সমস্ত প্রশংসা হামদে সানা নিবেদন করছি আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের জন্য যে আল্লাহ আজ্জওজাল আমাদেরকে তার অনুগ্রহে মাহে রমাদান সিয়াম কেয়াম এবং বিভিন্ন এবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করে আজকের উক্ত মাসের একেবারে শেষ দিনে আমাদেরকে পৌঁছে দিয়েছেন যে আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এত বড় অনুগ্রহ করেছেন সে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের শুকরিয়া আদায় করছি আলহামদুলিল্লাহ যে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত আমাদেরকে আজকের এ পবিত্র মাসের পবিত্র দিনে সালাতুল জুমা আদায় করার জন্য ঐতিহ্যবাহী বায়তুল মামুর চাঁদ জামে মসজিদে উপস্থিত হওয়ার তৌফিক দিয়েছেন। সে মহান রব্বুল ইজ্জাতের শুকরিয়া আদায় করছি। আলহামদুলিল্লাহ। দরুদ ও শান্তি দ্বারা বর্ষিত প্রিয় নবী শেষ নবী সাইয়েদুল মুরসালীন খাতামুন নবীন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি যিনি না হলে আমরা মাহে রমাদানের কি মহিমা কি গুরুত্ব কি ফজিলত মর্যাদা জানতে পারতাম না সে মহামানব মুক্তির দূত সাইয়েদুল মুরসালীন নবীনা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি দরুদ ও সালাম পেশ করছি আলহাম আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহ সম্মানিত মুসল্লিম করাম আমরা যেহেতু মাহে রমজানের আজকের শেষ দিন এবং শেষ জুমা অনেক জায়গায় অনেক দেশে ইতিমধ্যে আমরা দেখতে পেলাম যে ঈদ ঈদুল ফিতর হয়ে গেছে। অর্থাৎ রমজান মাস শেষ হয়ে গেছে। তো আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে আরো একটি বাড়তি দিন পাওয়ার তৌফিক দিয়েছেন। তো এটা আল্লাহ তাালার অনেক বড় অনুগ্রহ না। এজন্য আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া। তার জন্য অনেক হামদ ও ছানা আমরা পেশ করছি। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।
সম্মানিত মুসল্লি কেরাম মাহে রমাদান শেষ শুরু এবং শেষ হয় চাঁদ দেখার মাধ্যমে। রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ সালাম বলেছেন সমুত আলাইকুমশালা আল্লাহ নবী বলছেন তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম রাখো চাঁদ দেখে সিয়াম ছাড়ো যদি আকাশ মেঘাত শূন্য হয় চাঁদ না দেখতে পাও তাহলে তোমরা শাবান মাসকে পূর্ণ করো। চাঁদ আমরা যখন রমজানের চাঁদ দেখি তখন সিয়াম শুরু করি। এটা হল আল্লাহ নবীর নির্দেশ। আবার যখন শাওয়ালের চাঁদ দেখি তখন রমজান মাস শেষ হয়। আর আরবি মাস ৩০ কিংবা ২৯ হয়। ৩১ও হয় না আবার ২৮ হয় না। সুতরাং আমরা যদি না দেখতে পাই আর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে ৩০ টা আমরা পূর্ণ করব। হয় সেটা শাবান হতে পারে হয় সেটা রমজান হতে পারে। তো যা হোক আমরা শুরু করেছি আমাদের ভূখন্ডে চাঁদ দেখে। আবার ইনশাআল্লাহ আমরা আজকে চাঁদ যদিও নাও দেখতে পারি তবুও আমরা মাহে রমজান পরিপূর্ণ করে ফেলবো ইনশাআল্লাহ। কিন্তু আমাদের দেশে কিছু মুসলিম ভাই আছেন যারা একটু আগে ভাগে চাঁদ দেখেন সৌদির সাথে আবার আগে ভাগে চাঁদ দেখেন সৌদির সাথে মিল রেখে আবার উনারা একটা যুক্তি দেন যে কেউ আবার মনে কষ্ট নিয়েন না কেউ যদি এমনটা পড়েন সমস্যা নাই এটা এমন না যে ইসলাম ইসলাম ভঙ্গ হয়ে যাবে আর অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।
তারপরও জানার জন্য বলছি যেহেতু সকল বিদ্বাান একমত। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত যত বড় বড় বিদ্বাান রয়েছে বিংশ একবিংশ শতাব্দীর সৌদি আরবের ওলামা উনারাও বলেন যে আমাদের সাথে আমাদের চাঁদ দেখার সাথে সিয়াম রাখবে। সিয়াম ছাড়বে। আমটা তোমরা করবে না। বিশেষ করে শায়েখ মোহাম্মদ বিন সলেহ আল উসাইমিন রহমাতুল্লাহি আলাই উনাকে প্রশ্ন করেছিল সৌদি দূতাবাস থেকে বাংলাদেশে যে শাখ আমরা তো সৌদি থাকি বাংলাদেশে বা পাকিস্তানে যদিও ফতোয়াটা পাকিস্তানে পাকিস্তানে থাকা এম্বাসি থেকে তারা জিজ্ঞাসা করেছিল উনি সোজা সোজা উত্তর দিয়েছিলেন যে ওই দেশের চাঁদ দেখা অনুযায়ী সিয়াম রাখবে সিয়াম ছাড়া যদিও তোমরা সৌদিয়ান হও না কেন তো যা হোক এখতেলাফ মতভেদ সাহাবীদের যুগ থেকে আসছে বিশেষ করে চাঁদ দেখার বিষয়ে যত বড় বড় বিদ্বাান দেখবেন একটা মতভেদ আছে বিশেষ করে সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস যাকে বলা হয় রাইসুল মুফাসসিরীন কোরআনের সবচাইতে বড় প্রধান ব্যাখ্যাকার হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু। আরেকজন হলেন কে? মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু। মুয়াবিয়া রাদি সিরিয়ায় ছিলেন আর উনি ছিলেন মদিনা। তবুও একদিন আগে পিছে করে উনারা রমজান মাস শুরু করেছেন এবং ছেড়েছেন। অর্থাৎ ঈদ করেছেন একদিন আগিছে। তো আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহুকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। আচ্ছা মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহ চাঁদ দেখা কি আপনার আমার জন্য যথেষ্ট না? উনি বললেন না। উনি আগেই দেখেছেন আমরা মদিনাবাসীরা পরে দেখেছি। উনি আগে সিয়াম রেখেছেন আগে ঈদ করবেন স্বাভাবিকভাবে আমরা পরে দেখেছি পরে তো মোটামুটি এই হাদিসটা যেটাকে বলে আবু কুরাইবের হাদিস এই হাদিসটা একটা সমাধান হয়ে যায় তাহলে আর কোন ঝামেলা থাকে না হলে কিন্তু ঝামেলা থাকবেই কারণ হল গতকালকে ঈদ হয়ে গেছে অনেক দেশে এটা তো আমরা জানি নাকি নাইজার মালি আফগানিস্তানে ঈদ হয়ে গেছে।
