প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার যিনি বিশ্বজগতের একমাত্র মালিক যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা তিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মানুষরূপে মুসলিম করেছেন আমাদের হেদায়েতের লক্ষে তার পক্ষ পক্ষ থেকে তিনি কিতাব নাযিল করেছেন এবং সেই কিতাবটিকে বোঝার জন্য তিনি তার পক্ষ থেকে একজন রাসূলও প্রেরণ করেছেন এবং আমাদের উপরে যে অনুগ্রহগুলো করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি অনুগ্রহ হলো যে তিনি আমাদেরকে সর্বশ্রেষ্ঠ সর্বশেষ রাসূলের যুগে এই পৃথিবীতে আগমন ঘটিয়েছেন এবং তিনি আমাদের দ্বীনকে সহজ করেছেন আমাদের কর্মে তিনি অনেক বেশি বরকত রেখেছেন যে আমাদের সময় কম কিন্তু বিগত সমস্ত উম্মাহ থেকে আমরা যেন দ্রুত জান্নাত পেতে পারি এবং তাদের থেকে আমাদের মর্যাদা যেন বৃদ্ধি পায় যার জন্য তিনি আমাদের কর্মের মধ্যে অনেক বেশি বরকত রেখেছেন।
আমরা সে সত্তার প্রশংসা করি যিনি আমাদের উপরে সবথেকে বেশি অনুগ্রহ করেছেন। আমরা বলি আলহামদুলিল্লাহ। >> আলহামদুলিল্লাহ। >> সালাতু ওয়াস সালাম প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি যার মাধ্যমে আমরা বিগত উম্মাহ থেকে বেশি মর্যাদাবান হতে পেরেছি। যার বরকতের কারণে আল্লাহ আমাদের হিসাবকে সহজভাবে নেবেন। যার মর্যাদাকে লক্ষ্য রেখে তার উম্মতকে জান্নাতের অর্ধেকটা দেয়ার ফয়সালা করে রাখা হয়েছে। এবং কেয়ামতের মাঠে আমাদের হয়ে তিনি আমাদের পক্ষ থেকে শাফাত পেশ করবেন এবং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলাও তার সুপারিশ গ্রহণ করে তার উম্মতের বিচারের ব্যাপারে সহজ অবলম্বন করবেন এবং অসংখ্য মুসলিমকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করা হবে। আমরা সে রাসূলের প্রতি সালাত এবং সালাম পাঠ করি।
আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ওয়াবারিক আলা নাবিকা মুহাম্মাদ। আজকের এ মসজিদে আমার খুতবার বিষয় হবে আমরা প্রতিনিয়ত যা করি সে কর্মের দিকে একটু নজর দেয়া। গুরুত্বের সাথে আমাদের দিনগুলোতে কিভাবে আমরা পার করছি আমাদের কর্মের দিকে একটু ফোকাস দেওয়া উচিত। বরং এই ব্যাপারে আমাদেরকে যত্নবান এবং যত্ন নেয়া অত্যন্ত জরুরি। এর গুরুত্ব সম্পর্কে আজকে কয়েকটি কথা বলব। যদিও আমরা প্রত্যেকে জানি যে মুসলিম হিসেবে মানুষ হিসেবে এটা আমাদের দায়িত্ব যে আমরা আমাদের রবের গোলামী করব তার আদেশগুলো মেনে চলব এবং তিনি যা নিষেধ করেছেন সেই নিষেধকৃত বিষয়গুলো থেকে আমরা নিজেদেরকে বাঁচাবো এবং সেই লক্ষ্যে আমরা দাওয়াতি কাজ করব এই দায়িত্বগুলো সম্পর্কে আমরা জানি এগুলো আমাদেরকে জানানো হয়েছে এবং এগুলো আমাদের প্রত্যেকের উপরে কোন না কোন দিক থেকে ফরজ দায়িত্ব কিন্তু আমরা অধিকাং মুসলিম এগুলো জানার পরেও তা থেকে মুখ ফিরিয়ে আছি এবং আমরা বহু মুসলিমকে দেখতে পাচ্ছি তারা পশুর মত জীবন যাপন করতেছে দ্বীন ধর্মের সাথে তার কোন সম্পর্ক নাই বরং সে দুনিয়া নিয়ে এমনভাবে ডুবে গেছে যে সে শুধু দুনিয়া নিয়েই ব্যস্ত এবং তাদের থেকেও আরেকটা দল আরো নিচে নেমে গেছে সে দ্বীনও করে না দুনিয়াও করে না সে খেলতামশা এবং রংতামশা হাসি ঠাট্টা তামাশার মধ্যে ডুবে আছে।
