তোমাদেরকে পতিত হতে হবে। অর্থাৎ অন্ধকার রাত্রে যেভাবে চোর বাটফঠাররা ঘুরে বেড়ায় এমন একটা ফেতনা আসবে যে ফেতনাতে আপনি নিজেকে সমবরণ করতে পারবেন না কখনো ফেতনায় পড়ে যাবেন আশেপাশের লোকেরা কখন আপনাকে যে চিন্তাই করবে আপনি বুঝতেও পারবেন না ইসলামের সুরতে নেক সুরতে আপনাকে ধোকা দিবে আপনি বুঝতে পারবেন না বিভিন্ন রকমের দাওয়াত আসবে অন্ধকারমুখী দাওয়াত আপনাকে বিভ্রান্ত করে তুলবে আপনি অন্ধকার দাওয়াতে হাত বেড়াবেন সঠিক পথ খুঁজে পাবেন না কি অবস্থা হবে রাসূুল্লাহ বলছেন একজন মানুষ সে সকালবেলা যদি ঈমানদার হয় বিকালবেলা কাফের হয়ে যাবে এমন রাতে যদি কোন কেউ বিকালে যদি কোন ঈমানদার থাকে সকালবেলায় সে কাফের হয়ে যাবে অর্থাৎ এমন অবস্থা হবে দিনে রাতে আপনার ঈমানের মধ্যে বারবার পরিবর্তন আসবে।
কখনো ঈমানদার থাকবেন, কখনো কাফের হয়ে যাবেন। দিনে ঈমানদার থাকলে রাতে কাফের, রাতে ঈমানদার দিনে কাফের। এরকম অবস্থা তৈরি হবে। অর্থাৎ ঈমানের উপরে সুদৃঢ়তা আপনার থাকবে না। রাসূুল্লাহ তখন বলেছেন দুনিয়া দুনিয়া পাওয়ার জন্য দনকে বিক্রি করে দিবে। ভালো করে দেখেন অধিকাংশ মানুষের অবস্থা এটাই যে দুনিয়া পাওয়ার জন্য এখন দ্বীন বিক্রি করছে ভালো করে দেখুন প্রত্যেকেই এমন অবস্থা আমরা নিজেরাও বুঝি যে এটা দ্বীন নয় এটা করা যায় না আমার ফ্যামিলিকে আমার সন্তানকে আমার পরিবারকে আমার আত্মীয়স্বজনকে আমরা এমন সব কাজে নিয়োজিত করেছি যেগুলি সম্পূর্ণ দ্বীন বিরোধী শরীয়া কোনদিন অনুমোদন করে না আল্লাহ তালা তার কোরআন এবং রাসূল হাদিস এগুলি নিষিদ্ধ করেছে সেগুলি আমরা করে যাচ্ছি শুধু দুনিয়া পাওয়ার জন্য।
দুনিয়া পাওয়ার জন্য ডিগ্রিগুলি অর্জন করছি। ওই ডিগ্রিগুলো আমার জন্য কাল হিসেবে দেখা দিবে। সেদিন বিপদের কারণ হবে। এগুলি সকালে যদি ঈমান সালাত পড়ে ঈমানদার হন বের হয়ে যে সমস্ত কাজে লিপ্ত হন সেগুলি কুফরের। রাতে হয়তো তওবা করে ঈমান ফিরে আনছেন। সকালে বের হয়ে আবার সে কুফুরের কাজে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছি। এমন সব কাজ করে যাচ্ছে যেগুলি আপনি আমি শুধু করা নয় সেগুলিকে বাস্তবায়নের জন্য সারাদিন চেষ্টা করে যাচ্ছি একটা কুফরি মতবাদকে অন্তরে ধারণ করি এবং সেটাকে আমরা সালাতে আসলে বলি যে আমি গুনাহ ত্যাগ করেছি আমি সব ত্যাগ করে একমাত্র আল্লাহর এবাদত করি কিন্তু সালাতের সলাত থেকে বের হওয়ার পরে আবার কুফরিতে লিপ্ত হয়ে যাই এ অবস্থা পতিত হয়েছে মুসলিম বিশ্বে আনাচে কানাচে আজ মুসলিমদের মধ্যে বিরাজমান ইমাম মুসলিম হাদিসটি বর্ণনা করেছেন আবু রাদিকে বর্ণিত আরেকটি হাদিসে রাসূুল্লাহ সলা বলেছেন তোমাদের কেউ তো অপেক্ষা করছে এমন একটা অবস্থা যে সে ধনী হবে যে সধ যে ধনাঢ্যতা তাকে সীমালঙ্ঘন
করতে বাধ্য করবে আজকাল ধনী হলেই সে ব্যক্তি ইউরোপ আমেরিকাতে একটা বাড়ি কিনার চিন্তা ধনী হলেই সে চিন্তা করে তার সন্তান দ্বীন পড়বে না দুনিয়াদার হবে তার সন্তান আর দ্বীনের দিকে তাকাবে না ধনী হলেই চিন্তা করে কিভাবে ক্লাবের সদস্য হবে সেখানে কিভাবে সময় নষ্ট করবে ধনী হলেই চিন্তা করে তার সন্তান নারী মদ জুয়া নিয়ে সময় কাটাবে এমন অবস্থা হয়ে গেছে কেউ কেউ তারা বিশাল এলাকা দখল করে এমন কিছু বানিয়ে নিয়েছে রাষ্ট্র পর্যন্ত তাদের কাছে অপারগ তাদের কাছে অপারগ এমনভাবে যে তারা যেভাবে বলে সেভাবে চলতে হয় তারা যদি কোন ব্যবসার নীতি দেয় সেভাবে পুরা রাষ্ট্র সেভাবে চলতে হয় এটা হচ্ছে মতান এমন ধনাঢ্যতা যেটা আপনাকে সীমালঙ্ঘন করে দিয়েছে আপনি সীমালঙ্ঘন করছেন অতিরিক্ত কাজ করছেন আল্লাহ তাআালার দেয়া সীমাকে আপনি লঙ্ঘন করে চলেছেন আপনি খারাপ মিশিয়ে আপনি বিক্রি করছেন বিভিন্ন পণ্য পণ্য কিছু বলার নেই না হলে আরো দাম বাড়িয়ে দিবেন আপনি সব আটকিয়ে রাখবেন কেউ কাছে যেতে
পারবে না আপনি সব কিনে ফেলবেন কেউ কোথাও খুঁজে পাবে না বাধ্য হয়ে আপনার নীতিতে আবার ফিরে আসতে হবে হঠাৎ করে দেখবেন একদিন তেল বন্ধ একদিন দেখবেন যে গ্যাস বন্ধ একদিন বিদ্যুৎ বন্ধ বিদ্যুৎ বিভিন্ন রকমের পরিবেশ তৈরি করে আপনার সীমালঙ্ঘন করার জন্য ধনাঢ্যতা একটা বড় দায়ী রাসূ যেটা বলেছেন সেটা অথবা এমন হবে যে আপনি এমন দরিদ্র হবেন যে আপনি নিজেকে ভুলে গেছেন আল্লাহকেও ভুলে গেছেন পরিবারকে ভুলে গেছেন তখন আপনি আর নিজে দিশেহারা হয়ে যাবেন। আপনি তখন সঠিক পথ খুঁজে পাবেন না। আও মারা মুসদা অথবা এমন রোগে আক্রান্ত হবেন আপনি তখন নিজের শরীরও শেষ করবেন। এখন তখন আর আল্লাহর এবাদতে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারবেন না।
আ হারামান মুফান অথবা এমন এমন দুঃখ অপনিত হবেন যে কি বলেন নিজে কি বলেন নিজের সম্পর্কে আর কোন ধারণা আপনার থাকবে না। একজন মানুষ দেখুন হয় সে এগুলির মধ্যে বিচরণ করে কখনো সে রোগী হয় কখনো সে অসুস্থ হয়ে যায় কখনো সে ধনী হয় কখনো গরীব হয় এগুলি সবগুলি মানুষের মধ্যে ফেতনার কারণ হয়ে রাসূ আমদেরকে ফেতনার কারণ হবে রাসূ আমদেরকে জানিয়েছেন আরো বলেছেন আউত মুজে অথবা এমন মৃত্যু আসবে যে আপনার সর্বশান্ত করে ছাড়বে মৃত্যুর পরে আপনার কিছুই থাকে না নিজের আপনি যা করেছেন সেটাই শুধু আপনার কবরে যাবে যা রেখে গেছেন সন্তানরা পেয়ে যাবে অথবা উত্তরাধিকাররা পেয়ে যাবে।
আপনার জন্য কিছুই সেখানে থাকবে না। শুধু আপনি যদি আমল করতেন সেটা আপনার সাথে যাবে। এই আমলের কথায় রাসূুল্লাহ (স) আমদেরকে সাবধান করে গেছেন। আমল যেন করি আমরা যেন আমলের মধ্যে নিজেদেরকে নিয়োজিত রাখি। আল্লাহ এবং তার রাসূলের আদর্শের উপর যেন চলি। সেটা যেন আমাদের চলে। না হলে আমরা পথভ্রষ্ট হতে থাকবো। এবং শেষ পর্যন্ত এমন অবস্থায় মৃত্যু হবে যা কখনো আমাদের জন্য কল্যাণকর হবে না। তারপর রাসূুল্লাহ সাল্লাম বলেছেন আউ দাজ্জাল অথবা তোমরা অপেক্ষা করছো দাজ্জালের দাজ্জাল সে হচ্ছে এমন এমন খারাপ গায়েব জিনিস যেটা এখন অপেক্ষা করছো তোমরা যেটা খারাপ শার অর্থাৎ সবচেয়ে নিকৃষ্টতম দাজ্জাল আউসা অথবা কেয়ামতের অপেক্ষা করছো আর কেয়ামত সবচেয়ে ভয়াবহ এবং সবচেয়ে তিক্ত জিনিস এইগুলি হচ্ছে একজন মানুষ অপেক্ষা করছে আপনি ভালো করে তাকান আপনার জীবনের ততটুকু সামনে আসতে রাসূ যা বলেছেন তা আপনি হুবহু পাবেন এগুলি কোনটা কোন অপেক্ষা আমরা করছি এজ রাসূুল্লাহ নেক আমল এই সময়গুলিতে করে না যখনই সুযোগ পাবেন মনে করবেন এটাই আমার জীবনের হয়তো শেষ সময় আর কোন সময় নাও আসতে পারে আজকে ফজরের সালাত পড়েছেন জামাতের সাথে আল্লাহ শুকরিয়া আদায় করবেন আজকে জুমা পড়তে আসছেন আল্লাহ শুকরিয়া আদায় করবেন এমন হতে পারে আরেক জুমাতে আমাদের কেউ কেউ পাও পাওয়া কাউকে পাওয়া যাবে না।
এমনও হতে পারে আরেক সকাল পর্যন্ত কেউ উপনীত হবে না। এ অবস্থা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। যেই কোন সময় যে কোন অবস্থায় আমরা এই এই সময় চলে যেতে পারি অথবা এই বিপদে পড়ে যেতে পারি। যে বিপদগুলির কথা মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ আমাদেরকে জানিয়েছেন এজন্য রাসূুল্লাহ সলা বলেছেন দুটি নেয়ামত অংশ মানুষগুলোতে ধোকা খায়। একটা হচ্ছে আশহাতু আরেকটা হচ্ছে আলফারা অর্থাৎ স্বাস্থ্য সুস্বাস্থ্যকে কাজে লাগাতে জানে না স্বাস্থ্য যখন ভালো থাকে যৌবনের উন্মাদনায় উন্মত্ত হয়ে চলতে আরম্ভ করে স্বাস্থ্য যখন খারাপ হয়ে যায় এবাদত করতে পারে না কঠিন অবস্থা ভালো স্বাস্থ্যটাকে সুস্থ অবস্থায় স্বাস্থ্যটাকে ভালো কাজে লাগাতে পারে না ওয়ালফারা আর যখন যখন ব্যস্ততা কম থাকে তখন সেটাকে কাজে লাগানো দরকার মানুষের ব্যস্ততার মাঝেই সময় সময় বের করে আল্লাহর এবাদত করতে হবে।
