লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: ইসলামে রাজতন্ত্র ও খেলাফত

ইসলামে রাজতন্ত্র ও খেলাফত



আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তাবারকতালার অসংখ্য অগণিত তারিফাত যে আল্লাহ আমাদেরকে সুস্থ রেখে আজকে জুমার খুতবা এবং সালাত আদায় করার জন্যে আদাবরস্ত সহীহ আকিদা মানহাজ চর্চার মসজিদে আসার তৌফিক দান করেছেন আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর প্রতি অসংখ্য অগণিত দরুদ ও সালাম নাযিল হোক। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহ। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহ। অতঃপর সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম আজকে একটা নতুন এবং আনকমন একটা বিষয়ে আলোচনা হবে। যে বিষয়ে আলোচনা সাধারণত আমরা শুনি না বা খুব কম শুনে থাকি। যার জন্য আমাদের মাঝে বিভ্রান্তি এবং ভুল লালন পালন করে যাচ্ছি।

                                                           

বিশেষভাবে এই হাদিসটিরাও হাদিস একটি হাদিস আছে আল্লাহর রাসূল সলাম বলছেন মাল্লা ইশকুরিন্নাস লাশল্লাহ যে মানুষের শুকরিয়া করে না সে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে না এই হাদিসের আমল হইতে পারে কারণ আমাদের বাংলাদেশে দেখা যায় যে সৌদি আরব মক্কা মদিনার দেশ হওয়া সত্ত্বেও সৌদি আরবে দেখা যায় যে বাংলাদেশের মুসলমান সুন্নি মুসলমান শিয়া মুসলমান বাদ দিলাম ওদের তো ফরজ সৌদি আরবের বিরুদ্ধে এমন এমনকি মক্কা ও মদিনার বিরুদ্ধে থাকা তাদের জন্য ফরজ। কিন্তু সুন্নি মুসলমান যারা শিয়া নয়, সুন্নি তাদেরকেও দেখা যায় যে এই দেশটির বিরুদ্ধে মারাত্মকভাবে তারা মানে মনোভাব পোষণ করে। তা আসলে সৌদি আরব তো একসময় কি ছিল? মক্কা মদিনাও তো ছিল।

                                                           

জাহিলিয়াত জাহেলি যুগের সব প্রথা সব আচার আচরণ মক্কাতেও মদিনাতেও ছিল। আবার এই কাবা ঘরও ছিল। কাবা ঘর মসজিদুল হারাম থাকা অবস্থায় জাহিলি যুগে সেখানে শিরক ছিল, কুফরি ছিল। জাহিলিয়াত বলতে যা বোঝা যায় সবকিছু ছিল। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল সলাম আসার পর সেখানে নবী হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পর আসার পর আল্লাহর নির্দেশে আল্লাহর পক্ষ থেকে হিকমত প্রাপ্ত হয়ে তিনি যে রেসালাতের দায়িত্ব পেয়েছেন সেই রেসালাতের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার কারণে সেই মক্কা মদিনা এবং আরব দেশ শিরক, বেদাত এবং জাহেলিয়াত থেকে মুক্ত হয়েছে। তো কিন্তু ইদানিং আমাদের দেশে এই মক্কা মদিনার দেশ হওয়া সত্ত্বেও এই দেশের আমরা বদনাম করতে মজা পাই এবং ঈমানি দায়িত্ব মনে করি।

                                                           

অনেকে আমরা এটাকে ঈমানি দায়িত্ব হিসেবে মনে করি। এবং ওই দেশের শাসকদের ব্যাপারেও আমরা বলে থাকি বিরুদ্ধে বলে থাকি তো এর আমি মোটামুটি তিনটা কারণ আরো অনেক কারণ থাকতে পারে তিনটা কারণে তিনটা কারণে শত্রুতা করে থাকি বদনাম করে থাকি তার এক নম্বর কারণ হলো ওই দেশে ওই দেশ এখন এখন পর্যন্ত শিরক বেদাত মুক্ত। শিরকের বিরুদ্ধে এবং বেদাতের বিরুদ্ধে আপোষহীন। কোন আপোষ করবে না। আর আমাদের ভারতবর্ষ শিরক বেদাতের দেশ। তাহলে কিভাবে? দেখবেন যে মাজারওয়ালা মাজারওয়ালার সাথে খাতির। মাজার বিরোধী আর মাজারওয়ালার সাথে খাতির হবে না। জীবনে হবে না। মুশরেক মুশরেকের সাথে খাতির। কাফের কাফেরের সাথে খাতির। বেদাতি বেদাতির সাথে খাতির।

                                                           

বেদাতি আর সুন্নতির সাথে জীবনেও খাতির হবে না। ওই দেশের একটা বড় বদনামের কারণ হলো এই যে শিরক বেদাতের সাথে আপোষ তো করেই না। দেখা যায় যে কিছু কিছু সাহাবীর কিছু কিছু মাজার তোলা হয়েছিল। মাজার আমাদের দেশে যেয়ে দেখি এইযে হাইকোর্ট মাজার, গোলাপশার মাজার, শাহজালাল শাহপরানের মাজার, এই যে কত মাজার এগুলোকে আমরা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মনে করে থাকি। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ইসলামী প্রতিষ্ঠান, ইসলামী ঐতিহ্যের ঐতিহ্য এগুলোকে আমরা মনে করে থাকি। কিন্তু আসলে এগুলো সব হলো শিরকি প্রতিষ্ঠান, কুফরি প্রতিষ্ঠান, তাওহীদ জবাই করা প্রতিষ্ঠানের এগুলোর সাথে কোন সম্পর্ক থাকার কথা না। তো তুর্কি শাসন আমলে অনেক মাজার তৈরি হয়েছিল। সাহাবীদের কবরের উপরে।

                                                           

জায়েদ ইবনুল খাত্তাব। তারপরে ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহার মাজার করা হয়েছিল যার জন্য তো শিয়ারা খুব ক্ষ্যাপা এগুলো ভেঙ্গে ফেলে দেওয়া হয়েছে এগুলো ভেঙ্গে মাটির বরাবর করে দেওয়া হয়েছে রাসূ সলামের হাদিস অনুযায়ী করা হয়েছে একবারে একটা পেপারে পড়লাম যখন ওই যে বাদশা ফাহাদ মারা গেল বাদশা ফাহাদ মারা গেল তখন একটা পেপারে ইনকিলাব আমাদের দেশের এই পত্রিকাটাকে আমরা মনে করি অনেক ইসলাম বান্ধব পত্রিকা ইসলাম মোনা মনে করি এই পত্রিকাতেই পড়েছিলাম কি যে বাদশা ফাহাদ মারা গেল অথচ ওই দেশের কোন শোখ পালন করল না ওই দেশে কেউ শোখ পালন করল না সম্ভবত বাংলাদেশে করছিল কিন্তু যেই দেশের বাদশা উনি উনার কোন শোখ পালন হইলো না তো ওখানে লিখছেল ওয়াহাবী মতে শোখ পালন নাই ওয়াহাবী মতে নাকি শোখ পালন নাই এজন্য যে শোখ পালনের কোন ছুটিও দেয় নাই বুঝেছেন এরকম একটা আমাদের দেশে ইসলাম বান্ধব পত্রিকায় এসছিল একটা রিপোর্ট মনে পড়ে ওরা ওরা শোক পালন করলা কেন? ওহাবী।

                                                           

এই দেশে এই মাজার, কবর, এই বেরেলী, দেওবন্দী দেওবান্দেরও একই আকিদা। যে ওই দেশে মসজিদুল হারাম, মসজিদে নববীর খতিবদের পিছনে, ইমামদের পিছনে নামাজ পড়া একতেদা করা জায়েজ নাই। এদের সাথে বন্ধুত্ব থাকবে। এই ভারতবর্ষের এই এই জঘন্য মুসলমানের সাথে ওই দেশের মুসলমানদের সম্পর্ক থাকা উচিত যারা মসজিদুল হারাম মসজিদে মসজিদে নববীর ইমামদের পিছনে নামাজ নামাজ জায়েজ নেইতে জায়েজ নাই ফতোয়া দেয় দেওবান থেকে ফতোয়া আছে আমরা তো মনে করি বেরেল সিন্নি জামাতের চাইতে দেওবান্দরা একটু ভালো ওদেরও ফতোয়া আছে মসজিদুল হারাম মসজিদে নবী যেসব ইমামরা সালাত পড়ায় ইমামতি করে খুতবা দেয় তাদের পিছনে সালাত হবে না। এজন্য অনেকেই হজে যায় উমরায় যায় কিন্তু জামাতে সালাত পড়ে না।