যেগুলো তার দুনিয়া এবং দ্বীনের কোন উপকার করে না। বরং তার চরিত্রকে এক পর্যায়ে ইহুদিী নাসারাদের মত বানিয়ে দেওয়া হবে বা হচ্ছে। সেই দিকে সে যাচ্ছে। তা আমরা আমাদের এই সন্তানদের জন্য আমাদের জন্য যাতে কল্যাণ হয় এজন্য প্রতিনিয়ত আমরা এ কথাগুলোকে বারবার রিপিট করি। আজকেও তার ব্যতিক্রম হবে না। এজন্য আমরা আজকের বিষয় চুজ করেছি। আমাদের প্রত্যেকের যেই কর্মগুলো আছে সেগুলো মূলত কি এটা আপনাকে একটু গুরুত্বের সাথে নিতে হবে। সর্বপ্রথম আমি আপনাকে যে জিনিসটা ভূমিকাতে বলব সেটা হচ্ছে জেনে রাখেন কর্ম এমন একটা জিনিস এটাই হলো আমাদের আসল পরিচয়। যার কর্ম যেমন তার ভিতরের মন মানসিকতাও তেমন এটাই প্রমাণ করে।
একজন ব্যক্তির মুখের জবান দিয়ে তার অন্তর খারাপ না ভালো এটা পরীক্ষা করা হয়। যেমন অনেক সময় আপনি নিজে থেকেই বলেন এই লোকটা খুব খারাপ। আপনি কিভাবে বুঝলেন লোকটা খুব খারাপ? তখন বলতেছেন এর মুখ খুব খারাপ। মানে এর জবান খুব খারাপ। তারপরে সে যখন কোন কাজ করে ওয়াদা করে ওয়াদাকে নষ্ট করে। মানে তার আচরণ দিয়ে আপনি তাকে জাস্ট করলেন যে লোকটা ভালো না। বা লোকটা খারাপ। আবার কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আপনি বলতেছেন এই লোকটা ভালো। কিসের ভিত্তিতে? ও সবই তার কর্মের দিকে। তাহলে আপনি নিজে যেহেতু সাক্ষী যে কর্ম মানুষের ভালো মন্দের পরিচয় প্রকাশ করে তাহলে আপনি এটা কিভাবে ভুলে গেলেন যে আল্লাহও তো এই কথাই বলেছে যে কেয়ামতের মাঠে তোমার কর্মের উপরে কিন্তু বিচার করা হবে।
তুমি ভালো না মন্দ? তুমি জান্নাত পাওয়ার হক রাখো না জাহান্নামে যাইবা। এটা তোমার চেহারা দিয়ে মাপা হবে না। এটা কি দিয়ে মাপা হবে? বলছে তোমার কর্ম দিয়ে মাপা হবে। কিন্তু এক শ্রেণীর মানুষ শুধু একটা জিনিস মানে মাথায় বসিয়ে নিয়েছে যে আমি মুসলিম এ কথা বললেই তো আল্লাহ আমাকে নাজাত দেবে। কারণ মুসলিমদের জন্যই জান্নাত। তার কথাটা তো সত্য। মুসলিমদের জন্যই জান্নাত। কিন্তু আপনি কি ওই মুসলিম হয়েছি? এটা হচ্ছে বিষয়। তা আজকের এই খুতবাটা বিষয়টাই হলো আমাদের কর্মের প্রতি একটু নজর দেয়া।
