প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যিনি বিশ্বজগতের একমাত্র মালিক যিনি এক ও একক যার সন্তুষ্টি আমাদের আসল লক্ষ্য এবং যার উপরে তিনি সন্তুষ্ট যাকে তিনি ভালোবাসেন এই পৃথিবীতে সেটাই হচ্ছে সবথেকে শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এবং তারাই কামিয়াব এবং সফলকাম হবে। আমরা সে সত্তার প্রশংসা করি যার প্রশংসা তিনি পছন্দ করেন, ভালোবাসেন। যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার প্রশংসার মাঝে আমাদের নাজাত রয়েছে। আমরা যে অবস্থায় থাকি না কেন সর্ব অবস্থায় তার শুকরিয়া এবং প্রশংসা পাওয়ারই তিনি হকদার। তাই আমরা তার প্রশংসা করি। আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ। সালাতু ওয়াস সালাম প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি। যিনি তার জীবনটাকে কাটিয়েছেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার সন্তুষ্টি এবং ভালোবাসার উপর।
যিনি সবসময় আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার ওই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতেন যা আল্লাহকে পছন্দ করে বা যা আল্লাহ ভালোবাসেন এবং তার ব্যক্তিগত জীবনে এর জন্য বহু ত্যাগ তাকে করতে হয়েছে তারপরও তিনি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার অপছন্দনীয় কোন কাজে কখনো জড়াননি এবং আমাদেরকেও এই বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে আমরা যেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআালার সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টি খেয়াল রেখে চলি আমরা সে রাসূলের প্রতি সালাত এবং সালাম পাঠ করি। আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ওয়াবারিক আলা নাবিকা মুহাম্মাদ। আমাদের আলোচ্য বিষয় হবে ওই সকল বিষয়গুলো নিয়ে বা দিকগুলোকে নিয়ে যেগুলোকে আল্লাহ ভালোবাসেন। এই পৃথিবীতে এমন কিছু বিষয় আছে, স্থান আছে, সময় আছে, ব্যক্তি আছে যাদেরকে আল্লাহ ভালোবাসেন।
আর এমন কিছু সময়, স্থান, ব্যক্তি বা কর্ম আছে যেগুলোকে আল্লাহ ভালোবাসেন না। এই মর্মে বিগত দুইটি খুতবা হয়ে গেছে। তার আগে এই মসজিদে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টি নিয়ে খুতবাটা শুরু হয়েছিল। যদিও আল্লাহর ভালোবাসা এবং তিনি যাদেরকে ভালোবাসেন না ওই একই বিষয় সন্তুষ্টি অসন্তুষ্টির সাথে সম্পর্কযুক্ত। কারণ আল্লাহ যেই বিষয়ে সন্তুষ্ট হবে নিঃসন্দেহে তিনি এটাকে ভালোবাসেন। আর আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন না এবং যাদের প্রতি অসন্তুষ্ট নিশ্চয়ই এর কারণও রয়েছে। সেগুলোকে আমরা উল্লেখ করেছি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যাদেরকে ভালোবাসেন না কোরআনে বহুবার তাদের সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। যেমন আল্লাহ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন আল্লাহ কোন কাফেরকে ভালোবাসেন না।
ইন্নাল্লাহালা কাফন। আল্লাহ বলেছেন আমি কাফেরদেরকে ভালোবাসি। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা কাফেরদের পাশাপাশি আল্লাহ বলেছেন আল্লাহ কোন সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে ভালোবাসেন না। আল্লাহ কোন জালেমকে ভালোবাসেন না। ইন্নাল্লাহ অসংখ্য আয়াতে আছে প্রায় আয়াতের মধ্যে পাবেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা দাম্বিক অহংকারীদেরকে ভালোবাসেন না। মুস্তাকবির আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা এভাবে অহংকারী ফাসাদকারী এমনকি যারা ধোকাবাজ প্রতারক আল্লাহ তাদেরকেও ভালোবাসেন না তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা কোন পাপীকেই ভালোবাসেন না এবং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা ওই ব্যক্তিদেরকে ভালোবাসেন না যাদের জবান মন্দ মানে জবানে মন্দ বাক্য উচ্চারণ করে খারাপ ভাষা কথা বলে মন্দ যে কোন বাক্য হতে পারে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তাদেরকে ভালোবাসেন না। এভাবে অসংখ্য গুণ চরিত্র রয়েছে, কর্ম রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে আমাদেরকে জানানো হয়েছে যে আল্লাহ এগুলোকে ভালোবাসেন না।
এমনকি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা বলেছেন যে আমি ওই ব্যক্তিদেরকেও ভালোবাসি না যারা উৎফুল থাকে। মানে আম প্রমোদে মেতে থাকে। ভালো অবস্থায় থাকলে তাদেরকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান পার্টি অমুক তমুক এগুলোর মধ্যে পাওয়া যায় খেলতামসার মধ্যে আল্লাহ এমন ব্যক্তিদেরকে ভালোবাসেন না এটাও কোরআনে আল্লাহ সুবহাতালা ইঙ্গিত করেছেন এই ক্ষেত্রে করণীয় কি মুসলিমদের যারা ভালো অবস্থায় আছে তাদের সবসময় শুকরিয়া আদায় করা হতে হবে সেগুলোকে ভালো কাজে লাগাইতে হবে যেমন কারণকে তার জাতি বলেছিল যেহ আল্লাহ যেমন তোমার উপর এহসান করেছে সম্পদশালী করে তুমিও এর বিনিময়ে এহসান করো এগুলোকে দিয়ে তুমি পরকালকে খরিদ করে নাও তো উৎফুলতার জন্য আল্লাহ সুবহানাতালা মুসলিমদেরকে স্বাচ্ছন্দ দান করেননি যেমন ওসমান রাদিয়াল্লাহু তালা তিনি সম্পদ পেয়ে কারণের মত হয়ে যায়নি কিন্তু তিনি শুকুরগুজার বান্দা ছিলেন দাউদ আলাইহিস সালাম সুলাইমান আলাইহিস সালাম তারা সবাই ছিলেন শুকর গুজার বান্দা যাদের সম্পর্কে আল্লাহ কোরআনে আমাদেরকে জানিয়েছেন যে তোমরা তাদের মত হও তা আল্লাহ যেখানে উৎফুল্য উৎফুলতা অনেক সময় পাপের কারণ বটে
কিন্তু বাহ্যিক কোন পাপ না কিন্তু এটাকেই যখন আল্লাহ পছন্দ করেন না কিন্তু যখন মানুষ উৎফুলতার নামে আমদ প্রমোদের নামে যখন পাপে জড়ায় মিউজিকের সাথে গানবাজনা নাচ গানের সাথে জড়ায় নেশার সাথে জড়ায় ফাহেশার সাথে জড়ায় মহিলা সংক্রান্ত বিষয়ে জড়ায় এবং আল্লাহর সীমালঙ্ঘন হয় এমন কাজে জড়ায় তখন সেটা আল্লাহ সুবহাতালা বলে দিয়েছেন আল্লাহ কোন পাপীকে পছন্দ করেন না। তো এই বিষয়গুলো দলিলের সাথে স্পষ্ট কোরআনের আয়াতের মধ্যে প্রত্যেকটা বাক্য রয়েছে যেগুলো আমি উচ্চারণ করেছি। যেটা গত খুতবায় আলোচনা হয়েছে। তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা এমন কিছু চরিত্র আছে যেগুলোকে আল্লাহ ভালোবাসেন। যেটা হবে আজকের আলোচনার বিষয়। যেমন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা যাদেরকে ভালোবাসেন এবং যে গুণগুণকে ভালোবাসেন তাদের প্রথম কাতারে আছে ঈমানদার এবং সৎকর্মশীল বান্দা।
