লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: তাওহীদ ও দাওয়াতের সঠিক মানহাজ

তাওহীদ ও দাওয়াতের সঠিক মানহাজ



আজকে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার আল্লাহ সুবহানাহুতালা তিনি সেটা নবী সলা সলামকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন আল কোরআন ইন্নাকালাতাহ তাকে পৌছিয়ে দেওয়া। আর এই পৌঁছানোটাই হচ্ছেল্লাহ রবের কাছ থেকে আপনার প্রতি হে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আমরা ওহী পাঠালাম এই নির্দেশ দিয়ে যে ইব্রাহিমের মিল্লাতের অনুসরণ করো ইব্রাহিমের দিন মিল্লাত মানে এখানে তিনি একনিষ্ঠ ছিলেন মুখলেস ছিলেন হানিফা দিয়ে একনিষ্ঠ এখলাস বোঝানোর উদ্দেশ্য ওমাকানা মিনাল মুশরিকন এবং তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে আল্লাহতালা যেন বললেন তোমরা যারা ইব্রাহিমের মিল্লাত এবং দ্বীনকে অনুসরণ করতে চাও যিনি তার সন্তানের সাথেও খুবই চমৎকার একটা পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন। ইয়া বুনাই বলে তিনি কথা বলেছিলেন এবং তার বাবার সাথেও যখন নেগোশিয়েট হয় তখন তিনি ইয়াবাতি এভাবে সুন্দর শ্রদ্ধা ব্যঞ্জক ভাষা তিনি ব্যবহার করেছেন।

                                                           

আবার যখন তিনি তদিয়া আল্লাহরদ্রোহী এক ব্যক্তির সাথে পরস্পর বিতর্ক করলেন প্রত্যেকে তার হুজ্জত পেশ করলেন তখনও তিনি দাওয়া ইলাল্লাহর সবচেয়ে সুন্দর মানহাজ সবচেয়ে সুন্দর মেথডলজি ফলো করলেন ওহাজ্জা ইব্রাহিম আল কোরআন সেটা বলেছে উদ্ধৃতি দিয়েছে আমরা বেচারারা বোকা বুঝি না শুধু তেলাওয়াত করেই মজা পাই। কিন্তু এর মধ্যে যে বুদ্ধিমত্তা এর মধ্যে যে মেথডোলজি এর মধ্যে যে গভীর চিন্তার অনেক কিছু আছে অনেক লেসন আছে সেটা কিন্তু আমরা মিস করি। তাহলে আল্লাহ এখানে আসলে বললেন কি? যে ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের এই যে দাওয়ার চমৎকার মানহাজটা তোমরা গ্রহণ করো। ঠিক যেমনি তৌহীদের ব্যাপারে তার আকিদাটা তোমরা গ্রহণ করবে। সকল নবীদের মূল আকিদা ছিল কি? আকিদাতুত তৌহীদ।

                                                           

আকিদাতুত তৌহীদ। এই আকিদাতু তৌহীদ হচ্ছে দ্বীনের মূল ক্রিম। মূল জিনিস। এজন্য সকল নবীদের শরীয়তের বিভিন্ন আহকামে এখতেলাফ থাকলেও আকিদাত তৌহীদে একটা এটম কিংবা পরমাণু পরিমাণ এখতেলাফ ছিল না। আল্লাহ বারবার তাকে অনুসরণের কথা বলছেন মিল্লাতা ইব্রাহিমা হানিফা ওমা মুশরকিন। তিনি বলে দিচ্ছেন যে তার মধ্যে আকিদাতুশর ছিল না। অতএব যে ব্যক্তি আকিদাতুত তাওহীদকে শতভাগ প্রতিষ্ঠিত করেছে তার মানহাজটাই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম। অতএব তার অনুসৃত নীতিমালা এবং দ্বীন তোমরা অনুসরণ করো। আজকের প্রেক্ষাপটে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বক্তব্য। সকল সৃষ্টিকে সকল মানুষকে যে তারা যেন সবাইকে হেকমাহ সহকারে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে ডাকে। ইবনু জারির বলেছেন অজ্ঞার অধিকারী সাধারণত জ্ঞানী ব্যক্তিরাই হয়ে থাকে।

                                                           

