচিত। সে তোমার কোন কিছু করতে পারবে না। তার কথা তার উপরে তুমি যে বিল্ডিং তৈরি করেছে রাসূ নিষেধ করেছেন। এর মত তার গুনাহ হচ্ছে আপনি তোকে ভালোবেসে থাকেন হাসারা নষ্ট হওয়ার মত কোন কাজ তার করাবেন না। কারণ তার হাসারা নষ্ট হয়ে যায়। শিরিক করলেও যেমন নষ্ট হয়, কুফরি করলেও নষ্ট হয়, মুরতাদ হলেও তেমন নষ্ট হয়। আবার কখনো কোন বেদাত করলেও কিন্তু হাসারা নষ্ট হয়ে যায়।
বেদাত করলে হাসানা নষ্ট হয়ে যায় দলিল আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন এবাদত করছে পিঠ বাকা করে ফেলছে আমল করেছে কিন্তু উত্তপ্ত আগুনে চলে যাবে সেটা হয়তো তার হাসানা নষ্ট হয়ে গেছে কিছু চিরস্থায়ী যদি করে শিরিক করে ফেলে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়ে যাবে আর না হলে কিছুদিন জাহান্নামে জ্বলবে এর অর্থ জাহান্নামে যাওয়ার জন্য ওয়াদ আসছে আপনার হাসানা নষ্ট হয়ে না হলে জাহান্নামে কেন যাবেন অর্থাৎ হাসানা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে আপনার বেদাতের কারণে এজন্য বেদাত করা যাবে না।
আবার আল্লাহ তালা বলেছেন হে নবী আমি কি বলে দিন যে আমি কি তোমাদেরকে জানিয়ে দেব না যে আমল করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমল করেছে সে মনে নেক আমলের জন্য করেছে হিসেবে করেছে কিন্তু নেক হয় নাই নবী পদ্ধতিতো হয় নাই যারা তাদের দুনিয়ার জীবনের সমস্ত কষ্ট সমস্ত আমল করেছে এগুলো সব বসেছে নষ্ট হয়ে গেছে আসে কিছুই যায় নাই এত আমল করলাম কই সেগুলি সেগুলো কবুল হয় নাই কারণ সেগুলি তো রসূের পদ্ধতিতে হয় নাগ যাবে না সেগুলি ওখানে যাবে না সুতরাং কিছুই পাচ্ছে না মনে করছে কত ভালো কাজ করছে মিলাদ করছে মহরমের তাজিয়া বের করেছে তারপরে দিবস পালন করেছে শবে বরাত শবে মেরাজ বদর দিবস অমুক দিবস তমুক দিবস বিশাল করে ঘটা করে খাইয়েছে এমনকি হারামের মধ্যে টাকা পয়সা খরচ করছে করেছে গরু জবে করেছে আশেপাশে মানুষদের খাওয়াইছে অনেক কিছু করেছে এরপরে যাইয়া দেখে ওখানে কিছুই যায় নাই আল্লাহতালা কারম বলেছেন খরচ করবে আর কেয়ামত আফসোস করবে হায়রে
খরচ আমার কাছে আমলনামা লেখা হছে নেকি লেখা হয় নাগ কারণ বেদাত করলে যে আপনি শুধু মাফ হয় সব হয় না তা বিপদের কারণ আমল করে ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাবেন কেন আমলটা যেন শুদ্ধ হয় একটু চিন্তা করে দেখবেন আপনি যে মিলাদ পড়েন অথবা কিয়াম করেন দুইটাতো আরো বড় বড় বেদাত দুইটাই বেদাত অথবা জিকির করেন কি কেউ জিকির করে আল্লাহ আল্লাহ জিকির করে কেউ জিকির করে নাক দিয়ে জিকির করেন নিশ্বাস ফেলে কোন জিকির চলে আসল এগুলি এগুলি যদি কোন রাসূুল্লাহ সাল্লাম থেকে আসে নাই আপনি স্পষ্ট জানতে পারেন আপনি ভালো করে বুঝছেন তারপরে আপনি করছেন আপনি কি মনে করেন আপনার জন্য কেউ শরীয়ত প্রবর্তনকারী আছে আপনার জন্য কে শরীয়ত প্রবর্তন করবে আপনার জন্য শরীয়ত প্রবর্তনকারী তো আল্লাহতালা তিনি ছাড়া কেউ নাই।
