লোড করা হচ্ছে ...

খুতবার বিষয়: কুরবানির শিক্ষা: তাওহীদ, তাকওয়া ও আনুগত্য

কুরবানির শিক্ষা: তাওহীদ, তাকওয়া ও আনুগত্য



ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদ ইয়া আইুহাল্লাজিনা মুসলিম ইয়াহু ইন্নাল্লাহা ইয়াহল্লাহ আল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আলা যাবত প্রশংসার করছি আল্লাহ যে আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদেরকে পবিত্র মাস জিল মাসকে পাওয়ার তৌফিক দিয়েছেন যে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আমাদেরকে জিহাদ মাসের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ ফজিলতপূর্ণ সময়গুলো দিনগুলো পাওয়ার এবং প্রতিবাদ করার তৌফিক দিয়েছেন যে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা ইতিমধ্যে আমাদেরকে আরাফ ওদের কোরবানি করার তৌফিক দিয়েছেন সকলেই কেয়ামত আলাকে আজকের এই মাহফিলে সালাতুল আদায় করার জন্য ঐতিহ্যবাহী জুমা মসজিদ বাইতুল মাহমুদ জামে মসজিদে একত্রিত উপস্থিত হওয়ার তৌফিক দিয়েছেন সে মজার পরে শুকরিয়া আদায় করছি আলহামদুলিল্লাহ দ্রুত শান্তি দ্বারা অবশিষ্ট বিশেষ মুরসালিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যিনি আমাদেরকে সবচাইতে দিন উপহার দিয়ে দিয়েছেন যেখানে কোন ধরনের ত্রুটি বিজ্যুতি কান্তি কোন ধরনের পমতি রেখে যাবেন যে মহামানব আমাদেরকে আল্লাহর হাসিলের জন্য বিভিন্ন ইবাদতে সমান বিভিন্ন এবাদতের সিডিউল নিয়ম আমাদেরকে দিয়ে গেছেন সে মহান তার সাইদুল মুরসালিন মহাম্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ওয়াজ সওয়াব দরুদ ও সালাম পেশ করছি। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি ওয়াবারক আলাইহি। সম্মানিত হাজিরিন আমরা জিম মাসের আজকে 11 দিনে অবস্থান করছি। যেটি হচ্ছে আইয়া শরীফের বঙ্গবন্ধু। অর্থাৎ পরবর্তী তিন দিনকে বলা হয়। এই তিন দিনগুলো এই তিনদিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ সুবহানাতালা কোরআনুল কারীমের বেশ কয়েকটি আয়াতে যে কোরআনের প্রথম 10 দিন এবং পরের আরো তিন দিনকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন আয়াত নাজিল করেছেন এর মানে হচ্ছে যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় গুরুত্বপূর্ণ দিন আল্লাহতালা আল্লাহ বলছেন তোমরা নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহকে স্মরণ করো। জিকির করো। আল্লাহর জিকির। তা আমরা আল্লাহ যে আদেশ করেছেন তাই আমাদের উচিত এই দিনগুলোতে বেশি বেশি জিকির করা। দোয়া করা। বেশি বেশি নেকির কাজগুলোকে যত সম্ভব করার চেষ্টা করা। এ আয়াতে তাফসীরে রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন মাদু এগুলো হচ্ছে নামাজের প্রথম 10 দিন আবার আল্লাহ সুবহানাতালা সূরা বলছেন তাহলে স্মরণ কর আল্লাহর নাম দি আল্লাহ নামকে যেন জিকির করে নির্দিষ্ট দিনগুলোর মধ্যে পরিচিত দিনগুলো মধ্যে আল্লাহ তালা তাদেরকে যে কোরআন দান করেছেন রিসিভ হিসেবে এগুলো তো এই আয়াত আমাদেরকে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় এ আয়াতের ব্যাখ্যায় আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ ইবনে আব্বাস উনারা সকলে বলেছেন এটা দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে যে মাঝে 13 তারিখ পর্যন্ত আবার কেটার ব্যাখ্যা বলেছেন এক থেকে জানুয়ারি মাসের 13 তারিখ পর্যন্ত জন্য অর্থাৎ এগুলো হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ দিন। যেমন কুরবানি দিন গুরুত্বপূর্ণ যেমন হবে 11, 12, 11 তিন দিনও হচ্ছে ঠিক দিনের মধ্যে। কুরবানির দিনের মধ্যেই হচ্ছে। যেমন আমি আজকে আপনাদের সামনে এই যে ত্যাগের একটি আমরা অতিক্রম করেছি বা করছি এটা থেকে আসলে আমরা কি শিক্ষা অর্জন করতে পারি আমাদের কি শিক্ষা রয়েছে এ বিষয়ে আপনাদের সামনে সংক্ষিপ্ত আকারে সংক্ষিপ্ত সময় দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি। সম্মানিত দ্বীনি ভাইয়েরা আমরা উজিয়ার পরের দিন কেয়ামত শরীফের প্রথম দিনে অবস্থান করছি। এ দিনগুলো আল্লাহর কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাকবীর তাহলের মাধ্যমে তাকদের মাধ্যমে করা এবং যারা প্রথম দিন কুরবানি করতে সামর্থ্য হয়নি দিনগুলো আমরা করতে পারি এগুলো হচ্ছে কুরবানির দিন এবং এই দিনগুলো হচ্ছে শুধু কুরবানি না পাশাপাশি আনন্দ উৎসবের দিন মুসলমানদের জন্য যে উসিলায় বা যারা মাধ্যমে আমাদের বৈধ যে সমস্ত উপায় অন রয়েছে সেগুলোর মাধ্যমে আমরা আনন্দ প্রকাশ করবো উৎসব করবো আমাদেরকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা এভাবে এদিন দান করেছেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আইয়াম তাশরী সহি মুসলিমের হাদিসের মধ্যে বলছেন যে আইয়াম তাশরিক আইয়াম আইয়াম তাশ তথা কোরবানির পরের তিন দিন এগুলো হচ্ছে খাওয়া পান করার এবং আল্লাহ সুবহানাতালার জিকির আজকার করার দিন। এখন কথা হল যে তাশরিক মানে কি? তাশরিক মানে হলো শুকানো সূর্যের তাপে কোন কিছুকে জ্বালানো বা শুকানোর ইত্যাদিকে বলা হয় তাশ বা এটা হচ্ছে শাফি আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লামের যুগে এবং তার খুব আগে যিনি কুরবানির দিনগুলোতে অর্থাৎ আইয়ামে তাশরিক হওয়া এই দিনগুলোতে হাজী সাহেব কুরবানি করতেন গোসত নিজে খেতেন আবার সেগুলোকে শুকিয়ে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করতেন। এইজন্য এদিনকে বলা হয় আয়ামে জাহিল। আয়েমে জাহেলিয়ার মধ্য আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপযুগ যেটাকে বলা হয় বরকত যুগ। ওই যুগেও কিন্তু হজ্ ছিল কুরবানিও ছিল। তো ওই সময় হজ পালন করতো। কুরবানিও হতো। কিন্তু সেটা হতো তাদের মুক্তিদের নামে। আল্লাহ সুবহানাতালার নামে তারা জমি হতো। তবে আমরা এটাই বুঝতে পারছি যে এই কুরবানি বা হজ এই নিয়তগুলো বহু পুরাতন মুশরিকরা এটা খুব আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এটা নিষিদ্ধ করে দিছে যেটা নিষিদ্ধ করেছে সেটা হল যে কুরবানি হতে হবে বাইয়া প্রাণের এটা আল্লাহর নামে করতে হবে কোন ব্যক্তি বা কোন কিছুর নামে করা যাবে তাহলে কুরবানিটা আছে এবং জাহাঙ্গির যুগে যে কাজগুলো করত এই কুরবানিও কুরবানির পরে তিনদিন যে কুরবানি করত এবং বস্তুগুলোকে তারা শুকাইতো প্রসেস করত সফরের মধ্যে বহন করার জন্য বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ওই দিনগুলোকে স্মরণ করেছে সিস্টেম এখন চেঞ্জ এক জায়গায় শুধু চেঞ্জ হয়েছে কুরবানি করা আর সিস্টেম সবই আছে হাজী সাহেবরা এই তিনদিন আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জিকির আজকারের পাশাপাশি তারা কুরবানি দিবে হাদি যেটাকে বলা হয় হাদি কুরবানি পথে পাশাপাশি নিজেরা খাবে আবার ইচ্ছা করলে তারা প্রসেস করে নিয়ে আসতো তাদের কোন সমস্যা নাই এজন্য এইগুলোকে বলা হয় আয়াত শরীফটা হচ্ছে অর্থাৎ দশম 11 তম দ্বাদশ তম এবং 13 তম দিন। এই দিনগুলোকে বলা হয়। এই দিনগুলোকে কুরবানি করা, খাওয়া, পান করা এবং বেশি বেশি আল্লাহ সুবহানাতালার জন্য জিকির আদায় করা। এই জিকিরটা কি? কুরবানি তো বুঝলাম না এটা আমরা বারবার বুঝি জিকির আমরা অনেকে জিকির যেদিন ঈদের দিন থাকে সেদিন শুধু তাকবীর পাঠ করে জিকির বলতে একটা তাকবীর তাকবীর তাকলি অর্থাৎ আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার এটা হল জিকির এই জিন আমি আর আপনি সবসময় পাঠ একেবারে 13 তারিখ সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত এই জিকির চান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে এই জিকিরগুলো হল অত্যন্ত পছন্দনীয় এবং ফজিলত এজন্য আমাদের জিকির অপারত রাখতে হয়ে আমরা ঘরে বাইরে চলতে ফিরতে বা কোন প্রতিষ্ঠানে মসজিদে যেখানে থাকি না কেন আমরা বা দোকানপাটে থাকি না কেন এই জিকির আল্লাহ তালা আমরা এমন যেন চিন্তা না করি যে ঈদ চলে গেছে জিকিরেও চলে গেছে অন্তত এই তিন দিন আমরা সবাই বেশি বেশি আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল আমরা আনন্দ উৎসব করবো আমরা বৈধ বাইরে যত কিছু আছে আমরা পারস্পরিক আনন্দ উৎসবকে বাগাভাগি করবো কুরবানি করবো গোস্ত খাবো পানি পান করবো আত্মীয়স্বজনের পোস্ট কাপড় রাখবো আর পাশাপাশি আমাদের জিকির গুলো হয়ে যাব কেমন জানি খালি আমি খাওয়া দাওয়ার মধ্যে থাকলাম আর আল্লাহ খুলে গেলাম এটা যেন আমাদের না হয় কারণ এগুলো আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলে দিয়েছেন আইয়ামদা নির্দিষ্ট নির্ধারিত জানা এই দিনগুলো আর এই দিনগুলো হল যেটা এখন আমরা ফরজ করিনি এখন আমরা ওই দিনগুলোর মধ্যে আছি এইজন্য আমরা চেষ্টা করবো আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে যেন ঈদুল আযহা অত্যন্ত ভাব আন্তরিকতার সহিত আনন্দের সহিত উৎসবের সহিত পূর্ণতার সহিত হারামিনা আত্মীয়স্বজনের দোষ খবর দেওয়া তাদের সাথে শেয়ার করা বাচ্চা বাচ্চাদের সময় দেওয়া পরিবারকে সময় দেওয়া এক কথা আমরা আনন্দ ইসলাম আমরা আনন্দ প্রকাশ করব শুধুমাত্র আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সন্তুষ্টি আর পাশাপাশি আমরা এই জিকির অপার করব বিশেষ করে যদি আপনি সময় ভুলেও যান অন্ততপক্ষে যে 2013 তারিখ সূরা সালাম পর্যন্ত ফরজ সালাতের পরে কমপক্ষে এক দুই তিনবার করে এই তাকবীর পাঠ করার চেষ্টা করবেন আমরা আর আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার বর্তমান সময়ে হাজীরা কি করছেন এই সময়টা উনারা মিলায় অবস্থান করছেন তাই না কিন্তু এখনো ছুটি হয়নি 13 তারিখ পর্যন্ত মিনা মুজদাফা জামাত যে পাথর নিক্ষেপ করে এই কাজগুলো চলতে থাকবে এটাও আমার কথা এবং তাওফে ইফাত মাধ্যমে কি হবে কার্যক্রম শেষ হবে এটা হল হাজী সাহেবদের জন্য বিশেষ তারা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের মেহমান হিসেবে নিজেদের দেরকে উৎসর্গ করতে পেরেছি সৌভাগ্য লাভ করতে পেরেছি আমরা যারা পারি না আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের জন্য সওয়াব অর্জনের হাসিলের জন্য এই আইটেমগুলো এই সুযোগগুলো রেখে দিয়েছেন প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা এরকম গুরুত্ব একটি এবাদত ত্যাগ আল্লাহর হাসিলের যে এবাদত আমরা অতিক্রম করেছি আমরা এই কুরবানি সম্পর্কে অনেক আলোচনা শুনেছি এখন কথা হলো যে এই যে ত্যাগের যে এবাদত এবাদত থেকে আমরা কি শিক্ষা লাভ করছি কোরআন এবং হাদিসের আলো এবং হাদিসে কেরাম এই কুরবানির মহান এবাদত থেকে আমাদের কি শিক্ষা এটি উনারা একত্রিত করে