সম্মানিত মুসল্লি কেরাম আমি আমার নিজে আপনাদেরকে আল্লাহ তাক অবলম্বন করার অনুরোধ জানাচ্ছি। যেই তাকওয়া অবলম্বন করলে আপনি ঈমান রক্ষা করতে পারবেন। ঈমান রক্ষা করাটা খুব বেশি জরুরি। সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম ঈমান আপনার অন্তরে আছে কিনা সেটা কিভাবে প্রমাণিত হবে? ঈমান ধারণ করার জিনিস। ঈমান বংশ বংশ পরম্পরায় পাওয়া যায় না। অনেকে বংশীয়ভাবে ঈমানদার আছেন। পরব দেখা যায় তাদের আসলে ঈমানের কোন ছিটেফুটেও তাদের মধ্যে নাই। ঈমান আল্লাহর বড় নেয়ামত। যে নেয়ামতের চেয়ে বড় নেয়ামত আর কিছু নাই। দুনিয়ার বড় নেয়ামত হচ্ছে ঈমান। কোন ব্যক্তি যদি ঈমান ধারণ না করে তাহলে সে হতভাগা। আর ঈমান ধারণ করার পরে পরিত্যাগ করলে সেলে মুরতাদ।
ঈমান পরিত্যাগ করলে সে ব্যক্তি জাহান্নামে চিরস্থায়ী হয়ে যাবে যদি না সে ঈমানের প্রতি ফিরে আসে। এজন্য ঈমান হচ্ছে সবচেয়ে বড় নেয়ামত। ঈমান এর জন্যই আল্লাহ আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেছেন ওমাখাতুল জিন্নাও ইনসাইল্লা মানুষ এবং জীনকে শুধু আমার এবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন করেছি। এর অর্থ হচ্ছে যদি আপনার ঈমান না থাকে দুনিয়ায় আসাটা আপনার বৃথা এবং পরবর্তী জীবনও বৃথা। আপনি কোনদিন জান্নাত দেখতে পাবেন না। সৃষ্টির উদ্দেশ্য আপনাকে ঈমানের উপর দুনিয়াতে থাকা আখেরাতে যেন আল্লাহ তাআালার জান্নাত লাভ করতে পারা। তৃতীয়ত ঈমান যদি না থাকে আপনি কোনদিন জান্নাতে যেতে পারবেন না। জান্নাতে যেতে হলে ঈমান লাগবে। সুতরাং ঈমান অর্জন করতে হবে।
ঈমান পাহারা বসাতে হবে। ঈমানকে কোনভাবেই যেন ছুটে না যায় সে চিন্তা করতে হবে। বারবার তওবা ইস্তেগফার করে দ্বীনের দিকে ফিরে আসতে হবে। ঈমানের দিকে ফিরে আসতে হবে। ঈমানের দিকে ফিরে আসা এটা আল্লাহ এবং তার রাসূলের নির্দেশনা। কোরআনে কারীমে আল্লাহ তালা আমাদেরকে বারবার বলেছেন আমরা যেন ঈমানের উপরে টিকে থাকি ঈমানের উপর অটল থাকি। আল্লাহতালা বলছেন যারা বলবে আমার রব হচ্ছেন আল্লাহ। তারপর এর উপর দৃঢ় থাকবে ইস্তেকামত থাকবে। আঁকাবাঁকা পথ অবলম্বন করবে না। ঈমান যেটা বলেছে এটার উপর ঠিক থাকবে যে আমি ঈমান এনেছি। আর ঈমান আনার অর্থ কি? ঈমান আনার অর্থই হচ্ছে শিরিক এবং মুশরিকদের থেকে সম্পূর্ণরূপে নিজেকে মুক্ত ঘোষণা করা।
কেউ যদি ঈমান আনার পরে শিরিকের সাথে তার সম্পর্ক রয়ে গেছে। অথবা মুশরিকদের সাথে অন্তরঙ্গ অন্তরঙ্গ সম্পর্ক থেকে গেছে। তাহলে সে ব্যক্তি কাফের সে ব্যক্তি ঈমানদার হইতে পারেনি। ঈমানের শর্তই হচ্ছে যে অবশ্যই কাফের ও মুশরিকদের থেকে সম্পর্ক ছুতি ঘটাতে হবে। এই হিসাবে আপনি বিচার করবেন কত মানুষের ঈমান আছে কত মানুষের ঈমান নাই। ভালো করে সেটা আপনি পরিসংখ্যা নিতে পারবেন। সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম ঈমানের আরেকটি গুরুত্ব হচ্ছে মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যুদ্ধগুলি করেছেন ঈমানের জন্য। আর কোন কারণ নেই বর্ণ বংশ অথবা গোত্র অথবা ভাষা কোন কিছুর জন্য মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (স) যুদ্ধ করেননি ঈমানের জন্য যুদ্ধ করেছেন ঈমানের জন্য যুদ্ধগুলি এবং ঈমানের জন্য যুদ্ধ এবং শান্তি নির্ধারিত হবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যুদ্ধের ময়দানেও দাওয়াতের কাজ করেছেন ঈমানের দাওয়াত দিতেন বলতেন আসলিম তিনি মানুষের কাছে চিঠি লিখতেন তাদেরকে বলতেন আসলিম তাসলাম তুমি ইসলাম গ্রহণ করো তুমি শান্তি নিরাপত্তা পাবে ইসলাম না গ্রহণ করলে নিরাপত্তা পাবে না।
রাসূুল্লাহ (স) বলেছেন ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। ততক্ষণ পর্যন্ত এ দুটি শাহাদাত মানুষের মধ্যে না থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ করতে আমাকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দুটি শাহাদাত হচ্ছে একটি হচ্ছে তাওহীদের আরেকটি হচ্ছে রিসালাতের। তারদের সাক্ষ্য দেয়ার অর্থই হচ্ছে আর যত দ্বীন আছে যত মতবাদ আছে সবগুলি কুফরি সেটা কোনটাই নেয়া যাবে না সেগুলির প্রশংসা করা যাবে না সেগুলির পিছনে হাঁটা যাবে না সেগুলির কাছে গিয়ে কোনভাবে নিজেকে জাহির করার চেষ্টা করা যাবে না এর অর্থ হল আপনি আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ হিসেবে আপনি মানেন নাই আপনি মুখে হয়তো বলছেন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ কিন্তু কর্মকাণ্ডে আপনি বিরোধী হয়েছে আপনি জানেন যে আরবের মুশরিকরা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতো তারা অহংকার করত এবং তারা বললা আশ্চর্যের বিষয় এত সব অলি আল্লাহ এত সব আমাদের আগের মাবুদগুলি উপাস্যগুলো এগুলি সব বাদ এগুলি এটাতো আশ্চর্যের জিনিস এটাতো হতে পারে না আজকের দিনে কেউ কিছুকে বাদ দিবে না সবকিছু নিয়ে যেতে চায় আপনাদের চোখের সামনে সেগুলি ঘটছে
কেউ পূজাকে গুরুত্ব দিচ্ছে কেউ ব্যক্তিকে গুরুত্ব দিচ্ কেউ ভোটকে গুরুত্ব দিচ্ছে কেউ রাষ্ট্রকে গুরুত্ব দিচ্ছে কিন্তু আল্লাহর দ্বীনের গুরুত্ব কোথায় গেল ঈমানের গুরুত্ব কোথায় গেল এগুলো যে দিন দিন আমাদের চিন্তা চেতনা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের মন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঈমান কিসের নাম এটা ভয়াবহ জিনিস ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো ঈমান মনে করবে শুধুমাত্র মসজিদে আসা যাওয়া অথবা মনে করবে হয়তো কোন একটা বিশেষ পর্বে উপস্থিত হওয়া অথবা হয়তো মনে করবে গরুর গোস্ত খাওয়া এই জাতীয় কিছু হয়তো মনে করে বসবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তারা কোনদিন হয়তো চিন্তা করবে না যে ঈমান কিছু জিনিস ধারণ করার নাম কিছু জিনিস বর্জন করার নাম ঈমান নষ্ট হয় যেমনিভাবে যেমনিভাবে ওযু নষ্ট হয় যেমনিভাবে অন্যান্য জিনিস নষ্ট হয় ঈমানও তেমনি নষ্ট হয় সুতরাং ঈমানের গুরুত্ব আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজম্যকে বুঝাতে হবে নিজে বুঝতে হবে ঈমান নষ্ট হয় এ জিনিসটা আমাদেরকে জানতে হবে কিভাবে ঈমান নষ্ট হয় সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম আল্লাহ তালা ঈমানের জন্য নবীদেরকে প্রেরণ করেছেন।
নবীদের প্রেরণের মূল উদ্দেশ্য ঈমান। আপনি কোরআনে কারীমে দেখবেন পরতে পরতে জায়গায় জায়গায় বলা হয়েছে যখনই তারা আসতো নবীরা আসতেন তাদের কাওমকে বলতেন ইয়াদুল্লাহ আমার কাম একমাত্র আল্লাহর এবাদত কর। একমাত্র আল্লাহর এবাদত হচ্ছে আর কাউকে অন্তরে স্থান দিতে পারবেন না। আর কোন কিছুকে আপনি এবাদত করতে পারবেন না। কোন কিছুর জন্য অন্তরের টান অনুভব করতে পারবেন না। কোন কিছুর জন্য প্রশংসা থাকতে পারবে না। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। যাবতীয় প্রশংসা একমাত্র রাব্বুল আলামীনের। কেউ আপনাকে খাদ্য দেয় না, কেউ আপনাকে সন্তান দেয় না, কেউ আপনাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে না। কেউ আপনার দুর্গতি নাশ করবে না। আল্লাহ ব্যতীত কেউ সেটা করতে পারে না।
