আমাকে গালি দেননি আমাকে বকা দেননি আমার প্রতি কঠোরতা করেননি তবে তিনি বললেন শোনো সালাতে মানুষের কথা চলে না এমন একটা রাজত্ব দিবা আমাকে আমি সোলায়মান বলছি আমাকে এমন একটা রাজত্ব দিবা যে রাজত্ব আমার পরে পৃথিবীতে কেয়ামত পর্যন্ত কাউকে দিবা না জামিয়া সালাফিয়া ডাঙ্গিপাড়া রাজশাহীর বায়তুল হাম জামে মসজিদের উপস্থিত মুসল্লি দ্বীনি মুসলিম ভাই ও বোন প্রশংসা আল্লাহর জন্য শান্তি অবতীর্ণ হোক আল্লাহর রাসূলের উপর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজ জুমার খুতবায় বক্তব্যের বিষয় সালাতের মধ্যে কি কি করা যায় আর কি কি করা যায় না কি জায়েজ আর কি নাজায়েজ যদিও আমরা অত্র মসজিদে করোনার পরে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করে আসছিলাম।
তাতে আমরা সরাতুল জানাজা পর্যন্ত পৌঁছেছিলাম। পরবর্তীতে আমরা যখন আবারো দাওয়া সেন্টার ঢাকায় নিয়মিত জুমার খুতবা চালু করি তখন আমরা পুনরায় পবিত্রতা থেকে আরম্ভ করেছিলাম। তাতে আমরা পৌঁছেছিলাম সালাতে সালাম ফেরার পরে জিকির। সালাতে সালাম ফেরার পরে কি বলতে হবে। তারপরের আলোচনায় হচ্ছে সালাতে কি কি জায়েজ আর কি কি নাজায়েজ। আমরা ঢাকার দাওয়া সেন্টারে যে ধারাবাহিক জুমার সালাত চলছিল সেইটা বহাল রেখে আজকের ধারাবাহিক সিরিয়ালে আমরা রয়েছি। সলাতে কি কি জায়েজ কি কি নাজায়েজ। বিগত আলোচনাগুলি আপনারা আমাদের অনলাইন আল ইতেশাম টিভির মাধ্যমে সময়ের গতিতে অবগত হবেন বলে আমরা আশা রাখি। দেশ-বিদেশের দ্বীনি ভাই ও বোন। সম্মানিত দ্বীনি ভাই ও বোন সালাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
যা মানুষের সাথে আপোস করে না। যা মানুষ তার সাথে আপোষ করবে এমনও হয় না। সালাত এমন একটি বিধান যেকোন সময়ে যেকোন অবস্থায় মানুষকে আদায় করতেই হবে। অযু করে সালাত আদায় করতে হয়। পানি নেই। তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করতে হবে। মাটি নেই ওযু ছাড়া তায়াম্মুম ছাড়াই সালাত আদায় করতে হবে। কেবলার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতে হয়। কেবলা বুঝা যায় না। কেবলা ছাড়াই সালাত আদায় করতে হবে। দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে হয়। দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। বসে থেকে সালাত আদায় করতে হবে। বসে থাকা যায় না। তাহলে শুয়ে থেকে সালাত আদায় করতে হবে। পরিষ্কার কাপড় পড়ে সালাত আদায় করতে হয়।
পরিষ্কার কাপড় নেই। যে কাপড়ে পেশাব পায়খানা লেগে আছে সেই কাপড় পড়েই সালাত আদায় করতে হবে। এমন যদি কোন সমস্যা আসে যেখানে কোন কাপড়ই নেই তাহলে নগ্ন অবস্থাতেও সালাত আদায় করতে হবে। সালাত আদায় করতেই হবে। সালাত একটি ফরজ বিধান যা মানুষের সাথে আপোষ করে না। তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ সালাতে কি কি জায়েজ কি কি নাজায়েজ? আল্লাহ তাআলা বলেন কাদাফলাহ মমিনুন আল্লাহ সলা ওসব মুমিন পুরুষ নারী সফল হল যারা ভয়ভীতি নিয়ে সালাত আদায় করল সালাত এমন একটি ইবাদত যাতে একাগ্রতা লাগে একনিষ্ঠ একমুখী হয়ে খালেশ অন্তরে এবাদত করতে হয় যেখানে আল্লাহ তাআালার ভয়ভীতি থাকবে সেটাই হলো মূলত সলাত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মান্নাবাহুশালাহ অন্য এক বর্ণনা এসেছে সাহ ইবনে সাদ রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মান্নাবাহনফি সালাতেহ কারো যদি সালাতে কোন সমস্যা হয় কোন কিছু ঘটে বা সালাতে ভুল ত্রুটি হয় আমরা তো বুঝি যে সালাতে ভুল
হলেই এভাবে বলতে হবে করতে হবে তখন আল্লাহর রাসূল বললেন ফালিসাব্বে অতসা ওই সময় যেন মানুষ সুবহানাল্লাহ বলে আর মহিলাদের জন্য তাসফিক ডান হাতের ভিতর বাম হাতের পিঠের উপরে মারতে হবে মেরে একটা শব্দ করতে হবে তার নাম তাসফিক দিয়ে ইমামকে জানাতে হবে ঘটনা এই তাহলে এমাম তার ছয় স্থানে ফিরে যাবে বা পরিবেশ পরিস্থিতি ভাববে বিষয়টি কেমন আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেছেন আততাসরেনিসা তাসবি হচ্ছে পুরুষের জন্য আর তাসফ হাততালি হচ্ছে নারীদের জন্য মহিলারা সালাতের মধ্যেও কথা বলে একটা উঁচু কন্ঠে কথা বলে ইমামকে অবগত করাতে পারবে না। বিধানই ভিন্ন ঠিক যেমনভাবে কাতারে দাঁড়ানোর জন্য একজন ইমাম একজন মুক্তাদি মহিলা মুক্তাদি তাহলে মহিলা মুক্তাদি ইমামের পাশে দাঁড়াতে পারবে না।