একজন এভাবে এই শিক্ষাগুলোকে তাদের বইয়ের মধ্যে কিতাবের অনুষ্ঠান দিয়েছেন আমি সেখান থেকে অল্প কিছু বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। এই কুরবানির এক নাম্বার শিক্ষাটা হচ্ছে একামতুল তাওহীদ। তওহীদকে প্রতিষ্ঠিত করা। অর্থাৎ আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্য সমস্ত ইবাদতকে আদায় করা। এবাদত কাকে বলে? এবাদত হচ্ছে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে সন্তুষ্ট করা যায় এমন প্রত্যেক কথা কাজ সেটাকে বলে এবাদত এবাদতের জন্য আরেকটা শব্দ হল আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেই নিয়মে যে সিস্টেমে যে এবাদত আমলগুলো করেছেন করতে বলেছেন ওই সিস্টেমে আদায় করা এবং ওই জিনিসগুলা করা সেটাই হচ্ছে এবাদত এবং এক্ষেত্রে এবাদত করলেই নয়। এবাদতের একটা বিষয় আছে সেটা হল কি? আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা। আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের প্রতি গঠিত ভালোবাসা সুদীর্ বিশ্বাস ইত্যাদির মাধ্যমে যে এবাদত আমলগুলো আদায় করা হয় এটাই কোন। তবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এই পৃথিবীকে আল্লাহতালা সৃষ্টি করেছেন এ মানব জাতিকে জাতিকে আল্লাহ সুবহানাতালা সৃষ্টি করেছেন যে আয়াত আমরা সূরা সবাই জানতা বলেছেন আল্লাহ আমি এবং মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমার ব্যাখ্যা অর্থাৎ আমি আল্লাহর একত্ববাদকে তৌহীদকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই আমি মানবজাতি এবং জীন জাতিকে সৃষ্টি করেছি আর কোন উদ্দেশ্য না সুতরাং আপনি কুরবানি বলেন সালাত বলেন সিয়াম বলেন হজ বলেন যাকাত বলেন জিকির বলেন মান্নত বলেন জবে বলেন সবকিছু হতে হবে একমাত্র আল্লাহ সুবহানা এজন্য আল্লাহ সুবহানাতালা ছোট্ট সূরার মধ্যে বলছেন এর আগে যেহেতু হজ এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট এবাদতগুলো জামিলিয়াতে বরবরদার যুগের মানুষগুলো আদায় করত বিভিন্ন দেব দেবীর দামে মুক্তির দামে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিশ্চন করে বলছেন বলছে তুমি তোমার রবের জন্য সালাত আদায় করো এবং কুরবানি করো। তাহলে সালাতটা যেমন আল্লাহর জন্য হতে হবে কুরবানিটাও কার জন্য হতে হবে? আল্লাহ সুবহানাতালার জন্য। নজর মাধ্যমটা যেমন আল্লাহর জন্য হতে হবে। আমাদের কুরবানিটাও হতে হবে। আল্লাহ সুবহানা তায়ালা সিয়াম কেয়ামত হজ যাকাত সমস্ত এবাদত একমাত্র শুধুমাত্র আল্লাহ সুবহানা তায়ালার জন্য কিন্তু আমরা দুর্ভাগ মুসলমান কি করি আমাদের এবাদতের কিছু অংশ আমাদের জিন্দা পীর মরা পীর আর খেলা পীর নেতা পীর আর বিভিন্ন মাযহাবকে আমরা ভাগ করে দিয়েছি আমরা কুরবানিও আমরা কুরবানীও করছি আবার এদিকে আমাদের অন্যান্য কিছু কিছু এবাদত আমরা দিয়ে দিচ্ছি মুশরিকদের মাজারে শায়েদ মুফতি ওদের জন্য আমরা শুরু করে দিচ্ছি আচ্ছা বলুন তো একটা জরি বলছে যে বাংলাদেশে 90 লাখ থেকে প্রায় এক কোটি পশু জমে তো এগুলোর মধ্যে একমাত্র খাটি তওহীদ বাদী লোকেরা করে মাজার পূজারীরাও কবর পূজারীরাও করে পীরের পাই জিন্দা মরা পীরের পায়ে সেজদা দানকারী তথা মুসলমানরাও কোরবান করা আচ্ছা তো আল্লাহ ইজ্জতের তৌহীদের জন্য আল্লাহর একত আল্লাহ আল্লাহ সুবহানা তায়ালার জন্য কি করতো না কিছু এবাদত ভাগ করে দিয়েছে তার গজবের জন্য মাজারের জন্য আর কিছু এবাদত আলা আবার অনেকে দেখবেন বিভিন্ন মাজারের বরসের সময় দেখবেন যে প্রাণ ভর্তি যাচ্ছে গরু যাচ্ছে হাসি যাচ্ছে কোন কোন মাজারে আল্লাহ তালা ভগবত দেন। ওদেরকে যখন বলবেন যে ভাই এটা তো শিরকি যখন তাকে আপনি কেন করছেন? তো বলবে কই আমি তো শিরিক করি না। ওদের যে আল্লাহর নামে জবাবে। আল্লাহর নাম নিয়ে তো জবাবে। এই ঘটনাগা এ মূর্খ জাহেল এ মুসলিম জানি না যে যেখানে আল্লাহ সুবহানাতালাকে অখুশি করা হয় এরকম জায়গা তো আল্লাহর নামে জবে করা নিষিদ্ধ আর কুরবানি শর্ত দুইটা একটা হল যে কুরবানিটা জবে করতে হবে বিসমিল্লাহ আল্লাহু আকবার দ্বিতীয়ত হল যে এই কুরবানি জবে যেটা করছিটা জবে করার মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাতালা তাকাব মানে নৈপুর্য হাসিলেন এই দুইটা উপন্যাস থাকতে হবে যদি এই দুইটা যেকন একটা বাপ করে তাহলে ওই কুরবানিটা কুরবানি হবে ওটা শিরিক হয়ে যাবে এই দুইটি অংকভাবে জড়িত একটা যদি বাদ দেয় আরেকটা অটোমেটিক বাদ আছে। তো এইজন্য আল্লাহর নামে করতে হবে এবং আল্লাহর বরকত হাসিলে করতে হবে। দুঃখজনক বিষয় হলো এই যে ট্রাক বুদ্ধি দেখো না বুদ্ধি এই যে গরু ছাগলগুলো নিয়ে যায় বাজারে যে জবে করে খাই। আচ্ছা বুঝলাম সে দাবি করছে যে আমি আল্লাহর নামে জবে করব। কখন গেলাম? উদ্দেশ্য কি জানেন ওই যে দ্বিতীয় শব্দটা ছাড়া ওরা দ্বিতীয় শব্দটা পূরণ করে সেটা হল কি ওটা হল পীর বাবার নয় হয়েছে কথাটা বুঝেছেন অথচ এই কুরবানির দুইটা শর্ত অবশ্যই হবে তাই এটা তো এইজন্য আল্লাহর তৌহীদকে প্রতিষ্ঠিত করা হয় যে এটাতে তাছাড়া আপনারা এখানে আপনি আরো পাবেন এই যে তাকবীর পাঠ এখানে আমরা কি ঘোষণা করি আল্লাহুম্মা আল্লাহুম্মা তারপরে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মাবুদ নাই অর্থাৎ লা মাবুদ ইল্লাল্লাহ আল্লাহ ছাড়া পৃথিবীতে যত উপাস্য