তিনি ছাড়া কেউ শরীয়ত দিতে পারে না। তাহলে আপনি কি জন্য এগুলো আমল করবেন? কেন করবেন? আপনার কি বিবেকে ধরা? কেন করছি? আপনার জানাজা যদি হয় কিছু মানুষ আসলে আপনি গান বাজায় দিবেন। কিছু মানুষ কোরআন শুনে শুনায় দিবেন। এটা কোন এবাদত? কি এবাদত কে শিক্ষা দিছে আপনাকে? জানাজা সিস্টেম কতক্ষণ কিভাবে করতে আমরা জানি। আপনি নীতির মধ্য দিতে জানাজা করে জানাজা আদায় করেছেন, নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, এগুলি কি আপনি কি মনে হয় এমনি চলে যাবে? রাষ্ট্রীয় নীতি হলে কি পার পেয়ে যাবেন আপনি? কখনো না আপনাকে কে করতে বলছে এগুলি আপনি ওযু করবেন পা ধুইবেন না আপনার কি ওযুটা হইছে যারা ওযু করে পা ধুয়ে না তাদের আবার জানাজা কিসের তাদের নামাজ কিসের পালে ু হয় নাকি একটা গুষ্টি পা না জীবনে কোনদিন পা ধয় না যাদের কাছে কালেমা হচ্ছে পরিবর্তিত যাদের কালেমা আশা মুহাম্মাদ রাসুলুল্লাহলে হবে না সাথে আনা আল্লাহ নালে তার ঈমান হয় সেই ব্যক্তি
যাদের সালাত তিন তিন তিন ওয়াক্ত যাদের সালাত তিন ওয়াক্ত এবং যাদের সালাতের মধ্যে আবু বকর ওমরকে লানত করে এই জাতীয় মানুষদের জন্য আপনি এত দরদ দেখান কিছু না আমার বুঝে আসে না শুধু একটা মাজলুম হলে মাজলুম হলে দরদ হয় নাারে ভাই আপনাকে দেখতে হবে ঈমানদারের প্রতি আপনার ঈমানদার কিনা এটা আগে দেখতে হবে যারা ঈমানদার তাদের প্রতি আপনার কোন আকর্ষণ থাকা উচিত না তাদের প্রতি আপনার কোন মায়া থাকা উচিত না তাদের প্রতি আপনার ভালোবাসা থাকা উচিত না দুনিয়ার জীবনে চলবে অনেকেই কাফেরের সাথে চলছে অনেক চুক্তি করবে এটা আলাদা কথা ব্যবসা বাণিজ্য চুক্তি চলবে কিন্তু আন্তরিক ভালোবাসা থাকতে পারবে না।
আপনার অন্তর থেকে সেগুলো দূর করতে হবে। সুতরাং আপনাকে আমল নষ্টকারী কোন কিছু যেন না হয়। আমল নষ্টকারী কিসে নষ্ট হয়? শিরকে নষ্ট হয়। কুফরি করলে নষ্ট হয়। মতাদ হয়ে গেলে নষ্ট হয়। মুনাফিকি করলে নষ্ট হয়। বেদাত করলে আমল নষ্ট হয়। রিয়া করলে আমল নষ্ট হয়। রিয়া তো অনেক। রিয়া অনেক বুঝেন না। জানাজার নামাজ তো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শরীয়তে বলছে করতে। চার মাস ১০ দিন ইদ্দত পার হয়ে যাওয়ার পরে জানাজা পড়ার নিয়ম কোথায় পাইছে স্ত্রী ইদ্দত পার হয়ে গেছে এরপর জানাজা পড়তে আসছে জানাজা আবার দেশে দেশে আবার মানুষকে নিয়ে এসে বিশাল ঘটা করে এই জাতীয় শরীয়ত কোনদিন দেয় নাই এ কোন সন্দেহ নাই রিয়া করতে গেছেন তারপর আবার এটার জন্য কান্নাকাটি করছেন আবার রিয়ার জন্য দেশে বিদেশে গায়েব জানাজা পড়তেছেন আপনি এগুলি কোন শরীয়তে কেডা ডাকে আপনাকে অনুমতি দিল এগুলি কোন কিভাবে আসলো আপনি কিভাবে অনুমোদন করেন আপনার কি আল্লাহকে ভালোবাসার মত কোন কিছু নেই।
