মুসল্লি ভাই এবং বোনেরা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের শানে অসংখ্য হামদ এবং ফেনা যাবতীয় প্রশংসা ও স্তুতি সমস্ত তাসবিহ তাহলিল তাহমিল শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য যিনি আমাদেরকে অনুগ্রহ করে এই মসজিদে জুমার সালাত আদায় করার জন্য একত্রিত হওয়ার তৌফিক দান করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা আল্লাহর কাছে পবিত্র জুমার এই দিনে দোয়া করি আল্লাহ যেন আমাদের সকলের নেক এবং ভালো আমলগুলো কবুল এবং মঞ্জুর করেন। আমাদের জানা অজানা সকল ত্রুটি বিচ্যুতি গুনাহ গুলোকে যেন আল্লাহ ক্ষমা করেন। আমাদের সাইয়াত গুলোকে যেন হাসানাতে পরিবর্তন করে দেন।
আল্লাহ এবং তার রাসূলের পরিপূর্ণ আনুগত্য অনুসরণ করার তৌফিক দান করেন এবং কালিমাতুশ শাহাদা কালিমাতুত তাওহীদের উপরে আমাদের সকলকে মৃত্যু নসিব করেন হাজী আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা মানুষদেরকে এই দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন এবং এরপরে দুনিয়ার জীবনের পরে আরেক একটি জীবনের কথাও আল্লাহ বলেছেন যেটা আল হায়াত আলুয়াল হায়া আল হায়াতুল আখেরা শেষ জীবন একটি হচ্ছে আল হায়াতু দুনিয়া নগদ জীবন যেটা দুনিয়ার জীবন আরেকটি হচ্ছে আল হায়াতুল আখেরা শেষ জীবন মানুষের জন্মের পরে তার সামনে এই দুইটি পর্যায়ের দুটি জীবন আছে। একটিকে বলা হয় আল হায়াতু দুনিয়া। বহু ব্যবহার হয়েছে এই পরিভাষাটি কোরআনে কারীম। আল হায়াতু দুনিয়া। দুনিয়ার জীবন। আরেকটি হচ্ছে আল হায়াতুল আখা।
পরকালীন জীবন। এই পরকালীন জীবনটা একেবারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবটাই অদৃশ্য। অপ্রকাশ্য। আর এটাকেই আল উমুর আল গাইবিয়া অথবা এটাকে গায়েব বলা হয়। গায়েব মানে যা দৃশ্যমান না। গায়ের মুসা আনসিন। আর আল্লাহ সুবহানাতালা এই দুইটি জীবনকে দুটি পর্যায়কে এটা নিয়েই কোরআনে হাদিসে আল্লাহ অনেক আলোচনা তুলে ধরেছে। কোন জীবনটা অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য? কোন জীবনটা প্রাধান্য পাবে এটাও আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা বলে দিয়েছেন। সুতরাং পরকালীন জীবনের জবাবদিহিতা পরকালীন জীবন এই বিষয়ে কিছু বিষয় আপনাদের সামনে আমরা আজকের খুতবাতে শেয়ার করবো। আপনাদের সামনে পেশ করার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা দুনিয়ার জীবনের সাথে পরকালীন জীবনের তুলনা করেছেন, পার্থক্য করেছেন এবং স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে যারা আমার বিধান বিধি বিধান মানবে না মেনে চলবে না এবং এই দুনিয়ার জীবনকে অগ্রাধিকার দেবে প্রাধান্য দেবে এই প্রাধান্য দেবে বা অগ্রাধিকার দেবে।
এই কথাটা কিন্তু অর্থ এই যে দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেবে আখেরাতকে অস্বীকার করে নয়। কি বলেন? ঠিক না? অগ্রাধিকার কাকে বলে? আমার সামনে দুটোই আমি মানি। কিন্তু এইটা আমার কাছে আগে। আর এইটা হল। তাহলে দ্বিতীয়টাকে অস্বীকার করা হচ্ছে না। দ্বিতীয়টাকে অস্বীকার করা হচ্ছে না। তাহলে পরকালকে অগ্রাধিকার না দিয়ে দুনিয়ার জীবনকে অগ্রাধিকার দেয় আল্লাহর ফতুয়াতে আল্লাহর সিদ্ধান্তে এবং আল্লাহ যেটা তার বান্দাদেরকে জানাইছেন সেটা কি? সূরা আন নাজেতের শেষ কয়েকটি আয়াতে। কারা জাহান্নামী এবং কারা জান্নাতি। এটা কোন মৌলভী সাহেব মুহাদ্দিস সাহেব মুফাসসির সাহেবের তার ইজতেহাদ করে বলা কথা না।
