লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: শিরক, মূর্তিপূজা ও কবরপূজার ভয়াবহতা

শিরক, মূর্তিপূজা ও কবরপূজার ভয়াবহতা



প্রশংসামাত্র আল্লাহ সুবহানাহুতালা যিনি বিশ্বজগতের একমাত্র মালিক আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তিনি আমাদের রাজ্জাক তিনি এক ও একক সার্বভৌমত্বের ক্ষমতা একমাত্র তার হাতে তিনি পুরো পৃথিবীর মালিক এবং ইবাদতের হক মাত্র এক মাত্রই তা এর জন্যই তিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। যে কোন অবস্থাতে আমরা থাকি না কেন আমরা তার প্রশংসা করতে বাধ্য। কেননা তিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং রিজিক দিয়ে যাচ্ছেন। এই হেদায়েতের উপরে তিনি আমাদেরকে বাঁচিয়ে রেখেছেন এবং এই পৃথিবীর হাজারো গোমরা মানুষের মাঝে তিনি আমাদেরকে তার বান্দা হিসেবে টিকিয়ে রেখেছেন। তাই আমরা তার প্রশংসা করি। আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ। সালাতু আসসালাম প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি।

                                                           

যার মাধ্যমে আমরা এই কল্যাণকর দিন পেয়েছি। যিনি আমাদের মাঝে একত্বের দাবি নিয়ে এসেছিলেন এবং সেই দিকে আমাদেরকে আহ্বান জানিয়েছেন। এই পৃথিবীর সমস্ত রাসূল আগমনের একটাই উদ্দেশ্য ছিল যে বান্দা কেবল তার মনিবের ইবাদত করবে। বান্দা তার স্রষ্টার দিকে ঝুকবে। এছাড়া সমস্ত কিছুকে অস্বীকার করবে এটাই হচ্ছে তাওহীদ। আর এর জন্যেই তারা এই পৃথিবীতে এসেছিলেন এবং যার ফলে কঠোর মেহনতের মাধ্যমে তারা এই দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করে রেখে গেছেন। আর সেই দ্বীনের উপরে আল্লাহ আমাদেরকে কায়েম রেখেছেন। আমরা সে রাসূলের প্রতি সালাত এবং সালাম পাঠ করি। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহ। আল্লাহুম্মা বারিক আলাই। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তিনি সেই সত্তা যার সম্পর্কে আমাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে যে তিনি এই পৃথিবীর সবকিছুকে একাই সৃষ্টি করেছেন।

                                                           

তার সম্পর্কে আমাদেরকে জানানো হয়েছে তিনি হলেন আল হাইয়ুল কাইয়ুম। তিনি আমাদের রাজ্জাক। এভাবে অসংখ্য গুণের কথা তিনি তার পক্ষ থেকে আমাদেরকে জানিয়েছেন। আর এগুলো এমন একেকটি গুণ যেগুলো পৃথিবীর কোন সৃষ্টির মাঝে কেউ দেখাইতে পারবে না। যা কিছু আমাদের চোখের সামনে আছে আকাশ এবং জমিনের মাঝে আল্লাহ ছাড়া বাকি সবকেই একটা একটা সময় ধ্বংস হতেই হবে। এটাই হচ্ছে তাদের হাকিকত। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তিনি একা হচ্ছেন আল হাইয়ুল কাইয়ুম। যার কারণে এই মর্যাদা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা কোন নবী এবং রাসূলকেও দেয়নি। যে পৃথিবীতে বা সৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পরে আর মরবে না। এই গুণ পৃথিবীর কোন সৃষ্টিকে আল্লাহ দেয়নি।

                                                           

এটা হচ্ছে আল হাইয়ুন কাইয়ুম। তিনি আগেও যেমন ছিলেন আছেন এবং পৃথিবীর কেয়ামত হয়ে যাওয়ার পরেও তিনি স্থায়িত্ব তার আছে এবং থাকবে। এমনটা তিনি আমাদেরকে জানিয়েছেন। এই এমন একটা গুণ যার কারণে তিনি ইবাদতের হক রাখেন। তার আরেকটা গুণ হলো তিনি সৃষ্টি করেছেন। তার মানে সৃষ্টি করার ক্ষমতা আর কারো মাঝে নাই। যদি কারো মাঝে থাকতো তাহলে সেও ইবাদতের হক রাখতো। তারপরে তৃতীয় যে গুণটা সবচাইতে মহৎ সেটা হচ্ছে রিজিক। রিজিক একমাত্র তিনি দান করেন। তিনি ছাড়া কোন ব্যক্তি রিজিকের মালিক না। যদি কেউ রিজিকের মালিক হতো তাহলে সেও ইবাদতের দাবি করতে পারতো। চতুর্থ যে গুণ যে তিনি সবকিছু জানেন।

                                                           

এমনকি অন্তর্যামী পর্যন্ত। এই গুণটা যদি আর কারো থাকতো তাহলে সেও ইবাদতের দাবি করতে পারত। কারণ এটা অনেক বড় বড় গু। পঞ্চম গুণ যেটা সেটা হচ্ছে মালিক হওয়া। পৃথিবীর সবকিছুর মালিক কেউ না। কেউ হয়তো আংশিক কোন কিছুর মালিক হয়েছে। কিন্তু সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা। এভাবে অসংখ্য গুণের কথা তিনি আমাদেরকে জানিয়েছেন। যেমন কোরআনের একটি আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহুতালা তিনি আমাদেরকে বলেন আল্লাহুলিশ তিনি সেই সত্তা। আল্লাহ যিনি সবকিছুকে সৃষ্টি করেছেন এবং সবকছুর কর্মবিধায়কও তিনি। ওকিল মানে কি জানেন? ওকিল মানে হচ্ছে যাকে কোন কাজের দায়িত্বে দিয়ে দেওয়া। যাকে ওকিল বানানো হবে মানে এখন পুরো দায়িত্বটা তার। তিনি যেভাবে এটাকে হ্যান্ডেল করবে সেটাই।

                                                           

তিনি যেভাবে এটাকে পরিচালনা করবে, যেভাবে উপস্থাপনা করবে, যেভাবে এটাকে দেখাশোনা করবে এটা হচ্ছে ওকিলের কাজ। আল্লাহ বলেছেন এই পৃথিবীর প্রত্যেকটা সৃষ্টির পেছনে এবং এই পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করার ব্যাপারে এর উকিলত্ব আমার হাতে আছে। তার মানে আল্লাহ হচ্ছেন এর ওয়াকিল। সার্বভৌমত্বের একচ্ছত্র মালিক যেটাকে আপনি মালিকও বলতে পারেন দায়িত্বশীল বলতে পারেন কর্মবিধায়ক তারপরে আল্লাহ সুবহানাহুতালা তিনি বলেছেন যেমন আমি সৃষ্টি করেছি আল্লাহ বলেছেন এ পৃথিবীতে আপনি তাকালে যা দেখতে পাবেন আপনার নজরে আল্লাহ বলেছেন এগুলো সব হচ্ছে আল্লাহর সৃষ্টি আল্লাহ বলেছেন যেমন আমি সৃষ্টি করেছি এবং প্রত্যেকটা কিছু রিজিকের এটা দায়িত্ব আমারই আল্লাহ আমার উপরে দায়িত্ব কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা ওটা ছিল জুমার ৬২ নাম্বার আয়াত।

                                                           

আর এটা হচ্ছে সূরা হুদ। ১১ নাম্বার সূরার ছয় নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেছেন এই পৃথিবীতে শুধু মানুষ তুমি না বরং এই জমিনের মধ্যে বিচরণ করে এমন যত প্রাণী তোমার নজরে আসুক বা না আসুক এগুলোর প্রত্যেকের রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহ বলছে আমার উপরে। মানে আল্লাহ নিজেই দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছেন। এটা রিজিকের দায়িত্ব। একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা এটা আল্লাহ আকাশ এবং জমির কারো কাছে সোপে দেয়নি যে তুমি রিজিকের দায়িত্ব গ্রহণ কর। বরং এটা এককভাবে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালা মালিক। এভাবে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তিনি আমাদেরকে জানিয়ে জানিয়েছেন তিনি জীবন মৃত্যু এমনকি সবকিছুর মালিক। এগুলো সবই আমরা জানি। এই সবকিছু আমি জানি যেটা আপনারাও জানেন।

                                                           

কিন্তু আজকে এটা বলার পেছনে একটু স্মরণ করিয়ে দিলাম ওই সমস্ত মুসলিম ঘরের সন্তানগুলোকে যারা তাদের রবকে ভুলে গেছে। যারা তাদের রব থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুতালা তিনি ওই মানুষগুলোকে জানাশোনা মানুষগুলোকে ডেকে বলতেছেন ইহ ইনসান তোমার মহিমান্বিত প্রতিপালক থেকে তোমাকে কোন জিনিস বিভ্রান্ত করল কোন জিনিস তোমাকে ধোকায় ফেলে দিয়েছে কে তোমাকে তার মুখ থেকে সরিয়ে দিতে বাধ্য করল কি সেই জিনিসটা এটা আল্লাহ প্রশ্ন করেছেন কোরআনে আমাদের প্রত্যেকে যারা আল্লাহ থেকে বিমুখ তাদেরকে চিন্তা করা উচিত যে কোন জিনিসটি আল্লাহর দিকে ধাবিত হতে আমাকে বাধা প্রাপ্ত করেছে। এটা প্রত্যেকটা ওই কবর মাজার পূজারীদেরকে এটা চিন্তা করা উচিত।

                                                           

সে আল্লাহকে বাদ দিয়ে এই ব্যক্তির মাঝে এমন কি পেয়ে গেল যেটা সে আল্লাহর মাঝে পায়নি। সে এমন কি দিয়েছে তাকে যেটা আল্লাহ তাকে দেয়নি। এটা তাকে ভাবতে হবে। আল্লাহ কোন জিনিসটি তোমার সম্মানিত মহিমান্বিত প্রতিপালক থেকে তোমাকে বিভ্রান্ত করেছে? এটা একটা প্রশ্ন। এর জবাব আল্লাহ কোরআনে দিয়েছেন। কারণ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত প্রত্যেকটা মানুষের ন্যাচার আচরণ কে কোন জাতি কি আচরণ করেছে? কেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা থেকে দূরে সরে গেছে সে কারণগুলো কি? সেগুলো আল্লাহ জানেন। এবং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা কিছু মোটা বা বড় স্পষ্ট কিছু কারণ কোরআন এবং সুন্নাহ দিয়ে আমাদেরকে জানিয়েছেন।

                                                           

সেই কারণগুলো কি? যেগুলোতে মানুষ আল্লাহ থেকে বিভ্রান্ত হয়েছে। সর্বপ্রথম কারণ বা সবথেকে বড় কারণ যেটা পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ সরাসরি আল্লাহকে অস্বীকার করেছে। মানে আল্লাহকে বিশ্বাসী করে নিতে পারেনি। তার মানে এটা হচ্ছে সবথেকে বড় কারণ যে তারা তাদের অন্তরে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসই আনতে পারেনি যে আল্লাহ যে একজন আছেন তিনি স্রষ্টা। তিনি রাজ্জাক, তিনি এবাদতের হকদার। তিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তার এবাদতের জন্য। এই কথাগুলো বিশ্বাস করেনি। এটা হচ্ছে অধিকাংশ মানুষ। সরাসরি আল্লাহকে অস্বীকার করেছে। যাদেরকে আমরা কাফের বলি। এবং কতক ব্যক্তি আছে আল্লাহকে সরাসরি অস্বীকার করেনি। তবে আল্লাহর কোন কোন গুণকে আল্লাহর কোন কোন বিধানকে অস্বীকার করার কারণে তারা কাফের হয়েছে।

