সব রকমের প্রশংসা শুধু আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য। যিনি যত রকম সৌন্দর্য আছেন দিয়েছেন। যত রকম নেয়ামত তিনি দিয়েছেন। আমাদের জীবনে যা দরকার সবকিছু তিনি দিয়েছেন। এজন্য শুকরিয়া আদায়ের জন্য আমরা বলি আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ অর্থই হল সব রকম প্রশংসা শুধু আল্লাহর জন্য। কারণ এই সবকিছুর আসল মালিক তিনি। আমাদেরকে যদি কেউ কিছু দান খয়রাত করে আমরা তাকে ধন্যবাদ দেই। কিন্তু আসলে তিনি যে দান করলেন এটা তার জিনিসও না। আল্লাহ দিয়েছেন তার মাধ্যমে আমরা পাই। কাজেই আসল প্রশংসা তো শুধু আল্লাহরই হবে। এবং যা কিছু সুন্দর দেখে আমরা প্রশংসা করি যে এটা খুব সুন্দর। এটা খুব ভালো। এটা খুব ভালো লাগছে।
এই ধরনের প্রশংসা যা কিছুই করি না কেন মনে রাখতে হবে এই সব ভালো তিনি দিয়েছেন। এইজন্য কারো প্রশংসা করবার আগে তার প্রশংসা না করে আমাদের বলা দরকার মাশাআল্লাহ। মাশাল্লাহ বললে বোঝা যাবে যে যাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি যার প্রশংসা করছি আসলে তার করছি না আল্লাহ দিয়েছেন ওই হিসেবে তাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি কিন্তু আসল প্রশংসা শুধু আল্লাহর জন্য এজন্য বলি আমরা আলহামদুলিল্লাহ আপনারা জানেন গ্রাম এলাকায় বসবাস করলে অনেক কিছু দেখা যায় অনেক পোকা মাকর থাকে ছোট ছোট ব্যাঙ থাকে নানান কিছু থাকে এবং আমাদের বাচ্চারা অনেক সময় তুচ্ছতাছিল করে সেগুলোর প্রতি একটু জুলুমও করে একবার যদি ভাবি যে আমিও যদি ওরকম হতাম আমি যদি একটা ছোট্ট ব্যাঙ হতাম বা এমন একটা ছোট্ট সাপ হতাম বাচ্চারা মেরে ফেলতো একটা মশা হতাম মানুষ থাপ্পড় দিয়ে মেরে ফেলতো তাহলে আমার আপনার জীবনের কি দাম থাকতো? আল্লাহ আমাদেরকে ওরকম কিছুই বানান নাই।
আমাদেরকে খুব বুদ্ধি দিয়ে আমাদের ব্রেইন দিয়ে আমাদেরকে মানুষ হিসেবে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। এজন্য তাকে আমরা শুকরিয়া জানাই। বলি আলহামদুলিল্লাহ। মানুষ হল এমন জাতি সে হয়তো হাতির সমান বড় না। তিমি মাছের সমানও বড় নয়। এমনকি একটা অটো রিক্সা যে জোরে যায় তার সাথে ধাক্কা লাগলে আমরাই আহত হই। আমাদের হাত পা ভেঙ্গে যায়। তার মানে আমাদেরও ওরকম শক্তি নাই। অত শক্ত না। কিন্তু সেই মানুষের মাথায় আল্লাহ এত বুদ্ধি দিয়েছেন যে পাখি যত উপরে দিয়ে উঠে তার উপর দিয়ে আমরা প্লেন চালিয়ে যেতে পারি। সাগরের বুকে জাহাজ চালিয়ে যেতে পারি। এই সবকিছু বুদ্ধি হেকমত জ্ঞান দিয়ে তিনি আমাদেরকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন।
আমরা যেন পৃথিবীটা পরিচালনা করতে পারি। পৃথিবীর যে নিয়ম কানুন, চলাফেরার যে নিয়ম কানুন, বসবাসের যে নিয়ম কানুন, ফসল ফলানোর যে নিয়ম কানুন, কত রকম কাজ তিনি দিয়েছেন, আমরা অন্য প্রাণীদের জন্য খাবার উৎপাদন করি। আমরা সুন্দর বাগান তৈরি করি, সুন্দর বাড়ি তৈরি করি। এই সবকিছু তিনিই তো আমাদের বুদ্ধি দিয়েছেন হেকমত দিয়েছেন। আমাদেরকে আশরাফুল মাখলুকাত সৃষ্টির সেরা জীব বানিয়েছেন। এজন্য আমরা তাকে শুকরিয়া জানিয়ে বলি আলহামদুলিল্লাহ। মানুষ তো হলাম। মানুষের মধ্যে যদি আমরা দুষ্টু মানুষ হতাম আমরা যদি কাফের হতাম তাহলে কি লাভ হতো? আমরা যদি নমরুদ হতাম আমরা যদি ফেরাউন হতাম, আমরা যদি হামান হতাম, কারুন হতাম, তাহলে সুন্দর চেহারা দিয়ে কি হইতো? টাকা পয়সা দিয়ে কি হতো? কারণ মরে যাবার পরেই তো সোজা জাহান্নাম।
কবর থেকেই পানিশমেন্ট শুরু। তার মানে আল্লাহ আমাদের এখান থেকে বাঁচিয়েছেন। আমাদের মুসলিম বানিয়েছেন মুসলমান। এতে আশা করা যায় যে আমাদের পরিণতি ফেরাউনের মত অত খারাপ হবে না। নমরুদের মতও খারাপ হবে না। হামান, কারুন, আবু লাহাব, আবু জাহেল বড় বড় নেতা ছিল তারা। কিন্তু তাদের মত খারাপ হবে না। আমরা নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একটা ভালো কিছু পাব। এবং আল্লাহ এটা দয়া করে আমাদের দিয়েছেন। এজন্য আমরা বলি আলহামদুলিল্লাহ। মুসলমানও হলাম। আগের যুগেও অনেকে মুসলমান হয়ে তাদের নবী মারা যাবার পরে আবার কাফের হয়ে গেছে। দ্বীন থেকে সরে গিয়েছে। এটা বেশি দূরে যাওয়া লাগবে না বোঝার জন্যে। আমাদের চারপাশে যে খ্রিস্টান ভাইয়েরা আছে খ্রিস্টান ভাইয়েরা।
তাদের নবী ছিল ঈসা। তিনি আমাদেরও নবী। এত বড় নবীর উম্মত হওয়ার পরও আজকে তারা মুসলিম নাই। ইয়াহুদি তারা ছিল মুসা আলাইহি সালামের উম্মত। আজকে তারা ইসলামের উপরে নাই। তো মুসলিম হবার পরও আমাদেরকে একেবারে শেষ জামানা পর্যন্ত আখেরি জামানা পর্যন্ত টিকে থাকবার জন্য আল্লাহ আমাদেরকে উম্মতে মোহাম্মদর মধ্যে রেখেছেন। তাহলে অন্যান্য কত বুদ্ধিমান জাতি ছিল। তাদের চাইতেও তো আল্লাহ আমাদের বেশি নেয়ামত দিয়েছেন। বেশি উপকার দিয়েছেন, বেশি লাভ দিয়েছেন। আমাদেরকে উম্মতে মোহাম্মদী বানিয়েছেন। যেই উম্মতে মোহাম্মদর মর্যাদা অনেক বেশি। এইজন্য আল্লাহকে আমাদের শুকরিয়া জানানো উচিত। আলহামদুলিল্লাহ। উম্মতে মোহাম্মদীও হইলাম। হওয়ার পরও আমাদের কিন্তু জাহান্নামে যাওয়ার পথ খোলা ছিল।