আসুন আমি আপনাকে দেখাই যে কর্মের দ্বারাই যে বিচার করা হবে এবং কর্মই মানুষের আসল হক পেতে সাহায্য করবে বা কর্মই মানুষকে যে ডুবায় এ সম্পর্কে কোরআন হাদিসে কি আছে সর্বপ্রথম একটি আয়াত আপনি নিয়ে নেন যেটা সূরা আল গাশিয়া হয়তো প্রত্যেক জুমার দিনে আপনারা ইমামের কাছ থেকে এই তেলাওয়াত শুনে থাকেন সূরা আল গাশিয়ার মধ্যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা বলেছেন সেইদিন কতক চেহারা হবে ভীতবল মানে সে ভিত সন্ত্রস্ত অবস্থায় থাকবে কেন বলা হয়েছে আমি নাসিবা তার কর্মের কারণেই তার এই দুর্দশা হবে এখানে কর্মের কথা আনা হয়েছে তার জন্মের কথা আনা হয় নাই তার চেহারার কথা আনা হয় নাই তার সম্পদের কথা আনা হয় নাই তার সন্তানের কথা আনা হয় নাই বলা হয়েছে আমেলাতুন তার কর্মই হবে এর মূল কারণ বলা হয়েছে লা নারানহামিয়া তার কর্ম কারণে তাকে উত্তপ্ত আগুনে তাকে যেতে হবে।
এটা তার কর্মের ফল। তো এই আয়াতটা মূলত আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদেরকে জানিয়েছেন যে কর্মের উপরে ভিত্তি করে বিচার করা হবে। প্রথমে আসুন। এরপরের আয়াতটা দেখেন। এখানে জাহান্নামীদের কথা আছে। তার দুই আয়াত পড়েই আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন আর কত চেহারা সেইদিন নেয়ামতের মধ্যে থাকবে। আনন্দ উৎফুল অবস্থায় থাকবে। একই সূরা তার দুইটা আয়াত পড়ি। দুইটা দলের সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হচ্ছে। বলা হয়েছে কাদের চেহারা সেইদিন আমদ প্রমত নেয়ামতের মধ্যে থাকবে বলা হয়েছে তার কর্মের কারণে সে সন্তুষ্ট হয়ে যাবে তার কর্মের কারণে তাকে এতটা প্রতিফল দেওয়া হবে যে বলা হয়েছে যেহদিয়া তার কর্মের কারণেই সে সন্তুষ্ট হয়ে যাবে জান্নাত তাকে সুউচ্চ জান্নাত দেওয়া হবে কিসের ভিত্তিতে এখানে আল্লাহ নিয়ে এসেছেন।
তাহলে কর্মের কারণে একজনের চেহারা ভীতসন্ত্রস্ত কালো হয়ে যাচ্ছে। কর্মের কারণে আরেকজনের চেহারা উজ্জ্বল হচ্ছে। আনন্দ উজ্জ্বল বা প্রকাশ্যমান হচ্ছে। তৃপ্তময় হচ্ছে কর্মের কারণে। এটা সূরা গাশিয়া থেকে আমরা শুরু করলাম। এই আয়াতের একটা প্রেক্ষাপট আছে। সেটা একটু আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেই। এটা আজকের আলোচনার টপিকের বাইরে। এটা আমাদের ইন্টারনাল ব্যাপার। এখন যে বক্তব্যটা হচ্ছে এটা হচ্ছে সমস্ত মানব জাতিকে নিয়ে মুসলিমদেরকে নিয়ে আর যে আয়াতটার রূপক অর্থে বা যে প্রেক্ষাপটটা সেটা আমাদের ইন্টারনাল ব্যাপার মানে যারা ধার্মিক মুসলিম সুন্নাতি মুসলিম বেদাতি না মুশরেক না তাদের জন্য সেটা কি সুন্নাহ এবং তাওহীদের উপরে আমল করার গুরুত্ব সম্পর্কে এই আয়াতটার দিকে আপনাকে নজর দিতেই হবে আবদুল ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুমা থেকে ইমাম বুখারী এই আয়াতের তাফসীর করতে গিয়ে তিনি বলেছেন এই যে কাদের কর্মের কারণে সে জাহান্নামে যাবে তিনি এটার ব্যাখ্যা করেছেন আনাসারা এরা হল খ্রিস্টান মানে ওই খ্রিস্টান যারা ধর্মকর্ম করে যারা গির্জায় থাকে দেখবেন যারা তাদের খ্রিস্টান ধর্মটার
