আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তাবারকতালার অসংখ্য অগণিত তারিফাত যে আল্লাহ আমাদেরকে তার বিভিন্ন নেয়ামত দ্বারা প্রতিপালন করছেন এবং বিশেষ শেষ দিনে সাপ্তাহিক ঈদের দিন জুমার দিনে আমাদেরকে সহীহ আকিদার এবং সহী মানহাজ চর্চার একটি মসজিদ আদাবরে অবস্থিত বাইতুল মামুর চাঁদ মসজিদে আসার তৌফিক দান করেছেন। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লামের প্রতি অসংখ্য অগণিত দরুদ ও সালাম নাযিল হোক। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি অতঃপর আজকে যে বিষয়ে আলোচনা বা খুতবার প্রদান করা হবে বিষয়টি হচ্ছে যেসব কারণে মুসলিমদের অধঃপতন মুসলিমদের ধ্বংস মুসলিমরা ক্ষতিগ্রস্ত হইতে পারে। এই সমস্ত এই ধরনের কিছু পাপ, এই ধরনের কিছু অসৎ আমল।
এই বিষয়ে আজকে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। এগুলো অনেক বিষয় আছে যে বিষয়গুলো অন্যান্য উম্মতের সাথে, অন্যান্য নবীর উম্মতদের সাথেও আমাদের শরিক দেখা যায় বিভিন্ন উম্মত আল্লাহ তাবারকতালা যে ধ্বংস করেছেন সেই উম্মতগুলো যে সমস্ত পাপের কারণে ধ্বংস হয়েছে যেমন নূহ আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের উম্মত আজ আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের উম্মত সালেহ শায়েব এই ধরনের বিভিন্ন নবী উম্মতদেরকে যে আল্লাহ ধ্বংস করেছেন সেগুলো বিভিন্ন ধরনের পাপ ধ্বংসের কারণে ধ্বংসের পিছনে তাদের পাপ উল্লেখ করা হয়েছে। লুত আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম মানে নবীদের উল্লেখ করা হয়েছে এবং তাদের উম্মতরা কি ধরনের পাপে জড়িত ছিল সেই পাপগুলো উল্লেখ করা হয়েছে এবং সেই পাপের কারণে তাদেরকে ধ্বংস করা হয়েছে এবং আল্লাহ তাবারকতায়ালা কোন উম্মতকে শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে দুইটা পদ্ধতি দেখা যায়।
একটা হলো সমলে ধ্বংস করে ফেলা। একটা হল সেই কাফের জাতিকে পাপিষ্ঠ জাতিকে একেবারে সমলে ধ্বংস করে ফেলছে। কাউকে বাঁচিয়ে রাখেননি। যেমন নূহ আলাইহিস সালাতুও সালামের প্লাবনের কথা আপনারা জানেন। কোরআনে আছে আদ আলাই সালাতু সালামের সামুদ জাতি এই বিভিন্ন জাতিকে আল্লাহ তাবারকতালা যে আযাব দিয়েছিলেন তাদের পাপের কারণে তাদেরকে সমলে ধ্বংস করে দিয়েছেন। এরপরে নবীর প্রতি ঈমান যারা এনেছিল তাদের বংশ তাদের জেনারেশন গুলো পরবর্তীতে রয়ে যায় এবং তারাও বিভিন্ন পাপে জড়িত হয়ে যায়। তো বিভিন্ন ধরনের পাপের কথা আছে কোরআনে।
কিন্তু এই উম্মতে মোহাম্মদী মোহাম্মদ সলামের যে উম্মত অতীতে যে সমস্ত পাপ করার কারণে ধ্বংস করা হয়েছিল বিভিন্ন জাতিকে নবীর উম্মতদেরকে সমস্ত পাপ এই উম্মতে মোহাম্মদ লোকেরা করে আল্লাহু আকবার আল্লাহ কত দয়া একটা পাপের কারণে একটা উম্মতকে ধ্বংস করে দিয়েছে যেমন ধরেন লুত আলাইহিস সালাতুও সালাম শুনছেন তো তারা তাদের যে বিশেষ শিরকের পাশাপাশি মহামারী আকার ধারণ করেছিল তাদের কি সমকামিতা একেবারে সমলে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন সেই জাতিকে একেবারে মাটিকে আকাশে উঠিয়ে তাদেরকে একেবারে জমিনে ধসিয়ে দিয়েছিলেন। উলটপালট সেই পাপটা এখন বর্তমান বিশ্বে একেবারে মামুলি ব্যাপার। এমনকি উম্মতে মোহাম্মদর মধ্যেও মামুলি ব্যাপার হয়ে গেছে। কিন্তু অনেক জাতি যখন এটা ব্যাপক হয়ে যায়।
অনেক জাতির মধ্যে যখন এটা ব্যাপক হয়ে যায় তখন আল্লাহ সমূলে ধ্বংস করেন। কিন্তু উম্মতে মোহাম্মদর ব্যাপারে যেটা এসেছে সেটা আল্লাহ সমূলে গোটা জাতিকে ধ্বংস করবেন না। এটা আল্লাহর একটা বিশেষ রহমত। তারপরও এলাকা ভিত্তিক যে এলাকায় কোন পাপ মহামারী আকারে প্রকাশিত হবে এবং মানুষ জড়িয়ে পড়বে তাদের ব্যাপারে বলা হয়েছে যে তাদেরকে আল্লাহ শাস্তির আওতায় নিয়ে আসবেন। কঠিন শাস্তি ধ্বংস না করলেও তাদেরকে কঠিন শাস্তি দান করবেন। এখানে আমরা কিছু কারণ জানার চেষ্টা করব।
যে সমস্ত কারণে আল্লাহ ব্যাপকভাবে শাস্তি দিয়ে থাকেন আযাব গজব দিয়ে থাকেন এক নম্বরে যেটা বলব সেটা হল কাসরাতুল ফাসাদশার মাস মুজাহারাবিহা মানে বিপর্যয় ব্যাপকভাবে জমিনে বিপর্যয় সৃষ্টি সৃষ্টি করা ফাসাদ ফাসাদ মানে হল অন্যায় অন্যায় অনাচার জুলুম নির্যাতন জুলুম নির্যাতন ফাসাদ ধ্বংস করে ফেলা আপসেই একদল আরেক দলকে একজন আরেকজনকে ধ্বংস করে ফেলছে বিপর্যয় সৃষ্টি করা জমিনের মুখে বিশৃঙ্খলা বিশৃঙ্খলা তৈরি করা যখন ব্যাপকভাবে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় তখন এবং ইন্তেশার মাসি বিভিন্ন ধরনের পাপ আসলে জুলুম তো সবাই করতে পারে না যারা জালেম যাদের শক্তি আছে যাদের সামর্থ্য আছে যাদের সম্পদ আছে যাদের পদ আছে তারা ফাসাদ সৃষ্টি করে সমাজের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে আর বিভিন্ন ধরনের পাপ পাপ করতে তো আর শক্তি লাগে না পাপ গরীব মানুষও পাপ করতে পারে বরং বলা যেতে পারে বর্তমান যুগে পাপ বলতে পাপ আমরা কি বুঝি আল্লাহ তাবারকতালা আমাদেরকে যেই উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন এবাদত করা এই এবাদত না করাটাই তো বিশাল বড় পাপ এবাদত না করাটা আল্লাহর এবাদত যদি না করে তাহলে তাকে কোরআনে ধরে নেওয়া হয়েছে সে শয়তানের এবাদত সে মনোবৃত্তির পূজাকারী।