কেউ যদি মনে করে অন্য কেউ করতে পারে সে কাফের বিল্লাহ। মহান আল্লাহর সাথে কুফরি করেছে। সে কাফের হয়ে গেছে। সে যত বড় ইসলামী পোশাক পড়ুক না কেন। সে যত অন্য কিছু কাজ করুক না কেন সে কাফের। এতে কোন সন্দেহ নাই। এদের ব্যাপারে আমাদের সাবধান থাকতে হবে। এদেরকে ঈমানের দাওয়াত আবার দিতে হবে। এইজন্য ভবিষ্যৎ প্রজম্যকে জানাতে হবে ঈমান হারিয়ে আপনি কোথায় যেতে চান ইলাইহিল মাসির তার কাছে তো আপনি প্রত্যাবর্তন করবেন ইলাইকাল মাসির আল্লাহ আপনার কাছেই আমরা প্রত্যাবর্তন করব ইলাইহিন নুসুর তার কাছে আমরা আল্লাহর সামনে আমরা উপস্থিত হব এইটা যদি কোন ব্যক্তি ধারণ করত অন্তরে সে ব্যক্তি মুখে যা ইচ্ছে তা বগাহীন ভাবে বলতে পারতো না মুখে যা ইচ্ছে তা বলগাহীনভাবে বলার কারণ হচ্ছে এটাই ঈমানের গুরুত্ব তাদের অন্তরে নেই ঈমানের গুরুত্ব তাদের অন্তরে থাকলে যেভাবে ইচ্ছা যা ইচ্ছা তা কয়দিন আপনারা আমরা যে শুনেছেন এবং দেখেছেন এগুলি ঈমানিয়াতের সম্পূর্ণ বিপরীত কোন ব্যক্তি কোন আলেমে দ্বীন যে
এলমের ক্ষেতা নাম লিখেছে কোন ব্যক্তি বলবে না যেটা ঈমানের সাথে সম্পৃক্ততা ঈমান ঈমান আছে এদের যারা এ কথাগুলি বলেছে তাদের অধিকাংশ ঈমান নেই যত বড় ব্যক্তি হোক না কেন দুনিয়ার বুকে আখেরাতে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তিতে পরিণত হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে যদি তওবা না করে মারা যায় অনেকে আছে এইটার উপরেই তাদের জীবন গড়ে উঠেছে সবকিছুকে সমানভাবে জাস্ট তারা মনে করে সবাই সমান আমরা সব দীনকে সমানভাবে দেখি এটা ঠিক নয় আল ইসলাম হকুন ইসলাম হক আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন যে বাতিলকে একসাথ করো না হক এবং বাতিলকে একসাথ করো না এর তাফসীর বর্ণনা করেছেন তিনি বলেছেন ইসলামকে অন্য দীনের সাথে একসাথে মিশিয়ে ফেল না যদি একসাথে তোমরা ইসলাম অন্যকে সমান মনে মনে কর তোমরা কাফের এতে কোন সন্দেহ নেই এ জাতীয় আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বহু আয়াতে সেটাকে নিষেধ করে দিয়েছেন এবং এটার উপরেই নবী রাসূলদেরকে প্রেরণ করেছেন।
শুধু তাই নয় আল্লাহর যত কিতাব নাযিল হয়েছে সেগুলো যদি আল্লাহর কিতাব হতে হলেই শর্ত হচ্ছে এটা তাওহীদের কথা থাকবে। ঈমানের কথা থাকবে। ঈমান চলে গেলে কোথাও ঈমানের কথা নেই। এটা আল্লাহর কিতাব নয়। আল্লাহর কিতাব হলে ঈমানের কথা থাকবে। কারণ আল্লাহ যত কিতাব সবগুলি ঈমানের ঈমান প্রতিষ্ঠার জন্য নাযিল করা হয়েছে। আল্লাহ তালা কোরআনে কারীম বলেছেন কোরআনে কারীম মহমান আগের যত কিতাব আছে সবগুলো সত্য মিথ্যা নির্ধারণ করে দেয়। আল্লাহতালা কোরনে কারীম বলেছেন যে কিতাব আল্লাহ ইল্লাল্লাহ আল্লাহ ইল্লাল্লাহ। কিতাব নাজিল হয়েছে মহকম। কি জন্য? আল্লাহ ইল্লাল্লাহ। যাতে করে তোমরা আল্লাহ ছাড়া কার এবাদত না কর। সুতরাং আল্লাহ ছাড়া কারো এবাদত হয় এমন কিছু করা যাবে না।
প্রশ্ন হচ্ছে এবাদত কাকে বলে? এবাদত কাকে বলে? অনেকে হয়তো মনে করেন শুধু সেজদাই এবাদত। তা কিন্তু না। এবাদত হচ্ছে এমন প্রতিটি কথা ও কাজ যা অন্তরের ভালোবাসা এবং অন্তরের পূর্ণ বিনয় দিয়ে করা হয়। অন্তরের ভালোবাসা পূর্ণ বিনয় দিয়ে যা করা হয় যা আল্লাহর পছন্দ করে এবং ভালোবাসেন এমন প্রতিটি কাজ সেটাই হচ্ছে এবাদত। সেটাকে যদি পরিপূর্ণ আল্লাহর জন্য করা হয় তাহলে এবাদত হবে অন্য কারো জন্য একটু দিলে সেটা শিরকে পরিণত হয়ে যাবে শিরক হয়ে যাবে এবং আল্লাহর এবাদত থেকে দূরে সরে গেছে ঈমান চাদ থেকে চলে গেছে ঈমান তার থাকবে না এজন্য কিতাবও নাযিল করেছেন আর যদি মনে করেন যে এই ঈমানের সাথে আমাদের জীবনের কি সম্পর্ক শুনেন এই জীবনে দুইটা জিনিস আছে একজন মানুষের একটা হচ্ছে দেহ একটা হচ্ছে রূপ আত্মা দেহের জন্য আপনি কি না করেন দেহ খাবার এবং পানি এর জন্য সারাদিন দৌড়ান আত্মার জন্য কি আছে আত্মার জন্য আত্মার খোরাক হচ্ছে ঈমান ঈমান
যদি না থাকে আপনার আত্মা মৃত আপনার আত্মা মৃত আল্লাহতালা কোরআনে কারীমে সেভাবে বলেছেন যে মৃত ছিল আমি তাকে জীবিত করেছি আমরা কি দিয়ে জীবিত করেছি ঈমান দিয়ে জীবিত করেছেন এজন্য যখনই ঈমান সেটাই রুহ বলেছেন সেটাকে সেটাই আত্মা বলেছেন সেটাই রহ ঈমান হচ্ছে মানুষের জন্য বেঁচে থাকার খোরাক দুনিয়াতে আর ঈমানের উপরেই সে নির্ভর করবে তার ভবিষ্যৎ তার ভালো হবে কি মন্দ হবে। এইজন্য আপনি যত বেশি দৌড়াচ্ছেন দুনিয়াতে শান্তি শান্তি বলে এই শান্তি আপনার হবে না। অন্তরের মধ্যে যদি শান্তি ঈমান আপনার না থাকে। ঈমান না থাকলে আপনি রব্বুল আলামীনের সাথে আবার সম্পর্ক কাটা হয়ে যাবে। দুনিয়াতে আসা আপনার বিতা হয়ে যাবে।
দুনিয়াতে আসা আপনার বিতা হয়ে যাবে। এজন্য ঈমান আপনার জন্য বেশি দরকার পানি এবং বাতাসের চেয়েও। পানি এবং বাতাসেও বেশি দরকার আপনার ঈমানটা। ঈমানটা রক্ষা করা। আপনি হয়তো দুনিয়ার বুকে ক্ষমতার জন্য আজ ঈমানকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন। মনে রাখবেন আপনি ঈমান দূরে হারিয়ে গেছে আপনার ক্ষমতাও হারাবেন আর অন্য কিছু হারাবেন। ক্ষমতায় মানুষ বেশিদিন থাকে না। সর্বোচ্চ মানুষ যতদিন বাঁচে অতদিন ক্ষমতা ধরলাম। তার মধ্যে প্রথমত আর ক্ষমতায় কেউ থাকে না। অন্তত ৪০ বছরের বেশি বেশি মানুষ ক্ষমতায় থাকতে পারে না। ৪০ ৪৫ বছর। এরপরে আবার আপনি আল্লাহর কাছেই ফিরে যাবেন। আগেও দাস ছিলেন। পরেও দাস। মাঝখানে হচ্ছেন এমন দাস।
যে দাস মনিবের কথা শুনে নাই। সে পরবর্তী তওবা করে যদি মারা যেতে পারেন তাহলে আল্লাহ তালা আপনাকে ক্ষমা করবেন কিন্তু বহু মানুষকে আপনি পথভ্রষ্ট করেছেন সেটা দায়বার আপনাকে বহন করতে হবে কারণ আপনি মানুষকে বিভ্রান্ত করে ছেড়েছেন আপনার অনেক কর্মকাণ্ড মানুষকে পথভ্রষ্ট করে দিয়েছে এজন্য ঈমানের গুরুত্ব আপনার অন্তরে ধারণ করতে হবে যে ঈমান যদি না থাকে আমার জীবনের ঈমানের নিরাপত্তা যেমন বিঘ্নিিত হবে আখেরাতের নিরাপত্তা আমার নাই কোন নিরাপত্তা আমাদের নাই আল্লাহতালা কোরনে কারীম বলেছেন যারা ঈমান এনেছে এবং তার ঈমানের সাথে শিরিককে মিশ্রিত করেন তাদের জন্য নিরাপত্তা রয়েছে। নিরাপত্তা চান তো নিরাপত্তা এটাই চাইতে হবে। দুনিয়ার বুকে অনেক কিছুর জন্য আমরা আজ সংগ্রাম করি।
সংগ্রাম করে কেউ কেউ যে আমার অধিকার অনেকে অধিকারের জন্য সংগ্রাম করছে। অনেকে সংগ্রাম করছে সম্পদের জন্য। সম্পদের জন্য যুদ্ধ করে মরে যাচ্ছে। অনেকে যুদ্ধ করছে যুদ্ধ করছে তার পরিবারের আত্মসম্মান আত্মসম্মান ঠিক রাখার জন্য অনেকে যুদ্ধ রাখছে বিবেক ঠিক রাখার জন্য কিন্তু যেটার জন্য যুদ্ধ করতেই হবে সেটা মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন সবকিছুর উপরে যেটা এটা হচ্ছে ঈমান ঈমান যদি নষ্ট হয় আর আপনি যদি বাকি সবগুলি পান দুনিয়ার আপনি কিছুই পান নাই আর ঈমান যদি পেয়েছেন আপনি মরেও গেলেন আপনি কিন্তু নিরাপত্তা লাভ করেছেন। আল্লাহর কাছে আপনি ভালো কিছু পাবেন।
