লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার উপায় ও যেসব চরিত্র তিনি অপছন্দ করেন

আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার উপায় ও যেসব চরিত্র তিনি অপছন্দ করেন



প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার যিনি এক ও একক যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমাদেরকে তার গোলামের জন্যই এই পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন এতটা সত্ত্বেও তিনি তার বান্দাদের মধ্য থেকে কতকে ভালোবাসেন এবং কারা তারা সেই সম্পর্কে তিনি আমাদেরকে অবগত করেছেন যে এই এই কাজের মধ্যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার ভালোবাসা অর্জন করা সম্ভব আমরা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার প্রশংসা করি যিনি আমাদেরকে পথ প্রদর্শন করেছেন। যিনি আমাদের পথকে সহজ করেছেন এবং আমাদের জন্য আমাদের ইবাদতগুলোকে বরকতময় করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ।

                                                           

সালাতু ওয়াস সালাম প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি যার মাধ্যমে আমরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআালার পরিচয় পেয়েছি এবং যার মাধ্যমে আমাদের পথকে সহজ করা হয়েছে আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ওয়াবারিক আলা নাবিকা মুহাম্মদ গত খুতবায় আমাদের আলোচ্য বিষয় ছিল আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টি নিয়ে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা তিনি কতক ব্যক্তির উপরে সন্তুষ্টি হন এবং যেই কাজে তিনি সন্তুষ্ট হন এইসব বিষয় নিয়ে আবার আল্লাহ কতক ব্যক্তির উপরে অসন্তুষ্ট হন যেই কারণে অসন্তুষ্ট হন সেই কারণগুলো আমাদেরকে জানানো হয়েছে আজকে তারই ধারাবাহিকতায় আরেকটি বিষয় হবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার ভালোবাসা নিয়ে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তিনি কতক বিষয়কে ভালোবাসেন এবং কতক ব্যক্তিকে ভালোবাসেন এবং কতক ব্যক্তিকে তিনি ভালোবাসে এবং কিছু চরিত্র আছে এই গুণগুলোকে এই চরিত্রকে আল্লাহ ভালোবাসেন না এ সম্পর্কে আজকের খুতবা হবে যদিও গত পর্বে আর এটা একই বিষয় কাছাকাছি কারণ যেটা আল্লাহ সন্তুষ্ট সেটাই ভালোবাসেন অথবা আল্লাহ যা ভালোবাসেন তাই তাকে সন্তুষ্ট করে আর আল্লাহ যেটা ভালোবাসেন না নিঃসন্দেহে এটা তার সন্তুষ্ট নয় বরং অসন্তুষ্টির কারণ হয় কিন্তু শব্দগত দিক থেকে দুইটা আলাদা বিষয় এজন্য আমরা আজকে পৃথকভাবে আল্লাহর ভালোবাসা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

                                                           

সর্বপ্রথমে আমি আপনাকে দেখাবো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার ভালোবাসার গুরুত্ব কত? মানে মর্মটা কি? আমরা তো সবাই দাবি করি যে আমরা আল্লাহকে ভালোবাসি। আমরা সেই কাজ না করলেও মুখে অন্তত দাবি করি যে আমরা সবাই আল্লাহকে ভালোবাসি। কিন্তু আমাদের কর্ম ভিন্ন। এটা ভালোবাসার নমুনা না। বরং সাহাবায়ে কেরামরা প্রকৃত অর্থে আল্লাহকে ভালোবাসতে এবং তারা সেটাকে প্রমাণ রেখে গেছেন। আমাদেরকেও বলা হয়েছে যদি আমরা তাদের পথ অনুসরণ করি তাহলেই সেটা সত্যবাতিতা হবে নালে মিথ্যা হবে। তো আমরা সবাই দাবি করি যে আমরা আল্লাহকে ভালোবাসি। কিন্তু এটা আপনি খেয়াল করেছেন কিনা যে আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন আমি কি তাদের মধ্যে একজন কিনা? আমি কি তেমন হতে পারলাম কিনা? কারণ আমি আল্লাহকে ভালোবাসি এটা বড় বিষয় না।

                                                           

এটা যে কেউ দাবি করবে। যেমন যখন কোন অপরাধী ধরা পড়ে তখন সে বাঁচার জন্য এমন কোন ব্যক্তিদের নাম বলে যাদের নাম নিলে বা যাদেরকে সামনে নিয়ে আসলে সে নাজাত পেয়ে যাবে বা ছাড়া পেয়ে যাবে সে হয়তো প্রশাসনের অনেক বড় ডিফেন্সের কারো নাম বলে যে আমার মামা খালা খুব খালু বা ফুফু এরকম বলে সে বলে আমার আত্মীয় বা আমার খুব রক্তের চাচা মামা এমন কেউ তো মুখে বললেই তার হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত প্রমাণ না হচ্ছে পুলিশ ততক্ষণ পর্যন্ত তার প্রতি অতটা কর্ণপাত করে না। কিন্তু যদি এই কথাটাই ওই বড় ব্যক্তি বলে ফোন দিয়ে যে হ্যাঁ যাকে ধরেছেন এটা আমার ভাগিনা বা আমার ভাতিজা বা এই ব্যাপার একে হালকা করে দেন বা ছেড়ে দেন।

                                                           

তখন কিন্তু সেটা গুরুত্বের সাথে নেন। তার মানে বড় কেউ যখন দাবি করবে যে হ্যাঁ একে আমি চিনি এটা আমার পরিচিত কেউ তখন গিয়ে বিষয়টা গুরুত্বের সাথে নেওয়া হয়। আর ব্যাপার যখন আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা আল্লাহ যদি বলে যে হ্যাঁ আমি অমুক ব্যক্তিকে ভালোবাসি। তাহলে তার ব্যাপারটাই হবে ভিন্ন। এজন্য আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার ভালোবাসার মর্মটা আমাদেরকে বুঝতে হবে এবং যেইদিন থেকে আমরা এটা বুঝতে পারব সেইদিন থেকে আমি আর আপনি আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য যা করা লাগে তা আমরা করব এবং সচেষ্ট হব। কিন্তু আমরা এটা জানিনা বিধায় আমাদের কাছে এই জিনিসটা অনেক বেশি হালকা হয়ে গেছে। অথচ উচিত ছিল আল্লাহ সুবহানাহুয়া তা'আলার ভালোবাসাটাকে প্রাধান্য দেওয়া।

                                                           

আসুন আমি আপনাকে দেখাই আল্লাহ সুবহানাহুয়া তা'আলার ভালোবাসার মর্মটা। আল্লাহ যে তার কতক ব্যক্তিকে ভালোবাসেন এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে স্পষ্ট হাদিস রয়েছে যেটি ইমাম বুখারী এবং মুসলিম তারা তাদের কিতাবে উল্লেখ করেছেন। ইমাম বুখারী হাদিসটিকে তিনি কিতাবুল বির ওসিলা ইমাম মুসলিম ও কিতাবুল বির ওসিলার মধ্যে এনেছেন। মানে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা বা সুসম্পর্ক ওই অধ্যায়ে এনেছেন। হাদিসটি বুখারীতে ৬০৪০ এবং মুসলিমে হাদিসটি ৬৫৯৮ তে রয়েছে। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু তার বর্ণনাকারী।

                                                           

তিনি বলেন আ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ যখন কোন বান্দাকে ভালোবাসেন না জিব্রল তিনি জিব্রল আলাই সালামকে ডাকেন ডেকে বলেন ইন্নাল্লাহা আল্লাহ ওই ব্যক্তিকে ভালোবাসে তুমিও তাকে ভালোবাস আল্লাহ সুবহাতালা আকাশের ফেরেশতাদের সরদার যিনি তাকে ডেকে বলে যে ওই ব্যক্তিকে তুমিও ভালোবাসো কেন আল্লাহ ব্যক্তিকে ভালোবাসে জিব্রল আলাইহিস সালাম সাথে সাথে ওই ব্যক্তিকে ভালোবাসতে লাগে এবং তিনিও আকাশে নেমে এসে আকাশের যত ফেরেশতা আছে তাদেরকে ডেকে বলেন জিবললাম তাদেরকে ডাকেন আকাশের সমস্ত ফেরেশতাদেরকে এবং বলেন ইন্নাল্লাহা এখানে একটা লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে আল্লাহ যখন জিব্রল আলাই সালামকে বলে যে অমুক ব্যক্তিকে ভালোবাসো কারণ কি আল্লাহ ওকে ভালোবাসে। তাই জিবরীল আলাইহিস সালাম এসে ফেরেশতাদেরকে কিন্তু এই কথা বলে নাই যে তোমরা ওই ব্যক্তিকে ভালোবাসো।

                                                           

কেন আমি ভালোবাসি? বরং তিনি বলেছেন তোমরা ওই ব্যক্তিকে ভালোবাসো। কেননা এই ব্যক্তিকে আল্লাহ ভালোবাসে। বলে আমি ভালোবাসি সেজন্য তোমরা ভালোবাসো না। বলছে এই ব্যক্তিকে আল্লাহ ভালোবাসে। অতএব তোমরাও তাকে ভালোবাসো। এখানে আল্লাহর ভালোবাসাটাকে পেশ করা হয়েছে। তো রাসূুল্লাহ সলা বলেছেন তখন সমস্ত ফেরেশতারা ওই ব্যক্তিকে ভালোবাসতে লাগে। তারপর আল্লাহ সুবহানাহুতাালার পক্ষ থেকে সে ভালোবাসাটাকে জমিনে নিয়ে আসা হয়। কবুল ফিল আহল আর তখন তার গ্রহণযোগ্যতাটাকে এ দুনিয়াতে নামিয়ে আনা হয় এবং যারা আল্লাহওয়ালা যারা সৎ তখন তাদের কাছে এই ব্যক্তি ভালোবাসার পাত্র হতে থাকে বা গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হতে থাকে তাকে বিশ্বাস করা হয় তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ তার প্রতি স্নেহ ছোট হলে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার পক্ষ থেকে এটা করা হয় তাহলে এই হাদিসের মধ্যে স্পষ্ট আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাায়ালার ভালোবাসার কথাটা রয়েছে মুসলিম মুসলিমে যে হাদিসটা রয়েছে এই হাদিসটাই তাতে আপনি অতিরিক্ত পাবেন।

                                                           

আর আল্লাহ যদি কোন ব্যক্তিকে অপছন্দ করেন সেটাও জানিয়ে দেওয়া হয় জিব্রাইল আলাইহি সালামকে জানানো হয় যে এই ব্যক্তিকে আল্লাহ অপছন্দ করে। তুমিওকে অপছন্দ কর। ঠিক অনুরূপ এই পছন্দনীয় ব্যক্তির মত তার সাথে আচরণ করা হয়। হয় দুনিয়ার সবাই তাকে পছন্দ করবে আর না হয় দুনিয়াতে যত ভালো মানুষ আছে তাকে ঘৃণা করবে। এজন্য আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোন ব্যক্তি এমন জন্মায় নাই। কোন মুসলিম কোন সৎ ব্যক্তি যে ফেরাউনকে আবু জাহেলকে ভালোবাসে এটা এমন একজন কেউ পাবে না। এদের নাম নেওয়ার মতন কেউ নাই। আর অপরদিকে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার যত আম্বিয়াগণ পৃথিবীতে এসেছেন তাদেরকে আমরা চিনি না। যাদের সাথে আমাদের রক্তের সম্পর্ক নাই।

                                                           

অথচ তাদের নাম শুনলেই আমরা সালাতুস সালাম। তাদের উপরে সালাত এবং সালাম পাঠ করি। সাহাবায়ে কেরামরা যাদের নাম নিলে আমরা রাদিয়াল্লাহু আনহুদ বলি তাদের জন্য দোয়া করতেছি। তার মানে এটা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহুতাালার পক্ষ থেকে ভালোবাসার প্রদর্শনীর নমুনা। তাহলে এই হাদিস থেকে স্পষ্ট জানা যায় যে আল্লাহর ভালোবাসা এবং আল্লাহর অপছন্দনীয়তা রয়েছে এবং কাদের জন্য সেটা হবে আজকের আলোচনার মূল বিষয়। এবার আসুন আমি আপনাকে দেখাই যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা যখন কোন ব্যক্তিকে ভালোবাসেন এই দুনিয়াতে যেহেতু তার গ্রহণযোগ্যতা পায় উপরন্ত আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা আমাদেরকে কোরআনে জানিয়েছেন একজন ব্যক্তি কি করে জানবেন যে আল্লাহ কাকে ভালোবাসে আপনি আর আমি কি তাদের অন্তর্ভুক্ত কিনা এটা বোঝার জন্য কোরআনের এই আয়াতটা খুব গুরুত্বের সাথে নেবেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা এমন এক ব্যক্তিকে দিয়ে উদাহরণ দিয়েছেন যার উপর আর কোন মিসাল চলে না তিনি হচ্ছেন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি হচ্ছেন সম্মানিতদের সবচাইতে ঊর্ধে তাকে আল্লাহ ইন্ডিকেট করে বলেছেন ইন্নাকালাহ নবী আপনি যাকে ভালোবাসেন