আল্লাহ আপনাকে আল্লাহর দ্বীনকে ভালোবাসেন না কেন? আপনাকে জানতে হবে যে আল্লাহর দ্বীনকে ভালোবাসা এটা ফরজ। আল্লাহর দ্বীন যেভাবে আছে সেভাবে নিতে হবে। নিজের মন মত চলার নাম ইসলামী শরীয়ত না। নিজের মন মত যারা চলে তাদের থেকে আপনি দূরে থাকতে হবে। বেদাত থেকে পরিত্যাগ করা হাজরুল মুতা এটা খুবই একটা গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি ইসলামের। বেদাত চলাফেরা করা যায় না। আরেকটি গুনা আরেকটি গুনা কিছু কিছু গুনা আপনার আমল নষ্ট আমল নষ্ট করে।
সেগুলি কি একান্তে যারা মানুষকে শোনানোর জন্য দেখানোর জন্য যেমন করে অনেকে আছে কি করে প্রকাশ্যে মানুষের গুনা প্রকাশ্যে প্রকাশ্যে মানুষকে জানিয়ে জানিয়ে গুনাহ করে এগুলি মানুষের এগুলি তার জন্য বিপদের কারণ হয় কারণ তার প্রকাশ্যে করলে তো ক্ষমা হয় না নেক আমল তো একটা নেক আমল কিছু গুনাহকে আপনার কমিয়ে দেয় হাসানা হাসানা করলে সাই চলে যায় কিন্তু যদি কোন আপনি সাইয়া প্রকাশ্যে করেনগ কিন্তু অনেক মানুষ সাক্ষী বানিয়ে ফেলে এ সাক্ষী রাসূুল্লাহ সাল্লাম বলেছেন আল্লাহ তালা ক্ষমা করে তো ম যারা মুজাহেদ যারা প্রকাশ্য মানুষের সামনে গুনাহগুলি করতেছে সেগুলিকে আল্লাহ ক্ষমা করে না বেদাতি যারা গুনাহ করে করে মানুষকে ডাকছে যারা এবাদতের দিকে কবর পূজার দিকে মানুষকে ডাকছে আপনি চিন্তা করেন সে কিন্তু বিপদে আছে কারণ সে একা নয় অনেক মানুষকে এ গুনাহর দিকে আহবান জানাচ্ছে আবার অনেকে শিল্প সংস্কৃতির নামে গুনা করতেছে শিল্প সংস্কৃতি বুঝেন গান বাদ্য প্রচলন করতেছে এবং গান বাদ্য দিয়ে ভরায় দিচ্ছে সারা দেশ
এবং মনে করতেছে এটা নাকি শিল্প এবং এটার মাধ্যমে এটার মাধ্যমে নাকি একটা জাতি গঠন করবে ওই জাতিকে বরবাদ করবে এটা দিয়ে যারা এই কাজ করবে তারা জাতিকে বরবাদ করবে গান বাদ্য কোনদিনই ইসলামের অনুমোদিত জিনিস হতে পারে না হয় ছিলও না যে ব্যক্তি এটা প্রচলন করবে এবং মনে করবে ইসলামের জিনিসের সাথে ঈমান থাকবে না আর যদি গুনাহর কথা মনে রেখে করবে সে ব্যক্তি গুনাগার ঈমানদার বিবেচিত হবে কিন্তু যে ব্যক্তি বৈধ মনে করবে বা বৈধতা দিবে সে ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে। সুতরাং এটা গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। যেখানে আপনার ঈমান কিন্তু আপনার হাসানা সব বরবাদ হয়ে যাচ্ছে। তহলে কোন কখনো কখনো আপনার হাসানা কাজ করেও বরবাদ হয়।
একান্তে গুনাহ করলেও কখনো হাসানা হাসানা বরবাদ হয়। একান্তে গুনাহ খালায়া মানে একান্তে গুনাহ করছেন যে গুনাহ আপনি প্রকাশ্যে হলে এই কাজ নেক এই কাজটা করতেন একান্তে গুনাহ করছে সুযোগ সন্ধানী সুযোগ খুজতেছেন যেটা করবেন এটা করবেন আপনার মনের ভিতর যে সুযোগ খুজতেছেন যতক্ষণ সুযোগের অপেক্ষা আছেন অতক্ষণ গুনাহ হচ্ছে কারণ আপনি আসলে গুনাহ ছাড়ার জন্য করেন না আপনি করতে পারেন না দেখে আপনি গুনাটা করতেছেন না এজন্য আপনার এখানে যতক্ষণ নিয়ত আছে খারাপ কাজে অতক্ষণ গুনাহ হচ্ছে এগুলি কিন্তু আপনার নেক আমলকে নষ্ট করে দিচ্ছে কখনো