লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: রবিউল আউয়াল ও ঈদে মিলাদুন্নবী: বেদাতের সমালোচনা

রবিউল আউয়াল ও ঈদে মিলাদুন্নবী: বেদাতের সমালোচনা



আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তাবারকতাআালার অসংখ্য অগণিত তারিফাত সানা এবং শুকরিয়া যে আল্লাহ আমাদেরকে সুস্থ রেখেছেন সুস্থ অবস্থায় আমাদেরকে দ্বীন ঈমানের সাথে আদা অবস্থিত সহি আকিদা মানহাজের মসজিদ বাইতুল মামুর চাঁদ জামে মসজিদে আসার তৌফিক দান করেছেন। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি অসংখ্য অগণিত দরুদ ও সালাম নাজিল হোক। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি। আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহ। অতঃপর সম্মানিত মুসাল্লিয়ানে কেরাম আমরা যে মাসটিতে এখন আমরা রয়েছি এটি হল আরবি তৃতীয় মাস। মহাররম সফর রবিউল আউয়াল। তো রবিউল আউয়াল মাসকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে যে অনইসলামিক কাজ হয় যে কোরআন সুন্নাহ বিরোধী কাজ হয় এগুলো এগুলো তো আমাদের এরকম মসজিদ সহি আঙ্গিদা মানহাজ চর্চার মসজিদ ছাড়া কোথাও কোন মসজিদে জানার উপায় নাই শুধুমাত্র এরকম কিছু মসজিদে আপনি জানতে পারবেন।

                                                           

আর বাকি অন্যান্য মসজিদের মধ্যে কি জানবেন? এই অবৈধ কাজগুলো ফজিলতপূর্ণ। পাপের কাজগুলোকে ফজিলত নেকির কাজ হিসেবে প্রচার করা হবে। রবিউল আউয়াল মাস এমন একটি মাস এই মাসের মধ্যে ইসলামের ইসলামে বাড়তি কোন আমল করার দলিল পাওয়া যায় না। এমন একটা মাসকে আমরা বেছে নিয়েছি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমলের জন্য যেই মাসে কোন আমলই নাই। আমল বলতে সাধারণ যেগুলো আমল বাড়তি কোন আমল এই মাসে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম থেকে বা কোরআন সুন্নাহ থেকে প্রমাণিত হয়নি। যেমন মহাররমে ছিল মহাররম আশুরার সিয়াম। তারপরে কি বলে শাবান মাসে আছে শাবান মাসে রমজান মাস তারপরে জিলহজ্ মাস আরাফা ইত্যাদি শাওয়াল শাওয়াল মাস রমজানের পরে শাওয়াল মাস এইসব মাসগুলোতে কোরআন এবং হাদিস থেকে বাড়তি অতিরিক্ত আমলের দলিল পাওয়া যায় ফজিলত ফজিলতপূর্ণ আমল রয়েছে কিন্তু রবিউল আউয়াল মাস এমন একটি মাস এই মাসে কোরআন এবং হাদিস থেকে ইসলাম বা আল্লাহর রাসূলের পক্ষ থেকে কোন বাড়তি আমলের কথা আসে নাই।

                                                           

অথচ বেদাতিদের নিকটে এই মাসেই হল সবচেয়ে বেশি ফজিলতের আমল রয়েছে এই মাসটা আমরা এইজন্যই তো আমাদের অবস্থাটা এরকম আমরা কোরআন এবং হাদিস ভিত্তিক যে এবাদত গুলো এগুলো করতে পারি না পাঁচ ওয়াক্ত সালাত এটাই আমাদের দেশে হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম ২ পারসেন্ট মানুষ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত পড়ে। আর বেদাত নিয়ে যারা মাতামাতি করে জানবেন যে অধিকাংশই ৯০ ৯৯% ওরা হল বেনামাজি। এখানে যে আমল করা হয় সবচেয়ে বড় বেদাত ১২ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় বেদাত চর্চা করা হয় রবিউল আউয়াল মাস মানে এমন মারাত্মক বেদাত এই বেদাতকে বলা যায় কুফরি বেদাত সাধারণ বেদাত আছে বেদাত দুই ধরনের একটা হল ছোট বেদাত আরেকটা হল বড় বেদাত।

                                                           

যেমন ছোট গুনাহ আর বড় গুনাহ আছে না সগিরা গুনা কাবিরা গুনা। এরকম বড় বেদাত আর ছোট বেদাত আছে। যেগুলো বড় বেদাত এগুলোর কারণে কিন্তু মারাত্মক তাদের ক্ষতি বা পরিণতির কথা কোরআন সুন্নাতে এসেছে। বড় বেদাত। বড় বেদাতগুলোকে কুফরি বেদাতও বলা হয়। বড় বেদাত যেগুলো এই বড় বেদাত করলে একজন মুসলমান ইসলাম থেকে বের হয়ে কাফের মুরতাদ হয়ে যায়। তার জন্য দুনিয়াতে শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড। সেই বেদাত এই মাসে চর্চা করা হয় এবং খুব ফজিলতের সাথে। আর জেনে রাখবেন যে বেদাতের কোন দলিল থাকে না। বেদাতের কোন দলিল থাকে না। কি থাকে? দলিলের গোজামিল থাকে। দলিলের গোজামিল। যেহেতু বাংলাদেশে আহলে হাদিসরা খালি দলিল দলিল করে।

                                                           

দলিল লাগবে। দলিল লাগবে। আসলে এই যে রবিউল আউয়াল মাস বা ১২ই রবিউল আউয়াল মাসে যেই বেদাত চর্চা করা হয় সেটা হল ঈদে মিলাদুন্নবী ঈদে মিলাদুন্নবী নামে এই বেদাতটা চর্চা করা ঈদে মিলাদুন্নবী মিলাদুন্নবী অংশটা তো বাস্তব সম্মত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম জন্ম তো হয়েছে জন্ম হয়েছে নবী সলামের তবে জন্ম তারিখ বা জন্মের সময় মোহাম্মদ সলামকে নবী বলা যাবে না। বেদাতিরা যেটা বলেন মোহাম্মদ সলাম জন্মলগ্ন থেকেই নবী। এটা হল তাদের অতিরঞ্জন। যেই অতিরঞ্জনটাকে বাড়াবাড়িটাকে আল্লাহ রাসূ ভাষায় নিষেধ করে দিয়েছেন। খবরদার তোমরা আমার প্রশংসায় বাড়াবাড়ি করবে না। যেভাবে নাসারা যেভাবে খ্রিস্টানেরা ঈসা আলাইহি সালাতু সালামের উপরে অতিরঞ্জন বাড়াবাড়ি করেছে।

                                                           