যখন আপনি বলবেন আমি ব্যস্ত আছি এই ব্যস্ত মানুষের আসলে ব্যস্ততা দেখি দেখালে কোন কাজ হবে না। কোন কাজ যদি করতে হয় ব্যস্ত মানুষে করতে পারে। সে মনে করে আমি আরো ব্যস্ত হয়ে যাব। যেটুকু সময় পাই এটুকু আমি আল্লাহর দীনের জন্য কাজ করে যাই। যেটুকু সময় পাই এটুকু আল্লাহকে খুশি করার জন্য কাজ করে যাই। দুই মিনিট দুই সেকেন্ড যদি পাইস্তেগফার করি আল্লাহর কাছে তওবাস্তেগফার হতে পারে। আমার এই তওবার মাধ্যমে আমার জীবন শেষ হবে কিন্তু সময়টাকে কাজে লাগাতে হবে যেটা রাসূুল্লাহ আমদেরকে বলেছেন। সম্মানিত মুসল্লিয়ান কেরাম কেয়ামতের কিছু আলামত রয়েছে। আজকে কেয়ামতের আলামতগুলির মধ্যে একটি আলামত নিয়ে আলোচনা করব।
কেয়ামতের আলামতের ব্যাপারে আমার নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম তিনি বলতে একটু দিদা করেননি। কারণ তিনি তো এমন এক নবী যিনি আমাদেরকে খুব ভালোবাসতেন এবং উম্মতের জন্য কোনটা কল্যাণকর সেটা না বলে তিনি দুনিয়া থেকে যাননি কোনটা অকল্যাণকর তা থেকে সাবধান না করে দুনিয়া থেকে তিনি যাননি তিনি আমাদেরকে এত বেশি ভালোবাসতেন যে আল্লাহতালা কোরআনে কারীমে তার প্রশংসা করে বলেছেন তিনি আপনার কোন ক্ষতি হবে তা সাবধান করে দিয়েছেন আগে থেকেই এমনকি কেউ যদি কুফরিতে মারা যায় মুহাম্দ রাসুল কষ্ট পেতেন তার সময়ে আল্লাহ বারবার কোরনে কারীমে সাবধান করে দিয়েছেন রাসূকে কেন আপনি এত পেরেশান হচ্ছেন তারা ঈমানদার হয়নি বলে আপনি নিজেকে ধ্বংস করে দিবেন আপনি শুধু স্পষ্ট পৌঁছে দেয়াই আপনার জন্য যথেষ্ট।
কিন্তু আল্লাহ তাআলা আল্লাহ তাআালার নবী আমাদের জন্য খুবই দরদে ছিলেন বলে সবই বর্ণনা করে গেছেন। কেয়ামতের আগে যে সমস্ত জিনিস হবে তার মধ্যে ভয়াবহ একটি জিনিস হচ্ছে দাজ্জালের ফিতনা। দাজ্জালের ফিতনা সম্পর্কে কিছু বিষয় নিয়ে আজকে আলোকপাত করব। রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেছেন আল্লাহ রাসূুল্লাহ বলেছেন হে মানুষেরা আল্লাহতালা জমিনের বুকে আদম এবং সন্তান জমিনের বুকে আদম সন্তানদের সৃষ্টি করার পর থেকে এত বড় ফেতনা আসে নাই যে ফেতনাটা দাজ্জালের হবে অর্থাৎ দাজ্জালের ফেতনা হচ্ছে সবচেয়ে বড় ফেতনা যেটা আপনি কল্পনাও করতে পারেন না এখনকার ফেতনা তো দৃশ্যমান না সেটা তখন দৃশ্যমান হবে দৃশ্যমান নয় শুধু আপনার বিবেককে ছেয়ে যাবে আপনি বিবেক পর্যন্ত আপনার শূন্য হয়ে যাবে।
আপনি বুঝতে পারবেন না কোনটা জরুরি। আজকে আজকার ফেতনা দেখেন। দুনিয়ার শুধু [নাক ডাকা] সামান্য টাকার লোভে ঈমান হারাচ্ছি। সাহাবায়ে কেরাম্লাহ তাদের হাড়িতে আগুন চলতো না। কিন্তু ঈমান তাদের মজবুত ছিল। ঈমান মজবুত থাকার কারণে তারা দ্বীন বিক্রি করে দুনিয়া অর্জন করতো না। আজ দ্বীন বিক্রি করে মানুষ দুনিয়া অর্জন করছে। অনেককে পাবেন। অনেককে পাবেন যারা খুশি করার জন্য কাউকে আল্লাহর দ্বীনের ভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছে। শরীয়তের ভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছে। যেই ব্যাখ্যা কোরআন সুন্নায় নাই। নিজে ইচ্ছা করে ব্যাখ্যা তৈরি করছে যাতে মানুষকে খুশি করতে পারে। এটা দুনিয়াদন বিক্রি করে দুনিয়া অর্জন ছাড়া কিছুই নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম এর চেয়ে যেই ফেতনাটার বড় যেটা বলছেন সেটা হচ্ছে স্পষ্ট সামনে এসে পড়বে।
আপনার তখন কিছুই করার থাকবে না। এটা হচ্ছে দাজ্জালের ফেতনা। রাসূুল্লাহ (স) বলেছেন এমন কোন নবী পাঠাননি যিনি তার উম্মতকে দাজ্জালের ফেতনা সম্পর্কে সাবধান করেননি। বড় জিনিস হওয়ার কারণে দাজ্জালের ফিতনা সম্পর্কে নূহ আলাইহি সালাতু সালাম পর্যন্ত তার উম্মতকে সাবধান করছেন। সহী হাদিসে এটা পাওয়া যায়। অর্থাৎ নূহ আলাইহি সালাতু সালাম প্রথম উম্মত। এর আগে সবাই ঈমানদার ছিল। নূহ আলাইহি সালাতু সালামের কওমের মধ্যে প্রথম শিরিক হয়। তিনিও তার উম্মতকে দাজ্জালের ফেতনা সম্পর্কে সাবধান করেছেন। এইজন্য যে তাদের তাকে জানানো হয়নি দাজ্জাল ফেতনা কখন আসবে।
দাজ্জালের ফেতনা প্রত্যেক নবী তার উম্মতকে সাবধান করেছেন কিন্তু দাজ্জাল আসেনি মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু এজন্য বলেছেন যে নবীদের মধ্যে সর্বশেষ নবী হচ্ছি আমি আর তোমরা হচ্ছে সর্বশেষ উম্মত অর্থাৎ তোমাদের পরে আর কোন নবী আর উম্মত কোনটাই থাকবে না এই দাজ্জাল তোমাদের মধ্যে অবশ্যই আসবে অর্থাৎ এর পরে আর দেরি হবে না এবার দাজ্জাল আসবেই আসবে রাসূুল্লাহ সলা তারপর বললেন মুসলিম যদি সে বের হয় আমি তোমাদের মাঝে থাকি প্রত্যেকটি মুসলিমের পক্ষ থেকে আমি তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারব রাসূুল্লাহ সলা আমাদেরকে ভালোবাসার কারণে বলেছেন যে যদি আমার সময় আমার জীবিত অবস্থায় সে এসে যায় আমি তার বিরুদ্ধে সরাসরি দাঁড়াতে পারব কিন্তু আসে নাই রাসূলের যুগে সেটা সেটা আসেনি সে দাজ্জাল আসবে।
এজন্য রাসূ বলছেন যদি আমার পরে সে আসে প্রত্যেকে তার নিজের নফসকে বাঁচানোর চেষ্টা করে প্রমাণ উপস্থাপন করবে যে আমি আমার নিজেকে কিভাবে বাঁচাবো তার থেকে ল্লাহু খফালা মুসলিম আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন প্রত্যেক মুসলিমের পক্ষ থেকে আমার খলিফা হয়। অর্থাৎ আমি যেটা পারবো না আমি যেটা করতে পারিনি আমার পক্ষ থেকে আল্লাহ যেন তাদের হেফাজত করে মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এভাবে আমাদের জন্য দোয়া করে গেছেন যেন আমরা যেন এই বড় ফেতনা থেকে বাঁচতে পারি ফেতনা হচ্ছে ফেতনাতুল মাসিহ দাজ্জাল ফেতনাতুল মাসিহ দাজ্জাল মাসিহ কেন বলা হবে তাকে মাসি দুইজন আছে আমাদের কাছে এক মাসি হচ্ছে মাসি হুদা হেদায়েতের মাসিহ তিনি হচ্ছেন ঈসা আলাইহি সালাতু সালাম তাকেও আল্লাহতালা মাসি বলেছেন কোরআনে কারীমে তাকে মাসি বলা হয়েছে এইজন্য যে এই তিনি কারো কারো জমান্ধ লোককে হাত বুলিয়ে দিলে মাসখায় করে দিলে চোখে আলো চলে আসতো এবং কি বলা হয়ে তাকে এইজন্য মাছি তাকে বলা হয়েছে যে তিনি তিনি কোন মানুষকে যদি কোন মানুষের যদি কোন হেদায়েতের জন্য তাকে কিছু হাত বুলিয়ে দিতেন বা কোন সমস্যা হতো রোগ আক্রান্ত হতো কারো রোগ ছিল ধরেন রোগ ছিল সেটাও ভালো হয়ে যেত।
এটা তার ভালো। এজন্য তাকে মাছি বলা হতো। কারণ মাসে করতেন। আরেক মাছি কেউ বলেছে এটা যে তিনি যখন জন্ম নিয়েছেন তখন তাকে তেল দিয়ে তাকে মস করা হয়েছিল। এজন্য মাছি বলা হয়েছে। যে কারণে হোক তিনিও মাছি। হেদায়েতের মাছি। আরেকটা দলা পথভ্রষ্টতার মাছি হচ্ছে এই দাজ্জাল। কেন সে তাকে পথভ্রষ্ট মাছি বলা হচ্ছে। তার ডান চোখ বিশুদ্ধ মতে। তার এক চোখ কানা থাকবে। আরেক চোখ গোড়া থাকবে। অন্ধ থাকবে। একটা চোখ তার বন্ধ থাকবে।