এজন্য যার জন্য আপনার সবকিছু এই নিরাপত্তাকে সব এই যে নিরাপত্তা পেলে আপনি সব নিরাপত্তা পেয়েছেন সেটাকে গুরুত্ব দিতে হবে ঈমানকে আপনি অবশ্যই সবকিছুর উপর স্থান দিতে হবে এজন্য আপনাকে যে যা বলুক ঈমান নষ্ট হয় এমন কাজ আপনি করতে যাবেন না ঈমান কিভাবে নষ্ট হয় প্রিয় ভাইয়েরা ঈমান নষ্ট হয় কুফর করলে শিরিক করলে নেফাক করলে ঈমান নষ্ট হলে কুফুর শিরক এবং নেফাক কুফুর কিভাবে হয় কুফুর অনেক ভাবে হয় অন্তরে মুখে অন্তরে মুখে অঙ্গপ্রত্যঙ্গে এবং এগুলিতে কাজ করা বলা ধারণ করা বিশ্বাস ধারণ করা এবং কোন কিছু পরিত্যাগ করা তো ঈমান চলে যায় ঈমান চলে যায় বিভিন্ন কারণে কোন কথা বললেও কখনো ঈমান চলে যায় কোন কথা বললেও ঈমান চলে যায় কোন কাজ করলেও ঈমান চলে যায় যেমন কেউ কোরআনুল কারীমকে যদি কোন রাস্তায় নিক্ষেপ করেছে ময়লার মধ্যে সে ঈমান চলে যাবে কোন সন্দেহ নাই অনুরূপভাবে অন্তর অন্তরে বিশ্বাস করেছেন সব ধর্মই সমান।
সব ধর্মই শান্তির কথা বলে। এই জাতীয় কথা সবাই সমান। এই যে আপনি কাফের বিল্লাহিল আজিম। মহান আল্লাহর উপর আপনি কাফের সাথে কাফুরি করেছেন। আপনি কাফের হয়ে গেছেন। ঈমান রক্ষা করার বিষয় আছে। অথবা আপনি দীন মানলেন না দ্বীন পড়লেন না। দ্বীন সম্পর্কে জানলেন না। এরপর আপনি বাগড়ম্বর করবেন। দীনের ব্যাপারে কথা বলবেন। আপনি ঈমানহারা হয়ে বসে আছেন কারণ আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন আল্লাহতালা মান আজলাম তার থেকে বড় জলেম আর কেউ নেই যে তাকে ঈমানের কথা বলা হয়েছে ঈমান শুনবে না জেনবে না মানবে না আল্লাহর দ্বীন থেকে বিমুখ হয়ে বসে আছে সে ব্যক্তি আল্লাহ তালা বলছেন যে আমি সে মুচে সে অপরাধী কারণ সে নিজেও শিক্ষা দেয়নি নেয়নি অন্যকে শিক্ষা দিতে দেয় নাই এটা ঈমান বিরোধী কাজ ঈমান সবার আগে সবকিছুর আগে ঈমান এই জিনিসটা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং যারা আছে সবাইকে শিক্ষা দিতে হবে যে ঈমানের সাথে কোনো কম্প্রোমাইজ চলে না মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের
মত হন সাহাবায়ে কেরামের মত হন আয়েকার যতই নবীরা চলে তাদের মতন আমাদেরকে ঈমানকে কিভাবে অবিচল ঈমানের উপর কিভাবে অবিচল থাকতে হবে আমি কিছু উদাহরণ দিচ্ছি ঈমানের উপর অবিচল থাকার জন্য এক নম্বর নূহ আলাইহি সালাতু সালাম কিভাবে অবিচল ছিলেন নূহের কওম তাকে এমন ভয়ানক কোন কষ্ট নয় তা দিয়েছে কিন্তু তিনি ঈমানের উপর অবিচল ছিলেন শেষ পর্যন্ত আল্লাহর কাছে বলছেন আল্লাহ এরা আর ঈমান আনবে না আমি অনেক কষ্ট করেছি আমি সকালে বিকালে প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে ডানে বামে সবকিছু তাদেরকে দাওয়াত দিয়েছি কিন্তু তারা তারা এই পথ থেকে দূরে সরে গেছে বরং আমার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তারা কানে আঙ্গুল দেয় একে অপরকে ওসিয়ত করে যে নূহের কথা শোনা যাবে না এমন অবস্থায় পৌঁছে আমি আর এদের কিছু পারবো এদেরকে আপনি ধ্বংস করে দিন আল্লাহতালা বলছেন আপনি নৌকা তৈরি করুন নৌকাতে উঠেছেন তারপর আল্লাহ বাকি সবাইকে ডুবিয়ে মেরেছে কারণ আল্লাহ তাআলা নবীর দোয়া কবুল করেছেন কিন্তু ঈমানকে তিনি কোন ছাড়
দেন নাই ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু সালাম কিনা করেছেন তিনি আপনি ভালো করে জানেন প্রথমে এসে তাদের সাথে মোনাজারা জড়ে দিলেন যে হাজার আকাশের এগুলি কি রব কিনা আকাশের তারকা চন্দ্র সূর্যগুলি রব কিনা হারিয়ে দিলেন যে এগুলি তো রব হইতে পারে না কথা বলতে বলতে মহাওয়ারা বলে এটাকে রব হইতে পারে না যেগুলি চলে যায় যেগুলি নষ্ট হয়ে যায় যেগুলি নিজের উপর নিজে থাকতে পারে না এগুলো তো আমাদের রব হইতে পারে না এভাবে তাদেরকে হারিয়ে দিলেন তারপর তার কাওমের সাথে যুক্ত হয়ে বলে আমি অসুস্থ আমি তোমাদের মেলায় যেতে পারবো না মেলায় যাননি আর আপনি মেলায় না শুধু আপনি তাদের এবাদত গৃহে চলে গেছেন সেখানে গিয়ে তিনি তাদের এই মূর্তিগুলিকে ধ্বংস করে দিয়েছেন তিনি ইব্রাহিম ইব্রাহিম আলাইহিস সালাতু সালাম এটাই করেছেন।
আমি বলিনি আপনাকে ধ্বংস করতে। কিন্তু আপনি এইটা বুঝবেন যে আপনি সেখানে যাওয়ার বৈধতা আপনার নাই। তাদের সেখানে আপনি যাইতে পারেন না। সেখানে আল্লাহর গজব নাযিল হয়। যেখানে গজব নাযিল হয় সেখানে আপনি কেন যাবেন? আল্লাহর লানত সেখানে নাযিল হয়। যেখানে আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর এবাদত হয় সেখানে আল্লাহর লানত নাযিল হয়। সেখানে আপনি কেন সেখানে যাবেন? সেখানে লানত আসছে। সেখানে কেন যাবেন? সে জায়গায় আপনি কেন আপনি নিজেকে গুরুত্ব দিয়ে সেখানে কেন যাচ্ছেন আপনি? আপনার ঈমানের বিষয়টা কোথায় গেল? মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ সাললাম তিনি মক্কা বিজয়ের পরে কাবা ঘর থেকে একটা একটি করে এই মূর্তিগুলি ভেঙ্গেছেন। একটাও রাখেননি।
একটাও রাখেননি। তথাকথিত এই নাম দিয়ে ওই নাম দিয়ে কোন কিছুর নাম দিয়ে রাখেন না। এগুলো সবগুলি ভেঙ্গেছেন এবং বলেছেন সুতরাং বুঝতেই পারছেন যে নূহ আলাইহি সালাতু ইব্রাহিম আলাইহি সালাতু সালাম যেই পথের প্রতীক ছিলেন পরবর্তী সবাই সেই পথের প্রতীক হতে হবে। আল্লাহতালা কারীম বলে দিয়েছেন যে নূহ আলাই সালাতু সালাম এবং তার সাথে যারা আছে তার তোমাদের জন্য তাদের ইব্রাহিম আলাই তার সাথে যারা তারা তোমাদের জন্য আদর্শ এ আদর্শ কি হিসাবে ঈমানের জন্য ঈমানের জন্য তিনি হিজরত করেছেন ঈমানের জন্য হিজরত করেছেন আমি আমার রবের দিকে হিজরত করে যাব ঈমানের জন্য মিশরে এসে তিনি বিপদেও পড়েছিলেন তার স্ত্রীকে নিয়ে তারপর আবার ঈমানের জন্য হিজরত করে সেখানে বসবাস করেছেন বাইতুল মাকদাসে যেটা এখন খালিল বলে সেখান তিনি বসবাস করেছেন ঈমানের জন্য তার ভাতুষপত্রকে পাঠিয়েছেন ঈমান দাওয়াত দেয়ার জন্য তুমি যাও সাদুমের লোকেরা খুব খারাপ তাদেরকে দাওয়াতের কাজ করো তিনি সেখানে দাওয়াতের কাজ করেছেন ঈমানের জন্য সন্তানকে রেখে এসেছেন মরু
প্রান্তরে মরু প্রান্ত রেখেছেন কেউ নাই পানি নাই কিছু নাই গাছপালা নাই কিছু নাই খাবার নাই ঈমানের জন্য শুধু রেখে এসেছেন আল্লাহর নির্দেশকে বাস্তবায়ন করার জন্য এভাবেই নবীরা ঈমানের জন্য কষ্টগুলি করেছেন তাদের জীবনী পড়লে আপনার ঈমান শক্ত হবে যে আমি নবীদের নবীদের উত্তরসূরী হতে চাই অন্য কারো উত্তরসূরী হতে চাই নবীদের উত্তরস শুরু হইতে চাই। নবীরা যে করে যা করেছেন তা দিয়ে আমি বড় হতে চাই। আমাদের কাছে নবীরা হচ্ছে সবচেয়ে বড় মডেল। আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় মডেল হচ্ছে নবীরা। নবীরা সবচেয়ে বড় মডেল। তারপর সাহাবায়ে কেরাম আমাদের মডেল এবং তাদের সুন্দর অনুসারী যারা তারা আমাদের মডেল। কিন্তু নবীদের মডেল বিপরীত যে সমস্ত নীতি যে সমস্ত বক্তব্য যে সমস্ত শিরিক কুফর নীতি আছে মতবাদ আছে সবগুলি হচ্ছে আমাদের জন্য জাহান্নামের জিনিস ছাড়া কিছুই নয়।
