উপস্থিত ঐতিহ্যবাহী বাইতুল মামুর চাঁদ জামে মসজিদের সম্মানিত মুসল্লিবৃন্দ জবানিকার অন্তরালে শ্রদ্ধাস্পতি স্নেহশীল মা ওভগণ আলোচনার শুরুতে সে মহান আল্লাহ তাালার দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি যে মহান আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আপনাকে আমাকে আজকের জুম্মার দিনে যত সময়ের পূর্বে এ মসজিদে কবুল করেছেন সকলে বলি আলহামদুলিল্লাহ দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলের প্রতি সকলে বলি আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি সম্মানিত উপস্থিতি আমি আপনাদের সম্মুখে সূরাতুল বাকার র ১৮৭ নম্বর আয়াতের আংশিক তেলাওয়াত করে শুনিয়েছি এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জবানী হতে বুখারীর ৫২০৪ নম্বর হাদিসটি বর্ণনা করে শুনিয়েছি। তেলাওয়াতকৃত আয়াত ও বর্ণিত হাদিসকে কেন্দ্র করে আমি আমার আলোচনার বিষয় নির্ধারণ করেছি।
স্বামী স্ত্রীর অধিকার। বর্ণিত বিষয়ের প্রতি পবিত্র কোরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে আমার অতীয় ক্ষুদ্র বিদ্যায় এক জনকল্যাণকর সংক্ষিপ্ত আলোচনা রাখার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। সম্মানিত উপস্থিতি গত জুম্মাতে আপনাদের মাঝে আলোচনা করেছিলাম পর্দার গুরুত্ব নিয়ে। তারই ধারাবাহিকতা নিয়ে আমি বলতে চেয়েছিলাম যে পরবর্তী জুম্মাতে আমি স্বামী স্ত্রীর অধিকার দায়িত্ব কর্তব্য নিয়ে কিছু কথা বলার চেষ্টা করব। সেজন্য আজকে আমি আমার বিষয়টি নির্ধারণ করেছি। স্বামী স্ত্রীর অধিকার অতএব একে অপরের প্রতি কি দায়িত্ব এবং কর্তব্য রয়েছে এ বিষয়গুলো নিয়ে। যদিও আমরা সকলেই স্বামীকে খেদমত করতে হবে। এ বিষয়ে অনেক ওয়াজ নসিহত শুনি। কিন্তু স্ত্রীরও কিছু অধিকার রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা কতটা অবগত আর জানলেও কতটা মান্য করি সেটা আল্লাহু আলাম।
সম্মানিত উপস্থিতি স্বামী স্ত্রী আল্লাহ তাালার একটি বিশেষ নিয়ামত আল্লাহর অপূর্ব সৃষ্টির এক দৃষ্টান্ত যার মাধ্যমে এ দুনিয়াবী জীবন সুখ শান্তিতে ভরপুর হয়ে ওঠে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাকে আমাকে এ পৃথিবীতে স্বামী স্ত্রী নামক জোড়া দিয়েই সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তালা সূরা নামবার আট নম্বর আয়াতে বলছেন আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি জোড়াতে জোড়ায় জোড়াই জোড়ায় সৃষ্টি করেছি। এই জোড়া বলতে স্বামী আর স্ত্রী। অতএব স্বামী আর স্ত্রী আল্লাহ তাালার এক বিশেষ নেয়ামত একটি জোড়া। আল্লাহ তাআলা এই জোড়া এই নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে বলেছেন এবং এই জোড়া বা এই নেয়ামতের একে অপরের যে অধিকার রয়েছে এই অধিকারের প্রতি আল্লাহ তাআলা আল্লাহর ব্যাপারে ভয় করতে বলেছেন।
যে তোমরা একে অপরে ভয় করো তোমাদের স্বামী স্ত্রীর অধিকারের ব্যাপারে। এজন্য আমরা যখন কোন বিবাহ পড়াই দেখবেন আমরা একটা আয়াত বলি সেটা হলো সূরা নিসার প্রথম নম্বর আয়াত এটা আমরা বলি না এটা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কাউকে বিবাহ দিতেন তখন সূরা নিসার প্রথম নম্বর আয়াত খুতবায় তেলাওয়াত করতেন এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা এই যে জোড়া বা স্বামী স্ত্রীর সৃষ্টির রহস্য এগুলো তুলে ধরেছেন আল্লাহতালা সূরা নিসার মাধ্যমে আমাদেরকে জানিয়েছেন ইয়া আইুহতালা ইন্নাল্লাহ আলাইকুম আল্লাহতালা এখানে বলছেন হে মানুষ হে মানুষ তোমরা যারা মানবজাতির রয়ে তোমাদেরকে বলছি তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো। তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো।
যিনি তোমাদেরকে একটি প্রাণ হতে সৃষ্টি করেছেন তথা আদম আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে সৃষ্টি করেছেন তার সহধর্মিনী হাওয়া আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এবং তাদের উভয়জন হতে এই পৃথিবীতে যত নরনারী রয়েছে এই পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত পূর্ব থেকে এখন এখন থেকে পরে যা কিছু আমরা বলি আমরা সকলেই আদমের ছেলেমেয়ে আমরা সবাই আদম সন্তান অতএব তাদের উবাহের মাধ্যমে এ পৃথিবীতে বহু নারী-পুরুষ আল্লাহ তাআলা ছড়িয়ে দিয়েছেন। অতঃপর আল্লাহ তাআলা বলছেন তোমরা ভয় করো আল্লাহকে যার নামের মাধ্যমে তোমরা একজন অপরজনের নিকট। অতএব স্বামী স্ত্রীর নিকট স্ত্রী স্বামীর নিকট হক অধিকার দাবি করে থাকো। তোমরা ভয় করো রক্তের সম্পর্কিত আত্মীয়র ব্যাপারে।
আল্লাহ তোমাদের উপরে সর্বক্ষণ পর্যবেক্ষক। আল্লাহ তালা এখানে জানিয়েছেন। এই আয়াত যদি আমরা বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখতে পাবো আল্লাহ তালা আমাদের নিয়ামত স্মরণ করে দিয়েছেন যে তোমরা ভয় করো আল্লাহকে যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন কি থেকে? একটি প্রাণ আদম আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এবং তার থেকে সৃষ্টি করেছেন তার সহধর্মণী হাওয়া আলাইহি ওয়াসাল্লামকে। এই যে আদম আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাওয়া আলাইহি সাল্লামকে সৃষ্টি করলেন এর মাধ্যমে আল্লাহ তালা দৃষ্টান্ত রাখলেন যে স্বামী স্ত্রী এটা দুইটা পাঠ নয় এটা একটি পাঠের দুইটা অংশ স্বামী আর স্ত্রী এটা দুইটা পাঠ নয় হাও আলাইহি সাল্লামকে আল্লাহতালা আলাদাভাবে সৃষ্টি করতে পারতেন যেমন আদম আলাইহি সালামকে সৃষ্টি করলেন ওভাবেইতো আলাদা করে সৃষ্টি করতে পারতেন কিন্তু আল্লাহতালা আদম আলাইহি সাল্লাম থেকেই তার পাজরের হার নিয়ে আল্লাহ তালা হাওয়া আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সৃষ্টি করলেন।
এ থেকে বোঝাতে চাইলেন তুমি যাকে স্ত্রী ভাবছো ওটা তোমারই একটা অংশ। তোমার দেহেরই একটা পাত। আবার স্ত্রীকে বোঝাতে চাইলেন তুমি যাকে স্বামী বলছো ওটা কোন পর নয়। ওটা তোমারই মূল পা। ওখানেই তোমার মিলন হবে। ওখানেই তোমার প্রশান্তি। ওখানেই তোমার ফিরে যেতে হবে। ওটাকে তুমি অস্বীকার করতে পারো না। অতএব তোমরা একে অপরের পরিপূরক। একে অপরের একটি অংশ। আল্লাহ তাআলা স্বামী স্ত্রীর মাঝে এই মেসেজটি এই বন্ধনটি যেন ঠিক থাকে এজন্য তিনি এই কথাটি আমাদেরকে জানিয়েছেন এবং বলে দিয়েছেন এই স্বামী স্ত্রীর মাধ্যমে এই আদম এবং হাও সাললামের মাধ্যমে আমি এই পৃথিবীতে অসংখ্য নারী এবং পুরুষ সৃষ্টি করেছি এরপরে আল্লাহতালা বললেন ভয় কর সেই আল্লাহকেলা ভয় করো সে আল্লাহকে তোমরা যার মাধ্যমে একে অপরের নিকট একে অন্যের নিকট অধিকার দাবি করে থাকো।