সে নিজের ধ্যান ধারণার পূজা করে চলেছে। যদি সে আল্লাহর এবাদত না করে তাহলে জানতে হবে যে সে নিজের মনোবৃত্তির পূজা করতেছে। খেয়াল খুশির পূজা করে চলেছে। নিজের ধ্যান ধারণার পূজা করে চলেছে। খালি থাকার উপায় নাই। হয় আল্লাহর এবাদত করবে না হলে শয়তানের এবাদত করবে। মাঝখানে আর কোন রাস্তা নাই। নিরপেক্ষ [গলা পরিষ্কার করা] হওয়ার কোন সুযোগ নাই। শয়তানের এবাদতকারী হবে। আল্লাহর এবাদত না করলে শয়তানের এবাদত। এই আল্লাহর এবাদতের এবাদতে নিয়োজিত না হওয়া, আল্লাহর এবাদত না করা। এটাই তো হল সবচেয়ে বড় গুনাহ। সালাত ত্যাগ করা। যাকাত ত্যাগ করা। সিয়াম ত্যাগ করা, ইসলামের ফরজ গুলোকে ত্যাগ করা। এটা হল সবচেয়ে বড় গুনাহ।
এমনকি এবাদতটাকে যদি আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের নিয়মে পালন না করা হয় তাহলে এটাও এমন বড় গুনাহ হয়ে যায়। আপনি যত গুনাহ কবিরা গুনাহ জানেন সমস্ত কবিরা গুনাহর চাইতে বড় গুনাহ হয়ে যায় এবাদত এবাদত না করা গুনাহ আর এবাদতটাকে আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের না সম্পাদন করা এটাও গুনাহ এমনকি যত কবিরা গুনাহ আছে শিরক এবং কুফরির পরে সমস্ত কবিরা গুনাহর চাইতে বড় গুনাহ হয়ে গেল। আপনি যে এবাদত করতেছেন উল্টাপাল্টা নিয়মে যেই এবাদতের কথা কোরআন হাদিসে নাই এরকম এবাদত করাও হল এত বড় গুনাহ। এটা হল এরপরে তো যেগুলোকে সাধারণ পাবলিক গুনাহ মনে করে। সবারই জানা আছে যেগুলো গুনাহর কাজ।
জিনা করা, জিনা ব্যভিচার করা চুরি করা, ছিন্তাই করা, ডাকাতি করা এগুলো তো সাধারণ পাবলিক জানে। এগুলো কোরআনে কঠিনভাবে নিষিদ্ধ। আর এবাদত না করা। এটা হলো মনোবৃত্তিকে আল্লাহর শরিক বানিয়ে ফেলা। আর এবাদত যা ইচ্ছা তাই করা নিজের নিয়মে করা কোন হুজুরের নিয়মে করা কোন পীর তরিকাতে করা এইটা হল এইসব জিনা ব্যভিচার চুরি ডাকাতির চাইতেও বড় পাপ চুরি ডাকাতির চাইতে বড় পাপ হল এবাদত খেয়াল খুশি মোতাবেক করা উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি কেয়াম করা এইযে মিলা কেয়াম করা হয়। এইযে শবে বরাত পালন করা হয় চুরি ডাকাতির চাইতে বড় পাপ। জিনা ব্যভিচারের চাইতে বড় পাপ। শবে বরাতে যেগুলো আমরা পালন করে ফেলি।
এবাদত বাদ দিয়ে বেদাত নিয়ে আমরা মেতে যাই। এমনকি আমরা তো কতবার যে এই মসজিদে এই হাদিস আমরা উল্লেখ করেছি তাহাজ্জুদ পড়বেন তাহাজ্জুদটা আবার যদি রাসূ সলামের চাইতে বেশি পড়েন তাহাজ্জুদ বেশি পড়েন তাহলে আল্লাহ রাসূ সলাম বলছেন এটা এমন বড় পাপ যেকে উম্মতের মধ্যে রাখা যাবে না উম্মত থেকে খারিজ তিন ব্যক্তির কথা প্রায় আমরা বলি। এই হাদিস আমাদের দেশের ওই বেদাতিরা বুঝেই না। জীবনেও কোনদিন তাদের সামনে হাদিসটা এসেছে কিনা জানিনা। এবাদত যে পাপ হয় একটা নফল এবাদত কত বড় পাপ হইতে পারে যে রসূের উম্মত থেকে খারিজ।
জেনা করলে কি আপনি উম্মত থেকে খারিজ হবেন নাকি? সুদ খাইলে কি আপনি উম্মত থেকে খারিজ হবেন নাকি? ঘুষ খাইলে কি আপনি উম্মত থেকে খারিজ? সবই কবিরা গুনাহ সবই তো বড় গুনাহ কিন্তু আপনি উম্মত থেকে খারিজ হবেন না কিন্তু রাসূ কাকে উম্মত থেকে খারিজ করলেন সাহাবীদের তিনজন লোক বলছে ইয়া রাসূলাল্লাহ তারা আপসে মানে অঙ্গীকার করতেছে বা তারা করতেছে একটা যে আমরা এভাবে এবাদত করব রাসূল সলাম তো কম এবাদত করেন। আমাদের এই কম এবাদত করলে হবে না। কারণ রাসূল সলাম এমন ব্যক্তি যার আগের পিছের সব গুনাহ মাফ। এইজন্য অল্প সামান্য আল্লাহ রাসূল এবাদত করতেছেন এতে হবে। কিন্তু আমরা পাপী তাপী গুনাগার আমাদের এই অল্প এবাদতে কাম হবে না।
তো কি করবে? একজন বলছে আমি জীবনে যতদিন বেঁচে থাকবো সারারাত জেগে এবাদত করব। কি করবে? সে তাহাজ্জুদ পড়বে। সারারাত জেগে কেয়ামুল লাইল পড়বে। ও কি বলছে সারারাত চুরি করব? সারারাত ডাকাতি করব। সারারাত আমি কি বলে প্রসটের পড়ে থাকব। এটা বলছে কি বলছে? সারারাত আমি এবাদতে মশগুল থাকব। তারপর আল্লাহর রাসূল ওই ব্যক্তিকে কি বললেন? ওই ওই ব্যক্তিকে বললেন সুন্নাতিমিন্নি যে আমার সুন্নত আমার তরিকা বহির্ভূত এবাদত করবে সুন্না এভয়েড করবে আমার নিয়ম পদ্ধতি এভয়েড করে এবাদত করবে সে সারারাত এবাদত তার এবাদত সারারাতই হোক না কেন লাইসামিনি সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয় বলেন সারারাত তাহাজ্জুদ পড়ার কারণে সে উম্মত থেকে খারিজ হল আচ্ছা বলেন তো এটা আমাদের বেদাত সহ্য করতে পারে এই লোকটা যদি সারারাত প্রসারে থাকতো বের হয়ে যদি বলস আমি প্রেসারে ছিলাম কি বল তুমি উম্মত থেকে খারি অবিবাহিত বলতেন একটা নিয়ে ১০০ মার শেষ হয়ে গেল পবিত্র হয়ে গেল কিন্তু সাহাবীর মত লোক সে বলতেছেলা আমি সারারাত এবাদত করব এক সেকেন্ড ঘুমাব কি বললেন আল্লাহ রাস এর সাথে আরেকজন আছে আমি সিয়াম পালন করব রোজা রাখব সারাজীবন একদিনও ছাড়বো না।