                                                           

সব অস্বীকার না। একটা দুইটা হয়তো। কেউ বলেছে যে পুনরুত্থান হবে না। আল্লাহ তাকে কাফের বলে ঘোষণা করেছে। কেউ বলেছেন বিচার দিবস বলতে কিছু নাই। এটা তারা বলেছিল আমরা এখানে হারা হাড্ডি হয়ে যাব। আমাদেরকে আর পুনরুথিত করতে হবে না। তারপরে বলেছিল আল্লাহ একাই মহান রব না। আরো ছোটখাট আছে। এগ তারা বল। তার মানে তারা আল্লাহকে অস্বীকার করেনি। তবে আল্লাহর কোন কোন গুণকে অস্বীকার করেছে। আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা তাদেরকেও কাফের ঘোষণা করেছেন। তাহলে এটা হচ্ছে সবথেকে প্রথম কারণ বিভ্রান্ত হওয়ার যে তারা আল্লাহকে বিশ্বাস করতে পারেনি। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে তারা আল্লাহকে বিশ্বাস তো করেছে এর সংখ্যা কাফেরের চাইতে কম না।

                                                           

তারা কি করেছে? আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছার জন্য মধ্যস্থতা গ্রহণ করেছে। অসাতা যেটাকে বলা হয়। তার মানে তারা সরাসরি আল্লাহকে পাবে না এমনটা তাদের ধারণা। এজন্য আল্লাহ পর্যন্ত পৌছার জন্য, তারা আল্লাহর অলীদের মধ্য থেকে কতক ব্যক্তিকে আল্লাহর মত করে গ্রহণ করেছে। সেটা ব্যক্তি হবে, বস্তু হতে পারে। তাদেরকে মুশরেক বলা হয়। তৃতীয় দল যারা বিভ্রান্ত হয়েছে তারা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার প্রতি ঈমান এনেছে কিন্তু আল্লাহর কোন কোন গুণ কোন কোন ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তারা দেখতে পায় যেমন আল্লাহর একটা গুণ হচ্ছে তিনি আলেমুল গায়েব আল্লাহ একমাত্র তিনি একজন সত্তা যিনি গায়েব জানেন পৃথিবীর কোন সৃষ্টির এ ক্ষমতা নাই কিন্তু কতক মানুষ আছে যারা মনে করে যে নবীগণ গায়েব জানে এবং মনে করে যে তাদের ওলিরাও গায়েব জানে মানে আল্লাহর ওলি যারা তারাও গায়েব জানে এভাবে আল্লাহর কোন কোন গুণ তাদেরকে দিয়ে দিয়েছে যেমন আল্লাহর একটা গুণ হচ্ছে মানে সেজদা পাওয়ার হক মাত্র একমাত্র আল্লাহর।

                                                           

কিন্তু তারা সেটাকে সম্মানসূচক তার কোন বড় ব্যক্তিকে করে থাকে। তো এইভাবে তারা আল্লাহকে মানে এবং অন্যান্য শিরকগুলো হয়তো করে না। কিন্তু একটা দুইটা শিরকের নমুনা তাদের মধ্যে পাওয়া যায়। যাদেরকে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা মুশরিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। চতুর্থ দল যারা বিভ্রান্ত হয়েছে। এরা কাফেরদের চাইতেও নিকৃষ্ট। আপনি বললেন কাফেরের চাইতে নিকৃষ্ট কেউ থাকতে পারে? থাকতে পারে। কাফের হচ্ছে অস্বীকারকারী। মানে ও মাবুদ বলে কাউকে মেনে নেয়নি। মানে ও নত হবে কারো সামনে। আল্লাহর সামনেও নত হয় নাই। আর পৃথিবীর কার সামনেও নত হবে। এটা হচ্ছে কাফেরদের চরিত্র। মানে ওর রব বলতে কেউ নাই। ওর কোন বিধান নাই। ওর ফ্রিডম লাইফ চলে।

                                                           

এই কাফেরদের চাইতেও নিকৃষ্ট হলো যারা একতো আল্লাহকে মানেনি। কিন্তু আল্লাহর স্থলে আল্লাহর সৃষ্টির মধ্য থেকে ব্যক্তি বা বস্তুকে ইলা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এটা খুব সেন্সিটিভ একটা ব্যাপার। আপনি মনে রাইখেন। কাফের হল আল্লাহকে অস্বীকার করা। আর এই জাতিটা আল্লাহকে তো অস্বীকার করেছে। তো আল্লাহর জায়গাটাকে তারা কোন দেব দেবীকে দিয়ে দিয়েছে। ব্যক্তি বস্তুকে বসিয়ে দিয়েছে। হতে পারে সেটা বট গাছ। হতে পারে সেটা গরু, হাতি, ঘোড়া, কোন মানুষ তারা আল্লাহর স্থানে তাদেরকে বসিয়েছে। এরা কাফেরদের চাইতেও নিকৃষ্ট। কারণ কাফেরদের একটা বিবেক হলো তারা যা দেখতে পায় না তা মানে না। তার মানে আল্লাহর অস্তিত্ব তারা খুঁজে পায় না। সেজন্য তাদের অন্তরে বিশ্বাস জন্মেনি।

                                                           

কিন্তু এরা এত নিকৃষ্ট যে কাফেরদের চাইতে এদের অন্তর খারাপ যে মহান স্রষ্টাকে মানতে পারেনি। কিন্তু ওই গুটা ব্যাঙের মধ্যে দেখতে পায়। গরুর মধ্যে দেখতে পায়। বট গাছের মধ্যে ওই গুণ দেখতে পেয়েছেন। তাহলে এই শ্রেণীটা হচ্ছে এই পৃথিবীর সৃষ্টির সবচাইতে নিকৃষ্ট সৃষ্টি। আজকে তাদের সম্পর্কে আলোচনা করা হবে খুতবায়। পঞ্চম যে কারণ আল্লাহ থেকে মানুষকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে সেটা হচ্ছে দুনিয়া এবং সম্পদের মোহ। দুনিয়ার প্রতি যারা ঝুঁকে গেছে তারা হয়তো আল্লাহর সাথে শিরিক করে না। কিন্তু তারা আল্লাহর ইবাদতও করে না শুধু দুনিয়ার চাকচিক্যতায় পড়ে গিয়ে। এবং দুনিয়ার সম্পদের মোহ। এই সম্পদের লোভের কারণে তারা হত্যা করে, জেনা করে, লুটতারাজ করে, যত রকমের অপকর্ম আছে তারা সেটা করে।

                                                           

তাদের কাছে আল্লাহর বিধান পাত্তা পায়নি। কারণ দুনিয়ার মোহ তাদের মধ্যে ঢুকে গেছে। ষষ্ঠ যে বড় কারণ যেটা আল্লাহর কাছ থেকে মানুষকে ধরিয়ে সরিয়ে দিয়েছে সেটা হচ্ছে শাহয়াত। কুপ্রবৃত্তির চাহিদা। বহু মুসলিম আছে শুধুমাত্র এই শাহতের কারণে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত পড়তে পারে না। শাহতের কারণে তারা অসংখ্য মহিলাদের সাথে তাদের সম্পর্ক। শাহওয়াতের কারণে নেশার সাথে তাদের সম্পর্ক শুধু শাহয়াতের কারণে মানে খুব প্রবৃত্তির অনুসরণ সে কাফের না সে মুসলিম সে শিরকও করে না কিন্তু সে আল্লাহর ইবাদত করে না আল্লাহর ধরনা ধরে না আজকে মসজিদে সে আসতে পারেনি শুধু তার শাহয়াতের কারণে সে হয়তো পিকনিকে বা কোন পার্টিতে বা কোন ভ্রমণে সে চলে গেছে এগুলো হচ্ছে মোটা মোটা কারণ যেগুলো মানুষকে আল্লাহর থেকে দূরে সরিয়ে দেয় অসংখ্য কারণ থাকতে পারে তবে এগুলো হচ্ছে শীর্ষস্থানীয় আপনি দেখতে পাবেন এর মধ্যেই পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ ধ্বংস হয়ে গেছে যারা হয় এটা আল্লাহকে অস্বীকার করেছে যারা শিরকের মাধ্যমে ধ্বংস হয়েছে যারা আল্লাহর কোন কোন

                                                           

গুণ কোন কোন ব্যক্তির মধ্যে বস্তুর মধ্যে দেখতে পায় এবং যারা মধ্যস্থতা গ্রহণ করেছে এবং যারা দুনিয়ার লোভে পড়ে গেছে এবং যারা কুপ্রবৃত্তির অনুসরণে লিপ্ত খেলতামশায় লিপ্ত গানবাজনা নিয়ে লিপ্ত তারা আল্লাহর কাছ থেকে দূরে সরে গেছে এগুলো হচ্ছে সব মোটা মোটা কারণ তাহলে আজকে আমাদের আলোচ্য বিষয় হবে চতুর্থ কারণ নিয়ে যেটা হবে এই পৃথিবীর সবচাইতে নিকৃষ্ট সৃষ্টিকে নিয়ে যারা আল্লাহকে অস্বীকার করে আল্লাহর জায়গায় ব্যক্তি বা বস্তুকে গ্রহণ করেছে এই মূর্তি পূজা এবং পুতুল পূজারীদেরকে নিয়ে এটা হবে আজকের আলোচনা এবার আসুন আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা যারা আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালাকে অস্বীকার করেছে ধরেন তাদেরকে বলা হয় কাফের আর যারা আল্লাহকে মানে কিন্তু আল্লাহর কোন না কোন গুণকে কোন কোন ব্যক্তির বস্তুর মধ্যে দেখতে পায় যেমন ধরেন আল্লাহর একটা গুণ হলো সন্তান দেওয়া এই ব্যক্তি মাজারে যায় শুধুমাত্র সন্তান পাওয়ার জন্য যে সে এই মাজারওয়ালা এ ক্ষমতা রাখে যে সে আমার সন্তান দিতে পারে।

                                                           

তাহলে সে আল্লাহর একটা গুণকে একটা ব্যক্তিকে দিয়ে দিল। যেমন সেজদা করে যেটা বললাম আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার এককছত্র মালিকনা যেগুলো আছে তার কোন একটা যদি কেউ কাউকে দিয়ে দেয় কোরআনে তাদেরকে ভাষা বলা হয়েছে মুশরেক। আপনি কথাটাকে আমি কয়েকবার রিপিট করলাম এইজন্য কারণ মুশরেক কোনদিন কাফেরের ঘরে হয় না। মুশরেক হয় মুসলিমের ঘরে। যারা আল্লাহকে মানে তারা হবে মুশরেক। যারা আল্লাহকে মানে না তারা কাফের। এই শব্দটা মনে রাইখেন। এটা একদিকে। এ কাফের হচ্ছে চিরস্থায়ী জাহান্নামী। কিন্তু আল্লাহ ওই মুসলিমদেরকেও ওই একই হুকুম দিয়েছেন। একই হুকুম রেখেছেন যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে মুসলিমের ঘরে জন্ম। কিন্তু আল্লাহর কোন না কোন গুণের সাথে শিরিক করার কারণে আল্লাহ এই মুসলিমকেও মুশরেক নামকরণ করেছেন এবং তার হুকুম কাফেরের সমান রেখেছেন।

                                                           