সেগুলির প্রতি কোন সামান্যতম আগ্রহ থাকলে আপনার আল্লাহ রাসূলের ঈমানের বিরুদ্ধে আপনি অবস্থান নিয়েছেন। রাসূল যে ঈমান নিয়েছে সেটার বিরুদ্ধে আপনি অবস্থান নিয়েছেন। মুসা আলাইহিস সালাতুস সালাম এর ঈমান রক্ষার্থে হিজরত করেছেন। তার সাথীদের হিজরত করেছেন। হিজরতের পরে বেরিয়ে আসছেন। সেখানে আবার যখন পার হয়েছেন তিন নদী পার হওয়ার পরে সাগর পার হওয়ার পরে সেখানে যখন আবার দেখবেন মূর্তি পূজার তিনি রেগে গেলেন যে কেন তোমরা মূর্তি পূজাতে আবার লিপ্ত হলে? আল্লাহর পক্ষ থেকে আজাব আসল তারা অনেকেই মারা পড়লো। কারণ শিরকের সাথে ঈমানের সাথে কোনো কিছুর কম্প্রোমাইজ লেনা মূসা আলাইহিস সালাম সেটা দেখিয়ে দিয়েছেন। ঈসা আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম ঈমানের কারণে তাকে আল্লাহ তায়ালা তার উপর আক্রমন যখন আসছে আল্লাহ তালা তাকে উঠিয়ে নিয়েছেন।
ঈমানটাকে বড় করে রেখেছেন। অন্য কিছু কোন কারণ ছিল না। আমাদের নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তিন বছর জেল খেটেছেন। ঈমানের কারণে কোন কারণ নাই। তারা তাকে ভালোই জানতো। তার হাত দিয়ে তারা বসিয়েছে। হাজরে আসওয়াদ বসিয়েছে ঈমানের আগে। ঈমানের দাওয়াতের আগে হাজরা আসসাদ বসিয়েছে তারা আল আমিন বলতো তারা বিশ্বস্ত তার কাছে সবকিছু রাখতো আমানত রাখতো কিন্তু ঈমানের কথা তারা মানতে পারে নাই ঈমানের কথা মানতে পারে নাই বলেই মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে তারা জেলে ফুলিয়েছে যতদিন আবু তালেব ছিল ততদিন তার ঢাল হিসেবে কাজ করে সেকেন্ড দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার পরে আবু তালেব ঈমানের উপর ঈমানের উপর মারা যাননি দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার পরে তিনি একবার তায়েফে গেলেন সেখানে তাকে রক্তাক্ত হতে হয়েছিল শুধু ঈমানের কারণে ঈমানের কারণ আর কোন কারণ ছিল না।
তিনি সবাইকে দাওয়াত দিয়েছেন ঈমান। একটাই কথা ছিল আইহনাসলা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। মানুষেরা বললা ইলাহা ইল্লাল্লাহ সফল কাম হতে পারবে। সফলতা চান ঈমানকে ধরে রাখেন। সফলতা চান ঈমান বিরোধী কোন কাজে নিজেকে জড়াবেন না। মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই ঈমান রক্ষার্থেই মদিনা হিজরত করেছেন। মদিনা হিজরত করেছেন এবং সমস্ত যুদ্ধগুলি করেছেন। জীবনের সমস্ত কাজ ঈমান কেন্দ্রিক ছিল। কোরআনে কারীমের আয়াত প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েন ঈমান নাই আমল সলের কোন মূল্য নাই আমল সলে হবে না ঈমান না থাকলে কিছুই হবে না এজন্য আপনার ঈমানটা সবার আগে কিন্তু ঈমান কিভাবে হয় আর ঈমান কিভাবে যায় তা আপনাকে অবশ্যই জানা দরকার রয়েছে পূর্ববর্তী কিছু কাহিনী আমি উল্লেখ করব ঈমান কিভাবে তারা সংরক্ষণ করতেন এক নম্বর আসহাবে কাহের কাহের ঘটনা আপনার জানেন আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বলেছেন তাদেরকে ধরে আনা হয়েছিল যে মূর্তির অনুসরণ কর মূর্তিকে মান তারা বলছে আমরা তো একমাত্র রবের আমার রব্বুল আলামীন তারা কারো কাছে আমরা মতামাতান নত করি
না কারো কথা আমরা শুনি না একমাত্র রব্বুল আলামীনের এবাদত আমরা করি তাদেরকে সময় দেয়া হয়েছিল তারা সেখান থেকে পালিয়ে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে পালানোর জায়গা করে দিয়েছেন সেখানে তারা ৩০০ তত বছর তত ১০ বছর ছিল অথবা আরো বেশি ছিল কোরআনে কারীমে আল্লাহতালা উল্লেখ করেছেন সেই পুরো সময়টা কেন তারা এ কষ্ট করেছেন ঈমানের জন্য ঈমানের জন্য রাসূুল্লাহ সলামের কাছে একদিন খাব্বা এসে বললেন যে রাসূ আপনি কি আমাদের জন্য দোয়া করবেন না আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবেন না আমরা হয়েছি এ হচ্ছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন তোমাদের আগে যারা ছিল তাদের অনেককেই কিভাবে শাস্তি দেয়া হইতো তাদেরকে অনেককে করা দিয়ে দুই ভাগ করা হইতো অনেককেই ইয়া দিয়ে শরীরের গোস্ত হাড়ের মাঝখান দিয়ে কষ্ট দেয়া হতো আলাদা করে দেয়া হতো হাড় এবং গোস্তকে তারপরও তার ঈমান থেকে তারা দূরে সরে যেত না আপনার উপর কিছুই হয়নি বিশ্বাস করুন কিছুই হয়নি আপনি ঈমানটা নষ্ট করে যাচ্ছেন সকাল বিকাল ঈমান
নষ্টের মধ্যে আপনি পতিত হচ্ছেন আপনার উপর কোন জুলুম হচ্ছে না কিছু হচ্ছে ইচ্ছা করলে আপনি ভালো থাকতে পারেন কিন্তু আপনি ভালো থাকার চেষ্টা করেন না কারণ আপনি ঈমানের গুরুত্ব বুঝেন নাই আখেরাতে আপনার যে একমাত্র ঈমানের উপরে আপনার মুক্তি নির্ভর করছে এটা আপনার অন্তরের ভিতরে নেই শুধু আসহাবে কথা কেন বলব আসাদুদের কথা আপনাদের মনে পড়ে ওখদুদ কারা ছিল যেটার কথা আপনারা শুনেছেন যে এই সূরা বুরুজের মধ্যে ঘটনা পুরোপুরি আসছে কোরআনে কারীম আল্লাহ উল্লেখ করার পরে আপনার আর কোন চিন্তা করার দরকার নেই ঘটনা কি ঘটেছে স্পষ্ট ঘটনা সেখানে হাদিসের বিস্তারিত বর্ণনায় এসেছে যে এক বাচ্চা এক ব্যক্তি ছিল জাদুকর রাজার সে চাইছিল যে তারপরে একজন আরেকজন জাদুকর বানিয়ে ছাড়বে যাতে রাজার উপকার হয় এখন সে একজন বুদ্ধিমান বালককে পাঠাইছে জাদু আসার পথে সে বালক দেখছে যে একটা লোক বসে আছে তা কি বসে আছে শুনতে শুনতে বলে যে ঈমানের উপরে লোকটা ভালো অর্থাৎ সে ঈমানদার সে তার
কাছে বসে ঈমানের সবক নিল একদিন একটা পাগলা জিনিস বেরিয়ে আসলো দূর থেকে তাদেরকে আক পাগলা হাতে সবকিছু ধ্বংস করার জন্য তিনি একটা ডিল মেরে এটাকে ধ্বংস করে দিলেন তিনি বললেন তখন তার ওস্তাদ তাকে বলল তুমি বিপদ ঈমানের মধ্যে বিপদে পড়বে দেখা যাচ্ছে তুমি ঈমান পরীক্ষা হবে তোমার সেই পরীক্ষায় তিনি ডিকে গেছেন তাকে পাহাড়ের উপর থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছে তিনি হেটে চলে আসছেন তাকে পানিতে ডুয়ে তিনি উঠে চলে আসছেন। শেষ পর্যন্ত বলা হলো যে যদি কিভাবে তোমাকে মারতে পারবো? বলে মারতে পারবে এবং মানুষ জমায়েত করো। তাহলে তিনি চাইছেন দাওয়াত যেন প্রসার হয়ে যায়। ঈমান যেন প্রসার হয়ে যায়।
মানুষদেরকে জমায়েত করো। জমায়েত করে আমার একটি আমার থেকে তীর নিয়ে আমাকে বলবে বিসমিল্লাহির রাব্বিল গোলাম। বিসমিল্লাহির রাব্বিল গোলাম। যে গোলামের রবের নামে আমি তীর মারছি। তখন আমি মারা যাব। তিনি মারা গেছেন কিন্তু ঈমানের দাওয়াত দিয়ে গেছেন ঈমান নিয়ে মারা গেছেন ঈমানের দাওয়াতের জন্য মৃত্যুটাকে তার তার কাছে কিছুই মনে করেন নাই। তিনি মূর্তিকে তিনি গ্রহণ করে নিয়েছেন। কারণ এই মৃত্যু তার ঈমানের মৃত্যু। ঈমানের মৃত্যু। ঈমানের জন্য শহীদরা শাহাদত বরণ করেছে। এটা মনে রাখতে হবে ঈমানের জন্য কোন কারণ নাই। কি জন্য তারা তো মরে যাচ্ছে। দুনিয়ার ভোগ বিলাস থেকে মুক্ত হয়ে যাচ্ছে।