                                                           

তাকে চাইলে হেদায়েত আপনি করতে পারবেন না বরং আল্লাহ যাকে ভালোবাসে বা আল্লাহ যাকে পছন্দ করে বা আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা করবেন হেদায়েত কেবল সেই ব্যক্তিই পাবে তার মানে এখানে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালার ভালোবাসার সাথে হেদায়েতের সম্পর্ক রয়েছে স্পষ্ট প্রমাণ হচ্ছে যে এই পৃথিবীতে যারা হেদায়েত পেয়েছে এবং যারা পাবে তারা মূলত আল্লাহ সুবহানাহুতাালার ভালোবাসারই পাত্র। কারণ আল্লাহ যদি আমাদেরকে ভালো না বাসতেন তাহলে আল্লাহ আমাদেরকে কখনোই হেদায়েত দিতেন না। কারণ আয়াতের মধ্যে স্পষ্ট আল্লাহ যার জন্য চাইবেন তাকে আল্লাহ সুবহানাহুতালা হেদায়েত করে থাকেন। আর আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন তাকে যে হেদায়েত করেন এই সম্পর্কে পুরা কোরআন এবং হাদিস। এটাই আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে বিভিন্ন উপমা দিয়ে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা আল্লাহর বান্দা এবং শয়তানের বান্দা দিয়ে আল্লাহ এক্সাম্পল দিয়েছেন।

                                                           

পরকালমুখী এবং দুনিয়ামুখী এভাবে এক্সাম্পল দিয়েছেন যে আল্লাহর ভালোবাসার পাত্র যারা মূলত হেদায়েত তারাই পেয়েছে এবং ভবিষ্যতে তারাই হেদায়েত পাবে অন্য কেউ হেদায়েত পাবে না। হেদায়েত চেহারা দিয়ে হয় না, অর্থসম্পত্তি দিয়ে হয় না, ন্যাশনালিটি দিয়ে হয় না, শিক্ষার যোগ্যতা দিয়ে হয় না, হেদায়েত হয় একমাত্র আল্লাহর পছন্দ অপছন্দের উপরে ভিত্তি করে। এবং যে এর যোগ্য আল্লাহ মূলত তাকেই ভালোবাসেন। এজন্য আমাদেরকে দেখতে হবে ভালোবাসার মাপকাঠি কি? ভালোবাসার মাপকাঠি অর্থসম্পদ না। ভালোবাসার মাপকাঠি দুনিয়াতে সমৃদ্ধশালী হয়ে যাওয়া না। এটা যে একটা আকিদাগত ব্যাপার। আর এটা যে অনেক বড় একটা ধোকা। এজন্য আল্লাহ সুবহানাহুতালা কোরআনে কিন্তু অনেক এক্সাম্পল দিয়েছেন একটা এক্সাম্পল আপনি পেয়ে যাবেন।

                                                           

সূরা কাহফ নাম্বার সূরাতে দুই বাগান ঘটনা। এই ব্যক্তিকে এমন একটা বাগান দেওয়া হয়েছিল যেটা ফলে ফসলে সমৃদ্ধ সে বলেছিল যে আমি তোমার কা থেকে বেশি সম্পদশালী তার মানে আল্লাহ আমার কাছে আমাকে পছন্দ করে এবং আমি আশা করি পরকালে আল্লাহ আমাকে আর অঢেল দিবে যদি কেয়ামত হয় তার মানে এই ব্যক্তি পরকালে বিশ্বাসী ছিল না কিন্তু এত অঢেল আল্লাহ তাকে দিয়েছেন কিন্তু সে ধোকা খেয়ে গেছে আজকেও পৃথিবীতে বহু মানুষ যারা ওঢেল পাওয়ার ফলে অথচ সে অপকর্মে লিপ্ত সে মনে করে যে আমি আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় ব্যক্তি এজন্য আল্লাহ আমাকে অঢেল দিয়েছে এই মর্মে একটা হাদিস যদিও হাদিসের সনদের মধ্যে একটু দুর্বলতা রয়েছে আহমদ হাদিসটাকে দুর্বল বলেছেন হাদিসটাকে গ্রহণযোগ্য বলেছেন মাসুদ রাদিয়াল্লাহু থেকে হাদিস রয়েছে আল্লাহ তো দুনিয়া দেন যাকে পছন্দ করেন তাকেও দেন যাকে পছন্দ করেন না তাকেও দেন।

                                                           

তার মানে এটা এটা স্পষ্ট। কারণ এই হাদিসের এই টুকরাটা বাস্তবতার সাথে কোরআন হাদিসের সাথে মিল আছে। আপনি দেখেন পৃথিবীতে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা ওঢেল দিয়েছিলেন এমন কাউকে যাকে আল্লাহ ভালোবাসেন। যেমন কে সোলাইমান আলাইহিস সালাম, দাউদ আলাইহিস সালাম, ইউসুফ আলাইহিস সালাম, আইয়ুব আলাইহিস সালাম। এদেরকে আল্লাহ অঢেল দিয়েছেন। জুলকারনাইন। এরকম অনেক বাদশাকে পৃথিবীতে এখনো মুসলিম কিন্তু শাসক। আল্লাহ তাদেরকে অঢেল দিয়েছেন। আল্লাহ ভালোবাসার মধ্য থেকে তারা আবার আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন না এমন অনেককে আল্লাহ দিয়েছেন। যেমন ফেরাউন কারুন আবু জাহাল, আবু লাহাব এদেরকে আল্লাহ দিয়েছিলেন। কি দিয়েছেন? আবু জাহেলকে যেমন প্রজ্ঞা দিয়েছিলেন তাকে আবুল হাকাম বলা হতো। আবু লাহাবকে সৌন্দর্যতা দেওয়া হয়েছিল এবং তারা মক্কার লিডার ছিল।

                                                           

ফেরাউনের সম্পর্কে তো জানেনি। কারণ সম্পর্কে জানেন যে পৃথিবীতে সবচাইতে ধন সম্পত্তিওয়ালা ব্যক্তি তারা ছিল। এখনো বর্তমানে পুরা পৃথিবীর রাজত্বের মধ্যে যারা দাপটের সাথে আছে তারা ম্যাক্সিমাম হচ্ছে কুফফার। তাহলে আপনি কি বলতে চান যে আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন? কশ্চিন কালেও। কারণ আল্লাহ কাদেরকে ভালোবাসেন আল্লাহ এটা কোরআন হাদিস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। তাহলে হাদিসের এই টুকরাটা আপনার মাথায় থাকলে কখনো নিরাশ হবেন না। যারে আল্লাহ দুনিয়াতে তাকেও দেয় যাকে আল্লাহ ভালোবাসে না। তার মানে আমাকে দেওয়া হয় নাই অতটা। এতে প্রমাণ হয় না যে আল্লাহ আমাকে ভালোবাসেন না। বরং আমাকে দেখতে হবে যে আল্লাহ আমাকে কি দিয়েছে। আল্লাহ আপনাকে আমাকে যা দিয়েছেন সবচাইতে বড় নেয়ামত যেটা সেটা হচ্ছে হেদায়াত।

                                                           

পৃথিবীর কোন ধন সম্পত্তিতে যেটা কিনা যায় না। আর এটার রেজাল্টটা আপনি বুঝতে পারবেন কখন? বিচারের মাঠে। যখন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা একটা হেদায়েত প্রাপ্ত ব্যক্তিকে তার পাপের সাথে জাহান্নামে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহর দয়ায় যখন তাকে মুক্ত করে দেয়া হবে। ওই সময় কাফেরদেরকে বলা হবে তুমি কি চাও এখান থেকে মুক্ত হতে। আর তুমি যদি পুরা পৃথিবী ভরা স্বর্ণের মালিক হও। তাহলে এটা কি আজকে দিয়ে দিয়ে বাঁচতে চাইবে? সে বলবে না আল্লাহ আমি পুরো পৃথিবী ভরা স্বর্ণ হলেও আজকে দিয়ে বাঁচতে চাবো। কিন্তু আল্লাহ বলেছেন আমি তোমার কাছে ছোট্ট একটা জিনিস চেয়েছিলাম যে আমার সাথে শিরিক করবা না।

                                                           

তুমি সেটা রক্ষা করো নাই। এজন্য হেদায়েতের উপরে যারা আছেন আপনি নিঃসন্দেহে আল্লাহর ভালোবাসার পাত্র। দ্বিতীয় আরেকটা নিয়ে নেন দলিল। তার মানে পৃথিবীতে যারা হেদায়েতের পথে আছে শুধু মুসলিম ঘরে জন্ম হওয়াটা যথেষ্ট না। আপনি আপনি নিজে সাক্ষী যে বর্তমানে মুসলিম ঘরে জন্ম নেওয়া ব্যক্তি হয়েও কত বেনামাজি আছে, হারামখোর আছে, জালেম আছে। তার মানে তাকে আল্লাহ ভালোবাসেন না। পশ্চিমকালেও না। এখানে ধোঁকা খেয়ে গেছে অধিকাংশ মুসলিমরা। যে মুসলিম ঘরে জন্ম হওয়ার কারণে সে মনে করতেছে যে আমি সৌভাগ্যবান। আর যারা হিন্দু, কাফের, নাস্তিক তারা হচ্ছে লাঞ্ছিত।

                                                           

না তারা যেমন লাঞ্ছিত এ ব্যক্তি মুসলিমের ঘরে জন্ম হয়েও লাঞ্ছিত হবে যদি সে আল্লাহর বিধানকে না মেনে চলে যদি সে প্রকৃত অর্থে আল্লাহর ভালোবাসা অর্জন করার কাজ না করে তাহলে এই ব্যক্তিও লাঞ্ছিত হবে এজন্য ধোঁকা খাবেন না বরং জানতে হবে যে মৌলিক বিষয়টা কি আসলে কারণ জন্মটা যেখানে সেখানে হয়ে যাচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহুয়া তা'আলা এজন্য জন্মের ব্যাপারে ফোকাস করেননি কারণ জন্মটা যে কোন ব্যক্তির ঘরেই হয়ে যেতে পারে কিন্তু আল্লাহ কর্মটাকে ফোকাস করেছেন যে তোমার অন্তর এবং কর্মটাকে উপর ভিত্তি করে বিচার করা তো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার ভালোবাসার পাত্র হচ্ছে নমুনা হলো এই হিদায়েত। দ্বিতীয়ত হচ্ছে আল্লাহ যখন কোন ব্যক্তিকে ভালোবাসবেন বিচারের মাঠ তার জন্য সহজ করে দেওয়া হবে।

                                                           

তার হিসাবটা সহজভাবে নেওয়া হবে এবং তার নাজাতের জন্য যত ব্যবস্থা লাগে আল্লাহ সেটা করে রেখেছেন। যেমন একটা ব্যবস্থা হচ্ছে শাফাত সুপারিশ। পৃথিবীতে অনেককে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা প্রস্তুত রেখেছেন সুপারিশ করার জন্য। প্রত্যেকটা সৎ ব্যক্তি সুপারিশের যোগ্য। প্রত্যেক নবী সুপারিশ করবেন। প্রত্যেকটা ফেরেশতা সুপারিশ করার মতন ক্ষমতা রাখে। আল্লাহ তাদেরকে ওইভাবে সৃষ্টি করে রেখেছেন। এই জায়গাতে এসে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা বলেছেন, কিন্তু এই সুপারিশের হকদার কারা হবে? কাদের জন্য সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে? আল্লাহ বলেছেন, একমাত্র আমি যার উপরে সন্তুষ্ট তার জন্য শুধু সুপারিশ কাজে আসবে। এই মর্মে একটি আয়াত গত পর্বেও আলোচনা হয়েছে। সূরা নাজম ৫৩ নাম্বার সূরার ২৬ নাম্বার আয়াতে আপনি পেয়ে যাবেন।

                                                           

আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন কতক ফেরেশতা আছে সুপারিশ করবে তাদের সুপারিশ কোন কাজে আসবে না কোন ব্যক্তির তবে একমাত্র ওই ব্যক্তির কাজে আসবে আমি আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা করবে এবং আমি আল্লাহ যাকে পছন্দ করি তার মানে একজন ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হয়েছে অনেক বড় পাপী পাপ করে ফেলেছে কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালার কাছে ক্ষমার আবদার করা হয়েছে আল্লাহ একে ক্ষমা করে দেয়া হোক তখন আল্লাহ এর দিকে তাকা দেখবে এটা কে যদি দেখে যে হ্যা এই ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য এটা আমার ভালোবাসার অর্জন করার মতন কিছু করেছিল পাপ করার কারণে আটকে গেছে তখন আল্লাহ এর জন্য সুপারিশ করার অনুমতি দিয়ে দিবেন যে হ্যাঁ এর জন্য তোমরা সুপারিশ করতে পারবে তখন আল্লাহ সুপারিশ করবেন এবং একে ক্ষমা করে দেয়া হবে তার মানে এই আয়াতগুলো স্পষ্ট প্রমাণ করে আল্লাহর ভালোবাসার সবচাইতে বড় মূল্য এগুলোই যে যাকে আল্লাহ ভালোবাসেন সেই ব্যক্তি হেদায়েত পেয়ে যাবে।