বাড়াবাড়ি করে তাকে কি করে দিয়েছে? তাকে প্রভু বানিয়ে দিয়েছে। এখন তারা ঈসা আলাইহি সালাতুলাম বর্তমানে যারা খ্রিস্টান বেঁচে আছে এরা ঈসা আলাইহি সালাতু সালামকে প্রভু হিসেবে বলে অথবা ঈসা আলাইহি সালাতু সালামকে আল্লাহর পুত্র হিসেবে তারা জানে আর ঈসা আলাইহি সালাতু সালাম যে ক্রুশে ক্রুশে তাকে হত্যা করা হয়েছে এই বিশ্বাস করে আর এই ক্রুশে নিজের জীবন বিসর্জন দেওয়ার মাধ্যমে খ্রিস্টানদের পাপ কাজকে তিনি উন্মুক্ত করে দিয়েছেন তোমরা যত পাপ করো করো যত ইচ্ছা পাপ করো কোন সমস্যা নাই আমি ক্রুশ বৃদ্ধ হওয়ার মাধ্যমে তোমাদের পাপের ক্ষমা আমি নিয়ে নিয়েছি আল্লাহর কাছে আমি ক্রুশের মধ্যে ক্রুশ বৃদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার মাধ্যমে তোমাদের পাপ সব মচন করা হয়ে গেছে এখন খালি পাপ করা বাকি আছে এজন্য সব পাপ করব সব পাপের মজন হয়ে গেছে ঈসা আলাইহি সালাতু সালাম মসন করে নিয়েছেন।

                                                           

এই হল তাদের ধারণা। আর তারা ঈসা আলাইহি সালাতু সালামকে প্রভু হিসেবে জানে। ঈসা ঈসা প্রভু তারা ডাইরেক্ট। আর তাদের আকিদা হলো যে ঈসা আলাইহিস সালাতু সালাম আল্লাহর পুত্র। নাউজুবিল্লাহ। ঈসা আলাইহিস সালাম আরো কি তিনি সমস্ত খ্রিস্টানদের পাপ মোজন করে দিয়েছেন দুনিয়াতে খালি পাপ করা বাকি অগ্রিম মাফ এখন খালি পাপ যত ইচ্ছা করতে পারে উনি মাফ করে দিয়েছেন তারপরে তৃতীয় তাদের তৃতীয় মাবুদের তিনজন মাবুদের তৃতীয় মাবুদ হল ঈসা নাউজুবিল্লাহ এই কথাগুলো কোরআনে আছে তারা নিশ্চয়ই কাফের হয়ে গেছে যারা যারা বলে যারা বলে ঈসা আলাইহি সালাতু সালাম তিন মাবুদের এক মাবুদ সারা এবং তারাও কাফের হয়ে গেছে যারা ঈসা আলাইহি সালাতু সালামকে আল্লাহর পুত্র বলেছে এইভাবে বাড়াবাড়িটা ঈসা আলাইহি ঈসা আলাইহিস সালাতু সালাম সম্পর্কে এভাবে তারা বাড়াবাড়ি করেছে এই কথাটাই আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম ইঙ্গিত করেছেন এই হাদিসের ভিতরে সহি বুখারী এবং অন্যান্য হাদিসে আছে খবরদার তোমরা আমার প্রশংসায় বাড়াবাড়ি করবে না যেভাবে নাসারা খ্রিস্টানেরা বাড়াবাড়ি করে

                                                           

করেছিল আবদুল্লাহ আল্লাহ রাস নিজের পরিচয় তুলে ধরছেন আবদুল্লাহ শুধুমাত্র আমি আল্লাহর একজন গোলাম বান্দা আল্লাহ তোমরা আমার প্রশংসায় এটাই বল যে মুহাম্মদ আল্লাহর গোলাম আল্লাহর বান্দাস এবং তার সবচেয়ে সম্মানিত ভাষা হল মুহাম্মদ সলামের নিকটে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা করা হবে যদি মোহাম্মদ সাল্লামকে আল্লাহর বান্দা বলা আল্লাহর বান্দা বললে মোহাম্মদ সলামের বেশি প্রশংসা হবে। ওসুহু এরপরে আরেকটা প্রশংসার ভাষা হল রাসূ এতটুক বললেই মুহাম্মদ সলামের দৃষ্টিতে তার যথাযথ প্রশংসা হয়ে গেল। কিন্তু এরা তা করছে না। মোহাম্মদ সাল্লামের ব্যাপারে যত বাড়াবাড়ি লাগে খ্রিস্টানদের চাইতেও বেশি বাড়াবাড়ি করেছে। এই রবিউল আউয়াল মাসে যারা হই হই করে আমাদের দেশে বেশিরভাগ যারা নিজেদেরকে সুন্নি জামাত বলে।

                                                           

সুন্নি জামাত। অনেকেই যারা সত্যিকার সুন্নি তারা এখন এদের সুন্নি জামাত বলার কারণে এদেরকে ঘৃণা করার কারণে সুন্নি শব্দটার প্রতি আপত্তি করা শুরু করেছে না এ পরিচয় দেওয়াটাই কেমন লাগে তো সুন্নি বাংলা ভারতবর্ষের সুন্নি ভারতবর্ষের সুন্নি এরা সব মুরতাদ কাফের বলা যাবে এদেরকে মুসলমান ধরার কোন উপায় নাই। বিশেষভাবে এই রবিউল আউয়ালে যা তারা রবিউল আউয়াল সম্পর্কে যা ধারণা পোষণ করে এদের মধ্যে পীর আছে, মুরিদ আছে, কবর পূজারী, মাজার পূজারী সব আছে। এদেরকে মুসলমানের মধ্যেই ধরা যায় না। এত জঘন্য জঘন্য বেদাত তারা করে থাকে। আল্লাহর পুত্র খ্রিস্টানের আল্লাহর পুত্র বলছে আর এরা বলছে যে আল্লাহর জাতি নূর থেকে মোহাম্মদ সৃষ্টি হইছে আল্লাহর জাতি নূর এটা আল্লাহর পুত্র বলার চাইতে জঘন্য আল্লাহর পুত্র বলার চাইতেও জঘন্য কথা হল আল্লাহর জাতি নূর থেকে মোহাম্মদ তৈরি হয়েছে এই সুন্নিরাই এদেরকে সুন্নি বলা যাবে না।

                                                           

সুন্নি বললে ভারতী সুন্নি বলতে হবে অথবা বেদাতি সুন্নি বলতে হবে। শুধু সুন্নি বলা যাবে না। অনেকে এজন্য বলে যে এরা এদেরকে সুন্নিও বলতে চায় না। কি বলে? সিন্নি। সিন্নি জামাত। এটা ঠিক আছে। খুব সুন্নি খায়। এরা মিলাদ দিবে। সিন্নি খাবে। মিলাদ দিবে সিন্নি খাবে। এই মসজিদে তো আর মিলাদ হয় না চিন্নি হয় না। ওদের একজন বেদাতি আলেম বলতেছে যে ওরা আমাদেরকে সিন্নিখোর বলে। তোদের ভাগ্যে সিন্নি নাই। তো কি করবি তোরা? হিংসায় তোরা আমাদেরকে সিন্নিখোর বলছি। কত রকমের ভাষা। তোদের ভাগ্যে সিন্নি নাই। তোদের ভাগ্যে জিলাপি নাই, মিষ্টি নাই। তো রাসূ সাল্লামের রসূলকে সম্মান করিস না। মোহাম্মদ সাল্লামের মিলাদ পড়িস না।

                                                           