তাহলে এখানে বোঝা যাচ্ছে শুধু একজনের উপরে অধিকার নেই। স্বামীর যেমন স্ত্রীর উপর অধিকার রয়েছে স্ত্রীরও তেমন স্বামীর উপরে অধিকার রয়েছে। এটা আপনাকে আমাকে মাথায় রাখতে হবে। একে অন্যের কাছে আমরা যে অধিকার দাবি করে থাকি, যে হক দাবি করে থাকি এ ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা আপনাকে আমাকে আল্লাহকে ভয় করতে বলেছেন। তারপর তিনি বলেছেন যে তোমরা আল্লাহকে ভয় করো রক্তের সম্পর্কীয় আত্মীয়তার ব্যাপারে। এখানে একটা কথা বলে রাখতে হয় আত্মীয়তা তিন ক্যাটাগরিতে হয়। আত্মীয়তা তিনটা ক্যাটাগরিতে হয়।
এ বি সি এ ক্যাটাগরির আত্মীয় হল পিতার পক্ষের আত্মীয় পিতার পক্ষের আত্মীয় আপনার এটা একটু খেয়াল রাখবেন কোন মেসেজ না নিতে পারলেও অন্তত এটুকু মনে রাখেন আত্মীয়তার তিন প্রকার তার এ ক্যাটাগরি হচ্ছে পিতার পক্ষের আত্মীয় অতএব পিতার পক্ষের আত্মীয় মানে পিতা পিতার ভাই মানে চাচা পিতার বাপ মা মানে দাদা দাদি পিতার বোন তথা ফুপা আবার আবার ফুপা মানে জামাই না ফুফু জামাই আবার এ ক্যাটাগরিটা নয় আবার ছেলে মেয়ে এগুলো সব কিন্তু এ ক্যাটাগরি মানে পিতার রক্তের সাথে সম্পৃক্ত আছে যে মানুষগুলো তারা সব এ ক্যাটাগরির আত্মীয় অতএব প্রথম শাড়ির আত্মীয় দ্বিতীয় শারীর আত্মীয় হচ্ছে মায়ের রক্তের সম্পর্কে মায়ের বংশের মায়ের বংশের মামা তারপর খালা এ জাতীয় নানা নানি এ জাতীয় যারা মায়ের বংশের রক্তে রয়েছে তারা হল বি ক্যাটাগির আত্মীয় আর সি ক্যাটাগরির আত্মীয় হল শ্বশুরবাড়ির আত্মীয় সি ক্যাটাগরির আত্মীয় হল শ্বশুরবাড়ির আত্মীয় কিন্তু বর্তমানে আমাদের সময়ে এ ক্যাটাগরির আত্মীয় হল শশুরবাড়ির আত্মীয় আর বি ক্যাটাগরির
হল মামু হল এগুলো আর সি ক্যাটাগরি হল নিজের পিতা মাতা ইত্যাদি চাচা এ জাতীয় অনেকে দেখবেন চাচা চাচির সাথে কথা চাচার সঙ্গে কথা নাই দাদার সঙ্গে কথা নাই দাঙ্গ কথা নাই ভাই বোনের সঙ্গে কথা নাই ফুপুর বাড়ি ভুলে গিয়েছি আপনাদের দোষ দিব কি আমি নিজের কথাই বলি এই বাইরে থাকতে থাকতে আমি ভুলেই গিয়েছি আমার ফুপ বাড়ির রাস্তা কোন দিকে বুঝতে পারছেন আপনারা কয়দিন আপনার ফুপ বাড়ি গিয়েছেন মানে বাপের সম্পর্ক আত্মীয় আমরা ভুলে গিয়েছি তারা ছিল এ ক্যাটাগরির আত্মীয় অতএব সম্মানিত উপস্থিতি তাহলে এখানে প্রশ্ন এসে যায় শ্বশুরবাড়ির আত্মীয় যখন সি ক্যাটাগির তাহলে আমার ওয়াইফের আমার বাড়িতে আমার ওয়াইফ রয়েছে, স্ত্রী রয়েছে।
তাহলে আমার পিতা-মাতাও তো আমার ওয়াইফের কাছে সি ক্যাটাগরি। জি। আপনার ওয়াইফের কাছে আপনার পিতা-মাতা, আপনার বোন, আপনার ইত্যাদি যারা রয়েছে ভাই, চাচা তারা সি ক্যাটাগরির আত্মীয়। তাহলে একটা দ্বন্দ তো হয়ে গেল হুজুর। এ কি বললেন? এ ক্যাটাগরি দিয়ে গেলেন ভালো কথা। তো বহাল রাখেন স্ত্রীর জন্য এ ক্যাটাগরি। তাহলে আমি স্ত্রীকে দিয়ে আমার বাপ মার একটু খেদমত করা নিতে পারব। তাহলে আমার ওয়াইফকে এখন আলোচনা শোনার পরে যদি বলি যে আমার বাপের দেখো আমার বোনের দেখো বা ইত্যাদি ইত্যাদি দেখো তখন বলবেন এটা ফ্রি ক্যাটাগরির আত্মীয় আমি দেখতে পারতাম না। এটা তো বলতো সম্মানিত উপস্থিতি এটা দন্দবাধম্য নয়।
এটা মীমাংসা করলাম। আপোষ মীমাংসা করলাম। আপোষ মীমাংসা বোঝেন? আপনারা আমার চাইতে বেশি বোঝেন। আপস মীমাংসা। মানে আপনার শ্বশুর বাড়ির আত্মীয় আপনার স্ত্রীর জন্য এই ক্যাটাগরি মানে তার পিতা তার মাতা তার ভাই তার বোন তার জন্য এ ক্যাটাগরি তাহলে আপনার স্ত্রীর পিতামাতা যখন আপনার বাড়িতে আসবে তার জন্য এ ক্যাটাগরি আপনার স্ত্রীর জন্য তা সে তো তাদের এ ক্যাটাগরির খেদমত দিবে তা তার জন্য আপনার সহযোগিতা লাগবে আপনার সহযোগিতা লাগবে আপনি সহযোগিতা করবেন তা আপনি যখন বলবেন জি দেখো তোমার এ ক্যাটাগরির আত্মীয়কে সহযোগিতা করার জন্য মেহমানদারী করার জন্য আমি তোমাকে সাহায্য করছি আর আমার এ ক্যাটাগরির আত্মীয়কে মেহমানদারী করার জন্য তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করার জন্য তোমাকে সাহায্য করা লাগবে ব্যাস মীমাংসা হয়ে গেল কথা বুঝতে পারছেন এটাই মীমাংসা সম্মানিত উপস্থিতি যাক আমি বলতে চাচ্ছিলাম যেটা হল একটা ব্যাপার যে রাসূ সাল্লাল্লাহু আত সম্পর্ককে আমাদেরকে ভয় করতে বলেছেন আল্লাহ আমাদেরকে তৌফিক দান করুক আমরা যেন এই আত্ীয়তা সম্পর্কগুলো ঠিক রাখতে পারি।
সকলে আল্লাহুম্মা আমিন। সম্মানিত উপস্থিতি যদিও স্বামী আর স্ত্রী এটা রক্তের সম্পর্কিত কোন আত্মীয় নয়। এটা এ ক্যাটাগরির আত্মীয় ভিতরে পড়ে না। এটা ক্যাটাগরির আত্মীয়। কিন্তু পৃথিবীর মধ্যে সবচাইতে ঘনিষ্ঠ কাছের আপনজন বলতে আপনি যদি কাউকে বোঝান সেটা হল স্বামী আর স্ত্রী। আমি একটা কোথাও একটা টকশো অথবা গল্প পড়েছিলাম আমার মনে নাই বা শুনেছিলাম মনে নাই যে কোন এক ক্লাসে একজন শিক্ষক একটা মেয়েকে বলছেন তুমি পাঁচটা মানুষের নাম লেখো এক তোমার পিতা-মাতা তোমার ভাইবোন তোমার স্বামী তোমার সন্তান তোমার একজন ভালো বন্ধু এই পাঁচটা নাম লেখো নাম লেখা হলো তখন বলছে এদের থেকে একটা নাম তুমি কেটে দাও তখন মেয়েটাও এই ভালো বন্ধুর নামটা কেটে দিলেন।
তো বলছে তোমাকে আরেকটা নাম কাটতে হবে এখান থেকে। তো তখন উনি ভেবে ভাই বোনের নামটা কেটে দিলেন। তারপর বলছে তোমাকে আরেকটা নাম কাটতে হবে। তখন তিনি একটু ভেবে পিতামাতার নামটা কেটে দিলেন। তারপরে থেকে গেল এখন নিজের ছেলে সন্তান আর স্বামী। তখন শিক্ষক বলছে এই দুইটা থেকে তোমাকে একটা নাম কেটে দিতে হবে। তখন ওই মেয়েটার হাত কাপছে যে একদিকে আমার পেটে ধরা সন্তান আরেকদিকে আমার স্বামী আমি কার নাম কি দিতাম এখান থেকে তখন স্যার বলছে তোমাকে এই খেলায় জিততে হলে তোমাকে নাম কাটতেই হবে আজকে তখন ও মেয়েটা কি করল তার ওই ছেলের নামটি কেটে দিল এবং কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল তো যাই হোক এরপরে তাকে জিজ্ঞাসা করা হল যে তুমি কেন স্বামীর নামটি বাঁচিয়ে রেখে একে একে সবার নামটি কেটে দিলে তখন বলছে ভালো বন্ধু কেটে দিয়েছি আজ ভালো বন্ধু কাল নাও থাকতে পারে দিয়েছি আর ভাই বোন কেটে দিয়েছি আজকে ভাই বোন ভালো সম্পর্ক আছে কালকে
আবার কোন কারণে দ্বন্দ হতে পারে দূরে যেতে পারে এটা স্বাভাবিক পিতা-মাতাও অনেক সময় পর হয়ে যায় স্বার্থের কারণে বা স্বার্থের না কারণে হোক দুনিয়াবী সংগ্রামের কারণে একে অপরে অনেক দূরে চলে যায় কারণ আপনি পিতা এখন বাংলাদেশে রয়েছেন আপনার জামা মেয়ে হয়তো আমেরিকাতে থাকেন হয়তো অনেক দূরে থেকে যায় আবার ছেলেও অনেক সময় য় বাপ মাকে ফেলে দিয়ে অনেক দূরে অবস্থান করে তারা বাপ মার খোঁজখবর নেয় না কিন্তু সুখে দুঃখে মৃত্যু পর্যন্ত একে অপরের সাথে আলিঙ্গন করে সুখ দুঃখ ভাগ করে নেয় হাসি কান্না ভাগ করে নেয় যে নামটি সেই নামটি হল স্বামী আর স্ত্রী এটাই হল পৃথিবীতে সবচেয়ে মধুর সম্পর্ক যারা একে অপরকে কখনো ছেড়ে যায় না ফেলে যায় না সুখে দুঃখে হাসি কান্না সর্ব মুহূর্তেই তারা একজন আরেকজনের পাশে থাকে।