রয়েছে মাবুদ রয়েছে সবই নাপাক এবং বসন্ত নাপাক এবং বসন্ত এজন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে তুমি আল্লাহর জিকির করো নির্ধারিত দিনগুলো। এজন্য বেশি বেশি জিকির ঈদুল ফিতরের চাঁদ ওঠার পর থেকে নিয়ে ঈদুল ফিতরের সালাত পর্যন্ত ব্যাস আর তাকে নেই। কিন্তু ঈদুল আযহার এবাদত। এটা যেদিন চাঁদ উঠছে তখন থেকে শুরু করে 13 তারিখ পর্যন্ত সূর্যাস্ত আজ পর্যন্ত থাকবি অর্থাৎ আল্লাহর ঘোষণে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের এইজন্য আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার এই যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এই মহানগুল বাক্যটা এই কালেমাটা কতটা পাওয়ারফুল আমরা বাঙালিরা বুঝি না বিধায় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলি আবার পীর মুরিদের মাজারের দরকার দরবারে যদি এটা বুঝতাম আমরা কখনো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতাম যেমন বলেছিল আল্লাহর রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেকে গ্যারান্টি দিচ্ছেন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ভুলে হে আমার চাচা আবু লাহাব আবু জাহাল অথবা সাইফা শোন তোমরা যদি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড় তাহলে তোমরা সফল তোমাদের সারা পৃথিবীর মানুষ তোমাদের কথা বলবে শুধু লা কথাটা বলেছেন নেতৃত্ব মক্কার কাফেরদের মধ্যে নেতৃত্বের লোক ছিল এজন্য আল্লাহর নবী বলেছিলেন কি যে তোমরা সারা বিশ্বের উপর নেতৃত্ব পাবে যদি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ নেতৃত্বের লোক থাকার পরও বাকি লাইগা আল্লাহ পড়ে কারণ ওরা জানতো যে এটা কি পাও একটা কালেমা বাক্য এটা যদি পড়ি তাহলে আমাদের সব মূর্তিগুলো বাধে এটা জান আর এই কারণে পাঠ কর মানে নেই গ্রহণ করেনি তবে যারা গ্রহণ করেছিল তারা থেকে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিয়েছে আবু বকর ওমর উসমান আলী মুয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু কয়েক যারা প্রত্যেকেই কোরাইশ মক্কার বন্দরে ছিলেন সারা বিশ্বের নেতৃত তারপর তাদের বংশের উমাইয়া খিলাফত আব্বাসী আপনারা সারা বিশ্বকে নেতৃত্ব তো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মক্কার কাফেরদের মত যদি আমাদের বাংলাদেশের ভারতবর্ষের মুসলমানরা যদি বুঝতো যে এই লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর পাওয়ার কি? ক্ষমতা কি? তাহলে জীবনে আর উচার কথা। কারণ এরা আল্লাহর চাইতে বেশি ভালোবাসে। যেই দ্বীনকে যেই ঈমানের প্রতি তার মুক্তি আছে, ভালোবাসে, ভালোবাসা আছে, কখনো পদের প্রতি এত বেশি উপকার এত প্রচন্ড বেশি ভালোবাসা। যদি ওরা জানতো যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ কি জিনিস এটাকে ত্যাগ করতে জীবন উচ্চারণ। জীবনে তাক পাঠ করব না ওরাও কি তাকবর পাঠ করছে না এই মাজার কোন তাকবর পাঠ করছে না বলেন ওরা তো তাকবর পাঠ করেছে ঈদ মাঠে গেছে আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ঘোষণা দিয়েছে না এই মত তৌহিদ বুঝিনি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের কাছ থেকে বারংবার প্রত্যেকটা দিন এই 13 টা দিন আমাদের কাছ থেকে স্বীকৃতি নিচ্ছেন যে আমি মহান রাব্বুল আলামিন ছাড়া পৃথিবীতে যত মাতবের সর্বশ এবং অপবিত্র এদেরকে ত্যাগ করতে হবে এটার জিকির আমাদের কাছে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দিচ্ছেন কিন্তু আমরা বুঝতে পারছি না বিধায় আমরা কি তাওহীদ আমরা মুশরিক হয়েছি এজন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামন সূরা আমরা তো অনেকে মনে করি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলেছি মক্কায় যাই কুরবানি করি নামাজও পড়ি সমস্যা কিন্ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলে দিছে সমস্যা আছে ঈমানের ঘোষণা দেওয়ার পরেও মানুষ মুশরেক হয়ে যায় এবং বেশিরভাগই মানুষ মুশক হয়ে যায় এটা আল্লাহ নিজেই বলছে এইজন্য দ্বীনি ভাইয়েরা আমাদের প্রত্যেকটা মুহূর্ত আমাদের ঈমানের একটু যাচাই করতে হবে একটু জাস্টিফাই করতে হবে একটু পরীক্ষা করতে হবে যে আমার ঈমানটা ঠিক আছে কিনা আমি শিরকের সাথে মিলে গেছি এজন্য প্রতিদিন সকালে সন্ধ্যায় নিজের ঈমানটাকে একটু জাস্টিফাই করবেন পরীক্ষা করবে নিজে নিজে যে আমার ঈমান ঠিক আছে কারণ কোন সময় আমার ঈমান হয়ে যেতে পারে এটা আল্লাহ তালা এজন্য আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আমাদেরকে প্রত্যেক ফরজ সালাতের পরে একটা দোয়া শিখিয়ে দিয়েছেন বুঝতে পেরেছেন প্রত্যেক ফরজ সালাত আল্লাহু আলা হে আল্লাহ তুমি আমার অন্তরকে তোমার আমার দ্বীনের উপর আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত আজও আমাদেরকে এটা শিক্ষা দিয়েছেন তার নবীর মাধ্যমে যেন আমরা প্রত্যেকদিন বলি তার যে কোন সময় আমাদের চলে যেতে পারে এজন্য সাহাব আল্লাহ আপনি আমাকে ইসলামের ব্যাপারে এমন একটি কথা বল আপনার কাউকে আমি জিজ্ঞাসা আল্লাহ নবী বললেন আল্লাহ নবী বললেন তোমাকে একটা উপদেশ দিচ্ছি তোমার আমার উম্মতের সকল সদস্যকে উপদেশ দিচ্ছি আদেশ করছি যে তুমি বলবে নাউজুবিল্লাহ আমি আল্লাহর উপর ঈমান এনেছি শিরিক মুক্তভাবেই থাকবে