স্বামী হলেও নয়, ভাই হলেও নয়, পিতা হলেও নয়। কোন মানুষের পাশে কোন মহিলা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে পারবে না। এটাই হলো তার বিধান। তাকে পিছে দাঁড়াতে হবে। প্রয়োজনে একাই হলেও অথচ একাই দাঁড়ানো নিষেধ আছে। তখন বুখারী মুসলিমের হাদিসে এসেছে যে আনাস রাদিয়াল্লাহু তাআলা বলছেন আমার দাদী আমাদের পিছনে দাঁড়ালেন। আর আমি আর আমার ছোট ভাই রাসূল সলামের পিছনে দাঁড়ালাম। তাহলে মোট চারজন মানুষ হলো তিন কাতার। ইমাম এক কাতার আমরা দুই ভাই এক কাতার। আর আমার দাদী আমাদের পিছনে।
সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন সালাতে এমন কিছু ঘটলে তাকে এরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেন তাতে আমরা অবগত হলাম যে পুরুষ মানুষ যদি পুরুষ ইমামকে যদি কিছু অবগত করাতে চাই তাহলে বলতে হবে সুবহানাল্লাহ আর যদি নারী ইমামকে কিছু অবগত করাতে চাই তাহলে ডান হাতের তালু বাম হাতের পিঠের উপরে মেরে একটা শব শব্দ করে অবগত করাতে হবে যা রাসূল সলাম বলেছেন হাদিস বুখারী মুসলিম আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আসন আল হায়াত সলাত চলাকালীন যদি সাপ দেখা যায় সালাত চলাকালীন যদি বিচ্ছু দেখা যায় আমরা সাপের ভয় করি এবং সাপ একটা ভয়ানক প্রাণী এটা আমরা অবগত আছি।
তবে বিচ্ছু যে একটি ভয়ানক প্রাণী বা মানুষের ক্ষতি করতে পারে আমাদের এলাকা হিসেবে আমরা তেমন অবগত নই। তবে রাসূল সলা সলাম দুইটার কথাই বলেছেন যে এই সময়ে সলাত ছেড়ে দিয়ে সাপ ও বিচ্ছুকে হত্যা করতে হবে। চলাকালীন এরকম যদি দুর্ঘটনা সামনে আসে যেখানে সাপ দেখা যাচ্ছে বা বিচ্ছু দেখা যাচ্ছে আপনার দিকে আসছে বা আক্রমণ করবে বা দেখা যাচ্ছে ক্ষতির আশঙ্কা আছে তাহলে সলাত ছেড়ে দিয়ে তাকে হত্যা করতে হবে এ আদেশ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম করেন। ইমাম বুখারী রাহমাুল্লাহ তার বুখারী গ্রন্থে এক জায়গায় এভাবে অধ্যায় উল্লেখ করছেন যে কাতাদা রাজিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলেন যে কাউকে যদি আশঙ্কা করা হয় কেউ যদি ভয় পায় যে আইসকা যে চোর তার কাপড় চুরি করে নিচ্ছে এরকম যদি পরিবেশ আছে তাহলে সলা তাহলে ও সালাত ছেড়ে দিবে এবং চোরের পিছা ধাপন করবে তার কাপড় রক্ষার জন্য।
ঠিক অনুরূপ আবু কাতাদা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন বুখারীতে ইমাম বুখারী রাহমা তার অধ্যায়ে উল্লেখ করেন যে এমন যদি কেউ দেখতে পায় যে কোন ব্যক্তি তার জুতা চুরি করে নিয়ে চলে যাচ্ছে। জুতা যদি একেবারে তার কাছে সাধারণ হয় সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু একটা দামি জিনিস সে ব্যবহার করে এরকম একটা জিনিস কেউ যদি চুরি করে নিয়ে চলে যাচ্ছে এমনটা লক্ষ্য করে তাহলে সে সালাত ছেড়ে দিবে এবং চোরের পিছা ধাপন করবে এই কথা আবু কাতাদা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন যে ইমাম বুখারী রাহিমাহুল্লাহ তার বুখারী গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন তিনি আরো বলেন এই কথা যে কোন ব্যক্তি সলাত আদায় করছে একটা লোক সলাতে এ অবস্থায় দেখতে পাচ্ছে কোন একটা শিশু বাচ্চা ছেলে হোক মেয়ে হোক যে আলা সাফাবির আওয়ালাবির ইদারার পাশে আছে বা একটা ভয়ানক জায়গায় আছো আশঙ্কা করছে সে সেখানে পড়ে যেতে পারে তাহলে সলাত ছেড়ে দিবে সে বাচ্চাকে ধরার জন্য চেষ্টা করবে কথাগুলি এভাবে এসেছে সম্মানিত দ্বীনি ভাই
বোন আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহলাম বলেছেন লাতাহনা আকয়ামুন আরাফ ইন্দাদুয়া এলা সামাফি সলাতে অবশ্যই মানুষ সলাতের মধ্যে তার মাথাকে আকাশের দিকে উঁচু করে দোয়া করা হতে বিরত থাকবে অন্যথায় তার মাথার আকার আকৃতি পরিবর্তন করা হবে অন্য বর্ণনায় এসেছে যে কেউ যদি ইমামেরা আগে উঠে যায় তাহলে তার মাথাটাকে গাধার আকৃতিতে পরিণত করা হবে। এখানে যেটা বলা হয়েছে সেটা হচ্ছে এই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম বলেন অন্যথায় শয়তান তার মাথাটা তার চক্ষুটাকে ছো মেরে নেবে। অন্যথায় সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সলাতে মানুষ মাথা উঁচু করে আকাশের দিকে লক্ষ্য করে দোয়া করতে পারবে না। সলাত চালাকালীন যেটা জায়েজ নয়।
এই কাজটাই আবার সালাতের বাইরে জায়েজ। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন খালাতি মাইমুনা সাল্লাল্লাহু সাল্লাম একদা আমি আমার খালা মাইমুনার কাছে রাতে ছিলাম। দেখি সেদিন তাকদীর বসত রাসূল সলাম আমার খালার কাছে আছেন আল্লাহর নবী তার পরিবারের সাথে রাতে কিছুক্ষণ কথা বললেন মাইমুনার সাথে আল্লাহর নবী আমার খালার সাথে আল্লাহর নবী কিছুক্ষণ কথা বললেন তারপর তিনি ঘুমিয়ে গেলেন যখন রাতের তিন ভাগের দুই ভাগ পার হয়ে গেল তিনি উঠে বসলেন সামা তারপর তিনি আকাশের দিকে লক্ষ্য করলেন লক্ষ্য করে বললেন ইন্নাফ সামাওলাহ সূরা আল ইমরানের শেষের রুকুর প্রথম পাঁচ আয়াত বা শেষ রুকু পড়লেন তখন তিনি আকাশের দিকে লক্ষ্য করেছিলেন।
তাহলে আকাশের দিকে মাথা উঠিয়ে লক্ষ্য করে দোয়া করা যায় তা এমনি সময় আর যখন মানুষ সালাতে আছে তখন সালাত অবস্থায় আকাশের দিকে মুখ করে মাথা উঁচু করে দোয়া করার নিষেধ তার সালাতের যে অবস্থা সে অবস্থায় তাকে থাকতে হবে অত্র বুখারী মুসলিমের হাদিসে যেটা বুঝা যায় সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন আনাস রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন ইয়া আনাস ইত্তাবে বাসারাকাতাসদ তুমি তোমার চক্ষুটা ওখানে লাগাও যেখানে তুমি সিজদা করো আনাস তোমার চক্ষু সেখানে থাকবে যেখানে তুমি সিজদা করো অত্র সহীহ হাদিসে বুঝা যায় যে মানুষ যখন সলাত আদায় করবে তখন তার দৃষ্টি থাকবে যেখানে সে সিজদা দেয় নাফে রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন কানা আব্দুল্লাহ ইবনে ওমারজালাফি সলাতে আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর যখন সালাতে বসতেন তিনি তার দুই হাত দুই হাটুর উপরে রাখতেন দুই হাত দুই হাঁটুর উপরে রেখে ডান হাতের আঙ্গুল তিনি এইভাবে জমা করতেন কনিষ্ঠ আঙ্গুল তার পরেরটা জমা করে নিয়ে তৃতীয় আঙ্গুলের নখের উপরে বৃদ্ধা আঙ্গুলের পেট রাখতেন।
এইভাবে গোলাকার করে সাবা তিনি মধ্যমরণজ দিয়ে সাবা আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করতেন। এবং চক্ষু ওদিকে লাগিয়ে রাখতেন। এরপরে তিনি বলেন এভাবে যে আঙ্গুলটা নড়বে আঙ্গুলের নড়াটার আঘাত শয়তানকে গিয়ে লাগে লোহার চেয়ে বেশি শক্ত হয়ে অত্র হাদিসে বুঝা যায় যে মানুষ যখন আত্মাহতার বৈঠকে থাকবে সালামের বৈঠকে থাকবে তখন তার চক্ষু থাকবে আঙ্গুলের উপরে ডান হাতের এই আঙ্গুলের উপরে যে আঙ্গুল অবিরাম স্বাভাবিক গতিতে নড়তে থাকবে বাকি সময়ে মানুষের চক্ষু থাকবে যেখানে মানুষ সিজদা করে কপাল যেখানে গিয়ে পড়ে সেই জায়গায় চক্ষু থাকবে অত্র বিবরণে বুঝা যায় সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন মনে হাকাম রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন বাসামান সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি একদা আল্লাহ রাসূের সাথে সলাত আদায় করছিলাম হঠাৎ একটা লোক সলাতের মধ্যে হাচি ছাড়লহামাকাল্লাহ আমি বলে ফেললাম মানুষেরা আমার দিকে তাকাতে লাগল অন্য বর্ণনা তারা আমার দিকে চোখের আঘাত করল চোখ দিয়ে আমাকে আঘাত করল আমি তখন বললাম সাকালা উমি তোমাদের মা হারিয়ে যায় তোমাদের মায়েরা হারিয়ে যায়
তোমরা আমার দিকে এভাবে বাঁকা চোখে দেখছো কেন আমি এটা সালাতের মধ্যে বলে ফেলেছি আমি এ বাক্য বলে ফেলেছি সালাতের মধ্যেই যে তোমাদের মায়েরা হারিয়ে যাক তোমরা আমাকে এভাবে বাঁকা চোখে দেখছো কেন তারা তখন তাদের হাত উর এবং রানের উপরে মেরে আঘাত করতে লাগল মানে শব্দ করতে লাগল তখন আমি বুঝলাম যে তারা আমাকে চুপ থাকতে বলছে তারা আমাকে চোখের আঘাত করে চুপ থাকতেই বলেছিল কিন্তু আমি বুঝিনি তা আমি কথা আরো বেশি করে দিয়েছি এমনিতেই সলা এত চলে না আমি তো ইয়ারহাম আল্লাহ বলেছি এটাই ভুল হয়ে গেছে সেটা আমাকে তারা চোখের আঘাতে ঠেকাতে চাচ্ছিল তা আমি আরো জোরে কিছু কথা বলে ফেললাম এই তোমরা আমাকে এভাবে চোখ দিয়ে আঘাত করো কেন তখন তারা তাদের উরুর আনার উপরে হাতের আঘাত করে আমাকে চুপ থাকতে বলছিল ওলাকনি সাকা শেষ পর্যন্ত চুপ থেকে গেলাম রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম যখন আল্লাহ রাসূল সালাত শেষ করলেন আমার পিতা-মাতা তার জন্য উৎসর্গ হয়ে
যাক মারা মল্ললেমান কাবলাবাহ আহতমান আমার জীবনে কোনদিন এত ভদ্র এত নম্র এত সুন্দর শিক্ষক দেখিনি ওল্লাহে আল্লাহর কসম না কোনদিন অতীতে না কোনদিন ভবিষ্যতে এত ভদ্র এত নম্র এত উচ্চ মনের শিক্ষক আমি দেখিনি মা কাহারানী আমার উপরে কঠোরতা করলেন না ওমা জারাবানী আমাকে মারলেন না ওমা সাতামানী আমাকে বকাঝকা করলেন না। তিনি বললেন সলামিনা মনে রেখো এটা সলাত যেখানে মানুষের কথা চলে না। মনে রেখ এটা সলাত যেখানে মানুষের কথা চলে না। ইন্নামাতাসহতাুল কোরআনে নিশ্চয় সলাত বলতে তাসবি নিশ্চয়ই সালাত বলতে তাকবীর আর নিশ্চয়ই সালাত বলতে কোরআন তেলাওয়াতকে বুঝায়। এই তিনটার নাম হচ্ছে সালাত। অত্র হাদিস পেশ করে আমরা লম্বা সময় ধরে বলে আসছি যে পৃথিবীর কোন মানুষই নিজের ভাষায় সালাতের মধ্যে দোয়া করতে পারবে না।
আরাবিরা আরবি ভাষায় সালাতের মধ্যে নিজের জন্য নিজের ভাষায় দোয়া করতে পারবে না। বাঙালিরা নিজের ভাষায় সালাতের মধ্যে দোয়া করতে পারবে না। সালাতের মধ্যে আল্লাহু আকবার থেকে নিয়ে সালাম পর্যন্ত রাসূলের পদ্ধতিতেই মাসলুন নিয়মিত দোয়াতেই দোয়া করতে হবে। ব্যক্তিগত দোয়া পৃথিবীর কোন মানুষ তার সব ভাষায় বলতে বলতে পাবে না। অত্র হাদিসে আমরা এটাই বলেছি। সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন। অবশ্য এখানে আমরা একটা জিনিস স্পষ্ট করে যাই যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এখানে তাকে মারলেন না। কিছু বললেন না। কটু কথাও বললেন না। তবে পরিবার কন্ট্রোলের জন্য আপনাকে শক্ত হতে হবে। এ কথাও ঠিক। আপনার ছেলেমেয়ে ঠিক করার জন্য আপনাকে শক্ত হতে হবে।
এ কথাও ঠিক। তখন তিনি বললেন যে ১০ বছর হয়ে গেলে তাকে পিটিয়ে সালাত আদায় করা। ছেলেমেয়েকে সালাত আদায় করতে বল সাত বছর বয়সে পিটিয়ে সালাত আদায় করা যখন তার বয়স ১০ বছর। এই যে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন আলে কাসাকা আলা বাবে তোমার লাঠিটা তোমার দরজায় ঝুলিয়ে রাখো তাহলে তোমার ছেলেমেয়ে স্ত্রী দেখা আশঙ্কা করবে একটু ১৯ হলে লাঠি হবে রাসলেন তোমরা তোমার পরিবার থেকে শিষ্টাচারের লাঠি উঠিয়ে নিও না তোমরাও ছাত্র খুব সতর্ক থাকো তোমরা যদি মনে করো যে তাহলে তো ভালোই তাহলে তো আমাদেরকে কে এভাবে সময়ে সময়ে পিটানো হয় বা শাস্তি দেওয়া হয় এইটা তোমাদের বলার সুযোগ নাই রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এখানে খুব শক্ত একটা পরিবারকে কন্ট্রোল করতেই হবে যে কোন মূল্যে হ্যা মানুষ পরিবারকে কন্ট্রোল করুক আদর দিয়ে নসিহত করে সম্ভব যদি না হয় তখন এরকম একটা বিধান কোরআন হাদিসে থেকে গেছে কোরআনেও আছে হাদিসেও আছে সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন মকব রাদিয়াল্লাহু তালা আনহ বলেন
রাসূল সলাম একটা লোককে বললেন ইসববিতরাবাস সিজদা করার জন্য জায়গাটা ঠিক করছিল মাটিটা সমান করছিল সিজদা করার জন্য তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম বললেন তুমি যদি মাটি সমান করতেই চাও পাথর ছোট পাথর একটু সরাতে চাও তাহলে একবার তাহলে একবার অন্য হাদিসে এসেছে আবুজার গেফারী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যখন তোমাদের কোন ব্যক্তি সলাতে থাকবে তোম সে যেন কঙ্করে হাত লাগায় সে যেন কঙ্কর না সরায় সে যেন তার জায়গাটা পরিষ্কার না করে কেন রাহমাতা ওই সময়তে রহমত তোমার মুখামুখি আছে আল্লাহর দয়া আল্লাহর রহমত তোমার মুখামুখি আছে কাজেই দয়া রহমতে ব্যাঘাত সৃষ্টি করিও না ওটা সরাইও না যেভাবে আছে সেভাবে থাকতে দাও অত্র বিবরণে বুঝা যাচ্ছে যে যদি খুবই প্রয়োজন হয় তাহলে একবার তা চেষ্টা করবে যেমন আমাদের ছেলেরা বা আমরা অনেক সময় সেই সিজদার সময় তো দেখি ময়লা আছে তখন ফুক দিয়ে সেটাকে সরানো হয়।
সেভাবেই সিজদা করাই উত্তম। যে অবস্থায় আছে। যদিও এ মর্মে একটা হাদিস এসেছে যে তুমি সেখানেই সিজদা করো দিয়ে তোমার কপালটা মাটিতে মিশিয়ে দাও। মাটি কপালে মাটি লাগাও। এ মর্মে হাদিসটা ঠিক নয়। তবে এটা ঠিক যেহেতু তুমি যেখানে সিজদা করো সেখানে আল্লাহর দয়া রহমত মুখামুখি হয়। সেটার উপরে আঘাত করিও না। আর করাই যদি লাগে তাহলে একবার করিও একথা বুঝা যায় অত্র হাদিসে সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন আবু সায়েদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন যখন তোমাদের সালাতের মধ্যে হাই আসবে তখন সম্ভব পর হাইটাকে ঠেকানোর চেষ্টা করিও কেন? ওই সময়ে মুখ খুললে শয়তান ভিতরে যায়।
আবু হরা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কোন ব্যক্তির সলাতে হা আসবে তখন সে যেন সেটাকে ঠেকানোর চেষ্টা করে। সে যেন মুখটা খুলে হা না করে। মুখটা খুলে একটা শব্দ করা এর নাম হা। বা আমাদের যেভাবে হা করা আমরা ভাষা বুঝাই। সেটাও একটা আরবিতে সে ভাষাটা হতে পারে। আর না হলে এরকম মুখটা খুললে যে শব্দ হয় সেটা। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শব্দটাও নিষেধ করলেন এবং মুখটা খুলতেও নিষেধ করলেন। কেন? শয়তান হাসে। এক বর্ণনা হলো শয়তান মুখের ভিতরে ঢুকে যায়। আর এক বর্ণনা হলো শয়তান হাসে। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন, যখন তোমরা সালাতে থাকো, সলাতে শয়তান তোমাদেরকে বিরক্ত করে হায়ের মাধ্যমে।