এ কারণেই আমি সব নাম কেটে দিয়েছি। শুধু আমার স্বামীর নামটি বাঁচিয়ে রেখেছি। সম্মানিত উপস্থিতি এটাই বাস্তবতা। এটাই ঠিক। এজন্য আমাদেরকে মনে রাখতে হবে আমরা এই বন্ধনটি তখনই অটো রাখতে পারব যখন এই ভালোবাসা উভয় উভয়ের প্রতি দেখাতে পারব। একজন আরেকজনের অধিকার সম্পর্কে সস্তন থাকবো। তখনই আমাদের মাঝে এই ভালোবাসা মহব্বত বৃদ্ধি পাবে। আমাদের সংসার সুখী হবে। আল্লাহ তাআলা সূরা বাকারার মাধ্যমে আমাদেরকে জানিয়েছেন আল্লাহ তালা আমাদেরকে বলছেন যুনা মিসুল্লা আলাইহিবিল্লাহ আল্লাহ তালা আমাদেরকে বলছেন সূরা বাকারা ২২৮ নম্বর আয়াত এখানে আল্লাহতালা বলছেন যেমন পুরুষদেরকে স্ত্রীদের উপরে অধিকার রয়েছে তেমনিভাবে স্ত্রীদের রয়েছে তার স্বামীর উপরে ন্যায়সঙ্গত অধিকার। এটা আল্লাহ বলছেন আপনার যেমন আপনার স্ত্রীর উপরে অধিকার রয়েছে তেমনিভাবে কি রয়েছে? আপনার উপরেও আপনার স্ত্রীর অধিকার রয়েছে।
এটা আপনাকে মনে রাখতে হবে। এই দিকটা ভুলে গেলে আপনি কখনো পৃথিবীর সুখ এবং শান্তিতে থাকতে পারবেন না বা স্থাপন করতে পারবেন না। এটাই বাস্তবতা। তবে আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাকে আল্লাহ জানিয়েছেন তবে স্ত্রীদের উপরে স্বামীদের মর্যাদা দেয়া হয়েছে কর্তৃত্ব দেয়া হয়েছে পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পুরুষ হল নারীদের পরিচালক কেনা আল্লাহ বলছেন যে আমি হল পরাক্রমশালী এবং প্রজ্ঞাময় কেন আমি এ দায়িত্ব দিয়েছি এ ব্যাপারে আমি সম্মুখ অবগত রয়েছি আমি এ ব্যাপারে মহাজ্ঞানী সম্মানিত উপস্থিতি অতএব আল্লাহতালা জবা করার এ আয়াতের মাধ্যমে আমাদের মাঝে স্পষ্ট দৃষ্টান্ত রেখেছেন মেসেজ দিয়েছেন পৃথিবীতে তোমরা যারা স্বামী রয়েছো তোমরা শুধু মনে করো না যে তোমাদের উপরেই শুধু অধিকার প্রয়োগ করার ক্ষমতা রয়েছে এটা নয় স্ত্রীরাও তোমাদের নিকটে হক বা অধিকার দাবি রাখে একে অন্যের উপরে ন্যায়সঙ্গত অধিকার রয়েছে এই অধিকারের দিকে যেন তোমাদের খেয়াল থাকে সম্মানিত উপস্থিতি শুধু তাই নয় আল্লাহতালা বাকারার ১৮৭ নম্বর আয়াতে আমাদেরকে বলছেন তারা স্ত্রীরা তোমাদের জন্য পোশাক আর
তোমরা স্ত্রীদের জন্য পোশাক সুবহানাল্লাহ আল্লাহতালা বলছেন তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের জন্য পোশাক আর তোমরা তোমাদের স্ত্রীগণের জন্য পোশাক পোশাক বলতে আমরা কি বুঝি আমার চাইতে পোশাকের ব্যাখ্যাটা আপনারা ভালো বলতে পারবেন পোশাক আমাকে কি করে? আমার শরীরের ভিতরে যদি কোন ক্ষত থাকে, ত্রুটি থাকে, দাগ থাকে ইত্যাদি থাকে তাহলে আমার এই পোশাক কিন্তু সেটা কি ঢেকে রাখে। সেটা প্রকাশ করে না। ঢেকে রাখে। সাথে সাথে আরেকটা কাজ করে। বাহিরের কোন আক্রমণ আমার দেহে যেন সরাসরি আঘাত না করতে পারে। এজন্য পোশাক প্রতিহত করে। যেমন আমি রাস্তা দিয়ে এসেছি। ধুলাবালি ইত্যাদি।
আরো কত রোগ জীবাণু ময়লা আবর্জনা ইত্যাদি রয়েছে যেটা সদা সর্বদা বাইরে থেকে আপনাকে আমার উপরে আক্রমণ করে চলেছে এই পোশাক সেটাকে প্রতিহত করছে পোশাক আগে সেটাকে গ্রহণ করছে ময়লা হচ্ছে এটাকে প্রতিহত করছে আর ভিতরের যে ত্রুটি রয়েছে কাটা দাগ ঘা পাচা ইত্যাদি ক্ষত যেগুলো আপনি মানুষের সম্মুখে প্রকাশ করতে চান না লজ্জা পাওয়া ওগুলোকে ঢেকে রেখেছে এই পোশাক কথা বুঝতে পেরেছেন? তাহলে পোশাক হলো এরকম। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক স্বামী স্ত্রীর বিষয়টি হলো একই রকম যে স্বামী তার স্ত্রীর জন্য পোশাক। স্ত্রী তার স্বামীর জন্য পোশাক। একে অপরের দোষ ত্রুটি সুখ-দুঃখ ইত্যাদি ঢেকে রাখবে। আবরণ করে রাখবে। এটাই হলো তাদের বাস্তব দৃষ্টান্ত।
সম্মানিত উপস্থিতি এরা দুনিয়াবী জীবনের সকল ক্ষতি থেকে বাঁচাবে। সকল ক্ষতি থেকে বাঁচাবে। কালকে না পশু আমার ওয়াইফ আমাকে বলছে অমুক নামে একটা মেয়ে সে ঘর থেকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করছে। তো বলছে আমি মেয়েটাকে খুব ভালো মনে করতাম। এখন দেখছি কোন মেয়েকে আর বিশ্বাস করা যায় না। তা আমি বললাম ঠিক আছে তুমি যার কথা বলছো দোষটা তার আছে। কিন্তু আমি তার চাইতেও দোষটা তার পিতামাতাকে দেই। আমি ঘুরে ফিরে আবার পিতামাতার দিকে যাই। কারণ আমি দোষটা তার পিতামাতাকে দেই। কারণ ওই মেয়েটার বয়স ২০ অথবা ২২ হয়ে গিয়েছে। ২০ ২২ বছরের মেয়েটা আপনার বাড়িতে রয়ে গেল। আপনি তার বিবাহর ব্যবস্থা কেন করলেন না? আপনি তো তার পোশাক পড়িয়ে দিলেন না।
বিবাহের মাধ্যমে তাকে আপনি পোশাক পড়িয়ে দিবেন। যে পোশাক কি করবে? তার নফসের যে খারাপ দিক রয়েছে তার নফসের ভিতরে যে খারাপ দিক জাগ্রত হয়। এটাকে ঢেকে রাখবে। এই যেমন পোশাক আমার ভিতরে জিনিসটা ঢেকে রেখেছে বাইরের আক্রমণ প্রতিহত করছে। ঠিক যদি আপনি বিবাহ দিয়ে দেন আপনার ছেলে এবং মেয়েকে তাহলে এই বিবাহ কি করবে? যে আপনারা অনেক পূর্বে রমাজান মাসে শায়েখ আব্দুর রহমান বিন মুবারক আলী হাফেজুল্লাহ তায়ালা তার এই যে তালিমী বই থাকে একটা বক্তব্য শুনেছিলেন নাফসের ব্যাপারে।
নাফসে আম্মারা নাফসে লাওয়ামা নাফসে মুতমাইন্না এ ব্যাপারে আপনার একটা বক্তব্য শুনেছিলেন তো নাফসের কাজ তো মন্দ দিকে ধাবিত করাই তার নাফ যে খারাপের দিকে ধাবিত করছে তার ভিতরে যে খারাপ একটা কুমন্ত্রণা রয়েছে আপনি যখন বিবাহ নামক এই পোশাক পড়িয়ে দিবেন স্বামী স্ত্রীর এই পোশাক পড়িয়ে দিবেন তাহলে তার ভিতরের এই ত্রুটি এই নফস এই কুমন্ত্রণা দ্রভিত হবে এবং বাইরের যে কুমন্ত্রণ রয়েছে আপনার মেয়ে যদি বিবাহ তাহলে বাইরের যে লম্পট যে আপনার মেয়েকে উত্তপ্ত করেছে ও জানবে বিবাহিত মেয়ে তাকে আর কি কইতাম এখন দেখছে বিবাহিত মেয়ে নাই সেও একটু বাইরের ময়লা আবর্জনা গায়ে লেগেছে আর এর ভিতরের কিছু দোষ ত্রুটি রয়েছে হয়ে গিয়েছে এইজন্য আপনাকে বলছি আপনার ছেলে মেয়ে বড় হয়েছে আপনি তাকে বিবাহ দিয়ে দিন পোশাক পড়িয়ে দিন তার নফসের পবিত্রতা রক্ষা হবে বাইরের আবর্জনা থেকেও আক্রমণ রেহাই পাবে এটাই বাস্তবতা আবু বকর মোহাম্মদ জাকারিয়া হাফেজ তালা আপনাদের এখানে নিয়মত তালিম বৈঠক করে থাকেন।
উনার একটা বক্তব্যর অংশ শুনেছিলাম। তিনি বলেছিলেন ছেলেকে বাড়িগাড়ি করে দিয়েন না। ছেলেকে বিবাহ দিয়ে দিন। ছেলেকে বাড়িগাড়ি করে দিয়েন না। ছেলেকে বিবাহ দিয়ে দিন। অথচ আপনি রয়েছেন আপনার ছেলেকে বাড়িগাড়ি করে দিবেন। এ নিয়েই ব্যস্ত বিবাহ আপনার মাথায় নেই। আপনার মেয়ে বয়স হয়ে গিয়েছে। আপনার মাথায় নেই। আপনার মেয়েকে বিবাহ দিতে হবে। আপনি কবে টয়লেট করবেন? কবে একখানা ঘর করবেন এ নিয়ে আপনি ব্যস্ত রয়েছেন। সম্মানিত উপস্থিতি অতএব বলছিলাম স্বামী স্ত্রী একে অন্যের পোশাক। এই পোশাক পরিহিত হলে দুনিয়াবী জীবনের পরকালীন জীবনের সকল ক্ষতি থেকে আল্লাহতালা হেফাজত করেন এই নারী এবং পুরুষ নামক এই স্বামী স্ত্রী নামক এই পোশাকের মাধ্যমে।
