এটা আপনার মনের মধ্যে যে ধ্যান যে খেয়াল আপনাকে খারাপ কাজের দিকে অনুপ্রাণিত করে করো এটা কর না হলে গোপনে কর বেশি মানুষ তো দেখবে না আল্লাহ আল্লাহ তো দেখবে আল্লাহ মাফ করে দিবে নানানটাই আসে মনের মধ্যে আমরা প্রত্যেকে জানি প্রত্যেকে সেটা বুঝি এটা আপনার কুপ্রবৃত্তি আমার কুপ্রতি যেটা আল্লাহ কোরআনে বলেছেন ইন্নাফুবি আপনার মন থেকে যেই খারাপ কাজগুলো করার যে বিষয়গুলো কল্পনাগুলো আপনার আসে আপনাকে সেদিকে করার জন্য অনুপ্রাণিত করে উদ্বুদ্ধ করে এটাকে নফসে আম্মারা আম্মারা শব্দের অর্থ নির্দেশক নির্দেশক আপনার যেই মনটা আপনাকে খারাপ কাজের নির্দেশ করে এটা আল্লাহ বলেছেন ইন্না নাফসা লাবি নিঃসন্দেহে নফস এমন আছে যে নাকি খারাপ কাজে নির্দেশ করে আপনার মনের মধ্যে খারাপ যেই চিন্তা ঢোকে আসে এটা নফসে আম্মার এবং আপনাকে সেদিকে উদ্বুদ্ধ করে সুতরাং আল্লাহ বলছেন যারা এই নফসের অনুসরণ করে না।
এইজন্য নফসকেও হাওয়া যেটা নিজের নফসের পরিকল্পনা যেটা এটাকেও মানুষ মাবুদ বলে গ্রহণ করে। আল্লাহ নিজে বলছেন যে এই নফসকে এই হাওয়া এটাকেও মানুষ মাবুদ হিসেবে গ্রহণ করেছে। আফার ইলাহা আপনি কি ওই লোকদেরকে দেখেন নাই যারা তাদের এই কুপ্রবৃত্তিকে তাদের এই নফসকে এই হাওয়া কল্পনাকে তারা মাবুদ বানিয়ে নিয়েছে। আল্লাহর কথা যে নফসকে মাবুদ বানিয়ে নিয়েছে। আমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য মাবুদ এগুলোকে কি মনে করি আমরা মুসলিমরা? যে এর দ্বারা অন্য ধর্মের দেব দেবীর কথা বুঝানো হয়েছে। অথচ আল্লাহ বলছেন তোমার নিজের নফসকে তুমি মাবুদ বানায় দিছো। তোমার নিজের নফসকেও তুমি মাবুদ ইলাহ বানাইছো। ইলা মানে কি? রাসূ আল্লাহ ওই ব্যক্তিকে কি আপনি দেখেন নাই? যারা তাদের নফসকে হাওয়াকে উপবৃত্তিকে মাবুদ বানিয়ে নিয়েছে।
ইলাহ বানিয়ে নিয়েছে। সুতরাং এইজন্য আল্লাহ বলছেন যাহারা আল্লাহর কাছে হিসেবের কথা চিন্তা করে নিজের এই দুনিয়ার জীবনটাকে সাজায় সেভাবে চলে। আর কুপৃত্তির অনুসরণ করে নায় দেয় নাইনাল জান্নাতামা তারা তাদের ঠিকানা বাসস্থান জান্নাত করে সুতরাং এভাবে পরকালের হিসেব নিকেশটা এটা মানুষের জীবনের সেটাই আসল জীবন সেটাই স্থায়ী জীবন সেই জীবনে জীবন আছে কিন্তু মৃত্যু নাই এই পরকাল জীবনে সেখানে আর মৃত্যু নাই নতুন করে কোন মৃত্যু নাই নতুন করে কোন জীবন যেটা আছে সেই পুনরুত্থানের পর থেকে যা ওটাই এজন্য আপনারা প্রসঙ্গত করবে শুনিয়েছি যে আল্লাহ যাদেরকে ফাইনালি জান্নাতে দেবেন তাদেরকে জান্নাতে দেওয়া পর যাদেরকে ফাইনাল জাহান্নামে দিবেন কোথা থেকে? আর এদিক সেদিক হবে না।
আর এদিক সেদিক হবে না। আবার এটা তো আল্লাহর অনুগ্রহ যে জান্নাতে যাদেরকে দেবেন তাদেরকে আল্লাহ জাহান্নামে কোনদিনও জান্নাতে দেবার পরে দিবেন না। কিন্তু জাহান্নামে যাদেরকে আল্লাহ দিবেন যে সকল ঈমানদারদেরকে তাদেরকে জাহান্নাম থেকে জাহান্নামে। উল্টাটা হবে না। সুতরাং এইটা যখন ফাইনাল হয়ে যাবে তখন মৃত্যু নামক এই বস্তুটিকে একটি জন্তুর সুরতে জান্নাত আর জাহান্নামের মাঝখানে এনে ওদেরকেও ডাকা হবে এদেরকেও ডাকা হবে তারপরে জবাই করা সহী বুখারী মুসলিমে হাদিস রয়েছে এবং বলা হবে আজকের পর থেকে আর মৃত্যু নেই আজকের পর থেকে আর কোন মৃত্যু নেই জান্নাতিরা আনন্দে আতরা হয়ে স্লোগান দিয়ে উঠবে আমি আমার ভাষায় বললাম স্লোগান দিয়ে উঠবে তারা খুব খুশি হবে আনন্দ প্রকাশ আর জাহান্নামীদের তাদের বিষাদ বর্ণ মুখাকৃতি সেটা আরো বিষাদে পরিণত।