অজ্ঞ কিংবা যারা জানে না তাদের কখনো কোন প্রজ্ঞা আছে বলে কেউ স্বীকৃতি দেয় না। তাইলে অবশ্যই কোরআন সুন্নাহ থেকেই উৎসাহিত হতে হবে। আজকে অনেক মানুষ দাওয়াই আল্লাহর ক্ষেত্রে আমল করতে গিয়ে নিজের মন মত কাজ করে। তারা আকলে যেটা বলে সেটা করে। অনেক সময় বিভিন্ন বাতিলে সেটাই হল হেকমা। অতএব কোন দাড়ি যদি হেকমা সহকারে কাজ করতে চান তাকে ফুল মেথডলজি থেকে আরম্ভ করে জ্ঞানের সকল কন্টেন্ট হাসানা নিশ্চয় রাসূুল্লাহর মধ্যে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ রয়েছে অতএব তার কাছ থেকে শুধু সালাত শিখবো না তাওহীদের দিকেই সব নবী রাসূদের এটা ছিল তারা তাদের দাওয়া শুরু করেছেন। হে আমার জাতির লোকেরা নির্দিষ্ট কোন গোত্র, নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি, নির্দিষ্ট কোন প্রভাবশালী অথবা পরিবার তাদের টার্গেট ছিল না।

                                                           

তাদের টার্গেট ছিল গোটা বিশেষ করে শেষ নবী সলাত সুবহানাল্লাহিনাল মুশরিক হে রাসূল আপনি বলে দিন এটা আমার পথ। আমি আল্লাহর দিকে আহ্বান করি আল্লাহর নির্দেশে আল্লাহর ওহীর আলোকে এলেমের আলোকে কিতাব এবং সুন্নাহর আলোকে আমি মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করি আর এই কারণে কিতাব সুন্নাহ হয়ে গেছে এলেম এবং সেটাই হচ্ছে আজকে দায়র মূল কন্টেন্ট মূল জিনিস যেটা সে প্রচার করবে সেটা কিতাব এবং সুন্নাহ আল কিতাব এবং আস সুন্নাহ এরপর বলছেন এ দায়িত্বটা পালন করি আমি এবং যারা আমাকে অনুসরণ করে কারা তাকে অনুসরণ করে মোমেন এবং মুসলিম যারা তারাই আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে অনুসরণ করে কারণ তাদের একমাত্র রোল মডেল কেন নবী সলা এরপর বললেন আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি সুবহানাল্লাহ মানে আল্লাহর পবিত্রতামিনাল মুশরিকন সবসময় দেখেন ইব্রাহিম সালামের সময় বলা হচ্ছেনামিনাল মুশরিক নিজের কথা বলছেন ওনামিনাল শেরকের সাথে কোন কমপ্রমাইজ নেই শেরকের সাথে কোন বন্ধুত্ব নেই শেরককে যারা লালন করে তাদেরকে বদ্ধ হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে না ইসলামের সবচেয়ে বড় সংঘাত এটা শেরকের সাথে কারণ এটা তাওহীদকে ধ্বংস করে দেয় চৌচির করে দেয়।

                                                           

মুসলিমদের যত ভরাঢুবি ঘটেছে বিভিন্ন সময় সেটা শেরকে সংস্পর্শে আসার কারণে। ইসলামবাদে আর সবাই শেরকের সাদা সাধন করেছে। একমাত্র ইসলাম যেটা নির্ভেজাল তাওহীদন। ইহুদিরা বলেছেুল্লাহ। খ্রিস্টানরা বলেছে নাসারারা কি আল মাসিহাবনুল্লাহ এগুলো আসমানি দিন কিন্তু মুসা আলাই সালামের দ্বীন ঈসা আলাই সালামের কাছে যে দ্বীন আল্লাহ সতালা দিয়েছিলেন এরপরেও তারা শিরকে সম্পৃক্ত হয়েছে তারা মানব সন্তানকে আল্লাহ সন্তান হিসাবেইয়াদুবিল্লাহ তারা প্রচার করেছে ফলে এই আসমানি দিনগুলো শেরকের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে। কিন্তু ইসলামে কোন ব্যক্তিকে কি আল্লাহর সন্তান বলা হয়েছে? অথবা কোন নারীকে কি আল্লাহর কন্যা বলা হয়েছে? বলা হয়নি। করছে মানে অবগাহন করছে ডুবে আছে। তৌহীদের মূল লেসনটা নিতে পারে নাই।

                                                           