দুনিয়া দোষ দুটো হেফাজত হয়ে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আলামন এই পোশাককে সংরক্ষণ করার তৌফিক আমাদেরকে দান করুন। সকলে বলি আল্লাহুম্মা আমিন। সম্মানিত উপস্থিতি স্বামী স্ত্রীর দায়িত্ব এবং কর্তব্য বলতে গেলে অনেক কথা বলতে হয়। প্রথমত আমি স্ত্রী সম্পর্কে কয়েকটি বাক্য বলব যে স্ত্রীর কিছু অধিকার রয়েছে স্বামী স্ত্রীর ব্যাপারে স্বামীর কিছু অধিকার রয়েছে এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু সলাম বলেছেন হাকম ইবনে মবিয়া আলুরাইশহ্লাহ আলাইহি হাম ইবনে মবি আরাশ হুল্লাহ আলাইহি তার পিতার মাধ্যমে বর্ণনা করেন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেন আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আ সাল্লামকে আমি বললাম জিজ্ঞাসা করলাম মাজাতি আহাদিনা আলাইহি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীদের ব্যাপারে আমাদের কি হক রয়েছে আমাদের স্ত্রীদের আমাদের উপরে আমাদের স্ত্রীদের কি হক রয়েছে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন যখন খন তুমি খাবে তখন তুমি তাকে খাওয়াবে।
তার মানে এটা আপনি কি বুঝলেন? আপনি যখন খাবেন তখন শুধু খাওয়াবে না। যদি আপনি না খান তাহলে না খাবিয়ে রাখবেন। এটা নয়। এখান বলেছেন তুমি যে মানের খাদ্য খাবার খাও সেই মানের খাদ্য খাওয়ার তুমি তোমার স্ত্রীকে খাওয়াবে। অতএব যখন তুমি খাবে তখন তোমার স্ত্রীকে খাওয়াবে। অতএব তুমি যে মানের খাদ্য খাবার খাও সেই একই মানের খাদ্য খাবার তোমার স্ত্রীকে খাওয়াবে। যখন তুমি কাপড় পরিধান করবে তখন তাকেও কাপড় পরিধান করাবে। এখানেও একই কথা। মানে আপনি যখন কাপড় পড়বেন তখন শুধু তাকে কাপড় পড়তে দিবেন। অন্য সময় দিবেন না। এমনটি নয়। মানে আপনি যে মানের কাপড় পড়বেন। আপনি যে মানের কাপড় পড়বেন সেই একই মানের কাপড় আপনি কি করবেন? আপনার স্ত্রীকে পড়াবেন।
এই দুইটা আগে অধিকার আপনি আমি একটু আলোচনা করি। আচ্ছা এই দুইটা অধিকার কি আপনার আমার মাঝে রয়েছে? আপনি আমি যে মানের খাই সেই মানের খাওয়াকে আপনার স্ত্রী দেন। আপনি আমি যে মানের পড়ি সেই মানের পড়া, সেই মানের কাপড় কি আপনার রয়েছে? আপনারা দেন। আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা সচেতন মানুষ আলহামদুলিল্লাহ শহরের মানুষ শিক্ষিত মানুষ এখানে আলহামদুলিল্লাহ যারা আসে অধিকাংশ সব শিক্ষিত মানুষ আমার অনেক ভালো লাগে যাক এ কথা বলে আমি সময় পার করবো না আপনাদের ব্যাপার কিন্তু বাস্তবতা এমনিই আমাদের দেখা চোখে কিছু আমরা নবাব পেয়েছি কিছু নবাব পেয়েছি যাদের দেখলে মনে হয় তাদের জমিদারি রয়েছে তাদের বাইরের পোশাক আশাক দেখলে তাদের চালচলন দেখলে মনে হবে তাদের জমিদারি রয়েছে তারা ওই একটা কথায় বলে ভাত পাই না চা খাই সিগারেট নিয়ে টয়লেটে যায় এমন কিছু মানুষ দেখবেন ভাত নেই বাড়িতে কিন্তু বাজারে গিয়ে ১০ জন ভাই এই ১০টা চা দিয়ে দাও ব্যাস ইত্যাদি আবার একটা হাতে সিগারেট নিয়ে টয়লেটে
যাচ্ছে মানে ওর সিগারেট খরচ ওর চা খরচ দিন দুই থেকে ৩০০ টাকা ওর বাইরে দেখলে মনে হয় এর জমিদারি রয়েছে এ নবাবের কোন সন্তান হতে পারে এমন মনে হয় অথচ ওই বাড়িটি ওই পুরুষের বাড়িটি যখন আপনি এসে দেখবেন তখন দেখবেন তার স্ত্রীর হাল হাকিকত দেখলে মনে হবে একটা ভিখারীর বাড়ি তার স্ত্রী হয়তো কোন এক বাড়িতে হাতের বাটিটা নিয়ে বা থালা প্লেটটা নিয়ে গিয়ে বলছেন বুবুজি আপনার কি ভাত রান্না হয়েছে আমার ছেলেটা না খেয়ে আছে ওর খাওয়ার কিছু নেই ওর বাপ কালকে চাউল নিয়ে আসেনি এটা হয়তো বলছে এটা হয়তো বলছে দেখেছি আপনি হয়তো দেখতে পারেন। আমরা দেখেছি তাই বললাম।
অথচ তার জমিদারী দেখলে মনে হচ্ছে সে নবাবের সন্তান। সম্মানিত উপস্থিতি অতএব বলতে চাচ্ছিলাম আপনি যে মানের খাবেন আপনার স্ত্রীকে সেই মানের খাওয়াতে হবে এটা অধিকার। আপনি যে মানের পড়বেন সেই মানের পড়াতে হবে এটাও অধিকার। আপনি রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া করেন। অথচ আপনার স্ত্রী চোখে দেখে না এটা অধিকার নয়। আমাদের দেখা দৃষ্টিতে অনেক পরিবার রয়েছে বাড়িতে মেহমান আসলে আয়োজন করে মেহমান দিয়ে সব খাওয়ে দেওয়া হয় তিনিও হয়তো মেহমানদের সাথে বসে খেয়ে নেয় কিন্তু যিনি রান্না করেছেন স্ত্রী বা ইত্যাদি তারা কিছু খেয়েছে কিনা এ খোজখবর ওই পদ রাখে না এমন পরিবার অহন রয়েছে আপনি দেখতে পাবেন অহন রয়েছে আপনার পরিবারে খোঁজ নিলে হয়তো আপনিও পেয়ে যাবেন যেমনটি হয় আপনার পরিবারেও সম্মানিত উপস্থিতি অতএব আপনাকে বলছিলাম আপনি যে মানের খাবেন সেই মানের খাওয়াবেন।
আপনি যে মানের পড়বেন সেই মানের পড়াবেন। কেননা রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আবদুল্লাহর রাদিয়াল্লাহু তালা রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম৪২ নম্বর হাদিস দিয়ে আমাদেরকে বলেছেন একজন মানুষকে পাপী হওয়ার জন্য একজন মানুষকে অপরাধী হওয়ার জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে সে তার পরিবারের ব্যয়ভার খরচ বহন না করে তাদের পরিবারের ব্যয়ভার বন্ধ করে দিয়ে তাদেরকে কষ্ট দেয়। এটুকু করাই একজন মানুষকে পাপী হওয়ার জন্য একজন মানুষকে অপরাধী হওয়ার জন্য যথেষ্ট। অতএব আপনি আপনার পরিবারের ব্যয়ভার বহন না করে খোজখবর না নিয়ে তাদের ব্যয়ভার বন্ধ করে দিয়ে আপনাকে অপরাধী প্রমাণ করার জন্য আল্লাহর কাছে এটুকুই প্রমাণ যথেষ্ট হয়ে যাবে কিয়ামতের মাঠে যে আপনি আপনার পরিবার থেকে তাদের ব্যয়র খরচ আপনি তুলে নিয়েছিলেন তাদের খরচ আপনি বন্ধ করে দিয়েছিলেন।
সম্মানিত উপস্থিতি যতই আপনি অনেক কিছু করেন না কেন এগুলো দিকে খেয়াল রেখে পরকালীন জীবনে অপরাধ থেকে রেহাই পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। আপনাকে বিয়ে করতে কে বলেছে আপনি যদি খরচ বহন না করতে পারেন। আপনাকে বিয়ে করতে বলিনি। আপনাকে সিয়াম রাখতে বলা হয়েছে। আপনার ক্ষমতা নেই অর্থ যোগান দেওয়ার। আপনি পারেন না পরিবার চালাতে। তাহলে আপনাকে বিবাহ করতে কেন বলেছে? কে বলেছে আপনাকে বিবাহ করতে? আপনাকে সিয়াম রাখতে হবে। যেদিন আপনার ক্ষমতা হবে আপনি আপনার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে পারবেন। সেদিন বিবাহ করবেন। যদি কাজ করার ক্ষমতা না থাকে ভিক্ষা করে এনে হলেও আপনার স্ত্রীর ভরণপোষণ আপনাকেই দেওয়া লাগবে।