সুতরাং আল্লাহ সুবহানাহুতালা সেই জাহান্নামকে সেই পরকালীন জীবনটাই বলেছেন এটাই উত্তম এবং এটাই স্থায়ী আখেরাইর খাইরু তোমাদের না এই আখেরাতের জীবনটাই হচ্ছে উত্তম। তবে যারা সেখানে সুফল পাবে তাদের জন্য। যারা সেখানে সফলতা অর্জন করবে তাদের জন্য উত্তম এবং স্থায়ী। এখান থেকে তারা কোনখানে প্রত্যাবর্তন করতে চাইবেও না। ইন্নালানাহ জান্নাতুল ফিরদাউসলাদিনাফ লা ১০৮ নম্বর সূরা আল কাহফ যে নিঃসন্দেহে যারা ঈমান এনেছে এবং সেই অনুযায়ী সৎকর্ম করেছে আবারো বলছি ভাই সৎকর্ম কি আমরা সৎকর্ম বলতে শুধুমাত্র নামাজ রোজা হজ যাকাত জিকির আজকার তাসবি তাহলী কোরআন তেলাওয়াত কিছু দান সদকা এগুলোকে বলি মানুষের সাথে আমাদের যে সকল লেনদেন আছে পরস্পরের পরস্পরের প্রতি যে সকল হক অধিকার আছে ইত্যাদি যেটা মানুষের জীবনের সিংহভাগ যেটা মানুষের জীবনের ৯০ ভাগ আর বাকি ১০ ভাগ হচ্ছে নামাজ রোজা হজ যাকাত এবাদত জিন্দেগী জিকির আজকার ওগুলো নিয়ে আমরা কিছু মানুষ ব্যস্ত থাকি এদিকে আমরা উদাসীন থাকি আমার জীবনের ৯০ ভাগ যেই কাজগুলোতে আমরা ব্যস্ত থাকতেই হয় ইচ্ছায় অনিচ্ছায় সেগুলোকে আমরা দুনিয়াবী কাজ বলে সেটাকে ইচ্ছে মত করি।
ওটাকে কোনদিন এবাদত মনে করি না। এইজন্য দুনিয়াবী কথাবার্তা দুনিয়াবী কাজ দুনিয়াবী কথাবার্তা দুনিয়াবী কাজ মসজিদে না বলা। ওই যে লিখে রাখে অনেকে সাইনবোর্ড দিয়ে রাখে তাই না মসজিদে দুনিয়াবি কথা বলা হারাম আমি জানিনা দুনিয়াবি কথা বললাম এগুলোকে আমরা মরবে না বানিয়ে নিয়েছি আপনি অন্যের হক নষ্ট করে যাচ্ছেন তাহাজ্জুদও পড়ে কিন্তু দুনিয়া মানুষের হকটা যে নষ্ট করছেন এটা যে পাপ মানুষের হক রক্ষা করা যে এবাদত এটা আপনি জানি না আমরা জানি না এটা মানি না এটা মানি না আমরা অথচ এটা এজন্য মানুষের জীবনের দুই ভাগ শরীয়তের দৃষ্টিতে পরিপূর্ণ ইসলাম পরিপূর্ণ শরীয়ত দু ভাগে বিভক্ত একটি হচ্ছে দুই সবগুলোই এবাদত একটি হচ্ছে এবাদাতশায়া বলা হয় নিদর্শনমূলক যেগুলো আল্লাহর সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট যদিও ওই সকল কর্মকাণ্ডের ওই সকল এবাদতের যেটাকে আমরা বলছি এবাদত ওগুলোর সামাজিক এসপেক্ট আছে এসপেক্ট আছে সামাজিক উপকারিতা আছে।
সামাজিকভাবে নানান শিক্ষা আছে। যেমন সালাত জামাতের সাথে সালাতের সামাজিক লাভ নাই। সামাজিক শিক্ষা নাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মসজিদে কোন সাহাবী এক দুইদিন না দেখলে সে বলতেন কই তাকে তো দেখছি না। খবর নাও তার কি হয়েছে? তার কি হয়েছে? এরকম বহু কিছু। এর নাম কি? সিয়ামের সিয়াম রোজা তার সামাজিক এসপেক্ট নাই। ক্ষুদার্থ ব্যক্তি তার প্রতি আপনার সহানুভূতি জেগে তার প্রতি আপনার যে দায়িত্ব কর্তব্যবোধ আছে সিয়ামের মধ্যে একটি শিক্ষা সেটা। সিয়ামের মধ্যে একটি শিক্ষা সেটা। আমরা যে ফেতরা দেই আল্লাহর রাসূল নিজেই বলে দিছেন এই ফেতরাটা কি কারণে? তোমার সিয়াম পালনে কিছু ত্রুটি বিচ্চুত হবে। এটার কাফফারা হবে।
আর তুমি তোমার অন্য ভাইদের মুখে হাসি ফুটাবা যাতে করে তার খাদ্যের অভাব ওইদিন অন্তত ঈদের দুই একদিন না থাকে। এরকম ইসলামের হজের বিশ্বাস বিশ্ব মুসলমানদের সম্মেলন শুধুমাত্র সেখানে কাবাঘর বাইতুল্লাহ তোয়াফ অথবা নির্দিষ্ট কোটিপয়ে জায়গাতে যাওয়া এবং কিছু কর্মকাণ্ড এটাই না সেখানে বিশাল একসাথে লক্ষ লক্ষ মানুষ একসাথে ওটা বসা করছে তাদের পরস্পরের হক রক্ষা হচ্ছে কিনা কার জুতা কে নিয়ে যাচ্ছে কার সাথে কে কি আচরণ করছে এই বিশাল একটি কর্মযজ্ঞের মধ্যে পারস্পরিক আপনার সাথে তাদের কি হচ্ছে এটাও আপনার বাস্তব সামাজিক রূপ সেখানে তাদের সাথে কিতা হবে সেটা হবে এভাবে বহু বিষয় যারা মুসলিম বিশ্বের মুসলিমদের যারা নেতৃত্ব দেন তারা একসাথে হয়ে তারা পরস্পর নিজেদের মুসলিমদের জাতীয় বিষয় নিয়ে তাদের নিজস্ব ধ্যানধারণ অর্থনীতি নিয়ে তাদের নিজেদের ব্যবস্থা শাসন ব্যবস্থা সামাজিক ব্যবস্থা ইত্যাদি কিভাবে হবে কিভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে সেটা সম্ভব এগুলোর মত বিনিময়ের সুযোগ সেখানে রয়েছে এইজন্য এজন্য যেগুলোকে আমরা নিরে আল্লাহর এবাদত বলছি সেগুলোর মধ্যেও সামাজিক এবং মানুষের জন্য কল্যাণকর অনেক বিষয় রয়েছে অনেক শিক্ষা রয়েছে কিন্তু দুর্ভাগা আমাদের আমরা নিজেরা সেদিকে নিয়ে যেতে চাই না কারণ আল্লাহর দ্বীন এটাকে সম্পূর্ণই আমরা একটি গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলছি এটা যে গোটা মানবজাতির গোটা মানুষের জীবনের পরিব্যাপ্ত একটি বিষয় এটাকে আমরা মানতে রাজি না।