এটা হল এটা হল আল্লাহ আর আমরা প্রতিনিয়ত আমরা ঈমানকে হারিয়ে ফেলি আমরা ঠিক যুগে অবস্থান করছি আল্লাহ নবী সাল্লাম কি বলেছেন যেমন একটি সময় আসবে যে এমন একটা সময় আসবে মমিন ব্যক্তি সকালে মমিন ছিল সন্ধ্যাবেলায় মমিন সকাল কাছে আমরা ওই যুগে বসবাস করছি এক ভাইয়ের কথা আমি দেখলাম অনলাইনে ইন্টারনেটে যখন আগে খুব আল্লাহর এবাদত বন্দেগীতে মশ থাকে এখন তো সালাত আদায় করে না এমনকি ইসলামের বিরুদ্ধে সে নাউজুবিল্লাহ তাহলে আমাদের ঈমানের যাচাই করার দরকার নাতি আমাদের মধ্যে তৌহীদ ঠিক আছে কিনা ঈমান ঠিক আছে সেখানে এটা দেখতে হবে। প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা আসুন শিরিক মুক্ত মুজহে এই যে কুরবানি আমরা দিয়েছি এখন চলমান রয়েছে আমাদের এখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে আল্লাহর একত্ববাদ প্রতিষ্ঠিত করা। তওহীদকে আগায় ধরার শিক্ষা আমাদের এখানে গ্রহণ করতে হবে। দ্বিতীয় হচ্ছে এখলাস মনের মধ্যে একনিষ্ঠ। একনিষ্ঠতা। আমি যে আমলটা করছি এটা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তানের জন্য আমাদের করা উচিত। পড়তে হবে এটা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার নবীকে বলছেন আলামিন হে নবী আপনি বলে দিন নিশ্চয় আমার সালাতু আমার কুরবানি আমার জীবন আমার মরণ রব্বুল আলামিন তো আমাদের প্রত্যেকটা এবাদত কুরবানি না সমস্ত এবাদত কি থাকবে কোন সিয়াম থাকতে হবে লোভ দেখাতে থাকা যাবে না লৌকিক কোন সুযোগ থাকবে না। যদি সাধারণত আমাদের মধ্যে অন্তরের মধ্যে যদি লৌকিকতার ভাব চলে আসে শুধু কুরবানি কেন যে কোন ইবাদতের মধ্যে যদি চলে আসে তাহলে এবাদত শুধু বাতিল না এটা শিরকে পরিণত হয়েছে। এজন্য খলসিয়াতটা হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খুবই জরুরি। খাটি পাখি মানে কি? খাটি করা। একমাত্র খাটি করতে হবে প্রত্যেকটা এবাদতকে সেটা কুরবানি হোক সেটা সালাত হোক সেটা সিয়াম হোক সেটা যাকাত হোক দান হোক জিকির হোক এগুলো সবই খাটি করতে হবে কার জন্য লিল্লাহি রব্বিল আলামিন আলামিন মানুষ কি বলল আরে এই লোকটা তো অনেক টাকা কুরবানি দিছে বিশাল বড় মনের মানুষ 5 লাখ টাকা 5000 সেরা কুরবানি দিছে এরকম মানসিকতা নিয়ে কেউ যদি কুরবানি দেয় এটা বল। এবারে কুরবানি দিয়েছে একজন ধনাত্মক ব্যক্তি। 10 টা কুরবানি দিছে। গ্রামে একজন খাওয়াইছে। কর্মচারীদের খাওয়াইছে। যদি এখানে তার উদ্দেশ্যটা লৌকিকতা হয়। কিংবা নিজের বক্তব্য আছে এটাকে দেখানোর জন্য প্রকাশ করার জন্য সবই কিন্তু সবই বাতিল এজন্য সূরা কাহা এটা আপনার অফ পাবে সবাই দেখবেন আর পবেন বুঝবেন চেষ্টা করবেন মানে এই আয়াত বলা হয় ইসলামের মনে যত দুইটা বিষয় উল্লেখ করেছেন সেটা হল একটা আপনার একমাত্র আল্লাহ শির করা যাবে এজন্য আ মানুষ আল্লাহর সাথে এবাদত করতে যে কি করে দেয়? শিরিক করে দেয়। এজন্য আল্লাহ বলছেন যে আমার এবাদত আর শিরিক করা যাবে না। আরেকটা হল কি? আরেকটা হলো আমার নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ। তাহলে এবাদত করলে কি হতে হবে ওটা? নবীর অনুসরণ। তো যাক সমস্ত এবাদত আমাদের হতে হবে। তাহলে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতকে সন্তুষ্টির জন্য খুশি করার জন্য খাটি এবং নিখুতভাবে নির্ভেজালভাবে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের জন্যই হতে হবে বাঁচিব কোন বাকচিব বা দুনিয়া শাস্তির জন্য যেন কোন এবাদত আমাদের না হয় শয়তান যেন আমাদেরকে অসম্পার দিয়ে যেন কোন ইবাদত আল্লাহ পাক দিয়ে মানুষের উদ্দেশ্যে বা মানুষকে খুশি করার উদ্দেশ্যে যেন না করিয়ে দেয় সেটা আমাদের এই পরিকল্পনা সবসময় আমাদের মধ্যে থাকতে হবে। তিন নম্বর হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরবানির কোন একটি এবাদত আল্লাহর রাসূলের অনুসরণ না থাকলে কুরবানি হবে না। আমি এর আগের সময় বলেছিলাম যে এক সাহাবী না আপনাদের এখানে অনুযায়ী এক সাহাবী কি করেছিলেন? কুরবানির দিন মানে সালাতের আগে ঈদুল আযহা সালাতের আগেই কুরবানি করে ফেলছে। চিন্তা করছেন যে সকাল সকাল করে ফেলব নামাজ পড়ার আগে এটা করে রাখা যায় এসে খাব ভেজাল মুক্ত এই কাজ করে ফেলেছে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন না এটা তোমার কুরবানি এটা হচ্ছে কি সাধারণ গোস্ত খাও সাধারণ গোস্ত খাও অতএব তুমি এর পরিবর্তে আরেকটি কুরবানি সহি বুখারী মধ্যে আছে আল্লাহ বলছেন আজকের এই দিনে আমরা প্রথম যে কাজটি করব সেটা হচ্ছে আমরা নামাজ আদায় করব অথবা বাড়ি ফিরে যাব তার আল্লাহ বলে দিয়েছেন যে ব্যক্তি আগে নামাজ পড়ল তারপরে কুরবানি করল ব্যক্তি আমাদের সুন্নাত কথা সুন্না মতাবে যেন এবাদত যেন এবাদত করার কত চিন্তা করছে অথচ আমাদের মধ্যে এক শ্রেণীর মুসলমান বলে যে না এটা হল উত্তম বেদাত আর এটা হল খারাপ বেদাত উত্তম বেদাত আল্লাহ তার খারাপ বেদাত বলে সুন্নাতের বিপরীত কাজ হচ্ছে একটা ভালো কাজ দেখতে হবে কোন দ্বীনের কাজ ধর্মের কাজ কিন্তু এটা আল্লাহর নবী বলেন তাহলে ওটা আর সুন্নাত থাকবে না বেদাত বলে বেদাত আর এই বেদাত এত জঘন্য এই বেদাত এত খারাপ যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক খুতবার মধ্যে বলতেন কি বলতেন যে সবচাইতে নিকৃষ্ট কাজ হল বেদাত আমার দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু আবির্বাদ করা এটা আল্লাহর নবী জানতেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে জানিয়ে দিছে নবী আপনার পরে আপনার উম্মতের লোকেরা দ্বীনের মধ্যে দ্বীনের মতই দেখবে ভালো আমল এই কাজগুলো তারা আগেই ভাব করবে আর বলবেন যে এটা আল্লাহ করেছে অথবা করেননি আপনি কিন্তু করবেন এইজন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিন অসংখ্য কোরনের আবার তোমরা আল্লাহ রাসের অনুসরণ করত কর আর এর বাইরে তোমাদের তাহলে আল্লাহ নবীর শিখানো বাইরে গেলে যেন এবাদত এবং স্পর্শ করে বলছেন যে ব্যক্তি এমন আমল করল যে ব্যাপারে আমার কোন দিক নির্দেশনা নাই আমি বলিনি সমর্থন করিনি সে আল্লাহ গ্রহণ হবে এজন্য কুরবানির মাধ্যমে আমরা যে জিনিসটা পাই সেটা হলো যদি কুরবানি না হয় তাহলে নামাজ হবে যদি কুরবানি না হয় নামাজ হবে হজ হবে যাকাত হবে সিয়াম হবে কেয়াম হবে দান সদকা হবে কোন এবাদত হবে এজন্য আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনুগত্য অনুসরণ এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে ওর বাইরে আপনি কোন আমল করতে পারবেন সেটা যত দেখতে সুন্দর ভালো করে করা কোরআন তেলাওয়াত নেকির কাজ কিন্তু আপনি যদি জালালি খতম করেন বুঝতে পেরেছেন না ইউনুস খতম করেন তাহলে এটা হবে নাকি ওটা আর এবাদত থাকবে ওটা বেদাত হয়ে যাবে আল্লাহ আল্লাহর নবীর উপর মাতবী হয়ে যাবে যে কথাটা না বলি না আল্লাহর নবীর উপর মাতব করি আমরা তো সাধারণ মুরুব্বী বা আমরা যারা বড় একটু ছোটদের মাত করে মানে আল্লাহর রাসূলের উপর মাতব করি আর মানে হলো আল্লাহর নবীকে অব্যা করা এজন্য সুন্নাহ মোতাবেক সমস্ত এবাদত আমল আমাদেরকে করতে হবে কোরবানি হোক যেকন এবাদত হোক তৃতীয় শিক্ষা হচ্ছে তাজদ তাকওয়া তাকওয়া তাকওয়া মানে হল আল্লাহর নীতি আল্লাহর ভয়কে নতুনভাবে মনের মধ্যে জাগ্রত করা তাকওয়া অনেক মূল্যবান জিনিস এটা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআনুল কারীমের মধ্যে বলেছেন তোমাদের পূর্বে যারা উম্মত এসেছে যারা এসেছে প্রত্যেকের জন্য আমার ছিল যে সুতরাং কত গুরুত্বপূর্ণ আল্লাহ বলছেন যে আমি আল্লাহর কাছে কষ্ট তোমাদের গরুটা কত তাজা কতটুকু বস্তু বস্তু হল আর তার রক্ত কত এগুলা কিচ্ছু আমার কাছে পৌঁছে না। কিন্তু আমার কাছে যেটা পৌঁছে তাও আর তাকওয়ার জায়গা হলো অন্তর। অন্তরে কি আছে এটাই হল আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে পৌঁছে এছাড়া অন্য কিছু পৌঁছে না। কোন কিছু আল্লাহ তাালার কাছে পৌঁছে না। এজন্য এর মাধ্যমে আমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারি। তাকওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। এবং আমরা হাবি এবং কুরবানি আদম আলা সালামের দুই ছিলেন যে কুরবানির ঘটনাটা আমরা জানি ওখানে আল্লাহ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন হাবি মুখে উচ্চারণ করেছিলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলছে যে আমি আমার মুত্তাক বান্দাদের কাছ থেকে এবাদত করব কবুল করব কারটা হাবিল ছিলেন তাকওয়া আল্লাহু পরেজগার পক্ষান্তরে কাবির ছিল বদমেজাজি খারাপ প্রকৃতি এবং দুইজনের কুরবানি দানের ক্ষেত্রেও সমস্যা ছিল হাবিব চেয়েছিলেন আল্লাহ সন্তুষ্ট করার জন্য আল্লাহতালা কবুল করেছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত মুত্তাকিনদের থেকেই কুরবানি কবুল করবেন গায়ে মুত্তাকি কবুল করবেন এক নাম্বার কি মুত্তাকী হওয়ার জন্য এক নাম্বার হলো শিরিক মুক্ত ঈমানদার হতে হবে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত কায়েমকারী হতে হবে আমাদের দুটারই বেজার আছে আমরা সালাত আদায় করি নাই কুরবানিটা মাশাল্লাহ করি এখানে আমরা ছাড়ছি না এখানে করার বিচ্যুত করার ক্ষেত্রে কুরবানি দেয়ার ক্ষেত্রে আমার কোন ধরনের মানে কাপ ক্ষমতা দেখাই না বেশিরভাগ কিন্তু সালাতের ক্ষেত্রে আমার গা ক্ষমতা আছে গাভতি আছে আমরা সালাত ঠিকভাবে আদায় করি মন চাইলে করি মন চাইলে পড়ি না আবার কেউ পড়েই না ঈদ ছাড়া আবার কি এমন আছে সাপ্তাহিক শুধু জুমাবার সালাত আদায় করে আর আদায় করে তো এই প্রকৃতির এই কোয়ালিটি সম্পূর্ণ মুমিনের মুসলমানের সঙ্গে তো আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কুরবানিটা কেমন কবুল করবে এজন্য আমাদের মুত্তাক হতে হবে আল্লাহতালা নিশ্চয় আমি আল্লাহ কুরবানি কবুল করি থেকে আল্লাহ আল্লাহ এই ব্যক্তিদের কাছ থেকে আমি কুরবানি কবুল করি তাছাড়া এমন একটা পাওয়ার জিনিস এটা যদি আপনার মধ্যে থাকে জান্নাতে যাওয়ার ফরজ সহি হাদিসের মধ্যে আল্লাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন যে আচ্ছা তুনা জানি মানুষকে বেশি বেশি জান্নাতে নিয়ে যাবে উত্তর দেয়ার আগে আল্লাহ আল্লাহ নিজে উত্তর দিয়ে বলছেন যে যারা বেশি মত পরহেজ এবং উত্তম চরিত্র ভালো ব্যবহার কমন ব্যবহারের অধিকারী এই শ্রেণীর মানুষরাই যাবে বেশি জান্না এরাই বেশি জান্নাতে যাবে সুতরাং কোরআনের আয়াত এবং হাদিস এটাই প্রমাণ করে যে আমাদের তাকওয়া মানতে হবে আমরা সিয়ামের মূল শিক্ষা যেটা তাকওয়া আমরা পেয়েছি কোরবানি একই প্রত্যেকটা ইবাদতে তাকওয়া হল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এজন্য আমাদের তাপমাস হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। কুরবানি আমাদের এই শিক্ষাটাই মূলত দিয়েছেন। পঞ্চম নম্বর যেটা শিক্ষা সেটা হচ্ছে খুব মাল দেওয়া। প্রতিবেশীর সাথে ভালো ব্যবহার। কুরবানির মাধ্যমে আমরা প্রতিবেশীর সাথে ভালো ব্যবহারের একটা সুযোগ পাই। প্রতিবেশী আত্মীয়স্বজন এবং গরীব মিসকিন এদের সাথে আমরা একটা ভালো ব্যবহার করার সুযোগ পাই। ভালো ব্যবহারটা কি? কুরবানির কিছু অংশ তাদেরকে দেওয়া। তাদের মুখে হাসি ফুটানো। হয়তো যোগাযোগ আমরা রক্ষা করি না। কিন্তু কুরবানির সময় কিছু তাদেরকে হাদিয়ে দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো। তারা কিছু হাদিয়ে দিলে। এর মাধ্যমে আমাদের মধ্যে কি হয়? একটা সুন্দর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইসলাম এটাই আল্লাহ নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন যেমন আল্লাহর নবী বলছেন ওই ব্যক্তি মুমিন নয় ঈমানদার নয় যে পেট ভরে খেল পান করল অথচ তার প্রতিবেশী ক্ষার্থী ওই ব্যক্তি মুমিন নয় এজন্য প্রতিবেশীদের খোঁজখবর নিতে হবে কিছু কিছু খবরে দেখলাম যে একই বিল্ডিং এ অনেক মানুষ বসবাস করে অনেক দুরকানি মর। কিন্তু দুঃখজনক হলো যে ওই বিল্ডিং এর দানোয়ার মুরগির মাংস দিয়ে ভাত খায়। কিছু কিছু নিয় আমরা দেখলাম। আমরা কি করি? বেশিরভাগ যেটা করি আমরা কুরবানিটা করি আর ফিরি। আর কিছু আত্মীয়স্বজনকে দেই। পাড়া প্রতিবেশীরাও খবর চাই না গরীব কিছু আমরা দিই না কিন্তু আপনি জানেন কুরবানি আপনি সারা বছর যদি আপনি 10 কেজি পা কেজি এক মন গোস্ত কিনলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেননি যে তোমাকে এখানে দিতেই হবে এখানে ফকির মিসকিন যুক্ত ব্যক্তির হক আছে এই তোমার এক বস্তু থেকে তোমাকে দিতেই হবে আপনি ব্যাগ ভক্তি কিনে নিয়ে আসলেন কিনে রাখেন সমস্যা নাই এটা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের হক তার নির্ধারণ করেননি কিন্তু এমন একটা জিনিস এখানে আল্লাহ রেখে দিয়েছেন অভাবস্থ অসহায় ব্যক্তিদের আল্লাহতালা কি বলেছেন থেকে প্রাণী তোমরা পশু জবে করো এখান থেকে তোমরা কি করবে খাবে আল্লাহ তাআলা খেতে কিন্তু নিষেধ করবেন এটা আল্লাহ তাালার বড় নিয়ামত যে আল্লাহ তালা কি বলেছেন নিজে খেতে বলেছেন অর্ডার দিয়েছেন এমন না যে বিষয়টা এমন না যে বাধ্য আপনি খাওয়ার জন্য এমনটা না কিন্তু তবে আল্লাহ অনুমতি দিয়েছেন তাফসীর কারা এটাকে ব্যাখ্যা করেছেন এখানে আমল ইসলাম মানে নির্দেশ সুযোগ শব্দ ব্যবহার হলো এর অর্থ হল কি যে আপনি খাবেন এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন বাধ্যতামূলক নয় যদি আপনি চান যে আমার পুরা কোরবানির পশুটাকে বসত করে পুরাটাই মিলি সমস্যা নাই এটা আপনার উদাহরণ কিন্তু আল্লাহ রাব্বুল আলামিন করে বলছেন কি করম খাও তারপরে আল্লাহতালা বলছেন তোমরা খাওয়া ফকির দুস্ত অসহায় দরিদ্র ব্যক্তিদেরকেও খাওয়া ওযে বলছিলাম পিছনে যে আপনি এখন বস্তু কিনেছেন ফ্রিফুল আপনি ব্যাগ করতে কিনে নিয়ে এসছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেননি বাধ্য করেনি যে এটা তুমি দিবে কিন্তু কুরবানি এমন একটা জিনিস এখানে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বাধ্যতামূলকভাবে কি রেখে দিয়েছেন অধিকার রেখে দিয়েছেন এ আয়াতের ব্যাখ্যায় আবদুল্লাহ ইবনে মাসদ রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি বলছেন এক আত্মীয়কে একটা পশু দিলেন বলেন যে এটা তুমি কুরবানি করবে নিজে খাবে এবং তোমার ভাইকে খাওয়াবে স্ত্রীকে খাওয়া আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু উনি বলছেন যে এখানে তিনটা অংশ রয়েছে একটা নিজের অংশ একটা আত্মীয়স্বজনের অংশ আরেকটা হচ্ছে গরীপক্ষিতের অংশ সুতরাং আমরা যেন এমনটা না হই যে অস্থায় দোস্তদেরকে বঞ্চিত করে বসতু প্রসেস করে রেডি করে সব ফ্রিজে রেখে দিলাম সব বঞ্চিত ঢুকানি সুযোগ পেলাম এমন কেন না এটা আল্লাহ তাালার এহসান যে আল্লাহ আলা আপনাকে সারা বছর গোসত খাওয়া কিন্তু এমন তো সমাজে লোক আছে যারা খেতে পায় না কুরবানি ছাড়া আপনার দিকে তাকিয়ে থাকে তো এমনটা করা আমাদের উচিত নয় প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তো এইটা হচ্ছে প্রতিদিয়া বা কোরবানি বড় একটি শিক্ষা যে আমরা আত্মীয়স্বজনের সাথে ভালো ব্যবহার করব প্রতিবেশীর সাথে ভালো ব্যবহার করব গরীব দুঃখী মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর মন মানসিকতা আমরা রাখব কুরবানি থেকে আমরা এই শিক্ষাটা অর্জন করেছি আশা করি আমরা এটা সবসময় পূরণ করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা এই কুরবানি থেকে আমরা আরো কিছু যেটা পাই সেটা হল আল্লাহর আনুগত্যের ক্ষেত্রে ধৈর্যশীল হতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে যেটা অর্ডার দিয়েছেন ওটা আমাদের পালন করতে কষ্ট হলেও আদায় করতে হবে এটাই বলেন আর আল্লাহ রাব্বুল আলামিনদের সাথে রয়েছেন তাহলে আপনি দেখেন নবী ইব্রাহিম আলাইহি সালাতু সালাম 80 90 বছর বয়সে বৃদ্ধ বয়সে যে একটা সন্তান পেলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বললেন সন্তান আর সন্তানের মাকে নির্বাচনে দিয়ে আসবে এটা কি সাধারণ বিবেকে ধরে ধরবে না কিন্তু এটাই হল আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের আনুগত ধৈর্য রাখা যে আপনাকে যেতে হবে মেনে নিতে হবে আমি আপনি কেন মনে করব না এটা কেমন হলো না হলে তো হতো কিন্তু আপনাকে আল্লাহর রহম করতে দান করতেই হবে কনফনে শীতের দিন রাত্রে ফজরে আজান দিছে আপনাকে অবশ্যই গরম লেফটে কবরের মধ্য থেকে উঠে ওযু করে আপনাকে মসজিদে যেতে হবে সালাত আদায় করতে হবে এটা হল আল্লাহর রহমতদেরকে পেশ দাও যেমন কোরবানিতে আমাদেরকে শিক্ষা দিছে প্রিয় দ্বীন ভাইয়েরা আরেকটা হলো আরেকটা শিক্ষা সেটা হলো আল ইসতেলা আত্মসমর্পণ করা আল্লাহর কাছে কি করা আত্মসমর্পণ করতে হবে আল্লাহর ইচ্ছার ক্ষেত্রে নিজেকে সমর্পণ করতে হবে নিজের কোন ইচ্ছার থাকা যাবে না এখান থেকে মুসলিম মুসলিম মানে কি আত্মসমর্পণকারী কিন্তু আমরা এমন আমরা মুসলিম আমরা শরীয় আইনকে বলি কি? মধ্যযুগী আইন। নাউজুবিল্লাহ। শরীয়তের আইনকে আমরা বলছি মধ্যযুগী আইন। চোরের হাত কাটতে হবে। ধর্ষককে মৃত্যুদন্ড দিতে হবে। এবং প্রকাশ্যে দিতে হবে। চোরের হাত কাটতে হবে প্রকাশ্যে। ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্য করতে হবে প্রকাশ্যে। ঘরের ভিতরে না। একজন আরেকজনকে খুন করেছে। কেসা কায়েম করতে হবে। কার বিধান? আল্লাহর হুকুম। আল্লাহর বিধান। আজকে আমরা আল্লাহর বিধান থেকে সরে যেয়ে ব্রিটিশদের তৈরি করা আইন দিয়ে আমরা চলি। আমাদের রাষ্ট্র চলে। এজন্য আমাদের সমাজে বেড়ে গেছে ধর্ষণ রাহাজানি চিন্তায় ডাকাতি চান্দাবাজি টেন্ডলজি আর ঘুষ ইত্যাদি জঘন্য মানিগুলো বেড়ে গেছে খোখ খারাপি বেড়ে গেছে জেনা বেড়ে গেছে যদি আল্লাহর বিধান কায়েম থাকতো বরং এগুলা কমতো না বাড়তো কমে যেত অটোমেটিকলি প্রকাশ্যে যদি মৃত্যুদন্ড কার্য করা হয়নি এখন ধর্ষণ মহোৎসব চলছে সারা দেশব্যাপী এই হাইওয়ান জাতির কাছ থেকে সাত আট বছরের মেয়েও রেহাই পায় কিংবা এই বলাকারী কিংবা সমকামীদের নিকৃষ্ট চরিত্র থেকে রক্ষা পায় যদি আল্লাহর বিধান থাকতো বলাকারী ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড দিতে হতো আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্পষ্ট হাদিসের মধ্যে বলেছেন যারা সমকামী এদেরকে হত্যা করতে হবে যারা ধরছে এদেরকে হত্যা করতে হবে যারা বিয়ে করার পরে আসক্ত হয়ে ব্যভিচার লিপ্ত হয় কোনভাবে তাদের মৃত্যুদন্ড দিতে হবে। কেউ যদি কাউকে খুন করে অন্যভাবে তাকে হত্যা করতে হবে। এগুলো যদি আল্লাহর আইন যদি বাস্তব আইন থাকতো তাহলে আজকে আমাদের সমাজে এত বিশৃঙ্খলা থাকতো এত হত্যা থাকতো, ঘুম থাকতো, খারাপ থাকতো, দর্শন থাকতো থাকতো না। কোরবানি থেকে আমরা কি পাই না? দেখো ইসমাইলকে ইব্রাহিম বললেন যে বাবা আমাকে আল্লাহ অর্ডার করেছে। এখন তোমার কি মত? বল আল্লাহ বাপ একতার আত্মসমর্পণ পিতার যদি পিতার কাছে পুত্র যদি আত্মসমর্পণ না কর আল্লাহকে খুশি করার জন্য তাহলে এসে কি কুরবানি দিতে পারতেন জোর করে সহজ ছিল এখান থেকে আমাদের শিক্ষা যে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের বিধানের কাছে আমাদেরকে আত্মসমাপ্ত হতে হবে। নিজে নিজে ঘুমাতামি করে নিজে নিজে কল্পনা করে চেষ্টা করে কোন কিছু করা যাবে না। আল্লাহ যেটা বলেছেন সেটার প্রতি শিরধারত থাকতে হবে। এটা হল কুরবানির অন্যতম শিক্ষা। প্রিয় ভাইয়েরা আরেকটা শিক্ষা আছে অর্থনৈতিক শিক্ষা। এটা বলে শেষ করব। অর্থনৈতিক শিক্ষাটা কি? এই কুরবানির মধ্যে অর্থনৈতিক এমন একটা বিষয় রয়ে গেছে যা কল্পনা করতে পারি না। আমি একটা রিপোর্টে দেখলাম যে বাংলাদেশে প্রায় 90 থেকে এক কোটির মত পশু প্রাণী বিক্রি হয়। যার বাজার হল প্রায় 80 থেকে 85 হাজার কোটি টাকা। বুঝেছেন? 80 থেকে 85,000 কোটি টাকা। এটা চারটিখানি বিষয় অনেক। একটা এবাদতকে কেন্দ্র করে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এমন একটা রেখে দিয়েছেন। কিন্তু আমরা এক নাম্বার অবশ্যই এবাদত রাখবো। তারপরে আমাদের অন্য কোন চিন্তা রাখতে হবে না। আপনি জানেন পশ্চিমারা যত অপসংস্কৃতি কালচার গুলো আমাদের দেশে আমদানি করে সরি রপ্তানি করে এগুলা প্রত্যেকটার ক্ষেত্রে একটা বাণিজ্যিক চিন্তা থাকে। বাণিজ্যিক চিন্তা আপনি দেখেন নাই হাজার হাজার বিলিয়ন ডলার এখানে কিন্তু বাণিজ্যিক থাকে। আপনি যে এইযে কি বলে 14 এপ্রিলের পহেলা বৈশাখ এখানে থাকে হিন্দুরা এটা জানে আপনি 14 ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস দেখবেন এখানেও কোটি কোটি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের এটা একটা অপসংস্কৃতি নোংরামি সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংসের মধ্যে তাদের এত বড় একটা আর কুরবানিটা হচ্ছে আল্লাহকে খুশি করা এরকম এবাদতের মধ্যে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন শুধু এবাদতই রাখেননি মুসলমানদের জন্য একটা অর্থনৈতিক বিষয়কে এমনভাবে এগেজ করে দিয়েছেন যদি আমরা আল্লাহকে খুশি করার জন্য দুইটাই দুইটা ইবাদত করে সুবহানাল্লাহ তো কুরবানি থেকে এই হচ্ছে মোটামুটি শিক্ষা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের এই শিক্ষার আলোকে আমাদের জীবনকে বাকি সময়গুলো যে রয়েছে আল্লাহ যেন পরিচালনা করার তৌফিক দান করেন আমিন আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।