আরে চোখটা তার দেখতেনাবাকুফিয়া পচা আঙ্গুরের মত থাকবে অর্থাৎ তার নিজেরে কিছু সমস্যা থাকবে চেহারার সমস্যা থাকবে সেটা দেখতে এরকম চোখ থাকবে তার চোখে এক দুই চোখেই তার সমস্যা এক চোখ ভালো এরকম না এক চোখ পুরা অন্ধ বন্ধ আরেক চোখ তার থাকবে পচা আঙ্গুরের মত দেখতে সেরকম অবস্থা তার হবে এজন্য যেহেতু তার চোখের উপরে মস করা হয়েছে এজন্য তার নাম হচ্ছে মাসি এটাও কেউ কেউ বলেছেন আরেক বর্ণনায় এসেছে তিনি কেউ কেউ বলেছেন মাসি এইজন্য বলা হয়েছে ইবনে হাজার রহমাতুল্লাহ আলাই বলেন কারণ ৪০ দিনে পৃথিবী সে প্রদক্ষিণ করে যাবে আর সাধারণত মাসি বলা হয় যারা জমিনে মাফ দেয় তাদেরকে তাদেরকে আমিন তাদেরকে মাসেহ বলা হয় আরবিতে অর্থাৎ তারা জমিন প্রদক্ষিণ করে বেড়াবে পুরো জমিন ৪০ দিনে প্রতি পৃথিবীকে ৪০ দিনে সে ঘুরে বেড়াবে এইজন্য তার নাম মাসিহ কেউ বলেছেন মাসিহ এটা মাসিহ কারণ তাকে তো মস করা হয়েছে দেখতে তাকে বিদ্রুটে টাইপের জন্য তার নাম মাসিহ না হইয়া মাসিহ বলা হবে।
খাদিয়া বলা হবে। এটাও কারো কারো মত। সুতরাং বুঝা গেল যে মাসিহুদ দাজ্জাল এ অবস্থায় উপনীত আসবে যে অবস্থা আপনাদের কাছে আমি বর্ণনা করেছি। তার মাসিহ যেমন বলা হবে তার আরেক নাম হচ্ছে দাজ্জাল। দাজ্জাল শব্দের অর্থ হচ্ছে মহাপ্রতারক। মহাপ্রতারক। কারণ সে প্রতারণা করবে। শুধু ঠকাবে। কারণ বড় প্রতারণা হচ্ছে নিজেকে সে রব দাবি করবে। সে সগতের রব দাবি করবে। এমনকি এমন সব কর্মকাণ্ড দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবে যা শুধু প্রতারক প্রতারকরাই করে থাকে। আর দাজ্জালের আরেক অর্থ হচ্ছে মিথ্যাবাদী। সে মিথ্যাও বলবে। সে যা বলবে তার উল্টোটা আসলে বাস্তবে ঘটবে। কিন্তু আপনার চোখে মনে হবে সত্য বলেছে। আসলে সে সত্য বলবে না।
সে শুধু মিথ্যাই বলবে। বিভিন্ন কারণে এই ফেতনা এমন হবে যে দাজ্জালের ফেতনা যে আপনার বিবেক নষ্ট হয়ে যাবে। আপনার অন্তর উড়ে যাবে। আপনি সঠিক পথ থেকে বিচ্ছুত হয়ে যাবেন। এজন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম আমাদেরকে সাবধান করে বলেছেন যে প্রত্যেক নবী তার কাউমকে সাবধান করেছে দাজ্জালের ব্যাপারে ভয়াবহতার কারণে। যদিও তাদের মধ্যে আসে নাই তোমাদের মধ্যে আসবে। তবে আমি তোমাদেরকে একটা কথা বলে যাচ্ছি যা প্রত্যেক নবী তার কওমকে বলেনি তা হচ্ছে যে সে সে হবে গোড়া। অর্থাৎ তার সে হবে কানা। কারণ তোমাদের রব তো কানা নন। তোমাদের রবের দুই চোখ আছে। আমাদের রবের দুই চোখ আছে। কিন্তু আমাদের রব আমাদের মত চোখ বিশিষ্ট নয়।
এটা যেন আবার মনে না করেন। আমাদের রবের দুই চোখ আছে। কিন্তু দাজ্জাল চোখ কানা হবে। সুতরাং কেউ যদি বলে কেউ যদি তোমাদেরকে ধোঁকা না দিতে পারে যে তোমাদের সে যেন তোমাদের ধোঁকা না দিতে পারে রব বলে। কারণ সে তো নিজের চোখেই ঠিক করতে পারে না। কিভাবে রব হইতে পারে? আল্লাহ তালা আমাদেরকে সেত নবীর মাধ্যমে এভাবে সাবধান করে দিয়েছেন যাতে করে আমরা নবীর হাদিস যদি শুনি নবীর আদর্শ যদি মেনে চলি দেখতে পাবেন যে দাজ্জাল আমাদেরকে ধোঁকা দিতে পারছে না কিন্তু বেশিরভাগ সময় মানুষ নবীর আদর্শ পড়ে না হাদিস পড়ে না দুনিয়ার সমস্ত বিদ্যা অধ্যয়ন করে কিন্তু হাদিস অধ্যয়ন করে না বিশ্বাস করুন জীবনে পরীক্ষা করে দেখেছি যত বেশি আপনি হাদিস পড়বেন তত বেশি হেদায়েতের পথে থাকবেন আরবি শিখতে চান হাদিস দিয়ে পাবেন আপনি হেদায়েতের পথে চলতে চান হাদিসের মধ্যে পাবেন।
আপনি সঠিক পথে ফেতনা থেকে বাঁচতে চান হাদিসের মধ্যে দিক নির্দেশনা পাবেন। যে কোন কাজে ঈমানদার যদি কোন খুঁজতে থাকে শব্দ বিভিন্ন রকমের দেখবেন হাদিসের মধ্যে যে শব্দগুলি আসছে সেগুলি আপনার জীবনের পাতে হয়ে থাকবে। এজন্য বেশি বেশি করে মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ আদর্শকে অনুসরণ করলে আপনি দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচতে পারবেন। দাজ্জাল কি কি করবে যা দিয়ে আমাদেরকে ধোঁকা দিবে? আকাশকে কোন এলাকায় যাবে যেয়ে বলবে যে আমাকে রব মানো যারা মানবে তাকে আকাশকে বলে বৃষ্টি দিতে সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টি হবে যেমনকি জমিনকে বলে হে জমিন ফসল উঠাও জমিনে ফসল হবে মানুষ আশেপাশুর মানুষ ফেতনায় পড়ে যাবে বর্তমানে এটুকু তো হয় না তাতেই ফেতনায় পড়ে যাচ্ছে ইউরোপিয়ান সভ্যতায় আমরা পাগল হয়ে যাচ্ছি আর দাজ্জালের ফেতনা আসলে আমরা কি করবো সেটা আল্লাহই জানে সেটা আপনারা ভালো করে বুঝতে পারছেন।
এমনকি অন্য জায়গায় সে যাবে কেমন ফেতনা দেখেন। অন্য জায়গায় বলবে আমার উপরে ঈমান আনো। তারা ঈমান আনবে না। রব বলবে না। রব না বলার পর সে বলবে যে এই জমিন তুমি শুকিয়ে যাও। জমিন শুকিয়ে যাবে। এই দুর্ভিক্ষ লেগে যাও দুর্ভিক্ষ লেগে যাবে। এই গাছপালা মরে যাও গাছপালা মরে যাবে। এমন ভয়াবহ অবস্থা সে তৈরি করবে। যেটা মানুষকে তার উপর ঈমান আনতে বাধ্য করে ফেলবে। নাউজুবিল্লাহ। তার উপর ঈমান আনার অর্থ হচ্ছে আল্লাহর উপর কুফরি করা। অর্থাৎ অর্থাৎ সে ব্যক্তি দাজাল ফেতনাবাজ এতে কোন সন্দেহ নাই। সে ব্যক্তি প্রতারক এতে কোন সন্দেহ নাই।
তার ফেতনার মধ্যে আরেকটি আছে তার সাথে আগুন জান্নাত জাহান্নাম থাকবে সে নাম দিবে জান্নাত জাহান্নাম তার যে তার উপর ঈমান আনবে সে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করতে বলবে এই ঠিক আছে তুমি জান্নাতে প্রবেশ করো সেখানে হুর থাকবে সেখানে নারীরা থাকবে তাকে ডাকতে থাকবে সে তো খুশি হয়ে ঢুকবে কিন্তু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আমদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন সেটা আসলে আগুন সেটা ঢুকার মাত্রই আগুনে তাকে গিলে ফেলবে সে তো দুনিয়ার আগুনে সে পুড়তে থাকবে সে তো বুঝতে পারবে না দূর থেকে দেখা যাবে সেটা কারণ সে তো প্রতারক সে প্রতারণা করেছে মূলত এটার কারণে পরীক্ষা করবেন আল্লাহ তাআলা তাকে দিয়ে পরীক্ষা করছেন তারপর ঈমান আনলে আপনি প্রতারণার তার প্রতারণায় পড়ে যাবেন তার সে তাকে রব মানলে এবং সে আপনাকে যে জান্নাতে প্রবেশ করবে সেটা হচ্ছে আগুন যেটা প্রজ্জ্বলিত আগুন জ্বলতেই থাকবে সেটা সেও বুঝতে পারবে না কিন্তু যে ঢুকবে সে বুঝতে পারবে আর যে তাকে মিথ্যা বলবে যে তাকে সঠিকভাবে চিনতে
পারবে সে তাকে আগুনে ঢুকাবে জাহান্নামে ঢুকাবে সে জাহান্নাম নাম দিবে দিবে এবং অথচ এটা ঢুকার পর থেকে তার সেটা শান্তির আলোয় হয়ে যাবে সেটা তার জন্য সেটা জান্নাতের আলোয় হয়ে যাবে আল্লাহ তালা সেটাকে পরিবর্তন করে দিবেন ব্যক্তির জন্য কিন্তু দাজ্জালও বুঝতে পারবে না আর কেউ বুঝতে পারবে না কারণ ফেতনার কারণ সে নিজেই মহা প্রতারক সে নিজেই বড় কাফের এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত সে দাজ্জালের আরেকটি জিনিস থাকবে দুই চোখের মাঝখানে লেখা থাকবে কাফের আরেকবার আছে কাফারা লেখা থাকবে সে প্রত্যেকটি মুসলিম তাকে পড়তে পারবে লেখক হোক বা লেখক না হোক সে পড়তে পারবে। ঈমানদার যদি হয় দেখতে পাবে কাফের লেখা আছে।
আর ঈমানদার না হলে পড়তে পারবে না। ঈমানদার হতে তো আগে হবে। বেশিরভাগ মানুষের ঈমানের যা অবস্থা আছে তারা মনে করে বসে আছে। আর স্রষ্টা সৃষ্টির ভিতরে। এজন্য তার অবস্থা সে সহজেই বুঝতে পারবে। সহজেই বুঝতে পারবে ঈমানদার যে স্রষ্টা সৃষ্টির ভিতরে নাই। আর যেই ব্যক্তি ঈমানদার নয় সে হয়তো একেই স্রষ্টা মনে করে বসবে। সে তো সৃষ্টির ভিতরে যখন দেখবে তখন সেটা মনে হয়তো সে যেমন ঈমানদার বিশুদ্ধ নাই সে তো আল্লাহকে আরশের উপর মনে করছে না সে একে দাজ্জালকে তখন রহমান মেনে ফেলবে কারণ তার ঈমানের বিশুদ্ধতা তখন সেটা প্রমাণিত আগে থেকে হয় নাই তখনও প্রমাণিত হবে না একবার সাইয়েদেনা আব্দুল কাদের জিলানী রহমতুল্লাহ আলাই তিনি তার এবাদত ইবাদত জায়গা থেকে বের হচ্ছেন এমন সময় তার সামনে এসে উপস্থিত হয়ে বলল একজন বলল যে আমি তোমার রব তোমাকে খুশি হয়ে আমি আকাশ থেকে নেমে এসেছি।
