লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: মৃত্যু যখন-তখন আসতে পারে—প্রস্তুত থাকুন ঈমানের সাথে

মৃত্যু যখন-তখন আসতে পারে—প্রস্তুত থাকুন ঈমানের সাথে



মুশরিকদের মধ্যে কিছু মানুষ এমন আছে তাদের এটা ধার আল্লাহর ওলিরাও মরে না পৃথিবীতে জাতি কাফেররাও পর্যন্ত এটা মেনে নিয়েছে যে না পৃথিবীতে কেউ চিরস্থায়ী বেঁচে থাকতে পারে না এজন্যশি শিরক বা মুশরেক হওয়া এটা এতটা নিন্দনীয় কাজ। এর জন্য আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা আমাদেরকে বারবার এ মুশরেক হওয়া থেকে সত সাবধান করেছে। মুশরিকের আকলের কোন মূল্য থাকে না। একটা কাফের দেখবেন কাফের আল্লাহকে মানে না। কিন্তু ও কোনদিন মানে তোমার সাথে সাক্ষাত করবে। এটা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহুতালা আমাদেরকে বলেছেন। তারপর একটা নমুনা আল্লাহ বলেছেন যদি কোন ব্যক্তি এমন কোন সুধীর দুর্গ তৈরি করে যেখানে সে থাকা যায় আল্লাহ বলেছেন সেখানেও মৃত্যু তোমাকে পাবে বা পৌঁছে যাবে।

                                                           

তো মৃত্যু থেকে পলায়ন করার মতন কোন বিষয় না। তারপরে এই মৃত্যু নিজেকে যেমন আপনি মানে বাঁচতে পারবেন না আবার মৃত্যু যখন উপস্থিত হয়ে যাবে তখন চাইলে আপনি মৃত্যুর সাথে মোকাবেলা করে পারবেন না। এই কথাগুলো আমি জানি যে আপনারা জানেন। কিন্তু কেন আবার রিপিট করার প্রয়োজন হয়? আমাদের কিছু শিক্ষিত সংবাদ যারা পড়ে মিডিয়ার কর্মী যারা তাদের কিছু ভাষা আছে যেটা আকিদার সাথে চরমভাবে দন্ড তৈরি হয় যে ভাষা আল্লাহ পছন্দ করেন না যেমন তারা প্রায় সময় কিছু মানুষের মৃত্যু কেন্দ্রিক বলে যে অমুক লোকটা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জাতেছে অমুক ব্যক্তি মৃত্যুর সাথে মান যুদ্ধ করতেছে বা মৃত্যুর সাথে লড়ে যাচ্ছে অনেক সময় সে মৃত্যুর সাথে পরাজয় হয়ে গেল।

                                                           

অনেক সময় বলে সে মৃত্যুর সাথে লড়তে লড়তে জিতে গেল বেচে গেল। এইযে ভাষাগুলা এটা কোন মুসলিমদের ভাষা হতে পারে না। কারণ মালাকুল মত এমন একজন ব্যক্তি এমন একটা সৃষ্টি আজ পর্যন্ত না তার কাছ থেকে কেউ ছাড়া পেয়েছে আর না কেয়ামত পর্যন্ত কেউ ছাড়া পা। এটা আমার মত নগণ্য ব্যক্তির ভাষায় হয়তো আপনার অন্তরে যাবে না। কিন্তু সংবাদটা আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি কোন ভাষায় ব্যক্ত করেছিলেন সেই হাদিসের ভাষাটা আমি আপনাকে শুনিয়ে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের সর্বশেষ মুহূর্ত মালাকুল মউত উপস্থিত।

                                                           

আগে তাকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে ফেরেশতা এসে যে আপনার রব আপনাকে সালাম জানিয়েছে মনে আপনার কাছ থেকে অনুমতি চেয়েছেন আপনি কি পৃথিবীতে আরো কিছুদিন থাকতে চান না আপনার রবের সাথে সাক্ষাত করতে চান তখন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন আল্লাহুম্মা আমি আমার সুউচ্চ বন্ধুর সাথে সাক্ষাত করতে চাই তারানে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আহা তিনি বলেন যখন তিনি উপর দিকে ইশারা করেছেন তখন আমরা বুঝতে পেরেছি যে রাসূ আর আমাদের মাঝে থাকতে চাচ্ছেন না তিনি হয়তো পরকাল জীবনটাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। ওই সময় ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহাসছেন এবং কাঁদছেন এবং তার কাছে উপস্থিত ছিলেন এবং রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর কষ্টটাকে অনুভব করে তিনি বলতেছেন আমার পিতার কষ্ট।

                                                           

তখন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওই মুহূর্তে তাকে সান্তবনা দিয়ে যে বাক্যগুলো বলেছিলেন তার একটা ছিল তিনি বলেছিলেন ইয়া ফাতেমা। আবিকি কারবুন বাদালি আজকের পর থেকে তোমার বাবার আর কোন কষ্ট হবে না। তার মানে দুনিয়াতে তোমার বাবাকে যারা কষ্ট দিয়েছে বা যত কষ্ট আমরা পেয়েছি আমি পেয়েছি। এই মৃত্যুর মাধ্যমে আল্লাহ সেটাকে লাগুক করে দিচ্ছেন। এরপরের জার্নিতে তোমার বাবার আর কষ্ট বলে কোন কিছু থাকবে না। কারণ আল্লাহ তাকে সুচ্চ জান্নাতে পৌঁছাবেন। আল্লাহু আকবার। তো তিনি বলতেছেন যে আজকের পর থেকে তোমার বাবার কোন কষ্ট হবে না।

                                                           

তারপরে তিনি একটা কথা বলেছিলেন কেননা ইন্নাহু তোমার বাবার কাছে এমন এক ব্যক্তি এসে উপস্থিত হয়েছেন এমন কিছু এসে উপস্থিত হয়েছেন যিনি উপস্থিত হয়েছেন কেয়ামত পর্যন্ত এর কাছ থেকে কোন একজনও ছাড়া পায়নি কেয়ামত পর্যন্ত কেউ ছাড়া পাবে না তাহলে মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলতেছে সংবাদ দিচ্ছেন যে মালাকুল মউত এমন এক সৃষ্টি এটা যখন যার সামনে এসে উপস্থিত হয়ে যাবে পৃথিবীর কোন শক্তি নাই যে তার কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নিতে পারে কিন্তু আমাদের দেশের মাজহাবী যারা যারা আহলে হাদিসদেরকে গালাগালি করে এই কবর মাজার পূজারীরা তাদের একটা দল আছে যারা তাদের কিচ্ছায় বয়ানে বলে আব্দুল কাদের জিলানী নাকি মালাকুল মউতের সাথে কাড়াকারি করে তার মুরিদের আত্মা ফেরত চেয়েছিল দেয় নাই পুরা ভান্ড নাকি ছিনিয়ে নিয়ে চলে আসছে বঝেন তাহলে যারা ধর্ম বোঝেন তাদের কাছেও নাউজুবিল্লাহ বললেন যেটা কোন সুস্থ মানুষের আকিদা হইতে পারে না মক্কার কাফের আবুজহেল আপনি জানেন আবু জাহেল চিৎকার করেছিল আল্লাহ সুবহানাহু ফেরেশতাদেরকে নিয়ে যেটা আপনি সম্ভবত পাবেন সরাস আল্লাহ বলেছিলেন নিশ্চয় জাহান্নামের প্রহরীদেরকে আল্লাহ সুবহানাহুতালা ১৯ জন ফেরেশতা দ্বারা মানে সংক্রিয় করে রেখেছেন।

                                                           

মানে জাহান্নামের প্রহরীর মধ্যে ১৯ জন ফেরেশতা নিযুক্ত আছে। তখন আবু জাহেল ঠাট্টা করে বলেছিল তার উদবা রাবিয়া তাদের টিমকে যে তোমরা প্রত্যেকে একজন একজন করে মানে লড়তে পারবে না দেখা দিতে পারবে না। আর আমি আবু জাহেল একলাই ১০ জন ফেরেশতাকে দেখে নেব। এরকম ঠাট্টা করেছে বুঝেন? আর আল্লাহ সুবহানাহুতাালার নীতি দেখেন আল্লাহ কোনদিন অহংকারীকে পছন্দ করে না। এই আবু জাহেলের মতন ব্যক্তিকে কোন গণ্যমান্য পালোয়ান কোন সাহাবী হত্যা করে নাই। এই আবু জাহেলকে হত্যা করেছিল কিশোর নাবালক দুইটা ছিল। নাবালক যার মুস গজয় নাই। এটা হচ্ছে লাঞ্ছিত করা। কারণ একটা দেখবেন যারা যুদ্ধা হয়। তারা কার হাতে মরবে এটাও তারা ফকর করে।

                                                           

যে আমাকে মেরেছে অমুক লিডার। আমাকে কোন সেনাপতি বা আমার কোন সাধারণ আম সেনাপতি আমাকে মারেনি। এটাকে তো ফকর মনে করে। তাহলে আবু জাহেল এটাই ভাবছিল যে আমাকে মারলে বড় কেউ মারতে পারে। কিন্তু সাধারণ আমাকে কেউ মারতে পারবে না। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুতাালার নীতি যে ওকে দুইটা যুবক যেই যুবক মানে যুবক হয় নাই। তৃশর যাকে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যুদ্ধে আসার পারমিশন দেয় নাই। কিন্তু লুকিয়ে এই দুইজন তৃশর এ আবু জাহেলের কল্লা কেটে নিয়ে রাসলামের সামনে উপস্থিত করেছে আল্লাহ যখন কাউকে লাঞ্ছিত করে এইভাবে করে তো এই ঠাট্টা করেছিল আল্লাহ ফেরেশতাদেরকে নিয়ে অথচ আল্লাহ সুবহানাতাালার ফেরেশতাদের কি পিশাব মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি কথাটা বলেছিলেন যে তোমার বাবার কাছে এমন এক সৃষ্টি উপস্থিত হয়েছে তার কাছ থেকে কেয়ামত পর্যন্ত কোন কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না এজন্য বদ আকিদার লোকদেরকে এগুলা জানা উচি যে আল্লাহর কোন লির ক্ষমতা নাই যে মালাকুল মউত থেকে কাউকে ছিনিয়ে আনবে এটা আল্লাহর উপরে

                                                           

অপবাদ আল্লাহর উপরে অপবাদ কেন মানে আল্লাহর ক্ষমতার সাথে এগুলোকে মাতাবরি করা আপনারা দেখতে পাবেন যে এইযে আমেরিকান যে সমস্ত সিরিয়াল গুলো ওরা বানায় মাঝে মাঝে ওদের ফিলম ওদের চরিত্রের মধ্যে দেখা যায় ওদের জেল ভেঙ্গে ওদের ও পুলিশ চোর ডাকাতরা পালিয়ে যায় তার মানে এতে কি হয় ও চোরের বুদ্ধি প্রমাণ করলো না বরং ওদের নির্বুদ্ধিটা প্রমাণ করল যে ওদের ডিফেন্স এত দুর্বল যে চোর ওদের কাছ থেকে পলাইতে পারে আল্লাহ সুবহানাহুতাালার ডিফেন্স আল্লাহর রাজত্বকে ফাকি দেওয়ার মতন পৃথিবীর কোন ক্ষমতা আজ পর্যন্ত আল্লাহ কাউকে দেয়নি কারণ ফেরেশতারা হচ্ছে এমন সৃষ্টি আল্লাহ বলেছেন এরা এমন সৃষ্টি আমি যা করি তা করে তারা হচ্ছে এত শক্তিধর আমি আল্লাহ যা বলি তা করে ফেরেশতাদের মধ্যে কোন দুর্নীতি নাই এই কথাটা যদি আপনার মনে থাকে আরেকটা বাতিল তাফসীরটা একটা ভুল তাফসীরের সংশোধন আপনি করতে পারবেন যেটা অনেক সার্টিফিকেট ধারী অনেক বড় মাপের আল্লামাও বক্তব্যের মধ্যে এটা বলে কাদের সম্পর্কে বলে ইদ্রিস আলাইহিস

                                                           

সালাম সম্পর্কে বলে যে ইদ্রিস আলাইহিস সালাম তিনি আকাশে যেতে চেয়েছিলেন তাই তিনি একটা ফেরেশতার সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক তৈরি করে একদিন বন্ধু বন্ধুকে যেমন বলে যে আমি তো আকাশটাকে ঘুরে দেখতে চাইছি ফেরেশতাকে বলতেছে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করো তো বলতেছে এটা তো সম্ভব তবে আমি ট্রাই করে দেখি তখন তিনি বলছেন ইদ্রিস আলাইহিস সালামকে আপনি আমার পাখার নিচে লুকিয়ে থাইকেন আমি আপনাকে আকাশে নিয়ে যাব তখন যখন প্রথম আকাশে গেলেন তৃতীয় চতুর্থ আকাশে যখন গেছেন তখন বলছে আকাশ দেখা হয়ে গেছে এবার চলেন দুনিয়াতে ফেরত যাই ইদ্রিস আলা সালাম নাকি বলেছে একবার যখন আকাশে এসে গেছি আমি আর দুনিয়াতে যাব না তখন আল্লাহ নাকি তাকে চতুর্থ আসমানে মৃত্যু দিছেন এটা তাফসীরের মধ্যে লিখা আছে কিন্তু এর কোন সত্যতা নাই আর এটা যে মিথ্যা তার বাস্তব প্রমাণ হচ্ছে আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর আকাশের সুরক্ষা আপনারা তো জানেন কারণ আমাদের সব আকিদা কোরআন হাদিস থেকে শিখতে হবে মুহাম্মাদুর

                                                           

রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেইদিন মেরাজের ঘটনা ঘটেছিল প্রথম আকাশে কার সাথে গিয়েছিল সাথে কে ছিল জিব্রাইল আলাইহিস সালাম কে ফেরেশতা সাধারণ কোন ফেরেশতা সমস্ত ফেরেশতাদের লিডার জিব্রাইল আলাইহিস সালাম তাকে পর্যন্ত প্রথম আকাশে গিয়ে নক করতে হয়েছে এবং বলতে হয়েছে বলছে কে আপনি বলব আপনার সাথে কে বলছে মোহাম্মদ তাকে কি আকাশে তলব করা হয়েছে তখন খোলা হয়েছে চিন্তা করে যান আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের পারমিশন লাগে প্রথম আকাশ খুলতে দ্বিতীয় আকাশ তৃতীয় আকাশ এভাবে জিব্রল আলাইহি সালাম তাকে নিয়ে গেছে আর ওখানে আরেকটা ফেরেশতাকে ছোট করা হয়েছে যে ইদ্রিস আলাইহি সালামকে পাখার ার নিচে লুকিয়ে চলে গেল।

                                                           

আপনি কি মনে করলেন? যারা প্রহরী ফেরেশতা আছে তারা কি এতই বোকা ঘুষখোর যে এই যে এভাবে সে নিয়ে চলে যেতে পারবে? এটা আল্লাহর জান্নাত। আল্লাহর সৃষ্টি। এটা আকাশ। এটা আপনার দুনিয়ার প্লটফর্ম। রাজনীতির প্লটফর্ম না। যে নেতা যাকে চায় তাকে পার্লামেন্টে বসিয়ে দিবে। এইভাবে মানুষকে দুর্নীতি শিখানো হয়। এই সমস্ত তাফসীর মতো কথা লম্বা হয়ে যাচ্ছে। যদি এটা আমাদের মূল বিষয় না আমি কেন বুঝাতে চাইলাম কারণ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালার সৃষ্টিকে আপনাকে ওইভাবে বিচার করতে হবে যাদেরকে দায়িত্ব আল্লাহ দিয়েছেন তাদের মান মর্যাদা নিয়ে কোন কথা বলবেন তাহলে কথাটা সরাসরি আল্লাহর ডিফেন্সের দিকে চলে যায় অথচ আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা বলেছেন আল্লাহর সৈনিক যে কত কি এটা তোমরা কেউ জানো না এজন্য এই সমস্ত বাড়াবাড়ি কথা থেকে আমাদেরকে বাঁচতে হবে তো যাই হোক যেটা প্রমাণ করতে চেয়েছিলাম মৃত্যু থেকে কেউ বাঁচতে পারবে না সবারই মৃত্যু হবে।

                                                           

এই কথাটাকে আমি আর লম্বা করবো না। এই কথাটা আমি জানি যে সবাই জানেন। কিন্তু এর চাইতেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কথা কোনটা জানেন? আল্লাহ সুবহানাহুতালা আমাদেরকে জানিয়েছে মৃত্যু যখন তখন আসতে পারে। মরব এটা আমরা সবাই জানি। ছোট বড় সবাই জানি। কিন্তু আমি আর আপনার আচরণ কেন খারাপ হয়ে গেছে? আমি আর আপনি কেন ইবাদতের প্রতি মন লাগে না? আমরা কেন সবসময় পাপের কাজে বা পাপের জায়গাতে বেশি সময় কাটাই? এই পয়েন্টটা আমরা ভুলে গেছি যে মৃত্যু তো আমার কাছে এই মুহূর্তেও আসতে পারে।

                                                           

যেই ব্যক্তি দুর্নীতি করতেছে ঘুষ খাচ্ছে হারাম কাজে লিপ্ত হয়তো ফিলিম দেখতেছে বা খারাপ কিছু দেখতেছে খারাপ জায়গায় যাচ্ছে যারা বিচে গিয়ে খারাপ কাজ করে হোটেল গুলাতে গিয়ে খারাপ কাজ করে ওর কি স্মরণ হয় তখন যে আমি এই মুহূর্তে মরতে পারি আজকের বক্তব্যটা কেন আপনার কাছে এভাবে সাজানো হয়েছে নেপালের যে ভূমিকম্প হয়ে শত হাজার মানুষ যে হাজার মানুষগুলো যে মরল তার কি অবস্থা আছে সেটা একমাত্র আল্লাহ ভালো জানে রিসোর্টগুলোতে কি হয় আপনি বলতে পারবেন এটা যে এই সময় তারা ভাবতো কোনদিন যে আমি আজকে মরে যাব এই মুহূর্তে তারা কোনদিন ভাবে নাই আর ওই অবস্থাটাই যদি কোন পাপের অবস্থা হয়ে থাকে তাহলে তার রেজাল্টটা কিন্তু খুব খারাপ যেটা হচ্ছে আজকের বক্তব্যের আসল বিষয় একটু পরেই সেটা আসতে যাচ্ছে তা আমি আপনাকে বলতে চাচ্ছি আমরা মরে যাব এটা বিশ্বাস করা অত বড় ব্যাপার না কিন্তু আপনাকে বুঝতে হবে যে এই মৃত্যুটা আমার কাছে যেই কোন অবস্থাতেই আসতে তার

                                                           

মানে মৃত্যুর জন্য নির্ধারিত আল্লাহ কোন বয়স নির্ধারণ করে নাই যে ৬০ বছর হলেই মানুষ মরবে তার আগে কেউ মরবে না যদি এরকম নির্ধারিত থাকতো তাহলে আমরা যারা যুবক আছি তারা পাপকে পাপ করে যেতেন চলাফেরা কারণ আপনার জানা আছে যে ৬০ বছরের আগে তো আমার কাছে আর মৃত্যু উপস্থিত হবে না কিন্তু আল্লাহ কি এটাকে নির্ধারণ করে দিয়েছেন এ বাচ্চাও মরতে পারে জন্মের পরের দিন বা পেটের ভিতরে বাচ্চা থাকে পাচ মাস ছয় মাস সাত মাস আট মাস মাস অনেকের বাচ্চা নয় মাসে গিয়ে মরা বের হয় তাই না তাহলে পেটেও মরতে পারে জীবিত থাকে দুনিয়াতে জন্মের পরেও মরতে পারে আমি আর আপনি যখন তখন মরতে পারি এজন্য এটাকে আজকে মাথায় রাখবেন যে আমরা যে কোন সময় মরতে পারি এটা যদি এখন আমার কাছ থেকে নেন বা এটা যদি আপনার ব্রেনে বসায় রাখেন এর চাইতে গুরুত্বপূর্ণ কথাটা তার পরের ধাপ সেটা কি জানেন মরব তো সবাই কেউ ভালো অবস্থায়

                                                           

মরব খারাপ অবস্থায় মরব কারো মৃত্যু সহজ হবে টা কঠিন হবে এটা বড় কথা না বড় কথা কোনটা জানেন আমাদেরকে জানানো হয়েছে আজকে আমি আপনি নামাজি সৎ লোক কালকে যদি আমি আর আপনি নামাজি না হই সৎলোক না হই আর মৃত্যু যদি কালকে আসে তাহলে আজকের সততা আপনাকে কালকে বাঁচাতে পারবে এটা মাথায় রাখেন এটা এত বড় একটা কথা বলে দিয়েছি আমি ব্যক্তি ছোট হতে পারে কিন্তু আপনি এটা নিয়ে ভাববেন এবং দেখবেন কোরআন হাদিসে কি আছে কোরআন হাদিসের ভাষ্য হল একজন জন ব্যক্তি ৬০ বছর ইবাদত গুজার কিন্তু পাপ করা অবস্থায় যদি মরে যায় শিরিক করে যদি মরে যায় কুফরি অবস্থায় থাকা অবস্থায় যদি মরে যায় তাহলে তারা ৬০ বছরের বন্দেগী তাকে বাঁচাইতে পারবেন আবার এটার উলটা নিয়ে নেন একজন ব্যক্তি ৬০ বছর পাপী হত্যা করেছে জেনা করেছে মদ খেয়েছে জুয়া খেলেছে এমনকি সে কাফের কিন্তু তার মৃত্যুটা হয়েছে ইসলামের উপরে তওবা করে যদি মরতে পারে যেমন ১০০ জন

                                                           

ব্যক্তিকে হত্যা করা ব্যক্তি যেমন মক্কার মুশরিক যারা ছিল সাহাবায়ে কেরামদের ম্যাক্সিমাম যারা আগে হয়তো পুতুল পূজারী ছিল কিন্তু ওই সময় তারা মরেনি মরছে কখন যখন ইসলাম গ্রহণ করে মরেছে এই মৃত্যুটা হচ্ছে সৌভাগ্যবান মৃত্যু এজন্য বিচার ৬০ বছরের করা হবে কিন্তু ৬০ বছরের বিচার এটা আপনার জান্নাতে যাওয়া না যাওয়ার সার্টিফিকেট না বরং জান্নাতে যাবেন কি যাবেন না এটা নির্ভর করে মৃত্যুর মুহূর্ত মৃত্যুর দিন এবং মৃত্যুর মুহূর্তটা ওইটার উপর উপর বিচার করা হবে যে এই লোকটা কি শাস্তির যোগ্য না এই লোকটা কি এখন জান্নাতে যাওয়ার যোগ্য এটা মৃত্যুর দিনকে কেন্দ্র করে ফয়সালা করা হবে এটা আপনার প্রশান্তির জন্য বলে দেই এটা আল্লাহর যে নীতি আপনার কাছে মনে হবে এটা কেমন নীতি এটা আমি এটা আল্লাহর বড় উদারতা বড় অনুগ্রহ দেখতে পাচ্ছি বিশেষ করে আমাদের আমাদের জন্য এই উম্মতে মোহাম্মদের জন্য আমি মনে করি আমাদের মতন পাপীর জন্য এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে অনেক বড় একটা স্যাক্রিফাইস যদি এটা না করতো না তাহলে আমি আমার প্রত্যেক মুরুব্বিকে বলতাম আপনারা তো ফেসে যাবেন।

                                                           

কেন? কারণ যৌবনকালে অনেক কে কি করেছেন এটা সবারই জানা থাকে। যৌবনকালে কম বেশি পাপ সবাই করেছেন। কিন্তু শেষ বয়সে দেখেন আপনি নেশা করতেন ছেড়ে দিয়েছেন। জেনা করেছিলেন ছেড়ে দিয়েছেন। হত্যা করেছিলেন এখন আর করেন না। লুটতারাজ করেছিলেন এখন আর সেদিকে নাই। এখন আপনি তওবা করে একেবারে আল্লাহর পথ বুঝতে পেরেছেন। ওর শরীরের রক্ত ঠান্ডা হয়ে গেছে। এখন আপনি মসজিদে দাড়ি রেখেছেন, টুপি পড়তেছেন। নেশা থেকে মুক্ত তসবি তাহলি পড়তেছেন। এখন আপনি বলেন তো আল্লাহর কাছে কি আশা করে? আল্লাহ কি আপনার অতীত সম্পর্কেও ধরুক এটা নাকি বর্তমান অবস্থার উপর আল্লাহ আপনাকে মাফ করে দি। কোনটা? এটা সবাই চায়। এজন্য আল্লাহ সুবহানাহুতালা একটা ছাড় দিয়ে রেখেছে।

                                                           

বান্দা তোমার আমি ৬০ ৭০ বছর পর্যন্ত তোমাকে ছেড়ে দিলাম। কিন্তু মৃত্যুর দিন পর্যন্ত যদি তুমি তওবা করে আমার কাছে ফিরে আসতে না পারো এটা হবে তোমার ব্যর্থতা। আর যদি মৃত্যুর মুহূর্ত হলেও যদি তওবা করে তুমি আমার কাছে ফিরে আসতে পারো এটাই হল তোমার ভাগ্য। এটাই হল তুমি সৌভাগ্যবান হওয়া। কারণ আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা তওবা এমন একটা পথ রেখেছেন আল্লাহ বলেছেন এটা মৃত্যু হার না হওয়া পর্যন্ত মানে উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ তাকে ক্ষমা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে এটা আমি মনে করি এটা অনুগ্রহ আপনি কি মনে করেন এইযে কাফেরগুলা পৃথিবীতে যত কাফের আছে বা নতুন করে যারা মুসলিম হচ্ছে আল্লাহ যদি তার একবারে জন্মের পরের পাপ থেকে নিয়ে একবার এইদিন পর্যন্ত প্রত্যেকটা কাজের বিচার নেন তাহলে এই ব্যক্তি কোনদিন নাজাত পাবে না আল্লাহর অনুগ্রহ আল্লাহ বলেছেন যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে নিবে সাথে সাথে তার সমস্ত পাপকে আমি আল্লাহ মাফ করে এটা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানা এজন্য আমি আপনাকে

                                                           

আবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি মরে যাব সবাই এটা যতটা গুরুত্বপূর্ণ তার চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মৃত্যু যখন আসতে পারে তার চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে আমার আপনার মৃত্যুটা কোন অবস্থায় হোক এটা আপনি চান আজকে আমরা যারা এখানে নামাজে এসেছি আমাদের যদি এখন ভূমিকম্প হয় যদি ধসে যাই আমরা বের হয়ে হওয়ার পরে কেউ যদি আমাদেরকে মেরে দেয় এক্সিডেন্টে যদি মরে যাই আপনি আপনি কি নিজেকে গিলটি ফিল করবেন নাকি প্রাউড ফিল করবেন? আপনি এখন নিজেকে গর্ববোধ করবেন যে আলহামদুলিল্লাহ এটা ভালো কাজ করে এসে আমার মৃত্যুটা হয়েছে। কিন্তু এটা যদি এখন সিনেমা হল হতো এটা যদি কোন পার্কে হতো এটা যদি কোন একটা খারাপ কাজ জেনা বা জোয়ার আড্ডা হতো তারপরে যদি তার মৃত্যু আসে একটা পাপী মুসলিম পর্যন্ত এটা চায় না যে এই অবস্থায় আমি মরে যাই।

                                                           

ওই অবস্থায় দেখবেন যদি ভূমিকম্প হয় তারা সবচাইতে বেশি ভয় পায়। একটা মসজিদে ভূমিকম্প হলে মুসল্লিরা যত ভয় না পায় তখন ক্লাবে বারে বা সিনেমা হলে বা খারাপ জায়গায় যদি ভূমিকম্প হয় দেখবেন যে আপনার ভয় এখন চাইতে বেশি লাগবে কেন কারণ আপনিও চান না যে আল্লাহ আমি এ অবস্থায় মরে যাই আমি আমার ব্যক্তিগত একটা কথা বলি আমি জানিনা আপনাদের মেন্টালিটি এখানে কে আছেন যে এটা মনে করেন যে আমি তো মুসলিম মৃত্যু তো যেখানে সেখানে হবেই বাথরুমে মরলেই আর মসজিদে মরলেই বাথরুমে মৃত্যু হোক এটা কেউ পছন্দ করেন না তো তখন তো আপনি পাপের অবস্থায় নাই। ভালো কাজের জন্যই গেছেন গোসল করতে, ওযু করতে বা প্রসাব পায়খানা করতে।

                                                           

কোন পাপের অবস্থায় আপনি যান নাই। কিন্তু আপনি ফিল করেন যে এখানে আমি মরে গেলে তাতে কি না? এটা কারণ এটা যখন মানুষ জানবে তখন এটা কেউ ভালোভাবে নিবে না। কানাঘাসা হবে যে অমুক না বাথরুমের ভিতরে মরে গেছে। এটা কেউ ভালোভাবে নেয়? ভালোভাবে নেয়। মনে আছে বছর এক বছর হয় না। হয়তো একটা বড় ভূমিকম্প হয়েছিল। এই জুমার দিনে সকাল ১০:০০ টায়। আমি তখন অনেক ভয় পেয়েছিলাম। মরে যাবে সেজন্য না সেজন্য না কারণ খুতবায় যাব গোসল করতে ঢুকেছি মাত্র গোসল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আমি তখন ভাত্র আর তখনই ভূমিকম্পটা হয়েছে না বের হওয়ার মতন কোন অবস্থা তৈরি হয়েছে আছে আর যদি ওখানে মরে যেতাম মরে যেতাম হয়তো কেউ জানতেন না কিন্তু এটা কি অন্তর চেয়েছে তখন আমি বসে এটাই চেয়েছি যে আল্লাহ আমি কি নাকি তুমি তো ভালো জানো দয়াময় আল্লাহ তুমি কিন্তু এই অবস্থায় আল্লাহ মরতে চাইনি বা এইটা ভালো মৃত্যু না এজন্য ভয়টা বেশি রেখেছে ওই অনুভবটাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম এবং আমি নিশ্চিত একটা মুসলিম কোনদিন খারাপ অবস্থায় মরতে চায় না।

                                                           

তাহলে খারাপ অবস্থায় যেহেতু মরতে চায় না নাপাক অবস্থায় মরতে চায় না তাহলে একটা মুসলিম পাপ করা অবস্থায় মরুক এটা কি কেউ চাইবে? একটা পাপীও চায় না যে আমি পাপ করা অবস্থায় মরে যাই। এজন্য আজকের সতর্কটা হচ্ছে এই শেষ পয়েমটার উপরে যে মৃত্যু যার যখন হবে এটাই হবে তার আসল পরিচয়। এটার উপরে তার বিচার হবে। ইনশল্লাহ একটু পরে সে হাদিসটা আসবে। আমরা এখান থেকে বক্তব্যটাকে আগে বাই সেটা কি বলেছিলাম যে আমাদের খুতবার মূল বিষয় হলো অপছন্দনীয় অপ্রত্যাশিত বা মন্দ মৃত্যু থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া একজন মুসলিম আপনি কি জানেন এই পৃথিবীতে মানুষ তো মরবে সবাই আগেই বলেছি সবচাইতে মন্দ মৃত্যু কার উনি ফিল করেছেন সবচেয়ে মন্দ মৃত্যু হচ্ছে যে ব্যক্তি কুফরি শির মুনাফিক অবস্থায় মরে এটা হল একটা মানুষের জীবনের সবচাইতে মন্দ অবস্থা।

                                                           

যেই অবস্থা থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি মুহূর্ত আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন। তারা সকাল হতো এই জিনিস থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিয়ে। তার সন্ধ্যা হতো এই কুফরি অবস্থায় মরে যাওয়া থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিয়ে। অথচ তিনি আল্লাহর রাসূ। তিনি আল্লাহর রাসূল। অথচ বিষয়টাকে এতটা ভয় পাইতেন যে আল্লাহ আমি তোমার কাছে কুফরি অবস্থায় মরে যাওয়াকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আমার মৃত্যু যেন কুফরি অবস্থায় না হয়। আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তার কেন প্রয়োজন হয়েছিল এই বিষয়ে আশ্রয়ে যাওয়ার? কারণ তিনি এটাকে ভয় পাইতেন। কারণ তাকে জানানো হয়েছে সবচেয়ে মন্দ মৃত্যু হচ্ছে কুফরি অবস্থায় মৃত্যু। সবচেয়ে মন্দ মৃত্যু হচ্ছে শিরিক কুফরি মুনাফেক নাস্তিক অবস্থায় মৃত্যু।

                                                           

এটা আমাদের প্রত্যেককে জানানো হয়েছে। কিন্তু আমরা জেনেছি বটে। কিন্তু এটা আমরা আমলে নেই নাই। মানে এটা আমরা অন্তর থেকে নেই নাই। আমি আর আপনি যে কুফরি শিরিক করে বা মুনাফিক বা নাস্তিক হয়ে যে মরতে পারি এটা যে শয়তান ঘটায় ফেলতে পারে এটা আপনার আমার ম্যাক্সিমামদের কোন ধারণাই নেই। ম্যাক্সিমামরা এটা নিয়ে ভাবে না। তারা মনে করে যে দন যাচ্ছে তো যাচ্ছে। কিন্তু আপনি আর আমি চরম সাক্ষী বলেন তো আপনার এই বয়সের মধ্যে যতগুলো জানাজা আপনি কাঁধে নিয়েছেন কোন ব্যক্তি এমন আছে কয়জনকে দেখেছেন যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে মরতে পেরেছে। কিন্তু আমার আপনার ভয় জাগে না।

                                                           

কেন জাগে না? কারণ আপনি আমি এটা নিয়ে কোনদিন ভাবি নাই যে আমাকে যে প্র্যাকটিস করতে হবে আমাকে যে প্রস্তুত থাকতে হবে যে মৃত্যুর সময় আমার মুখ দিয়ে যেন কালেমা বের হয় মৃত্যুর সময় যেন দোয়া বের হয় জিকির আসার অবস্থায় আমার মৃত্যু হোক এটা আমরা কেউ ভাবি না আমরা সারাদিন ভাবি আমাদের দুনিয়া নিয়ে আমি কি করলাম কি হচ্ছে কি পেলাম কি হারালাম কিন্তু যখন তখন মৃত্যু আমাদের কাছে চলে আসতে পারে এজন্য মৃত্যু সবচাইতে মন্দ অবস্থা হচ্ছে কুফরি অবস্থায় মরে যাওয়া আর আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকাল সন্ধ্যায় তিনি এই বিষয় থেকে আশ্রয় তরফ করতেন।

                                                           

কি আছে দোয়াটা এভাবে যে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি দোয়াতে তিনবার করে বলতেন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু থেকে এই দোয়াটাকে কোট করা হয়েছে ইমাম আবু দাউদ কোট করেছেন ৫০৯০ আপনি হাদিসটা পেয়ে যাবেন যে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবার করে বলতেন আল্লাহুম্লাহ তিনি বলতেন বলতেন আল্লাহ আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি থেকে ফকির হয়ে যাওয়া থেকে একবারে ফকির হয়ে যাওয়া এটা পছন্দনীয় না আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি আল্লাহ একবারে নিশ ফকির না হয়ে আল্লাহ আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আব এবং জাহান্নামের আব থেকে তুমি ছাড়া সত্য কোন ইলাহ নাই এটা তিনি সকাল সন্ধ্যায় বলতে তারানে ঈমানকে নবায়ন করা সবসময় তাজা রাখা।

                                                           

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা মানে কি? তারপরে মৃত্যু হলে আপনি জান্নাতি। অনেক বড় একটা ব্যাপার। তাহলে এখানে আছে যে তিনি কুফরি অবস্থায় মরে যাওয়া থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আর এটা হল জীবন এবং মৃত্যুর মাঝে সবচাইতে বড় ফেতনা। আমি আপনি যে নামাজ পড়ি বা দোয়া পড়ি আপনি কি খেয়াল করে পড়েন? আপনি কি মনে আছে যে নামাজের সালাম ফিরানোর আগে আপনি একটা বাক্য বলেন আল্লাহ। তোমার কাছে জীবন এবং মৃত্যুর মাঝের যে ফেতনা এই ফেতনা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আপনি জানেন জীবন এবং মৃত্যুর মাঝে সবচাইতে বড় ফেতনা কি? সবচাইতে বড় ফেতনা কুফরি করে ফেলা। সবচাইতে বড় ফেতনা শিরিক করে ফেলা।

                                                           

মুনাফিক হয়ে যাওয়া। নাস্তিকতার চিন্তা অন্তরে লেগে যাওয়া। বা সবচাইতে বড় ফেতনা হচ্ছে হারাম খেয়ে মরে যাওয়া। সবচাইতে বড় ফেতনা এগুলা। বেনামাজি অবস্থায় মরে যাওয়া। বেপর্দা অবস্থায় রাস্তাঘাটে লাঞ্ছিত হয়ে মরে যাওয়া। এগুলো হচ্ছে জীবন এবং মৃত্যুর মাঝের সবচাইতে বড় ফেতনা। রাসূুল্লাহ সলা কি বলেছেন আমরা কোন কথা বানায়া বলি না আপনি মুসলিম শরীফের সে হাদিস যদি জানা থাকে ঈমানের অধ্যায় কি বলেছেন তোমরা নিজেকে আমল করে করে আগে সম্মানিত জায়গাতে নিজেকে উঠ নাও কিসের আগে রাতের আধারের মত পৃথিবীতে ছেয়ে যাওয়ার আগে [গলা পরিষ্কার করা] রাতের অন্ধকারে যেভাবে ফেতনা নাজিল হয় তার আগে তোমাদের হবে তার আগে তোমরা আমল করে করে নিজের মর্যাদাটাকে ঠিক রাখ তখন কেন বলা হয়েছে বলেছেন এই পৃথিবীর মানুষের উপর এমন একটা যুগ আসবে সময় আসতে যাবে যে সকালবেলা লোকটা মুসলিম ছিল কিন্তু সারাদিন তার এমনভাবে পার হবে সন্ধ্যা হতে না হতে মুসলিম থাকবে না সে কাফের মুনাফিক নাস্তিকদের কাতারে নাম লেখা এটা অনেকের সাথেই

                                                           

হবে এবং রাস একটা ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছেন এটা কিভাবে ঘটবে সে নিজে মুখে স্বীকার করবে আমি খ্রিস্টান হয়ে গেলাম আমি ইহুসারা হয়ে গেলাম হিন্দু হয়ে গেলাম না সেটা মুখে স্বীকার করবে না তার আচরণ দিয়ে প্রকাশ করবে আমি মুসলিম পছন্দ করি রাস বলেছেন দুনিয়ার স্বার্থে তার দনকে বিক্রি করে আপনি কি জানেন দুনিয়ার স্বার্থে কিভাবে ভাবে বিক্রি করা হয় প্রত্যেকটা বেনামাজি তার দুনিয়ার স্বার্থে সে দ্বীনকে বিক্রি করে দিয়েছে আজকে যে নামাজে যারা আসে নাই কেন আসে নাই তার চাকরি আছে যে রিক্সা চালায় ভ্যান চালায় অটো চালায় যানবাহন চালাচ্ছে এজন্য সে মসজিদে আসে নাই যারা মুদির দোকানদার যারা গার্মেন্টসে জব করতেছে বা যারা যে কোন কর্মক্ষেত্রে আছে সে কর্মটাকে টিকানোর জন্য সে নামাজ আদায় করতেছে না তাহলে তার কর্মটা কি দুনিয়া না পরকাল দুনিয়া তাহলে সে দুনিয়ার জন্য পরকালটাকে হারাচ্ছে অথচ এই মুহূর্তে তার কাজ করা হারাম আপনি কি জানেন পাচ ওয়াক্ত নামাজের সময় যখন চলে ওই অবস্থায় নামাজ না পড়ে আপনার দুনিয়ার কর্মকরণ এটা আপনার জন্য জায়েজ নাই।

                                                           

বিশেষ করে জুমার খুতবা চলা অবস্থা থেকে নামাজ পর্যন্ত এই সময়টাতে আল্লাহকে কথা বলে নাই যে তোমাদের বেচা কিনা এবং ব্যস্ততা থামাও। আল্লাহ বলে নাই এবং আল্লাহ মমিনদেরকে ডেকে বলেছেন তোমরা আল্লাহর স্মরণে চলে আসো এবং তোমাদের বেচা কেনা ব্যবসা সব বন্ধ করে আল্লাহ বলে নাই এটা আপনার হারাম ওয়াক্ত চলতেছে এখন আমরা এখন আমাদের জন্য বেচাকেনা জায়েজ নাই এখন ওয়াক্ত হচ্ছে নামাজের কিন্তু অধিকাংশ মুসলিম ডাকের সাড়া দেয়নি তার মানে সে দুনিয়ার জন্য তার দ্বীনকে বিক্রি করে দিয়েছে আমাদের যে সমস্ত যুবক মুসলিমরা ইউরোপ আমেরিকাতে বা হোটেলে রেস্টুরেন্টে যারা কাজ করে তারা চাকরি বাঁচানোর জন্য তারা দাড়িশি করে ফেলে।

                                                           

এটা কি দুনিয়া পাওয়ার জন্য দনকে ধ্বংস করে দেওয়া না তার নাম পর্যন্ত পরিবর্তন করে ফেলে। আর এটাকে আরো বোঝার জন্য বলতেছি আমাদের বাংলাদেশে যেটা শুরু হয়েছে বহু মুসলিম মহিলারা আছে হিন্দুদের সাথে প্রেম করে এবং গতকালকের একটা ঘটনা কোন এলাকার একটা মেয়ে বলতেছে আমি জেনে শুনে ওর সাথে এসেছি এবং ওকে আমি ছাড়বো না যখন জানছে ও হিন্দু তারপরও এই কথা বলতেছে আপনি কি বুঝেন এটা আপনার আমার ঘরের মেয়েই তো মুসলিম ঘরের সন্তান না আপনি তো নিজেকে মুসলিম দাবি করেন তার মানে আমাদের ম্যাক্সিমাম মানুষগুলো বেনামাজি বেপর্দা সুদখুর ঘুষখুর মুসলিম জন্ম হওয়া সত কিন্তু তারা তার দনকে কোন কদর করে না আপনি আর আমি অবস্থায় মরে যেতে চাচ্ছেন এ অবস্থায় মরে গেলে অবস্থাটা কি হবে ফেরার কোন পথ আছে আপনি আল্লাহ যদি আমাকে একটু সময়ের জন্য ছেড়ে দেন আমি সৎ কাজ করে এবং তোমার ইবাদত গুজার বান্দা হয়ে তোমার সাথে সাক্ষাত করব আল্লাহ কি আপনাকে ছাড়বে আল্লাহ বলছেন না কষনো তোমাকে ছাড়া হবে আল্লাহ তালা আমাদেরকে জানিয়েছেন যে মৃত্যুর মুহূর্তটা হচ্ছে সবচাইতে সেনসিটিভ বিষয়।

                                                           

কুফরি অবস্থায় মরে গেলে আপনাকে কেউ নাজাত দিতে পারবে না। এজন্য আমাদের মুসলিম যারা আছে তারা এইভাবে এভাবে নিজের দনকে বিক্রি করে দিচ্ছে যেটা আমি আপনাদেরকে স্মরণ করে দিতে চাচ্ছি। মুসলিম হলে আপনার চেতনাটাকে জাগাতে হবে যে আমি মুসলিম। আমাকে মুসলিম অবস্থায় মরতে হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কুফরিটাকে ঘৃণা করতেন ভয় পেতেন তিনি আল্লাহর রাসূল হওয়া সত্ত্বেও কিন্তু আপনার আমার মধ্যে সেই ঘৃণা বা সেই ভয় নাই যে আমি কি কুফরি অবস্থায় মরবো শয়তান কি আমাকে আল্লাহর কাছ থেকে অনেক দূরে সরিয়ে রেখেছে আপনি এটা কোনদিন ফিলই করেন না অথচ আমাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে শয়তান মানুষের রগে চলে এবং মরার পর মরার আগ পর্যন্ত শয়তান কিন্তু একটা মানুষকে গোমরা করতেই থাকে এটা একটু পরেই আসবে সে হাদিসের একটা দোয়ার মধ্যে আসবে আমি আবার উলটা উল্টা করতেছি না।

                                                           

তো সবচাইতে মন্দ অবস্থা হচ্ছে কুফরি অবস্থায় মরে যাওয়া। শিরিক করে অবস্থায় মরে যাওয়া। কে না জানেন তাওহীদবাদী যত মুসল্লি আছেন জানেন না আল্লাহ কোন গুনা ক্ষমা করবে না? ক্ষমা করবে না। মুনাফেকরা জাহান্নামের কোথায় থাকবে? একবারে নিচে। তাই না? আর আল্লাহ কি বলেছেন? জাহান্নাম কাদের জন্য বানানো হয়েছে? কাফেরদের জন্য। কাফের আল্লাহ বলেছেন আমি তো জাহান্নামকে প্রস্তুতি করেছি কাফেরদের জন্য তাহলে এটাকে ভয় কেন পান না আপনি কুফরি অবস্থাকে শিরিক করা অবস্থাকে মুনাফিক হয়ে যাওয়া থেকে নাস্তিক হয়ে যাওয়া থেকে এটাকে আপনি ভয় কেন পান না আমাদের নেতারা মাঝে মাঝে নাস্তিকতার মতন কথা বলে সে ভয় কেন পায় না যে এই যে মরে গেলেই তো আমার দুনিয়া শেষ পরকাল শুরু হবে আমি আল্লাহর সামনে দাঁড়াবো কোন পরিচয় নিজ আল্লাহ সুবহানাতালা কি বলেছেন জানেন যে আয়াতটা প্রথম পড়েছিলাম এবং রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহুলাম এমন কোন খুতবা নাই যে খুতবাতে তিনি এই আয়াতটা না বলতেন সেটা কি সূরা আল ইমরানের নাম্বার আয়াত বলতেন আমার বান্দা তোমরা যারা আছো অন্তত তোমার পরিচয় যেন মৃত্যুর সময় এটা হয় যে তুমি মুসলিম একটা মুসলিম পাপী হতে পারে কিন্তু সে মুসলিম মুসলিম নাম নিয়ে আপনাকে আল্লাহর সামনে যেতে হবে আমরা যাদের জানাজা পড়া সে যেন মুসলিম হয়।

                                                           

আমরা তো বহু মনে হচ্ছে মুনাফেক নাস্তিক। কত স্বৈরাচারের জানাজা আমি আর আপনি পড়েছি। আমাদের জানাজা অনেকে পড়বে। কিন্তু যে লাশটাকে শোয়ানো হয়েছে এ যদি মুসলিম না হয় পুরা পৃথিবীর মানুষ যদি জানাজা পড়ে কাজ হবে? কাজ হবে না। কিন্তু আপনি যদি মুসলিম হন আর তৌহীদবাদী ৪০ জন মুসলিম যদি আপনার জানাজার সালাত আদায় করে আপনি যত বড় পাপী হন না কেন রাসূ বলেছেন এই ৪০ জনের দোয়ার কারণে এই মুসলিমকে আল্লাহ মাফ করে হাদিস বুখারী মুসলিমে আছে আবদুল ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর এক ছেলে যখন মারা যায় তখন তিনি বলেছিলেন যে অপেক্ষা করো দেখ জানাজায় সংখ্যা কত হয়েছে ৪০ জন হয়েছে বলছে না হয়নি অপেক্ষা করো বলছে এখন হয়েছে বলছে হ্যাঁ হয়েছে বলছে এখন জানাজা বের করে নিয়ে আমি রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে শুনেছি মুসলিমি কোন মুসলিমের জানাজামন জন ব্যক্তি যদি তার জানাজার নামাজে দাঁড়িয়ে যায় যাদের একটা গুণ হল তারা কোনদিন আল্লাহর সাথে শিরিক করে নাই এমন ৪০ জন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তির জানাজায় দাঁড়িয়ে যদি তার জন্য ক্ষমা চায় আল্লাহ তার ৪০ জন দোয়া করে মাফ তাহলে আপনাকে তো এই ক্যাটাগরিতে আসতে হবে।

                                                           

কারণ একটু আগে আপনার কাছ থেকে স্বীকৃতি নিয়েছি শিরিককারীকে আল্লাহ মাফ করে না। তাহলে আপনাকে শিরিক বিহীন মরতে হবে। মানে মুসলিম পরিচয়ে মরতে হবে। তাহলে না আপনার জানাজা কাজ হবে। কিন্তু আপনি এটাকে কোন কদর করতেছেন না। আজকে মুসলিম ঘরের সন্তানগুলো কিভাবে একটা অমুসলিমের ছেলেকে পছন্দ করতে পারে? একটা মুসলিম ঘরের সন্তান কিভাবে তার দ্বীনকে বুড়া আঙ্গুল দেখিয়ে অমুসলিমদের সমস্ত কিসি কালচার এপ্লাই করতে পারে। এটা কি করে হতে পারে? তার জীবন কাটতেছে সবকিছুর ক্ষেত্রে ইহুদি নাসারাদের মত। এটা কি করে হতে পারে? এজন্য আপনাকে সতর্ক সাবধান করা হচ্ছে। নিজেকে মুসলিম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করার চেষ্টা করবেন। কারণ এটা হচ্ছে সর্বশেষ মেসেজ।

                                                           

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজের সমস্ত কার্যকলাপ যখন শেষ তিনি মদিনার উদ্দেশ্যে ফেরত যাবেন তখন তিনি একটা ভাষণ দিয়েছিলেন খুতবা দিয়েছিলেন মাসুদ রাদিয়াল্লাহু তিনি বলতেছেন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি আমাদেরকে খুতবা দিলেন তখন চামড়ার তাবুর উপরে তার হেলান অবস্থায় তিনি বসাছিলেন তখন বসা অবস্থায় তিনি খুতবা দিচ্ছেন এক পর্যায়ে তিনি সোজা হয়ে বসেছেন এবং বলেন নিশ্চয় বিষয়টা এমন পৃথিবীর মানুষ তোমরা শুনে রাখ জান্নাত এমন একটা জায়গা সেখানে কোন মানুষ নাফন নাফ মুসলিম হওয়া ছাড়া সে জান্নাতে ঢুকতে পারবে না তার মানে তার পরিচয় কি হইতে হবে মুসলিম মানে সে মুসলিম হইতে হবে আল্লাহর রেজিস্ট্রি খাতার মধ্যে আমি আর আপনি নিজেকে মুসলিম বলে তো কাজ হবে না আমি আর আপনি আল্লাহর অলিও দাবি করতে আমি আর আপনি নিজেকে আহলে হাদিস দাবি করতেছি সালাফিদের দাবি করতেছি অথচ আপনার দাড়ি নাই বেনামাজি বেপর্দা তারপরও নাকি আপনি আহলে হাদিস বেনামাজি কোনদিন আহলে হাদিস হতে পারে সুদখোর আহলে হাদিস হবে ঘুষখোর হবে গণতন্ত্রে

                                                           

বিশ্বাসী তারা হবে আহলে হাদিস মুখে বললেই হবে মুখে বলতো ইহু বল আমরা আল্লাহর সন্তানদের সন্তান এবং আমরাই সবথেকে বেশি ভালোবাসার পাত্র দাবি করতে কম করে নাই খ্রিস্টানরা বলত কিছু জান্নাত আজকে অধিকাংশ মুসলিম হিন্দু জাহান্নামে যাবে জাহান্নামে যাবে খ্রিস্টান জাহান্নামে যাবে জান্নাতে যাবে এই ঠিকাদারে আল্লাহ সুবহানাতালা দেয়নি যে মুসলিমের ঘরে জন্ম হলেই আপনি জান্নাত পাবেন এটা আপনার ভ্রম এটা কোরআন হাদিসের অপব্যাখ্যা বরং আল্লাহ সুবহানাতালা বলেছেন আপনাকে মুসলিম হইতে হবে। এজন আল্লাহ বলেছেন মুসলিম হওয়া অবস্থায় ছাড়া তোমার যেন মৃত্যু না ঘটে। রাসূ বলেছেন মুসলিম ছাড়া কোন ব্যক্তি জান্নাতে ঢুকতে পারবে না। আপনাকে আমাকে মুসলিম হয়ে দেখাই। এজন্য আপনি মুসলিমের খেলাফ হিন্দু হোক, বৌদ্ধ হোক, খ্রিস্টান হোক, নাসারা হোক, অমুসলিম অবস্থায় মরে যাওয়া থেকে আপনি আমাকে উচিত আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া।

                                                           

আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি। আল্লাহ আমাদের জীবনের যে কোন অবস্থায় হয়ে যাক না কেন উথানপথান কিন্তু আমাদের মৃত্যু যেন আল্লাহ ঈমানের উপরে পায় বলেন আমিন আমিন আল্লাহ আমরা যেন মুসলিম হয়ে তোমার সাথে সাক্ষাত করতে পারি আল্লাহ তুমি আমাদেরকে এবং আমাদের সন্তানদেরকে আমাদের পরিবারদেরকে আল্লাহ তুমি কবুল করো আমিন ইয়া রাব্বুল আলামিন এর পরবর্তীতে যেটা আসবে সবচাইতে মন্দ মৃত্যু হচ্ছে পাপ করা অবস্থায় মরে যাওয়া আপনি কি জানেন আমি বিষয়টাকে শর্ট করে দিব এটা লম্বাচ আলোচনা আমি আপনাকে জাস্ট প্রথমে যা বলার বলে দিয়েছি কোরআনের একটা আয়াত শুধু আমি আপনার কাছে পেশ করতে চাচ্ছি। কোন মুসলিম এটা যেন প্রত্যাশা না রাখে যে পাপ করার পর আমার মৃত্যুটা হোক।

                                                           

এটা যেন প্রত্যাশা না রাখেন। আর আপনাকে এলার্ট করতে হবে পাপ করা অবস্থায়। এরপরে যদি আমার মৃত্যুটা হয়ে যায় আমার অবস্থাটা কি হবে? আপনাকে ভাবতে হবে। আল্লাহ সুবহানা অনেকগুলো কথা বলেছেন তার মধ্যে একটি আয়াত আপনি নিয়ে নেন। সরা সরাস ৪৫ নাম্বার সূরার ২১ নাম্বার আল্লাহ বলেছেন নিশ্চয় যারা পাক কাজের উপরে নিজের জীবনটাকে পরিচালনা করেই যাচ্ছে লেগ আছে আল্লাহ বলেছেন যারা সারাটা দিন পাপের উপরে থাকে এই ব্যক্তিরা কি ধারণা করে নিয়েছে আমি আল্লাহ ঈমানদারদের সাথে যে আচরণ করব তার সাথে কি একই আচরণ করব তার জীবনটা যেমন এর জীবন তেমন তার মৃত্যুটা যেমন হবে পাপীর মৃত্যুটা কি এমন হবে কত মন্দ এই পাপীর চিন্তা তারানে আজকে মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও যারা সবরকমের পাপে জড়িত বড় বড় পাপে জড়িত আপনি ভাববেন না দুই একটা ভালো কাজ করার কারণে আপনার মৃত্যুটা এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মত এটা কোনদিন ভাগ এটা বেনামাজি যেন কোনদিন না ভাবে যে একটা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী যারা

                                                           

অভাবী যে মুরুব্বি প্রথম কাতারে যারা থাকে আর যারা নামাজি পড়ে না যেমন অনেকে তানা দেয় অনেক বড় বড় সৈরাচারগুলো পয়সাওয়ালা নেতা টাইপের লোক খারাপ লোকেরা তানা দেয় এ হুজুর শুধু নামাজই পড়ে নামাজ পড়লে কাজ হবে চুরি করে বাটপারি করে চিন্তাই করে বা কত কি নোংরা বলে না যে শুধু নামাজও পড়ে আবার ক্রিমিনাল গৃহ করে নামাজ পড়ে তসবি আপনি জানেন না যে এই নামাজ সালাত এটা কত বড় ইবাদত কোন ব্যক্তি আপনি যদি ফেরেশতা হন কিন্তু বেনামাজি হন আপনি কোনদিন নামাজের কাতারে আসতে পারবেন না মানে মানের দিক থেকে আপনি একটা নামাজের ধার প্রান্ত আসতে পারবেন কারণ আল্লাহ সুবহানাহুয়া তালা সালাতকে নামাজকে ঈমান বলেছে আর বেনামাজি কাফের মুশরিক বলা হয়েছে হাদিসের ভাষায় বলা যে বেনামাজিকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুফরি অথবা মুনাফিক অথবা শিরকের সাথে তুলনা করেছে আর নামাজীদেরকে ঈমানদার বলা হয়েছে এজন্য নামাজী হয়ে মরার চেষ্টা করবেন বেনামাজি হওয়া এটা হচ্ছে সবচাইতে মন্দ অবস্থা আল্লাহ সুবহানাতালা

                                                           

বলেছেন এই পাপীরা কি মনে করে যে আমি তার মৃত্যুটাকে একটা সৎ ব্যক্তির মত করব কষনো হতে পারে না এখানে চার শ্রেণীর ব্যক্তিদের কথা বলা হয়েছে জানেন দেখেন ভাষা কি যারা ঈমান আনে এবং সৎ কাজ করে তার মানে শুধু ঈমানদারদের কথা আল্লাহ বলে নাই যে আমি শুধু নিজেকে মুসলিম দাবি করি। আল্লাহ বলেছেন মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও সে সৎ কাজ করে তার জীবন তার মৃত্যুটা যেমন হবে একটা পাপীও কি মনে করে যে আমার মৃত্যুটা এরকম হবে না। আল্লাহ বলেছেন হবে না।

                                                           

আল্লাহ স্পষ্ট করে দিয়েছেন এখানে চার শ্রেণীর মানুষের কথা আল্লাহ বলেছেন ব্যক্তির সাথে আমি যে আচরণ করব একটা ফাসাদকারীর সাথেও কি আমি সে আচরণ করব এবং আল্লাহ বলেছেন যারা আল্লাহকে ভয় করে চলে তার সাথে আমি যে আচরণ করব একটা পাপীর সাথেও কি আমি সে আচরণ করব তার মানে শুধু মুসলিম হয়ে আপনি বেঁচে থাকতে পারতেছেন না বরং আল্লাহ বলেছেন মুসলিম হওয়ার পাশাপাশি আমাদেরকে তাকওয়া অবলম্বন করে চলতে হবে যার মধ্যে যতটা সততা আছে তার মৃত্যু এবং মৃত্যুর পরের জীবন ততটা উন্নত ততটা সুন্দর হবে এই মেসেজটা আজকে আমাদের এখান থেকে নিতে হবে কারণ কোন ব্যক্তি আপনি পাপের অবস্থায় স্থায়ী [সশব্দ হাসি] থেকে মৃত্যুবরণ করেন এটা কোনদিন কল্পনাও করবেন না।

                                                           

এজন্য যে যে স্থায়ী পাপগুলার মধ্যে আছেন দ্রুত তওবা করেন। এ পাপকে ছেড়ে দেন। একবারে ছোট্ট একটা কথা বলে দেই। স্থায়ী পাপ কোনটা? একবারে কন্টিনিউয়াস পাপের মধ্যে আছে। তারা হচ্ছে বেনামজি। তারা হচ্ছে বেপর্দাশী। তারা হচ্ছে দাড়ি যারা চেচে ফেলে দেন। আপনি অলটাইম পাপের উপরে আছে। যারা ফিলিং দেখে ও যতক্ষণ ফিলিং দেখল ততক্ষণ পাপী। এতে আপনি দাড়ি ফেলে দিয়েছেন যতক্ষণ আপনার ২৪ ঘন্টা কাটতেছেন পাপের অবস্থায় যাদের প্যান্ট টাকনার নিচে ২৪ ঘন্টায় আপনি পাপের উপরে চলতেছেন যারা বিড়ি টানে পান খায় জরদা খায় যারা জরদা যারা খায় পানের সাথে এবং যারা বিড়ি টানে গুড় লাগা রাখে তারা ওর মুখের মধ্যে ২৪ ঘন্টা হারাম এটা কন্টিনিয়াস পাপ এজন্য এই ধরনের পাপগুলো থেকে আপনি বেঁচে থাকে কারণ পাপ অবস্থায় যদি মৃত্যু চলে আসে আপনি কখন আল্লাহর কাছে ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে পারেন না যে একটা নেশা মুখের দুর্গন্ধ আসতেছে আপনাকে ১০ বার বড়ি পাতা দিয়ে গোসল করাইলেই কি আপনার মুখের দুর্গন্ধ

                                                           

কি দূর হবে আল্লাহর সামনে আপনি কেমনে দাঁড়াবেন এটা মোটেও কাম্য নয় এজন্য আমাদেরকে এগুলো থেকে বাঁচতে হবে আল্লাহ যেন আমাদেরকে তৌফিক দান করেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ওই হাদিসটা এখন বলে দেই যে মৃত্যুর মুহূর্তটাই হচ্ছে বিচারের জন্য চূড়ান্ত ফয়সালার সময় এই মর্মে ইমাম বুখারী এবং মুসলিম হাদিস কোট করেছেন হাদিসটা বুখারী থেকে নিয়ে নেন ইমাম বুখারী তার কিতাব নাম্বার অধ্যায় উল্লেখ করেছেন ৬৬৭ নাম্বার রয়েছে রাস বলেছেন এই পৃথিবীর সমস্ত মানুষকে দুই ভাগ করা হয়েছে কিছু মানুষ আছে যারা পাপের উপরে পাপ করে যাচ্ছে কিন্তু লোকটা জান্নাতি আবার কিছু মানুষ আছে যারা নেকির কাজ করে আবার পাপ করে কিন্তু লোকটা জাহান্নামী তখন নির্ণয় কিভাবে করা হবে রাসূ বলেছেন এটা নির্ণয় করা হবে ফেরেশতারা লাগাবে আপনি আজকে জেনা করেছেন আজকে লাগাবে না আজকে এখন মদ খেয়েছেন এখন লাগবে না ঘুষ নিলেন এখন লাগবে না এখন নামাজ পড়েছেন এখন লাগবে না যেদিন মালাকুল মউত রুহটাকে ছিনিয়ে নিবে এই মুহূর্তে

                                                           

লেখা হবে এটা কি বেনামাজি না নামাজি এটা কি নেশাখোর না হালালখোর এটা কি জানা করেছে এটা কি মুমিন না কাফের এটা কি মুনাফেক নাকি মুশরেক ওই সময়ে সিল মেরে দে এজন্য মৃত্যুর মুহূর্তটাকে চরমভাবে ভয় করার চেষ্টা করে কারণ এটাই হবে ফয়সালা এটা নিয়ে কেয়ামতের মাঠে আপনি জানেন না যে শহীদ রক্ত ঝরা অবস্থায় তাকে উঠানো হয় আর আমরা তো বিষয়টাকে তো হালকাভাবে নিয়েছি সাহাবা কেরামরা কি করতেন জানেন আবু রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু তার সম্পর্কে বলা হয়েছে তিনি কোন একটা হাদিস শুনেছিলেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের কাছ থেকে যে যে অবস্থায় মানুষ মরবে যে পোশাক পরিহিত অবস্থায় থাকবে কেয়ামতের মাঠে তাকে ওই পোশাক উঠানো হবে।

                                                           

এরপর থেকে তিনি সবসময় একজোড়া সুন্দর পোশাক পরিধান করে থাকতেন। এটা তার ব্যক্তিগত অপিনিয়ন। সুন্দর সাদা পোশাক পরিধান করে থাকতেন। কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন যে কেয়ামতের মাঠে এই পোশাক নিয়ে আল্লাহ। তহলে যারা বেনামাজি মহিলারা আছেন বেপর্দাশীল ওই যে যেমন ড্রেস পড়তেছেন যেগুলো দেখে পোলাপান ক্রাশ খায় বলেন আপনার মরার পরে কেয়ামতের মাঠে যদি সবার সামনে এইভাবে আপনাকে তোলে এভাবে অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে আপনার রেজাল্টটা কি রেজাল্টটা কি হবে এজন্য আরবের কোন একজন শেখ মহিলাদের উপদেশীকে বলেছিলেন কোন একটা স্কুল কলেজের মেয়েকে বা কিছু তুমি কি চাও যে এই অবস্থায় তোমার মৃত্যু হোক আর এই অবস্থায় তোমাকে কবরে রাখা হোক দাফন টাফন না পড়ানো হোক তাহলে কত নির্বুদ্ধিতা এই মহিলাদের মধ্যে যাকে মরার পরে আমরা পুরুষের চাইতে দুই কাপড় বেশিটা চাই বাংলাদেশে পাঁচ কাপড় দিয়ে মহিলাদেরকে জানাজা দেয় অথচ এই মহিলাটা জীবদশায় তিনটা কাপড়ও গায়ে ছিল বঝেন ম্যাক্সিমাম মহিলারা দুই একটা করে রাস্তাঘাটে হাটে মানে শুধু সেলায় নাই নির্লজ্য মরার পরে

                                                           

কি হবে এখন যদি একে এই পোশাকে যদি দাফনফন করা হয় আমার মনে হয় জানাজা পড়তে গেলে ইমাম সাহেবের ছে মহিলাকে যদি দাফন কাফন না করানো হয় যে পোশাক পুরো রাস্তাঘাটে হাটে এটা যদি কোন ইমামের সামনেশ দেওয়া হয় ইমামের শেষ হয়ে ভাবে আল্লাহ আমাদের মুসলিম মহিলাদেরকে হেদায়েত দান করুন [হাহাকার] আমাদের মুসলিম মহিলাদের পর্দায় ফিরে আসার তৌফিক দান করুন [গলা পরিষ্কার করা] মানুষের জীবনের সর্বশেষ ফয়সালা হবে তার শেষ মুহূর্তের শেষ লোকমার উপরে শেষ ইনকামের উপরে শেষ ফায়সালার উপরে আপনি জানেন ইমাম বুখারী রাহমা্লাহ পিতাদেরকে কিভাবে করেছেন কত জালেম বানিয়েছেন যে কত পিতা আছে জালেম এই আয়াত তাদের উপরে এই হাদিস ফিট হবে কেমনে জানেন যে একজন পিতা সারা জীবন আল্লাহর গোলাম করে গেছে কিন্তু মরার সময় সে আল্লাহর ফয়সালার উপরে ফয়সালা করে যায় কিভাবে বলে আমার অমুক বাড়ির ও অংশটা ছেলে ওই ছেলেকে দিয়ে দিও আমার ওই জায়গাটা ওই ছেলেকে দিয়ে দিও মেয়েদেরকে আচ্ছা ঠিক আছে তোমরা তোমরা

                                                           

ভাইকে দিয়ে দিও বা তোমরা জমি ডোলা মানে নালা খন্দ এগুলা নি এইযে পিতা যদি এরকম ফায়সালা করে বলেন তো কে কতটা পাবে এটা কি আল্লাহ ফায়সালা করে দেয় নাই তার মানে যখন আল্লাহর ফয়সালা আপনার পছন্দ হলো না মরার সময় আপনি নিজে যখন বলে দিলেন যে আমার অমুক ছেলে এটা অমুক ছেলেটা অমুক মেয়ে এটা তার মানে আপনি আল্লাহর ফয়সালার উপরে কলম ধরলেন ইমাম বুখারী রাহমা্লাহ এই হাদিস এবং কোরনের আয়াত যারা আল্লাহর ফয়সালার উপরে ফয়সালা এই শেষ এই শব্দের কারণে আপনি জাহান্নামে যেতে পারেন। কারণ এটা হচ্ছে আপনার জীবনের সর্বশেষ ভুল। সর্বশেষ পাপ। এটাই আপনাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।

                                                           

এজন্য জীবনের শেষ মুহূর্তটাকে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করেন। আমি আর আগে পারবো না। যদিও অনেক কথা ছিল। খুতবার সময় পাশ হয়ে চলে গেছে। এখন আমার সাথে যারা যতগুলো মুসল্লি আছেন কার গ্যারান্টি আছে? যে আপনি হয়তো আজকে মরবেন না। আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তির গ্যারান্টি আছে? না। কেউ কেউ বলতে পারেন যে আমি আমার কথা মোতাবেক মৃত্যু আমাকে কম করবে। তারপরে আসবে এটা হবে তার মানে আমরা কি সবাই বিশ্বাস করি মৃত্যু যখন তখন আসতে পারে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করি আল্লাহ আমাকে আমাদের মুসলিম ভাইদেরকে সবসময় একটা না একটা ভালো কাজ করার তৌফিক দান একটা ভালো কাজ করলে কি হবে জানেন এরপরে মৃত্যু আসুক না আমাদের কোন ভয় নাই রাসুল তুমি আল্লাহকে ভয় করে চলবে তবে যদি কোনদিন তোমার দারা কোন ভুল ত্রুটি হয়ে যায় সাথে সাথে একটা ভালো কাজ করার চেষ্টা করবে কারণ তোমার ভালো কাজটা তোমার মন্দটাকে মিটিয়ে তাহলে সবসময় যদি আমরা একটা না একটা ভালো কাজ করতে পারি

                                                           

দেখবেন খারাপ কাজ করতে নিয়ত লাগে না নিয়ত এমনি চেঞ্জ হয়ে যায় শয়তান আপনাকে গিয়ে পড়াবে কিন্তু ভালো কাজ করার নিয়ত লাগে নিয়ত ছাড়া কোন ব্যক্তি ভালো কাজ করতে পারে না আপনি ফজরের নামাজে জাগতে হবে এটা নিয়ত লাগবে না কিন্তু আপনি ঘুমিয়ে থাকবেন এজন্য নিয়ত লাগে না আপনি না জাগলে এমনি ঘুমিয়ে পড়ে থাকবেন হালাল খাওয়ার জন্য নিয়ত লাগবে কারণ হারাম চারদিক থেকে আপনার সামনে সামনে ভেসে আসবে কিন্তু আপনাকে নিয়ত লাগবে আমি হারাম খাবো না আমি হারাম রিলেশনে জড়াবো না নিয়ত লাগবে রাস্তা থেকে একটা কষ্টদায়ক বস্তু তুলে ফেলে দেওয়ার নিয়ত লাগবে কারণ অনেকের চোখের মধ্যে অনেক কিছু পড়ে কিন্তু আপনি তুলে ফেলেন না কেন আপনার ইচ্ছাই নাই ইচ্ছা লাগবে নিয়তটা খুব সেন্সিটিভ এজন ভালো হয়ে যাওয়ার নিয়ত করেন দাড়ি যারা ফেলে দিয়েছেন দাড়ি রাখার নিয়ত করেন আমি রাখব দেখবেন কালকে থেকে দাড়ি ঝরবেন এমন না যে আপনার দাড়ি ঝরে পড়ে যায় এজন্য আপনি ক্লিনশ কিন্তু আপনি নিজে

                                                           

থেকে ফেলে দিচ্ছেন তাই আপনি নিয়ত ফেব দেখবেন আপনারা সম্ভব নিয়ত লাগবে এজন ভালো হয়ে যাওার নিয়ত করেন আল্লাহ তুমি আমাকে আমাদের মুসলিম ভাইদেরকে কবুল কর [নাক ডাকা] আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন আসসালাতু আসসালামু আলা আশরাফিল আম্বিয়া মুরসালিন মুহাম্মাদিন ওয়ালা আলিহি আজ যদিও খুতবা অনেক লম্বা আরো চাইলে আরো এক ঘন্টা চলে যাবে কিন্তু আমরা যাব না বলেছিলাম যে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে কিছু বিষয় থেকে আশ্রয় চাইতেন যেমন আমরা মাত্র একটা বলতে পেরেছি সেটা কি যে আপনি কুফরি মুনাফিকি নাস্তিক অবস্থায় মরে যাবেন এটা থেকে আল্লাহর কাছে কি করবেন আশ্রয় চাইতে হবে এক মিনিটের মধ্যে একটা কথা বলে দিচ্ছি এই যে আমি যে কথাটা বললাম আমি জানি আমি তো আগেই বলেছি ফেস ভ্যালু নাই ডিগ্রি নাই হয়তো অল্প বয়সের বা আপনার কাছে প্রাধান্য নাও পেতে পারি কিন্তু আমার মুখের কথাটা মূল্যায়ন করার চেষ্টা করেন কোরআন হাদিসের কথা বলতে বান আপনি কি জানেন যখন একজন ব্যক্তি বলে আল্লাহ আমি

                                                           

তোমার কাছে এই জিনিস থেকে আশ্রয় চাচ্ছি এইরকমের দোয়া কত হ জানেন আপনি যদি আমার মনে হয় যাবে বলেছেন আল্লাহু আলা রাস বলেছে বাচ্চা এবং তার মা কার মামলা সালামের মা আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়েছিলেন যে আল্লাহ আল্লাহ তোমার আল্লাহ [গলা পরিষ্কার করা] তার সন্তানকে জিনিস থেকে তারপর বলতেছেন বিষয়গুলো থেকে যখন আশ্রয় চাচ্ছেন আল্লাহ যদি আপনাকে আশ্রয় দিয়ে দেয় এটা বোঝার জন্য আরেকটা কথা বলি রাস বলেছেন কেউ যদি কোন মানে খুব বিপর্যস্ত লোককে হয়তো পাগল বা কুষ্ঠরোগী বা একটা হাত পা ঝরে গেছে ওই অবস্থায় দেখে যদি সে বলে আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ পাগল বানা আলহামদুলিল্লাহ বলবেন না নিজে করবেন কষ্ট আমার মৃত্যুতে আলহামদুলিল্লাহ পাগলকে দেখে যদি আপনি হাসিটা তামাশা না করে যদি বলেন আলহামদুলিল্লাহ যে আল্লাহ আমাকে এর মত লাঞ্ছিত করে নাই এবং বহু সৃষ্টি থেকে আল্লাহ আমাকে হেফাজত করেছেন মুক্ত রেখেছেন রাসূ বলেছেন কেয়ামত পর্যন্ত যতদিন পৃথিবী বাকি থাকবে অথবা এই ব্যক্তি বাকি থাকবে মসিবত তার জীবনে কোনদিন

                                                           

আসবে না আল্লাহ তোমার চাচ্ছি থেকে ময়দানে উপত হওয়ার তৌফিক দান কর