এজন্য অনেক মানুষ তৌহীদ নিয়েও আজকে বিতর্ক তৈরি করছে। তৌহীদ বিরোধী অনেক কেউ বদ্ধ করে রাখে নাই। ফলে জ্ঞানের সঠিক চর্চা হলে কোনটা তাওহীদ আর কোনটা শেরক সেটা কিন্তু আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে যায়। অতএব মুদ্দা কথা হলো সকল তারা মুসা আলাই সালামের কাহিনীগুলোতে ওযে সাপের কাহিনী আজদাহা হয়ে গেছে আবার খেয়ে ফেলেছে জাদুকর মানে ইত্যাদি জিনিসগুলো মানে ইত্যাদি জিনিসগুলো দেখে। কিন্তু আপনি দেখবেন যে পুরো বর্ণনার মধ্যে মূল দেখে। কিন্তু আপনি দেখবেন যে পুরো বর্ণনার মধ্যে মূল ফোকাসটা কি? কি? তার নবী সলাম কি কথা কি কথা আল্লাহর রহমতে তুমি বিনয়ী হয়ে গেলে করছে তাকে বলবেন যে চুরি আর করবেন না মানুষের হক ফিরিয়ে দেন একজন মানুষ ঘুষ খাচ্ছে তাকে বলুন ভাই এটা খাবেন দাওয়া দুটো পার্ট একটা হল আমর মারুফ আরেকটা হল উম্মার শ্রেষ্ঠত্ব আল্লাহতালা বর্ণনা করেছেন এ দুটো কারণে ঈমান ছাড়া কি কেউ দাড়ি হতে পারে তহলে ঈমান ঠিক রেখে তারপর দুটো মেইন কাজ করতে হবে একটা হল মারুফ আরেকটা হল না মনকার দুটো গুরুত্বপূর্ণ পার্ট এটা তাকওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পার্ট যিনি মুত্তাকী হিসেবে থাকতে চান তাকে আল্লাহর নির্দেশ যথাসম্ভব পরিপালন করতে হবে।

                                                           

আর আল্লাহ এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিষেধকৃত সকল কাজ সর্বতভাবে বর্জন করতে হবে। সুতরাং আপনি দেখেন প্রত্যেকটা মেথডের সাথে একটা চমৎকার পরিপূরক সম্পর্ক আছে। তাকওয়া দাওয়াল্লাহ। অতএব আপনি যদি শুধু মানুষকে বলেন ভাইজান আপনারা নামাজ পড়েন আগে তার ব্রেন পরিষ্কার করতে হবে। জাগতিকভাবে আপনি একটু দেখেন ব্রেনের ছোট্ট একটা কোষে স্ট্রোক দুটোই ভয়ঙ্কর। ইসলামেও এ দুটো ভয়ঙ্কর। হার্ট ফেলিউর হলে মানুষ দ্রুত চিকিৎসা না হলে মারা যায়। যাবেন। কিন্তু যদি তাওহীদ নিয়ে যেতে পারেন আল্লাহর কাছে আপনি পুরস্কৃত হবেন। কিন্তু এই চিন্তা চেতনা নিয়ে আপনি তো অমর থাকবেন না। কেউ যদি বলে যে না আমি যদি নাস্তিক বহন করি তাহলে আমি ১০০০ বছর ২০০০ বছর ৫০০০ বছর বাঁচবো।

                                                           

তাহলে আপনি নাস্তিক হন। এই অল্প কয়টা বছর আমাদের সবারই প্রায় কাছাকাছি বয়স। আল্লাহর কাছে যাবেন কি নিয়ে? নবী সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম বলেছেন ল্লাহিলা এটা সহ বুখারীর একটি বিখ্যাত হাদিস আল্লাহ তোমার মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকেও যদি হেদায়েত দান করেন হেদায়েত এখানেও নবী কার দিকে কানেক্ট করেছেন আল্লাহর সাথে সেটা তোমার জন্য তোমার একটা লালুট হওয়ার চাইতেও উত্তম লালট মানে হচ্ছে তৎকালীন যুগে খুব লোকটিভ মানুষের কাছে আকাঙ্ক্ষিত একটা এটাই আসলে বোঝাটা উদ্দেশ্য যে তোমার অনেক বড় দামি একটা সম্পদ হয়ে যাবে একটা বড় গুলশানে বাড়ি হয়ে যাবে বা একটা কিছু বড় একটা মারসিডিজ গাড়ি ১০ ১২ ১৫ কোটি টাকার এটার চাইতে একজন ব্যক্তিকে যদি তুমি লাইনে আনতে পারো তাকে হেদায়েত দিতে পারো তাকে হেদায়েতের পথে আনতে পারো হেদায়েত দেওয়ার মালিক তো আল্লাহ তাকে দাওয়া দিতে পারো দাওয়া দিয়ে তুমি যদি সফল হও তাহলে এটা তোমার জন্য একটা বিশাল অর্জন।