তো এখন কথা হলো যে আমরা চাঁদ কি সৌদির সাথে মিল সৌদির চাঁদ দেখার সাথে না বিশ্বের যেকোন এক জায়গা থেকে। এগুলো হল আর কি এমনিতো আমরা মুসলমানরা নানান মতভেদ মতন্যে এখতেলাফে ঘুরপাক খাচ্ছি। বিচ্ছিন্নতা আমাদের আবার আমরা ঈদ এবং এই বাৎসরিক একটা এবাদত এটাকে নিয়ে আমাদের মধ্যে মতভেদের শেষ নাই। একই সমাজে থাকছি কিছু ব্যক্তি আগে ঈদ করে নিচ্ছে। কিছু ব্যক্তি পরে এমনটা কেন হবে? আলহামদুলিল্লাহ। আমার তো মনে হয় ৯৯% আমরা বাংলাদেশের ভূখন্ডে চাঁদ দেখা অনুযায়ী সিয়াম রাখি এবং সিয়াম ছাড়ি। তো কি দরকার দুই এক পারসেন্ট যারা আমরা আলাদা করে রাখি কোন তো প্রয়োজন নাই তো যা হোক আমাদের এখানে একমত হতে হবে আলহামদুলিল্লাহ আমাদের বাংলাদেশের সালাফী ওলামাগণ সবাই তো একমত নাকি যে চাঁদ নিজ নিজ ভূখন্ড অনুযায়ী চাঁদ দেখে সিয়াম রাখা সিয়াম ছাড়া ঈদ করা সেখানে আমি আপনি যদি কিছু দ্বীনের বিষয়ে জানার চেষ্টা করি চর্চা করি আবার নিজে একটা মতবাদ একটা প্ল্যাটফর্ম দাড় করানোর চেষ্টা এটা অহেতু এবং ঠিক নয় অন্ততপক্ষে বাৎসরিক এটাতে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকার চেষ্টা করতে পারি তা না হলে কোনভাবেই মিটবে নাইজার এবং মালি প্রায় সবসময় বেশিরভাগ সময় সৌদি আরবের আগে চাঁদ দেখে। ওরা কিন্তু সবসময় আগেই দেখে। আল্লাহ রাসূল তো এমন বলেননি যে আরবের চাঁদ দেখার সাথে তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখবে। চাঁদ দেখে ঈদ করবে। এটা তো আল্লাহর নবী বলেননি নাকি? আর এখতেলাফ থাকবে। যেহেতু আল্লাহ রাসূলের বিখ্যাত দুইজন সাহাবীরা তাদের জীবনে তাদের জীবদশাতে এমনটা হয়েছে। প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা যা হোক আমাদের তো মতভেদের আসলে শেষ নাই। আমরা আমরা বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানরা জ্ঞান অর্জনের চাইতে বেশি আবেগটাকে প্রাধান্য দিই কিংবা নিজের চিন্তা আদর্শ দর্শনটাকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করি।
এই ছিল একটা বিষয়। আরেকটা বিষয় হল একটা চলমান বিষয়। আমরা যেটা খেয়াল করছি যে ইরান এবং ইসরাইল আমেরিকার যুদ্ধ এটা নিয়ে কিন্তু অনেক লেখালেখি তর্ক বিতর্ক কাউকে কাফের ফতোয়া দেওয়া কাউকে ইহুদি নাসারা এজেন্ট ফতোয়া দেওয়া নানা রকম আমরা দেখতে পাচ্ছি আসলে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক এ বিষয়গুলো আমরা ভালো করে না জানার কারণে যাকে তাকে আমরা ফতোয়া দিয়ে দিচ্ছি যে অমুক কাফের তমুক কাফের Facebook একজন বাংলাদেশের একজন ভালো মানের লেখক উনি লেখেন আর তো উনি ফতোয়া দিচ্ছেন ফেসবুকে কি আলেম না কিন্তু যে সৌদি কাতার কুয়েত বাহারাইন এরা সব কাফের নাউজুবিল্লাহ তা আমি কমেন্ট করলাম যে মুহতারা আপনি তো খুব সুন্দর লেখেন আপনার লেখা চমৎকার কিন্তু এ ধরনের দ্বীনের বিষয়ে ধর্মীয় বিষয়ে ফতোয়া দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন। না হলে কিন্তু এর বিপদ আপনাকে ঘাড়ে নিতে হবে। উনি পালটা কমেন্ট আমাকে লেখছে যেই এইতো পেয়ে গেছি কাফের। আমি তো অবাক। তা আমি তখন উনাকে আবার বললাম যে মহতারাম আপনাকে এজন্য বলছি যে যে বিষয়ে জ্ঞান নাই নিরী থাকা শ্রেয়। এই যে আপনি কাফের ফতোয়া দিয়ে দিলেন আমাকে আমি যদি কাফের না হই আপনার পরিণতি কি হবে আপনি জানেন তখন চুপ একবারে আর কিছু আমি বললাম এটাই তো সমস্যা ইরানের পক্ষে বললে যে আপনি পাক্কা মুসলমান হয়ে যাবেন এটা কোথায় আছে ইরান হচ্ছে একটি দেশ যারা নিজেদের দেশের সাথে ইসলামী রিপাবলিক অফ ইরান লিখে বা ইসলামী প্রজাতন্ত্রী ইরান। ইরান হল শিয়াদের সবচাইতে খুব শর্টকটে বলব। তারপরে মূল বিষয়টা শিয়াদের সবচাইতে বড় তিনটা দল আছে। অনেকগুলো আছে শাখা উপশাখা এদের শেষ না। তার মধ্যে একটা হল জাইদিয়া। যেটা হল ইয়ামেনে যারা যুদ্ধ করছে সুন্নি মুসলমানদের বিরুদ্ধে। সুন্নি সরকারের বিরুদ্ধে। হুসিরা এরা হল জাইদিয়া এরা সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কাফের বলে না এরা কালেমাকে বিকৃত করে না তবে বলে যে আবু বকর ওমর রাদিয়াল্লাহু উসমান রাদিন একটু অন্যায় করেছেন আলী এর চাইতে তো বড় নাউজুবিল্লাহ বলতে হবে কারণ এরা এরকম মনোভাব রাখার কারণে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত ওলামাগণ বলছেন যে এরা কিছুটা কাছাকাছি সুন্নি মুসলমানদের আরেকটা দল হল ইসনা আশারিয়া ১২ ইমামে বিশ্বাসী এরা হল ইরান আর তৃতীয় একটা দল হচ্ছে বড় সেটা হল নুসাইরী বা আল যেটা হল সিরিয়ার বাশার আল আসার ওর পতন হয়েছে আহলে সুন্না জামাতের কাছে কিন্তু এর ইতিহাস তো আপনারা জানেন।
তো যা হোক এই ইসনা আশারিয়া ইরান এদের ১২ জন ইমাম যে ইমামগণের মর্যাদা তাদের কাছে আল্লাহর চাইতেও বেশি। রাসূলের চাইতেও বেশি। তাদের কালেমা হল আলাদা। তাদের আজান হল আলাদা। আপনি অবাক হবেন। এগুলো তো এখন লুকিয়ে রাখার জিনিস নয়। স্পষ্ট। আমরা তো আসলে মানে যাকে তাকে হুজুর বলে অভ্যস্ত। আমার এক দ্বীনি ভাই আছেন সৌদি আরবে ছিলেন। একসময় এদেশে নরমাল যেরকম থাকে ক্লিনশ প্যান্ট শার্ট, টাইট পড়া। সৌদি আরবে যাইয়া মোটামুটি একটা ভালো চাকরি করতেন। তো আলহামদুলিল্লাহ ওখান থেকে উনি পুরা গেটাপ চেঞ্জ করে আসছে। সবসময় টুপি থাকে বড় বড় দাড়ি সুন্নাতি দাড়ি আর কি। জুব্বা পড়ে থাকেন। তো উনাকে সবাই বলে হুজুর মাওলানা সাহেব। কিন্তু উনি আসলে মাওলানা না। কারণ আমাদের দেশে পোশাক দেখে নির্ণয় করা হয় যে লোকটা মাওলানা না মাওলানা না। যেমন ডাক্তার জাকির নায়েক অনেক কিছু জানলেন। আলহামদুলিল্লাহ। কোরআন এবং হাদিসের দ্বীনের কিন্তু উনি প্যান্ট শার্ট পড়েন। এজন্য আমাদের দেশের আলেম ওলামায় উনাকে কাফের ফতোয়া দেয়। আরো অনেক কথা বলে। কিন্তু দ্বীনের সহি জ্ঞানগুলো মাশাল্লাহ উনি অনেক রাখেন। যেকোন আমাদের দেশে বড় বড় আলেমের চাইতেও তিনি ভালো জানেন। কিন্তু গেটাপ না থাকার কারণে উনি তো আলেম না বরং উনাকে খারিজ করে দেয় ইসলাম থেকে। নাউজুবিল্লাহ। কিন্তু পোশাকটা যদি ঠিক থাকে ও এক ওয়াক্ত যদি নামাজ না পড়ে দ্বীনের সাথে কোন যদি সম্পর্ক না থাকে তবুও সে বড় দ্বীনদার আল্লাহ। এই হচ্ছে আমাদের অবস্থা। ছোট্ট একটা বাচ্চা ওকে বলছে টুপি পাঞ্জাবি পড়ে আছে। ওকে বলছে হুজুর আপনি একজন বড় স্কলার। আপনাকে বলছে হুজুর কোন পার্থক্য নাই। মানে আমাদের চিন্তাধারাটা হল এরকম আউটলুকিং। এটা দিয়ে আমরা খুব উভস্ত।