এজন্য আল্লাহতালা বলেছেন নারীর উপরে পুরুষের পরিচালকতা দিয়েছেন নেতৃত্ব দিয়েছেন সম্মানিত উপস্থিতি সম্মানিত উপস্থিতি বলছিলাম যে স্ত্রীর ব্যাপারে হক অতএব যে মানের খাবেন সেই ঈমানের খাওয়াবেন যা পড়বেন সেই ঈমানের পড়াবেন তাকে মুখে কখনো মারবেন না তাকে মুখে কখনো মারবেন এটা নবী সাল্লাম জিজ্ঞাস করে নিষেধ করেছেন এই মুখে মারবেন না এ কথাটা বলতে গিয়ে আমি আমার বক্তব্যের একটা ভুল স্বীকার করে নিচ্ছি আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুক এখান থেকে দুই জুম্মা পূর্বে আল্লাহ সম্পর্কে আকিদা নিয়ে একটা খুতবা আপনাদের মাঝে দিয়েছিলাম ওখানে একটা হাদিস বলেছিলাম যে আল্লাহতালা রাস কারের মুখে আঘাত করতে নিষেধ করেছেন কেননা আল্লাহতালা আল্লাহতালা আদম আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার সুরত সৃষ্টি করেছেন।
এ হাদিসটা বলেছিলাম। আপনারা যারা এখানে ছিলেন উপস্থিত আছেন আলোচনার পরে দেন ভাই হাদিসটা ব্যাপারে জানতে চাইল ব্যাপারে বিস্তারিত আমি অতটা ভালো উত্তর দিতে পারি নাই। পরবর্তীতে আমি বাসায় গিয়ে খোজখবর নিয়ে দেখলাম যে আলা সতহ এই কথাটা দিয়ে আমরা যে আল্লাহর দিকে নিয়ে যাই যে আল্লাহর আকৃতি আদম আলা সালামকে তৈরি করা হয়েছে আস্তাগফিরুল্লাহ। এটা ভুল। আল্লাহ তাালার আকৃতিতে আদম আলাই সালামকে সৃষ্টি করা হয়নি। আদম আলাইহি সালামের আকৃতিতে আদম আলাইহি সালামেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে। অতএব সত রহমান নয় এটা ভুল। এজন্য আমি আপনাদের আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আস্তাগফিরুল্লাহ আপনাদের মাঝে আমার ভুল স্বীকার করে নিচ্ছি। যে মেসেজটা আমার মাধ্যমে গিয়েছিল।
যদি আমি ওভাবে ক্লিয়ার করে বলিনি। তারপর আজকে ক্লিয়ার করে বললাম। কারণ আমার বিষয়টা জানা ছিল না। তবে আমি এটা এক বড় বিদ্বাান আহলে হাদিসের বড় বিদ্বাান। শায়েখ আব্দুর রাজক বিন ইউসুফের এক লিখনী থেকে এ হাদিসটা নিয়েছিলাম। যাই হোক আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুক। সম্মানিত উপস্থিত বলছিলাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীর মুখে মাত্র নিষেধ করেছেন আপনার এমনি একটু রাগ হয়েছে। টাচ করে আপনি আপনার স্ত্রীর মুখে এক চড় বসিয়ে দিলেন এটা নিষেধ করেছেন আর এখন সময়ে তো আপনি মহাপুরুষ।
স্ত্রীকে যে মারতে পারে সেই হলো মহাপুরুষ আমার ওই ক্লাসে একটা ছেলে বাংলা পরীক্ষার সময় একটা পরীক্ষা পড়ছে যে উত্তম পুরুষ কাকে বলে আমার ইমাম বুখারী ছাত্র যাই হোক উনি লিখছে ছাত্র লিখছে যে পুরুষ বেশি কথা বলে তাকে বলে উত্তম পুরুষ যা হোক একটা পুরুষের সংজ্ঞা পেলাম আর আপনার কাছে যদি জিজ্ঞেস করা হয় উত্তম পুরুষ কাকে বলে আপনি বলবেন যে স্ত্রী পিটাতে হল উত্তম পুরুষ কারণ আমরা মনে করি স্ত্রীকে পিটাতে পারলেই মনে হয় কি আমরা মহাপুরুষ অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলা স্ত্রীকে পিটাতে মারতে নিষেধ করেছেন এটা মারার জায়গা না এটা ভালোবাসার জায়গা এটা মহব্বতের জায়গা এটা সোহাগের জায়গা আদরের জায়গা এর চাইতে আদর সোহাগের জায়গা পৃথিবীতে নেই পরকালেও নেই পরকালেও নেই স্বামী স্ত্রীর মত আদরের সোহাগের ভালোবাসার জায়গা দুনিয়াতেও নেই পরকালেও নেই আপনি হর্নি হর্নি করেন সেটাও তো স্ত্রী সেটাও তো স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক মত তা আপনি কোথায় কি করবেন সম্মানিত উপস্থিতি নবী এজন্য বলেছেন আবদুল্লাহ জামা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল্লাহ বর্ণিত তিনি বলেন রাস সাল্লাল্লাহু আলাইহি বলেছেন শোন তোমরা তোমাদের স্ত্রীদেরকে কৃতদাসের মত মারধর করো না।
লাঠি পিটা করো না। মানুষ যেমন লাঠি পিটা করে অনুরপভাবে তোমরা তোমাদের স্ত্রীদেরকে লাঠি পিটা করো না। কেননা দিন শেষেই তো তুমি তার সাথেই মিলিত হবে। বুখারী ৫২০৪ নাম্বার হাদিস। অতএব বুখারীর ৫২০৪ নাম্বার হাদিস দিয়ে আর পূর্বের যে হাদিসের ব্যাখ্যা করতেছিলাম এই দুইটা হাদিস একত্রিত করে আপনার অধিকার চাচ্ছিলাম। আপনার অধিকার এই নেই যে আপনার মন চাইলে ঠাস করে আপনি স্ত্রীর গায়ে হাত তুললেন। আপনার অধিকার হল এই আপনি আপনার স্ত্রীকে পিটাতে পারবেন না। উপদেশ দিবেন, নসিহা দিবেন। আপনি ব্যর্থ। এজন্য আপনাকে লাঠি পিটা করতে হয়। আপনি নসিহা দিতে ব্যর্থ। আপনার কাছে কলাকৌশল নাই। এজন্য আপনি আপনার স্ত্রীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না।
আপনাকে লাঠি পিটা করতে হয়। সম্মানিত উপস্থিতি অতএব লাঠি পিটা করা নিষেধ প্রহার করা যাবে না। এরপরে রাস বলছেন তোমরা তাকে অশ্লীল গালমন্দ করিও না। তোমরা তাকে নিন্দনীয় কোন কথা শুনিও না। অশ্লীল গালমন্দ দিয়ে কোন কথা বলা যাবে না। অথচ আমাদের শহর এলাকায় এটা নাই। আমি গ্রামের ছিলাম। বলছে আমি পূর্বে যখন গ্রামে থাকতাম তখন দেখতাম আহারে স্বামী স্ত্রী সদা সর্বদা যুদ্ধই লেগেই রয়েছে। কি যে বাক্য একে অপরের মধ্যে চাল হচ্ছে একজন একটা বুলেট ছুড়ে দিচ্ছে আরেকজন আরেকটা বুলেট ছুড়ে দিচ্ছে। এমনভাবে চলতেই আছে অশ্লীল গান মন্দ। শুধু অশ্লীল গান মন্দ নয়। এখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুটুকথা।
এই বাক্য দিয়ে অশ্লীল কুটোকথা যেকোনো বচন ভঙ্গি নিষেধ করেছেন। যেমন আপনি আপনার স্ত্রীকে বললেন আপনার স্ত্রী হয়তো দেখতে একটু খাটো। আপনি বললেন তুমি বেটে। এই যে আপনি তাকে খাটো করে বললেন ও আপনার ভরসা অনুসার করবে ঠিকই। কিন্তু হৃদয়ের আগুন লিখে রেখে দিবে। আপনি তাকে বেটে বলেছিলেন। আপনি তাকে বললেন যে তোমার চোখটা একটু টেরা। এই যে বললেন একদিন ও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লিখা রাখবে যে আপনি বলেছিলেন যে ওর চোখ টেরা। আপনি বলেছিলেন যে তোমার ঠোটটা একটু কালো। এই যে বলেছিলেন একদিন ও লিখে রেখে দিবে। আপনার প্রতি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই খুব থেকে যাবে যে আপনি বলেছিলেন একদিন।
অতএব কখনো এমন কুটু কথা শোনাবেন না। কিছু দোষ ত্রুটি থাকবেই স্বাভাবিক। ওটা মনেতে মনেতেই রাখবেন। কখনো শোনাবেন না। কুটু কথা বলবেন না। এটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষেধ করেছেন। অশ্লীল বাক্য করবেন না। কিন্তু আমাদের দেশে এগুলো নাই। আমরা তো কুটো কথা শুনাই। অশ্লীল বাক্য শুনাই। কত কিছু আমাদের মাঝে হয়ে যায় আল্লাহু আলাম একটা গল্প শুনেছিলাম এক দোস্ত আরেক দোস্তকে বলছে দোস্ত তোরা তো অনেক সুখে রয়েছিস তো বলছে কিভাবে বুঝলি যে আমরা সুখে রয়েছি তো বলছে রোজ যখন তোদের বাড়ির পাশ দিয়ে আমি যাত করি তখন দেখি তোরা স্বামী স্ত্রী হাসাহাসি করিস আমি আমার গ্রাম্য ভাষায় কথা বলছি কিন্তু বলছে আমি যখন রোজ তোদের বাসা দিয়ে যাত করি রাস্তার সাইড দিয়ে তখন দেখি প্রায়ই তোরা স্বামী স্ত্রী কি করিস হাসাহাসি করিস তো বলছে বলছে আরে দোস্ত এটা সুখে থাকার প্রমাণ না।