শয়তান তোমাদেরকে সলাতে বিরক্ত করে হাই তোলার মাধ্যমে। ওই সময়ে তোমরা সম্ভব মুখটাকে বন্ধ রাখার চেষ্টা করিও। যদি হাত মুখে দিয়ে হয় তবুও ফালিয়াজাদা সেজন্য মুখের উপরে হাত লাগিয়ে দেয় বাম হাত লাগাতে হবে এরকম কোন কথা নেই তবে হাত দিয়ে এই মুখ খোলাটাকে ঠেকাতে হবে এই কথা রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন বা মুখ খুললেও সম্ভব পর হাতটা মুখের উপরে দিয়ে মুখের হা এটা ঠেকানোর চেষ্টা করতে হবে সালাতের অবস্থায় যা করা যায় যা রাসূ সলাম বললেন সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন সলাতের মধ্যে কি করা যায় যায় না বিষয়গুলি আমরা অবগত হচ্ছিলাম বুঝে আমলের চেষ্টা করব ইনশআল্লাহ আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি আল্লাহুম্মা আলহামদুলিল্লাহ আবু হ রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু বলেন যে রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আ আজকে গত রাতে সকালে বলছেন গত রাতে এক ইফত নামক জিন আমার উপরে আক্রমণ করেছিল আল্লাহ নবী বলছেন সে আমার সলাতকে নষ্ট করতে চাই আমি রাতে তাহাজ্জুদ পড়ছি শয়তান আমার সলাতকে নষ্ট করতে চাইল্লাহুতালা আল্লাহ
আমাকে সক্ষম করলেন আমি তাকে ধরে ফেললাম ধরে ফেললাম ইচ্ছা করলাম মাসাজিদ আজকে মসজিদে নবাবীর কোন খুটিতে ওকে আমি বেঁধে রাখব অন্ধ তোমরা সকালে দেখে নিবা তোমরা সকালে ইফ জিনকে দেখতে পাবা সেই ইচ্ছা আমি তাকে ধরে ফেললাম এবং ভাবলাম তাকে আমি মসজিদের খুটিতে বাধবতা সলা ইতিমধ্যে আমার ভাই সোলাইমানের দোয়ার কথা মনে পড়ল আমি যে শয়তানকে বেঁধে রাখব আমার ভাই সোলাইমান আল্লাহকে বলেছিলেন রব্বি হাবলি মুলকান লাবাগ এমন একটা রাজত্ব দিবা আমাকে আমি সোলাইমান বলছি আমাকে এমন একটা রাজত্ব দিবা যে রাজত্ব আমার পরে পৃথিবীতে কেয়ামত পর্যন্ত কাউকে দিবা না তো জীনের উপরে ক্ষমতা তো সোলায়মানের জীনকে যা বলবেন তাই করতে হবে জিনের উপরে ক্ষমতা ছিল সোলাইমান আলাইহিস সালামের ওহ আমি যদি এই জিনকে ইফতকে ধরে বেঁধে রাখি তাহলে তো আমার ভাই সোলাইমানের কথা টিকে না তখন আমি তাকে বললাম এখান থেকে তাকে আমি অপমান করে ধাক্কা দিয়ে ছেড়ে দিলাম তাহলে সলাতে এটুকু কাজ করা যায় এমন কিছু ঘটলে
সলাতে এমন কিছু করা যায় যা অত্র বুখারী মুসলিমের হাদিসে বুঝা যায় এর সারিয়া বলেন অন্য এক বর্ণনা রেফা ইবনে রাফে বলেন সলাইতো খালফা রাসূলিল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ সাল্লাম রাসূলের পিছনে আমি সালাত আদায় করছিলাম আমি হাচি ছাড়লাম বললাম আলহামদুলিল্লাহ হামদ মোবারক মবারক আইব এই পর্যন্ত দোয়া সলাতের মধ্যে বলে ফেললাম রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম যখন আল্লাহ রাসূ সালাত শেষ করলেন তখন বলছেন যে মানল মতাকাল্ম কেভাবে দোয়া পড়ল কেউ কথা বলছে না চুপচাপ আবার বললেন কেউ কথা বলল না চুপচাপ তৃতীয়বারে বললেন কে বলল এটা তো আমি বললাম আইয়া রাসূল্লাহ আমি বলেছি তখন আল্লাহ রাসূ বলছেন শোন শোন শোন ৩০ জনের অধিক তোমার এই দোয়াটার নেকি উপরে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করছে ৩০ জনের অধিক ফেরেশতা তোমার এই দোয়ার নেকি উপরে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করছে তাহলে আগের হাদিসে বুঝা গেল যে এরহামাকে আল্লাহ বললেন তখন আল্লাহ রাসূল না করে দিলেন আমাকে গালি দেননি আমাকে বকা দেননি আমার প্রতি কঠোরতা করেননি।
তবে তিনি বললেন শোন সলাতে মানুষের কথা চলে না। সলাতে মানুষের কথা চলে না। উনি কি বলেছিলেন? বলেছিলেন আল্লাহ তোমার প্রতি দয়া করো। আর এবার এখানে তিনি লম্বা দোয়া করে ফেললেন সলাতের মধ্যে। আলহামদুলিল্লাহ মবারক মবারক। তো আল্লাহ রাসূল বললেন যে অনেক বর্ণনায় এসেছে ১২ জন এক বর্ণনায় এসেছে ৩০ জনের বেশি এই দোয়ার নেকি উপরে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করছেন। এবার তো ভালো বললেন। সম্মানিত মসজিদের মুসল্লি দ্বীনি ভাই ও বোন। আগের বারে ওই হাদিসে মানুষের মুখামুখি কথা হয়ে গেছিল। মানুষের মুখামুখি। এরহামাকাল্লাহ। আল্লাহ আপনার প্রতি দয়া করুক। এটা হল মানুষের মুখামুখি কথা। সেই জন্য এটা কালামুন নাস। আর এখানে মানুষের মুখামুখি কথা ছিল না।
এটা একটা না দোয়া পড়ে চলে গেছে। হাসি আসল আমি পড়লাম। অন্য এক বর্ণনায় এসেছে একজন সাহাবী বলছেন যে আমি খুব জোরে হেটে এসেছি। আমার শ্বাস একবারে মোটা হয়ে গেছে। ঠিকমত শ্বাস নিতে পারছি না। এসে বলেছি আল্লাহু আকবার। মানে আল্লাহু আকবার বলে বাকিটুকু বলতে থেকেছে আরাবি মানুষ তো আমাদের তো মুখস্ত করা লাগে ভাবা লাগে আমরা বাঙালি মুসল বুঝি না ওদের আরাবি মানুষ বলতে থেকেছে তখন আল্লাহ রাসূল বললেন কে কথা বলল চুপচাপ কে বলল চুপচাপ কে বলল ভয় পাচ্ছ কেন ১২ জন ফেরেশতা তোমার বলার নেকিন উপরে নিয়ে যাবে তাই তাড়াহুড়া করছে তখন আমি বললাম আমি আল্লাহর নবী আমি দড়িয়ে এসেছিলাম আমার শ্বাসটা মোটা হয়ে গেছিল আমি আল্লাহু আকবার বলে সামলাতে পারিনি বলতেই থেকেছি আল্লাহ রাসূল বললেন যে ১২ জন ফেরেশতা তোমার নেকি নিয়ে যাচ্ছে তাহলে সেখানেও মুখামুখি ছিল না যখন মুখামুখি থাকবে না মানে হাঁচি যদি সালাতের মধ্যে আসে তাহলে আলহামদুলিল্লাহ বলা যাবে হাঁচি যদি সালাতের মধ্যে
আসে একজন আলহামদুলিল্লাহ বললে পাশে আরেকজন জন্য আরহামাকাল্লাহ বলতে পাবে না উত্তর দিতে পাবে না অথচ বুখারী মুসলিমের হাদিসে এসেছে আল্লাহর নবী বলছেন যে ও যদি আলহামদুলিল্লাহ না বলে তাহলে তুমি আরহামকাল্লাহ বল না পৃথিবীর মানুষ শোন তোমারহাল্লাহ বলাটা নির্ভর করে তার আলহামদুলিল্লাহ বলার উপরে আর ও যখন বলে দিবেহাল্লা তখন তুমি আবার বলবা কিলাকুম আল্লাহ তোমাকে হেদায়েত করে তোমার অবস্থা ভালো করুক তাহলে আশা করছি যে সকল দ্বীনি ভাই বোনদের কাছে এই জিনিসটা স্পষ্ট যে সালাতের মধ্যে নিজে নিজে আলহামদুলিল্লাহ বলা যাবে কেউ উত্তর দিতে পারবে না আর সালাতের বাইরে মানুষ আলহামদুলিল্লাহ বলবে উত্তর দিবে একটার পর একটা চলবে সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন সলাতের মধ্যে যা কিছু করা যায় আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা বলেন রাসল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি রাতে রাসূলের সামনে ঘুমাতাম।
আর আমার পা দুটি থাকতো তার কেবলার দিকে। আমি রাতে রাসূল সলামের সামনে ঘুমাতাম। আর আমার পা দুটি থাকত তার কেবলার দিকে। যখন তিনি সিজদা করতে যেতেন তিনি আমার পায়ে আঘাত করতেন। তখন আমি পা দুটি গুটিয়ে নিতাম। আর যখন তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন তখন আমি আবার পা দুটা লম্বা করে দিতাম। আলমাসাবি সেদিন রাতে ঘরে আলো ছিল না। বুখারী মুসলিম সেদিন রাতে ঘরে আলো ছিল না। তাহাজ্জুদের সালাত অন্ধকারে পড়াই ভালো। তাহাজ্জুদের সালাত অন্ধকারে পড়াই ভালো। তুলনামূলক। অন্ধকার ছাড়া যে পড়া যাবে না তা নয়।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বলেন যে আল্লাহর নবী সেইদিন সালাত আদায় করছিলেন আমি তার কেবলার দিকে ঘুমিয়ে ছিলাম তিনি আমার পায়ের উপরে আঘাত করেন তখন আমি পা গুটিয়ে নিই মানে সালাতের মধ্যে এটুকু কাজ করা যায় আবার যখন উনি দাঁড়িয়ে যান তখন আমি পা লম্বা করে দিই আবার যখন সিজদায় যান তখন পা আঘাত করেন আমি পা গুটিয়ে নিই সালাতের মধ্যে এটুকু কাজ করা যায় অত্র বুখারী মুসলিমের হাদিসে যেটা বোঝা যায় আর ঘরে আলো ছিল না। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা বলেন সাল্লাল্লাহু আলা রাসূ একদ রাতে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করছিলেন। সেদিন দরজাটা বন্ধ ছিল। কেবলার দিকে যদি দরজা থাকে তাহলে দরজা বন্ধ করেই সালাত আদায় করা উত্তম।
কেবলার দিকে যদি দরজা থাকে তাহলে দরজা বন্ধ করেই সালাত আদায় করা উত্তম। ঘটনা কি ঘটলো? সেদিন আল্লাহর নবী সালাত আদায় করছেন ভিতরে দরজা বন্ধ করে আছেন। আমি আসলাম আমি দরজা খুলতে বললাম। দরজা খুললেন। আমি বাইরে থেকে বললাম। তিনি কেবলামুখী হয়ে আছেন তার সামনের দিকে দরজা আছে। উনি ওখান থেকে হেটে দরজার পাশে আসলেন গিয়ে দরজা খুলে দিলেন তারপর তিনি তার সালাতের স্থানে চলে গেলেন। এরকম কাজ যদি সালাতের মধ্যে ঢুকে যায় ঘটে যায় তাহলে সালাত নষ্ট হয় না বা হবে না যা অত্র হাদিসে বুঝা যায় সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন আব্দুল ইবনে উমর বলছেন যে বেলাল রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু আমি বেলাল রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুকে বললাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি আলাইহ সাহাবীরা যদি ওহাফি সালাতে সাহাবীরা যদি সাহাবীগণ যদি তাকে সালাম দিতেন সালাতের অবস্থায় তিনি কিভাবে উত্তর দিতেন একটু বলেন তো বেলাল রাদিয়াল্লাহু সালাতের মধ্যে আপনি আছেন কেউ যদি সালাম দেয় আপনাকে তাহলে আপনি কি করবেন আগে উত্তর দেওয়া প্রথা ছিল ওয়ালাইকুম সালাম হুবাহু বলবে তখন বেলাল রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেনহ তিনি হাদি একটু ইশারা করে দিতেন এমনি হাত ইশারা করতে পারেন।
আর অন্য হাদিসে এসে একটু আঙ্গুল উঠালেন। একটু আঙ্গুল উঠালেন। এটাই হলো ওয়ালাইকুমুস সালাম। সালাতে আপনাকে সালাম দেওয়া যাবে। কিন্তু আপনি উত্তরে ওয়ালাইকুমুস সালাম বলতে পাবেন না। বলা আছে যে সর্বস্থানেই সালাম দেওয়া যাবে। সালাম দেওয়া যাবে না। মর্মে কোন জায়গা নেই দুনিয়াতে। এই কথা নিয়ে কিছু কথা মানুষের আছে। যেটা আপনাদের পূর্ব থেকে অবগতিতে আছে। সর্বস্থানে সালাম দেওয়া যাবে। পেশাব পায়খানায় আছে তবুও সালাম দেওয়া যাবে। কিন্তু উত্তর দিতে হবে পেশাব পায়খানা থেকে উঠে আর সালাতের অবস্থায়কে যদি সালাম দেয় তাহলে আঙ্গুল উঠিয়ে হাতটা একটু ইশারা করে দিতে হবে। তাহলে এটা হয়ে গেল ওয়ালাইকুমুস সালাম। সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন সালাতের মধ্যে মানুষ কি করতে পারে আর কি না করতে পারে বিষয়গুলো আমরা আলোচনা করছিলাম।
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খারাজল মসজিদ খারাজলা একদা রাস সালাতের দিকে গেলেন আল্লাহু আকবার বললেন আল্লাহু আকবার বলার পরে তিনি সালাত ছেড়ে চলে আসলেন বাড়ির দিকে চলে আসলেন ঘরে ঢুকলেন তারপর র গোসল করলেন যাওয়ার সময় বললেন ইলাইহমান কামাতুম তোমরা যেভাবে আছো সেভাবেই থাকো আল্লাহ রাসূ সলাম সলাত আদায়ের জন্য গেলেন গিয়ে আল্লাহু আকবার বললেন বলার পরে সালাত ছেড়ে দিয়ে ঘরে চলে গেলেন। ঘরে গিয়ে গোসল করলেন। গোসল করে আসছেন একতরফ ওই সময়তে তার মাথা দিয়ে টপ টপ টপ টপ করে পানি ঝরছে চুল থেকে টপটপ করে পানি ঝরছে ফাসাল্লাহি তিনি সাহাবীদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন সালাতাহু যখন তিনি সালাত শেষ করলেন তখন তিনি বললেন ইন্নিফাসিত দেখ আমি অপবিত্র ছিলাম আমি ভুলে গেছিলাম আমি গোসল করাটা আমার মনে ছিল না আমি ভুলে গিয়ে সলাত আরম্ভ করেছি।
সেইজন্য তোমাদেরকে এইভাবে থামতে বলে চলে গেছি। চলে গিয়ে গোসল করে আসলাম। তারপরে সালাত আদায় করালাম। সম্মানিত দ্বীনি ভাই ও বোন মোহাম্মদ সলাম ভুলে গেলেন। ভুলে যাবেন। ভুলে যাবে মানুষ। এটা মানুষের গতি। সলাত অবস্থায় এরকম কোন কাজ ঘটে গেলে করা যায়। একামতের পরে বিলম্ব হলে কোন সমস্যা নেই। আমাদের দিকে যদি একামত দেওয়ার পরে একটু বিলম্ব হয় তাহলে তো মানুষ ক্ষেপে যাবে। আর এরকম ঘটনা যদি ইমামের ঘটে তাহলে যারা দায়িত্বে আছে সভাপতি সেক্রেটারি তারা পরের দিন বা তখনই ইমাম সাহেবকে বিদায় করে দিবেন। কেননা যারা দায়িত্ব পালন করে তারা তো আর শরীয়ত বুঝে না। শরীয়ত বুঝা প্রয়োজনও মনে করে না।
শরীয়ত মানাও প্রয়োজন মনে করে না। বুঝেও না বুঝাও প্রয়োজন মনে করে না। শরীয়ত মানাও মনে করে না। প্রয়োজন যা আছে। সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে বললেন তাতে আমরা বুঝতে পারলাম যে একজন মানুষ সালাতের মধ্যে কি কি করতে পারে আর কি কি করা যায় না। কাতাদা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম আল্লাহর নবী এমামতি করছিলেনমা আবিলাসহ আবু লাসের মেয়ে ওমা আল্লাহ রাসূলের কাঁধে ছিলেন রাসূ সলাম মানুষের এমামতি করছিলেন মানে ফরজ সালাত তখন ওমামা নামে এক মেয়ে আবু আসের মেয়ে রাসূের কাধে ছিল ফলামমাশাজাদালাম ওহা যখন তিনি রুকুতে গেলেন তখন সে বাচ্চাকে পাশে রেখে দিলেন যখন তিনি সিজদা থেকে উঠলেন তখন বাচ্চাটাকে আবার কাঁধে নিয়ে নিলেন।
তাহলে বোঝা যাচ্ছে যে বাচ্চা কাঁদছে। এ অবস্থায় মা তার বাচ্চাকে কোলে নিয়ে সালাত আদায় করতে পারে। বাচ্চাকে নিয়ে আছে যখন সিজদায় যাবে বাচ্চাকে রেখে দিয়ে সিজদায় যাবে আবার যদি উঠবে উঠে বাচ্চা যদি এই অবস্থায় থাকে তাহলে বাচ্চাকে নিয়ে বাকি সালাত আদায় করতে পারবে কোন সমস্যা নেই হাদিস সহীহ সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন আমরা আপনাদের সামনে সালাতে কি কি করা যাবে কি কি করা যাবে না বিষয়গুলি পেশ করছিলাম তাতে আমাদের কাছে খুবই স্পষ্ট হয়েছে যে স্বাভাবিক কিছু কাজ সলাতের মধ্যে করা যায়। তবে যদি কোন দুর্ঘটনামূলক পরিস্থিতি আসে তাহলে সলাত ছেড়ে দিতে হবে। দিয়ে সেটা ঠেকাতে হবে। যেমনভাবে সাপ বিচ্ছু দেখা গেলে সলাত ছেড়ে দিয়ে সেটাকে মারার পরে আবার পুনরায় সালাত শুরু করতে হবে।
যেমন একটা বাচ্চা আগুনে পড়ে যাচ্ছে বা কোথাও পড়ে যাচ্ছে বা একটা দুর্ঘটনা ঘটছে তখন সালাত ছেড়ে দিয়ে সেটা করে পরে আবার সালাত আদায় করবে। ঠিক তেমনি যদি কেউ বুঝে যে তার একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস চুরি করে নিয়ে চলে যাচ্ছে কেউ তাহলে সালাত ছেড়ে দিয়ে তাকে ঠেকাতে পারে ঠিক তেমনি বুখারী মুসলিমের হাদিসে এসেছে যখন ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুকে হত্যা করা হলো ছুরি পেটে মারা হলো যে মেরেছে সে মেরে দিয়ে দড়িয়ে পালাচ্ছে দৌড়ে যখন পালাতে লাগলো তখন কিছু সাহাবী সালাত ছেড়ে দিয়ে তাকে ধরে ফেললেন হাদিস বুখারী মুসলিম এবং ওই সময়ে অন্যজন ইমামতি করতে লাগলো পিছনের সাহাবীরা বলছেন আমরা ওমরের কন্ঠ বুঝতে পারছিলাম না মনে হলো যে অন্য কন্ঠ তাতে আমরা বুঝলাম যে কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে যখন সালাত শেষ হলো তখন ঠিকই বুঝলাম যে দুর্ঘটনালয় এই ওমর রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুকে আঘাত করা হয়েছে যার কারণে ইমামের পরিবর্তন হলো এবং কিছু সাহাবী সালাত ছেড়ে দিয়ে ওমরের অবস্থাকে তারা গ্রহণ করলেন দেখলেন হাদিস বুখারী মুসলিম সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন অবশ্য অবশ্য আমরা সালাত আদায় করব আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য।