আসমান থেকে তোমার সাথে দেখা করার জন্য নেমে চলে এসেছি। সাইদেনা আব্দুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহ আলাই বুঝলেন যে এতো মহাপ্রতারক। কারণ আল্লাহ তালা কারো জন্য পৃথিবীর পৃথিবীর ভিতরে চলে আসেন না। এতো মহা প্রতারণা করছে আমার সাথে। তিনি বলেন আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। সঙ্গে সঙ্গে সে পালিয়ে গেল। আর আপনাদের কেউ হলে মনে করতেন আল্লাহ তাালার খাটি মোজেজা কারামত পেয়ে গেছি আর কি। সবাই বলে বেড়াতেন এটাই হচ্ছে আমাদের বিভ্রান্তির বিভ্রান্তির অতল যারা মনে করে আল্লাহকে আরশের উপর মনে করে না সৃষ্টি এবং স্রষ্টাকে আলাদা মনে করে না তারা এই বিভ্রান্তিতে পড়ে যাবে এজন্য সবসময় মনে রাখতে হবে রব্বুল আলামন স্রষ্টা তিনি সৃষ্টি থেকে আলাদা আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত মারা না যাচ্ছি যতক্ষণ পর্যন্ত মারা না যাচ্ছি ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের রবকে দেখতে পাব না পাব না মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম বলেছেন নিশ্চয় তোমরা যতক্ষণ না মারা যাচ্ছ তোমাদের রবকে দেখতে পাবে না।
সুতরাং কেউ যদি এরকম দাবি করে আপনি বুঝতেই পারবেন যে এটা রব হতে পারে না। তাকে কিভাবে আমরা দেখতে পাব? তাকে তো দেখতে পাব শুধু জান্নাতে এবং সবচেয়ে বড় নেয়ামত হিসেবে সেটা তখন আমাদের সামনে উপস্থিত হবে। সেই নেয়ামতকে আমরা দুনিয়াতে দেখি কি করে? কিন্তু যারা হাদিস পড়বে না, কোরআন পড়বে না, তারা যেকোন সময় বিভ্রান্ত হয়ে যেতে পারে। দুনিয়ার ফেতনায় যারা পড়ে আছে বড় বড় ডিগ্রি নিয়ে বসে আছে বড় বড় পথ নিয়ে বসে আছে বিশাল বিশাল লোকেরা তাদের পিছনে হেটে চলেছে বিশাল বিশাল টকশো জালশু করে বেড়াচ্ছে এরা অধিকাংশ ফেতনায় পড়ে যাবে কারণ তারা তো আল্লাহ সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখেনি আল্লাহতালা কোরনে কারীমে যেটা বলেছেন সেটা তারা পড়েনি আল্লাহতালা বলছেন তারা আল্লাহকে সঠিক আন্দাজ করতে পারেনি।
আল্লাহ সম্পর্কে সঠিক সম্মান দিতে জানেনি। সমস্ত জমিন আল্লাহর মুষ্টির ভিতরে থাকবে কেয়ামতের দিন। সমস্ত আসমান ডান হাতে ভাজ করা থাকবে। যেদিন আমরা কাগজ যেভাবে একটার উপর একটা ভাজ করে রাখা হয় আমার ডান হাতে আল্লাহ বলছেন আল্লাহ তালা তার হাতের মধ্যে আসমানগুলিকে একটার উপরে একটা ভাজ করে রাখবেন। আল্লাহু আকবার। কত বড় আমার রব আজিম। তিনি আজমত। তার আজমতকে ধারণ করে অন্তরের ভিতরে তিনি কত বড়। জমিন বলতে যা বুঝাচ্ছে আর যারা গ্রহ নক্ষত্র আবিষ্কার করছে সবই তো আসমানের নিচে এগুলি সব যদি কোন আল্লাহর গুষ্টির ভিতরে থাকে। আর আসমানগুলি যদি আল্লাহর ডান হাতে ভাজ করা থাকে।
আমার রব্বুল আলামন কত বড় তাকে আপনি কল্পনা করতে পারছেন তিনি কিভাবে দাজ্জালের মত ফেতনাবাজের মত আইসে আপনাকে বলতে পারেন যে আমি তোমাদের রব কিভাবে বলতে পারেন আপনি কিভাবে ঈমান আনবেন যদি আপনি কোরআন এবং সুন্নাহকে আট ধরেন পড়েন আপনার হেদায়েত থাকবে আপনি কোনদিন রব হিসেবে মানবেন না কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আল্লাহ সম্পর্কে সঠিক ধারণা আল্লাহর জাত সম্পর্কে সত্তা সম্পর্কে সঠিক বিশ্বাস ঈমান আমাদের আজ আসছে না আমরা সেই ঈমানের উপর থাকতে পারছি না অধিকাংশ মানুষে সেটার ব্যাপারে ঈমান রাখে আল্লাহকে যত্র তত্র মনে করছে আল্লাহকে তারা যেকোন সৃষ্টির মত মনে করছে তারা আল্লাহকে তার মত যেভাবে কোরআন সুন্নাহ আসছে সেরকম তারা ঈমান তাদের রাখে না এজন্য বিপদে পড়ে যেতে হবে দাজ্জাল এমন অবস্থা হবে জমিনের বুকে চলতেই থাকবে সে এত দ্রুত চলবে তার উদাহরণ দিয়েছে রাসূুল্লাহ যখন মেঘকে যেমন বাতাস দাড়িয়ে বেড়ায় দাজ্জাল সেভাবে মেঘের মত করে আকাশে সেভাবে সে আকাশে যেভাবে মেঘ চলে জমিনের বুকে সে এভাবে হেঁটে চলবে অর্থাৎ জগতটাকে সে কয়দিনের মধ্যে পুরা তার করায়ত্ব করে ফেলবে পুরো পুরো পৃথিবীটাকে সে তার অধীনস্থ করে ফেলবে ইমাম মুসলিম হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।
এমনকি এই জমিনের মধ্যে সে ৪০ দিন থাকবে। একদিন হবে এক বছরের মত। একদিন হবে এক মাসের মত। একদিন হবে এক সপ্তাহের মত। অর্থাৎ তিন তিন দিন হবে তিন রকম। একটা দিন হবে এক বছরের মত একটা দিন হবে এক মাসের মত একটা দিন এক সপ্তাহের মত আর বাকি দিনগুলি এই দিনের মতই থাকবে সাহাবায়ে কেরাম সুবহানাল্লাহ সাহাবায়ে কেরাম সঙ্গে সঙ্গে বলে বসলেন সালাতের প্রতি তাদের যে গুরুত্ব সাহাবা ইয়া রাসূল্লাহ যেই দিনগুলি এত লম্বা হবে সেদিন আমরা কিভাবে সালাত আদায় করব সালাতের চিন্তায় তারা বিভ রাসূুল্লাহ বললেন যে সালাতকে সময় মত টাইম মত পড়তে হবে সালাতকে ছাড় দেয়া যাবে না এই নয় যে একটা দিন পাইছি সারাদিন একটাই সালাত পড় বন্ধ থাকব তা নয় বরং হিসাব করে করে সালাত আদায় করতে হবে যেখানে যেভাবে আগে সালাত চলতো সেভাবে সেইভাবে সালাত আদায় করে যেতে হবে সূর্যের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না কারণ সেটা ফেতনার সময় সে আপনাকে সাধারণ নিয়মের বাইরে
আপনাকে চলতে হবে রাসূুল্লাহ সাললাম সে সময়ও আমাদেরকে সালাত আদায়ের নির্দেশনা দিয়েছেন অর্থ হচ্ছে সালাত কখনো বন্ধ হবে না সে যেখানে নামবে সেখানেই সেখানকে ধ্বংস করে ছাড়বে সেখানকার মানুষের ঈমান হরণ করে চলবে এইভাবে সেচ চলতে চলতে মক্কা মক্কার কাছে যাবে সেখানেও ঢুকতে পারবে না মক্কায় ঢুকতে পারবে না তারপর সে মদিনাতে যাবে মদিনাতে ঢুকার মদিনাতে ঢুকার সময় ঢুকতে পারবে না কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন যে মদিনাতে তার সেই সময়ে সে সময় সাতটি দরজা থাকবে তার প্রত্যেকটি দরজাতে ফেরেশতারা পাহাড়াদার থাকবে যখন সে ঢুকতে চাইবে উন্মুক্ত তরবারি নিয়ে তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাবে তাকে তাড়িয়ে দিবে ফেরেশতা তাকে তাড়িয়ে দিবে কারণ মানুষের ক্ষমতা নাই তাকে তার সামনে দাঁড়ানো।
এইজন্য ফেরেশতার ব্যবস্থাপনা আল্লাহ করেছেন মদিনাকে। আমাদের ওস্তাদের সাথে দেখা হচ্ছিল। এবার তিনি বলছিলেন যে একটা হাদিসে এসছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন দাজ্জাল যখন মদিনা আসবে সে সাবখাতে আসবে। সাবখা অর্থ যেটা জরুরফ এলাকা দুলাবালি অঞ্চল যে অঞ্চলে আসবে সেখানে এসে সে পাহাড়ে উঠবে। পাহাড়ে পাহাড়ে উঠবে। তারপর ওহুদের উপরে উঠে বলবে যে এই এখান থেকে তখন সে মদিনার মসজিদের দিকে তাকিয়ে বলবে এটা কি মোহাম্মদের প্রাসাদ? সে মনে করবে সবগুলি প্রাসাদের চিন্তা করে সেও যেমন প্রাসাদের চিন্তা করে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ মসজিদকে প্রাসাদ মনে করবে তখন সেটা সাদা দেখা যাবে এজন্য তাকে তাকে নিয়ে দেখতে গিয়েছেন তিনি বলছেন যে দেখি পাহাড়ের উপর উঠলে এটা কিরকম দেখা যায় তিনি বললেন যে দেখতে তো সাদাই মনে হচ্ছে এজন্য সে মনে হয় এটা বলবে তিনি আশ্চর্য হচ্ছেন যে এইটাই সে উঠবে সে এখানে আসবে এই ওহুদের কাছে এসে আসবে এটা তিনি চিন্তা করছিলেন যে অবস্থাটা কেমন হবে যারা জীবিত থাকবে তারা সেটা বুঝতে পারবে কিন্তু ভিতরে ঢুকার মত ক্ষমতা হবে না।