কি রকম খোলা? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ইহুদি খ্রিস্টানরা যে ৭২ গ্রুপে বিভক্ত হয়েছে এই উম্মত তো ৭৩ গ্রুপে যাবে। এর মধ্যে একটা গ্রুপ হলো জান্নাতে যাবে। আর বাকিদের অবস্থা খারাপ। তারা জাহান্নামে যাবে। বিভ্রান্ত হবে। এই গ্রুপ বলতে কিন্তু একেকটা দলের নাম না। এই গ্রুপ মানে একেকটা মানহাজ। আকিদা মানহাজ। যেমন ধরেন আমাদের এইযে শিয়া যারা আছে ইরানে তাদের প্রধান রাষ্ট্র। তাদের আকিদা আর আমাদের আকিদার মধ্যে মিলে না। একদম পুরা আলাদা। তাদের কারো কারো আকিদা হয়তো একটু মিলতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ কথাই হলো তারা একটু অন্যরকম। তাদের নামাজ, রোজা, তাদের আযান সবকিছু আলাদা রকম। মনে হয় না যে হাদিসের ভিতরে তারা আছে।
মনে হয় যে পুরা বাইরে চলে গেছে। আল্লাহ আমাদেরকে ওরকম গ্রুপের মধ্যে রাখেন নাই। আবার আমাদের মধ্যেও অনেক তরিকা জন্ম নিয়েছে না। বিভিন্ন তরিকা। এমন তরিকা সেজদা শুধু আল্লাহর জন্য। যেই মা-বাবা এত কষ্ট করে মানুষ করেছে তাদেরকেও সেজদা করার সুযোগ নাই শিরক হয়ে যাবে মা বাবার চাইতে আর বড় কেউ আছে দুনিয়ার মধ্যে মা বাবা দুইজনে কষ্ট করে ছোট ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে আমাদেরকে বড় বানান আমাদের জামা কাপড় খাওয়া-দাওয়া সবকিছুর জন্য রোদের মধ্যে পড়েন বৃষ্টির মধ্যে ভিজেন নিজে না খাইয়া বলে কি আমার পেট ভরা আছে তোমরা খাও আমার ক্ষুধা নাই তুমি খাও সেই মা বাবাকেও সেজদা দেওয়া যায় না আর অথচ এমন মুসলমান আছে নামে মুসলমান ঠিকই তারা দেখা যায় গোলিস্থানে গেলে দেখতে পাবেন যে গোলাপশা মাজারের পাশে হলো একটা সুন্দর মসজিদ মসজিদে গিয়ে এক রাকাত নামাজ পড়ে না কিন্তু ওই রাস্তার মাঝখানে যে মাজার আছে ওখানে গিয়ে সেজদা দিচ্ছে আহা তাহলে এরা কি উম্মতে মোহাম্মদর মধ্যে আসার পরেও এরা শিরক কইরা মুশরিকদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে।
আল্লাহ আমাদেরকে এমন মুসলমান বানান নাই। এমন উম্মতে মোহাম্মদ বানান নাই। আলহামদুলিল্লাহ। এমনকি আমাদের আশেপাশে যদি কেউ থাকেন কেউ মনে কষ্ট নিবেন না। আমাদের যে অনেক ভাই কাদিয়ানী হয়ে কাদিয়ানী হয়ে যান। বাহাই হয়ে যান। হিজবুত তাওহীদ হয়ে যায়। অনেকে এই তরিকা থেকে আরেক তরিকায় চলে যায়। অনেকে আছে ওযে বাউল ধর্ম গ্রহণ করে। মনে হয় যে মুসলমানি কিন্তু তলাইয়া দেখা যায় আল্লাহ। এরা তো অনেক দূরে। কোরআন হাদিসের যে ইসলাম এর সাথে কোন মিলই বুঝা পাওয়া যায় না। তাদের নামাজও বলে রাখে না। তারা কি করে না করে একটু অন্যরকম। এমনকি তারা নবীকে শেষ নবী হিসেবে মানেও না।
এরকম মানুষ। তো এরা একদম উম্মতে মোহাম্মদী থেকে অনেক দূরে চলে গেছে। এজন্য বলছিলাম যে উম্মতে মোহাম্মদী হইলাম। এজন্য তো আল্লাহকে শুকরিয়া। আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু হওয়ার পরেও তো বিপদ ছিল। এই বিপদ থেকে যে বাঁচাইছেন আল্লাহ সহি তরিকার মধ্যে সহীহ মানহাজের মধ্যে যে তিনি রাখছেন এইটা হল সেরা সাফল্য। এইজন্য আমরা আবারো বলি আলহামদুলিল্লাহ। অনেক কষ্ট করে একটা ঘর বানাইলেন। সবকিছু ঠিকঠাক আছে। কিন্তু ঘরে যেদিন উঠতে যাবেন আল্লাহ না করুন। এরকম বিপদ যেন কারোরই না হয়। যেদিন উঠতে যাবেন ওদিন গিয়ে দেখলেন যে ঘর আর নাই। ভেঙ্গে চুড়ে পড়ে গেছে। তাইলে এতদিনের যত সাফল্য ছিল শেষে এসে কি জিরো।
এখন আল্লাহর কাছ থেকে এত নেয়ামত পেলাম, ইসলাম পেলাম, উম্মতে মোহাম্মদ হইলাম, কোরআন পেলাম, হাদিস পাইলাম। সব পাওয়ার পরে শেষে এসে দেখি কি আমি আর সাথে কোরআনেরও সম্পর্ক নাই, হাদিসেরও সম্পর্ক নাই। আমি হলাম নাকি মুসলমান? তাহলে আমার সব সম্মান জিরো হয়ে গেল। এইজন্য আল্লাহকে আমরা জানাই শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহকে শুকরিয়া জানাবো কিভাবে? আল্লাহকে কি বলব? থ্যাংক ইউ। আল্লাহ শিখিয়ে দিয়েছেন। থ্যাংক ইউ না। প্রত্যেকদিন প্রত্যেক নামাজে, প্রত্যেক রাকাতে আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য। তাহলে আল্লাহকে থ্যাংক ইউ জানানোর, প্রশংসা জানানোর ভাষা কি হবে? আল্লাহ সেটা আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন। তার নবীর মাধ্যমে কোরআন আমাদের কাছে পৌঁছিয়ে দিয়েছেন এবং আমরা এজন্যই যখনই আল্লাহকে আমাকে শুকরিয়া দেবার কথা মনে পড়বে তখনই অটোমেটিক চলে আসবে।
আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের যখন যদি কেউ জিজ্ঞেস করে কেমন আছেন? আমরা অনেক আছি মোটামুটি ব্যবসা বাণিজ্য চলছে এইভাবে বলা যাবে না সুখে থাকেন আর দুঃখে থাকেন বলতে হবে কি আলহামদুলিল্লাহ যদি এমন কষ্টে থাকেন যে আলহামদুলিল্লাহ বেরচ্ছে না তাও অন্তত বলবেন আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল যে হালেই থাকি না কেন তবুও আল্লাহর প্রশংসা এটা বলে লাভ হাশরের দিনে আমাদের মিজানের পাল্লাটা নেকি দিয়া ভরে যাবে। সুবহানাল্লাহ। আসমান জমিনের মাঝখানটা নেকি দিয়া ভরে যাবে। সুবহানাল্লাহ। আসমান জমিনের মাঝখানে যে ফাকাটা এটা কি এতটুক ফাকা নাকি? এক মাইল দুই মাইল মাপতে পারবে? তাহলে এটা যদি নেকিদা ভরে যায় তাহলে আমার আপনার কপাল কত ভালো না? দ্বিতীয়ত আমরা দরুদ এবং সালাম পেশ করছি।
আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাই আল্লাহুম্মা বারিক আলাই তার পরিবার পরিজন তার সাহাবী সবার প্রতি আল্লাহর অশ রহমত বর্ষিত হোক এমনকি বাবা আদমের যুগ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এবং আগামী দিনেও যারা আল্লাহর পথে চলবেন যারা চলবেন আল্লাহ তাদেরকে প্রিয় মানুষ হিসেবে কবুল করুন আমাদেরকেও কবুল করুন। সম্মানিত উপস্থিতি এই যে মসজিদ এই যে গ্রাম আগেও যারা মসজিদের খেদমত করেছেন সমাজের কাজ করেছেন আল্লাহ তাদেরকে উত্তম পুরস্কার দান করুন। আর এই যে মসজিদ হচ্ছেন এর খেদমতে আছেন, কেউ টাকা দিয়ে, পয়সা দিয়ে, কেউ অনুদান দিয়ে কেউ মুসল্লি হয়ে এখানে আছেন।
আল্লাহ সবাইকে এসবের বিনিময়ে উত্তম পুরস্কার দান করুন। আলহামদুলিল্লাহ তো আজকে আপনাদের এখানে এসেছি আমি আমার বাড়ি খুব বেশি দূরে বলবো না ঢাকার ধামরাইতে কিন্তু বসবাস করি সাবালে এই এলাকায় আসছিলাম আজ থেকে বোধহয় ১৫ বছর আগে এরপরে তো আমি সৌদি আরবে চলে যাই ওখানে ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করি তো ২২ সালে দেশে আসলেও এই ২৬ সালে আপনাদের সাথে আবার দেখা হলো। এর আগে দৌলতপুর এলাকায় গিয়েছি। তো অনেকদিন পরে আসলাম আমি মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম। আমি আসছি আমার দায়িত্বের কারণে। আপনারা জানেন সারাদেশে এমনকি বিদেশে। তাওহীদ এবং সুন্নাহর কথা মানুষকে বুঝাবার জন্য আমাদের একটা সংগঠন আছে। যেটার নাম বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিস।
এই সংগঠনের গত অক্টোবরে যে আমাদের নতুন কমিটি হইলো সেই কমিটিতে আমাকে সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সবাই মিলা এই বুদ্ধি করে আমাকে সেক্রেটারি জেনারেল দিয়েছে। আমি আবারও বিদেশ যেতে চাইছিলাম কিন্তু আটকা পড়ে গেছি। এই দায়িত্বের কারণে আপনাদের এলাকায় আমার আসা লাগবে। সেই হিসেবে আসা। যে আপনারা জমিয়তের সাথে আছেন আপনাদের সাথে দেখাশেখাত করা দরকার এজন্য আপনাদের কাছে আসা তো আপনাদের দোয়া নেওয়া আপনাদের পরামর্শ নেওয়া সেই অনুসারে আমাদের দাওয়াতি কাজ আরো বৃদ্ধি করা এই কাজের জন্যই কিন্তু এখানে আসা তো আমি যে মাসে আপনাদের কাছে আসলাম এই মাসে সারাদেশে কিছু ঝামেলা হয় আপনারা জানেন যে ভালোর বিপরীত হলো মন্দর।
রাতের বিপরীত হলো দিন। ঠিক তেমনি তাওহীদের বিপরীত হলো শিরক। তাওহীদ মানে সবকিছু শুধু আল্লাহর জন্য করা। সবকিছু যত ইবাদত, দোয়া কালাম যা আছে শুধু আল্লাহকে খুশি করার জন্যই করা। সকল শক্তির একমাত্র সকল গুণের একমাত্র মালিক আল্লাহকেই মনে করা। তার জন্যই যত ইবাদত করা তাকেই একমাত্র মালিক খালিক সব মানা। এটা হল তাওহীদ। এখন কেউ যদি মনে করে যে আল্লাহ ছাড়া আরো কেউ এগুলা করে দেয় তাইলে এটা হয়ে যায় শিরক। আপনারা মনে করতে পারেন আহলে হাদিসরা খালি শিরকের ওয়াজ করে কেন? শিরকের ওয়াজ করে এই কারণে যে সারাজীবন এত আপনি সওয়াব কামাইলেন। মাজারে গিয়ে বলেন আল্লাহ আমারে একটা ছেলে দাও।
একবারে কাঠ হয়ে গেল। এত ইবাদত করলেন, এত দান ফখরত করলেন, ওখানে গিয়ে শিরক করলেন। শিরক হল শিরক করলে তো মুশরিক হয়। তো আরবে যে মুশর ছিল আবু জেহেল, আবু লাহাব যে কাজ করছে হুবল অমুক তমুকের কাছে লাত মানাত এদের কাছে চাইতো। আমি মুসলমান হয়ে যদি কবরের কাছে গি চাই। তো ওরা যে কাজ করছে আমরা সেই কাজই করলাম। এইজন্য আমরা আহলে হাদিস সবসময় বলি যে মানুষ তো ভালো কাজ করেই গান করে তো অনেক কিছুই করে কিন্তু সাবধান করি যে জিনিসটাকে সে ছোট মনে করে তুচ্ছ মনে করে ফেলে আর তার অজান্তে তার আমলনামা সব বরবাদ হয়ে যায় এইটা হল শির আমরা বলি তাওহীদের উপরে থাকো সবকিছু আল্লাহর জন্য করবা আর কারো জন্য না এমনকি লোক দেখানোর জন্যও যদি কেউ ভালো কাজ করে যে মানুষ আমাকে ভালো বলুক তাহলেও সেটা শিরক মানুষকে বাবা খুশি হবে এজন্য আমি নামাজ পড়ি হবে না।
বাবা খুশি হবে এজন্য আমি ভদ্র হইয়া চলি। তাও হবে না। আল্লাহকে খুশি করার জন্য আমি সবকিছু করব। এরকম আরেকটা হলো সুন্নাহ। সুন্নাহ কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যা করতেলে বলেছেন শুধু তাই করার নাম হলো সুন্নাহ। এখন রাসূল বলেন নাই আরেকজনের কথায় আপনি আরেক কাজ করতে গেছেন। এইটা হয়ে যায় বিদাত। আপনি মনে করছেন এতে সওয়াব হবে। এটাও তো ভালো কাজই। আমরা সবাই মিলা একসাথে দাঁড়াইয়া অনেকক্ষণ ইয়া নবী সালাম আলাইকা পড়লাম। ধরেন আপনি মনে করলে দোষ কি? ১০০০ বললাম, ১০০০০ বার পড়লাম। দোষটা কি? ভালো কাজই তো করলাম। কিন্তু না। রসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে খুশি করা যায় কিভাবে? সে তো সাহাবীরা জানতেন।