কখনো আত্মভরিতা আত্মগরিমা অহংকার এবং অহংকার এগুলি আপনার ইয়াকে নষ্ট করে দেয় নেক আমলকে নষ্ট করে দেয় আপনার হাসা নষ্ট করে দেয় এজন্য আল্লাহতাছেন আপনি করেন না বেশি বেশি আমল করেন আল্লাহ তার নবীকে বলেছেন মানে আপনি আপনি যে তাদেরকে দাওয়াতের পথে ডাকছেন এটা বলার দরকার নেই আপনি আমল করতে দাওয়াত দিতেই থাকেন দিতেই থাকেন এটা বলতে পারেন আপনি মান করেন না আল্লাহর নবীকে তা নিষেধ করে দিয়েছেন আপনার আমল যেন নষ্ট না হয় আত্ম অহংকার যেন না আসে।
আমি এই করেছি সেই করেছি। এটা যেন কোনদিন না আসে। এটা খেয়াল রাখবেন। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যদি নাজাত পেতে হয় তাহলে তাকওয়া যেন থাকে এবং নিয়ত যেন থাকে। আর ধ্বংস যদি হয়ে কেউ নিতে চায় সে যেন নিরাশ হয়ে যায় বা আত্মধরিত অহংকার সে যেন ফেটে পড়ে। এগুলো তার ঈমানকে নষ্ট করে দেয়। সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম আমি বলছিলাম। যে আরো যে জিনিস মানুষের নেক আমল নষ্ট করে দেয়। নষ্ট না হলেও আখেরাতে নষ্ট হয়ে যাবে।
সেটা কি? আরেকজনের হকের উপরে আক্রমণ করা আরেকজনের অধিকার ছিন্ন করা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম কি বলেছেন যে তোমাদের মধ্যে কবর্ধকশূন্য ব্যক্তি কে মুফলেস কে ফকির কে তোমাদের মধ্যে ফকির কে রাসূুল্লাহ বলার পরে সাহাবা কেরাম বললেন যে একটা লোকমা দুই লোকমার জন্য ঘরে ঘরে ঘুরে বেড়ায় সে তো ফকির না সে আসলে ফকির না ফকির হচ্ছে ওই ব্যক্তি যে ব্যক্তি পাহাড়ের মত বলছেন পাহাড় বড় বড় পাহাড়ের মত নেক আমল কি দিয়ে সালাত যাকাত সম আল্লাহর এবাদত ঠিক করেছে কমতি করে নাই কিন্তু মানুষকে মারছে কেউ গালি দিছে কাউকে অথবা অমুকের সম্পদ ভক্ষণ করে চলে গেছে হাশরের মাঠে সবাই এসে তার নেক আমলগুলি ভাগ করে নিবে সে ব্যক্তি আমল করেও ওখানে যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে তার আমলটা আরেকজন নিয়ে গেছে সে পাচ্ছে না তার লাভ হচ্ছে না আর কিছু মানুষ এরপরে আসবে দেখবে যে এত নেক নিতে পারতেছি না।
তখন তাদের গুনাহগুলি ওর কাঁধে দিয়ে দিবে। সেখানে হাসান এবং সাইয়েদার একে অপরের পরিপূর্ণতার টাকা পয়সা দিয়ে সেদিন কোনদিন পার পাওয়া যাবে না। দুনিয়ার বুকে তো আপনি টাকা দিয়ে মিটমাট করতেন। ওখানে মিটমাট হবে নেকি এবং গদিয়ে। অর্থাৎ আপনার হাসান এবং সাইয়া দিয়ে আপনার শুধু নেক আমল দিয়ে নেকটা নিয়ে যাবে। আর বদগুলি তার উপর উঠ দিবেন। শেষে দিয়ে আর কেউ দিতে পারতেছে না। বহু মানুষকে জুলুম করেছেন। তো আপনার আমল এত বেশি নাই।