কিয়াম করিস না। এইজন্য তোদের ভাগ্য সিন্নি নাই, জিলাপি নাই। নাউজুবিল্লাহ। যে যেভাবে পারে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। আর এই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের অধিরঞ্জন করতে গিয়ে মুহাম্মদ সলামের ব্যাপারে যে তারা এই যে একটা আকিদা পোষণ করে। যে সকল ঈদের সেরা ঈদ নবীজির জন্ম ঈদ। এখন আমরা তো যারা এটাকে বেদাত জানি তারা তো আমরা সিরিয়াল উল্লেখ করি। এটা বেদাত কেন? একেবারে লম্বা একটা সিরিয়াল আমরা তুলে ধরি বেদাত হওয়ার। তাই না? এটাই ঠিক আছে। কেন এটা বেদাত? কোরআনে নেই। হাদিসে নাই। সহি হাদিসে নেই। আল্লাহর নবী করেননি, সাহাবায়ে কেরাম করেননি, তাবেগণ করেননি, তাবে তাবেগণ করেননি, কোন ইমাম করেননি, কোন নির্ভরযোগ্য আলেম করে নাই, মুমিন মুসলিমরা করে না।

                                                           

মক্কাতে নেই, মদিনাতে নেই। এগুলো সিরিয়াল আমাদের দলিল। এরা সবগুলোকে এখন বলছে আমরা তো বলি যারা দলিল বলতে কি বুঝাই আমরা এটা যারা জেনে গেছে দলিল বলতে আমরা কি বুঝি কি বুঝাইতে চাই এটা যারা বুঝতে পেরেছে তারা বলতেছে আমাদের দলিলই লাগবে না নবীর মহব্বতের জন্য তারা যা কিছু করে নবীর মহব্বতে দলিল ছাড়া করব দলিল লাগ একটা আছে না যে মাহফিলের মধ্যে নাচানাচি করে তাহেরি না কি বলে এ বলছে দলিল লাগবে না কিসের দলিল নবীকে মহব্বত করার জন্য আমরা সবকিছু করি আর মহব্বতের নবীকে মহব্বত যেভাবে পারবো সেভাবে করব সেভাবে করব কোন দলিলের দরকার নাই এই হল একটা পার্টি ওর দলিলেরই দরকার নাই এই বেদাতের আগে এখন আপনি তার কাছে দলিল চাইবেন ওতো এক কথায় শেষ করে দিয়েছে যে আমরা দলিল পার হয়ে চলে গেছি নবীকে মহব্বত করতে করতে দলিল দলিলের আর কোন দরকারই নাই এত মহব্বত করি দলিলও পুলাইবে না আমরা যে মহব্বত করি এই মহব্বত দলিলও

                                                           

পুলাইবে না অতএব দলিলই লাগবে না এইটা হলো এটা হল ভয়ংকর কথা ভয়ংকর কথা দলিল ছাড়া ইসলামের কোন একটা আমল করা জায়েজ নেই হারাম আর এই যে এই যে আবেগটা বলল যে এটা হল নবী সলামের নবী প্রেমের এটা মাস নবীকে মহব্বত করা নবীকে ভালোবাসবে যেভাবে এলো পাথারে যার যা মনে লাগবে সেভাবেই সে ভালোবাসবে এটা ভয়ঙ্কর কথা আমরা কি বলি যে অবশ্যই নবীকে মহব্বত করা যেহেতু এবাদত এটা অবশ্যই কোরআনের নিয়মে হইতে হবে। রাসূ সলামের সুন্নাত অনুযায়ী হইতে হবে। রাসূ সলামের পন্থাপদ্ধতি অনুযায়ী হইতে হবে। সাহাবায়ে কেরাম রাসূুল্লাহ (স) যেভাবে ভালোবেসেছেন ওইভাবে হইতে হবে। অর্থাৎ আমরা বলি রাসূ সলামকে মহব্বত করা একটা এবাদত গুরুত্বপূর্ণ দামি এবাদত অতএব এই এবাদতটা হইতে হবে কোরআন সুন্নাহ অনুযায়ী আর রাসূুল্লাহ (স) বাস্তবে যে মহব্বত করেছিলেন রাসূ সলাম জীবিত থাকতে সেই অনুযায়ী আমাদেরকে করতে হবে এর মধ্যে কোন ধরনের পরিবর্তন করা যাবে না পরিবর্তন করা যাবে না কোন ধরনের কম বেশি করা যাবে না।

                                                           

একেবারে যেভাবে কোরআন সুন্নাহ এসেছে সেভাবে করতে হবে। দলিলের বাইরে গেলে ওটা বেদাত। আর দলিল মুক্তভাবে আল্লাহ রাসূলকে মহব্বত করবে ঘোষণাই দিয়ে দিচ্ছে। আমাদের কোন দলিল লাগবে না। দলিল ছাড়া এটা কুফরি কথা। এটা হল কুফরি কথা। কথা ছাড়া আর কি জানবে? জানার তো কথা না। আর এ ধরনের এইভাবে দলিল মুক্ত কোরআন সুন্নাহ মুক্ত। তার মানে তার কাছে কোরআন সুন্নাহ কোন দামই নাই। আমরা এক জায়গায় একটা মসজিদই ত্যাগ করেছি। একটা মসজিদ ত্যাগ করেছি।

                                                           

মসজিদের মুসল্লি মুসল্লিরা বলছে মুসল্লিদের মধ্যে যারা বুড়া প্রকৃতির বলছে যে আমরা কোরআন বুঝিনা সুন্নাহও বুঝিনা সুন্নত সুন্নত বুঝিনা বেদাত বুঝিনা দলিল বুঝিনা আমরা বাপ দাদার যুগ থেকে যেভাবে করে এসেছি আমাদের মসজিদে ওরকম হবে আর কি বলবেন তাকে তখন আমরা ওই মসজিদ দি কারণ ওরা বেদাত করতে বাধ্য করতেছে এসব কথা বলে বেদাত করতে হবে ওই মসজিদই ত্যাগ করছি তো আলহামদুলিল্লাহ এই হল এক শ্রেণীর লোক তারা দলিল ছাড়াই এই রবিউল আউয়াল মাসে যা কিছু করতেছে ওরা স্বীকারই করে নিয়েছে দলিল অনুযায়ী এগুলো একটাও ঠিক না। এজন্য ওরা দলিলই মানে না দলিল ছাড়া। আরেক শ্রেণী ওরা কি করে? দলিলের বোঝামির আশ্রয় নেয় বোঝামি।

                                                           

দলিলের বিকৃতি করে। এটা হল এটাও ভয়ংকর। হল ইহুদি নীতি। ইহুদি খ্রিস্টানদের এটা নীতি। দলিলের বিকৃতি করা। অপব্যাখ্যা করা। কোরআন এবং সুন্নাহর অপব্যাখ্যা করা। কোরআন সুন্নাহর অপব্যাখ্যা করলে আপনার আর কি আপনার আর ওই কাফের আর কুফরি ঘৃণা করে কোন লাভ নাই। ইহুদি খ্রিস্টানকে কাফের এবং ঘৃণা করে কোন লাভ নাই। এটা হল ইহুদি খ্রিস্টানদেরই আচরণ। কোরআন হাদিসের বিকৃতি করা এটা হল ইহুদি খ্রিস্টানদের বিকৃতি দুই ধরনের একটা হল শাব্দিক শব্দগত বিকৃতি আরেকটা হল অর্থগত বিকৃতি শব্দগত বিকৃতি আমাদের কোরআনে কেউ করতে পারবে না এ আল্লাহতালা বলে দিয়েছেন নিশ্চয় এই কোরআনকে আমরা নাযিল করেছি আর কোরআনকে হেফাজত করব কোরনের শাব্দিক হেফাজত এইটা আল্লাহ করবেন কেউ বিকৃতি করতে পারবে না একমাত্র পৃথিবীর মধ্যে মুসলমান দাবিদারদের মধ্যে শিয়ারা কোরআনের শব্দগত বিকৃতি করেছে শব্দগত বিকৃতি করেছে শিয়াবাদে কোন সুন্নি মুসলমান সুন্নি দাবিদার শিয়া শিয়া বাইরে যারা মুসলমান আছে এদের মধ্যে শব্দগত বিকৃতি কেউ করে নাই।

