সম্মানিত মুসল্লিয়ান কেরাম আমি আমার নিজেকে এবং আপনাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার অনুরোধ জানাচ্ছি যেই তাকওয়া অবলম্বন করলে আমরা আল্লাহ তাালার জান্নাত পেয়ে ধন্য হতে পারব। আল্লাহ তালা কোরআনে কারীম বলেছেন জান্নাতুল্লা এই জান্নাতের ওয়ারিশ করব আমার বান্দাদের মধ্যে যারা তাকওয়ার অধিকারী হবে। তাকওয়ার অধিকারী হতে হলে কি করতে হবে? তাকওয়ার অধিকারী হতে হলে শিরিক থেকে দূরে থাকতে হবে। তাকওয়ার অধিকারিত্ব হতে হলে গুনাহ থেকে দূরে থাকতে হবে। তাকওয়ার অধিকারী হতে হলে বেদাত থেকে দূরে থাকতে হবে। সম্মানিত মুসলিয়ান কেরাম দুনিয়ার বুকে সমস্ত ফেতনা এসেছে এই ফেতনাগুলো দুই প্রকার। একটি হচ্ছে দুনিয়ার ফেতনা। দুনিয়ার ফেতনায় মানুষ পড়ে বেশিরভাগই দুনিয়া দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে।
দুনিয়া এমন এক জিনিস মানুষকে আকৃষ্ট করবেই আল্লাহ তালা এভাবে দুনিয়াকে সৃষ্টি করেছেন। এখানে প্রতিটি জিনিসের প্রতি মায়া জমে তার সম্পদের প্রতি, সন্তানের প্রতি অথবা অর্থের প্রতি, ক্ষমতার প্রতি, বিভিন্ন জিনিসের প্রতি মানুষের একটা মোহ আছে। এই মোহ মানুষকে বিপদে ফেলে দেয়। এই মোহ মানুষকে ফেতনায় নিবেত করে। এই মোহের কারণে অনেকেই আকিদা ঈমান হারিয়ে ফেলে। অনেকেই বরবাদ করে ফেলে। অনেকে নিজের জীবন নষ্ট করে ফেলে। এটাও মানুষকে ফেতনায় নিপদিত করে। এর কারণে মানুষ বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে যায়। বিভিন্ন ফেরকায় বিভক্ত হয়ে যায়। আরেকটি ফেতনা হচ্ছে দ্বীনি ফেতনা। এটা ভয়াবহ ফেতনা।
এটা হল দ্বীনকে কেউ ভুল বুঝিয়েছে অথবা কেউ ভুল বুঝছে দুটার একটার মধ্যে পড়ে গেছে দ্বীনকে তার আসল থেকে না বুঝে যাদের থেকে দ্বীন বুঝে নিতে হবে তাদেরকে মান্য না করে নাবে যারা পরবর্তীতে আসছে ওদের থেকে দ্বীন নেয়া ৩০০ হিজরীর পরে যারা এসেছে অথবা আগে যারা বিভ্রান্তের পরিচিতি ছিল ৩০০ হিজর আগে যাদের ব্যাপারে আলেমরা সাবধান করেছে ওদের থেকে দ্বীন নেয়া হচ্ছে ফেতনায় নিপতিত হওয়ার কারণ বিয়ের মধ্যে তাহলে মানুষ হয় দ্বীনি ফেতনায় পতিত হয় না দুনিয়াবী ফেতনায় পতিত হয় দুনিয়াবী ফেতনাটা অনেকটা সহজ এজন্য যে এগুলি থেকে বাঁচার জন্য ওয়াজ কাজে লাগে ওয়াজ নসিহত সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে কিন্তু দ্বীনি ফেতনা ভয়াবহ অন্তরে বসে যায় এখান থেকে মানুষ বের হইতে পারে দলে দলে বিভক্ত হয়ে যায় ইন্নাফ যারা দলে দলে বিভক্ত হয়ে গেছে আপনি তাদের অন্তর্ভুক্ত নন তাদের কারো সাথে আপনার সম্পর্ক নাই যারা দ্বীনকে ভাগ বাটরা করে ফেলেছে দ্বীনকে ভাগ বাটার জন্য হুকুম দিয়ে করতে হয় না যে বা ঘোষণা করে বলতে হয় না মানুষের বিশ্বাসের কারণেই মানুষ দ্বীনের ভাগবাটার বিতপতিত হয়ে যায়।
মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাম যে দিন নিয়ে এসেছেন সেটা ঐক্যের দিন। সেই দিনে একই বিশ্বাসের উপর মানুষ ছিল। আমলের ক্ষেত্রেও তারা খুজত মুহাম্মাদুর রাসুল কি করেছেন তার উপর আমল করতে। এভাবেই চলেছে মুহাম্মদ রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের যুগ। এভাবে চলেছে আবু বকরের যুগ। এই বলে চলেছে ওমরের যুগ। ওসমান রাদিয়াল্লাহ আনহুর যুগের শেষের দিকে এসে ফেতনা তৈরি হতে শুরু করল। রাসূুল্লাহ সাল্লাম পূর্বেই সাবধান করেছেন যে উম্মতের মধ্যে ফেতনা হবে এবং সেই ফেতনায় কি হবে ওসমান ইবনে আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সে ব্যাপারেও তিনি দিক নির্দেশা দিয়েছেন। সেই সময়ে দুটি ফেতনা একটি ফেতনা বের হয়েছে সবচেয়ে বড় ফেতনা। সবচেয়ে বড় ফেতনা বড় ফেরকা।
প্রথম যে ফেরকাটি বেরিয়েছে তা হচ্ছে খারেজদের ফেতনা। খারিজদের কি ছিল? খারিদের মূল কাজ ছিল মানুষকে আমল না করার কারণে কাফের বলে ফেলা। কেউ কোন আমল ছেড়েছে তাকে কাফের বানিয়ে ফেলা। শাসক হোক শাসিত হোক। সবার জন্য এই নির্দেশ একরকমই। সবাই সবাই আল্লাহ তাালার বান্দা। সবাই আমল করতে বাধ্য। সে আমল ঈমানের একটা অংশ। কিন্তু ঈমানের প্রতিটি অংশ সমান মর্যাদার নয়। ঈমানের মধ্যে আমরা ভালো করে জানি ঈমান হচ্ছে কথা ও কাজের নাম। ঈমান হচ্ছে কথা ও কাজের নাম। সে কথা কি? অন্তরের কথা আছে। এটা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। অন্তরে ধারণ করা। আর অন্তরের কাজ কি? আল্লাহকে ভালোবাসা। অন্তরের কাজ আল্লাহকে ভালোবাসা।
আল্লাহর কাছে আশা করা, আল্লাহর ভরসা করা, এভাবে আল্লাহকে ভয় করা এগুলি সবই কিন্তু অন্তরের কাজ। এগুলি সব একরকম হওয়া জরুরি না। মানুষের মানুষে বিশাল পার্থক্য হয়। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু আল্লাহর প্রতি যে ভালোবাসা পরবর্তী কারো সেরকম ভালোবাসা হবে না কোনদিন এমনকি সাহাবায়ে কেরামের মধ্যেও আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর মত আল্লাহকে কেউ ভালোবাসতে পারে এটা স্বাভাবিক আবু বকর ঈমান শক্তিশালী ছিল কারণ তার অন্তরের আমল অনেক শক্তিশালী ছিল অন্তরের আমলের ক্ষেত্রেও মানুষের তাতম্য আছে আবার দেখেন ঈমানের আরেকটা হলো মুখের বাসা জিহবা দিয়ে যেটা আমরা করি এটা কি মুখে লাই ঘোষণা করা ঈমান ঈমানের মুখের কথা ঘোষণা করতে হবে ঈমানদার বুঝতে হলে দুইটাই লাগবে প্রথমেই লাগবে কি অন্তরের কথা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অন্তর ধারণ করা এটা আর মুখে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ঘোষণা করা দুইটাই অন্তরের কথা মুখের কথা আর অন্তরের আমল আছে আবার মুখের আমল আছে মুখের আমলগুলো কি? সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা হাওলা ওলা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ, কোরআন তেলাওয়াত, আযান দেয়া, একামত দেয়া, সালাতের মধ্যে তাকবর বলা, বাইরে তাকবর বলা, তালবিয়া পাঠ করা এগুলি সব মুখের আমল।
একজন মানুষ দেখতে পাচ্ছি যে অন্তরের কি লাগে? কথা লাগে। ঈমানদার হতে হলে অন্তর আমল লাগে। মুখের কথা লাগে। মুখের আমল লাগে। আবার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আমল লাগে। অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আমল মধ্যে শক্তিশালী জিনিস হচ্ছে সালাত। যে আমলটি না হলে ঈমানদার বিবেচিত হয় না। ঈমানদার বলা হয় না। সাহাবায়ে কেরাম কেউ যদি কোন সালাত না পড়তে থাকে ঈমানদার বিবেচনা করতে না। এটা এটা হচ্ছে তার বাহ্যিক ঈমানের পরিচয়। যদি ঈমানদার পরিচয় হবে সালাতের মাধ্যমে অনেক কিছুই পরিচয় দিতে পারে সালাতের মাধ্যমে পরিচয় পাবে ঈমানদার কিনা কারণ একজন মানুষ ধরেন কেউ জোর করে তাকে বাধ্য করছে কথা না বলতে সে লা ইলাল্লাহ ঘোষণা নাও দিতে পারে কিছুক্ষণ চুপ থাকতে পারতেছে একজন মানুষ হয়তো সে সওমের ক্ষেত্রে বলবে যে আমি অসুস্থ কাফফারা দিতে পারতেছি অনুরূপভাবে যাকাতের ক্ষেত্রে আমার সম্পদ নাই যাকাত দেয়া জরুরি না আবার অনেকে বলবে যে আমার টাকা নাই আমি হজ করা জরুরি না বেঁচে গেল ঈমান শুধু থাকল মুখে যে আমি ঈমান
রাখি যেগুলি ফরজ মেনে নিল আমলে তার দরকার হচ্ছে না কিন্তু সালাত এমন একটি আমল যে আমলটি আপনাকে ছাড়ার কোন সুযোগ নেই এটাকে আপনি সবসময় বলতে হবে যে এটা আমি করব এটা অস্বীকার করতে পারবেন না এটা ছেড়ে দিলে আপনি কাফের হয়ে যাবেন তাহলে আমল আমলের কিছু জিনিস আছে যেগুলো একরকম না। আমলের কিছু জিনিস আছে আপনি ছাড়লে কাফের হয়ে যাবে। এভাবেই দেখা যায় ঈমানের আমলগুলি ঈমানের যে সমস্ত কাজগুলির মধ্যে কি আছে? তারতম্য আছে। সবগুলি একরকম না। খারেজীরা সবগুলি একরকম মনে করে বসছে। সবগুলি একরকম মনে করে কেউ কোন ভুল করলে তাকে কাফের বলে ফেলছে। এজন্য তারা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কাফের বলে ফেছে।
নাউজুবিল্লাহ। আবার তারা আমর আজকে কাফের বলে ফেলছে। মুয়াবি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কাফের বলে দিছে কেন তারা কথা হল যে আল্লাহ বিচার করবে আপনারা বিচার কেমনে করেন কালিমা হক শব্দ কোরআন আল্লাহ কিন্তু উদ্দেশ্য এটা ছিল না যেটা কোরনের সুন্নাহ নির্দেশনা দিয়েছেন উদ্দেশ্য ভিন্ন ছিল এজন্য তারা ভিন্ন ভুল পথে পতীত হয়েছে ভুল পথে চলেছে এদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন রাদিয়াল্লাহ যুদ্ধ করে এদেরকে তিনি পরিপূর্ণভাবে হত্যা করেছেন। যাদেরকে যেখানে পেয়েছেন তওবার দিকে আহ্বান জানিয়েছেন তওবা না করলে হত্যা করেছেন। এটা কারণে আমরা বুঝতে পারি যে ঈমানিয়াতের ক্ষেত্রে ছাড় দেয়ার সুযোগ নেন। ঈমানিয়াতে ভুল করলে আপনি ছাড় দিবেন না।