চর্চা করে খ্রিস্টান ড্রেস পড়ে ক্রুজ পড়ে ধার্মিক আমাদের মত টুপি পড়ে এদের মহিলারা পর্দা পড়ে চার থাকে ওই নাসারাদের কথা এখানে বলা হয়েছে যারা তাদের ধার্মিক তারা তাদের ধর্মকর্মের কারণে জাহান্নামে যাবে তার মানে খ্রিস্টান পাপীদের কথা এখানে বলা হয়নি এখানে খ্রিস্টান ধার্মিকদের কথা বলা হয়েছে বর্তমান যুগে ইসলামের যুগে যারা খ্রিস্টান ধার্মিক তারা কেন জাহান্নামে যাবে কেননা তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দ্বীনকে গ্রহণ করে নাই অথচ তারা ধার্মিক তারা আল্লাহর ইবাদত করতেছে কিন্তু তারা জাহান্নামে যাবে এটার ব্যাখ্যায় এটাকে শক্তিশালী করার জন্য আপনাকে আবদুল ওমর ওমর রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুর উক্তিটা দেখতে হবে।
তার সম্পর্কে বলা হয়েছে আবা ইমরান আল জাউনি তিনি বলতেছেন মাররা ওমর ওমর ইবন খাত্তাব ওমর রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু একবার ফিলিস্তিনে যাওয়ার সময় ঘটনা ঘটেছে সম্ভবত সিরিয়াতে যাওয়ার সময় তিনি একটা জঙ্গলের মধ্যে একটা রাহেবের কুটির দেখতে পেয়েছে জঙ্গলের ভিতরে একটা ছোট্ট ঘর যেখানে একটা খ্রিস্টান পাদরী ছিল সে এখানে ইবাদত করত ওমর রাদিয়াল্লাহু তালা সেই ঘরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি তখন ডাকলেন ফানাদাহ তাকে ডাকলেন ইয়া রাহে খ্রিস্টান পাদরীকে ডাকলেন সে নিজেকে প্রকাশ করল কারণ সে দেখা দেয় না যেহেতু তিনি হচ্ছেন মুসলিম জাহানের বাদশা আর দলবল নিয়ে যাচ্ছেন তখন তিনি ডাকছেন তিনি প্রকাশ পেয়েছেন মানে ঘরের বাইরে বের হয়ে আসছেন রাদিয়াল্লাহু মাথা থেকে পা পর্যন্ত একবার তাকালেন কেদে দিলেন তাকে দেখে কাঁদলেন তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো ইয়া আমির মমিন এই ব্যক্তির কোন জিনিসটা আপনাকে কাদাল তখন তিনি কথাটা বলেছিলেন একে দেখে আমার আল্লাহর সেই কোরআনের আয়াতের কথা মনে পড়ে গেছে যে আয়াতটা আমাকে কাদিয়েছে সেটা কিতালা কত ব্যক্তির কর্মের কারণে তার পরিশ্রান্ত কঠোর মেহনত করার কারণে সে জাহান্নামে যাবে।
এই লোকটা তার সমাজ ছেড়ে দিয়েছে। সে জঙ্গলে এসে পাতা খেয়ে বেঁচে থাকে। তার তাফসীরে যেটা আসছে যে তার চামড়াটা হাড়ের সাথে লেগে গিয়েছিল। চামড়া আর হাড়ের মাঝে কোন গোস্ত ছিল না। কারণ একটা মানুষ যদি লং টাইম পাতা খেয়ে বাঁচে মেহনত করে থাকে তখন তার শরীরে কোন গোস্ত জন্মাবে না। কিন্তু এই লোকটা বেঁচে ছিল তার চামড়া হাড্ডির সাথে লেগে গেছে। এতটা সে মেহনত করেছে। কিন্তু আল্লাহ জানিয়ে দিয়েছেন যে এইরকম ভুল পথে মেহনতকারীদের জন্য দুঃসংবাদ। তারা জাহান্নামে যাবে। মেহনত করেও জাহান্নামে যাবে। কেন? তার পন্থাটা সঠিক ছিল না। তার মানে কর্ম করেও জাহান্নামে যাবে। যদি কর্ম সেটা ভুল পন্থায় হয়।