আল্লাহ যেমন তাদের উপরে সন্তুষ্ট এবং আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন কোরআনের বহুভাবে তাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে নিঃসন্দেহে যারা ঈমান এনেছে সৎ কাজ করে আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসে আল্লাহ এটা বলেছেন কোরআনে এবং আল্লাহ সুবহানাহুতালা এ বিষয়ে আলোচনা হয়ে গেছে ওটা আর রিপিট করতেছি না তেমনি আল্লাহ ভালোবাসেন ধৈর্যশীলদেরকে এই ধৈর্যশীল জীবনের বহু ক্ষেত্রে আপনাকে প্রমাণ করতে হবে ধৈর্যশীল থাকতে হবে ওই নেয়ামত পেলে অধৈর্য হওয়া যাবে না। যেমনটা বললাম উৎফুল্য হওয়া যাবে না। আবার ধৈর্যশীল থাকতে হবে। নেয়ামতের ঘাটতি হলে যে নেয়ামত আপনার কাছে ছিল আল্লাহ সেটা ছিনিয়ে নিয়েছেন। সুস্থতা হতে পারে, সম্পদ হতে পারে, সন্তান হতে পারে, ভালো অবস্থান হতে পারে।
আল্লাহ কখনো কখনো তার কাছ থেকে সেটা ঘাটতি করে, ছিনিয়ে নে। যেটা সূরা বাকারাতে আল্লাহ বলেছেন আল্লাহ বলেছেন আমি এই দিক থেকে মানুষকে পরীক্ষা করে থাকি তাকে আমি ঘাটতি করে থাকি তবে সুসংবাদ হচ্ছে ধৈর্য ধৈর্যশীল ব্যক্তিদের জন্য এই ধৈর্য সম্পর্কে আমরা বুঝি কিন্তু আরেকটা ধৈর্য যেটা আমাদের অধিকাংশ মানুষের মাঝে নাই সেটা হচ্ছে ইবাদতের উপরে অটল থাকার ধৈর্য মানে আমি মুসলিম এই মুসলিমের উপরে হালাল খাওয়ার উপরে ধৈর্য ধারণ করা যে আমার কখন কখনো কোন আমি হারাম খাবো না। এটার উপরে ধৈর্য ধারণ করা জরুরি। কারণ অধৈর্য হলে দেখা যাবে যে একটা মানুষ ঠিকই হালাল খায়। কিন্তু এমন একটা জায়গায় তার লোভ সে সামলাইতে পারলো না।
তখন সে আর ধৈর্য ধরে রাখতে পারে না। সে হারামে জড়িয়ে যায়। তখন এটা ধৈর্য হইলো না। বরং ধৈর্য আপনি যে ধৈর্যশীল এটা প্রমাণ তখন হবে যখন আপনার কাছে একটা অপরচুনিটি আসবে যেখানে কোটি টাকা ইনকাম করা সম্ভব। কিন্তু সেটার পথটা হালাল না। ওই জায়গায় যদি আপনি এটাকে ইগনোর করতে পারেন এটা হবে ধৈর্যের পরীক্ষা। তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা ধৈর্যের কথা বলেছেন পাপের ক্ষেত্রে। আজকে অধিকাংশ মানুষ আমরা পাপ করি। কারণ আমরা অধৈর্য। কারণ আমরা ধৈর্য ধারণকারী না। বিশেষ করে ওই যুবকরা যারা এখনো বিয়ে করতে পারে নাই তারা অধৈর্য। যারা পাপ করে আর কি তারা অধৈর্য।
তারা ওই পর্যন্ত হালাল একটা সঙ্গী সঙ্গিনী পাওয়া পর্যন্ত তাকে ধৈর্য ধারণ করতে হতো সে সেটা করেনি তাহলে এই ব্যক্তি অধৈর্য আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন না কিন্তু যারা ধৈর্যশীল আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন এটা আল্লাহ বলেছেন তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা ভালোবাসেন যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে এবং যারা আল্লাহর ভয়ে ভীত থাকে আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন এই সম্পর্কে একটা হাদিস উল্লেখ করা হয়েছে আজকে এখান থেকে খুতবাটা শুরু করব। এই মর্মে একটা চমৎকার হাদিস রয়েছে যে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেন আমা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে দুইটি ফোটা এবং দুইটি ক্ষতচিহ্ন যত পছন্দনীয় যত ভালোবাসে এর সমতুল্য আর কোন কিছুকে ভালোবাসেন না একটা ফোটা হল কাতুনলা যেই ফোটাটা চোখ দিয়ে ঝরে আল্লাহর ভয়ে একটা মানুষ যখন আল্লাহর ভয়ে হঠাৎ করে ভয়ে চলে আসে পরকাল নিয়ে আল্লাহকে নিয়ে আর তখন সে অঝরে কাদে তার অতীতের পাপকে স্মরণ করে এইযে চোখে যদি ফোটা আসে তার মানে কান্না আসে তাহলে এই কান্নার ফোটা গুলাকে আল্লাহ
সুবহানাতালা ভালোবাসেন এটা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি প্রিয় আরেকটা ফোটা আছে অক্ষাত্র তো হারা সাবিলিল্লাহ যারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে জড়ায় তখন তাদের গায়ে কোন না কোন আচর আঘাত লাগে তাতে যে রক্তের ফোটা ধরে আল্লাহ সুবহানাহুতাালার কাছে এগুলো অনেক বেশি পছন্দনীয় এবং আল্লাহ ওগুলোকে খুব ভালোবাসেন যে আল্লাহর রাস্তায় যদি কোন ব্যক্তির গায়ে আঘাত লাগে এবং রক্ত ঝরে তাহলে এই দুইটা ফোটাকে আল্লাহ অনেক বেশি ভালোবাসেন এবং দুইটা ক্ষতচিহ্নকে আল্লাহ ভালোবাসেন মাল আসারা আর দুইটা চিহ্ন হল সবিল্লাহ যারা আল্লাহ রাস্তায় জিহাদে গিয়ে তাদের গায়ে আঘাত লেগেছে এইযে যাদের রক্ত ঝরে একটা সময় সেটা শুখায় কিন্তু সেখানে চিহ্নটা থেকে যায় যেটা গুলির দাগ এটা কোপের দাগ এটা বললমের দাগ এটা তীরের দাগ এভাবে বা পড়ে গেলে কেটে গেলে যে দাগগুলা হয় এগুলোর মধ্যে একটা চিহ্ন থেকে যায় আল্লাহর কাছে এই চিহ্নগুলো সবচাইতে বেশি পছন্দনীয় আল্লাহ এগুলোকে ভালোবাসে এবং আর আল্লাহর ফরজ কোন কাজগুলো আদায় করতে গিয়ে যদি কোন ব্যক্তির গায়ে কোন চিহ্ন পড়ে যায় এই চিহ্নগুলোকে আল্লাহ অনেক বেশি ভালোবাসেন পছন্দ করেন ভাষাটা এত চমৎকার বা এত সূক্ষ একটা ভাষা এটা আমাদের মত ব্যক্তিরা মানে কিভাবে নেবে আমরা জানি না কারণ আমরা এটা বুঝতে পারি যে জিহাদের ময়দানে গেলে যুদ্ধে আঘাত লাগে একটা দাগ পড়ে এটা স্বাভাবিক।
আর যখন আল্লাহর ফরজ কাজগুলো করতে গিয়ে শরীরে কোন চিহ্ন পড়ে আমাদের দৃষ্টি শুধু চলে যাবে কোথায়? নামাজের দিকে। তাই না? কারণ নামাজ পড়লেই কপালে দাগ পড়ে। নামাজ পড়লে পায়ের গিটগুলাতে কালো দাগ পড়ে যায়। এটা শুধু নামাজের ক্ষেত্রে হয়। অন্য কোন ফরজ ইবাদতের ক্ষেত্রে হয়। আমাদের মাথা দিকে যাবে না। হ্যা হয়। অনেক সময় হজে গেলে হতে পারে। হজের কোন কাজ করতে গেলে দাগ পড়তে পারে না। ব্যথা পেতে পারে না। ব্যথা পেতে পারে। অনেক সময় লম্বা পথ হাটার ফলে তার পায়ে ফোসকা পড়ে যেতে পারে। হয় না অনেক সময়। তারপরে যেই দিকটাকে আমি ফোকাস করতে চাচ্ছি সেটা হচ্ছে হালাল ইনকাম।
একটা মানুষ যদি হালাল ইনকাম। এটা ফরজ না নফল? ফরজ। এখানে বলা হয়েছে ভাষাটা এরকমই। আল্লাহর ফরজ কোন কাজ করতে গিয়ে যদি কোন ব্যক্তির গায়ে কোন আঘাত বা কোন চিহ্ন পড়ে যায় তহলে যারা মেহনতের কাজ করে হাতের কামাইের কাজ করে কামারশালা জুতালায় রিক্সা যারা চালায় বা ভারী কোন লেবারের কাজ করে কনস্ট্রাকশনের কাজ করতেছে এগুলো হালাল না হারাম শুধু হালালই না বরং উত্তম কাজ রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন আল্লাহর কাছে সবচাইতে বা পবিত্র রিজিক সবচাইতে বেশি পবিত্র বা হালাল হচ্ছে হাতের কামাই যারা নিজের নিজেরা হাতে কামাই করে খায়। সেলাই মেশিনে যারা কাজ করেন সময় হাতের মধ্যে সুই ঢুকে যায়।
হয় না এরকম যারা বড় বড় গাইড তোলে তাদের কাধের মধ্যে দাগ পড়ে যায়। এরকম মহিলারা ঘরে অনেক সময় কাজ করে। সে যদিটা ফরজ ভেবে করে তার সন্তানের টেক কেয়ার করা স্বামীদের খেদমত বা সংসার পরিচালনা করার ক্ষেত্রে অনেক সময় তাদের পাক সাক করতে গিয়ে তেলের ছিটা পড়ে এসে হাতের মধ্যে ফোসকা পড়ে যায়। তাদের অসংখ্য দাগ হাতের মধ্যে। এই শুধু তেলের ছিটা আগুনের ছ্যাকা লেগে যায়। অসংখ্য দাগ। যদি হাদিসটাকে ওই জায়গায় নিয়ে যাও সুবহানাল্লাহ সম্ভব কারণ ভাষাটা এরকম আসার আল্লাহর ফরজ কোন কাজগুলো করতে গিয়ে যদি কোন মুসলিমের গায়ে আঘাত লেগে যায় সে চিহ্নগুলো পড়ে যায় আল্লাহর কাছে এগুলো সব হচ্ছে পছন্দনীয় দাগ কাজটা ফরজ হতে হবে কিন্তু চুরি করতে গিয়ে দাগ পড়লে সেটা তারা এটাওতো সে মনে করে যে আমার জন্য ফরজ আমার সংসার চালাইতে হবে কিন্তু হারাম দিয়ে কোনদিন সংসার চালাতে আল্লাহ বলে নাই অবশ্যই ফরজ কাজ হইতে হবে হালাল হইতে হবে।
তার মানে এই নামাজের চিহ্ন যারা আছে তাদের মধ্যে এটা হইতে পারে। এমনকি যারা অধিক অধিক মাত্রায় সিয়াম রাখে তাদের শরীরের ঘটনার ভিতরেও এ প্রভাব পড়ে যায়। আলাকুলিহা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যেই ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কাঁদে তার চোখের ফোটা গুলাকে আল্লাহ ভালোবাসে। সেটা পুরুষ হোক বা মহিলা হোক। তারপরে যেই ব্যক্তির গায়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করতে গেলে রক্ত ঝরে তাহলে এই রক্তের ফোটা গুলোকে আল্লাহ ভালোবাসেন। তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুও তাআলা ভালোবাসেন। যদি জিহাদ করতে গিয়ে কারো গায়ে আঘাত লেগে যায় সে আঘাতের চিহ্নগুলো এবং ফরজ কাজ করতে গিয়ে যদি কারো গায়ে আঘাত লেগে যায় সে চিহ্নগুলো আল্লাহ সুবহানাহুতালা ভালোবাসেন।
এটি ইমাম তিরমিজী তার কিতাবুল জিহাদের অধ্যায় এনেছেন হাদিস ১৬৬৯ এ রয়েছে। তেমনি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা ভালোবাসেন তাওবাকারীদেরকে এবং পবিত্র ব্যক্তিদেরকে এবং পবিত্রতা অর্জনকারী ব্যক্তিদেরকে আল্লাহ ভালোবাসেন পবিত্রতার জীবনকে আল্লাহ ভালোবাসেন এই সম্পর্কে আমরা গত খুতবা আলোচনা করেছি তার মধ্যে দুইটা আয়াত সূরা বাকারার মধ্যে রয়েছে একটি আয়াত আল্লাহ সুবহানাতালা বলেছেন আল্লাহ সুবহানাহুতালা এখানে হাজের একটা অবস্থা এনেছেন যে মহিলারা যখন হাজফাস অবস্থায় থাকে তখন তাদের সাথে সহবাস করা জায়েজ নাই। তারা যখন এ হায়েস থেকে পবিত্র হবে এবং পবিত্রতা অর্জন করবে তারপরেই তাদের সাথে আমাদের সহবাস জায়েজ হবে স্ত্রীদের সাথে যেভাবে আল্লাহ আদেশ করেছেন। এই জায়গার মধ্যে আল্লাহ বলেছেন যখন তারা পবিত্রতা অর্জন করে নেবে।
এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে শুধু রক্ত থেমে যাওয়াটাই পবিত্রতা না বরং তাকে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। এটা হচ্ছে হায়েজ থেকে মুক্ত হওয়া। তারপরে সে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে গোসল করবে। এটা হলো তার পবিত্র হয়ে যাওয়া। তারপরে সে তার স্বামীর জন্য হালাল হবে। কিন্তু আমাদের একজন শেখ বলেছে যে না রক্ত বন্ধ হয়ে গেলেই মানে হায়েজ শেষ হয়ে গেলেই তার সাথে সহবাস করা জায়েজ। তার এই ব্যাখ্যাটা সঠিক না। আমরা নাম নিলাম না। কারণ তারা বড় বড় ব্যক্তি। তো যাই হোক। তো আরবদের শেখ যারা আছেন তারা বলেছে এখানে পবিত্রতা বলতে গোসল করা শর্ত। অবশ্যই মহিলাদেরকে হায়েজের পরে গোসল করতে হবে।
তারপরে তারা স্বামীদের সাথে সহবাসে যেতে পারবে। তার আগে না জায়েজ হবে না। তো এখানে তার বলার পর আল্লাহ বলেছেন ইন্নাল্লাহ তারপর আলা দুইটা গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর কাছে তওবা করে আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন। এবং যারা পবিত্রতার জীবন যাপন করে আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন। তওবা আল্লাহর কাছে কেমন ভালোবাসার জিনিস এ সম্পর্কে তওবার আলোচনায় আপনি পেয়ে যাবেন। আমাদেরকে জানানো হয়েছে একজন ব্যক্তি মরুভূমিতে তার উট হারিয়ে গেলে যে উটের মধ্যে তার জীবনের সবকিছুই ছিল খাওয়া-দাওয়া পানি বা তার বেঁচে ফেরার পথ কিন্তু সে হঠাৎ করে দেখে তার উট তার কাছ থেকে গায়েব সে নিরাশ হয়ে যখন শুয়ে যায় বা নিরাশ হয়ে যায় কিছু যখন সে আবার দেখতে পায় তার উট তার কাছে ফিরে এসেছে এই ব্যক্তির খুশির যেমন কোন শেষ থাকে না আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার কাছে এই ব্যক্তির চাইতেও বেশি খুশি হন আল্লাহ পছ পছন্দ করেন কোন বান্দা যে আল্লাহর পথ থেকে সরে গিয়েছিল সে যদি তওবা করে
আল্লাহর রাস্তায় ফিরে আসে আল্লাহ তাকে পেয়ে ওই ব্যক্তির চাইতে বেশি খুশি আল্লাহর কোন বান্দা যারা মসজিদ ছেড়ে দিয়েছিল বা মসজিদে আসতো না তারা মসজিদে ফিরে আসলো আল্লাহ তাদের উপরে সন্তুষ্ট হন আল্লাহ অনেক খুশি হন যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ফিরে আসে এটা হচ্ছে তওবার অনেক বড় একটা ব্যাপার আর পবিত্রতা পবিত্রতার জীবন বলতে যেমন আমরা বুঝি আজকে অধিকাংশ মুসলিম হিন্দুর চাইতেও মানে নিকৃষ্ট হিন্দুর চাইতেও খারাপ কারণ যতটা আমরা জেনেছি হিন্দুদের কোন চ্যাপ্টারের মধ্যে কিতাবের মধ্যে পবিত্রতা বলে কোন চ্যাপ্টার নাই ওদের ওযু গোসল লাগে না ওদের ইবাদতের সময় ওদের ওযু গোসল লাগে না অপবিত্রতা বলে কোন কিছুই নেই ওদের ওদের অপবিত্রতা হচ্ছে ওই কোন বিধর্মী মানে মুসলিম ওদের ধর্ম ছাড়া মুসলিম যদি ওদের কোন পাত্রে হাত দেয় ওদের বাড়িতে পা দেয় তাহলে ওনারা নাপাক হয়ে বুঝছেন এটা হচ্ছে ওদের ধর্ম এবং ওরা এটাকে খুব কঠিনভাবে নেয়।
আমার মনে আছে যখন আমি প্রাইমারি স্কুলে হাই স্কুলে ছিল। হাই স্কুলে তার পাশেই হিন্দুদের বাড়ি ছিল আর কি। তা আমরা মাঝে মাঝে খেলতে গেলে বল যদি ওদের বাসায় চলে যাইতো আমাদেরকে লুকিয়ে গিয়ে বল আনতে হইতো। কেন? কারণ ওরা দেখলে গেট খুলবে না আর দৌড়ান দিবে। আর আমরা দেখেছি যে কোন মুসলিম পোলাপান যদি ওদের ঘরে ঢুকে যায় ওদের মহিলারা ওই যে ওদের দেবতাদের জবটি থাকে ঝাড়ু নিয়ে পানি নিয়ে এগুলাকে ছিটায় আর ধুই। তহলে ওরা আমাদের ধর্মের উপরে একেবারে মানে অটুট ওরা ধর্ম পালন করার ক্ষেত্রে সচ্চার কিন্তু আমরা নির্ভুল মুসলিমরাই শুধু আমাদের ধর্মকে বুমল দেখিয়েছি আল্লাহ যেখানে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন ইন্না মুশর ওরা হল নাপাক ওরা এমন নাপাক যে মক্কার এরিয়া ওদেরকে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে পবিত্র জায়গায় ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে এতটা নাপাক আর আমরা মুসলিমরা ওদেরকে বন্ধু মানি ওদের মহিলাদেরকে বিয়ে করতে চায়।
ওদের পোলাদের সাথে আবার মুসলিম মহিলা ভাইগাও যায়। লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। এটা কেন হয়েছে? তার মানে আপনি ভুল মূল দেখিয়েছেন আপনার ধর্মকে। আল্লাহর বিধানকে অথচ আল্লাহ কোরআনে এটা ফয়সালা করে দিয়েছে। আল্লাহ সুবহানাহুতাালার কাছে এদের হেদায়েতের দোয়া করা ছাড়া আমাদের হাতে আর কিছু নাই। আল্লাহ যেন এদেরকে হেদায়েত দান করে। আল্লাহ পবিত্রতা জীবনকে পছন্দ করে। কোরআনের আরেকটা আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা বলেছেন এমন ব্যক্তিদের সম্পর্কে যারা পবিত্রতাটাকে খুব বেশি গুরুত্ব দিত। আর ইসলাম নাযিল হওয়ার আগেই যতটুকু তাদের কাছে জ্ঞান ছিল তখন থেকেই তারা পবিত্রতার বিধানটাকে খুব গুরুত্ব দিত। আল্লাহ কোরআনে তাদের সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। সেখানে এমন কিছু ব্যক্তিরা বসবাস করে যারা পবিত্রতাকে অনেক বেশি ভালোবাসে।
আর আল্লাহ এমন পবিত্র ব্যক্তিদেরকে ভালোবাসে। এটা সূরা তওবা। নয় নাম্বার সূরার ১০৮ এ উল্লেখ করেছেন এর ব্যাখ্যা জানতে চেয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে কিভাবে তারা পবিত্রতা অর্জন করে বা তাদের এই আলোচনাটা আল্লাহ করেছেন কিভাবে তারা পবিত্রতা অর্জন করে রাসূল নিজে গিয়ে হয়তো তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছেন যে তোমরা কিভাবে পবিত্র হও তখন তারা বলেছিল যে আমরা কাজা হাজতের সময় আমরা পানি দিয়ে ধৌত করি তার মানে পানির ব্যবহারটা তাদের কাছে ছিল বলেন তো দেখি এমন কি ব্যাপার আজকে তো প্রত্যেকের ঘরে টাঙ্কি আছে। নলপথ ছেড়ে দিলেই পানি বের হয়। এটা এমন কি ব্যাপার? আমরা সবাই তো পানি ব্যবহার করি।
কিন্তু চিন্তাও করতে পারবেন না। এটা এমন একটা সময়ের ঘটনা যখন খাবারের পানির জন্য তাদেরকে মাইলকে মাইল গিয়ে পানি তালাশ করে আনতে হইতো। আর ওই সময়ও তারা পবিত্রতাটাকে এত বেশি প্রাধান্য দিত। শুধু তারা টিস্যু দিয়ে বা কাগজ বা মাটি দিয়ে মুছে নেওয়াটাকেই যথেষ্ট মনে করেনি। তারা সবসময় ইস্তেঞ্জার পর পায়খানা প্রসাবের পরে তারা পানি দিয়ে ধুইতো। সুবহানাল্লাহ। আল্লাহ এটাকে পছন্দ করেছেন। আর আজকে আমাদের সমাজে যাদের কাছে পানি আছে ওই গাট্টিওয়ালা যারা পানি ছেড়ে দিয়ে তারা টিস্যু দিয়ে লাফালাফি করে। অথচ এটাকে যথেষ্ট মনে করে না। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশেও আপনি দেখাইতে পারবেন না যে তার কাছে পানি উপস্থিত আছে।
আর পানিকে বাদ দিয়ে তিনি অন্য কোন কিছুকে প্রাধান্য দিয়েছেন। এর কোন নজির আপনার কাছে দেখাইতে পারবেন না। বরং দেখা গেছে যখন পানি না পেয়েছে তখন পাথর বা মাটি সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। আল্লাহ সুবহানাহুতাালার কাছে পানি দিয়ে পবিত্র হওয়াটা অনেক বেশি পছন্দনীয়। এজন্য আমাদের যাদের সামর্থ্য আছে অবশ্যই পানি থাকলে অন্য কোন কিছুকে আপনি প্রাধান্য দিবেন না। পানি দিয়েই আমাদেরকে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। আর আফসোস লাগে যাদের কাছে পানি আছে সবই আছে ওই সমস্ত ওই যে প্যান্ট পড়া বাবুগুলা যারা গাড়ির গ্রেজে মানে এই যানবাহনের সেক্টরে তারপরে আপনার লেবার টাইপের মানে কনস্ট্রাকশনে এবং ওয়ার্কার জগতের যত মানুষ আছে তাদের মধ্যে ৯০% পুরুষ এই স্টেঞজার সময় পর্দা করে না এবং এই পানি দিয়ে পবিত্রতা হয় না তার মানে সে কুল ব্যবহার করে না বা স্টেজা পড়ে না ম্যাক্সিমাম তারা প্রসাব করার পরে বাস চেন লাগিয়ে দিল আবার আগের মত তার কাপড় নাপাক হয়ে যায় তার প্রসাবের ফোটা লেগে থাকে
তার মানে পবিত্রতার জীবনের সাথে তার কোন সম্পর্ক নাই কারণ তার নামাজ নাই তার পবিত্রতার কোন ব্যাপার না অথচ আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা যখন থেকে ইসলাম নাযিল করেছেন তার প্রথম বিধানের মধ্যে একটা বিধান হল তুমি তোমার পোশাককে পবিত্র রাখ পবিত্রতার বিধানটা প্রথমে এসেছে ইসলামেথা অথচ আমাদের এই মুসলিম জাতির কলঙ্ক যারা তাদের কিতাবকেও ধার ধারে না তারা আল্লাহর কথার বিধানের কোন ধার ধারে না আর না তার কোন খেয়াল আছে যে তার জীবনটা কাদের মত কাটে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা এদেরকে হেদায়েত দান করুন আমিন তো এই পর্বে আমরা উল্লেখ করেছি আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা তওবাকারীদেরকেও ভালোবাসেন এবং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা পবিত্রতা অর্জনকারীদেরকেও ভালোবাসেন পঞ্চম বা ষষ্ঠ বলতে পারেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা লজ্জাশীলতাকে ভালোবাসেন যারা লজ্জাশীল লজ্জা পায় আল্লাহ তাদেরকেও ভালোবাসেন এই সম্পর্কে অনেক কথা আছে আমরা ছোট্ট করে একটা হাদিস শুধু আমি আপনার কাছে উল্লেখ করব রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলার বিলা একজন ব্যক্তিকে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম খোলা জায়গায় গোসল করতে দেখেছেন পর্দা ছাড়া
গায়ে কাপড় ছিল না উলঙ্গ হয়ে গুস করতেছে কিন্তু পর্দা করেনি মিম্বার তারপরে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম মসজিদে আসলেন এবং মিম্বরে দাঁড়ালেন এবং তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন সানা পাঠ করলেন তারপরে খুতবার মত করে খুতবা দিলেনমালা তারপরে বললেন ইন্নাল্লাহা আজজাললা আল্লাহ হচ্ছেন অত্যধিক লজ্জাশীল এবং আল্লাহ হচ্ছেন গোপনীয়তা প্রিয় মানে গোপনীয়তাকে পছন্দ করে হাই সিতি হায়াত আল্লাহ লজ্জা করাটাকেও ভালোবাসেন এবং তিনি পর্দা করাটাকে ভালোবাসেন গোপন করাটাকেও ভালোবাসেন তোমাদের কেউ যখন গোসল করবে তাহলে অবশ্যই সে যেন পর্দা করে নেয় পর্দার সাথে গোসল করে হয় কাপড় সহ গোসল করবে যদি পুকুর টুকরে হয় ঘাটে হয় আর না হয় পর্দা করে তারপর সে কাপড় খুলবে তার মানে উলঙ্গ অবস্থায় প্রকাশ্যে সে গোসল করবে না।
এটা আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা আমাদের জন্য নিষেধ করে দিয়েছেন। তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে আল্লাহ লজ্জাশীল এবং লজ্জা করাটাকে আল্লাহ সুবহানাতালা ভালোবাসেন। এ হাদিস ইমাম আবু দাউদ কোট করেছেন ৪০ তে আপনি পেয়ে যাবেন এবং নাসাতে ৪০৬ রয়েছে। তাহলে আমাদেরকে অবশ্যই লজ্জাশীলটাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। লজ্জাশীলের ক্ষেত্রে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে যে যেখানে মানে লজ্জা স্থান খোলার প্রয়োজন দেখা দেবে লজ্জাস্থান খোলার আগে তাকে অন্যান্য দিক থেকে পর্দার ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক সময় পুরুষ হোক বা মহিলাদের হোক কোন না কোন জায়গায় লজ্জাস্থান খোলার প্রয়োজন পড়তে পারে।
যেমন আমাদের গোসল করার সময় প্রসাব পায়খানা করার সময় সহবাস করার সময় এমনকি যখন ট্রিটমেন্টের প্রয়োজন হবে ডাক্তারের কাছে গেলে মহিলা মহিলাদের কাছে পুরুষ পুরুষদের কাছে যখন ট্রিটমেন্টে যায় অনেক সময় মহিলাদের লজ্জাস্থান খোলার প্রয়োজন পড়ে তাদের ডেলিভারির সময় তো যখন এগুলোর প্রয়োজন হবে আগে অন্যান্য দিক থেকে পর্দার ব্যবস্থা করে নিতে হবে তারপরে তারা সে কাজটা করবে এতটা গুরুত্বের সাথে নেওয়া হয়েছে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা এগুলোকে গুরুত্বের সাথে নেওয়ার আমাদেরকে তৌফিক দান এবং আপনি এর গুরুত্ব সম্পর্কে জেনে নেন। যদি কোন ব্যক্তি গোসল করার সময় প্রসাব পায়খানা করার সময় তার লজ্জাস্থানকে ঢাকার বা পর্দার ব্যবস্থা না করে আপনারা কি ভুলে গেছেন সে হাদিস কবরে কিন্তু শাস্তি হওয়ার এটা একটা কারণ একটা কারণ না কবর থেকে শাস্তি শুরু।
দুই ব্যক্তি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম বলেছিলেন যে ইন্নাহুমা এই দুই ব্যক্তির কবরে আযাব হচ্ছে তাদের একজনের চরিত্র কি ছিল এই ব্যক্তি প্রসাব করার সময় পর্দা করত না তাহলে এখানে স্পষ্ট কথা রয়েছে যে প্রসাব করার সময় যদি সে পর্দার আড়াল না গ্রহণ করে যেমন রাসূুল্লাহ সহ সলাম পর্দার ক্ষেত্রে কি নিয়ম পালন করতেন তখন তার সব জায়গায় বাথরুম বানানো ছিল না। দূরে চলে যাইত এত দূরে যাতে মানুষের নজরে না আসে। অথবা কোন পাহাড়ের আড়ালে গাছের ঝুপড়ির আড়ালে যাতে করে লজ্জাস্থান কেউ দেখতে না পায়। এগুলো হচ্ছে পর্দা করার সাব। আমরাও রাস্তাঘাটে যেখানে আমাদের প্রয়োজন হবে আমাদেরকে এমন আড়ালে চলে যেতে হবে যেখানে মানুষের নজরে না আসে।
আবার অনেক নির্বোধ আছে। দেখেছি আমরা এটা। ধরেন উঁচু বিল্ডিং। ওর নিচে কি করে? ও বাহিরের মানুষ থেকে পর্দা করে ও বিল্ডিং এর নিচে দেয়ালের পাশে প্রসাব করতে বসে গেল। অথচ উপরে বেলকুনিতে মহিলা দাঁড়ানো। এগুলোকে আপন খেয়াল রাখতে হবে। এটা বসৎবাড়ির আশেপাশে এটা চলবে না। অবশ্যই বসৎবাড়ির আশেপাশে হলে আপনাকে চতুর্দিকে খেয়াল রেখে তারপর এ কাজটা করতে হবে। এত নির্লজ্যতা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা পছন্দ করে না। মুসলিম এতটা নিচে নেমে যাবে এটা কখনোই কল্পনাও করা যায় না। এজন্য অবশ্যই পর্দার বিধানটাকে খেয়াল রাখবেন। না হলে হাদিস স্পষ্ট এবং হাদিস এটা বুখারী মুসলিমে রয়েছে। বুখারীতে হাদিসটা আপনি ২১৮ তে পেয়ে যাবেন যে প্রসাব পায়খানার সময় পর্দা না করলে আপনাকে কবরের জন্য শাস্তি পেতে হবে।
এখানে আরেকটা বিষয় আসছে সেটা হচ্ছে গোপনীয়তা। দুইটা দুই জিনিস। একটা হচ্ছে লজ্জার করার কারণে আপনি আপনার পর্দা করবেন গোপনীয়তা অবলম্বন করবেন কিন্তু শব্দটা হচ্ছে ইন্নাল্লাহা মানে হচ্ছে যিনি গোপন করে রাখে গোপন করা শুধু লজ্জাস্থানের জন্য খাস না গোপন বহু বিষয় আছে যে জিনিসটা গোপনীয় গোপন কথা একজন মানুষের আমানত একজন মানুষ সম্পর্কে আপনি যেটা জানেন এটা আপনার কাছে গোপন এটাকেও আল্লাহ গোপন করা পছন্দ করেন এটা প্রকাশ করা আল্লাহ মোটেও পছন্দ করে না যেমন যারা যাদের অতীত জীবনে কোন একটা পাপের সাথে জড়িত ছিলেন। একটা বড় ধরনের পাপ আপনি করে ফেলেছেন বা হয়ে গেছে বা পাপের জীবনে ছিলেন।
যেমন আমার ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে আপনারা কেউ জানেন না। আপনাদের ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে আমি জানি না। এই যে আমাদের একে অপরের যে গোপনীয়তা এখন এসে হাসি ঠাট্টা তামাশার কারণে কোন বাইপাস কথার কারণে এটা অনেক সময় আমরা প্রকাশ করে দেই। না আল্লাহ এটা পছন্দ করেন না। আল্লাহ এটা ভালোবাসেন না। আল্লাহ ভালোবাসেন। আপনার অতীতে যা হয়ে গেছে তো হয়ে গেছে। কেউ জানে না। মানে কেউ জানবে না। ব্যাস আপনি তওবা করে নিয়েছেন আল্লাহকে বলেন। অতীতের কোন ব্যাপারে কারো সাথে কোন ডিসকাস করবেন না। আর অনেক সময় তো আমাদের কিছু ব্যক্তিরা আছে বক্তব্যের মধ্যেই বলে অমুক সময় উনি অমুক দলের প্লেয়ার ছিল। খেলতে গিয়ে সে মদ খেছে।
অমুক করছে তমুক করছে নাচ গান করছে। সে মিউজিশিয়ান ছিল। সে নায়ক ছিল গায়ক ছিল। এগুলোর মানে কোন প্রয়োজন নাই। এগুলো কেউ প্রকাশ করাটা আল্লাহ পছন্দ করেন না। অতীতে যা হয়ে গেছে তো হয়ে গেছে। কেউ প্রকাশ করবে না যে আমি একটা সময় ডাকাত ছিলাম। অনেকগুলো হত্যা করেছি অমুক করেছি তমুক করেছি এটা বলবে না সে তওবা করে নেওয়ার পরে বরং এটা অনুতপ্ত হইলো না বরং এটার উদ্যততা হইল বা তার একটা বড়ত্ব হিসেবে সেটাকে প্রকাশ করেছে এটা মোটেও কাম্য না আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা গোপন বিষয়গুলোকে গোপন রাখাটাকে ভালোবাসেন এজন্য আল্লাহর নামই হচ্ছে সিতির আল্লাহ হচ্ছেন আিতির তার মানে তিনি গোপন করে আপনি চিন্তা করে দেখেন তো আপনার আমার জীবনের কত কি ঘটে গেছে যেটা এখন পর্যন্ত প্রকাশ যেদিন আল্লাহ চাইবে প্রকাশ ঘটে যাবে।
বড় বড় ক্রিমিনাল গুলা গোপনে অপরাধগুলো করে। কিন্তু আল্লাহ যাদের জন্য চায় তাদেরটার গোপন থাকে না। বর্তমানে অধিকাংশ মানুষের পাপ কেউ না কেউ প্রকাশ করে দিচ্ছে। হয় সে নিজে করতেছে অথবা তার সঙ্গীর সঙ্গী কেউ করতেছে। যে ভিডিও ধারণ করেছিল সেই ভিডিও সে নেটে ছেড়ে দিয়েছে। এভাবে অনেক অপকর্ম দেখা যাচ্ছে। আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ তুমি আমাদের পাপগুলোকে গোপন রাখো। আমিন। এবং যেগুলো গোপন হয়ে আছে এগুলো যেন কেয়ামত পর্যন্ত গোপনী থেকে যায় আল্লাহ তুমি সেই ব্যবস্থা করে দাও। আল্লাহ সুবহানাহুতালা গোপনীয়তাটাকে পছন্দ করে। আপনি জানেন একটা মুসলিমের জীবনটা কত বড় গু। আসুন তার একটা ফজিলত বলি। তারপরে আপনাকে আরেকটু ডিটেলস বলি।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন লাদুনিয়া পৃথিবীতে কোন বান্দা যদি কোন বান্দার কোন গোপনীয় বিষয়টাকে গোপন রেখে দেয় এর জাল ললা কিয়ামা কেয়ামতের মাঠে আল্লাহ ওর সমস্ত পাপের বিষয়গুলোকে গোপন করে কতটা গুরুত্বের সাথে দেখানো হয়েছে যে একজন মুসলিম ব্যক্তির অপরাধগুলা ত্রুটিগুলা এটা যেন প্রকাশ না পায়। একটা রাষ্ট্রের বাংলার জমিনে মুসলিমের আমরা বসবাস করি। আর মুসলিমদের কোন একটা গোপন কিছু এটা প্রকাশ পেয়ে যাক। এটা আল্লাহ কোনদিন পছন্দ করে না। আপনি জানেন কত বড় ব্যাপার। মদিনা থেকে যখন রাসূুল্লাহ সাল্লা মক্কা আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন একজন সাহাবী গোপন চিঠির মাধ্যমে সেটা জানিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। আল্লাহ ওহী মারফত তাকে জানিয়ে দিয়েছেন যে এ কাজটা করা হয়েছে।
লোক পাঠাও সেই চিঠিকে ঠেকাও। তার মানে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা মুসলিমদের কোন কিছুকে মানে প্রকাশ করে দেওয়াটাকে পছন্দ করে না। কোন মুসলিম শাসক যদি কোন সিদ্ধান্ত নেয় কোন জাতির উপরে আক্রমণ করার কোন টেকনিক করবে এটা কোন মুসলিম যারা ব্লগার আছে সাংবাদিক আছে তাদের উচিত না সেটাকে প্রকাশ করে দেওয়া। তাতে কি হবে ওই রাষ্ট্রের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। উল্টা আক্রমণ হয়ে যেতে পারে একবার আকর্ষিক ভাবে। কিন্তু আমাদের নির্বোধ মুসলিমরা একবারে মানে এত আল্লাদি যারা নেট পেয়ে গেছে নেটিজেন যাদেরকে বলে মানে ভিউ বাড়ানোর জন্য সে এমন এমন কথা বলে যেটা এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়নি সে আগে ভাগে বলে দিচ্ছে এটা হইতেছে এটা হইতেছে অমুক জায়গায় গ্যাস পাওয়া গেছে তো এটা করবে এটা হবে সরকার এটা করবে মানে ও বাস খাওয়ার আরো বেশি কাজ করে মানে দেখা যাচ্ছে যেটা হয়তো আমাদের জন্য সহজে হইতো কিন্তু ওর এই এই সাংবাদিকতার জন্য ওর এই তথ্যটা প্রকাশ করার বরং এটা হিতি আর বিপরীত হয়ে যাবে।
সৌদি আরব ধরেন ইরান বা যে যুদ্ধগুলো এখন হচ্ছে মুসলিম কত নির্বুদ্রা আছে এমন কিছু গোপনী বিষয় আছে যে সেটা ও বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকাশ করে দিচ্ছে। অথচ এটা হওয়ারই না। হয়তো হয় নাই। কিন্তু ওর এই সংবাদ সেটা আমার আপনার মনে তুচ্ছ ব্যক্তি আমরা ছোট ব্যক্তি। আমাদের বক্তব্য কি আর ইরানের ওই পার্লামেন্টটা দেখবে? হয়তো দেখবে না। কিন্তু আপনি এতটা নিচে কেন ভাবলেন? ওরা আপনার এই কথার কারণে এটাকে বড় সূত্র যদি ধরে নিয়ে যদি এটাক করে দেয় কথার কথা মানে এটা আমাদের এক্সাম্পল দিয়ে দিলাম কূটনীতিক যারা তারা সবকিছুর ক্ষেত্রে নজর রাখে কোথায় কি হচ্ছে না হচ্ছে তাহলে সৌদি আরবের কোন একজন আল্লাদি কোন একজন ব্যক্তি যদি এমন বলে দেয় যে সৌদি আরবের কাছে এমন মিসাইল বা এমন কিছু টেকনিকের ব্যবস্থা ওনারা করতেছে যে কোন সময় এটাক হতে পারে এটা ওরা যদি সিরিয়াসলি নেয় খামাখ অথচ এর কোন সত্যতাই না হইতে পারে তো কথা হচ্ছে যে যখন কোন রাষ্ট্রের
কোন গোপনীয়তা বিষয় আছে সেগুলোকে রক্ষা করা এটা আপনার আমার ঈমানের দায়িত্ব আর আলহামদুলিল্লাহ এই কষেত্রে সৌদি আরবের একটা নীতি আপনাকে বলে দি ১০ বছর ছিলাম তো বলেন তো দেখি এমন কোন ব্যক্তি আছেন যারা খুব বেশি খবরাখবর নিয়ে ব্যস্ত থাকেন আপনি বলেন তো দেখি গত এক বছরে সৌদি আরবে কয়টা জেনা ধর্ষণ হয়েছে এর কি প্রমাণ আছে আপনার কাছে কোন প্রমাণ নাই বরং আপনি কোন পত্রিকায় দেখাইতে পারবেন না যে সৌদি আরবে গত বছর অমুক অমুক অমুক অমুক ধর্ষণ ছিন্তা এগুলো হইছে কোন খবর পাতায় কোন খবরই পাবেন না। কিন্তু যদি কোনটাকে ধরা পড়া হয়েছে, কল্লা কাটা হয়েছে, জেলে দিয়েছে, কিভাবে ধরছে সেগুলোর খবর আপনি ঠিকই পাবেন।
কেন? তারা অপরাধকে প্রকাশ করে না। কিন্তু অপরাধের শাস্তিকে প্রকাশ করে। কারণ অপরাধকে প্রকাশ করলে এর মাধ্যমে আরেকটা অপরাধী মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। আর যখন শাস্তিকে প্রকাশ করা হবে এটা দেখে অপরাধী আরো ভয় করে। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের চিত্র ভিন্ন। মানে একটা তাওহীদ রাষ্ট্র হলে আল্লাহকে যারা চিনে আল্লাহর বিধানকে যারা মূল্যায়ন করে এবং আল্লাহকে যারা চিনে না আল্লাহর বিধানকে যারা মূল্যায়ন করে না এই দুই দলের মধ্যে দুই দেশের পার্থক্য যদি আপনি বুঝতে চান তাহলে বাংলাদেশ আর সৌদি আরবকে দেখেন। যেখানে সৌদি আরবে কোন জাদুকরকে পেলে হত্যা করে দিবে। কি করে দিবে? হত্যা করে দিবে। আর বাংলাদেশের জাদুকরকে কি করা হয়? স্টেজে তুলে সুপ করানো হয়।
যে বড় জাদুকর আসছে জাদু দেখাবে বুঝেন বাংলাদেশে ঘরে ঘরে জাদুর চর্চা কিছু হলেই জাদু করে দেয় একজন আরেকজনের উপরে কালো জাদু অমুক তমুক কিছু হলে আর সৌদি আরবে একটা জাদুকরকে পেলে কল্লা উড়িয়ে দিবে পার্থক্য কি দুইটাই তো মুসলিম রাষ্ট্র এরাও মুসলিম একদল একটাকে কুফরি পর্যায় মনে করে আরেকদল এটাকে মানে মেডেল পাওয়ার মতন কাজ মনে করে এটাই পার্থক্য জ্ঞান আর মূর্খের মধ্যে জ্ঞানী আর মূর্খের মধ্যে এটাই হচ্ছে পার্থক্য যারা ধর্ম বোঝে তারা বিষয়টাকে এভাবে নেয় জাদুটা হচ্ছে কুফরি কিন্তু কে কাকে বুঝায় এ বাঙালি জাতি এতটা অজ্ঞ মানে রন্দ্রে রন্দ্রে তাদের ধর্মের বিপক্ষে দাঁড়ানোর প্রবণতা রয়েছে আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন আমিন তো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তিনি লজ্জাশীলতাটাকে পছন্দ করেন এবং গোপন বিষয়কে গোপন রাখাটাকে পছন্দ করেন এজন্য যাদের হাতে একটা দামি মোবাইল আছে একজন ব্যক্তি দূরে লুকিয়ে হয়তো গোসল করতেছে অথচ আপনার বিল্ডিং থেকে দেখা যাচ্ছে আর আপনি জুম করে তার ভিডিও করে নেটে ছেড়ে দিবেন আপনার
মত নিকৃষ্ট মানুষ পৃথিবীতে আর হয় এটা হচ্ছে ফাসাদ এটা ফাসাদ এটা আপনার দুষ্টামির জিনিস না এটা আপনি মুসলিমদের নারীদেরকে নিয়ে খেলা করতেছে এবং মুসলিম মহিলারা যারা টাকা কামানোর নামে এই সমস্ত নূর আমি বেছে নিয়েছেন আপনি ভুলে গেছেন যারা এটা করে তার অধিকাংশ হচ্ছে হিন্দু হিন্দু খ্রিস্টান যাদের মরলেই জাহান্নামে যাবে ওদের দুনিয়া কিন্তু ওদেরকে দেখে একজন মুসলিম কি করে একটা এই কাজটা করতে পারে একটা মুসলিম মেয়ে যে নিজের গোসল করা ভিডিও সে নেটের মধ্যে আপলোড দিবে ভিড় পাওয়ার জন্য কত নান চিন্তাগুলা অথচ আল্লাহ সুবহানাহুতালা লজ্জাশীল এবং আল্লাহ গোপনীয়তাটাকে ভালোবাসেন এটা আমাদেরকে জানানো হয়েছে আল্লাহ আমাদেরকে লজ্জা এবং গোপনীয়তা নিয়ে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালার আরেকটা ভালোবাসার জিনিস হচ্ছে ক্ষমা করা।
আল্লাহ ক্ষমাশীল। এটা আমরা সবাই জানি। আল্লাহ ক্ষমা করাটাকে ভালোবাসেন। এটা শুধু আল্লাহ নিজের জন্য বেছে নেননি। এটা আল্লাহ আমাদের জন্য পছন্দ করেছেন। আমরাও যদি আমাদের মধ্যে ক্ষমার প্রবণতাটাকে বাড়াইতে পারি বা ধরে রাখতে পারি। আপনি জেনে নেন। এটা আল্লাহর ভালোবাসার জিনিস। এজন্য আমাদেরকে ক্ষমা করা শিখতে হবে। এ ক্ষমা করার গুণটা একটা মহৎ গুণ। যেই গুণটা নবীদের মধ্যে ছিল। যেই গুণটা সাহাবায়ে কেরামরাও ধরে রেখেছিলেন। তারা নিজেদের সাথে অনেক কিছু ঘটে গেছে। কিন্তু তারা ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখেছেন। তারা এগুলো সিরিয়াসলি নেয়নি। যেমন সবচাইতে উত্তম এক্সাম্পল হচ্ছেন আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম। তেমন ইউসুফ আলাইহিস সালাম তাকে কুপে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
কত নির্যাতন তাকে করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও তার হাতে যখন ক্ষমতা তার সামনে তাদের ১১ টা ভাই অপরাধীরা সামনে ছিল। তাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিয়ে নিজের ভাই বলে স্বীকার করে দিয়েছেন। আর ওটাকে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আবার এক্সাম্পল হিসেবে পেশ করেছেন মক্কা বিজয়ের যে যেটা বলেছিল আমার ভাই ইউসুফ আজকে আমিও তোমাদেরকে বলতেছি লাতাসবা আলাইকুম আজকে তোমাদের উপর কোন তিরস্কার নেই আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিলাম ক্ষমা করা এটা হচ্ছেটা মহা আল্লাহ নিজে যেমন ক্ষমাশীল ক্ষমা করাটাকে ভালোবাসেন এটা আল্লাহ আমাদের জন্য পছন্দ করেছেন আল্লাহ যে আমাদেরকে ক্ষমা করেই যান করতেই থাকেন বা করেই যাচ্ছেন তার কোরআনে তো স্পষ্ট নিদর্শন রয়েছে একটা আয়াতে নিয়ে আল্লাহ বলেছেন তোমাদের জীবনের যে কোন মুসিবত গুলো আসতেছে এগুলো সব তোমাদের হাতের কামাই তবে আল্লাহ তোমাদের অসংখ্য দুটিকে ক্ষমা করে যাচ্ছেন অনেক কিছু দেখেনি তোমাদের বহু কিছুকে দেখি কিছু যদি একটা একটা করে ধরা হতো সরা মধ্যে আছে মাতারাকা আলাইহামাতারাকা আলাইহামিতা আল্লাহ বলেছেন মানুষের জুলুমের
কারণে যদি আল্লাহ তাদেরকে ধরে নিত এক করে তাহলে জমিনে মানুষ তো দূরের কথা একটা প্রাণী পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পার আল্লাহর আজাব যখন আসবে তখন তো প্রাণীরাই মারা যাবে আল্লাহ যদি বন্যা দিয়ে আমাদেরকে ধরে তো বন্যায় শুধু আমরা মরব না একেবারে পিপড়া থেকে নিয়ে যত গবাদী পশু আছে সমস্ত মারা যাবে আল্লাহ যদি ঝড় দেয় ঝর দিলে আমরা মরি নাকি পুরা পাখি গাছ পালা সব ভেঙ্গে তস এজন আল্লাহ বলেছেন আমি যদি মানুষের পাপের কারণে ধরতাম তাহলে একটা প্রাণীও পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারতো না আল্লাহ বহু পাপের পাপের থেকে মুখ ফিরিয়ে মানে তোমাদেরকে ক্ষমা করে যাচ্ছে তাহলে আল্লাহ সুবহানাতালা হচ্ছেন ক্ষমাশীল এবং দয়াবান আর আল্লাহ যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করতেন তাহলে আজকে আমরা এখানে উপস্থিত থাকার মত ব্যক্তি ছিলাম না কারণ আমাদের সবার পাপ রয়েছে এজন্য আবার আবার আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ তুমি আমাদের পাপগুলাকে ক্ষমা করো ইয়া রাব্বুল আলামিন এবং তিনি ক্ষমা করাটাকে পছন্দ করেন এবং
এটা আপনি নিজেও সাক্ষী ওই যে রমজানের কদরের রাত্রের যে দোয়া রয়েছে তাতে আপনি নিজেই বলতেছেন আল্লাহুম্মা আল্লাহ তুমি তো ক্ষমা করে দিয়ে থাকো ছেড়ে দাও আর তুমি ছেড়ে দেওয়াটাকেই পছন্দ করব আল্লাহ তুমি আমাকে ছেড়ে দাও ছেড়ে দেওয়া মানে কি জানেন এটা শুধু ক্ষমা না ছেড়ে দেওয়া মানে হল যেন আপনি অপরাধ করেই যাচ্ছেন মানে অপরাধ করে যেন আপনি পার হয়ে যাচ্ছেন আল্লাহ আপনাকে যেমন যদি এটা আমরা এক্সাম্পল দিয়েছিলাম আপনার বাড়ির কোন একটা গাছের ফল কোন একটা পোলাপান পেরে নিয়ে যাচ্ছে বা কেউ কোন একটা মহিলা বা ছেড়ে নিয়ে যাচ্ছে আপনি ঘরে থেকে এটা দেখেছেন আপনি চিন্তা করে দেখলেন এখন যদি আমি একে ধরি ও লজ্জা পাবে ভয় পাবে তিরস্কার তো দূরের কথা আপনি দেখেনই ও যে ফল নিয়ে চলে গেছে কালকে সকাল আপনার সামনে ও টেরই পাচ্ছে না যে আপনি জানেন ও টেরই পাচ্ছে না আপনি জানেন যে আপনার ঘর থেকে আপনার পকেট থেকে আপনার স্ত্রী মাঝে মাঝে টাকা নেয়।
এটা আপনি জানেন। কিন্তু আপনার ওয়াইফ টারই পাচ্ছে না যেটা আপনি জানেন। আপনি এমন একটা ভাব করেছেন যেমন আপনি জানেনই না। মাঝে মাঝে আমাদের টাকার পরিমাণ বেশি মিসিং হলে হয়তো উল্লেখ করি যে হিসাব ঠিক হচ্ছে না। সবসময় একটা ঘাটতি। শুধু এতটাই বলা হয়। কিন্তু হিসাব কোনদিন চাওয়া হয় না। তাহলে এটা হচ্ছে ছেড়ে দেওয়া। মানে তাকে তিরস্কার না করা। তাকে অপমান অপদস্ত না করা। কিন্তু একটা পিছে যদি ওযে চুরি করছে ওকে ধরেন যেমন যেটা করা হইতো ধরে আগে কানটা ধরে এটা ধরলি কেন ছিড়লি কেন আরাবি এইযে ভয় পেয়েছে লজ্জা পেল এটা ওকে ছেড়ে দেওয়া হয় নাই ওকে ক্ষমা তো করলেন থাপ্পড় দিলেন না ক্ষমা করে দিলেন কিন্তুযে শাস্তি স্বরূপকে ধমকাইলেন এতটুকু শাস্তি দিলেন তারপরে ক্ষমা করলেন কিন্তু আল্লাহকে যখন আপনি বলতেছেন আল্লাহ আল্লাহ তুমি ছেড়ে দেওয়াটাকে ভালোবাসো অতএব আমাকে ছেড়ে তার মানে কি জানেন? তার মানে আমি আর আপনি যখন আল্লাহর সামনে দাঁড়াবো আল্লাহ তো জানে যে চেহারাটা কত পাপ নিয়ে আমার কাছে আসছে।
আল্লাহ যেমন মানে আপনাকে জিজ্ঞেস করবেন আচ্ছা ঠিক আছে যাও তোমাকে ক্ষমা করে দেওয়া হল। আল্লাহ আপনাকে বলবে না যেন আপনি বলতে চাচ্ছেন যে আল্লাহ তুমি আমাকে ওইদিন বইল না যে তুই কি এই পাপটা করেছিলি না? তাহলে তো লজ্জা পেবেন। মানে আপনি আর আমি যেন আল্লাহকে বলতেছি আল্লাহ তুমি ওইদিন আমাকে এটা বই না যে আমি যে পাপটা করেছি আল্লাহ তুমি আমাকে কিছু বই না ছেড়ে দাও। আল্লাহ ছেড়ে দেওয়াটাকে ভালোবাসে। আল্লাহ সুবহানাহুতালা আমাদেরকেও শিক্ষা দিচ্ছেন আমরাও যেন একে অপরকে ক্ষমার বিষয়টাকে মাথায় নিয়ে আসি। তো এ ক্ষমা কার উপরে দেখালেন? এ ক্ষমার সবচাইতে বেশি হকদার হল নিজের পরিবারের লোকেরা।
মানে আপনার কাছ থেকে যারা ক্ষমা পাওয়ার সবচাইতে বেশি হকদার তিনি হলেন পরিবারের লোকেরা। কারণ আপনি লক্ষ্য করে দেখেন আপনার বাপ মা আপনার আমাকে যত বেশি ক্ষমা করেছে আমরাও আমাদের সন্তানদেরকে ততটা ক্ষমা করতে হবে। এ ক্ষমার হকদার রাখে স্বামী স্ত্রী একে অপরের আজকে আমরা ক্ষমা করি না বিধায় অনেক ক্ষেত্রে ধরে ফেলে বিধায় সংসারগুলো টিকে না। এটা সামান্য বিষয় তালাক হয়ে যাচ্ছে। ডিভোর্স হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে আমাদেরকে ক্ষমার বিষয়টাকে প্রাধান্য দিতে হবে। খাবারের ক্ষেত্রে স্বাদের কম বেশি হওয়া, ঝাল কম হওয়া, লবণ বেশি হওয়া এসব ক্ষেত্রে ক্ষমা না থাকলে সংসারে অশান্তির শেষ থাকবে না। ঘাটতি প্রয়োজনের ঘাটতি হইলে এখানে ক্ষমা লাগবে।
সন্তানদের অনেক অপরাধের কারণে ক্ষমা লাগবে। আল্লাহ নিজে বলেছেন ইন্নামিন আজলা তোমাদের কতক স্ত্রী এবং সন্তানরা তোমাদের শত্রু। তাদেরকে উপেক্ষা করে চল। তাদের সব ক্ষেত্রে তুমি মানে গুরুত্বের সাথে নিও না। তাহলে তোমার পেরেশানির শেষ থাকবে না। আমরা যারা ঘরে সবসময় বেশি কাটায় আমরা জানি ওদের চোখের সামনে ওদের অপরাধগুলা কি। যারা বাহিরে থাকেন সারাদিন পরে ঘরে আসেন অপরাধ কম চোখে পড়ে। কিন্তু যারা সারাক্ষণ ঘরে থাকবেন তারা দেখতে পাবেন যে মহিলাদের বাচ্চাদের দ্বারা কত বেশি ভুল হয় যেটা আপনি পছন্দ করেন না। কিন্তু তারপরও আপনাকে সেটা ক্ষমা নজরে নিতে হবে। কারণ ক্ষমার বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা বলেছেন এই ক্ষমার হকদার হইল নিজের ভাই রক্তের আপন রক্তের ভাই বোন চাচা মামা ফুফু এইযে যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক রয়েছে আপনি দেখেন তো দেখি আমাদের পরিবারের কার কার ভাইয়ের সাথে এত ভালো সম্পর্ক কার মামা চাচা ফুফু এবং রক্তের পুরো সার্কেলটার সাথে ভালো সম্পর্ক এমন পরিবার কয়টা আছে নাই ম্যাক্সিমামদের মধ্যে দ্বন্দ শুধু জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ভাগাভাগি নিয়ে অমুককে দিল না অমুক দিল না অমুকে কম নিল অমুকে বেশি নিল এরপরে এই যে দ্বন্দ লেগে আছে এভাবে কবরে চলে যাচ্ছেন কিন্তু ক্ষমার রাস্তায় কোনদিন কেউ ফিরে আসেন না অথচ গতকালকে আরব দেশের একজন শেখের একটা ভিডিও দেখছিলাম তিনি কাদছিলেন বলতেছিলেন যে মানুষের উচিত ভাই বোন চাচা ফুফু রক্তের সম্পর্ক যাদের আছে তাদেরকে ক্ষমা করে দেওয়া কারণ তুমি এক পাত্র থেকে আসছো কথাটা তিনি এমনভাবে বলছেন মানে তুমি তোমার ভাইকে কেন ক্ষমা করবা না তোমার তোমার বোনকে তুমি তো দুইজনে এক পেটে ছিলা মানে এক পাত্রে
তুমি বড় হইছো এক পাত্রে খাওয়া দাওয়া খাইছো একই পোশাক পড়ে বড় হইছো তাহলে এখন এসে তাকে ক্ষমা করতে কিসে বাধা তাহলে ভাই বোনদেরকে ক্ষমা করতে হ্যা কেউ জালেম আছে যারা আপনার অর্থ সম্পত্তি নিয়ে নিছে বা ক্ষমার অযোগ্য কিন্তু আপনি ক্ষমা করবেন আল্লাহর জন্য আল্লাহ কি বলেছেন জানেন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এটাকে গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলেন আল্লাহ বলেছেন হ্যা উচিত যাদের সাথে যারা ভালো কাজ করো সম্পর্ককে অটুট রেখে চল তোমার সাথে নাইনসাফি করা হয়েছে জুলুম করা হয়েছে তারপরেও যদি তুমি ক্ষমা করো এটাই আল্লাহ চায় এই চরিত্রটাকে বহাল রাখতে এটা আল্লাহ পছন্দ করে আল্লাহ বলেছেন তুমি কি পছন্দ করো না যে আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করে দি তার মানে আল্লাহ বলতে চাচ্ছেন আমরা আমাদের সাথে জুলুম হয়েছে আমাদের ভাগ আমাদের ভাইয়েরা দেয় না তারাই সবটা নিয়ে নিয়েছে আল্লাহ বলছে তুমি যদি তারপরও তাদেরকে ক্ষমা করে দাও তাহলে তুমি এটা পছন্দ করো যে আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করে দিবে তার মানে আমাদেরকে আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার জন্য এটা করতে হবে এটা সূরা নূর ২৪ নাম্বার সূরার ২২ এ রয়েছে এজন্য আমাদের উচিত ঘরে আমাদের সার্কেলদের মধ্যে বন্ধু বান্ধবদের সবচাইতে কাছের পরিচিত ব্যক্তির মধ্যে এবং সর্বদূরত্ব যে সম্পর্কটা আছে সেটা হচ্ছে মুসলিম ভাতৃত্ব।
অতএব কোন মুসলিম ভাই যদি আমাদের সাথে কোন অন্যায় করে ফেলে আমাদের উচিত সে যদি অনুতপ্ত হয় ক্ষমা চায় আমাদেরকে ক্ষমার রাস্তাটাকে প্রশস্ত রাখা। এই শত্রুতাটাকে জিয়ে রেখে এটাতে কোন কল্যাণ নাই। বরং ক্ষমা করে দেওয়াটাই হচ্ছে মহৎ গুণ। আল্লাহ আমাদেরকে গুণে গুণান্বিত হওয়ার তৌফিক দান করুন। এবং হাদিস আপনারা জানেন আহাব্বুল মিলাদিল্লাহ আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় জায়গা হচ্ছে মসজিদ আমি এখানে শর্ট করে দিব শুধু ইঙ্গিত করে দিলাম যে মসজিদে বেশি সময় কাটানো এটা আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার একটা মাধ্যম এটাকে গুরুত্ব দেন কিন্তু আজকে অধিকাংশ মানুষ যত সময় রাস্তাঘাটের বাজারে কাটায় তার একবারে কিঞ্চিত পার্সনও তারা মসজিদে এসে সময় কাটায় না অথচ আমাদেরকে কে জানানো হয়েছে মসজিদ হচ্ছে আল্লাহর ভালোবাসার জায়গা।
আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা পছন্দ করেন জিকিরের বৈঠককে। যেখানে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার জিকির হবে আল্লাহকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ক্লাস হচ্ছে কোরআন হাদিসের সেই ক্লাসগুলোতে বেশি সময় কাটানো এটা আল্লাহ সুবহানাহুতাালার ভালোবাসার কাজ। এবং সর্বশেষ হাদিস যেটা উল্লেখ করব যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আল্লাহর জিকির করা। জিকির মানে সারাক্ষণ মুখে আল্লাহর জিকির চালু রাখা। এটাকে আল্লাহ ভালোবাসেন এবং যেই জিকির গুলোকে আল্লাহ ভালোবাসেন তার মধ্যে চারটা কালেমা সহজ বাক্য যেই বাক্য দিয়ে আপনি শুরু করেন না কেন রাসূ বলেছেন তুমি যেই শব্দ দিয়ে শুরু করো না কেন তাতে তোমার কোন কিছুর ক্ষতি হবে না সেটা হচ্ছে সুবহানাল্লাহি আলহামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার এই চারটা বাক্য যখন তখন মুখ থেকে চারটার মধ্যে একটা ধরেন সুবহানাল্লাহ বেরিয়ে গেল আলহামদুলিল্লাহ বেরিয়ে গেল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহু আকবার বেরুক তাতে আপনার কোন ক্ষতি নেই কল্যাণ আর কল্যাণ এ হাদিস ইমাম মুসলিম কোট করেছেন যেটা আপনি পেয়ে যাবেন ৫৪৯৪৯৪ নাম্বারে আল্লাহর
কাছে পছন্দনীয় নাম আপনারা জানেন যে আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় নাম হচ্ছে আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ এই ধরনের নাম মানে যেটা আল্লাহর সাথে লেগে থাকা না আল্লাহর গোলামের পরিচয় পায় এরকম নামকে আল্লাহ পছন্দ করে আর আল্লাহর কাছে রাগান্বিত বা ঘৃণিত নাম হচ্ছে শাহেনশাহ শাহিনশাহ বুঝেন আল মালিকুল আমলাক আরবরা রাখে মালিকুল আমলাক আর ট্রান্সলেট করা হয়েছে শাহেনশাহ শাহনশাহ মানে হচ্ছে রাজাধিরাজ এটা আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয় নাম জাহাঙ্গীর এই নামগুলো হচ্ছে অপছন্দনীয় এগুলো যাদের আছে এগুলোকে পরিবর্তন করে নেওয়া উচিত মানে জাহাঙ্গীর মানে হচ্ছে ফারসি শব্দ সম্ভবত মানে পুরা জাহানকে যিনি ধরে রেখেছে জাহাঙ্গীরটা মানুষ জাহাঙ্গীর হতে পারে না শাহেনশাহ হতে পারে না রাজাধিরাজ মানে বাদশা আর বাদশা বিচারকের বিচারক এগুলো নাম শোভনীয় না এজন্য যেমনযে আবরার অধিক পবিত্র না আল্লাহ নিষেধ করেছে নিজেকে এত বেশি পবিত্র দাবি করো না এগুলো নাম হইতে পারে না এই নামের ক্ষেত্রে আল্লাহর ভালোবাসা অপছন্দনীয় ব্যাপার আছে তার মানে আমি বুঝাতে চেয়েছি জীবনের বহু এঙ্গেলে আল্লাহর ভালোবাসা অসন্তুষ্টির সাথে জড়িত রয়েছে আমাদেরকে দেখতে হবে আমরা কতটা আল্লাহর ভালোবাসার সাথে জড়িত কোন কোন ভালোবাসার দিকগুলোকে আমরা নিজের জীবনে গ্রহণ করেছি এটা আমাদেরকে দেখতে হবে।
এটা ছিল খুতবার মূল বিষয়। আল্লাহ আমাকে এবং আপনাদেরকে খুতবা বোঝার এবং সে অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।