এখন একজন সাহাবীও কি এরকম দাড়াইয়া দাড়াইয়া মিলাদ কিয়াম করেছেন? যদি তারা করে থাকেন তাহলে আমরা করলে দোষ নাই। কিন্তু মুশকিল হলো তারা তো কেউ করে নাই। তো কেউ না করলে তো আমি আপনি করবো কেন? এইজন্য আমরা এগুলোকে বলি বিদাত। বিদাত মানে নতুন আমল তৈরি করা। নতুন আমল তৈরি করলে মনে হবে যে আমি সওয়াবের কাজই করছি। কিন্তু শেষে রেজাল্ট খুইলা দেখা যাবে যে আমার সুন্নতের সওয়াব গুলা গেল কই? বিদাত আইসা ওগুলাকে খাইয়া ফেলছে। সুন্নতকে খেয়ে দিবে বিদাত আইসা। আর হাশরের ময়দানে হাউজে কাউসারের কাছে তো আমাদের যেতে হবে। কারণ খুব পানি পিপাসা লাগবে। এক গ্লাস পানি খুব দরকার।
পানি তো কোথাও পাওয়া যাবে না। যে হাউসটা আছে যে নাম কাউথার। সেইখানে পানি আছে। এক গ্লাস খাইলে আর কোন সমস্যা নাই। একবারে শান্তি পাবেন যত সূর্য যত মাথার কাছেই থাকুক কোন সমস্যা নাই একেবারে শান্ত পিপাসা শেষ আরশের ছায়া তলে আপনি একটা ছায়ার মধ্যে থাকবেন কিন্তু পানি খাইতে যাবেন ওখানে ডিউটিতে ফেরেশতারা আছে আর পানির যে বিতরণের যে দায়িত্বে যিনি লিড দিবেন নেতৃত্ব দিবেন সুপারভাইজারের মত মনে করেন সেখানে রাসূুল্লাহ দাড়িয়ে দাড়িয়ে কারণ উনি যাকে বলেন ওকে খাওয়াও ফেরেশতারা তাকে খাওয়াবে। আর তিনি যদি বলেন একে দেওয়া যাবে না তাহলে ফেরেশতারাও তাকে পানি আর দেবে না। এখন আমি আপনি গেলাম পানি খেলাম এরকমই অনেক মানুষ যাবে।
যাদের কপালে হাতে ওযুর চিহ্ন দো আলো মনে হবে যে এটা তো উম্মতে মোহাম্মদই মনে হয়। যাবে কিন্তু ফেরেশতারা গেট বন্ধ করে দিবে। পর্দা খুলে দিবে। মানে স্টপ পুলিশ যেমনযে রাস্তায় ব্যারিকেড দেয় না গাড়ি যাইতে দেয় না ঘুরাইয়া যাও ওরকম দিয়া দিবে বেরিকেড এখন এই লোকেরা বলবে হায় হায় কি হইল আমাদের রস বলবেন যে ওদের থামাইলা কেন দেখে তো মনে হচ্ছে আমাদের আমার উম্মতি মনে হয় বলে আপনি জানেন না আপনি মারা যাবার পরে ওরা কি করছে ওরা অনেক কিছু করছে যেটা আপনি জানেন না আমাদের অনেক লোকে মনে করে রাসূল হলো হায়াতুন্নবী মানে আমাদের মতই জীবিত এরকম মনে করে।
অথচ এখান থেকেও প্রমাণ পাওয়া যায় যে আল্লাহ তাকে যতটুকু জানাবার ততটুকু জেনেছেন। কিন্তু মারা যাবার পরে আমরা যা যা করি সবকিছু তাকে তার জানারও সুযোগ দেওয়া হয় নাই। এখন কি হলো? তখন ফেরেশতারা যখন এই কথা বলবেন তখন রসূল সাল্লাল্লাহু সলাম রাগ করবেন সুহু সহান গেট আউট চলে যাও যারা আমার দনকে এবার চেঞ্জ করেছারা মানে চেঞ্জ করে পানি আর খাওয়া লাগবে নাতো এই লোকগুলা তো সারাজীবন অনেকে আমল করেছে না নামাজ রোজা করেছে না কিন্তু বিদাত ঢুকে গেলে আমল চেঞ্জ হয়ে যায়। আর চেঞ্জ হলে এই রেজাল্ট নিয়া রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললামের সিগনেচার পাওয়া যাবে না। আপনি হেডমাস্টারের কাছে যান আমার সার্টিফট সিগনেচার দিয়ে দেন।
আপনাকে শাফায়াত করবে না। এইজন্য আহলে হাদিসরা সবসময় দুইটা ওয়াজ বেশি করে। শির করেন না। বিদাত করেন না। বাকি আমল তো সবাই কম বেশি করে। সে যে মাযহাবেরই হোক, যেই তরিকারই হোক, মোটামুটি সবাই ভালো কাজ অনেক করে। দান, খয়রাত, সাহায্য, সহযোগিতা। কিন্তু দুইটা জিনিস যে আমলগুলাকে নষ্ট করে দেয়, এই ওয়াজটা অন্য জায়গায় কম করা হয়। যে কারণে ওইসব জায়গায় এই ওয়াজটা বেশি। আমাদের করতে হয়। বেশি করে না করলে সতর্ক করবে কে? আপনারা জানেন যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেছেন যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামকে মহাব্বত করতে হবে। এটা আল্লাহ আমাদের কাছে চান। কেন চান? আমাদের যারা মুসলিম নয় আমরা অনেক সময় বলি মাইকেল এইসার তিনি দি বই লিখেছেন ১০০ জন মানুষের তালিকা করেছেন তার মধ্যে প্রথম নাম্বারে আমাদের নবী সাল্লামের নাম লিখেছেন যে হিজ দা বেস্ট সবার সেরা।
আচ্ছা এখন কেন লিখেছেন আপনি একটু বইটা পড়ে একটু বোঝার চেষ্টা করে দেখবেন যে মানুষের কল্যাণের জন্য সবচেয়ে কষ্ট সবচেয়ে স্যাক্রিফাইস বেশি করেছেন হল আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু কষ্টের সীমা নাই এত কষ্ট করেছেন শারীরিকভাবে তাকে মারা হয়েছে তাই না মারা হয়েছে না আবু জেহেল নারী বুড়ি তার নামাজ পড়ার সময় মাথার উপরে দিয়ে দিয়েছে না কি কষ্ট দেয় নাই রাস্তার মধ্যে কাটা পুতে রেখেছে না যুদ্ধ করেছেন না তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে তিনি আহত হইছেন না মানুষ হিসেবে মানে রক্তমাংসে তিনি আমাদের মত ছিলেন কিন্তু চরিত্রের দিক থেকে তিনি ছিলেন মহামানব তুলনাহীন কিন্তু রক্তমাংসে কিন্তু আমাদের মতই আহত করলে রক্ত বের হয়েছে কেউ কেউ আবার নূরের নবী আবার একটু ভেজাল লাগা দেয়।
নূর মানে তো আলো। এটা হল উপমা। তিনি একটা আলোর মত। মানে তিনি হেদায়েতের আলো নিয়ে এসছেন। জাহেলিয়াতের অন্ধকার শিরকের অন্ধকার দূর হয়ে গেছে। তাই বলে তিনি ফিজিক্যালি আলোর তৈরি না। এইযে আলো। এই আলো এরকম ফিজিক্যালি আলোর তৈরি না। বরং এই রক্ত মাংস সবই ছিল। মায়ের গর্ভে জন্ম নিয়েছেন। বাবা ছিল দাদা ছিল সবই ছিল। এবং তিনি ছিলেন বলে কাফেররা বলতো এ কেমন নবী এদিকে হাটবাজারেও যায় আমাদের মত চলাফেরা করে কেন মানুষ নবী পাঠানো হইল যাতে মানুষ তাকে অনুসরণ করতে আরাম পায় এইজন্য মানুষ নবী ফেরেশতা নবী পাঠাইলে তো অসুবিধাই হইতো তার চরিত্র আলাদা থাকতো তার আচরণ আলাদা থাকতো আমাদের আচরণ আলাদা থাকতো আমরা তাকে অনুসরণ করতে পারতাম না তো আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কোরআনে বলেছেন রাসূলকে বলতে বলেছেন আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিমত আল্লাহ আপনি ওদের বলে দেন যদি তোমরা ভালোবাসতে চাও আল্লাহকে আল্লাহকে যদি ভালোবাসতে চাই আল্লাহকে না ভালোবাসলে কি জান্নাতে যাওয়া যাবে কবরে আজাব থেকে মুক্তি পাওয়া
যাবে সবচেয়ে ভালোবাসার জায়গা কি আল্লাহ আর আল্লাহর ব্যাপারে যদি মনে কোন ঘৃণা থাকে মান অভিমান থাকে চলবে চলবে তাহলে আল্লাহকে ভালোবাসাটা হল আমাদের প্রধান উপায় মুক্তি পাওয়ার নাজাত পাওয়ার কিন্তু আল্লাহ বলে দিলেন রাসূলকে ওদের বল যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসতে চাও বা আল্লাহর ভালোবাসা পেতে চাও তোমরা অনুসরণ করবে আমাকে আমি যা করি তা করবা। আমি যা বলি তাই শুনবা। যদি এইটা করো তাকে আল্লাহকে ভালোবাসা হইল। আর আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়া যাবে। আল্লাহ তোমাদেরকেও ভালোবাসবেন। আমাকে মানলে আল্লাহ ভালোবাসবেন। দেখেন কি সুন্দর ফায়দা। আল্লাহকে ভালোবাসতে চাইলে বা আল্লাহর ভালোবাসা পেতে চাইলে কাজ কি? একটা নবীর সুন্নাত অনুসরণ করতে হবে।
তোমাদের ক্ষমা করে দিবেন। তোমাদের তো ভালোবাসবেননি। যা ভুল ত্রুটি করেছ জীবনে এগুলা মাফ করে দিবেন। সুবহানাল্লাহ। তোমাদের পাপ্লাহ গাফুরুর রহিম। আর মনে রাখো আল্লাহ গাফুর তিনি ক্ষমা করেন ক্ষমাশীল। রহিম তিনি দয়ালু। তা এখান থেকে কি পাওয়া গেল যে আল্লাহকে ভালোবাসতে চাইলে বা আল্লাহর ভালোবাসা পেতে চাইলে কাজ একটা আমাদের নবীকে অনুসরণ করতে হবে। নবীকে নবী যা বলেছেন তাই করতে হবে। এখন আমরা যদি নবী বলেছেন এইভাবে জিকির করো আমরা আলেকভাবে জিকির করলাম তাহলে কি হবে? নবী বলেছেন ফরজ সালাতের পরে এই দোয়া আছে। পড় তারপরে সন্ধ্যার আগে এই দোয়া আছে। ঘুমের আগে এই দোয়া আছে। সকালে এই দোয়া আছে।
এগুলা পড়। এটা বাদ দিয়া আমরা নতুন করে জিকির বানাইলাম। ১০০০ বার এটা পড়। ২ বার এটা পড়। ৩০০০ বার এটা পড়। জোরে জোরে জিকির পড়। জিকির করতে করতে বাসের উপরে উইঠা যাও গাছের উপরে উইঠা যাও ঢুইলা ঢুইলা পড় এগ আপনার নিজের চোখে দেখছেন কিনা জানিনা আমি দেখছি তাই বললাম এর কাহিনী আমি দেখছি এই আয়াতে একেবারে কিন্তু পরিষ্কার এইটা যদি রবিউল আউয়াল মাস হয়েই থাকে তাহলে আমরা যারা নবীর জন্য কত মিলাদ কিয়াম আমাদের যে ভাইয়েরা করে মিলাদ কিয়াম করে নবীকে না পাইয়া নবী যা বলেছেন সেইটা মানলেই নবীও খুশি হবেন আর আল্লাহও ভালোবাসবেন। সম্মানিত ভাইয়েরা এখন আমাদের প্রিয় নবীকে ভালোবাসতে গেলে তাকে ভালোবাসতে গেলে ভালোবাসা বুঝেন কিনা আমি বুঝিনা।
আমরা তাহলে ভালোবাসা বুঝি কিনা? মনে করেন আপনি বাবাকে বেশি ভালোবাসেন। এর মানে কি? আপনার বাবাকে যদি গালি দেয় তাহলে আপনি ঝাপাইয়া পড়েন। এইটাই তো আপনি মাকে ভালোবাসেন তার মানে কি? আপনার মাকে যদি কেউ অপমান করে তাহলে তার আর স্যার নাই। ভালোবাসা কিন্তু এইটা। মা-বাবা যেটা বলে সেইটা আপনি করেন। এইটার নাম হলো ভালোবাসা। এবং ভালোবাসার ক্লাস আছে। আল্লাহকে যেন সর্বোচ্চ ভালোবাসতে হয়। তারপরে তার নবীকে ভালোবাসতে হবে। তো নবীকে ভালোবাসা মানে কি? আমার পছন্দ হয় এক জিনিস। কিন্তু নবী বলেছেন আরেক জিনিস। এখন আমি কি করব? আমারটা বাদ। নবী যেটা করেছেন সেটা করতে হবে। এইটা যদি না পারি তাহলে ভালোবাসা হলো না।
নরমাল একটা কথা। আপনার মনে হয় দাড়ি রাখলে আমার ভাল লাগে না। যে আমারে বুড়া বুড়া দেখা যায়। কিন্তু নবী বললেন যে দাড়ি রাখো। এখন আপনি কি করবেন? নবী বললেন দাড়ি রাখো। আর আপনি ভাবছেন আপনি ভাবছেন যে দাড়ি রাখলে আমার কেমন যেন লাগে। আগের যুগে দেখলাম ভাবীরা দেবর দেবর দাড়ি রাখিস না। তাইলে বউ পাবি না। এইভাবে মানে ক্যাপাইতো। কিন্তু এখন যুবকরা অবশ্য অন্য কারণে দাড়ি রাখে তো রাখুক সুন্নত মনে করে রাখা দরকার কোন মডেলের ফ্যাশন মনে করে না যে অমুকে দায় রাখছে সুন্দর দেখা যায় তা আমিও রাখলাম তা না দায় রাখতে হবে নবীর সুন্নত মনে করি যে নবী রাখতে বলেছেন তাই আমি রাখলাম তাইলে সওয়াব হবে আর যদি মনে করেন অমুক নায়ক অমুক খেলোয়াড় দায় রাখছে আমিও একটু রাখি সুন্দরী তো লাগে এইটা না তো তাই বলছি ভালোবাসা মানে কি? ভালোবাসা মানে আমি যা চাই তা না।
আমি যাকে ভালোবাসি তিনি যা চান তাই। দেখুন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বলেছেন যেটা আনাস ইবনে মালিক হাদিস বর্ণনা করেছেন হাদিসটা সহি। লামিন আহাদলা মানে না। লাহাম। তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে না। হাত্তা যতক্ষণ না আকুনা আমি হব আহাব্বা ইলাইহি হুব্বুন মানে ভালোবাসা আহাব্বা মানে বেশি ভালোবাসা যে তার কাছে আমি যদি বেশি ভালোবাসার না হই বেশি ভালোবাসার না হই ভালোবাসা তো স্টাইল আছে আপনার বন্ধুকে একরকম ভালোবাসেন ভাইকে একরকম বাসেন মাকে আরেকরকম বাবাকে প্রত্যেক ভালোবাসার মধ্যে একটু আলাদা আলাদা মিটার আছে কিন্তু মাপ আছে কিন্তু রসলাম কি একটা কঠিন কথা বলে দিছেন কিন্তু আমাদের আমরা এটা ভাবতে হবে আমাদের ওয়ালেহি তার মা বাবা যে আছে তাকে যত ভালোবাসে তার চাইতে যদি আমাকে বেশি না ভালোবাসেহি তার যে ছেলে মেয়ে আছে তাদের চাইতেও যদি বেশি ভালো না বাসে নাস মানে মানুষ আজমাই মানে সবাই সকল মানুষ তার মধ্যে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু আছে এ যত ভালোবাসার মানুষ আছে মা বাবা ছেলে মেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু এদের সবার চাইতে যদি রাসূল সাল্লালামকে বেশি ভালো না বাসে তাহলে তার ঈমান পূর্ণ হবে না।
এখন এবার বাড়িতে বসে বসে আমাদের একটু ভাবনা করা দরকার যে আসলে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলছেন এই কাজ করতে আমার বাবা বলে এই কাজ করতে বা আমার মা বলে এই কাজ করতে কোনটা করবো আমি রাসূলেরটা করতে হবে যদি না করা হয় তাহলে আমি আমার ঈমানকে কমপ্লিট করতে পারলাম না সোজা হিসাব এই কথার মধ্যে কি কোন ধোলাচিটা আছে নাকি বোঝা যায় না একবারে পানির মত পরিষ্কার। আচ্ছা শুনেন তো এরকম একটা ঘটনার কথা বলি যে আপনারা জানেন ওমর রাদিয়াল্লাহ আনহু আব্দুল্লাহ ইবনে হিশাম রাদিয়াল্লাহ আনহু তিনি একটা হাদিস বর্ণনা করেছেন তিনি বললেন যে একবার কুন্না মাননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার আমরা কুন্না মানে ছিলাম মা মানে সাথে নবী সাল্লাল্লাহুলামের সাথে একবার আমরা ছিলাম তার সাথেই ছিলাম চলাফেরা করতেছিলাম আচ্ছা বিয়াদে ওমর আব্দুল খাত্তাব খাত্তাবের ছেলে ওমর মানে আমাদের ওমর রাদি দ্বিতীয় খলিফা আচ্ছা খাত্তাবের ছেলে ওমর তার হাত এবার ধরেছিলেন আমরা অনেক সময় ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের হাত ধরে হাটি নাস
ওমরকে ভালোবাসতেন তার হাতটা ধরেই ছিলেন তিনি ধরা অবস্থায় ধরা অবস্থায় ছিলেন ওমর রাদি তো ভালো লাগতেছিল তাই না আল্লাহর নবী তার হাত ধরে রাখছে আমাদেরও ভালো লাগবে না আমাদেরও তো ভালো লাগতো আমরা যুগে থাকতাম তো সময় বললেন ওমর তখন বললেন রাসূ সলা সলামকে ইয়া রাসূল্লাহ হে আল্লাহর রাসূলা আপনি আমার কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় বেশি ভালোবাসে মিন কুল্লিশ সবকছুর চাইতে কুল্লি মানে সব সবকিছুর চাইতে ইল্লামিন নাফসি কিন্তু আমার নাফস আমার নিজের চাইতে না সবকিছুর চাইতে ভালোবাসি খালি আমার নিজেরটা আলাদা নিজেকে আমি আরেকটু বেশি ভালোবাসি কথাটা বুঝছেন দুনিয়ায় যা কিছু আছে সবার চাইতে বেশি ভালোবাসি কিন্তু আমার চাইতে না আমার নিজের জীবনটাকে আমি আরেকটু বেশি ভালোবাসি কথাটা স্বাভাবিক ন্যাচারাল এখন উদাহরণটা দেখেন কি চমৎকার আমরা আগের হাদিস যেটা পড়লাম এটা ক্লিয়ার হচ্ছে এখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তারপরে ক মানে বললেন নবী বললেন ওল্লাজি নাফসি বিয়াদিহি আমার নাফস আমার জীবন যার হাতে তার কসম করে বলছি তিনি
কে আল্লাহ তার কসম করে বলছে ওম হবে না তোমার যে জীবন তার চাইতে যদি আমারে বেশি ভালো না বাসো তাহলে হবে না একেবারে ক্লিয়ার কাট কথালা তোমার রাদি ভাবছেন যে কথাটা কত শক্ত এইবার আল্লাহর নবীর সাহাবীরা দেখেন কত মাপের ছিলেন আমরা যেমন একটা কিছু চিন্তা করে টাইম নেই ভাবি কত সময় নেই পারবো পারবো না কিন্তু দেখেন এই কথা শুনে তিনি বললেন তাহলে ঠিক আছে এখন আল্লাহ আল্লাহ শপথ লাতা আহাব্বু ইলাইয়ামিন নাফসি আমার নিজের জীবন থেকে এখন বেশি প্রিয় আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন মানসিক অবস্থা চেঞ্জ করে দিলাম এখন থেকে আমার নিজের জীবনের চাইতেও আপনি বেশি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবার প্রিয় নবী বলছেন ইয়া ওমর এখন ঠিক আছে ওমর এইবার ঠিক আছে ব্যাখ্যা ক্লিয়ার আচ্ছা আমরা যদি এখন নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে ভালোবাসতে চাই তাহলে আমাদেরকে কোরআন এবং হাদিস বেশি বেশি কি করতে হবে পড়তে হবে মানতে হবে জানতে হবে কোনটা নবীর সুন্নত আমি কোনভাবে খাইলে নবীর সুন্নতের মত হয় কোনভাবে বসলে নবীর সুন্নতের মত হয় নবী কেমন পোশাক পড়তেন কিভাবে পড়তেন আমি কি টাকনুর নিচে পোশাক পড়ব নাকি টাকন উপরে পড়বো।
তারপরে তিনি রাস্তা দিয়ে কিভাবে হাঁটতেন? এরকম বুক উঁচু করে হাঁটতেন নাকি এরকম ভদ্রভাবে হাঁটতেন? তিনি বড়দের সামনে কিভাবে কথা বলতেন? তিনি কিভাবে মানুষকে সাহায্য করতেন? টাকা দিয়ে সাহায্যকারীর সাহায্য নাকি? কতভাবে সাহায্য করা যায়? তিনি কি কি কাজ করতেন? তিনি কিভাবে খেতেন? তিনি কি বেশি বেশি খাইতে চাইতেন? নাকি মাপ মতো খাইতেন? তিনি কি বড়দের ভালোবাসতে বলেছেন? ছোটদের স্নেহ করতে বলেছেন নাকি ধমকাধমকি করতে বলেছেন? এগুলা সব কাজেই কিন্তু এখন হিসাব করতে হবে যে আমি তাহলে কি ঠিক আছে কিনা। আমি যদি ঠিক না থাকি তাহলে তো আল্লাহকেও ভালোবাসা পাওয়া যাবে না। আল্লাহর ভালোবাসাও পাওয়া যাবে না। আল্লাহকে ভালোবাসাও যাবে না।
তাহলে আমার অবস্থাটা কি হবে? এখন আমি এখন কি করব? আমি মনে করি কথা মোটামুটি পরিষ্কার যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের ব্যাপারে আমাদের সবসময় মনোযোগ দিতে হবে। তো এটা কিভাবে বাড়াবো? এক হল হাদিস পড়া। হাদিসে জানা যায় তিনি কি করতে বলেছেন। আর সবার জন্য আরেকটু সহজ পথ আছে। নবী সাল্লামের জীবনী আছে। জীবনী বাংলা। এই জীবনীগুলাও বেশি বেশি পড়া। তিনি কি কি কাজ করতেন? এই যে কাবা কাবা ঘরে হাজরে আসওয়াদ বসাবেন। তার পাথরটা কিভাবে বসানো যায়? একাই বসায় দিব নাকি সবাইকে নিয়া বসাবো? তো গ্রামে যখন কোন কাজ করেন আপনারা ধরেন মসজিদ উদ্বোধন করবেন বা ভালো একটা কাজ করবেন।
তখন একাই করবেন যে আমি দেখাই আমি উদ্বোধন করেছি এরকম নাকি সবাইরে ডাকবেন। এই সবাই আসেন। আমরা একসাথে করি। সব কাজেই এখান থেকে কিন্তু শেখার আছে অনেক কিছু যে তার জীবনীতে তিনি যা যা করেছেন আমাদেরকে তাই তাই করতে হবে আপনি যদি পড়তে না পারেন সমস্যা নাই ইমাম সাবকে বলে মিয়া সাব আপনি আমাদের প্রতিদিন রাসূ সাল্লামের জীবনী একটু একটু করে শুনাইবেন শুনেও ছাত্র হওয়া যায় পড়েও ছাত্র হওয়া যায় দুইভাবেই হওয়া যায় তাহলে আমাদের এই কাজটা করতে হবে সম্মানিত ভাইয়েরা আমরা মূলত আসলে এটাই চাই যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে পেতে গেলে আমাদের মাধ্যম হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত।
ডানে বামে আর কিছু তাকানোর দরকার নাই। অমুক কি বললেন তমুক কি বললেন যত বড় মানুষই হন। কারণ তার কথার মধ্যেও তার ব্যক্তিগত কথা কিছু থাকবে। তিনি ভালো মানুষ। ঠিক আছে। কিন্তু আমরা যখন সোজা হাদিস পড়বো, সোজা জীবনী পড়বো, তখন কিন্তু আমরা আসল জিনিসটা পেয়ে যাব। অনেক খিচুড়ি মার্কা ধর্ম চালু হয়ে গেছে। বাউল ধর্ম তার একটা এইযে কাদিয়ানী এইযে বাহাই আরো কত কিছু বের হয়ে গেছে। এগুলোর দিকে তাকানোরও সময় নাই। তাকাইতে গেলেই মনে হবে যে এটা তো খুব সুন্দর লাগছে। তাহলে ওদিকে চলে যাবেন। আবার আমাকে একজন বলেছিল আমি একবার এক পীরের মুরিদের পেছনে দাওয়াতি কাজ করতেছিলাম।
তিনি আমাকে একটা কথা বললেন যে আমি কেন এই মাজারে বা পীরের কাছে যাই। কেন? বলল যে ওখানে ওদের কথাগুলা রসগুল্লাহর মত মনে হয়। মানে ওরা এমন সুন্দর সুন্দর কথা বলে আমি বলে যাই। আর মাওলানা সাবরা যখন ওয়াজ করে তখন অত রসগুল্লা মনে হয় না। আচ্ছা ঠিক আছে। তো আপনি মসজিদে আসেন না কেন? বলে মসজিদে তাড়াতাড়ি নামাজ পড়ে তো আমার ভাল লাগে না। এজন্য বাসায় একা একা পড়ি। ভালো কথা। ফরজ নামাজটা মসজিদে পড়েন। সুন্নতটা বাসায় তিন ঘন্টা ধইরা পড়েন। তাতে সমস্যা নাই। কিন্তু তাই বলে মসজিদে জামাত ছেড়ে নিজে একা একা নামাজ পড়বেন এটা তো হয় না।
অনেকদিন বুঝানোর পরে যখন তাকে বোঝানো হইলো যে এরকম রসগুল্লাহর মত মজাদার কথা বলা এক জিনিস। আর নবীর সুন্নত কিন্তু আরেক জিনিস। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে কখনো দেখবেন তাহাজ্জুদের নামাজে। কখনো তাকে দেখছেন মানুষের সাহায্য করতে। কখনো দেখেছেন যুদ্ধ করতে। সবগুলাই আমাদের জন্য সুন্নত। এখন খালি রসগোল্লার মত কথার জন্য আপনি ওইদিকে যাবেন তা হবে না। ওই বনে জঙ্গলে যাবেন। ও জটাধারী মানুষের কাছে যাবেন। জীবনে গোসল করে না। কোন নামাজও পড়ে না। খালি দুই একটা মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে এগুলা দ্বীন না। এগুলা ধর্ম না। ওগুলা থেকে ফিরে আমাদের নবী সাল্লামের পথে আসতে হবে। দ্বিতীয় কথা সম্মানিত উপস্থিতি আপনাদের কাছে এটা অনুরোধ করব।
এই যে ধান বুনেছেন এই ধানগুলা কি এমনি এমনি হয় নাকি আগাছা সাফ করা লাগে কষ্ট করা লাগে আমি তো কৃষক ফ্যামিলির মানুষ আমি জানি কষ্ট করা লাগে না অনেক একটা ভালো কাজ করতে গেলে অনেক কষ্ট করতে হয় এই যে আমাদের ছেলেমেয়েরা আপনাদের কি বলা হয়েছে যে স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য কৃষি ক্ষেতের মত তাই না সেই কৃষি ক্ষেতের ফসল হল আমাদের সন্তান সন্ততিরা তাই না তো এই ফসল ওই ফসল ভালো করে ফলানোর জন্য সার বিষ আগাছাপ করা কত কাজ করেন না কষ্ট করেন না তো এই ফসল যেগুলা আমাদের আছে ছেলেমেয়ে তাদেরকে জন্য কি কষ্ট ছাড়াই হবে ওখানে তো অনেকক্ষণ ধরে কাজ করেন মাঠে বাড়িতে কতক্ষণ কাজ করেন বাড়িতে ছেলে মেয়ের জন্য এই লাউ কদু উৎপাদনের কথা বলতেছি না আমি এই ঝিঙ্গা গাছ এই কদু গাছ এই কচু ক্ষেত এগুলো তো সময় দেয়নি মুরগি হাস ঠিক আছে কিন্তু ছেলে মেয়েকে মানুষ করার জন্য আপনি কতক্ষণ সময় দিচ্ছেন তাদের নিয়ে বসেন বাসায় বসেন এই বাবারা বসো স্ত্রী তুমিও বসো এই বউ বেটি ছেলে মেয়ে যা সব বস আমরা একটা হাদিস শুনব যে পড়তে পারে তুমি পড়ো আমরা শুনি সবাই শুনেছ কেমন মনে হলো তহলে এটা আমাদের আমল করতে হবে।
এভাবে প্রতিদিন যদি এই নার্সিংটা করেন ছেলেমেয়ে একটু ভালো হবে না। কুল্লুকুমরা সবাই আমরা দায়িত্ব প্রাপ্ত। আর আমরা কি দায়িত্ব পালন করলাম তার জন্য আমাদেরকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। আমরা আগে করেছি কিনা আমি জানিনা। তবে আজকে থেকে আমরা মনে মনে একটু শপথ নেই যে ইনশআল্লাহ আজ থেকে আমরা ছেলে মেয়েদের নিয়ে পাঁচ ১০ মিনিট হইলেও বাড়িতে এই কাজটা করব ইনশাআল্লাহ। জিজ্ঞেস করব তুমি কি নামাজ পড়েছ? তুমি কি আজকে কোরআন পড়েছো? তুমি কি আজকে কেউ গালি দিয়েছিলে কিনা? গালি দিয়ে থাকলে তার কাছে গিয়ে একটু মাফ চেয়ে আসো। একটু তার সাথে মিল হয়ে আসো। ঝগড়া করেছ কিনা? ঝগড়াটা শেষ করে আসো।
কারো সাথে বেয়াদবি করেছ কিনা? তার কাছে মাফ চেয়ে এসো। কাউকে কষ্ট দেয় কথা বলেছ কিনা? এইভাবে যদি আমরা ওই ধান ক্ষেতের মত আমাদের নিজেদের সন্তানদেরকে যত্ন না করি তাহলে আমাদের সন্তানরা ভালো মানুষ কেমনে হবে? বাংলাদেশ জমিয়ত আহলে হাদিস এটা কেমন দল? এটা হলো মুরুব্বীদের বলে যে আপনারা মসজিদে মিটিং এ বসবেন। ইমাম সাবের কাছ থেকে কোরআন হাদিসের কথা শুনবেন। সেখানে নিজেদের পরিবারের কথাও বলবেন যে আমার ছেলেটা কথা শোনে না। নামাজে আসতে বলে আসে না। তখন বাকি বন্ধু বান্ধব আপনার যারা আছে তারা বলবে চল যাই। তোমার ছেলে মেয়েকে আমরা সবাই মিলা বুঝাবো। এতে কাজ হবে ইনশল্লাহ হবে।
এইভাবে প্ল্যান করবেন। ওই জায়গায় রাস্তায় কয়েকটা দুষ্ট ছেলে দাঁড়ায় থাকে। ছাত্রীরা স্কুলে বা মাদ্রাসায় যায় ওরা উল্টাপাল্টা কথা বলে তো বলে সবাই গিয়ে ছেলেদের আমরা বুঝাই বা ওর বাবাকে সহ ওই ছেলেদের একসাথে বসাইয়া আমরা একটু বুঝাই এইগুলা কাজ হল জমিয়তে হাদিসের সমাজটাকে শুদ্ধ করা আর আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে মানুষ করা এই কাজটা আমাদের করতে হবে আমাদের জন্য যুবকদের জন্য সুব্বানী আহলে হাদিস আছে বড়দের জমিয়ত কাজটা কি কাজটা ভোটে দাঁড়ানো না কাজটা হলো যার যার ছেলেমেয়েকে পড়ালেখা করানো পরিশ্রমী বানানো কাজ শিখানো পড়ালেখা করানোর পাশাপাশি একটু ধান ক্ষেতের যত্ন শিখানো দরকার আছে বাড়ির কাজও শিখাবেন পড়ালেখাও শিখাবেন ভদ্রতা শিখাবেন সমাজের সাথে মেশানো এটাও শিখাবেন তাদেরকে সংগ্রামী মানুষ মানে যে কোন পরিস্থিতিতে সে যেন তার ঈমান আমল ঠিক রাখতে পারে কেউ ঘুষ সুদ যেন না খায় এখন থেকেই তাদের এটা বুঝাইতে এইভাবে মানুষ করতে পারলে এই যে আমাদের বাড়ি যেটা কৃষি ক্ষেত্রের মতই কৃষি কাজের মতই কষ্টদায়ক কাজ এটা আমরা
করতে পারব আমরা আপনাদের জন্য এই যে পত্রিকাগুলো বের করি একটা হল তরজমানুল হাদিস একটা হল সাপ্তাহিক আরাফাত এই পত্রিকাগুলো কেন বের করি আপনারা প্রত্যেক বাড়িতে পত্রিকাগুলো রাখবেন কোন কিছুদিন পড়ার থাকবে না এখান থেকে একজনকে বলবেন পড়তে থাকো এখানে সব সাজানো গোছানো আছে ফতোয়া যেগুলা বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল এগুলাও আছে যা দরকার আপনার আমার সবকিছু এখানে আছে সব বাড়িতে একটা করে পত্রিকা এগুলা থাকতে হবে ছেলেমেয়েরা পড়বে তারা এখান থেকে শিখবে এবং তাদেরকে শিখাবেন তুমি যা শিখলা তোমার বন্ধুকে এগুলা আবার বলবা তোমার বন্ধুরা নামাজ পড়ে না তুমি নামায় যাবা ওকেও বুঝায় বুঝায় নিয়ে আসবা ফুটবল খেলো খেলো কিন্তু আযানের দেওয়ার আগেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন যাতে মসজিদে আসা যায় সেজন্য জন্য বন্ধুদের নিয়ে মসজিদে চলে এসো।
এইরকম সিস্টেম ছাড়া মুসলিম সমাজকে টিকানোর আর সুযোগ নাই। আসেন আমরা সবাই চেষ্টা করি। এইটাই বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিস আপনাদের কাছে চায়। যে আমরা সবাই মিলা সারাদেশে যত গ্রাম আছে আমাদের সবাই আমরা একটা নিয়মে চলবো। তাহলে আমাদের ছেলেমেয়েরা ভদ্র হবে। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে। আর আমরা যখন বয়স্ক হব তখন ছেলেমেয়েরা আমাদের খেদমতও করবে যে আমার বাবা আমাকে এগুলা শিখাইছে। আর যখন মারা যাব তখন এই ছেলেমেয়েরাই তো আমাদের জানাজায় আসবে। তারাই তো কেঁদে কেদে আমাদের জন্য দোয়া করবে। তারাই তো বলবে রব্বা। আল্লাহ আমার মা বাবা ছোটবেলায় আমারে যেমন লালন পালন করেছে তুমিও তাকে আদরে আদরে রাইখো।
রাস্তা দিয়ে যখন যাবে একজন ভিক্ষুক দেখবে ভিক্ষককে টাকা দিয়ে মনে মনে বলবে আল্লাহ আমার বাবাও এরকম ছিল এরকম বয়স্ক ছিল আল্লাহ তুমি তাকে জান্নাতে রেখো তখন এই দোয়া অটোমেটিক মন দিয়ে বের হবে আর এই কাজ ছাড়া বাকি অন্য কাজ যতই করি আমাদের কি লাভ হবে কোন লাভ হবে না আল্লাহ আমাদেরকে আসল লাভের দিকে যাওয়ার তৌফিক দান করুন আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমাদের দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করার তৌফিক দান করুন। আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে মানুষ বানানোর তৌফিক দান করুন।