তো ইরান হচ্ছে আমাদের এমন একটি রাষ্ট্র যাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হল গোটা মধ্যপ্রাচ্যে শিয়া ইজমকে প্রতিষ্ঠা করা আবার অনেকে বলবেন যে গীবত করছে রোজা রেখে গীবত নয় এগ দনের বিষয় তাহলে তো আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুশরেক আর মুনাফিকদের পরিচয়গুলো তুলে ধরতে নাকি দ্বীনের বিষয়ে আমভাবে ভ এটা বলা যায় এটা গীবত নয় আমরা অনেকে বুঝি না মুশরিকদের নিন্দা করা কি গীবত মুনাফিকদের নিন্দা করা গীবত নাকি না তো যাক এই ইসনা আশারিয়া ১২ ইমামে বিশ্বাসী এই ইরানের যারা শিয়া রয়েছেন এরা হচ্ছে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের জানি দুশমন। আপনাকে অর্থাৎ একজন সুন্নি মুসলমানকে হত্যা করাটা তারা নেকির কাজ মনে করে। আপনি চিন্তা করতে পারেন এটা কখনো ভাবতে পারবেন না। কারণ ওরা বাহ্যিকভাবে প্রকাশ করে যে আমরা কঠিন ইসলামী আদর্শকে পালন করি। কিন্তু আসলে নয়। আপনি এখন দেখতে পাবেন একবারে আলখেল্লা পড়া পাগড়ি পড়া বড় বড় দাড়িওয়ালা বড় একজন শিয়া স্কলার বলতেছে একজন প্রশ্ন করছে যে আনা সুন্নি সুন্নি মুসলিম উসমান মুসলিম আমি একজন সুন্নি মুসলমান আমি আবু বকর ওমর ওসমানকে ভালোবাসি আমি কি মুসলিম আপনি কি বলেন? তো সে উত্তর দিচ্ছে যে তুমি হলা একজন কাফের জিন্দিক। ভিডিওটা আছে আমার কাছে। তুমি হচ্ছে একজন কাফের জিন্দিক। কারণ আবু বকর, ওমর, উসমান এরা হল লানত প্রাপ্ত। নাউজুবিল্লাহ। এদেরকে যারা মহব্বত করবে এরাও লানত প্রাপ্ত। এরা হচ্ছে এই উম্মতের সবচেয়ে বড় কাফের। এদেরকে যারা কাফের মনে করবে না তারাও কাফের। অবাক হবেন, এগুলা তো এখন লুকানোর বিষয় না। সম্ভবত ইউরোপ এক কান্ট্রিতে দুইজন অমুসলিম ভাই ইসলাম গ্রহণ করছে। ঘটনা কোন ওদের কাছে আসছে। তো ওরা ওদেরকে কালেমা পড়াচ্ছে কি জানেন? আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ আ্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মাবুদ নাই নিশ্চয় মহাম্দ আল্লাহর রাসূ এবং নিশ্চয় আলী হচ্ছে আল্লাহর ওলি এটা হল আমাদের কালেমা কালেমা আলা আলাদা আযান আলাদা নামাজ আলাদা সবকিছু আলাদা তারপরও আমরা আবেগে ভরা মুসলমান আমরা কি বলি যে না এরা হচ্ছে মুসলমান পাক্কা মুসলমান এদেরকে যারা মুসলমান না করবে তারাই কাফের অথচ আপনাকে কাফের মনে করে আপনি জানেন আপনাকে এইযে এতগুলো আছেন লোক সারা বিশ্বের সুন্নি মুসলমানদেরকে তারা কাফের মনে করে হত্যা করাকে তারা নেকির কাজ মনে করে।
এখন কথা হলো যে এই যে ইসরাইল আর ইউরোপ আমেরিকার সাথে ইরানের যুদ্ধ হচ্ছে এটা কিসের জন্য এটা জানেন আপনারা ফিলিস্তিনের জন্য তাওহীদের জন্য ইসলামের জন্য মাশাল্লাহ যারা একটু পড়াশোনা করেন তারা জানেন কিসের জন্য নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য কারণ ইসরাইল চায় গ্রেট ইসরাইল কায়েম করবে গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে দখল করে শিয়া ইরান চাচ্ছে যে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে শিয়া ইজম কায়েম করব মক্কা মদিনায় যতদিন না পর্যন্ত আমাদের আযান উচ্চারিত হবে ততদিন আমরা থেমে থাকবো না এটা হল তাদের টার্গেট মক্কা মদিনায় আযান হয় কোরআন হাদিসে যেটা আছে ওভাবে কিন্তু ওদের তো আজান আলাদা ওদের আজানে কি আছে প্রায় তিন থেকে চারটা শব্দ আলাদা আছে অতিরিক্ত আছে আশা আউলাহতুল্লাহ আপনি দেখবেন সার্চ দিবেন চলে আসবে শিয়াদের এগুলো তো আমাদের একটু জানতে হবে এই কারণে কিন্তু দন্দ অন্য কোন কারণে না আপনি আরো স্পষ্ট হবেন ইরান পশ্চিম দের এবং ইসরাইলকে আমেরিকাকে শর্ত দিয়েছে যুদ্ধ থামানোর জন্য। সেই শর্তগুলোর মধ্যে একটাও নাই ইসলামী কোন শর্ত। কি আছে? এক নাম্বার শর্ত হল যে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। মানে ইরানে হামলা বন্ধ করতে হবে। ইরানের উপর যত নিষেধাজ্ঞা আছে তুলে নিতে হবে। ইরানকে তার নিজের গতিতে অর্থাৎ পারম্বিক কার্যকরণ চালানোর ক্ষেত্রে কোন ধরনের হস্তক্ষেপ করা যাবে না। এ তিনটা শর্ত। চতুর্থ শর্তটা যদি এমনটা হতো যে এই মুহূর্তে ফিলিস্তিনি মুসলমানদের উপর হামলা বন্ধ করতে হবে। এটা করলে পারতেন না? পারতেন তো কেন? কারণ আমি আরো গভীরে গেলাম। তো উনারা বলতেছেন যে একজন রাফেজ বড় আলেম বলছেন ইরানের যে আমাদের সাথে বাইতুল মাকদিসের কোন সম্পর্ক নাই। অথচ আল্লাহ নবী সলাম ওখান থেকে মেরাজে গেছেন। ওখানে ওই মসজিদুল আকসার নাম আল্লাহ নিজে নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ হারাম। মসজিদিল আকসা কেন নেয় না জানেন? ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর আমলে এই বাইতুল মাকদিস বিজয় হয়েছিল ১৬ হিজরীতে। ওমর রাদিয়াল্লাহু এরা কাফের কেন বলে জানেন? অন্যতম একটা কারণ হল কাদেসিয়ার যুদ্ধ। ইসলামের ঐতিহাসিক একটি যুদ্ধ হল কাদেসিয়া। যেটি ১৫ হিজরীতে কোন মত কোন কোন বর্ণনায় পাওয়া যায় যে শাবান মাসে কোন বর্ণনায় পাওয়া যায় রমজান মাসে এই যুদ্ধটি সংঘটিত হয়েছিল। মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা ছিল ৩০ থেকে ৩৬। আর এই অগ্নিপূজক ইরানি পারসিকদের সৈন্য সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর পাঠানো দিকবিজয়ে বীর সেনানী সাদ বিন আব ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর মাধ্যমে এই যুদ্ধ বিজয় হয় সাথে সাথে চার থেকে পা হাজার এই পারসিক সৈন্য মুসলমান হয়ে যান এই যে পরাজয় এটা তারা কিন্তু মেনে নেয় কারণ পারস পারসিক একটা মানে জাতীয়তা আছে এটা সহজে ছেড়ে দেওয়া যায় না।