কারণ ফেরেশতারা প্রতিটি রাস্তায় পাহাড়া পাহারাদারি থাকবে। যেখান দিয়ে ঢুকতে চেষ্টা করে সেখানে তাকে বাধা দিবে। এসে তার এমন অবস্থা হবে সেখানে এসে সে চিৎকার করবে। সেখানে এসে চিৎকার করবে। চিৎকার করলে মদিনাতে যেত মুনাফেক আছে সেগুলি বেরিয়ে পড়বে। মুনাফেক আছে সেগুলি বেরিয়ে পড়বে। এমনকি নারীরা সব বেরিয়ে পড়বে। তার অনুসারী কারা হবে? তার অনুসারী হবে সাধারণ মানুষগুলো। দ্বীন পড়ে নাই, শরীয়া পড়ে নাই। আল্লাহর বিধান পড়ে নাই। বর্তমানে বাংলাদেশ যদি বাংলাদেশে যদি আসা হয় বেশিরভাগ মানুষ এটা জেল অনুসারী হবে। কারণ তারা শরীয়া পড়ে না দ্বীন পড়ে না। তারা বেশিরভাগ তাফসীর পড়ে। তাফসীর পড়ে। তাফসীর পড়া বুঝেন? য মন মত তাফসীর পড়ে।
তখন আল্লাহর কোরআন এবং সূরা হাদিসের যে ব্যাখ্যা সহ দিয়েছে তা না করে নিজের মন মত ব্যাখ্যা দিয়ে চলেছে। এবং সাধারণ মানুষগুলো দীন শরীয়া কিছুই বুঝে না। তারা তখন ফেতনায় পড়ে যাবে। তার অনুসারী হবে সাওয়া। যে সমস্ত মানুষগুলো রাস্তায় বাজারি দল বাজারী মানুষগুলো সেখানে তার অনুসারী হবে আর তার অনুসারী বেশি হবে নারীরা এমনকি হাদিসে এসছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন কোন ব্যক্তি মদিনার কোন ব্যক্তি তারা দাজ্জালের কাছে যাওয়ার আগে যাবে না যাইতে চাইবে না তারা নারীদেরকে তারা রশি দিয়ে বাধা রাখবে তার মেয়েকে তার মাকে তার ফুফুকে তার খালাকে তার যারা যারা তার বোনকে সবাইকে সে বেঁধে ফেলবে যাতে করে সে বের হইতে না পারে কারণ তারা এত বেশি তার জেলের টানে দৌড়াবে যে নারীরা সব তার দলে যুক্ত হবে।
নারীরা এই দলে বেশি যুক্ত হবে। বুঝতে পারছেন? দাজ্জালের গুষ্টি দাজ্জালের গুষ্টি নারীরা বেশি বেশি হবে। কারণ ফেতনায় পড়ে যাবে। শরীয় সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে যাবে। আল্লাহ এবং তার রাসূল কি বলেছেন জানবে না। তখন তারা মনে করবে দেখে আসি না। দেখতে গিয়েই বিপদে পড়ে যাবে। দেখতে গিয়ে আর ফিরে আসবে না। সে কাফের হয়ে যাবে। ঈমান কুফরিতে পড়ে যাবে এবং সে জাহান্নামে দুনিয়ার আগুনের ভিতরে পড়তে থাকবে। যেটাকে সে মনে করেছে এইটা বুঝি ভালো কিছু এটা বুঝি জান্নাত আসলে এটা হচ্ছে জাহান্নাম যেটা আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ আমদেরকে জানিয়েছেন দাজ্জাল কোত থেকে বের হবে দাজ্জাল বের হবে দাজ্জাল ইহুদি মায়ের সন্তান হবে ইহুদি নাসারাদের সন্তান হবে দাজ্জাল কোন ইউরোপিয়া সভ্যতা নয় ইউরোপিয়ান সভ্যতাকে দাজ্জাল লেখে কেউ কেউ দেখলাম বই লিখে ফেলেছে ইউরোপীয় সভ্যতাকে দাজ্জাল বানিয়ে ফেলেছে এবং নামে বই লিখে ফেলেছে এমনকি আমি একবার দেখলাম গাড়িতেছিলাম এমন সময় দেখলাম দাজ্জাল নামে বই বিক্রি করতেছে এবং তারাই হচ্ছে ফেতনাবাজ লোক এরা
দাজ্জালের বড় অনুসারী হবে এদেরকে চিনে রাখুন এরা হচ্ছে এই হেজবুত তাওহীদ নামে বিভ্রান্ত এই দলগুলো এদের অনুসারীরা দাজ্জাল মনে করে যে ইউরোপিয়ান সভ্যতাকে আর তাদের সুরুট হুজুরকে মনে করে সে হচ্ছে সে হচ্ছে ঈসা আলাইহি সালাতু সালাম নাউজুবিল্লাহ একবার আমি এখানে দাস দিচ্ছিলাম যে ঈসা আলাইহি সালাতু সালাম আসবেন সে এসে একজন এসে বলল যে ঈসা আলা এসে গেছেন কিভাবে আসলো বলে যে হ্যা এসে গেছেন তিনি এসে তো এই করেছেন সেই করেছেন অর্থাৎ তাদের তথাকথিত অমুক অমুক পন্নি অমুকের পন্নিকে তারা ঈসা আলাই সালাম হিসেবে দাবি করতেছে তিনি নাকি মাসিহাবার তো সে বলতেছে আবার দাবি করতেছে ঈসা আলাইহি সালাতু আসবেন আপনারা বলেন কিভাবে আসবেন আমি বললাম তিনি আসবেন যখন দাজ্জাল আসবে যখন মদিনাতে সে কিছুই করতে পারবে না তখন সে রওনা হবে যে সে ইয়াতে যাবে বাইতুল মাকদাসে যাবে যাওয়ার সময় যাওয়ার সময় তখন মুসলিমরা একত্র হবে যারা দ্বীনদার তারা তখন যে ইয়া মুসলিমদের যে শাসক থাকবে তখন
তাকে যে বলা হবে যে মাহদী তার সাথে তারা সালাত আদায় করতে থাকবেন সেখানে বাইতুলশামে সিরিয়াতে সেখানে সে সাদা মিনারা বিশিষ্ট সেখানে মসজিদে তারা নামাজ পড়তে থাকবেন এমন সময় দুইটি কাপড় পড়ে তিনি নাযিল হবেন আসমান থেকে এই দুটি কাপড় বলা আছে মহারাইনে হলুদ আহবা বিশিষ্ট এরা বল হলুদ গ্রন্থ পড়া ইসলাম নিষিদ্ধ তিনি কেন পড়বেন মানে পেঁচানোর জন্য কথা বলছে। অর্থাৎ সে যেন আসবেন না এটা বুঝার জন্য। আমি বললাম যে হলুদ আল্লাহর রাসূল বলেছেন যেটা নিষিদ্ধ এটা দুনিয়ার ব্যাপার। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন হলুদ রং যেটা পুরোপুরি হলুদ এটা মহারদাতেইনে হলুদের মত পূর্ণ হলুদ না হলুদ রং বিশিষ্ট যেটা নিয়ে তিনি আসবেন হালকা হলুদ যেটা নিয়ে আসবেন তিনি এইটা নিয়ে আর হলুদ সরাসরি নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ হয়েছে যেটা হচ্ছে যে রংটা সাধারণত এই ইয়ারা পরে বৌদ্ধরা পরে সেটা নিষিদ্ধ।
সুতরাং আপনি এটা কোথায় পেলেন? বলছেন এটা আসবে না ঈসা তো চলে এসেছে ঈসা চলে আসার দাবি কারা করে ঈসা চলে আসার দাবি করে দুইটা গোষ্ঠী একটা হচ্ছে কাদিয়ানীরা কাদিয়ানীরা মনে করে যে কাদিয়ানী ঈসাও কাদিয়ানী মাহদীও কাদিয়ানী ঈসা মাহদী সব এমনকি কাদিয়ানী কখনো সে আরো অন্য জিনিস দাবি করেছে কৃষ্ণও দাবি করেছে কাদিয়ানী নিজেকে এ ঠিক অনুরূপভাবে এরা যারা এই যে যারা যাদেরকে আপনাদের দেশে হিজবুত তাওহীদ তাহেরদের অনুসারীরা তারাও মনে করে তারাও মনে করে যে তাদের তাদের যে প্রধান উপদেষ্টা প্রধান যে প্রতিষ্ঠাকারী সে পন্ডিত সেও ঈসা আলাইহি সালাতু বলে দাবি করছে সেই নাকি মেহদ না দাবি করতেছে এ ফেতনার কোন সীমা নেই ফেতনার ভিতরে পড়ে আছি আমরা এগুলি কোনটাই দাজ্জাল নয় আমি এটা বলার জন্য এত লম্বা কথা বললাম দাজ্জাল হচ্ছে এগুলি দাজ্জাল দাজ্জাল এগুলি যারা আছে এই ২২ দাজ্জাল দাজ্জালা অনেক দাজ্জালের মধ্যে একটি দাজ্জাল মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম বলেছেন যে কেয়ামতের আগে ৩০ টা দাজ্জাল
আসবে ৩০ এর উর্ধে দাজ্জাল আসবে এর মধ্যে এটাও একটি এগুলি একটি দাজ্জাল নিঃসন্দেহ এগুলি দাজ্জাল এগুলো যতগুলি ফেতনা আসছে এগুলি ফেতনার অন্তর্ভুক্ত কিন্তু মূল দাজ্জাল বড় দাজ্জাল বের যখন হবে সে ইহুদি মায়ের সন্তান হবে এবং সে বের হবে খোরাসান থেকে আর খোরাসান হচ্ছে বর্তমান ইরান থেকে শুরু করে আফগানিস্তানের কিছু অংশ নিয়ে বিশাল এলাকা জায়গা খোরাসান বলা হতো তখনকার সময় য় পুরো এলাকায় তখন খোরাসান বলা হতো মাওরার নাহারও বলা হতো অর্থাৎ নদীর ওপারে এই নদীর ওপারে যাইহন চাইহন নদীর ওপারে যে এলাকা পুরো এলাকাটাকে তখন খোরাসান বলা হতো সেখান থেকে বের হবে এবং সেখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে রাসূ হাদিসে যে সে ইসফাহান এলংকর থেকে অন্তত জায়গা থেকে আবার বের হবে সেখান থেকে সফহান থেকে ৭০ হাজার ইহুদি যাদের মাথার উপরে থাকবে থালার মত জিনিস যেটা মানুষের পরে সেটার থাকবে এখনো অনেকে দেখবেন মাথার উপর যেটা পড়ে থাকে কালার মত সেইটা পড়ে থাকবে এরা তার অনুসারী হবে