                                                           

শুধুমাত্র শিয়ারা করেছে। শিয়ারা অনেক বিকৃতি করেছে। বিকৃতির কোন শেষ নাই। এই কোরআনের মধ্যে যে বিকৃতি ঘটে গেছে এই মর্মে তারা কিতাব লিখেছে। শিয়ারা এই ইরানের শিয়ারা। আমাদের বাংলাদেশে প্রায় ৯৯% এই শিয়া ভক্ত আছে। শিয়া না কিন্তু এরা শিয়া ভক্ত। শিয়াদের বিরুদ্ধে কিছু বললেই ওদের গায়ে লেগে যায়। ওরা জ্বালা পড়া শুরু করে। ওরা মানে আমি এত তারা ভক্ত যে শিয়াদের বিরুদ্ধে কথা বলাতে আমাকে হত্যা করা নাকি জায়েজ হয়ে গেছে। এত জঘন্য মানে মূর্খ। আমাদের বাংলাদেশে মূর্খতার শেষ নাই। শিয়ারা শব্দগত বিকৃতি করেছে। আর এই যে রুহুল্লাহ খামিন যেটা বিপ্লব যার নেতৃত্বে ইরানি বিপ্লব হয়েছিল কি বলে শিয়া বিপ্লব হয়েছিল।

                                                           

ওটাকে ইসলামী বিপ্লব বলা যাবে না। যারা বলে থাকেন যারা অতীতে বলেছেন যে ইসলামী বিপ্লব তাদের সবার তওবা করা উচিত মসজিদের মধ্যে। ওটা শিয়া বিপ্লব। ইসলামী বিপ্লব এই শিয়া বিপ্লব যার মাধ্যমেযে রেজা সাব আলামিকে বিতাড়িত করে যারা ক্ষমতা দখল করেছে এরা হল শিয়া শিয়াদের মধ্যে জঘন্যতম শিয়া হল এ জঘন্যতম শিয়া যাদেরকে শিয়াদের অনেক প্রকার আছে না শিয়াদের মধ্যে যারা জাইদিয়া এরা কিছুটা ভালো এদেরকে কাফের বলা যাবে না যারা জাইদিয়া শিয়া এদেরকে তাও ইরানের দাপটে এই যে ইরানের শক্তি এবং দাপটে এই জাইদিয়া শিয়া গুলোকে তারা বলছে তোরা শিয়াই বলতে পারবি না যদি যদি আমাদের মত শিয়া না হয় তাহলে তোরা শিয়া বলতে পারবি না নিজেদেরকে সুন্নি হয়ে যেতে হবে দিয়ে তারা তাদেরকে হুতি-বিদ্রোহী বলা হয় না ইয়ামেনে এরা সব জাইদিয়া শিয়া ছিল।

                                                           

এদের সবাইকে সুন্নিদের বিরুদ্ধে তোমাদেরকে আমরা সাহায্য করব। ইরান বলেছিল যে তোমাদেরকে আমরা এই ইয়ামান দখল করে দিব। ইয়ামানের উপরে তোমাদের প্রাধান্যতা তোমাদের আধিপত্য আমরা দান করার ব্যবস্থা করে দিব। যদি তোমরা সাইদি আশিয়া থেকে যদি ইমামিয়াশিয়া হয়ে যাও। ইমামিয়াশিয়ায় ইসনা আশারিয়া ইমামিয়া বলা হয় ইসনা আশারিয়া বলা হয় একই কথা দুই শব্দের একই কথা ইমামিয়া বলতে ইমামবাদী শিয়া আর ইসলা আশারিয়া বলতে দ্বাদশ ইমামবাদী তাদের ১২ জন ইমাম আছে এই ১২ জন ইমামে যদি তোমরা বিশ্বাসী হও এবং আমাদের মত শিয়া হও ইরানের মত শিয়া হও আমরা তোমাদের প্রশিক্ষণও দিব তোমাদের অস্ত্রশস্ত্র দিব এই সুন্নিদের থেকে তোমাদের ক্ষমতা দখল করে দিব।

                                                           

এই সব এই সমস্ত লোভ লালসায় পড়ে দিয়ে টোপ খেয়ে এইদিয়া ইয়ামানের শিয়াগুলো সব শিয়াগুলো এখন সবাই ইমাম শিয়া এরাও কাফের। আগে মুসলমান ছিল। এমনকি শেখ শেখ ইবনে বাজ শেখ বিন বাজ উনি তার মানে ফতোয়াও কারেকশন করেছেন একসময়। উনি তো বলে দিয়েছেন যে শিয়াদের পিছনে নামাজ হবে নাই। ইয়ামানের ইয়ামানের শিয়াদের সম্পর্কে বলছিল যে ওদের পিছনে কি আমরা সুন্নিরা নামাজ পড়তে পারি সালাত হবে? তোউনি বলছিলেন যে হবে না। পরে উনাকে বলা হল যে শিয়াদের মধ্যে যারা জাইদিয়া ইমানের মধ্যে জাইদিয়া শিয়ারা থাকে। এই জাইদিয়া শিয়াদের পিছনে সালাত হবে না। এটা কি ফতোয়া আপনার ঠিক আছে? উনি বলছেন যে যদি জাইদিয়া শিয়া হয় তাহলে আমার ফতোয়া ভুল।

                                                           

তাদের পিছনে সালাত পড়া যাবে। কিন্তু এখন এই জাইদিয়া শিয়াগুলো সব এখন এইযে হুতি হুতি যারা ছিল এজন্য তাদেরকে ইরানি শিয়াদের অন্তর্ভুক্ত করে আমরা এখন তাদেরকেও মুরতাদ এবং কাফের বলে থাকি এই রুহুল্লাহ তার ওস্তাদ তার পীর কিতাব লিখে গেছে কিতাব আরবাব স্পষ্ট বক্তব্য বা স্পষ্ট ঘোষণা এই মর্মে যে রব্বুল আরবাবের কিতাবের মধ্যে বিকৃতি সাধন করা হয়েছে। কোরআনের মধ্যে বিকৃতি ঘটেছে। তাদের কিছু প্রশ্ন হলো যে কি কি বিকৃতি ঘটেছে? শব্দগত বিকৃতি আছে। তারপরে অর্থগত বিকৃতি ঘটিয়েছে তারা। তারপরে ৬০ পারা কোরআন অতিরিক্ত তারা এই কোরআনের সাথে সংযোগ করেছে। তার মানে তাদের দৃষ্টিতে কোরআন হল ৯০ পারা। তো কোরআনের এটা সুস্পষ্ট বিকৃতি না।

                                                           

