সম্মানিত মুসল্লিয়ান কেরাম আমি আমার নিজেকে আপনাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন অনুরোধ জানাচ্ছি। তাকওয়া অবলম্বন এর অর্থই হচ্ছে আল্লাহ তাআালার আযাব ও গজব থেকে বাঁচার জন্য অবলম্বন গ্রহণ করা। আখেরাতে আল্লাহ তাআালার শাস্তি ভয়াবহ শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য কবরের শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য দুনিয়াতে আজব ও গজব থেকে বাঁচার জন্য যা অবলম্বন করবেন আল্লাহর নির্দেশিত পথ এবং রাসূলের নির্দেশিত পথে যেটা অবলম্বন করবেন সেটাই হচ্ছে তাকওয়া। এই তাকওয়া অবলম্বন করতে পারলে আমরা দুনিয়া এবং আখেরাতে সফল কামের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবো। যারা তাকওয়া অবলম্বন করবে তাদের উপরে আল্লাহ তালা বলেছেন যে তিনি জান্নাত রেখেছেন। আল্লাহ তাআলা কোরআনে কারীমে বলেছেন এবং দুনিয়ায় আরো বলেছেন যে দুনিয়ার বুকে যে কোন বিপদ থেকে তিনি তাদেরকে উদ্ধার করবেন।
সুতরাং তাকওয়া অবলম্বন আমাদের করতেই হবে। তাকওয়া অবলম্বন প্রথম ধারা হচ্ছে ঈমানটাকে পরিশুদ্ধ করা। যা না জানলেই নয়। যা না জানলে আপনি তাকওয়া রজিগারী হতে পারবেন না। সেগুলি আলোচনা আমরা করছিলাম। আমরা আল্লাহর উপর ঈমান কিভাবে হবে তা জেনেছি। আমরা জেনেছি যে ফেরেশতাদের উপর ঈমান কিভাবে হবে। আমরা জেনেছি কিতাবের উপর ঈমান কিভাবে হবে। আমরা জেনেছি রাসূলদের উপর ঈমান কিভাবে হবে। আরো জেনেছি আখেরাতের উপর কিভা কিভাবে ঈমান আনতে হবে। আজকে আমরা এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যে বিষয়টি সেগুলো সবগুলির সার অংশ। এইজন্য যে দুনিয়াতে চলতে হলে এই জিনিসটাকে আপনার আমার সবার মধ্যে আনতে হবে। সেটা হচ্ছে যে ঈমান বিল কদর।
অর্থাৎ সেটার ফলাফল প্রকাশ পাবে। আপনি কি আল্লাহর উপর ঈমান এনেছেন কিনা? সেটার ফলাফল প্রকাশ পাবে। তাকদীর উপর ঈমান তখন আপনার থাকবে তাকদীর উপর ঈমান থাকলে যে কোন কাজ ভালো হলে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবেন আপনার কাছে খারাপ মনে হলেও আপনি বলবেন কাদরল্লাহু ওয়ামাশাফা আর যদি গুনাহর কাজ হয় তখন আপনি আল্লাহর কাছে এস্তেগফার করবেন ক্ষমা প্রার্থনা করবেন অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোথাও পালানোর কোন জায়গা নাই লা মালজা ওয়ালা মানজা ইল্লাল্লা ইলাইক আল্লাহ তালা যা আমাদেরকে শিখিয়ে দিয়েছেন আশ্রয়ের কোন জায়গা নেই নাজাতের কোন উপায় নেই আপনার কাছে শুধুমাত্র যেতে হবে আপনার কাছে শুধুমাত্র আশ্রয় নিতে হবে এটাই আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেছেন একটি কালেমা সম্পর্কে যে কানজুমমিন কুনুজ আরশ আরশের একটি বিশাল ভান্ডার তা হচ্ছে লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ আমরা যা করতে পারি তাও আল্লাহ শক্তিতে আর যা করতে পারি না আল্লাহর তৌফিক প্রাপ্ত না হয়ে আমরা সেটা করতে পারি না না হলে করতে পারি না
আমরা যদি গুনাহ থেকে বাঁচতে চাই তাও আল্লাহ তাআালার শক্তি দিলে শুধু বাঁচতে পারব তিনি যদি না বাঁচান আমরা বাঁচতে পারবো না সার্বক্ষণিক যে ব্যক্তি এই চিন্তা মাথায় রাখবে প্রতি মুহূর্ত যার মাথার ভিতরে থাকবে আমি আমার রবের তত্ত্বাবধানে আছি তিনি কুল আলা কুল্লিশ ওয়াকিল সবকিছুর উপরে তিনি যথার্থ তত্ত্বাবধায়ক সেই ব্যক্তি তাকদীর উপর ঈমান এনেছে এবং তার ঈমান বিশুদ্ধ হবে যে ব্যক্তি বিশ্বাস করবে আমার হেদায়েত আমার পথভ্রষ্টতা আমার পারঙ্গমতা আমার অপারগতা আমার সবকিছু আমার রবের নির্ধারণ অনুসারে চলে সেই ব্যক্তি তাকদীর উপরে ঈমান এনেছে সম্মানিত মুসল্লানে কেরাম তাকদীর উপর ঈমান হচ্ছে একদিকে রববিয়াত অংশ একদিকে রুববিয়াতের অংশ আরেকদিকে আসমা সিফাতের অংশ আরেকদিকে সেটা হচ্ছে বান্দার জন্য ওলুহিয়াতের দিকে যথাযথ নিজেকে নিয়োজিত করার একটা বড় মাধ্যম এজন্য তাকদীর উপরে ঈমানটা যত বিশুদ্ধ না হয় আপনি কখনো ঈমানদার হতে পারবেন না তাকদীর উপরে ঈমানটা বিশুদ্ধ হতেই হবে অনেকে বলেন ঈমান এনেছি আর কিছু চিন্তা করব না তা যদি হইতো তাহলে জিবরীল আলাইহিস সালাতু ওস সালাম তিনি মোহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে ঈমানের ব্যাখ্যা চাইতেন না।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন বসা ছিলেন। এমন সময় একজন লোক আসলো সাহাবী বললেন তাকে আমরা কেউ চিনি না। মাথার মধ্যে তার মাথাতে কোন সফরের কোন চিহ্ন নেই। অর্থাৎ উসক খুসকচুল নয়। কিন্তু তাকে আমরা চিনতে পারছি না। এ লোকটি কে হতে পারে? কিন্তু তিনি এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সামনে দাঁড়ালে বসলেন বসে তিনি প্রশ্ন করলেন আখবিরনিমাল ঈমান আমাকে ঈমান সম্পর্কে জানান রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বললেন বিল্লাহিলাহুসহ এটুকু বলেছেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলা এর মধ্যে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে রাসূুল্লাহকে আলাদাভাবে ঈমানের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সাধারণত আমরা জানি যে ঈমান মূলত আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত বিষয়ের সাথে হয়। ঈমান দুনিয়ার কোন ব্যাপারে নয়।
ঈমান মানেই হচ্ছে আল্লাহ রাব্বুল আজ্জওজাল্লার সাথে সম্পৃক্ত বিষয়। সেটা কি? ঈমান হচ্ছে আল্লাহর জাতকে মেনে নেয়া। ঈমান হচ্ছে আল্লাহর কর্মগুলোকে মেনে নেয়া। এই দুইটার নাম হচ্ছে রুবুবিয়াত। আর ঈমান হচ্ছে আল্লাহ তাআালার নামগুলোকে মেনে নেয়া। আল্লাহর গুণগুলোকে মেনে নেয়া। এই দুইটার নাম হচ্ছে আসমাও সিফাত। আর ঈমান হচ্ছে আল্লাহ তাআালার জন্য যাবতীয় তার অধিকারগুলি আদায় করে দেয়া। তার সাথে অধিকারে কাউকে সম্পৃক্ত না করা। এ অধিকার আল্লাহর জন্য শুধু নির্ধারণ করা। সেটা হচ্ছে তাওহীদুল লুহিয়া। আর আমরা এটা এজন্য বলে থাকি যে ঈমান যদি কোন কেউ পাঁচটি জিনিসে যথাযথ ঠিক রাখে তাহলে তার ঈমান বিশুদ্ধ হবে। আল্লাহ তাালার জাত যদি তার জাত একত্ব একত একত্বটা মেনে নেয় সত্তা তিনি একাই সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি একমাত্র সত্তা যিনি ছিলেন আর কেউ নেই।
এবং তিনি শুধু আহাদ তিনি শুধু সামাদ তিনি আলী তিনি আজিম লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়াকুললাহু কুফু আহাদ এবং তিনি সৃষ্টি থেকে আলাদা তিনি সবকিছুর উপরে এক সত্তা সবচেয়ে বৃহৎ সত্তা এটা যদি কেউ ঈমান আনে সেই ব্যক্তি সেই ব্যক্তি আল্লাহর জাতের উপরে ঈমান তার বিশুদ্ধ হয়েছে কিন্তু এতটুকুই ঈমানের জন্য যথেষ্ট নয় ঈমানের জন্য দ্বিতীয় যে কাজটি করতে হবে জগতের সকল কিছু একেবারে ছোট্ট পোকা মাকর থেকে শুরু করে যা আপনার চোখে পড়ে না দাররা পিপড়া থেকে শুরু করে ছোট পিপড়া থেকে শুরু করে একেবারে আরশ পর্যন্ত সবকিছুর স্রষ্টা আমার রব্বুল আলামীন তিনি সবকিছুর মালিক তিনি সবকিছুর পরিচালক তিনি সবকিছুর তিনি সবকিছুর কাউনি অর্ডার দেন প্রাকৃতিক অর্ডার দেন।