কোরআনের টেক্সট আর আমরা মুসলিম যারা অবশ্যই বিশ্বাস করি কোরআনের আয়াতগুলো এবং এই আয়াতগুলোর শব্দ যা আছে এই শব্দগুলো এবং শব্দগুলোর যা মিনিং আছে সবটাই কার? সবটাই আল্লাহ কথা আল্লাহুনিয়া হায়াতু দুনিয়া শুনলেন নামাদুনিয়াজহ অর্থ বলছেমা যে ব্যক্তি বা যারা যে ব্যক্তি বা যারা সীমা লংঘন কর আল্লাহর বিধানগুলোকে লংঘন করে চল মানে কি আল্লাহর বিধানগুলো হচ্ছে সীমা এটা যারা পরিপালন করল না তারাই সেটা লংঘন করল সূরা নিসাতে আল্লাহ বলেছেন এই যে আল্লাহর বিধানগুলো আমি যেগুলো দিয়েছি এটাই আল্লাহর হাদ। হদ মানে সীমা এজন্য বাংলাদেশের সীমা আছে না চতুর্দিকে আমাদের এটা আরবিতে কি বলে এটা আমরা বলি সীমান্ত এই সীমান্ত মানে হুদু।
এজন্য আরব দেশগুলোতে যারা সীমান্ত রক্ষী বাহিনী থাকে সীমান্ত পাহাড়দার দায়িত্বে থাকে। আমাদের বিজিবি এদেরকে বলা হয় হুদুল হারাসত জাতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী আরব দেশগুলো হুদুল হারাস আলতান জাতীয় সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনী যাদের ওই ফোর্সের নাম হচ্ছে হুদুল হারাসত তাহলে আল্লাহ এই বিধিবিধানগুলোই হচ্ছে আল্লাহর সীমারেখা আল্লাহর আইন আল্লাহ বলে দিয়েছেন এই সব বিষয়গুলো যা আমি বলে দিয়েছি এগুলো হচ্ছে আল্লাহর সীমানা তোমরা কোনভাবেই এই সীমানাকে লঙ্ঘন করবে না অতিক্রম করবে না ভাই আপনি মুসলিম আপনি আপনার পারিবারিক বা সামাজিক জীবনে গিয়ে, সাংস্কৃতিক জীবনে গিয়ে, রাজনৈতিক জীবনে গিয়ে, সাহিত্যের জগতে গিয়ে ইত্যাদির জগতে গিয়ে আপনি ব্যক্তিগত জীবনে বা পরিবারেও আপনি ইসলাম মানেন, আল্লাহর বিধান মানেন।
এই সকল জায়গায় যাওয়া আপনি এই সীমানাটা আর মানতে চান না। কথা ঠিক না বেঠিক? তাহলে কি হবে? আপনার মাসলাতে কি হবে? যদি আপনি ইসলামের প্রতি ঈমানের প্রতি কোরআনের প্রতি যদি আপনার বিশ্বাস থাকে তাহলে আপনার কাছেই এইটার ফতোয়াটা কি মাসলাটা কি হবে আপনার কাছেই এই কথাগুলো অবশ্য এরা যেগুলা করে না তারা মসজিদ ছিল খুব বেশি আসে এজন এসব কথা হয়তো শোনেও না তারপরেও তো কানে পৌঁছে নাকি পৌছে না ভাই কি জবাব থাকবে আপনার এই যে মৃত্যুর পরেই শুরু হবে আবদারটা আমারটাই মৃত্যুর পরেই শুরু হবে ওটাই আজকের আলোচ্য বিষয় আজকের খুতবার এটি আলোচ্য বিষয় আল্লাহ বলছি সূরা যারা আল্লাহ প্রদত্ত বিধি বিধানকে যারা লংঘন করল আল্লাহ প্রদত্ত সীমানাকে যারা লঘন করল এক নম্বর আর দুনিয়ার জীবনকে যারা অগ্রাধিকার দিল দুনিয়ার জীবনকে যারা অগ্রাধিকার দিল তাদের আবাস তাদের থাকার জায়গা তাদের ঠিকানা জাহিল জাহিল কি জাহিল কি ভাই জাহান্নামের এক নাম জাহিল এরা সবাই জানেন বোনেরাও মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করবেন।
তাহলেই আপনাদের জুমার নামাজে এসে অংশগ্রহণ করার শরিক হওয়ার সার্থকতা থাকবে। মস খুতবা শুনলেন না। আমাদের সাথে জুমার দুই রাকাত নামাজ পড়লেন। যোহর হয়তো আর আপনাদের পড়তে হবে না। কিন্তু যোহর পড়লেও আপনি বাড়িতে থেকে জোহর পড়লেও আপনার মসজিদে আসার জুমা পড়ার দরকার ছিল না। কি বলেন? ছিল না তহলে আপনি এসেছেন বাকি যে ফায়দাটা সেটা হচ্ছে জুমার খুতবা শুনবেন এজন্য মনোযোগ দিয়ে শুনবেন বোনেরা আপনাদের প্রতি অনুরোধ মনোযোগ দিয়ে কথাগুলো শুনবেন যেহেতু আপনারা আমাদের আড়ালের একটি সাইডে আছেন দেখতে পাই না আমরা সুতরাং মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করবেন প্রত্যেকটা কথাই পুরুষ মহিলা সকল মুমিন মুসলিমদের তাহলে যারা আল্লাহর বিধি বিধানকে মানে না।