                                                           

আর যেই ব্যক্তি হেদায়েত পাবেন কেয়ামতের মাঠে এর নাজাতের পথকে আল্লাহ সুবহানাহুতালা সহজ করে দিয়েছেন। তার মানে পুরো ব্যাপারটাই হচ্ছে আল্লাহর পছন্দ অপছন্দের উপরে নির্ভর করে। এজন্য আমাদেরকে কি করতে হবে? আমাদেরকে দেখতে হবে যে আমি আর আপনি কি আল্লাহর ভালোবাসা যারা পেয়েছে তাদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারলাম কিনা। আর যদি মনে হয় যে হ্যাঁ আল্লাহ আমাকে হেদায়েত করেছেন এই পুরো বেদাতি সমাজের মাঝে। এই সমস্ত খোরাফাতের মাঝে আমি তাওহীদের জ্ঞানটা পেয়ে গেছি কোরআন এবং সুন্নাহর উপরে আছি আমি শিরিক বিদাত বুঝি তাহলে আপনি হলেন সেই ব্যক্তি যাকে আল্লাহ ভালোবাসেন যদি এটা আপনার এহসাস না হয় তাহলে এটা আপনার ব্যর্থতা কারণ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার জমিনে যত মতবাদ আছে ওর মধ্যে যদি কোরআন সুন্নাহর মতবাদ সঠিক না হয় তার মানে পৃথিবীতে আর কোন মতবাদটা সঠিক হতে পারে আর আপনি আর আমি যদি সেই মতবাদের হয়ে থাকি তাহলে আপনাকে আমাকে এটাকে কদর করতে হবে এখন মরা পর্যন্ত এই পথটাকে টিকিয়ে রাখতে হবে।

                                                           

এখন আপনাকে আমাকে দেখতে হবে আমি আর আপনি যেন এমন কোন কাজে লিপ্ত না হই। এমন কোন আচরণে যেন আমাদের না হয়ে যায় যে আচরণগুলো আল্লাহ পছন্দ করেন না। যে আচরণ করলে আল্লাহর ভালোবাসা থেকে মাহরুম হইতে হবে। এমন কোন কাজ আপনার আমার দ্বারা করা সম্ভব না। আমাদেরকে এখান থেকে বেঁচে থাকতে হবে। এবার আসুন আমরা সংক্ষিপ্তভাবে পেশ করি যে কোন কোন কাজগুলো করলে আল্লাহর ভালোবাসা অট থাকবে বা আল্লাহর ভালোবাসা আপনি আমি প্রাপ্ত হব। সর্বপ্রথম যে গুণটি লাগবে সেটা হচ্ছে ঈমান এবং সৎ কাজ। খুতবা এখানে এই শব্দের উপরে শেষ হয়ে যাবে। এটাই হচ্ছে এমন একটা ব্যাপার যদি এই শব্দটা এই একটা কথায় আপনি নিয়ে নেন তাহলে খুতবা এখানে শেষ করে দেওয়াটাই যথেষ্ট।

                                                           

সেটা কি? যে কোন ব্যক্তি আল্লাহর ভালোবাসা ততক্ষণ পর্যন্ত পাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত সে ঈমানদার না হবে। কারণ ঈমানদার না হলে বেঈমানের উপরে কোনদিন আল্লাহ সুবহানাহুতালা সন্তুষ্ট হন না। কোরআনে একটা আয়াতে আছে যেটা সূরা জুমারে পেয়ে আল্লাহ কোন ব্যক্তির কুফরের উপরে কোনদিন সন্তুষ্ট হন না। আর তুমি যদি শুকরিয়া আদায় করো তাহলে আল্লাহ তোমার উপর সন্তুষ্ট হবেন। আল্লাহর কৃতজ্ঞতা হতে হবে। আল্লাহর প্রতি ঈমানদার হইতে হবে এবং কৃতজ্ঞ স্বীকারকারী হইতে হবে। তাহলে আপনি আর আমি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার হেদায়েত প্রাপ্ততার অন্তর্ভুক্ত হতে পারব। তাহলে সৎকর্ম লাগবে সাথে। ঈমানের সাথে সৎকর্ম লাগবে। আজকে আমরা অধিকাংশ মানুষ দাবি করি যে আমরা ঈমানদার।

                                                           

কিন্তু আমাদের সৎকর্ম নাই। জেনে নেন। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা সৎকর্মকে ঈমানের সাথে এক আয়াতে একভাবে উল্লেখ করেছেন। পৃথক করেননি। যে জায়গায় আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যখনই ঈমানের কথা বলেছেন সাথে সাথে সৎকর্মের কথা বলেছেন যেটা অধিকাংশ মুসলিমরা ভুলে গেছেন বা অধিকাংশ মুসলিমরা যেটাকে প্রক্ষেপ করেন না বরং আপনি আপনার ঈমানের হালতে থেকেও ওই দুনিয়াবী কাজে লিপ্ত আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার বিধান থেকে আপনি মুখ ফিরিয়ে আছেন। আপনি কোনদিন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবেন না। তা আসুন আল্লাহ সুবহানাহু তালা এই মর্মে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে সৎ কর্ম এবং ঈমান লাগবে তাহলে আপনি আল্লাহর ভালোবাসার পাত্র হতে পারবেন।

                                                           

একটু আগে যে হাদিসটা শুনিয়েছিলাম না বুখারী এবং মুসলিমের যেহুলাজ আল্লাহ ওই ব্যক্তিকে ভালোবাসেন কে সেই ব্যক্তি কে আল্লাহর ভালোবাসা প্রাপ্ত হবে ইমাম তিরমিজী রাহমা্লাহ এই হাদিসটাকে কোট করেছেন এবং অতিরিক্ত ব্যাখ্যা স্বরূপ এই অংশটাকে জোরে দিয়েছেন তিনি বলেছেন ইন্নাল্লাহ এটা হচ্ছে আল্লাহ সেই আয়াত ব্যাখ্যা যে আয়াতে আল্লাহ বলেছেন ইন্নাল্লাজনাহ নিশ্চয়ই যেই ব্যক্তি ঈমান আনল এবং সৎকর্ম করবে খুব শীঘ্রই সে আল্লাহর ভালোবাসা পাবে সে খুব শীঘ্রই দয়াময়ের ভালোবাসা প্রাপ্ত হবে তার মানে আল্লাহর ভালোবাসা কি আপনাকে জড়িয়ে ধরে চুমা দেওয়া না এটা সৃষ্টির মত না আপনাকে অঢেল দেওয়া এটা বুঝায় না যেহেতু সে খুব শীঘ্রই ভালোবাসার মূল্য পাবে।

                                                           

এটা শুরু হয়ে যাবে মরার পর থেকে। মৃত্যুটা হবে ইসলামের উপরে। কবরের আজাব থেকে নাজাত পাবেন। আরামে বিছানা পেয়ে যাবেন। বিচারের মাঠে বিচারটা হবে সহজ। তারপরে সবচেয়ে উচ্চ পুরস্কার যেটা আল্লাহ দিবেন সেটা হচ্ছে জান্নাত এবং আল্লাহর দিদার। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা কোন কাফেরকে নিজের কোন কিছু দেখতেই দিবেন না। এমনকি আপনি জেনে রাখেন মুনাফেকরা পর্যন্ত আল্লাহর কোন কিছু দেখতে পাবে না। কিন্তু যারা দুনিয়াতে মুসলিম দাবি করত কিন্তু পাপী ইসলামের উপর আমল করেনি তারা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার আংশিক দেখতে পাবে। পায়ের গোছা পর্যন্ত দেখতে পাবে। কেন? এটা হচ্ছে তাদের বদলা যে অন্তত স্বীকার করে নিয়েছিল যে আল্লাহ একজন আছেন। এ স্বীকার করার কারণে আল্লাহ এতটুকু মর্যাদা তাদেরকে দিবে যে আল্লাহর পায়ের গোছা পর্যন্ত তারা দেখতে পাবে।

                                                           

কিন্তু যারা নামাজ আদায় করে তারা আল্লাহ সুবহানাহুতাালার চেহারা পর্যন্ত দেখতে পাবে। এটা অনেক বড় একটা ব্যাপার। তা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা কখনোই কোন ব্যক্তিকে ভালোবাসেন না যেই ব্যক্তি কোনদিন আল্লাহর প্রতি ঈমান আনেনি। তো এই আয়াতের মধ্যে এটা হচ্ছে সূরা মারিয়াম। ১৯ নাম্বার সূরার ৯৬ নাম্বার আয়াতে পেয়ে যাবেন যে খুব শীঘ্রই তারা আল্লাহর ভালোবাসা প্রাপ্ত হবে। দেখতে পাবে যে আল্লাহর ভালোবাসাটা কি জিনিস হয়। অতএব ঈমান এবং সৎকর্ম এটা হচ্ছে আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার সবচাইতে বড় মাধ্যম। এরপরে আর কোন এর বিকল্প কিছুই নেই। তার মানে আপনি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবেন না। আপনি যদি এই পুরো পৃথিবীর মধ্যে একটা বিপ্লব ঘটিয়ে দেন সৎ কাজের।

                                                           

যেমন ওযে মাদার তেরেসা একটা এক্সাম্পল রেখে গেছে। যেমন হয়তো হিন্দুদের অনেক পুরোহিত বা অনেক হিন্দু খ্রিস্টান আছে। যেমন একটা খ্রিস্টান আছে যেমন হাতেম তাই। সে একটা এক্সাম্পল রেখে গেছে পুরা পৃথিবীতে। তার নামে উপন্যাস পর্যন্ত লেখা হয়েছে। যে অনেক বড় দাতা সাফি ছিল। তার এই হাতেম হাতেম তাই। আদি বিন হাতেম। এই হাতেম ছিল খ্রিস্টান। কিন্তু সে এত দাতা ছিল মানে উপন্যাসে যেটা লেখা হয়েছে যে সে মেহমানদারীতে খুব ছোট ছিল কোন একবার কোন একটা ঘটনার প্রেক্ষিতে বলা হয়েছে যে একটা দল বা একজন একটা টিম আসছে মেহমান স্বরূপ তাদের শহরে তখন তাকে বলছে যে আমরা মেহমান হয়ে এসছি আপনি কি মেহমান নেওয়াজি করবেন না বলতেছে হ্যা অবশ্যই করব আপনারা কয়জন বলছে এতজন অতটা উট জব করে দিছে উটগুলো তার দাদার ছিল কিন্তু সে প্রত্যেক একজনের জন্য একটা করে উট জবা করে দিছে এই এক্সাম্পল তাদের জীবনে পাওয়া যায় মাদার তেরেসা নাকি তার জীবনের সবকিছুকে দান করে গেছে বা

                                                           

এরকম কিছু ইন্ডিয়ার অনেক মানে ওদের ফিলমগুলোর মধ্যে ওরা পেশ করে যে অমুক রাজা তমুক রাজা এই করেছে সেই করেছেযে দিয়েছে রাস্তা করে দিয়েছে বিপুল খেদমত করে গেছে তারপরে ওরা এখনো মানুষকে ফ্রি খাওয়ায় ওদের মন্দিরগুলোতে বা কোন জায়গায় ট্রাস্টের মধ্যে এই ধরনের যত এক্সাম্পল পৃথিবীতে আপনার নজরে আসুক না কেন যদি সেই ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঈমানদার না হয় তাহলে এগুলোর বিনিময়ে কেয়ামত পর্যন্ত সে আল্লাহর কাছে কিছু কোন জাযা পাবে না ওই দুনিয়াতেই শুধু নামটা তার থেকে গেছে নেমপ্লেটের মধ্যে মাদার তেরেসা গান্ধী তারপর আরো যেগুলো যাদের নাম আপনারা জানেন কিন্তু এটা পরকাল পর্যন্ত যাবে না এজন্য আল্লাহ সুবহানাহুতালা আমাদেরকে বলে দিয়েছেন ঈমান এবং সৎ কাজ এর বিকল্প কিছু নাই মানে ঈমান না এনে আপনি অন্যান্য আদার সাইটগুলা গ্রহণ করতেছেন কিযে সৎ কাজগুলা দান হওয়া দান করা খেদমত করা এগুলো জাস্ট আপনার একটা খেদমত বটে।

                                                           