তার মানে হলো এই আমি যখন বাইরে থেকে আমার গৃহে প্রবেশ করি বাড়িতে যাই তখন আমার স্ত্রী তার হাতের কাছে যা পায় ওটা আমার দিকে ছুড়ে ছেড়ে মারে। আর ওটা যদি আমার গায়ে লাগে তাহলে আমার স্ত্রী হাসে আর না লাগলে আমি হাসি। এটাই হলো আমাদের সুখের মূল চাবিকাটি। হাসাহাসি মূল চাবিকাটি। বাস্তবতা এরকমই। দেখবেন আপনি অফিস করে গেছেন আমি হয়তো এটা অন্তরে বললাম। এটাই হবে। আপনি অফিস করে গেছেন আপনার স্ত্রী আপনার দিকে বুলেট ছুড়ে মারছে হয়তো হাতের কাছে নেই কোন মুখের বুলেট দিতেই আছে আরে আপনি গিয়েছেন আপনার সঙ্গে দুটো হেসে কথা বলবে তা নয় বুলেট দিতে আছে অথচ নবী সাল্লাম বলছেন সেই সর্বোত্তম স্ত্রী যে প্রথম দর্শনেই তার স্বামীকে খুশি করতে পারে মানে স্বামী তার দিকে দৃষ্টি দিলেই খুশি হয়ে যায় এমন একটা ভাবে সে আপনার দিকে এগিয়ে এসেছে যে স্বামী দেখেই খুশি এজন্য আমাদের যারা একটু অর্থবিত্ত রয়েছে তাদের কপালটা ভালো তারা স্ত্রীর হাতের সেবা কম
পায় আপনাদের কথা বলছি না আপনাদের কথা বলবো না তারা স্ত্রীর হাতের সেবা কেন কম পায় আমি বাসায় গেলে তো আমার স্ত্রী রিমোট নিয়ে অথবা মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে ওতো আমার জন্য ভাত বা পানি নিয়ে আসে না ও বলে জরিনা তোর বাবু এসেছে ভাত দিয়ে দিয়ে তখন জরিনা নিয়ে আসে ভাত জরিনা নিয়ে আসে পানি জরিনা বলে বাবু ফ্যান চালাবো নাকি জরিনা বলে এসি বাড়াব নাকি জরিনা বলে বিদ্যুত নেই রাখার বাতাস দেব নাকি জরিনাই বাতাস দেয়। এখন আবার পরকিয়া করলে সমস্যা হয়। তা ভালোবাসা কি জরিনার পথে হবে না আপনার স্ত্রীর প্রতি হবে? বাতাস দিচ্ছে জরিনা, ফ্যান চালায় জরিনা, এসি চালায় জরিনা, পানি দেয় জরিনা, ভাত দেয় জরিনা, সবকিছু করে জরিনা।
তাহলে ভালোবাসা কার প্রতি হবে? সম্মানিত উপস্থিতি এ কারণে বর্তমানে পরকীয়ার সংকটও বেশি। সম্মানিত উপস্থিতি অতএব বলতে চাচ্ছিলাম যে আমাদেরকে নিজেদের জীবনে এই ভালোবাসা বৃদ্ধি করাতে হবে ঠিক পুরুষদেরকে একই পুরুষদেরকে স্ত্রীদের কাছে ভালো হতে হবে নবী সাল্লাল্লাহু বলেছেন তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম যে তার স্ত্রীর নিকটে উত্তম আমি আমার স্ত্রীর নিকটে উত্তম তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম যে কার নিকটে উত্তম পরিবারের নিকট পরিবার বলতে স্ত্রীর নিকটে উত্তম আমি আমার পরিবার আমার স্ত্রীর নিকটে উত্তম আমরা আমাদের স্ত্রীর কাছে ভালো না আপনার সুনাম ভাবীর কাছে গিয়ে পাবেন আপনার সুনাম করবে ভাব যে অমুক ভাই খুব ভালো মানুষ আপনার সুনাম করবে আপনার শালিকা ওরে দুলা ভাই কি যে ভালো মানুষ আমারে এ নিয়ে খাওয়ায় আমার তা নিয়ে খাওয়ায় আমারে নিয়ে ওখানে ঘুরতে যাই সেখানে ঘুরতে যায় কত সুনাম শালিকা করে বউয়ের কাছে আপনার সুনাম নেই কারণ বউকে তো আপনি কিছুই এনে খাওয়ান না।
বউকে নিয়ে তো কখনো ঘুরতেই যান না। সম্মানিত উপস্থিতি সময় অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। যাক বলতে চাচ্ছিলাম আমাদেরকে এই মহব্বত তৈরি করতে হবে। আমরা যেন একে অপরকে ভালোবাসতে পারি। আলিঙ্গন করতে পারি। একে অপরের দায়িত্ব পালন করতে পারি। আমরা যেন আমাদের স্ত্রীর কাছে ভালো হতে পারি। আর আমরা যারা স্ত্রী রয়েছে আমরা স্ত্রীরা যেন স্বামীর প্রথম দেখাতেই খুশি করতে পারি। রিক্সাচালক অনেক ভালো। ও সারাদিন রিক্সা চালিয়ে বাড়ি যাই। বাড়ি গেলেই তার স্ত্রী ছুটে আসে। এসে এক গ্লাস পানি তার সামনে ধরে। ধরে বলে তুমি অনেক কষ্ট করে এসেছো। আগে রাখো গ্লাসে পানিটা খেয়ে নাও। তারপরে দেখছি কি করা যায়।
তোমার জন্য ভাত বড় রেখেছি। ভাতটা খেয়ে নাও। বাড়িতে তো কারেন্ট নেই বা ইত্যাদি নেই। একটু বাতাস করি ইত্যাদি করি। অথবা শীতের দিনে তুমি এসেছো। আমি একটু পানি গরম করে রেখেছি। বা তুমি বসো। আমি পানি গরম করে এনে দিচ্ছি। তুমি গোসল করে নাও। এগুলো রিক্সাচালকটা পেয়ে যায়। কিন্তু আমাদের মত বা আমরা যারা মধ্যবিত্ত রয়েছি একটু তারা এদিক থেকে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছি। আল্লাহ আমাদেরকে এই নিয়ামতে ভরপুর করে দিন। আল্লাহুম্মা আমিন। সম্মানিত উপস্থিতি এরপরে বলছেন পাঁচ নাম্বার যে কথা তিনি বলছেন বাড়িতে ব্যতীত তাকে একা ছাড়বে না। বাড়িতে ব্যতীত তাকে একা ছাড়বে না। বাড়িতে আছে ঠিক আছে। একা এক ঘরে থাক।
কিন্তু বাড়ির বাইরে তাকে একা ছেড়ে দিবে না। যাও তুমি মার্কেট করে নিয়ে আসো। তুমি অমুক মার্কেটে চলে যাও। তুমি অমুক মহলে চলে যাও। তুমি এই করো তাই করো। এইভাবে একা ছাড়া যাবে না। আজকের সকালের ঘটনা। আমি এই হাদিসটি পড়ছিলাম। তো সব হাদিস একটু আস্তে আস্তে বললাম। আর এই কথাটা একটু জোরে বললাম। যাতে আমার ওয়াইফ একটু শুনতে পাই। রান্না করছিল। আমার ওয়াইফের সঙ্গে জোরে বললাম যে রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন তোমরা তোমাদের স্ত্রীদেরকে একা ছাড়বে না। বাড়িতে ব্যতীত। তখন আমার স্ত্রী হুট করে বলছে যেটা আমাদের ঘাড়ের উপরে পড়ে সেটা জোরে শোনান। যেটা আপনাদের ঘাড়ের উপরে পড়ে সেটা একটু শোনান দেখি।
আমার ওয়াইফ বলছে তখন আমি আমার স্ত্রীকে বলছি এটা তো তোমাদের ঘাড়ের উপরে পড়িনি। তোমাদের ঘাড়ে নিচ্ছে না। এটা আমাদের ঘাড়ের উপরে পড়ছে। কেন? যদি মনে করো কেউ তার বাপ তার স্ত্রীকে বলে এই দেখো সন্তানকে একা স্কুলে পাঠাবে না। হয় তুমি গিয়ে রেখে আসবে নাই বিশ্বাস্ত কোন একজন মানুষ তার সঙ্গী করে সন্তানকে ছাড়বে। তাহলে এটা স্ত্রীর দায়িত্ব বেড়ে গেল না কমে গেল? বেড়ে গেল। তো ঠিক আল্লাহ আমাদের দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ বলছেন তোমার স্ত্রীকে একা ছেড়ো না। তুমি হয় তার সাথে দাও নতুবা তোমার মত দায়িত্ব পালন করতে পারে এমন কাউকে তার সাথে দাও। তাহলে এটা তোমাদের উপরে দায়িত্ব করিনি।