তারপরও তারা ঈমানের জন্য যে ঈমান রক্ষা ঈমানকে প্রচার প্রসার করা এটার জন্য তাদেরকে দুনিয়ার বুকে তারা কষ্ট করে রক্ত দিয়ে চলে গেছেন রক্ত দিয়ে গেছেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন রক্ত মাটিতে পড়ার আগে আল্লাহ কবুল আল্লাহর কাছে কবুল হয়ে যায় এবং সেটা হাশরের মাঠে যখন আসবে তখন মিশকা আম্বরের অত্যন্ত সুগন্ধি সে রক্ত নিয়ে হাশরের মাঠে সে হাজির হবে হাশরের মাঠে সে হাজির হবে মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেন এগুলি বললেন এই কারণ যে এরাই হচ্ছে ঈমান রক্ষাকারী এদের প্রশংসা করা কারীমে মুস্তাকিম সরাতে মুস্তাকিমের পথ আমাদেরকে দেখান আল্লাহতালা দিয়ে দেন মুস্তাকিম কিতা আলাইহি নবী সিদ্দিক এবং নবী সিদ্দিক এবং নবী সিদ্দিক শহীদ এবং সহ এ চার শ্রেণী হচ্ছে শ্রেষ্ঠ যারা সঠিক পথের উপর ছিল এ সঠিক পথের উপর থাকতে হলে ঈমান না হলে তারা কেউ সঠিক পথে থাকে না এজন্য ঈমানের এই ওই কয়টা উদাহরণ আমরা দিলামদ তারা ঈমানের উপরেই তারা টিকেছিল কারণ তারা
এই ঈমানটাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিল আমার আপনার জীবনে বড় বেশি প্রাধান্য পাওয়ার একমাত্র জিনিস ঈমান সন্তান চলে যেতে পারে সম্পদ চলে যেতে পারে অথবা আপনার বাড়িঘর চলে যেতে পারে কিছুই আপনার নাই আপনার শুধু নিঃশ্বাসটা আছে শরীরে হাত নাই পা নাই লুলা যাই হোক না কেন আপনি ঈমান আছে আপনি সেরা আর ঈমান নাই আপনি সব আছে আপনি হচ্ছেন সবচেয়ে নিকৃষ্টতম ব্যক্তি এটাই প্রমাণ করে ফেরাউনের মত ব্যক্তিত্ব তার ঘরে একটা ব্যক্তি মহিলা তিনি হচ্ছেন আসিয়া বিন্তে মুজাহেব তিনি চেয়েছেন যে এতো ঈমান আনে নাই আমাকে তো অত্যাচার করবে আল্লাহর কাছে তিনি দোয়া করেছেন আল্লাহ আপনার কাছে জান্নাতে একটি ঘর আমি চাই আল্লাহু আকবার ঈমানের জন্য কি না করেছেন ঈমানের জন্য সব পরিত্যাগ করতে রাজি হয়েছেন শুধু আল্লাহর কাছে একটি ঘর চেয়েছেন যে সে তো আমার কাছে অত্যাচার করবে অত্যাচার আমি যদি সহ্য করতে পারি আপনার কাছে একটা ঘর আপনার আমার প্রাপ্তি রয়েছে ঈমানের জন্য আপনি সব ত্যাগ করতে পারেন।
যদি না পারেন আপনি ঈমানের বুঝা গেল ঈমানের মধ্যে আপনার দুর্বলতা রয়েছে। ঈমানের জন্য সব ছাড়তে হবে। ঈমানের জন্য কিভাবে সাহাবায়ে কেরাম সে তার উদাহরণ দিব। তার আগে আমি বলি মাশাতার ঘটনা আপনাদের জানা আছে। ফেরাউনের কন্যা চুল আশ্রয়িত এক মহিলা। চুল আশ্রত এক মহিলা। তো একদিন তার হাত থেকে প্রচুর আশ্রানটা পড়ে গেছে। তো বলছে যে বিসমিল্লাহ আল্লাহর নামে। বলছে আমার বাবার নামে। বলছে না আল্লাহর নামে। আল্লাহর নামে তোমার বাপের রব হচ্ছেন আল্লাহ তালা তোমার বাপের রবও আল্লাহ তালা এটা শুনে সে দৌড়ে গিয়ে তার বাবাকে বলে দিল বাবাকে বলে দিছে এরা এসে তাকে তেলে জ্বালাইলো তেল মানে পুরা তেলের মধ্যে উতরায়ে ফেলবে তাকে এত উত্তপ্ত তেলের মধ্যে তার সন্তানগুলি একটা একটা করে ফেলছে ছোট বাচ্চা ছিল তার একটা কোলের মধ্যে কথা বলতো না সেটা কথা বলে উঠছে যখন মাকে নিক্ষেপ করতে চাচ্ছে মা বলে যে মা তুমি হকের উপর আছো এ ছোট বাচ্চা বলে ফেলছে তুমি হকের উপর আছো তুমি তুমি দ্বীন ছেড়ে দিও না তারপর সে বলছে আমি হকের উপর আছি আলহামদুলিল্লাহ এটা এটা আমার প্রাপ্ত জিনিস।
এই মা সেতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মেরাজের রাত্রিতে গিয়েছেন তিনি বলেছেন আমি সুগন্ধ দেখ সুগন্ধ দেখতে সুগন্ধ দেখলো। কোত্থেকে সুগন্ধ আসলো? বলে যে মা সেতা বিন্তে ফেরাউনের যে যে তার যে তার এই কক্ষ থেকে সুগন্ধ আসছে। কারণ এটা সে আল্লাহর জন্য সে নিজের জীবনকে মিলিয়ে দিয়েছিল। এটা ঈমানের জন্য ভাই আর কোন কারণ নাই। আমরা কারো সাথে শত্রুতা আমাদের নাই। ঈমান যদি হয় সে আমার বন্ধু। ঈমান যদি কারো না থাকে তাহলে সে আমার কোনদিন বন্ধু হইতে পারে না। এটা আমাদেরকে মনে রাখতে হবে। সাহাবায়ে কেরাম ঈমানের জন্য সাহাবায়ে কেরাম ঈমানের জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করেছেন। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং তালহা ইবনে ওবাদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু দুইজন দুইজন একসাথে আমি উল্লেখ করতেছি এইজন্য তাদের উপর দিয়ে ঈমান আনার পরে তারা আপনারা জানেন যে প্রথম ঈমান আনয়নকারীদের মধ্যে প্রথম হচ্ছে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনিও ঈমান এনেছেন।
তাদের উপর দিয়ে স্টিম রুলার চালানো হয়েছে ঈমান আনার কারণে। কিন্তু তারা ঈমান থেকে তাদেরকে সরাইতে পারে নাই। ঈমান থেকে সরাইতে পারে নাই। উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু এমনকি শেষ পর্যন্ত তাকে হিজরতও করতে হয়েছে। কিন্তু ঈমান থেকে তাকে সরাতে সরাতে পারে নাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন যে ইব্রাহিমের পরেই প্রথম একজন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে হিজরত করল। তিনি হচ্ছেন মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের কন্যা রুকাইয়াকে নিয়ে ওসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি হিজরত করেছেন। হাবার সাথে হিজরত করেছেন। হাবারের সাথে হিজরত করেছেন। আবার এসছেন আবার হিজরত করেছেন। আবার মদিনায় হিজরত করেছেন। সারাটা জীবন শুধু একটু ঈমান রক্ষাতে। সেটা কি? আল্লাহ ছাড়া কারো এবাদত করা যাবে না।
আল্লাহ ছাড়া কেউ এবাদত করবে না। আর আপনার আমার ঈমান কত নষ্ট হয়ে যায়। বাজারে কম দাম দিছে এখন আপনি দরকার ওকে সেজদা করে ফেলবেন কম দাম খাওয়ার জন্য নাউজুবিল্লাহি মিনা শাইতানির রাজিম আমার আপনার ঈমান কত দুর্বল আপনি কি বুঝতে পারেন বাজারে কম দাম দিছে অমুক উপলক্ষে আপনি সেটা নেয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন এটা কি আপনার জন্য বৈধ কখনো না আপনি সেটা কেন নিবেন এটা তো আপনার এই উপলক্ষ তো ইসলামে নাই বেদাতি উপলক্ষ শিরকি উপলক্ষ কখনো ঈমানদার গ্রহণ করতে পারে না ঈমানদার এই সমস্ত উপলক্ষে কোন কিছুই করবে না না এই উপলক্ষগুলি আমার নয় আমার এই সমস্ত উপলক্ষে গ্রহণ করা যা আমার জন্য বৈধতা নেই কেন আপনি ওখানে গেছেন কেন আপনি এটা কিনবেন কেন লাল শাড়ি কিনবেন সামনে আরেকটা আসতেছে এরকম অনেকে লাল শাড়ি ঘুরঘুরে হাঁটবে এটাও ইসলাম অনুমোদন করে না এটাও জায়েজ নাই এ জাতীয় কোন কিছু আপনার ঈমানের ভিতরে খল আসতেছে ঈমানের ভিতরে আঘাত আসতেছে
আপনি সেটা কেন করতে যাবেন সাহাবায়ে কেরাম ব্যাপারগুলো দেখেন এরপরে সাদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঘটনা আপনারা জানেন সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু তার মায়ের প্রতি খুবই অনুরক্ত ছিলেন মায়ের কথা শুনতেন ইসলাম আনার পরে তার মা বললেন যে আমি মরে যাব তুমি তোমার তোমার কিতাবে না বলে যে আমার কথা শুনতে হবে আমি মরে যাব তুমি ঈমান তুমি যদি কোন কাফের না হয়ে যাও দ্বীনে ফিরে না আসো আমাদের তলে আমি মরে যাব কিন্তু তিনি মরে গেল ঈমান তিনি মরে যাননি কিন্তু সর্বশেষ শেষ পর্যন্ত সাদলেন মা তুমি মরে গেল আর যাই করো আমি কিন্তু ঈমান থেকে ঈমান থেকে দূরে সরে যাব না এটা হল তাদের ঈমানের অটলতার প্রমাণ তারপরে আপনারা জানেন জুবায়র রাদিয়াল্লাহু তার বিরুদ্ধে তার বিরুদ্ধে তার চাচাতো ভাই ধরে তাকে কি আঘাত করেছে সে ঘটনা ইতিহাস ষেত হয়েছে এবং হাদিসের কিতাবে উল্লেখ আছে কিন্তু তাদেরকে ঈমান থেকে দূরে সরাতে পারে নাই সাঈদ ইবনে তাকে ওমর রাদিয়াল্লাহু কিভাবে