এরা তার অনুসারী হবে এরা এখন দেখবেন কালো পোশাক পড়ে মাথার উপরে সেরকম করে ইহুদিরা চলাফেরা করে এরা তার অনুসারী হবে এটা রাসূুল্লাহ আমদেরকে জানিয়েছেন এবং তাদের অবস্থা হবে তাদেরকে দেখতে মনে হবে কালমাজ মত অর্থাৎ এমন এমন ঢাল যে ঢালকে অর্থাৎ এমন ঢাল যে ঢালকেযে ঢালকে পিটানো হয়েছে অর্থাৎ চেপটা ধরনের লোকদের তাদের অনুসারী হবে কেউ কেউ বলছেন তারা হচ্ছে চীনা গোষ্ঠী অথবা এই জাতীয় গোষ্ঠী তার অনুসারী সবচেয়ে বেশি হবে তার অনুসারীদের মধ্যে যারা সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ অনুসারী করবে তারাও তার দাজ্জালের মত কাজ করবে অর্থাৎ মানুষকে তার পিটার মানুষকে তাদের মানুষকে তাদের তারা বিভ্রান্ত করবে দাজ্জাল মানুষকে দাজ্জাল দাজ্জালের ধ্বংস কিভাবে হবে আমি একটু আগেই বলেছিলাম যখন সে মদিনাতে কিছুই করতে পারবে না তখন মদিনার সে চিৎকার করবে তখন কিছু এক লোক এসে বলবে এক মদিনা থেকে একটি লোক বের হবে।
সে এসে বলবে যে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে তুমি হচ্ছ দাজ্জাল। যার কথা আমাদের নবী আমাদেরকে জানিয়েছেন তুমি সেই দাজ্জাল। সে বলবে যে আচ্ছা তোমার বাবা মাকে যদি আমি তোমাকে তোমার বাবা মাকে আমি যদি জীবিত করি তাহলে কি তুমি ঈমান আনবে কিনা? বল আগে জীবিত করে দেখাও। সে কি করবে? শয়তান দুইটাকে বলবে বাপ মাশাতে শয়তান শয়তান দুইটাকে। বাপ মা সে বলবে যে বাবা এই হল আল্লাহ। হল রব তুমি মেনে নাও সে বলল যে আমি আরো দৃঢ় হলাম যে তুমি বড় শয়তান দাজ্জাল কারণ আমাদের নবী আগেই বলে দিয়েছে তুমি এই কাজটি করবে তারপর সে তাকে হত্যা করতে চাইবে হত্যা করতে পারবে না এবং সে বলবে তখন সে লোকটি বলবে যে মদিনার লোকটি বলবে যে আমি আমি এখন সুদৃঢ়ভাবে বলছি তুমি আমাকে হত্যা করতে সমর্থ হবে না আর কাউকে তুমি হত্যা করতে সমর্থ হবে না এবং আমাদের মত ঈমানদারকে আর হত্যা করতে পারবে না এ কথা শোনার পরে সে রওনা হবে সে সেখানে আর কিছুই করতে পারবে না অর্থাৎ মদিনা তার মিশন বিফল হয়ে যাবে।
অর্থাৎ তখন সে মনে করবে যে এখন সে বাইতুল মাকদিসে যাবে। যাওয়ার পথেই ঈসা আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম তখন নাযিল হবেন। আসমান থেকে দুই ফেরেশতার কাঁধে ভর দিয়ে তিনি নাযিল হবেন। সেখানে নাজিল হওয়ার পর সেখান থেকে তিনি যখন নামবেন নিচে দেখবেন যে জামাত একামত হয়ে গেছে। সালাতের একামত হয়ে গেছে। এই সময়ে তিনি সবাই যিনি ইমাম থাকবেন তিনি বলবেন যে আপনি সালাত আদায় করুন। তিনি বললেন যে না এই সালাত আপনার জন্য একামত দেয়া হয়েছে। আপনি সালাত আদায় করুন। আপনার পিছনে আমি সালাত আদায় করবো। এভাবে একজন নবী একজন এই উম্মতের একজন একজন মানুষের পিছনে একজন সাধারণ ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় করবেন।
যাতে করে আল্লাহ তাআলা এই উম্মতকে সম্মানিত করেন নবীকে তার পিছনে সালাত আদায় করানোর মাধ্যমে। তবে তিনি নবুয়তের দরজা তার বন্ধ হবে না। নবী হিসেবে থাকবেন। কিন্তু তা তিনি শরীয়ত হিসেবে মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শরীয়ত অনুসরণ করবেন। কোন মাযহাব নয় যারা দাবি করে অমুক মাযহাবের মধ্যে মিথ্যাবাদী। কোন মাযহাবের বিষয়কে অনুসরণ করবে না। কোরআন এবং সুন্নাহ মোতাবেক তিনি পরিচালনা করবেন। এটাই ঈমানদারের বিশ্বাস। এর বাইরে অতিরিক্ত বিশ্বাস করা বৈধতা নেই। নিজের পক্ষ থেকে বানিয়ে বানিয়ে কথা বলার বৈধতা নেই। তিনি ঈসা আলাইহি সালাতু সালাম নাজিল হওয়ার পরে তিনি বলবেন যে আমি তো নাজিল হয়েছি দাজ্জালকে মারার জন্য।
তারপর সে দাজ্জালের পিছু নিবে। দাজ্জাল চলতে থাকবে। যেতে সে বাবুল বর্তমানে লুত যেটা এখন একটা বড় তাদের বিমান বন্দর। ইসরাইলের বড় বিমানবন্দর সেখানে যাবে। সেখানে ঈসা আলাইহি সালাতু ওস সালাম তাকে দেখার পরে সে ইয়ানমা হাদিসে আসছে পানিতে যেমন লবণ দ্রবীভূত হয়ে যায় সেও তেমনিভাবে দ্রবীভূত হয়ে যাবে অর্থাৎ তার আর ক্ষমতা সব শেষ হয়ে যাবে তখন তিনি বলবেন যে তোমাকে আমার হেরবা পাবেই তোমাকে মারার জন্য আমি নাজিল তারপর তাকে তিনি বাবু লুদ তাকে হত্যা করবেন এমনকি তারপর তখন ইহুদিরা পালাতে থাকবে সেখানে পালে গাছের পিছনে এমনকি সে তারা পাথরের পিছনে পালা থাকবে পাথর এবং গাছ তখন ডেকে ডেকে বলবে হে মুসলিম এই ইহুদি আমার পিছনে পিছনে লুকিয়ে আছে তাকে তোমরা মারো।
শুধুমাত্র গারকাদ নামক গাছ শুধু সেটা বলবে না। মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তারা গারকাদ নামক গাছ যেত ইহুদিদের গাছ সেটা তখন বলবে না। তারা বিশ্বাস করে যে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ ফত এজন্য তারা দেখবেন এখন বেশি বেশি করে গাছ বেশি বেশি লাগায় তাদের ওখানে যাতে করে তারা লুকিয়ে থাকতে পারে। এভাবে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ আমদেরকে জানিয়েছেন ঈসা আলাইহি সালাতু সালাম তখন সেখানে যাবেন অর্থাৎ বাইতুল মাকসে যাবেন বাইতুল মাকসে আমাদের পরবর্তী রাজধানী নির্ধারিত হবে সেখান থেকে তিনি জগত পরিচালনা করবেন তারপর পরবর্তী ঘটনা সেখানে আসবে অর্থাৎ তারপরেই ইয়াজুর মাজু আসবে ঈসা আলাইহি সালাতু সালাম জীবদশায় সেটা হবে ঈসা আলাইহি সালাতু সালাম কোথায় মারা যাবেন নির্ধারণ করা জরুরি না কেউ কেউ যদি বলেন মদিনাতে মারা যাবে জায়গা খালি আছে ওখানে কিছু এই জাতীয় কথা বলার কোন দরকার নেই এর উপরে কোন আমাদের কাছে দলিল নেই কোথায় মারা যাবেন সেটা আমরা জানি অবশ্যই তিনি মরবেন মানুষ যেহেতু তিনি মরবেন কোন মানুষেই মৃত্যু
মৃত্যু ছাড়া থাকবে না প্রত্যেকটি মানুষকে মৃত্যুর মৃত্যুর স্বাদ ভক্ষণ করতে হবে এটাই আল্লাহতালা কোরআনে কারীমে আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন কিভাবে দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচতে পারবেন দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য এক নম্বর কাজ হবে কোরআনে কারীম এবং রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সুন্নাহকে আকড়ে ধরতে হবে নিজের পরিবারে নিজে নিজের পরিবারে প্রত্যেকেই আমরা এ কাজটি করতে পারলে দায়িত্বশীলরা তাদের জায়গাতে বসে কোরআন এবং সুন্নাহকে আক ধরবেন। বিশেষ করে আল্লাহর নাম এবং গুণ সম্পর্কে জানবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর নাম এবং গুণ জানবে তাকে দাজ্জাল সে তাকে ধোকা দিতে পারবে না। কারণ আল্লাহর নাম এবং কোরআনে কোরআনে যা বলা হয়েছে দাজ্জালের সাথে কোনটাই মিলবে না।
তখন সে তার উপর আর ঈমান আনবে না। তখন বুঝবে যে দাজ্জাল খায় পান করে। দাজ্জাল গোড়া এক চোখ নাই। সে আমাদের রব হইতে পারে না। দাজ্জাল পৃথিবীতে বিচরণ করে বেড়াচ্ছে। সে আমাদের রব হয় কি করে? দাজ্জাল চলাফেরা করতেছে পৃথিবীর বুকে সে আমাদের রব হয় কি করে? এই জাতীয় বিশ্বাসগুলো তার মধ্যে আসবে সে স্পষ্ট বুঝতে পারবে দাজ্জাল আমাদের রব নয়। দাজ্জাল আমাদের রব নয়। কিন্তু যে ব্যক্তি কোরআন সুন্নাহ জানবে না সে কিছু ব্যতিক্রম দেখলেই তাকে বিশাল কিছু ভগবান মনে করে বসে থাকবে। অর্থাৎ তার পিছনে অনুসরণ করে চলবে। তারা তাকে বিশাল কিছু মনে করে তার প্রতি তার সমস্ত আবেদন নিবেদন ব্যক্ত করতে আরম্ভ করবে।