তো যারা প্রথমে আসছে তারা কি নিয়েছে নেকগুলি নিয়ে গেছে যারা পরে আসছে তারা বদ নিতে পারতেছে না যে বদগুলি ঢেলে দিছে তার উপরে কারণ সে এখন পা পেয়ে যাবে এই ব্যক্তি হচ্ছে সবচেয়ে বড় সফরদশীন ব্যক্তি আমার নবী বলছে সে মুফলেস অর্থাৎ সে হচ্ছে ফকির তার মত ফকির আর কেউ হতে পারে না তার কিছুই নাই সে সবচেয়ে নিশ অবস্থায় আছে আবার কখনো কোন এমন সব গুনাহ আপনার আপনার নেককে নষ্ট করে যেগুলো জারিয়া চলমান গুনা চলমান গুনা কি নতুন একটা বেদাত আবিষ্কার করেছে সেটা কি নতুন একটা বেদাত আবিষ্কার করেছে আপনার মনে হছে এটা করলে খুব ভালো আপনাদের এলাকায় জিকির একটা আবিষ্কার আছে এটা কি হব খোদা হু রাস ইয়া রাসূল্লাহ নাকি জানি একটা জিকির একটা আছে এই জাতীয় জিকির যারা আবিষ্কার করেছে নতুন এরকম আরো আছে যারা এরকম জিকির আবিষ্কার সবগুলি যতদিন চলবে ততদিন আপনার নেক থেকে কমাচ্ছে সাবধান না জেনে কথা বলা যা জানেন না তা বলবেন না আপনি এমন সব কাজ করবে না যে কারণ আপনার যা করেছেন ছোটখাট আমলগুলি আরেকজন নষ্ট করে দিবে।
কারণ সে যদি আপনার দেখা দিয়ে আমল করে তাহলে যত মানুষ এই আমলগুলি করবে তত মানুষ আপনার তত মানুষের গুনা আপনার কাধে উঠতেছে। আপনার আমল কমে যাচ্ছে নেক আমল যাচ্ছে। যে ইসলামের মধ্যে সুন্না খারাপ কোন খারাপ কোন নীতির প্রবর্তন করবে গুনা পাবে। যত মানুষ আমল করবে তত মানুষ এই গুনাটা বহন করবে এজ রাসুল বলেছেন আরেকটা হাদিস মুসলিম বলেছেন দুনিয়াতে যত হত্যা হয় খারাপ কাজ নাই এই খারাপ কাজের একটা অংশ কে পায় আদম সন্তান প্রথম যে হত্যার পথ দেখিয়েছিল সে পায় আপনি একটা অন্যায়ের পথ দেখাবেন একটা বেদাতের পথ দেখাবে হারাম পথ দেখিয়ে যাবেন মানুষকে এটার উপর উদ্বুদ্ধ করে যাবেন আপনি মনে করেন যে এটা হাসানা এটা এটা কিছু হচ্ছে না না এটা কিন্তু আপনার চাইয়া ঠিক বাসার ভিতরে একটা বাক্স রেখে গেছেন বাসর বাক্স বুঝেন তো অর্থ কি টিভি রেখে গেছেন অথবা এমন কিছু রেখে গেছেন যেটা দিয়ে এসে হারাম দেখবে আপনার পরিবার আপনি কবরে যেতে পারেন
কিন্তু গুনাহ বন্ধ হয়নি গুনা চলমান আবদুল জাহাঙ্গীর রহমতুল্লাহ সবসময় বলতেন গুনাহে জারিয়া গুনাহে জারিয়া আপনার চলমান আছে গুনাহে জারিয়া আপনি বুঝা উচিত আপনি একটা অন্যায় কাজের জন্য একটা মানুষকে নিয়োগ দিয়ে গেছেন চাকরি একটা নিয়োগ দিয়ে গেছেন এক ছেলেকে যে কি সে গানের শিক্ষক অথবা সে নিত্যের শিক্ষক আপনি মনে করছেন চলে গেছেন তা নয় যতদিন সে যত মানুষকে গান শিখাবে নাচ শিখাবে ততদিন আপনার কবরে সেটার গুনা গুনাহ পৌঁছে থাকবে সেটা নয় ওই যতজন শিখাইছে ওদের গুনাহ কেয়ামত পর্যন্ত পৌঁছে থাকবে আপনার কবরে নাউজুবিল্লাহ এর অর্থ হচ্ছে আপনি কি জানেন না কোন কাজটা কিভাবে করছেন একটা মানুষ কবর বাধাই করে যত মানুষ কবর বাধায় দেখলে এটাকে গুরুত্বপূর্ণ কবর মনে করে এবং সেখানে টাকা পয়সা দিয়ে আসে অথবা টাকার বাক্স বানিয়ে দিছেন আপনি সেখানে কোন অন্যায় করে যাচ্ছেন অন্যায়ের পথ করে যাচ্ছেন অথবা কোন মূর্তি আপনি বানায়ে দিছেন আপনি মনে করেন যে আপনি ছাড় পাবেন না আপনি অন্যায়ের কাজে