                                                           

নরাধম হতভাফাকা। এরা কি করবে? এরা বদনামইতো করবে। এদের বদনাম করা উচিত। এরা তো বদনাম করবে। কারণ যেহেতু এদের শিরক বেদাতের সাথে আপোষ শিরক বেদাতে নিমজ্জিত আর ওরা শিরক বেদাতের সাথে সম্পর্ক ছিহ্ন করেছে শির বেদাত করলেও দেখ কেউ যদি তাদের সামনে করে সেটাও তারা সহ্য করবে না আপনি একটা তাবিজ নিয়ে ঘুরেন ওদের সামনে আমার দেশে তো বড় হুজুর তাবিজ দেয় এই বড় হুজুরের তাবিজ আপনি যদি নিয়ে ঘুরেন একটা পুলিশও একটা হয়তো বিড়ি খাচ্ছে একটা সাধারণ এই দেশের নাগরিক বেড়ি খাচ্ছে তারপর আপনার তাবিজ যদি দেখে ফেলে ওর ঘুম হারাম শিরক বেদাতের সাথে তারা এত সম্পর্ক ছিহ্ন করেছে আলহামদুলিল্লাহ এখন এই কারণে ওদের এখানে শিরক বেদাত নাই আর আমরাতো শিরক বেদাত করে মজা পাই তাদের সম্পর্ক তাদেরকে দেখতে পারবো না এটাই হল স্বাভাবিক কথা নামাজই জায়েজ নাই তাদের পিছনে এইটা হল একটা কারণ আর আরেকটা কারণ হচ্ছে যে ওই দেশে কি আছে রাজতন্ত্র রাজতন্ত্র আছে না এখন আর এখন আর ওই যে কবর পূজারী মাজার পূজারী লাগবে না।

                                                           

হ্যা এই কারণের এই কারণে শত্রুতা করতে হবে। এইটা হয়তোবা বাইতুল মামুর চাঁদ মসজিদও মুসল্লি আছে। এই সূত্র ধরে এই কারণে শত্রুতা করতে হবে। এইটা হতো এই মসজিদেও মুসল্লি আছে। দায়িত্ব তার কর্তব্য। ঈমানি কর্তব্য। কেন? ওখানে রাজতন্ত্র আছে। রাজতন্ত্র আছে। এইজন্য কিন্তু জীবনেও পড়লো না যে রাজতন্ত্র কোরআন এবং হাদিসের দৃষ্টিতে রাজতন্ত্রটা কি জিনিস। রাজতন্ত্র তো এমনি দুই ধরনের। একটা হলো ব্রিটেনের রাজতন্ত্র। আরেকটা হল সৌদি আরবের রাজতন্ত্র। ব্রিটেনের রাজতন্ত্র কি সৌদি আরবে নাকি? সৌদি আরব যেহেতু মক্কা মদিনার দেশ ইসলামী দেশ তাহলে অবশ্যই এই রাজতন্ত্র কোরআনে থাকবে অথবা হাদিসে আছে। খোজার অভাব পড়ি নাই। পড়তে তো হবে। এইটা হল একটা কারণ।

                                                           

এখন দেখা যায় যে ওযে শিরক বেদাতের সাথে ওদের আপোষ নেয় এইজন্য বাংলাদেশের ধরেন যে তিন কোটি মানুষ শত্রুতা করে আর দ্বিতীয় কারণ রাজতন্ত্র কেন আর ১০ কোটি মানুষ এইজন্য শত্রুতা করে ওরা শির বেদাত করে না কিন্তু রাজতন্ত্র কেন এইজন্য শত্রুতা করতে হবে মানে কাফের হয়ে গেছে রাজতন্ত্রের কারণে কাফের হয়ে গেছে ওখানে আর কোন মুসলমান নাই কালকে সুপ্রিম কোর্টের এক এডভোকেটের সাথে বসলো ওখানে তো মুসলমান ইসলামী রাষ্ট্র না ওটা ওটা বাপ ওটা কাফের হয়ে গেছে একমাত্র হল আফগানিস্তান তারপরে সে আফগানিস্তানেরও বদলা শুরু করে দিল তাহলে এইভাবে তাহলে রাজতন্ত্র কেন এই এই কারণেও শত্রুতা পোষণকারী মুসলমানের অভাব নাই।

                                                           

তাহলে আর বন্ধু আর কার থাকবে? কে আর ভালোবাসবে? তাহলে দুইটা কারণ আরেকটা কারণ হল যে ওইটা মেনে নেওয়া গেল। বলছে ওরা হল ইহুদি নাসারাদের বন্ধু। কাফের ইহুদি নাসারাদের সাথে ওদের বন্ধুত্ব এখন এই কারণকে নিয়েও কিছু নাগরিক আর দেখা যায় যে বাংলাদেশে হাজারে ৯৯৯ জনই শত্রু হয়ে গেল অথচ আল্লাহ রাসূ সলামের কথা ছিল যে এই মক্কা মদিনায় কেয়ামতকাল পর্যন্ত সত্যিকার ইসলাম থাকবে ঈমান থাকবে আর আমরা এমন এমন দুই একটা তিনটা কারণ পেশ করে এখন দেখা যায় ওই সবচেয়ে বড় কাফের দেশ সবচেয়ে বড় কাফের দেশ যদি হয়ে থাকে তাহলে হল সৌদি আরব এমনকি মক্কা মদিনার মক্কা মদিনারও এটা কোন তাদের ইসলামী দেশ বা ভালো হওয়ার পরিচয় না আলামত কারণ শিয়া শিয়া শিয়া হুতিরা ওরা তো এগুলো ভেঙ্গে ফেলতে চায় মক্কা মদিনা ভেঙ্গে ফেলবে অতীতেও শিয়ারা মক্কা মদিনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে মক্কা মক্কা ঘরে যুদ্ধ করছে হাজরে আসওয়াদ চুরি করে নিয়ে গেছে ৪ হাজার হাজার হাজার হাজীকে হত্যা করেছে।

                                                           

হাজার হাজার হাজীকে হজরত অবস্থায় হত্যা করেছে। ২০২৩ এও তো হত্যা করল। প্রায় হত্যাকাণড কর। কারণ কি? শিয়াদের দৃষ্টিতে মক্কা মদিনায় মক্কা বিশেষভাবে মক্কায় যদি সুন্নি মুসলমানকে হত্যা করা যায় সওয়াব অনেক বেশি। অনেক সওয়াব। তাহলে ওরা কি আর মক্কা মদিনার হরমত বুঝবে? মক্কা মদিনার এই ইদানিং এই যে দুইজন বাংলাদেশীর শিরচ্ছেদ করা হলো এটাকে কেন্দ্র করে শুরু মক্কা মদিনা কি সে আনুমানিক কথাবার্তা বলতে আছে বলতে আছে। বাঙালি মুখ বন্ধ নাই। বলতে আছে। প্রতিদিন একটা করে ব্যাখ্যা বের করতেছে। হ্যা ওরা ওমরা করতে গেছো। করে স্বামী স্ত্রীর প্রতি খুব সন্তুষ্ট হয়ে একটু চুমু দিছে আর মৃত্যুদন্ড ওদের কার্যকর করে দিল হায় হায় ইন্নালিল্লাহ ওরা হল স্বামী স্ত্রীর মহব্বত বুঝে না কত ধরনের যে বর্ণনা আর মক্কা মদিনা খারাপ দেশ তো ওরা কাফেরদেরকে মাফ করে দিত এরা মুসলমান এরা দুইজন মুসলমান এইজন্য একটু হয়তো কোনরকম সুতা পাইছে বা শিরচ্ছেদ করে দিছে।

                                                           