আল্লাহর নবী থেকে নিয়ে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু পর্যন্ত দুইটা সুপার পাওয়ার ছিল। একটা হল রোমান সাম্রাজ্য আরেকটা ছিল পারস্য সাম্রাজ্য। পারস্য সাম্রাজ্য যেটা ছিল ইরান কেন্দ্রিক। আর রোমান সাম্রাজ্য যেটা ইতালির এই কেন্দ্রিক ছিল। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন ওমর রাদিয়াল্লাহুর যুগে এটা বাস্তবায়ন হয়ে গেছে এই দুই সুপার পাওয়ার মুসলমানদের পদানত হয়েছিল বিজয়ী হয়েছিল এবং মুসলমানরা এই রোমান সাম্রাজ্য পারস্য সাম্রাজ্যকে উৎখাত করে ইসলামী সাম্রাজ্য কায়েম করেছে ওমর বিন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু কে হত্যাকারী আবু লুলুর মাজার কিন্তু ইরানে জানিনা ওটা কাল্পনিক না বাস্তবিক কিন্তু মাজার আছে এবং তারা অত্যন্ত জাতমকভাবে ওটাকে সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছে ওমর রাদিকে হত্যাকারী আবু লুলুর মাজার প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা যাহোক মুমিনদের মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে তারা কাফের বলে এবং জাহান্নামী বলে তারা কেক কেটে কেক কাটে আয়েশার নামে এবং বলে আয়েশা জাহান্নামে আয়েশা ফিন্নার হাফসা ফিনার আবু বকর ফিন্নার ওমর ফিনার উসমান ফিন্নার এইভাবে তারা আল্লাহ রাসূলের গুরুত্বপূর্ণ সাহাবী এই দুনিয়ার নিচে আসমানের নিচে এই দুনিয়ার বুকে আল্লাহ নবীর পরে শ্রেষ্ঠ মানুষগুলোকে তারা কাফের মনে করে তাহলে আমাদের এই অবস্থায় কি কি অবস্থান গ্রহণ করবেন চুপ থাকবেন ইসরাইল আমেরিকা ইরানে হামলা করছে আর ইরান হামলা করছে কোথায় সৌদি আরবে ইরান হামলা করছে কুয়েতে মুসলিম কান্ট্রিগুলো পাঁচ ছয়টা মুসলিম কান্ট্রিতে কন্টিনিউ হামলা চলছে সবচাইতে বেশি হামলা করেছে বাহরাইন আর কুয়েতে তারপরে হল ইসরাইল কেন কেন এটা তো যা হোক এরকম আফসোসের বিষয় আমরা অনেকে না জানার কারণে আবেগী হয়ে অনেক কথা বলি অনেক মন্তব্য করি এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে এবং শিয়া সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান রাখতে হবে এদের ইতিহাস জানতে হবে কারণ এটাই হল দ্বীনের অংশ তামাশার বিষয় নয় আমেরিকা ইসরাইল হল মুসলমানদের প্রকাশ্য শত্রু কিন্তু শিয়ারা প্রকাশ্য না এরা হল গোপন এই উম্মত সবচাইতে বড় মুনাফেক আল্লাহ রাসূলের যুগে যে মুনাফেক ছিল তাদেরকে আল্লাহ রাসূ চিনতে পারতেন না যতক্ষণ আল্লাহ কোরআনে আয়াত নাযিল করে জানা এখন আমরা চিনব কেমনে আমরা কিভাবে জানব যারা এই উম্মত রাসূুল্লাহ সাল্লালামের প্রিয় সাহাবীদেরকে জান্নাত সাহাবীদেরকে যাদেরকে আল্লাহর নবী সলা জান্নাতের সার্টিফিকেট দিয়েছেন তাদেরকে যারা জাহান্নামী বলে কাফের বলে লানত করে এরা কিভাবে মুসলিম হতে পারে আপনার বিবেকে একটু প্রশ্ন করেন যে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার মর্যাদা আল্লাহ বলেছে তার পবিত্রতা ঘোষণা করে আল্লাহ কোরআনের আয়াত নাযিল করেছে তাকে তারা কি বলে জানেন মুসলমানদের মা আল্লাহর নবীর প্রিয়তমা স্ত্রী তাকে বলে যে ইনি হলেন ব্যভিচারী। তাদের টার্গেট হলো মদিনা দখল করে বাকি গরস্থানে থাকা মা আয়েশার কবর থেকে তার লাশকে বের করে তার রজম করবে। নাউজুবিল্লাহ। আপনি চিন্তা করেছেন? এগ বানানো কথা নয়। এগ তাদের কিতাব থেকে কথা। আর আমরা আবেগের বসে বলি হ্যাঁ এটা ঠিক যে ইসরাইল নামক এই বিস্ফোর রাষ্ট্রটির ধ্বংস যে কোন উসিলা হোক এটা আমরা চাই আল্লাহর কাছে এটা দোয়া করি ইসরাইল আমেরিকার পতন হোক এই রাষ্ট্রগুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাক এই দুনিয়া থেকে মুছে যাক এটা আমরা মনে প্রাণে চাই এবং আল্লাহর কাছে দোয়া সেটা যে কারোর মাধ্যমে হোক সেটা ইরানের মাধ্যমে হতে পারে বা অন্য কোন রাষ্ট্রের মাধ্যমে হতে পারে।
তবে সুন্নি মুসলমানদের উচিত ছিল আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেমন তাদের অনেক সম্পদ দান করেছিলেন সেটাকে কাজে লাগানো। সূরা আনফালের এ আয়াতকে আমি কখনো ভুলি না। ভুলতে চাই না। এ আয়াতটি আমাদের মুসলিম শাসকরা বেমালুম ভুলে আছে। সূরা আনফালের ৬০ নম্বর আয়াতে আল্লাহতালা কি বলছেন মমিল তোমরা তাদের বিরুদ্ধে অর্থাৎ তোমাদের শত্রু ইহুদি খ্রিস্টান মুশরকদের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি গ্রহণ করো মানে কি সামরিক শক্তি যতদূর সম্ভব যথাসাধ্য সম্ভব তোমরা সংগ্রহ করুন দুর্ভাগ্যের বিষয় আমাদের মুসলিম দেশগুলো আল্লাহ তাদের অনেক অর্থ দিয়েছি তো প্লাান পরিকল্পনা এত ভুল যে তারা সামরিক অত্যাধুনিক সামরিক এগুলো ক্ষেত্রে কোন ধরনের প্রস্তুতির নেয় ইরান যেমনটি নেয়ছিল এরকম নেওয়া উচিত ছিল সৌদি আরবকে এমনটি নেয়া উচিত