সহযোগিতা করছেন আপনি এটার গুনা আপনাকে বহন করতে হবে তাহলে আপনি আমি মনেন আমল করেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায় হাসানা রক্ষা করাও দরকার হাসানা অর্জন করাও দরকার হাসানা কিভাবে অর্জন হবে সেটার আলোচনা আজকে আমরা করতে পারব না অনেক লম্বা আমি শুধু কয়েকটা উদাহরণ দিব এক নম্বর হচ্ছে হাসানা অর্জনের বড় মাধ্যম হচ্ছে আল্লাহর নির্দেশিত ফরজ কাজগুলি করা ফরজ কাজগুলো করে দিতে হবে দ্বিতীয় বেশি বেশি নেক আমল করতে হবে সেটা কি সুন্নাহ নফল কাজ বেশি বেশি করতে হবে যেগুলো রাসূল সাল্লাম বলেছেন যে দেখে দেখে করতে হবে আর একটার ভিতরে আপনি মসজিদে আসছেন ধরেন মসজিদে আসছেন মসজিদে আসার সময় আপনি অনেকগুলো চিন্তা করবেন যে আমি মসজিদে যাচ্ছি সওয়াব পাব মসজিদে যাচ্ছি আমি আমার মর্যাদা বৃদ্ধি হবে।
মসজিদে হচ্ছে আমার গুনাহ মাফ হবে। মসজিদে যাওয়ার সময় কাউকে ডেকে নিব সওয়াব পাবো। এইভাবে আপনার সার্বক্ষণিক চিন্তা রাখতে হবে যে আমি যা করি না কেন অনেককে নিয়ে করব। এগুলি আমার আমলনামায় জমা হবে। মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম জগতের যত নেক আমল আছে সমস্ত সমান পরিমাণ সওয়াব আমার নবী পায়। আমরা জানিনা বলেই বলি কি? কি বলি? আমরা যা পড়েছি তার সব রসূলকে পৌঁছা। এত কথাবার্তা বলে বেদাতি কথা। কারণ আপনি রাসূ পথ দেখিয়েছেন যত নেক আমলের আপনি পাঠাইতে হবে না অটোমেটিক সমপরিমাণ সওয়াব আমার নবীর আমলনামাযুক্ত হয়ে যায় এটা যদি ঈমানদার বুঝতো তাহলে ভালো কাজের মধ্যে সবসময় লেগে থাকতো আমি একটা ভালো কাজ পথ দেখাই এজন কেন কেন বলেন তো আল্লাহর বাণী হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বাণী আল্লাহর বাণী হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বাণী আল্লাহর বাণী এর চেয়ে উত্তম বাণী আর কিছু নাই আল্লাহর বাণীর আপনি শিক্ষক মানুষকে শিক্ষা দিচ্ছেন যত মানুষ এরপরে আপনারটা দেখে শিখবে শিখবে শিখবে শিখবে হে ব্যক্তি উত্তম নয়
আর কি হইতে পারে উত্তম জিনিস শিক্ষা দিয়েছেন আর উত্তম জিনিসের সিলসিলা জারিয়েছে আপনি যত মানুষ কিয়ামত পর্যন্ত আপনার কেরাত পড়বে আপনার পড়াশোনা পড়বে আপনার ছাত্র ছাত্র ছাত্র যত যাবে সবার সব আমল নাযুক্ত হয়ে যাবে তাহলে আপনি ভালো কাজগুলি সবসময় লেগে থাকতে হবে ভালো কাজ কিনা আগে জানতে হবে এগুলির মধ্যে আমাদের জীবনটা অতিবাহিত করতে পারি অবশ্যই ইনশাআল্লাহ আমরা ভালো কাজে যুক্ত হলাম এবং নেক আমল করতে পারলাম আল্লাহ আমাদের বোঝার তৌফিক দান করুনবিলাহলা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদ সম্মানিত মুসলিম বলছিলাম হাসানার প্রতি গুরুত্ব দেয়ার কথা। কারণ আপনার এই হাসানা আপনার এই হাসানার কারণে আপনি জান্নাতে যেতে পারবেন। আর হাসানা না থাকলে জান্নাতে যাওয়া বাধা হয়ে দাঁড়াবে আপনার জন্য।