ওরা যদি আমেরিকার হইতো, ওরা যদি ইহুদি হইতো, ওরা যদি খ্রিস্টান হইতো তাহলে জীবনে ওদেরকে হত্যা করতাম না। প্রবাসী মানে এককটা খালি শ্রোতা পাইলেই হয়। মানে বিরাট এবাদত এ সহি আকিদা। ইন্নালিল্লাহি। তাহলে এইসব কারণে এই তাহলে এই তিনটা কারণে মুসলমান মক্কা মদিনার বিরুদ্ধে বা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আমরা করে থাকি। কাফের মুশরিকদের সাথে বন্ধু কাফের অথচ কোরআনে কাফের মুশরিকের সাথে আমাদের শত্রুতা করতে বলা হয়েছে এই এই আয়াতগুলো বুঝার একটা লোকও নাই অথচ আমাদের বাংলাদেশের মক্তব পড়া মুন্সিও বুঝে বেদাতি মিলাদ পড়াও বুঝে মাজার পূজারীও এই কথাটা বুঝে মাজার পূজা করতেছে কিন্তু এইটা খুব বোঝে আর ওইখানে মসজিদুল হারাম মসজিদে নববীতে এরকম একটা আলেমও নাই একটা এই আয়াতগুলো ওদের সামনেই আসে নাই।

                                                           

কাফের মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব কাফের মুশরিকদের সাথে মিলে মিশে চলা এইটা এটা যে হারাম এটা ওই দেশে বুঝার মত কোন আলেমই নাই। সব আলেম হলো বাংলাদেশ। এই তিনটা কারণ আরো থাকতে পারে। কিন্তু এগুলো হল তিনটা মৌলিক কারণ। এই কারণে শত্রু। এই কারণে শিয়াদের পক্ষ অবলম্বন করে দোয়া করেই যাচ্ছি। কিন্তু এই এই শিয়ারা যে কত নিকৃষ্ট এইটার আর এলেম অর্জন করি না। শিয়া শিয়াদের দৃষ্টিতে একজন তো কাফের বলছে সম তাদের একজন মনীষী যে এরিয়াল শেরন এবং ওযে নেতা নেয়াহু দুইজনেরই যুগ পাইছে সে একটা বক্তব্যের মধ্যে এই যে লোকটা তাদের আলেম তার বক্তব্য কি বলছে বলছে আবু বকরের চেয়ে উত্তম হলো আমেরিকা আবু বকর ওসমান ওমর এদের চেয়ে উত্তম হল ১ হাজার গুণ উত্তম হলো কে আমেরিকা ট্রাম্প নেতানেইয়াহু এরিয়াল শেরন এগুলো নাম ধরে ধরে তুলনা করে বলছি এরা এই লোকগুলো এই এই ইহুদি খ্রিস্টান গুলো কি আবু বকরের চেয়েও ১০০ হাজার গুণ ভালো ১ হাজার গুণ ভালো

                                                           

বুঝেছেন এই হল শিয়া ১০০০ গুণ ভালো এরপরে এইটা সিরিয়াল বলার পর শুধু তাই না নেতানিয়াহু রিয়ালশেরন তারপরে হল আমেরিকার যত কয়েকজন প্রেসিডেন্টের নাম সে উল্লেখ করছে তারপরে কি বলছে এরা আবু বকর আমাদের যুগের সৌদি আলেম মক্কা মদিনার আলেম তো দূরের কথা আবু বকরের চেয়ে ১০০ হাজার গুণ ভালো কেয়া ইসরাইলের যে প্রেসিডেন্ট এই হল ১ হাজার গুণ ভালো আবু বকরের চেয়েও ১০০০ গুণ ভালো ওমরের চেয়েও ১০০০ গুণ ভালো ওসমানের চেয়েও ১০০০ গুণ ভালো এরপরের সিরিয়ালে কি বলছে শুধু তাই না নেতা নিয়া আরিয়াল শেরন এই যে এদের কুত্তাটাও আবু বকরের চাইতে ভালো এই নয়া মুসলমান বাঙালি মুসলমান জঘন্য মুসলমান এগুলো শুনিস এই কথাগুলো এই কথাগুলো যদি আমরা এই কথাগুলো আমাদের অন্তরে আঘাত লাগার কথা না অন্তরে আঘাত লাগার মত কথা না মুসলমানের অন্তরে আঘাত লাগার মত কথা না।

                                                           

যারা এই কথাগুলো বলে তারা কি মুসলমান বলা যাবে? এছাড়া তো আরো কথা আছে। ওদের চেয়ে ১০০০ গুণ ভালো। এরপরে কি বলছে? ওদের যে কুকুর এরা কুকুর পালে না। কুকুরগুলো আবু বকরের চাইতে ভালো। আবু বকর, ওমর, ওসমান। এদের সাহাবায়ে কেরামের চাইতে ভালো। নাউজুবিল্লাহ। এগুলো হলো এই যে সৌদি আরবের বদমা আর এর পাশাপাশি এই শিয়াদের সুনাম এই শিয়াদের সুনাম যেই শিয়াদের এই যে কথাটা তারপরে তো এর চেয়েও ভারী ভারী কথা আছে। কোরআন হল ৯০ পারা। যে কোরআন আছে এই কোরআন সঠিক কোরআন নয়। তারপরে তাদের ইমাম মাহদী আসবে এসে এই সুন্নি মুসলমানদেরকে হত্যা করবে কোন কাফের মুশরিক ইহুদি নাসারা হিন্দু বৌদ্ধ কাউকে হত্যা করবে না কি হত্যা করবে শুধু সুন্নি মুসলমানদের আর এই কাবা কাবা তারা দখল করবে তাদের তাদের টার্গেট হল মক্কা মদিনা দখল এগুলোকে শিয়া রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে।

                                                           

শিয়া রাষ্ট্র করবে। এখানে আযান হবে শিয়াদের মত আযান। সালাত হবে শিয়া সালাত। শিয়া আজান তো জানেন আশা আলিয়ান ওলিউল্লাহ। আশা আলিয়ান অসিউল্লাহ। এগুলো এভাবে আজান দিবে। যাই হোক এগুলো এগুলো তো অনেক মামুলি ব্যাপার। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা জানিয়া ছিল তার বিচার হয় নাই তার বিচার করবে এগুলো হল তাদের আকিদা বিশ্বাস নাউজুবিল্লাহ এই কারণে আমরা অথচ এত জঘন্য জঘন্য আকিদা এবং কথাবার্তা বলেও বাঙালি মুসলমানের বন্ধু হল ওরা এখন যে কত যে দোয়া করতেছে সৌদি আরবে খালি একটা মিসাইল পড়লেই হয় রিয়াদ এয়ারপোর্ট তসনচ হয়ে যায় সব ওমরা যাত্রী ধ্বংস হয়ে যায় মরে শেষ হয়ে যায় তারপরে মিজাইলটা তো ছাড়ছে হুদিরা খুব ভালো খুব ভালো বাঙালি মুসলমান খুব খুব আনন্দে আছে খুব খুশি নাউজুবিল্লাহ তো আসলে এই বিষয়গুলো আমরা একটু কোরআন হাদিস আলোকে যাচাই করতে চায়।

                                                           

এই বাঙালী আর কতদিন এই এই অজ্ঞতা মূর্খতা এবং এই জাহালাতের সাগরের হাবুডুবু খাবে নিমজ্জিত থাকবে কিছু কিছু কোরআন হাদিস শুনে এই আবেগ এই এই শয়তানি শয়তানি চিন্তা শয়তানি আবেগ থেকে কত আর এইসব আমরা করব বলে যাব এবং করে যাব। একটু আমরা কোরআন হাদিসের দলিলগুলো শুনি। তো প্রথমে আমরা আজকে আলোচনা করব যে রাজতন্ত্র একটা পয়েন্ট যেটার কারণে শিরক বেদাত তো আমরা বুঝলাম আমাদের এই মনে হয় না যে আমাদের এই এই মসজিদে কোন এরমন মুসল্লি আছে যে সৌদি আরব শিরক বেদাতের সাথে আপোষ করে না এজন্য শত্রুতা আমাদের তার সাথে শত্রুতার পয়েন্ট হলো কেন এই দেশের রাজতন্ত্র এইটা হল শত্রুতার কারণ।

                                                           