কিছু পাওয়ার জন্য ঈমান শেষ করে দিবে। নারীরা যেভাবে কিছু পাওয়ার জন্য কবরের কাছে ঈমান শেষ করে দেয় তেমনিভাবে দাজ্জালের দাজ্জালকে দেখলে পাগল হয়ে তার পিছনে সবাই ছুটে চলবে। কারণ তারা মনে করবে এখন তো পেলাম এখন পাওয়া পাওয়া দ্বারাই আমার যথেষ্ট ইত্যাদি মনে করবে। আখেরাতের চিন্তা তাদের মন থেকে উঠে যাবে। দ্বিতীয় কাজ হবে দাজ্জালের ফেতনা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ আমদেরকে শিখিয়েছেন দাজ্জালের ফেতনা থেকে আশ্রয় চাইতে। এইজন্য শাখুল আলবা রহমাতুল্লাহ এটা ওয়াজিব মনে করেন তিনি যে অথবা ওয়াজিব না হলে অবশ্যই সেটা সুন্নাহ যে রাসূুল্লাহ শেষ বৈঠকে দোয়াগুলি করেছেন আমাদের করতে বলেছেন আল্লাহু থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে বেরবে।
একটা হচ্ছে মাসিহ দাজ্জাল। তা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে। আল্লাহ যেন তার সাথে সাক্ষাতের ব্যবস্থা না করে। সেই ফেতনা থেকে আল্লাহ আমাদেরকে বাঁচিয়ে দেন। যদি আসেও আপনি বেঁচে যেতে পারবেন এই দোয়ার মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ। তৃতীয় যে কাজটি করবেন দাজ্জালের নাম শুনলে পালাতে আরম্ভ করবেন। দাজ্জালের নাম শুনলে পালাতে আরম্ভ করবেন। অর্থাৎ দাজ্জালের নাম শুনলে যেখানে পারেন সেখানে ঢুকাবেন। কোন কোন পাহাড়ে লুকিয়ে থাকবে। মানুষ পাহাড়ের উপর উঠে যাবে। যাতে করে সমতল ভূমিতে তার ফেতনা চলে গেলে তারপর তারা নামতে পারে কিন্তু কখনো কোনভাবেই যেন দাজ্জালের সামনে উপস্থিত হওয়ার চিন্তা না করে কিন্তু আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমরা তো দেখতে যাই দেখেই বিপদে পড়ে যাই আজ তাই হয় বেশিরভাগ মানুষ বলে একবার দেখি না আপনি বিশ্বাস করেন যেই খেলা দেখার জন্য কয়দিন আগে আপনারা পাগলের মত বন্ধ বসে আছিলেন একটু দেখি না কি হচ্ছে এটাই তো এটাই তো আপনাকে বিপদে ফেলে দিয়েছে একটু দেখার যে আপনার আবেগ একটু দেখার যে আপনার
যে ইচ্ছা এটাই আপনাকে শেষ পর্যন্ত বিপদে ফেলে দেবে দাজ্জালের ফেতনার নাম শুনলে পালাতে হবে আপনাকে সবচেয়ে পালানোর বড় জায়গা হচ্ছে মদিনাতে অবস্থান করবেন মক্কাতে অবস্থান করতে পারেন তখনকার সময় অর্থাৎ তখন মক্কা মদিনা হবে আপনার জন্য শ্রেষ্ঠ জায়গা অথবা সিরিয়া হবে আপনার জন্য শ্রেষ্ঠ জায়গা অথবা বাইতুল মাকতে যদি আপনার উন্মুক্ত থাকে তখন সেখানেও ভালো জায়গা অন্য জায়গাতে সে তার ফেতনার ভিতরে আপনাকে ফেলে দিবে অথবা যদি সমতল ভূমিতে আপনাকে ফেতনায় ফেলে দিবে তখন গর্তে অথবা পাহাড়ে কোথাও লুকিয়ে থাকা ছাড়া কোন উপভোগান্ত থাকবে না অর্থাৎ আপনাকে ফ থেকে যেকন মূল্যে দূরে থাকতে হবে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু বলেছেন কেউ দাজ্জালের কথা শুনে তার থেকে দূরে সরে যায় আল্লাহ শপথ করে বলছি একজন মানুষ মনে করবে আমি কত বড় পাক্কা ঈমানদার আমি তার সামনে গিয়ে কিছু একটা বলে আসব তাকে এই করব সেই করব ধরাশায়ী করে ফেলব রসূ বললেন যে সে মনে করবে সে ঈমানদার কিন্তু সেখানে গিয়ে তার অবস্থা অবস্থা দেখে সঙ্গে সঙ্গে নিজে ফেতনায় পড়ে যাবে এবং সে কাফের হয়ে যাবে।
কারণ সে তার অন্তর এমন সব ফেতনা ঢুকিয়ে দিবে যে ফেতনার সামনে আর টিকে থাকতে পারবে না। প্রিয় ভাইয়েরা আজ আমরা দেখতে পাই এই যে হাদিস অস্বীকারকারীরা এবং এই সমস্ত আপনাদের এই নিকৃষ্টতম মানুষগুলো যারা হেবু তাওহীদের অনুসরণ করে চলে। এরা নিকৃষ্ট চেয়ে নিকৃষ্ট। এরা কিছুই নাই। না আলেম না জালেম কিছুই নাই। এরা কিছুই বুঝে না ঠিক কত ঠিক কোরআনও ঠিক মত পড়তে পারে না এরা হাদিস সম্পর্কে জ্ঞানও রাখে না এরা কিছু মানেও না শরীয় সম্পর্কে ফেতবিদ্দিন তাদের মধ্যে নাই দনের ফেত তাদের মধ্যে নাই এই মানুষগুলোর সন্দেহ মানুষগুলোর সন্দেহ পত হয়েছে আবার আপনারা তাদের সাথে দেখা করতে গেলে সন্দেহ পতীত হন আমি তো মাঝে মধ্যে দেখি তাদের যে বিশাল অনুষ্ঠান হয় সে অনুষ্ঠানে আমি যদি দেখি হাজার হাজার মানুষ বলছি যে কোত্থেকে আছে এরা এরা সামান্য ফেতনায় পড়ে গেছে সামান্য কথা শুনে আর দাজ্জালের ফেতনায় যদি আপনি যে কেউ দেখ সামনে পড়ে অবশ্যই ফেতনায় পড়ে যাবে কোন সন্দেহ নেই।
এজন্য যখনই তার কথা শুনবেন ঈমানদারের দায়িত্ব হবে তার থেকে দূরে সরে যাওয়া। না আমি তার কাছে সামনেও যাব না। তার কাছেও যাব না। তার কথা শুনলে যেকোনো সময় আপনার বিপদ হতে পারে। এজন্য সফ সালেহন যখন বেদাতিরা কোন কথা বলতো তখন কানের মধ্যে আঙ্গুল দিয়ে রাখতো তার কথা যেন আমার কানে না ঢুকে। এখন তাই হচ্ছে। অনেকে আছে শুনতে যায়। শুনতে গেলে কয়দিন পরে বিপদে পড়ে যায়। অনেকে এ সমস্ত খারাপ দলের কাছে যায়।
তাদের কাছে বসে বিভিন্ন ইসলামিক দল নিয়ে যাদের কাছে ওদের কাছে কয়দিন থেকে চলতে ফুলতে একসময় তাদের ভালো লেগে যায় যে এটা তো ভালোই বলছে খারাপ কি এরপরে সে তাদের অনুসরণ করে চলে ইসলামিক নাম দিয়ে আপনাকে দ্বীন থেকে দূরে সরানোর জন্য বুদ্ধি করেছে আপনি ফেতনা থেকে দূরে থাকবেন এগুলি শোনার কোন দরকার নাই আপনাকে শুনতে হবে কোরআন এবং সুন্নাহ আপনাকে শুনতে হবে কোরআন এবং সুন্নাহর যে ব্যাখ্যা দেয় আলেমদের কথা শুনতে হবে দলীয় কমান্ডের বা কোন ব্যক্তি কোন গোষ্ঠীর কোন দলের কোন কথা শোনার সময় অনুমোদন করে নাই কোরআন এবং সুন্নাহকে অনুসরণ করতে হবে আলেমদের বক্তব্য থেকে সালফে সাহের বক্তব্য থেকে এর বাইরে কারো বক্তব্য শুনবেন আপনি ফেতনায় পড়ে যাবেন সুবুহা সন্দেহ অন্তরের ভিতরে ঢেলে দেয় শয়তান সেগুলো ধীরে ধীরে বড় করে তোলে আর একবার সন্দেহ ঢুকলে তা থেকে বের হওয়া কঠিন আপনি আশ্চর্য হচ্ছেন না যারা নাম দিয়েছেন নিজেদেরকে তাওহীদ তাওহীদের এবং ন্যায় পরায়ণ গুষ্টি তাওহীদ গুষ্টি এ
হচ্ছে মতাজিল এদের অনুসরণ করেছেন বর্তমান তাওহীদ এবং এন সৈন্যরা এবং কি হাদিস অস্বীকারকারীরা এমন সব সন্দেহ নিয়ে আসবে আপনি আশ্চর্য হবেন শত শত সন্দেহ মনের ভিতরে আছে এই সন্দেহের মূল কারণ হচ্ছে কোরআন সুন্নাহ পড়ে না কোরআন সুন্নাহ ঠিকমত পড়তো যদি কোন সলাফদের নীতিতে পড়তো ওলামায়ে দ্বীন যেভাবে পড়ছে সেভাবে পড়তো তাহলে এ সন্দেহগুলি আসতো না কিন্তু তারা সন্দেহ তারা জায়গা করে নিয়েছে এ সন্দেহ তারা মানুষের মধ্যে প্রচার প্রসার করছে সন্দেহ তারা ছড়িয়ে দিচ্ছে এই বিষয়গুলো সন্দেহ যেখানে ছড়িয়ে পড়ে সেখানে কেউ ঢুকতে হয় না সেখানে ঢুকে আপনি কোনদিন ঠিক থাকতে পারবেন না কোন না কোন সন্দেহ আপনার অন্তরের ভিতরে ঢুকে যাবে এইটা তাহলে কি হবে এটার উত্তর তো আমার জানা নেই ধীরে ধীরে সন্দেহ বাড়তে বাড়তে একসময় আপনাকে ঈমান হারা করে ছাড়বে রাসূুল্লাহ এজ বলছেন সাবধান যখনই তোমরা শুনবে দাজ্জাল সম্পর্কে তখন তার কাছে যাবে না কারণ সে তোমার অন্তরের মধ্যে সন্দেহ ঢুকিয়ে দিতে পারে চতুর্থ যে