কিন্তু এটা আল্লাহর কাছে কোন জাযা হিসেবে পরকালে পাবেন না। যেমন এই ধরনের ব্যক্তিদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি হচ্ছেন আবু তালেব। আবু তালেব যে কাজটা করেছে এই পৃথিবীর কোন ব্যক্তির খেদমত তার এক পাল্লায় রাখেন। সমস্ত ব্যক্তিদের এক পাল্লায়। আর আবু তালেব তার খেদমতগুলো রাখেন এক পাল্লায়। তার মতন কোন ব্যক্তি পৌঁছাতে পারবে না। কেন জানেন? কারণ তিনি সর্বশেষ সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূলের হেফাজতের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি তার জীবন বাঁচানোর জন্য নিজের নিজে এই শত্রুতা গ্রহণ করেছেন। তার নিজের ছেলের বিছানায় তার ভাতিজা মুহাম্মদ রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে শুইয়ে তার বিছানায় আলী রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুকে শুয়েছেন। যে কাটা পড়লে আলী কাটা পড়ে যাক। কিন্তু মোহাম্মদ সিফ হয়ে যাক।

                                                           

এটা করেছেন আবু তালেব। কিন্তু কেয়ামতের মাঠে তার এই ভালো কাজের বিনিময়ে সে কেয়ামতের মাঠে নাজাত পাবে না। কারণ তার মধ্যে ঈমানটা ছিল। এজন্য এর বিকল্প হিসেবে আল্লাহ কোন কিছুই গ্রহণ করবে না। আপনাকে আমাকে ঈমান নিয়ে তারপরে মরতে হবে। এজন্য যারা ঈমান পেয়ে গেছেন আপনি এটাকে কদর করার চেষ্টা করেন। আমার তো ভয় হয়। যখনই আবু তালেবের কথাটা মনে হয় তখনই ভয় হয়। যদি আল্লাহ আমাদের আচরণের কারণে যদি আবু তালেবের মত আল্লাহ আমাদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন তাহলে আমাদেরকে আর হেদায়েত করার মতন পৃথিবীতে কোন শক্তি নেই। এজন্য আল্লাহ আমাদেরকে যে হেদায়েত করেছেন এর জন্য আলহামদুলিল্লাহ বলবেন।

                                                           

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ যদি আমাদেরকে হেদায়েত না করতেন তাহলে আমরা কোন অবস্থাতে হেদায়েত পেতাম না। এজন্য প্রতিনিয়ত দোয়া করবেন রাব্বানা। আল্লাহ তুমি আমাদেরকে হেদায়েত যখন করে দিয়েছ আবার আমাদের অন্তরটাকে কুফরের দিকে ঠেলে দিও না। আপনি কি চোখে দেখেন না অনেক মুসলিম এই কোরআন সুন্নাহর অনুসারী হয়ে যায়। আবার বেনামাজি হয়ে যায়। দাড়ি ফেলে দেয়। নাস্তিক পর্যন্ত হয়ে যায় আহলে কোরআন হয়ে গেছে এরকম আপনার নজরে নাই তাহলে আপনার কেন ভয় জাগে না কেন আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন না যে আল্লাহ তুমি আমার কাছ থেকে হেদায়েতটা ছিনিয়ে নিও না দোয়া করতে হবে এটা অনেক বড় একটা সম্পদ ঈমান বিহীন কোন কাজে আসবে না কোন সৎ কাজ আবার ঈমান নিয়েও বসে থাকলে কোন কাজে আসবে না যদি আপনার সৎ কাজ না থাকে কারণ এই মর্মে কোরআনের একাধিক আয়াত রয়েছে যেমন আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা সূরা আনআম ছয় নাম্বার সূরার ১৫৮ নাম্বার আয়াতটা আপনি পড়ে নিয়েন আজকে এদিকে লম্বা হয়ে যাবে দিকে যাচ্ছি না।

                                                           

দ্বিতীয় যেই জিনিসটা লাগবে এটা সৎকর্মের সবচাইতে বড় সৎকর্ম। যে একজন ব্যক্তি ঈমান আনার পর তার সবচাইতে বড় সৎ কাজ কি? এটা আসবে। সেটা হচ্ছে ইত্তেবায়ে সুন্নাহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শটাকে গ্রহণ করা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শের উপরে ভিত্তি করে যদি আপনি রাস্তা থেকে একটা কষ্টদায়ক বস্তু তুলে ফেলেন, তখন সেটা ইবাদত বলে গণ্য হবে। আপনার জুতা পড়াটা ইবাদত বলে গণ্য হবে যদি সেখানে রাসূলের আদর্শটাকে ফিট করে দেন। আপনার খাদ্য খাওয়া, বিছনা, বিছানায় যাওয়া, সহবাস করা সবই ইবাদতে গণ্য হবে যদি সেখানে রাসূলের আদর্শটাকে আপনি ফিট করেন। কারণ তাকে জীবনের সব এঙ্গেল থেকে অনুসরণ করতে আমাদেরকে বাধ্য করা হয়েছে।

                                                           

তাকে আমাদেরকে ফরজ করা হয়েছে যেন আমরা রাসূলামের ইত্তেবা করি। আপনি কি জানেন আমাদেরকে এটা বর্ণনা করে বলতে হয়? আর সাহাবায়ে কেরামরা কি করেছে? তাদেরকে বলা হয়েছিল শুধু ধর্মের ক্ষেত্রে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে অনুসরণ করতে কিন্তু তারা তাদের ব্যক্তি জীবনে মোহাম্মদ সাল্লামকে অনুসরণ করেছে কি ব্যক্তিজীবন যেটার সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক নাই আপনারা জানেন সে ঘটনা গরমের দিনে খেজুর গাছের পরাগায়ন করতে এক মানে যারা এই সম্পর্কে পারদর্শী তারা পরাগয়ন করতো রাসূল একদিন ইচ্ছা পোষণ করেছে কি দরকার আছে গরমের মধ্যে এত কষ্ট করা ফল হলে তো এমনি হবে যেটা সাহাবাদের কানে গেছে যে রাসূল তো এটা অপছন্দ করেছেন সাথে সাথে গাছ থেকে নেমে গেছেন সেই বছর আর কোন পরাগায়ন করা হয়নি কিন্তু ফসল হয়নি কারণ এ ব্যাপারে রাসূলামকে আল্লাহ জানায়নি ওহী মারফত কিছুই এ ব্যাপারে তাদের বেশি পারদর্শী ছিল তখন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম যখন জানলেন যে এ বছর খেজুরের মান ভালো হয় নাই তখন রাসূল বলেছেন দেখ আমিও তোমাদের মত একজন মানুষ তবে আমি ধর্মের ভিত্তিতে যেটা বলি কোরআন এবং সুন্নাহ মানে আল্লাহর পক্ষ থেকে যেটা বলি সেটা তোমরা যথাসাধ্য পালন করবে আর দুনিয়াবী ব্যাপার তোমরা আমার চাইতে ভালো জান তোমাদের যেটা যা ভালো মনে করো তোমরা সেটা বলো।

                                                           

কিন্তু তারপরেও সাহাবায়ে কেরামরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রাধান্য দিয়েছেন। অথচ আমরা ধর্মীয় ক্ষেত্রে আমাদেরকে বলে আপনাকে বুঝাইতে হয় সুন্নাহর গুরুত্ব কি? মর্যাদা কি। আপনার অন্তর কেন সেটা নেয় না। কেন বুঝেন না যে এটা হচ্ছে রাসূল আল্লাহর রাসূল। তার মুখ থেকে যে বাক্যটা বেরিয়েছে সেটা আপনার আমার আমাদের হুজুর আমাদের চৌদ্দগুষ্টির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ রাসূলের জবান থেকে এক যেই বাক্যটা বেরিয়েছে সেটা। ওই বাক্য দিয়ে আপনি আল্লাহর কাছে চান। আপনাকে এক্সট্রা কেন লাগাইতে হবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম থেকে স্পষ্ট প্রমাণ তিনি সালাম দিতেন। আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সেখানে আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু। আরো কিছু বাড়ান নাই।

                                                           

তারপরেও যে আলহামদুলিল্লাহি তাআলা। তালা এখানে যোগ করেন নাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তার মানে একজন প্রকৃত হেদায়েত প্রাপ্ত ব্যক্তি কোনদিন রাসূলের চাইতে বাড়বে না। যেখানে যতটুকু শব্দ পাবে অতটুকু শব্দের মধ্যে সে থেমে যাবে। এটাই হচ্ছে ইত্তেবায়ে সুন্নাহর গুরুত্ব। এর সাথে আল্লাহর ভালোবাসা সম্পর্ক রয়েছে। এখানে এটা এমন একটা আয়াত আল্লাহ দুইটা চরিত্রকে সামনে তুলে ধরেছেন। এক আল্লাহ বলেছেন তোমাদের যদি দাবি থাকে যে তোমরা আল্লাহকে পছন্দ করো। একটু আগেই বলেছি সবাই বলবে আমরা আল্লাহকে ভালোবাসি। আল্লাহ বলেছেন যেই ব্যক্তি বলবে এটা আমাকে ভালোবাসে তাহলে তাকে একটা প্রমাণ পেশ করতে হবে।

                                                           

সেটা কি? হে নবী আপনি বলে দেন পৃথিবীর মানুষ তোমরা যারা আল্লাহকে ভালোবাসার দাবি করো তোমাদের জন্য একটা প্রমাণ পেশ করতে বলেছেন আল্লাহ সেটা কি আমার ইত্তেবা রাসূের ইত্তেবা লাগবে আল্লাহর ভালোবাসা প্রমাণ করতে গেলে তারপর আল্লাহ কি বলেছেন এটা যে ব্যক্তি করে দেখাবে এটা হচ্ছে ভালোবাসার প্রমাণ আর যখন সে প্রমাণ পেশ করে দিল এর জবাবে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবে তার মানে এই ইত্তেবার মধ্যে দুইটা জিনিস শামিল এটা হচ্ছে আমরা আল্লাহকে ভালোবাসি এটার প্রমাণ আর যেই ব্যক্তিতে সুন্নাতের উপরে আছে সে জেনে নেক আল্লাহ তাকে ভালোবাসে কারণ যেটা আল্লাহ কোরআনে ডিক্লিয়ার দিয়ে দিয়েছে আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন তার জাজ এটাই আল্লাহ বলেছেন আমি তার পাপগুলোকে সব মাফ করে এটা চিত্তে সুন্নাতের গুরুত্ব এবং এটা হচ্ছে আল্লাহর ভালোবাসা এবং আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার সবচাইতে বড় মাধ্যম হচ্ছে এটা এবং সবচেয়ে বড় পুরস্কার হচ্ছে এটা আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন।

                                                           

আল্লাহ সুবহানাহুতালা তারপরে বলেছেন ল্লাহু গাফুর রাহিম্লাহসলাহ এখানে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলে দিয়েছেন আল্লাহ এবং তার রাসূলের অনুসরণ করো যদি কেউ মুখ ফিরায় তাহলে সে যেন জেনে রাখে যে আল্লাহ কাফেরদেরকে ভালোবাসেন না। আজকে আমাদের খুতবার বিষয় কি? আল্লাহর ভালোবাসা আর আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন না এটা সম্পর্কে জানা। তাহলে এই একটা আয়াতে আল্লাহ বলে দিয়েছেন আল্লাহ কাকে ভালোবাসবেন? যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে আল্লাহ এবং তার রাসূলের অনুসরণ যারা করবে তাদেরকে আল্লাহ ভালোবাসে। আর আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা বলেছেন আল্লাহকে অবিশ্বাস করে এটা বলা হয় নাই। যেই ব্যক্তি আল্লাহ এবং তার রাসূলের অনুসরণ করে না। আল্লাহ বলেছেন তারা জেনে নেক আল্লাহ কাফেরদেরকে পছন্দ করেন না।

                                                           

তার মানে কি দাড়ায়? তার মানে যেই ব্যক্তি আল্লাহ এবং তার রাসূল সম্পর্কে জানে মুখেও বলে যে আমি আল্লাহ এবং রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছি কিন্তু আল্লাহ এবং তার রাসূলের অনুসরণ করে না আল্লাহ বলে দিতে চেয়েছেন যে এই ব্যক্তি কাফেরের সমত শুধু মুখে বলে কিন্তু সে আল্লাহ এবং তার রাসূলের কোন আদর্শ গ্রহণ করেনি তার মানে এই ব্যক্তির মত কোন কাফেরকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পছন্দ করে না এজন্য আমাদেরকে এখন দেখতে হবে যে আমাদের চরিত্র কি আমাদের চরিত্র কি আল্লাহ এবং তার রাসূলের অনুসরণ করা নাকি আমরা আমাদের মোতাবেক চলি তাহলে আমাদেরকে এ আয়াত থেকে ভয় প্রদর্শন করতে হবে যে আল্লাহ কোন কাফেরকে পছন্দ করে না।

                                                           