                                                           

আরো বলেছেন এটা সহী মুসলিমের আরেকটা হাদিস মানলা যতগুলো সওয়াবের কাজ করল সবগুলো সওয়াব এই ব্যক্তির জন্য আল্লাহ নির্ধারণ করে দিবেন। কিন্তু ওই ব্যক্তিদের কোন ঘাটতি হবে না। তাদের সওয়াবের কোন ঘাটতি হবে না। যে তাদের থেকে একটু নিয়ে কিতাবু তাওহীদে তিনি উল্লেখ করেছেন। বলেছেন আনাফিহা আতমবিহ আখলাস এইযে আয়াতটা আল্লাহ সতালা বললেন ইলাবিকা অথবালাহ যেটা অন্য আরেকটি আয়াতে এখানে আল্লাহতালা আসলে তামবি করেছেন যেন দাওয়াতটা তার উদ্দেশ্যেই হয় কারণ অনেক মানুষ যখন হকের দিকে মানুষকে দাওয়াত দেয় একটা সময় সে নিজের দিকে মানুষকে আহ্বান করতে থাকে নিজের দিকে নিজের মাযহাবের দিকে নিজের জামাতের দিকে নিজের কওমের দিকে নিজের স্বার্থের দিকে স্বভাবে সেটা আচ্ছা এখন দাওয়ার মধ্যে আপনি এখলাসের আলামত মানে কিভাবে বুঝবেন যে আপনার এখলাস আছে তার কিছু আলামত আছে খুব সংক্ষেপে বলছি এক হচ্ছে যদি আপনাদের এই দাওয়াত দিতে গিয়ে দেখেন যে আপনার কিছু ভুল হচ্ছে আরেকজন সঠিকটা এখানে হকটা যদি আপনার মুখ দিয়ে বের হয় আহলান সাহলেন যদি আপনার মুখ দিয়ে বের হয় তাও আহ সাহান আর আমি যদি ভুল করি কি করতে হবে আমার ভুলটা স্বীকার করে তওবা করতে হবে এটাই হচ্ছে নিয়ম না হয় কিংবা দাওয়াতের মাধ্যমে আপনি লাখ কোটি টাকা ইনকাম করছেন।

                                                           

আপনার প্রফেশন হয়ে দাঁড়ালো যে বিভিন্ন জায়গায় দাওয়াত কাজ করে করে আপনি লাখ লাখ টাকা ইনকাম করবেন। এখানে এখলাস থাকলো না। দাওয়ার জন্য আরেকটা শর্ত হচ্ছে এলেম। এলেম থাকতে হবে। অনেক দাড়ি তারা এলেম ছাড়া দাওয়াত দেয়। ফলে সেটা হেদায়েতের পরিবর্তে মানুষকে গোমরাহের দিকে নিয়ে যায়। কারণ এখানে দাওয়ার প্রথম বিষয়টাই বলা হচ্ছে কি? হমা। অতএব হেকমাটা যেটা আমরা বলেছি হেকমাটা মূলত জ্ঞান থেকে নিশ্চিত নন। আপনি কারো কারো কাছে শুনেছেন সেদিকে মানুষকে দাওয়াত দেওয়া যাবে না। আপনার সত্যের প্রতি আপনার ইয়াকিন থাকতে হবে। আর সত্যটাও আপনার কাছে প্রমাণিত থাকতে হবে। মানুষ অনেক ফেকে সত্য বলে মনে করে। মানুষ অনেক ধারণাকে নলেজ বলে মনে করে।

                                                           