একটি হাসানার মূল্য কত বেশি সেদিন বুঝবেন। আগে থেকে যে ব্যক্তি বুঝে সে ব্যক্তি সৌভাগ্যবান। কেউ যদি কোন কোন ফসল ফলায় অগ্রিম বুঝলে যে ফসল কোন সময় পলাতে হবে তাহলে সে ব্যক্তি সৌভাগ্যবান হতে পারে। আর যে ব্যক্তি যখন মৌসুম শেষ হয়ে যায় এরপরে বলে যে আমি তো ফসল পলাতে চাই। যতই আফসোস করে সেটা কোন কাজে লাগে না। সেদিন হয় মানুষ আফসোস করবে ইমামল হাস আল্লাহ তালা বলছেন কেয়ামতের দিনকে ইমাম হাস আফসোসের দিন আফসোস কেন করবে কাজ করে আসে নাই তাবুন ঠকের দিন ঠকার দিন আমি তো ঠকে আসছি কাজটা করতে পারি না শয়তান ধোকা দিছে আমাকে সেদিন আপনার মনে হবে কিন্তু আপনি আমি যদি কোন নেক আমল করতে পারি আল্লাহতালা আমাদেরকে জান্নাত দিয়ে ধন্য করবেন যেখানে গেলে কোন আর আফসোস হবে না জান্নাতের ভিতরে আর আফসোস নাই কারণ যে ব্যক্তি জান্নাতে যাবে সে মনে করবে আমিই তো রাজা আমার চেয়ে বড় রাজা আর কি হইতে মান সে
চিন্তা করতে পারবে না এর চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে যে এজন্য কোন আফসোস থাকবে না কোন মানুষের এত বিশাল বিশাল জিনিস পাবে সে চিন্তাও করে নাই আপনি যদি কোন কেউ যদি কোন একটা জিনিস আশা করে গেছে ১০টা পেয়ে গেছে আপনি কি মনে করেন রাসূুল্লাহ বলেছেন যে ব্যক্তি সর্বশেষ জান্নাতে যাবে সে বলবে যখন বলা হবে তোমাকে পৃথিবীর মত একটা দেয়া হবে সে তো খুশিতে বাগবাগ এরপর আল্লাহ তালা বলবেন তাকে তোমাকে এর মধ্যে ১০ টা দেয়া হবে সে এরপর আর কথা বলার মত ক্ষমা থাকবে সে মনে করবে আমাকে যা দিছে কাউকে তা দেয় নাই এটাই তার ঈমানদারের অনুভূতি হবে এজন্য আমরা বেশি বেশি হাসানার চর্চা করি নেক আমলে চর্চা করি নেক আমল শিখি কোনটা নেক আমল নেক বদ একসাথ করে ফেলেন না বঝেন কিনা কথাটা একসাথ করা বুঝেন একটা একটা খেয়ে ফেলে চেষ্টা করবেন একটা গুনা হলে একটা হাসানা দিয়ে কাবার দিতে আমার নবী বলে দিয়েছেন একটা
যদি কোন গুনা কাজ হয়ে যায় একটা নেক আম খাবার দাও তাহলে মিটে যাবে বুঝেন কিনা গুনা হইছেগফার করেন নবীরাস্তেগফার করেছেন গুনা হছেগফার করেনস্তেগফার করতে কখনো দেরি করবেন না যত বেশিগফার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন আল্লাহ তত আপনার উপর খুশি হবেন যে বান্দা আমার কাছে ছোট হইছে আমার কাছে বিনয়ী হইছে আমি তাকে ক্ষমা করে দিব যত বেশি তখন ইবলিশ বলেছিল যে আমি তাদেরকে পথভ্রষ্ট করবই আল্লাহ বলছেন তারা যতক্ষণ ক্ষমা চাইবে আমি তাদের ক্ষমা করবই চ্যালেঞ্জে যান ইবলিশের চ্যালেঞ্জের বিপরীতে আল্লাহ তালা যেটা আপনার কাছে চেয়েছেন সেটাতে চলে যান। সেটা কি? আমরা আল্লাহর কাছে স্তেগফার করব। ক্ষমা চেয়ে যাব।
আর বলব আল্লাহ আপনি ছাড়া আমাদের গুনা কেউ ক্ষমা করবে না। আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করে দিবে। যদি আসমান পর্যন্ত আপনার গুনাহ যায়। মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ বলেছেন আসমান পর্যন্ত যদি আপনার গুনাহ যায়। তারপর যদি ক্ষমা চান আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করে দিবে। মন থেকে চাইতে হবে আল্লাহ আমি ক্ষমা চাই। আমি আর করবো না সেটা। আমি তওবা করছি। আমি ক্ষমা চাই