তিনি যে সমস্ত সৃষ্টিকে জান্নাত দিবেন তাদের জন্য তিনি সারারী অর্ডার দেন। এগুলি মেনে নিলে আল্লাহ তাআলার কর্মের উপরে তার ঈমান বিশুদ্ধ হবে। এগুলির কোথাও তার যদি বেঘাত ঘটে সে ব্যক্তির ঈমান বিশুদ্ধ হয়নি। আর আমরা বলে থাকি সবসময় যে আল্লাহর নামগুলিকে আমাদেরকে মেনে নিতে হবে। যে সমস্ত নাম কোরআন এবং সুন্নাতে এসেছে। যেই নামগুলি সরাসরি নাম আকারে এসেছে। সেগুলির উপর ঈমান আনতে হবে। সেগুলি অর্থ বুঝতে হবে। সেগুলি দিয়ে আল্লাহকে ডাকতে হবে এবং সেগুলি যে এবাদত আছে সেগুলির এবাদত আমাদের করতে হবে। সেগুলি এবাদত মানে হচ্ছে সেগুলি যা চায় সেগুলি যে বিধান সেটা অনুসারে আল্লাহর এবাদত করতে হবে। আমরা আরো বলে থাকি আল্লাহ তাআালার গুণগুলোকে যথাযথ স্বীকার করতে হবে।
কোরআনে আসুক, হাদিসে আসুক, কোরআনে আসুক, সহিহ হাদিসে আসুক, যে সমস্ত গুণ আল্লাহ তালা তার জন্য সাব্যস্ত করেছেন, যে সমস্ত গুণ মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত করেছেন, সেগুলোকে যথাযথভাবে মেনে নিতে হবে। সেগুলোকে কোন রকমের অপব্যাখ্যা অথবা কোন রকমের সাদৃশ্য প্রদান থেকে দূরে থাকতে হবে। কোন রকম বিকৃতি সাধন করা যাবে না। অর্থ শূন্য করা যাবে না। আমরা আরো বলে থাকি যে চারটির পরে যে আল্লাহর অধিকার আদায় করতে হবে সে অধিকার হচ্ছে একমাত্র আল্লাহর এবাদত করতে। এই সবগুলির আপনি ছায়া পাবেন। সবগুলির ছায়া পাবেন আপনি ঈমান বিল কাদরের মধ্যে। যে ব্যক্তি তাকদীর উপর ঈমান রাখে সেই ব্যক্তি উপরের সবগুলি করবে।
আর যে ব্যক্তি তাকদীর ঈমান যথেষ্ট যা থাকবে না সে ব্যক্তি উপরে অনেকগুলো কোথাও কোনটা করবে কোনটা করবে না কোনটা অস্বীকার করবে কোনটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে এজন্য তাকদর উপর ঈমান যার শুদ্ধ হবে সেই ব্যক্তি তার ঈমান শুদ্ধ হবে এজন্য সলফে সালেহীন বলতেন যে আল কদরু তাকদীর হচ্ছে তাকদর হচ্ছে নেজামুর রুবুবিয়া আল্লাহর রুবুবিয়াতের নিশৃঙ্খলা রক্ষা করে বিশৃঙ্খল মত মতে পথে যারা চলে তারা তাকদীর উপর ঈমান আনে না তারা হয় বাড়াবাড়ি করে না হয় ছাড়াছাড়ি করে এজন্য তাকদীর উপর ঈমান আনতে হবে মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম তাকদীর উপর ঈমানকে তিনি ঈমানের ঈমানের সংজ্ঞার ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়েছেন অর্থাৎ এইটা হচ্ছে আপনার ঈমানকে বিশুদ্ধ পরিশুদ্ধ করবে ঈমানকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে এ তাকদীর ঈমানের ব্যাপারে আমরা কোরআনে কারীম দেখতে পাই আয়াত সমূহ এক নম্বর আয়াত হচ্ছে সূরা কামারের ৪৯ নম্বর আয়াত আল্লাহ তালা বলছেন ইন্না কুল্লাশনাদার নিশ্চয়ই আমরা সবকিছুকে নির্ধারিত তাকদীর অনুসারে সৃষ্টি করেছি আল্লাহ তালা যা সৃষ্টি করেছেন এগুলি সবই
নির্ধারিত আপনি এমন কিছু মনে করতে পারবেন না যে কোন কিছু অনির্ধারিত আছে অনেকে মনে করে থাকে আল্লাহর নির্ধারণের মধ্যে কোনটা এখনো পরিপূর্ণ হয়নি কোনটা এখনো রয়ে গেছে লটকে আছে এ জাতীয় কথা আর বলার বৈধতা নেই আল্লাহ সবকিছু নির্ধারণ করে দিয়েছেন আল্লাহ সবকিছু নির্ধারণ করে দিয়েছেন কুল্ সরি কাবির মুসতা ছোট বড় সবকিছু তিনি লিখে নির্ধারণ করে নিয়েছেন কোরআনে কারীমে আল্লাহ তালা আরো বলেছেন সূরা আহযাবের ৩৮ নম্বর আয়াতে আয়াতে ওয়াকনাল্লাহ আল্লাহর নির্দেশসমূহ সবকিছু আল্লাহর কাজগুলি সবগুলো কাদারমাদরা নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। আজকে আজকে আপনারা এখানে বসবেন। আমি এখানে দাঁড়াবো। আপনারা শুনবেন। এগুলি সব লেখা হয়েছে মানব সৃষ্টির ৫ হাজার বছর আগে।
এগুলিতে কোন অনির্ধারিত কোন কিছু নেই। তাকদীরে মল্লাক কোন কিছু নাই। মানুষের দৃষ্টিতে আছে আল্লাহর কাছে কোন কিছু অনির্ধারিত নেই। কেউ যদি সেটা মনে করেন সে এখনো তাকদীর উপর ঈমান তার বিশুদ্ধ হয়নি। আল্লাহ তালা আরো বলেন ওলাকলিয়াদি আল্লাহু কানামালা আল্লাহ চেয়েছেন তোমরা একটা জিনিস চেয়েছো যে যারা অর্থবিত্ত নিয়ে এসেছে অর্থাৎ যারা যারা সিরিয়া থেকে যারা সম্পদ নিয়ে আসছে হে আহে সাহাবায়ে কেরাম তোমরা চেয়েছো যে এদের সাথে তোমাদের একটা যুদ্ধ হোক যাতে করে তোমরা গনিমতের মাল পেতে পারো কিন্তু আল্লাহ তালা সেটা চাননি আল্লাহ তালা তাদেরকে পার করে দিলেন মক্কার দিকে। এর বিপরীতে আসলো এমন এক গোষ্ঠী যারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আসলো যুদ্ধ করতে তোমাদের সাথে।
তোমাদের কাছে কোন অস্ত্র নেই। তোমরা কিভাবে যুদ্ধ করবে? আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে মনোবল দিয়েছেন শক্তি দিয়েছেন। পদযুগের স্থিতি দিয়েছেন তাদের সাথে যুদ্ধ করেছে তোমরা। তোমরা চেয়েছিলেন যে তোমরা ওদেরকে পাবে। কিন্তু আল্লাহ আল্লাহ তালা চান যেটা সেটাই কার্যকর হবে। তিনি চেয়েছেন লাকলিয়াদিল্লাহ আল্লাহ যেটা হবার এটা আগে থেকে ফয়সালা করে রেখেছেন তা হচ্ছে মক্কাবাসীদের সাথে তোমাদের যুদ্ধ হবে সিরিয়া থেকে যে মালামাল নিয়ে আসতেছে তাদের সাথে তোমাদের যুদ্ধ হবে না কারণ মক্কাবাসীদের সাথে যুদ্ধ হওয়ার কারণেই হক এবং বাতিলের পার্থক্য নির্ধারিত হয়ে যাবে সুতরাং আল্লাহ তাালার ইচ্ছাই প্রতিফলিত হবে জগতের কারো ইচ্ছার কোন মূল্য এখানে সেখানে নেই আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন সেটাই আল্লাহ তালা কোরআনে কারীমে আরো বলেছেন ওখালাকা কুল্লাশনহুতা তিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে পরিমিত আকারে যেখানে যেটা করা দরকার সেভাবে তিনি সেটা নির্ধারণ করেছেন তখন তিনি নির্ধারণ করেছেন তিনি তার নির্ধারণ অনুসারে সবকিছু চলে এটাই ঈমানদার বিশ্বাস করেন কোরআনে কারীমে আল্লাহ তালা আরো বলেছেন সমাবকাল আলা ওই আল্লাহর
তাসবি পাঠ করুন যিনি সবচেয়ে উপরে তিনি সর্বদিক থেকে উপরে ক্ষমতার দিক থেকে উপরে মর্যাদার দিক থেকে উপরে অবস্থানগত দিক থেকেও তিনি উপরে কারণ তিনি আরশের উপরে আলা তিনি আল্লা সৃষ্টি করেছেন এবং সুষম করেছেন তিনি নির্ধারণ করেছেন কে হেদায়েত পাবে নির্ধারণ করেছেন সৃষ্টি করেছেন কাকে কোন পথে চলতে হবে সেটাও তিনি নির্ধারণ করে দিয়েছেন একটি গোবরে পোকাকেও অতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন সে কিভাবে চলবে একটি পিপড়ার তাকদীর নির্ধারণ করে দিয়েছেন সে আজকে কি খাবে আগামীদিন কি খাবে এইটার নাম হচ্ছে তাকদীর এইটার নাম হচ্ছে তাকদর কোরআনে কারীমে আল্লাহতালা আরো বলেন সবকিছুর ভান্ডার তো আমাদের কাছে আল্লাহর কাছে সবকিছুর ভান্ডার তবে তিনি নাযিল করেন কতটুকু যতটুকু ইচ্ছা অতটুকু শুধুমাত্র নাযিল করে তার ইচ্ছার বাইরে কিছু নাযিল হতে পারে না এজন্য আলেমরা বলে থাকেন যে বৃষ্টি তো আল্লাহর হাতেই তিনি যাকে যখন ইচ্ছা তখন বৃষ্টি দিবেন এজন্য তিনি নির্ধারণ করে দেন কোথায় কতটুকু বৃষ্টি হতে হবে তার নির্ধারণ অনুসারে শুধু বৃষ্টি বৃষ্টিপাত করে নিজের ইচ্ছাকৃত কেউ কিছু করতে পারে না করলেও আমার রবের নির্ধারণ মতেই শুধুমাত্র হবে নিজের ইচ্ছাকৃত কোন কিছু হবে না এজন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্ধারিত নির্ধারণ যে এর বাইরে কেউ যেতে পারে না এইটার নামই হচ্ছে তাকদীরের উপর ঈমান।