এজন্য আল্লাহ তালা একজন খলিফাতুল মুসলিমিন খলিফাতমিন খোলাফায়ে ইসলাম ইসলামের চার খলিফার এক খলিফা দিয়ে এই জায়গাতে তাদেরকে দমন করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে আপনি তো হয়তো বলতে পারতেন থাক ওরাওতো মুসলিম ওরা তো সালাতে আদায় করে ওরা তো কোরআন তেলাওয়াত করে এমনকি তাদের এলাকাতে কেউ গেলে মনে করতো যে এরা তো আল্লাহর ওলি রাসূ রাসূলুল্লাহ আগেই সাবধান করেছেন তোমাদের তাদের সালাতের কাছে তোমাদের সালাত তোমরা কিছুই মনে করবে না তারা এত বেশি কোরআন তেলাওয়াত করতো যে তাদের কোরা বলতো পাঠক তাদের পাশে দিয়ে কেউ হেটে শুধু গুনগুন শব্দ শুনতো কোরআনের কোরআনের কথাই শুধু শুনতো তারপরেও আলী ইবনে আলে রাদিয়াল্লাহু তাদের যুদ্ধ করেছেন কেন যুদ্ধ করলেন বলতে পারতেন যে না প্রকাশ্যভাবে মুসলিম দেখা যাচ্ছে এদের তো কোন খারাপ কিছু দেখছি না এখন অনেকে যেটা বলেন অনেকে একরকম করতে চান সব কি বলে দেখতে তো ভালোই লাগবে অসুবিধা কি আপনার সমস্যা কি ওদের বিশ্বাস আল্লাহর কাছে জবাব দিবে আল ইবনে আব রাদি তাদেরকে এভাবে ছাড় দেননি তারা তো আলাদা হয়েই গিয়েছিল তারা থাকতো এক জায়গায় সেই জায়গায় আলাদা হয়ে গিয়েছিল তাদেরকে সে জায়গায় বল এলাকায় বসবাস করত তারা এবং তাদেরকে বিভিন্ন তারা একান্ত হয়ে গেছিল যে আমরা আলাদা কিন্তু আলী ইবনে আব তালেব তাদেরকে এভাবে ছেড়ে দেন নাই।
তাদের যুদ্ধ করেছেন। কারণ রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাদেরকে বলেছিলেন আল ইবনে আব্দিকে বলেছিলেন এমন একটা সময় আসবে যখন কোরআনের অপব্যাখ্যা ঠেকাতে তোমাকে যুদ্ধ করতে হবে। আমি আ যুদ্ধ করছি কোরআনকে প্রচার করতে প্রসার করতে। একটা সময় আসবে তুমি কোরআনের অপব্যাখ্যা ঠেকাতে যুদ্ধ করতে। সে অবরক্ষা খানের জন্য যুদ্ধ করেছে এবং তিনি বলেছেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বলেছেন যে এরা বের হবে এদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা তোমার জন্য আবশ্যক কারণ রসূ বলছেন যদি আমি তাদেরকে পেতাম কমে আল্লাহ যেভাবে হত্যা করেছে আমি যেভাবে সেভাবে তাদেরকে হত্যা করতাম অর্থাৎ তাদেরকে কাউকে জীবিত রাখার কোন সুযোগ নাই অথচ এরা সলাত পড়ে কোরআন তেলাওয়াত করে ওরা সবকছু সমস্যা কি আকিদায় বিভ্রান্তি আকিদা বিভ্রান্তি ছাড়ার জায়গা নয় আকিদা বিভ্রান্তি আটকানোর জায়গা যেখান থেকে ঠিক করতে হবে এখানে চুপ থাকার জায়গা নয় অন্যায় করেছে গুনাহ করেছে তওবা করবে স্তেগফার করবে ধরে আনে জেলে দিবে ঠিক করবে এগুলো ঠিক আছে কিন্তু আকিদায় বিভ্রান্তি আনার কারণে একজন খলিফা দিয়ে আল্লাহতালা
তার খলিফাতুল খলিফা হিসেবে আমাদের জন্য দিয়েছেন একজন খলিফা দিয়ে আল্লাহ যুদ্ধের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন আপনাকে বুঝেন কত ভয়াবহ জিনিস সেটা এর অর্থ হলো যে উম্মতে মুসলিমার ক্ষেত্রে যদি কোন কেউ ভিন্ন পথ অবলম্বন করে সেখানে তাকে শাহস্তা করার দায়িত্ব রাষ্ট্র এবং সরকারের সেখানে আমাদের আলেমদের দায়িত্ব হচ্ছে তাদের সাবধান করা তার দায়িত্ব হবে জনগণকে সাবধান করা যে এই মতবাদ এতসব মতবাদ চলতে পারে না একটাই থাকবে যে নীতি নিয়ে এসেছেন সেই নীতিকে শুধুমাত্র বাস্তবায়ন করতে হবে কারো নীতি নয় রসূলের নীতি চলবে সামান্যতম বিচ্যুদিও পরিগ্রহণ করা হবে না আকিদা সামান্যত বিচ্যুতি তার জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাড়ায় তার এজন্য অনেকেই আজ এই ভয়াবহ জায়গাতে আছেন যে অনেকে মনে করেন অসুবিধা কি অসুবিধা কি এটা আমরা দেখতে পাচ্ছি আলি অসুবিধা কি মনে করেছেন অসুবিধা আছে এজন্য তিনি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন এটি ফেরকা যাদেরকে বলা খারেজ এরা খালিফাতুল মুসলিমিনের বিরুদ্ধে বেরিয়েছে মানুষকে কাফের বলেছে এই যেমন ফেতনা আছে এর বিপরীতে
আরেকটা ফেতনা হচ্ছে মুরজিয়াদের ফেতনা আজকে আমি এ বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করব ইনশল্লাহ মুরজিয়াদের কি ফেতনা মুরজিকার খারেজীরা যেমন মানুষকে যে কোন আমলের কারণে তাকফির করা শুরু করে দেয় কাফের বলে শুরু করে দেয় বুঝে আর না বুঝে অর্থাৎ কখনো কখনো খারেজদের কাজ কিরকম জানেন শাসকের দিকে সবসময় কুফরের দিক যায়। নিজেদের দিকে যায় না। নিজেরা অন্যায় করলেও সে কাফের হয় না। শুধু শাসকদেরকে কাফের বলা আরম্ভ করে। এটা তাদের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়। এজন্য দেখব সময় কাফেরদের খারেজরা কি করত? তাকফির করে দিয়েছে শাসকদেরকে। আবার নিজেরা আহলে সুন্নাহ পাইলে হত্যা করত। আহলে সুন্নাহ হলে হত্যা করত। তাদেরকে বিভিন্নভাবে বিপদে ফেলতো।
তাদের য বোমা ফাটাইতো এরকম যে বোমা ফাটায় তখনকার সময় এরকম রাস্তার মধ্যে দাড়িয়ে তরবারি নিয়ে দাড়ি থাকতো মারার জন্য তাদেরকে ঠিক একই অবস্থা আগে এবং পরের মধ্যে বিরাজমান খারেজীদের দুইটা চরিত্র নিজেদের জন্য ভালো অন্যের জন্য দনটা অন্যের জন্য কায়েম করতে হবে নিজ জীবনে নয় এর বিপরীতে আরেকটি ফেরকা গজাইছে কখন গজাইছে আরো পরে আরো পরে গজাইছে তারা এই খারেজের ফিতনাকে নির্মূল আল ইবনে আব নির্মূল করেছেন। তারপরে তাদের একটা খুবই কম সংখ্যক লোক ছিল যারা সব জায়গাতে ফেতনা ছড়াতে পারত। উম্মতে মুসলিম আবার হকের উপর ফিরে এসেছে। কারণ বন উইদের প্রথম যুগে যারা ছিল মদিনহু তিনি এদেরকে ভালোই দমন করেছেন এবং তারা কোন মাথা ছাড়া দিয়ে উঠতে পারে নাই।
বরং সবাই তার আনুগত্য করেছেন। খালেদের বড় কাজ হচ্ছে রাষ্ট্রীয় আনুগত্যের বাইরে চলা। খালিদের বড় কাজ হচ্ছে রাষ্ট্রীয় আনুগত্য মানি না। বিভিন্নভাবে তাদেরকে কাফের বানানো। দোষ দেখে কাফের বানানো। বিভিন্ন গোপন জিনিস বের করে কাফের বানান খারেজের কাছে। এভাবে চলছিল উম্মতে মুসলিমা যে খারাতে কিছুটা কমে এসেছে বা স্তীমিত হয়ে আসছে। এমন একটা সময় আসল পরবর্তীতে হাজ্জা সে বাড়াবাড়ি শুরু করল। এত বাড়াবাড়ি করল যে ঈমানদারদেরকে আঘাত করতে শুরু করল। সেই সময় তারই এক গভর্নর ছিল আব্দুর রহমান ইবনে আশা। আব্দুর রহমান ইবনে আশা সে গভর্নর ছিল। তার বাড়াবাড়ি দেখে হাজ্জাজ ইউসুফ তাকে গভর্নর থেকে বাদ দিল। সে হাজ্জাজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করল।
বিদ্রোহ করে বেরিয়ে আসল। তার সাথে ৭০ হাজার ওলামাদারা তার সাথে। কারণ সেও কারী ছিল। এরপর আলেম ওলামা ছিল। মনে করেছে এই সুযোগে হাজ্জাজকে শাহেস্তা করে আমরা ভালো হয়ে যাব। নিয়ত হয়তো অনেকের ভালো ছিল। কিন্তু কাজটা সুবিধার ছিল না। কাজটা সঠিক ছিল না। হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ তো আপনারা জানেন যে সে ছিল ফুয়ে রক্তবিকাস। সে কি করেছে? সবাইকে দমন করার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী। এদেরকে শক্তিশালী ফোর্স নিয়ে গেছে। এবং এদেরকে দমন করে ফেলেছে। এদেরকে দমন করার কারণ কারণে নতুন একটা ফেরকা জন্ম হয়েছে। সেটা কি? এরা হাজ্জিজের বন্দনা গাইবে। এরা শাসকের বন্দনা করবে। এরা ভুল হলেও চুপ থাকবে। অর্থাৎ তারা মাঝখানে যায় নাই।
দুই পাশে চলে গেছে। আগে যেমন বাড়াবাড়ি করে কাফের বানাইতো। এখন যত ছড়াছাড়ি করলে ঈমানদার থেকে যায়। এইজন্য আব্দুর রহমান আশফনার পরে এই মুরজিয়া ফেরকার আবিষ্কার হয়। মুরজিয়া ফেরকা কারা? এই ফেরকা কারা? আপনি হয়তো মনে করেন অনেক সময় আমরা মনে করি ইতিহাসে একটা ফেরকা ছিল এটা নিঃশেষ হয়ে গেছে আমরা কেন আলোচনা করি না ভাই কথা ঠিক নয় ফেরকার নাম মরে যায় কিন্তু তাদের কাম থেকে যায় তাদের যে আচরণ তাদের যে বিশ্বাস এটা সংক্রমিত হয় একদল থেকে আরেক দলে চলে আসে বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ জায়গাতে বড় ফেতনা হচ্ছে মুরজিয়াদের ফেতনা মর্জিয়াদের ফেতনার মূল কথা দুইটা মুরজিয়া শব্দের অর্থ দুইটা।
কাজও তাদের দুইটা। এক নম্বর কাজ হচ্ছে মুরজিয়ারা বলে যে আমল ঈমানের অংশ না। আমল ঈমানের অংশ। এজন তাদের অনেকেই সালাত পড়ে না। দনের কোন আমল করে না। তাদের কোন কিছু তারা দনের মানতে চায় না। তারপরও তারা ঈমানদার থেকে যায়। তারা ঈমানদার দাবি করে। পাক্কা ঈমানদার। এরা দেখবেন যে বিভিন্ন জায়গাতে সময় বুঝে মসজিদে ঢুকে যাবে। সময় বুঝে টুপিও মাথায় দিয়ে ফেলবেন। সময় বুঝে ঘোষণা বিভিন্ন রকমের ঘোষণাও দিয়ে দিচ্ছে। আমরা এই করব সেই করব। মসজিদে এটা করব ওটা করব। নিজের আমলের খবর নাই। নিজে মানবে না শরীয়ত। আরেকজনকে খুশি করার জন্য। প্রয়োজনে কাউকে মসজিদের জন্য আমরা ১০ বিঘাত সম্পত্তি দান করে দিব।
এটাও বলতে পারবে। কিন্তু নিজে আমল করবেন। নিজে সালাত পড়তে হবে। নিজে আল্লাহর দ্বীন বাস্তবায়ন করতে হবে। আল্লাহর শরীয়া মানতে হবে এটা তাদের মধ্যে আপনি খুঁজে পাবেন না। এটা হল দ্বিতীয় সাহায্যে ভয়াবহ রূপ। একদিকে আমল সবগুলি একরকম মনে করে কাফের বানিয়ে ফেলেছে খারেজরা। আরেকদিকে আমল জরুরি মনে না করে মানুষদেরকে আশাবাদী বানাতেছে। এজন্য এরা মনে করে ঈমান আমল ঈমানের অংশ না। বরং এ ধরনের বিষয় দুই ধরনের মানুষ। একদল মনে করে যে আমল ঈমানের অংশ আরেক দল মনে করে আমল ঈমানের জন্য শর্ত পার্থক্য আছে দুইটা শর্ত পরে হলেও হয় কিছু কম হইলেও হয় কিন্তু রোকন মনে করে না অথচ আমল ঈমানের রোকন রোকন মনে না করলে আমল ঈমানকে আপনি ঈমান আপনার ঈমান শুদ্ধ হয় ঈমান অনেকগুলো জিনিস দিয়ে গঠিত ঈমান অনেকগুলো জিনিস দিয়ে গঠিত কুফর অনেকগুলো জিনিস দিয়ে ঘটিত।
ঈমান কোন একটা জিনিস দিয়ে গঠিত না। যে কেউ ঈমানকে শুধু বিশ্বাস বলবে শুধু বিশ্বাস মনে করে বসে আছে সেই ব্যক্তি মুরজিয়া কোন সন্দেহ সে ব্যক্তি মুরজি আমাদের দেশে অনেকেই জিজ্ঞাসা করলে বলে হুজুর ঈমান অর্থ কি? কয় যে ঈমান অর্থ বিশ্বাস এজন্য তারা মনে করে আমার বিশ্বাস ঠিক আছে। সলাত পড়ি না তো কি আছে? ঈমান ঠিক আছে। আবার অনেকে মনে করে আমি আল্লাহর দ্বীনে সব মানি না। তাই বলে কি ঈমান ঠিক না? ঈমান তো আমার ঠিক আছে। ঈমান কেমনে ঠিক থাকে? সে তো আল্লাহর দ্বীন মানেনি। আল্লাহর দ্বীনের কথা শুনেনি। আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়নের চিন্তা তার মাথায় আসেইনি।
সে সারাক্ষণ মনে করছে মনে করছে এটা একটা যুগে ছিল। আমরা সেই যুগ থেকে মুক্ত। আমরা অন্য যুগে এসে পৌঁছেছি। এ জাতীয় কথা যারা বলবে তারা হচ্ছে পাক্কা মরজি। পাক্কা মরজি। এদের হুকুম হবে অবস্থা অনুসারে। অন্তরের মধ্যে যদি কোন এরকম ইয়ে থাকে যে এটা বাস্তবায়ন করা লাগবে না তাহলে কাফের। অন্তরের মধ্যে যদি থাকে এটা এটা এখন বাস্তবায়ন করার সুযোগ নাই বা এটা আমি এটা বাস্তবায়ন করার দরকার নাই তাহলে কাফের হয়ে যাবে। আল্লাহর বিধান দেয়া হয়েছে বাস্তবায়ন করার জন্য। আল্লাহর বিধান দেয়া হয়েছে আমল করার জন্য। আল্লাহর বিধান দেয়া হয়েছে এগুলোর উপর চলার জন্য। আল্লাহর বিধান শুধু কোরআন এবং হাদিসে রেখে দেয়ার জন্য নয়।
এজন্য এই গুষ্টির সংখ্যা অনেক ভয়াবহ। অনেক বেশি। এরা ভয়াবহ ফিতনাতে লিপ্ত। এইটা আমাদের জনজীবনে সবচেয়ে বেশি। আপনি অনেক মানুষকে দেখবেন সারাদিন কাজ করে। কিন্তু আল্লাহর জন্য কিছুই করে না। সারাদিন কাজ করে পরিবারের জন্য সন্তানের জন্য এবং সারাদিন অন্যায় পথে বিচরণ করছে। কিন্তু আল্লাহর জন্য কিছুই তার মাথায় নাই যে আমার আল্লাহর জন্য কি করতে হবে? আমার আল্লাহর হুকুম কি আমার মানতে বাধ্য কিনা আমি এই কথা তার মাথায় নেই সে মনে করে যে বিশ্বাস ঠিক আছে বিশ্বাস তো চলে গেছে চেনার উপরে আল্লাহকে চিনলে সে মনে যথেষ্ট হয়ে গেছে এজন্য তারা মারেফতের দাবি করে মারেফতের জন্য তারা দরবার খুলে কিন্তু ঈমান চর্চার জন্য দরবার তারা খোলে না ঈমান চর্চা বলতে আমল লাগে মারেফত যথেষ্ট না মারেফতের কথা বলেছিল মুরজিয়াদের প্রথম গোষ্ঠী যাদেরকে বলা হতো যাদের তাদের বলা হতো জামিয়া তারা মনে করত ঈমান শুধু চিনলেই হবে যে আমি চিনে বুঝে গেছি যে একজন স্রষ্টা আমার আছে এটা ৬০
বছর করলে তারা মনে করে যে তারা ঈমানদার হয়ে গেছে না এরকম ঈমানদার হলে এরকম যদি ঈমানদার হতো ইবলিশ ঈমানদার হয়ে যেত ইবলিশ আল্লাহকে জানে কোন সন্দেহ নাই ইবলিশ আল্লাহকে ইয়া রব বলছে বলছে আমার রব আমার রব বলছে তারপর ঈমানদার না চিনলে ঈমানদার হয় না ফেরাউন আল্লাহকে জানত আল্লাহ কোরআনে বলছে তারা অস্বীকার করেছে অন্তরের মধ্যে স্বীকৃতি আছে তার যে আল্লাহ আসলে আছে কিন্তু এটা তার ঈমানদার বানায় নাই কারণ আল্লাহর বিধানকে মানতে সে প্রস্তুত ছিল না আল্লাহর বিধানকে অন্তরে স্থান দেয়নি ভয়াবহ এই ফেতনাতে আজ উম্মা নিপতিত এদের মতই আপনি দেখতে পাবেন যে এখন অনেকেই মনে মনে বিশ্বাস থাকলেই মনে করে হয়ে গেছে।
মনে মনে বিশ্বাস ঠিক আছে মনে করতেছে এটা যথেষ্ট হয়ে গেছে। বিশ্বাস করুন আবু জাহালকে যদি বলা হইতো যে মনে মনে ঠিক আছে কিনা তুমি মেনে নাও তাহলে আবু জাহেল এটা মেনে নিত তাহলে আবু জাহেল অনেকেই তারা জানতো যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাম হক রসূল যা নিয়েছে তা সত্য কেন মানেনি তার নেতৃত্ব কমে যাবে কর্তৃত্ব কমে যাবে শাসন ক্ষমতা চলে যাবে এবং মক্কার উপরে তার প্রাধান্য চলে যাবে এজন্য ঈমান আনে নাই আবু জাহলও এরকম ঈমান আন যে ঈমান এখন মানুষের রয়েছে এই মুরজিয়াদের ঈমান ভয়াবহ ঈমান এই মুরজিদের ঈমানের কারণে আজ জগতের মানুষ আল্লাহর বিধান মানছে না। আল্লাহর শরীয়ত মেনে চলছে না।
ঈমানের ক্ষেত্রে এই ভয়াবহ দিক খেয়াল রাখতে হবে যে ঈমান আমার কখন চলে যায়, কখন হয়। এজন্য এরা আহলে সুন্নাত জামাতের নীতির বাইরে চলে গেছে। আমরা বলি আহলে সুন্নাত জামাতের নীতি হচ্ছে ঈমান, কথা ও কাজের নাম। কথা হচ্ছে দুইটি। কাজ হচ্ছে তিনটি। অন্তরের কথা, মুখের কথা লাগবে। কাজ লাগবে অন্তরের কাজ, মুখের কাজ এবং অঙ্গপত্যঙ্গের কাজ। এই পাঁচটি জিনিস না হলে আপনার ঈমান পরিপূর্ণ হয় না। তবে পাঁচটি জিনিসের মধ্যে কম হয়ে গেলে কাফের হয়ে যাবেন না। আপনি কি হয়ে যাবেন? আপনি ফাসেক হয়ে যাবেন। আপনি ঈমানের দুর্বলতা এসে যাবে। কখনো কখনো কোনটা যদি না থাকে আপনি কাফের হয়ে যাবেন।
তার মধ্যে একটি আছে অন্তরের মধ্যে যদি কোন ঈমান ধারণ না করেন আর মুখে যদি আপনি না বলেন তাহলে আপনি আপনি ঈমানদার বলে বিবেচিত হবেন না। পরিচিত পাবেন। পরিচিতি পাবেন না। তাহলে বুঝা গেল যে ঈমানের অনেকগুলো শাখা আছে। এটা রসূ নিজেই বলে দিয়েছেন আলম। ঈমানের রয়েছে ঈমানের রয়েছে সত্যর শাখা। এজন্য রসূ বলেছেন যে এটা বড় জিনিস আছে ছোট জিনিস আছে বলছেন আলাহা সবচেয়ে উপরেরটা হচ্ছে কালিমাতু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এটা অন্তরে ধারণ করা এবং মুখে বলা এই দুইটা হচ্ছে অন্তরের কথা মুখের কথা আর তিনি বলেছেন সবচেয়ে নিচেরটা হচ্ছে রাস্তা থেকে খরক দূর করা কারণ এটা একটা আমল এটা একটা কাজ এটাও ঈমান রাসূ বলেছেন ঈমানের একটা অংশ এটাকে ঈমান মনে করতে হবে আমলটাকে ঈমানের অংশ এটা স্পষ্ট এখানে আছে আর মধ্যবর্তী একটা বলেছেন আল হায়াত ঈমান হায়া লজ্জা হচ্ছে ঈমানের একটা শাখা লজ্জাটা অন্তরে হয় অন্তরের আমলটাকে পরিচিত করে তুলেছেন এটা দিয়ে এর অর্থ
হচ্ছে অন্তরের কথা লাগবে অন্তরের আমল লাগবে মুখের কথা লাগবে মুখের আমল লাগবে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতে হবে মুখে এবং মুখে আরেকটা আর অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আমল লাগবে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কোন কথা হয় না এটা দিয়ে আমল লাগে এই পাঁচটি জিনিস হচ্ছে ঈমানকে পরিপূর্ণ করে এর মধ্যে কিছু অংশ সবগুলি একরকম না তাফাউল আছে মানে একটা মূল একটা উপরের একটা নিচের এরকম স্তর আছে এগুলির মধ্যে এইটা যে ব্যক্তি বুঝছে সে ব্যক্তি ঈমান বুঝছে এর বাইরে খারেজদের মত একটু গেলে পুরাটা চলে গেছে যেন এরকম বিশ্বাস না করে আবার আরেক দৃষ্টি এসেছে যাই করুক না কেন অন্তরে যে চিনা থাকলেই হবে অন্তরে বিশ্বাস থাকলে ঈমানদার থাকবে এটা হচ্ছে মুরজিয়াদের কাজ এই মুরজিয়াদের প্রথম কাজ মুরজিদের দ্বিতীয় কাজ হচ্ছে তারা মনে করে যত আমলই যত উল্টাপাল্টা করেন আপনি আপনি আল্লাহকে একটু অন্তরে বিশ্বাস করছেন আল্লাহ আমার একজন আছে ব্যাস হয়ে গেছে আখেরাতে আপনার মুক্তি নিশ্চিত আহলে সুন্না জামাত তা বলে না আহলে সুন্না জামাত বলে যে আপনি যদি কুফরি করেন আপনাদের শিরিক হয়ে যায় অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আমলের মাধ্যমে শিরিক হয়ে যায় অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আমলও শিরিক হয় আহলে সুন্না জামাতের নিকট আমলেও মানুষ মুশরিক হয়ে যায়।
আমলের মধ্যে মানুষ কাফের হয়ে যায়। কেউ কবরে সেজদা দিলে কাফের হয়। কবরে একটা টাকা দিলে কাফের হয়ে যায়। আহলে সুন্নাত জামাত এভাবেই বলেছে যে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আমলেও মানুষ কাফের হয়ে যায়। মুরজিয়ারা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আমলে কাফের হয় না। এইজন্য তাদের বিরাট বিরাট মাদ্রাসা আছে। পাশেই কবর বুঝার জিনিস আছে। ওখানকার টাকা দিয়ে মাদ্রাসা চালায়। এখানে যত টাকা দেয় এই টাকা তাদের কাজে লাগে। এজন্য এখানে তারা বড় ধরনের কথা বলে না। শিরিক থাকার পরে আপনার পড়াই কি লাভ? যে ব্যক্তির মধ্যে শিরিক আছে সেই ব্যক্তিকে আপনার দ্বীন শিক্ষা দিয়ে কোন লাভ হচ্ছে না। কারণ সে শিরিক যদি না ছাড়ে সে তো ঈমানধারী না।
সে যত বড় পন্ডিত হোক তার কোন লাভ নাই। আবু জাহালরা তাদের কোন জ্ঞান ছিল না তা নয়। সমস্যা ছিল তাওহীদের জ্ঞান ছিল না। তারা কিন্তু ওই সময়ে তারা আবুল হেকাম ছিল। অনেক পান্ডিত্যপূর্ণ কথা বলতে পারতো। আজও অনেকেই পান্ডিত্যপূর্ণ কথা বলে। কিন্তু ঈমানিয়াতের ক্ষেত্রে তাদের অবস্থা ভয়াবহ। এখনো তাদের মত আবু জাহাল এখনো আছে। যাদেরকে আমরা সরাসরি নাম ধরে বলছি না। যাতে করে আমরা খারিদে না হয়ে যাই। কিন্তু এরা আছে আপনারা বুঝতে পারেন। যারা দ্বীন সম্পর্কে না জেনেও কথা বলে এবং তাওহীদ সম্পর্কে মোটেই জানে না। আজ পর্যন্ত কবরে চলে যাবে। কিন্তু তাওহীদ শিখে নাই। এদেরও অবস্থা আপনি দেখ এরা মুরজি।
এদেরকে আপনি যতই আলোচনা করেন আরেকটা গুষ্টি আসবে কি বলবে? এই বাড়াবাড়ি করছে। এ বাড়াবাড়ি করছে। এরা মুসলিম। কলেমা যদি একবার থাকে মুসলিম। অনেকে বলবে যে একবার যার ঈমান শক্তিশালী প্রমাণিত হয়ে গেছে ঈমানদার সে কোনদিন আর অমুসলিম হইতে পারে না। এমন অবস্থা চলে আসে তাদের কারো। মুখে স্বীকার না করলে আমি কাফের হয়ে গেছি। সেরকম না হলে সে ব্যক্তি কোনদিন কাফের হবে না। এরকম মুরজিদের চিন্তাভাবনা এখন আমাদের দেশে প্রচলিত। মুখে বলতে হবে যে আমি কাফের। নাউজুবিল্লাহ।
এটা কিরকম? হিন্দুদের কে হিন্দু এটা বিশ্বাস করার জন্য কে হিন্দু কে হিন্দু না এটা কোন সংজ্ঞা আসলে নাই সংজ্ঞা হচ্ছে এটা যে হিন্দু ঘরে জন্ম নিয়েছে এরপর বলবে যে আমি হিন্দু না তখন সে হিন্দু না হলে সে হিন্দু কোন সন্দেহ নেই আমাদের মুসলিমদের অবস্থা হছে তার একজন মানুষ সালাত পড়ে না দন মানে না শরিয়া মানে না বরং সে উল্টাপাল্টা কথা বলে আল্লাহ দ্বীনের বিরুদ্ধে কথা বলে সন্দেহ ছড়ায় হাদিসের বিরুদ্ধে সন্দেহ ছড়ায় কোরআনের বিরুদ্ধে সন্দেহ ছড়ায় নবীর বিরুদ্ধে সন্দেহ ছড়ায় বিদ্বেষপূর্ণ কাজ করে তারপরেও সে মুসলিম থেকে যায় কোথাকার মুসলিম সে তা কি হিন্দুত্ববাদীদের মত হিন্দুদের হিন্দু ধর্মের মত ইসলাম আমাদের কি আছে নাকি আমাদের তো এরকম না যত মত তত পথতো এটা মুসলিমদের নয় মুসলিমদের হচ্ছে আল্লাহর রাসূলের দেয়া পথই হচ্ছে আমাদের পথ এজন্য সেই পথের বাইরে সাহাবায়ে কেরামের নীতির বাইরে আর কোন নীতি অবলম্বন করে মুসলিম থাকা যায় না ওইটা সে বুঝে নাই কারণ তার
মধ্যে কি কাজ করেছে এর যা কাজ করেছে তার সে মুরজিয়া হয়ে বসে আছে সে মনে করেছে যাই করি না কেন আখেরাতে আমার জন্য সবকিছু য়ে বসে আছে সেখানে গেলেই আমি পার আবার কেউ কেউ কবিতা বানায় যে আমার মুক্তার আছে আমার ব্যারিস্টার আছে তিনি আমাকে পার করবেন এই আশায় বসে আছে আরেকজনের যে তিনি আমাকে পার করে দিবেন অনেকে এটার উপরে বসে আছে শাফাতের ধারণা নিয়ে শাফাতের শিপি যে ধারণা নিয়ে বসে আছে এটা তো আল্লাহ তালা আল্লাহ রাসূ অনুমোদন করেন নাই এটা হচ্ছে অন্য কওমের জিনিস। যেটা আরবের মুশরেকরা যেই ধারণা নিয়ে কাফের মুশরেক হয়ে গিয়েছিল সেই ধারণা নিয়ে অনেকে বসে আছে যে হুজুর আমারে পার করে ফেলবে।
আমার পীরে আমাকে পার করবে। আমার অমুকে আমাকে পার করবে। এগুলি সব এরজা এই আশা দিয়ে চলার কোন পাইতে পারবেন না। এই আশা আপনাকে আখেরাতে পার করবে না। এগুলি দূরাশা। এগুলি তামান্নি। তামান্নি অর্থ হল এমন আশা যে আশার পিছনে কোন কারণ নাই। এরকম আশা করে বসে আছেন। আপনি যদি আশা করে যে কোনদিন বসে তার তা পাবেন না। মনে করেন যে আমি এখন অমুক দেশের প্রেসিডেন্ট হয়ে গেছি আশাবাদী। ও সমস্ত আশা কোন কাজে লাগে না। আপনি যদি মনে করেন যে আমি একটা আলেম হয়ে গেছি। পড়ালেখা করলাম না। ও আশা কোন কাজে লাগে না। পড়ালেখা করেই আপনাকে আলেম হতে হবে।
ঠিক। পড়ালেখা করে আপনাকে ধনী হতে হবে। আপনি যদি মনে করেন যে অথবা আপনি কাজ করে ধনী হতে। আপনি যে আমার টাকা আসমান থেকে নাজিল হয়ে চলে আসবে। আশায় বসে আছি। এটা দূরাশা। এটা এরকম কাজ হয় না। আপনাকে কিছু পরিশ্রম করতে হবে। কাজ আল্লাহ বরকত দিবে সবই দিবে কিন্তু আপনাকে একটু এগিয়ে যেতে হবে একটু সামান্য সামনে আগাতে হবে যে আমি আল্লাহর কাছে চাচ্ছি আমি শুরু করছি আল্লাহ আপনাকে পূর্ণতা দিবেন কিন্তু যে দুরাশা নিয়ে বসে আছে তার তো ভালো হওয়ার কোন লক্ষণ আমরা দেখি না প্রিয় ভাইয়েরা যা বললাম যে আসলে এই প্রথম কাজ মুরজিয়াদের কাজ কি আমলকে ঈমান অংশ মনে করে না এটার মধ্যে আছে আশারীরা মাতরা মুরজিয়ারা মুরজি বলতে এখন বেশিরভাগ মানুষ মুরজি আছে জগতের জায়গা যারাই আল্লাহর শরীয়তকে বাস্তবায়নযোগ্য মনে করছে না।
আল্লাহর শরীয়তকে বাস্তবায়ন করা জরুরি মনে করছে না। এরা সবাই মুরজিয়া হয় কাফের নয় মুরজিয়া হয়ে আছে। মুরজিয়াদের আমরা কাফের বলছি না। কিন্তু এরা অবশ্যই পথভ্রষ্ট এতে কোন সন্দেহ নেই। এই অনেকেই দেখবেন আপনাকে পর্যন্ত আপনি যখন ঈমানের দাওয়াত দিবেন, তাওহীদের দাওয়াত দিবেন, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলার কথা বলবেন, অর্থ বলবেন, শর্ত বলবেন, এগুলি মেনে চলার কথা বলবেন। আরেক দল আসে আপনাকে বসায়ে দিবে। তুমি এত বেশি বাড়াবাড়ি করছ কেন? সে কি কাফের নাকি? কাফের না হলে ওকে কার মত থাকতে দাও এটা শরীয়ত অনুমোদন করে না কাফের না হলে তাকে তার মত থাকতে দেয়া যাবে না তাকে দাওয়াত দিতে আপনার দায়িত্ব শাসকের দায়িত্ব হচ্ছে ভুল করলে তাকে বাধ্য করা বাধ্য করা ওমর খাত্তাব রাদিয়াল্লাহুর সময় কেউ যদি নামাজ না পড় তাকে এমনি ছেড়ে দিত হায়াতুল আম এমনে ছিল সৎ আদেশ নিষেধ কেন ইসলামে আছে অন্যায় কাজ ছেড়ে দেয়ার জায়গা নয় এটা তাকে বাস্তবায়ন করতে বাধ্য করা হবে শাসকের জন্য যেমন ইসলাম শাসিতের জন্য ইসলাম আছে আপনাকে সবটাই মানতে কোন অংশ ছাড় দেয়ার সুযোগ নাই।
এই অনেক মানুষ আছে আপনাকে বসিয়ে দিবে। আমি আশ্চর্য হয়েছি। অনেক আলেম নামের জালেম আছে যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। অনেক আছে তথাকথিত কিছু মানুষ একসময় ছিল খারেজ। হঠাৎ হয়ে গেল মুরজিয়া। মানে একবারে পুরা ৩৬০ ডিগ্রি উল্টে গেল। যে পুরা এসে মর্জিয়া হয়ে গেল। আগে মারামারি করতো। এখন পুরোপুরি বলছে আল্লাহর দ্বীন। সবাই ভালো যেমনে আছে এমনে থাকুক। এইটা হচ্ছে ভুল ভ্রান্তি। আকিদাগত বিশুদ্ধ না হলে এই ভুলভ্রান্তি চলতেই থাকবে এবং বেশিরভাগ মানুষে হক পথ পাবে না। এগুলি হক পথ না পাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে আলেমগুলি। এগুলিমাু খারাপ আলেম এরা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এবং কিছু চিন্তাবিদ নামে যারা জড়াইছে এরাও কিন্তু এই জাতীয় ভুলগুলি করে যাচ্ছে।
মানুষকে আকিদা শুদ্ধ করা থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। মনে করতেছে না কলেমা গো তো আছে। কলেমা তো বলে। আবার কেউ কেউ বলবে যে আমরা তো কেবলার দিকে ফিরে সালাত আদায় করি। ব্যাস হয়ে গেল। কেবলার দিকে ফিরে সালাত মুনাফেকরা পড়ত মুনাফেকরা শুধু খারেজিরা এত সালাত আদায় করত যে রাসূল বলেছেন তোমাদের সালাত কিছুই মনে হবে না নসি মনে হবে তাদের সালাতের কাছে তারপরেও রাসূুল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন যুদ্ধ করতেছে কারণ আকিদাগত পরিশুদ্ধি খুব দরকার এখানে চুক্তি থাকার কোন সুযোগ নেই শাসকের উপর দায়িত্ব শাসিতের উপর দায়িত্ব শাসকের উপর দায়িত্ব হচ্ছে অস্ত্র ব্যবহার করবে আর শাসিত উপর দায়িত্ব হচ্ছে মুখ ব্যবহার করবে লেখা ব্যবহার করবে অন্তর ব্যবহার করবে তিনটা জিনিস তার দায়িত্বের ভিতরে পড়ে চুপ থাকার কোন সুযোগ নাই যেখানে কথা বলার কথা বলবে সে কোন সালাত আদায় করে না সে কোন নিয়ম মানে না আল্লাহ শরীয়ত মানে না বলা তার দায়িত্বের ভিতরে পড়ে সে কোন ফেরকাবন্দি হয়ে
গেল সে কোন বিভ্রান্তিতে আছে এগুলি তাকে সাবধান না করলে আপনি নবীদের ভূমিকা পালন করলেন না নবীদের যে দায়িত্ব ওয়ারিস পালন করলেন না নবীরা যে কাজ করতে সেটা কি নবীরা মানুষকে হেদায়েতের পথ ডাকতেন আল্লাহতালা তার নবীকে পাঠিয়েছেন সমস্ত দীনের উপরে আল্লাহর দনকে বিজয় করা এটাই ছিল উদ্দেশ্য সমস্ত মতবাদের উপরে আল্লাহর দীনকে প্রতিষ্ঠা করা ইসলাম ছাড়া আর কোন মতবাদ থাকতে পারে না ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ নামে যা সেকুলারিজমে যাবা ভুল অনুবাদ করেছে ধর্মহীনতা এইটা চলতে পারে না ইসলামে যে কেউ আপনি বলে যদি এটা বলেন যে আমার স্ত্রী যা ইচ্ছা তা করুক তোমার বলার অধিকার নাই আমার বলার অধিকার নাই রাষ্ট্রের আছে আর আমি আপনাকে নসিহত করতে পারব এটা কোন সন্দেহ নাই আপনার স্ত্রীকে হয়তো আমি বলতে পারছি না কিন্তু আপনার ছেলে যা ইচ্ছা তা করবে আমি বলতে পারবো না এটা তো হয় না এ হজ ব্যবস্থা চলতে পারে না সমাজ নষ্ট হবে রাষ্ট্র নষ্ট হবে যে কেউ যা ইচ্ছা
তা করে ছড়তে পারে না কেউ তারা তাদের কোন অধিকার বঞ্চিত হলে দেখবেন তারা টিকিট তুলে নিয়ে আসছে টিকি ধরে নিয়ে আসছে কিন্তু আল্লাহর বিধান নষ্ট হচ্ছে তাদের কোন মাথা ব্যথা নেই কেন তারা মুরজিয়া এজন্য তাদের অধিকার নষ্ট হলে ঠিকই পাগল হয়ে যায় তাকে ঠিক ধরে নিয়ে আসে কেউ যদি কোন তাদের ইয়া না দেয় ট্যাক্স না দেয় দেখবেন ঠিক তারে ধরে নিয়ে আসছে ট্যাক্সেসের জন্য লোক নিয়োগ দিচ্ছে কেমনে আনবে কিন্তু সালা তাদের জন্য কোন লোক নিয়োগ দেয় না তাদের কাছে সালাটা কোন বিষয় না তাদের দন আল্লাহর দন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়িত হচ্ছে না আল্লাহর শরীয়তের বাইরে বিধান চলতেছে এদের মাথা ব্যথা নাই তাহলে এটা তারা বিশ্বাসী তারপরও আপনি বলবেন পাক্কা ঈমানদার আপনি মুরজিয়া এরা ঈমানদার কিভাবে থাকে যারা আল্লাহর শরীয়ত বুঝে নাই পড়ে নাই পড়তে দেয় না শাখ আব্দুল রহমাতুল্লাহ আলাই যেই সমস্ত জিনিসের কারণে বলেছেন মানুষদের ঈমান থেকে বের করে দিছেন সেগুলি কি
আপনারা জানেন যে যে সমস্ত জিনিসের কারণে এরা ঈমান থেকে বের করে অনেকগুলো জিনিস থেকে বলছেন এগুলি করলে ঈমান ঈমান থেকে বেরিয়ে যায় এক নম্বর হচ্ছে যে মাধ্যম ধরা মাধ্যম ধরে তাকে ডাকা মাধ্যম কখন ধরে মানুষ বলেন তো আল্লাহর সাথে সম্পর্ক যার খারাপ হয়ে গেছে সে মনে করে আমি করলে কি আল্লাহ শুনবে না অমুকের বলি অমুকে ব্যবস্থা করে দিবে আমার কথা বুঝছেন কিনা তারা আল্লাহর থেকে দূরে সরে গেছে অর্থ হচ্ছে সে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে আল্লাহর এবাদত করে আল্লাহর ঈমান ঠিক করে সম্পর্কটা ঝালাই করে নিতে পারে নাই এর অর্থ হচ্ছে এটা কিন্তু তার ঈমান চলে যাওয়ার একটা কারণ কে উল্লেখ করেছেন আবদুল উল্লেখ করেছেন এটা মূল কারণ হচ্ছে এরজা এর কারণে মানুষ কিসে পড়ে যেহেতু মনে করছে আখেরাতে পার পেয়ে যাবে অমুকে পার করে দিবে অমুকে সুপারিশ করবে অমুকে এটা করবে দুনিয়াতে বিপদে পড়লে অমুকে এটা করবে এই জিনিসগুলো পুরোটাই এরার উপর নির্ভরশীল বেশি আশাবাদী হয়ে বসে
আছে সে বিশ্বাসই করতেছে তার ঈমান চলে যায় এজন্য সে কবরের কাছে যাচ্ছে পীরের কাছে যাচ্ছে মাজারের কাছে যাচ্ছে যেখানে যাচ্ছে সেখানে অথবা গজার মাছের কাছে যাচ্ছে অথবা এমনকি কখনো কখনো কুমিরের কাছে যাইয়া অফিস চাচ্ছে যে কুমিরের নিজের খাবার নাই তার কাছে খাবার চাচ্ছে যে তুমি নিজেই সুস্থ হইতে পারে না তার কাছে সুস্থতা চাচ্ছে মানে পাগল কাকে বলে অনেক মানুষকে আপনি দেখবেন সে নিজে মরা মানুষটারে কাঁদে করে নিয়ে গেছে দোয়া করছে আল্লাহ তারে জান্নাত দাও আল্লাহ তারে জান্নাত দাও আল্লাহ তারে জান্নাত দোয়া করতে চাই না এরপরে আবার তাকে কবরে দিছে সেখানে দোয়া করছে আল্লাহ যেন সে যেন গুনাহ মাফ করে আল্লাহ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে কিছুক্ষণ পরে সে আল্লাহর অলি হয়ে গেল তার কাছে চাওয়া আরম্ভ করল কি হইলো এতক্ষণ তো সে আপনার দোয়া পাইছে এখন তার কাছে আপনি চাচ্ছেন আপনি কি পাগল নাকি? এতক্ষণ আপনি বুঝছেন যে তার দোয়া করা দরকার চলে যাচ্ছে দুনিয়াতে শেষ হয়ে গেছে সব আল্লাহ যেন তারে মাফ করে দেয়।
এরপরে যখন কবরে দিয়ে পলেন এরপরে কবর পাকা করে তাকে শুরু করে চাওয়া আপনি কি পাগল? আপনি এর বুঝছেন তাকে মাধ্যম আপনি কেন বানাচ্ছেন? এই পাগলামি আপনি কেন করেন বুঝেন না কেন? আপনি বিবেকটা কেন সানিত হচ্ছে না যে এরা কিছুই করতে পারে না। মরে গেছে। মরা মানুষ কিছু করতে পারে না। কোন মরা মানুষ কারো জন্য কিছু করতে পারে না। মরা মানুষ কারো জন্য কোন সামান্যতা উপকার করতে পারে না। এটা আপনার মাথায় আসে না কেন? কারণ আপনি এর জায়গায় ভুগছেন। আপনি আশাবাদী।
আশা দূরা আশা এ আশা কোনদিন আপনার স্বপ্ন পূরণ হবে কোনদিন শাইখুল ইসলাম মোহাম্মদ ইবনে আব্দুল রহমাতুল্লাহ আরেকটা কারণ বলছেন দুই নম্বর কারণে মানুষ কাফের হয়ে যায় সেটা কি তিনি বলছেন যদি কোন কেউ কাফেরদেরকে কাফের না বলে তাহলে কি হয়ে যায় মানুষ কাফের হয়ে যায় বলছি কি অনেকেই বলবে আপনি দেখবেন যে দ ইব্রাহিম মধ্যে তো আছে ইব্রাহিমের মধ্যে আছে অনেকে আবার একসাথে তিনটা করতে আগ্রহী হবে অনেকে আবার বলবে যে আমরা সব মিলে মিশেই তো আছি অনেকে এটার মধ্যে আবার সময় ব্যয় করবে এটার উপরে অনেকে বলবে যে কাউকে কাফের বলার অধিকার কে দিল আপনি কাফের কেন বলবেন আপনাকে কে নির্দেশনা দিছে নির্দেশনা আমাকে আল্লাহ তার রাসূ দিয়েছে কাফেরদেরকে কাফের বলতে হবে কাফেরদের কাফের বলতে হবে এটা আল্লাহ তার রাসূ নির্দেশনা কেউ যদি কাফেরদেরকে কাফের না বলে তার নিজের ঈমান থাকে না সুতরাং কাফের কাফের বলার দায়িত্ব আমার আপনার সবাই একজন ঈমানদার তার কারণ হচ্ছে তার ঈমানদার কাফের নিয়ে ঘর করতে পারে না ঈমানদার পুরুষ যেমন কাফের নারী নিয়ে ঘর করতে পারে না ঈমানদার নারীও কাফের স্বামী নিয়ে ঘর করতে পারে না।
কাফেরের সাথে ঈমানদারের সাথে অনেক মাসালা জড়িত। অনেক মাসালা জড়িত। আপনি চিন্তা করতে পারবেন না। এত মাসআলা জড়িত আপনি যদি বলেন যে না কিছুই বলব না। আমরা আমরা মিলেমিশে থাকব। তাহলে জাহেলি যুগটাই তো ভালো ছিল। নাউজুবিল্লাহ। যে জাহেলি যুগে সবাই মিলেমিশে থাকতো। কিরকম? যে যা করো কোন সমস্যা নেই। যে যা করো কোন সমস্যা নেই। লুটপাট করে খাও। এখন তো লুটপাটের যুগ চলছে। যে যেমনে পারে এমনে খায়। কেউ লুটপাট করে বিদেশে বাড়ি বানায়। কেউ লুটপাট করে দেশে থাকে।
কে লুটপেট করে ব্যাংক লুট করে বিদেশে পাচার করে এগুলো তো এখন চলছে বিপদ লোকের মত অস্পষ্ট কিন্তু তারা দ্বীনের ব্যাপারে কোন ধারা ছাড় দেয় না অন্যায় করছে অন্যায় ভুলটুকু তাদের মধ্যে নাই এটা একমাত্র কারণ হচ্ছে এরজা জনজীবনে মানুষের ভিতরে এরজা কাজ করে এই মুরজিয়া হওয়া মানুষের ভিতরে ঢুকে গেছে ঈমান কখন যায় ঈমান কখন হয় এটা শিখার দরকার মনে করে নাই এটা কোন প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা নয় আমি যা বলেছি আপনি কোন প্রতিষ্ঠানে পাইবেন না এমনকি মাদ্রাসাগুলোতে পাবেন না যে ঈমান যায় ঈমান শুধু শুধুমাত্র ও নির্ভরশীল হয়ে গেছে ঈমান কিভাবে যায় ঈমান কিভাবে হয় এটা শিক্ষা দেয়ার বিষয় সর্বাগ এটা শিক্ষা দিতে হবে সাহাবা যখন একত্র হতেন তখন কি বলতেন আমরা কিছুক্ষণ বসি ঈমানটাকে আমরা ঈমানটাকে ঈমানের কাজ করতে ঈমান আলোচনা করতেন আর আমাদের আলোচনা হচ্ছে কত ফজিলত আছে কত ফজিলত আমি কোথায় রাখি এত ফজিলত রাখার জায়গা নষ্ট হয়ে গেছে ফজিলত যেখানে রাখবেন ওটা নষ্ট ও রাখার
জায়গা তো ঈমান এটা তো আপনার শুদ্ধ হয় নাই আপনি ভয়াবহ বিপদে আছেন সুতরাং যারা এই জাতীয় কাফেরদেরকে কাফের মনে করে না তারাও এই ফেতনার মধ্যে নিপড়িত এর ফেতনার নিপিত তারা মনে করে কাফের বললে তো আমার ভোটার কমে যাবে কাফের বললে তো আমার কি চাপোটার কমে যাবে কাফের বললে আমার পয়সা কমে যাবে কাফের বললে আগামী বারে হয়তো আমারে আর কেউ মূল্যায়ন করবে না কাফেরকে কাফের বলতে রাজি নাই কাফেরকে কাফের বলতে হবে ঈমানদার তো নয় হয় ঈমানদার নয় কাফের নলেশ ঈমানদার এর মধ্যেও থাকবে কিন্তু সে যদি আপনি কাফেরকে কাফের মনে না করেন তো ভয়াবহ বিপদ কাফের তো কাফের বলতে হবে আপনাকে কিন্তু এদের অনেকেই দেখবেন যে ইহুসারা কাফের বলা যাবে না অথবা হিন্দু বৌদ্ধ না কাফের বলা যাবে না এরা সব মুরজিয়া নয় শুধু এরা ঈমান থেকে বেরিয়ে যায় শখ মহা আব্দুল বলেছেন তিন নম্বর যিনি বলেছেন কেউ যদি মনে করে আল্লাহর আদর্শ আল্লাহ রাসূের আদর্শ ব্যতিত অন্যের আদর্শ উত্তম সেই ব্যক্তি কাফের বলছে এটা কারা বলতে পারে? কারা বলতে পারে? যারা ঈমানের ছাড় দিতে রাজি আছে।
ঈমানের ছাড় যারা দেয় এরা তো মুরজিয়া। কোন সন্দেহ নাই। ঈমানে আমলে যারা ছাড় দিবে তারা তো মুরজিয়া। আমরা আগেও বলেছি মুরজিয়ার জন্য দুইটা বৈশিষ্ট। একটা হচ্ছে আমল ঈমানের অংশ। যে ব্যক্তি আমল ঈমানের অংশ না বলবে। সে রাষ্ট্রে আল্লাহর বিধান চালু করবে না। মসজিদে সালাতের দরকার নাই। মেয়ে বউরে বলবে নামাজ পড়ার দরকার নেই। মানে কোন তুমি আমার সেবা করলেই যথেষ্ট। আবার কেউ বলবে যে তোমার এত হারাম হারাম চিনার দরকারটা কি? আবার কেউ বলবে যে বাইরে ঘুরে বেড়াও অথবা হাওয়া বেড়াও অথবা কেউ বলে শিল্প সংস্কৃতি করতেছি আমরা। শিল্প সংস্কৃতি নাম দিচ্ছে। এগুলি যারা করে বেড়াচ্ছে এদের অধিকাংশই আপনি কি মনে করছেন যে এরা কি রসূলের আদর্শ থেকে উত্তম মনে করছে না এটাকে? অধিকাংশ এরা মনে করে এটাই উত্তম।
বর্তমানে এটাই শেষ। ওই পুরান জিনিস আমরা কেন ধরে রাখবো? এটা মনে করতেছে এরা যে কাফের হয়ে গেছে কোন সন্দেহ নাই। এইটা হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে এর যা। অন্তরের ভিতরে সে এর যা আশাবাদী হয়ে বসে রয়েছে। এগুলি কিছুই না। অর্থাৎ আমল দরকার নাই। শুধু আমার অন্তরের ভিতরে এক স্রষ্টার কথা আছে তো। সুতরাং যথেষ্ট হয়ে গেছে। এটা মুরজিহাদের কাজ। এটা আহলে সুন্নাত জামাতের কাজ নয়। এটা কোনদিন ঈমানদারদের কাজ হতে পারে না। এইজন্য আরেকটা দেখতে পাচ্ছেন তিন নম্বর কাজ যে গিয়ে কাফের হয়ে যায়। এটাও এর কাজ। চার নম্বর যে কারণে যেই কারণে কাফের হয়ে যায়। শাখ আব্দুল রহমাতুল্লাহ বলেছেন সেটাও এর কারণ।
সেটা কি? বমা রাসূ রসূ যা নিয়ে এসেছেন এটা ঘৃনায় করতেছে দাড়ি আনছে বোরকা আনছে সনে নাই দাড়ি আর বোরকা রাসূের কথা আপনার কাছে যারা আসছে অনেকে দেখবেন যে এই দুইটা নিয়ে উচ্চবাচ্য নয় শুধু প্রয়োজনে যুদ্ধ লাগিয়ে দিবেন উপরে কাপড় এটা রাসূের নির্দেশনা আপনার কাছে এমন লোকও পাবেন যারা কিছুদিন আগে পাগল ঘর থেকে বের হতে পারে না যুবকরা এত কঠিন তাদের উপর চালিয়ে দিয়েছে এখন আল্লাহতালা হয়তো আপনাদের সুযোগ দিয়েছে কিন্তু এই যারা বিশ্বাস তাদের মূল কারণটা কি জানেন? তারা এটাকে পরিপূর্ণ আদর্শ মনে করে নাই। রসূল যা নিয়েছে এটা ঘৃণ করছে। এটার মূল কারণ হচ্ছে এর আশাবাদী।
এত কিছুর পরেও সে আখেরাতে জাহান্নামে যেতে চায় না। জান্নাত জাহান্নাম আছে কিনা? আছে। জান্নাতে কেমনে যাবে? জান্নাতে যাওয়ার জন্য তোমারে জিজ্ঞাসা করছি নাকি? এভাবে বলে জান্নাতে আল্লাহ আমারে জান্নাতি তোমার দরকার নেই। কিন্তু সে ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে। এর মূল কারণ হচ্ছে এরজা কারণ সে মূর্চা হয়ে বসে আছে পাঁচ নম্বর যেটা শাখুল ইসলাম আব্দুল বলছে ঈমান চলে যায় এটা হচ্ছে বিদ্দিন দন নিয়ে ঠাট্টা করা উপহাস করা বিদ্রুপ করা এটা একটা দুইটা বহু মানুষের দেখবেন এটার মূল কারণ কিন্তু এর মূল জিয়া হলে মানুষ এটা করতে পারে ঈমানের উপর মজবুত থাকলে দ্বীনের বিষয় নিয়ে সে অন্তত কষ্ট পাবে যে আমার ভাই দ্বীন মানছে না আমার ছেলে দ্বীন মানছে না আমার স্ত্রী দ্বীন মানে না আমার স্বামী দ্বীন মানে না আমার পরিবারের দ্বীন নাই মনের ভিতরে আঘাত থাকবে কষ্ট থাকবে কিন্তু অতিরঞ্জিত হয়ে দীন নিয়ে ঠাট্টা করবে এটার অর্থ কি তার মধ্যে ঈমানদার সে নিজেরে কাফের বলবে না
আমি মুসলিম মুসলিম মোটা তালিকায় আমার নাম মুসলিম আছে অথবা আমি যদি কোন ওই কাজ করি মুসলিম থেকে যাব হ্যা জুমার দিনে মুসলিম থাকি অথবা কোন কোন ঈদের দিনে ঠিকই সুন্দর কাপড় পড়ে ঢাকা থেকে গাড়ি হাঁকিয়ে গ্রামে গিয়ে মানুষের কটা টাকা দিয়ে ঈমানদার হয়ে বসে যায় সুন্দর করে বিছাইয়ে বিছনা বিছাইয়ে আশেপাশে কাউকে যদি কেউ দেখে যে সাধারণ মানুষ আসছে নাক শিটকে বসে এগুলির মধ্যে হচ্ছে ঈমানদার থেকে যায়। কারণ তার মূল কারণ হচ্ছে সে মনে করছে আল্লাহর দিন শুধুমাত্র একদিন মানলেই হয়। একদিন মানলে হয় প্রতিদিনই সালাত আদায় করতে পাচ ওয়াক্ত আবার কোন কথা এটা বাধ্যবা হুজুররা দিয়েছে এটা আল্লাহ দেয় না অথবা ঠাট্টা করবে নিয়া হায়রে এতো শেষ হয়ে গেল।
এতো সারাক্ষণ মসজিদে মসজিদে দৌড়ায়। এটা পড়ে গেল। মানে কথাবার্তা বলতে থাকবে। এরা আল্লাহর দন নিয়ে ঠাট্টা করছে। এই ঠাট্টা কখন আসে? এর থেকে আসে। যে ব্যক্তি মজি সেটা করতে পারে। অন্য কেউ এটা করে না। ছয় নম্বর তারা আরেকটা গোষ্ঠী আছে যারা কাফেরদের সাহায্য করে ঈমানদারদের বিরুদ্ধে। এরাও এইটাই যে আশাবাদী হয়ে আছে এটা করলেও তার জাহান্নাম জান্নাত নষ্ট হবে না। জাহান্নাম জান্নাত তার জন্য স্থায়ীভাবে বরাদ্দ হয়ে গেছে। সে যাই করে কোন সমস্যা নেই। আট নম্বর একটা গুষ্টিয়া যারা মনে করে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শরীয়ত থেকে বের হওয়া তাদের জন্য বৈধ। আপনি বলেন যারা গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছে।
যারা সমাজতন্ত্র প্রবর্তন করে যাচ্ছে। যারা অথবা এই জাতীয় তন্ত্র যতগুলি আছে যত তন্ত্র মন্ত্র আছে সবগুলি আল্লাহর দীন বিরোধী সবগুলি আল্লাহর দীন বিরোধী যত দীন আছে যত মন্ত্র আছে যত তন্ত্র আছে যত দীন প্রকাশ্য দিন অথবা যতদিন চিন্তার দিন যত ব্যক্তিকেন্দ্রিক দিন অথবা সামাজিক দিন অথবা রাষ্ট্রীয় দিন এগুলি যদি আল্লাহর বিধানের বিরুদ্ধে হয় এগুলিকে কবর রচনা করার জন্য ইসলামকে দিয়ে আল্লাহ তালা তার নবীকে পাঠিয়েছেন। সুতরাং কেউ যদি বিপরীতটা করে বুঝতে হবে হয় সে কাফের হয়ে গেছে। এই কাফের হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে এরজা সে কিন্তু সরাসরি যদি জিজ্ঞাসা করেন ভাই জান্নাতে যাবেন কিনা? আশা আছে। আশা কিন্তু আছে জান্নাতে যেতে চায় কিন্তু জান্নাতের কাজ করতে চায় না।
আমল করতে চায় না। আমল দিয়ে বেধে দিচ্ছেন কেন? আমল তো পরের কথা। ঈমানের তো আমার ঠিক নেই। সেই আমলকে আলাদা করতেছে। আমল ঈমান থেকে না আমল ঈমান একসাথে আপনাকে যেতে হবে। একসাথে আপনাকে এগিয়ে নিতে আমার ঈমানের সাথে এজন্য আরেকটা আরেকটা আট নম্বর যে কাজে ঈমান থেকে বেরিয়ে যে আপনার করেছেন সবসময় আপনি মুখস্ত করেন এটা সেটা কি আল্লাহর দ্বীন থেকে বিমুখ থাকা আল্লাহর দ্বীন থেকে বিমুখ থাকলে মরজি কেমনে হয় আল্লাহর দন থেকে বিমুখ থাকা সে কিন্তু জান্নাতি আশাবাদ তাকে জিজ্ঞাসা করেন কি জান্নাতে যাবেন কিনা জান্নাতে যা কেমনে যাবেন আল্লাহর দন থেকে আপনি বিমুখ পড়ান না ইউনিভার্সিটিতে পড়তে দেন না আল্লাহর দনকে এমন এমন সাবজেক্ট আপনি খোলেন যেগুলোর সাথে ঈমানের কোন সম্পর্ক নাই যেগুলো ঈমান বিরোধী সম্পূর্ণ আল্লাহর দ্বীন বিরোধী আপনার সন্তানকে তৈরি করছে কুফরি কাফের বানিয়ে আপনার সন্তানকে এমন সব মতবাদ শিক্ষা দিচ্ছে যেই মতবাদ সারাদিন আওড়াবে সে চাকরি হওয়ার পরেও সারাজীবন সে ওইটা বাস্তবায়নের চিন্তা
করবে কেন এটার উপর পড়ে আসছি এটা ডিগ্রি নিয়ে আসছি এটা আমি বাস্তবায়ন করব আপনি কি মনে করেন না যে এইটা সে যে বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সে মনে করতেছে না যে আল্লাহর দ্বীন থেকে সে বিমুখ হয়ে যাচ্ছে সে রাসূল আদর্শ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে এটা অবশ্যই মনে রাখতে হবে যদি এটা মনে না তারপরও আখেরাতের আশা করে জান্নাতের আশা সে করে বসে আছে। জান্নাতে যাবেই সে। জান্নাতে যাওয়া আর এই তার কর্মের মধ্যে কোন মিল নেই। কারণ একটাই আমলকে সে কখনো আমলকে সে কখনো ঈমানের অংশ মনে করেনি। কত ভয়াবহ বুঝাতে পারছি? একজন মানুষ যদি আমলকে ঈমানের অংশ মনে না করে সে ব্যক্তি তার সারাজীবন সে মুরজিয়া হয়ে থাকবে।
এটাই আমাদের সমাজে আজ প্রচলিত আছে। একদিকে আমলকে ঈমানের অংশ মনে করছে না। অনেক মানুষ দেখবেন কুফরি করে যাচ্ছে। তারপরেও অন্যেরা এসে বলবে যে এত তোমার বাড়াবাড়ি করার দরকার কি? আমি তো বাড়াবাড়ি করছি না। আমি তো ব্যক্তিকে বলছি না। আমি এটাও বলছি ব্যক্তিকে বলার আগে কিছু জিনিস আছে শর্ত পূরণ করতে হয়। বাধা দূরীকরণ করতে হয় কাউকে কাফের বলার আগে। কিন্তু যারা যারা স্পষ্ট নিজে বলে যাচ্ছেন। নিজে পরিবর্তন করে দিচ্ছে আল্লাহর দীনকে। নিজে বাগম্বর করতেছে কি বাগম্বর? আমি আইন করে দেব। আমি এটা করে দেব। আমি আল্লাহর বিধান পরিবর্তন করে ওটা করে দেব।
আমি নারী পুরুষ সমান করে দিব আমি অমুককে করে দিব আমি নাতিকে ছেলের সাথে ওয়ারিশ করে দিব করে দিয়েছে ওকে ওরা ঈমানদার কিভাবে থাকে এটা রাসূ হাদিসের অস্বীকার করে বসে আছে তারপরও ঈমানদার থেকে যায় কারণ তারা এরজা মুরজিয়া এই মুরজিয়াদের ফিতনা থেকে আমাদের সাবধান হতে হবে প্রিয় ভাইয়েরা আমি যে কথাটি বলছি না আমি আবার লম্বা করছি না কথাটা সেটা হচ্ছে এই ফিতনা যখন শুরু হয়েছিল এই ফিতনা যখন শুরু হয়েছিল এটার ব্যাপারে সাবধান করেছেন আলেমরা যেমন আমি কয়েকজনের কথা উল্লেখ করি আপনি বুঝতে পারবেন যে ইমাম ইব্রাহিম নাম শুনেছেন তিনি বলেছিলেন চেনা বেশি ভয় পাচ্ছি অনেকে খারদের ফেতনাকে ভয় পায় ভাই খার দেখা যায় আর মজি দেখা যায় না মজি আমল করেই না আর খারা আমল বেশি করে ফেলে দেখা যায় এজন্য আমাদের কাছে দৃশ্যমান হয় যে অমুক এটা চায় ওটা চায় কিন্তু খারেজরা কি মরজারা কি করে আমার নাইস কোন সমস্যা নাই আমি কারো তোমার তো আমি
মাথা ভাঙ্গি নাই তোমার তো কিছু করি নাই আমি তো কারো পাকা ধানের মই দেই নাই আমারে এ ধরতে আসো কেন আমি তো আমি নিজেরে নিয়ে আছি না নিজেরে নিয়ে থাকার সুযোগ নাই ইসলামী রাষ্ট্রে তুমি যেমনে এমনে চলতে পারো না একজন মুসলিম তার সমাজের কি সদস্য তাকে শরিয়া মেনে চলতে হবে তার বাবার উপর যেমন শরীয়া ফরজ তার উপর শরীয়া ফরজ তার স্ত্রীর উপর শরীয়া ফরজ তার সন্তানের উপর শরীয়া ফরজ কারো জন্য শরীয়া মানার ক্ষেত্রে কোন কারো ঐচ্ছিকতা নাই এখন অনেকে বই লেখে দুর্ভাগ্যবসত একজন বই লিখেছে ইসলাম ও শরীয়া ইসলাম এক জিনিস শরীয়া আরেক জিনিস এজন্য তারা শরীয়া জিনিস কোন ফ্যাকাল্টি কোথাও রাখতে রাজি নাই বাংলাদেশের কোথাও শরীয়া ফ্যাকাল্টি নেই অথচ পৃথিবীর সমস্ত সমস্ত দেশে যেখানে যেখানে ইসলাম আছে সেখানে একটা শরীয়া ফ্যাকাল্টি আছে সেখানেই ফেকা আছে সেখানে উসলে ফেকা আছে সেখানে আল্লাহর শরীয়ত নিয়ে পড়ালেখা হয় যাতে করে একটা জিনিস পড়া হলে এ আবেগ তৈরি হয়
এটা দাবি তৈরি হয় যখন ছাত্র বেরবে হাজার হাজার তখন সেটার বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন বিভিন্ন জায়গায় তখন বাধ্য হবে আল্লাহর শরীয়ত বাস্তবায়ন জিনিস থাকবে কিন্তু এরা এটা করবে না মুখস্ত কথা বলবে আমরা এটা চাই ওইটা চাই আবার কেউ বাগম্বর করে বলবে আল্লাহর রাসূলের শরীয়ত দিয়ে মদিনার সনদ দিয়ে ইসলাম কি দেশ শাসন করবে পাশ করার পরে আর কোন খবর থাকে না কারো এগুলো তো বাগড়ম্বর মদিনা শাসন তুমি করছো কোনদিন তোমার সন্তানও জানো তুমি জানো তোমার বাপও শিখে নাই তোমার তো দরকার এরকম শিখা আগে যে আসলে আল্লাহর বিধান কোনটা শিখতেও দিবও না শিখাবও না এরপরে বলবো যে আমি মুসলিম রয়ে গেছি এইটা হচ্ছে অবশ্যই সে মুরজিদের অন্তর্ভুক্ত যারা অন্যায় কাজ করে যাচ্ছে দেখুন বলছেন উম্মতের মধ্যে চেয়ে মুরজিদের ফেতনার চেয়ে বড় কোন ফেতনা আসে নাই কারণ কি মুরজিদের ফেতনা মানুষের ভিতরে গণ মানুষের ভিতরে হয় আর অন্যদের ফেতনাটা দেখা যায় দৃশ্যমান হয় যে অমুক এটা খারাপ অমুক এটা
খারাপ কিন্তু এটাতো অন্তরের ভিতরে আছে না করার ফেতনা কিছু করব আমাকে কে কি বলবে আমি কিচছু করবো না আমি মসজিদে যাব না আমি দীন মানবো না পড়বো না আমাকে কে কি বলবে এই যে চিন্তাধার চেতনা চলে আসছে এগুলো হচ্ছে সাবধান করেছেন বলেছেন করেছেন যারা এর ভয়ানক কোন ফেতনা প্রবৃত্তি দেখি বলেছেন ইমাম কাজ তিনি বলছেন সম্পর্কে তারা সবচেয়ে নিকৃষ্ট কিন্তু আল্লাহর উপর মিথ্যা আল্লাহ মিথ্যা মানে কি আমল করব না তারপর আল্লাহ আমারে শাস্তি দিবে না কারণ আমার অন্তরের ভিতরে ঈমান আছে শুধু অন্তরের ভিতরে ঈমান ভাইয়ের কোন ঈমানের দরকার তাদের নাই। এজন্য তারা এই বিষয়ে তারা সবসময় এই ফেতনাতে নিয় থাকে।
ইমাম মনসুর মতাম বলছেন তিনি বলতেন যে আমি বলি না যেভাবে মুরজিয়ারা বলে পথভ্রষ্ট মুরজিদের মত কথা আমরা বলি না তারাও মুরজিদের পথভ্রষ্ট বলতেন বলতেছেন ইহুদের মত কেন তিনি এটা বলেছেন ইহুদিরা জানতো আমল করত না উম্মতের মধ্যে যারা মুর তারা জানে যে এটা আল্লাহর শরীয়ত এটা আল্লাহর বিধানটা এটা সলাত এটা যাকাত এটা স এটা হজ এবং এটা আল্লাহর শরীয়ত এটা বাস্তবায়ন করা দরকার কিন্তু আমল করে না ইহুদিরা এটা করে ঠিক এ উম্মতের মধ্যে মুরজিয়ারা হচ্ছে ইহুদিদের মত ইমাম সাদ বলেছেন এবং তিনি আরো বলেছেন আরেকটা বলেছেন মুরজি তারা মুরজি সদের মত যারা তারকাদের মত অর্থাৎ আল্লাহর শরীয়ত বাদ দিয়ে অন্যটা তারা পছন্দ খুব বেশি করে আজ মুরজিদের মত এটা আপনি দেখতে পাবেন হাসান রহমাতুল্লাহ বলেছেন ঈমান আসার জিনিস শুধু আসার জিনিস নয় তামান্ নয় তাহাল্লি নয় অর্থাৎ আমি দাবি করলাম এটাই নয় অন্তরে যা আছে তাই নয় বলছে যে লোকটা ঈমানদার আপনি অন্তরে ঈমান আছে সলা আসেন না ঈমানদার বুঝা যায় না কথা বুঝেন আপনি অন্তরে ঈমান আছে আল্লাহর বিধান সত্য আপনি আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন করবেন না আপনার অন্তরে ঈমান আছে আল্লাহর শরীয়ত পড়তে হবে আপনি পড়বেন না এমন জায়গায় পড়াবেন যেখানে একটা আল্লাহর দর একটা শব্দ না পড়ানো হয়।
আপনার সন্তান যেন দ্বীন শিখতে না পারে। আপনি সারাক্ষণ পাহারা বসায়ে রাখেন। আপনার সন্তান যেন এমন কারো সাথে মিশতে না পারে মিশতে পারে যে দ্বীন শিখায়ে ফেলবে। হায়রে দ্বীনদার বানিয়ে ফেলবে। অনেকে আছে দুঃখে মরে যাচ্ছে যে আমার ছেলে তো কিছু অন্যায় করে না। কিভাবে দাড়ি রেখে ফেলল খুব খারাপ কথা ইত্যাদি মনে করতে থাকে। এরা সবই মুরজিয়াদের অন্তর্ভুক্ত। কোন সন্দেহ নাই। এরা মরজি অন্তরে যদি থাকতো অবশ্যই কর্মকাণডের সীতার প্রতিফলন পাওয়া যেত।
ইমাম মালেক রহতুল্লাহ বলেছেন ম ইয়াজিদ ঈমান কথা ও কাজের নাম বাড়ে ও কমে ইমাম শাফী বলেছেন একই কথা ঈমানদ ইমাম আব্দুল ইবনে আহমদ তার সুন্নাহ মধ্যে বর্ণনা করেছেন আবু কাস ইবনে সালাম বলতেছে ঈমান কথাও কাজের নাম শুধু কথা নয় শুধু শুধু কথা কাজের নামও ঈমান এটাই মনে করতে হবে ইমাম বুখারী রহমাতুল্লাহ আলাই বলছেন আহমদের কথা অনেকের কথা আমি সবাই কথা আনলাম না সমস্ত আহলে সুন্নাতের কথা এটা ঈমান আমল কথাও কাজের নাম ইমাম বুখারী বলছেন আমি ১০০০ মহাদিস থেকে হাদিস নিয়েছি পেয়েছি কিন্তু কারো এমন কারো থেকে হাদিস নি যারা ঈমানকে কোথাও কাজ না বলবে এবং তিনি আরো বলেছেন যে যদি আমি তাদেরকে দেখেছি তারা যাদেরকে হাদিস নিয়েছি তারা কেউ কখনো বলতো না ঈমান কথা শুধু কথার নাম বা ঈমান শুধু অন্তরে বিশ্বাস থাকলে হয়ে যাবে তার কাজ করতে হবে তারা সবাই এটা বল তারপর থেকে তারা হাদিস বঝা গেল ইমাম বুখারী রহমাতুল্লাহ ইমাম বুখারী রহমাতুল্লাহ তখন
থেকে তিনি বাছাই করে নিয়েছেন যে মরদের থেকে কিছু তিনি নিবেন না মর থেকে কিছু নিবেন না এজন্য তিনি কারো নাম উল্লেখ করতে না বলেছে কিছু মানুষ বলেছে কারণ তার নাম উল্লেখ করা তিনি অপমানদারক মনে করতেন যে সমস্ত মুরজিদের মুরজিদের কাজ মুরজিদের মধ্যে দুইটা ভাগ আছে একটা মর ফোকাহাটা হচ্ছে মুরজি দুইটা ভাগ আছে মুরজিটা মুরজি দুইটাই নিষিদ্ধ কোনটাই ইসলাম গ্রহণযোগ্য না মুরজিয়া হওয়ার কোন সুযোগ নাই ইসলাম আহলে সুন্নাত জামাত হচ্ছে একমাত্র নীতি এই নীতির উপর আমাদেরকে চলতে হবে ইমাম আজী রহমাতুল্লাহ আলাই সহ ইমাম ইব্রাহিম না সবাই একটাই বলতেন যে মুরজিয়া ফেতনা হচ্ছে ভয়ানক ফেতনা এই ফেতনা থেকে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।
আমি কয়েকটা উল্লেখ করব যে সমস্ত কাজের কারণে মুরজিয়ারা আমাদের আমাদের দ্বীনকে নষ্ট করে। একম হচ্ছে মুরজিয়ার কারণে ঈমান থেকে বেরিয়ে যায়। দীন থেকে বেরিয়ে যায় এর যার কারণে আশা আছে আমল করে তারপর আশাবাদী হয়ে বসে থাকে। আল্লাহ দীন মানে তারপর জান্নাতে যাওয়ার আশায় বসে থাকে। অথবা আখেরাতে মুক্তি পাওয়ার আশায় বসে থাকে। যে ঈমানদারের কোন শাস্তি হবে না। ঈমান তো আছে। ঈমানদার শাস্তি হয়। বলেছেন জাহান্নাম থেকে বের করবে।
যার অন্তরে আছে তার জাহান্নামে কেন গেল? কারণ গেছে আমাদের হচ্ছে কবিরা গুনাগারী আল্লাহর ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল যাকে ইচ্ছে আল্লাহ মাফ করে জান্নাত দিবেন যাকে ইচ্ছা আল্লাহ শাস্তি দিয়ে তারপর জান্নাত দিবেন চিরস্থায়ী জাহান্নামে হবে না কিন্তু জাহান্নামে যাওয়া একটা বিশাল অপমানজনক কাজ আমরা সংক্ষিপ্ত কথা এটাই বলতে চাচ্ছি যে সমস্ত মানুষগুলো যারা আজ এই ঈমানের ক্ষেত্রে অর্থাৎ আশাবাদী হয়ে বসে আছেন এবং তারা সবকছু ছেড়ে দিয়ে বসে সারা ভাব রয়ে গেছে এরা আসলে এই মুরজিয়া ভাবটা আমাদের থেকে তাড়াতে হবে কারণ এর মধ্যে কয়েকটা উদাহরণ আমি দিব কিছু মানুষ আছে যে কবর পূজা করতেছে বলে মুশরিক বলিও না মুশরিক বলিও না কবর বুঝারি মুশরিক কোন সন্দেহ নাই কবর পূজারী মুশরিক হ্যাঁ আপনি তাকে হয়তো স্পষ্ট করে সরাসরি নাম ধরে বলার আগে বলতে হবে যে ভাই তুমি কেন এ কাজটা করলে যদি কোন একবার তার কাছে দাওয়াত নেওয়া পৌঁছে থাকে যদি দাওয়াত একবার পৌঁছে থাকে আপনি জেনে গেছেন যে তার কাছে হকটা পৌঁছানো হয়েছে তাহলে তাকে কাফের বলতে কোন অধিদায় নাই তাকে কাফের বলবেন কিন্তু এর আগ পর্যন্ত আপনাকে প্রথমে একবার জানাতে এর বাইরে অনেকেই আছে যতই কিছু করুক কাফের বলা যাবে না।
এই জাতীয় যারা বলে তারা কি সম্পূর্ণরূপে এর জাতির মুজিব। আরেক মানুষ দেখবেন যে সালাত পড়ে না। তারপর তাদেরকে কাফের বলা যাবে না। এটা বলে এটাও মুরজি। আরেক গোষ্ঠী আছে তাদেরকে দেখবেন যে বলবে যে একজন মানুষ ঈমানে ঢুকছে তো এটা একিন। ঈমান থেকে বের হয়ে একিন লাগবে। না একিন আপনার হলেই হবে। ওই লোকের একন দরকার নাই। আপনি তো বুঝছেন যে লোকটা কুফরি করতেছে। আপনাকে তাকে কাফের বলা অসুবিধা নাই। এমনকি এটার উপর তার হজ জারি করতে হবে। শাস্তি দিতে হবে।
ইমামরা তাই করতেন যে একজন মানুষের ঈমানদার হইছে ইয়াকিন কেমনে বুঝতাম তা আমরা অন্তরের ক্ষমতা জানি না আমরা দেখব বাহ্যিক জিনিস তার উপরে আমল করব অন্তরের ক্ষমতা তো শুধুমাত্র আল্লাহ তালাই জানেন এর বাইরে আর কেউ জানাতে কোন ক্ষমতা আমাদের নাই আমরা শুধু হুকুম দেব বাহ্যিক জিনিসের উপরে অন্তর দিয়ে আর কারো বিচার আমরা করি না আরেকটি দেখেন ইমাম আহমদ ইবনে তিনি একটা মাসালা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন যে মাসালাটা গুরুত্বপূর্ণ একটি মাসালা সেটা কি ঈমান কোরআনে কারীমকে মাখলুক বলা যাবে না সৃষ্ট বলা যাবে আপনার কাছে মনে হতে পারে এটা আবার কি জিনিস এটা বললে কি হবে এই কথা যে ব্যক্তি মনে কর সে মুরজি ইমাম আহমদ একটা মাসলা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন তিন খলিফা তাকে পিটিয়েছে চতুর্থ খলিফা তাকে সসম্মানে তার সম্মান তাকে দিয়েছে সসম্মান সম্মান করে দিয়েছে কিন্তু এর আগ পর্যন্ত খলিফা যেগুলি যেগুলি ছিল তার প্রতি খারাপ ব্যবহার করেছে কিন্তু একটা মাসলায় শক্ত ছিলেন যে না এটা খারাপ বলা যাবে না এখন কেউ বলে এর যা কারণ বলুক বলুক না যে ইচ্ছা বলুক আল্লাহ তালা কি অন্তর জানেন তো আমার অন্তরে এই আছে সেই আছে ইত্যাদি ইত্যাদি বলে ছাড় দিত তাহলে আর ইসলাম আমাদের কাছে আসতো না।
প্রিয় ভাইয়েরা এই একটা গুষ্টি আপনি দেখবেন কিছুদিনের মধ্যে অনেক মানুষ এরকম তৈরি হচ্ছে। যারা এ সমস্ত বই পড় অনেকে দেখবেন যে তারা দেখবেন যে যখন আলোচনা তখন বলে যে এত বাড়াবাড়ি দরকার কি বাড়াবাড়ি আমি করি নাই। ইমামরা শিখিয়ে গেছেন ঈমানের কোন মাসলাতে ছাড় দেয়া যায় না। আহমদ ইবনে হাম্বল শিখিয়ে গেছেন যে আল্লাহর কোরআনকে সৃষ্ট বলা যাবে না। এখন আল্লাহর কোরআনকে এখন সৃষ্ট বলতেছে। কারা বলতেছে? আশী মাতরা বলতেছে। আরেকটা গুষ্টি আছে এরা কোরআনকে সৃষ্ট বলে যাচ্ছে।
কোরআনকে যারা সঠিক দ্বীনের শরীয়তে মানতেছে না তারা বলে যে সে সময় চিন্তা চেতনার জিনিস অনেকে উল্টাপাল্টা কথাবার্তা বলছে এরা কিন্তু আসলেই আসলেই এই আহমদ ইবনে হাম্বলের নীতির বিরুদ্ধে চলেছে ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল যে পথে ছিলেন এটা কি শক্ত থাকতে হবে আকিদার উপরে কোন কিছু ছাড় দেয়া যায় না একটু সামান্য জিনিস ছাড় দেয়ার সুযোগ নাই আবার একটা বিষয় দেখবেন ঈমান শুধুমাত্র তাদের নিকট যদি মনে করা হয় যে গুনাহর কাজ করছে কোন সমস্যা নাই একটা মানুষ দেখবে বিদেশে ছেলে মেয়ে পাঠাচ্ছে মেয়ে যাচ্ছে বিদেশে ছেলে যাচ্ছে বিদেশে আবার কেউ কেউ এটার ইয়াও করতেছে মানে এটার জন্য তারা এই বিমান ব্যবস্থা করে দিচ্ছে ব্যবস্থা করতেছে বিশাল ব্যবস্থা করে দিচ্ছে মনে বিশাল ভালো কাজ করতেছে এগুলি যে গুনা কাম মনে করতেছে এগুলি এর থেকে আসছে তার মনে করতেছে অসুবিধা নাই কি হইছে নাম নয় দন কোনটার নাম দন সবটা মানার নাম কোন অংশে ছাড় দেয়ার নাম দন নয় প্রিয় ভাইয়েরা এই ফেতনা আজ জগতকে জগতকে ছেয়ে বসেছে জগতের সব জায়গাতে ফেতনা ছেয়ে বসেছে ঈমান হচ্ছে ঈমান হচ্ছে আমল কথার নাম কাজের নাম নাম কথা কয়টা? দুইটা।
আমল কয়টা? তিনটা। এই পাঁচটা জিনিস যদি আপনার মধ্যে থাকে আপনি পরিপূর্ণ ঈমানদার। আপনি সত্যিকার ঈমানদার। আর যদি এর মধ্যে কোন কিছু কমতি থাকে বুঝতে হবে যে আপনি অবশ্যই ভুলের মধ্যে আছেন। আপনার ঈমান কমে যাচ্ছে। এবং একটা সময় ঈমান চলেও যায়। ঈমান কমতে কমতে একসময় নাই হয়ে যায়। কোন কোন ঈমানের শাখা যদি চলে যায় ঈমান মোটেই থাকে না। আপনাকে চিন্তা করতে হবে যে আমি কোনটার ভিতরে আছি। এজন্য ঈমান শিখতে হবে বেশি বেশি করে।
ঈমান আলোচনা বেশি করতে হবে এবং এর বিরোধী যে সমস্ত ফেদ ব্যাপারে আমাদেরকে সাবধান করতে আলহামদুলিল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহ সম্মানিত মুসলিম বলছিলাম যে আমাদের জনজীবনে আজ বা মুরজিয়া হওয়ার প্রবণতা আমাদের রয়ে গেছে বেশিরভাগ মানুষের মুরজিয়া কারণ হচ্ছে আমাদের যারা পূর্বসন আমাদের শিখিয়েছে অনেকেই দন শুধুমাত্র শিখিয়েছে কিছু বলার না অনেকেই একটা সময় হয়েছে ঠিকমত সালাত আদায় করে নাই কাজ করেছে ক্ষেতে অনেক সময় কাজ করেছে কষেতে এমন যে কাপড় পরণ ছিল না অপকর্ম করে কাজ করেছে এবং পাগলের মত সারাদিন চলেছে আবার সকালে কাজে চলে গেছে আল্লাহর দ্বীন মানার সুযোগও তারা সুযোগ বা গুরুত্ব তারা দেয়নি গুরুত্ব দেয় এমন একটা সময় পার হয়ে গেছে এখন সুযোগ পড়ার জানা তারপরও যদি কোন আমরা সে অবস্থায় থাকি এটা আল্লাহ তালা মাফ করবেন কিভাবে করছেন আল্লাহ দন না মানলে আপনাকে আল্লাহ ছাড় দিবেন আল্লাহর দন মেনে চলতে হবে আল্লাহর দনকে মানতে হয় অনেকে আছে আপনি জানছেন যে লোকটা কুফরি করে যাচ্ছে অনবরত তারপরেও
কাফের বলবেন না তারপরেও কাফের বলবেন না এটা হচ্ছে কারণ কাফেরকে কাফের কুফুরি করে যাচ্ছে স্পষ্ট কবর সেজদা করছে মাজারে সেজদা করছে এইটাই করছে টাকা দিচ্ছে তারপরে কাফের বলতে আপনার অন্তরে বাড়তেছে বুঝা গেল আপনি এখনো ঈমান ঈমানিয়াত আপনার পূর্ণ হয় নাই এজন্য সাবধান আমাদেরকে ঈমান পূর্ণ করে চলতে হবে আমরা একদিকে খারিজদের নীতি থেকে আলাদা আরেকদিকে মুরজিয়াদের নীতি থেকে আলাদা আমরা হচ্ছি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা যেই পথের উপরে আল্লাহ তাআলা তার সাহাবী আল্লাহ তার নবীকে রেখেছেন সাহাবায়ে কেরামকে যে পথে সাহাবায়ে কেরাম যে পথের উপর চলেছে যে পথের উপরে আমাদের সম্মানিত ইমামরা চলে গেছে সলফে সালে যে পথে চলেছে সে পথে থাকতে হবে এই মুর্চিয়া হওয়া যাবে না খারেজী হওয়া যাবে আর মাঝখানে কোনহাদের জায়গা যদি কোথাও থাকে সেখানে চলতে থাকবে ঠিক আছে যে কোন জায়গাতে এটা কি ওজর কি ওজর কিনাদের জায়গা হতে পারে যেমন কারো মূর্খতা কিনা কারো হয় কিন্তু এই দিয়ে কেউ যেন মজ না
হয়ে যায় যে আমল না করে জান্নাতে চলে যাবে আমল না করে ঈমান ঠিক থাকবে এটা চিন্তা আমাদের না আসে আল্লাহ আমাদের বঝার তৌফিক দ আমাদের সবাইকে আপনি ক্ষমা করে দিন আল্লাহ আমাদেরকে থেকে বাচিয়ে দিন আল্লাহ আমাদের থেকে বাচিয়ে দিন আল্লাহ আমাদের থেকে বাচিয়ে দিন আল্লাহ আমাদের উপর রাখুন আল্লাহ আমাদের সালাফ নীতির উপর রাখুন আল্লাহ আমাদেরকে আপনি সঠিক পথের উপর রাখুন আল্লাহ আমাদের সন্তানদেরকে সঠিক পথের উপর রাখুন আল্লাহ আমাদের স্ত্রী সন্তান পরিবার পরিবার সবাইকে সঠিক পথের উপর রাখুন আল্লাহ আমাদেরকে আহলে সুন্নাত জামাতের উপর মৃত্যু দিন আল্লাহ এই দিনটির উপর আমাদের অবশ্যই থাকার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ আমাদের মধ্যে যাবতীয় ফেতনা আপনি আমাদের থেকে উঠিয়ে নিন।
আল্লাহ আমাদেরকে আখেরাতে আমাদেরকে মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফায়াত নসিব করুন। আল্লাহ আরশের নিচে ছায়া দিন। আল্লাহ আমাদেরকে জান্নাতে বিনা হিসেবে যাওয়ার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ আমাদের বিপদে আছে বিপদ থেকে আপনি উদ্ধার করার জন্য। আল্লাহ তাদেরকে আপনি সহযোগিতা করুন। বিপদ থেকে উদ্ধার করে দিন। আল্লাহ যারা কোন সমস্যা সমস্যা উচ্চারণের ব্যবস্থা করে দিন। যারা কবরে শুয়ে গেছে আমাদের আল্লাহ তাদেরকে আপনি ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ অনেক মানুষ আমাদের সাথে সালাত আদায় করতে চলে গেছে। আমরা জানি না কখন চলে যাব।
আল্লাহ তাদেরকে আপনি ক্ষমা করে দিন আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুন যেদিন আমরা তাদের পথে যাব আল্লাহ আমাদের সমস্ত আমল কবুল করুন আপনার জন্য যেন সমস্ত আমলের তৌফিক আমাদের দিন আল্লাহ আমাদের সন্তানদেরকে দনের উপর তৌফিক দুনিয়াকে বড় না করি আল্লাহ আমরা যেন আখেরাতকে বড় করে তৌফিক আমাদের আল্লাহ