কিন্তু যেটা ধারণা সেটা কি নলেজ বলেন তো? জ্ঞানতো কিন্তু কোরআন ভুল হতে পারে না। নবী সাল্লাল্লাহু পারে না। এবং শাইখুল ইসলাম তামিতো এটাও বলেছেন যে কোরআনের বাণীর সাথে সহীহ হাদিসের আসলে কোন বিরোধ কখন যখন শুদ্ধ হয় তখন দেখবেন যে এই দুটোর মধ্যে কোন বিরোধ নাই। প্রবলেমটা তখনই শুরু হয় যখন একটা তথ্য আরেকটা তথ্য হলো অশুদ্ধ। দুটোকেই শুদ্ধ মনে করে আমরা সামনাসামনি দাঁড় করিয়ে দিলাম এবং তখন লেগে গেল যুদ্ধ কি নিয়ে এটা শুদ্ধ কিনা এটা নিয়ে কোনটা শুদ্ধ এটা নিয়ে হয় যুদ্ধ বড় প্রবলেমের মধ্যে আমরা পড়ে যাই আচ্ছা এখানে যদি মানহাজের কথায় আমরা আসি প্রথম মানহাজটা হল কি হমা মানে হচ্ছে নিষেধ করা দায়র জন্য হিকমা হচ্ছে তার এমন কিছু তথ্য এবং জ্ঞান তার সাথে তার মূল জিনিসই হলো যে সে সবসময় আপনাকে সঠিক পথে পথে চলতে সহযোগিতা করে আর ভুল পথে চলা থেকে আপনাকে নিষেধ করে।

                                                           

হেমা মানে হল এখানে আল্লামা সা তিনি এই হেকমতের বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন হমাতুল্লে আহ ফেকবার একটা অংশ হলো আপনি জ্ঞান দ্বারা যখন সমৃদ্ধ হবেন তখন এই জ্ঞানটাকে কখন কিভাবে কাজে লাগাবেন পরিবেশ পরিস্থিতি ব্যক্তি অনুযায়ী সেটা নির্ধারণ করবেন পুরো হক একসাথে এক জায়গায় ঢেলে দিলেই আপনার দাওয়া কাজে নাও আসতে পারে এজন্য যেমন হমার মধ্যে আছে তাদারুজ এটা কোরআনিক মেথডলজি একদিনে কোরআন নাযিল হয় নাই আরেকদিনে বলে এই কোরআন দিলাম এবার সবাই মানুষ হয়ে যাও ২৩ বছর ধরে ধরে কোরআন নাযিল হয়েছে মানুষকে ধীরে ধীরে মানুষকে পরিবর্তনের দিকে আহবান জানানো হয়েছে কারণ মানুষের একটা স্বভাব হচ্ছে একসাথে সে পরিবর্তন হয় না এজন্য ঈমানের বিষয়গুলো এসেছে ঈমান আকিদা কিন্তু মানুষকে মেন্টালি তৈরি করে তাকে প্রাকটিক্যালি তৈরি করতে হয় এজন্য ইবাদত গুলো দেওয়া হয়েছে প্র্যাক্টিক্যালি কারণ শুধু তাকে এঙ্গেজ রাখতে হয়।

                                                           

ইবাদতগুলো হচ্ছে মানুষকে রবের সাথে এঙ্গেজ করে দেওয়া। এবং তারপরে আছে আরো কিছু বিধিনিষেধ যেটা হালাল হারামের মধ্যে আর হচ্ছে এটিকেটস যেটা আখলাকের মধ্য দিয়ে আমরা পাই দেয়া হয়েছে আপনাকে চেষ্টা করতে হবে এলেম ছাড়া আসলে সত্যিকার অর্থে মানে কষ্ট ছাড়া আপনি সত্যিকার অর্থে এলেম অর্জন করতে পারবেন না ঠিক তেমনি হকমাও এলেমের আরো হকমা তৈরি করে যদি আপনি কিছু মুখস্থ বিদ্যা চর্চা করেন তাহলে কিন্তু আপনার হেকমটা অর্জিত নাও হতে পারে। বাকারার ২৬৯ নম্বর আয়াত যাকে ইচ্ছা আল্লাহ তালা হেকমত দিয়ে থাকেন আর যাকে আল্লাহ তালা হেকমত দেন তাহলে তাকে অনেক খয়ের অনেক কল্যাণ প্রদান করা হলো। আমরা বলি তারতিব আউলায়াত প্রায়রিটি ম্যানেজমেন্ট।

                                                           

যেমন ধরেন এক লোকে দেখলেন যে একটা মুস্তাহাব তরক করেছে। আবার দেখলেন যে ফরজ তরক করেছে। আবার দেখলেন যেশ পরে লাউ খাওয়া সুন্নত এগুলো দিয়ে তারা দ্বীনি দায়িত্ব পালন করে। এতে দাওয়াতি দায়িত্ব পালন হয় না। দেখেন এই যে প্রায়রিটি ম্যানেজমেন্টটা আমরা মোটামুটি সবাই জানি। বড় সমস্যা। তাহলে বোঝা গেছে যে সত্যিকার অর্থে মানুষকে মেন্টালি প্রিপেয়ার করা। কোরআন সুন্নাহর ঈমান এবং আকিদায় তাদেরকে গড়ে তোলার দায়িত্ব কিন্তু আমরা কেউ পালন আমাদের খুতবাগুলোর টপিকটা কি? সেখানে ঈমান আকিদার যথেষ্ট পরিমাণ খুতবা দেওয়া হয় কিনা? একটা অঞ্চলের সকল মানুষের উপর যদি সারভে করেন যে এই অঞ্চলের মানুষ জিজ্ঞেস করছেন নবীর নাম কি? সে বলছে কোভিদ নাম কাজী নজরুল ইসলাম।

                                                           

নিচ চোখে দেখেছি। তাকে বারবার জিজ্ঞেস করার পরেও সে মনে করছে নবী তো বুঝি না। আমি জানি বুঝেছি কোরআন সুন্নাহ সংস্পর্শে থাকি তাদের উপর দায়িত্বটা একটু বেশি। তাই না? আমি যদি দেখি যে রাস্তার কিনারায় একজন গর্তে পড়ে যাবেন বা ড্রেনে পড়ে যাবেন। আর তার পাশে হাঁটি তিনি পড়ে যাওয়ার সময় আমি কি ধরবো না? দেখেন এটা ইনস্টিটিভলি চলে আসে স্তস্পর্তভাবে। এই দায়িত্বটা যেহেতু আল্লাহ আমাদেরকে আকল দিয়েছেন এ কারণে চলে আসে। আপনি যদি বলেন না সব দায়িত্ব আমি নিব কেন? আপনার ঈমানের দায়িত্ব আছে। আপনি যদি মনে করেন আপনি সঠিক চিন্তাভাবনা জ্ঞানের চর্চা করেন তাহলে আপনার দায়িত্বটা আছে। দায়িত্বটা পালন করতে হবে আমাদেরকে।

                                                           

মানুষকে বিপথে যাওয়া থেকে তাদেরকে ফিরিয়ে রাখা এটা আমাদের সবারই নৈতিক দায়িত্ব। এজন্যই নবী সলাভাবে বলে দিয়েছেন এটি বুখারীর হাদিস। আচ্ছা আরো অনেক আলোচনা ছিল। আমি তো পর্বে আমরা এতটুকুই রাখি। কারণ এখানে প্রত্যেকটা মেথডলজি আরেকটু বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করে দলিল প্রমাণসহ যদি আমরা দিতে পারি এটা একটা ক্লাসের মতই হয়তো আমাদেরকে আলোকিত করবে সমৃদ্ধ করবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর কাছে দোয়া করি আমরা যেন সকলেই দাওয়া ইলাল্লাহর গুরুত্ব অনুধাবন করি। >> এবং প্রত্যেকেই পরিবারভুক্ত সবাইকে নিয়ে আমরা যেন দালাল হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। আপনি আপনার ছোট্ট সন্তানকেও কিন্তু ছোট্ট জুনিয়র দাড়ি বানাতে পারেন। আর আগামী দিনের বড় দাড়িতে সে যাতে পরিণত হয়।

                                                           

সবাইকে একটু ফোন করো। তুমি বলো যে আমি তো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। আলহামদুলিল্লাহ আমার জন্য দোয়া করবেন। সুযোগ হলে বলে দাও যে আপনার নামাজটা ঠিক আছে। তো এটা তো একদম বেয়াদবি হবে না। তাই না? অনেকে লজ্জা পাবেন। কারণ আমাদের মধ্যে সালাতে গাফলতি এখন আরাম হয়ে গেছে। কোন এলাকার মুসলিমদের মধ্যে যদি সালাতের গাফলাতি আম হয়ে যায় মনে রাখবেন সেখানে কিন্তু বিপর্যয় কেউ রোকতে পারবে না। মুসলিম হওয়ার সবচেয়ে বড় আলামত হচ্ছে কি? >> এই ফরজ সালাতগুলো ঠিকমত >> আদায় করা।

                                                           

একটা এলাকায় যেমন ধরেন এবার হাম হলো ডেঙ্গু হলো এটা নিয়ে আমরা খুব ভয় পাচ্ছি তাহলে ভয় পাচ্ছি না কেন যে নামাজ হচ্ছে না ঠিকমত ওটা নিয়ে ভয় পাচ্ছি না কেনভয় পাচ্ছি না যে শেরেক বেদাতে বিভিন্ন এলাকা ভরপুর হয়ে যাচ্ছে আমরা তো বলছি না যারা শেরেক বেদাতে লিপ্ত আছে ওদেরকে গিয়ে প্রহার করে ঠিক করে নিয়ে আসো নো সুন্দর দর দাওয়া দিয়ে তাদের তারা আমাদের ভাই বোন কেউ জাহান্নামের পথে হাঁটছে আমরা শুধু তাদেরকে জান্নাতের পথে আনার জন্য তাদেরকে আহবান জানাচ্ছি এটাই হল দাল আল্লাহর মূল কথা আসুন সেভাবে আমরা প্রস্তুতি নেই আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে তৌফিক দান করেন >> আমাদের ভুল বিভ্রান্তিকে ক্ষমা করে দেন >> ভুল বিভ্রান্তি থেকে তওবা করে আবারো পাপমুক্ত এবং ত্রুটিমুক্ত মোমিনে পরিণত হওয়ার তৌফিক দান করেন >> আমিন মুসলিমিন রাহিম আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন ওসসালাতু আসসালামু আলা নাবিনা মুহাম্মাদিওলা ইলাদিন আম্মাবাদ আইহ মুসলিমুল্লাহ সুবহানা আফতা আল্লাহুম্মাতামি বড় নেয়ামত হচ্ছে নেয়ামাতুল হিদায়া আমরা আশা করি আমরা হেদায়েতের পথে আছি আমরা সবাই সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করছি যদি কোন ভুল থাকে সে ভুলগুলো থেকে শুধরে নিয়ে পরিপূর্ণ হেদায়েতের পথে চলতে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ যেন আমাদেরকে সে তৌফিক দান করেন।

                                                           

>> আমাদের কোন ভুল ত্রুটি হয়ে গেলে আল্লাহ যেন সেটি আমাদের সামনে চিহ্নিত করে দেন। >> এবং আমরা যেন সেগুলো থেকে সময় থাকতেই তওবা করে ফিরে আসতে পারি। >> এই তারবিয়াটাও খুব জরুরি। এই তারবিয়াটাও খুব জরুরি। এইযে এই যে দোয়াটা করলাম এটা একটা তারবিয়া। কিন্তু আপনি কখনো ভাববেন না আপনি ভুলমুক্ত। আপনি কখনো সঠিক। হ্যাঁ সঠিক তখনই যখনই আপনার পক্ষে পরিপূর্ণ দলিল থাকবে এবং আপনার কাছে সেটা স্পষ্ট থাকবে অনেক স্পষ্টভাবে সত্যকে জানা বোঝার জন্য আমাদেরকে অধ্যয়ন চালিয়ে যেতে হবে আমাদেরকে ওলামায়ে কেরাম মুহাক্কেক ওলামায়ে কেরামের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে হবে আজ পৃথিবীতে আসলে বহু চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সবাই যার যার মত করে সত্য বানায় সবাই যার যার মত করে বয়ান তৈরি তৈরি করে এবং এখানে কে যে সত্যিকার অর্থে ১০০% সঠিক মানহাজ এবং কোরআন সুন্নাহর উপর আছে এটা অনেক সাধারণ মানুষের কাছে নির্ণয় করা কঠিন হয়ে যায়।

                                                           

যে যার বয়ান পড়ে ভালো লাগে সে তাকে অনুসরণ করা শুরু করে। আমার কাছে এটা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মনে হয় আজকের মুসলিমদের জন্যে। যাদের কাছে উগ্র কথাবার্তা ভালো লাগে সে উগ্র হয়ে যায়। যাদের কাছে লিবারেল কথাবার্তা ভালো লাগে সে লিবারাল হয়ে যায়। যাদের কাছে মনে হয় সবার সাথে মিলেমিশে থাকা উচিত। হ্যা মিলেমিশে তো থাকা উচিত। কিন্তু সবার ধর্মমত কি গ্রহণ করা যাবে? সেটা তার কাছে আইডিয়াল মনে হয়। আর যাদের কাছে কোরআন সুন্নাহ সঠিক মনে হয় এটা তো মনে হওয়ার ব্যাপার না।