কাজটি করবেন তা হচ্ছে সূরা কাহাফের প্রথম ১০টি আয়াত মুখস্ত করবেন এবং মুখস্ত করে অর্থটা বুঝবেন রাসুল্লাহ সলেছেন আয়াত যদি কোন সূরা সূরা কাহফের প্রথম থেকে কেউ মুখস্ত করে পড়ে হেফজ করে সে দাজ্জাল থেকে বাঁচতে পারবে প্রিয় ভাইয়েরা অনেকে আছে হাফেজ কিছুই বুঝে না সেটা কিন্তু কাজে আসবে না আসলে বুঝেন দাজ্জালের ফেতনা কি দাজ্জালের ফেতনা ক্ষমতার ফেতনা আরেকদিকে সম্পদের ফেতনা দুইটি সূরা কাহফের ভিত আল্লাহতালা উল্লেখ করেছেন ক্ষমতার ফেতনার কথা উল্লেখ করেছেন প্রথমেই কারণ আসহা পালাইছে বাদশার কাছ থেকে ক্ষমতার ফেতনা আর সম্পদের ফেতনার কথা উল্লেখ করেছেন দুই ব্যক্তির যে ব্যক্তিরা দুইটা বাগান দিয়েছেন ঈমানদার কাফেরের পরীক্ষা সেখানে হয়ে গেছে আবার সেখানে এলমের অহংকার জ্ঞানের বাহাদুরির একটা ঘটনা আছে সেখানে সেটা থেকে সে ফেতনা থেকে বাঁচানোর জন্য এই দাজ্জালের এই জিনিসটা উপযোগী আবার নারী ফেতনা দুনিয়ার ফেতনার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে কারমে মধ্যে চতুর্মুখী ফেতনা চতুর্মুখী ফেতনার কথা সূরা কাহাফ উল্লেখ করেছেন।
সুতরাং সূরা কাহাফ যদি সে পড়ে অর্থ বুঝে যে কত রকমের ফেতনা একজন মানুষ পতিত হতে পারে। তাহলে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচবে। দাজ্জাল বহুমুখী ফেতনা নিয়ে আসবে। চতুর্মুখী ফেতনা নিয়ে আসবে। ফেতনা থেকে এই ফেতনা চতুর্মুখী ফেতনা থেকে বাঁচার জন্য আপনাকে সূরা কাহফ অর্থ বুঝে তার মর্ম কথা বুঝে পড়লে ইনশাআল্লাহ দরজালের ফেতনা থেকে আপনি বাঁচতে পারবেন। পঞ্চম যে কাজটি করতে হবে তা হচ্ছে আল্লাহর দ্বীনকে আঁকড়ে ধরতে হবে এবং রব্বুল আলামীনের কাছে সাহায্য চাইতে হবে বেশি বেশি করে। আল্লাহ আমাকে ফেতনা থেকে বাঁচিয়ে দিন। যেমন করে আল্লাহ দ্বীনকে আঁকড়ে ধরবেন। যে ব্যক্তি দ্বীনকে আঁকড়ে ধরবে আল্লাহ তাকে দূরে সরিয়ে দিবেন না।
যে ব্যক্তি আল্লাহর দ্বীনের দিকে আসবে আল্লাহ তাকে কাছে টেনে নিবেন। এটাই হচ্ছে নিয়ম। আপনি যখনই দেখবেন ফেতনা তখনই আল্লাহর দ্বীনের দিকে আসবেন। আল্লাহ দ্বীনের দিকে যত বেশি আকড়ে ধরবেন রব্বুল আলামনের কাছে চাইবেন। স্পষ্ট আশ্রয় যাইবেন। আল্লাহ আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ আপনাকে আশ্রয় দিবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর দীন দিকে ফিরে আসতে হবে। আপনি ফেতনার জায়গাতে বসে থাকবেন। আর বলবেন যে আল্লাহ আশ্রয় আল্লাহ আশ্রয় দেই। সেটা আপনার কাজে আসবে না। কারণ আশ্রয় দেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই ফেতনার জায়গা থেকে সরে আসতে হবে। তাদের ফেতনার সাথে আপনাকে নিজে যুক্ত করতে পারবেন না। ষষ্ঠ যে কাজটি হতো সেটা হচ্ছে ফেতনার কথাটা এই দাজ্জালের ফেতনার কথা আলোচনা হতে হবে।
একটা সময় আসবে মানুষ আলোচনা বন্ধ করে দিবে। আলোচনা বন্ধ করলে দাজ্জাল সুযোগ পেয়ে যাবে। বেশি বেশি আলোচনা করে মানুষকে সাবধান করতে হবে। ভুলে যাওয়া যাবে না। কোন কোন বর্ণনায় এসেছে সবে সালে বলতেন দাজ্জাল শুধু বের হবে যখন মানুষ তার আলোচনা বন্ধ করে দেয়। মানুষ আলোচনা বন্ধ করে দিবে। কারণ তার কাছে মনে হয় দাজ্জাল তো একটা এসেই গেছে। এখন আলোচনা বন্ধ করে কি করে? ইউরোপিয়ান ফেতনা হয়েছে দাজ্জাল। আবার কেউ কেউ ইউরোপিয়ানদের মনে করবে ইয়াজুদ মাজুদ। একেকজনে একেকটা সভ্যতাকে কেউ দাজ্জাল বানিয়ে ফেলতেছে। সভ্যতাকে দাজ্জাল বানিয়ে ফেলছে। আবার কেউ কেউ অন্য কিছুকে দাজ্জাল বানিয়ে ফেলবে। কেউ বলবে টেলিভিশন একটা দাজ্জাল।
কেউ বলবে এআই একটা দাজ্জাল। না এগুলি দাজ্জালের কাছাকা। দাজ্জালের সহযোগী এগুলি। কিন্তু এগুলি দাজ্জাল নয়। মূল দাজ্জাল মানুষ হবে। কোন ফেতনা নয় কোন মানুষ হবে। কোন সাধারণ কোন ফেতনা নয়। সে বড় ফেতনা সে দাজ্জাল এবং মানুষ সন্তান আদম সন্তান হবে কোন সন্দেহ নেই ইহুদি পিতা-মাতার সন্তান হবে এবং সে বের হবে এবং সে হাটবে খাবে খাওয়া দাওয়া করবে এই দাজ্জালকে আপনি সাধারণ কোন ফেতনা মনে করে যারা তারা নিজেরাই ফেতনা তৈরি করছে এবং এর মাধ্যমে আসল দাজ্জালকে মানুষ ভুলে যাবে আর দাজ্জাল বের হওয়ার একটা পথ সেখানে রচিত হয়ে যাবে এজন্য আমাদেরকে সাবধান থাকতে হবে আললা ইলাহা ইল্লাল্লাহুলা মুহাম্মাদান আবদুহস সম্মানিত মুসলিম দাজ্জাল যখন বের হবে তখন বেশিরভাগ সাধারণ [নাক ডাকা] মানুষ যেগুলো কোরআন এবং সুন্নাহ সম্পর্কে জ্ঞান রাখে না তারা তার সাধারণভাবে অনুসরণ হয়ে যাবে এরপরে ফেতনাবাদের যারা অন্তরের ভিতরে ফেতনার বীজ আছে তারা তার পিছে অনুসারী হবে আবার অনুসারী হয়ে যাবে অনেকে আছে ঈমানে মজবুতি তারা
অনুসারী হয়ে যাবে এজন্য ঈমানকে সুদৃঢ় করা দরকার আরে সীতি চলা দরকার সহ যে পথে চলেছে সে পথে চলা দরকার আপনি অনুসারী কম হতে পারেন কিন্তু আপনি সালাফের অনুসারী এটা আপনার জন্য খুবই দরকার আমরা জনপ্রিয়তার পিছে ছুটে চলেছি জনপ্রিয়তা চাই কে কত মানুষ আমার অনুসারী আছে কত মানুষ আমার কথা শোনে কত মানুষ আমার নাম নেয় কত মানুষ আমাকে বড় আলেম বলে এই চিন্তা হয়তো অনেকেই পিছে পিছে হাটছি অনেকে আছে কত মানুষ আমার অনুসারী চিন্তা করে গর্ব অহংকার করে কিন্তু আল্লাহর কাছে কার ঈমান গ্রহণযোগ্য সেটা প্রমাণিত ফেতনার সময়ে ফেতনা মানুষের ঈমানকে খাটি করে দেয় এজন্য আল্লাহতালা কার ঈমান সত্যবাদ দিয়ে পরীক্ষা করবেন আল্লাহতালা বলেছেন ঈমানদাররা ঈমানদাররা ঈমানদার এবং ঈমানদার যদি বলেই প্রমাণ সত্য আল্লাহতালা পরীক্ষা করতেন না ঈমানটাকে পরীক্ষা করে দিয়েছেন আল্লাহতালা বদরের যুদ্ধের যুদ্ধমান পরীক্ষা করে দিয়েছেন তেমনিভাবে আজও ঈমানের পরীক্ষা হবে ফেতনা দিয়ে ফেতনার সময় যদি আপনি ঈমান টিকে রাখতে পারেন আপনি হচ্ছেন ঈমানদার কারণ
ফেতনা যখন প্রথম আসে সবাই তাতে ঢুকে পড়ে ঈমানদার বুঝতে পারে যে এটা ফেতনা কিন্তু যখন চলে যায় তখন অসবাই বুঝতে পারে কিন্তু ঈমানদাররা শুধু প্রথমে বুঝতে পারে যারা সত্যিকার আল্লাহর নেককার বান্দারা ফেতনা দেখলেই বুঝতে ফেতনা সাবধান করে কিছুদিন আগেও আপনারা দেখেছেন কিছু মানুষ আপনাদেরকে কিভাবে কিভাবে ডেকেছে অমুক বিন তমুকরা কিভাবে আপনাকে ডেকে পথভ্রষ্ট করে দিয়েছে দাজ্জাল আসতেছে কেউ বলেছে এ আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই হসছে কয়েক বছরের মধ্যে অমুক চলে আসছে বছরগুলি পার হয়ে গেল কিন্তু দাজ্জালও আস না মাহও আস না কেউ আস নাু শুধু আমাদেরকে বিভ্রান্ত করেছে। ঈমানদার এই ফেতনাতে পতিত হয় না। সাধারণ মানুষ এই প্রত পতিত হয়ে অনেকেই মানুষে বিভিন্ন রকমের ফেতনার কাজ করেছে।
সেটা করবেন না। ঈমানকে শক্তিশালী করলে শয়তান আপনাকে ধোকা দিতে পারবে না। ফেতনা আপনাকে কোনদিন পথভ্রষ্ট করতে পারবে না। এজন্য ঈমানকে শক্তিশালী করুন। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের হেফাজত করুন আমাদের যাবতীয় থেকে আমাদেরকে বাঁচিয়ে দিন আল্লাহ আমাদেরকে অস্পষ্ট থেকে বাঁচিয়ে দিন আল্লাহ আমাদেরকে প্রতিষ্ঠিত রাখু আল্লাহ আমাদের মেয়েদেরকে দনের উপর রাখুন আল্লাহ আমাদের ছেলেদেরকে দনের উপর রাখুন বাচ্চাদেরকে দনের বড় করুন আল্লাহ আমাদেরকে আপনি কবুল করুন আমাদেরকে দন আল্লাহ আমাদের অসুস্থ সুস্থ দান করুন আল্লাহ বিপদ আছে উদ্ধার করে দিন আল্লাহ যার অন্তরে সুক্ত বাসনা আছে আপনাকে শুধু বলছি আপনি তাদের অন্তরে সুতনা কবুল করুন আল্লাহ আল্লাহ মানুষের যত বিপদ আছে উদ্ধার করে দিন আল্লাহ আমাদেরকে আপনার দ্বীনের উপর রাখুন আল্লাহ আমাদের শাসকদেরকে দ্বীনের উপর চলার তৌফিক দান করুন আল্লাহ আমাদের উপর থেকে বিপদ থেকে দূর করে দিন আমাদের যত বিপদ আছে সমস্ত বিপদ আপনি দূর আমাদের শাসন সঠিক মত পরিচ আমাদেরকে উপর অটল রাখুন আল্লাহ আমাদেরকে আপনি কবুল করুন