যতটুকু সীমালঙ্ঘন করুক সীমালঙ্ঘনের মধ্যেই পড়ে। আমরা কথায় কথায় বলি দেখো তুমি কিন্তু এখন সীমালঙ্ঘন করছো। বলি না তুমি কি সীতামালঙ্ঘন করছো? তুমি কিন্তু এখন সীমালঙ্ঘন করছো। তাহলে সীমালঙ্ঘনের অপরাধে যদি আমি আপনি অভিযুক্ত হয়ে হই তাহলে আমার জন্য এই আয়াত। আমার জন্যই প্রযোজ্য এ আয়াত। তুই আমি যদি দুনিয়ার জীবনকে অগ্রাধিকার দেই কার উপরে? পরকালীন জীবনের উপরে। আমি যদি দুনিয়ার জীবনকে অগ্রাধিকার দেই পরকালীন জীবনের উপরে। আমার ঠিকানা নিশ্চিতভাবে আল্লাহ বলছেনা নিশ্চয় নিশ্চয় জাহিল জাহান্নাম হচ্ছে তার ঠিকানা। আম্মা এর অপজিট আল্লাহমা জান্নাত ওখানে হচ্ছেনা জাহমা আর এখানে হচ্ছেনা জান্নাহ আর যারা ওই যে আল্লাহর কাছে গিয়ে দাঁড়াতে হবে এই ভয় করে যারা দুনিয়ার জীবনকে পরিচালনা করে এবং নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে না প্রবৃত্তির দাসত্ব করে না প্রবৃত্তির কথা মত চলে না তাদের ঠিকানা হচ্ছে জান্নাত এখন আপনি কোন দলে যাবেন আপনি কোন গ্রুপে থাকবেন? প্রথম গ্রুপে নাকি দ্বিতীয় গ্রুপে? তাহলে আপনার আমার ঠিকানা ঠিক হয়ে যাবে।
আপনার আমার পরিণতিটা কি? কোরআনের ফায়সালা অনুযায়ী ঠিক হয়ে যাবে। আল্লাহ এভাবে বলছে। এভাবে বলে দিয়েছেন। এজন্য অগ্রাধিকার দেওয়া। এই অগ্রাধিকার এই শব্দটি এই শব্দটি কোরআনে কারীমের সূরা হাশরের আরেকটি আয়াতে আল্লাহ বলেছেন সাহাবায়ে কেরামদের প্রসঙ্গে আয়াত নাযিল হয়েছে কিন্তু প্রসঙ্গে তাদের ব্যাপারে নাযিল হলেও এই আয়াতের কথা যেসব মানুষদের জন্যই প্রযোজ্য হবে কেয়ামত পর্যন্ত সকলের জন্য সেটা প্রযোজ্য। কথা বুঝছেন? এজন্য আমরা কিন্তু অনেকেই গায়ের জোর করে জোরে মনে করি। কোরআনের আয়াত যখন পড়ি ঈমানদারদের কথা যখন আসে তাদের বৈশিষ্ট্য তাদের গুনাগুনের কথা যখন আলোচনা হয় কোরআনে আমরা পড়ি আর মনে করি কি? এগুলো হল সাহাবায়ে কেরামদের।
আমার এর মধ্যে আবার যখন কাফের মুশরিক মুনাফিক এবং যারা ফাসেক ফাজের পাপী তাদের কথাবার্তাগুলো যখন আমরা কোরআনের আয়াত সেই প্রসঙ্গে যখন পাঠ করি তখন আমরা ভাবি ও রাসূলের যুগে যে সকল মুনাফিকরা ছিল তারা যে সকল পাপী লোকেরা ছিল তারা কাফের মুশরিক যারা ছিল তারা ওই আয়াতটাকে নিজের করে নিজের মত নিজের উপরে নিজের সমাজে বর্তমান মানুষের জন্য প্রযোজ্য যে এটাকে আমরা মানি এটাকে আমরা সেভাবে গ্রহণ করি এইজন্য কোরআন থেকে আমি শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি কথা কি বুঝতে পেরেছেন তাহলে কি হবে কোরআনের আয়াত যখন ইয়া আইুহাল্লাজিনা আমানু হে মমিনগণ এই আয়াত যখন আমি পাঠ করব আপনাকে তখন বিবেচনা করতে হবে বিশ্বাস করতে হবে আমার আল্লাহ আমাকেই ডেকেছেন আমাকেই সম্বোধন করছেন।
সালফে সাহীনরা বলছেন তুমি কোরআন পড়ার সময় যখনই এই আয়াত পাবে হে ঈমানদারগণ তখনই তোমার সমস্ত অন্তর তোমার সমস্ত মনোযোগ তোমার কান দুটোকে তুমি খাড়া করে দাও। তোমার রব তোমার মহান সৃষ্টিকর্তা তোমাকে ডাকতেছেন তোমাকে হয় কিছু করতে বলবেন অথবা তিনি তোমাকে কিছু করতে নিষেধ করবেন ক্ষমা বলেন নাই আল্লাহ এত কথা আছে না পাই ইসলামি করার জন্য ইয়র কি তামাশা করার জন্য আল্লাহ মুমিনদেরকে ডাক দিয়ে বলেনতো সুতরাং তাহলে এভাবে যোগ দিয়ে এই মনোযোগ নিয়ে যদি এই চিন্তাভাবনা নিয়ে যদি আমরা কোরআন পাঠ কোরআন বোঝার চেষ্টা করি তাহলে তাহলে কোরআনের প্রতিটি কথা আমার জন্য আইন আমার জন্য মিথা আমার জন্য হুকুম আমার জন্য ফতোয়া আল্লাহ বলছেন সূরা হাশ তাদের নিজেদের জীবনে প্রয়োজন আছে এই প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও নিজেরা নিজেদের ওই প্রয়োজনকে পূরণ না করে ওই একই প্রয়োজন অন্যের আছে অন্যটা পূরণ করে নিজেরটা খালি রেখে দেয় এটা মুসলিমদের চরিত্র ঈমানদারদের চরিত্র আমার প্রয়োজন আছে একই প্রয়োজন আরেকজনের আছে আমারটা