আমাদের ঘাড়েই পড়েছে। সম্মানিত উপস্থিতি অতএব বলতে চাচ্ছিলাম স্ত্রীকে একা ছাড়া যাবে না। তার মানে এই নয় স্ত্রী ঘরের ভিতরে বন্দি থাকবে। এমনটি নয় স্ত্রীকে নিয়ে আনন্দ করতে হয় এটা আপনার আমার জানা আছে কিনা জানিনা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা বর্ণিত তিনি বলছেন এখন হাবসী গোলামরা মসজিদে মনোয়ার নববীতে খেলা করছিলেন তীর নিয়ে খেলা করছিলেন রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আমাকে আব্রাল করে দাঁড়ালেন আমি তার ঘাড়ের উপর দিয়ে খেলা দেখছিলাম ততক্ষণ পর্যন্ত রাসূ সাল্লা দাড়িয়েছিলেন আমার আড়াল করে যতক্ষণ না আমি নিচ থেকে বলেছিলাম যে আমি আর খেলা দেখব না যতক্ষণ আমি খেলা দেখতে চেয়েছিলাম ততক্ষণ তিনি আমাকে খেলা খেলেন আপনাদের স্ত্রী কেমন কিছু করেছেন তাকে আনন্দ দিয়েছেন কখনো না আপনি জানেন যে ঘর থেকে বের করা যায় না যারা বের করেছে ওরা নেংটা করে বের করেছে আর আপনি বের করেননি একেবারে বের করেননি কেন তাকে বের করতে হবে তাকে আনন্দ দিতে হবে কেন আপনি হাদিস জানেননি আয়েশা
রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু বলছেন এখন আমরা সফরে ছিলাম রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আমরা দৌড় প্রতিযোগিতা করলাম সেই দৌড় প্রতিযোগিতায় আমি জয়ী হলাম আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু বলছেন আমি জয়ী হলাম অতঃপর আবার অনেকদিন পরে আমি মোটা হয়ে গেলাম তারপরে আবার একসময় আমরা দৌড় প্রতিযোগিতা করলাম তখন আমি হেরে গেলাম রাসূ জয়ী হল আর রাসূ বলল হেসে হেসে যে ওই দিনের জয় আজকের সো দেখেন আনন্দ আনন্দ দেখেন স্বামী স্ত্রীর আনন্দ মহব্বত ভালোবাসা আপনি আমি আপনি আমি কি করেছি আপনাকে সাথে নিয়ে ঘুরতে হবে আপনি ঘুরতে যান না যান কক্সবাজারে ঘুরে আসেন সমস্যা নাই তো আপনি ঘুরে আসেন আপনি যান সেন্ট মার্টিন ঘুরে আসেন যান আপনি সাদা পাথর ঘুরে আসেন ইত্যাদি আরো আপনার অর্থবদ্ধ থাকলে আপনি ঘুরে আসেন সিঙ্গাপুর থেকে ঘুরে আসেন সমস্যা নাই আপনাকে ঘুরতে হবে পরিবারের সাথে সময় দিতে হবে এটা আপনাকে মনে রাখতে হবে সম্মানিত উপস্থিতি রাস স্ত্রীদের সাথে কত ভালো ব্যবহার করেছেন কত মহব্বত করেছেন
তার একটা দৃষ্টান্ত আপনাকে আমি পেশ করি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা তিনি বলছেন রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি যখন ঋতুবতি তখন পানি পান করতাম আমি যখন ঋতুব তখন আমি পানি পান করতাম সাল্লাল্লাহু অতঃপর সেই পানির পতটি আমি রাস সাল্লাল্লাহু আলা নিকট হাতে দিতাম নবী সাল্লাল্লাহু সলাম পাত্রটি হাতে নিয়ে সেখানেই ঠোট মুখ লাগিয়ে পানি পান করতেন যে গ্লাসের যে জায়গাটিতে আমি লাগ পানি পান করেছিলাম সুবহানাল্লাহ এটা ভালোবাসা তারপর আমি গোসত টুকরা হতে খেতাম যখন আমি ঋতুবতী আমি অবস্থায় গোসত হতে খেতাম অতপর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই গোসত টুকরা রাসের কাছে বা হাতে দিতাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোস্ত টুকরাটি সেই জায়গাতে মুখ লাগিয়ে খেতেন যে জায়গাতে মুখ লাগিয়ে আমি গোসত টুকরাটি খেয়েছিলাম সুবহানাল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু আলা স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা আপনি আমি ভালোবাসা দেখিয়েছে কখনো এক গ্লাসে একই জায়গায় ঠোট লাগানো তো দূরের কথা একই গ্লাসে পানি খাই কিনা এটা তো সন্দেহ আছে একই গ্লাসে পানি খাই কিনা আরে
একই গ্লাস দূরের কথা স্বামী স্ত্রী একসঙ্গে বসে ভাত খায় কিনা এটা নিয়েও সন্দেহ আছে যে স্বামী আর স্ত্রী একসঙ্গে বসে ভাত খায় এটাও খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা যদি এখন পরীক্ষা দি কয়জন স্বামী স্ত্রী একই সঙ্গে এক জায়গাতে বসে ভাত খান তিন তিনবেলা ভাত খান তবে একই সাথে বসে ভাত খান পাওয়া খুবই কষ্টকর হয়ে যাবে সম্মানিত উপস্থিতি এটা হল ভালোবাসা এটা হল একে অপরের প্রতি সহানুভতি মহব্বত এটা হল অধিকার এটা হল কর্তব্য এটা হল দুনিয়াবী জীবনের একটা সুন্দর সূচনা সম্মানিত উপস্থিতি আমরা এটা ভুলে গিয়েছি আমরা মনে করেছি স্ত্রীদের সাথে ভালো ব্যবহার করতে নেই তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে হয় আমার মা বোনরা মনে করেছেন হুজুররা শুধু স্বামীর অধিকার বলে স্ত্রীর অধিকার বলে না আমরা সব অধিকারী বলি কেউ মানে কেউ মানে না আল্লাহতালা সূরা নিসা ১৯ নম্বর আয়াত বলছেন তোমরা তাদের সাথে স্ত্রীদের সাথে সৎভাবে জীবন যাপন তোমরা স্ত্রীদের সাথে কি করো? সৎভাবে জীবনযাপন করো।
সুন্দরভাবে সৎভাবে জীবনযাপন মানে কি? তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করো। তাদের কুটু কথা বলো না। তাদের গালি দিও না। তাদের পিটিও না, মারধর করিও না। তাদের সাংসারিক কাজে সাহায্য সহযোগিতা করো। এখানে আবার একটা সমস্যা রয়েছে। আপনার মনটা একটু আজকে চাইছে হয়তো আলোচনা শুনেছে। আজকে থেকে একটু ওয়াইফের কাজে সাহায্য সহযোগিতা করব। একটু ভালোবাসা দেখিয়ে দেব। যে স্বামী হিসেবে ভালোবাসতে পারি কিনা। সমস্যা তো একটা আছে। আপনি আজকে আলোচনা শুনে আপনার স্ত্রীর কাজে গিয়ে বললেন যে তুমি কি রান্না করছো দেখি আমি তোমাকে সাহায্য করি। তোমার পানিটা একটু এনে দেই বা ইত্যাদি করে দিই। যাও তোমার রান্নাটার কাজটা একটু আগিয়ে দিই।
এটা আপনি করার চেষ্টা করলেন যেন একটু সামান্য করলেন আমরা করি। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ যত সম্ভব পারি। যাই হোক এটা করলেন করলে আবার সমস্যা আছে। আপনার মা আছে না? ও আবার এটা খুব খারাপ মনে করে। কিন্তু একটা জিনিস দেখেন একই মেরেন একই মানুষ দুই রকম চিন্তাভাবনা আপনার বোন বিয়ে দিয়েছে না তা আপনার দুলাভাই আপনার বোনরে নিয়ে ঘুরতে যায় ওই হোটেল থেকে নাস্তা এনে নিয়ে খাওয়ায় বিভিন্ন বার্গার ইত্যাদি এগুলো এনে খাওয়ায় বা ভালো ভালো জিনিস এনে খাওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যায় আপনার দুলাভাই আপনার বোনরে রান্নাবান্নায় সাহায্য করে আরো ইত্যাদি ঘরের কাজে সাহায্য করে আপনার মা গাল ফুলিয়ে বলে আরে কপাল গুনে জামাই পেয়েছি এখন শোনা সোহাগা জামাই এমন জামাই হয় নাারে এমন জামাই হয় না খুব ভালো বংশের ছেলে কত সুনাম জামাইয়ের তাই না ভালো বংশের কেন সাহায্য করছে আমার মেয়ের ঠিক ওই একই কাজটি যদি আপনার ছেলে আরেকজন মেয়ের করে দেয় তখন যদি কেউ জিজ্ঞেস করে বুবুজি
বৌমা কেমন হল আর বলো না বৌমা হল রাজরানী আর আমার ছেলে তো হল তার গোলাম কথা বুঝতে পারছেন একই পেন্ট একই কাজ একই কর্ম দুই জায়গায় দুই চিন্তাভাবনা আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুক আল্লাহুম্মা আমিন সম্মানিত উপস্থিতি বেশিরভাগ কথা সব আমাদের মা বোনদের পক্ষে চলে গেল তা আমাদের এখানে অনেক বাবাজীরা রয়েছেন তারা বলল হুজুর আজকে কি শুধু আমাদের বোনদের জন্য ওয়াজ নিয়ে আসতেন আমাদের একটু কিছু বলে যান নাই বাড়ি গেলে তো আমাদের খাওয়াদাওয়া বন্ধ সম্মানিত উপস্থিতি পুরুষদের জন্য বলা লাগে না একটা কথাই ক্লিয়ার সবার উপরে নেতৃত্ব শ্রেষ্ঠত্ব জায়গা হল পুরুষের পুরুষের নেতৃত্ব শ্রেষ্ঠত্ব আল্লাহ দিয়েছেন আল্লাহ বলেছেন অতএব যারা এই শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখে না যারা নিজের স্বামীকে রাজা মনে করে না নিজের স্বামীকে প্রজা মনে করে নিজেকে কর্মচারী মনে করে এটা তাদের জন্য ব্যাড লাক তারা নিজের স্বামীকে মনে করে নিজেকে রাজানী মনে করুক এটাই আমরা চাই আমি দুটো হাদিস বলব শুধুমাত্র আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু
তালা আনহু তিনি বলছেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আলমার সলাহা যখন একজন স্ত্রীর পাচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে এবং রমাজানের ফরজ সিয়াম পালন করে এবং লজ্জা স্থানের হেফাজত করে এবং স্বামীর আনুগত্য করে কয়টা কথা বললাম মা বোনদের বলছি পুরুষরা মনে রাখ চলবে মা বোন এটুকু আলোচনা আপনার জন্য বলছি আজকে এটুকু কথা মাথায় রেখেন আল্লাহ রাসূ বললেন যখন কোন নারী যখন কোন মহিলা যখন কোন স্ত্রী চারটা কাজ করে এক পাচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে দুই রমাজান মাসের সিয়াম পালন করবে শুধু ফরজ সিয়াম নফল সিয়াম নয় কেননা নফল ইবাদত স্বামীর অনুমতি ছাড়া থাকা যায় না এটুকু শ্রেষ্ঠত্ব আল্লাহ স্বামীকে দিয়েছেন এটা মাথায় রাখবেন সম্মানিত উপস্থিতি ত আপনি আপনার লজ্জাস্থানের হেফাজত করবেন পর্দাপতিতায় থাকবেন এটা ফরজ আপনার উপরে চার নাম্বার হল আপনি আপনার স্বামীর আনুগত্য করে চলবেন তার অবাধ্য হবেন না এটুকু যদি চলেন বলেছেন এই চারটি কাজ যে নারী করল নারী জান্নাতে প্রবেশ করবে জান্নাতের যেকন দরজা
দিয়ে এবার বুঝে নেন স্বামী আপনার জন্য কি আপনার জন্য স্বামী কি এটা বুঝে নেন আপনার কাছে জিজ্ঞেস করা হবে না আজকে বাড়িতে চাউল নেই কেন বাড়িতে খাওয়া হলো না কেন এই পরিবারে ওখানে সমাজে এই হয়েছে সেই হয়েছে রাষ্ট্রে এই হয়েছে সেই হয়েছে ইত্যাদি কোন বিচার আদব আখলাক আপনার কাছে জিজ্ঞাসা করা হবে না ঘুষ খেয়েছেন সুদ খেয়েছেন কি করেছেন কিচ্ছু জিজ্ঞাসা করা হবে না আপনাকে আল্লাহ দেখবে আপনি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেছেন কিনা আপনি রমাজানের সিয়াম পালন করেছেন কিনা আপনি নিজেকে হেফাজত লজ্জা স্থানের হেফাজত করেছেন কিনা পর্দা করেছেন কিনা আর আপনি স্বামীর আনুগত্য করেছেন কিনা চারটা কাজ করেছি দুনিয়াতে আমার চারটা কাজ ছিল আর ছিল মানে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে আপনি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন এর নাম হল স্বামীর আনুগত্য সম্মানিত উপস্থিতি এটা আপনি মাথায় রেখেন কিন্তু পুরুষের জন্য দুনিয়া সব কাটা হিসাব করতে হবে তার দুনিয়াবী জীবনের সকল দায়িত্ব সম্পর্কে এক একটা করে কেয়ামতের
মাঠে আল্লাহ জিজ্ঞাসা করবেন সম্মানিত উপস্থিতি শুধু তাই নয় আবু বলেন রাস সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আল্লাহতালা এভাবেই বলেছেন জানিয়েছেন যদি আল্লাহ ব্যতীত কাউকে সেজদা করা বৈধ থাকতো আল্লাহ ব্যতীত দুনিয়াতে যদি আল্লাহ ব্যতীত দুনিয়াতে যদি কাউকে দ্বিতীয় কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় কোন মাধ্যমকে সেজদা করা বৈধ থাকতো স্ত্রীদেরকে নির্দেশ দিতেন তারা যেন তাদের স্বামীকে সেজদা করে আপনি বুঝে নেন আপনার কিছু স্বামী আলোচনা যা করেছি দুটোভা ভাগ্য আপনাকে শুনিয়ে গেলাম স্বামী আপনার নিকটে কি এটা বলে দিচ্ছি পৃথিবীতে যদি আল্লাহ ব্যতীত দ্বিতীয় কোন মাধ্যম থাকতো সেজদা করার অনুমতি থাকতো তাহলে আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক স্ত্রীকে নির্দেশ করতেন তারা যেন তাদের স্বামীকে সেজদা করে যদিও সেজদা করা হারাম পৃথিবীতে আল্লাহ ব্যতীত কাউকে সেজদা করা যাবে না এজন্য অনুমতি নাই যদি আপনি আমি মাজারে গিয়ে সেজদা করি এ বিষয়ে বললে আবার কথা পড়ে যাবে সম্মানিত উপস্থিতি আপনি এ কথাটি মাথায় রেখে দুনিয়া থেকে চলবেন কেননা ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু বর্ণিত তিনি বলেন
রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন সাল্লাল্লাহু বলেছেন আমি জান্নাতে দেখলাম জান্নাতের দিকে তাকালাম দেখলাম তার অধিকাংশ অধিবাসী কি গরীব মানুষ ফকির মানুষ আর জাহান্নামের দিকে তাকালাম দেখলাম জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী তারা হল নারী আর এর প্রধান অন্যতম কারণ অনেকগুলো কারণ আছে আমি বলছি না একটাই কারণ তবে নবী বখার হাদিসে জানিয়েছেন এর প্রধান অন্যতম কারণ হল তারা স্বামীর অকৃত তারা স্বামীর অকৃতজ্ঞ স্বামী সারা বছর শুরু দিবে সারা বছর দিবে হঠাৎ করে কোন এক সময় তার হয়তো আর্থিক অনটন তৈরি হয়েছে বা কোন এক কারণে কোন এক সময় একটু পিস্তান গিয়েছে অমনি মুখের পরে বলবে তোমার কাছ থেকে জীবনে সুখ বলে কিছু পাইনি এটা মুখের পরে বলে দেবে এটা মহিলাদের একটা স্বভাব সম্মানিত উপস্থিতি অতএব নারী বা স্ত্রী জাহান্নামী হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হল তারা স্বামীদের অকৃতজ্ঞ স্বামীর আনুগত্য করে না সম্মানিত উপস্থিতি যেহেতু সময় শেষ হয়ে গিয়েছে আমিও আমার আলোচনা ঘটিয়ে নিয়ে আসলাম আল্লাহ রাব্বুল আলামন আপনাকে আমাকে সকলকে
স্বামী স্ত্রীর যে ন্যাজ্য অধিকার রয়েছে যে মূল্যবোধ রয়েছে যে দায়িত্ব এবং কর্তব্য রয়েছে এই দায়িত্ব এবং কর্তব্যগুলো যেন আমরা পালন করতে পারি একে অপরের প্রতি যে হক রয়েছে এই হকগুলো যেন আমরা আদায় করতে পারি আমরা যেন একে অপরের মিলেমিশে সুন্দরভাবে এ দুনিয়াতে মিল মহব্বত ভালোবাসা নিয়ে যে ভালোবাসার জায়গাটির জন্য আল্লাহ তালা স্বামী স্ত্রীর এই বন্ধন সৃষ্টি করেছেন যে ভালোবাসা মিল মহব্বতের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের মাঝে এই স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক দিয়েছেন সেই মহব্বত যেন আমাদের মাঝে থাকে সেই ভালোবাসা যেন আমাদের মাঝে থাকে সেই সহানুভূতি ইত্যাদি যাই কিছু বলেন না কেন এটা যেন আমরা একে অপরের প্রতি দেখাতে পারি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সে তৌফিকও আমাদের প্রতি দান করুক আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে উত্তম স্বামী হওয়ার তৌফিক দান করুক আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাকে উত্তম স্ত্রী হওয়ার তৌফিক দান করুক যে স্ত্রী দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ সেই স্ত্রী যেন আমি হতে পারি যে স্বামী স্ত্রীর নিকটে ভালো সেই হল উত্তম আমি যেন সেই উত্তম স্বামী হতে পারি আল্লাহ সেই তৌফিক দান করুকদাবি এবং দোয়া আল্লাহর দরবারে পেশ করে আজকের দিনের সংক্ষিপ্ত খুতবা এখানে শেষ করছি।