বাঘাত করতেন ইসলাম গ্রহণের আগে সেটাও আমাদের কাহিনী বিভিন্ন ঘটনা আমাদের কাছে উল্লেখ আছে অনুরূপভাবে মুসা ইবনে উমাই রাদিয়াল্লাহু আনহু সকালবেলা একটা কাপড় পড়তেন বিকেলবেলা আরেকটা কাপড় পড়তেন ধনী মহিলা ছেলে ছিলেন মুসা ইবনে রাদিয়াল্লাহু কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে হিজরত করতে হয়েছে এই সম্পদ রেখে হিজরত করতে হয়েছে তাকে হিজরত করতে হয়েছে এবং মদিনায় গিয়ে তিনি মুসলিমদের প্রথম তিনি অ্যাম্বাসেডর ছিলেন। মদিনার ঘরে ঘরে দ্বীনের আলো তিনি পৌঁছে দিয়েছেন তিনি হচ্ছে মুসা ইবনে রাদিয়াল্লাহু।
মক্কাতে আরাম আয়েশার থাকার জায়গা হলে তিনি সকালে এক জামা পড়তেন বিকেলে আরেক জামা পড়তেন এরকম ছিলেন তার এত ধনী ছিলেন তিনি কিন্তু এটাকে তিনি গুরুত্ব দেন ঈমানকে গুরুত্ব দিয়েছেন সোহাইবের রুমি তার সম্পর্কে আপনি ভালো করে জানেন কি করেছে সহেব মক্কাতে এসে তিনি বিয়ে শাদী করেছেন সন্তান হয়েছে সেখানে তার সম্পদ হয়েছে প্রচুর পরিমাণে এত সম্পদ হয়েছে যে তিনি মক্কাতে ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে বিবেচিত হতেন ঈমান আনার পরে তাকে তারা বলল যে মক্কাবাসীরা ধরে বলল যে এই সম্পদ তুমি নিয়ে আসো নাই এগুলা মক্কাবাসী সম্পদ তারা সম্পদটা রেখে দিল তার স্ত্রী তোমার এখানে মক্কাবাসীদের স্ত্রী মক্কাবাসীদের কন্যা এটা রেখে দেব আমরা রেখে দিল তার সন্তান দিতে পারব না সন্তানও আমাদের মক্কাবাসীদের রেখে দিল তার কাপড় তোমার গায়ে আছে এটাও খুলে রাখতে হবে এটা আমাদের মক্কাবাসীদের টাকা দিয়ে হইছে এটা খুলে রাখল মানে তারা দেশাত্মবোধকে আগায় দিল আগায়ে দিল দেশাত্মবোধ আমাদের মক্কাবাসীদের এটা নামায়া দিল তিনি বললেন যে একটা কাপড়
দাও আমাকে আমি আমার লজ্জাস্থানটা ঢেকে নিয়ে একজনকে একটা কাপড় চেয়ে নিয়ে লজ্জাস্থান থেকে মদিনায় আসলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন ডেকে বললেন সহ সহব লাভবান হয়েছে সহেব লাভবান হয়েছে সহব লাভবান হয়েছে তিনবার তিনি বললেন কি দিয়ে হয়েছে বলেন কিছুই নাই কিছুই নাই শরীরে একটু কাপড় ছাড়া লজ্জাস্থান ঢাকার কিন্তু লাভবান হয়েছে কি দিয়ে ঈমান দিয়ে ঈমান যার আছে সে লাভবান এতে কোন সন্দেহ নেই রাসূ এই ঈমানটাকে মানুষের অন্তরে ঢুকিয়ে দিয়েছেন যে ঈমান যদি ঈমান যদি থাকে তোমার সব আছে ঈমান না থাকলে আর তোমার কোন কিছুই নেই বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঘটনা আপনাদের জানা আছে কিভাবে ঈমানের কারণে তার উপর জুলুম করা হতো আল ইয়াসের, ইয়াসের পরিবার আম্মার রাদিয়াল্লাহু আনহু, সুমাইয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা এবং ইয়াস রাদিয়াল্লাহু আনহু এদের উপরে কি জুলুম গেছে সেটা আপনারা জানেন।
আমি লম্বা আলোচনা করছি না। শুধু এইটুকু বলবো। যে তাদের উপরে জুলুম গেছে এই জুলুমের কেন হয়েছিল এই জুলুম গুলো। এই যে ঈমানের কারণ হইছে। অন্য কোনো কারণ নাই। মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের কাছে তার তো প্রস্তাবও নিয়ে আসছে। কি কি প্রস্তাব নিয়ে আসছে? এক বছর আপনি আমাদের মূর্তিদের কথা বলে যাবেন। আরেক বছর আপনার আল্লাহর কাছে শুধু আল্লাহর কথা বলবেন। বাহ কি সুন্দর কম্প্রমাইজ দেখাচ্ছে। কি সুন্দর মিল করে দিচ্ছে। এত মিল সবকিছু সুন্দর মিল করেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো তাতে রাজি হন নাই। তিনি বলছে আমি তো এত কিছু দরকার নাই। একটা জিনিস চেয়েছি। তোমরা বল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তাতে হয়ে যাবে।
বিরোধ করতে এটাই শুনতে চাচ্ছি না আমরা আল্লাহ নাজিল করলেন আলাদা আলাদা ইসলাম ছাড়া অন্য কোন দীন হক নাই একমাত্র ইসলামী হক সমস্ত নবী রাসূ ইসলামের উপর ছিলেন সুতরাং আপনি এখন ইসলাম ছাড়া অন্য কোন হক খুছেন আপনি তো সবচেয়ে বড় নিকৃষ্ট ব্যক্তি দুনিয়ার বুকে আপনি যত যত কাপড়ে পড়েন না কেন যত পদেই আপনি পদেই আপনি বহন করেন না কেন এগুলি কিছুই না আল্লাহর কাছে আপনি কি আপনি একটু নিজের অন্ধকার অন্ধকার রাত্রিতে একটু চিন্তা করেন আজকে মরে গেলে আগামী দিন আপনাকে কি হিসেবে বিচিত হবে যারা এদেরকে জানাজা দেয় নিকৃষ্ট ব্যক্তি যারা জানে যে এরা সবসময় আল্লাহ বিরোধী পথে পরিচালিত হচ্ছিল আল্লাহর আল্লাহর বিরুদ্ধে চলেছিল এদেরকে জানাজা দেয়ার বৈধতা নেই আল্লাহতালা কারীম নিষেধ করে দিয়েছেন তাদের কবরের উপর আপনি দাঁড়াবেন নাযারা এরকম অবস্থায় মারা যায় তাদের উপর আপনি দাঁড়াবেন না।
তাদের উপর সালাত আদায় করবেন না। আল্লাহ নিষেধ করে দিয়েছেন আল্লাহ তালা তার নবীকে এত কঠিনভাবে নিষেধ করেছেন যে এদের উপর আপনি কখনো সালাত আদায় করবেন না। আপনি চাইলে হেদায়েত দিতে পারেন না। হেদায়েত আল্লাহর হাতে। আপনি যদি কোন হেদায়েত প্রাপ্ত না হয়ে থাকে আপনি তাদের উপর কোন কিছু চাওয়ার কোন কিছু নেই। তিনি চাইলেই তার চাচাকে জানাযা দিতে পারতেন। কিন্তু দিতে পারেন নাই। কেন? আল্লাহ নিষেধ করে দিয়েছেন। তিনি উবাই ইবনে কাবের উপর জানাজা পড়।
উবা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উবা জানাজা পড়তে চেয়েছেন কিন্তু জানাজা পড়তে আল্লাহ অনুমতি দেন নাই কারণ ঈমান নাই ঈমান নাই যেখানে ঈমান নাই সেখানে আর কোন কিছু প্রাপ্তি নাই তার সাথে আপনার কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না এবং তাকে আপনি ভালোবাসার কোন কারণ সেখানে থাকতে পারে না সুতরাং মনে রাখতে হবে যে ঈমানের সাথে আপনার এখন সবকিছু সম্পর্কিত হতে হবে সবকিছু ঈমান অনেকেই আছে দুনিয়া পাওয়ার জন্য রাষ্ট্র পাওয়ার জন্য ক্ষমতা পাওয়ার জন্য ঈমান নষ্ট করে যাচ্ছে বলতেছে আমাদের আমাদের পূজা কিভাবে বলতে পারে একজন ঈমানদার আমাদের পূজা কিভাবে একজন ঈমানদার বলতে পারে আমাদের পূজা বিষয়টা কত ভয়াবহ আপনি কি বুঝতে পারেন কিভাবে বলতে পারে একজন মানুষ কিভাবে বলতে পারে একজন মানুষ কিভাবে দেখতে যেতে পারে একজন মানুষ যখন বুঝে যে তার একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে অসম্মান করা হচ্ছে সেখানে সে যায় না মহান রব্বুল আলামীন যিনি সবচেয়ে বড় সম্মানের অধিকারী তাকে অসম্মান করা হচ্ছে তার জন্য শিরিক করা হচ্ছে শরিক
করে তার সেজদা করা হচ্ছে এবং সেখানে দুনিয়ার নাচ গান হচ্ছে সেখানে দুনিয়ার অপকর্ম হচ্ছে আপনি সেখানে গিয়ে আপনি সেখানে গিয়ে সেটার সাথে কি খুশি করছেন কি একাততা ঘোষণা করতেছেন সেখানে গেলেই তো আপনার ঈমানের টানাটানি লাগবে আর যদি বিশ্বাস অন্তর থেকে কোন কথা বলে ফেলেন আপনার ঈমান চলেই যাবে এমন কত কথা বললে যেটাতে বুঝা যায় যার ঈমান নাই বুঝতে হবে অনেক কিছুই আপনি যা যা করছেন সেটা কি এমনিতে শেষবার যা বলছেন আছে রাস্তায় বলে চলে গেছে তা নয় কারণ প্রত্যেকটি কথা প্রত্যেকটি কাজ অবশ্যই লেখা হচ্ছে আপনি মনে করেন আপনি অন্ধকারে কি করেছেন কেউ দেখে নাই। আপনি মনে করেন না আপনি দুনিয়ার বুকে কি করেছেন কেউ জানেনি।
না জেনেছে সবাই জেনেছে ফেরেশতারাও জেনেছে না কেউ না জানলেও আল্লাহ তালা জেনেছে। অন্তর দিয়ে কুফরি করে থাকলেও আল্লাহ তালা জানেন। এবং সেটার উপরে আপনার বিচার হবে। দুনিয়ার বুকে হয়তো আপনাকে অনেকে মুসলিম মনে করে বসে আছে। কিন্তু আপনি মুসলিম নন এটা প্রমাণিত হবে আপনার কর্মকাণ্ডে। আপনি যা যা করেছেন এর উপর আপনাকে শাস্তি পেতেই হবে। আপনাকে এর উপর শাস্তি পেতেই হবে। কারণ আপনি অন্যায় করেছেন এবং যে অন্যায় করেছেন দেশের মানুষকে ঈমান থেকে বিচ্যুত করার একটা ষড়যন্ত্র করেছেন আপনি। ঈমান থেকে বিচ্যুত করেন। ঈমান থেকে বিচ্যুত করে ফেলে তারা বিভিন্ন মতবাদ নিয়ে এসে বিভিন্ন মতবাদ দিয়ে। এতদিনই আপনারা বুঝতে পারবেন যে কেন আলেমরা বলে যে কোন মতবাদ ইসলামে নাই।
ইসলাম কুল ইসলাম পরিপূর্ণ দ্বীন কামেল। পরিপূর্ণ দ্বীন। ইসলামের সাথে অন্য কোন কিছুর সম্পর্ক আমাদের নাই। আপনারা বুঝতে পার চেষ্টা করুন। যে কেন তারা যারা এই কাজগুলি করে তারা ঈমানদার এখনো হতে পারে নাই। ঈমান কিভাবে তারা প্রতিষ্ঠা করবে আমরা জানি না। কিন্তু নিজের ঈমানের মধ্যে খলল রয়েছে। এটা তো ঈমান আগে পরিশুদ্ধ করতে হবে। কারো আশায় গণতান্ত্রিক নিয়ম অমুক নিয়ম সমাজতান্ত্রিক নিয়ম অথবা অমুক নিয়ম দিয়ে আপনি যদি কোন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চান আপনি ভয়াবহ কুফরিতে লিপ্ত আছেন আপনি আগে নিজের ঈমানটাকে পরিশুদ্ধ করেন ঈমান পরিশুদ্ধ না করলে আপনি ঈমান ঈমানটাকে আপনি কবরে গেলে আপনার খবর আছে সেখানে গেলে আল্লাহতালা অবশ্যই আপনাকে পাক্কা করে আপনাকে ছেড়ে দিবেন না সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম সবশেষে বলব বর্তমান এই সময় এই জামানায় এসে আমরা দেখতে পাচ্ছি ফেতনা এত বেশি বেড়ে গেছে যেটা বলছেন অন্ধকার রাতের টুকরার মত অন্ধকার রাতের টুকরা বুঝেন তো নিজেও দেখেন না কিছু দেখেন না এমন হইতে পারে সাপ বিচুর
উপর পা দিচ্ছে এমন হতে পারে আপনার সামনে একটা হায়না আসছে এমন হইতে পারে যে ওইটা ঘুরছে ওইটা ঘুরছে আপনি কিছুই দেখেন না ঠিক বর্তমানে এমন একটা আমাদের চোখের উপর একটা পর্দা দেয়া হয়েছে আমাদেরকে শিক্ষা নামক কুশিক্ষার পর্দা দিয়ে আমাদেরকে আবৃত করা হয়েছে আমরা চোখে দেখতে পাচ্ছি না যে জিনিসটা নবীদের শিক্ষাটা কি সেটা শিখা দরকার নবীদের শিক্ষাটা কি? সাহাবায়ে কেরামের শিক্ষাটা কি? এই দুই জিনিস আমাদের থেকে মানুষ পর্দা দিয়ে আবৃত করা হয়েছে। আমি অন্ধকারে হাত বেড়াচ্ছে তারা। অন্ধকারে হাত বেড়াচ্ছে। কোন কিছুই তারা দেখতে পায় না। দেখতে পায় না তারা। এখন এই অন্ধকারে হাত যেটা বলেছেন এমন একটা সময় আসবে।
অন্ধকার রাতের টুকরার মত হয়ে যায় মানুষ। মানে দেখতে পাবে না যেরকম অবস্থা হয়ে যাচ্ছে। আপনি হক দেখতে পাচ্ছেন না। দয়া করে একটু হক দেখার চিন্তা করুন। একটু নবীদের কর্মকাণ্ডের দিকে তাকান। সাহাবা আমার কথা আমি শোনার কথা আমি বলছি না আমার শোনার কথা আমি বলছি কোরআনে কারীম পড়েন বুঝেন যে ঈমানের কথা কতবার বলা হয়েছে কিভাবে ওদেরকে পরিত্যাগ কাফেরদেরকে পরিত্যাগ করতা বলা হয়েছে কোরআনে কারীম আল্লাহতালা তার নবীকে বলছেন নবী আপনি আল্লাহ তাক অবলম্বন এবং এটা বলেছেন বারবার বলেছেন অনুসরণ করবেন না বারবার বলছেন নবীকে বলছেন নবী তো জীবনে অনুসরণ করবেন না কিন্তু আমাদের তো আমাদের জন্য শিক্ষা রয়েছে যে আমরা যেন এগুলি অনুসরণ না করি।
সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম বলছিলাম বড় সমস্যা হচ্ছে এখন আমরা কি কারণে কি কারণে যে আমরা দুনিয়ার বুকে সবচেয়ে বেশি প্রায়োরিটি কোনটাকে দিব এটা ভুলে গেছি। কোনটাকে প্রায়োরিটি দেব? আমরা কি সন্তানকে প্রায়রিটি দিব? না সম্পদকে দিবো? না দেশকে দিবো? না সবার আগে দেশ বলছেন। সবার আগে তো ঈমান। সবার আগে দেশ নয়। এটা আপনি সবার আগে কি মনে করছেন? কেউ বলবে সবার আগে এটা। সবার আগে জনগণ সবার আগে ওইটা একেকজন একেকটা বলবে কিন্তু সবার আগে হচ্ছে ঈমান ঈমান নাই সবচেয়ে শেষে ওইটা সবচেয়ে নিকৃষ্ট টা ঈমান আছে সবার উপরে সেটা এটা মনে রাখতে হবে ঈমান আছে তাদের জন্য আল্লাহতাার পক্ষ সুসংবাদ রয়েছে আল্লাহতালা কোরআনে কারীম বারবার সুসংবাদ দিয়েছেন এটা যারা ঈমান এনেছে তাদের জন্য কোরআনে কারীমার জান্নাত বারবার বলেছেন জান্নাত এক জায়গায় বহু জায়গায় আমি শুধু উল্লেখ করলাম না ঈমান নাই আপনার কিন্তু তাদের কোন গুরুত্ব দেয়ার কোন দরকার নেই।
ভ্রুক্ষেপীনতার মধ্যে থাকবে। ঈমান থাকলে সে অবশ্যই আপনার ভ্রুক্ষেপ পাবে। আপনি তার জন্য অবশ্যই ভালো ব্যবহার তার সাথে সে পাবে। আপনি তার জন্য ভালো ব্যবহার করবেন। তার সাথে আপনার সম্পর্ক কিসের? আপনার সম্পর্ক ঈমানের ভিত্তিতে। ঈমানের ভিত্তিতে আপনার সম্পর্কটা দেওয়া লাগবে। ঈমান নাই সম্পর্ক আপনি রাখতে পারবেন না। সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম যেটা বলছিলাম সবশেষটা হচ্ছে এই জিনিসটা আপনি নিজে যেমন বুঝবেন পরিবারকে বুঝাবেন। যে ঈমানের উপর সবকিছু আমাদের তৈরি করতে হবে। ঈমানের উপর তৈরি করার কারণে যুগে যুগে আলেমরা নির্যাতিত হয়েছে। নির্যাতিত হয়েছে। তারা তো শুধুমাত্র আকার আলেমরা এই উম্মতের মধ্যে যারা আগে কষ্ট পেয়েছে তারা শুধুমাত্র জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলেছে।
কিন্তু যদি শিরিক কুফুর থাকতো তারা কিন্তু কাউকে ছাড় দিতেন না। তারা কোন ছাড় দেন নাই। কোন কিছু তারা কোন কম্প্রমাইজ করেন নাই। ইমাম আহমদ হাম্বলকে কত রকমের পরীক্ষা চেয়েছে খলিফাতুল মুসলিমিন যে আপনি একবার বলেন একবার বলেন চুপ থাকেন। আপনি এটা বলেন আপনি কিছু বলেন না। কিন্তু উনি বলেছেন না আমি যদি না বলি। আপনি আমরা যদি না বলি তাহলে হক প্রচার কিভাবে হবে? ঈমানদারের কাজে হবে হক বলা। যেখানে আছে সেখানে হাইয়ের হবে। কল্যাণকামী হবে। কোনভাবেই যেন কল্যাণের বাইরে না যায়। ঈমান চিন্তা করবে যে আমি যেখানে থাকি সেখানে হকের কথা বলব। ইবনে তাইমিয়া রহমাতুল্লাহ জেলে গেছেন। জেলে যাওয়ার পর সেখানেও তিনি দায়িত্ব ঈমানের কাজ করে গেছেন।
সেখানে বলে গেছেন। ঈমানদার যেখানে যায় সেখানে ভালো করে। শায়েখ মহম্মদ আব্দুল রহমাতুল্লাহ আলাইহির সন্তানরা। তাদেরকে ধরে নিয়ে গেছে ইব্রাহিম বাসা। কোথায় নিয়ে রাখছে? মিশরের জেলের ভিতর রাখছে সেখানে মিশরের জেলে যারা আছে তাদেরকে তিনি পড়াইতে আরম্ভ করে দিয়েছেন। চিন্তা করুন যেখানে যে ঈমানদার সেটাই হয় ঈমানকে শিক্ষা দিতে হবে। শিরিক কুফর থেকে বাঁচাতে বাঁচতে হবে। আজ এজন্য সারা বিশ্বে যারাই এ ভালো কাজগুলি করেছে যাদেরকে আপনি স্মরণ করেন ঈমানদার বলেন তাদেরকে তাদের বড় কাজ হচ্ছে এটাই যেখানে গেছে সেখানে ঈমানের কাজ করেছে। ঈমান বিরোধী কাজের বিরুদ্ধে আপনাকে পর্বত প্রণ থাকতে হবে। কিছু মানুষ আছে ঈমানও চলবে কুফরিও চলবে। এই নীতি আপনার অবলম্বন করা যাবে না।
ঈমানের সাথে কুফুর একসাথে হতে পারে না। একটা একটাকে নষ্ট করে ফেলে। ঈমানের সাথে কুফর একসাথে হইতে পারে না। সুন্নাহ সাথে বেদাত একসাথে হইতে পারে না। এ দুইটা একসাথ করলে একটা একটাকে নষ্ট করে দেয়। এজন্য ঈমানদারের কাজ হবে ঈমানকে রক্ষা করা। আমি যে ঈমানটা বাবা থেকে পেয়েছি এটা নেয়ামত। আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভাই পায় নাই। অনেক ভাই কষ্ট করে ঈমান আনতে হয়েছে। আমার ঈমানটা আগে শিখে নেই আসলে ঈমানটা আমি যতটুক হ্যা রাসূুল্লাহ পিতামাতা ইহুদি আল্লাহতালা মানুষকে জন্ম থেকে তাদেরকে দন মানার মত প্রবণতা তৈরি করে হিসেবে পাঠান আল্লাহতালা সুতরাং একজন কার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছে সেটা বড় কথা নয় বড় হচ্ছে সে কিসের উপর বড় হয়েছে সেটা বড় কথা কার ঘরে জন্মগ্রহণ নিয়েছেন সেটা বড় কথা নয় আপনি ঈমান নিয়ে বড় হচ্ছেন কিনা দেখেন অনেক পিতামাতা তার সন্তানকে ঈমান পড়ায় নাই।
অনেক পিতামাতা আছে ঈমানের উপর। নিজেও থাকে নাই। সন্তানদেরকেও রাখে নাই। সুতরাং আপনি মনে করেন না যে মুসলিম নামধারী যারা আজ আছে বাংলাদেশে অধিকাংশই ঈমানের উপর বড় হয়েছে। ভালো করে দেখেন অধিকাংশ কি মনে করতো? আজ থেকে ধরেন আজ থেকে ৫০ বছর আগের অবস্থা ইসলামের কথা চিন্তা কর। বেশিরভাগই তাদের ইসলাম কি ছিল? ভালো করে যদি কোন কোন একটা পর্ব আসতো। তারা হয়তো আশুরা অথবা কোন একটা পর্বের মধ্যে কিছু দেখাইতো।
আর বাকি সারা বছর তারা ঈমানের কোন ধার ধারত না কাপড় পড়ত অর্ধেক কাপড় পরত কিভাবে হাঁটতো তারা জানেন তারা তাদের মধ্যে আর অন্যদের মধ্যে ধর্মের মধ্যে কোন পার্থক্য তখন বিভচিত হতো না আল্লাহতালা সেই ঈমানের জায়গা সেই জায়গাতে ঈমান দিয়ে পরিপূর্ণ করছে ঈমান দেখে আবার পিছনের দিকে ফেরার কোন সুযোগ নাই ঈমান দিকে সামনে প্রত্যেকটি মানুষকে ঈমানদার হতে হবে ঈমানের দাওয়াত দিতে হবে এজন্য ঈমানের দাওয়াতের পথে আমাদেরকে প্রতিষ্ঠা আল্লাহ আমাদের বোঝার তৌফিক দান করুন নাহমাদুহুসহুবিল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহুহুলা শারিকালাহ মুহাম্মাদান আবদুহুস সম্মানিত মুসলি কেরাম ঈমানের গুরুত্ব দিতে ঈমান শিখতে হবে জানতে হবে ঈমান কিভাবে হয় ঈমান কিভাবে যায় এর উপরে আমাদের কিছু বই আছে পড়ে নিবেন ইনশাল্লাহ আকিদা ইসলামী আকিদার সাধারণ জ্ঞান একটা বই আছে তিনটা বই আছে পড়ে নিবেন প্রত্যেকে তার ঘরে রাখবেন জানলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি বুঝবেন যে ইসলাম ছাড়া কোন মতবাদকে একসাথ করার কোন সুযোগ ইসলামের সাথে একসাথ করার সুযোগ নাই এবং ইসলাম ছাড়া
অন্যগুলি মানারও সুযোগ নাই এবং সেগুলি আপনি যদি না মানে থাকতে পারেন আপনি ঈমানদার থাকতে পারবেন আর যদি এগুলির পিছনে আপনি চলেন তাহলে আপনি ঈমানের পথে থাকতে পারবেন না আপনি যতই চেষ্টা করেন না কেন দুনিয়ার বুকে জীবনটা ভাই বড় করে দেখবেন না দুনিয়ার জীবন কোন না কোন ভাবে চলে যাবেই যে ব্যক্তি দুনিয়াতে আসছে এটা বড় সত্য হচ্ছে সে মারা যাবে সুতরাং আজ মরবে কাল মরবে আপনি নির্ধারণ করতে পারেন না যে ব্যক্তি যাইয়া কুফুরি করে কোন জায়গাতে কুফুরি করে আসছেন সে কয়দিন বাঁচবে একটু চিন্তা করে দেখুন এমনও হতে পারে দুইদিনের মধ্যে মরে যাবেন তিন চার দিনের মধ্যে মরে যাবেন এমনও হইতে পারে কুফুরি করে আপনি মরে গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এই যেন কুরবানি জানিয়েছেন আগে জানিয়ে দিয়েছেন যে একটা মানুষ সারাজীবন ভালো আমল করবে শেষ সময় এমন একটা আমল করবে সেটার উপরে তো মারা যাবে তো আপনি কেন কুফরি করতে চাচ্ছেন আপনি ঈমানের ঈমানের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারবেন ঈমানের বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারবেন না ঈমান বিরুদ্ধে কিছু করতে পারবেন ঈমান অন্তরে ধারণ করতে পারবেন না।
ঈমান বিরোধী কিছু হলে এমন কিছু ঈমান জিনিস ত্যাগ করতে পারবেন না। করবো না এমন হইতে পারে না। এই কাজগুলি খুবই দরকার আমাদের নিজে বুঝা অন্যকে বোঝা। কারণ ঈমান হচ্ছে আমার বড় সম্পদ। ঈমান সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। এটাকে আপনাকে হেফাজত করতে হবে। সম্মানিত মুসল্লিয়ানে কেরাম। আপনাদের এই দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের আলহামদুলিল্লাহ গত জুমাতে আমি বলেছিলাম এক ভাই আলহামদুলিল্লাহ বিশাল অংকের টাকা দিয়ে আমাদের গিলিগুলি করে দিয়েছেন ৭ লাখ টাকার মত দিয়েছেন আরেকজন দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ যারা দিয়েছেন তাদেরকে আমি দোয়া করি আল্লাহ তালা তাদের কবুল করুন আমলটা কবুল করুন এবং যারা আপনাদের আপনারাও দোয়া করবেন তার জন্য যেন তার নিয়ত এবং আমলে বরকত দেয় আল্লাহ তাআলা এবং তার আমল ঈমানের উপর তাকে ঠিক রাখেন আর দুইটি কাজ এখানে উনি চাইছেন যে একটা হচ্ছে সেটারি আইটেমের জন্য ৩ লাখ টাকার মত লাগে যদি আপনারা পারেন কেউ দিবেন ইনশাল্লাহ যারা পারেন একান্তে নিতেও পারেন আল্লাহ তালা এটা যতদিন থাকবে অতদিন সদাটা জারি হতেই থাকবে
কোন বন্ধ না মসজিদ এটা কারো বাড়িঘর নয় আপনি চলে যাবেন আপনার সন্তানরা নাও করতে পারে কিছু আপনি কিছু করে যেতে পারেন কিনা দেখেন সাউন্ড সিস্টেম ঠিক করার জন্য দরকার আপনাদের উপরে নিচে সব জায়গায় দরকার প্রায় অনেক টাকা লাগে ৭ লাখ টাকার মত লাগে লেখা আছে যাই হোক এটাও আপনাদের এই সামনে আমরা তুলে ধরলাম আপনারা যতটুকু পারেন দিবেন হয়তো এমনও হইতে পারে কোন ব্যক্তির কাছে আল্লাহ তাআলা সম্পদ দিয়েছেন মুক্তি সম্পদ দিয়েছেন সম্পদ থেকে দান করেন ইনশাল্লাহ আল্লাহ তাআলা আপনাকে আখেরাতের মুক্তির জন্য সেটা কাজে লাগাবেলা মহাম্দহ আল্লাহ আল্লাহ আল্লাহ আমাদের সবাইকে আপনি ক্ষমা করে দিন আল্লাহ আমাদের সবাইকে ঈমানের দিকে ফিরিয়ে দিন আল্লাহ আমাদের সন্তানদেরকে ঈমানের উপর রাখুন আল্লাহ আমাদের কন্যাদেরকে ঈমানের উপর রাখুন আমাদের স্ত্রীদেরকে ঈমানের উপর রাখুন আল্লাহ আমাদের পিতামাতা সবাইকে ঈমানের উপর রাখুন।
আল্লাহ ঈমান নিয়ে মৃত্যু মারা যাওয়ার তৌফিক আমাদের দান করুন। আল্লাহ ঈমানের উপর আমাদের মৃত্যু দিন। আল্লাহ ঈমান নিয়ে আমাদেরকে শোয়া অবস্থায় ঈমানের উপর রাখুন। আল্লাহ বসা অবস্থায় সর্বা অবস্থায় দাঁড়ানো অবস্থায় ঈমানের উপর রাখুন। মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যেভাবে দোয়া করেছেন তিনি সেই দোয়ার অনুসারী করে সেই দোয়ার অনুসরণ করার তৌফিক আমাদেরকে দান করুন। আল্লাহ আমাদেরকে আপনি কবুল করুন। আমাদের আমলগুলি কবুল করুন। আমাদের সমস্ত নেক আমলগুলি আপনি কবুল করুন। আল্লাহ আমাদেরকে ঈমান এবং কুফরের চিনে চলার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ কুফুর পরিত্যাগ করার তৌফিক দান করুন। শিরিক পরিত্যাগ করার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ আমাদেরকে কুফর নিফাক থেকে আমাদেরকে বাঁচিয়ে দিন।
আল্লাহ অন্তর থেকে অন্তরটাকে পরিচ্ছন্ন করে দিন। আল্লাহ আমাদের অন্তরকে পরিচ্ছন্ন করে দিন। অন্তরের উপর আল্লাহ আপনার সর্বক্ষণ আপনার প্রভাব যেন তৌফিক আপনার কাছে কামনা করছি।