কাফের চিরস্থায়ী জাহান্নামী। মুশরিকও চিরস্থায়ী জাহান্নাম। পার্থক্যটা কি হলো? আল্লাহকে বিশ্বাস করে কোন পার্থক্য হয়নি। এ আল্লাহকে অস্বীকার করেছে কাফের। সেজন্য চিরস্থায়ী জাহান্নামী। এ আল্লাহকে বিশ্বাস করেও চিরস্থায়ী জাহান্নামী। শুধু শিরিক করার কারণে এবার আপনি বোঝেন শিরিকটা কত মস্ত বড় অপরাধ। শিরিক কত মারাত্মক অপরাধ। যে একটা কাফেরের জীবনের সমস্ত আমল যেমন বরবাদ হয়ে যায়, একজন মুশরিকের সমস্ত আমলও বরবাদ হয়ে যায়। একটা কাফের যেমন চিরস্থায়ী জাহান্নামী একটা মুশরেকও চিরস্থায়ী জাহান্নামী। এ কথাটা ভেঙ্গে ভেঙ্গে আপনাকে বুঝানোর প্রয়োজন এইজন্য কারণ আবারও বলতেছি কাফেরের ঘরে মুশরেক জন্মায় না। মুশরেক জন্মায় মুসলিমের ঘরে। মুনাফেক জন্মায় মুসলিমের ঘরে। এটা আপনি মাথায় রাইখেন। কারণ যারা আল্লাহর জ্ঞান আছে যাদের কাছে।

                                                           

আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার কোরআন আছে যাদের কাছে। যাদের একত্বের জ্ঞান দেওয়া হয়। কিন্তু তারা সেটাকে উপেক্ষা করে তারা ওই শিরকি ধ্যান ধারণায় বিশ্বাসী। এজন্য আপনি এটাকে সতর্কতার সাথে নিবেন। আমার আপনার ঘরের মহিলারা আমার আপনার ঘরের সন্তানগুলো আমি আপনি আল্লাহ সম্পর্কে এরকম মিশ্র ধারণা রাখি কিনা যদি থেকে থাকে সেগুলো দূর করার চেষ্টা করেন। কারণ শিরিক মস্ত বড় অপরাধ। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা চেয়েছেন যে মুসলিমরা যেন কোনভাবে শিরকের মধ্যে না জড়ায়। পৃথিবীর মানুষকে তো সব বাঁচানো সম্ভব না। শয়তান তাদেরকে নিয়ে নিয়েছে। অন্তত মুসলিমদের কারো দ্বারা যেন শিরিক না হয়। এজন্য ইসলামে এত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আপনি জানেন ব্যবস্থা কে কখন নেয়? যেমন আপনার বাড়িটা যাতে ভেঙে না পড়ে যায়।

                                                           

এজন্য আপনি এমন ব্যবস্থা নিয়েছেন, পাইলিং করেছেন, দেয়ালগুলো এত মজবুত করে দিয়েছেন যাতে মাটি ভেঙে সরে না যায়। এটা হচ্ছে ব্যবস্থা। ডিফেন্স সিস্টেম। যেমন রাষ্ট্রের ডিফেন্স সিস্টেম থাকতে হয়। না হলে তো সে অন্য রাষ্ট্র তার উপরে চেপে যাবে। আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা মুসলিমদেরকে শিরিক যেন না করতে পারে। মুশরিক যেন না হয়ে যায়। এজন্য এমন একটা শিক্ষা দিয়েছেন যেখানেই বাড়াবাড়ি হওয়ার সম্ভাবনা আছে সেখানে আল্লাহ সুবহানাতালা বর্ডার করে দিয়েছেন। আর এই ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় ভূমিকা পালন করেছেন আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনি কোন বাড়াবাড়িকে গুরুত্ব দেয়নি। পাত্তা দেয়নি। আচ্ছা একটা মানে সাধারণ একটা কথা বোঝেন তো ছোট থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।

                                                           

একজন সম্মানিত সম্মানিত ব্যক্তি আসলে বা তার সম্মানে ইসলামে দাঁড়ানো জায়েজ না নাজায়েজ? নাজায়েজ। এটা তুচ্ছ একটা বিষয়। একজন ব্যক্তি আসলো তার সম্মানে আমরা দাঁড়ায়ে গেলাম। এটা ইসলামে নাজায়েজ কেন করা হয়েছে? কারণ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা চায় না কোন মানুষের মধ্যে এই বাড়াবাড়ি অতিরঞ্জিত তৈরি হোক। যে কাউকে সম্মানে তারা দাঁড়াবে আবার কারো সম্মানে তারা বসবে। এটা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তিনি তার সম্মানে রেখেছেন। নবীদের জন্য দাঁড়ানোর পারমিশন আল্লাহ সুবহানাতালা দেয়নি। একটা ছোট্ট একটা বিষয় যেটাতে বড় কোন অপরাধ না। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এটা পছন্দ করেননি যে আমার সম্মানে কেউ দাঁড়াবে। রাসূল সাল্লাম নিষেধ করেছেন।

                                                           

কেন? কারণ মানুষকে চেয়েছেন আল্লাহর গোলাম রাখতে। ব্যক্তির গোলাম যেন না হয়। কোন নবী এটা চেষ্টা করেনি। আজকে আমরা হুজুররা যারা একটু ফেমাস হয়ে যায় তারা দেখবেন অন্যের খেদমত পাওয়ার জন্য তোষামত পাওয়ার জন্য অনেক গর্হিত কাজকে তারা এক্সেপ্ট করে কি এক্সেপ্ট করে ওই যে এসে হাত মিলাবে একবারে নত হয়ে দুই হাত দিয়ে মুসাফা করে এটা সালাফি আলেমরা কোনদিন মেনে নাই এনি মেনে নিবেও কারণ মুসাফা হবে একসাথে এবং স্ট্রেট আপনি মাথাকে উঁচু রেখে ওই মুসাফা করার সময় আপনি এভাবে ঝুকবেন একবারে মানে কোন এক মন কারো সামনে আপনি দাঁড়িয়েছেন যে অপরাধ বেয়াদবি হয়ে যাবে এই ধরনের স্থান কোন তৌহীদবাদীর অন্তরে যেন না আসে এজন্য ইসলাম এখানে কঠোর দেয়াল দিয়েছে।

                                                           

এজন্য পায়ে ধরে সালাম করা ইসলামে নিষেধ করা হয়েছে। জায়েজ কেন? কারণ আল্লাহ ছাড়া কারো সামনে মানুষ ঝুকবে এটা আল্লাহ সুবহানাতালা কোনদিন চায়নি। আল্লাহ চেয়েছেন মানুষ কেবল আমার সামনে ঝুকবে। এজন্য একটা বক্তব্যে বলেছিলাম আল্লাহ কেন আমাদের মাথাটাকে উপরে রেখেছেন? পৃথিবীর কোন সৃষ্টি এমনটা করেনি? কেন আমরা হাতে তুলে খাই? আমরা মুখ কেন ওই খাদ্যে লাগাই না? প্লেট তো জমিনে থাকে। আমরা তো প্লেট থেকে তুলে হাতে খাই। এটা হচ্ছে আমাদের সম্মান। আল্লাহ বলেছেন রিজিকের জন্যও যেন কোন ব্যক্তির মাথা তার প্লেটে জমিনে ঝুকতে না হয়। এজন্য আল্লাহ সুবহানাতালা তার মাথাটাকে সবচাইতে উপরে রেখেছেন। এটা হচ্ছে মানুষের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ বলেছেন এজন্য সেজদাটা হচ্ছে আল্লাহর সবচাইতে প্রিয় আমল।

                                                           

কেন? কারণ সেটা আল্লাহর সামনে করা হয়। এজন্য আল্লাহ চেয়েছেন যে মাথা ঝুকলে একমাত্র আমার সামনে ঝুকবে। ইসলাম যে বর্ডারটা দিয়েছেন সেটা হচ্ছে যাতে করে মানুষ মুশরিক না হয়ে যায়। এইজন্য আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা ছবি অঙ্কন করাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। ইসলামে নিষেধ ছবি অঙ্কন করা যাবে না। কেন? আপনি জানেন যারা আর্টিস্ট আর্টম্যান হয় তাদের একটা নিখুত আর্ট দেখলে আপনার অন্তর তার প্রতি ঝুকে যায়। সুবহানাল্লাহ কত হাতের দক্ষতা। তার প্রতি আপনার একটা রেসপেক্ট চলে আসবে। অথচ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা এর প্রতি সবথেকে বেশি রাগান্বিত যে আল্লাহর সৃষ্টির মত করে একটা কিছু বানানোর চেষ্টা করেছে। আল্লাহ বলেছেন যদি ক্ষমতা থাকে তাহলে তুমি আমার মত করে একটা দান তৈরি করে দেখাও তো দেখি।

                                                           

তুমি যে আকলা তুমি এটাকে সৃষ্টি করে দেখাও তো দেখি। এটা আল্লাহ বলেছেন যে তুমি একটা আল্লাহর সৃষ্টির মত একটা সৃষ্টি করে দেখাও। একটা মাছি তৈরি করে দেখাও। আল্লাহ সুবহানাহুতালা তাদের সাথে চ্যালেঞ্জ করেছে। আর কেয়ামতের মাঠে এদেরকে কি যে করা হবে সেই বর্ণনাগুলো আসবে। এবার আসুন আমি আপনাকে দেখাই যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা ইসলামে শিরিক থেকে মুসলিমদেরকে বাঁচানোর জন্য সব ব্যক্তিদের সাথে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উম্মে সালামা তিনি হাবাসার একটা গির্জার মধ্যে কিছু ছবি দেখতে পেয়েছিলেন যেখানে তাদের নবীদের আর্ট করা পিকচার ছিল। যেভাবে ওই যে আমাদের দেশের নেতাগুলার ছবি আর্ট করে না।

                                                           

মোড়ে মোড়ে লাগানো হয়, ব্যানার লাগানো হয়, আর্ট করা হয়। অনেকে ঘরে আর্ট করে নিজের ছবি লাগিয়ে রাখা হয়। এইভাবে এই তাদের গির্জার দেয়ালের মধ্যে তখন তো আর ওই ক্যামেরা ছিল না যে প্রিন্ট করে প্রিন্টার করে যে ছবি লেমনেটিং করে ঝুলিয়ে রাখবে তারা সেটা হাতে আকত তাদের দেয়ালগুলোতে তাদের নবীদের এবং সৎ লোকদের ছবি টাঙ্গানো ছিল উদ্দেশ্য কি ছিল এদেরকে দেখলে তাদের আল্লাহর প্রতি বেশি অন্তর লাগতো যে আমি কি ধরেন কথার কথা আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তালা নাম নিলে এমন কোন কঠোর হৃদয়ের মুসলিম আছে যার অন্তর গলে নাচোখ পানি ঝরে না কারণ আবু বকর ব্যক্তিটাই এমন তার জীবন চরিত্র যে ব্যক্তি পড়বে তার অন্তর নরম হতে বাধ্য মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললাম নাম নিলেই অন্তরে একটা শিউর তৈরি হয়ে যায় এটা হচ্ছে ব্যক্তিত্ব তারা কি করেছিল তাদের নবীদের এই ছবিগুলাকে পর্যায়ক্রমে আট করে করে তাদের কাছে অক্ষত অবস্থায় রেখেছিল তিনি সেটা দেখেছেন যে তাদের গির্জাতে ছবি আছে তখন এসে

                                                           

সেটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামকে জানান রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটা দেখে বললেন ভাষাটা এমন একটা জাতি তাদের কোন সৎ ব্যক্তি যদি মারা যায় আল্লাহর কোন সৎ ব্যক্তি যদি তাদের মধ্য থেকে যে অধিক সৎ হারাম খায় না জেনা করে নাই চুরি করে না জুয়া খেলে না কারোটা মেরে খায় না একবারে সৎ ব্যক্তি তাদের ধর্মের যদি দেখতে পায় তখন তারা কি করত সেই এই ব্যক্তিতা তারা তাদের সেই কবরটাকেই মসজিদের জায়গায় রূপান্তরিত করে নিত। তার মানে সেজদার সামনে সে কবরটা রাখত। তার মানে সেখানে তারা সেজদা করত। কারণ এই ব্যক্তিকে দেখে তারা আল্লাহর দিকে আরো বেশি ঝুকত। যে সে এত ভালো ছিল।

                                                           

তা আমাদেরকে এর মত হইতে হবে। ওর জন্য তারা কবরটা বানাইত এবং সেখানে তারা ইবাদত বন্দেগী করত। আর যেখানে সে ইবাদত করত যেখানে বসত এটা পেয়েছে ওই নূহ আলাইহি সালামের জাতির মূর্তিপূজকের কাছ থেকে ওই একই থিওরি তারা সেখানে ওই জায়গাটাতে রাখতো যেমন আজকে মিম্বরে যদি আমরা কোন সাহাবীকে পেয়ে যাইতাম ধরেন কথার কথা এখন তার চেহারাটা আমাদের সবার জানা কিন্তু সাহাবীকে আমরা হারাইলাম তখন কেউ একটা পরামর্শ দিলো তাহলে সাহাবীর ছবিটা বা মূর্তিটা বানাইয়া এই মেম্বারের উপরে রেখে দেয়া হোক আমরা যখনই মসজিদে আসি তাকে দেখলে আমাদের অন্তর গলে যায় আল্লাহর প্রতি আরো আমাদের ঝুকতে ইচ্ছা করে এটা গ্রহণ করে নিল এমনটাই ছিল তাদের আচরণ রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বলেছেন এই যে অপরাধটা তারা করেছে একটা সৎ ব্যক্তির ছবিতো একেছে দেয়ালের মধ্যে লেখে রেখেছে নেতার একটা ছবি রেখেছে কি অপরাধ করেছে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বলেছেন এরা হল আল্লাহর নজরে সৃষ্টির মধ্যে নিকৃষ্ট সৃষ্টি এটা আল্লাহ কোন কাফেরকে বলে নাই এটা

                                                           

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলাম বলেছেন যারা মূর্তি আকায় যারা ছবি আকায় এবং মূর্তি বানায় সেটা আর্টেস্ট হোক মাটি দিয়ে মূর্তির আকারে হোক যারা এটা করে আল্লাহর রাস বলতেছেন এরা হচ্ছে আল্লাহর নিকট সৃষ্টির নিকৃষ্টতম সৃষ্টি আপনি অপরাধটা বুঝেন এটা কত বড় অপরাধ হতে পারে এটা ইমাম বুখারী এবং মুসলিম কোট করেছেন বুখারীতে আপনি ৪৩৪ এ পেয়ে যাবেন রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাদের সম্পর্কে বলেছেন লানাতুল্লাহ আলা ইয়াহুদারা ইহু এবং খ্রিস্টানদের উপরে আল্লাহর লানত হোক আল্লাহর গজব ইহুদি এবং নাসারাদের উপরে কেন তাদের মুখ্য অপরাধটা কি রাসূ বলেছেন তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মসজিদে রূপান্তর করেছে মানে সেজদার জায়গা হিসেবে গ্রহণ করেছে আর রাস এভাবে লানত কেন করতেন তিনি আমাদেরকে সতর্ক করার জন্য বারবার এ কথাগুলো বলেছেন আর জানেন এটা কখনকার ঘটনা? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেইদিন ইন্তেকাল করবেন সেই দিনের ঘটনা।

                                                           

তিনি চাদর দিয়ে তার মাথা ঢেকে নিচ্ছেন। যখনই ফাফর লাগতেছে আবার চাদরটা সরাচ্ছেন। আর তখন বলতেছেন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আর ওই সময়ের কথা তিনি বলেছিলেন এবং নাসারাদের উপর আল্লাহর লানত হোক তারা তাদের নবীদেরকে ইবাদতের স্থানে পরিণত করেছে। এবং রাস নিজেও বল লাতা ইবনে মারিয়াম তোমরা আমাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে না যেমনটা বাড়াবাড়ি করেছে ঈসা মরিয়ামের ছেলে ঈসার প্রতি ঈসা আলাইহি সালামকে নিয়ে তার জাতি যে বাড়াবাড়িটা করেছে খবরদার তোমরা কিন্তু আমাকে নিয়ে সে বাড়াবাড়িটা করবা না আবদুল্লাহ আমি কিন্তু আল্লাহর বান্দা আমি আল্লাহ নই এটা রাস ঘোষণা করে গেছেন এবং তিনি রাসূুল্লাহ সহ মৃত্যুর পূর্বে আল্লাহর কাছে তিনি দোয়া করে চেয়ে নিয়েছিলেন আল্লাহু আল্লাহ তুমি আমার কবরটাকে এমন এমন এবাদতে গা রুপ দিও না যাতে করে এরবাদত হতে থাকে মাজার যেটা হয় মাজার যেটা হয় রাসুল্লাহ আল্লাহর কাছে দোয়া চেয়ে নিয়ে গিয়েছেন আল্লাহ আমার কবরটা যেন এমন মধ্যম না হয়ে যায় যে যেখানে এসে আমার উম্মত এখানে ইবাদত করবে

                                                           

এমনটা যেন বলা হয় যে কোন কিছুকে একটা কাঠি একটা লাঠি একটা জুতা হতে আপনি জানেন রাসের জোতাটাকে এক জাতি ওসান বানিয়েছে জুতার জোতা তো পায় নাই কি পেয়েছে জোতার একটা কাল্পনিক নকশা আপনি দেখবেন ফাজল আমলের বইয়ের পলটে এখানে দেখতে পাবেন এটা ফাজল আমলের নকশা এখানে নালায়ন শরীফের নকশা আছে ফাজল আমলের মধ্যে এবং আপনি আমি বহু ঘরে দেখেছি তারা তাবলীগ করে তাদের অনেকের ঘরের আলমারিতে আমি সে ডিজাইন দেখেছি জুতার নকশা বরকতের জন্য তারা বলেছে এই জুতার নকশা ওযে ১২ চান্দের যে খুতবা আছে না প্রত্যেকটা বাংলার মেম্বারের মধ্যে সে বই আছে। আপনি দেখতে পাবেন ওই ১২ চান্দের খুতবার শেষ পৃষ্ঠায় এই নালাইন শরীফের মোবারকের জুতার ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে।

                                                           

যে কোন ব্যক্তি যদি মহাব্বতের সাথে চুমকায় মাথায় রাখায় তার যে কোন বালা মুসিবত দূর হয়ে যাবে। জুতার পূজা শিখানো হয়েছে। অথচ রাসূ বলেছেন আল্লাহ তুমি আমার কবরটাকে এমন পরিণত করো না যেই জিনিসের পূজা করা হয়। আপনি জানেন যে ক্রুস ক্রুস এটা কোন মূর্তি না কিন্তু এটাকে মূর্তি কেন বলা হয়েছে কার রাসূ বলেছেন এটা মূর্তি শুধু আকৃতি থাকলেই হবে না এই স্থানগুলো মূর্তি হইতে পারে মানে একটা পাথর যেমন শিবলিঙ্গের মাথাটা হিন্দুরা পূজা করে না এটা কি মূর্তি এটা তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে যে অসান কি আর সানাম কি সানাম মানে হচ্ছে মূর্তি যেটা একবারে ডাইরেক্ট দুর্গা সরস্বতী কালী এগুলো হচ্ছে সানাম মানে মূর্তি আর অসান হচ্ছে শিবলিঙ্গের মাথাটা এটা পাথর জাস্ট কিছু না কিন্তু এটাকে দেবতা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে আজকেও যদি মুসলিমদের কোন ঘরে যেমন শিয়ারা ওদের একটা চারা আছে মাটির চারা জানেন কারবালার মাটি দিয়ে বানানো যারা পয়সাও বানায় নাই আর বাকিরা কাঠ টিস্যু যা

                                                           

খুশি তা লগে সাথে নিয়ে ঘুরে এই শিয়া খারেজিরা রাফিরা তারা এই জমিনে সেজদা করে না তারা মনে করে পুরা পৃথিবীর মাটি নাপাক শুধুমাত্র কারবালার মাটি পাক বোঝেন ওই যাদের দাড়িওয়ালা একটা দেখে ওই খমিনিকে কে দেখে যার অন্তর গলে যায় মনে হচ্ছে সে ইসলামিক লিডার আর সেতো কুফফারদের লিডার শিয়ার মধ্যে আর ইহুদদের মধ্যে কোন পার্থক্য না পার্থক্য আছে নাকি এতো খালাতো ভাই ইহুদিদের খালাতো ভাই আর এদের মধ্য থেকে দাজ্জাল বের হবে এদের ওই ৭০ হাজার অনুসারী হবে এদের খোরাসান একটা শহরই আছে দাজ্জালের শহর যেখান থেকে বহু ইহুদি এখনো বাস করে সে সেখানে বোম মারতে পারে না আর মুসলিমদের রাষ্ট্রগুলো চোখে দেখে মানে মানুষের সাথে ধর্মকে নিয়ে যেমন আমাদের দেশের হুজুররা খেলে এ রাজনীতিকবিদরা এভাবে মুসলিমদের রাষ্ট্রের সাথে খেলতে আল্লাহ এদেরকে হেদায়েত দান করুন আল্লাহ আমাদের মুসলিম জাতিকে হেদায়েত দান করুন যারা সত্য মিথ্যার পার্থক্য বোঝে নাতো রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে তাদের উপর আল্লাহ রাসটা

                                                           

বারবার বলতেছিলেন যাতে আমাদেরকে সতর্ক করতে পারেন এইজন্য আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তিনি আরেকটা তথ্য আমাদেরকে দিয়েছেন তিনি কি বলেছেন জানেন যদি এমন বিষয় না হতো যে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলামের কবরকে কেউ সেজদা করবে নাযদি মুসলিম উম্মা তাওহীদের উপর এতটা অটুট থাকতো যদি ভয়টা আমাদের না থাকতো তাহলে রাসূের কবরটাকেও সাধারণ কবরের মত খোলা রেখে দেওয়া হ তার মানে এটা রাস কবর সাহাবীদের যুগ থেকে দেয়াল দেয় ঘেরা তার মানে এটাকে তখন থেকে সংরক্ষণ করা হয়েছে কেন যাতে করে তার কবরকে নিয়ে কেউ বাড়াবাড়ি করতে না পারে কবরে যেন কেউ সেজদা করতে না পারে কবরে যেন কোন আগরবাত্তি মোমবাত্তি ঝরাইতে না পারে কবরকে কেউ তাওয়াফ করতে না পারে এটা এটা সাহাবীদের যুগ থেকেই তার দোয়া এটা রাসূলের দোয়া যে রাসূল বলেছেন না আল্লাহ তুমি আমার কবরটাকে এমন বস্তুতে পরিণত করো না যেটার ইবাদত হবে আল্লাহ কবুল করেছেন এজন্য আজও পর্যন্ত পুরা পৃথিবীর মধ্যে শিরকের আস্তা না ভরা কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