সুতরাং এইজন্য ভাইয়েরা আমার এইজন্যশায় বলছি তাহলে এবাদত দুই প্রকার। একটা হচছে এবাদাশরিয়া যেগুলো নিদর্শনমূলক বলা হয় শব্দগুলো। কিন্তু ওটার কথাই বলতেছিলাম নামাজ, হজ, যাকাত এগুলো আল্লাহর জন্য। সবই আল্লাহর জন্য। তবে এই এবাদতগুলো যেখানে তাসবি তাহলি জিকির আজকার এগুলো আছে সেগুলো এর সামাজিক উপকারিতা আছে এর সামাজিক দিক রয়েছে সামাজিকভাবে শিক্ষা আছে একসাথে জামাতে নামাজ পড়া মানে কি সঙ্গবদ্ধভাবে থাকতে হবে বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না ঐক্যবদ্ধ থাকা মুসলিমদের এটা স্পষ্ট অপরিহার্য ঐক্যবদ্ধ থাকা এজন্য কোরআনে বারবার বলেছে তোমরা মদান ঐক্য করো না মতবির বিরোধ করো না। বিবেক সৃষ্টি করো না। বিবেক সৃষ্টি করো না। আবার সতর্ক করেছে তোমরা বিবেক সৃষ্টি করলে তোমাদের শক্তি দুর্বল হয়ে যাবে।
তোমরা সফলতার মুখ কোনদিনও দেখতে পারবে না। এ কথাগুলো আল্লাহ এমনে বলছে। তামুল মমেলাত থেকে। মোয়ালাত হচ্ছে মানুষের এই সামাজিক পারিবারিক ইত্যাদিভাবে যেই তাদের পরস্পরের পরস্পরের সাথে যে সম্পর্ক আছে কোথাবাসা আছে চালচলন আছে আচার আচরণ আছে একজনের প্রতি আরেকজনের দায় দায়িত্ব আছে দায়িত্ববোধ আছে কর্তব্য আছে এইটাকে বলা হয় দুটো মিলে সমান সমান বাদালিল্লাহ এই দুটো মিলে আল্লাহর দাস এই দুটো মিলে আল্লাহর এবাদত। আমরা কিছু মুসলিমরা আছি এবাদত শারিয়া এইটাতে কিছু গুরুত্ব দিলেও এবাদত তামুলিয়ার ব্যাপারে টোটালি গুরুত্ব দেয় না। বরং এটাকে আল্লাহর দ্বীনের মধ্যে এটা যে আল্লাহর দ্বীন এটাকেই আমরা কেউ স্বীকারও করতে চাই। এর নাম ইসলামকে স্বীকার করা না।
এর নাম ইসলামকে স্বীকার করা না। আজকে একদিকে আমরা যে মনে করকম বলছি আরেকদি আবার একদল মানুষ আছে যারা আলেমদেরকে যারা আলেমদেরকে এই বলে অভিযুক্ত করে যে আলেমরা ইসলামের নারীর স্বাধীনতা আছে। ইসলামে যে নারীর অধিকার আছে ইসলামে যে সামাজিক সুস্কৃতি সম্প্রীতিত্বের আছে অন্য ধর্মের লোকদের সাথে একসাথে সম্প্রীতি আছে এই গত দুই তিন দিনের মধ্যে বিভিন্ন জায়গাতে যে আলোচনা হয়েছে সেখানে এভাবেই উপযুক্ত করেছেন এমনকি হিন্দুদের সাথে যাদের এখন বৈঠক হচ্ছে পূজানী হচ্ছে না বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারি বেসরকারি লেভেলে বিভিন্ন মিটিং হচ্ছে না সেইসব জায়গাতে হিন্দু নেতারা বলছেন মসজিদের ইমামরা তারা এই যে একই দেশে মুসলিম অম ইসলাম একসাথে সবস্থান করা যায় এটা বা ইসলাম এটাকে বলে ইসলাম এটাকে আশা করে এটা তো হুজুররা কয় না অথচ পড়ে যাচ্ছি কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি আমরা এটা মনে রাখারও চেষ্টা করি না আমরা এটা মনে রাখারও চেষ্টা করি না হিন্দুদের এখন দুর্গাপূজা হবে এখানে কি কোন মুসলমানদের জন্য তাদের একদিকে তাদের
ওই দুর্গাপূজা তাদের নিজস্ব তাদের ধর্মীয় এবাদত তাদের ধর্মের অনুসারে তাদের ধর্মীয় এবাদত আপনি মুসলমানের সন্তান হয়ে সেখানে কিভাবে যান এক তাদের এটা হতে দেওয়া সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে সম্পূর্ণ নিরাপত্তার সাথে এটা যেমনি করে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তেমনি করে ওই রাষ্ট্রের সকল মুসলমান সহ সকল নাগরিকদের ওটা যাতে করে নিরাপত্তার সাথে তারা করতে পারে এই পরিবেশ সৃষ্টি করাও সকলের দায়িত্ব সকলের দায়িত্ব সকলের দায়িত্ব। তো সুতরাং যেমন কেউ কেউ বলেননি কয় আমাদের ঈদের নামাজ পড়তে গেলে পুলিশ দাড় করা রাখতে হয় না। কিন্তু পূজাগুলো করতে গেলে সেখানে পুলিশ কেন দাড় করে রাখতে হয়? এটা একসেন্সে কথা ঠিক। কিন্তু কেন রাখতে হয় এটাও দেখার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে।