ও কি বলছে যে আমি বেশাখানায় আমি একটা রুম ভাড়া করে থাকবো। এটা বলছে এই বেদাতিদের এটা ব্রেনেই ধরে না। আপনারা জানেন তো এই মসজিদের একটা খুতবার অংশবিশেষ বেদাতিরা না বুঝার কারণে কিভাবে ২৫ টা মামলা দিছিল। এর নামই হল বেদাতি। ও এবাদত বুঝেনা, এবাদতের নিয়ম বুঝেনা জানেন তো আপনারা এই মসজিদের খুতবার অংশবিশেষ। তারা উল্টাপাল্টা তারা বুঝে না, তারা হলো গর্ধবের দল। এই বেদাতি মানে কি? গর্ধবের দল। না বুঝার কারণে আমার বিরুদ্ধে তুই বুঝ আগে। না বুঝতে পারিস আমার কাছে আয়। ও এসে মামলা দিছে। অনেক মামলা। অসংখ্য মামলা। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ঢাকা আরো কোথায় কোথায় দিয়েছে। এই হল অবস্থা।
[গলা পরিষ্কার করা] তা কি বলেন? আল্লাহ রাসূ সাল্লা কি বললেন? তিনজন সাহাবীকে তারা কোন অন্যায় কাজ করে নাই। সারারাত চুরি করবো এটা বলছে না সারারাত ডাকাতি করবো এটাও বলছে না সারারাত বেশ্যাখানায় থাকবো এটা বলতেছে না [সশব্দ হাসি] সারারাত আমি কি বলে মানুষ হত্যা করে বেড়াবো এটাও বলতেছে না কি বলছে প্রথম ব্যক্তি বলবে আমি সারারাত তাহাজ্জুদ পড়ব সালাত পড়ব নফল সালাত সারারাত আর ফরজ নাই এশারচাররাত ফর এর পরেই শেষ এরপরে কি নফল ফজর পর্যন্ত নফল কি বলছে সাহাবী যেহেতু সাহা তারা সাহাবী সাহাবীদের মধ্যে সাহাবীদের জন্য প্রথম মল্লেম কে রাস মল্লিম হয়ে এসেছিলেন শিক্ষক টিচার কাদের টিচার ছিল আমাদের না তো সাহাবীদের টিচার সরাসরি হল সাহাবীদের টিচার সাহাবী সাহাবীরা এই ভুলটা করতেছে রাস তারা নিজেরা আপসেশে বলাবলি করছে প্রথম ব্যক্তি বলল আমি জীবনে যতদিন বেঁচে থাকব কোন বেদাতি মুখ দিয়ে স্বীকার করতে পারব না এইযে মিলাদওয়ালা কিয়ামওয়ালা শবে বরাতওয়ালা এদেরকে যদি আপনি বেধে বলেন যে স্বীকার কর
সারারাত তাহাজ্জুদ পড়ব একদিনও জীবনে ঘুমাবো না কাবা শুরু করবে এত কঠোর এবাদত না এটা স্বীকার যাইতে পারব না আপনি দরকার হলে ১০০ মেরে দেন এটা স্বীকার করায়েন না সারারাত তাহাজ্জুদ পড়ব এক সেকেন্ডও ঘুমাবো না সে বয়স ১০০ বছর হোক আর ৫০ বছর বয়স হোক একদিনও রাত্রে ঘুমাবে না খারাপ কথা বলছে তারপরে দ্বিতীয় ব্যক্তি বলছে জীবনে যতদিন বেঁচে থাকব শুধু শুধু সিয়াম আর সিয়াম রোজা একদিনও দুপুরে সকালের নাস্তা দুপুরে খানা খাবো না সেই সুদেকের আগে সেহরি খাব আর কি বলে সূর্য ডোবার পর ইফতার করবো এটা হল সারা জীবনের আমল কোনদিন এটার ব্যতিক্রম হবে না সিয়াম পালন করব তৃতীয় ব্যক্তি কি বলল আমি এবাদতে মাশগুল থাকার জন্য এবাদতে ব্যস্ত থাকার জন্য সময় যাতে আমার নষ্ট না হয় এবাদতের সময় নষ্ট না হয় এজন্য আমি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হব না এতো মারাত্মক কথা যারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গেছে তাদের সময় স্ত্রীকে সময় দিতে হয় না নতুন নতুন
তো মনে হয়েছে ২৪ ঘন্টায় ওদের দে স্ত্রীকে তাই না এখন ও যাতে আল্লাহর এবাদত থেকে কোনভাবেই যেন সে মশগুল না হয় এবাদত থেকে যেন সে বিমুখ না হয় অন্য কোন ব্যস্ততায় যেন তার সময় নষ্ট না হয় এজন্য বলতেছে আমি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হব এই তিনজনকেই তিনজন কত সুন্দর এবাদত না বেদাতিদের দৃষ্টিতে এটা খুবই সুন্দর এবাদত কিন্তু আল্লাহ রাসূ তিনজনকে লক্ষ্য করে কি বললেন রেখ আমি সেই ব্যক্তি যে ব্যক্তি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় করে আল্লাহর সবচেয়ে তাকওয়া পরায়ণ বান্দা কিন্তু আমি কি ও আমি আমি রাত্রিবেলায় নফল সালাত পড়ি ঘুমাই ঘুমাই এবং স্ত্রীদেরকে আল্লাহ রাসূ সময় দেয় আল্লাহ নিজেই স্ত্রী গ্রহণ করেছিলেন না ১১টার মত স্ত্রী এবং আমি নফল সিয়াম পালন করি আবার নফল সিয়াম ছেড়েও চলি লাগাতার আমি নফল সিয়াম পালন করি না।