তাহলে যারা বেদাত করে তাদেরকে এই আয়াত এই তাফসীর থেকে শিক্ষা নিতে হবে যে শুধু নামাজ পড়লেই চলবে না। বরং নামাজ কার মত হইতে হবে? সুন্নাহ মোতাবেক হইতে হবে। মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে দিকনির্দেশনা মোতাবেক আমাদেরকে ইবাদত শিখিয়েছেন, প্রত্যেকটা ইবাদত শুধু সালাত কেন? প্রত্যেকটা ইবাদতের নিয়মনীতি সুন্নাহ মোতাবেক হতে হবে। এইজন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজের ময়দানে বারবার বলছিলেন তোমরা তোমাদেরও হজের নিয়মনীতি আমার কাছ থেকে জেনে নাও। কুরবানর ব্যাপারে বলা হয়েছে এটা হচ্ছে নিজের গোসত খাওয়ার বকরি। সুন্নাত মুসলিমিন সুন্নাতাল মুসলিমিন আর যেই ব্যক্তি কুরবানিটা করল নামাজের পরে তার কুরবানিটা সঠিক হলো কুরবানির নেকি পাবে এবং সে মুসলিমদের রীতিনীতির উপরে আছে তাহলে নামাজ কুরবানি ঈদের দিন আপনার হালাল টাকার বিসমিল্লাহ বলে জবা করেছেন শুধু একটা সুন্নাহ যদি ছুটে যায় তাহলে আপনার কুরবানি কবুল হবে না বিষয়টা এতটা গুরুত্বপূর্ণ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনিত দ্বীনের উপরে থেকে ইবাদত করা এটা হচ্ছে নাজাতের কারণ হবে।
আর ভুল পথে যা তাভাবে আপনি ইবাদত করবেন এটা আল্লাহ আপনার কাছ থেকে কোনদিন গ্রহণ করবে না। কারণ আল্লাহ আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছেন একটা পারসন যে তোমার আমল এর মত হতে হবে। এজন্য আল্লাহ কোরন আমাদেরকে বলেই দিয়েছেন হাসানা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে শেষ নবী রাসূল করে পাঠানো হয়েছে পৃথিবীবাসী তাকে মেনে নাও। তার মত হওয়ার চেষ্টা করো। তার মত আমল করতে হবে। না হলে কিন্তু তোমার আমল গ্রহণযোগ্য হবে না। এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন পৃথিবীর সমস্ত ইহুদি নাসারারা জেনে নেক যার কানে মুহাম্মদ নামটা পৌঁছে গেছে। যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম দুনিয়াতে এসে গেছেন সে যদি আমার প্রতি ঈমান না আনে সে জাহান্নামে যাবে।
তারপর এ কথাও বলেছেন যদি মুসা আলাইহিস সালাম তিনিও যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে আমি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লামকে মেনে নেওয়া ছাড়া তার কোন আর উপায় থাকতো না। তার মানে আমাকে শেষ নবী হিসেবে মেনে নিতেই হবে। তো আমাদেরকে আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি ঈমান এনে সৎ কাজ করতে হবে। যেভাবে তার সুন্নাহ মোতাবেক আমাদের কাছে পৌঁছেছে। তাহলে এটা এই আয়াতের সাথে আজকের খুতবার সম্পর্ক হচ্ছে ভিন্ন। কিন্তু আমি এখানে উল্লেখ করে দিলাম যে আমল কতটা সেনসিটিভ এটা আজকের খুতবার সাথে মানে পরোক্ষভাবে জড়িত সেটা কাদের জন্য পাপীদের জন্য যেখানে একটা লোক পাপ করতেছে না নেকির আশায় সালাত পড়তেছে সিয়াম রাখতেছে কিন্তু সেটা সুন্নাহ মোতাবেক না হওয়ার কারণে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে বলেছেন আর যেই ব্যক্তি বেনামাজি নামাজি পড়ে না বরং পাপের জীবনে লেগে আছে তাহলে তার রেজাল্টটা কি হতে পারে এটা পরক্ষভাবে আসবে তাহলে এই আয়াতের থেকে আমরা যেটা জানলাম এবার এবার আমাদের মূল বক্তব্যে ফিরে আসি।