কারাই শান্তি নষ্ট করে? কারা তাদের মধ্যে হুমকির সৃষ্টি করে এটা নিষ্ঠার সাথে ঐকান্তিকতার সাথে আন্তরিকতার সাথে সিনসিয়ারলি সেটা আপনাদের দেখা দরকার দেখলে তারা এটা করতে চেষ্টা করে তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যাবে কিন্তু এটা সত্যিকার অর্থে যারা ইসলাম বিশ্বাস করে ইচ্ছার সাথে যারা ইসলাম পরিপালন করে ইসলামকে যারা জানে তারা কখনো তাদের এটাকে তাদের মত করতে দেওয়ার বিষয়ে তাদের কোন আপত্তি নেই বরং তাদের পাশে আছে তাই বলে যার যার আপনার ঈদের দিনে কয়জন অন্য ধর্মের লোকেরা এসে আপনার এখানে বসে থাকে আর আমাদের কত ছেলে মেয়ে সবাই তার চাইতে গুনলে মনে হয় তাদের চাইতে মুসলমানের সন্তানরা এই সকল জায়গায় বেশি পাওয়া যাবে কথা ঠিক না বেঠিক কেন আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান তো তারা আসে না আপনি কিভাবে যান আপনাকে কি বলব আমি নিজে দেখে দেখে বলছি না আমি শুনে বলছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে নাকি গরুর গোসত সেখানে রান্না হয় না বিক্রি হয় আমি শুনে বলতেছি কিন্তু এটা কালকেও একজন তার
টকশোতে বলছে অথচ সেকুলার দেশগুলো সেকুলার দেশগুলো আমরা নিজের আলহামদুলিল্লাহ আমেরিকা কানাডা অস্ট্রেলিয়া তারপরে চীন টেন ইত্যাদি ব্রিটান সব জায়গায় যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে সেখান গেল হোটেল তো সব ধরনের খাবার আছে তাদের চেয়ে আমরা মুসলমান দেশ তাদের চেয়ে তো আমরা এত বেশি সেকুলার হয়ে গেলাম আমাদের যে দেশের ইউনিভার্সিটির হলগুলোতে মুসলিম সন্তানরাই গরুর গোসত খাওয়ার সন্তানরাই তো বেশি কি বলেন সেখানে গরুর গোসত কেন সেখানে গরুর গোসত খাইলে কি হয় সেকুলার নষ্ট হয়ে যায় সেকুলার দেশগুলো যদি সেকুলারিজম নষ্ট না হয় আমার দেশে সেকুলার নষ্ট হবে কেন এটার অর্থ নাই এজন একজন বক্তা উনি বলতেছিলেন আসল ঘটনা ওটা আসল ঘটনা হচ্ছে এই যে আমরা অন্য একটি ধর্মের প্রভাব আমাদের দেশে সৃষ্টি করে ওই ধারে বক্ষ হওয়ার জন্য এগুলো চালু করে দেওয়া হয়েছে।
তাদের একটা প্রভাব সৃষ্টি করার জন্য চালু করে দেওয়া হয়েছে। যদি মুসলিম হলগুলোতে যদি গরুর গোসত রান্না হয় এটা তো কোন যারা গরুর গোসত খায় না যাদের জন্য খাওয়া বৈধ নয় তাদের জন্য তো নয়। বরং যারা খাবে তাদের জন্য এটা এবং তাদের সংখ্যায় শতকরা ৯০ জন। তাদের সংখ্যায় শতকরা ৮০ জন। তাইলে কার স্বার্থে কেন মুসলমানদের এই খাদ্যটা ওইখানে কেন নিষিদ্ধ থাকবে? কারাই নিষিদ্ধ করেছে? তাদের পরিচয় কি? এবং এইদেশে তাদের অবস্থানটা কি? তাদের সংখ্যাটা কি? আপনারা কখনো ভেবেছেন? আমরা তো মুসলমান চিন্তা করেছি।
আমার জন্য এইটা এইটা সেখানে থাকলে এখানে ওই যে মনে করেন ইউরোপ আমেরিকার সব হোটেলগুলোতে সেখানে সুরের গোস্ত আছে এক সাইডে গরুর গোস্ত আছে খাসির গোস্ত আছে মাছ আছে দুরা কাসিম ইত্যাদি যেগুলো সবই যেগুলা খায় সেগুলো আছে ওই তাতে করে তাদের তো সেগুলার নষ্ট হয় না ওখানে আবার মুসলমানদের জন্য গরুর গোস্ত আছে খাসির গোস্ত আছে তাদের সেগুলার নষ্ট হয় না আর আমাদের নষ্ট হয়ে যায় এটাই হচ্ছে আমরা পরাজিত অন্য একটি সংস্কৃতির কাছে আমরা পরাজিত যেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য যেই জমিদার রবি ঠাকুর বিরোধতা করেছে এটা তো ইন্ডিয়ার অনেক বিশেষজ্ঞরা পর্যন্ত জানেন তারা নিজেরা বলছে সেই বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্র প্রীতিকে রবীন্দ্র পূজা বা রবীন্দ্রর এবাদত বলেও কেউ ঘোষণা করে কি বলেন ঠিক না বেঠিক বলেন ঠিক।
জাতীয় কবি কয়জন? একজন। আমরা তো সেদিন শুনলাম যে এটা নাকি জাতীয় সম্পদ। জাতীয় সম্পদ হলো কেমনে? আমাদের দেশের কত কবিরাই তো আছে। কবিরা কি অন্য দেশের কোথায় তাদের ছবি আছে? এগুলো তো ভাবার বিষয়। এগুলো কোন বিষয় না। এগুলো ভাবার বিষয়। আমাদের জাতীয় কবিতা একজন কাজ ইসলাম। সুতরাং এই বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে। এগুলো সব কথাগুলো এখন যদিও আলোচনা হচ্ছে এখন বিভিন্ন আলোচনা হচ্ছে। তো সুতরাং এই বিষয়গুলো আরেকটার দিকে গেলাম না। আমার খুতবার জন্য ওদিকে সময় সময় কম। ওদিকে গেলাম না। সুতরাং সেই বিষয়গুলো আমাদেরকে মনে রাখতে হবে।
ওই রবি ঠাকুরদেরকে মানবতার কবি কিভাবে বলেন আপনি? যিনি মুসলিমদেরকে সবসময় তার সাহিত্যের মধ্যে সবচেয়ে মেলেছ ইত্যাদি ধরনের তিরস্কারমূলক কথা ব্যবহার করেছে তাকে আপনারা মানবিকের কবি কিভাবে বলেন বলেন তিনি পইছে নোবেল প্রাইজ নোবেল যারা দেন অন্তত যারা পান প্রায় সকলেই ইসলাম বিদ্বেষী লোকেরাই থাকে বিচারকরা তারাই বললাও তারাই তারাই বিচার করার তারাই শাস্তি দেওয়ালা তারা পুরস্কার লোক একগুলোই কথা বুঝছেন কিনা সুতরাং সেই বিষয়গুলো ভাবতে হবে রে ভাই নিজের পরিচয়টা আপনাকে জানতে হবে নিজের আত্মমর্যাদার কথা আপনাকে বুঝতে হবে করতে হবে সুতরাং এজন্য ইসলাম অন্য সকল ধর্মের লোকদের তাদের দেশের নাগরিক হিসেবে একজন মুসলিম নাগরিকের যেই অধিকার একই অধিকার একজন অমুসলিম নাগরিকের একটি মুসলিম দেশেতো সুতরাং আমরাও এটা বলতে চাই আমাদের কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান যদি পুলিশ পাহারার প্রয়োজন না হয় তাহলে অন্য ধর্মের তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য পুলিশ পাহারার কোন প্রয়োজন থাকতে পারে না এই পরিবেশ প্রথমত নিশ্চিত করার দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের আন্তরিকভাবে এরপরে দ্বিতীয় দায় হচ্ছে দেশের প্রতিটি নাগরিকের এ দায়িত্ব প্রতিটি নাগরিকের সুতরাং এই বিষয়গুলো আমাদেরকে মনে রাখতে হবে।
আল্লাহ আমাদের কথাগুলো বোঝার তৌফিক দান করুন। সুতরাং আমরা বলতেছিলাম যে ইসলাম এভাবে আল্লাহর মানুষদের দুটো ভাগে আর একটি হচ্ছে এবাদাত শায়রিয়া তামুলিয়া। এই তামুলিয়াটির সংখ্যায় এটাই মানুষের জীবনে বেশি। বেশি যেটা শুরু হয় আপনার শুরু হয় আপনার ঘর থেকে। আপনার স্ত্রীর সাথে থেকে শুরু হয়। আপনার সন্তানদের সাথে শুরু হয়। আপনার বাবা-মার সাথে শুরু হয়, বাপ চাচাদের সাথে শুরু হয়। বংশের সাথে, গোষ্ঠীর সাথে আত্মীয়তা শুরু হয়। এরপরে প্রতিবেশী। এরপরে আপনার গ্রামবাসী এভাবে আপনার ইন্টারাকশন পরস্পরের প্রতি পরস্পরের দায়িত্ব এবং কর্তব্য। এটাই মানুষের জীবনের সিংহবাদ। এইখানে ইসলামের যে বিধি-বিধান আছে, এইখানে ইসলামের যে নিয়ম কানুন আছে সেটাও ফলো করাও আপনার এবাদত।
এটাকে বলা হয় এবাদত। এই দুটোরই হিসাব কাল কিয়ামতের দিন হবে। এই দুটোরই হিসাব কাল কিয়ামতের দিন হবে। এবং হাদিসগুলো থেকে যা বোঝা যায় জানা যায় এবাদাত শািয়া নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত, দান, সাদাকাত এগুলোর কারণে একজন মানুষের অনেক নেকি নিয়ে কিয়ামতের মাঠে আসবে। লোকটি জান্নাতে যেতে উদ্যত হবে। কিন্তু সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পরে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পরে আগের পরের কথা আগে বলছি সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পরে হাউজে কাকিয়া পুলসেরাত পার হওয়ার পরে হয় একজন ব্যক্তি জান্নাতে যাবে অথবা জাহান্নামে যাবে সেই জায়গাতে আরেকটা হিসাব হবে সেই স্থানে আরেকটি হিসাব হবে সেই হিসাবটা এমনকি গরু ছাগলেরও হবে ওষুধেরও হবে।
এইজন্য সহীহ হাদিস সহী মুসলিম সহী বুখারীতে স্পষ্ট হাদিস আছে যে এই দুনিয়াতে যদি একজন সবল একটি সবল পশু বা ছাগল বা ভেড়া আরেকটি দুর্বল পশুকে যদি ঘুতা মেরে থাকে কিয়ামতের দিনে চিত্রটা উল্টে যাবে। দুনিয়াতে যে দুর্বল ছিল সবলের ঘুতা খাইছে। আল্লাহ সেই দুর্বলটাকে সবল করবে। সবল করে যে সবল ছিল দুনিয়াতে সবলের সেই ভম্বে সে অহংকারে সেই ক্ষমতায় গুতা দিয়েছে তাকে দুর্বল করে দিয়ে বলা হয় গুতা মারো তোমাকে যেরকম মারছিল মার মারে প্রতিশোধ নেওয়া হয়ে গেল এবার দুজনই মাটি হয়ে যাবে কিন্তু মানুষ তো মাটি হয়ে যাবে না এজন্য মানুষ আফসোস করে বলবে ইয়ালাইতুন হায় আমি যদি আজকে মাটি হয়ে সূরা আম্মা সূরা নাবার সর্বশেষ আয়াতের শেষ অংশ আমি যদি মাটি হয়ে ওই সময় রাস বলেছেন একদিন বহুবার আপনাদের হাদিস শুনিয়েছি এইটা না বললে আমার কাছে খুবই খারাপ লাগে যে এটা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ মানুষের জীবনে অথচ এইখানেই আমরা উদাসীন সেই ক্ষেত্রে কে দ্বীনদার কে দ্বীনদার কম
কে দ্বীনদার বেশি কে মুসল্লি বেশি কে কম মুসল্লি কে বেশি বড় বুজুর্গ কে ছোট বুজুর্গ আমি এই ভেদাভেদ করছি না কিন্তু এই ক্ষেত্রে আমরা আমভাবে জেনারেললি বলছি এই ক্ষেত্রে আমরা অধিকাংশই উদাসীন সেটা হচ্ছে অন্যের হক অন্যের হক অথচ এই অন্যের হকটা চুকিয়ে দে ছাড়া অন্যের হওয়া যেটা আমার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নষ্ট হয়েছে এইটার চুকিয়ে দেওয়া ছাড়া কেউ জান্নাতে যেতে পারবে না এইজন্য রাসূ সলাম বললেন সাহাবীদেরকে উদ্দেশ্য করে মুফলিস তোমরা কি জানো মুফলেস কি মুফলিসের বাংলা অর্থ নিশ নিশ সাহাবারা স্বাভাবিকভাবে জবাব দিলেন আল মুফলিফিনা মাল্লাহামাওলামা আমাদের মধ্যে তো নিশব সেই ব্যক্তি যে ব্যক্তির কোন ঘরবাড়ি নেই টাকা পয়সা কোন সয়সম্পত্তি কোন সম্পদ নেই রাসূ বললেন কেয়ামতের দিনে একজন ব্যক্তি তার নামাজ সিয়াম যাকাত সদাকা এগুলোর নেকি নিয়ে জায়ে সওয়াব নিয়ে এসে উঠবে তখন এক ব্যক্তি আসবে বলবে আল্লাহ এই লাতটি আমাকে মেরেছিল আরেকজন এসে বলবে আল্লাহ এই লোকটি আমাকে সাকা আমাকে গালি দিয়েছিল আরেকজন এসে বলবে
এই লোকটি আমার নামে মিথ্যা রটনা করেছিল এভাবে একেকজন অভিযোগকারী এসে ওই লোকটির বিরুদ্ধে এই ধরনের কথাগুলো যেগুলো হক এই সকল অভিযোগগুলো বলবে আল্লাহ তখন ওই ব্যক্তিকে বলবেন আজকে তো তোমার এগুলো শোধ করার মত কিছু নেই তোমার নেকি থেকে এদেরকে দিয়ে দাও এ হাদিস বহুবার আপনাদের শুনাইছি সহী মুসলিমের হাদিস লোকটি নেকি থেকে দিতে থাকবে নেকি শেষ হয়ে যাবে পাওনাদার থেকে যাবে পাওনাদার থেকে যাবে এত মানুষের হক নষ্ট করেছে থেকে যাবে। এতে করে যারা আবার দুই একজনের হক নষ্ট করি আমরা তারা যেন উৎসাহিত না হই। আমার তো মাশাল্লাহ বহুত সওয়াব আছে। এক দুইজনের হক ভাইয়ের বা বোনের জমি যদি আমি মেরে খেয়েও থাকি একজন তো আমার জান নেকি আছে।
আর মাশাল্লাহ অনেক টাকা পয়সা আছে। অনেক হজ করব, ওমরা করব। ওখান থেকে কিছু দিয়ে দিব। শয়তান এই শয়তান এই প্ররোচনাও কিন্তু আপনার মনের মধ্যে আইনে দিতে পারে। কি বলেন? পারে না অনেকে এইসব এইসব মিনিমাইজ করে নিজের ভিতরে ভিতরে না আম্মারা এগুলো সব মিলিমাইজ করে মিনিমাইজ করে ওই খারাপ কাজটা করার উপরে তাকে অভিচ সান্তনা হলে এটা তো এক বোনের মেরে দিছিস তো অসুবিধা নেই এ তারটা ওখানে তুই নেকি নেকি ভু কামাই করে যা হজ করবি ওমরা করবি করবি সে করবি ওখানে যে কিছু সয়াব দিয়ে দিলে তারপর সওয়াব যা থাকবে এটাতে তুই জান্নাতে চলে যেতে পারবি অত সোজা না অত সোজা কত পরিমাণ সওয়াব দিলে কত পরিমাণ সওয়াব দিলে তার পাওনা সুধ হবে এটা কি আপনি জানেন এটা আপনি আমি কেউ জানি না কিন্তু রাসূল বলছেন তার সওয়াব শেষ হয়ে যাবে তার সওয়াব শেষ হয়ে যাবে এরপর পাওনাদেরকে পাওনাদারদেরকে আল্লাহ দিতে বলবেন তাদের গুনাহ তুমি নাও এরপরে
যেলোক জান্নাতে যাওয়ার উদ্যত হয়েছিল গুনাগুলো ওর কাঁধে চাপাইয়া দেয় তারপর তাকে জাহান্নামে ফেলা হবে এই লোকটা হচ্ছে মুফলিস এই লোকটা হচ্ছে এজন রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি তার উম্মতকে বলেছেন হে আমার উম্মতেরা তোমাদের কাছে যদি তোমাদের কারো কাছে যদি কোন দায় থেকে যায় কারো যদি পাও না তোমার কাছে কেউ পায় ওইদিন আসার পূর্বেই সেটা তুমি পরিশোধ করে আসো। যেদিন তোমার কাছে দিনার দিরহাম টাকা পয়সা থাকবে না। যদি তোমার কাছে নেকি থাকে সেই নেকি নিয়ে তাকে দিয়ে দেওয়া হবে অথবা তার গুনাহ তোমার ঘাদে নিয়ে তোমাকে জাহান্নামে ফেলা হবে। রাসূ এই সাবধান করেছেন। সম্মানিত ভাইয়েরা আমার এইজন পরকালীন জীবন এটাই স্থায়ী জীবন।
এটাই উত্তম জীবন। এখানের সফলতাই প্রকৃত সফলতা। এইজন্য আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা যখন কেয়ামতের দিনে সমস্ত মানুষদেরকে একত্রিত করবেন। তারা সকলেই বিবস্ত্র হয়ে উঠবে। খালি পায়ে উঠবে। খাতনাবিহীন ভাবে উঠবে। এরপরে একসাথে হওয়ার পরে সূর্য সেদিন কাছে আসবে। মানুষ হারমত্তক্ত হয়ে যাবে। ঘাম ছুটতে থাকবে মানুষের। এরই একটি দৃশ্য। সেদিন কত কঠিন অবস্থা হবে যে আল্লাহর ভাষায় আল্লাহ বলছেন যে সেদিন মানুষের অবস্থাটা এরকম হয়ে যাবে যে একজন স্তণদায়ী মা তার শিশুকে দুধ দিতে ভুলে যাবে। এত বিপদের মধ্যে থাকবে। একজন গর্ভবতী মহিলা তার গর্ভপাতের সময় হওয়ার আগে গর্ভপাত করে ফেলবে। সমস্ত মানুষদেরকে আপনি দেখবেন এরা মাতালের মত মানে অস্থির অবস্থায় একটি সংকটময় অবস্থায় তারা পরস্পর ছুটাছুটি করছে।
অথচ এগুলো কিছুই না। আসলে আল্লাহর আজাব দেখে তাদের মধ্যে এই অবস্থার সৃষ্টি। সেদিন কেউ কারো কাছে ফিরবে না। সন্তান আসবে না। বাপের থেকে মা বাপের থেকে ছেলেরা দূরে চলে যাবে। মা থেকে দূরে চলে যাবে। সন্তানরা দূরে চলে যাবে। স্বামী থেকে স্ত্রী স্ত্রী থেকে স্বামী। কারণ প্রত্যেকেই সেদিন নিজেকে বাঁচানোর জন্য ব্যস্ত থাকবে। সূরা আবাসাতে আল্লাহ সেটাই বলেছেন এইযে সূর্য এত কাছে থেকে আসবে হাদিসে বলা আছে প্রচন্ড তাপ দিতে থাকে জাহান্নামকে আল্লাহ কাছে আনবেন হাশরের মাঠে জাহান্নামকে কাছে আনবেন এত মানুষ কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে সব মিলে একটি অবর্ণনীয় শ্বাসরুদ্ধকার একটি পরিবেশে হাশরের ময়দানে মানুষরা থাকবে। এভাবে ৫ হাজার বছর চলে যাবে।
ওদের মাথার মধ্যে এই কল্পনাও আসবে না। যেটা ৫ হাজার বছর পরে আসবে সেটা হচ্ছে যে আল্লাহ আমাদের হিসাব নিয়ে হিসাব অন্তে জান্নাতের উপযুক্ত হই। জান্নাত দিক অথবা জাহান্নামের উপযুক্ত হই। জাহান্নামে দিক তবু এই কঠিন হাশরের ময়দানের এই কঠিন অবস্থা থেকে আমরা বাঁচতে চাই। এই কথাটা ৫০০ বছর পরে তাদের মনে তখন তারা একজন আরেকজনকে বলতে থাকবে আল্লাহ যদি হিসাব নিতেন তাহলে হিসাব শুরু করবেন আল্লাহ। এই কথাটা আল্লাহর কাছে কে বলবে? আল্লাহর কাছে কে সুপারিশ করবে? তাদের তখন মনে হবে যে আমাদের পিতা আদম আলাইহিস সালাম তার কাছে চাই তার কাছে যাবে অনেক লম্বা হাদিস সবাই বলবে আজকে আমরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত আছি আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর মত কোন মুখ নাই আর কয়যে অমুক পীর সাব তমুক পীর সাব নবীরা বলতেছে যে আল্লাহর সামনে মুখ নাই আমাদের সেটা আর উনারা দাঁড়াবেন জাহাজ নিয়ে যাবেন কেউ কেউ মুখ নিয়ে যাবেন কেউ দুম্বা নিয়ে যাবেন কেউ ইত্যাদি এগুলা সুতরাং আল্লাহ রাসূল সর্বশেষ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি সুপারিশ করবে যে আল্লাহ আপনি বিচার শুরু করুন।
বিচার শুরু হবে। সেই বিচার শুরু হওয়ার আগে যে আনুষ্ঠানিকতা হবে সেটা হচ্ছে ওই যে আমলনামা আমাদের আমলনামা যে আমাদের গলার সাথে আমাদের প্রত্যেক মানুষের সাথে আল্লাহ ব্যবস্থা রেখেছেন সূরা বানি ইসরাইলের ১৩ এবং ১৪ নম্বর আয়াতে সে কথা বলা আছে যে প্রত্যেক মানুষের গলার সাথে আমি অবধারিতভাবে একটি আমলনামা আমি ঝুলিয়ে রেখেছি এটাকে আমি ওই আকারে খোলামেলাভাবে কিয়ামতের দিনে পেশ করব তার যার আমলনামা তার কাছে আর বলব আজকে তুমি নিজেই নিজের বিচারক হিসেবে যথেষ্ট হবে কোনভাবে দেওয়া হবে তাও আল্লাহ কোরআনে বলে দিয়েছে সূরা আল হা সরা বলে দিয়েছে আবার বাম হাতে অথবা বাম হাতটাকে উল্টা দিকে নিয়ে পিছের দিকে নিয়ে সেখান থেকে দেওয়া হবে যাদের ডান হাতে দেওয়া হবে তারা তারা খুশি হয়ে যাবে তারা সফলতা অর্জন করবে এটা সূরা আল হাক আল্লাহ বলছে আবার যাদের বাম হাতে বা উল্টা পিঠে দেওয়া হবে তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে মৃত্যু আর ধ্বংসকে তারা ডাকতে থাকবে কারণ ওই দিনের আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে এটা সে বিশ্বাস ভালো করে করতে চায় মুখে বললে হয়তো হয় কিন্তু আসলে তার বাস্তবভাবে সে আসলে চায় নাই ভয়ও করে নাই এরপরে হিসাব দেওয়া হবে।
আমলনামা যখন দেওয়া হবে যারা পাপী হবে, যারা অপরাধী হবে, ক্রিমিনাল হবে তারা নিজেরা নিজেদের আমলনামা দেখে বলবে, আফসোস করবেই কিতালা ছোট বড় সবকছু কত গোপন এটা করলাম। কত গোপনে কত সতর্কতার সাথে চুরি করলাম এটা করলাম সেটা করলাম সব বলবে সব সেদিন দেখতে পাবে সুতরাং এভাবে আমলনামা যখন পেশ হয়ে যাবে তারপরে আমাদেরকে তারপরে মানুষদেরকে আবার জেরা করা হবে জেরা করা হবে সেখানে কি কি প্রশ্ন করা হবে সেটা আলাদা আলোচনা কি কি প্রশ্ন করা হবে সেটা আলাদা আলোচনা সুতরাং ভাইয়েরা আমার এই পরকালে আমাদের এই আমলনামা যেন শুদ্ধ থাকে সঠিক থাকে আমরা যেন সেটা সতর্ক হই আর নিজেদেরকে ভাইয়েরা আমার বেশি বুদ্ধির নিচে এসে বেশি বুদ্ধি জোর খাটাইয়া আর এভাবে আল্লাহ আল্লাহ রাসূলের বিধানের বাইরে আমরা না যাবার চেষ্টা করি আল্লাহকে ভয় করি পরকালের জীবনে জবাবদিহিতার কথা আমরা আলোচনায় নিয়ে আসি আত্মসমালোচনা করি আল্লাহ আমাদের সকলকে তৌফিক দান করুন আলহামদুলিল্লাহ রাসূলিল্লাহ আহলা আম্মাবাদ হাদিস কিতাবুল্লাহ হাদি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলাইহিস সালাতু সালাম ভাই মসজিদে আগে এসে আগে জায়গা দখল করে থাকে এ ব্যাপারে এক ভাই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এইটা মহিলা বোনেরা যারা কেউ আসেন পরে অথবা আগে থেকে জায়গা দখল করে রাখা এটা কিন্তু এরকম বিষয়টা হ্যাঁ মানে যাদের সাথে খাতিরে আছে হ্যাঁ না আবার যার যার খাতিরে মসজিদে যিনি আগে আসবেন তিনি তার পছন্দ মত আগের কাতারে হোক বা তার পছন্দ মত জায়গাতে আপনি আগে এসে আর দুইজনের জন্য বুকিং দিয়ে রাখবেন এইটা কিন্তু মসজিদের আদবের খেলা মসজিদ আল্লাহর ঘর এইখানেও আমরা এসে নিজেদের মত করে চলার চেষ্টা না করি নাই এটা অন্য মুসল্লিকে কষ্ট দেওয়া হয় যেমন করে আপনি কারো ঘাড়ের উপর দিয়ে সামনে দিকে আসলা আসলে তাদেরকে এজন্য যারা আগে আসবেন আগে পদ করবেন যাতে করে ঘাড়ের উপর দিয়ে আসার প্রয়োজন না পড়ে এরপরে যেখানে সেখানে বসে যাবে সাহাবা কেরাম যারা পরে এসেছেন তারা সেখানে বসে সুতরাং এ বিষয়টা আমরা প্রতিদিনই বলাটা এটা সাধারণ জিনিস সাধারণ বিষয়গুলো আমাদের মাথায় মধ্যে থাকলে ভালো বোনেরাও আপনারা দায় করুন যিনি আগে আসবেন তিনি কেবল তার অন্য মত জায়গায় তিনি বসবেন অন্যের জন্য আপনি আগে থেকে উনি যদি না আসে থাকে আপনার সাথে অন্যের জন্য আপনি জায়গা রেখে আরেকজনকে ওই জায়গায় বসতে দেবেন না।
এই ধরনের এখতিয়ার কিন্তু আমাদের নেই। যিনি আগে আসবেন তিনি পাবে। ঠিক আছে অসুবিধা নেই। সেটা সুতরাং এ বিষয়টা আমরা এটা মনে করেন মসজিদের আদা কাউকে কষ্ট দেওয়া এটা কিন্তু কাজ। এই হক নষ্ট কথা বললাম না এটার মধ্যে আল্লাহ আমাদের সকলকে তৌফিক দান করুন। আলাইহিস আল্লাহ মুহাম্মাদল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনিয়া দের জন্য আমাদের যে খাতগুলো আছে আপনাদেরকে বলেছি বারবার আপনারা ইনশআল্লাহ আপনাদের দাড়ের হাতকে প্রসারিত রাখবেন আল্লাহ যেন আমাদের সকলের দানকে কবুল মঞ্জুর করেন এই সকল দানগুলো যেন আল্লাহ আমাদের ইহকালীন মুসিবত আসমানিবালা জমিনিবালা সর্ব প্রকার বালা থেকে যেন আমাদের হেফাজতের কারণ হয় এবং কাল কিয়ামতের দিন আমাদের সকলের জন্য পিতামাতা সহ আত্মীয়স্বজন যারা আছে প্রত্যেকের জন্য আল্লাহ যেন নাজাতের জরিয়া বানিয়ে দেন