                                                           

এর কবর আজও পর্যন্ত সুরক্ষিত অবস্থায় আছে আপনি যান সেখানে আপনি গিয়ে কবরের দিকে ঘুরে দোয়া করতে লাগেন দেখেন সেখানকার গার্ড আপনাকে ঘুরিয়ে দিবে আলহামদুলিল্লাহ এই এখন পর্যন্ত এই বাদশার পক্ষ থেকে এই সিস্টেমটা রাখা হয়েছে যতদিন আল্লাহ চায় এটা বহাল থাকবে তো আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা তিনি বলেন মুসলিমদের শিরকের ধারণা যদি না থাকতো তাহলে রাসমের কবরটাকেও সাধারণ কবরের মত খুলে দেওয়া হতো। খাশিয়া আমাদের ভয় হয়েছে যে এই জাতি রাসের কবরটাকেও সেজদায় রূপান্তরিত করবে। এটা ইমাম বুখারী এবং মুসলিম কোড করেছেন ৪৪৪১ আপনি পেয়ে যাবেন যে এইজন্য কবরটাকে ঘিরে দেওয়া হয়েছে উন্মুক্ত ছেড়ে দেওয়া হয়নি। এই যে যে কথাগুলো আমি আপনাকে বললাম সেটা কেন? মানে আমি আপনাকে বোঝাতে চেয়েছি ইসলাম শিরকের রাস্তাটাকে কিভাবে বন্ধ করেছে যাতে মুসলিমদের অন্তরে শিরিক জন্মাইতে না পারে।

                                                           

মুসলিমদের বাচ্চারা ছবি অঙ্কন করবে কোন প্রাণীর ছবি ইসলামে এটা কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। কেন? যাতে করে ভবিষ্যতে গিয়ে পুতুল পূজারী না হয়ে যায়। এটা খুব সেনসিটিভ একটা ব্যাপার। আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা বলেছেন এই পৃথিবীতে যারা আল্লাহকে মানতো মক্কার মুশরিকদের কথাই ধরে নেন আপনি জানেন ওরা লাতজামানাতকে দেবতা মনে করত নাকি দেবতার পৌছানোর মাধ্যম মনে করত তারা যদি দেবতাই মনে করতো তাহলে বায়তুল্লাহটাকে ভেঙ্গে দিত কিন্তু তারা বায়তুল্লাহ এটা কার ঘর মনে করত আল্লাহর ঘর মনে করত রাসূ সালামের বাবার নাম কি ছিল আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহ মানে কি আল্লাহর বান্দা তার মানে তারা আল্লাহকে চিনত এ মক্কার মুশরিকরা ৩৬০ টা মূর্তি নিয়ে বেঁচেছিল।

                                                           

তারপর তারা আল্লাহকে চিনত। আল্লাহকে মানত বড় আর এগুলোকে মানত ছোট এবং তারা মনে করত এর মাধ্যমে আল্লাহ পর্যন্ত পৌছবে। আর এটা আমাদের বানানো কথা না। এটা কারণ অন্তরের খবর কে জানে? আল্লাহ জানে। মক্কার মুশরিকদের অন্তরে যে এই বিশ্বাসটা ছিল এই তথ্য কে দিবে আমাদেরকে? আল্লাহ দিবে। কারণ অন্তরের খবর তিনি জানেন। আর তিনি কোরআনে আমাদেরকে জানিয়েছেন এই মক্কার মুশরিকরা তারা কি লালন করে অন্তরে। কেন তারা মূর্তিকে ছাড়তে চায় না রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললামটা জানানো হয়েছে যে আপনি জেনে নেন ওরা কি বলে যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যকে দেবতাকে হিসেবে গ্রহণ করেছে তাদের উক্তি হল আমরাদের ইবাদত করি না আমরা এদের কাছে যে ধরনা ধরি এসে ধ্যান করি এদের সামনে যে বসি এটা শুধু করি এইজন্য এরা আমাদেরকে আল্লাহ পর্যন্ত পৌছে তাহলে মক্কার মুশরিকরা যারা আল্লাহকে চিনত তারা মূর্তিকে শুধু আল্লাহর পর্যন্ত পৌঁছানোর মাধ্যম মনে করেছিল যার ফলে আল্লাহ এদেরকে মুশরিক বলেছে যেমন আজও কিছু কবর মাজার পূজারীরা আছে শাহজালাল শাহপর আটরশি মাইজভান্ডারী যতগুলা এই পীরগুলা আছে তাদের কাছে ধন্যা কেন ধরে আল্লাহ পর্যন্ত পৌছার জন্য বুঝেন এই একই থিওরিটা মক্কার মুশরিকদের ছিল তার মানে এরা হল মুশরিক তার মানে এর হুকুম হবে কাফেরদের মত এই যে কথাগুলো আমি আপনাকে বলতেছি তার মানে তারা আল্লাহকে অস্বীকার করেনি।

                                                           

বরং আল্লাহকে স্বীকার করে তারপরে মুহূর্তে পূজা করতো। আর এখন আমাদের আলোচনা হচ্ছে যদি বুঝে থাকেন এটা যদি এত কঠোরতা হয়ে থাকে কারণ আল্লাহ বলেছেন আল্লাহ কোন মুশরিককে ক্ষমা করবে না বর্তমান যে পুতুল পূজারীরা আছে তারা রাসূ সালামের যুগের পুতুল পূজারীদের সাথে এবং নূহ আলাইহি সালামের জাতির পুতুল পূজারীর সাথে একটা অংশে মিল আছে নূহ আলাইহিস সালামের জাতির পুতুল পূজারীরা প্রথম দল তারা এটাকে মাবুদ বানায় নাই এটা ইমাম বুখারী রাহমাুল্লাহ আব্দুল ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদিস কোট করেছেন যেটা আপনি সূরা ন ৭১ নাম্বার সূরার ২০ ২১ ২২ ওই আয়াতগুলোর তাফসীরে পেয়ে যাবেন যেখানে বলা হয়েছে পাচটা যে দেবতার নাম আছে আয়াতের তাফসীরে গেলে পেয়ে যাবেন আবদুল ইবনে আব্বাস বলতেছেন তাদের মাঝে প্রথম যখন মূর্তি পূজা পুতুল পূজা শুরু হয় তখন তারা বল যে তোমরা এবাদত করে কি সেই মজা পাও তোমাদের নবী যখন বেচে ছিল আদম সলাম যখন বেচে ছিল তার ছেলেগুলা সৎ ছিল তারা যখন

                                                           

বেঁচে ছিল না বলতেছে ওই মজা পাই না আমরা কি মনে করেন না রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাহাম তিনি বলতেছেন যেদিন রাস ইন্তেকাল করেছেন তারপর আমরা মনে হচ্ছে যে আমাদের সব স্বাদ নষ্ট হয়ে গেছে তারা ওই ফিল পাচ্ছে না রাসলামের সামনে বরং একজন সাহাবী তো রাসূকে কথা বলেছিল ইয়া রাসূল্লাহ আমরা মুনাফিক হয়ে গেছি বলছে কি হয়েছে বলছে যখন আপনার মজলিসে থাকি তখন আমরা যেন স্বচক্ষে জান্নাত জাহান্নাম দেখতে পাই যখনই আপনার মজলিস থেকে উঠে যাই একটু দুনিয়ার ব্যস্ততার মধ্যে পড়ে যাই তখন আমরা সবকিছু আবার ভুলতে শুরু মুনাফিক হয়ে গেছি তখন রাসূ বলেছেন এটাই তো ঈমান ঈমানের জায়গায় আসলে ঈমান বাড়বে মসজিদে আসলে ঈমান বাড়বে এটাই হচ্ছে ঈমান মসজিদে যার আসলে ঈমান না বাড়ে তাহলে তার মধ্যে ঈমানই নাই কোরআন পড়লে যদি ঈমান না বাড়ে তার মধ্যে ঈমান নাই খারাপ জায়গায় গেলে ঈমান লেজ হয়ে যাবে এটাই সত্য এটা হচ্ছে ঈমান রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সলামকে দেখে তারা এটা বলেছিল।

                                                           

ওই জাতিও বলেছিল যে হ্যা তাদেরকে পেলে আমরা তো ভালো ইবাদত করতে পারতাম। তখন শয়তান প্রথম বলেছিল একটা কাজ করলে কেমন হয়? এদের মত করে একটা আকৃতি বানায়া সামনে রাখো। তাদেরকে এদের দেখলে মনে লাগবে ভালো লাগবে। তারা সেটা গ্রহণ করল। আইডিয়াটাতো খারাপ না। ভালোই। যেমন আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো করেছে। তাদের প্রত্যেক অফিসে তাদের বড় নেতার ছবি। কেন লাগায়? যে একে দেখলে তোমাদের জাজবা মনে পড়বে। জাতীয়তা বোধ কি বলে চেতনা চেতনা জাগবে তোমাদের একে দেখলে তার রাষ্ট্রের জন্য সে কি করেছে এই চেতনার দোহাই দিয়ে এ বড় বড় নেতাদের ছবি লাগায় তার মানে ওই ধর্মের দৃষ্টিকোণ থেকেও তাদের মধ্যে একটা চেতনা ঢুকায় দেওয়া হয়েছিল যে এই আল্লাহর ওলিকে দেখলে ইবাদতে মন লাগবে এই জেনারেশন চলে গেল দ্বিতীয় জেনারেশনের কাছে আসছে বলতেছে এরা কারা কি করো তো বলতেছে এরা কারা আমরা জানিনা আমাদের বাপ দাদাদেরকে দেখছি এদের সামনে বসতে ধ্যান করতে ওই ডালিম গাছের নিচে বসতে বোঝেন না ওই

                                                           

দেওবন্দের আকিদাওয়ালাদের কাছে ডালিম গাছ আছে জানেন যে ডালিম গাছের নিচে নাকি বসে ওই দেওবন্দের নকশা আঁকা হয়েছিল ওখানে নাকি রাস এসে বসেছিল তো যাই হোক এজন্য কোন তাদের পড়া যদি বুঝতে না পারে ওই ডালিম গাছের নিচে নাকি শিক্ষকরা বলেছে এরকম যে ওই ডালিম গাছের নিচে গিয়ে ধ্যান করো দেখ তোমার মাসলা হাল হয়ে যাবে বোঝেন এই ডালিম গাছের পূজারী এজন্য ওমর রাদিয়াল্লাহু তালা যুগে সম্ভবত যে জাতে আনোয়া যে গাছ মুসা আলাইহি সালামের জাতি বলেছিল রাসূলামের যুগে এরকম একটা গাছ ছিল যেখানে বায়াতে রেদান মানে আকাবার যে বায়াত দেওয়া হয়েছিল সেটা গাছ ছিল। এ গাছটা কিন্তু পরবর্তীতে কেটে দেওয়া হয়েছে।

                                                           

তাহলে গাছের পূজা হতো এ হিন্দুদের মত। বড় গাছ দেখলে দেবতা মনে করে। এ মুসলমানদের মধ্যে চরিত্র ঢুকে গেছে। এজন্য বিভিন্ন গাছের পূজায় তারা লিপ্ত হয়। তো যাই হোক পরবর্তীতে শয়তান এসে বলতেছে তোমরা তো মূর্খ। তোমাদের বাপ-দাদারা সরাসরি এর কাছেই চাইতো। তখন থেকে পুতুল পূজা আল্লাহর এগেনেস্টে তখন তারা সরাসরি পুতুলদেরকে ওই ব্যক্তিদেরকে ও নবীদের সন্তানদেরকে তারা মাবুদ বানিয়ে নিল তারপরে আল্লাহ তাদেরকে সতর্ক করার জন্য নূহ আলাইহিস সালামের কাছে নূহ আলাইহি সালামকে পাঠালেন আমি যদিও চেয়েছিলাম একবার শেষ পর্যন্ত যেতে পারব না এখানে আমি মূল বিষয়টা বলি এই জাতি যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে আল্লাহর জায়গায় কোন ব্যক্তিকে গ্রহণ করে নিয়েছে কালী দুর্গা সরস্বতীকে গ্রহণ করে নিয়েছে রাম নারায়ণকে গ্রহণ করে নিয়েছে আমি যতটুকু ওদের ইতিহাস পড়িনি যতটুক মাঝে মাঝে শুনি শেখ মুহূর্তে একটা কথা বলেছিল রামের স্ত্রী ভাগায় নিছে রামায়ণ রামায়ণ হচ্ছে লম্প হিসাবে কারণ রামের স্ত্রীকে নিয়ে গেছে কিন্তু একদল এটাকে শক্তিশালী দেবতা হিসেবে গ্রহণ করেছে রামের ভক্তরা রামায়ণকে ঘৃণা করে রামায়ণের ভক্তরা রামকে ঘৃণা করে বোঝেন তার মানে এই যেগুলো ব্যক্তি কৃষ্ণ শুনেছি মহিলারা গোসল করত তার কাপড় তুলে নিয়ে নাকি সে গাছে উঠে যেত বুঝছেন এই কৃষ্ণ সম্পর্কে বলা হয়েছে তো যাই হোক আমরা তাদের দেব দেবতাদেরকে এগুলাকে মানে বলবো না।

                                                           

কারণ তাদের পুরোহিত যারা হিন্দু পন্ডিতরা বলতেছে ওদের ধর্মে পুতুল পূজা নাই। কিন্তু কারা করে? এই আমাদের মুসলিম সমাজের মধ্যে কবর মাজার পূজারীরা যেটা করে ওদের মধ্যে এই দল আছে। যারা পুতুলের পূজা করে এবং পুতুল পূজাটাকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছে। যেটাকে আমরা ইসকন বলি বা যেটাই বলি না কেন একটা সংগঠন আছে যারা এই পৃথিবীতে পুতুল পূজাটাকে টিকিয়ে রাখতে চাচ্ছে। তারা একটা গ্রুপ। তো নূহ আলাইহিস সালামের এই জাতি পরবর্তীতে যত পুতুল পূজারী পৃথিবীতে এসেছে আমার ইচ্ছা ছিল যে তাদের নিকৃষ্টটা তুলে ধরা। তারা আল্লাহকে অস্বীকার করেছে। মক্কার মুশরিকরা আল্লাহকে অস্বীকার করেনি। আল্লাহকে স্বীকার করে পুতুল পূজা করতো। আর যাদেরকে মুশরেক বলা হয়েছে।

                                                           

আর এই পুতুল পূজারীরা সরাসরি আল্লাহকে অস্বীকার করেছে। আল্লাহ বলে তারা কাউকে চিনে না। তারা সরাসরি দুর্গাকে দেবতা হিসেবে গ্রহণ করেছে। রাম নারায়ণকে দেবতা হিসেবে গ্রহণ করেছে। এদেরকে আল্লাহ হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে। যেমন খ্রিস্টানরা ঈসা আলাইহিস সালামকে দেবতা হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে। ইহুদিরা উজাইর আলাইহিস সালামকে দেবতা হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে। এই যে ব্যক্তি এবং বস্তুর পূজারীরা আছে এরা কতটা মারাত্মক এটা একটু আপনাকে তুলে ধরতে চেয়েছি। আপনি জানেন পৃথিবীর সমস্ত রাসূলের মান এক না। নবীদের চেয়ে রাসূলের মান বেশি। রাসূলদের মধ্য থেকেও একেকজন রাসূল একেকজনের চাইতে শ্রেষ্ঠ। আর পাঁচজন রাসূলকে আল্লাহ সবার থেকে আলাদা করেছেন। তাদেরকে বলা হয় আজমিনার তারা হচ্ছে সুধীর প্রত্যয়কৃত রাসূ।

                                                           

তার মানে তাদের মতন ধৈর্য পৃথিবীর আর কেউ রাখেও নাই রাখতেও পারবে না। তারা হচ্ছেন সুধীর রাসূ। মানে আল্লাহর দনের উপরে টিকে থাকা। তাদের উপরে এত ঝরঝাপটা গেছে পৃথিবীর আর কোন ব্যক্তির উপর এত ঝরঝাপটা যায়নি নূহ আলাইহিস সালাম নূহ আলাইহিস সালামের মতন ব্যক্তি তার কতটা ধৈর্য ধারণ থাকলে সাড়েনশত বছর তিনি একটা জাতির মাঝে শুধু দাওয়াত দিয়েছেন লাইলা দিনে এবং রাতে কিসের বিরুদ্ধে এই পুতুল পূজারীদের বিরুদ্ধে যেগুলোকে তোমরা ছাড় আল্লাহর প্রতি ঈমান আনো কিন্তু তার প্রতি ঈমান কেউ আনেনি সড়েশ বছর আপনি কি মনে করেন এই পুতুল পূজারীর অন্তর কতটা খারাপ হলে ৯০ বছর দাওয়াত গ্রহণ করে তারপরে এ পুতুল পূজারীরা তাহলে নূহ আলাইহিস সালাম হচ্ছেন ধৈর্যশীল একজন রাসূল ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম তার ঘটনা তো জানেন নিজের পিতা এ পুতুল পূজারী হওয়ার কারণে নিজের পিতা পুতুলের প্রতি এতটা মহব্বত মূর্তির প্রতি নিজের সন্তানকে আগুনে জ্বালিয়ে দিতে প্রস্তুত হয়েছে এবং করেছে কিন্তু পারেনি মূসা আলাইহিস সালামের ঘটনা তো তাই

                                                           

রয়েছে এই ব্যক্তির পূজারীরা ফেরাউনের পূজারীরা তাকে হত্যা করতে চেয়েছে পারেনি ঈসা আলাইহিস সালামের ক্ষেত্রে তাই ঘটেছে এবং সর্বশেষ আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম এ পুতুল পূজারীদের মাঝে তিনিও এসেছিলেন এবং তাকেও হত্যা করতে ১২টা গোত্রের ১২ জন যুবককে নিয়োগ করা হয়েছিল পারেনি তারপরে কত যুদ্ধ করেছে বিষ খাইয়েছে ইহুদিদের পক্ষ থেকে পাথর মেরে দিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল গামছা পেচিয়ে ধরেছে কোনভাবে তাকে হত্যা করতে পারেনি আল্লাহ তাকে রাতারাতি মদিনায় হিজরত করালেন এবং শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তাকে টিকিয়ে রাখলেন কারা তারা ঘোড়াতে হচ্ছে পুতুল পূজারী যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে সরাসরি পুতুলদেরকে মাবুদ বানিয়েছে দেবতার পূজারী তারা এতটা হিংস্র আপনি জানেন এই রাস সমস্ত রাসূলদের মধ্যে তাদের অন্তর হচ্ছে সবচাইতে নরম সবচাইতে নরম যাকে মেরে দিতে চাওয়া হয়েছিল সে ক্ষমতায় আসার পরে তাকে ওই কাফেরদের সামনে নিয়ে আসা হয়েছে তিনি বলেছেন যে আজকে তোমাদের প্রতি কোন তিরস্কার করতেছি না মুসলিম হয়ে গেলে নিরাপত্তা পেয়ে যাইবা কাবা ঘরে ঢুকলে নিরাপত্তা পেয়ে যাইবা আর যদি এই অঞ্চল ছেড়ে দিতে চাও ছেড়ে দাও আজকে আমি তোমার প্রতিশোধ নেব।

                                                           

তিনি হচ্ছেন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম। কিন্তু তাকে হত্যা করতে চেয়েছিল পুতুল পূজারীরা। আমি জাস্ট আপনাকে বোঝাতে চেয়েছি পুতুলের পূজা যারা করে তারা কতটা অজ্ঞ এবং কতটা হিংস্র হইতে পারে যে তাদের কাছে কোন মানুষের রক্ত নিরাপদ না। বর্তমান পুতুল পূজারীদের ঘটনা বলি আপনাকে। গরুকে তারা মা বলে। এই গরুকে জবা করার কারণে আ এখানে একটা আমি একটা কথা বলি। একটা ছেলে ধরেন আপনার ঘরের একটা ছেলে একটা তেলাপোকাকে একটা পোকাকে একটা মশাকে মারতে ভয় পায়। মশাকে মারতে ভয় পায় এবং ওর দয়া চলে আসে। একটা পাখিকেও দয়া করে। ওর দ্বারা কোনদিন মানুষ হত্যা করা সম্ভব। এটা হচ্ছে ন্যাচার মানে এটা মানে থিওরি এটাই বলে।

                                                           

যেই ব্যক্তি একটা মূষা মারে না দয়ায় ও একটা মানুষ কিভাবে মারবে? এটা ন্যাচার হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আপনি হিন্দুদের এই মূর্তি পূজারীদের মানে মেন্টালিটি চিন্তা করেছেন? এরা গরুকে বলতেছে মা এটার মধ্যে প্রাণ আছে। আচ্ছা এটাকে যদি জবা করে দেয় মুসলিমরা করেছে তাদের ধর্ম অনুযায়ী কিন্তু ও এই গরুকে গরুকে কেন্দ্র করে ও মুসলিম নামের মানুষটাকে জবাই করে দেয়। আপনি বোঝেন বিষয়টা? তার মানে আমি বুঝাতে চেয়েছি পুতুলের পূজারী যারা তাদের অন্তরটা কতটা খারাপ এবং কতটা হিংস্র হতে পারে যে তারা অসংখ্য নবীকে হত্যা করতে চেয়েছে এবং আপনাকে আমাকে পেলে তারা ছাড়বে না। এই কথাগুলো আপনারা জানেন। কিন্তু কেন আমি বললাম আমাদের কিছু দাড়ি টুপিওয়ালাদের জন্য।

                                                           

এই নিকৃষ্ট জাতিটা মুসলমানের ঘরের সন্তান হুজুরের বেশধারী জামাত দল করে নাকি তারা বা যে কোন দলেরই হোক না কেন এত নিকৃষ্ট এরা মুসলিমের ঘরের সন্তান মুসলিম লিডারের রূপ সাজছে আর তারা গিয়ে মূর্তি পূজা উদ্বোধন করে দেয় বোঝেন কথা তারা গিয়ে মূর্তি পাহারা দেয় আর তারা বলে এই ক্ষমতা নাকি আসছে মূর্তি পূজারীদের সাপোর্টের কারণে আবার তারা বলে যে আপনাদেরকে নিয়ে আমরা টিকে থাকব আপনি কোথায় গিয়ে কথাটা বলতেছেন এটা তো আল্লাহর সবচাইতে ঘৃণিত জায়গা যেখানে মূর্তি হয় এই জায়গার চাইতে কোন জায়গার ঘৃণিত হতে পারে আপনি কি মনে করেন আপনার বিদ্যা বুদ্ধি সূরা বাকারার একটা আয়াত মনে পড়ে কয়দিন আগেই পড়লাম ৮২ নাম্বার আয়াত সম্ভবত ৮৩ নাম্বার আল্লাহ ইসরাইলদেরকে বলেছিলেন কত নিকৃষ্ট তোমরা তোমরা যদি সত্যিকার অর্থে ঈমানদার হয়ে থাকো তোমাদের ঈমান তোমাদেরকে এই গরুর পূজায় কিভাবে লিপ্ত করেন তার মানে তুমি যদি রাসূলের সন্তান হয়ে থাকো আমরা আমাদের সন্তানদেরকে বলি না যদি আমার ঘরের সন্তান হয়ে থাক

                                                           

এ কাজটা কিভাবে করি এটা আমরা অনেক সময় বলি আবার বলি যদি বাংলাদেশে হতো তাহলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বলে কিভাবে এটা আমরা অনেক সময় বলি না আল্লাহ বলেছেন তোমরা যদি ঈমানদার হয়ে থাকো তোমাদের ঈমানকে আমি ধিক্কার জানাই এটা কেমন ঈমান যে আল্লাহর প্রতি ঈমানদার হওয়া সত্ত্বে তুমি গরুর পূজায় তোমার ঈমান তোমাকে লেলিয়ে দিল কিভাবে তোমার অন্তর তোমাকে গরুর পূজার দিকে কেমনে ঠেলে দিল এটা কি করে হতে পারে আমরা বলি না যে অমুক অমুকের সন্তান এর নেশাখোর কিভাবে হয়ে গেল অমুকের সন্তান কেন কারণ মান একটা জিনিস ঈমান কোনদিন মানুষকে এই সমস্ত নোংরা জিনিসের ইবাদতের দিকে ছেড়ে দিতে পারে না এটা একমাত্র যার মস্তিষ্ক খারাপ সেই কেবল বট গাছ ইদুর বাদর পাথরকে সে মাবুদ হিসেবে মেনে নিতে পারে আর যারা এটাকে মেনে নিয়েছে আপনি জেনে নেন আপনার বন্ধু সে কোনদিন হইতে পারে না বরং আপনার রক্তের পিপাসু আপনি বট গাছকে কেটে দিলে আপনাকেও হত্যা করে দিবে একটা বট গাছকে বাঁচানোর জন্য গরুকে কেন্দ্র আপনাকে হত্যা করে দিবে।

                                                           

আর আপনি যান তাদের এই ইবাদতকে উইশ করতে। সুবহানাল্লাহ। আমার কোন ভাষা নাই। কি বলবার এগুলো কি বলা যায়? আসুন আমি আপনাদেরকে আর ওদিকে যাব না। যেহেতু খুতবা অনেক লম্বা হয়ে যাবে। যদি আমার ইচ্ছা ছিল অনেক শর্ট করে লিখেছি। তারপরও কারণ বিষয়টা এত সেনসিটিভ। মুসলমানের ঘরের সন্তান কেন লাড্ডুর লোভ সামলাইতে পারে? এই পূজাকে কেন্দ্র করে যারা ডেকোরেটরের কাজ করেন যারা ডেকোরেটর ভাড়া দিয়েছেন লাইটিং এ ভাড়া দিয়েছেন এ লাড্ডু নারিকেল বিক্রি করবেন তাদের কাছে কলা গাছ কলা গাছের পাতা বিক্রি করবেন এবং লাড্ডু খাবেন আরও বন্ধু বান্ধবের বাহানায় ওদের পূজার মন্ডপে যাবেন দেখতে যাবেন উইশ করবেন নেতার বাহানায় ওদের কাছে আপনি যাবেন আপনি যে কতটা নিচে নেমে গেছেন বা আল্লাহর নজরে যে আপনি কত মারাত্মক অপরাধী সেটা আপনি একবার ফিল করেন যেখানে একজন সাহাবীর নাম বলি তিনি আপনার ইসলাম নাযিল হওয়ার আগের ঘটনা তিনি ইসলাম জানতেন না তার নাম ছিল জায়েদ ইবনে আমর ইবন নুফাইল রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ

                                                           

সাললাম তার সাথে একদিন দেখা করতে গেলেন জায়গাটার নাম ছিল একদম নিকটে তারা যখন বসেছে তখন ওখানকার কওমের কিছু লোকেরা একটা দস্তারখানা নিয়ে আসছে তাতে গোসত ছিল রাসবিন আমর নফল ছিল তখন বলেন নফল তখন তিনি এটাকে খেতে অস্বীকার করলেন এবং তিনি যে ভাষাটা ব্যবহার করেছিলেন তখন কিন্তু ইসলাম নাজিল হয়নি বছর আগের ঘটনা বলতেছেন তোমরা তোমাদের দেবদেবীদের উদ্দেশ্য করে যে পশু জবা কর আমি এই খাবার জীবন খাই এটা আমি কোনদিনই খাবো না এবং তিনি বলেছিলেন আর আমি ওই খাবারও খাই না ইল্লাহ আল্লাহর নাম নেওয়া হয় নাই এমন কোন পশু জবা করলে সেই গোসত খাই সেটা হয়তো মূর্তির জন্য করা হয় নাই কিন্তু আল্লাহর নাম নেওয়া হয় নাই আমি সেই গোসতও খাই না এটা কখনকার ঘটনা ইসলাম তখনও নাযিল হয় নাই তখনকার ঘটনা তার মানে মুশরিকদের মধ্য থেকেও যারা আল্লাহকে চিনতো জানতো তাদের মধ্যে এই মেন্টালিটি ছিল যে মূর্তিকে কেন্দ্র করে কোন খাদ্য যদি নিয়ে আসা হয় সে বলতেছে যে আমি এটা খাই না।

                                                           

আপনি কি মনে করেন এই ব্যক্তি যদি ইসলাম আসার আগের ঘটনা হয় তাহলে আবু বকর ওমর ওসমান আলী তাদের চরিত্র কি হইতে পারে? তারা ইসলাম গ্রহণ করার পরেও তাদের বাপ-দাদাদের দোহাই দিয়ে কি কোনদিন পূজা মন্ডপে গিয়েছে? তারা কোন সেখানে প্রসাদ খেতে যাবে? বরং ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর চরিত্র হলো তিনি যখন ফিলিস্তিনে গিয়েছিলেন এবং গির্জায় তাকে নামাজ পড়তে বলা হয়েছে। সেখানে তিনি নামাজ পড়েননি। কেন? সেখানে মূর্তি ছিল। ছবি অঙ্কন ছিল। তিনি বাহিরে সালাত আদায় করেছেন। আব্দুল ইবনে আব্বাস একটা গির্জাতে গিয়েছেন। সেখানে দেখলেন যে কোন মূর্তি নাই। সেখানে গিয়ে তিনি সালাত আদায় করেছেন। তার মানে মূর্তি ছবি এটা এতটা মারাত্মক।

                                                           

আমাদেরকে বলা হয়েছে যেই ঘরে ছবি থাকবে যেই ঘরে মূর্তি থাকবে কুকুর থাকবে সেই ঘরে রহমতের ফেরেশতা ঢোকে না। আপনি মুসলিম কেন বুঝেন না? আমাদেরকে পুতুল পূজা থেকে এইভাবে সতর্ক সাবধান করা হয়েছে। আর আপনি মুসলমানের নামের কলঙ্ক। আপনি দাড়ি টুপিওয়ালা। আপনি সরাসরি নিজের ঘরে না একবার ডাইরেক্ট পূজার মন্ডপে। কেমনে বুঝায় আপনাকে তৌহীদ কি জিনিস কেমনে বুঝায় ইসলাম আপনার কি জিনিস আপনাকে আল্লাহ সুবহানাতালা রক্ষা করবে এই গণতন্ত্রের এই সিস্টেমকে টিকা রাখার জন্য আপনার দায়িত্ব এটা আবার তারা বলতেছে নাকি এরা নাকি ইসলামিক দল এটা ইসলামিক দল এটা যা বলার আমাদের বড়রা বলবে বড়রা বলবে আমরা বললে এটা মানায় না তা আমরা শুধু বলব আপনাদেরকে এই সমস্ত পুতুল পূজা এবং পুতুল পূজারীদের থেকে বাঁচেন এই পুতুল পূজারীদের খাদ্য থেকে বাঁচেন আপনি কি জানেন ওরা বরকতের জন্য ওদের মিষ্টি গরুর প্রসাব মিলায় গোবরের পানি মিলায় ওরা চাইলে ওদের মহিলা থেকে কিছু নিয়োগ কিন্তু মিলাইতে পারেন বরকতের জন্য যা দরকার তা

                                                           

করবে করে না মুশরিকরা কি করে ওরা বাবার পা ধোয়া পানি খায় না কি বলেন না কেন মাজারের ভক্ত যারা মাজার ধোয়া পানি খায় না তার মানে কোন পীরের পানি খাইতে পারে না তার মানে ও যদি ভক্ত ও যদি বরকতের জন্য ও যদি ওদের দেবতাকে খুশি করার জন্য যা ইচ্ছা তাই মাসিকের রক্ত তো মিলায় দিতে পারে আর আপনার হিন্দুর ঘরের খাদ্য ছাড়া আপনার পেট ভরে ওই জগৎবন্ধু অমুক তমুক এই মিষ্টির দোকান মানে চলবে না যদি মুসলিমরা সেখান থেকে মিষ্টি না কিনে কিন্তু আপনাদের পেট ভরে না ওদের কাছ থেকে মিষ্টি না কিনলে অথচ ওরা হচ্ছে পুতুল পূজারী গরুর পূজারী আপনার রবের শত্রু কিন্তু মানুষ এগুলো কেন বুঝে না আল্লাহদেরকে হেদায়েত দান করুন এবার আল্লাহ কোরআনে বলে দিয়েছেন আপনাকে আল্লাহ বলেছেন ঈমানদার শব্দগুলা সেটা মদ জানেন স্পষ্ট হারাম জুয়া পুতুল পোজালাম ভাগ্য গণনা করার তীর আল্লাহ বলেছেন এটা হচ্ছে শয়তানের কাজ এবং তোমরা তা থেকে বেঁচে থালা তাহলে

                                                           

তোমরা মুক্তি পাবে আল্লাহ আমাদেরকে বেঁচে থাকতে বলেছেন যেটা আপনি সরায় পাবেন এবং আল্লাহ বলেছেন নাপাক থেকে নিজেকে বাচাও সূরা হজে পাবেন এবং আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন তোমাদের জন্য মৃত গোস্তকে হারাম করা হয়েছে রক্ত হারাম করা হয়েছে রক্তজরের মাংস হারাম করা হয়েছে মানে শুকুরের গোস্ত আর পূজা মন্ডপের লাড্ডু সমান সমান মান রাখে তার মানে আপনি যদি এই লাড্ডু খান এই লাড্ডু এই উৎসবের জন্য যেগুলো করা হয় পূজার পূজাকে কেন্দ্র করে যেই দোকানগুলোতে অফার দেওয়া হয় যেই উৎসব যে মেলা হবে যেখান থেকে যে খাদ্যগুলো করা হয় এগুলো সব ওদের দেব দেবতাদেরকে সন্তুষ্ট করার জন্য করা হয় অতএব কোন মুসলিম এতে অংশ নিতে পারে না এজন্য আপনি ভাববেন না আমার ছেলে ছোট্ট ছেলে বাবু অমুক তমুক আমার স্ত্রী লাড্ডু খেতে চেয়েছে এই বাহানা দিয়ে আপনার ঘরে যেন এই লাড্ডু না ঢুকতে পারে আপনারা কি এখান থেকে ওয়াদা করে ফিরবেন আজকে কারণ মুসলিমদেরকে জাগতে হবে আপনার তৌহীদকে বাঁচাইতে হবে আমাদের

                                                           

কোন লাভ নাই আমাদের দোকানে মিষ্টি বিক্রি করতে আপনার কাছে আসি নাই বরং আপনার ঈমান বাঁচানোর জন্য আসছি আর এগুলো কোরআন এবং সুন্নাহর কথা যদি আপনাকে উপেক্ষা করার মনে হয় তাহলে আপনি দলিল দিয়ে উপেক্ষা করবেন আর না হয় এগুলোকে মানতে আপনি বাধ্য কোরআনে আল্লাহ বলে দিয়েছেন মৃত ব্যক্তি মৃত গোসত রক্ত শুকরের গোসত আল্লাহ ছাড়া অন্যকে সন্তুষ্ট করার জন্য যা কিছু করা হয় এগুলো মুসলিমদের জন্য খাওয়া হারাম এটা আল্লাহ সুবহানাতালা বলে দিয়েছে আর কিভাবে আপনাকে বুঝতে আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার এবং সে অনুপেন এই মূর্তি পূজারীদের সাথে কি আচরণ করা হবে সেটা আমরা পাঁচ মিনিটের মধ্যে দ্বিতীয় খুবা বলে দিবস আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন সালাতুসসালামু আলা আশরাফি আম্বিয়া মুরসালিন মুহাম্মাদিয়া আমি লম্বা করব না শুধু একটা হাদিস বলি রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যারা ছবি অংকন করে আর্টিস্ট কেয়ামতের মাঠে যত প্রকারের মানুষ শাস্তি পাবে তার মধ্য থেকে সবথেকে কঠিন শাস্তি পাবে আর্টিস্ট যারা আর্ট করে এজন্য চারুকলায় যারা পড়ে এইযে উন্নতমানের একটা সাবজেক্ট নিয়ে বাংলার জমিনে ভার্সিটিগুলোতে যে পড়ানো হয় এই সমস্ত প্যাচার মাথা যাদেরকে দিয়ে আকানো হয় আপনার মুসলিমের মাথাটাকে খেয়ে দেওয়া হয়েছে আপনাকে মুশরিক বানায়া তারপরে ছাড়বে এই সাবজেক্ট থেকে আপনাকে দিয়ে পেচা আকানো হয়।

                                                           

আপনাকে দিয়ে মঙ্গল শুভ যাত্রা বান্দরের ছবি আকানো হয়। আপনার আপনারই কাজ। হিন্দুরা যা করেছে আপনি হুবহু তাই করেন। হিন্দুরা যেমন করেছে মানুষের মাথার মধ্যে একটা হাতির মাথা বানিয়ে দিয়ে গণেশ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ব্যক্তিকে কেয়ামতের মাঠে আল্লাহ বলবে তুই যেটা বানালি এবার এটাকে জিন্দা করে দেখা। জিন্দা করে দেখা। এটা আল্লাহ বলবেন। এই সমস্ত মঙ্গল শুভাযাত্রায় যারা পেচার ছবি আছেন টিয়া পাখি আর মুক্তমুখ আপনি প্রস্তুত হয়ে যান। তওবা করে যদি না মরেন তাহলে কেয়ামতের মাঠে আল্লাহ আপনাকে বলবে তুমি যেটা বানিয়েছিলা এই কবুতর এত বড় যে ঘোড়ার চত্তর তুমি এটার মধ্যে প্রাণ দাও কারণ তুমি আল্লাহর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করার জন্য উদ্যুত্ব গ্রহণ করেছি আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আজকে শাস্তি চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত রুহু দিতে না পারবে আর পৃথিবীর সমস্ত শক্তি মিললেও কি রুহু দিতে পারবে কারণ রুহু দেওয়া কার কাজ এটা একমাত্র আল্লাহর কাজ এটা কোন মানুষের কাজ না এই জায়গাটাতে আমি বলব

                                                           

ছোটখাটো বিষয়ের মধ্যে যারা বাস রং করেন রিক্সার আপনি দেখেছেন বাংলার জমিনে দুঃখ হয় এটা মুসলিম রাষ্ট্র এমন কোন রিক্সা নাই যেগুলোর পেছনে কোন নায়িকা চিত্রনায়িকা নায়কদের ছবি অংকন করা আচ্ছা যখন আমাদেরকে তো দিকনির্দেশনা দিয়ে দেওয়া হয়েছে আকবেন যখন গাছ আকেন মাছ আকেন পাহাড় আকেন আপনাকে বাঘের ছবি কেন আকতে হবে যেই একটা নরমাল একটা কাজ মানে তথ্য যেটা আপনার বিবেকে ধরবে না যেটা এমনকি পাপ করলাম আমি অথচ হাদিসে আছে আপনাকে কাফেরদের চাইতেও বেশি স্থিতি দেওয়া হবে। আপনার ঘরের বাচ্চাদের খাতাগুলা চেক করবেন যে ওরা কোন কিছু আঁকে কিনা। এজন্য অবশ্যই এই আকা আকি থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবেন।

                                                           

আর যদি আকতে হয় তাহলে আমাদেরকে বলে দেওয়া হয়েছে পাহাড়ের ছবি আঁকেন। গাছের ছবি আঁকেন, মাছের ছবি আঁকেন। মাছের মধ্যে প্রাণ আছে তারপর এটা আমাদের জন্য জায়েজ করা হয়েছে। কিন্তু যেগুলোকে নিষেধ করা হয়েছে আপনি কেন সেদিকে যাবেন? কোন যুক্তি দাড় করায়েন না। আপনি আপনার ঈমানকে বাঁচান এবং আপনি আপনার সন্তান পরিবারকে বাঁচান। আল্লাহ তুমি আমাদেরকে এবং আমাদের মুসলিমদেরকে বাঁচাও। আমাদেরকে বাঁচতে হলে কি করতে হবে? এগুলো থেকে বাঁচতে হবে। এবং সর্বশেষ যেটা বলবো সেটা হচ্ছে ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের দোয়া। ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের মতন ব্যক্তি যে নিজের হাতে মূর্তি ভেঙেছিলেন সে পর্যন্ত ভয় পেয়েছে যে এই বিশ্বাসটা এত মারাত্মক বিশ্বাস একবার যদি কারো অন্তরে ঢুকে যায় এখান থেকে বের করে আসা মানে কোনদিন সম্ভব হয় না।

                                                           

এজন্য তিনি নিজের জন্য এবং নিজের সন্তানদের জন্য ভয় পেয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেনহ আল্লাহ তুমি আমাকে এবং আমার সন্তানদেরকে পুতুল পূজা থেকে বাঁচায় রাখ কেন আপনি পুতুলের খাবেন না কেন খাবেন না আমি তো বলেছিলাম হারাম আপনি কি জানেন সবচাইতে পুতুল পূজার হাকিকত কি এটা আল্লাহ বলে দিয়েছেন ইব্রাহিম আলা সালামের মাধ্যমে ইব্রাহিম আলাইহি সালাম তার পিতাকে বলেছিলেন হে আমার পিতা আপনি কেন শয়তানের পূজা করেন আলাইহি সালামের পিতা কি শয়তানের পূজা করত নাকি পুতুলের পূজা করতো তাহলে আল্লাহ জানিয়েছেন তাকে এই পুতুলের পূজা মানে মূলত এটা শয়তানের পূজা কারণ শয়তানকে তো তারা দেখতে পায় না কিন্তু শয়তান সেখানে আসেও না কিন্তু আমাদের কোরআনের প্রতি যদি বিশ্বাস থাকে তাহলে শয়তানের পূজার উপঢুকন আপনি কি করে খেতে পারেন ওদের মত কি করে আপনি সাজতে পারেন ওদের মত কি করে ওদের অনুষ্ঠানে আপনি যেতে পারেন যেখানে সম্পূর্ণ কাজটা করা হচ্ছে শয়তানকে সন্তুষ্ট করার জন্য আল্লাহ তুমি আমাদেরকে হেদায়েত দান করো আল্লাহ আমাদের পাপগুলোকে তুমি মাফ করো এবং যেই হেদায়েত তুমি আমাদেরকে দিয়েছো আল্লাহ তুমি আমাদেরকে হেদায়েতের উপরে টিকে থেকে তোমার কাছে মুসলিম অবস্থায় সাক্ষাৎ করার তৌফিক দান করো।

                                                           

আল্লাহ তুমি আমাদের যুবক যুবতীদের এবং সন্তানদেরকে আল্লাহ ভো শক্তি দান করো। এই সমস্ত পুতুল পূজা থেকে যেন তারা বেঁচে থাকতে পারে। এই সমস্ত নোংরামি এই পৃথিবী থেকে যেন আমরা মিটাতে পারি। আল্লাহ তুমি বাংলার জমিনে এমন একটা তাওহীদি গোষ্ঠী তৈরি করে দাও যেখানে কেবল তোমার ইবাদত করবে। আমরা যেন বাংলার জমিনটাকে পুতুল পূজা থেকে পাক করতে পারি। আমিন ইয়া রাব্বুল আলামিন। আমাদের কাছে কয়েকটা অনুরোধ চাওয়া হয়েছে। তার মধ্যে একটা মদনপুর বস্তল থেকে একটা মসজিদের সাহায্যের জন্য এসেছে। তারা এখানে দাঁড়াবে। আপনারা সাহায্য করবে এবং অনেকেই যারা অসুস্থ তারা দোয়া চেয়েছেন আল্লাহ যেন তাদেরকে সুস্থতা দান করে। যেমন প্রায় ঘরে প্রায় মানুষের এখন ডেঙ্গু বিভিন্ন জ্বরে সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন।

                                                           

আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা তুমি আমাদেরকে হেফাজত করো। আমাদের প্রত্যেকটা আঘাত জি। আরেকজন অসুস্থ ব্যক্তি তার ট্রিটমেন্টের জন্য তার শ্বশুর ট্রিটমেন্টের জন্য আসছে তারা উনি দাঁড়াবে আপনারা যা পারেন তাদেরকে দান করার চেষ্টা করবেন এবং সর্বোপরি আল্লাহ সুবহানাহু তাালার কাছে আমরা দোয়া করি আল্লাহ তুমি আমাদের ঈমানের হেফাজত করো আল্লাহ পুরা বিশ্বে মুসলিমদের সাথে যে চক্রান্ত চলতেছে আমরা জানি সেটা ক্ষমতার লড়াই তারপরে আমাদের মুসলিম রাষ্ট্র আল্লাহ সেখানে তোমার পবিত্র ঘর আছে আল্লাহ তুমি সেই রাষ্ট্রটাকে হেফাজত কর এবং আমাদেরকেও আমাদের বাংলার জমিনটাকে আল্লাহ তুমি হেফাজত করো যাতে করে আমরা এখানে এখানে দ্বীন প্রতিষ্ঠা করতে পারি আমাদের মধ্যে আল্লাহ তুমি মুজাহিদ তৈরি করো এবং আমাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক যতটুকু সাহায্যের প্রয়োজন আমরা মুসলিমদের যুদ্ধের সাথে অংশ নিতে প্রস্তুত আছি আল্লাহ তুমি আমাদেরকে সে হিতাহিত জ্ঞান দান করো এবং আমাদেরকে শক্তি কর শক্তিশালী করো এবং যারা বিপদগ্রস্ত আছে আল্লাহ তুমি তাদেরকে হেফাজত কর এবং ন্যায়ের পক্ষে আল্লাহ তুমি থাকো আল্লাহ তুমি ন্যায়কে

                                                           

সাহায্য কর এবং তুমি ধ্বংস কর আমিন রাব্বুল আলামিন ল্লাহ আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