তো এই ব্যাপারে দেখা যায় যে আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ কোরআনে কি আছে আমরা শুনি একটু। রাজতন্ত্র বলতে আমরা কি বুঝি? সহজে রাজার ছেলে রাজা। রাজা রাজা রাজা বানিয়ে যাবে। আর আমাদের দেশে আমরা এ মনে করি এই যে কামড়াকামনি রাজনীতি এই যে বছরকে বছর চলতেছে একটা নির্বাচন করার জন্য কত মানুষ মরতেছে কত টাকা পয়সা ব্যয় হইতেছে কত মানুষ মরতেছে কত টাকা পয়সা ব্যয় হইতেছে আর মানুষ দলে দলে বিভক্ত পালে পালে বিভক্ত এই নির্বাচন করার জন্য তারপরও কি নির্বাচনের নির্বাচন করে যাদেরকে আমরা আনতেছি এবার তাদের তাদের সমস্যা নিয়ে আমরা এখন বাঁচা শুরু কর তাদেরকে নিয়ে সমস্যা এই হল অবস্থা অথচ রাজতন্ত্রের ব্যাপারে আল্লাহ যেটা বলছেন এটা হল নবী রাসূলদের মধ্যে এই রাজতন্ত্রের সিস্টেমটাই আল্লাহ কার্যকর করে রেখেছেন।

                                                           

আমাদের নবীর আগে আদম থেকে শুরু করে আমাদের নবী পর্যন্ত নবুয়ত গুলো আল্লাহ তাবারকতালা যে নবুয়ত দান করেছেন এই সব রাজতান্ত্রিক নিয়মে আল্লাহ কি কাউকে জিজ্ঞেস করছিল একে নবী বানাবো এই তোরা মতামত দে কারো মতামত জিজ্ঞেস করছে আদম থেকে শুরু করে আমাদের নবী সলাম পর্যন্ত কাউকে জিজ্ঞেস করছে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে নবী বানাইছে যাকে ইচ্ছা আহকামুল হাকেমিন আল্লাহ হচ্ছেন রাজাধিরাজ আহকামুল হাকিমী কারো পরামর্শ নাই কোন ফেরেশতার পরামর্শ নাই ডাইরেক্ট নবী বানায় এবং ওই কাফের মুশরিকেরা কিছু আপত্তি তুলছিল যে আল্লাহ কি এই এতিম ছেলেটাকেই পাইল যদি নবী হওয়ার কথাই হয় যদি একজনকে যদি নির্বাচন করতেই হয়। এই এতিমটাকে কিভাবে আল্লাহ নির্বাচন করব? হিংসা হয়েছে কিন্তু যে আল্লাহ কি আর লোক দেখতে পাইল না? আব্দুল মুত্তালেবের মত লোক দেখতে পাইলো না।

                                                           

আমর সাকাফীকে দেখতে পাইলো না। এগুলো হিংসা বিদ্বেষ তারা করেছে। কিন্তু আল্লাহ কি বলছেন? আল্লাহ আল্লাহ রেসালাত দান করেন আল্লাহর রাসূল বানান যাকে তিনি চান যাকে ইচ্ছা তিনি তাকে রেসালাত দিতে চান নবুত আর রেসালাত নবী রাসূল বানানোর ক্ষেত্রে তো আল্লাহ কারো মতামত ওই দেশের কারো পরামর্শ প্রস্তাব কিনিয়েছেন ডাইরেক্ট আল্লাহকতালা নবী রাসূল তৈরি করার ক্ষেত্রে এটা হল আল্লাহ আল্লাহর নিয়ম আল্লাহ কাউকেও কারো প্রস্তাব কারো পরামর্শ কারো সাথে কিছু করে নাই ডাইরেক্ট আল্লাহ তাবারকতালা নবুয়ত দান করেছেন যদিও তারা পছন্দ করে নাই যদিও তারা এরকম মতামত দিতে চাইছে যে আমাদের মত নিয়ে কেন করলো না তাহলে আমরা আব্দুল মুত্তালেবকে বলতাম ও কি বলে তায়েফের অমুক বড় ব্যক্তি কমপক্ষে এই বড় বড় ব্যক্তি ব্যক্তিত্বগুলোকে তো আল্লাহ নির্বাচন করতে পারতো।

                                                           

কিন্তু আল্লাহ কি বলছেন? না এটা হল আল্লাহর নির্বাচন। যাকে তিনি নির্বাচন করবেন সেই হবে। এইটা হল আল্লাহর পক্ষ থেকে নবী রাসূল নির্বাচনের ক্ষেত্রে। এটা একটা রাজতন্ত্র। আল্লাহ রাজা না। আহকামুল হাকিমিন। তো এটা হল এক নম্বর পয়েন্ট। দুই নম্বর হলো নবী রাসূলদের মাঝে নবী রাসূলদের অনেক নবী রাসূল কি রাজা ছিল না। তারাকে তাদেরকে রাজাই বলা হয়েছে। রাজা বলা হয়েছে। যেমন ধরেন এইযে সূরা নামলের ১৬ নম্বর আয়াতে আপনারা পাবেন। ১৬ নম্বর আয়াত কি? সুলাইমান দাউদা সোলাইমান দাউদের ওয়ারিস হয়ে গেলেন। সোলাইমান কি হয়ে গেলেন? দাউদ হল পিতা। সোলাইমান নবী হল পুত্র। কি হয়ে গেল? সোলাইমান আলাইহি সালাতু সালাম তার পিতা দাউদের ওয়ারিস হয়ে গেল।

                                                           

দাউদের কয়জন স্ত্রী ছিল? ১০০ জন মত। ১০০ জনের দাউদ সোলাইমান তো একজনের যেকোন একজন স্ত্রীর তো সন্তান তাই না তাহলে ১০০ ১০০ স্ত্রীর কতজন সন্তান থাকতে পারে ওদের নাম জানি আমরা সংখ্যা জানি একটাই দাউদ আলাই সালাতু সালামের এক ছেলেরই নাম জানি তার নাম কি সুলাইমান সুলাইমান কি হল সুলাইমানকে ওয়ারিস সূত্রে দাউদ আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম নবী বানিয়ে দিলেন। কি রাজত্ব দিলেন। নবুয়ত তো আল্লাহ দিয়েছেন। কিন্তু রাজত্বের মালিক বানিয়ে দিলেন কাকে? সোলাইমানকে। এটা কি? এই বাঙালি। মূর্খ বাঙালি।

                                                           

এটা কিরে মূর্খ বাঙালি? আল্লাহ নিজেই বলছেন যে সুলাইমান আলাইহিস সালাতু সালাম দাউদ আলাইহি সালাতু সালামের ওয়ারিস হয়ে গেলেন মৃত্যুর পর বা মৃত্যুর আগে ঘোষণা করে গেছেন তুমি আমার পরে তাফসীর ইবন কাসীরের মধ্যে লিখছে এবং সমস্ত তাফসীরে এটাই লিখছে সুলাইমান সম্পদের মিরাজ বানিয়ে যাননি দাউদ সলাম তার একটাই সন্তান সুলাইমানকে সবগুলোকে নবী বানায় সবগুলোকে উনি কি বাদশা বানিয়ে যান উনি নিজে বাদশা ছিলেন বাদশা বানাইলেন কাকে সোলাইমান নবীকে বাদশা বানালেন কি করবেন এই কোরআনের আয়াতটা আজকে সবাই মিলে বসি বসে এটাকে কেটে একেবারে বের করে ফেলব সূরা কোরআন থেকে কমপক্ষে একটা মসজিদ থেকে শুরু হোক আন্দোলনটা যখন আমরা এটাকেই শুরু করেছি রাজতন্ত্র রাখাই যাবে না তাহলে কোরআনের এই আয়াতটাকে আজকে নামাজের পরে বসে আমরা কি করব ছিড়ে ফেলব ঠিক আছে আমাদের সাথে আরো ৯৯% বাঙালি পাওয়া যাবে এখানে ইবনে কাসির রহমতুল্লাহ এবং সমস্ত মুফাসসিরীনে কেরাম বলছেন এখানে মিরাজ ছিল কিসের হুকমা হুকুম শাসন শাসন ক্ষমতার মিরাজ বানিয়ে দিলেন আর আল্লাহর পক্ষ থেকে দাউদ আলা সুলাইমানকে আল্লাহ নবুত দিয়ে দিলেন সুলাইমান শাসন ক্ষমতা এবং নবুত নবুয়ত পাইলেন নবুয়ত আল্লাহ এখতিয়ার করলেন আর শাসক হিসেবে পরবর্তী বাদশা হিসেবে ঘোষণা করলেন কে দাউদ আলাইহিস সালাতু সালাম।

                                                           