এখানে আল্লাহ অকৃতজ্ঞ বলে উল্লেখ করেছেন। যারা ইত্তেবা সুন্নাতের উপরে নাই। এটাকে খুব গুরুত্বের সাথে আপনি নিবেন। তৃতীয়ত হচ্ছে যেহেতু এখানে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেই দিয়েছে যে আল্লাহ কাফেরদেরকে পছন্দ করেন না। এই কাফেরদের মত বহু চরিত্র আছে যে চরিত্রগুলো আল্লাহ পছন্দ করে না। এক লাইনে আপনাকে সেই চরিত্রগুলো সম্পর্কে জানিয়ে দিই। সর্বপ্রথম আসবে আল্লাহ যাদেরকে ভালোবাসেন না তারা কারা? এক নাম্বারে কারা? কাফের। কাফের বলতে মুশরেক, কাফের, নাস্তিক, মুনাফিক যা আছে মানে এক কথায় তাওহীদের খেলাফ যারা আছে এরা সব কাফেরের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ সুবহানাতালা একটা শব্দ দিয়ে শুধু উল্লেখ করে দিয়েছেন। কারণ কাফেরের শাস্তি যা, মুশরিকের শাস্তিয়তা, মুনাফিকের শাস্তিয়তা, নাস্তিকের শাস্তিয়তা।

                                                           

কারণ তারা একভাবে কোনদিন জাহান্নাম থেকে আর বের হয়ে আসতে পারবে না। তাদের স্থায়ী শাস্তির ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও শব্দগুলো পার্থক্য আচরণের কারণে কিন্তু কাফের বলতে এগুলো সব বোঝায় আর এর বিপরীত হচ্ছে মুসলিম মুমিন মুসলিম হওয়া আমাদেরকে সেটা হইতে হবে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা ভালোবাসেন না কাফেরদেরকে তেমনি আল্লাহ জানিয়েছেন আল্লাহ ভালোবাসেন না কোন জালেমকে আল্লাহ সুবহানাহুয়াতালা বলেছেন আল্লাহ কোন জালেমকে ভালোবাসেন না আল্লাহ সুবহানাহুয়াতালা কোন পাপীকেও ভালোবাসেন না এটাও জেনে নেন আজকে আমরা যারা এখানে আসছি আমরা মুসলিম আমরা কাফের না কিন্তু আমরা সৎ ব্যক্তি না আমাদের মধ্যে অনেকে পাপী আছি আপনি জেনে নেন আমাদের পাপ যদি স্টিল থাকে মানে বহাল থাকে তাহলে আমি আর আপনি আল্লাহর ভালোবাসা থেকে মাহরুম হব কেন কারণ আল্লাহ স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন আল্লাহ বলেছেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা ঘুষকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার ঘোষণা করে দিয়েছেন ঘুষ নিশ্চিহ্ন হবে আর সাদাকা যারা করে এটা তার সম্পদকে বৃদ্ধি করবে।

                                                           

এখানে কিন্তু বিজনেসের কথা আসে নাই। একটা হলো ঘুষের মাধ্যমে সুদের মাধ্যমে যে ব্যক্তি টাকা বানাইলো আরেকজন হল সাদাকা করে টাকা কমাইল। আল্লাহ বলেছেন যে সাদাকা করে টাকা যার কমে যাচ্ছে এটাকে আমি আল্লাহ বাড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার গ্রহণ করতেছি। আর যারা সুদের মাধ্যমে টাকা বাড়াইল তার টাকা কমবে এটার গ্যারান্টি রয়েছে। আল্লাহ ঘোষণা করে দিয়েছে। তারপরে আল্লাহ বলেছেন ল্লাহু আল্লাহ কোন কাফের এবং কোন পাপীকে ভালোবাসেন না। এটা সুদের আয়াতের মধ্যে আছে। তার মানে এখানে আল্লাহ সুবহানাহুতালা যেমন কাফেরদেরকেও ভালোবাসেন না তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুতালা বড় কোন পাপীকেও ভালোবাসেন না। তিন নাম্বার ব্যক্তি তিন নাম্বার ব্যক্তি কে? কাফের পাপী এবং জালেম।

                                                           

তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা কোন অহংকারীকে ভালোবাসে না। আল্লাহ বলেছেন লাস্ক আল্লাহ কোন অহংকারী ব্যক্তিকে ভালোবাসে না। আমাদের সমাজে মনে অহংকারী লোক নাই। আছে আমাদের ম্যাক্সিমাম ব্যক্তিদের মধ্যে এটা আছে। এখানে অহংকারের কথাটা বলে দেই। হয়তো অনেকে ভাবেন যারা আমাদেরকে ফোন দিয়ে পায় না। আমরা তো তুচ্ছ ব্যক্তি আমাদের বড়দের সাথে কি আচরণ করা হয় সেটা ভিন্ন জিনিস। এই মাহফিলকে কেন্দ্র করে বা আমাদেরকে যে অনেক সময় যারা ফোন দেয় না বা কিছু আমাদের কজ কারণটাকে তারা নিতে চায় না যদি ফোন রিসিভ না করি বা কোন কারণে না হয় না একবার দুইবার তিনবার চতুর্থবার এসে ডাইরেক্ট মন্তব্য করে দেয় লোকটা অহংকারী এইটা কি অহংকার এগুলো অহংকারের লেস থাকতে পারে কিন্তু প্রকৃত অহংকার কোনটা জানেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন প্রকৃত অহংকার হচ্ছে সত্যটাকে গ্রহণ না করা আজকে আমাদের সমাজে যারা সত্যটা জানেন যে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত পড়তে হবে কিন্তু পড়েন আপনি হচ্ছেন অহংকারী।

                                                           

যারা জানেন দাড়ি রাখতেই হবে কিন্তু রাখেন না। আপনি হচ্ছেন অহংকারী। যেই মহিলারা জানে যে পর্দা করতেই হবে এটা ফরজ। জেনে গেছে কিন্তু পর্দা করে না তারা হচ্ছে অহংকারী। কারণ সত্যটাকে গ্রহণ না করাটাকে বলা হয়েছে অহংকারী। ডান হাতে খেতে হবে জেনেও সে যে ব্যক্তি খাচ্ছে না। বাম হাতে উদ্যতর সাথে খায় তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম অহংকারী বলেছে। টাকনার নিচে প্যান্ট হারাম। যারা জানেন কিন্তু উঠান না। আপনি অহংকার। তার মানে আপনি তো মানে ড্যাম কেয়ার অহংকারীরা কি করে কাউকে পাত্তা দেয় না তার মানে আপনি আল্লাহর বিধানটাকে পাত্তাই দিলেন না আপনি ভাবতেছেন এটা হুজুরের কথাকে ডিনাই করলেন না হুজুরের কথাকে ডিনাই করেন নাই আপনি আল্লাহর বিধানকে ডিনাই করেছেন তাহলে যেখানে সত্য এটাকে গ্রহণ না করাটাই হচ্ছে অহংকার আরমতুন নাস বলা হয়েছে মানুষকে অবজ্ঞা করা মানুষকে তুচ্চতাচ্ছিল্য করা আপনি যেই জায়গাটাতে উঁচু আপনার নিচু লেভেলের নিচু মানের লোকদের সাথে আপনি ওই এটিচিউড নিয়ে কথা বলেন এটিউড যে এই ব্যক্তির সাথে

                                                           

আমি কি এমন ভালো আচরণ করব তার মানে ছোট করে কথা বলা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা এটা হচ্ছে অহংকার আর আল্লাহ কোন অহংকারীকে পছন্দ করেন না শুধু এই শব্দটা আজকে এখান থেকে নিয়ে যান তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা বলেছেন আল্লাহ কোন ফাসাদ এবং ফাসাদকারীকে পছন্দ করেন না ফাসাদ মানে এই জমিনে যারা বিপর্যয় তৈরি করতেছেযে চাদাবাজ চাদাবাজি যারা করে লোটতারা যারা করে যেখানে সেখানে নিজের ভাগ বসায় যেখানে সেখানে এসে ইন্টারফেয়ার করে এবং ফাসাদ হচ্ছে এইযে সরকারি রাস্তাগুলাকে যারা ব্লক করে দিয়ে বিজনেস করেন মানুষের চলাচলের পথে বাধা দিচ্ছেন এই অটোওয়ালারা এরা সবাই ফাসাদকারীর অন্তর্ভুক্ত পড়বে শুধু চাদাবাজিরা ফাসাদকারী না বরং এই অটোওয়ালারা যারা নিয়ম শৃঙ্খলা না মেনে রাস্তা ব্লক করে থাকে ব্যবসায়ীরা তারাও ফাসাদকারী ফাসাদকারী হচ্ছে ইউটিউবাররা টিকটকার যারা করে তারা এই জমিনের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি করে দিয়েছে কারণ তারা সত্য মিথ্যা প্রচার করে সত্যকে মিথ্যা মিথ্যাকে সত্য বলে প্রচার তারা উলঙ্গ বেহায়া মনাটাকে প্রচার করে।

                                                           

ওটার সম্পর্কে একটু পরে আরেকটু আরেকটা কথা আসবে। আল্লাহ সুবহানাহুওতালা কোন বেহায়ামিন এটাকে পছন্দ করেন না। একটা হাদিস আসবে এই মর্মে। তার মানে ফাসাদটাকে আপনাকে বুঝতে হবে। একটা শৃঙ্খল সমাজের মধ্যে যখন বিপর্যয় তৈরি হয়ে যায় এটা হচ্ছে ফাসাদ। যখন নেতা শ্রেণীর মানুষের মধ্যে যারা উপদেশটা আছে তারা এমন এমন পরামর্শ দেয় মালিক পক্ষকে, সরকারি পক্ষকে যে জনগণের উপরে সেটা বোঝা হয়ে যায়। ট্যাক্সের উপরে ট্যাক্স এই জায়গায় বাড়িয়ে দেন। এটা করেন সেটা করেন।

                                                           

রাজ্য মানে কোষা কোষকে বাড়াইতে হবে জনগণের টাকা চুষে খেয়ে এগুলো হচ্ছে ফাসাদকারী অথচ আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা ফাসাদকে পছন্দ করেন এরা হচ্ছে সমাজের সবচাইতে নিকৃষ্ট মানের লোক আল্লাহ সুবহানাহুতালা এদের সম্পর্কে বলেছেন ল্লাহুলা ফাসাদ আল্লাহ ফাসাদকে পছন্দ করে না সূরা বাকারাতে রয়েছে তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা ফাসাদকারীকেও পছন্দ করে না আল্লাহ যেমন কারুনের ঘটনাতে তার জাতি তাকে বলেছিল আল্লাহ তোমাকে অঢেল দিয়েছে আল্লাহ যেমন তোমার উপর এহসান করেছে তুমি ওর বদলা এহসান করো আল্লাহর সাথে মানুষের সাথে তোমার সম্পদের মাধ্যমে তারপরে বলা হয়েছিল আর তুমি জমিনে ফাসাদকারী হয় না ইন্নাল্লাহ আল্লাহ কোন ফাসাদকারীকে পছন্দ করে না যেটা আপনি সূরা কাসাসের ৭৭ নাম্বার আয়াতে পেয়ে যাবেন তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুতালা কোন দাম্ভিককে পছন্দ করেন নাযারা গৌরবের সাথে গৌরব মানে প্রভাব প্রভাব খাটিয়ে চলে সমাজে দাম্বিকতার সাথে চলে অহংকারী আর দাম্বিকের মধ্যে পার্থক্য আছে অহংকারী অহংকার ওযে একটা রিক্সাওয়ালার মধ্যে অহংকার আছে একটা সাধারণ মানুষের মধ্যে অহংকার জন্মে যায় আবার দাম্বিকতা দেখায় যারা অর্থসম্পত্তির মালিক যাদের লোক বল বেশি আছে এলাকার প্রভাব যেমন একটা লোক নতুন এলাকায় এসে বাড়ি করতেছে আপনি ঘর করতেছে আর আপনার কিছু পোলাপান গিয়ে দাম্বিকতা দেখায় এখানে থাকতে হলে আমাদেরকে জমা খরচ দিয়ে চলতে হবে এটা দাম্বিকতা আল্লাহ এদের পছন্দ করেন না।

                                                           

আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন ইন্নাল্লাহা যারা দাম্বিকতার সাথে চলে এমন একজনকে আল্লাহ সুবহানাতালা পছন্দ করে না। আল্লাহ সুবহানাহুতালা সীমালংঘনকারীদেরকে পছন্দ করে না। যারা নিজের হাত ক্রস করে ফেলে। সীমালংঘন করে আল্লাহ তাদেরকে পছন্দ করে না। সীমালংঘন করা বহুভাবে হতে পারে। এই সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন ইন্নাল্লাহালা আল্লাহ সুবহানাহুতালা সীমালংঘনকারীদেরকে পছন্দ করে না তাহলে আমাদেরকে এই গুণগুলোকে জানতে হবে যেই চরিত্রের লোকদেরকে কিন্তু আল্লাহ পছন্দ করে আল্লাহ সুবহানাহুতালা ধোকাবাজদেরকে পছন্দ করে না একবার শব্দগুলো এসেছে কোরনে আল্লাহ বলেছেন ইন্নাল্লাহা যারা খেয়ানত করে আল্লাহ তাদেরকে পছন্দ করে না আমার মনে হয় আমাদের মুসলিমদের মধ্যে খেয়ানতকারী নাই বললেই চলে তাই বরং জানেন আপনি যতগুলো পাপ আছে তার মধ্যে খেয়ানতকারী ধোকাবাজিদের সংখ্যা আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আছে।