আগে পূরণ না করে তারটা পূরণ করে দেওয়ার প্রেক্ষিতে আল্লাহ এই আয়াত তাদের শানে নাযিল করেছেন আল্লাহ সার্টিফিকেট দিচ্ছেন তারা নিজেদের উপরে নিজেদের স্বার্থের উপরে নিজেদের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও তারা মসজিদে আসছেন মূলক তিনি দূর থেকে এসেছেন তিনি অতিথি রাসূ সাহেবের নামও আসে নামটা এই মুহূ্তে মনে আসছে আবু তালহাতে পারেন বললেন আবু তালহা নামটা কিন্তু শিওর না আমি এখন অনুমান করে বলছি রসূ একজন সাহাবী তাকে বললেন তুমি এই অতিথি এই মেহমান তুমি নিয়ে যাও তোমার বাড়িতে তাকে মেহমানদারী করবে রাসূের দেওয়া মেহমান উনি কি বলবে রাসূুল্লাহ আমার বাড়িতে খাবার আছে কি নাই তা তো জানিনা আপনি তো দিতেছেন কি যে করব বলেনি দিয়েছেন নিয়ে গেছে সাথে নিয়ে বাইরে বসাইয়া স্ত্রীকে বলছেন, রাসূল তো একজন অতিথি পাঠিয়েছেন আমার সাথে।
আমার এখানে রাত্রেতে থাকবে। তখন স্ত্রী বললেন, খাবার যা আছে এটা আমার দুইটা বাচ্চা যে আছে আমাদের শিশু বাচ্চারা। এদের খাওয়াটা হবে। আমাদের দুইজনেরও খাবার। আমার দুটো বাচ্চার খাবার আছে। কয় ভালো। বাচ্চা দুটোকে যেমনে সেমনে হয়ে ঘুমায়ে দাও। যেমনে সেমনে হয় ঘুমিয়ে দাও। এরপরে আমরা খাবারটা নিয়ে মেহমানের সামনে পেশ করবো। যেকোন এক ফন্দি করে বাটিটা নিভাইয়া দিব। মেহমান ছাড়া বাড়িওয়ালা ছাড়া মেহমান খাবে না একা একা তাহলে আমাকেও তো খেতে হবে অথচ আমি দুইজন মিলে যদি খাই ছোট বাচ্চা দুটা বাচ্চার খাবার একজনতে হবে না বেটু আবার ওই মেহমান আমাকে ছাড়াও খাবে না তাহলে আমাকেও তার সাথে খেতে বসতে হবে বাতিটা নিভা দিলাম বন্দি করে এরপরে কথা বলতেছি আর খাওয়ার ভান করতেছি আমার সাথী খাচ্ছে আমি কিন্তু তার সাথে খাওয়ার ভান করতেছি আর কথা বলতেছি আমি কিন্তু খাচ্ছি না।
এই ভাবে শেষ করলেন। পরের দিন ওই সাহাবী যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের সামনে গিয়েছেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম সাহাবীকে দেখে বলছেন ও সাহাবী তোমরা যা করেছো তোমাদের মেহমানের সাথে। এইটা দেখে আল্লাহ এত খুশি হয়েছেন আল্লাহ যে এইরকম বান্দা যে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন যেই বান্দারা নিজের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও খায় না মেহমানকে খাওয়ার ভান দেখাইয়া বাতি নিয়ে দেয় নিজেদের খাবারটা সম্পন্ন মেহমানের কাছে নিজের প্রয়োজন আছে তারাও তো তার বাচ্চারা প্রয়োজন আছে তারপরও মেহমানকে দিয়েছে। আর এই আয়াত আরেক প্রেক্ষিতে উল্লেখ করা হয়েছে যুদ্ধের ময়দানে আহত হয়ে পড়ে আছে নবীর সাহাবীরা আহত যিনি পানি পান করাচ্ছেন। সেই সাহাবী তিনি বর্ণনা করছেন এই হাদিস।
সেই যুদ্ধে আহত অবস্থায় কাতরাচ্ছে। আমি শুনতে পেলাম পানি চাচ্ছে তারা কেউ। আমি কাছে যে ছিল তার কাছে গেলাম পানি নিয়ে। পানি নিয়ে যখন তার কাছে গিয়েছি গ্লাসটা তার কাছে দিচ্ছি। ইতিমধ্যে পাশের থেকে পানি আলমা আলমা শুনতে পেলাম। তখন ওই আহত অবস্থায় পড়ে থাকা সাহাবী বলছে ভাই আমার আগে ওই যে পাশে যে ভাই পানি চাচ্ছে ওকে আগে পান করাইয়া তারপরে আমার কাছে আস। তার কাছে গেছে। এবার তার চেয়ে অদূরে আরেকজন পানি পানি করছে। দ্বিতীয়জন বলছে ওকে আগে খা তারপরে। শেষ পর্যন্ত সবাই শহীদ হয়েছে। পানি কিন্তু কেউ খেতে পারে।
এদের প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেছেন তাদের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও তারা অন্যকে অগ্রাধিকার দেয় আর আমরা কেমন অগ্রাধিকার আমি এই যে কোন খাবার টেবিলে অথবা কোন একটা টেবিলে বোনেরাও শুনবেন কলা রাখা আছে কলা এখানে আমরা ১০ ১২ জন আছি কলা ১০ ১২ টাই আছে প্রত্যেকের একটা করে হবে বাদ পড়বে না কেউই তারপরও তবে যার যার হাত দিয়ে নিতে হবে কোন কলাটার দিকে আমাদের হাতটা আগে যায় বলুন যেটাতে কালো দাগ নাই ফ্রেশ দেখা যাচ্ছে ঠিক না বেঠিক শেষ পর্যন্ত কালো দাগ আলা কলাটা একদম শেষে পড়ে থাকে শেষে যে যায় সে যদি নেয় ভালো না নিলে না নেয় ওটাই পড়ে থাকে ঠিক কিনা ভাই যদি খুব ছোট্ট একটা উদাহরণ দিলাম ছোট্ট বিষয় আমাদের হাতটা যায় ফ্রেশ স্বর্ণের মধ্যে চকচক করছে তালা ইত্যাদি এগুলা আবার সক্ষমত যাই হোক এক কথায় আমরা এটাই আমরা অাধিকার দেই কোন একটি জায়গা বসার দরকার ওইখানে জানালা দিয়ে বাতাস আসবে অথবা এসির বাতাসটা লাগবে আমার দরকার