এটার নাম কি? এটার নাম কি? নবী নবীকে শাসনে কি বাদশা বানিয়ে গেল। এটার নাম কি? গণতন্ত্র। এটার নাম গণতন্ত্র। এই যে আপনি রাজতন্ত্রের চাইতে গণতন্ত্র। যেটা হল গন্ডগোলতন্ত্র। গন্ডগোলতন্ত্রকে আপনি প্রাধান্য দেন। এটাই ভালো। এটাও ভালো। আছে। রাজতন্ত্রের চাইতে গণতন্ত্রই ভালো। গণতন্ত্র আপনি কি পান? শুধু কি এখানে অন্যায় অনাচার তারপরে জুলুম নির্যাতন অশ্লীলতা বেহায়াপনা দ্বন্দ কলহ মারামারি লাশ লাশ পঙ্গুত্ব এগুলোই তো পাওয়া যায় মারামারি হানাহানি এছাড়া কি আছে রজতন্ত্রের মধ্যে শৃঙ্খলা দেখছেন শৃঙ্খলা কোন ঝামেলা আর নেতৃত্ব শূন্য হওয়ার কোন সুযোগ নাই। অথচ এক হাদিসে আছে কোন মুসলমান যেন একটা মিনিট একটা সেকেন্ড কিছুক্ষণ যেন নেতৃত্ব শূন্য না হয়।

                                                           

সবসময় একটা নেতৃত্বের মধ্যে থাকবে। তো যদি বেঁচে থাকতেই যদি এক বাদশা আরেক বাদশাকে বানিয়ে যায় ছেলেকে বানিয়ে গেল ভাইকে বানিয়ে গেল তাহলে এটার নাম কি? রাজতন্ত্র। তাহলে কি জনগণ এক সেকেন্ডের জন্য নেতৃত্ব শূন্য হইল আমরা কি করি দুই বছরের জন্য সময় নিই নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য দুই বছর ডক্টর ইউনুস কয় বছরের নেতৃত্ব নির্বাচন করল্যা আর এই নেতৃত্বের মাধ্যমে এই নির্বাচনের মাধ্যমে যে শাসক আছে সবার ঘৃণা ছিল সবারই আপত্তি ছিল কারণ নির্বাচনের মাধ্যমে যেসব শাসক আছে শাসকগোষ্ঠী আসে তাদের কাছ থেকে জুলুম নির্যাতন অন্যায় অশ্লীলতা বেহায়াপনার খুন খারাবি আত্মসাৎ দুর্নীতি ছাড়া কিছুই দেখে নাই এই পর্যন্ত কিছু দেখে নাই বরং ডক্টর ইউনিসের যুগে দুই বছরে অনেকটা তুলনামূলক ভালো পাইছে আর নির্বাচিত যত সরকার ভালো হয়নি হবে না আশা করা যায় না এটা হল চুরি ডাকাতির মত অবস্থা আত্মসাৎ পুরা দেশকে ছিনিয়ে নেওয়া পুরা দেশ ছিন্তাই করার মত অবস্থা গণতন্ত্রের মাধ্যমে পুরা দেশ ছিন্তায় হয়ে যায় তারপরও আমরা মনে

                                                           

করি কি গণতন্ত্র রাজতন্ত্রের চাইতে ভালো তারপরে আসেন সূরা বাকারার তাহলে এখানে তাফসীরের মধ্যে কি লিখছে সবাই বলছে নবুয়ত এবং শাসক শাসক দুইটারই ওয়ারিস হয়ে গেলেন কে সুলাইমান আর সুলাইমান আলাইহি সালাতু সালাম দোয়াও করেছিলেন যে আল্লাহ তুমি আমাকে রব্বি হাব মক হে আল্লাহ তুমি আমাকে এমন এমন রাজত্ব দান করো যেটা আমার পরে কেউ কেউ যেন না পায় রাজত্ব আল্লাহর কাছে চেয়ে নিছে আল্লাহ রাজত্ব দান করবে আল্লাহ যখন বল তুমি একটা নির্বাচন দাও এটা হল সঠিক নিয়ম যে তুমি নির্বাচন দাও পন্ডিত আছে তোমার এলাকায় নির্বাচন দিয়ে তুমি আমার কাছে চাও কেন আল্লাহর কাছে চাইছে আল্লাহ তুমি আমাকে এমন রাজত্ব দাও যে রাজত্ব পরবর্তীতে আর কেউ পাবে না এইভাবে তারপরে আরো সূরা সূরা বাকারার যে ২৪৬ ৪৭ নম্বর আয়াতের মধ্যে তাও আছে বনু ইসরাইলরা বানু ইসরাইলরা মুসা মুসা আলাইহিস সালাতু সালামের মৃত্যুর পর তারা তাদের নবীর কাছে আবেদন করেছিল।

                                                           

পরবর্তী মূসা আলাইহিস সালাতু সালামের পরবর্তী যে নবী ছিল তার কাছে আবেদন করেছিল কি? ইসল তাদের নবীদের নবীর কাছে দোয়া কর আবেদন করেছিল মালিকান হে নবী আপনি আমাদের জন্য দোয়া করেন আল্লাহ যেন একজন বাদশা আমাদেরকে দেয় একজন রাজা বা বাদশা দেয় মালিক মালিক মানে বাদশা তারপরে কি উনি দোয়া করলেন। দোয়া করার পর একজন বাদশা আল্লাহ তাদেরকে দান করলেন। দেখছেন এটা যদি রাজতন্ত্র যদি বা রাজা বাদশা যদি অপছন্দনীয় জিনিস হলো ইসলাম গর্হিত ইসলাম বিরোধী কিছু হইলো তাহলে বানু ইসরাইল নবীর যারা অনুসারী মুসা আলাইহি সালাতু সালামের অনুসারী বানু ইসরাইলরা তাদের তাদের কাছে যে নবী ছিল তার কাছে কি বলল যে আপনি আমাদের জন্য দোয়া করেন আল্লাহ যেন আমাদেরকে একজন রাজা দান করেন একজন বাদশা দান করেন কেন নির্বা তোমরা নির্বাচন করে একজন বাদশা বানায় নিতে পারো না আল্লাহর কাছে চাইছে পরে নবী দোয়া করছে নবী দোয়া করার পরে একজন বাদশা আল্লাহ তাদেরকে দান করছেন তারপরে তাদের আপত্তি ইসরাইল

                                                           

এরকমই খারাপ ছিল একটা জিনিস চাইছে দেওয়ার দিছে আল্লাহ তারপরে ওখানে তাদের আপত্তি থাকতো এটাই তো খারাপ জাত তো তাদেরকে যখন বলা হলো যে তোমাদেরকে আল্লাহ একজন বাদশা দিলা মালিকা আল্লাহ নবী তখন বললেন যে আমি তোমাদের জন্য দোয়া করেছি আল্লাহ তোমাদের জন্য তলুত নামক এই ব্যক্তিকে বাদশা বানায় দিছে তোমরা তাকে রাজা বাদশা মানো রাজা বাদশা হিসেবে মানোতা আমাদের তো তাহলে এখানে কি এমনকি কোন সূরাও নাই সূরা আছে এই যে উপদেষ্টা পরিষদ বা সূরা সূরা সূরা কমিটিও এখানে রাখা হলো না ডাইরেক্ট নবী দোয়া করলেন আর আল্লাহ একজনকে বাদশা নিযুক্ত করে দিলেন তারপরে কি বলেন আল্লাহ তোমাদেরকে নামক এই ব্যক্তিকে বাদশা বানা দিছে তোমরা তাকে বাদশা হিসেবে রাজা বাদশা হিসেবে আমাদের দেখাশোনাল চিনি আমরা চিনি রাসের ব্যাপারেথালো সবাই আমরা তাকে দয়ামায়া করতাম আদর্শ করতাম এতিম মানুষ বলে ওরা কি নবী হয়ে গেছে নবী কে বানায় রাসূ কে বানায় কয়েকজন নির্বাচিত করে বানায় আমাদের নির্বাচনে যারা হচ্ছে তারা সব

                                                           