                                                           

এটা পাপীদের কথা কি বলব? যারা নামধারী কোরআন সুন্নাহর অনুসারী দ্বীনদার দাড়ি টুপিওয়ালা তাদের মধ্যে খেয়ানতকারীদের সংখ্যা অনেক আছে। আল্লাহ সুবহানাতালা তাদেরকে পছন্দ করে না। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা পছন্দ করে না। যা তারা মুখে মন্দ কথা বলে। মন্দ বাক্য যাদের সাথে যখন তখন মন্দ বাক্য দিয়ে মানুষের সাথে কথা বলে এমন ব্যক্তিদেরকে আল্লাহ পছন্দ করে না। উপরের যা বললাম এটা তো অনেক আপার লেভেলের। কিন্তু এটা আপনি চিন্তা করে দেখেন। মুখে মন্দ কথা আল্লাহ পছন্দ করে না। মন্দ ব্যক্তিকে আল্লাহ কিভাবে পছন্দ করতে পারে? আল্লাহ সুবহানাহুতালা এগুলো সব কোরআনের আয়াত। আল্লাহ বলেছেন যেই ব্যক্তি প্রকাশ্যে মুখে মন্দ কথা বলে এমন একজনকে আল্লাহ সুবহাতালা পছন্দ করে না।

                                                           

আল্লাহ আমাদের জবানকে হেফাজত করার তৌফিক দান করুন। তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুওতালা এবার লেভেলটা একটু নিচে নামিয়ে নিয়ে আসি। যেটাকে আমরা অধিকাংশ মানুষ পাপ মনে করি না সেটা হচ্ছে উৎফুলতা। যেই ব্যক্তির কিছু পয়সা হয়ে গেছে একটু সচ্ছল তার উৎফুলতা বেড়ে গেছে। সে এমন কোন দিন নাই বা রিজন নাই যেটাকে সে উৎসবে পরিণত না করে। তার কোন ছেলে কোন দিন জন্মগ্রহণ করেছে বার্থডে পালন করে। তার নিজের বার্থডে পালন করে, স্ত্রীর বার্থডে পালন করে, শালাশালীর বার্থডে পালন করে, তার শ্বশুর শাশুড়ির বার্থডে পালন করে। তার কিছু টাকা হয়ে গেছে তার। পৃথিবীর মানুষ এতটা নিচে নেমে গেছে। খাতনা করবে খাতনা এটার জন্য সে অনুষ্ঠান করে।

                                                           

কেউ যেন একজন বলেছিল যে খাতনা করা হচ্ছে খেসাল ফিত। মানে ফিতরা যেটা আছে মানুষের ফিতর। ১০ টা যে ফিতরত তার মধ্যে যে গোফ ছোট করা, দাড়ি লম্বা করা, বগলের নিচের লোম উপরে ফেলা, নাভির নিচের লোম চেচে ফেলা। এগুলো হচ্ছে খিসালুর ফিতরা, নোখ কাটা। ঠিক পুরুষদের খাতনা করা। তখন বলা হয়েছিল যে খাতনার সময়ে অনুষ্ঠান করে দাওয়াত করে খাওয়ান। তাহলে যেদিন লোম পরিষ্কার করেন ওদিন কি করেন? ওদিন অনুষ্ঠান করে খাওয়ান। তো যেহেতু নেগলে ভাবে বলা হয়েছে আমরা সেটা দিকে যাচ্ছি না। তবে আমি বুঝাতে চেয়েছি উৎফুল্লতার নমুনা গুলা।

                                                           

কেরালাতে ইন্ডিয়াতে এমনও দৃশ্য আমরা দেখেছি যেই মেয়ের প্রথম হায়েজ হয় মানে সে বালেগ হইল এটার জন্য উনাকে অনুষ্ঠান করে বোঝেন এগুলো অনুষ্ঠান করে খাইয়ে টেবিল বিছে টাকা গিফট নেমার একটা কাজ তারপরে ইসলামের যত সুন্দরতম জিনিসগুলোকে এই ফাসাদকারীরা নষ্ট করে দিয়েছে বিবাহ স্বাদের ওলিমাটা এটা পুরুষের উপরে দায়িত্ব ওলিমা করানো যে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী একটা খাসি হলেও খাওিয়ে দিবেন বন্ধুবান্ধব আত্মীয়স্বজনকে কিন্তু আপনি বাজেট করে বসে আছেন চার পা লাখ টাকার টেবিল নিয়ে বসছেন এবং আবার ও খাতাও চেক করেন কে কত টাকা গিফট দিল আবার এটা নিয়ে মন্তব্য হয় আবার তার জন্য অতটুকু ধার্য করা থাকে এগুলো নোংরামি নয়তো কি অথচ একটা ইসলামের একটা নিদর্শনটাকে আপনারা জবাই করে দিয়েছে এই ওলিমার দাওয়াতটাকে বিয়ে শাদীর দাওয়াত হিসেবে তারপরে বলা হয়েছে আকিকা করা সাত দিনের দিন বাচ্চাকে আকিকা করে গোস্তটা বন্টন করে দেওয়াটাই ছিল মুখ্য উদ্দেশ্য সেটাকে আপনি অনুষ্ঠানের রূপ দিয়েছেন।

                                                           

এই খাসির সাথে একটা গুরু জব করে অনুষ্ঠান করে খাওয়ান। আবার দেখেন গিয়ে কি কি গিফট নিয়ে আসলো। মানে ধর্মটাকে একবারে মানে জীবন থেকে উৎখাত করে দিয়েছে। উৎফুল্লতার মধ্যে শামিল হচ্ছে যারা সবসময় খেলতাম সার ভ্রমণ প্রিয়। বিভিন্ন জায়গায় খাওয়ার জন্য সে সফর করে যায়। অমুক জায়গায় অমুক খাবার আছে। সেটা খাবার জন্য সে ভ্রমণ করে যায়। অমুক বিছে তমুক বিছে রিসোর্টে গিয়ে সে রাত জাগায়। নিজের বাড়ি থাকা সত্ত্বেও এত পয়সা হয়ে গেছেন আপনি। কিছু হলেই আপনি ব্যাকসিট বাজিয়ে আপনি বিয়ে শাদীর মধ্যে এবং জীবনের সবকিছুর মধ্যে আপনি উৎফুলতা দেখান। বরং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা বলে দিয়েছেন আল্লাহ কোন উৎফুল্যকারীকে ভালোবাসেন না।

                                                           

আল্লাহ যখন কোন ব্যক্তিকে নেয়ামত দেয় আল্লাহ তার শুকরিয়া চেয়েছেন যে সে আমার শুকরিয়া আদায় করুক নাকি সে উৎফুল হবে? এটা মানুষের চরিত্র। যে মানুষ পেলে উৎফুল্য হয় হারালে দুঃখিত হয়। কিন্তু আল্লাহ বলেছে এটা মুমিনদের চরিত্র না। এটা চরিত্র না। সবসময় একটা অবস্থা বজায় রেখে চলে। তাকে যখন আল্লাহ ওঢেল দেয় সে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে আবার যদি তার কাছ থেকে আল্লাহ কিছু নিয়ে নেয় সে ধৈর্য ধারণ করে সে হায় হুতাস করে না কিন্তু মানুষের চরিত্র হচ্ছে এগুলো হওয়া এই মর্মে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলে দিয়েছেন যখন তার জাতি তাকে বলেছিল তুমি এত অঢেল পেয়ে তুমি এত উৎফুলতা দেখাও না আল্লাহ সুবহানাহু এত উৎফুলতাকে পছন্দ করেন না পেলে আপনি নিজের লাইফটাকে যা খুশি তা করে ফেলবেন।

                                                           

এটা আল্লাহ সুবহানাহুতালা পছন্দ করে না। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা কোন অপচয় কেউ পছন্দ করে না। এটাও আপনারা জানেন। আল্লাহ বলেছেন তোমরা খাও এবং পান করো। তোমরা অপচয় করো না। ইন্নাহুলা আল্লাহ কোন অপচয়কারীকে পছন্দ করেন না। আর আপনি জানেন অপচয় করা শয়তানের ভাই। শয়তান অপচয় করে থাকে। তো এই কথাগুলো রয়েছে যে আল্লাহ এগুলোকে অপছন্দ করে বা এগুলোকে আল্লাহ ভালোবাসে না। এখন দেখতে হবে আপনার আমার মধ্যে এই চরিত্রগুলো আছে কিনা। এখন আল্লাহর ভালোবাসার কথা উল্লেখ করব তাতে সময় পাচে চলে গেছে। আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা যে চরিত্রগুলোকে ভালোবাসেন তার দুই একটা বলে দেই। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তিনি মুজাহিদদেরকে ভালোবাসেন। যারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে তাদেরকে আল্লাহ ভালোবাসেন।

                                                           

মানে মুসলিমদের মধ্যে মুসলিমদেরকে তোলা ভালোবাসেন। মুসলিমদের মধ্যে এই ক্যাটাগরির মধ্যে সবচাইতে প্রাধান্য পাবে যারা মুজাহিদ। আল্লাহ রাস্তায় জিহাদ করে এবং যারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। একটা হাদিস প্রথমে বলেছিলাম সে হাদিসটা দিয়ে শুরু করি। যদি এই মর্মে আয়াত আছে আল্লাহ বলেছেন ইন্নাল্লাহ আল্লাহ বলেছেন আল্লাহ পছন্দ করেন ওই টিমকে যারা কাতারবদ্ধ হয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ বিচ্ছিন্ন হয় না ওই জিহাদের টিমের মধ্যে থাকে এবং তারা যেন একটা প্রাচীর লেগে থাকে বিচ্ছিন্ন হয় না যত বড় মুসিবত হয়ে যাক আল্লাহ এমন টিমকে এমন দলটাকে পছন্দ করে যারা আমাদের দেশে সে রাজনীতি করে রাজনীতি বলতে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এই আয়াতকে তারা তাদের দিকে ঠেলে দিবে ওই জামাত ইসলামের আয়াত এটা বুঝছেন তারা মনে করে আমরাই সেই দল এরা যখন অঙ্গ সংগঠন বানায় তখন এই আয়াত পেশ করবে তাবলীগ জামাত যখন তাবলীগ জামাতের টিম আমাদের সাথে চলো বের হয়ে চলো তারা এই আয়াত পেশ করবে তার মানে আমরা যেকোনো দল চরমোনাই চরমোনাইয়ের ক্ষেত্রে এই আয়াত পেশ করবে যে আমরা সেই দল মূলত এটা পুরা কেয়ামত পর্যন্ত কত দল আসছে গেছে সবাই এ দল ব্যবহার করেছে কিন্তু এই দলের লোক রাসূল সাল্লামের যুগেও ছিল যখন চরমোনাই ছিল না।

                                                           

রাসূল সাল্লামের যুগে ছিল যখন জামাত ছিল না। রাসূ সাল্লামের যুগে ছিল যখন কোন খেলাফত বেদাত ছিল না। এবং কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে যখন হয়তো আমরাও থাকবো না। এজন্য সব আয়াত খালি নিজের দলের দিকে ফিট করলে চলবে না। এখানে উদ্দেশ্যই হচ্ছে যারা আল্লাহর কালেমাকে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এই বাক্যটাকে উঁচু করার জন্য যারা মাঠে লেগে আছে লেগে থাকবে। আল্লাহ তাদের কথা ভুল বলেছেন। এটা কোন বোর্ডের জিহাদ না। এটা সশস্ত্র অস্ত্রের জিহাদ। এটা সশস্ত্র আল্লাহর দ্বীনকে টিকিয়ে রাখার জিহাদ। এটা কোন রাষ্ট্র দখল করার জিহাদ না। তো অপব্যাখ্যা করে তাদেরটা তাদের কাছে আমরা যেটা হক মনে করে আমরা সেটা বলব।

                                                           