মানরা সুন্নাতি এইভাবে এবাদত করা। রাত্রেবেলায় ঘুমানো আর নফল সালাত পড়া। স্ত্রীদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া। স্ত্রীদেরকে রাতে সময় দেওয়া এবং নফল সিয়াম পালন করা নফল সিয়াম ছাড়া এটাই হল আমার সুন্নাহ এই সুন্নাহ বহির্ভূত এই নিয়ম বহির্ভূত যেই ব্যক্তি এবাদত করবে সেই ব্যক্তি আমার উম্মত থেকে খারিজ সেই ব্যক্তিকে কাদেরকে আল্লাহ রাসূল উচ্চারণ করলেন [নাক ডাকা] তিনজন সাহাবীর সাহাবীকে এভাবে হুমকি দিলেন। সাহাবীরা এরকম হুমকি পেলে কি আর ওই এবাদত করে? সাহাবীরা অবশ্যই তারা এই ধরনের এবাদত পালন থেকে বিরত ছিল। বিরত হয়ে গিয়েছিল এবং সবসময় রাসূলুল্লাহ সলামের তরিকা অনুসরণ করে তারা এবাদত করতেন। রাসূ সলাম যা করতেন সেটা তারাও করত।
যা ছেড়ে দিতেন সেটা তারাও ছেড়ে দিত। এটা হল এই ধরনের এবাদত না করা হল শিরকি গুনাহ। কুফরি গুনাহ। আর এবাদত করাটা নিজের খেয়াল খুশি পদ্ধতিতে এটাও হলো মারাত্মক এবাদত। মারাত্মক পাপ যেটা অন্যান্য পাপের চেয়েও বেশি। মদ খাওয়া। একজন সাহাবীকে ধরে নিয়ে আসা হয়েছে। মদ তিনি মদ খাইতেন। একসময় তো মদ হালাল ছিল। তাই না? মদ হালাল ছিল। তিনটা স্তরে মদ হারাম করা হয়েছে। এক সাহাবী উনি মদ ছাড়তে পারে নাই। খেয়ে ফেললেন। রাসূ সাল্লামের যুগে আছে না? রাসূ সলামের যুগে মদখোরের শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে। মদখোর না পাওয়া শাস্তি হল জিনাকারীকে জিনাকারী ব্যক্তির শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে। ডাকাইতের শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে।
চোরের শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে। মানে রসূলের যুগে পাওয়া গেছে। আমাদের যুগেও পাওয়া যায়। আমাদের যুগে বেশি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে একেবারেই নগণ্য। এই ধরনের রাসূল সলামের কাছে নিয়ে আসা হয়েছে সেই লোকটার নাম হলো হেমার একটু বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিল এদিকে নেশাও ছিল আবার বিবেক প্রতিবন্ধী ছিল অনেকটা মানে একটু হাবাগোবা টাইপের কিন্তু মজা পেয়ে গেছে এটা ছাড়তে পারতো না এজন্য তার ডাক নাম ছিল হ্যামার এই হ্যামারকে নিয়ে আসা হয়েছে হেমার মানে গাধা একে একে নিয়ে আসা হয়েছে চতুর্থবার মদ পানের কারণে তাকে চতুর্থবার নিয়ে আসা হয়েছে শাস্তি দেওয়ার জন্য মদ পানের শাস্তি হল এই যে চড় থাপ্পল জুতা স্যান্ডেল মেরে তাকে বেইজ্জত করা তাকে কবলানো আমাদের দেশে যেমন কান ধরে উট বস করা ৪০ ৫০ টা জুতা মেরে তারপরে ও কান ধরে উট বস করে।
এই যে একটা বিরাট বেইজ্জতি। এই যে লাঞ্ছনা এটাই তার শাস্তি। তো এই লোককে এভাবে আরো এর আগে তিনবার বা দুইবার শাস্তি দেওয়া হয়েছে। একজন সাহাবী এই লোকটার উপরে বিরক্ত হয়ে গেছে। তাকে যখন ধরে আনা হয়েছে আবার মদের মদের কারণে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে। এক সাহাবী বলছেন লানাতুল্লাহি আলাই এই হতভাগ তোর উপরে আল্লাহর লানত পড় কতবার তুই একই অপরাধী শাস্তি শাস্তির সম্মুখীন হচ্ছিস তাও তোর হুশ হয় না তোর জ্ঞান হয় না আল্লাহ রাসূ সলাম যে যেই সাহাবী বললেন লাইনাতুল্লাহ আল্লাহর লানত বর্ষিত হোক তোর উপরে এই লোককে বকা দিলেন তুমি এই পাপী ব্যক্তি লানত করতে পারো না।
লানত করা যাবে না। [নাক ডাকা] কারণ সে যদিও মদ খেয়েছে কিন্তু আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলকে সে ভালোবাসে। আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলকে সে ভালোবাসে। আল্লাহ আল্লাহর রাসূলকে ভালোবাসার নিয়ম। নিয়ম কি? এবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের যে নিয়ম সেই নিয়ম সে বাস্তবায়ন করে। পাপের জায়গায় পাপ পাপ করতেছে। শয়তান তাকে করাইতেছে। শয়তানের চক্রান্তে পড়ে ভুলে যাচ্ছে। ভুলে গিয়ে আবার পাপ করে ফেলছে। তো সে আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলকে ভালোবাসে। দেখেন মদ খাইছে কিন্তু আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের ভালোবাসা আবার ঠিক আছে। তো শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে কিন্তু লানত তাকে লানত অভিশাপ দেওয়া হলো নাজায়েজ হারাম। তাইলে হল এবাদতের ক্ষেত্রে পাপ।
এবাদত জনিত এবাদত সম্পর্কিত পাপ। এগুলো হল মারাত্মক। কি বললাম উম্মত থেকে খারিজ এবাদত না করাটা এটাও কিন্তু বিশাল মারাত্মক পাপ চুরি করলে হাত কেটে নেওয়া জিনা ব্যভিচার করলে ১০০ অথবা বিবাহিত হলে তাকে পাথর মেরে হত্যা করে ফেলা এটা হল কোরআনের নিয়ম কিন্তু যদি কেউ সালাত না পড়ে সালাত না পড়ে তাহলে তাকে কাফের ধরা হয় তার শাস্তি হল মৃত্যুদণ্ড কাফের হয়ে যাবে এবং তার শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড মারাত্মক কথা সুদ খাইলে ঘুষ খাইলে বড় পাপ হয় কবিরা গুনাহ হয় কিন্তু তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড না। এই পাপগুলো যখন ব্যাপক হয়ে যায় ইন্তেশারুলমা কোন সমাজে যখন পাপ ব্যাপক হয়ে যায় তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে শাস্তি আসে।
মুজাহারাবিহা পাপগুলোকে প্রকাশ্যে করা। প্রকাশ্যে পাপ করা। তাহলে এগুলোর কারণে আল্লাহ তাবারকতালা বলছেন কি ধরনের আজাব আল্লাহর পক্ষ থেকে আসতে পারে আজবুল্লাহ হঠাৎ করে কোন একটা আজাব চলে আসল হঠাৎ করে আল্লাহর পক্ষ থেকে আসতে পারে অথবা জমিন থেকে আসমান থেকেও আসতে পারে জমিন থেকেও আসতে পারে হঠাৎ করে আল্লাহর পক্ষ থেকে শাস্তি চলে আসে পাপ করছি খুব তো আমি আনন্দের সাথেই পাপ করছি কই কোন সমস্যা নাই কিন্তু হঠাৎ করে আল্লাহর পক্ষ থেকে এর শাস্তি চলে আসে কিভাবে আসমান থেকে শাস্তি আসে যেমন ধরেন যে কি ঠাটা পড়ে যায় না অনেকে মারা যায় এভাবে মারা যাচ্ছে দেখা যাচ্ছে যে ঝড় তুফানে ঝড় তুফানের কারণে মারা যাচ্ছে।
দেখা যাচ্ছে যে বন্যার কারণে মারা যাচ্ছে। আপনি বাসাতে শুয়ে আছেন খুব নিরাপদে আনন্দফতি করে শুয়েছেন। হঠাৎ দেখা যায় যে আপনি আপনি তো দরজা লাগিয়ে ঘুমাইছিলেন। আপনি একেবারে পানি সলিল সমাধি হয়ে গেছে রাত্রেবেলা। আর ঘুম থেকে জায়গাই হয় নাই। একেবারে সলিল সমাধি হয়ে গেছে। এগুলো তো আমরা দেখতেছি। আমাদের কাছে তো এগুলো কাহিনী না। কিচ্ছা কাহিনী নাকি? এগুলো কোন কিচ্ছা কাহিনী না। আল্লাহর পক্ষ থেকে হঠাৎ করে আজাব চলে আসে। ঝড় তুফান হঠাৎ করে আপনি এক্সিডেন্টে মারা গেলেন। হঠাৎ করে। হঠাৎ করে লঞ্চ ডুবিতে আপনি মারা গেলেন। কল্পনাই করতে পারেননি। তো যারা এভাবে প্রকাশ্যে পাপ করে তাদেরকে যেকোনো সময় আল্লাহ তাবারকতালা এজন্য আল্লাহ রাসূ আমাদেরকে পানা চাইতে বলেছেন আল্লাহু হে আল্লাহ আমি তোমার কাছে হঠাৎ মৃত্যু থেকে পানা চাই হঠাৎ মৃত্যু থেকে পানা চাই আর হঠাৎ মৃত্যু হয়ে যায় তাদের ক্ষেত্রে অথবা একেবারে দেখতে দেখতে প্রকাশ্যে প্রকাশ্যে তাদের উপরে আল্লাহর আজাব কার্যকর করা হয়েছে।
এভাবে তারপরে আল্লাহ কি বলছেন? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম থেকে একটা হাদিস এসেছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন এটা যখন পাপ প্রকাশ্যে মানুষ করতে থাকে প্রকাশ্যে মানুষ যখন [গলা পরিষ্কার করা] পাপ করতে থাকে এবং ব্যাপকভাবে করতে থাকে তখন আল্লাহর পক্ষ পক্ষ থেকে ব্যাপকভাবে আজাবটাও আসে। তো সাহাবায়ে কেরাম বললেন, ইয়া রাসূল্লাহ মানে সাহাবায়ে কেরাম তাদের উপরে নিয়ে নিলেন যে তারা তারা জীবিত থাকতে এরকম হইতে পারে নাকি? এক সাহাবী জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসূল্লাহ আপনি যে বলছেন আল্লাহর পক্ষ থেকে আজাব গজব এসে ধ্বংস করে ফেলবে। তো আমাদের মধ্যে সৎকর্মশীল বান্দারা ভালো ভালো লোকেরা থাকা অবস্থায় কি এরকম হইতে পারে? আল্লাহ রাসূ সলাম বললেন না।
ভালো লোকেরা থাকা অবস্থায় এরকম আযাব গজব আল্লাহর পক্ষ থেকে আসতে পারে। আল্লাহ রাসূ সলাম বললেন যখন পাপপঙ্কিলতা ব্যাপক হয়ে যায় যখন পাপঙ্কিলতা ব্যাপক হয়ে যায় তখন সৎকর্মশীল লোকেরা থাকা অবস্থায় আল্লাহর পক্ষ থেকে আজাব আসে। এই যেসব এলাকায় বন্যা হচ্ছে এইসব এলাকায় কি ভালো লোক নাই? ভালো লোকও আছে কিন্তু ভালো লোকেরা হয়তো ভালো লোক থাকা সত ভালো লোক কয়জন যদি শতকরা ৯৮% বেনামাজি হয় ২% নামাজি হয় তো ভালো লোক কোথায় এই ভালো লোকদের প্রভাবই বাকি এই ভালো লোক এসব ভালো লোক দিয়ে তো আল্লাহ আযাব মাফ করবেন না সবার উপরে আযাব নিয়ে আসবেন আমরা বেঁচে আছি এটাই বিরাট শুকরিয়ার ব্যাপার তারপরে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম আরেকটা হাদিসে বলছেন ওমর খাত্তাব রাদিয়াল্লাহ থেকে বর্ণিত আল্লাহ বললেন যে অচিরেই ওমর খাত্তাব থেকে বর্ণিত হাদিস অচিরেই জনপদগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে।
অথচ এই জনপদ একসময় জমজমাট ছিল। কত সুন্দর ছিল। কত জমজমাট ছিল। অথচ এগুলো হঠাৎ করে দেখা যাবে যে ধ্বংস হয়ে গেছে। এই জমজমাট শহরগুলো জমজমাট জনপদগুলো দেশ এগুলো কিভাবে ধ্বংস বিধ্বস্ত নষ্ট হয়ে যাবেলা আল্লাহ সূ জবাব দিলেন যখন দেখা যাবে যে ওই দেশের ওই শহরের ওই জনপদের ফাসক ফাজের লোকগুলো পরহেজগার সৎকর্মশীল লোকদের উপরে প্রাধান্য পেয়ে গেছে। এদেরই মর্যাদা এদেরই সম্মান ফাসেক ফাজের আছে। ভালো মানুষ আছে। কিন্তু ফাসেক ফাজের লোকগুলোরই ওই সমাজে সম্মান করা হচ্ছে। শ্রদ্ধা করা হচ্ছে। এইসব সম্মানিত লোকদের কোন শ্রম সম্মান শ্রদ্ধা তাদেরকে মানুষ গনেই নাই।