ছিল কাতারকে দুবাইকে কুয়েতকে কিন্তু এরা কি করেছে দুর্ভাগ্যের বিষয় নিজেদের নিরাপত্তা তুলে দিয়েছে যাদের পূর্বপুরুষরা শত শতকের পর শতক প্রুসেডার ইহুদি নাসারাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যে তাদের হাতে দিছে এটা খুব কষ্ট দেয় আপনি আমি যারা নিজে একটু বুঝি দনকে ভালোবাসি তাদের খুব পীড়া দেয় আমাকে খুব পীড়িত করে এ বিষয়গুলো কেন এমনটা হবে এটা তো আল্লাহর আদেশ কেন আমরা ভুলে যাব আল্লাহই তো প্রস্তুতি নিতে বলেছেন যতদূর সম্ভব তোমরা প্রস্তুতি নাও কাফের মুশরিকদের বিরুদ্ধে ইহুদি নাসারাদের বিরুদ্ধে সত্যি সঞ্চার করো। এজন্য আমি বলি প্রত্যেকটা মুসলিম কান্ট্রির কাছে পারমণিক বোমা থাকা উচিত ছিল। প্রত্যেকটা মুসলিম দেশের কাছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য এগুলো তারা চিন্তাই করে না। ইহুদি নাসারা আমরা খালি বলি যে তারা টেকনোলজি। আরেকটা কি ওরা মানুষকে মারার জন্য শোষণ করার জন্য গবেষণা করছে রিসার্চ করে বিভিন্ন রকম করতেছে মুসলমানরা এখানেই ভুল করেছে মুসলমানদের কাছে আছে না সবই তো আছে কিন্তু গভীর গবেষণা এই বিশ্বে টিকে থাকার জন্য ইসলামকে সমুন্নত করার জন্য লা ইলাহা ইল্লাল্লাহকে সবার উপরে রাখার জন্য সামরিক শক্তি ছাড়া আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ঈমান প্লাস সামরিক শক্তি ছাড়া সম্ভব নয় দুটাই দুর্ভাগ্য আজকে আমরা মুসলমানরা না ঈমানের দিক দিয়ে মজবুত আছি আর না সামরিক দিক দিয়ে কোন দিক আল্লাহতালা কি বলছেন তোমরা দুঃখ তোমরা আশাহত হয় না দুর্বল ভাবিও না নিজেদেরকে দুঃখ করিও না তোমরাই হবে সবার উপরে তোমাদেরকে দেখে সবাই ভাগ পাবেন শর্ত হল যে পরিপূর্ণ ঈমানদার তোমাদেরকে আমরা তো পরিপূর্ণ ঈমানদার সত্যিকার আল্লাহর শর্ত অনুযায়ী হতে পারিনি এজন্য আজকে আমাদের এই অবস্থা মসজিদুল হারামের ইমাম সাহেব বলছেন শত এক পারসেন্ট শতকরা দুই এক পারসেন্ট আল্লাহ এবং রাসূল যেভাবে মূলনীতি দিয়েছেন ওই মূলনীতি অনুসরণ করে এক থেকে দুই পারসেন্ট মুসলিম পাওয়া খুব কঠিন এটাই হচ্ছে অবস্থা তা আমরা না আছি আমাদের ঈমান আর না আছে আমাদের অস্ত্র কোনটাই না এটাই হল দুর্ভাগ্য দুঃখজনক প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা যা হোক ইরান ইরান ইসরাইল এগুলোর যুদ্ধের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে এটুক বলতে পারেন যে আল্লাহ তোমার কাছে যারা শত্রু এদেরকে তুমি ধ্বংস করে দাও বাকি আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করবেন যাকে তাকে ফতোয়া দেওয়া থেকে বিরত থাকবে।
নাম্বার থ্রি আমরা মাহে রমজান শেষ করছি। কিন্তু মাহে রমজান এ মাহে রমজানের মাধ্যমে আমরা কি অর্জন করছি? কি অর্জন করতে পেরেছি? এখন এটা হিসাব নিকাশের সময় কিন্তু যেহেতু মাহে রমজানটা এমন একটি মাস যে মাসে সব ধরনের এবাদত আল্লাহ রাব্বুল আলামন একত্রিত করে দিয়েছে সব ধরনের সিয়াম আছে সালাত আছে যাকাত আছে সদকা আছে এতেকাফ আছে তাহাজ্জুদ আছে তারাবি আছে লাইলাতুল কদর আছে সব ধরনের মর্যাদাপূর্ণ এবাদতকে আল্লাহ রাব্বুল আলামন এমন একটি মাত্র মাসযে যে মাসের সবগুলোকে আল্লাহ তালা একত্রিত করেছেন সে মাসটি হচ্ছে রমজান। আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি। আমরা কি অর্জন করতে পেরেছি আমাদের একটু হিসাব করতে হবে। আল্লাহতালা কি বলেছেন? ঈমানদার তোমাদের উপর সাধনাকে ফরজ করা হয়েছে। যেমনভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর করা হয়েছিল। কি জন্য? যাতে করে তোমরা মুত্তাকী পরহেজগার আল্লাহবির হতে পারে। তাহলে সিয়ামকে আল্লাহ রাব্বুল আলামন আমাদের উপর ফরজ করেছেন কিসের জন্য? ভালো মানুষ তৈরি করার জন্য। ভালো মানুষ কিভাবে আমরা হতে পারবো? এজন্য আল্লাহ তালা আমাদেরকে এটা দিয়েছেন। একটা দিয়েছেন সিয়াম। আরেকটা দিয়েছেন কি? তেলাওয়াতুল কোরআন। আমরা কি দুইটাকে ঠিকভাবে কাজে লাগাইতে পেরেছি? তাকওয়া মানে কি? তাকওয়া মানে হচ্ছে নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা। আল্লাহর আনুগত্যের ক্ষেত্রে নিজের প্রবৃত্তিকে চলমান রাখা। এবং আল্লাহর অবাধ্যতায় নিজের প্রবৃত্তিকে দমন করা। যেই ব্যক্তি নিজের প্রবৃত্তিকে দমন করতে পারবে। অর্থাৎ আল্লাহর অবাধ্যতায় পরিচালিত না করে আল্লাহর আনুগত্যের ভিতরে পরিচালিত করতে পারবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামন বলছেন তার থাকার জায়গা হবে জান্নাত। সুবহানাল্লাহ আর এটার জন্য কিন্তু মাহে রমজান আমাদের কাছে এসেছিল। সুতরাং তাকওয়ার কতটুকু আমরা নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে পেরেছি। এটাই হল এখন মূল বিষয়।
আর হিসাব নিকাশের বিষয় মাহে রমজান এসেছিল আমাদেরকে আমাদের গুনাহগুলোকে মাফ করিয়ে নেওয়ার জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও সাল্লাম একটি হাদিসের মধ্যে বলছেন সহ ইবনে হিব্বান মুস্তাদ হাকেম তিরমিজীর মধ্যেও এসেছে আল্লাহ রাসূ সাল্লালাম একদিন খুদবার জন্য মেম্বারে উঠছিলেন তিনি তিনবার আমিন আমিন বললেন সাহাবীরা আল্লাহ রাসূকে প্রশ্ন করলেন আল্লাহ রাসূ আপনি তো সাধারণত এরকম কেন আজকে করলেন আল্লাহ রাস উত্তর দিলেন যে আমার কাছে জিব্রল এসেছিল এসে বলল যে ব্যক্তি রমজান মাসকে পেল রমজান মাস পাওয়ার পরও নিজের অতীতের গুনাহ গুলোকে মাফ করিয়ে নিতে পারলো না সেই ব্যক্তি আল্লাহর দয়া থেকে আল্লাহর রহমত থেকে দূরিভূত হোক আরেক হাদিসে এসেছে ওই ব্যক্তি ধ্বংস হোক ক্ষতিগ্রস্ত হোক যেই ব্যক্তি রমজান মাস পেল অথচ নিজের গুনাহ গুলোকে পাক সাফ করিয়ে নিতে পারলো না ওই ব্যক্তির ধ্বংস হোক ওই ব্যক্তি আল্লাহর দয়া এবং অনুগ্রহ থেকে দূরে সরে যাক নবী মোহাম্মদ আপনি আমিন বলুন আল্লাহ বলেছেন জিবরীল বলেছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন সুতরাং মাহে রমজান পেয়ে যদি আমরা সত্যি আমাদের গুনাহগুলোকে মাফ না করিয়ে নিতে পারি আমাদের চাইতে দুর্ভাগা আমাদের চাইতে খারাপ মানুষ আর কেউ হতে পারে না আল্লাহ রাসূ সলাম দ্বিতীয় আমেনের কথা বললেন জিবরল এসে বলল যে ব্যক্তি তার বৃদ্ধ পিতামাতাকে পেল অথবা তাদের সেবা যত্ন করে জান্নাতে যেতে পারলো না ওই ব্যক্তি ধ্বংস হোক ওই ব্যক্তি আল্লাহর দয়া রহমত বরকত থেকে দূরিভূত হোক নবী মোহাম্মদ আপনি আমিন বলুন আল্লাহ রাসূ বললেন তখন আমিন আমিন বলতো আল্লাহ বললেন জিবরীল বললেন রাসূ বললেন যার ব্যাপারে এরকম বদদোয়া করলেন তার পরিণতি কি হতে পারে প্রিয় ভাইয়েরা সুতরাং আমাদের হিসাব করতে হবে এ মাহে রমাজান আমাদের কাছে কিছু দাবি দেওয়া রেখে যাচ্ছে এ দাবিগুলো আমাদের পূর্ণ করতে হবে যদি আমরা বুঝতে পারি যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের গুনাহগুলোকে মাফ করে দিয়েছেন।
কিভাবে বুঝতে পারব? আল্লাহর আনুগত্যে যদি আপনার মন স্থির থাকে। রমজান পার হয়ে গেছে আর নামাজও বাদ দিয়ে দিলেন। ভালো ব্যক্তি যে একটু হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন সেটাও বাদ দিয়ে দিলেন আগের যেমন ছিলেন তেমনি। এটা করলে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের সাথে মশকারা করা হবে। তামাশা করা হবে। যেটা কখনো একজন মুমিন করতে পারে না। এইজন্য তাকওয়ার দাবি হলো যে আপনি সামনে রমজান পর্যন্ত সামনে রমজান কেন? মৃত্যু পর্যন্ত আল্লাহ তালা কি বলছেন? সূরা আল হিজরে তুমি তোমার রবের দাসত্ব কর। তুমি তোমার রবের এবাদত করো যতক্ষণ না তোমার মৃত্যু আসে। সুতরাং আমরা যারা যুবক হয়েছি সাবালক হয়েছি তাদের উপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের বিধান প্রযোজ্য আবশ্যিক মৃত্যু পর্যন্ত মরার আগে ছাড় না এখান থেকে আমরা অনেকেই রমজান মাস আসলে রোজা নামাজ ধরি আবার রোজা নামাজ ছেড়ে দি রমজান মাস চলে এটা ঠিক নয় রমজান মাস আসলে আমরা অনেকে ক্লিনশেপ বন্ধ করি রমজান মাস চলে গেলেই ক্লিনশেপটা করে ফেলি এটা ঠিক নয় এটা তাকওয়া নয়। আপনি তাকওয়া অর্জন করতে পারেন না। আপনার নিজের গুনাহ গুলোকে মাফ করিয়ে নিতে পারেন। বিধায় আপনার ভিতরে এ সমস্ত কাজ করে।
প্রিয় দীনি ভাইয়েরা তো রমজানের দাবি এবং শিক্ষা এক নম্বর শিক্ষা হল যে অবশ্যই আমাদেরকে সমস্ত শিরক থেকে বিরত থাকতে হবে। দূরে থাকতে হবে। বড় শিরক, ছোট শিরক যত ধরনের শিরক আছে এই সমস্ত শিরক থেকে দূরে থাকতে হবে। লোক দেখানো শিরক থেকে বিরত থাকতে হবে। লোক দেখানো শিরক বলতে একটি ভালো আমল করছি যাতে করে মানুষ দেখে বলে যে লোকটা ভালো। দান করছেন যাতে করে মনে করে মানুষ যেন বলে লোকটা দানশীল। এজন্য আপনি দান করছেন। এজন্য নামাজটাকে একটু দীর্ঘ করেছেন। এজন্য আপনি কোরআন তেলাওয়াত করেছেন। মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে, লৌকিকতার উদ্দেশ্যে। তাহলে এটা শিরকে পরিণত হবে। প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা, এজন্য বড় ছোট সমস্ত শিরক থেকে দূরে থাকতে হবে। দ্বিতীয় রমজানের শিক্ষা হচ্ছে সমস্ত কুফরি থেকে দূরে থাকতে হবে। সেটা এক নম্বর যদি বলি কুফরি। অর্থাৎ কোরআন এবং হাদিস কোন কিছুকে অস্বীকার করা, অবজ্ঞা করা, তুচ্ছ জ্ঞান করা। এগুলো হল কুফরির নামান্তর। কুফরির অংশ। সুতরাং এই সমস্ত কুফরি থেকে বিরত থাকতে হবে। সেটা ছোট কুফরি হোক আর বড় কুফরি হোক। আরেকটা কুফরি যেটা আমরা অনেকে করি। রমজান মাস আসলে নামাজি সেজে যায়। ফরজ নামাজ পড়ি, তারাবিও পড়ি। রমজান মাস চলে গেলে তাহাজ্জুদ তো দূরের কথা। ফরজটা তখন বাদ দিয়ে দি। এগুলা ঠিক নয়। এটা কিন্তু কুফরি। সালাত ত্যাগ করা হচ্ছে কুফরি। আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু সলাম বলছেন আমাদের মাঝে আর কাফের মুশরিক বেদিনদের মাঝে পার্থক্যটা হল নামাজ যেই ব্যক্তি নামাজকে ত্যাগ করল ছেড়ে দিল বাদ দিয়ে দিল ও ব্যক্তি কাফের আল্লাহতালা নামাজ কায়েম কর মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয় না। সুতরাং যারা কিছুদিনের জন্য নামাজ ধরে আবার ছাড়ে এরা কিন্তু ভালো মুসলমান নয়। এই সমস্ত জঘন্য কুফরি থেকে বিরত থাকতে হবে।
পাশাপাশি কাবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকতে হবে। এই যে সুবহে সাদেক থেকে নিয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের হালাল থেকে আপনি বিরত থাকলেন কেন? আল্লাহতালা আপনাকে বললেন এই যে একটা মাস যাতে করে আপনি এখান থেকে প্রশিক্ষণ নেন ট্রেনিং নেন এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের যে যাবতীয় যে হারাম আছে ওই হারামগুলো থেকে আপনি অন্য মাসে নিজেকে বিরত রাখবেন এজন্য আল্লাহতালা এটা ট্রেনিং দিয়েছেন আমাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন কিন্তু রমজান যাওয়ার পরে আবারো সুদঘুষ আবারো রাহজানি চিন্তায় ঠকানো চাদাবাজি ভাইবোনকে ঠকিয়ে অর্থ উপার্জন ঘুষের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন যত ধরনের অন্যায় উপার্জন আছে এগুলোতে আপনি রমজান গেলেও আবার ফিরে গেলেন এমনটা যেন না হয় কোন মুসলিম এটা করতে পারে না যত ধরনের কাবিরা গুনা আছে এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে এক নাম্বার কাবিরা গুনাহ হারাম