অন্যায় অন্যায়কারী তারা সবাই হল স্বেচ্ছাচারী সবাই হল স্বৈরাচারী ভালো একটা বানাইতে পারছেন এ পর্যন্ত নির্বাচন করে ভোট দিয়ে কোনটাকে আপনি ভালো জিনিস ভালো মানুষ নিয়ে আসতে পারছেন এন্স আল্লাহর নির্বাচন রাজা বাদশা হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্বাচিত তখন তারা কি বলল? কিভাবে তাকে আল্লাহ বাদশা বানায় দিল? বাদশা কি আসমান থেকে নাযিল করবে নাকি? না ভিতর থেকে সমাজের ভিতর থেকে এই অঞ্চলের ভিতর থেকে একজনকে নির্বাচন করবে আল্লাহ। আল্লাহ তো নাজিল করবে না। ফেরেশতা দিবেন না। তো তারা এখানে আপত্তি উঠাইলো। কি বলল? যে কিভাবে? এতো ফকির মানুষ। এতো সহায় সম্পদ বলে কিছু নাই।

                                                           

এ কিভাবে বাদশা হলো? তো নবী বললেন যে তাকে আল্লাহ তাবারকতালা স্বাস্থ্যের দিক থেকে এলমের দিক থেকে তোমাদের চাইতে বেশি যোগ্যতা সম্পন্ন পেয়েছে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী সুস্বাস্থ্যের অধিকারী আর গভীর এলমের অধিকারী যে এলমের মাধ্যমে তোমাদেরকে শাসন করবে তোমাদেরকে পরিচালনা করবে সে এলেম তার আছে এইভাবে দেখা যায় কোরআনের দৃষ্টিতে এইভাবে রাজা বাদশার ব্যাপারে আমরা জানতে পারলাম কোরআনে তারপরে রাসূুল্লাহ কি বলছেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বলছেন আল খিলাফাতু মিমবা সানা আমার পরে খেলাফতকাল থাকবে কত ৩০ বছর ৩০ বছর খেলাফতকাল থাকবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলছেন, ৩০ বছর হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নিয়ে ৩০ বছর। ৩০ বছর কি কিভাবে গেছে? হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নিয়ে।

                                                           

মোটামুটি সাড়ে ২৯ বছর এই চারজন খলিফা পরিচালনা করছেন। আবু বকর, ওমর, ওসমান, আলী ছয় মাস বাকি থাকতে মারা গেছিলেন। তারপরে হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু বাকি ছয় মাস খেলাফত চালিয়েছিলেন। খলিফা হয়েছিলেন হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু। তো এটা হল খেলাফাত। আলী রাদিয়াল্লাহ মৃত্যুর পর হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু খলিফা হয়েছিলেন। সেখানে আল্লাহ রাসূল সলাম বলছেন ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন যে আমার এই ছেলেটা আল্লাহ রাসূ বলেছিলেন যে আমার এই ছেলেটা আমার এই নাতনীটা বলে নাই। ডাইরেক্ট ছেলেটা বলছিলেন মুসলিমিন নিশ্চয় আমার এই ছেলেটার মাধ্যমে আল্লাহ তাবারকতালা মুসলমানদের বৃহৎ দুইটা দলের মধ্যে মীমাংসা করে দিলেন ওসমান রাদিয়াল্লাহ শাহাদাতের পর আলী রাদিয়াল্লাহু খলিফা হলেন খলিফা হওয়ার পর থেকে তো দ্বন্দ্ব শুরু হয়ে গেল এই দ্বন্দ্ব চলতেই থাকলো তারপরে আলী রাদিয়াল্লাহুকে এই দ্বন্দের জের ধরেই কিন্তু হত্যা করা হলো।

                                                           

শহীদ হয়ে গেলেন। তিনিও শহীদ হলেন। তারপরে খেলাফতের দায়িত্ব পেলেন হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু। সেটাও আর কি সূত্রে পেলেন? আলী রাদিয়াল্লাহুর পুত্র হিসেবে হাসান খেলাফতের দায়িত্ব পাইলেন। ঠিক আছে? আপনার রাজার ছেলে রাজা খলিফার ছেলে খলিফা এতো সহ্য হয় না। এতো রাজতন্ত্র। এ হল রাজতন্ত্র। তো এভাবে হাসান রাদিয়াল্লাহু খলিফা হলেন। এরপরে আল্লাহ রাসূ কি বলছেন? খেলাফতের ৩০ বছর চলে যাওয়ার পর কি আসবে? রাজ রাজা বাদশার নিয়ম আসবে। রাজা বাদশার নিয়ম।

                                                           

তো আল্লাহর রাসূল সাল্লাম ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন যে হাসানের মাধ্যমে দুইটা বিরোধপূর্ণ দুইটা বড় বড় দল পরস্পর সংঘর্ষকারী দুইটা বড় বড় দলের মধ্যে এসলাহ করে দিবেন আমার এই ছেলেটা কিভাবে এসলা করলেন মবিয়া রাদিয়াল্লাহুকে ডেকে উনি বললেন আপনি খলিফা আজকে থেকে হাসান কি করলেন রাজার ছেলে রাজা হলো না কে হল ছেলে না তার একটা আত্মীয় সম্পর্ক ছিল সেটা হল মবিয়া রাদিয়াল্লাহুকে উনি খালিফা ঘোষণা করে দিলেন যে না আমি পদত্যাগ করলাম আমার পরিবর্তে উনি সবাই মেনে নিল কি এটা কি এটাও তো হাসান রাদিয়াল্লাহ আল্লাহ রাসূ বলছিলেন ভবিষ্যৎবাণী আমার এই ছেলে এই কাজটা করবে ১০জন মিলে করবে এটা বলছিল সূরা সদস্য মিলে করবে এটা বলছিল কেউ চিন্তাই করতে পারেনি হাসান রাদিয়াল্লাহ এভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন দিয়ে এসলা হয়ে গেল সেদিন থেকে মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহ কি হয়ে গেলেন আমিরুল মুমিনিন আমিরে মুয়াবিয়া বলি না আমরা আমিরে মবিয়া সেই আমিরে মবিয়াকেও ঘৃণ করার মত মুসলমান আমাদের মসজিদে আছে হয়তোবা ইন্নালিল্লাহি অথচ উনি সমস্ত মুসল মুসলমানদের দৃষ্টিতে আমিরুল মুমিন নামটাই পড়ে গেছে আমিরে মুয়াবিয়া সেদিন থেকে ঐক্যবদ্ধ মুসলিম জামাতের আমির হয়ে গেলেন মবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু মবিয়া যে দ্বন্দটা হচ্ছিল এতদিন যাবত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর দলের সাথে সেটা ছিল ইজতেহাদ কারণ সেটা হল ইজতেহাদি কারণে এজন্য কাফের হয় নাই।

                                                           

হাজার হাজার সাহাবী কেউ তাকে কাফের বলে নাই। আর আমাদের যুগের কিছু পন্ডিত কাফের হয়ে গেছে। কাফের হয়ে গেছে। কাফের যে মবিয়া কাফের বলবে যে বলবে যে রাদিয়াল্লাহ বদনাম করবে। এই হল দুরাচার এই হল জঘন্য মুসলমান। এই মুসলমানের শাস্তি হওয়া উচিত। ইসলামী রাষ্ট্রে হলে এদের শাস্তি হওয়া উচিত ছিল। মবিয়া রাদি যে ঘৃণা করে মবিয়া রাদি যে অপছন্দ করে মবিয়া রাদিয়াল্লাহ যারা ভুল ত্রুটি ধরে সবচেয়ে বড় ভুল ত্রুটি এ হইতে পারে সেটা কি যে তাদের মাঝে যে যুদ্ধ হয়েছিল জঙ্গে সিফিনের যুদ্ধ বা দ্বন্দের সময় সবগুলো ইজতেহা ইজতেহাদ কারণ আহলে সুন্না জামাত এ ফয়সালা এটাই দিয়েছেন যে তাদের মধ্যে যে দ্বন্দ হয়েছে তাদের মধ্যে যে যে যুদ্ধ বিগ্রহ হয়েছে এগুলো নিয়ে আমরা যেন কেউ পন্ডিতি না করি।

                                                           

এত পন্ডিত হয়ে গেছি সেই যুগে কি কেউ কাফের বলছিলেন নাকি? আলী রাদিয়াল্লাহু মুয়াবিয়াকে কাফের বলছিল। যুদ্ধ হয়েছে ঠিকই। কিন্তু আলী রাদিয়াকে কাফের বলছিল। হাসান কি কাফের বলছিল? কাফেরের হাতে ক্ষমতা বুঝিয়ে দিলেন ফালতু মুসলমান। এসব মুসলমান। আল্লাহ এদেরকে দুনিয়াতে উচিত শিক্ষা দান করুক। এই দোয়া আমরা করি। হাসান রাদিয়াল্লাহু কি হল? এইযে হাসান ক্ষমতা বুঝিয়ে দিলেন। তিনি কি ছিলেন? তিনি বোকা ছিলেন। তিনি ফাসেক লোক ছিলেন তিনি খারাপ মানুষ ছিলেন যে মবিয়া রাদিয়াল্লাহুকে ক্ষমতা হস্তান্তর করে দিলেন সমস্ত মুসলিমদের ক্ষমতা আমির হয়ে গেলেন মবি। কত সাহাবী তখনও বেঁচে আছে। হাজার হাজার সাহাবী বেঁচে আছে। সেই সাহাবীরা সবাই সন্তুষ্ট চিত্তে মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুকে আমির মেনে নিলেন।

                                                           

আর তুমি বদমাইশ। তোমার কি যোগ্যতা আছে? তুমি কি বুঝো ইসলামের? তুমি যা ইসলাম সম্পর্কে বুঝো সবই তো ভুল। তোমার ইসলাম সম্পর্কে যা বুঝ এটা তো একটাও গ্রহণ করার মতো না। ফাসেক ফাজিল কোথাকার? শিয়া প্রেমী দাজ্জাল মবিয়া রাদিয়াল্লাহু কিভাবে বদনাম করতে পারে কত তুমি পন্ডিত হয়ে গেছে হাসান রাদিয়াল্লাহ তাকে ক্ষমতা বুঝিয়ে দিলেন কি হয়ে গেল সেদিন যে গোটা মুসলিম সমাজ দ্বন্দ ভুলে পরস্পর যে বিচ্ছিন্ন ছিল পরস্পর যে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল সব তারা পরস্পরে মিলে মহব্বত মিল মহব্বতের সাথে বসবাস করল। এরপরে রসূুল্লাহ তাহলে হাসান থেকে শুরু হয়ে গেল মালিক। এইজন্য বলা হয় আউলিন ইসলাম।

                                                           

রাদিয়াল্লাহু প্রথম বাদশা কেমনে বাদশা হলো হাসান রাদিয়াল্লাহু একাই তাকে নির্বাচন করবেন আলীর যুগেও এত মানুষ ছিল না যত মানুষ মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুকে মেনে নিয়েছিল আলী রাদিয়াল্লাহ যুগে এত মানুষ ছিল না মেনে নেওয়ার মত আর তুমি মানতে পারো না তুমি কি বোঝ ইসলাম তুমি তো ইসলামের জন্য বোঝা ইসলামের ইসলামের বিকৃতকারী বইও লিখে ফেলে মবি রাদি বিরুদ্ধে এদেশের বেদাতি আছে সুন্নি জামাত আছে এরা মবিকে পছন্দ করে না তারপরে কি হল আলী রাদিয়াল্লাহু হাসান রাদিয়াল্লাহ রাদিয়াল্লাহ বানিয়ে দিলেন কি কোন সূত্রে ছিল এটা তো সূরাও না আল্লাহ রাসূের সেই ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী যে আমার এই বাচ্চা ছেলেটা এই ছেলেটা দুইটা বৃহৎ দল মুসলিম দন্দকারী দুইটা বৃহৎ মুসলিম দলের মধ্যে সমযতা করে দিবেসলা করে দিবে আল্লাহ রাসূ সময় বলছি এটাও বলেননি যে এর সাথে মুখ থাকে তমুখ থাকবে ওরা ওরা সবাই পরামর্শ দিবে দিয়ে এটা রাসূ সাল্লাল্লাহু আ সাললাম তার ভিতরে যোগ্যতাটা শিশু অবস্থায় দেখেছিলেন তার মধ্যে এই বিচক্ষণতাটা আল্লাহ রাসূ দেখতে পেয়েছিলেন দুইটা ফিনকার মধ্যে দুইটা মুসলমানদের দলের মধ্যে সমযোতা করে দিলেন পদত্যাগের মাধ্যমে।

                                                           

মহাবী যদি এত দোষী হইতো, এত খারাপ মানুষ হইতো। তাহলে হাসান রাদিয়াল্লাহু কিভাবে তাকে ছেড়ে নেন। আর কিভাবে হাজার হাজার সাহাবীরা মেনে নিল। তুমি তুমি ফাসেক ফাজের মানতে পারো না। এভাবে দেখা যায় যে সিলসিলা গুলো। তারপরে প্রথম বাদশা কে? মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহুকে প্রথম বাদশা ধরা হয়। এরপরে মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুর পরে মবিয়া রাদিয়াল্লাহ যখন মারা যান মারা যাওয়ার আগে কাকে? এজিদকে খেলাফত দিয়ে গেছিলেন। তখনও কিন্তু হাজার হাজার সাহাবী বেঁচে ছিলেন তারাও মেনে নিয়েছিলেন। এজিদের ভুল ভ্রান্তি ছিল। পরবর্তীতে সে ফাসেক ফাজির হিসেবে অনেকেই অন্যায়কারী হিসেবে তাকে বা তার নির্বাচনটা অনুত্তম ছিল। উত্তম হল হোসাইন বা অন্য কোন সিনিয়র সাহাবীকে ক্ষমতা দিয়ে যাওয়া।

                                                           

কিন্তু মবি রাদিয়াল্লাহ সেটাও তার ইশতেহাদ ছিল। যেকে আমি ওভাবে গড়ে তুলেছি। একজন বাদশা তার ছেলেকে যদি ওভাবে গড়ে তুলেন তার যদি আস্থা থাকে তাহলে উনি দিতেই পারে উনি তো আর কাফের মুশরিক না উনি তো আর মুসলমানদের অকল্যাণ চাই নাই মুসলমানদের অকল্যাণ হবে মুসলমানরা বিপদে পড়বে ওকে নিয়ে মুসলমানদেরকে বিপদে ফেলবে মুসলমানদের ক্ষতি হবে এইজন্য তো দেয় নাই উনি দেখছে যে আমার শাসন আমলে আমার এই ছেলেটার আর ছেলেটাকে যে হাতে কলমে শিখাইছি আমার সাথে থেকে যে শাসন করা শিখেছে শাসন কার্যক্রম কিভাবে পরিচালনা করে এটা বাড়িতে থেকে শিখেছে তার উপরে আস্থা রেখে এবং শুধুতো তিনি নির্বাচন করেছে তাকে ছেলেকে নির্বাচন করেছেন পরবর্তী এটাকে বলা হয় ওলিউ আহাদ ওল আহদ মানে পরবর্তী কে খলিফা হবে কে কে বাদশা হবে এটা জীবিত বাদশা নির্বাচন দে যাতে করে মুসলমান সমাজ এক সেকেন্ডও নেতৃত্বশূন্য না থাকে মারা যাওয়ার পরে পরে সাথে সাথে যেন দাঁড়িয়ে যায় দায়িত্বশীল নেতাবা রাজা বাদশা আল্লাহ রাস বলছিলেন

                                                           

যে ৩০ বছর পরে কি হবে রাজা বাদশার সিস্টেম আসবে রাজা বাদশা দুই ধরনের আল্লাহ রাসূ বলছেন একটা হল মালিক মালিক রহমা একটা হল দয়া এবং মায়াকারী জনগণের উপরে দেশের উপরে সমাজের উপরে মায়া মমতা মমতা পরায়ণ হবে আরেক বাদশা আরেক ধরনের বাদশা হবে যারা যারা কি হবে স্বেচ্ছাচারী হবে জালেম হবে দুই ধরনের তো মবিয়া রাদিয়াল্লাহুকে তখনকার যুগে কেউ জালেম বলে নাইতো আলহামদুলিল্লাহ এইভাবে এই কারণ এই হাদিসের আলোকে যেহেতু আল্লাহর রাসূল সাল্লাম বলছেন মুয়াবি রাদিয়াল্লাহ এই হাদিসের আলোকে খেলাফতকাল তো হাসানের মাধ্যমে ৩০ বছর পূর্ণ হয়ে গেল তারপর আল্লাহ রাসূ বলছেন তারপর আজ আসবে রাজা বাদশার যুগ রাজা বাদশার যুগের মধ্যে প্রথম তাহলে পড়ে গেলেন কে মবিয়া রাদিয়াল্লাহ এই নিয়মে এই হাদিস অনুযায়ী মবিয়া রাদি পড়ে গেলেন তারপরে মবিয়া রাদি চিন্তা করলেন যে এভাবে কি তার ছেলেকেও ইয়াজিদবিন মুয়াবিয়াকে তিনি নির্বাচন করলেন।