আমল হলো মূল যেটার উপরে বিচার করা হবে। এই আমল দিয়ে জান্নাত নির্ণয় করা হবে এবং আমলের ভিত্তিতেই জাহান্নামের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এখন কারো মাথায় যদি সেই হাদিস আসে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উল্লেখ করেছেন যেটা ইমাম মুসলিম কোট করেছেন যে তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি আমল দিয়ে জান্নাতে যাবে না। >> >> রাসল্লাহ আপনি আল্লাহ আল্লাহ যদি তার অনুগ্রহে আমাকে ঢেকে না নিতেন তাহলে আমি মোহাম্মদ আমার আমল দিয়ে জান্নাত যাওয়ার যোগ্যতা রাখি না তাহলে সেটা কি হবে সেটা মাথায় রাখেন আমল দিয়ে জান্নাত জাহান্নামের ফয়সালা করা হবে আর আপনারা এটা নিশ্চয়ই জানেন আমল মাপার জন্য আমল জাস্টিফাই করার জন্য আগে মুসলিম হইতে হবে জানে না সেটা এই হাদিসকে ফিট করে দেন কাফেরদের উপরে কাফেররা ভালো ভালো কাজ করে না তাহলে তাদের আমল দিয়ে জান্নাতে যাবে না যাবে না কারণ ওদের আমল মিজানের পাল্লায় তোলাই হবে না আল্লাহ সুবহানাহুতালা স্পষ্ট বলে দিয়েছেন আমি তাদের কারো জন্য কাল কেয়ামতের মাঠে মিজানের পাল্লা কায়েম করব না মানে মাপার জন্য সেখানে কোন পাল্লা রাখা হবে না কোন কাফেরের আমলকে মাপার জন্য কারণ এদেরটা এটা গ্রহণযোগ্যই না।
তাহলে ঘুরে ফিরে এবার আসেন। তাহলে আমরা এখন এবাদতের যোগ্য। কারণ আমরা মুসলিম হয়েছি। এখন আমাদের আমল কিন্তু ধরা হবে। আমরা যা করি না কেন তার ছোট্ট একটা কাজ কেউ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয় নাই। সেটা কাউন্ট করা হচ্ছে। লিখা হচ্ছে। এটা আজকের বক্তব্যের মূল বিষয়। যে একজন মুসলিম যে নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করলেন এখন আপনার কর্মটাকে কতটা গুরুত্ব দিতে হবে এটা হচ্ছে আজকের খুতবার মূল বিষয়। আপনি এভাবে হেলায় ফেলায় নিজের দিনটাকে নষ্ট করে দিতে পারেন না। কারণ আপনার টাইম শুরু হয়ে গেছে। অনেকে বলে না যেমন ধরেন আপনারা তো ওই যে মিডিয়াতে ফিল্মের সাথে যারা জড়িত তারা তো দেখে টাইম চালু হয়ে যায়।
কারো লাইফ শেষ হয়ে যাওয়ার জন্য। টাইম চালু হয়ে যায় বলে অনেক সময়। এটা টাইম আপ হয়ে যায়। গেমসের মধ্যে এটা থাকে। টাইম শুরু টাইম শেষ। তাই না? আমাদের আমলের টাইম শুরু হয়ে গেছে। যেইদিন কোন ব্যক্তি বলবে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। ওইদিন থেকে তার প্রত্যেকটা জিনিস হয় পাপের হবে না হয় নেকির হবে। কিন্তু কাফেরদের এটা না। কাফেরদের নেকির কোন পিসটাই নেই। সব পাপ। ওরা যা করবে সব পাপ। আর ভালো যা করবে ওটা দুনিয়াতে আল্লাহ ওদেরকে ফেমাস বানিয়ে দিবে। দুনিয়াতে রিজিক বাড়িয়ে দিবে। দুনিয়াতে শান সৌকত দিয়ে দিবে। কিন্তু আমলের নামায় মানে সৎ কর্মের পিছার মধ্যে একটা অক্ষর লেখা হয় না।
কিন্তু মুসলিমদের লেখা হয়।