তারা বিশ্বাস করতেছে যদি ৯০ পারা কোরআন হয়ে থাকে তাহলে এটা সুস্পষ্ট কোরআনের মধ্যে বিকৃতি। এই কোরআনের বিকৃতি তারা বিশ্বাস করে। কিন্তু কোন সুন্নি মুসলমান যত বেদাতি হোক এরা কোরআনের শব্দগত কোন বিকৃতিতে বিশ্বাস করে না। কিন্তু অর্থগত বিকৃতি বিকৃতি ঘটিয়ে থাকে ৯৯% মুসলমান বিশেষভাবে এই যে যে দলটার কথা বলতেছি সুন্নি জামাত শব্দগত একেবারে ইহুদি খ্রিস্টানদের মতই তাদের বিকৃতিটা কোরআনের অর্থগত বিকৃতি তাহলে যারা শব্দগত বিকৃতি আছে এদের এরা এরা কোরআনের সম্পর্কে এই বদ আকিদার কারণে তারা কাফের মুরতাদ অর্থাৎ ইরান রাষ্ট্র এবং যারা ইরান এই ইরানরা যাদেরকে শিয়া বানিয়েছে অথবা ইরানি এই শিয়ারা যাদেরকে মুসলমান বানিয়েছে সে ইহুদি ধর্ম থেকে খ্রিস্টান ধর্ম থেকে হিন্দু ধর্ম থেকে বৌদ্ধ ধর্ম থেকে যতজনকে ইরানীরা যতজনকে মুসলমান বানিয়েছে সবাই মুরতাদ নিজেরা মুরতাদ এবং যারা তারা যাদেরকে মুসলমান বানাইছে তারাও মুরতাদ আপনি জানেন কাদিয়ানীরা যে মুসলমান বানায় ইউরোপ আমেরিকাতে কাদিয়ানীদের হেড অফিস হল লন্ডনে এরাও মুসলমান বানায় কিন্তু কি মুসলমান বানায় কাদিয়ানী মুসলমান বানায় এই কাদিয়ানী যারা আছে এবং তারা যাদেরকে মুসলমান বানাইতেছে সবই তো মুরতাদ কাফের।

                                                           

আজকে মুসলমানদের এই দুরবস্থার কারণ কি? আসলে তো কিছু মুসলমান আছে এরা তো মুসলমানই না। আমি মুসলমান মুরতাদ কাফের। ইসলামী রাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে হত্যা করলে মুসলমান অনেক কমে যাবে। কিসের? ২০০ কোটি ২১৫ কোটি মুসলমান। এক কোটি মুসলমান টিকে গেলে সারা দুনিয়াতে সেটাই দেখবেন এসব মুরতাদ হওয়ার দায়ে ইসলাম থেকে খারিজ হওয়ার দায়ে ইসলামী রাষ্ট্রের একটা দায়িত্ব হল মুরতাদদেরকে সাফ করে ফেলা যেমন আপনি ক্ষেতের আগাছা সাফ করেন না বাড়ি ঘরের জমিনের আবর্জনা সাফ করেন না এইরকম ইসলামী সমাজের আবর্জনা হল মতাদরা রাসূুল্লাহ স্পষ্ট করে বলছেন যে দন পরিবর্তন করে ফেলেছে তাকে হত্যা করে ফেল তাকে হত্যা করে ফেলদন পরিবর্তন কিভাবে হয় এবং সাহাবায়ে কেরাম খুব কঠোর ছিলেন।

                                                           

মুরতাদদের হত্যা করার ব্যাপারে খুব কঠোর ছিল। তারা কোন মুরতাদ অমুসলিমের ব্যাপারে কিছুটা ছাড় থাকলেও অমুসলিমদের ব্যাপারে ছাড় থাকলেও মুরতাদদের ব্যাপারে কোন ছাড় নাই তাকে হত্যা করে ফেলতা আমাদের দেশে তো মুরতাদরাই তো বেশি এই যে আমাদের বাংলাদেশে মুরতাদ বানানোর জন্য একটা একটা থিরি করা হয়েছে গণতন্ত্র ধর্মনিরপেক্ষতা এগুলো এককটা থিওরি মতা মুরতাদ বানানোর কারখানাকটা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হওয়া ধর্ম নিরপেক্ষে বিশ্বাসী হওয়া মানে এটা হল মুরতাদ বানানোর কারখানা কে কাকে হত্যা করবে তাহলে বলেন কে কাকে হত্যা করবে সবই তো হত্যাযোগ্য যারাই ধর্মনিরপেক্ষতা বিশ্বাসী যারাই সমাজ তন্ত্রে বিশ্বাসী হয়ে গেছে যারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী প্রত্যেকটা হল কি কারখানা মেশিন মুরতা বানানোর একটা মেশিন কারখানা এগুলো ধর্মনিরপেক্ষতা আগে মুসলমান ছিল কিন্তু সে ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী হওয়ার পর আর সে মুসলমান থাকবে না এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন আমাদের বাংলাদেশে ৯০ ৯৩% মুসলমান ের মধ্যে কয়জন আসল মুসলমান আছে ২ পারসেন্টও মুসলমান আপনি খুঁজে পাবেন না হয়তো এক পারসেন্ট আর আমাদের মসজিদুল হারামের খতিবের বক্তব্য

                                                           

অনুযায়ী উনি ওখানে মসজিদুল হারামে বসে বসে যে জরিবটা দিয়েছে সেই জরি অনুযায়ী হাজারে একজন মুসলমান আছে কিনা সন্দেহ তো যেটা বলছিলাম কোরআনের বিকৃতি একদল বলতেছে রবিউল আউয়াল মাসে ঈদে মিলাদুন্নবী হল সবচেয়ে বড় আমল বড় আমল বড় আমল মানে বড় বেদাত ওরা বলে সবচেয়ে সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ আমল হল ঈদে মিলাদুন্নবী এক পীর বলতেছে ঈদে মিলাদুন্নবী এটা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের চেয়েও উত্তম। সিরিয়াল ধরে বলছি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের চেয়েও উত্তম হল ঈদে মিলাদুন্নবী। যাকাতের চেয়েও উত্তম হল ঈদে মিলাদুন্নবী। হজ্জের চেয়েও উত্তম হল ঈদে মিলাদুন্নবী।

                                                           

এগুলো কি বলবেন? আর মুরতাদ বোঝা লাগবে এই পীরটাই তো মুরতাদ এক পীর এটা বলতেছে আব্বাস পীর সম্ভবত তার চোখের সমস্যার কারণে কালো চশমা পড়ে আমিও কিন্তু আজকে কালো চশমা পড়েছি সেটা আমার চোখ অপারেশন হয়েছে গত জুমায় খুতবায় যাই নাই এই জুমায় সাহস করছি আর ১৫ দিনের ১৫ দিন পর্যন্ত কালো এই কালো চশমা পড়ে কি বলে ঈদে মিলাদুন্নবী হল পাচ ওয়াক্ত নামাজের চাইতেও উত্তম যাকাতের চেয়েও মানে ইসলামের যে রোপন গুলো পাচটা রোকন পাচটা রকমের মধ্যে চারটা রোকনের সাথে তুলনা করেছে বলছে সালাতের চেয়ে উত্তম যাকাতের চেয়ে উত্তম সিয়ামের চেয়ে ফরজ সিয়াম রমজানের সিয়ামের এর চেয়ে উত্তম। হজ উমরার চেয়েও উত্তম।

                                                           

তারপরে কি বলছে? লাইলাতুল কাদরের চেয়ে উত্তম। নবীর জন্মদিনের যে রাতটা এটা লাইলাতুল কাদরের চেয়েও উত্তম রাত। ফজিলতপূর্ণ। কি বলবেন? এটা হল এজন্য কুফরি বেদাত। ব্যাখ্যা থেকে কি বোঝা যায়? অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলে। কিন্তু এমন নিকৃষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে যে মুরতাদ হয়ে গেছে। এর মুরতাদ ইসলামী রাষ্ট্রে এর মৃত্যুদণ্ড ছাড়া আর কিছুই শাস্তি নাই। হয় তওবা করবে যে আর এসব ব্যাখ্যা দিব না। দেখছেন? এটা কোথায় লেখা আছে? এই যে ঈদে মিলাদুন্নবী পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ সালাতের চেয়েও উত্তম। এ কথাটা কোথায় আছে? কোরআন হাদিসে। একটা জাল হাদিসের শক্তি বলে তারা এসব ব্যাখ্যা দিয়ে হাদিস জাল আর ব্যাখ্যা ব্যাখ্যা জাল হাদিসের ব্যাখ্যা হল এগুলো জাল হাদিসটার ব্যাখ্যায় এই কথাগুলো বলে কোরআনে নাই হাদিসে নাই তারপরে তাহলে এটা হল জফ এজন্য আমরা মুসলমানরা আহ আহলুল হাদিস সহি আকিদার মুসলমানরা জয়ীফ এবং জাল হাদিসকে ভয় পায়।

                                                           

কারণ এই জয়িফ জাল হাদিস থেকে কত ভয়ঙ্কর জিনিস বের হয়ে গেছে। জয়ীফ জাল হাদিস মানলে একজন মুসলমান মিনিট সেকেন্ডে কাফের হয়ে যাবে। এই যে কাফের হয়ে গেল। একটা জাল হাদিসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই কথাগুলো আসছে নামাজের চেয়ে উত্তম সিয়ামের চেয়ে উত্তম হজ ওমরার চেয়ে উত্তম লাইলাতুল কাদরের চেয়ে উত্তম ভয়কর কথা সাধারণ পাবলিক শুনলেই তো মাথা গরম হয়ে যাবে বলে কি জাল হাদিসটা কি হাদিসটা হে রাস আপনি সৃষ্টি না হলে আমিতো কিছুই সৃষ্টি করতাম না। তার মানে নামাজও সৃষ্টি হইতো না। কোরআনের চেয়ে উত্তম কোরআনও আসতো না। কোরআনটা পাইছি আমি কেন? যদি নবী সৃষ্টি না হইতো জগত সৃষ্টি করতেন না।

                                                           

এটা এটা হল জাল হাদিস। এই জাল হাদিস যারা মানবে তারা সেকেন্ডে মুরতাদ হয়ে যাবে। কাফের হয়ে যাবে। ইসলামী রাষ্ট্রে খালি তাকে ধরে নিয়ে জবাই করো। এ হল তার শাস্তি বিচার। জাল হাদিসের পাওয়ার দেখেন হাদিস দেখে হাদিস রাসূ আমি যদি আপনাকে সৃষ্টি না করতাম তাহলে জগত সৃষ্টি করতাম না। দেখেন কত ভয়ঙ্কর হাদিস। তাহলে যেহেতু রাসূল সালালামের কারণে তার জন্মের কারণে আমরা এগুলা পাইলাম। কোরআন পাইলাম, হাদিস পাইলাম, ইসলাম পাইলাম। তারপরে সালাত পাইলাম, যাকাত পাইলাম, হজ পাইলাম, সিয়াম পাইলাম। এগুলো কিছুই পাইতাম না যদি নবী সৃষ্টি না হয়। দেখছেন? একেবারে ড্রেন মার্কা ব্যাখ্যা।

                                                           

ফুটপাতের ব্যাখ্যা একেবারে টোকাইদের ব্যাখ্যা কিসের পিন টোকাই ইসলামের টোকায় যদি কেউ থেকে থাকে আবর্জনা এই আবর্জনামূলক ব্যাখ্যা এই ব্যাখ্যা হল কুফরি ব্যাখ্যা এই ব্যাখ্যা হল মুরতাদ হওয়ার ব্যাখ্যা এই ব্যাখ্যা হল মৃত্যুদন্ডের আসামি হওয়ার ব্যাখ্যা মৃত্যুদন্ড তাদের কার্যকর করার ব্যাখ্যা শুনতেই কেমন লাগতেছে ভয়ংকর কথা লাকলামালা এগুলো তারপরে আরো কত ব্যাখ্যা যে তারা করে এইযে সূরা আহযাবের ৫৬ নম্বর আয়াত জফল হাদিস আপনি যদি বিশ্বাস করেন তাহলে আপনার আর ওই হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান হওয়া লাগবে না মুসলমান অবস্থায় আপনি মুরতাদ কাফের হয়ে যাবেন জফ জাল হাদিসের এত পাওয়ার তারপর যে কি বলে সূরা আহযাবের একটা আয়াত আছে না সূরা আহযাবের ৫৬ নম্বর আয়াত এটা হল মিলাদের এক নম্বর দলিল মিলাদের এক নম্বর দলিল ইল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা হল অর্থমত বিকৃতি এই সূরা আহযাবের ৫৬ নম্বর আয়াত হল ঈদে মিলাদুন্নবীর এক নম্বর দলিল তুই ওই কথার উপরে ঠিক থাক সেটাই একটা ভালো ছিল আমরা দলিল ছাড়াই নবীকে মহব্বত করি এটা একটা ভালো কথা আমাদের প্রব চলে আসে এই গর্ধমের সাথে আর বাহাস বিতর্কের দরকারই নাই ও যেহেতু নিজেই বলতেছে আমরা দলিল ছাড়াই নবীকে মহব্বত করব এবং দলিল ছাড়া যা দলিল ছাড়া কত কি করা যায় দলিল মুক্ত হয়ে গেলে তার জন্য সবকিছু জায়েজ আছে।

                                                           

কিন্তু তারা দলিল যখন দিবে এটা আরো ভয়ঙ্কর ব্যাপার। এটা হল ইহুদি খ্রিস্টানদের আচরণ। দলিলের অপব্যাখ্যা। দেখছেন? সূরা আহযাবের ৫৬ নম্বর আয়াত। এই ৫৬ নম্বর আয়াতে কি বলা হয়েছে? ইন্নাল্লাহ। নিশ্চয় আল্লাহ এবং তার ফেরেশতারা তার নবীর উপরে সালাত পড়ে দরুদ পড়ে। হে ঈমানদারগণ তোমরাও তার প্রতি সালাত পড়ো এবং তোমরা সালাম প্রেরণ করো। সাল্মু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাসলিমা। ব্যাখ্যাটা ব্যাখ্যাটা কি? মুরতাদ হওয়ার ব্যাখ্যাটা কি? মুরতাদ হওয়ার ব্যাখ্যা হল যে নামাজের চেয়ে উত্তম হল কি করে? যে যেই নামাজ এই যে আমরা পড়ছি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত মসজিদে এসে এই সালাতটা তো আল্লাহ পড়ে না ফেরেশতারা এই সালাত পড়ে না কিন্তু নবীর প্রতি দরুদ আল্লাহও পড়ে নবীর প্রতি সালাত আল্লাহ পড়ে ফেরেশতা পড়ে তাহলে এটা বেশি উত্তম হয়ে গেল না পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের চাইতেও আমরা যে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত পড়ি এর চেয়ে দুই ডিগ্রি বেশি হলো না এই সালাত তো আর আল্লাহ পড়ে না এই সালাত ফেরেশতারা পড়ে না শুধু আমরা