আপনার পছন্দ হলে গ্রহণ করবেন না পছন্দ হলে ছেড়ে দিবেন। কিন্তু সঠিকটা আমাদেরকে জানতে হবে কোনটা এবং ওই মতটাকে গ্রহণ করতে হবে। তা আল্লাহর পথে যারা জিহাদ করে তারাই হলো আল্লাহর ভালোবাসার পাত্র। এই ক্ষেত্রে যারা জিহাদে গিয়ে তার গায়ে কোন আচর লেগে যায়, আঘাত লেগে যায়, গুলি লেগে যায়, যতগুলো ক্ষত কোন ব্যক্তির দেহ থাকবে, এই দেহ এই ক্ষত উক্ত দেহ এবং যারা সালাত পড়ার কারণে এই যে কপালে ঘিটে বিভিন্ন সময় দাগ পড়ে যায় যারা সিয়াম রাখার কারণে আসলে ওই অসুস্থতা চলে আসে হজে যাওয়ার কারণে যারা বিভিন্নভাবে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে বা তার একটা ভাব তাদের শরীরে লেগে গেছে এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে আল্লাহ ভালোবাসেন এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম থেকে বলা হয়েছে আল্লাহর কাছে এর চাইতে বেশি ভালোবাসার বিষয় আর কিছুই নাই মিনত দুইটা ফোটা এবং দুইটা চিহ্ন আল্লাহর কাছে সবচাইতে বেশি পছন্দনীয় দুইটা ফোটা কিল্লা আল্লাহর ভয়ে যদি কারো চোখ দিয়ে পানি ঝরে যতটা ফোটা পানি ঝরবে

                                                           

আল্লাহর ভয়ে যদি হয় এটাকে আল্লাহ সবচাইতে বেশি ভালোবাসে যে চক্ষের ফোটাটা আল্লাহর ভয়ে শুধু ঝরে কিন্তু আমাদের তো আল্লাহর ভয়ে ঝরে আমাদের চোখ ঝরে যখন আমাদের সাথে কেউ খেয়ানত করে বড় ধরনের আপনি ধস নেমে গেছে ব্যবসায় লস লেগে গেছে দুনিয়া যেই ব্যক্তি হারায় সেই ব্যক্তি কাদে ম্যাক্সিমাম মহিলাদের চোখে পানি ঝরে শুধু স্বামীর সাথে দ্বন্দের কারণে কারো তালাক হয়ে গেছে ডিভোর্স হয়ে গেছে ঝগড়া এর জন্য পানি ঝরে না পাওয়া এই দুনিয়াটা পাওয়া না পাওয়ার সাথে ভিত্তি করে তার চোখের পানি ঝরে পানি ঝরে পরীক্ষায় ফেল করলে পানি ঝরে কোন চাকরি হারালে পানি ঝরে মানে কোন একটা চাকরি না পেলে কারো সাথে ভালো বিয়ে না হলে এর কারণে পানি ঝরে।

                                                           

এটা হচ্ছে আমাদের চোখের পানি ঝরা। কিন্তু আমাদের কারো আল্লাহকে ভয় করে পানি ঝরে না। একটা বক্তব্যে বলেছিলাম আমাদের প্রেসার হাই হয়ে যায় দুনিয়ার চিন্তা করে। কিন্তু কবরের চিন্তা করে কোন ব্যক্তি আজ পর্যন্ত শোনেন নাই যে তার প্রেসার হাই হয়ে গেছে। তার মানে আমাদের এতটা আমাদের অদপতন ঘটেছে। আর আল্লাহ সুবহানাহুতালা পছন্দ করেন যদি চোখের ফোটাটা আল্লাহর ভয়ের কারণে কোরআন তেলাওয়াত করতেছেন হঠাৎ করে জান্নাত জাহান্নামের ভয় চলে আসছে। এই যে ভয় তখন যদি চোখে পানি আসে পানিটাকে আল্লাহ সুবহাতালা পছন্দ করেন। আর সাবিলিল্লাহ। আর আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে গিয়ে যার শরীর থেকে যে রক্ত ঝরবে এই ফোটাটাকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা পছন্দ করেন ভালোবাসেন।

                                                           

আর আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা দুইটা চিহ্নকে ভালোবাসেন। একটা চিহ্ন হচ্ছে সাবিলিল্লাহ। ওই যে জিহাদের ময়দানে গিয়ে আঘাত পাওয়ার কারণে তার শরীরে যে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। সেই ক্ষতবিক্ষত গুলোকে আল্লাহ সুবহানাতালা ভালোবাসেন। বলেন তো একজনের নাম যার দেহের মধ্যে এরকম বড় মারাত্মক ক্ষতবিক্ষত ছিল। কে সে আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘটনা ভুলে গেছেন তায়েফে তার সাথে কি আচরণ করা হয়েছে ভুলে গেছেন উহুদের যুদ্ধে তার সাথে কি আচরণ করা হয়েছে তার মানে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার সবচাইতে বেশি ভালোবাসার হকদার তিনি এখানে হয়ে গেছে প্রত্যেকটা সাহাবী যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের সাথে থেকে জিহাদ করেছেন তালহা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু সম্পর্কে বলা হয়েছে জীবন্ত শহীদ তার মানে তার গায়ের মধ্যে ৮০টা বল্লম আর তীর আর এর আঘাত ছিল ৮০টা।

                                                           

কারণ তিনি সম্ভবত হুনাইনের যুদ্ধে বা হোনাইনের যুদ্ধে সম্ভবত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাই ময়দানে দাঁড়িয়েছিলেন। সমস্ত সাহাবীরা দৌড় দিয়েছিলেন পেছন দিক থেকে। তারা পিঠ পালানোর জন্য না বরং সিচুয়েশনটা এমন তৈরি হয়ে গিয়েছিল তারা সেফটির জন্য সরে গিয়েছিলেন কিন্তু সেখানে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু একা দাঁড়িয়েছিলেন এবং তিনি ওইদিন কাব্যলে এটা বলেছিলেন ইবনে আব্দুল মুত্তালিব আমি মক্কার লিডার আব্দুল মুত্তালিবের ছেলে আর আমি মৃত্যুক নবী না তার মানে এই ময়দান থেকে আমি এখন পালানোর মতন ব্যক্তি না তিনি এটা বলে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন তা দেখে সাহাবায়ে কেরামরা আবার ছুটে আসছেন এবং তার সামনে ছিল তালহা রাদিয়াল্লাহু তালা যার পিঠের মধ্যে হুহু তীর এসে বেঁধেছিল সে শুধু সেভ করেছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তো এই চিহ্নগুলোকে আল্লাহ সুবহানাহুয়া তায়ালা পছন্দ করেন আল্লাহর কাছে আমরা প্রত্যাশা রাখি আমরা চেয়ে নিচ্ছি না যদি কোনদিন এরকম জিহাদের সুযোগ আসে আমরা যেন পিঠ ফেরানো ব্যক্তি না হই আমরা যেন তাতে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি আল্লাহ তুমি কবুল করো কিন্তু

                                                           

আমাদের গায়ে যে চিহ্নগুলো পড়া সম্ভব সেটা হচ্ছে এই নামাজের কারণে যে কপালে যে চিহ্নগুলো পড়ে যাচ্ছে পায়ের মধ্যে যে চিহ্নগুলো পড়ে যাচ্ছে মহিলারা যারা পর্দা করার কারণে তারা ফিতা বাধার কারণে দেখবেন যে তাদের গায়ে দাগ পড়ে যায় বা এই নামাজ পড়ার কারণে তাদের গায়ে কোন দাগ পড়ে যায় এটাকে আল্লাহ সুবহানাহুতালা ভালোবাসেন। যদি কেউ আল্লাহর রাস্তায় গিয়েও ডাক পড়ে আর নামাজে ভাষাটা ব্যবহার করা হয়েছে এরকম আল্লাহর কোন ফরজ কাজ করতে গিয়ে যদি কোন ব্যক্তির গায়ে কোন দাগ পড়ে তাহলে এই দাগটাকে আল্লাহ পছন্দ করে। এবার বলেন তো এটা যদি হালাল খাওয়া হালাল ইনকামের দাগ হয়।

                                                           

হালাল ইনকাম করা ফরজ না নফল? নিজের সংসারের জন্য বাপ মার জন্য আপনি হালাল ইনকাম করবেন যদি বড় মেহনত করতে হয় আর যদি শরীরে দাগ পড়ে কি পড়ে না তাহলে এটা কি এটার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হইতে পারে কি পারে না তার মানে শুধু নামাজের দাগ না বরং আপনি হালাল ইনকাম করার কারণে আপনার হাতে যদি ফোসকা পড়ে যায় আপনার গায়ে যদি বোঝা টানার কারণে দাগ পড়ে যায় তাহলে আমি নিশ্চিত ইনশাল্লাহ আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা রাখি এই দাগগুলো আল্লাহ সুবহানাতালা পছন্দ করেন কারণ এটা হচ্ছে হালাল খাওয়ার দাগ ওই ঘুষের টাকার চেয়ে সুদের টাকার চেয়ে তুলতুলে হাতের চেয়ে একটা কঠোর মেহনতি হাত অবশ্যই এটা আল্লাহর কাছে প্রাধান্যযোগ্য।

                                                           

আর এটা স্পষ্ট রাস বলেছেন যে হাতের কামাই চেয়ে উত্তম রিজিক আর কোন ব্যক্তির নাই। যেটা আল্লাহ পছন্দ করে। দাউদ আলাইহ সালাম এক্সাম্পল দিয়েছে যে দাউদ আলাইহিস সালাম নিজের হাতে লোহাকে পিটিয়ে তারপরে মেহনত করে খেতে আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার এবং সে অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন। মুসলিমিনহ আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন ওসসালাতু ওসসালামু আলা আশরাফিল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালিন নাবিনা মুহাম্মাদিন ওয়ালা আলিহ ওয়া সাহবা ইচ্ছা ছিল অনেক লম্বা যদিও সময় অনেক পাশ হয়ে চলে গেছে আমরা এগুলাকে স্কিপ করতেছি কারণ আপনারা জানেন আল্লাহ মুত্তাকীদেরকে ভালোবাসে আল্লাহ নামাজীদেরকে ভালোবাসে আল্লাহ সৎ ব্যক্তিদেরকে ভালোবাসে আল্লাহ ধৈর্য ধারণ ব্যক্তিদেরকে ভালোবাসে এগুলোর দলিল আমি আর আপনাকে দিচ্ছি না সর্বশেষ একটা পয়েন্ট শুধু উল্লেখ করবো সেটা হচ্ছে আল্লাহ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা ভালোবাসেন যারা লজ্জাশীল এই গুণটাকে আপনাকে জানতে হবে এটা আমাদের মহিলাদেরকে জানতে হবে আমাদের পুরুষদেরকে জানতে হবে কারণ আমরা বর্তমানে দিন দিন অনেক বেশি বেহায়া হয়ে যাচ্ছি একেবারে নোংরা চরিত্র হয়ে যাচ্ছে আমাদের অথচ আল্লাহ লজ্জাশীলতাটাকে ভালোবাসে এ মর্মে একটা হাদিস রয়েছে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম একজন ব্যক্তিকে রাসূুল্লাহ সহ গোসল করতে দেখলেন একজন পুরুষকে কিন্তু গায়ে কাপড় ছিল না।

                                                           

পর্দাও করে নাই। মানে পর্দাবিহীন সে গোসল করতেছে কিন্তু গায়ে কাপড় ছিল না। রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম মিম্বরে আসলেন। তার মানে ডাইরেক্ট খুতবা দিলেন এই বিষয়কে কেন্দ্র করে ফাসাদ মিম্বার রাস মিম্বরে উঠলেন এবং বললেন আল্লাহর প্রশংসা করলেন ফাহাদল্লাহ তার গুণগান গাইলেন মানে খুতবা দিলেন তারপরে বললেন তিনি বললেন ইন্নাল্লাহা ইন্নাল্লাহা আজ নিশ্চয় পবিত্র মহান আল্লাহ হলেন আল্লাহ হচ্ছেন অত্যন্ত লজ্জাশীল এবং তিনি পর্দাশীল আল্লাহ লজ্জাশীল এবং গোপনকারীকে ভালোবাসেন পর্দাশীল ইহিব্বুল হায়া তিনি লজ্জাকে ভালোবাসেন তিনি পর্দাকে ভালোবাসেন তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি গোসল করবে বা কাজা হাজত করবে সে অবশ্যই পর্দা করে রাসূুল্লাহ এই বিষয়কে কেন্দ্র করে খুতবা দিয়েছেন এই হাদিসটা ইমাম আবু দাউদ কোট করেছেন ৪০ এবং নাসাতে ৪০৬ রয়েছে এই এদিকে আস এদিকে এই আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা লজ্জাশীলতাকে ভালোবাসেন তিনি পর্দাকে ভালোবাসেন আল্লাহ নিজেও পর্দাশীল আপনি জানেন আল্লাহ সুবহানাতালা কেন পৃথিবীর তার কোন কিছু প্রদর্শন করেননি এটা কেন আল্লাহ শুধু জান্নাতিদের কাছে প্রকাশ করবেন এটা লজ্জাশীল আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা অত্যন্ত লজ্জাশীল বলা হয়েছে যার যার কারণে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা স্বামী স্ত্রীর সাথে যে সম্পর্কগুলো এগুলো ঘরের ভিতরে তিনি করা পছন্দ করেন প্রকাশ্যে না।

                                                           

আপনার স্ত্রী কিন্তু প্রকাশ্যে লম্পটদের মত রাস্তা দিয়ে আপনি রোমান্টিকতার সাথে কোমরে ঘাড়ে হাত দিয়ে হাঁটবেন এটা কোন ভদ্র রুচিশীল কোন ব্যক্তি করে না। জীবনে রাসূল করেছে। আমরা কি আমাদের স্ত্রীদেরকে রাসূলের মতো ভালোবাসতে পারবো? একটা এক্সাম্পল দেখাবো? সুবহানাল্লাহ। আমরা জীবনেও পারিনি আমাদের স্ত্রীর সাথে এটা করতে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তার এক স্ত্রীকে উটের উপরে বসাতে গিয়ে উটটা তো হাই উচা না রাসূ নিচে হাটু গেড়ে দিয়েছিলেন এবং তার রানের উপরে পাড়া দিয়ে বলছে তুমি উপরে উঠ এটা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম কিন্তু তিনি কোন তার সবচাইতে বেশি পছন্দ করতেন না আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহাকে পৃথিবীর কোন ব্যক্তি বলতে পারবে কোন বর্ণনায় আছে যে রাসূলাম আমি দেখেছি তার হাত ধরে হাটতে দেখেছেন আর কিছু আমাদের এই নেটিজেন ব্যক্তিরা আছে আমাদের আল্লাদি কিছু সালাফী ভাইয়েরা আছে হুজুররা আছে সে ভালোবাসা প্রদর্শন করে নিজের স্ত্রীকে নিয়েই ধরেন পার্কের মধ্যে গিয়ে ছবি তোলে অঙ্গভঙ্গি করে ঘরের ভিতরে অমুক তার কোলে মাথা রেখে শুয়ে ছবি

                                                           

তোলে ভালোবাসা প্রদর্শন করে লজ্জাশরম বলতে কিছু থাকে নাকি এরা দ্বীন ধর্ম শিখছে লজ্জাশরম খুব মারাত্মক জিনিস একটা লজ্জাশীল ব্যক্তি কোনদিন তার স্ত্রীকে রাস্তার প্রকাশ্যের মধ্যে হাত ধরতে পারে না এভাবে হাঁটতে পারে না বরং আমরা কখন করি এটা বাধ্য হলে ধীর ভার গাড়ি তোলার ক্ষেত্রে বাঁচানো সেভ করার জন্য নৌকাতে মানে বিভিন্ন যেখানে ধরার প্রয়োজন সেখানে কিন্তু কোথায় আছে এর নিদর্শন যেটা আমাদের অধিকাংশ এই সেলিব্রিটিরা করে থাকে পর্দার নামে এগুলোকে ভালোবাসা শেখানো হয় না এটা গরুর রচনার মত তার মানে বোঝেন গরুর রচনা কি আচ্ছা বলেন তো দেখি যেই ব্যক্তি গরু পালে আর যে ব্যক্তি রচনা পড়ে শিখেছে এই দুই ব্যক্তির মধ্যে যেই ব্যক্তি গরু পালে ওর এক্সপেরিয়েন্স কি ওই রচনা পড়া ব্যক্তির চাইতে কম না বেশি তাহলে একটা মহিলাকে শিখাইতে হবে কিতাব দিয়ে তার স্বামীকে কিভাবে ভালোবাসতে হয় এটা কি আপনার ওই ভিডিও করে দেখাইতে হবে কিভাবে ভালোবাসা প্রেজেন্টেশন করতে হয় নাকি এটা ফিতরতিভাবে একটা মানুষ পেয়ে

                                                           

গেছে এটা ফিতরতি বিষয় না আপনি জানেন একটা বাচ্চা যখন বড় হয় মানে এইযে ছোট ছোট বাচ্চাগুলা যখন বড় হয় পুরো ছেলে বাচ্চা যেগুলা ও দেখবেন ওর বাবার মত টুপি লইবো বা লাঠি লইবো বা ফুটবল লইবো এটা লইবে আপনি কয়েকটা জিনিস রাখেন জীবনে কখনো আপনি দেখবেন না একটা ছেলে বাচ্চা একটা পুতুলের মধ্যে হাত দিবে। কিন্তু মেয়ে বাচ্চা পুতুলে হাত দিবে। মেয়ে বাচ্চা লিপস্টিকে হাত দিবে। মেয়ে বাচ্চা তার মায়ের উন্নাতে হাত দিবে। কিন্তু একটা পুরুষ বাচ্চা সেটা করবে না। আপনার কি হিতাহিত জ্ঞান হয় না? যে এটা হচ্ছে ফিতরত। এটাই ফিতর। এইভাবেই বড় হয়। পুরুষের প্রতি মহিলাদের আকর্ষণ বা মহিলাদের প্রতি পুরুষ এভাবেই সৃষ্টি করা হয়েছে।

                                                           

সেটাকে আপনাকে দেখাইতে হবে তাকে কিভাবে ভালোবাসতে হয়। লজ্জাশরম বলতে একটা কিছু থাকে। কিন্তু আমাদের সমাজের নিকৃষ্ট মানুষগুলো এটা একটা চ্যাপ্টারে পরিণত করে দিয়েছে। তারা প্রাইমারি স্কুলের মধ্যে শিখায় কিভাবে কন্ডম ব্যবহার করতে হবে। কিভাবে নিজের পার্সোনালিটিকে শেয়ার করতে হবে। বলতেছে লজ্জা ভাঙতে হবে। অথচ আমাদেরকে রাসূ শিখাইছে লজ্জাশীলতাটাকে। একজন সাহাবী অনেক বেশি লজ্জা করে। তার ভাই বলতেছে তুমি এত কেন লজ্জা করো? রাসূলামের সাথে নিয়ে আসার জন্য। রাসূ বলছে না তাকে ছাড় তার লজ্জাশীলতাটাই হচ্ছে সবচাইতে বড় সম্পদ। যেই ব্যক্তি নির্লজ্জা হয়ে যায় তার দ্বারা যে কোন কাজ করা সম্ভব। যে কোন কাজ করা সম্ভব। তাহলে একজন পুরুষ কাপড় বিহীন গোসল করতেছে তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আদেশ করেছে।

                                                           

তাহলে মহিলাদের ব্যাপারে কি হুকুম? যেখানে মহিলাদের পুরা দেহটাকে ঢেকে রাখতে বলা হয়েছে। আর আজকে কেন বললাম এই কথাটা টাকা কামানোর নামে আপনার আমার মেয়েগুলা মুসলিম ঘরের সন্তানগুলা নিজেরা গোসলের ভিডিও কিভাবে ও YouTube এ আর ফেসবুকের মধ্যে আপলোড দেয়। টাকা কামানোর জন্য এটা কি করে হতে পারে? আমাদের ধর্ম আমাদেরকে কি শিখায়? আমরা কাদের পথ বেছে নিয়েছি। অথচ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা হচ্ছেন সিতিরু বরং আমাদেরকে বলা হয়েছে মুসলিমদেরকে বলা হয়েছে একজন ব্যক্তির কোন গোপনীয়তা আপনার কাছে প্রকাশ পেয়ে গেছে একটা পাপ বা একটা খারাপ কোন কিছু আমাদেরকে বলা হয়েছে আমি আর আপনি যেন সেটাকে প্রকাশ না করি গোপন করে দেই তাতে কি হবে কেয়ামতের মাঠে আল্লাহ আপনার আমার পাপগুলোকে গোপন করে দিবেন এটা হচ্ছে আমাদের ধর্ম কিন্তু আজকে আমরা অন্যের গোপন কিছু ভিডিও করে এটা ফেসবুকে ছেড়ে দিচ্ছি প্রকাশ করে দিচ্ছি এটা নির্লজ্যতার কোন পর্যায়ে গেলে এটা হইতে পারে এটা আমাদের জানা নয়।

                                                           

শুধু আমি নগণ্য ব্যক্তি শুধু এতটা বলে দিলাম যে আল্লাহ পবিত্রতাটাকে পছন্দ করেন। আল্লাহ সুবহানাহুতালা লজ্জাশীলতাটাকে পছন্দ করেন। আল্লাহ যে পবিত্রতা ব্যক্তিকে পছন্দ করেন ওই একটা আয়াতে যেটা ছুটে গেছে একটু আগে তাড়াহুড়া করে ছেড়ে দিয়েছি। ইন্নাল্লাহ আল্লাহ সুবহানাহুতাালার পছন্দনীয় ব্যক্তি হতে গেলে আপনাকে আমাকে তওবাকারী ব্যক্তি হতে হবে। আমাদের পাপ থেকে তওবা করে ফিরে আসতে হবে এবং যারা পবিত্রতাটাকে ভালোবাসে তাদের অন্তর্ভুক্ত হইতে হবে। আর ওই আয়াতটা কোথায় আছে জানেন? ওই হায়েজ নিফাসের ঘটনায় আছে। যে স্ত্রী যদি হায়েজ থেকে পবিত্রতা না অর্জন করে নেয় ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি তাকে স্পর্শ করতে পারবেন না। মানে সহবাসে যেতে পারবে না। সে পবিত্র হবে গোসল করে আসবে তারপরে আপনার জন্য এটা জায়েজ হবে।

                                                           

এটাকে যারা প্রাধান্য দেয়। আল্লাহ বলেছেন আমি এমন ব্যক্তিদেরকে ভালোবাসি। তার মানে আল্লাহ কোন লেভেলের পবিত্রতাটাকে পছন্দ করে। সে হায়েস থেকে মুক্ত হয়ে গেছে। আল্লাহ চাইলে তখনই জায়েজ করে দিতে পারতেন। কিন্তু আল্লাহ বলছে না সে আগে পবিত্র হয়ে গোসল করে আসবে। তারপরে তোমাদের জন্য জায়েজ হবে। আল্লাহ ওই পবিত্রতাটাকে প্রাধান্য দিয়েছে। অথচ আমাদের এই নোংরা জীবন কত পুরুষের কথা শুনি। তারা রাতভরে সহবাস করে থেকেই যায় ফজর গেল ওই জোহরের সময় উঠে গোসল করে। তার ফরজ নামাজের কোন ভ্যালু নাই তার কাছে। অথচ সে কিভাবে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার ভালোবাসার পাত্র হতে পারে।

                                                           

আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা পছন্দ করেন এমন কিছু আমল রয়েছে সেটা আমরা ওদিকে যাবো না তবে মুখের জবান কিছু বাক্য আছে আল্লাহ পছন্দ করে জানেন না চারটা বাক্য আল্লাহর কাছে পছন্দ সেটা কি সুবহানাল্লাহি আলহামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার রাসূ বলেছেন কোন সমস্যা হবে না আপনি যে কোন বাক্য দিয়ে শুরু করেন না কেন আপনার কোন ক্ষতি হবে না চারটা বাক্য মুখে উচ্চারণ হওয়া এটা আল্লাহ সবচাইতে বেশি পছন্দ করে আল্লাহ আমাদেরকে খুতবা বোঝার এবং আমল করার তৌফিক দান করুন যে চরিত্রগুলো আল্লাহ পছন্দ করে আল্লাহ আমরা যারা এখানে উপস্থিত হয়েছি প্রথমে আমাদের চরিত্রকে এমন করার তৌফিক দান করো এবং আল্লাহ তুমি আমাদেরকে কবুল করো আমরা তোমার কাছে ফরিয়াদ করতেছি আল্লাহ যাদেরকে তুমি ভালোবাসো আমাদেরকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করো আমরা যদি তোমার অপছন্দনীয় কোন কাজ করে থাকি আল্লাহ তুমি আমাদেরকে মাফ করো এবং কেয়ামত পর্যন্ত আমাদেরকে তোমার পছন্দনীয় পথের উপরে পরিচালিত করো এবং আমাদেরকে হেদায়েত প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করো আমাদেরকে নাজাত প্রাপ্ত

                                                           

দের অন্তরভুক্ত করো এবং যে ফেতনা শুরু হয়েছে পুরা পৃথিবীতে আল্লাহ তুমি আমাদের সন্তানদেরকে আমাদের পরিবারদেরকে আল্লাহ মুসলিম হয়ে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করো আল্লাহ তুমি আমাদেরকে উত্তম তাইয়েবাত রিজিক অন্ষণ করার তৌফিক দান করো আমাদেরকে তুমি রিজিক দান করো আমাদের ঘাটতি গুলোকে আল্লাহ তুমি পুরা করো আমাদের সাংসারিক জীবনের পেরেশানি গুলাকে আল্লাহ তুমি দূর করো এবং যারা এর প্রত্যাশা রাখে আল্লাহ প্রত্যেককে উত্তম সঙ্গী এবং সঙ্গিনী দান করো আমিন ইয়া রাব্বুল আলামিন