                                                           

তারপরও ইয়াজিদকে নিয়ে আমাদের যুগে যে দ্বন্দ কলহ যে যে যত খারাপ হয়েছে আমাদের যুগে ওই যুগে এত খারাপ ছিল না। ওই যুগে এত খারাপ ছিল না। আমাদের যুগে মবিয়াকে কেমন খারাপ বানাইছি না? তো এজিদকে কি আমরা ভালো বলতে পারব? আমাদের যোগ্যতার অভাব আমাদের জ্ঞানের অভাব আমাদের পাপের কারণে তারা খারাপ হয়ে গেছে আমরা কত কত পরহেজগার কত দ্বীনদার আমরা কত ইসলামপন্থী আমরা কত ইসলাম মানি আমি তো পাপ সাগরে ডুবে হাবুডুবু খাচ্ছি পাপ পাপপঙ্কিলতার মধ্যে পড়ে আছি আমার আমার মতামতের কি দাম আছে আমার মতামতটাও পাপপূর্ণ একটা মতামত হইতে পারে অপরাধপূর্ণ মতামত হইতে এইভাবে দেখা যায় যে একটার পর একটা সিলসিলা শুরু হয়ে গেছে।

                                                           

তারপরেও আমরা যদি আরেকটু সামনের দিকে যাই যে এগুলোর সমর্থন এই যে মবি এই কামটা যে করলেন তাহলে কি মদিকে রাজা বাদশা বানায় দিল। এটা তো নবীদের সিলসিলা। আমরা কোরআন থেকে যেটা জানলাম তারপরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলছেন এরপর আল্লাহ রাসূল সাল্লাম থেকে কিছু ইশারা ইঙ্গিত আছে। এই যে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু ওমরকে খলিফা বানিয়ে গেছিলেন না। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু ওমরকে খলিফা বানিয়ে গেলেন। এটা কি? সূরা ছিল সূরা সূরাদের বৈঠকে এটা হয়েছিল আবু বকর কাকে কাকে সূরা মানছিলেন বিচ্ছিন্নভাবে কাউকে জিজ্ঞেস করেছিলেন কিন্তু অনেককে জিজ্ঞেস করেছেন না ওমরকে আমি আমার পরবর্তী খালিফা বানাইতে চাই এরকম বিভিন্নভাবে বলছেন কেউ পক্ষে বলে কেউ বিপক্ষে বলেছে না ওমরকে বানায়েন না যারা ওমর বিরোধী ছিল তারা বলছে ওমর যে রাগী সবকে পিটে পিটে শেষ করবে।

                                                           

এরকমও কথা বলছিল। যাই হোক বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া ছিল। কিন্তু সবকছু বাদ দিয়ে উনি একাই ঘোষণা দিলেন আমার পরবর্তীতে ওমর খলিফা হবে। সবাই মেনে নিল। এটা কি নিয়ম? এ গণতান্ত্রিক নিয়ম। এটা কি নিয়ম? এতো রাজতন্ত্রের নিয়ম। সেই নবী রাসূল আল্লাহ থেকে শুরু করে নবী রাসূল থেকে শুরু করে এইতো চলে আসতেছে আবু বকর তাকে একাই ঘোষণা দিয়ে দিলেন এমনক ইবনে কাসীরের মধ্যে আছে যে আল্লাহ আবু বকর রাদিয়াল্লাহ লিখাচ্ছিলেন একজনকে যে তুমি লেখ আমার পরে কে খফা হবে তুমি লেখ লেখা পড়শ এটা বলে আবু বকর অচেতন হয়ে গেলেন বেহুশ হয়ে গেলেন। আমার পরে আমি খালিফা হিসেবে নাম ঘোষণা করলাম।

                                                           

এটা বলেই বেহুশ। হায় হায় হায়। কার নাম যে বলতো কাকে যে খেলাফত দিয়ে যাইতেন। এরপরে যখন হুশ ফিরে আসব লিখতেছে। হুশ ফিরে আসার পর জিজ্ঞেস কর কি লিখছো? আবার বলতো কি লেখাইছি তোমাকে? নামটা বাকি ছিল। লিখে দাও। খাত্তাব ফয়সালা হয়ে গেল এটা কি এটা কি গণতন্ত্র না এটার নাম রাজতন্ত্র ইসলামী রাজতন্ত্র এটা বলতে পারেন আর ব্রিটেনে যেটা চালু আছে এটা হল কুফরি রাজতন্ত্র এটার কোরআন থেকে দলিল নাই আর ইসলামী রাজতন্ত্রের কোরআন থেকে দলিল আল্লাহর কাছে আল্লাহর আল্লাহ তাবারকতালার থেকে দলিল পাওয়া নবী রাসূলদের থেকে দলিল পাওয়া যাবে তারপরে ওমর খাত্তাব খেলাফত খলিফা বানানো হল ওমর খাত্তাব খাত্তাবের পরে যে খলিফা হল কে ওসমান উনি কি বলেছিলেন ছয়জন প্রথমে বলছিল যে আপনি খালিফা বানিয়ে যান যেমন আপনাকে আবু বকর খালিফা বানিয়ে গেছে আপনি একজনকে খালিফা বানিয়ে যান সাহাবা কেরাম অন্যায় দাবি করছিলেন যেহেতু আবু বকরের নজির আছে আবু বকরকে কে খলিফা বানিয়ে গেছেন।

                                                           

সবাই অসুস্থ অবস্থায় গুড়ঘুর গুড়ঘুর করতেছে। আপনি একটা নাম ঘোষণা করেন। সাহাবায়ে কেরামের প্রথম দাবি কি ছিল? আপনি একটা নাম বলেন। ঝামেলা মুক্ত হয়ে যাই আমরা। ওমর বললেন যে আমি নাম বলবো না। আমি জীবিত অবস্থায় এবং মরার পরেও আমি তোমাদের শাসন করতে চাই না। এটা মরার পরে শাসন উনি বললেন, বললেন যে আমি মরার পরও তোমাদের শাসন করতে চাই না। আর আমি যদি নাম বলি তাহলে আমার চেয়ে উত্তম ব্যক্তির অনুসরণ করলাম। আর যদি আমি নাম না বলি তাও আমার চেয়ে উত্তম ব্যক্তির অনুসরণ করলাম। নাম বলেননি কে মরার সময় আল্লাহর রাসূল। আর নাম বলে গেছিলেন ওমর আবু বকর।

                                                           

দুইজনই ওমরের চেয়ে উত্তম না। উনি বলেছেন আমি নাম বললেও আমার চেয়ে উত্তম ব্যক্তির অনুসরণকারী হব। নাম না বললেও আমি আমার চেয়ে উত্তম ব্যক্তির অনুসরণকারী হব। কি বুঝলেন এগুলো কথা? সাহাবায়ে কেরাম কিসের জন্য ঘুরঘুর করে ঘুরতেছিলেন? মৃত্যুর খাটের পাশে নাম বলে দেন নাম বলে দেন এ রাজতন্ত্র এ রাজতন্ত্র বিবেকহীন মুসলমান অজ্ঞ মুসলমান বিরোধিতা করি খামাখা মক্কা মদিনার মক্কা মদিনা বম ফেলে দেওয়া হোক কেন রাজতন্ত্র ওখানে এরপরে তো আছে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে আল্লাহর রাসূল বলছিলেন যাই হোক এই বিষয়গুলো আরো আরো অনেক দলিল আছে প্রায় ১০ ১৫ ধরনের দলিল আছে। ১০ ১৫ প্রকারের দলিল এক প্রকার না।

                                                           

যেগুলো সবগুলো সাপোর্ট করে যে ইসলামী রাজতন্ত্র বলে কিছু আছে। এরপরে তো রয়ে গেছে। আরো কিছু পয়েন্ট আছে। এটা আমরা পরবর্তীতে ওরা ইহুদি খ্রিস্টানদের অনুসারী। এই ব্যাপারে পরবর্তী খুতবা আলোচনা হবে। আল্লাহতালা আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুন।