প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার যিনি বিশ্বজগতের একমাত্র মালিক যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তিনি এক ও একক সবকিছুর উপরে ক্ষমতাবান এবং সমস্ত প্রশংসার তিনি একচ্ছত্র মালিক। আমরা তার গোলামী করতে বাধ্য। এবং স্বেচ্ছায় যারা এটাকে মেনে নেবে তাদের উপরে তিনি সন্তুষ্ট হবেন। আর যারা এটাকে মেনে নিচ্ছে না তাদের উপরে তিনি কখনোই সন্তুষ্ট হবেন না। আর যাদের উপরে আল্লাহ সুবহানাহুও তাআলা সন্তুষ্ট তাদের হিসাব নিকাশ সহজ হবে এবং তাদের জন্য উত্তম একটা জীবন ব্যবস্থা আল্লাহ প্রস্তুত করে রেখেছেন। আর যারা আল্লাহর অসন্তুষ্টির মাঝে জীবন যাপন করতেছে তাদের দুনিয়াও ধ্বংস হবে, পরকালও ধ্বংস হবে এবং পরিস্থিতি তাদেরকে চিরস্থায়ী জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাবে।
আমরা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার সন্তুষ্টি কামনা করতেছি এবং আমরা আল্লাহর কাছে তার থেকে অসন্তুষ্টি মূলক কাজ আচরণ হওয়া থেকে তার কাছে তার নিকট আমরা আশ্রয় গ্রহণ করতেছি। আমিন। আমিন। প্রত্যেকটা মুসলিমের উচিত আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার সন্তুষ্টি অসন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে চলা যে কোন কাজে আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন এবং ওই কাজ থেকে বেঁচে থাকা ওই বাক্য থেকে বেঁচে থাকা যেই বাক্য আল্লাহ সুবহানাহুতালা অসন্তুষ্ট হবেন। সালাতু আসসালাম প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যিনি এই পৃথিবীতে সবকিছুই আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার সন্তুষ্টিকে কেন্দ্র করে করেছেন। তার জীবনের উপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে। তাকে হত্যা পর্যন্ত করতে প্রচেষ্টি প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। তাকে তার সমাজ তার ভিটা মাটি সবকিছু ছাড়তে হয়েছিল।
তারপরেও তিনি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টির বিপরীতে কোন কাজ করেননি এবং আমাদেরকে তাকে উদ্দেশ্য করে এই জীবন পরিচালনা করতে বলা হয়েছে যে আমরা যেন তাকে অনুসরণ করি তিনি হচ্ছেন আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ যার উপরে সালাত এবং সালাম পাঠ করি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার পক্ষ থেকে ১০ বার সালাত এবং সালাম প্রাপ্ত হবে তাই আমরা তার উপরে সালাত এবং সালাম পাঠ করি আল্লাহুম্মা সাল্লিমারিকান মুহাম্মাদ আজকে আমাদের খুতবার মূল বিষয় হবে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টি রয়েছে এটা প্রত্যেকটা বান্দাকে জানতে হবে এবং এটাও জানতে হবে আল্লাহ যদি কারো উপরে সন্তুষ্ট হন অথবা কারো উপরে অসন্তুষ্ট হন এটার পেছনে কারণ কি আল্লাহ কি কারো চেহারা দেখে সন্তুষ্ট হন অথবা কারো চেহারা পছন্দ হয়নি এজন্য এজন্য অসন্তুষ্ট হন কেউ আরব এজন্য সন্তুষ্ট আমরা বাঙালি বা অন্য জাতি এজন্য অসন্তুষ্ট কারো টাকা অনেক বেশি এজন্য আল্লাহ সন্তুষ্ট কারো একবারে নিঃস্ব এজন্য অসন্তুষ্ট না বিষয়টা এমন না আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তিনি হচ্ছেন রব
আমাদের মালিক তিনি হচ্ছেন স্রষ্টা পৃথিবীর কারো কাছ থেকে তার কোন দেনাপানা নেই পুরা পৃথিবীর মানুষ যদি তার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তারপরও তিনি সম্মানিত গান অমুখাপেক্ষী এক কথায় তিনি আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন কুলহু আল্লাহু আহাদ আল্লাহু আসসামাদ তিনি হচ্ছেন অমুখাপেক্ষী তাই আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা তিনি যদি কোন ব্যক্তির উপরে সন্তুষ্ট হন এর কারণ কি তিনি আল্লাহ আমাদেরকে জানিয়েছেন সে কারণগুলো আমাদেরকে এ এক করে জানতে হবে এবং যে কারণে তিনি আপনার আমার উপরে যদি অসন্তুষ্ট হন তো সে কারণটা কি সেটা সেটাও আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা আমাদেরকে জানিয়েছেন। ফেরাউনের উপরে আল্লাহ এমনি এমনিতেই অসন্তুষ্ট হন নাই। মূসা আলাইহিস সালামের উপরে এমনি এমনি আল্লাহ সন্তুষ্ট হন নাই।
এর পেছনে কারণ ছিল সেটা কি আমাদেরকে জানতে হবে। এবং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালাকে সন্তুষ্ট রাখার যে বিষয়টা এটাকে আজকে আপনি গুরুত্বের সাথে নিবেন। যদিও এ সম্পর্কে আপনি জানেন যে এটাই নিয়ম। কিন্তু আবার তালকিন করে দিয়ে আজকের খুতবার মাধ্যমে যাতে করে আমাদের রিমাইন্ড হয়ে যায়। আমাদের শিক্ষাটা যেন নতুন করে আরেকবার আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হোক যে আমরা যেটা করতেছি এটা ভুল। আমরা আমাদের নিয়তটাকে অনেক বেশি খারাপ করে ফেলেছি। আমাদের নিয়তের মধ্যে উদ্দেশ্যের মধ্যে দুনিয়া বেশি চেপে গেছে। পরকালকে আমরা একবারেই তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছি বা পরকালকে আমরা বলতে বসেছি। এজন্য আজকে আবার সেই বিষয়টাকে আপনাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেই যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টি এই বিষয়টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
আসুন প্রথমে আমি আপনাকে দেখাই যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআালার সাথে সন্তুষ্ট এবং অসন্তুষ্ট এই শব্দটা যে যায় এ সম্পর্কে আল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যেমন কোরআনের বহু আয়াতে বহু হাদিসে এই বিষয়টা আসছে কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা আমাদেরকে বলেছেন যে আল্লাহ সুবহানাহুতালা কারো কারো প্রতি সন্তুষ্ট কারা তারা যেমন একটা আয়াতে সূরা আল ফাতাহ ৪৮ নাম্বার সূরার ১৮ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেছেন আল্লাহ মমিনদের উপরে রাজি এবং খুশি হয়ে গেছে। কোন মুমিন? একটা দল ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললামের যুগে যারা কি করেছিল? যারা রাসূলের হাতে হাত রেখে এটা অঙ্গীকার করেছিল যে আজকে আমরা আপনার সাথে আছি। মরে গেলে মরে যাব। কিন্তু আপনার সাথে আজকে যা অর্ডার করবেন তা করব।
সেটা ছিল বায়াতের একটা আহবান। যে উসমান রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুকে হত্যা করা হয়েছে। সংবাদ যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কাছে পৌঁছলো এটা হচ্ছে অষ্টম হিজরীর ঘটনা সম্ভবত বা সপ্তম হিজরীর ঘটনা। মক্কাতে যখন উমরা করার জন্য গিয়েছেন তখন তারা ঢুকতে দেয়নি। তখন এই সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললামের হাতে বায়াত গ্রহণ করেছিল যে আজকে যা অর্ডার করবেন আমরা তা করব। যদি আপনি মক্কাতে প্রবেশ করেন যুদ্ধ করার জন্য আমরা রাজি। আমরা পিছপা হবো না। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা সেই অঙ্গীকারটাকে কিভাবে নিয়েছেন? আল্লাহ বলেছেন আমি এদের সকলের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে গেলাম। এবং আল্লাহ বলতেছেন যে কেন? কারণ তারা সেইদিন যে অঙ্গীকারটা করেছিল এটার মধ্যে একজন মুনাফিক ছিল না।
এবং আল্লাহ সুবহাতালা বলেছেন আল্লাহ ভালো করে জেনে নিয়েছে যে এদের অন্তরের ভিতরে কি আছে। তার মানে এরা আজকে মরতে প্রস্তুত। এটা আল্লাহ বুঝে গেছেন। মানে আল্লাহ জেনে গেছেন যে তারা প্রমাণ করে দিয়েছে যে তারা সত্যবাদী। তারা মৃত্যুক নয়। আল্লাহ এমন মুমিনদের উপরে কি হয়ে গেছেন? সন্তুষ্ট। এইযে একটা শব্দ আমরা বলি না যখন সাহাবায়ে কেরামদের নাম নেই। কি বলি? রাদিয়াল্লাহু আনহু। মানে কি? মানে হচ্ছে আল্লাহ তাদের উপরে রাজি। মানে সন্তুষ্ট হয়ে গেছেন। তার মানে আল্লাহর সন্তুষ্টিটা এটা আমাদেরকে বলা হয়েছে যে আল্লাহর সন্তুষ্টি অসন্তুষ্টির ব্যাপার আছে। কিন্তু আমি আর আপনি সেই জিনিসটাকে লক্ষ্য করে চলি না। কিন্তু সাহাবায়ে কেরামরা এ বিষয়টাকে লক্ষ্য রেখে চলতেন।
যেমন স্পষ্ট আপনি নিজেই শব্দের সাথে পরিচিত যে রাদিয়াল্লাহু আনহু যে তারা আল্লাহর উপরে সন্তুষ্ট হয়ে গেছে। তো আল্লাহ সুবহানাহুতাালার সন্তুষ্টির প্রমাণ এ আয়াত থেকে আপনি পাবেন। আর অসংখ্য আয়াত রয়েছে। অসন্তুষ্টির ব্যাপার। যেমন আল্লাহ সুবহানাহুতালা মুনাফেক এবং কাফেরদের সম্পর্কে বলেছেন এর ফল আল্লাহ বলেছেন তাদের আমলকে বরবাদ করে দিয়েছে এটা আপনি সূরা মোহাম্মদ ৪৭ নাম্বার সূরার ২৮ নাম্বার আয়াতে পেয়ে যাবেন আজকে যে আয়াতগুলো এটাতো সংক্ষিপ্ত জাস্ট একটা বিষয়কে প্রমাণ করার জন্য শুধু টাচ দিয়েছি এই প্রত্যেকটা আয়াত আপনি বাসায় গিয়ে যদি দেখেন তাহলে দেখতে পাবেন এই আয়াতের আগে এবং পরে আল্লাহ ওই ঘটনাও বলেছেন আল্লাহদের উপর সন্তুষ্ট কেন সন্তুষ্ট যেহেতু তারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লামের হাতে বায়াত করেছিল হককে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এজন্য আল্লাহ সন্তুষ্ট তার মানে আল্লাহ কারণটা উল্লেখ করে দিয়েছে এখানে মুনাফেকদের কথা আছে যে মুনাফেকদের সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে গেল আল্লাহ কারণটা উল্লেখ করেছেন কেন কারণ এইজন্য তারা অনুসরণ করে ওই সকল বিষয়ে যেই বিষয়গুলো আল্লাহ অসন্তুষ্ট যেগুলো আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয় আল্লাহ নিষেধ করেছেন হারাম করেছেন এ মুনাফেক কাফেররা ওই বিষয়গুলোকে সবচাইতে বেশি অনুসরণ করে আর ওরা কি করে আর যে কাজে আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন এরা আবার ওই কাজটাকে অপছন্দ করে আল্লাহ সুবহানাহুতাালার পছন্দনীয় কাজ হচ্ছে সালাত কিন্তু মুনাফা এটা অপছন্দ কাফেররা এটাকে অপছন্দ করে।
আর তার বাস্তব প্রমাণ আপনি দেখতে পাচ্ছেন। যদিও বাংলাদেশের হিন্দুরা এত বড় সাহস পায়নি, মাথাচাড়া দিয়ে ওঠেনি। কিন্তু ইন্ডিয়াতে সেটা প্রকাশ করে দেখিয়েছে। তারা ওদের নামাজ হচ্ছে ওদের জন্য সবচাইতে বড় মুসিবতের কারণ। এটা হচ্ছে স্পষ্ট যে আল্লাহ যেটা পছন্দ করে এটা ওদের কাছে অপছন্দনীয়। যেমন ওরা একটা মানুষ বলতেছে একটা প্রাণ। গরু হচ্ছে একটা প্রাণ আছে। গরুকে হত্যা করার কারণে ওরা মানুষকে মেরে দেয়। মানে শয়তান যখন কাউকে বিভ্রান্ত করে দেখেন একজন ব্যক্তি ওর দয়া এত ও একটা তেলাপোকা মারতে পারে না ওর দ্বারা কোনদিন মানুষ হত্যা করা সম্ভব কারণ ওতো দয়াবান তাই না ওটা তেলাপোকা মারে না একটা ইদুর মারে না ও মানুষ কিভাবে মারবে কিন্তু কারণ মস্তিষ্ক যদি বিকৃতি ঘটে এর উল্টাটা ওটা মশা মারবে না কিন্তু মানুষ মেরে দিতে কোন কিছু দ্বিধা লাগে না কারণ মানুষ হচ্ছে ওর কাছে মানে পশুর তুল্য আর মশাটা এটার কাছে যে প্রাণী হয়ে গেল।
এটা কার পক্ষ থেকে হয়েছে? এটা শয়তানের পক্ষ থেকে হয়েছে। মানে হকটাকে ওর কাছে বাতিল হিসেবে আর বাতিলটাকে ওর কাছে হক হিসেবে পেশ করে দেয়। তো আল্লাহর কাছে সবসময় আশ্রয় চাইবেন এই যে মস্তিষ্কের বিকৃতি ঘটা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হবে। কারণ মস্তিষ্ক বিকৃত লোক যা খুশি তা করতে পারে। ওর হিতাহিত কোন জ্ঞান নাই। তো আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলতেছেন যে মুনাফিকরা আল্লাহর অসন্তুষ্টির কাজে লিপ্ত। এরা সন্তুষ্টিটাকে ফলো করে না। এই দুইটা আয়াত স্পষ্ট প্রমাণ করে যে আল্লাহর সাথে সন্তুষ্ট অসন্তুষ্টর বিষয়টা রয়েছে। এটা আকিদাগত একটা ব্যাপার। এটা আমাদেরকে জানতে হবে। এভাবে বেশ কিছু আয়াত আসবে যে এক করে আমাদের আলোচনার মধ্যে আমরা পেশ করব।
যদিও বলা হয়েছে একটার মধ্যে খুতবা সমাপ্ত করে দিতে। এজন্য আমরা লম্বা করতে পারবো না। তো মহান আল্লাহ সুবহানাহুতাালার সন্তুষ্টির ধরণটা কেমন? এটা হচ্ছে আকিদাগত ব্যাপার। এটা আবার আমাদের মত সৃষ্টির মত আপনি নিলে চলবে না। একটা মানুষ সন্তুষ্ট হয় আবার একটা মানুষ অসন্তুষ্ট হয়। মানুষ সন্তুষ্ট হয় নিজের স্বার্থে। যখন নিজের ফেভারে কিছু আসবে তখনই সন্তুষ্ট হবে। মানুষের ফেভারের বিপরীত যদি কোন কাজ করেন আপনি যত ভালো কিছু করেন না কেন ওই মানুষ আপনার প্রতি কোনদিন সন্তুষ্ট হবে না। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টিটা কিন্তু এরকম না। আল্লাহ সুবহানাহু তাালার সন্তুষ্টিটা হচ্ছে ন্যায়ের সাথে। যেখানে ন্যায় সেখানে আল্লাহ সন্তুষ্ট। যেখানে অন্যায় সেখানে আল্লাহ সুবহানাহু তালা সন্তুষ্ট না।
এজন্য আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার পক্ষ হয়েই যদি কোন ব্যক্তি জুলুম করে আল্লাহ তার উপরে সন্তুষ্ট হন না কখনো। এজন্য যুদ্ধের ক্ষেত্রে আমাদেরকে একটা এটা নীতিমালা বলে দেওয়া হয়েছে। যদিও কাফেররা আল্লাহর শত্রু কিন্তু কোন কাফেরকে আপনি পেয়ে গেলে তাকে যেমন খুশি তেমন ভাবে পিটাবেন, মারবেন, নাক-কান কেটে দিবেন, মুসলাহ করে দিবেন। আল্লাহ এতে সন্তুষ্ট না। আল্লাহ বলছে তোমাকে যতটা আঘাত করে ততটাই তুমি আঘাত করতে পারবা। বাড়তি কোন আঘাত করতে পারবে তার মানে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন যদিও সে কাফের যদিও বাপ মা যদি কাফের হয় আল্লাহ বলেছেনলা তুমি বাপ মাকে পর্যন্ত বলতে পারবা না যদিও সে কাফের আল্লাহর শত্রু কিন্তু আল্লাহ ন্যায় সঙ্গতের পক্ষে অন্যায়ের পক্ষে নেই যদি আপনি বলেন আমি আল্লাহর বান্দা আল্লাহ আল্লাহর শত্রু কাফের কিন্তু আল্লাহ বলছে না বাপ মার সাথে তুমি উচ্চবাচ করতে পারবা না তার মানে বোঝা যাচ্ছে যেটা স্বার্থ অস্বার্থ ব্যাপার না।
আল্লাহ হচ্ছেন ন্যায়ের সাথী। তো মানুষের সাথে আল্লাহর সন্তুষ্টি অসন্তুষ্টির কোন মিল নেই। কারণ আল্লাহ হচ্ছেন স্রষ্টা। আর আমরা হলাম সৃষ্টি। সৃষ্টির থেকে আল্লাহ সবকিছু থেকে পৃথক। আল্লাহ স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন যে আমার মত কোন কিছুই না। কিছু কিছু শব্দ আছে। আল্লাহর সাথে প্রয়োগ করা হয়েছে। যেমন নাফস আল্লাহর নাফস আছে, আমাদেরও নাফস আছে। যেমন চোখ। আল্লাহরও চোখ আছে, আমাদেরও চোখ আছে। কিন্তু এই শব্দগুলো তো পরিচিত শব্দ। কিন্তু এর ধরণ কি কোনদিন কেউ ব্যক্ত করতে পারবে? পারবে না। আল্লাহ নিজেই বলেছেন, আমার চোখের মত আমি কোন চোখ সৃষ্টি করিনি। আমার হাসির মত হাসি নাই। আমার এই রাগান্বিত হওয়ার মত রাগ না।
এটা সৃষ্টির সাথে যায় না। মানে এটা আল্লাহ জাস্ট শব্দটাকে বুঝাইছে। যাতে করে আপনি বুঝতে পারেন যে এটা রাগলে মানুষ কি করে? যেমন আল্লাহ আমাদেরকে শাস্তি দিবে যদি কারো উপর রেগে যায়। এজন্য জাহান্নামের শাস্তি দেবে। যেমন আল্লাহ যদি কাউকে ভালোবাসে আল্লাহ যদি কাউকে পছন্দ করে যেমন মা যেমন বাচ্চাকে কোলে নিয়ে আদর করে আল্লাহ কি কোন বান্দা কি এভাবে কোলে নিয়ে আদর করবে করবে না তারা মানে আল্লাহর আদর আল্লাহর ভালোবাসা ভিন্ন আল্লাহ সেটা করবে জান্নাত দিয়ে উপকার মানে উপকার করে বা উপঢুক বা উপহার দিয়ে ওটা আল্লাহর দেহের মানে আল্লাহর অস্তিত্বের সাথে সত্তার সাথে নিয়ে না যেমন দেহ শব্দ অনেক সময় আমরা ভুল বসত যদি বলে ফেলি সেটা যায় না কারণ আল্লাহর দেহ বলতে কোন কিছু নাই কারণ আল্লাহ বলে নাই সেটা যতটুকু বলছে ততটুকু তো এই জায়গার মধ্যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার সন্তুষ্টি অসন্তুষ্টির শব্দটা আছে সেটা আপনার আমার মত না এটা যেমন আল্লাহ তেমন এবং আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা
আমাদেরকে জানিয়েছেন তৃতীয় বিষয় যেটা জানতে হবে আল্লাহ যদি আগেই বলেছি আল্লাহ যদি কারো উপরে সন্তুষ্ট হন এর সবাব আছে কারণ অবশ্যই আছে কেন আল্লাহ তার উপরে সন্তুষ্ট কেন আল্লাহ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপরে সন্তুষ্ট কেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা মক্কার মুশরিকদের উপরে সন্তুষ্ট না যদিও তার আল্লাহ ঘরের খাদেম ছিল কেন না আল্লাহ কেন বেলাল রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু প্রসন্তুষ্ট যদিও একজন কৃতদাস এটা একটা কারণ আছে সে কারণটা আল্লাহ আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যেটা আজকে আমরা উল্লেখ করব যদি আমাদের সময় কুলায় আর এটাই হলো আজকের আলোচনার মূল বিষয় যে সেই কারণগুলো কি যেগুলো করলে আমি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবো আর প্রত্যেকটা মুসলিমের উচিত তার যেকোনো ভালো কাজকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করা যেটা আজকে অধিকাংশ মানুষের মধ্যে দেখা যাচ্ছে যেটার ঘাটতি আমরা দেখতে পাচ্ছি বিদায় আজকের খুতবাটা আপনাকে এই ভঙ্গিমায় পেশ করতে চাচ্ছি।
এবার আসুন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টির খেয়াল রাখার গুরুত্ব কত? আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন যে কোন কাজ ভালো যে কোন কাজ মানুষ যা করে সেটা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা এটা আমাদের উপরে ফরজ করা হয়েছে। মুসলিমরা এটা মানতে বাধ্য। অমুসলিমরা হয়তো সেটা মানবে না। দুনিয়াদার লোকেরা হয়তো মানে না। কিন্তু মুসলিম যারা আল্লাহ বলেছেন তোমার উপর এটা ফরজ যে তোমার যে কোন ভালো কাজ এটা কার সন্তুষ্টির জন্য করতে হবে? একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু তাালার সন্তুষ্টির জন্য করতে হবে। আর যদি সেটা দুনিয়াবী কোন উদ্দেশ্যে কেউ করে তা আল্লাহ বলেছেন আমি তাকে দুনিয়াতেই জাযা দিয়ে দিব। পরকালে সে আমার কাছে কিছুই পাবে না।
বরং তার উদ্দেশ্য যদি খুব খারাপ হয় মানে পুরাই দুনিয়া হয় তাহলে আল্লাহ বলেছেন ওকে আমি জাহান্নামের আগুন ছাড়া আর কিছুই দেব না। আর যদি উদ্দেশ্য হয় আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছু। যেটাকে আমরা শিরিক বলি ও দেবদেবী বলি বা অন্য কাউকে সন্তুষ্ট করার জন্য যদি হয় তাহলে আল্লাহ বলেছেন এটা হচ্ছে শিরকের অন্তর্ভুক্ত। তার শিরকের অপরাধকে আল্লাহ কখনো ক্ষমা করেন না। তাহলে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা আমাদেরকে জানিয়েছেন যে কোন কাজ আল্লাহকে সন্তুষ্ট জন্যই করতে হবে তাহলে সেটা নেকি এবং সওয়াবের কাজ হবে। এবার আসুন এ সম্পর্কে আল্লাহ সুবহা দেখেন কি বলেছেন একটা আয়াত নিয়ে নেন।
সূরা তওবা নয় নাম্বার সূরার ১০৯ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেছেন জাহান্নাম আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন দুই ব্যক্তির উদাহরণ দিব বলতো দেখি যেই ব্যক্তি আল্লাহর উপরে তাকওয়া অর্জন করেছে বা আল্লাহর তাকওয়ার সাথে সাথে সে আল্লাহর সন্তুষ্টির উপরে ভর করে যা করে সব আল্লাহর সন্তুষ্টির উপর ভর করে করে তার মানে একটা ঘর বানিয়ে নিয়েছে তার অবস্থান তৈরি করেছে সে এমন জায়গায় আছে যেটার ভিত্তি হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার জন্য যা খুশি করে যে তার অবস্থানটা এমন জায়গায় নিয়ে দাড় করিয়েছে এই ব্যক্তিকে উত্তম ওই ব্যক্তি যেই ব্যক্তি তার অবস্থানটা তার বাসস্থান বা তার ঘর তৈরি করেছে আলাা এমন একটা গর্তের কাছে যেই গর্তটা হারিন মানে ধসে যাবে।
অনেক মানুষ অনেক লম্বা গর্ত যখন খোরে যদি সাপোর্টার ব্যবস্থা না করে এ গর্ত কিন্তু সাইড থেকে ভেঙ্গে নিচে পড়ে যায়। বিল্ডিং করার সময় দেখেন অনেক সময় পাইলিং করতে গেলে আশেপাশেটা বড় ব্রেকেট দেয়। বড় বিল্ডিং বানাতে গেলে ব্রেকেট রাস্তাঘাট ভেঙ্গে পড়ে যাবে। আল্লাহ বলেছেন এই ব্যক্তি এমন একটা গর্তের পাশে গিয়ে তার অবস্থান তৈরি করেছে যেই গর্তটা একটু পরেই ধসে যাবে। আর আল্লাহ বলেছেন সে গর্তটা কি জান? ধষে পড়বে কোথায়? যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করে না দুনিয়া পাওয়ার জন্য এবার যে কোন কিছুর জন্য করে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টিটা মিসিং আছে। এই ব্যক্তির অবস্থা এমন একটা গর্তের কাছে আল্লাহ বলেছেন এই গর্তটা ধসে যাবে জাহান্নামের আগুনে।
তার মানে এই ব্যক্তি যারা আল্লাহর সন্তুষ্টিমূলক কাজ করে না বাকি দুনিয়ার যে কোন উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এ মূলত জাহান্নামের কিনারায় অবস্থান করতেছে যে কোন সময় ধষে গিয়ে সে জাহান্নামে পতিত তার মানে এই অবস্থায় যদি মরে যায় ও জাহান্নামে যাবে তার মানে আমি মনে করি এই আয়াতটা অত্যন্ত চমৎকার একটা এক্সাম্পল যে আল্লাহর সন্তুষ্টিমূলক বেঁচে থাকা এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে চলা আর যারা দুনিয়ার সন্তুষ্ট কাজ করে তাদের দুই গ্রুপের মাঝে একটা চমৎকার উদাহরণ এটা যদি আমরা মাথায় রাখি তাহলে আমরা মনে করি আমাদের কাজ করতে সহজ হবে। তার মানে আল্লাহ সুবহানাহুতালা আমাদেরকে সতর্ক করতেছেন আমরা যেন আল্লাহর সন্তুষ্টিমূলক ছাড়া যেন কোন ভালো কাজ না করি।
এর গুরুত্ব সম্পর্কে আপনি দেখতে পাবেন কোরআনের যে কোন ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর সন্তুষ্টি শর্ত রয়েছে। এমনকি কালেমা যখন পড়ে না লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ রাসূল কি বলেছেন? যেই ব্যক্তি বলবে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ যেই ব্যক্তি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলবে জান্না এই ব্যক্তি জান্নাতে তার মানে মূল হচ্ছে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা দান সদকার ক্ষেত্রে আল্লাহর সন্তুষ্টি সালাত এটা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যদি না হয় তাহলে সালাত আমাদেরকে জাহান্নামে ফেলে দিবে লোক দেখানো আমল যেটাকে বুঝায় তো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা বলেছেন যে কোন ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর সন্তুষ্টিটা হইতে হবে মুখ্য যেমন কোরআনের একটা আয়াত নিন আল্লাহ বলেছেন যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দান সাদকা করে তাদের উদাহরণ একটা জান্নাতের মত দেওয়া হয়েছে মানে বাগানের মত যেই বাগান বৃষ্টি পেলে অফুরন্ত ফল দেয় আর যেই বাগান অফুরন্ত বৃষ্টি না পেলে যদি সামান্য একটু পানি ছিটা দেন তাতে আপনাকে যথেষ্ট ফল দেবে এটা হচ্ছে ওই বাগানের উদাহরণ যেটা উর্বর বাগান আর আল্লাহ
বলেছেন উর্বর আমল কোনটা যার নিয়ত নিয়ত হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টি তার মানে এর যে কোন কাজে বরকত হবে আল্লাহটা এক্সাম্পল দিয়েছেন তার মানে আপনি ক্ষমতা রাখেন ১০ টাকার আর আপনার নিয়ত হচ্ছে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার তার মানে আপনার এই ১০ টাকাটা এমন একটা বীজ হয়ে যাবে এটা এমন ফল দেবে যেটা লাখ টাকা ফল দিবে কারণ এটা এমন একটা জান্নাতের বাগানের সাথে তুলনা করেছে বলেছেন যারা তাদের সম্পদ খরচ করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং অন্তরের প্রশান্তির সাথে সংকীর্ণতা নাই অনেক সময় আছে না লজ্জা পড়ে দান করে মন চায় না কিন্তু এতগুলো মানুষের সামনে বলতেছে এখন দিতেই হবে কিন্তু মন চাচ্ছে না এরকম না আল্লাহ বলেছেন যারা মনের সন্তুষ্টির সাথে দান করে কোন তাওয়া করে না এবং আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য করে লোক দেখানোর জন্য না তাদের উদাহরণ হল যদি মসদার বৃষ্টি নাও পায় এটা এমন একটা পাহাড় এমন একটা ভূখন্ড যে সামান্য একটু বৃষ্টির ছিটাফাটা যদি সেই জমিনে হয় তাহলেই সে অফুরন্ত ফসল দিতে থাকে।
এটা হচ্ছে এমন একটা উর্বর জমির মত যে আয়াতটা আপনি সূরা বাকারার ২৬৫ নাম্বার আয়াতে পেয়ে যাবেন। তার মানে আমি দেখাতে চাচ্ছি যে যে কোন ক্ষেত্রে আল্লাহর সন্তুষ্টিটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা একটা হিকমত বলে। আজকে আমরা এবাদত তো করি। আমরা তো মুসলিম। আমরা নাড়াও লাগাই। আমরা একবারে তাওহীদ জনতাকে একবার উসকে পর্যন্ত দেই। ওয়াজ হচ্ছে খুতবা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের মধ্যে সেই জজবা বা বরকত নাই। সাহাবায়ে কেরামদের দ্বারা যে বরকতটা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসিল করেছিলেন বা তাদের মাধ্যমে এই পৃথিবীর মানুষ আজও পর্যন্ত ১৪০০ বছর হয়ে গেছে আমরা যে বরকত পাচ্ছি এটা শুধুমাত্র সাহাবায়ে কেরামদের ইখলাসের কারণ তারা এমন কিছু করে দেখিয়েছেন যার ফলে তাদের কাজের বরকত হয়েছে অনেক।
তাদের ত্যাগ, তাদের হিজরত, তাদের দান সাদকা এটা এককভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ছিল বিধায় ইসলাম আজ পর্যন্ত আমাদের কাছে পৌঁছেছে। কিন্তু আপনি লক্ষ্য করে দেখেন আমাদের মধ্যে সেই ত্যাগ নাই। আমাদের মধ্যে সেই উদ্দেশ্যই নাই। যার ফলে আজকে ইসলামের দাওয়াতের কাজ একেবারেই নিভে নিবে যাওয়ার পথে আর অন্যান্যরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতেছে। দিন দিন ক্রাইম বেড়ে যাচ্ছে। কেন হচ্ছে? কারণ মানুষের কাছ থেকে ইসলাম আস্তে আস্তে বিদায় নিচ্ছে। ইসলামের কাজগুলো আমরা ইখলাসের সাথে করি না। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করার কাজটাকে আমরা ইখলাসের সাথে করি না। বিধায় আজকে আমাদের জাতি ইসলাম থেকে মাহরুম হয়ে যাচ্ছে। তাই আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা সাহাবায়ে কেরামদের প্রশংসা করে কোরআনের অসংখ্য আয়াত রেখেছেন তাদের মধ্যে একটা হল তারা যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করেছেন একটা আয়াত সূরা আল হাশর।
৫৯ নাম্বার সূরার আট নাম্বার আয়াতটা আপনি দেখে নেন। আল্লাহ বলেছেন ওই মহাজিররা যাদেরকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে সম্পদ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল তারা কেন এগুলো সব ছেড়ে দিয়েছিল আল্লাহ বলেছেন তারা আল্লাহর অনুগ্রহ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এটা করেছিল তার মানে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তারা সম্পদ ছেড়ে দিয়েছে কিন্তু ঈমান ছাড়েনি হালালের উপর টিকেছিল হারামের দিকে যায়নি শুধু আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ করার জন্য তাই আল্লাহ কোরআনের তাদের সম্পর্কে এ আয়াত রেখে দিয়েছেন কেয়ামত পর্যন্ত এটা এক্সাম্পল স্বরূপ যাতে করে মানুষ এটা জানুক যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করলে তার বরকতটা কেমন হয় কোরনে আল্লাহ সুবহানাতালা আরেকটি আয়াতে বলেছেন যেটা আপনি সূরা আল ফাতাহ ৪৮ নাম্বার সূরার ২৯ নাম্বার আয়াতে পেয়ে যাবেন আল্লাহ বলেছেন মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ মুহাম্মদ আল্লাহ রাসূল রয়েছেন এই মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এবং তার সাথের এই সাহাবায়ে কেরাম তারা এমন একটা টিম তারা কাফেরদের বিপক্ষে অত্যন্ত কঠোর আরহামাবাইনাহ তারা নিজেদের মধ্যে অনেক বেশি দয়াদ্র অনেক বেশি নরম উদ্দেশ্য কি আল্লাহ বলেছেন আপনি দেখতে পাবেন তারা রুকু অবস্থায় থাকে সেজদা অবস্থায় থাকে তার মানে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবায়ে কেরামদের গুণ যে তারা মুমিনদের জন্য অত্যন্ত দ্র আর কাফেরদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর এবং তাদের লক্ষণ হল তারা রুকু এবং সেজদা সময়ে অধিকাংশ সময় কাটায়।
তারপরে কি বলেছেন? এ উদ্দেশ্য কি? তারা এককভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং আল্লাহর অনুগ্রহ শুধু তাদের কাম্য। আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা এই আয়াতের মধ্যে তাদের কথা উল্লেখ করেছেন। তো কথা হচ্ছে যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টিটা হচ্ছে মুখ্য। এটা যাদের মধ্যে থাকবে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা বলেছেন তার বরকত অনেক। যেটা আমরাও জানি যে আমাদের সাহাবায়ে কেরাম ইসলামের জন্য তারা কতটা কি করেছেন এটা আমরা জানি তাদের ত্যাগ তাদের নাম এজন্য আমরা উচ্চারণ করি এবং সাথে সাথে আমরা বলি রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু আজ আল্লাহ সুবহানাহুতাালার খেয়াল সন্তুষ্টির খেয়াল রাখার গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি আয়াত আমি আপনাকে স্মরণ করিয়ে দি সূরা নিসা চার নাম্বার সূরার ১১৪ নাম্বার আয়াতে বলেছেন আল্লাহ বলেছেন গোপন বৈঠকে কোন কল্যাণ নাই।
আল্লাহ এটা বলেছেন মুনাফিকদের সম্পর্কে। তারা ইসলামকে ক্ষতি করার জন্য অনেক সময় গোপন বৈঠক করত। তার এগেনেস আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন এরকম গোপন বৈঠকের মধ্যে কোন কল্যাণ নাই। এতে আল্লাহ কোনদিন সন্তুষ্ট হবে না। তবে যারা যেখানে কয়েকজন মিলে বৈঠক করে সলা পরামর্শ করে। এই সলা পরামর্শগুলো যদি এই এই কাজে হয় সেটা কি? আল্লাহ বলেছেনলা যদি কয়েক বন্ধু মিলে একটা মিটিং করতেছে যে আসো আমরা কিছু দান সাদকা করি বা অমুকে দেওয়া দরকার অমুককে দেওয়া দরকার আুফ অথবা কোন একটা ভালো কাজের সলা পরামর্শ চলতেছেলাহবাস অথবা একটা মিটিং বসছে দুইজনের বিবাদ মিটিয়ে দেওয়ার জন্য জায়গা সম্পত্তি হোক ঝগড়াটে হোক দেনাপানা হোক পরিবারের বিষয় হোক ঝগড়া লেগে গেছে বন্ধুবান্ধব ফাটল ধরে গেছে তাদের মীমাংসার জন্য যে বৈঠকটা হয় আল্লাহ বলেছেন এই ধরনের বৈঠকের মধ্যে কল্যাণ আছে আর এই কাজগুলো এই ভালো কাজগুলো যদি সেটা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয় আল্লাহ বলেছেন যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয় আমি আল্লাহ তাদেরকে মহাপুরস্কার দান কর আল্লাহ কেন এখানে আল্লাহর সন্তুষ্টির কথা বললেন আমরা অনেক বিচারশালিশ দেখেছি বিচারশালিশ তো হয় কি জন্য বলতেছে মিটমাট করে দেওয়ার জন্য কিন্তু ম্যাক্সিমাম বিচারশালিশ হয় টাকা খাওয়ার উপর ভিত্তি ম্যাক্সিমাম বিচারশালিশ হয় নিজের দলের লোককে সাপোর্ট করার জন্য।
ম্যাক্সিমাম বিচারশালিশে জিতে যায় কারা? যারা নিজের দলের লোক। কথার প্রেক্ষিতে কালকে কয়েক ভাইয়ের সাথে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে অনেকগুলো কথা হয়েছে। হঠাৎ করে একটা কথা মনে পড়ে গেছে। আপনি কি বুঝতে পারেন যে আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম আবু বকর ওমর ওসমান তারা কোন চরিত্রের ছিলেন? মানে আমাদের বিচার ব্যবস্থাটা কেমন ছিল? আর আমরা হয়েছি কেমন? মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন একজন রাসূল হয়ে মসজিদে বসা থাকতেন তার কাছে অপরাধীরা আসতো। কেউ বলেছে আমি জানা করেছি। কেউ বলেছে আমি মদ খেয়েছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা আম সাধারণ মানুষ হিসেবে তখন বলতেনও কি মদ খেয়েছে।
নেশা করেছে কি পাগল। ওকে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেন। রাসূ চাইতেন যেও তওবা করেনি। তিনি বিচার নিতেন না। কিন্তু যখন এই ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিচারক রূপে উপস্থিত হতেন বা ধরা পড়তেন তখন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র কি? একে কি কেয়ামত পর্যন্ত কোন উপঢোকন কোন সম্পর্ক স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাসূলের কাছ থেকে কি নাজাত এনে দিতে পারতো? পারতো না। এর এক্সাম্পল কি? ফাতেমা নামের এক মহিলা। কাতান বংশের সম্ভবত ছিল। চুরি করেছে। সবাই ভাবলো যে এখন তো তার হাত কাটা যাবে। তখন বলল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লামকে সুপারিশ করা উচিত। কাকে দিয়ে সুপারিশ করানো হবে? যাকে তিনি সবচাইতে বেশি পছন্দ করে।
ছোটদের মধ্যে উসামা হচ্ছে রাসূ সাল্লাল্লাহু সাললামের সবচাইতে আদরের। ওসামাকে দিয়ে রিকোয়েস্ট করা হোক। ছোট মানুষ। আর রাসূল হয়তো বিষয়টা গুরুত্বের সাথে নিবে না। হয়তো ক্ষমা করেই দিতে পারে। উসামা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু যখন এই ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহার সম্পর্কে সুপারিশ করলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তিনি রাগে তার চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিলেন এবং তিনি যেই কথাটা বলেছিলেন আরে এটা যদি আমার মেয়ে ফাতেমা হতো তাহলে আমি তার হাত কেটে দিতাম কারণ এটা যখন বিচারের মুখোমুখি হয়েছে রাষ্ট্রের নায়কের কোন ক্ষমতা নাই যে নিজের কোন স্বার্থের কারণে পরিচিতির কারণে সুপারিশের কারণে তাকে ক্ষমা করে দিবে এত বড় অধিকার কোন রাষ্ট্রনায়ককে আল্লাহ দেয়নি বরং আমাদের সমাজের অবস্থা দেখেন এককটা ক্রাইমকারী হত্যাকারী লুটেরা চাদাবাজি ছিন্তাইকারীকে ধরে পুলিশ দিয়ে যাচ্ছে মানে বিচার কার্যে একদিন পরে বা এক সপ্তাহ পরে সে আবার বাহিরে চিন্তা করা যায় তার মানে আমাদের বিচার ব্যবস্থা ইসলাম থেকে নেয়নি তারা পশ্চিমাদের কাছ থেকে নিয়েছে আর তারা এই ক্রিমিনালদেরকে লালিত পালিত করে ক্রিমিনাল পালে আপনি কি জানেন একটা ক্রিমিনাল যখন ধরা পড়ে আবার ছাড়া পায় ওর কলিজা তখন আরো ছোট থাকে না আরো বড় হয়ে যায় ওর বড় ক্রিমিনাল হয়ে যায়।
আমাদের সমাজের ব্যবস্থা কি এটা বোঝে না? তারা কি এটা জানে না? তারা তো বুদ্ধিজীবী। তারা তো হচ্ছে এলিট পারসন। তারা তো হচ্ছে ইন্টেলেকচুয়াল পারসন। তাদেরকে বলা হয়। তারা কি বোঝেন? এগুলা বোঝে। কিন্তু তাদের অন্তরের নূরকে আল্লাহ কেড়ে নিয়েছে। আল্লাহ এদেরকে দিয়ে এদেরকে লাঞ্ছিত করবে। যার ফলে আজকে আমাদের জুলুমের উপরে জুলুম চেপে যাচ্ছে। আমরা হয়তো নিস্তারের কোন মুখ দেখতে পাচ্ছি না। কারণ আমাদের বিচার ব্যবস্থা একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। কেউ কাউকে তোয়াক্কা করে না। একদিন এদেরকে রাস্তাঘাটে পিটিয়ে মারা হবে। যারা আজকে বিচারের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও এগুলোকে উসকাচ্ছে বা এগুলোকে হালকাভাবে নিয়েছে এদের দ্বারাই এরা লাঞ্চিত হবে। পরাস্ত এদের দ্বারাই এরা রাস্তাঘাটে পড়ে মরবে।
আল্লাহ সুবহাতালা কি বলেছেন? তোমাদের কিসাসের মধ্যে তোমাদের জীবন আছে হে জ্ঞানীরা আল্লাহ কোরআনে বলেন এ কথা তার মানে ও চুরি করেছে হাত কেটে নাও ও হাত কেটেছে ওর হাত কেটে নাও কাউকে প্রকাশ্যে চাপাতি দিয়ে কপাচ্ছে ওকে প্রকাশ্যে এরকম কয়েকটা কুপ দেওয়া হোক এটার মধ্যে জীবন আছে তার মানে বাকিরা সব একটা উত্তম জীবন ব্যবস্থা পেত কিন্তু বাঙালি জাতি সে উত্তম জীবন গ্রহণ করতে চাচ্ছে না তারা ওই চুরিমারি এগুলো নিয়ে বেঁচে থাকতে চাচ্ছে এতে বাংলার বরকত নষ্ট হয়ে যাবে আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন। আমিন। আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন তো যদি সেটা এই বিচার কার্যটা যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কেউ করে দেয় তাহলে সে আল্লাহর কাছে অজস্র কল্যাণ পাবে।
এটা আল্লাহ সুবহানাতালা কোরআনে আমাদেরকে বলেছেন। তো এভাবে অনেকগুলো কথা বলা যেতে পারতো যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টিকে খেয়াল রাখার গুরুত্ব কত? আমি আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন থেকে একটা ঘটনা আপনাকে শোনাই। যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টিটাকে কতটা গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন বা নিতেন। তার জীবনের মর্মান্তিক একটা ঘটনা। আপনারা কি জানেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের একাধিক সন্তান ছিল। তিনটা ছেলের কথা প্রমাণ আছে। চারটা মেয়ের কথা প্রমাণ আছে। আর প্রত্যেকটা সন্তান তার জীবদ্দশায় মারা গেছে। এক ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা বেঁচে ছিলেন। তাও ছয় মাস পরে ইন্তেকাল করেছেন। আর একজন পিতার জীবদ্দশায় প্রত্যেকটা সন্তান মরে যাওয়া।
এটা আপনি কিভাবে নিবেন তার কতটা কষ্ট হয়েছে? কিন্তু যেই ছেলেটা রাসূ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে আপনার এই ছেলেটা নবী হওয়ার মতন ক্ষমতা রাখে। এতটা মর্যাদা তার। কিন্তু কেন নবী করা হয় নাই? যেহেতু রাসূল ছিলেন সর্বশেষ নবী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের সম্মানটাকে রক্ষা করতে গিয়ে আল্লাহ তার কোন ছেলেকে বাঁচিয়ে রাখেনি। যদি বেঁচে থাকতো তাহলে নবী হতো। এটা হচ্ছে নিয়ম। বা আল্লাহ নিয়ম করে রেখেছিলেন। এটা রাসূলকে জানানো হয়েছিল।
সেই ইব্রাহিম যখন ইন্তেকাল করে সম্ভবত কয়েক মাসের ছেলে হয়তো সাত আট মাস অথবা কোন জায়গায় ১২ বা ১৩ মাস এরকম হয়ে গিয়েছিল একবারে ফুটফুটে যখন মৃত্যু মুহূর্তে রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন যখন তার প্রাণ বেরোবে একটা হিচকি উঠে না একটা বাচ্চা যখন খিচুনি দেয় তখন রাস আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি তিনি কেদে দিলেন রাদিয়াল্লাহু তিনি বলেন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইব্রাহিম তার নাম ছিল ইব্রাহিম ইব্রাহিম রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসলে নিয়ে রেখেছেন খাচ্ছিলেন এবং জড়িয়ে রেখেছিলেন তখন ইব্রাহিম তার জীবনের সাথে মান জীবন এবং মৃত্যুর মাঝামাঝিতে ছিলেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহিলাম আমরা দেখতে পেলাম রাস দুই চক্ষরে পানি ঝরতেছে কাদছেন তিনি আব্দুর রহমান বিন আউফ আব্দুর রহমান ইবনে আউফ তিনি বলতেছেন রাসল্লাহ আপনি আল্লাহর রাসূ আপনিও কাদেন একটা মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাসূল্লাহ এটা হচ্ছে দয়া এটা যে কোন পিতার যে কোন মাতার যে কোন মানুষের মধ্যে এই দয়া আছে যে তার নিকট কাউকে হারালে তার
চোখ পানি ঝরবে এটাই বাস্তবতা এটা হচ্ছে রহমা তারপরে রাসূুল্লাহ সলা যে কথাটা বলেছিলেন এটা প্রত্যেকটা মুসলিমকে খেয়াল রাখা উচিত রাসূ বলেছিলেন নিঃসন্দেহে চোখ বেদনা ঝরাবে এবং অন্তর ব্যতীত হবে এটাই হচ্ছে মনুষত্ব তারপরে বলেছেনলা তবে আমার মুখ থেকে আমি এমন কোন বাক্য উচ্চারণ করবো না যেটা আমার রব অসন্তুষ্ট হয়। আমার মুখ থেকে শুধু আমি ওই বাক্যটাই ব্যবহার করব যেটা শুনলে আমার রব সন্তুষ্ট হয়। এটা হচ্ছে আজকের খুতবার মূল বিষয়। একজন মানুষ তার জীবনের যে কোন দুঃখ বেদনা আসুক না কেন সে তার জবান থেকে এমন কোন বাক্য উচ্চারণ করতে পারবে না যেটা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার অসন্তুষ্টির কারণ হবে।
এজন্য আল্লাহ সুবহানাহুতালা ওই পিতা-মাতার প্রতি কত বড় রহমত দেখিয়েছেন। যখন কারো আদর সন্তান যদি মারা যায় কোন মুসলিমের এখন ওই মা ওই পিতা যদি আল্লাহর প্রশংসা করে যে আলহামদুলিল্লাহ যা হয়েছে হয়েছে আল্লাহর নেয়ামত আল্লাহ দিয়েছে আল্লাহ পছন্দ করেছেন নিয়ে গেছে। সে যদি নিজেকে মানে মুখে আলহামদুলিল্লাহ বলতে হবে জরুরি না। কিন্তু তার আচরণে যদি সে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে প্রমাণ করতে পারে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা তার জাযা স্বরূপ আল্লাহ বলেছেন তার জন্য সাথে সাথে জান্নাতে একটা ঘর নির্মাণ করার অর্ডার করা হয় এবং যেই বাড়ির নাম করে দেয়া হয় বাইতুল হামদ প্রশংসার বাড়ি যে আমার বান্দা দুঃখ কষ্টে যখন আমার প্রশংসা করেছে তাকে আমি এই বাড়িটা তার এই ধৈর্য ধারণ করার কারণে তাকে গিফ হিসেবে আল্লাহ করে দেয় আল্লাহ আল্লাহ আমাদেরকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাহিমাহুল্লাহ এই হাদিসটাকে কোট করেছেন যেটা আপনি ১,৩০৩ নাম্বারে পেয়ে যাবেন।
তাহলে আজকে আমাদের মুসলিমদেরকে আমরা কিভাবে শিক্ষা দেব বলেন তো? আপনার চোখের সামনে যখন কেউ মারা যায় আপনি দেখতে পাবেন মহিলারা কি বাক্যগুলো ব্যবহার করে। আপনি কি দেখতে পারেন মানুষের কোন ক্ষয়ক্ষতি হলে সে আল্লাহ সম্পর্কে কি রকম বাজে মন্তব্য করে? ধীকার ওই ব্যক্তিকে যারা মুসলমানের ঘরের সন্তান অথচ আল্লাহকে চিনতে পারেনি। কয়দিন আগেও ভিডিওতে দেখলাম একটা মুসলিম নামের কলঙ্গার মহিলা সে আল্লাহকে ডাইরেক্ট গালি দিচ্ছে। তাহলে আপনি কি মনে করেন? আপনার কি ভয় করা উচিত না? শয়তান তো আপনার আমার সাথে এরকমটা করতে পারে। কিন্তু আপনার আমার অন্তর মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মত কেন হচ্ছে না? আমাদের জবানকে কেন আমরা লাগাম পড়াচ্ছি না।
যেখানে আপনি আল্লাহ সুবহানাহুওতাালার কোন ক্ষতি করতে পারবেন না। বরং আমাদের জবান খারাপ হওয়া মানে নিজেকে বিপদের দিকে ঠেলে দেওয়া। বরং আল্লাহর প্রশংসার মাঝেই আমাদের নাজাত রয়েছে। আল্লাহর নাশুকরির মাঝে কোন নাজাত নাই। এটাকে প্রত্যেকটা মুসলিম কান খাড়া করে নিতে হবে যে আমাদের উচিত আমাদের রবের সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টিটাকে খুব গুরুত্বের সাথে খেয়াল করে চলা। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টিটাকে গুরুত্বকে কতটা দিতে হবে? মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু তালা আনহু যখন ক্ষমতা তখন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহার কাছে একটা চিঠি লেখা হয়েছিল যে আপনি আমাকে সংক্ষিপ্ত কিছু উপদেশ দেন যেটা আমার জন্য অনেক বড় কিছু হবে তখন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটু দুইটা লাইন দুইটা বাক্য শুধু চিঠিতে লিখেছিলেন তিনি লিখেছিলেন রাসূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফাহুল্লাহু মনাতা মনাস তামাসা বিতল্লাহ সালাম আলাইকা বলে সালাম দিয়ে বাক্যটাকে শেষ করে দিয়েছেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেছিলেন কোন ব্যক্তি যদি আল্লাহর সন্তুষ্টিকে খেয়াল রেখে চলে তাতে মানুষ অসন্তুষ্ট হলো কি হলো না সেটাকে সে পরোবাহ করে না সামনে চলে আসেন জায়গা করে দেন এই জায়গাটা তো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা যদি সন্তুষ্ট হন পুরা পৃথিবী যদি আপনার অসন্তুষ্ট হয়ে যায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষের যত চক্রান্ত হোক না কেন, তাদের ক্ষেত্রে আল্লাহ একাই যথেষ্ট। আর যদি কোন ব্যক্তি মানুষকে সন্তুষ্ট করার জন্য, আল্লাহর সন্তুষ্টিকে খেয়াল রাখে না সে মানুষকে সন্তুষ্ট করার জন্য মানুষের মন জয় করার জন্য, আল্লাহর সন্তুষ্টিটাকে তুচ্ছতা ছিল বা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাায়ালার দিকটাকে খেয়ালই করে না।
আমাদের সমাজে কি এমনটা হয় না? আজকে পুরো বিচার বিভাগ যেমন বললাম আজকে পুরো দেশের সিস্টেমটাই হয়ে গেছে এমন মানুষ শুধু মানুষের পা চাটে কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার মর্যাদাকে খেয়ালই করে না আল্লাহর বিধানের কোন তাওয়াক্কাই করে না অথচ রাসূলাম কি বলেছিলেন যদি কোন ব্যক্তি মানুষকে সন্তুষ্ট করার জন্য আল্লাহর অসন্তুষ্টির দিকে চলে যায় তাহলে আল্লাহ তাকে মানুষের দিকে ঠেলে দেয় মানুষের দিকে ঠেলে দেয় আল্লাহ ওর ব্যাপারে আর কোন মানে কর্তৃত্ব দেখান না মানে আল্লাহ তার রব তাকে বিপদে পড়লে আল্লাহ নিজে বাঁচাবেন আল্লাহ তাকে কিয়ামত তের মাঠে মানে সুপারিশের ব্যবস্থা করে দিবেন। কোন কিছু আল্লাহ করবে না। আল্লাহ মানুষের উপরে তাকে ছেড়ে দিবে যে যার সন্তুষ্টির জন্য তুমি এ কাজটা করেছিলা এবং জাটা তুমি তার কাছ থেকে এই হাদিসটি ইমাম তিরমিজী রাহমা্লাহ কোড করেছেন।
২৪১৪ নম্বরে রয়েছে। তার মানে আমি খুতবায় তৃতীয় পয়েন্টটা এখান থেকে ছেড়ে দিচ্ছি। যেহেতু সময় আমাদের পাঁচে চলে যাচ্ছে। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টিটাকে প্রত্যেকটা মানুষের উচিত গুরুত্বের সাথে নেওয়া। আমরা জীবনে আপনি লক্ষ্য করে দেখেন সকাল থেকে সন্ধ্যা আপনি অনেক ভালো ভালো কাজ করতেছেন যেগুলো দিয়ে জান্নাত পাওয়াটা সম্ভব ছিল কিন্তু ওই কাজগুলো আমি আর আপনি দুনিয়ার জন্য করতেছি কোন ব্যক্তির জন্য করতেছি কোন ব্যক্তির স্বার্থের জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাালার সন্তুষ্টির খেয়াল করতেছি না তখন কিন্তু আমরা এই কাজগুলোর বিনিময়ে আমরা জান্নাতটা পেতাম কিন্তু পাচ্ছি না জান্নাতটাকে হারিয়ে দিচ্ছি এজন্য আমাদেরকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ব্যাপারটা নিতে হবে এবং একটা আয়াত শুধু এখানে বলব যে ফায়দাটা কি যারা সব কষেত্রে আল্লাহর সন্তুষ্টিটাকে খেয়াল করে চলে তাদের সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার একটা ফায়দার কথা আপনাকে বলে দিয়ে যদি প্রত্যেকটা আয়াতের মধ্যে সে ফায়দার কথা ছিল একটা আয়াত আপনি নিয়ে নেন সূরা নাজম ৫৩ নাম্বার সূরার ২৬ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেছেন কত
ফেরেশতা আছে যারা কেয়ামতের মাঠে সুপারিশ করার জন্য প্রস্তুত আছে কিন্তু তাদের সুপারিশ কোন ব্যক্তির জন্য কোন উপকারে আসবে না তবে আল্লাহ বলেছেন এই ফেরেশতাদের সুপারিশ ওই ব্যক্তির জন্য কাজে আসবে ইল্লামিল্লাহ তবে আল্লাহ যার জন্য চাইবেন আল্লাহ যার উপরে সন্তুষ্ট একে ক্ষমা করার জন্য এদের জন্য ফেরেশতার সুপারিশ কাজে আসবে রাসূলের সুপারিশ কাজে আসবে মুমিনদের সুপারিশ কাজে আসবে কোন সুপারিশকারী যদি তার পক্ষে না থাকে সর্বশেষ আল্লাহ তাকে নিজের হাতে জাহান্নাম থেকে তুলে নিবে এটা হচ্ছে আল্লাহ যদি কারো উপরে সন্তুষ্ট হন এটা তার মর্যাদা। এজন্য আমাদেরকে উচিত আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার সন্তুষ্টি মূলক কাজ করার প্রত্যয় গ্রহণ করা এবং কোন অবস্থাতে যেন আমাদের নিয়ত যেন খারাপ না হয়।
আমরা যেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার কাছ থেকে মুখ না ফিরাই। এটা হবে আজকের খুতবার মূল বিষয়। এরপরের যে বিষয়টা আসবে সংক্ষিপ্তভাবে বলে দেই। কোন কোন কাজে আপনি আল্লাহর সন্তুষ্টি পাবেন বা কোন কোন কাজে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হয় যা থেকে আমাদের বেঁচে থাকাটা কর্তব্য। সর্বপ্রথম এ পুরা পৃথিবীর মানুষের জন্য এটা সর্বপ্রথমটা লাগবে পুরা পৃথিবীর মানুষের জন্য সেটা হচ্ছে যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির আওতায় আসতে চান তার প্রথম লাগবে তার ঈমান আজকে যারা মুসলিম হয়েছেন এটাকে প্রাউড ফিল করেন নিজেকে মুসলিম অনুধাবন করতে পারতেছেন তাহলে আপনি জেনে নেন আপনি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাায়ালার সন্তুষ্টির কাতারে আছে আল্লাহ আপনার উপর সন্তুষ্ট হবেন যদি আপনি মরা পর্যন্ত এই ইসলামটাকে ধরে রাখতে পারেন এজন্য আমাদের যুবক নতুন জেনারেশনদেরকে আমরা বলব তার মুখকে যেন লাগাম পড়ানো হয়।
তার আচরণে যেন ভদ্রতা আসে। তারা যেন মুসলিম এ কথাটা যেন ভুলে না যায়। আজকে ইহুদি নাসারাদের জীবন দেখে তারা যেন প্রভাবিত না হয়। এ দুনিয়ার চাকচিক্যতা যেন না পড়ে। কোন এমন কোন কর্মে যেন তারা লিপ্ত না হয় যেটাতে তারা মুসলিমত্ব কেটে যাবে। এজন্য প্রত্যেকটা মুসলিমদেরকে এটা মাথায় রাখতে হবে। পুরুষ হোক, মহিলা হোক, ছোট হোক, বড় হোক প্রত্যেককে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার তাওহীদের বিষয়টাকে খেয়াল রাখতে হবে। যাতে তার দ্বারা কোনদিন কোন অবস্থাতে শিরিক না হয়। কোন অবস্থাতে আপনি বেনামাজি হইতে পারবেন না। কারণ কোনদিন কোন বেনামাজির উপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হইতে পারেন না। কষনো না। কারণ আল্লাহ সুবহানাহুতালা কোরআনে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন।
আল্লাহ যদি সন্তুষ্ট হন নামাজদের উপর হবে। মুত্তাকীদের উপরে হবে। এটা বারবার বলা হয়েছে। আমি সে আয়াতগুলো দিকে রিপিট করতেছি না। দ্বিতীয়ত যেই জিনিসটা আল্লাহ সুবহানাহু তাালার সন্তুষ্টি এনে দেবে সেটা হচ্ছে আল্লাহকৃত ফয়সালার উপরে ধৈর্য ধারণ করা। মানে আপনার আমার সাথে আল্লাহ যা করেছেন এটার উপরে ধৈর্য ধারণ করা আমাদের মুখকে লাগাম পড়াইতে হবে অবস্থার উপরে সন্তুষ্ট থাকতে হবে এবং আপনাকে আমাকে আল্লাহ যতটা মেধা দিয়েছে মানুষ নির্বোধ বলুক গালি দেক খোটা দেখ তুচতাছিল করুক কিন্তু আপনার আমার ব্যক্তিত্ব থেকে আল্লাহর প্রশংসা করতে হবে আল্লাহর উপরে সন্তুষ্ট থাকতে হবে আল্লাহ কোনদিন কোন ব্যক্তির নাশুকরের উপরে সন্তুষ্ট থাকেন না যেমন কোরআনে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যদি তোমরা শুকরি কর তোমরা জেনে রাখো আল্লাহ তোমাদের কাছ থেকে অমুখাপেক্ষী আল্লাহ কোনদিন কোন বান্দার নাফরমানিতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন না ডাইরেক্ট বলে দিয়েছেন তার মানে আপনি বেনামাজি তার মানে আপনি হলেন নাশুকরকারী আপনার কোন খেদমত আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে পারবে না কারণ আপনি নাশুকরিকারীদের অন্তর্ভুক্ত এজন্য
রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কি বলেছেন অধিকাংশ মহিলারা জাহান্নামে যাবে সেটা শুধু আল্লাহর নাশুকরি না শুধু একটা ব্যক্তির নাশুকরি করার তার অধীনস্থ যেহেতু তিনি কারো অধীনস্থ তার স্বামী যিনি ঘরের দায়িত্বশীল যেখানে বলা হয়েছে কেন মহিলারা জাহান্নামে যাবে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে অধিকাংশ মহিলারা বলতেছে যে কারণ তারা বেশি লামতান করে কিছু হলেই অভিশাপ দেয় সন্তানকে স্বামীকে আত্মীয়স্বজন যাকে তাকে বেশি অভিশাপ দেয় আর তারা স্বামীর নাশুকরি বেশি করে থাকে এটা খুব এটা বোঝাটা আমাদের খুব টাফ যে কিভাবে সেটা হয়। আমাদের মহিলারা তো মানে ভাবতেই পারে না যে তারা নাশুকরিটা কোথায় করতেছে। আর সবচাইতে বড় ব্যাপার আমরা না হয় মেনে নিলাম যে আমাদের মহিলারা নাশুকরি করে না।
তাদের সবচাইতে বড় নাশুকরি তার রবের সাথে। আল্লাহর নাশুকরি তারা লিপ্ত। তারা নামাজ পড়ে না, পর্দা করে না। ইসলামটাকে বুড় আঙ্গুল দেখিয়েছে। মহিলারা ফ্রিডম লাইফ চায়। এটা কোনদিন হইতে পারে না। আল্লাহ স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন আল্লাহ কোনদিন কোন বান্দার নাশুকরিতে কুফরিতে আল্লাহ কোনদিন সন্তুষ্ট হইতে পারে না। এই মর্মে একটা কথা বলে দেই। এইযে যুদ্ধ যখন শুরু হবে বা হচ্ছে আপনারা মুসলমানের ঘরের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও যখন ইরানপন্থী ইরানের পক্ষ নিয়ে কথা বলেন তখন এটা আমাদের অনেক ব্যথা লাগে।
আপনি কি মনে করেন ইহুদি নাসারা আর আপনি সৌদি আরব যদি ইহুদি নাসারা হয়ে যায় ইরান কি দুধের দোয়া? শিয়ার আপনার ভাই শি আর আপনার পক্ষে একটা হিন্দু দাড়ি টুপিওয়ালা ওই শিখ যাকে চিনেন আপনি কি কোনদিন বলতে পারবেন শিখ কি মুসলমান দাড়ি টুপিওয়ালারা দাড়ি তো অনেক লম্বা লম্বা পাকড়ি পড়ে এরা তো তার চাইতেও খারাপ শিয়া আমাদের সাহাবা কেরামদেরকে গালি দেয় এরা তো মক্কা মদিনাকে পারলে ভেঙ্গে দিবে কি মনে করেন তিনজন বিশিষ্ট সাহাবীকে হত্যা করেছে তো এরাই এরা কি আপনাকে পছন্দ করে আপনি কোনদিন এটা ভাববেন না কোনদিন ভাববেন না এজন্য জেনে রাখেন আল্লাহ যদি আমাদের পাপের কারণে সৌদি আরবের পাপের কারণে যদি না শুধু মানে অসন্তুষ্ট হন তাহলে ইরানের ভালো কাজের উপরে আল্লাহ কোনদিন সন্তুষ্ট হবে না কারণ আমরা হলাম আল্লাহর বান্দা আমাদের ভুল ত্রুটি আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার জন্য আমরা ভুল করতেছি আল্লাহ আমাদেরকে মাফ করবে আমরা ভালো কিছু করলে আল্লাহ আমাদেরকে জাযা দেবে কিন্তু ওরাতো আল্লাহ সুবহানাতাার কোরআনটাকে ঠিকমত মানে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহুলামের হাদিসকে মানে না।
তার মানে ওরা ভালো কিছু করলে ওরা আপনার চাইতে বেটার কিভাবে হয়ে যায়? একটা হিন্দু ভালো কিছু করলে এটা মুসলমানের চাইতে বেটার কিভাবে হয়ে যায়? যদিও মুসলিম চোর হোক। কিন্তু একটা হিন্দু কোনদিন মুসলমানের চাইতে ভালো হইতে পারে। কোনদিন ভালো হতে পারে না। এজন্য সবসময় আল্লাহর বান্দা হওয়ার চেষ্টা করবে যে আল্লাহর বান্দাটাকে আপনি তার পক্ষ নিবেন। আল্লাহ আমাদেরকে হেতাহিত জ্ঞান দান করুন। আমিন। তাহলে আমি যেটা বলেছিলাম যে আমাদেরকে আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে হলে আল্লাহর শুকর গুজার বান্দা হতে হবে। নাশুকরি আপনি করতে পারবেন না। আল্লাহ সুবহানাহুতাালার বান্দা হতে হলে একটা গুরুত্বপূর্ণ হাদিস লম্ব হয়ে যাবে। আমি এটা ছেড়ে দিচ্ছি।
মুখের জবানটাকে লাগান দেন। আপনি কি জানেন আল্লাহ কোন ব্যক্তির মুখের কথার কারণে এত বেশি অসন্তুষ্ট হয় সে জাহান্নামের অতলে যেতেই থাকে। হাদিস শুনেছেন না? একটা বান্দা আছে যে বান্দা এমন একটা কথা বলল ও ভাবতেও পারে নাই। সে ভাবে যে সে কত বড় কথা বলেছে কিন্তু আল্লাহ তার কথার কারণে এত বেশি সন্তুষ্ট হন যে আল্লাহ তার মর্যাদাকে এক ধাপ বাড়িয়ে দেয় আর কত বান্দা আছে মুখ থেকে এমন একটা কথা বলে দিয়েছে আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করার মত হাদিসের ভাষা পর নাই যে এমন কি বলল কিন্তু রাসলাহ বলেছেন স্লিপ করে নিচের দিকে যেতেই থাকবে একবার কেয়ামত পর্যন্ত সে ওখান থেকে আর উঠে আসতে পারবে না।
আল্লাহ প্রথ ব্যক্তির মুখের কথার কারণে এত বেশি অসন্তুষ্ট হয়ে যান। এজন্য আজকের খুতবাটা আমি এখানেই সংক্ষিপ্ত করে দিতে চাচ্ছি। আল্লাহর সন্তুষ্টি কিসে আছে আপনি সেটাকে খেয়াল রাখেন। কোন কোন একটা কথাও ছাড়ার মতো না। চতুর্থ যে বিষয়টা আসতো যে আল্লাহর সন্তুষ্টি অসন্তুষ্টি কিসে আছে জানেন? রাসূল বলেছেন পিতা-মাতার সন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টি রয়েছে। বিশেষ করে বাবার সন্তুষ্টির কথা এখানে আছে। পিতার সন্তুষ্টির সাথে আল্লাহর সন্তুষ্টি নিয়োজিত রয়েছে। কোন ব্যক্তি তার পিতাকে আঘাত করে কথা বলবে, কোন ব্যক্তি তার পিতাকে কষ্ট দেবে তাহলে সে কোনদিন আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে পারবে না। এজন্য এই সমস্ত বিষয়গুলোকে খুব গুরুত্বের সাথে নিবেন। আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার এবং সে অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন।
আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা পছন্দ করেন যে আল্লাহ তোমাদের জন্য কি পছন্দ করেন? কোন কাজে আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন? রাসূল বলেছেন আল্লাহ পছন্দ করেন তোমরা তার ইবাদত করো এবং তার সাথে শিরিক করবা না। এটা আল্লাহ পছন্দ করেন। অপছন্দ কি করেন? আল্লাহ চায় যে তোমরা সবাই মুসলিমরা আল্লাহর রশিটাকে কোরআনটাকে শক্ত করে ধরো। তোমরা বিচতবাদী হও না। এটা আল্লাহ পছন্দ করে। অপছন্দ কি করে? কিলকা ফালতু কথা নিয়ে পড়ে থাকা। কোথায় কি বম্পিং হচ্ছে না কি হচ্ছে এটা একটা ফালতু কথা আপনি আমি কিচ্ছু করতে পারবো না বসে বসে পেচাল করা এটা হচ্ছে কি লোকাল এমন বিষয়ে তর্ক করা আমি ইদানিং বিজনেস পারপাস কত ব্যক্তিদের সাথে গিয়ে মাঝে মাঝে বসি যারা ধর্মীয় কোন বিষয় না বসলেই দেখি তারা পেচালই পারবে শুধু রাজনীতিক টার্মের পেচাল কোথায় কি হচ্ছে এই হচ্ছে সে হচ্ছে তখন এত ধক্কার লাগে নিজেকে যে আমি কেন বসলাম এদের সাথে সেখানে আল্লাহ নিয়ে কোন টপিক নাই টপিক থাকে তাদের খেলা
নিয়ে টপিক থাকে তাদের রাজনীতি নিয়ে টপিক থাকে তাদের এই সমস্ত দুনিয়াবী নাচ গান নিয়ে আমি অবাক হয়ে যাই এদের লাইফটা দিনটা এভাবে সারাদিন কাটে কিন্তু তারা কোনদিন পরতেছে না যে কি কি হচ্ছে তাদের সাথে আল্লাহ এটা অপছন্দ করে কিলো ইসরাইলদের মত একটার পর একটা প্রশ্ন করে যাওয়া মাথার মধ্যে আপনি হয়তো কোন ব্যক্তিকে করতেছেন আল্লাহকে করতেছে এটা হলে কি হতো আল্লাহ যদি এমনটা হতো আল্লাহ যদি আমার এমন স অধিক মাত্রায় নিজেকে প্রশ্নের সম্মুখীন করা আর মাল আর সম্পদকে নষ্ট করা আল্লাহ অপছন্দ করে। আপনি কিভাবে সম্পদকে নষ্ট করেন? যতগুলো সিগারেট খোর আছে জরদাখোর, পানখোর, নেশাখোর, জুয়ারি এরা সব হচ্ছে সম্পদকে নষ্ট করার অন্তর্ভুক্ত।
এমনকি আমরা দেখতে পাই বেশ কিছু টাকা পোড়া জিজ্ঞেস করি পো টাকা নিতে চায় না। বলছে কি বলছে ইয়াবা খায়। সম্পদ নষ্ট করা। এভাবে যত সেক্টর আছে আপনি জেনে নেন এই ব্যক্তির উপরে আল্লাহ কোনদিন সন্তুষ্ট হবেন না যারা সম্পদকে নষ্ট করে সেটা আমাদের রাষ্ট্রীয় নায়করাই হোক একটা সাধারণ ব্যক্তিরাই হোক রাষ্ট্রের নায়করা সম্পদ কিভাবে নষ্ট করে এদের বাপ-দাদার মূর্তি বানিয়ে এমন এমন ভাস্কর্য অযথা নিজের টেন্ডারকে পাশ করার জন্য একটা রাস্তাকে যে রাস্তাটা হয়তো ৫০ বছর টিকত ওই এমন মেটেরিয়ালস দিয়ে বানায় যেটা ১০ বছরও টিকে না এটা সম্পদকে নষ্ট করা এভাবে বহু এঙ্গেলে কথা যাবে আল্লাহ আল্লাহ আমাকে এবং আপনাদেরকে বোঝার তৌফিক দান কর।
আমরা আল্লাহর কাছে ওই বিষয় কামনা করি যেটা আল্লাহ সুবহানাহুতালা আমাদের জন্য পছন্দ করেন। তিনি আমাদের চরিত্র দেখে যেটা পছন্দ করবেন আল্লাহ যেন আমাদেরকে ওই চরিত্রের হওয়ার তৌফিক দান করেন। আমিন। আলামিনহ আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আশরাফি আম্বিয়াও মুরসালিন মুহাম্মাদি। যদিও বহুবার চেষ্টা করেছি যে কথাটাকে সংক্ষিপ্ত করা যায় কিনা কিন্তু সম্ভব না। আর আমি কোন গালগপ করিনি। আর অনেকগুলো হাদিস কোরআনের আয়াতে রেখে দিয়েছি। তারপরও সময় সয়াটা বেজে গেছে। একটা গুরুত্বপূর্ণ হাদিস বাকি থেকে গেছে। সেটা আপনাকে আমি বলাটা জরুরি। সেটা কি জানেন? আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা এবং তার অসন্তুষ্টি থেকে বাঁচা এর জন্য একটা দোয়া আছে। আর আপনি জানেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম তিনি রাতে যখন একা তাহাজ্জুদের নামাজে থাকতেন বিশেষ করে এই দোয়াটা তিনি সেজদায় করতেন।
আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তিনি বলেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি রাস এক রাত্রে হারিয়ে ফেলেছি। খুজতে খুজতে আমার পা হাত গিয়ে তার পায়ে পড়ল আর পা দুইটা ছিল মানসুবা অবস্থা। মানে সেজদা অবস্থায় ছিল। তখন তিনি বললে আমি শুনতেছি তিনি বলতেছেন আল্লাহুম্মা ইন্নি আউবি আল্লাহ আমি তোমার সন্তুষ্টির মাধ্যমে তোমার অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাচ্ছি আশ্রয় চাওয়ার গুরুত্ব যে কি এ সম্পর্কে একটা বক্তব্য আছে কোন ব্যক্তি যদি কোন কিছু থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চায় আল্লাহ যদি সেটা কবুল করে নেয় তার জীবনে কোনদিনটা ঘটবে না তার মানে আপনি যদি আল্লাহর কাছে বারবার আশ্রয় চান আল্লাহুম্মা আমি তোমার অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই আল্লাহ যদি কবুল করে নেয় আপনা আপনার যে কোন কাজে আল্লাহ সন্তুষ্ট হবে না আপনাকে আল্লাহ অসন্তুষ্টমূলক কাজ থেকে বাঁচাবে এটা হতে পারে তারপরে তিনি বলতেন আল্লাহুম্মা আল্লাহ আমি তোমার নিরাপত্তার দ্বারা তোমার পাকরাও থেকে আমি আশ্রয় চাচ্ছি আমি তোমার কাছে তোমার অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাচ্ছি আমরা অপার আল্লাহ তোমার যেমন গুণগান করা উচিত ছিল আমরা ওইভাবে পারছি না।
আমরা হয়তো ওইভাবে পারছি না। আল্লাহ তুমি তো ওইরকম প্রশংসিত যেমন তুমি তোমার প্রশংসা কোরআন হাদিসে করেছ। আমরা আল্লাহ অপারক। রাসূুল্লাহ সলা সেজদাতে এই দোয়াটা করতেন। তার মানে এখানে আল্লাহর সন্তুষ্টি অসন্তুষ্টির ব্যাপার আছে। আমি মনে করি আমাদের প্রত্যেকটা মুসলিমকে আল্লাহর সন্তুষ্টি থেকে খেয়াল রেখে চলা উচিত। আমরা প্রতিনিয়ত আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করার মত বহু কাজে লিপ্ত। আল্লাহর ওয়াস্তে আমাদেরকে সেগুললাকে ছাড়তে হবে। আল্লাহ তুমি আমাকে এবং আমাদের মুসাদেরকে আল্লাহ তৌফিক দান করো। আমিন।