আমাকে ক্ষমা করে দেন আমার এই গুনাহগুলি মিটিয়ে দেন আল্লাহতালা আপনার গুনাহ ক্ষমা করবেন কিন্তু আল্লাহর কাছে আপনাকে বিনয়ী হতে হবে আল্লাহর কাছে নিজেকে ছোট করে দিতে হবে আমি কিছুই না আমি দাস এভাবে আল্লাহর কাছে নিজেকে দনহীন করে তুলে ধরে আল্লাহর কাছে চাইবেন য আমি চাচ্ছি আপনি এটা করে আমার আপনার নামের সলা দিয়ে চাচ্ছি আমার নেক আমল সলা দিয়ে চাচ্ছি আমি কোন ব্যক্তি সততার দেই না কবরের সলা দেই না অন্যের আমলের সলা দেই না নিজের নেক আমল সলা দিচ্ছি আপনার নামগুলির উসলা দিচ্ছি আপনি যে সমস্ত সলা সেগুলি
দিয়ে চাচ্ছি ঈমানের সলা দিয়ে চাচ্ছি ক্ষমা করে দেন দিয়ে চাচ্ছি এভাবে চাইলে আল্লাহ আপনাকে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন জান্নাত দিবেন আল্লাহর কাছে বিনয়ী যত হতে পারবেন আল্লাহ আপনাকে তত উপরে মর্যাদা আপনার মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন যে কেউ আল্লাহর জন্য বিনয়ী আল্লাহ আপনাকে মর্যাদা মর্যাদার উচ্চ আসে করবেন সেদিন আপনি খুশি হবেন যে আমি কত বিনয়ী ছিলাম দুনিয়ার বুকে দুনিয়ার বুকে আমি অহংকার অহংকারভাবে চলি নাই দুনিয়ার বুকে চলেছি অত্যন্ত দ্বীনহীনভাবে আল্লাহর বান্দা হিসেবে চলেছি আল্লাহতালা সেদিন আপনাকে সম্মানিত করবেন আল্লাহতালা নিজে ঘোষণা করেছেন মহাম্দ আবদুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহ মহাম্দহ আল্লাহ মুহাম্মাদিলা মহাম্মাদিহলা আমাদের সবাইকে আপনি ক্ষমা করে দিন আমাদের সবাইকে হাসানা বৃদ্ধি করে দিন আমাদের হাসানা বৃদ্ধি করে দিন আল্লাহ আমাদের সাইয়া থেকে আমাদের মুক্তি দিন।
আল্লাহ আমাদেরকে আমাদের তওবা কবুল করুন। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ আমাদের শিরিক থেকে মুক্ত রাখুন। আল্লাহ বেদাত থেকে মুক্ত রাখুন। আল্লাহ কুফুর থেকে মুক্ত রাখুন। আল্লাহ হৃদ থেকে মুক্ত রাখুন। আল্লাহ নেফাক থেকে মুক্ত করে দিন। আল্লাহ আমাদেরকে যাবতীয় এমন সব গুনাহ থেকে মুক্ত করে যেগুলি আমাদের হাসানা নষ্ট করে তা থেকে আমাদের মুক্ত করুন। আল্লাহ আমাদের সন্তানদেরকে ঈমানের উপর বড় করুন। আল্লাহ আমাদেরকে ঈমান ও আমলে পরিপূর্ণতা দান করুন। আল্লাহ আমাদেরকে জান্নাতের উঁচু মাকামগুলি আমাদের জন্য আপনি নির্ধারণ করে দিন। আল্লাহ আমাদের জন্য উচ্চ মাকাম গুলি আমাদের জন্য আল্লাহ ব্যবস্থা করে দিন। আল্লাহ আমাদের দ্বারা এই বাংলার জমিনে আল্লাহ এই শিরিক বেদাত থেকে মানুষদেরকে মুক্ত করার সে সুযোগ আমাদের হাতে দিয়ে দিন।
আল্লাহ তাদের জন্য আমরা যেন আপনার পক্ষ থেকে তাদের জন্য হেদায়েতের কাজ করতে তৌফিক আমাদের দিন। আল্লাহ আমাদের কবুল করুন। আল্লাহ আমাদের শাসন থেকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আল্লাহ তাদেরকে সঠিক পথের দিশা দিন আল্লাহ তাদের থেকে তারা যেন আপনার সন্তুষ্টি মতাবে পথে চলতে তৌফিক তাদেরকে দিন আল্লাহ আমাদেরকে আপনি ক্ষমা করে দিন