অথবা ফ্যান তার নিচে ফ্যান আছে আমি যাইয়া যেখান থেকে ফ্যানের বাতাসটা আমার ঠিকমত আগে লাগবে সেই জায়গাতে আমার বিছানাটা আগে বিষায় অন্য জায়গা কিন্তু যেখানে ফ্যানে কম লাগবে ওটা কিন্তু শেষে মেসে যে আসে সে হয় তাকে নিতে হয় কথা ঠিক না বেঠিক এতটুকুন জায়গাতে যেহেতু স্যাক্রিফাইসের মনোভাবটা আমার এরকম এর চেয়ে বড় স্বার্থের কাছে আমার স্যাক্রিফাইসটা কি হবে তা তো বুঝতেই পারছি জানতেই পারছি এটা হচ্ছে আখেরাতের জীবনকে যারা প্রাধান্য দিয়েছেন পরকালকে যারা অগ্রাধিকার দেয়নি এই তাদের মধ্যে এদের সত্য পার্থক্য হচ্ছে এটা আপনি কিভাবে মিলাবেন কিভাবে মিলাবেন যারা কোন প্রতিষ্ঠান করে মানুষের কল্যাণের জন্য ওরকম প্রতিষ্ঠান ওই সমাজে আরো ১০ জন করে কিন্তু সেই ১০ জনের মধ্যে নয়জন করে হচ্ছে নিজেরা সেখান থেকে লাভবান হওয়ার জন্য হয়তো একজন আছে যিনি করেছেন মানুষের কল্যাণের জন্য ওই নয়জন কোনভাবেই স্বীকার করতে চাইবে না বা চায় না যে ওই একজন যে মানুষের কল্যাণের জন্য করছে এটাকে সে বিশ্বাস না করে
ও মনে করে আমরা যেমন এখান থেকে নিজেরা ফায়দা অথবা নিজের পরিবারের ফায়দার জন্য করেছি ওরাও তাই করেছে এরকম একটি ঘটনা সংসদে হয়েছে গত সংসদে অধিশন হয়েছে ইসলামী ব্যাংক যারা প্রতিষ্ঠা করেছে তারা ওখান থেকে নিজেরা লাহবান হয় নাই তবে সেখানে যারা করেছেন তারা কেউ ইসলামী ব্যাংক থেকে কখনো তারা অর্থ করি তারা নেয়নি তাদের কয়েকজন যে মারা গেছেন অনেকে আমি তাদেরকে চিনতাম তারা নিজেরা সেখান থেকে ব্যবসা করে আল্লাহ রাস করেছে এই প্রতিষ্ঠা যারা করেছিলেন তাদের মধ্যে বাইতুল্লাতে সৌদি আরবে বাইতুল্লাহতে ওই ভদ্রলোক যিনি বেশি উদ্যোগী ছিলেন তিনি অসুস্থ হয়ে গেলেন তিনি ওমরা করতে গেছেন আল্লাহর কাছে বলা আল্লাহ তুমি ইসলাম করতে চাচ্ছি তুমি দয়া করে এটাকে কবুল করো।
ওখানে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে গেছেন। ভালো অসুস্থ হয়ে গেছেন। স্ত্রীর সাথে ছিল। এই স্ত্রী আল্লাহর কাছে বাইতুল্লাহতে গিয়ে দোয়া করছেন আল্লাহ আমার হায়াত নিয়ে হলেও আমার স্বামীকে তোমার হায়াতটা বাড়ায়ে দাও। ইসলামী ব্যাং করার জন্য শরীয়া মত একটি ব্যাংক বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হবে। এরকম একটি ব্যাং করার জন্য যে আগ্রহ তারা হয়েছে আল্লাহ এই কাজটি তাদের হাতে তুমি সম্পন্ন করার তৌফিক দান করো। প্রয়োজন যদি হয় আমার হায়াত দিয়ে তুমি আমার স্বামীকে হায়াত ভাইয়েরা এটা ওই লোকদের সাথে বা ওই লোক দ্বারা কেমনে করে এটার মূল্যায়ন করতে পারবে যারা নিজেদের ব্যবসা বাণিজ্য নিজেরা আরো বেশি লাভবান হওয়ার জন্য যারা ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে তারা কি করে বুঝবে এদের কথা বুঝবে তারা মনে করবে যে আমরা যেরকম অন্য এইখানেই তো কথাটা মনে পড়ে ছোটকালে গল্প শুনেছি পুকুরের শেষ রাতে পুকুরে চার কোনায় চারজন গোসল করতে আসছে একজন সারারাত চুরি করছে সে চুরি করে এখন ফ্রেশ হওয়ার জন্য গোসল করতে আসছে আরেকজন তাহাজ্জুদ
নামাজ পড়েছে তারপরে মনে করছে সারারাত করেছে একটু ই লাগতেছে গোসল টোসল করে ফজর করে তারপরে হয়তো শুনি এইজন্য এরকম আছে প্রত্যেকেই মনে করতেছে আমি যে কাজ করছি ওযে করছে সে ওই কাজ করছে যিনি তাহাজ্জুদ বা সারারাত কিয়াম লাইল তিনি মনে করছে শুধু আমি একা না সলিমুদ্দিন তুই একা শুধু তাহাজ্জুদ করস না আরো দেখ তিনজন আছে আর চোর মনে করতেছে আমি খালি একা চুরি করি না আরো তিনজন আছে তারা তাই না একটা কথা আছে যার মনে যা লাফ দিয়ে ওঠে না যার মনে যা তাই তাই তার মনে চান দেয়। সুতরাং এইজন্য বলতেছিলাম ভাইয়েরা আমার আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা এই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতেও আল্লাহ ফলাফল নির্ণয় করবেন।
সুতরাং যারা যারা দুনিয়ার জীবনকে অগ্রাধিকার দেবে আখেরাতের তুলনায় জীবন দুইটা মানুষের। একটি হচ্ছে দুনিয়ার জীবন আরেকটা কি? আখেরাতের জীবন। তৃতীয় কোন জীবন নাই। তৃতীয় কোন জীবন আর নাই। এই আখেরাতের জীবনকে গৌণ মনে করে দুনিয়ার জীবনকে যারা প্রাধান্য দেবে আল্লাহ তাদের কথা বলেছেন আর এই সবগুলো পরকালের বিষয় অদৃশ্যের বিষয় গায়েবের বিষয়। এই গায়েবের বিষয়গুলোর প্রতি ইসলামের বিধি ঈমানের বিধি অনুযায়ী এটাকে অবশ্যই এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হয়। যদি মুমিন মুসলিম আল্লাহর বিধান যদি আমরা মেনে চলি অথবা সেটাকে যদি স্বীকার করে নেই তাহলে পরকালের প্রতি বিশ্বাস পোষণ করতে হবে না। পরকালের প্রতি বিশ্বাস পোষণ করতে হবে।
এইজন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কোরআনে কারীমে যদিও বিষয়টা অদৃশ্য যদিও বিষয়টা গায়ে কিন্তু এত বেশি পরকাল নিয়ে আল্লাহ আলোচনা করেছেন রাসলা আলোচনা করেছেন সেখানে কি ঘটবে কিভাবে ঘটবে তার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন এটা যেন অনেকটা দেখার বস্তুর মত হয়ে গেছে আলব যদিও এটা একটা সম্মান এটা একটি তথ্য দিয়েছেন ইনফরমেশন দিয়েছেন কিন্তু এমনভাবে ইনফরমেশনটাকে উপস্থাপন করা হয়েছে এটা যেন দেখার মত হয়েছে এজন্য বলা হয় এই খবরটাকে এমনভাবে পরিবেশন করা হয়েছে এটা যেন চোখে দেখার মত অবস্থা হয়ে গেছে এইজন্য পরকালের কথা আল্লাহ বলছেন কোরআনের বহু জায়গাতে কিয়ামতের কথা আল্লাহ বলেছেন দেখেন ওইটার নাম দিয়েছেন কিয়ামাত এটা বলা হয় ইয়ামুল কিয়াম এবং বলা হয়েছে ইয়ামুল হিসাব ওই পরকাল বা কিয়ামতকে বলা হয়েছে ইয়ামুল আজিফা নিকটবর্তী যেটা আসতেছে ওইটার নাম দেওয়া হয়েছে আা মানে মুহূর্ত টাইম ঘন্টা বলা হয় এ কিয়ামতের নাম যেদিন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে ওই দিনকে বলা হয় ইয়ামুল ফাস ওই দিনকে বলা হয় ইয়ামুদ্দিন ওই দিনকে বলা হয় ইয়ামুল
ওয়াকয়া যেটা সংঘটিত হবে ওই দিনকে বলা হয় ইয়ামুল হা প্রচন্ড আঘাতে সবকিছু যখন লন্ডভন্ড হয়ে যাবে এজন্য নাম আলহাক ওই কিয়ামতের নাম হচ্ছে আসমা এভাবে ইমুল কারিয়া অনেক নাম প্রায় ২৫ ২৬ ২৭ বিভিন্ন ভাষায় বলে আল্লাহ তার বান্দাদের মাথায় থেকে যেন কোন একটি মুহূর্তে পরকালের চিত্র পরকালের কথা যেন ভুলে না যায়। আল্লাহ সুবহানাতালা এইযে দুনিয়ার কাছের যে আকাশ কাছের আসমানটা আল্লাহ বলছেন এটা একদিকে তো এমন আমরা যেখানেই যাব পৃথিবী আমাদের যেমন দেখা যাচ্ছে চতুর্দিক থেকে আকাশটা নেমে গেছে ঠিক না বেঠিক চতুর্দিকে কি নামানো মনেয় ছাতার নিচে সাতার ঢালগুলো যখন নামানো এর নাম দেখতে পাচ্ছি আপনি সেই জাপানের একদম যেখানে সূর্য ওঠে সেখানে গেলেও আপনি দেখবেন আকাশ ঠিক এরকম ঠিক না বেঠিক আবার যেখানে অস্তমিত হয় ওইখানে গিয়েও দেখবেন আকাশটা এরকম গেলাম আমেরিকাতে মনে হার কোন ভিন্ন আকাশ দেখব না আমার বাংলাদেশের মতো আকাশে মেঘ আছে না তাই গেলাম অস্ট্রেলিয়াতে মনে সেখানে সেই একই রকম আকাশ
এই আকাশ আল্লাহ বলছেন এই দুনিয়ার আকাশটাকে আমি সুসজ্জিত করেছি তারকা দিয়ে তারপরে বাতি দিয়ে বাতিবাতিগুলো বলা হয়নিয়া দুনিয়ার আকাশ দুনিয়া মানে কি দুনিয়ার আকাশ তারকারাজি এবং বাতি দিয়ে আমি আবার এই সূর্যর নাম সিরাজ চান্দের নাম হচ্ছে মনির সূর্যের আলো আর চাঁদের আলোর মধ্যে পার্থক্য আছে না এজন্য একটাকে আল্লাহ সিরাজ বলেছেন আরেকটাকে মনির বলছে মনির হচ্ছে স্নিগ্ধ আলো যেটা আর সিরাজ আলো যে আলোতে আবার তাহ্যতা আছে এইজন্য সূর্যের আলোতে মনে হয় পিঠ পুড়ে যাচ্ছে ঠিক না বেঠিক মনে হয় পুড়ে যাচ্ছে প্রচন্ড রোদ উঠে সুতরাং আজ কিন্তু চাঁদের আলো কিরকম মনে হয় নম্র স্নিগধ আরো লাগে অথচ দেখা যায় এলাযে রাসূকে বলছি কিন্তু কোরন আল্লাহ সূর্যকে সিরাজ বলেছেন আর চন্দ্রকে কি বলেছেন কাবারকে বলেছেন এভাবে আল্লাহ সুসজ্জিত করেছেন এই পৃথিবীর গাছপালা ইত্যাদি কত কত সুন্দরভাবে সুজলা সুফলা মানুষ মতভাবে এটা চিন্তায়িত করে কবি সাহিত্যিকরা অত উচ্চাঙ্গ শব্দ দিয়ে শব্দের সমাহার ঘটিয়ে একটি অকল্পনীয় দৃশ্য তার লেখার মধ্যে
তৈরি হয় কি বলেন ঠিক না বেঠিক এভাবে বিশ্ব আল্লাহ সুবহানাতালা সৃষ্টি করেছেন দৃষ্টিনন্দন করে আবার এমন চ্যালেঞ্জ ছুড়িয়ে দিয়েছেন আমার এই সৃষ্টি নৈপুণ্যে তুমি তুমি কোন ত্রুটি ধরতে পারবে না কে আছে এমন কারিগর আমার এই সৃষ্টিতে তুমি আমারে আমি যে বানাইছি তারপর আয়াতটা কি সূরা মের মধ্যেটা কি বলেন না আমি আসমান জমিন সৃষ্টি করছি এখানে কি কোন সমজবাার বার আমার সৃষ্টির দিকে তাকাও আর ভুল ধরার চেষ্টা করো তোমার অনুসন্তত অনুসন্তু দৃষ্টি ক্লান্ত হয়ে শ্রান্ত হয়ে অবসাদগ্রস্ত হয়ে কোন ভুল ধরতে পারবে না এইজন্য লজ্জিত হয়ে ফিরে আসবে আমার সৃষ্টিতে কোন ভুল ধরতে পারবে আবার বারবার তাকাওার বারবার অনুসন্ধান করো তোমার এই অনুসন্ধান কর্মটা শান্ত হয়ে ক্লান্ত হয়ে লজ্জিত হয়ে ফিরে আসবে বলবে যে না ভুলবে না আল্লাহ সৃষ্টিতে কোন ত্রুটি তুমি পাবে আলতারা তারা আবারো তাকাও আবারো তাকাও কোন ভুল কি পাও এরপরে আবার আল্লাহ আবারো আবারো আবারো তাকাও শেষে বললেন লজ্জিত হয়ে অবসাদস্ত হয়ে শ্রান্ত
হয়ে ক্লান্ত হয়ে ফিরে আসবে কোন ভুল আবিষ্কার করতে পারবে না এই চ্যালেঞ্জ বলেন কোন কর্মকার এই চ্যালেঞ্জ করেছে শোনা যায় টাইটানিক ওয়ালা যিনি তৈরি করছেন টাইটানিক উনি বলছিলেন যে এটা ধ্বংস হবে না সামান্য সাগরের মধ্যে একটা বরফের পাহাড়ের সাথে ধাক্কা লেগে ইতিহাস জগত বিখ্যাত একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হয়ে মানুষের সামনে আজও দাঁড়িয়ে আছে কথা ঠিক না টাইটানিক এই টাইটানিক একটা সিনেমাও করছে। এই সিনেমাতেই হাত তুলে ধরেছে। সিনেমাতেই হাত তুলে ধরা হয়েছে। কি ট্রেজি সেই টাইটানিকের যিনি তৈরি করেছিলেন তার নাম নাম আছে। আপনারা সার্চ দিলে পাবেন। তো সে ওটা বলছিল যেটা কোনভাবেই কখনো কোন কিছু ধ্বংস হবে।
ধ্বংস হয়েছে না হয়নি? তহলে সেখানে ত্রুটি ছিল। কি ত্রুটি ছিল? যাই থাকুক। একটা বরফের সাথে ধাক্কা লেগে সব কলিম বলি ফেটে ফুলে পানি উঠেছে। সুতরাং আল্লাহ সুবহানাতালা এই যে এইযে তার সৃষ্টি নৈপূর্ণ এইযে দুনিয়ার এই জগত তিনি যেভাবে সাজিয়েছেন আল্লাহ বলছেন সূরা ইব্রাহিমের ৪৮ নম্বর আয়াতেলাহ যেদিন এই জমিন আর এই আকাশ এর সৌন্দর্য এই দৃষ্টিনন্দন এবং অতি সুসংহত শৃঙ্খলা এটা একদিন পরিবর্তন হবে একদিন উল্টে যাবে সেদিন এই আসমান আর এই জমিন এরকম থাকবে না সেদিন এরকম সবাই কি হয়ে যাবে? নিঃশেষ হয়ে সবাইকে মহাপরাক্রান্ত একক আল্লাহর সামনে সবাইকে দাঁড়াতে হবে। সবাইকে দাড়াতে হবে। এই আকাশ সম্পর্কে কি বলছেন আল্লাহ? যেদিন আসমানগুলো ফেটে চৌচির হয়ে তীর্ণ বিতীর্ণ হয়ে টুকর টুকর হয়ে পড়ে যাবে।
পৃথিবীর যত তারকারাজি আছে গ্রহ আছে উপগ্রহ আছে গ্লাক্সি আছে ইত্যাদি যা আছে আপনারা বিজ্ঞানের মাধ্যমে ইত্যাদির মাধ্যমে যেগুলো উর্ধ আকাশ সম্পর্কে আপনারা যা জানেন বা যা পড়েছেন এগুলো সবগুলো এইরকম সুবিন্যাস থাকবে না। খসে খসে দীর্ণ বিদীর্ণ হয়ে তারপর ইতস্তুত বিক্ষিপ্তভাবে এখানে ওখানে পড়ে থাকবে। এইজন্য আল্লাহ বলেন কি অন্য আলোজ তারকার আজীব আছে এইযে সূর্য আছে চন্দ্র আছে যারা আলো দেয় এই আলোগুলো নিষ্প হয়ে যাবে মিটিয়ে যাবে আলো থাকবে না এরপরে তাহলে সাগর মহাসাগর কি হবে সাগর মহাসাগর গুলোর পানি পৃথিবীতে পানির সংখ্যা পানিরই তো বেশি কি বলে পানির ভাগ বেশি না জলের থেকে স্থলের চাইতে জলের ভাগ বেশি পানি বেশি এজন আল্লাহ বলে দিলেন সাগর মহাসাগরগুলো বিস্ফরিত হবে অন্য আয়াতে আছে সমস্ত সাগর পানিগুলোতে আগুন ধরে যাবে এখন পানিতে আগুন ধরাই দেন তো পানিতে আগুন ধরাই দিতে পারবেন আপনি পানিতে আগুন ধরাই দেন অরতিশন কিছু দিয়েন না এমনি আগুন আগুন ধরা পিজিন দিয়ে আগুন জ্বালায় আপনার
কিন আছে পেট্রোল না কি কয়টা যেহেতু আগুন ধরায় কেরন দিয়া ধরে না আরেকটা আছে না কি না অকটেন এইযে আগে ঢেলে দিয়ে তারপর আগুন ধরেন তাড়াতাড়ি আগুন ধরেন গান পাউডার আছে আরো এগুলো আছে স্পিরিট সুতরাং এই পানিগুলো আল্লাহ বলছে আগুন ধরে যাবে এর জন্য ভাই আমি তো বিজ্ঞানী না বিজ্ঞানী ছাত্র না বিভিন্ন আর্টিকেল মার্টিকেল পড়ার সময় শুনছি বা পড়ছি যে আল্লাহ এখন তার সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পানির সাগরের নিচে পানির একদম নিচে যেখানে নাকি অক্সিজেন হাইড্রোজেন ইত্যাদি কি কি আলা আছে এবং সেখানে আল্লাহ এমন একটা ব্যবস্থা নাকি অক্সিজেনের উপর দিয়ে রেখেছে অক্সিজেন ওর যে বিস্ফরণ ক্ষমতা আগুন নিচে আগুনের লাভা আছে এই পানির নিচে ঠিক আছে আগুনের লাভা আছে সেই লাভার উপরে নাকি এই অক্সিজেন কি করছে আমার ব্যাখ্যা হতে পারে আমি বলতে জানি না সেইটা এখন আল্লাহ একটা শৃঙ্খলার মধ্যে রাখছে যার আল্লাহর বিধান ওখানে সেই শৃঙ্খলা মেনে চলতেছে যার কারণে ওটা ঢেকে আছে বিস্ফরিত হচ্ছে না।
তো ওইটা যখন থাকবে না তখন বিস্ফরিত হয়ে যাবে। আর বিস্ফরিত হলে তখন আগুন ধরে যাবে। তখন আগুন ধরে যাবে। যেমন এই যে পাহাড়গুলো সারা পৃথিবীকে আল্লাহ বলছেন আমি তো পাহাড় দিয়েছি এইজন্য যাতে করে পৃথিবী এই যে জমিন এটা যেন তার বসবাসকারী যারা আছেন আমরা মানুষ পশুপাশ গাছপালা ইত্যাদি এগুলো যাতে করে একদিকে কাট হয়ে ধ্বংস না হয়ে যায় এটাকে ভারসাম্য ব্যালেন্স করার জন্য আমি পেরেগর আল্লাহ বলছেন পেরেগের মত করে পাহাড়গুলোকে বসিয়ে দিয়েছি আর এই পাহাড়গুলোকে নাকি এই অবস্থায় আটকিয়ে রাখে আল্লাহর সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা আল্লাহর শৃঙ্খলার বিধানের জন্য বদ্ধকর্ষণ শক্তি দিয়ে এলাকে ভারসাম্য রাখা হচ্ছে যেদিন আল্লাহ তুলে নেবেন সেদিন পাহাড়গুলো থাকবে কোরনে কারীম আল্লাহ কিয়ামতের দিনের চিত্র এত সূক্ষ বর্ণনা সমস্তলা কৌশিকদের কারিগরি এখানে স্তব্ধ হয়ে যাবে কখন কিভাবে এই মধ্যাকর্ষণ শক্তি আর কাজ করবে না তখন আশ্রে পড়বে সবকছুার মত ওই যে রোদের মধ্যে তাকালে পরে ছোট্ট ছোট্ট কোনাকলা কি উঠতে দেখা যায় না সকম উঠতে
থাকবে সুতরাং এভাবে আল্লাহ সুবহানাতালা এই পরকালের এই কথা বলেছেন সম্মানিত ভাইয়েরা আল্লাহ আমাদের সকলের কথা বোঝার তৌফিক দান পরবর্তী সমতে আমরা আলোচনা করার চেষ্টা করব আলহামদুলিল্লাহ মহাম্ সাল্লাল্লাহু ইন্নাল্লাহালাহ আলাইহি আল্লাহ রাসল্লাহ সাল্লাল্লাহু হ সম্মানিত ভাই বোনেরা আমাদের সাউন্ড সিস্টেম আমাদের বিষয়গুলো আছে আপনারা দিচ্ছেন আমাদের হচ্ছে আপনার রাখবে বিশেষ করে সাউন্ড সিস্টেমটা একটু বেশি প্রয়োজন ভালো করে সবাই কবুল করেন