উপার্জন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নিজেকে বিরত রাখতে হবে শুধু রমজানস বিরত হয়ে গেলাম রমজান গেল আবার শুরু করে দিলাম এটা যেন না হয় এটা কোন মুসলিম করতে পারে না প্রিয় দীনি ভাইয়েরা আল্লাহ বলছেন ঈমানদার তোমরা তোমাদের পরস্পরের মাঝে বাতিল সম্পদকে ভং করিও না বাতিল সম্পদ বলতে কি হাফেজ ইবনে কাসীর রহমাতুল্লাহ ইবনে মধ্যে বলছেন আল বাতিল হুয়া কুল্ল মালিন কুসবা ও প্রত্যেক সম্পদ যে সম্পদকে উপার্জন করা হয় অবৈধ পন্থায় সে যেন উপায় হতে পারে সেটা টেন্ডারবাজিতে হতে পারে ঘুষের মাধ্যমে চিন্তার মাধ্যমে চাদাবাজির মাধ্যমে কিংবা যারা ব্যবসায়ী ব্যবসার মধ্যে ভেজাল মিশ্রণের মাধ্যমে এক কথায় শরীয়া বহির্ভূত যত রয়েছে সমস্ত বাতিলের অন্তর্ভুক্ত এটা আল্লাহ রাব্বুল আলামন হারাম করেছেন নিষেধ করেছেন আমরা অনেকে কি করি সুদঘুষ থেকে বিশেষ করে সুদ থেকে বিরত থাকে রমজান মাসে রমজানে আগেই বলে দেয় সুদের কাস্টমারদের যে ভাই আমি আর সুদ খাবো না রমজান আসতেছে আর খাবো না রমজান চলে গেছে আবার শুরু করে দিছি ঘুষের টাকা নেয় দেখেন না কিছু ফানি ভিডিও করে বাস্তব তো এটা ঘুসে টাকা নিবেন রমজান মাসে প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তেমনিভাবে অনেকে কি করি হারাম একটি কাজ সেটাকে আমরা রমজানে আসলে অনেকে হারাম মনে করি রমজান চলে গেলে আবার হালাল মনে করি সেটা হল গান বাজনা গান বাজনা তো মনে হয় যে চাঁদটা ডুবে আর শুরু সূর্য ডুববে আর শুরু হয়ে যাবে। যারা দেখবেন রমজান মাসে গান বাজনা থেকে বিরত ছিল এই সূর্যটা ডুবার সাথে সাথে দেখবেন এরা শুরু করে দিছে। বুঝতে হবে যে ওই ব্যক্তির রমজান তার সিয়াম তার তারাবি কোন কাজে আসে। এটা হল আলামত। যে আপনি আবার পাপের দিকে ফিরে যাবেন। এটাই হল আলামত যে আপনার ওটা কবুল হয় না।
খুবই দুঃখ লাগে। আমাদের মুসলমানদের একটা এখন টেন্ডেন্সি হয়ে গেছে অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে যে যে কোন অনুষ্ঠান হলে গান বাজনা করতেই হবে ফুর্তি করতে হবে এটা হল আমাদের অবস্থা এবং মনে করবেন মনে করা কি এটাই বাস্তব যুব সমাজ এটাকে হালাল মনে করে বৈধ মনে আর আল্লাহ নবী সহ বুখারীর মধ্যে এটাই বলেছেন ১৪০০ বছর আগে কি বলেছেন আমার উম্মতের কিছু অপদার্থ নিকৃষ্ট লোকের আবির্ভাব হবে যারা জেনা ব্যভিচারকে হালাল মনে করার পুরুষ মানুষরা রেশম কাপড়কে পরিধান করবে মধ্যপানকে বৈধ মনে করবে গান বাজনাকে বৈধ মনে করবে আল্লাহর নবী আগেই বলে গেছে। আল্লাহর নবী এটা বলেননি যে অন্যদের মধ্যে আমার উম্মতের মধ্যে কিছু লোক জঘন্য শ্রেণীর যাদের আবির্ভাব তারা এমনটা মনে করবে এ চারটা হারাম জিনিসকে তারা হালাল মনে করবে। জেনাকে রেশমিকে রেশমি কাপড়কে মদ্যপানকে মাদক যত ধরনের মাদকদ্রব্য আছে আরেকটা কি? গান বাজনাকে চারটা জিনিসকে হালাল মনে করে। নাউজুবিল্লাহ। এই হচ্ছে আমাদের এর মানে কি হল? ঈদ আসলে কোন একটা অনুষ্ঠান হলে বিয়ের অনুষ্ঠান হোক আর ঈদের অনুষ্ঠান হোক গান বাজনা ছাড়া চলে না। এরা হল লানত প্রাপ্ত আল্লাহর পক্ষ থেকে। এরা অভিশপ্ত। যুবক তোমাকে অবশ্যই এই নোংরামি গুলো থেকে বিরত থাকতে। মুসলিম মাত্রই এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। শুধু রমজানে এটা সবসময়। তারপরে আরো কিছু রয়েছে যেগুলো সময়ের অভাবে বলতে পারছি না। অনেকে বাপ মার সাথে একটু ভালো ব্যবহার করে। রমজান চলে গেলে আবার বাপ মার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। বাপ মা তো হল এমন একটা জিনিস। আল্লাহর নবী বলছেন জান্নাত। তোমার বাপ মা হল তোমার জান্নাত জাহান্নাম। জান্নাত এবং জাহান্নাম হল বাপ মা। বাপ মার সাথে কখনো রোড ব্যবহার করা যায় না। করতে করা কোনভাবেই যায় না। কোনভাবে একেপ্টেবল নয়। কোনভাবেই না। বাপ মাকে সবচাইতে বেশি শ্রদ্ধা করবেন। পৃথিবীর মাঝে সবচাইতে বেশি ভালোবাসবেন, শ্রদ্ধা করবেন, সম্মান দিবেন। বাপ মাকে। কারণ এটাই হচ্ছে আপনার জান্নাত এবং জাহান্নাম।
প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তেমন ভাবে গীবত চুগল করি এগুলো সবসময় হারাম চুগল করি গীবত করি এগুলো সবসময় হারাম কখনো এগুলো হালাল নয় রমজানে যেমন হারাম চিরকালে এটা হারাম তেমনভাবে আরেকটা হারাম কাজ আমরা করি ওযে রমজান আসলে একটু দাড়ি রাখি রমজান মাস চলে গেলে ক্লিনশেপ করি এটা হারাম দাড়ি ক্লিনশেপ করা হারাম আপনি বলবেন নবীর সুন্নত বলে আপনি একে অপক্ষ করবেন না সুযোগ নাই প্রায় ৩০ থেকে ৩৬টি হাদিসে আল্লাহ নবী কি বলছেন তোমরা দাড়ি লম্বা করো মুশরিকদের বিরোধিতা করো মুশকরা যেমন চুল আর দাড়িকে সমানভাবে রাখে এটা করা যাবে মোচগুলোকে কেটে ছেটে রাখতে হবে চাচা যাবে না এটা এটা আমরা অনেকে ভুল বুঝি। তো দাড়ি চাচা এই হারামি কাজে যেন আমরা নাড়াই। তেমনি এভাবে লুপসুল কাসির সিয়াবুল কাসির মানে শর্ট প্যান্ট পরা। আজকাল যুবকদের এটা ভাইরাসে পরিণত হয়েছে। যে এরা বাইরে বের হলে কি শর্ট প্যান্ট পড়ে বের হয় বেহায়ের মত। এটা নির্লজ্জতা। চূড়ান্ত জঘন্য নির্লজ্জতা হলো এই কি বলে হাঁটুর উপরে প্যান্ট পড়া হাটু ঢেকে কেউ যদি শর্ট প্যান্ট পড়ে সমস্যা নাই কিন্তু ওটা হাটুর উপরে যদি হয় সামান্যতম হয় তাহলে এটা ইহুদি খ্রিস্টানদের কালচার কাফেরদের কালচার আপনি ওটার সাথে একত হবেন কেন এই হারাম কাজগুলো থেকে এগুলো আমাদের রমজান শিখিয়েছে এটাই হল তাকওয়ার দাবি এটাই হল রমজানের দাবি যদি আমরা এই হারাম কাজগুলো থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখতে পারি।