সহী মুসলিমে এসেছে তাস ইবনে কাসান সাহাব তাবে বলতেছেন তিনি বলছেন আদনা রাসূল্লাহ সাল্লাল্লাহু তিনি বলছেন আমি যত সাহাবীদের পেয়েছি প্রত্যেককে একটি কথা বলতে শুনেছি সবকিছু পূর্ব থেকে সুনির্ধারিত কোন কিছু অনির্ধারিত নেই। এটাই সাহাবীদের বক্তব্য ছিল। সহী মুসলিমে হাদিসটি এসেছে। তিনি আরো বলেন তিনি আরো তাওস ইবনে কায়সান আরো বলেন সমত আব্দুল্লাহ ইয়াকুল আমি আব্দুল্লাহ ইবনে ওমরকে বলতে শুনেছি কুল্শাদ সবকিছু তাকদীর অনুসারে হয় হাততাল হাইয়া কাইস এমনকি পারঙ্গমতা এবং অপারগতা এটাও আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত। আমি দাঁড়াইতে কতক্ষণ পারবো কখন এইটা হবে কখন অসুস্থ হব সবকিছু আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত আপনার কোন এটা চিন্তা করার কারণ নেই যে আপনি এখন কিছু হচ্ছে এরকম নয় আগে থেকেই তা নির্ধারিত ইমাম মুসলিম হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।
ইমাম মুসলিম আরেকটি হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে তিনি বলেন মুশরিকরা আরবের মুশরিকরা এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তাকদীর নিয়ে তারা ঝগড়া করতে আরম্ভ করলো। সহি মুসলিমের হাদিস। দেখা বোঝা গেল যে সেই সময়ে মুশরিকরা তাকদীরের মাসালায় তাদের বিভ্রান্তি ছিল। এইজন্য রাসূলুল্লাহ সলা সলাম সেটাকে সেটাকে বিশুদ্ধ করে দিয়েছেন। আল্লাহ তালা আয়াত নাযিল করেছেন। আয়াতটা কি? যেদিন তোমাদেরকে জাহান্নামের দিকে টেনে চেহারার উপর দিয়ে টেনে আনা হিয়ে যাওয়া হবে। তাদেরকে বলা হবে ুকুমাাসা জাহান্নামের আগুনের প্রজ্জ্বলিত আগুন আস্বাদন করো অর্থাৎ শাস্তি আস্বাদন করো কারণ তোমরা জেনে রাখো আমি সবকিছু তাকদীর অনুসারে সৃষ্টি করেছি তাকদীর অস্বীকারকারীরা এইজন্য জাহান্নামে যাবে এবং তারা কাফের কোন সন্দেহ নেই তাকদীর অস্বীকারকারীরা কাফের আগে যারা আল্লাহর পূর্বতম তাকদীরকে যারা অস্বীকার করবে তারা কাফের এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ করার কোন কিছু নেই আল্লাহ তাআলা সে আয়াত নাযিল করে আমাদেরকে এ ব্যাপারটি জানিয়ে দিয়েছেন।
তাকদীর কাকে তাকদীর শব্দের আসলে কি বুঝাচ্ছে? তাকদীর শব্দটি মূলত কাদার থেকে আসছে। কাদার এমনে কুদরত বুঝি আমরা। কুদরতের হয়। এজন্য আল্লাহ তাআলা জগতের সবকিছুর উপরে তার কুদরতের যে প্রভাব তার কুদরত দিয়ে যা নিয়ন্ত্রণ করছেন যা নির্ধারণ করে দিয়েছেন সেটার সেটাই হচ্ছে তাকদীর এজন তাকদীর বুঝতে আপনার জন্য কঠিন হওয়ার কিছু নয় যখন আপনি আল্লাহ তাআালার সর্বময় ক্ষমতা বুঝবেন সর্বময় ক্ষমতা অর্থই হচ্ছে তিনি সবকিছু করতে পারেন সবকিছু করেছেন তাকে কেউ অপার করে দিতে পারে না মাইয়াশা যা ইচ্ছা তিনি তাই করেন। এজন্য তার নামের মধ্যে আছে আল কাদির। তা নামের মধ্যে আছে আল কাদির। তার নামের মধ্যে আছে আল মুক্তাদির।
আর তার গুণের মধ্যে আছে আল কুদরা। এই কুদরা গুণটি তারা পূর্ববর্তী পূর্বতা কাদারিয়ারা ছাড়া অর্থাৎ কাদারিয়া এবং মুতাজিলারা ছাড়া কেউ অস্বীকার করেনি। সবাই স্বীকার করেছে। কারণ কুদরত যদি স্বীকার না করা হয় রব্বুল আলামীনের জন্য কিছুই স্বীকার করা হয়নি। তিনি সবকিছু সৃষ্টি করার করেছেন ক্ষমতায়। সবকিছু তার ক্ষমতায় সৃষ্টি করেছেন। সব নির্ধারণ করেছে ক্ষমতায়। সবাইকে যা দিচ্ছেন তার ক্ষমতায়। সুতরাং আল্লাহর জন্য কুদরত যে ব্যক্তি সাব্যস্ত করবে সে ব্যক্তি তাকদীর সাব্যস্ত করতে তার কোন অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল তাকদীর সম্পর্কে। তিনি বলেছেন আল কাদর কুদরতুল্লাহ। তাকদীর হচ্ছে আল্লাহর কুদরত। আল্লাহর কুদরতের বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে তাকদীর।
অর্থাৎ আল্লাহর তাকদীর লিখেছেন সেটার আমাদের মধ্যে সেটার প্রভাব পড়ছে। কারণ তিনি কাদির। তিনি কাদের। তিনি কুদরত আল কুদরতুল কামেলা। তারই শুধুমাত্র আছে। দুনিয়ার কেউ যদি তার কুদরতুল কামেলা নিয়ে টানাটানি করে সে ব্যক্তি মুশরিক হয়, তাগুত হয় সে ব্যক্তি। কারণ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হচ্ছে রাব্বুল আলামীন। এজন্য কেন জাদুকরকে তাগুত বানানো হয়েছে এটা যদি বুঝতেন তাহলে বুঝতেন যে তাকদীরের মাসালাতে জাদুকরের সমস্যা জাদুকর মনে করে সব করতে পারে। অথচ একমাত্র কুদতুল কামেলা রাব্বুল আলামীনের আল্লাহর কোন বৈশিষ্ট্য যে ব্যক্তি দাবি করবে সে ব্যক্তি তাগুত। আল্লাহর রুবুবিয়াতের বৈশিষ্ট্য হোক, উলুহিয়াতের বৈশিষ্ট্য হোক অথবা আসমা সিফাতের বৈশিষ্ট্য হোক সে ব্যক্তি তাগুত হবে।
এজন্য যাদেরকে পাঁচটি তাওদের কথা শাইখুল ইসলাম মহমদ আব্দুল ওহাব উল্লেখ করেছেন এগুলি সবগুলি তাকাবেন দেখবেন যে এগুলি হয় আল্লাহর রুবুবিয়াতের বৈশিষ্ট্য না হয় আসমা সিফাতের বৈশিষ্ট্য না হয় উলুহিয়াতের বৈশিষ্ট্য এই পাঁচটি তাগুত শেষ নয় এর বাইরে আরো বহু তাওহীদ আছে এই পাঁচটি তাগুতকে আপনি মনে রাখতে হবে এজন্য এগুলি হচ্ছে বর্তমান বা এই সমাজের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত সেজন্য শাইখুল ইসলাম মহুদ আব্দুল হব রহমতুল্লাহ আলাইহি তিনি এই পাঁচটি তাগুতের কথা বর্ণনা করেছেন। আমাদেরকে সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম যদি কেউ তাকদীর অস্বীকার করে সে ব্যক্তি আল্লাহর কুদরতকে অস্বীকার করল।
যারা আ যারা তাকদীর অস্বীকার করে এদের মধ্যে বিখ্যাত গোষ্ঠী যারা চলে গেছে তারা কেউ স্পষ্ট আল্লাহর কুদরত অস্বীকার করেছে কেউ অস্পষ্টভাবে প্রচ্ছন্নভাবে অথবা বিভিন্ন রকমের শব্দের ফুলজুরি দিয়ে তারা আল্লাহর কুদরতকে অস্বীকার করেছে আর যারা আল্লাহর তাকদীরকে অস্বীকার করে তারা আল্লাহর তাওহীদ বাস্তবায়ন করতে পারেনি এজন্য সালাফরা বলতেন আল কাদরু নিজামুত তাওহীদ তাওহীদকে কে সুশৃঙ্খল করে তাকদীর উপর ঈমান যে ব্যক্তি তাকদীর উপর ঈমান আনেনি তার তাওহীদ বিশুদ্ধ হয়নি সুতরাং তাকদীর উপর ঈমান আমাদের আনতে হবে আমি তাকদর তাকদীর উপর ঈমান সংক্রান্ত একটা ইতিহাস আপনাদেরকে জানাতে চাই ইতিহাসটা জানাবে এইজন্য যাতে করে এই বিষয়ে তাকদীরের মাসালাতে আপনাদের একটি ভালো একটি ভালো এলেম জ্ঞান এসে যায় এ বিষয়ে আপনাদের আপনারা এলমের মধ্যে থাকেন কখনো না জেনে কথা না বলেন কথা জেনে শুনে বলতে হয় কারণ আল্লাহ তালা আমাদেরকে নিষেধ করেছেন ওয়ালাইসলা ইন্না এবং আল্লাহতালা যে জিনিস হারাম করেছেন তার মধ্যে একটা হচ্ছে আল্লাহতালাম না জেনে আল্লাহর উপর কথা বলা এটা
একটা বড় গুনাহর অন্তর্ভুক্ত তাকদর ইতিহাসের মধ্যে আমরা একটা ঘটনা পাই শুধুমাত্র একদিন রাসূুল্লাহ যুগে একটি ঘটনা উল্লেখ করছি প্রথম প্রথম ঘটনাটি আমি আট ১০টি ঘটনা উল্লেখ করব ১০টি বিষয় উল্লেখ করব ১০টি পয়েন্টে উল্লেখ করব প্রথমেই একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম বের হয়ে দেখলেন সাহাবায়ে কেরাম তাকদীর নিয়ে একটা একটার বিরুদ্ধে লাগিয়ে কথা বলতেছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের চেহারা লাল হয়ে গেল এবং তার চেহারায় যেন হাব্বুর রুমমান অর্থাৎ আনারের যে দানা তার মত লাল অবস্থা তৈরি হল সাহাবায়ে কেরাম ভয় পেয়ে গেলেন রাসূুল্লাহ সাল্লা তখন বললেন আবিহাদা এইভাবে ভাবে একতের বিরুদ্ধে একটা লাগিয়ে দেয়ার জন্য তোমাদেরকে আদেশ দেয়া হয়েছে আমবিহাজলাইকুম নাকি এইটা এই যে ঝগড়া বিবাদের জন্য তোমাদেরকে আমাদের আমাকে তোমাদের কাছে প্রেরিত হয়েছে কখনো না ইন্নামালা তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিরা যখন এই বিষয়ে এই বিষয়ে যখন বাড়াবাড়ি করেছে তখন তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে ইহুদি নাসারারা এই বিষয়ে পথভ্রষ্ট হয়েছে আরবের মুশরেকরা এই বিষয়ে পথভ্রষ্ট হয়েছে।
এই তাকদীরের মাসআলাতে আজও মানুষের ভিতরে ধোয়াসা রয়েছে। অনেকেই তাকদীরের মাসলাতে পালিয়ে বেড়ান। না একটার বিরুদ্ধে একটা লাগিয়ে দিবেন না। কিন্তু কোরআন এবং সুন্নাহ যা বলেছে এবং আমাদের সফরা যা বলেছে তা বলার ক্ষেত্রে পালিয়ে বেড়ার বৈধতা নেই। আপনাকে স্পষ্ট থাকতে হবে তাকদীরের মাসআলায়। ঈমানের মাসআলায় স্পষ্টতা জরুরি। তাকদীর ঈমানেরই একটি অংশ। সুতরাং এখানে স্পষ্ট জানতে হবে। এখান থেকে পালিয়ে বেড়ানো বৈধতা নেই। অনেকে যেটা মনে করেন যে এখানে আলোচনা করলে পথভবষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা আলোচনা করব না। আলোচনা করবেন। কিন্তু যেই আলোচনা করবেন না সেটা হচ্ছে একটার বিরুদ্ধে একটি লাগিয়ে দেয়ার কাজ নয়। বরং সালাফরা যা বলেছেন এবং কোরআন এবং সুন্নাহ থেকে যা স্পষ্ট হয় সেটা আপনাকে ঈমান রাখতে হবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম তিনি রাগ করলেন। এরপর তিনি বললেন আজমত আলাইকুম আল্লাতাফি তোমাদের উপরে আমি এটা বাধ্য করে দিলাম যে তোমরা এ বিষয়ে কোন ঝগড়ায় লিপ্ত হবে না। আল্লাহ তাআলা যা বলেছেন তাই মানবে। অর্থাৎ আল্লাহ সব নির্ধারণ করে দিয়েছেন এটার উপর ঈমান রাখবে। কোরআন এবং হাদিস যা বলা হয়েছে। ইমাম তিরমিজী হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং হাদিসটি সহি। দ্বিতীয় আরেকটি ঘটনা উল্লেখ করছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার পর পর্যন্ত আর কোনদিন কোন সাহাবী তাকদীর নিয়ে কোনদিন ঝগড়া করেননি। আপনারা জানেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কোন বিষয়ে সাহাবায়ে কেরামকে নিষেধ করলে এই বিষয়ে তারা মনে করতেন যে এটা কোনভাবেই করার সুযোগ নাই।
এজন্য তারা এই বিষয়ে ঝগড়া করেননি কোনদিনই। তাদের উপর ঈমান এনে চলে গেছে। সাহাবায়ে কেরামের যুগ যখন আসলো অর্থাৎ খলিফাদের যুগ যখন আসলো আবু বকরের যুগ পর্যন্ত আবু বকর যুগ স্বল্পকালীন যুগ। এই যুগেই এই জাতীয় কোন কিছু ঘটেনি। এ যুগ কোন কিছু ঘটেনি। যখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঘটনা আসলো তখন শুধুমাত্র একটি ঘটনা আপনাদের কাছে উল্লেখ করছি বা একটি বা দুটি ঘটনা। ওমর রাদিয়াল্লাহ আনহুর সময়ে তিনি একবার সিরিয়া যাচ্ছিলেন। ওমর রাদি তিনি একবার সিরিয়া যাচ্ছিলেন। কারণ তখনকার বাইতুল মাকদাসের অধিবাসী যারা তারা শর্ত করেছিল যে খলিফাতুল মুসলিমিন আসলে শুধুমাত্র আমরা শহরের চাবি তার কাছে হস্তান্তর করব। সেজন্য তিনি আবু ওবায়দা ইবনুল জাররাহ আবু উবায়দা আমর ইবনুল জাররাহ তিনি তখন সেখানকার সেনাপতি ছিলেন।
তিনি খলিফাতুল মুসলিমিনের কাছে লিখলেন আপনি আসুন। আপনি আসলেই এখানে জয়ের একটা জয় জয়কার অবস্থা হবে। আমিরুল মুমিনিন তিনি রওনা হয়ে গেলেন যে তিনি সিরিয়া যাবেন। যাওয়ার পরে এক পথিমধ্যে এমন এক জায়গায় গেলেন যেখানে যাওয়ার পরে তাকে জানানো হলো যে সিরিয়াতে তাউন নেমেছে। মহামারি নেমেছে। আর মহামারি নামার ক্ষেত্রে তিনি চিন্তা করলেন কি করা যায়। তিনি সেখানে অবস্থান করে পথে অবস্থান করেছে। যাবেন কি যাবেন না চিন্তা করছেন। কারণ আল্লাহ তাআলা তাকে মূলম বানিয়েছেন ওমর রাদিয়াল্লাহ আনহুকে। তার মধ্যে এলহাম হয়েছে যে যাওয়া ঠিক হবে না। তখন আবু ওবায়দা আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু ইবন জাররা রাদিয়াল্লাহ আনহু তিনি ১০ জন ১০ জনের একজন ১০ জন যাদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দেয়া হয়েছে।
তিনি তখন বললেন যে খলিফা আমিরুল মুমিনন আপনি কি আল্লাহর তাকদীর থেকে পালাচ্ছেন? আল্লাহ নির্ধারণ করেছে যদি ওখানে মরবেন মরবেন। আপনি আসছেন না কেন? আপনি আসছেন না কেন? এ কথা শুনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন যে লাগাইরা আবুবাদা তুমি যদি তুমি না অন্য কেউ বললে ভালো হতো তোমার মত জ্ঞানী ব্যক্তি এই কথাটা বলা ঠিক হয়নি তারপর তিনি উদাহরণ দিলেন তারপর তিনি বললেন নাফললা আল্লাহর এক তাকদীর থেকে আরেক তাকদীরের দিকে যাচ্ছি সবই আল্লাহর নির্ধারণ আমি খুঁজে দেখব কোথায় আমার জন্য ভালো দেখতে পাচ্ছি সেদিকে যাব তার উদাহরণ দিলেন ইনকানালাকন হাবাদিল্লাহ তুমি যদি কোন উপত্যকায় তোমার উট নিয়ে অবতরণ করো সেখানে যদি দুইটা ভাগ থাকে এক ভাগে থাকেশ্য শ্যামল ঘাস আরেক আরেক ভাগে কিছুই না থাকে আর তুমি যদি পছন্দ করে শস্য শ্যামল ঘাসের দিকে যাও তাহলে কি আল্লাহর তাকদীর থেকে পলায়ন করলে নাকি আল্লাহর তাকদীরের পথেই আছো আল্লাহর তাকদীরের মধ্যেই আছি আমি আমরা সবাই আল্লাহর তাকদীরের মধ্যেই আছি আমার
বিবেক যতটুকু সুন্দর দেখছে শরীয়ার বাইরে যাচ্ছে না অতটুকু আমাকে পছন্দ করতে বলা হয়েছে আল্লাহর তাকদীর যে কোনটা আমার জন্য নির্ধারণ করেছে আমি অগ্রিম বলতে পারো না আমি আমার বিবেক দিয়ে বুঝছি এটা ভালো এদিকে যাচ্ছি এটা তাকদীর থেকে পলায়ন নয় এটা এখন সহজে বুঝতে পারেন রাস্তার মধ্যে গাড়ি আসছে আপনি রওনা হয়েছেন আপনি যদি বলেন যে তাকদীরে আসছে হাঁটা শুরু করে দেই তো মরতে দেরি হবে না আর যদি বলেন যে না তাকদীরে আসছে ঠিক আছে আমাকেও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে শরীয়ত বলেছে শরীয়তের নিয়ম অনুসারে আমি চলি তাহলে আপনার আর কোন ভয়ের কোন কারণে এটাও তাকদীর এটাও মোকাদ্দার এটাও আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত এমন সময় দাঁড়ালেন আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু তিনি দাঁড়িয়ে বললেন যে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের কাছে বলতে শুনেছি তিনি বলেছেন কোথাও যদি কোন মহামারী আসে সেখানে তোমরা ঢুকবে না আর কোথাও থেকে মহামারী যেখানে তোমাদের বাসস্থানের কাছে এসে গেলে সেখান থেকে আর পালাবে না ওমর আলহামদুলিল্লাহ যে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের নির্দেশনাকে প্রতিপালন করতে পেরেছি তো তিনি তো মুরহাম ছিলেন।
এজন্য সে একটি ঘটনা আমাদের জন্য একটা বিরাট পথ উন্মোচন করে দিয়েছে যে তাকদীর নাই সেটা নয়। তাকদীর নির্ধারিত আছে। আমাকে আল্লাহ তার শরীয়ত দিয়ে নিয়ন্ত্রণ নিতে বলেছে। আল্লাহর শরীয়ত অনুসারে আমাকে চলতে হবে। তাকদীর সব নির্ধারিত। আমি কি নির্ধারিত আমি জানি না। আমার দায়িত্ব হচ্ছে শরীয়ত দিয়ে চলতে বলেছে। শরীয়ত অনুসারে চলবো। শরীয়ত যেহেতু বলেছে যে যেখানে তাউন হলে মহামারি হলে সেখানে যেও না আমি যাচ্ছি না। এই নয় যে আমি তাকদীর থেকে পালাচ্ছি এরকম কোন বক্তব্য নয়। বরং আল্লাহ তাআলা শরীয়ত যেটা দিয়েছেন সেটার উপরে আমি শুধুমাত্র দুনিয়াতে চলবো। আর তাকদীরকে ঈমান রাখবো যে সবই নির্ধারিত। আমি এদিকে চললেই যে মরবো না তা নয়।
এদিকেও মৃত্যু আছে। ওদিকে চললেও মৃত্যু আছে। মৃত্যু আমার হবেই। কিন্তু আমাকে আল্লাহর শরীয়ত মত চলতে আমাকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইমাম বুখারী হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। অর্থাৎ এই ঘটনা পুরাটা ইমাম বুখারী রহমাতুল্লাহ আলাই তার সহিতে বর্ণনা করেছেন। যেটা আমরা একটু আগে বললাম অর্থাৎ ইমাম ওমর রাদিয়াল্লাহু এই ঘটনাটি। আরেকটি ঘটনা ইমাম লালেকাই রহমাতুল্লাহ আলাই তার সারে উসরা এতেকা আহলে সুন্নাহ। এই কিতাবটি একটি মহা মূল্যবান গ্রন্থ। যাদের কাছে আছে তারা মনে করবেন যে একটা এমন একটা ভান্ডার তার কাছে আছে তার আকিদা বিশুদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে আর বড় ধরনের বইয়ে তার প্রয়োজন হবে না এরকম একটা বিশাল গ্রন্থ বিশাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ ইমাম লালকা রহমাতুল্লাহ আলাই গ্রন্থের মধ্যে তিনি উল্লেখ করেন ওমর রাদিয়াল্লাহ আনহু যখন যাচ্ছিলেন সিরিয়া আরেকটা ঘটনা সেখানে যাইয়ে তিনি জাবিয়াতে নামলেন জাবিয়াতে সেখানে সিরিয়ার একটি ভূমি সেখানে নেমে তিনি খুতবা দিলেন মানুষদেরকে ভাষণ দিচ্ছেন হয়তো জুমার খুতবা অন্য কোন খতবা তিনি বললেন যখন আমরা যেমন প্রতিদিন বলি খুতবাতে
মাইল ফালাহাদিয়ালা তো তিনি বললেন মাইদিল্লাহাদিয়ালা কেউ যদি কোন আল্লাহ যদি কোন কাউকে পথভ্রষ্ট করে তাকে কেউ হেদায়েত দিতে পারে না আল্লাহ যদি কাউকে পথভ্রষ্ট করে কেউ তাকে হেদায়েত দিতে পারে না এ কথা বলার পরে তখন সেখানে নাসারাদের বড় পুরোহিত ছিল যাকে বলে আপনারা কি বলেন যাকে বলা হয় যে নাসারাদের বড় পাদ্রী ছিল সে জাসলিক বলে সে বলল যে লাফ দিয়ে উঠে বলে আল্লাহ কাউকে পথভ্রষ্ট করেন না মানে সে তাকদীরের ক্ষেত্রে তারা পথভ্রষ্ট এজন্য তারা নিজেরা বলতেছে আল্লাহ কাউকে পথভ্রষ্ট করেন না যখন বারবার আয়াতটা যখন সে বাধা দিল তিনি আরো কয়েকবার পড়লেন কারণ তিনি আকিদা বিশুদ্ধ করে না করে যাবেন না এজন্য তিনি বারবার পড়তে লাগলেন আল্লাহ কাউকে পথভ্রষ্ট করলে তারা কোন হেদায়েত পাবে আল্লাহ কোরআনে পথভ্রষ্ট তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু বারবার এটার করার পরে তখন ওই ব্যক্তি কাপড় ঝাড়া আরম্ভ করলেন অর্থাৎ কাপড় উঠে চলে যাবেন এরকম অবস্থা তখন অনুবাদ করে দেয়া হল কারণ তার বক্তব্য
বুঝেন না অনুবাদ করে দেয়ার পরে তিনি বললেন আল্লাহর দুশমন তুমি মিথ্যাচার করছো তুমি মিথ্যাচার করছো আল্লাহ তোমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আল্লাহ তোমাকে পথভ্রষ্ট করেছেন এবং তোমাকে মৃত্যু দিবেন এবং তোমাকে যদি তিনি চান জাহান্নামে প্রবেশ করবেন এখানে তিনি বলেন জাহান্নামে যাবে হয়তো ঈমান আনতেও পারে আল্লাহ যদি চান হয়তো শেষে ঈমান আনতে পারো তুমি এজন্য তিনি জানিয়ে দিলেন যে সবকিছু নির্ধারিত তুমি যে এখন যে পথে আছো এটা পথভদ্রষ্টতা তুমি যখন আবার ঈমান আনবে আবার আল্লাহ সন্তুষ্ট ঢুকতে পারবে এজন্য আল্লাহ যখন ঈমান আনে কেউ তার উপর তিনি সন্তুষ্ট হন যখন সে খারাপ পথে চলে আল্লাহ তার উপর তিনি রাগ করেন এজন্য লানতও করেন ঈমানদারের মধ্যে কেউ যদি কোন অপকর্ম করে লানতের কথা হাদিসে আসছে কারণ বোঝা গেল আল্লাহ তখন তার উপরে প্রধানত হন সুতরাং এটার উপর ঈমান আনতে হবে যে আল্লাহ তাআলা পথভ্রষ্ট করেন অনেকে আছে এই কথা বলতে চান না আল্লাহ তালা পথভ্রষ্ট করেন আমরা প্রতি খুতবাতেই
বলি অর্থ যদি বুঝতেন তাহলে তাকদীর আপনার শুদ্ধ হয়ে যাবে ইনশল্লাহ এজন্য তারপর তিনি বললেন ইন্নাল্লাহ আল্লাহতালা যখন সমস্ত সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করলেন খালাকা এবং তিনি আরো বললেন হনা খালাকা আদম তখন তিনি আদমকে যখন সৃষ্টি করলেন তারপরে নাসারাফিহ তার তার হাতে আদম সন্তানগুলোকে নিলেন বিক্ষিপ্ত কার হাতে আল্লাহর হাতে আল্লাহর হাত আছে আমরা স্বীকৃতি স্বীকৃতি দেই জান্নালুন এবং তিনি লিখলেন জান্নাতি কারা হবে এবং জাহান্নামী কারা হবে সেটাও তিনি লিখে দিলেন সুম্মা কলা তারপর তিনি বললেন হা উলালিহাজহি ওহা উলাহা আল্লাহ তালা বললেন তার এই হাতের গুলি জাহান্নামীদের জন্য এই হাতের গুলি জাহান্নামীদের জন্য ঈমানদার আগে থেকেই ভয় পায় আমরা ভয় পাই কোথায় যাব জান্নাতে যাব না জাহান্নামে যাই ভয় করি আমাদের সলবে সালিন ভয় করতেন এটা আমরা আল্লাহর কোন হাতে ছিলাম যখন তিনি বলেছিলেন এদেরকে জাহান্নামের জন্য এদেরকে জান্নাতের জন্য আমরা জানিনা কোন হাতে ছিলাম সেই ভয়ে আমরা কম্পান থাকা উচিত।
কোথায় যাব এটা তো নির্ধারিত হয়েই আছে। কিন্তু আগে থেকে এই ভয়টা করা উচিত। আমি কোন হাতে ছিলাম এবং সেজন্য চেষ্টা করা উচিত আমি যেন আল্লাহ তাআালার জান্নাতির যে জান্নাতি যাদেরকে বলে তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারি। সারাজীবন চেষ্টা করে যেতে হবে। কখনো বলা যাবে না। এখন বোধহয় আমার আর কোন চিন্তা নাই। এমন কথা কখনো বলা যাবে না। ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহমতুল্লাহ আলাইকে বলা হয়েছিল। জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। কখন একজন ঈমানদার বলতে আর কোন ভয় নাই।
তিনি বললেন যখন জান্নাতে একটি পা রাখবে এর আগ পর্যন্ত শুধু ভয় আর ভয় এর আগ পর্যন্ত প্রত্যেক জায়গাতে ভয় হাশরের মাঠের ভয় পুলসিরাত পার হইতে ভয় জান্নাতে পা রাখলে আর পিছনের দিকে ফেরার কোন সুযোগ নাই আলহামদুলিল্লাহ সেই পর্যন্ত ঈমানদার ভয়ের মধ্যে থাকবে এবং আশার মধ্যে থাকবে একদিকে আশা করবে আমি ঈমান এনেছি আরেকদিকে ভয় করবে কখন না আমার ঈমান চলে যায় আমি জানিনা আমার কোন হাতের মধ্যে ছিলাম আমি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের এই সবই নির্ধারিত আগে থেকে সব নির্ধারিত এটুকু বলার পরে ইমাম লাকাই রহমতুল্লাহ আলাই বলেন হাদিসের মধ্যে এসেছে তাফাররাকনাস মানুষ সেই সময় ওমর রাদি বক্তব্য শুনে আলাদা হয়ে গেলেন তাকদরের ক্ষেত্রে দুইজন আর কোনদিন মতভেদ করেনি ওমরের ভয়ে অর্থাৎ তারা বুঝে গেছে তাকদীর কি জিনিস কারণ সাহাবায়ে কেরামের চেয়ে সাধারণ মানুষকে জানানো বেশি দরকার সাহাবায়ে কেরাম তো রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম তাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন আর এত বড় এত বড় শিক্ষক তারা পেয়েছেন কিন্তু পরবর্তী জেনারেশনের জন্য সাহাবায়ে কেরাম ছিলেন শিক্ষক।
তারা তাদেরকে সঠিক পথটি দেখিয়েছেন। তিনটি ঘটনা আমি বললাম। চার নম্বর এখন আসুক কখন এই উম্মতের মধ্যে তাকদীর অস্বীকারের সূত্রপাত হয় আমি সেটা উল্লেখ করছি। প্রথম যে তাকদীর অস্বীকার করেছে কেউ ছিল বসরাবাসী। তাকদীর নিয়ে কথা বলেছে। বসরাবাসীদের একজন তার নাম সে এক মুদি দোকানে চাকরি করত। তার নাম ছিল সেনসাও। ইমাম আউজাী রহমাতুল্লাহ আলাই বলেন তিনি ইমাম এবং তিনি বুখারীর একজন বর্ণনাকারী তিনি ইমাম এবং তিনি ইমাম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহ আলাইর সমসাময়িক আবু হানিফা ১৫০ এ মারা গেছে তিনি ১৫৮ অথবা ৫৭ তে মারা গেছেন ইমাম আউজ রহমতুল্লাহ আলাই বলেন যে তার নাম সুসান অর্থাৎ কেউ বলছে সানস কেউ বলছে সুসান সে নাসরানী ছিল নাসরানীরা কি করে তাকদীর আল্লাহ মন্দ নির্ধারণ করা অস্বীকার করে তো সেইজন্য সে নাসরানী ছিল ইসলাম গ্রহণ করছে আবার নাসরানি হয়ে গেছে।
অর্থাৎ সে তার ইসলামের প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারেনি। তো সে সর্বপ্রথম তাকদীর নিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলেছে। তারপর তার থেকে নিয়েছে মারবাদ আল জুহানী। মারবাদ আল জুহানীর এই ঘটনাটি সহী মুসলিমের আপনারা পাবেন আট নম্বর হাদিসে। মানে যদি কিতাবুল ঈমানের প্রথম হাদিস। আর প্রথম থেকে হিসাব করলে এটা আট নম্বর হাদিস হয়। মানে যেহেতু মুকাদ্দিনের মধ্যে কিছু হাদিস আছে। প্রথম হাদিসের মধ্যে উল্লেখ করেছেন সেটা কি? দুইজন তাবেরি রওনা হয়েছে মক্কায় হজে যাবে। তারা তখন চিন্তা করল যে মক্কাতে হজে যাচ্ছি যদি আমরা কোন সাহাবীকে পেয়ে যেতাম। কারণ তাবেঈরা খুবই উদগ্রিপ থাকতেন কোন সাহাবীকে পাওয়ার জন্য। তারা মক্কায় এসে খুঁজতে খুঁজতে দেখলেন যে আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি মসজিদে আছেন।
তিনি তাকে তারা তাকে বললেন যে আমরা আপনার কাছে এসেছি। তিনি তো অন্ধ হয়ে গিয়েছেন চোখে দেখতে পান না। তিনি আপনার কাছে এসেছি। বলে কি জন্য এসেছো? বলে এসেছি আমাদের এখানে কিছু লোক বলছে আল আমর যে সবকিছু একম এখন ঘটে। আগে কোনদিন নির্ধারিত কিছু ছিল না। অর্থাৎ হজম অবস্থা তারা মনে করছে। এমনি সবকিছু ঘটে যায়। তখন তিনি বললেন যে কে বলেছে এটা তোমাদেরকে? বলে আমাদের এলাকাতে অর্থাৎ বসরাতে কিছু লোক সেটা বলছে। তিনি বললেন তাকে ধরে আনো। আমি তার নাক ছিড়ে ফেলব। মানে রেগে গেলেন তিনি। কারণ তাকদীরের উপর এটা বললে তো তাকদীর ঈমান থাকে না। এবং কাফের হয়ে যায়।
সুতরাং তিনি রেগে গেলেন। তার রেগে যাওয়াটা প্রমাণ করে তাকদীরের মাসআলা সহ আকিদার কোন মাসআলাতে কোন রকমের ছাড় চলে না। সেখানে আপনাকে কঠোর হতেই হবে। সেখানে আপনার যদি কোন বলেন যে কিছু মানি কিছু মানি না বা অসুবিধা নাই তারাও ভাই আমাদের মুসলিম ভাই। তো আপনি দ্বীনের দ্বীন দ্বীনের সাথে আপনি বেওফাই করলেন। আপনি দ্বীনের সাথে গাদ্দারি করলেন। আপনি আল্লাহর দ্বীনকে রক্ষা করার চেষ্টা করলেন না। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু খুবই খেপে গেলেন এবং তিনি বললেন খুবই খেপে গেলেন তিনি বললেন যে নিয়ে আসো তাকে। আমি তার নাক ছিড়ে ফেলব। তোমার যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা যা আল্লাহ তালা সবকিছু নির্ধারণ করেছেন এটা যদি ততক্ষণ ঈমান না আনবে সে ব্যক্তি ঈমানদার হইতে পারবে না।
তারপর তিনি হাদিস জিবরীলটা পরিপূর্ণভাবে তিনি সেখানে উল্লেখ করলেন। এই ঘটনাটা আমাদেরকে জানাচ্ছে সাহাবায়ে কেরাম আকিদা এবং মানহাজের মাসলাতে সামান্যতম ছাড় দিতে রাজি ছিলেন না। এ ছিল প্রথম যারা অস্বীকার করেছে। এ দ্বিতীয় অস্বীকার করেছে। দ্বিতীয়বার অস্বীকার করেছে। পঞ্চম যে মাসলা বলছে সেটা হচ্ছে মারবাদল জুহানী থেকে এইটা নিয়েছে গাইলান দেমাশকি গায়লানা দেমাশকি এর পরে আসছে মারবাদ জুহানী প্রথম ছিল গাইলা দেমাকি বনে উমাইয়াদের আমলে ছিল তার সাথে যে ঘটনা সেটা ইনশল্লাহ আমরা পরে উল্লেখ করব সেটা হচ্ছে খলিফাতুল মুসলিমিন ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের সাথে তার কিছু ঘটনা ঘটেছে সেই ঘটনাগুলো আমরা উল্লেখ করব যাতে যেখানে খলিফাতুল মুসলিমিন ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রহমাতুল্লাহ আলাইহি তিনি তাকে সঠিক পথ দেখাতে চেয়েছেন সে তার কাছে স্বীকারও করেছে পরে আবার সে তার পথসতায় ফিরে গিয়েছে।
সেই সময় যারা জীবিত ছিলেন অর্থাৎ গাইলান্দিমাশী এবং মাবাদল জুহানী যারা তাকদীর অস্বীকারকারী ছিল এদের বিরুদ্ধে সেই সময় পর্বত সম অবস্থান নিয়েছেন একটা পর্বতের মত তারা এ বিরুদ্ধে কথা বলেছেন তাদের মধ্যে বিখ্যাত ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস আর ওয়াসালা ইবনে আসকা রাদিয়াল্লাহু আনহু জাবর ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু আবু হুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু এরা সবাই ছিলেন বয়সে নবীন সাহাবী কারণ তখন তারা জীবিত ছিলেন এই জন্য অন্য সাহাবীরা জীব থাকলে যে বিরোধিতা করতেন না তা নয়। তাকদীর অস্বীকার করে যে কাফের এবং তারা যে মাজুসহাজুল উম্মাহ এই কথাটি তখন এই সাহাবায়ে কেরাম তাদেরকে কঠিনভাবে বলে তাই এই ফেতনা থেকে উম্মতকে তারা রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন ষষ্ঠ যে জিনিসটি এর বিপরীতে আসছে পরবর্তীতে।
বিপরীতে নয় সেটাই আসলো। তাদের ইমতেদা যেটাকে বলা হয় ধারাবাহিকতা চলছিল অস্বীকারের। তারা আসছে প্রথম আসছে ওয়াসল বিন আতা মতাজলাদের গ্রুপ সে এসে সর্বপ্রথম বলল আল্লাহ তাআলা নির্ধারণ করেছে তবে খারাপ নির্ধারণ করেন নাই শুধু ভালোটা নির্ধারণ করেছে আমাদের কিছু মানুষ যেভাবে বলে তাকদীর ময়ল্লাক আছে মবরাম আছে এভাবে ভাগ করে লটকে আছে কিছুটা অনির্ধারিত কিছু নির্ধারিত বলতেছে না সবই নির্ধারিত কুল্ সরি ওয়া কাবির মুস্তা ছোট বড় সবই নির্ধারিত ঠিক তখনও একদল বলছিল যে ভালোটা নির্ধারিত খারাপটা নির্ধারিত না এরা বলতে চাচ্ছে এটা যে বান্দারা নিজেরাই তাদের খারাপটা নির্ধারণ করে নেয়। এটা কিরকম হয়েছে? এটা হচ্ছে মাজুসদের মত। মাজুসরা কি বলে? আল্লাহ তালা শুধু নূর ভালোটা নির্ধারণ করেছেন।
খারাপটা বান্দা নির্ধারণ করে। একই কথায় খালকুলার। একই কথায় বলেন সাহাবায়ে কেরাম বলতেন আল কাদারিয়াতু মাজুস উম্মা। এ উম্মতের জন্য তারা মাজুস। অর্থাৎ তারা মাজুসিদের অগ্নি উপাসকদের পারসিক তাদের বিভিন্ন নাম এদের মতই তারা চলাফেরা করে তাদের মতই তারা বিশ্বাস করে এবং তারা এটাও বলতো যে আল্লাহ তাআলা আল্লাহ এবং তাদের মধ্যে পরবর্তীতে একটা গুষ্টি আসলো তারা বলল মুতাজিলাদের মধ্যে যে আল্লাহ বান্দা নিজের কর্ম নিজেই সৃষ্টি করে নিজের কর্ম নিজেই সৃষ্টি করে এরপর এটা বুঝাতে হল ভালো মন্দ সবটাই তারা করে হয়ে গেল এবং পরিপূর্ণভাবে তাকদীর অস্বীকারকারী এভাবে চলতে থাকল এরপর আসে নাজ্জাম, আল মুতাজিলাদের আরেক গোষ্ঠী। সে বলল যে আল্লাহ তাআলাকে তখন কিন্তু আল্লাহর তাকদির আল্লাহর কুদরতুল কামেলাকে সিফাতকে অস্বীকার কেউ করে নাই।
কিন্তু এইখানে এসে নাজ্জাম সর্বপ্রথম বলল যে আল্লাহকে কুদরত খারাপ করতে পারে এই কুদরত আল্লাহর আছে বলে কোন স্বীকার করা যাবে না। অর্থাৎ আল্লাহর কুদরতকে অস্বীকার করে বসল সে নাজমদের মধ্যে। এবং এটাই বলল যে খারাপের উপর আল্লাহর কোন ক্ষমতা নাই। মিলাহা এটা উল্লেখ করেছেন শাহসান। এর অর্থ হচ্ছে এরা হচ্ছে মূলত কাদারিয়া। যারা তাকদীরকে অস্বীকারকারী কারণ তারা তাকদীরকে অস্বীকার করেছে তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলতো আমরা তো কাদারিয়া তোমরাই কাদারিয়া কারণ তোমরা তাকদীর মান আমরা তাদের মানি না কিন্তু নিয়ম হচ্ছে যারা তাকদীরকে অস্বীকার করে নিজেদের জন্য তাকদীর সাব্যস্ত করেছে এজন্য কাদারিয়া হয়েছে কারণ তারা মনে তারাই নিজেরাই সবকিছু করে তারা নিজেরাই সবকিছু করে এজন্য সেটাকে অস্বীকার করে যে তাদেরকে কাদারিয়া নামকরণ করে তোমরা নিজেদের তাকদর তোমরা হাতে নিচ্ছ মনে নিজেরা দাবি করছে তোমরা করতে পারো এজন্য রাসূুল্লাহ সলা থেকে হাদিস অনেকেই সহী বলেছেন এ উম্মতের মধ্যে তারা তাকদীর অস্বীকার করবে তারা মাজুসদের অন্তর্ভুক্ত হবে এ অবস্থা ছিল তখন
তাকদীর অস্বীকার করত কেউ আল্লাহর আল্লাহর জানাকে অস্বীকার করত একদল আল্লাহর লেখাকে অস্বীকার করত এবং আল্লাহর চাওয়াকে অস্বীকার করত সৃষ্টিকে অস্বীকার করত সাইডটাই অস্বীকার করত যেটা আমরা পরে উল্লেখ করব আর কেউ মাঝামাঝি স্তরে প্রথম দুইটা অস্বীকার করত শেষ দুইটা স্বীকার করত শেষ দুইটা অস্বীকার করত অর্থাৎ আল্লাহর জ্ঞানকে অস্বীকার করত না এরপরে আসল বনি উমাইয়াদের শেষের দিকে এসে এর বিপরীতটা তৈরি হল বিপরীত তৈরি করল কি যে বান্দা আসলেই কিছু করতে পারে না বান্দার কোন ক্ষমতাই নেই এখন উল্টে গেল সম্পূর্ণ মানে পুরা উল্টে গেল এবং তারা বলতে লাগল যে আমরা যা ইচ্ছা তা আমরা কোন কিছু করতে আমরা কিছু ইচ্ছা করলে যে নিতে পারি এমন কোন কিছু নাই আমাদের কোন ক্ষমতাই নেই আমরা শুধু বসে বসে কাটাবো জল পড়ে পাতা নড়ে এরকম হব আমরা আমাদের কোন ক্ষমতা নাই তাদের মধ্যে একদল বলতে লাগলো যে ক্ষমতা আছে কিন্তু এই ক্ষমতার কোন প্রভাব নাই।
এ ক্ষমতার কোন প্রভাব নাই। মানে মনে করছে যে ক্ষমতা দিয়ে কোন প্রভাব তৈরি হয় না। না অবশ্যই প্রভাব তৈরি হয়। কারণ আল্লাহ তালা বলছেন তোমাদের আমলের কারণে তোমাদেরকে জান্নাত দেয়া হচ্ছে। প্রভাব তো আছেই। প্রভাব না থাকলে একজন মানুষ ময় আমার তো কোন প্রভাব ছিল না। এই জাতীয় প্রভাব এই জাতীয় যারা বলে তাদের বিভ্রান্তি ছাড়া বিভ্রান্তি ছাড়া কিছুই না। এই দ্বিতীয় অংশটা কখন তৈরি? এই দ্বিতীয় যারা দ্বিতীয় দিরা সম্পূর্ণ উল্টা পথে চলে গেছে এরা। এরা কারা? এরা ছিল জাদ ইবনে দেরহাম সর্বপ্রথম তৈরি করেছে এটা। জাদ ইবনে দেরহাম। এইজন্য তাদেরকে বলা হয় জাবারিয়া। জাবারিয়া জািয়া আগে ছিল কাদারিয়া এখন জাবারিয়া।
এর ছাত্র ছিল মারওয়ান আল হিমার। যাকে সর্বশেষ উমাইয়া নির্ভতি উমাইয়া শাসক যে ছিল মারওয়ান আল হিমার। মারওয়ান ইবনে মোহাম্মদ বলা হ তাকে। মারওয়ান আল জাহ তাকে বলা হতো। কারণ সে জাদ ইবনেমের ছাত্র ছিল। এজন্য এবং এই এই ব্যক্তি তাকে প্রভাব এত বেশি পরিমাণে ফেলছে যে আল্লাহ তাআলা ইচ্ছা যে তিনি তার মারোয়ানের হাত থেকে ক্ষমতা বনি আব্বাসকে দিয়ে দিয়েছেন মারোয়ানকে ক্ষমতাচ্চুত করে দিয়েছে বনি আব্বাসরা এই কারণ সে এই বিভ্রান্ত ছিল সে ছিল মনে করত যে আমাদের কোন ক্ষমতা নেই আমরা শুধুমাত্র যেমনে চালাই তেমনে চলি যেমনে নাচাও তেমনে নাচি পুতুলের কি দোষ এই জিনিসগুলি শুধু তখন তৈরি হয়েছিল এবং সেটা সে তার ছাত্র রেখে গেছে ছাত্রের নাম হচ্ছে জাহাম ইবনে সাফ জাহামনে সফা জাহাদ ইবনে দেরহামকে হত্যা করা হয়েছে বন যুগে খালেদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল কাসী রহমতুল্লাহ আলাই তিনি ছিলেন গভর্নর ওয়াসতের গভর্নর তিনি তাকে ধরে এনে বললেন আইহনাস হে মানুষেরা আল্লাহ তোমাদের কোরবানি কবুল করুক মহম আমি জহাম দিয়ে আজকে কোরবানি করব সেটা ছিল কোরবানর দিন কেন বলেছেন এটা কারণ তখনকার দিন শাসকরা আল্লাহ দ্বীনের ব্যাপারে সবার আগে গুরুত্ব দিতেন যে শাসক যদি কোন দ্বীনের গুরুত্ব না দেয় তিনি শাসক হওয়ার উপযুক্ত না।
সবার আগে হেফাজত করতে হবে দ্বীনকে। পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যার হেফাজতের দরকার আছে। যেগুলিকে বলা হয় যেগুলি মৌলিক জরুরিয়াত আল খামসা বা সিত্তা। ছয়টি ছয়টি এমন অত্যাবশ্যক জিনিস যা একজন মানুষ একজন শাসকের একজন ব্যক্তি যার জন্য বলা অত্যাবশ্যকীয় ছয় জিনিস। র মধ্যে এক নম্বর হচ্ছে হেফজুদ্দিন। দ্বীন হেফাজত করতে হয়। শাসকদের প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে দ্বীনের হেফাজত করা। তারপর দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের জানের হেফাজত করা। তারপর দায়িত্ব হচ্ছে মালের হেফাজত করা। তারপর দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের মানুষের বংশের হেফাজত করা। তারপর দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের মানুষের মর্যাদার হেফাজত করা। এভাবে শরীয়তে যে পাঁচটি জিনিস ছয়টি জিনিস দিয়েছে এর উদ্দেশ্য হচ্ছে যেগুলো প্রত্যেকটার জন্য হুদুদ জারি করা হয়েছে।
নির্ধারিত শাস্তি দেয়া হয়েছে। কারণ এগুলো যেন ঠিক থাকে। সবার আগে হেফাজত করতে হবে দ্বীনকে। এজন্য সবাই এটাকে হেফাজত করতে গিয়েই শরীয়ত হত্যাকে অনুমোদন করেছে। যুদ্ধকে অনুমোদন করেছে। দ্বীনের জন্য যুদ্ধ অনুমোদিত হয়েছে। আর আপনি যদি কোন আজ দাদাকে রক্ষার জন্য বাবাকে রক্ষার জন্য আর শরীয়ত বাদ দিয়ে দেন। তাহলে আপনার জন্য কি অপেক্ষা করছে আপনি অপেক্ষা করতে থাকুন। অপেক্ষা করে দেখবেন যারা আল্লাহর চেয়ে বেশি দরদী হয়ে আল্লাহর শরীয়ত পরিবর্তন করে মনে করেন যে আমরা এভাবে চালিয়ে দেব এবং একজন কিভাবে বাগড়ম্বর করে বলতে পারে যে শরীয়তের দোহাই দিয়ে বাবার সম্পদ বাধা দেয়া হচ্ছে। শরীয়তের দোহাই দিচ্ছি না। শরীয়ত দিয়েই সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
আপনার আমার যদি ঈমান থাকে এ কথা কখনো বলার অধিকার নাই। যে শরীয়তের দোহাই এ কথা বলা যাবে না। শরীয়ত মেনে আপনাকে চলতে হবে। না হলে আল্লাহর রাসূলের মিল্লাতের উপরে কবরে যাবেন না। কবরে যেতে হলে ওয়ালা মিল্লাতে রাসূলিল্লাহ। আল্লাহ রাসূলের মিল্লাতের উপর আপনাকে কবর দিতে হবে। আপনি চিন্তা করুন আপনি কোনটা মেনে চলছেন। আপনি তো আল্লাহর শরীয়ত না মানেন তাহলে আপনি কবরে গেলে আপনার জন্য খবর আছে সেটা সেটার জন্য আপনি অপেক্ষা করুন। এরপরে এই গোষ্ঠীর মধ্যে আসলো কারা? সুফিরা। এই গোষ্ঠীর মধ্যে আসলো সুফিরা জাহেদরা। এরা কি করলো? এক গুষ্টি আইলো রাস্তার মধ্যে ভিক্ষা ভিক্ষা করেছে। আমাদের কোন করণীয় নেই।
রাস্তা রাস্তায় হেটে হেটে খাইতো। আরেক গুষ্টি আসলো আমাদের কিছু করার নেই। সব হালাল। কোন হারাম হারাম বলতে কোন কিছু নাই। তারা শরীয়ত অস্বীকার করে বসলো। এইভাবেই উম্মতের মধ্যে ফেতনার ছড়িয়ে পড়লো। ফেতনা ছড়িয়ে পড়লো। এরা হচ্ছে আগেটা ছিল কাদারিয়া। তাকদীর অস্বীকারকারী। এরা হচ্ছে মুশরিকিয়া মুশরিক। কারণ মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ সাল্লামের কাছে এসে বলতো যখন ঈমান আনো। তখন তারা বলতো আল্লাহ চাইছে বলেই তো আমরা কুফরের উপর আছি। আল্লাহ যদি চাইতো আমরা ঈমান আনতাম। সুতরাং আমাদের দোষ কি? আমরা যেভাবে আছি এভাবে থাকব। আল্লাহতালা কোরআনে কারীমে বলেছেন এজন্য তারা কি বলতো? মুশরেকরা বলতো আল্লাহ যদি চাইতো আমরা তো শিরিক করতাম না।
না চাইলে আল্লাহ চাইছে বলে তো শিরিক করতেছি। নাউজুবিল্লাহ। আমাদের বাপেরাও শিরিক করতো না। আর আমরাও কিছু হারাম করতাম না। আমরা হারাম করি অর্থ হচ্ছে কোন হালাল হারাম করি অর্থ হচ্ছে আল্লাহ চাইছেন। আল্লাহ খুশি আছেন। তারা মনে করে এটা যা জগতে হয় সবই আল্লাহ তালাই নির্ধারণ করে দিছে। আমাদের কিচ্ছু করার নেই। হালাল হারাম চেনার কোন আমাদের দরকার নেই। এরা আগের চেয়ে আরো ভয়াবহ। কারণ কারণ তারা শরীয়ত অস্বীকার করেছে। আমি শেষের দিকে চলে আসছি এখনই শেষ করবো। আল্লাহর শরীয়তকে তারা অস্বীকার করেছে। আগে তারা শরীয়ত মানতো এখন তারা শরীয়ত মানায় অস্বীকার করে দিয়েছে। এটা আরো বেশি ভয়াবহ। আরেকটি গোষ্ঠী এরপরে আসলো আশারী মাতুরজি গোষ্ঠী যারা জাবারিয়াদের কথাই বলল।
জাবারিদের কথা এক গুষ্টি বলল। এক গোষ্টি মনে করল তাকদীর আল্লাহ নির্ধারণ করেছে। আমরা করব বলে নিজের থেকে নির্ধারণ করেন নাই। এরা কাদারিয়া। আরেক গোষ্ঠী আসল বলল যে আল্লাহ নির্ধারণ করেছেন নির্ধার কোন প্রভাব নেই। এটাও মূলত এটা মতাজিদের একটা গোষ্ঠী। তারা এরা অনুসরণ করে চলেছে। এখন এটার উপরে সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ কাজ চলছে যে আপনি আশ্চর্য হবেন আশারী মাতুরিদরা এটাই বিশ্বাস করে যে এখনো যে আমাদের আসলে আমাদের আসলে কিছু আমরা করি না। আমরা শুধু বসে থাকি আমাদেরকে শুধু এভাবে চালা পরিচালনা করা হয়। না আমাদেরও কিছু করার আছে। হাত নাড়ছি আমি। এটা আমি করেছি আমি বলতে পারি। কিন্তু যে কিছু করতে পারে না তার মধ্যে পার্থক্য করতে পারি।
একজন মানুষ নড়তে ছড়তে পারে না। আর যে নড়তে পারে তার মধ্যে পার্থক্য সবাই করতে পারে। সুতরাং যে ব্যক্তি এটা বলবে সে ব্যক্তি পথভ্রষ্ট ইনশল্লাহ আমরা পরবর্তী তাকদীর নিয়ে আরো আলোচনা করব আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহুলা মুহাম্মাদ রাসুল আম্মাবাদ সম্মানিত মুসলি কেরাম বলছিলাম তাকদীরের মাসালা নিয়ে এবং তাকদীরের মাসলা নিয়ে মানুষ যেভাবে বিভ্রান্ত হয়েছে আপনি আশ্চর্য হবেন জগতের মানুষের ভিতরে যারা এখন বিভিন্ন ফেরকাতে আছে বেশিরভাগই তাকদীরের মাসলাতে বিভ্রান্ত শিয়ারা সবগুলি হচ্ছে মতাজি খারেজরা সবগুলি মতা তাকদীরকে তারা অস্বীকার করে তারা মনে করে নিজ হাতে মানুষ ভাগ্য রচনা করে আমাদের দেশে কিছু মানুষ বলে নিজ হাতে ভাগ্য রচনা করছে এ জাতীয় কথা যারা বলে তারা সবই তাকদীরকে অস্বীকার করে আল্লাহর নির্ধারণের উপর আমরা চলি তিনি যা নির্ধারণ করেছেন সেটাই হবে আমাদের চেষ্টা আমাদের চেষ্টাটা আল্লাহ নির্ধারণ করেছেন আমরা কি করতে পারব সেটা নির্ধারণ করে দিয়েছেন এই চেষ্টা করার আমাদেরকে স্কোপ দিয়েছেন সুযোগ দিয়েছেন এটা অস্বীকার করলে সে ব্যক্তি জাবারিয়া হয়ে যাবে আর চেষ্টাচেষ্টা সবাই নিজে আমরাই সব করি বললে সে ব্যক্তি কাদেরিয়া হয়ে যাবে এই ভয়াবহ বিপদ ঈমানদারদের জন্য উচিত হবে মধ্যপন্থা অবলম্বন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের পথের মধ্যে থাকা এই পথে যে ব্যক্তি থাকবে না সে ব্যক্তি পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে।
এজন্য পড়তে হবে, জানতে হবে। আহলে সুন্নাতল জামাতের তাফসীর অনুসারে চলতে হবে। এর বাইরে যারা যারা চলে তাদের পথ মত যদি আপনি অনুসরণ করেন আপনি পথভ্রষ্ট হয়ে যাবেন। মনে রাখবেন জগতের প্রত্যেকটি গোষ্ঠী যখন ফেতনা হয় তখন প্রমাণিত হয়ে যায় কে কার বন্ধু। কে কার বন্ধু প্রমাণিত হয়ে যায়। বর্তমান সময়ে হারামাইনে শরীফের উপরে যেভাবে হামলা হলো। আমরা সেখানে দেখতে পেলাম কারা এটার নিন্দা করেছে যারা অন্তত মুখ দিয়ে নিন্দাটা করতে পেরেছে অন্তরের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে মুখে বলেছে এরা প্রকৃত সালাফে সালেহীনের অনুসারী এরা ঈমানদার বলতে পারি এটা হাজার বছরের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ একটি রাষ্ট্র হচ্ছে বর্তমান সৌদি আরবের রাষ্ট্র যেটা শেখ মাহমুদন আব্দুল হাত ধরে যেটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কারণ তাওহীদের উপরে প্রতিষ্ঠিত এই রাষ্ট্রটি সেখানে ভুলভ্রান্তি সব জায়গাতেই আছে কখন ছিল না সবসময় কিছু না কিছু ভুল ভ্রান্তি আছে কবিরা গুনাহও থাকবে অথবা আরো বড় ধরনের হারামের কিছু হতে পারে আমরা অস্বীকার করছি না কিন্তু মনে রাখবেন
তাওহীদের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা এটা বিশাল ব্যাপার একটি রাষ্ট্র তাওহীদের প্রতিষ্ঠ থাকবে এমন এক সময় যখন সারা বিশ্ব ছেয়ে গেছে কুফরি মতবাদে প্রত্যেকটি রাষ্ট্র এখন কুফরি মতবাদকে প্রাধান্য দিচ্ছে একদিকে গণতন্ত্র সমাজতন্ত্র অমুকতন্ত্র কেউ আবার শুরু করছে যে সেকুলারিজম বিভিন্ন কিছুকে তারা প্রাধান্য দিচ্ছে সেখানে একমাত্র যে রাষ্ট্র ঠিক কোরআন এবং সুন্নাহর উপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে ভুল ভ্রান্তিসহ তাওহীদের উপর প্রতিষ্ঠিত আছে বিশুদ্ধ তাওহীদের উপরে সেটা হচ্ছে হারামাইন শরীফ আইনের যারা কর্ণধার তারা সেখানে হারামের উপরে আঘাত করবে আর মানুষের তার ঈমানদারের অন্তর কথা বলবে না এটা হতে পারে না এখন প্রমাণিত হয়ে গেছে তারা আসলেই সহীহ মানহাজের উপর আছে সেটা প্রমাণিত হয়ে গেছে অনেকেই মুখ দিয়ে কথা বের হচ্ছে না অন্য সময় ঠিকই মুখ দিয়ে কথা বের হয় এই যারা এই হুচিদের পক্ষ নিচ্ছে এরা হচ্ছে ভয়াবহ সবচেয়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এবং এরা ইরানের যারা আছে যারা তাদেরই অংশ ইহুদিরা জারুদিয়া এরা জায়েদিয়া শিয়া নয় এরা একটা ভুল ধারণা এরা
মূলত ইরানি শিয়ারে অন্তর্ভুক্ত তারা ইমাম এশিয়া জারুদিয়া শিয়ারা এত কঠিনভাবে কোন কিছু করে না কারণ এই আব্দুল মালেক আল হুসি সে পড়েছে ইরানে কুম ইয়াদের কাছে শিয়াদের কাছে পড়েছে অর্থাৎ ইমাম ফেরকা এস ফেরকার কাছে পড়েছে পড়ার পরে এত হিংস্র হয়েছে তারা চিন্তা করে শুধু একটাই যে তারা মক্কার মক্কার হারামাইন দখল করবে যে কোোন মূল্যে তারা মনে করে হারামাইন দখল করার পরে গিয়ে তারা এরপরে তারা ইয়াতে যাবে তারা বাইতুল মাকদাস যাবে আর তাদের কাছে বাইতুল মাকসের কোন মর্যাদা নেই এটা জানেন তারা কি মনে করে যে বায়তুল মাকদাস চতুর্থ আসমানে বাইতুল মাকস দুনিয়াতেই নাই সুতরাং আপনারা যারা আমি জানিনা তাদের কিভাবে ধোঁকা খাচ্ছে যে এরা আপনাকে মনে করছে অনেকে মনে করছে সেবিয়ার মনে করছে তারা যে আমাদের যে ফিলিস্তিনের ভাইদেরকে তারা এই করবে সেই করবে তারা কিছুই করবে এরা শুধুমাত্র ধোকা দিচ্ছে।
এরা ধোকাবাজ। এরা আগেও ধোকা দিয়েছে সুন্নিদেরকে। এখনো ধোকা দিচ্ছে। যদি বুঝতে পারেন তাহলে ভালো। না হলে আপনার জন্য খারাপ পরিণত অপেক্ষা করছে। সাল্লাল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহ আল্লাহুম্মা মুহাম্মাদহ আল্লাহ মহাম্মাদিহ আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ আমাদের সবাইকে আপনি ক্ষমা করে দিন আল্লাহ আমাদের মধ্যে অসুস্থ সুস্থতা দান করুন আল্লাহ আমাদের অনেকেই বিপদে আছে থেকে উদ্ধার করে দিন আল্লাহ আমাদের সকলকে আপনি সুস্থ রাখুন আল্লাহ আমাদের বিপদ থেকে উদ্ধার করে দিন আল্লাহ আমাদের যারা দুনিয়ার কবরে তাদেরকে আপনি ক্ষমা করে দিন আল্লাহ মুসলিমদের যেখানে নির্যাতিত হচ্ছে তাদেরকে আপনি হেফাজত করুন আল্লাহ তাদেরকে আপনি হেফাজত করুন আল্লাহ কাফেরদেরকে আমাদের পথ থেকে সরিয়ে দিন আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েতের পথে আন অথবা ধ্বংস করে দিন আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক পথে রাখুন আল্লাহ আমাদেরকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের উপর রাখুন আল্লাহ সহ আকিদা মানহাজ উপর রাখুন আল্লাহ আমাদের সন্তানদেরকে সহ আক মানহাজ রাখুন আল্লাহ আমাদের মেয়েদেরকে সঠিক পথে রাখুন হেশমত দান করুন তাদেরকে শরীয়া মানার তৌফিক দান করুন আল্লাহ
তাদেরকে শরীয়া মেনে চলার তৌফিক দান করুন আল্লাহ আমাদের শাসকদেরকে শরীয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত রাখুন আল্লাহ তাদেরকে শরীয়া মানার তৌফিক দান করুন আল্লাহ আল্লাহ তাদেরকে ফিরিয়ে দিন ইসলামের দিকে আল্লাহ তাদেরকে ইসলামের দিকে ফিরিয়ে দিন