অবশ্যই সালাতের মধ্যে কোন দুর্ঘটনা ঘটে গেলে আমরা রাসূল সাললামের পদ্ধতিতে আমল বাস্তবায়ন করব। যদি খুব শক্ত দুর্ঘটনা কিছু হয় তাহলে সালাত ছেড়ে দিয়ে সেটাকে ঠেকানোর চেষ্টা করতে হবে। যেটা স্বাভাবিক যদি হয় যেমন একটা মোবাইল চলছে সেটাকে আপনি বন্ধ করতে পারেন রিং হচ্ছে বা একটা মাইকের কোন কিছু হচ্ছে যাতে শব্দের সমস্যা হচ্ছে মুসল্লিদের সেটা আপনি অফ করে দিতে পারেন বন্ধ করতে পারেন তাতে কোন সমস্যা নেই সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন শেষে বলছি যে আমরা ধারাবাহিকভাবে অত্র মসজিদেই সলাতের চেষ্টা করব বিবরণ দেওয়ার ইনশাআল্লাহ ধারাবাহিকভাবে সালাত শেষ হয়ে গেলে এরপরে যেটা আসবে আলোচনা ধারাবাহিকভাবে আমাদের আলোচনা চলতে থাকবে। আমি নিকটের দূরের সকল দ্বীনি ভাই বোনকে প্রতি জুমায় অত্র মসজিদে বায়তুল হাম জামে মসজিদ জামিয়া সালাফে ডাঙ্গিপাড়া পবারা রাজশাহী নিয়মিত আসার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
আমরা আপনাদের কিছু না কিছু উপকার করবই করব। ইনশাআল্লাহ এ প্রস্তুতিতে আমরা আপনাদের সামনে আসি মর্মে অবশ্যই অত্র মসজিদে সালাতের জন্য আসবেন। ভাই বোন আত্মীয়স্বজন সবকে নিয়ে আর আসার সময় একটা কথা মনে রাখবেন যে জামিয়া সালাফে যাচ্ছি কিছু না কিছু দান করব কম হোক আর বেশি হোক যেই কথাটা আমি ছেলেদের সামনে বলে থাকি আপনাদের সামনে বলছি আলয়াদুলিয়া সফলা দেওয়া হাত ভালো নেওয়া হাতের চেয়ে কি ভালো বুখারী মুসলিমের যে হাদিস দেওয়া হাত ভালো নেওয়া হাতের চেয়ে কি ভালো দান করলে শরীরে সুস্থতা আসবে এইটা ভালো দান করলে ব্যবসা বাণিজ্যে সমস্যা কেটে যাবে এইটা ভালো দান করলে অর্থসম্পদে বরকত আসবে এইটা ভালো দান করলে ছেলে মেয়ের বালা মুসিবত দূর হয়ে যাবে এইটা ভালো যার নামে দান করবেন তার কবরের শাস্তি বন্ধ হয়ে যাবে এইটা ভালো শতদিন বলেছি পৃথিবীতে একটা ব্যতিক্রম এবাদত হচ্ছে দান যেটা সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষমতাধর দান যেটা কবরের শাস্তি বন্ধ করতে পারে যেটা মরা মানুষের পাপকে মিটিয়ে দিতে পারে বুখারী মুসলিমের হাদিস কাজেই অবশ্যই জামি সালাফে যখন আসবেন জুমায় তখন খালি হাতে আসবেন না।
ছাত্র শিক্ষক এলাকাবাসী কমিটি দেশবাসী মহিলা পুরুষ দ্বীনি ভাই বোন সকলেই যখন জামিয়া সালাফে আসবেন তখন কম হোক বেশি হোক ১০ টাকা হোক ৫০০ টাকা হোক ১০০০ টাকা হোক আমি ১০ টাকা বলি এর অর্থ এই নয় যে আপনাকে ১০ টাকায় দিতে হবে। এইটা নয়। জামিয়া সালাফিয়া যেমন তেমন দিবেন। জামিয়া সালাফিয়া, শিরক মুক্ত প্রতিষ্ঠান জামিয়া সালাফিয়া, বিদাত মুক্ত প্রতিষ্ঠান জামিয়া সালাফিয়া, দলমুক্ত প্রতিষ্ঠান জামিয়া সালাফিয়া, সংগঠনমুক্ত প্রতিষ্ঠান জামিয়া সালাফিয়া, হিংসামুক্ত প্রতিষ্ঠান জামিয়া সালাফিয়া, দেশের সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান জামিয়া সালাফিয়া, আয়াতনে হোক, ছাত্র সংখ্যা হোক, আপনার শিক্ষক সংখ্যা হোক, সর্বদিক দিয়ে মানগত পড়াই সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে জামিয়া সালাফিয়া।
কাজেই আপনার অন্তরে সামান্যতম যেন কোন দুর্বলতা না থাকে সংকীর্ণ না থাকে এটা আমি চাই সংকীর্ণতা থাকলে আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এটা আমি চাই না সম্মানিত দ্বীনি ভাই বোন আমি আপনাদেরকে নিয়মিত জুমার খুতবা আসার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি নিয়মিত জামিয়া সালাফীকে যথাযথভাবে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার আশায় দান করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি আমি বলছি আল্লাহ আমাদের যারা মারা গেছে তুমি তাদের কবরের শাস্তি মাফ করো আমাদের দ্বীনি ভাই বোন যারা মারা গেছে তুমি তাদের কবর শাস্তিকে বন্ধ করো। তুমি তাদের কবরকে প্রশস্ত করো। তুমি তাদের কবরকে আলোকিত করো। আমরা যারা অসুস্থ বাড়িতে হাসপাতালে তুমি তাদের সেফা দাও। তুমি তাদের আরোগ্য দান করো।
আমরা যারা বেঁচে আছি তুমি তাদেরকে তোমার রাসূলের পদ্ধতি অনুযায়ী চলার তৌফিক দান করো। ইবাদত করলাম কবুল হলো না এটা চায় না। এমন এবাদত করতে চাই যেটা তুমি কবুল করবা। এমন এবাদত করতে চাই যাতে তুমি সন্তুষ্ট হবা। তোমার পদ্ধতিতেই তোমার রাসূলের পদ্ধতিতে এবাদত করতে চাই। তোমার দরবারে এই জোরালো দাবি দাওয়া দোয়া রেখে আজকের জুমার খুতবা এখানেই শেষ করলাম।