                                                           

মুসলমানরা পড়ি তাহলে দুই ডিগ্রি ফজিলত বেশি নবীর প্রতি দরুদ পড়া দেখছেন অপব্যাখ্যাটা অপব্যাখ্যার সিরিয়াল এরপরে নবী সলামের কথা যেখানেই আছে সেটাই মিলাদ বলে ফেলে আর আমরা কি বলি দুরুদ পড়া হল সালাত আলাবী দুরুদ পড়া হলো এবাদত আর মিলাদ পড়া হল দরুদ পড়া এবাদত আর মিলাদ পড়া বেদাত গুনাহর কাজ কুফরি কাজ ওরা যেভাবে মিলাদ পড়ে এটা ছোট মিলাদ ছোট বেদাত না বড় বেদাত কারণ ওদের কিয়াম লাগবে যারা শুধু বসে বসে এইযে বানয়া দরুদ গুলো পড়ে ইয়া নবী সালাম আলাইকা ইয়া রাসূ সালামু আলাইকা ইয়া হাবিব সালাম সালামু আলাইকা এই সালাওয়াতুল্লাহি আলাইকা এই যে দুরুদ পড়ে এই দুরুদ পড়ে সবাই মিলে যে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যায় এই এই মিলাদ মিলাদের সাথে কিয়াম যদি করে তাহলে এটা হবে কুফরি কুফ মতা হওয়ার আমল আর যারা না দাড়ায় তাদেরটা হল সাধারণ বেদাত ছোট বেদাত বলা যায় আর যদি দাড়িয়ে যায় দাড়িয়ে যাওয়ার আদা দাড়িয়ে যাওয়ার সাথে কি আকিদা জড়িত যে নবী

                                                           

জীবিত নবী উপস্থিত হয়ে গেছে নবী উপস্থিত হয়েছে অনেকে খালি চেয়ার খালিও রাখে নবী এসে মানে কুসংস্কার বেদাতিরা হল কুসংস্কারবাদী নবী এসে গেছে এখনতো নবীকে জীবিত নবী এসে গেছে এই ধারণা পোষণ করা এটা হল কুফরি এটা হল আল্লাহ যেমন চিরঞ্জীব আয়াতুল কুরসির মধ্যে আমরা কি বলি আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহ হচ্ছেন তিনি যিনি চিরঞ্জীব এবং সর্বনিয়ন্তা চিরস্থায়ী এই গুণটা মহাম্দকে তারা দিয়ে দিয়েছে এজন্যই তো ইহুদি খ্রিস্টানদের মতই মোহাম্মদ সলামের ব্যাপারে তাদের বাড়াবাড়ি তাহলে দেখেন কিভাবে এই রবিউ যেই রবিউল মাও আউয়াল মাসে বাড়তি কোন এবাদতের কোন দলিল ছিটাফোটা দলিলও নাই। সেই সেই বেদাতটাকে কিভাবে তারা ডেকোরেশন করেছে? বেদাতটাকে কিভাবে তারা সাজিয়েছে।

                                                           

কিভাবে তারা তারপরে তো আপনারা তো এটা জানে না। এই বেদাতের জন্য দেখা যায় একটু ফ্যানটা। এই ফ্যানটা দা বেদাতটাকে এভাবে ডেকোরেশন করেছে আর এরা এই যে বাংলাদেশে কি বেদাতির অভাব আছে বাংলাদেশে বাংলাদেশে বেদাতি পীরের অভাব আছে বেদাতি পীরের অভাব আছে চট্টগ্রামে তো পাকিস্তান থেকে হায়ার করে নিয়ে আসে আওলাদে রাসূ খাবিস আওলাদে রাসূ এক খবিসকে নিয়ে আসে। সেই খবিস হল পাকিস্তানের একজন পাকিস্তানের একজন ক্রিমিনাল অপরাধী। পুলিশ তাকে গ্রেফতারও করেছিল। এজন্য পাকিস্তানে যান। মানে আমাদের বাংলাদেশের বেদাতিরা শুধু বেদাতি না নির্বদ বোকা। পাকিস্তানে যেই লোকটা অপদার্থ তার কারাক মূল্য নাই। সেটাকে নিয়ে আসে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মহিলাদেরকে দিয়ে খেদমত করায়।

                                                           

চট্টগ্রামে আসে এটা আওলাদে রাসূ আওলাদে রাসূ থেকে সবসময় পানা আছে। বেদাতিরা যখন আওলাদে রাসূ বলবে জানতে হবে এটা হল বেদাতের ডিপু। কোন আওলাদে রাসূ যদি বাংলাদেশে আসে জানবেন যে এটা বেদাতের গোডাউন। এটা হল বেদাতের গোডাউন। তাহের শাহ কি কি নামটাম আশেক। নাউজুবিল্লাহ। বাংলাদেশি বেদাতের অভাব নাই। বাংলাদেশী পীর তো সবই ১০০% বেদাতি। বাংলাদেশে যত পীর আছে সব হালা। এগুলো ১০০% বেদাতি এবং শিরকি কুফরি এদের মধ্যে আছে। কোন সুন্নতের ছিটাফোটা পাওয়া যাবে না এদের কাছে। ১০০% বেদাতি হয়। হলেই কেবলমাত্র পীর নিজেকে পীর ঘোষণা করে। কিসের হক্কানী হক্কানী? হক্কানী বলে কিছু নাই। আর হক্কানী যদি বলি কোন পীরকে তাহলে ওই যে কাজী ইব্রাহিম বলছিলেন না হক্কানী চোরের মত।

                                                           

পীরকে হক্কানী বলা আর চোরকে হক্কানী বলা। হক্কানী চোর কে জানেন? হক্কানী চোর যে চুরি করে যায় টেরও পায় না। ধরা পড়ে না। সফল। যেই বাড়িতে যায় চুরি করে সফলভাবে চলে আসে। ধরা পড়ে না। এটা হল হক্কানী পীর। হক্কানী চোর। আর হক্কানী পীর হলো এই মূর্খদের ঈমান লুটে নেয়। এরা টেরও পায় না। এদের ঈমানগুলো যে নিয়ে যাচ্ছে ঈমান শূন্য করে ফেলছে এই বোকা গর্ধকরা বুঝতেই পারে না যে তাদের ঈমান চুরি করে নিয়ে গেল। এইজন্য হল হক্কানী পীর। মানে এমনভাবে বেদাতে জড়িয়ে ফেলে, এমনভাবে তার ঈমান হরণ করে ফেলে, এমনভাবে তার ইসলাম ধ্বংস করে ফেলে, কেউ পায় না।

                                                           

এজন্য হল হক্কানী পীর। আর খন্ড মূলত বুঝাই যায় ওই যে ঈমান চোর। ওই যে ঈমান ধ্বংসকারীরা বুঝাই যায়। কিন্তু হক্কানীগুলো যে ঈমান ধ্বংস করেছে এটা বোঝাই যায় না। এজন্য হক্কানী চোরের মতোই। খুবই সুন্দর কথা। বেচারা এখন যাই বলুক না কেন এই কথাটা খুবই মূল্যবান কথা বলেছে যে চোরের ক্ষেত্রে যেমন হক্কানী বলা চলে পীরের ক্ষেত্রে এভাবে হক্কানী বলা চলে হক্কানী পীর মানে এমনভাবে আপনাকে সুন্নত মুক্ত করবে এমনভাবে আপনাকে বেদাতে জড়িয়ে দিবে এমনভাবে আপনার ঈমান ধ্বংস করে ফেলবে আপনি টেরও পাইবেন না এক পীরকে দেখলাম নাউজুবিল্লাহ টেকনিক শিখাইতেছে। টেকনিক কবরে যখন যাবে ফেরেশতা ওই যে মুনকার নকির ফেরেশতা যে প্রশ্ন করবে এই প্রশ্নটা এই ওরা জানে পীরও জানে যে ও উত্তর দিতে পারবে।

                                                           

পীর তো নিজেই উত্তর দিতে পারবে। পারবে না। পারবে? তো মুরিদরা কিভাবে পারবে? ও জানে যে ও নিজেও পারবে না। ওর মুরিদরাও উত্তর দিতে পারবে না। এজন্য বলছে উত্তর দেওয়ার দরকারই নাই। এই লাইনে যাওয়ার দরকার নাই। তুমি এমন এমন টেকনিক শিখা দিছে বলছে যখন ফেরেশতা এসে মক তোমাকে তখন তুমি এসে কি হক জিকির শুরু করে কেন এরকম জিকির প্রত্যেক প্রশ্নে এই জিকির মার চিন্তা করে দেখ কত মূর্খ কবরে পাশ করার টেকনিক শিখাই দে তার উচিত ছিল যে তোমাকে রবের পরিচয় জানতে হবে। মান রব্ব প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে রবের পরিচয় জানতে হবে। রব কে? রব কোথায়? রব কেমন এগুলো জানতে হবে।

                                                           

তা না করে ওতো নিজেও জানে না। পীর বলতেছে আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান। আল্লাহ মুমিনের কলবের মধ্যে। ও জানে এসব আকিদার কারণে ও কবরের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে না। এজন্য আল্লাহ টেকনিক শিখায় দিছে। তুমি যখন প্রশ্ন করবে তো আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ বলবে। মানে এমন লম্বা চওড়া স্বরে আল্লাহ আল্লাহ বলবে যেতে হ্যা প্রশ্ন করার সুযোগই না পায়। দ্বিতীয় প্রশ্ন কত মূর্খ। কত গন্ড মূর্খ হলে এরকম হইতে পারে। কবরে কবরে পাশ করার টেকনিক কি দুনিয়াতে শিখানো যায়? আপনি সামান্য বলেন যে তুই আজকে রাত্রে এই স্বপ্নটা দেখিস পারবে স্বপ্ন দেখা কি কারো হাতে নাকি? যে খবরদার তুই এই স্বপ্নগুলো দেখিস না তো বাবা বলতে পারব আর তুই এরকম স্বপ্ন দেখিস তো নিউইয়র্কে ঘুরে বেড়াচ্ছিস তুই হজ ওমরা পালন করছি এসব স্বপ্নে দেখ স্বপ্নে দেখে দেখে কাম ছেড়ে ফেল এটা হবে নাউজুবিল্লাহ এইজন্য হক্কানী বলতে কিছু নাই এরা এরা হল অপব্যাখ্যাকারী আমাদের দেশের মুহাদ্দিস, মুহাদ্দিস কাকে বলা হয়? হাদিস বিশারদ মুহাদ্দিসের।

                                                           

কারণ উনি সহি হাদিসের অপব্যাখ্যা করতে পারে। এজন্য উনি বড় মুহাদ্দিস। দেওবন্দ থেকে মুহাদ্দিস নেওয়া হয়েছে। কেন? যাতে রফুল ইয়াদাের হাদিসের রদ করতে পারে। রফুল ইয়া হাদিসের রথ। মানে বাতিল করে দেয়। সহীহ বুখারীতে আছে, অমুক আছে, তমুক আছে। এগুলো সব সহী হাদিসকে বাতিল করে দিতে পারে। এইজন্য উনি বড় মুহাদ্দিস বড় হুজুর বড় হুজুর তাহলে এইগুলো হল কুফরি ব্যাখ্যা আরেকটা বলতেছে কি সূরা ইউনুসের ৫৮ নম্বর আয়াত এল ঈদে মিলাদুন্নবীর আয়াত ঈদ পালন করার আয়াত এখানে বলা হচ্ছে আল্লাহ কি বলছেন রাস আপনি বলে দিন আল্লাহর অনুগ্রহ আল্লাহর রহমত এগুলো নিয়ে যেন তারা খুশি মাথায় তারা যেন খুশি আনন্দ উদযাপন করে তারা যা কিছু আহরণ করে সবকিছুর চাইতে এটাই উত্তম বলতেছে এই আয়াতটা হল মিলাদুন্নবী পালন করার আয়াত এল দ্বিতীয় আয়াত সাহাবীরা জানতে হোক মহাম্মদ জানতেন যে সূরা আবের ৫৬ নম্বর আয়াত মিলাদের এক নম্বর দলিল সূরা ইউনুসের সূরা ইউনুসের ৫৮ নম্বর আয়াত হল দ্বিতীয় দলিল এগুলো মহাম্মদ জানা

                                                           

জান ইমাম হানফা জানব মালেক শাফ কেউ জানত সবাই মূর্খ কেউ জানত না এই যে কুফরি মিলাদ এটা এজন্য বলি এগুলো হল কোরআনের কুফ কুফরি ব্যাখ্যা কি বললাম অপব্যাখ্যাকে কি বলবেন অপব্যাখ্যার মাধ্যমে কুফরি ব্যাখ্যা এগুলোকে কুফরি ব্যাখ্যা বলা হয় এইভাবে কোরআন আমল করলে কাফের মতা হয়ে যাবে আল্লাহর রহমত বলে আর কিছু নাই আমরা যে আমরা যে মসজিদে ঢুকছি কি জন্য জানেন এইযে নামাজ পড়তে রহমত তালাশ করদ পছে আল্লাহ এই রহমত হইতে পারে না।

                                                           

এইযে একটা রহমত পেলাম আমরা জুমা করতে পারলাম জুমার খুতবা শুনলাম জুমার সালাত পড়লাম এ কি রহমত না এই ব্যাখ্যা আস ব্যাখ হাদিসে বলা হতাল্লিল আলামিন হে রাসূ আপনাকে আমি সমস্ত জগতের জন্য রহমত করে প্রেরণ করেছি এইযে দেখছেন রহমত এই রহমত হল হ্যাঁ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের মিলাদের দলিল রাসূ সাল্লামকে পেয়ে আমরা খুশি তার জন্মের দিনে আমরা খুশি নাউজুবিল্লাহ এসব কুফরি কুফরি সিরিয়াল আল্লাহ তাবারকতালা এই কোরআনের অপব্যাখ্যা এবং এই সমস্ত জাল হাদিস জাল জয়ফ হাদিসের ব্যাখ্যা থেকে এই ধরনের বেদাত চর্চা করা এই কুফরি চর্চা থেকে মুসলমানদেরকে আল্লাহ হেফাজত করুন বুঝার তৌফিক দান করুন আল্লাহুম্মা আমিন