এই ফাসেক ফাজের গুলোকে গুনতেছে কারণ ওরা হল নেতৃস্থানীয় আর যখন কোন দলের শাসন করবে মুনাফেকরা মুনাফিকরা যখন কোন দলের শাসন করবে তখন আমাদের দেশেতো আসলে তো মুনাফেক তৈরি হয় ইসলামী রাষ্ট্রে ইসলামী রাষ্ট্রে মুনাফেক তৈরি হয় যেখানে ইসলামের শক্তি মুসলমান মদের শক্তি বেশি সেখানে কি করে সেখানে মুনাফেকদের জন্ম হয় কিন্তু আমরা আমরা এমন একটা সিস্টেম পেয়ে গেছি এই সিস্টেমটাই মুনাফিক মুনাফেক তৈরি করার সিস্টেম সেটা কোনটা গণতন্ত্র গণতন্ত্র মানে কি আপনি একসাথে মুসলিমও হবেন হিন্দুও হবেন বৌদ্ধ হবেন খ্রিস্টানও হবেন ইহুদিও হবেন জৈনও হবেন সবকিছু একসাথে হইতে হবে আপনাকে এ মুনাফিকরা তো খুব জোর রাসূ সাল্লামের যুগে তারা মনে মনে কাফের ছিল আর প্রকাশ্যে মুসলিম ছিল আর বর্তমানে কি দেখছি এরা মনে মনেও মুনাফেক প্রকাশ্যেও মুনাফেক এই যখন অবস্থা হবে তখন আর আল্লাহর আজাব গজব ঠেকানোর আর কিছু থাকবে না।
একমাত্র আল্লাহ যদি রহম করেন তাহলে তো আমাদের দেশে আমাদের সমাজে মুসলিম দেশে যে দেখেছেন এই গণতান্ত্রিক রাজনীতির কারণে কত যে দেখা যায় সে মসজিদে পরহেজগার মানুষ আর মসজিদের বাইরে মুনাফেক। এবাদতেও আছে সে শিরকেও আছে। সে ঈমানেও আছে কুফরিতেও আছে। আল্লাহ রাসূ সাল্লাম বলছেন যে এই যে ফাসেক ফাজের এবং মুনাফিকরা যখন সমাজের অধিপতি হয়ে যাবে সমাজের তারা নেতৃত্ব দিবে সমাজের কর্তৃত্ব তাদের উপরে থাকবে তখনই আল্লাহর আজাব গজব আসবে। আসলে তো সম্মানী লোকদের সম্মান করা উচিত। এরপরে আল্লাহ রাসূল সলাম তো বলছেন যে এই সমাজে যেই সমাজে খুব ব্যাপকভাবে অন্যায় অপকর্ম হয় ও সমাজে যারা চুপ থাকে চুপ থাকাটাও অন্যায় চুপ থাকলেও থাকবে ঝামেলা যাওয়ার দরকার নাই ওরা ওরা জিনা ব্যভিচার করতেছে রাস্তায় করুক আমার ঝামেলা যাওয়া দরকার কি? ওই [গলা পরিষ্কার করা] মহিলা বেপর্দা উলঙ্গ হয়ে চলতেছে।
আমার বলার দরকার কি? হ্যা আমাদের সমাজ তো এরকম হয়ে গেছে যে বলা যাবে না। বুঝেছেন? এই হাদিসের বিপরীতে আমরা এইযে গণতান্ত্রিক নিয়ম হলো কি? আপনি আপনার স্বাধীনতা আপনি ভোগ করবেন খুব আপনি ইসলাম গ্রহণ করতে পারেন আবার আপনি ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করতে পারেন আপনি হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করতে পারেন যে এই গণতান্ত্রিক পরিবেশে গণতান্ত্রিক সমাজে সেই হলো শ্রেষ্ঠ সেই হলো সবচেয়ে ভালো মানুষ যে সব ধর্মকেই সব ধর্ম পালন করে এক ভন্ডকে বলতে শুনেছি সম্ভবত এমপি ছিল নাকি বলছে আমার মেয়ের বিয়ে দিয়েছে আমার মেয়ে হিন্দুর সাথে বিয়ে দিছে যখন সে ইন্ডিয়ায় যায় তখন পূজা করে আর যখন বাংলাদেশে আসে তখন নামাজ পড়ে মসজিদে ছি এগুলো মুসলমান করে যে যে মসজিদকে মহব্বত করে সে কখনো মূর্তি মন্দিরকে মহব্বত করতে পারবে না যদি সে মহব্বত করে সে মুনাফিক কোন কথা নাই মসজিদ মহব্বতকারী কখনোই সে মন্দির মূর্তি মহব্বতকারী হইতে পারবে না।
[গলা পরিষ্কার করা] রাসূল সাল্লাম রাসূ সাল্লা কি করেছিলেন? কাফেরদের ভিতরেই তো রাসূলের কাজ ছিল। রাসূল সাল্লা কাজ কোথায় ছিল? কাফের মুশরিকদের মধ্যে। কি কাজ ছিল? এই কাফের মুশরিকগুলোকে হেদায়েত করা। আর গণতন্ত্রের নিয়ম হলো আপনি হেদায়েত করতে পারবেন না। একটা মহিলা উলঙ্গ হয়ে চলতেছে সে ওরনা হাতে নিয়ে চলতেছে এভাবে হাতে ওরনা। আপনি ওকে বলতে পারবেন না ওরনাটা তোর বুকে দে। এটা বলতে পারবে না। গণতান্ত্রিক দেশে। দেখলেন না কিছুদিন আগে একজন মুরুব্বী বলছে ওড়না নিয়ে আছে। হ্যা।
আবার তাকে উপদেশ দিছে যে মা তুমি এ ওরনাটা তোমার বুকে দাও আর খেয়ে গেছে সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রী মুসলমানরাও কিন্তু ওই মেয়েটার পক্ষে গেছে গণতন্ত্রী মুসলমানগুলো ওই মেয়ের পক্ষে কি স্বাধীনতা একটা জিনিস আছে বেপর্দা স্বাধীনতা জেনার স্বাধীনতা কুফরির স্বাধীনতা পেশার স্বাধীনতা নেশার স্বাধীনতা এগুলো স্বাধীনতা ৯৮ বা ৯২% মুসলিমের দেশে এই সবকটাই আগে নিতে হবে কোন স্বাধীনতা নাই আল্লাহর বিধানের কাছে কোন স্বাধীনতা তোমার চলবে না এই সবক আগে নিতে হবে কোন স্বাধীনতা নাই আল্লাহ যেটাকে হালাল করেছেন ওই হালালের মধ্যে তোমাকে সীমাবদ্ধতা থাকবে আল্লাহ যেটাকে হারাম করেছেন সে তোমার মুখ দিয়ে তোমার অন্তর দিয়ে ওটাকে হারাম জানতে হবে।
কিসের স্বাধীনতা? তুমি স্বাধীনতা ভোগ করতে হলে আগে তোমাকে হিন্দু ধর্মে যাইতে হবে। আগে তুমি বৌদ্ধ হয়ে যাও। আগে তুমি ইসলামকে ইস্তফা দিয়ে স্বাধীনতার কথা চিন্তা করলে স্বাধীনতা। বাক স্বাধীনতা। এই ৯০% ৯২% মুসলিমের দেশে বাঘ স্বাধীনতা হল কুফরিকতা। বাকস্বাধীনতা মানুষের থাকবে থাকা উচিত এই কথা বলাটাই হল কুফরি কথা মুরতাদ হয়ে যাওয়ার কথা বাক স্বাধীনতা বলে কিছু নাই ইসলাম ধর্মে নাই তুমি হিন্দু ধর্মে গিয়ে এসব কথাবার্তা বল কর্ম স্বাধীনতা নাই পেশা কোন স্বাধীনতা নাই তুমি চাইলে বেশাগিরি করবা প্রস্র এখানে খুলবা প্রসার্টার খুলবা এই স্বাধীনতা নাই পেশার স্বাধীনতা নাই তোমাকে হত্যা করা হবে তুমি যদি বিবাহিত হয়ে এই জিনা ব্যবসা করো এই ব্যভিচারী ব্যবসায়ী তুমি তোমার ইসলামের শাস্তি নির্ধারণ করে রেখেছে মৃত্যুদণ্ড কিসের তাহলে স্বাধীনতা তুমি কি বুঝ ইসলামে তাহলে ৯২% মুসলিমের এই কথা বলা চলবে না।
এই কথা বললে সেই হয়ে যাবে মৃত্যুদণ্ডের আসামি। তার বাকস্বাধীনতা থাকবে না। তার কর্ম স্বাধীনতা থাকবে না। সেই কথাই কেবল সে বলতে পারবে, যেই কথা বলার বৈধতা কোরআন হাদিসে আছে। আল্লাহর বিরুদ্ধে কোন কথা বলার বাকস্বাধীনতা নাই। রাসূলের বিরুদ্ধে কোন কথা বলার বাকস্বাধীনতা নাই। ইসলামের নিয়ম কানুনের বিরুদ্ধে কোন স্বাধীনতা নাই কাজেই এগুলো আগে ঈমান আনতে হবে এই কথাটাই কুফরি কথা হল হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান এরা গণতন্ত্রের নিয়মে এটা আছে স্বাধীনতা আপনি কাউকে দাওয়াত দিতে পারবে না তো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি করে হিন্দু থাকার দরকার ছিল তুমি তো মুশরিক থাকা তুমি তো আবু জাহেলের দল থাকার কথা ছিল যদি রাসূল রাস দাওয়াতের স্বাধীনতা না পাইতেন আল্লাহ স্বাধীনতা দিছে সবাইকে দাওয়াত দিয়ে মুসলমান বানাইতে হবে আছে আর গণতন্ত্রের নিয়মে আপনি কোন হিন্দুকে ইসলামের দাওয়াত দিতে পারবে না কোন বৌদ্ধকে ইসলামের দাওয়াত দিতে পারবে না কোন খ্রিস্টানকে ইসলামের দাওয়াত দিতে পারবে না কারণ ওটা তার স্বাধীনতা ধর্মীয় স্বাধীনতা এগুলো কুফরি
কথা এসব কোন যদি ৯২স মুসলমানের মুখ দিয়ে বের হয় এরকম কথা তাহলে সে কাফের সেই মুরতাদ তার শাস্তি হলো ইসলামী রাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড ইসলামে নিয়মের স্বাধীনতা নাই ইসলামে কোন বাকস্বাধীনতা নাই ইসলামে সব হলো আল্লাহর অধীন স্বাধীন বলে কিছু নাই আল্লাহর অধীন রাসূলের অধীন ইসলামের বিধি-বিধানের অধীন থাকতে হবে কিন্তু আমরা এই যে এতগুলো পাপ পঙ্কিলতার মধ্যে আমরা জড়িত আছি। রাসূুল্লাহ সলাম বলছেন একটা উদাহরণ দিয়ে বলেছেন যে দেখেন সমাজে যখন পাপ হয় কেউ যখন বাধা দিচ্ছে না এবং পাপ ব্যাপক হয়ে যাচ্ছে কেউ বাধা দেওয়ার নাই। বাধা দিবে কেন? বাধা দেওয়ার তো তারা গণতন্ত্রের একটা কুফরি নিয়ম দিয়ে যে বাকস্বাধীনতায় খর্ করা যাবে না।
কারো কর্ম স্বাধীনতায় কর্ম করা যাবে না। কারো দৃষ্টিভঙ্গি যে ইচ্ছা নাস্তিক হইতে পারে যে ইচ্ছা নাস্তিক হয়ে যাবে যে ইচ্ছা মুক্ত মনা হবে যে ইচ্ছা হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করবে যে ইচ্ছা হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে বিবাহ করবে যে ইচ্ছা খ্রিস্টান হবে যে ইচ্ছা বৌদ্ধ হবে এগুলো এগুলো কুফরি কথা বলতে এই স্বাধীনতার শিরোনামে যা কিছু বলা হয় এই গণতান্ত্রিক দেশে মুসলমানের মুখ দিয়ে যা বের হয় সব কুফরি কথা গানভাবে কুফরিকতা এবং এটা তার অজ্ঞতার সার্টিফিকেট পাক স্বাধীনতা নিয়ম স্বাধীনতা কর্ম স্বাধীনতার কথা যারা বলে মুসলিম পরিচয় দিয়ে এইটা তাদের জন্য হৃদ্যা ইসলাম থেকে খারিজ হওয়ার চিন্তাধারা কথাবার্তা অতএব আর ইসলামের নিয়ম হলো আপনি কোন একটা অন্যায় হচ্ছে চুপ থাকতে পারবেন না।
অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে। আর গণতন্ত্রের নিয়মে বলে না। যত অন্যায় আপনার সামনে চোখের সামনে ঘরতে দেখতেছেন এইটার আপনি প্রতিবাদ করতে পারবেন না। খুব আপনি ভিডিও করতে পারবেন নাকি? মোবাইল দিয়ে ভিডিও করবেন। নাউজুবিল্লাহ। তাহলে আল্লাহ রাসূ সাল্লাম বলছেন যারা অন্যায় করে অন্যায়কারীরা যখন ব্যাপক হয়ে যায় এবং এই অন্যায়কারীদেরকে সমর্থনকারীরা যদি বেশি হয় সমর্থন বলতে কি আপনি কিছু বলছেন না হোক সমস্যা দরকার নাই আমার বাধা দেওয়ার দরকার নাই এটাকে কি বলে আল্লাহ আল্লাহ রাসূ এটা বলছেন যে [গলা পরিষ্কার করা] যখন জালেম জুলুম করতেছে অন্যায়কারী [গলা পরিষ্কার করা] অন্যায় করতেছে অথচ দেখেও তাদের প্রতিবাদ করে না বাধা দেয় না তা আল্লাহর পক্ষ থেকে আজাব আসলে এই এই সব লোকগুলোকে আল্লাহ তাবারকতালা সেই আযাবের মধ্যে নিপতিত করবেন তাদেরকেও আক্রান্ত করবেন তারপরে শুধু তাই না আল্লাহ রাসলছেন থেকে বর্ণিত হাদিসল্লাহ আল্লাহ রাসূ বলছেন মুসনাদ আহমদের হাদিস রাসূুল্লাহ বলছেন যে তোমাদের সমাজে যখন অন্যায় হবে আল্লাহর কসম করে বলছি যখন তোমরা সৎ কাজের আদেশ সৎ কাজের আদেশ বাদ দিয়ে দিবে এবং অসৎ কাজ করা থেকে অসৎ কথা অসৎ কাজ করা থেকে বিরত থাকবে বাধা দিবে প্রতিবাদ করবে না।
তাহলে অবশ্যই আল্লাহ তাবারকতালা তোমাদেরকে ব্যাপকভাবে আযাব দিবেন। ব্যাপকভাবে আজাব দিবেন। মানে তোমরা যে ভালো মানুষ এখানে আল্লাহ কোন বাস বিচার করবে না। তোমাদের উপরও আল্লাহ আজাব দিবেন। এবং তোমরা যদি এই আযাব থেকে বাঁচার জন্য দোয়া করো আল্লাহর কাছে আল্লাহ কি হয়ে গেল সমাজটা? আল্লাহ তোমার পক্ষ থেকে এত আজাব, এত গজব, এত এত তোমার তোমার রহমত থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে ফেলছো। আল্লাহ রহমত দাও। আল্লাহ এদের থেকে জুলুম উঠিয়ে নাও। আল্লাহ জালেমদেরকে তুমি প্রতিহত করো। জলেমদেরকে শাস্তি দাও। এই যে আমরা দোয়া করতেছি। গাজার জন্য দোয়া করলাম না। গাজার জন্য দোয়া করি। ইন্ডিয়ার জন্য দোয়া করি। তাই না? মায়ানমারের জন্য দোয়া করি।
আল্লাহ রাসূল সাল্লাম বলছেন দোয়া কবুল হবে না। তো কবুল হবে না। করে লাভ কি? অযথা দোয়া করতেছি আমরা। দোয়া কবুলের জন্য আমাদের সামাজিক এই দায়িত্বগুলো পালন করতে হবে। যে অন্যায় হচ্ছে এই অন্যায় প্রতিবাদ করতে হবে। তাহলে তাহলে আমাদের সমাজে যখন ব্যাপকভাবে আজাব-গজব আসতেছে ব্যাপকভাবে মানুষ এই যে পাপ কাজ করতেছে অন্যায় কাজ করতেছে অশ্লীলতা বেহায়াপনায় জড়িয়ে গেছে অথচ আমরা বলছি করলে করুক আবার কি এই যখন অপস হবে আল্লাহ যে আজাব পাঠাবেন এই আজাব থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য যে দোয়া করবে এই দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন না তোমরা যখন দেখবে যে চতুর্দিক থেকে বিপদ মুসলমানদের উপরে বিপদ আসতেছে তখন দোয়া করলে আল্লাহর দোয়া কবুল করবে না হচ্ছে না তাই আমরা দোয়া করতেই থাকলাম গাজা শেষ কোন দোয়া পড়লাম না কোনতে না পড়লাম কিন্তু কাজ হচ্ছে না এটা হল এরকম আমাদের তার মানে ৯২স মুসলমানের নিয়ম হল যা পাপ হয় যা কুফরি হয় যা শিরক হয় জিনা ব্যভিচার হয়
সুদ ঘুষ খায় এগুলো কোনটাই বাধা দেওয়া যাবে না এইতো নিয়মে চলতেছে কারণ কি এটা তার কর্ম স্বাধীনতা এটা তার বাঘ স্বাধীনতা এটা তার নিয়ম স্বাধীনতা এটা তার পেশা স্বাধীনতা এটা তার নেশা স্বাধীনতা এগুলোর নামে আমরা নিয়ম বানিয়ে ফেলেছি স্বাধীনতা কারো খর্ব করা যাবে যেই অথচ আমার বাপ আজাব গজব থেকে বাঁচার জন্য নিয়ম হলো বাধা দেওয়া স্বাধীনতা চর্চা করতে না দেওয়া অথচ আমরা নিয়ম বানিয়ে এখন স্বাধীনতা দান করেছে পাপ করার স্বাধীনতা করুক ব্যভিচার করুক প্রোস কোয়ার্টার খুলুক ওই লাইসেন্স দিচ্ছে লাইসেন্স দিচ্ছে না লাইসেন্স নাউজুবিল্লাহ শুধু তাই না সরকার দিচ্ছে তাই না আমাদের দেশের মুফতি মহাদ্দেস জিনার লাইসেন্স দিচ্ছে এই যে কাজী অফিস গুলো কি করে সব লাইসেন্স নিয়ে বসে আছে বাপ মাকে না বলে চলে এসেছে বাবা আমাকে টাকা দাও তোমার আমি বৈধ করেছি তুমি বাড়িতে বসে বসে যেনা ব্যভিচার করো বাচ্চা ফুটাও কোন সমস্যা নাই হুজুররা এরকম এই যে ব্যাভিচারের সমর্থক হল এই মুফতি মুহাদ্দিস
তথাকথিত এই বজ্জত হুজুরগুলো অলি ছাড়া বিবাহ হবে অলি ছাড়া বিবাহ হবে এগুলো দেখা যায় কাজ অফিসারের লাইসেন্স আর কাজী সাহেব কিছু একটু টাকা পেয়ে গেল সব বৈধ করে দিল মুফতি সাহেব বৈধ করে দিল কয়দিন আগে আমার বাসায় এসেছে কি হিল্লা করা হিল্লা করছে আমার স্ত্রী আছে তো তোমার বউকে কে যদি আমি হিল্লা বিবাহ করি তো আমি যদি বাসায় নিয়ে যাই তাহলে তো আমাকে পিটবে আমার স্ত্রী আমাকে মারবে গন্ডগোল হয়ে যাবে তোমার বাড়িতেই হিল্লা করবে ইন্নালিল্লাহ ওই ঘরে স্বামী থাকতেছে এই ঘরে হিল্লা হিল্লা চালাইতেছে হুজুর এগুলো হুজুরকে একেবারে প্রকাশ্যে নিয়ে এসে একেবারে দৌড়া মেরে মেরে এদেরকে হত্যা করা উচিত ফালতু হুজুর এগুলো জিনা ব্যভিচার কি সুন্দর নমুনা বাইর করছে তোমার স্ত্রী স্ত্রীকে যে হালাল করব আমি যে তোমার স্ত্রীকে বিবাহ করে আমি বাড়ি নিয়ে যাই তো সমস্যা আমার স্ত্রী তো এটা মেনে নিবে না তো কি করবে তোমার বাসা দিয়ে আমাকে একটা রুম দাও জেনা ব্যভিচার
বলছে ছয় মাস যাব ছাড়ি না ছয় মাস চলতেছে পাশের রুমে এই এই মূর্খটা পড়ে আছে আর তার পাশের রুমে তার স্ত্রীকে নিয়ে ছয় মাস চল বলছে আমি তালাক না দেওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার স্ত্রীকে স্পর্শ করতে পারবা না পরে এই দৃশ্য দেখে কি একজন স্বামীর ভাল লাগে বলেন এটাই হল বজত মুফতিদের এইযে বরজাত মুফতি গুলো বলছে হানাফী মাজহাব বিবাহ হানাফী মাজহাব এটা এই মাসলাটাই হল জিনা ব্যভিচারের লাইসেন্স যেই লাইসেন্সটা হুজুর মুফতি মুহাদ্দিসরা দিতেছে নাউজুবিল্লাহ আল্লাহ তায়ালা এদের থেকে জাতিকে পাড়া দান করুন এইসব হুজুর মুফতি মুহাদ্দেস থেকে কত খারাপ বিষয় ভাই এরা এসেছে আমার কাছে ফতোয়া নিবে কে বা কে কারা আমার নাম্বার দিয়ে দিছে আমার নাম্বার দিয়েছে একই বাড়িতে স্বামীর বাড়িতে তার স্ত্রীকে নিয়ে ছয় মাস ধরে আছে এটা কি নাউজুবিল্লাহ আল্লাহ তাবারকতালা আমাদেরকে হেদায়েত দান করুন অনেক পাপঙ্কিলতা আমাদের সমাজে চলতেছে আমরা এগুলোর প্রতিবাদও করছি না এগুলো থেকে বিরত থাকছি না এগুলোর ব্যাপারে মানুষকে সতর্ক
করছি না আমরাতো আল্লাহ আজব গজবে পব আল্লাহ আমাদেরকে হেদায়েত দান করুন আল্লাহুম্মা আমিনুল্লাহ