প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তারপরে আমরা ঈদের দিন কিছু খারাপ কাজ করি যেগুলো থেকে আমাদের অবশ্যই বিরত থাকতে। ঈদ মানে হল আনন্দ উৎসব এবং আনন্দ উৎসব প্রকাশ করাটা হল ঈমানের একটি অংশ। ঈমান এটা শেয়ার ইসলাম বলা হয়। মানে ইসলামের প্রতীক। ঈদ আসলে আনন্দ প্রকাশ করা এটা হল ইসলামের প্রতি। কিন্তু আমরা কি করি? বিভিন্ন কারণে আনন্দ হয় না। যদি নতুন জামা না পাই ব্যাস আনন্দ শেষ। আমাদের আনন্দ মানেই হলো নতুন জামা কিনতেই হবে। দেখলাম বাজারে স্বামী স্ত্রী মারামারি লেগেছে। একটা পছন্দের জামা কিনে দেয়নি। স্বামীকে ওখানে মারা ডিভোর্স কি অবস্থা। আল্লাহ নবী সলাম কি করতেন আল্লাহ নবী সালা ঈদের জন্য উত্তম পোশাক পড়তেন এটা বলেননি যেদি নতুন পোশাক পড়তে হবে এটা আল্লাহ নবী নিজেও করেননি এটা উদ্বুদ্ধ করেন আপনার কাছে যেটা ভালো পোশাক ওটা আপনি পড়বেন যদি পুরাতন হয় স্ত্রী করে সুন্দর হয় ওটাই পড়বেন নতুন পোশাক পড়তে হবে এবং এটার জন্য এবাদতের মাসে যা বেহায়ার মত ঘুরাঘুরি এটা কোনভাবে ঠিক নয়। কোন মুসলিম নারী এমনটা করতে পারে না। কত দুর্ভাগ্য দেখেন শেষ দশকে আল্লাহ নবী সলা সলাম সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দিতেন এবাদত বন্দেগীতে। আল্লাহ নবী এটার জন্য এতেকাফ থেকে বের হতেন না। মসজিদ থেকে বের হতেন। এতেকা বসে থাকতেন। আর এ ১০ দিন আমাদের কি হয়? মার্কেটিং চলে। আপনার আমার স্ত্রী মেয়ে বেহায়ের মত যাচ্ছে। পুরুষের সাথে গায়ে লাগছে আর পোশাক দামাদামি করছে মনে হচ্ছে যেন কোন বিষয় না এগুলো হল নোংরামি মহিলাদের সংমিশ্রণ এটা ইসলামে হারাম আজকাল মার্কেট আমরা আছে যে শুধু মহিলা মার্কেট নাই প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তো আমাদেরকে এই সমস্ত এই রোজার রোজা শেষে ঈদুল ফিতরের দিন আনন্দ উৎসব করতে হবে এটাই হলো দ্বীনের বিষয়।
আপনি সেখানে বিশেষ করে ঈদুল ফিতরে আল্লাহ নবী সাল্লা সলাম যাওয়ার আগে কিছু খেয়ে বের হতেন। খেজুর খেয়ে বের হতেন। বেজর খেজুর তিনি খেয়ে ঈদুল ফিতরের জন্য বের হতেন। ঈদুল আযহা না খেয়ে বের হতেন। তো এটা একটি সুন্নাত। যাক আরেকটা বিষয় না বললে না। যাকাতুল ফিতর। যাকাতুল ফিতর আদায় করা। এটা প্রত্যেক নর নারী ছোট বড় গরীব ধনী সকলের উপর ফরজ। এক স পরিমাণ এটা কখন ফরজ হয়? আজকের দিন হবে এখনো কিন্তু ফরজ হয়নি। আজকে যখন সূর্যটা ডুবে যাবে তখন ফরজ হবে। যেই ব্যক্তি সূর্য ডুবার পরে এবং ঈদ মাঠে যাওয়ার আগে যাকাতুল ফিতর এক পরিমাণ বের করল ওই ব্যক্তি ওই ব্যক্তির চেয়ে বেশি নেকি পেল যে দুইদিন আগে বের করে দিয়েছে বুঝতে পেরেছেন আমাদের সমাজে খুবই এটা আশ্চর্য হয় কোন কোন জায়গায় দুই তিন দিন আগে শেষ আমার বাসার কাছে দেখলাম যে দুই তিন দিন আগেই ওরা শেষ করে দিছে যাকাতুল ফিতর আদায় করে বন্টন শেষ। কিন্তু যাকাতুল ফিতর ফরজ করা হয়েছে কিসের জন্য? যাকাতুল ফিতর এক নাম্বার যেজন্য ফরজ করেছেন আল্লাহ সেটা হল কি একজন রোজাদার ব্যক্তি ৩০টা ২৯টা সিয়াম রেখেছেন ত্রুটি বিচ্যুতি হয়ে গেছে এগুলো থেকে আল্লাহতালা পবিত্র করবেন বিধয় যাকাতুল ফিতর ফরজ তো সিয়াম শেষ হয়নি রমজান শেষ হয়নি আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু দুইদিন আগে আদায় করতেন এটা করা যায় যাকাতুল ফিতর এটার পরিমাণ আমরা সবাই জানি ২ কেজি ৪০ গ্রাম থেকে আড়াই কেজি তিন কেজি পর্যন্ত বের করা যায় প্রধান খাদ্য থেকে আর প্রধান খাদ্য হল আমাদের কি চাউল এ আশা করি সবাই বের করছেন করবেন ইনশাআল্লাহুল আজিজ।
তারপরে ঈদুল ফিতরের নামাজ কি এটা ফরজ নাকি ফরজ না ফরদে কেফায়া না সুন্না মুয়াক্কাদা মূল কথা হল এটা সুন্না মুয়াক্কাদা এটা এমন সুন্না মুয়াক্কাদা যে যদি শুক্রবারে আজকে ধরেন যদি হয়ে যেত সকালে যদি আপনি ঈদুল ফিতর আদায় করতেন তাহলে এই জুমার নামাজ আপনার জন্য ঐচ্ছিক হয়ে যেত। তবে যোহর নামাজ মিস যাবে না। ওটা আদায় করতে হবে। তো যাক এটা হল সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। এটাই হল সবচাইতে বিশুদ্ধ এবং গ্রহণযোগ্য কথা। তারপরে ঈদুল ফিতরে যাওয়ার আগে যতদূর সম্ভব ভালো পোশাক পড়বেন সুগন্ধি লাগাবেন গোসল করে নিবেন এগুলো হল আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু সাললামের সুন্নাহ যাওয়ার আগে কিছু খেয়ে নিবেন আর তাকবীর শুরু হবে সূর্যাস্তের পর পরে আজকে থেকে তাকবর আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওলিল্লাহিলহামদ এই তাকবরটা বারবার পাঠ করবেন জোরে পাঠ করতে পারেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন নাফে বলছেন যে উনি যখন ঈদ মাঠের দিকে যেতেন জোরে জোরে এটা তাকবীর পাঠ করতে করতে যেতেন এজন্য আমরা সবাই পাঠ করব নারী পুরুষ সবাই বাড়িতে পাঠ করব নারীরা অনুচ্চ স্বরে আর পুরুষরা উচ্চস্বরে তাকবর বেশি বেশি পাঠ করবে যেহেতু আল্লাহতালাছেন তোমরা আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করবে এজন্য যে তিনি তোমাদেরকে হেদায়েত দান অর্থাৎ মাহে রমজানের সিয়াম রাখার তৌফিক দিয়েছেন। এজন্য তার তাকবীর তার মহিমা পাঠ করবেন। পরস্পরকে অভিনন্দন জানাবেন। কোন সমস্যা নাই। তাকাল্লাহ আম বলে অভিবাদন জানাবেন। ঈদ মোবারকও জানানো জায়েজ। অনেকে আমরা অনেক কথা বলি। কিন্তু এটা জায়েজ। সমস্যা নাই। তো এই হচ্ছে মোটামুটি আজকের আপনাদের জুমার খুতবার একটা বিভিন্ন ছোট ছোট টপিক এর উপর প্যাকেজ আলোচনা আল্লাহ রাব্বুল আলামন আমাদের যেন সকলের রমাদানের সিয়াম কেয়ামকে কবুল করেন সদকাকে কবুল করেন মুসলিমিনহ আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন