প্রশংসা মাত্র আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার যিনি এক ও একক যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তিনি আমাদের রাজ্জাক তিনি আমাদের ইলাহ পুরো পৃথিবীবাসী যদি তার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় যার রাজত্বে কোন ঘাটতি আসবে না আর পুরো পৃথিবী যদি তার গোলাম হয়ে যায় তাতেও তার সম্মান বৃদ্ধি পাবে না তিনি একাই স্বয়ংসম্পূর্ণ তিনি হচ্ছেন পরাক্রমশালী যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা আমাদেরকে হেদায়েত করেছেন এই ফেতনার সময়ও তার ইবাদত জন্য তার ঘরে উপস্থিত হওয়ার তৌফিক দিয়েছেন। আমরা সে সত্তার প্রশংসা করি। আলহামদুলিল্লাহ। সালাতুওস সালাম প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যার মাধ্যমে আমরা এই কল্যাণকর দিন পেয়েছি। যার মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা আমাদেরকে পথ দেখিয়েছেন এবং আমাদেরকে এই দ্বীনের উপরে টিকে থাকার সবাব করেছেন আমরা তার প্রতি সালাত এবং সালাম পাঠ করি।
আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ওয়াবারিক আলা নাবিকা মুহাম্মাদ। আজকের খুতবার মূল আলোচ্য বিষয় হবে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার একটি কালাম। কালাম থেকে একটি আয়াত নিয়ে যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা আমাদেরকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি আমাদেরকে বলেছেন যে তোমরা আল্লাহর দিকে ধাবিত হও এবং তার কাছে আত্মসমর্পণ করো। মিন তোমাদের কাছে কঠিন শাস্তি আসার আগেই যদি সে আযাব চলে আসে তখন কিন্তু আর তোমাদেরকে সাহায্য করা হবে না। তার মানে আযাব আসবে এটা নিশ্চিত। আজ হোক অথবা কাল আমাদের উপরে হোক বা আমাদের পরবর্তীদের উপরে হোক যখন তখন আসতে পারে। তার আগেই আল্লাহ আমাদেরকে আহ্বান করে জানিয়েছেন আমরা যেন তার অভিমুখী হই। তার অভিমুখী হওয়া অবস্থায়ও আজাব আসবে।
কিন্তু আমরা তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হব। আর যারা পিছে থেকে গেছে তারা নাফরমান তারা পিছে থাকা ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হবে। এজন্য আল্লাহ বলেছেন আমার পক্ষ থেকে কিন্তু তখন আর কোন সাহায্যকারী হবে না। এই একটা আয়াত তার প্রথম অংশ যে আল্লাহ বলেছেন রব্বিকুম তোমরা তোমাদের রবের দিকে ধাবিত হও। এই আহ্বানের প্রতি আজকের এই বক্তব্যটা হবে ইনশাল্লাহ। যেমন কোরআনে আরেকটি আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা বলেছেন ফির ইলাল্লাহ তোমরা আল্লাহ অভিমুখী হও আল্লাহর দিকে ফেরো এখানে আমাদেরকে আল্লাহ অভিমুখী হতে বলা হয়েছে তা আমাদের উচিত এই ডাকের সাড়া দেওয়া এখন আমাদের করণীয় কি এটা হবে আজকের এই খুতবার মূল বিষয় আমরা সেই দিকে যাব ইনশাআল্লাহ প্রথমত একজন ব্যক্তি কখন উপায় খোঁজে বা রাস্তা খোঁজে একজন ব্যক্তির যখন কোন পথ পাড়ি দিতে হবে সেটা নদী হোক কোন লম্বা পথ হোক তখন তার উপায়ের প্রয়োজন হয়।
একজন ব্যক্তি যখন ক্ষুধার্থ থাকে তার ঘরে যখন খাদ্য থাকে না তখন খাদ্য খোঁজার উপায় সে খোঁজে। একজন ব্যক্তির গায়ে যখন ময়লা লেগে যায়, জামাকাপড়ে যখন ময়লা লেগে যায় তখন তার ইচ্ছা যদি থাকে যে আমি পরিষ্কার হব তখন সে উপায় খুঁজে। তার মানে একজন ব্যক্তি যদি বিপদে অনুভব করে নিজেকে যে আমি বিপদে আছি বা আমার পথ প্রয়োজন তখন কিন্তু সে উপায় খুঁজবে। এখন বিষয়টা যেহেতু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআালার দিকে ফেরা এবং তার উপায় নিয়ে তাহলে প্রথম আমাদেরকে এটা দেখতে হবে যে মূলত আমরা কি আল্লাহ অভিমুখী না আল্লাহ বিমুখ। এটা আগে প্রথম মেনে নিতে হবে। যেই ব্যক্তি এটা মেনে নিতে পারবে যে আমি আল্লাহর অভিমুখী হতে পারি নাই।
আমার মধ্যে ত্রুটি আছে। আমার মধ্যে অনেক ভুল আছে। আমাকে সংশোধন হতে হবে। এই ব্যক্তির জন্য হচ্ছে আজকের এই বক্তব্য। কিন্তু যে প্রতারণা করাটাকে নিয়ে সে এর জন্য যে কোন পাপ করতে রাজি সেটাকে সে তার বিচক্ষণতা হিসেবে নিয়েছে। যেই ব্যক্তি পাপ রোমা মানে জেনাটাকে নষ্টামিটাকে সে রোমান্স হিসেবে নিয়েছে। যে খেলতামসাটাকে এটাকে নিজের মানে আনন্দের একটা সবাব হিসেবে নিয়েছে। এই ব্যক্তির এই বক্তব্য কোন কাজে আসবে না। এই বক্তব্য হবে তার জন্য যে নিজেকে ভুল দেখতে পাচ্ছে। যে নিজেকে অনেক অপরাধী মনে করে যে চায় আমি শুধরাবো এটা তার জন্য কারণ আল্লাহ তাকে বলেছেন কারণ যেই ব্যক্তি আল্লাহ অভিমুখী আল্লাহ তাকে তো বলবে না তুমি আল্লাহ অভিমুখী হও বরং তাকে বলা হবে তুমি আরেকটু আগে বাড় কারণ যেহেতু প্রত্যেক রমজানে ওই ফেরেশতারা যখন ডেকে বলে ইয়াবা যারা কল্যাণকামী তুমি আগে বাড় আল্লাহ তাকে আগে বাড়তে বলেছে আর যারা ইয়াবা যারা অকল্যাণকামী খারাপ চিন্তা নিয়ে থাকো।
তুমি তোমার চিন্তাটাকে থামাও। কারণ রমজান শুরু হয়ে গেছে। তার মানে বোঝা যাচ্ছে যে যার মধ্যে অগ্রগামীতা আছে আল্লাহ তাকে আগে বাড়তে বলেছেন। আর যারা বিমুখ হয়ে আছে আল্লাহ তাদেরকে মুখ ফিরাতে বলেছেন। আল্লাহ তাকে মুখ ফিরাতে বলেছেন। তো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার দিকে ধাবিত হওয়া এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। যার দিকে আমাদেরকে আহ্বান করা হয়েছে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তিনি আমাদেরকে কোরআনের বহুভাবে বহু এঙ্গেল থেকে বুঝিয়েছেন। যেমন যেমনটা বলেছি যেই ব্যক্তি মনে করে যে আমি ভুল পথে আছি তাহলে সেই ব্যক্তির রাস্তা খুঁজবে। দ্বিতীয়ত হচ্ছে যেই ব্যক্তি মনে করে যে আমাকে ফিরতে হবে যে ইচ্ছা পোষণ করে যে আমাকে শুধরাতে হবে।
তাহলে আজকের বক্তব্য হচ্ছে তার জন্য। কিন্তু যেই ব্যক্তির ওই যে বললাম যার অনুশূচনাই নাই সেই ব্যক্তি কখনো এটা খুঁজবে না যে আমি আমাকে শুধরাইতে হবে। তা আসুন আমাদের মূল বক্তব্যের দিকে যাই। আমাদের এটা কি হইছে দেখব। এখন তার উপায় লাগবে। প্রথমত আমরা দেখবো যে আল্লাহ থেকে বিমুখ হওয়া মানে কি? এবং আমরা যারা এখানে আছি তারা কি অন্তর্ভুক্ত কিনা? নাকি আমরা সবাই আল্লাহ অভিমুখী। এটা আগে প্রথম আমাদেরকে বিচার করতে হবে। এটা আমরা কোন এঙ্গেল থেকে দেখবো? আমাদের বিবেক বুদ্ধি দিয়ে না। আমরা দেখব আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে। কারণ আল্লাহ যেটাকে আল্লাহর পথ বলেছেন সেটাই হবে আল্লাহর পথ।
আল্লাহ যাকে ঈমানদার বলেছেন সেই হবে ঈমানদার। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করে নেবে সেই হবে পথ প্রদর্শক। তা আমাদেরকে মূলত দেখতে হবে যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআালার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমরা এখানে যারা আছি সবাই কি ফেরেশতা তুলল আমাদের কোন পাপ হয় নাই আমরা কি সেই ব্যক্তি যে আমরা আল্লাহর অভিমুখী বাকি সবাই আল্লাহর বিমুখ এটা আগে দেখতে হবে তাহলে আমরা বিচার করব আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে না আমরা বিচার করব কোরআন এবং সুন্নাহ দিয়ে আমি মনে করি যদি আমার মত আপনিও কোরআন এবং সুন্নাহর উপরে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নিজেকে মাপেন তাহলে আমি তো নিজেকে অপরাধী দেখতে পাচ্ছি আমি তো নিজেকে আল্লাহ অভিমুখী দেখতে পাচ্ছি না।
আমি তো আল্লাহর বিমুখ দেখতে পাচ্ছি। কারণ আমাদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমাদের ১২ ঘন্টা কাটে শুধু দুনিয়াবী চিন্তা নিয়ে। আর বাকি আট ঘন্টা আমরা আমাদের প্রয়োজন নিয়ে কাটাচ্ছি। তার মানে আমাদের প্রায় ২০ থেকে ২২ ঘন্টা আমরা শুধু নিজেদেরকে নিয়ে ব্যস্ত থাকি। কখনো কখনো হয়তো আল্লাহর কথা আমাদের মনে পড়ে। কখনো কখনো হয়তো আমরা পরকালের কথা ভাবি বা হালাল হারাম নিয়ে চিন্তা করি। বাকি অধিকাংশ সময় আমরা আমাদের চিন্তা নিয়ে ডুবে আছি। আজকে আমাদের প্রেসার হাই হয়ে যায়। এটা কবরের আজাবকে কেন্দ্র করে না। আমাদের প্রেসার হাই হয়ে যায়, লো হয়ে যায় এটা জাহান্নামের ভয়ের কারণে না। বরং দেখা যাবে ম্যাক্সিমাম হচ্ছে টাকা পয়সার চিন্তা।
ম্যাক্সিমাম হচ্ছে অন্যের সাথে বিজনেসের পারপাস জমি সংক্রান্ত বিষয়। ছেলেমেয়েদেরকে বিয়ে-শাদীর বা তাদের ক্যারিয়ার ঘরার জন্য অধিকাংশ বাপ-মার প্রেসার আপ ডাউন করে। কিন্তু মূলত এটা হইতে হইতো কিসের জন্য? কবরের জন্য এটা হইতে হইতো পরকালের জন্য কিন্তু এটা আমি নিশ্চিত বলতে পারি আমরা যারা এখানে আছি ইল্লা রাহমাল্লাহ আল্লাহ যার উপর রহম করেছে সে ছাড়া বাকি আমরা ম্যাক্সিমামই আমাদের প্রেসার যদি আপ ডাউন করে এটা সম্পূর্ণ হচ্ছে দুনিয়াবী চিন্তার উপরে ভিত্তি করে হচ্ছে এইজন্য আমরা বলতে পারি যে আমরা মূলত আল্লাহর অভিমুখী হতে পারি নাই আমরা আল্লাহর বিমুখের কাতারেই আছি উপরন্ত আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা হচ্ছেন সবথেকে বেশি জ্ঞানী মানে তিনি আলেমুল গায়েব এবং তিনি গায়েব সম্পর্কেই জানেন এবং আমাদেরকে জানিয়েছেন সেটা কি? আল্লাহ কোরআনে বারবার বলেছেন অধিকাংশরাই আল্লাহর না শুকুর গুজার।
অধিকাংশরাই আল্লাহ ওখানে আকসার শব্দটা বেশি ব্যবহার করেছেন। যে অধিকাংশরাই নাফরমান। অধিকাংশরাই অকৃতজ্ঞ। অধিকাংশরাই আল্লাহর উপদেশ গ্রহণ করতে চায় না। আবার যখন ঈমানের কথা এনেছে সেখানে আল্লাহ বলেছেন তারা অল্পর আল্লাহর শুকুর গুজার বান্দা। অল্পর ঈমান আনবে। অল্পরায় উপদেশ গ্রহণ করবেকারবা আল্লাহ বলছেন অল্প জ্ঞানীরা ছাড়া আর কেউ উপদেশ গ্রহণ করে না তার মানে কোরআন যেহেতু বলেছে অধিকাংশরাই বিপথে অধিকাংশরাই নাফরমান তাহলে আমি আর আপনি কি করে নিজেকে মুক্তি মানে মুক্ত দাবি করি যে আমি আর আপনি এই অধিকাংশদের মধ্যে না বরং কোরআনে তো আল্লাহ সুবহানাহুতালা অনেক কঠিন কথা বলেছে যেখানে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন বিল্লাহইললা অধিকাংশরা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার দাবি করবে বটে।
কিন্তু এই ঈমানদার দাবি করাদের মধ্যে অধিকাংশরাই হচ্ছে মুশরেক। কিন্তু আমি আর আপনি নাকে তেল দিয়ে আসছি যে আমি আর আপনি তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়তো না। আমরা প্রথমে কোরআন এবং সুন্নাহর অনুসারী যারা আছি তারা প্রথম হয়তো নিজেকে এটা মুক্ত করতে পারি যে হ্যাঁ আমরা ওই অধিকাংশ মুশরিকদের মধ্যে না। ঠিক আছে। আমরা তাহলে মুশরিক থেকে আলাদা। কিন্তু অধিকাংশ পাপীদের মধ্যে আমরা আছি কিনা? অধিকাংশ জালেমদের মধ্যে আমরা আছি কিনা? অধিকাংশ চিটার বাটপারদের মধ্যে আমরা আছি কিনা? অধিকাংশ মানে আল্লাহর বন্দেগী করি না বা ফরজ ইবাদত ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের মধ্যে অধিকাংশরা কি এই কাতারে আছে কিনা এটা আপনি দেখবেন। বরং আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা তো স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন বরং পুরা পৃথিবীর মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।
আল্লাহ বলেছেন কসম করে বলেছেন পৃথিবীর সমস্ত মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত। এবং হাদিসে কুদসি ইমাম মুসলিম তিনি তার কিতাবুল বির মধ্যে এনেছেন যেটা আপনি ৬৪৬৬ তে পেয়ে যাবেন আবুজার রাদিয়াল্লাহু তালা থেকে হাদিস বর্ণনা করা হয়েছে যে আল্লাহ বলতেছেন তোমরা সবাই গোমরাহ একমাত্র আমি আল্লাহ যাকে হেদায়েত করেছি তহলে দ্বিতীয় পাঠ হবে আজকে আমাদের বক্তব্যের আসল উপায় কিন্তু আমাদের প্রথম টুকরাটা হচ্ছে আমাদের হুকুম যে আল্লাহ আমাদেরকে বলেছেন তোমরা সবাই কিন্তু গোমরাহ তবে আমি আল্লাহ যাকে হেদায়েত করব সে ছাড়া এখন আল্লাহ যাকে হেদায়েত করেছেন আমি আর আপনি কি তাদের মধ্যে কিনা নাকি গোমরাদের মধ্যে তার মানে প্রথম আমাদেরকে দেখতে হবে যে আল্লাহর দৃষ্টিতে আমরা সবাই জানে আল্লাহর দৃষ্টিতে আমরা সবাই পাপী তাহলে আমাদেরকে কি করতে হবে আল্লাহ বলেছেন তুমি তওবা করে তোমার রবের রাস্তা ধরে নাও আপনি আর আমি যদি এখন মেনে নেই যে হ্যাঁ আমরা অধিকাংশরাই আল্লাহমুখী হইতে পারি নাই এই অনুতপ্ততা যার মধ্যে আছে আমি নিশ্চিত সেই ব্যক্তি তার অন্তরকে সে মাঝে মাঝে ধিক্কার দেয় এবং সে তওবার রাস্তা খুঁজবে সে শুধরাইতে চাইবে।
কিন্তু আমাদের সন্তানদের মধ্য থেকে যারা নাফরমান কিন্তু এটাকে শান সৌকত হিসেবে নিয়েছে। একটু আগেই বলেছি পাপটাকে সে এটাকে কোন তুচ্ছতাছিল মনে করে। কিছুই মনে করে না। তাদের জন্য কিন্তু সে আল্লাহর অভিমুখী যে নয় সেটা তার কোনদিন অনুশোচনা হবে না। এটা অনুশোচনা হবে। তার মধ্যে যেই ব্যক্তি বুঝতে পারে যে আমার দ্বারা ভুল হচ্ছে আমাকে শুধরাইতে হবে। এবার আসুন আমরা যেহেতু অধিকাংশরাই হচ্ছি ভুল পথে বা অধিকাংশরাই আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার অভিমুখী হতে পারিনি তাহলে আমাদের উচিত আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়া। এর জন্য আমাদেরকে উপায় খুঁজতে হবে। প্রথম উপায় যেটা হতে পারে যে আমাদেরকে আল্লাহমুখী হতে সাহায্য করা হবে সেটার প্রথম উপায়টাই হচ্ছে ইচ্ছাশক্তি।
যেই ব্যক্তি সত্যিকার অর্থে ফিরতে ইচ্ছুক তার জন্য আল্লাহ অভিমুখী হওয়াটা অত্যন্ত সহজ। আল্লাহমুখী হতে হলে আপনাকে ইচ্ছা লাগবে। ইচ্ছাশক্তিটাকে প্রবল করতে হবে। যই ব্যক্তি শুধ্রানোর ইচ্ছা নাই তাকে আপনি যে কোন উপদেশ দেন কোন কাজ হবে না। শিক্ষক ছাত্রদেরকে উপদেশ দিচ্ছে কাজ হচ্ছে না। পিতামাতা সন্তানদেরকে উপদেশ দিচ্ছে কাজ হচ্ছে না। রাষ্ট্রনায়ক রাষ্ট্রের নাগরিকদেরকে ভালো হওয়ার উপদেশ দিচ্ছে কাজ হচ্ছে না। কেন? কারণ তার ইচ্ছা নাই। আমাদের বাংলার জমিনের প্রত্যেকটা সেক্টরের মানুষ যারা কর্ম করে সবার মধ্যে প্রথম নিয়তটাই থাকে দুর্নীতির নিয়ত। মানে সে লাভবান হবে। তাকে কোন কর্ম কর্মচারী হিসেবে তাকে কোন কোম্পানির দায়িত্বে বা তাকে কোন যে কোন পদের দায়িত্বে যখন তাকে দেওয়া হয় তার প্রথম উদ্দেশ্য থাকে সে নিজে লাভবান হওয়া।
আমি আমার ব্যক্তিগত অপিনিয়ন থেকে দুইটা উদৃতি আপনাকে দেই। মানুষ কিভাবে নোংরা চিন্তা নিয়ে বাঁচে। আমি যখন সৌদি আরবে যাওয়ার সময় হয়েছে তখন প্রথম ওযে আমাদের তো লেবার হিসেবে তো যাওয়া হয়েছিল। তো প্রথম আমাদেরকে অফার করেছে যে পেট্রোল পাম্পের ভিসা আছে বেতন কম কিন্তু ইনকাম আছে। বুঝেন? বেতন কম কিন্তু ইনকাম আছে। এটা হচ্ছে প্রথম দুর্নীতির ফাক। এইযে যার ইনকামের চিন্তা তাহলে সেই ব্যক্তি এটা গ্রহণ করবে। বলা হয়েছে ৬০০ রিয়াল বেতন ৬০০ রিয়াল ইনকাম আছে। ইনকামটা কি? তার মানে চুরি। আমাদের এক ফ্রেন্ডদের মধ্য থেকে এক যারা উচ্চমানের শিক্ষিত তাদের একজন ব্যাংকার হয়েছে। তো কথোপকথনে তাকে আমি জিজ্ঞেস করলাম যে এই জব কেন বেছে নিল? মানে এই সাইট কেন? ব্যাংকের ম্যানেজার হতে হবে ওকে।
তখন ওমা কেমন একটা সূক্ষ কথা বলেছে। সুবহানাল্লাহ। আমাদের মাথা কোনদিন ওই পর্যন্ত যাবে না। আল্লাহ ওর উপর রহম করুক বা যারা আছে অন্যর গুনাহও হইতে পারে। কিন্তু চিন্তাটার মধ্যে দেখেন কি বলতেছে ব্যাংকে এমন কিছু একাউন্ট থাকে যেগুলো লাওয়ারিস এ কোন ওয়ারিস নাই এ টাকাগুলো কোথায় যায় এগুলোর চাবিকাঠি কাদের হাতে এ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের হাতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হাতে এগুলো কোন না কোন ভাবে তারা এই একাউন্টগুলোকে খুলতে পারে বা খুলে অন্য একাউন্টে ট্রান্সফার করে সে টাকাগুলো তারা ব্যবহার করতে পারে সুবহানাল্লাহ চিন্তা করা যায় একজন মানুষ শিক্ষিত হয়েছে এই জায়গায় পৌঁছানোর জন্য তার মানে আমি বুঝাতে চেয়েছি মানুষ নিজে থেকে যদি সৎ থাকার ইচ্ছা না করে তার দ্বারা কোন উপদেশ কোন কাজ আসবে না।
আমাদের বাংলাদেশের ডাক্তারি সেক্টরটা যেটা আছে যারা এইযে মহিলাদেরকে কিছু হলে সিজার করিয়ে দেয়। প্রথম থিওরি হল ওর কাছে গেলেই বলবে আপনার পেটের বাচ্চা তো উল্টা বুঝেন? এটা না বললে তোকে সিজারে নিবে না। বলছে আপনার পেটের পানি শুখয়ে গেছে। জরের মুখ বন্ধ। এটা খোলা যাবে না। আপনার তো সিরিয়াস অবস্থা হয়ে যাবে। আপনার ব্লাড প্রেসার হাই। ডায়াবেটিস হয়ে গেছে। মহিলাদেরকে এই যে পুশিং দেওয়া তো থাকে। তারপরে সে এই সিজারের মধ্যে একবার সিজার করে দিলে তার মানে বাকিগুলার তো আর কোন নরমালের চান্সই নেই। তাহলে এটা হচ্ছে দুর্নীতির ফাদ। যেখানে সামান্য একটু কিছু হয়েছে গিয়েছেন ক্লিনিকে সে বলবে আপনাকে তো ভর্তি হইতে হবে।
আর একদিন ভর্তি হলে ১০ ২০ ১৫ হাজার টাকা নিয়ে নিতে পারবে। এগুলো হচ্ছে দুর্নীতির ফাদ। তা আমি বলতে চাচ্ছি যার নিজে থেকে সৎ হওয়ার ইচ্ছা নাই তাকে কোন উপদেশ দিলে কোন কাজ হবে না। আর এটা আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা বলেছেন কোরআনে। আসুন আমি আপনাকে দুই একটা উদৃতি দেখাই যে ইচ্ছাটা যে মূল যে আমাকে শুধরাইতে হবে আমার দাড়ি রাখার ইচ্ছা থাকতে হবে আমি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতে পড়বো এটা আমার ইচ্ছা থাকতে হবে ইচ্ছা ছাড়া কোন কাজ হবে না কোন কিছু দিয়ে কাজ হবে না এজন্য প্রথম যারা ভুল পথে আছি আমাদের ইচ্ছাটাকে জাগাইতে হবে যে আমি ব্যক্তিগতভাবে সৎ হব আমি দাড়ি রাখার ইচ্ছা করেছি দাড়ি রেখেছি আমার আপনার ইচ্ছা যদি থাকে যারা এইযে টাকনার উপরে প্যান্ট তুলেছেন এটা আপনার ইচ্ছায় হয়েছে কারণ আপনি উপদেশ শুনেছেন উপদেশ মেনে নিয়েছেন আপনার ইচ্ছা থেকে নিয়েছেনযে যে সমস্ত মা বোনরা মহিলারা পর্দা করে সে ইচ্ছা করে পর্দা করে।
সে উপদেশটা মেনে নিয়েছে। আর যারা পর্দা করে না তার উপদেশ কোন কাজে আসতেছে না। বরং এর এগেনেস্টে সে খারা যুক্তি পেশ করবে। তো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা ইচ্ছাটাকে প্রাধান্য দিতে বলেছেন। তোমার ইচ্ছা। কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'য়ালা বলেছেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা আপনি যদি বলেন যে আল্লাহ যদি আমাদেরকে হেদায়েত করতো তাহলে তো আমরা হেদায়েত হইতাম। আমি আপনাকে দেখাইতে পারি। কোরআনে আল্লাহ আমাদেরকে জানিয়ে রেখেছেন বান্দা কেয়ামতের মাঠে যেন তুমি এ কথা বলতে না পারো যে আল্লাহ যদি তুমি আমাকে হেদায়েত করতা তাহলে তো আমি মুত্তাকী হয়ে ফিরতাম। আল্লাহ কোরআন এটা জানিয়ে রেখেছেন। তার মানে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলার যে হেদায়েতের কিতাবটা প্রত্যেক নবীর যুগে নাযিল করতেন সেগুলোকে আল্লাহ বিলুপ্ত করে দিয়েছেন।
কিন্তু আমাদের নবীর উপরে যে কিতাব নাযিল করা হয়েছে এটা কেয়ামত পর্যন্ত আল্লাহ বহাল রাখবে। কেয়ামত পর্যন্ত কোরআন। এই কোরআন এই উপদেশ সবার ঘরে আছে। আপনি এখন অস্বীকার করতে পারবেন না ওই ব্যক্তিদের মত। লাতাকতালা অথবা তুমি সেইদিন কেয়ামতের মাঠে আল্লাহর কাছে বলবালা যদি আল্লাহ তাহলে ফেরাউনের মত বলবেন যদি আল্লাহ সরাসরি জাহান্নামে ফেলে দিত তাহলে ফেরান কথাই বল আল্লাহ পাঠ দেখতেন তখন আল্লাহ তাকে পাঠিয়েছে দুনিয়াতে মুসা আলাইহিস সালাম হারুন আলাইহি সালামকে উপদেশ দিয়েছে কিন্তু সে উপদেশ গ্রহণ করেনি যাতে সে আল্লাহর উপরে কেয়ামতের মাঠে বিচার সময় অপবাদ দিতে না পারে। তার মানে আমরা যারা আছি যারা জাহান্নামে যাবে তারা কেয়ামতের মাঠে এটা বলতে পারবেন আল্লাহর কাছে যে আল্লাহ তুমি যদি আমাকে হেদায়েত করতালা মুত্তাক এজন্য আল্লাহ আগেই জানিয়ে দিয়েছেন যে আমি কিন্তু তোমাকে উপদেশ দিয়ে দিয়েছি।
তারপর আল্লাহ আয়াতটা ছিল সূরা জুমার জুমারের সাত নম্বর আয়াত। তারপর আল্লাহ সুবহানাহুতালা সূরা ইনসান মানুষ নামের যে সূরা তার শুরুতে আল্লাহ বলে দিয়েছেন ইনামাশা ওইমা কাফুরা আমি তোমাকে রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছি। তুমি অস্বীকার করতে পারবে না। এখন যেকোন একটা রাস্তা তুমি তোমার ইচ্ছায় গ্রহণ করো। জান্নাত এবং জাহান্নামের রাস্তা স্পষ্ট। এবং আল্লাহ বলে দিয়েছেন এটা হচ্ছে জান্নাতের পথ। এই আমল এগুলো আর জাহান্নামের পথ এর আমল এগুলো। তাহলে আমরা যারা জান্নাতের পথের আমল করতেছি এটা আপনি ইচ্ছায় করতেছেন। আর যারা জাহান্নামের পথের আমল করতেছে তারা সেটা ইচ্ছায় করতেছে। এখানে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার কোন ক্ষমতা তার উপরে প্রয়োগ করা হয়নি।
আল্লাহ তাকে স্বাধীনভাবে ছেড়ে দিয়েছে যে তুমি যেকোন একটা পথ গ্রহণ করতে পারো। তবে বিচার কিন্তু হবে কঠিন। এটার জাযা অত্যন্ত মানে অনেক বেশি। আর এটার শাস্তিও কিন্তু অনেক বেশি। তুমি বেছে নাও। চুজ। তুমি বেছে নাও যে কোন পথে তুমি যাবা। তার মানে আল্লাহ সুবহানাহুতালা আমাদের ইচ্ছার উপরে ছেড়ে দিয়েছেন। কোরআনের আরেকটা আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা বলেছেন এই কোরআন তো নাযিল করে দিলাম সবার জন্য। কিন্তু এ কোরআন থেকে কে উপকৃত হবে? আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন তোমরা কোথায় যাচ্ছ তোমাদের মুখ কোন দিকে ইনহুয়া ইল্লাল আলামিন এটা বিশ্বজগতের জন্য এক উপদেশবাণী কে গ্রহণ করবে লিমান তোমাদের মধ্যে যেই ব্যক্তি সোজা পথে চলতে চায় এ কোরআন তাকে উপকৃত করবে তার মানে কোরআন সবার ঘরে আছে কোরআনের বাণীগুলো প্রত্যেকের কানে পৌঁছে যাচ্ছে তাহলে যেই ব্যক্তি দুর্নীতিমুক্ত চুরিবাটপারি থেকে মুক্ত যে ব্যক্তি হালাল খাওয়ার জন্য প্রত্যয় সেই ব্যক্তি এই কোরআন তাকে উপদেশ উপকার করেছে।
আল্লাহ বলেছেন লিমানশাকতাম তোমাদের মধ্যে যেই ব্যক্তি সোজা পথে চলতে চায় এ কোরআন এ উপদেশ তাকে উপকৃত করবে। তার মানে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা এখানে ইচ্ছাটাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। উপদেশ তো সবাই জানে। কিন্তু এখানে আল্লাহ বলেছেন যেই ব্যক্তি ইচ্ছা করবে সেই কেবল সোজা পথে চলবে। আর যেই ব্যক্তি ইচ্ছা করবে সে বক্রপথ অবলম্বন করবে। তেমন আল্লাহ সুবহানাহুতালা কোরআনে আরেকটা আয়াত আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যেটা শুরুতে আমরা পাঠ করেছিলাম। আল্লাহ বলেছিলেন ইন্নাল্লাহালা যেই ব্যক্তি নিজে থেকে নিজেকে পরিবর্তন ঘটাবে না আমি আল্লাহ তাকে পরিবর্তন ঘটাব। তার মানে আপনার আমাকে ইচ্ছা করে নিজের পরিবর্তনটা ঘটাইতে হবে। আপনার আমাকে ইচ্ছা করে হারামটাকে ছাড়তে হবে। হালাল পথে আসতে হবে।
কষ্ট হবে। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা আমাকে বলেছেন যদি আমরা ইচ্ছা করে সঠিক পথে না আসতে চাই আল্লাহ আমাদেরকে বাধ্য করবে না যেমন আপনি চাচ্ছেন সিগারেট খাবেন আল্লাহ আপনার হাতটাকে থামিয়ে দিবে না যে হাত মুখে উঠবে না এটা হবে না কখনো আল্লাহ স্বাধীনভাবে ছেড়ে দিবে রবগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতেছে আপনার ইচ্ছায় আপনার হাতটাকে উঠাচ্ছেন যেমন আপনি দেখতে পাচ্ছেন পানির গ্লাস যদি পড়ে থাকে আপনি ইচ্ছা করে হাত দিয়ে যদি না ধরেন এই পানি কিন্তু আপনার মুখে উড়ে এসে ঢুকবে না হালাল জিনিস ঠিক তেমনি হারামটাও আপনি ইচ্ছা করে কিন্তু তুলতেছেন। এখানে আল্লাহ আপনাকে স্বাধীনভাবে ছেড়ে দিয়েছে। তো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা মূল বলেছেন যেই ব্যক্তি সঠিক পথে আসতে চায় তার মানে আল্লাহ মুখী হতে হলে আপনার ইচ্ছাটাকে জাগাইতে হবে।
এটা হচ্ছে প্রথম উপায়। এখন এই উপায়টাকে আপনি আল্লাহর আনুগত্যের ক্ষেত্রে বাধ্য করতে হবে। কারণ মানুষের অন্তর সাধারণত যেটা মজা লাগে এটাই যেটাতে লাভবান হবে সেটাই সে গ্রহণ করে। এটাই বাস্তব। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা বলেছেন এই অন্তরের এই চাহিদাটাকে থামাইতে হবে। এটা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ ঘটাইতে হবে। তাহলে সেই ব্যক্তি আল্লাহমুখী হইতে পারবে। যেমন প্রত্যেকটা নবী আম্বিয়াগণ ছিলেন। যেমন সাহাবায়ে কেরামরা করতে পেরেছিলেন। তা আমাদেরকে তাদের অনুসারী হইতে বলা হয়েছে। এবার আসুন এবার নিজের সেই ইচ্ছাটাকে আল্লাহর আনুগত্যের ক্ষেত্রে বাধ্য করতে হবে। আমরা যদি এখন আল্লাহর আনুগত্যের ক্ষেত্রে নিজেকে বাধ্য করতে না পারি আপনি জেনে নেন আমরা হক পথে নাই।
কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা বহুভাবে বহু এঙ্গেল থেকে এ কথাটাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে আল্লাহর বন্দেগীর মাঝেই হচ্ছে হেদায়েত। বন্দেগী ছাড়া হেদায়েত প্রমাণ হয় না। আপনি যতই আল্লাহর ওলির ঘরের সন্তান হন না কেন যদি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় না করেন তার মানে আপনি হকের পথে নাই। আপনি যদি হালাল না খান আপনি হকের পথে নাই। আপনি যতই দাবি করেন না কেন যে আমি কোরআন সুন্নাহওয়ালার ঘরের জন্ম। কোন কাজ হবে না। কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বহুভাবে বলেছেন। যেমন আল্লাহ বলেছেন যখন আমার পক্ষ থেকে হেদায়াত আসবে যেই ব্যক্তি হেদায়াতের অনুসরণ করবে সেই ব্যক্তি এই ব্যক্তি গোমরা হবে না আর এই ব্যক্তি লাঞ্ছিত হবে না।
এটা সূরা তহা ২০ নাম্বার সূরা নাম্বার আল্লাহ উল্লেখ করেছেন যেটা আপনি সূরা বাকারা ৩৭ ৩৮ নাম্বার আয়াতে পাবেন। তার মানে আল্লাহ বলেছেন যেই ব্যক্তি হেদায়েতটাকে অনুসরণ করবে। শুধু এটা আল্লাহ বলে নাই। যেই ব্যক্তি হেদায়েতটাকে মেনে নেবে। তার মানে পৃথিবীর সমস্ত মুসলিমরা কোরআন আল্লাহর কালাম এটা মেনে নিয়েছেন। কিন্তু সময় হেদায়েত পান নাই। আল্লাহ বলেছেন না এ কোরআনটাকে শুধু আল্লাহর কালাম হিসেবে মেনে নেওয়া যথেষ্ট না। বরং এই কোরআনকে অনুসরণ করতে হবে। ইত্তাবা ইত্তাবা লাগবে। আল্লাহ এবং তার রাসূলের ইত্তেবা ছাড়া কোনদিন কোন ব্যক্তি মুসলিম নিজেকে দাবি করতে পারে না। তার মানে কোরআনে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে। কোরআনের আরেকটি আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন তোমাদের কাছে আকর্ষিকভাবে আযাব চলে আসার আগে তোমরা বুঝে উঠতে পারবে না।
তার আগেই এই কোরআনটার অনুসরণ করো। আল্লাহ তোমাদের উপরে যে উত্তম বিধান নাযিল করেছেন বান্দা তোমাদের কাছে আকর্ষিক আযাব আসার আগেই তুমি আল্লাহর এই বিধানটাকে অনুসরণ করো। তারপরে কিন্তু বলেছেলা বিল্লাহ আমার আফসোস আমি নিজেই তো কেয়ামতের মাঠে আল্লাহ বলেছেন তোমাকে এমন একটা সময় আসতে যাচ্ছে তুমি নিজে বলবা যে আমি ইচ্ছা করে আল্লাহর অভিমুখী ছিলাম আল্লাহ তো আমাকে ডেকেছিল সালা প্রত্যেক মসজিদ থেকে আওয়াজ দেওয়া হয়েছিল এটাই ছিল আমাদের মুক্তি এটা তো বলা হয়েছিল আমি ইচ্ছা করে সেটার সাড়া দেইনি আমাকে বলা হয়েছিল হালাল খেতে আমি সেটা সাড়া দেইনি তার মানে এই কথা যেন আমাদেরকে বলতে না হয় তার মানে ইত্তেবা ছাড়া কোন ব্যক্তি হেদায়েতের পথে এটা মানে প্রমাণিত হয় না।
মুসা আলাইহিস সালাম তিনি কথোপকথন করতেন আল্লাহর সাথে। তাকে কালিমুল্লাহ বলা হয়। কারণ তিনি আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলতেন। মধ্যস্থতা ছাড়াই তিনি একবার আল্লাহ সুবহানাহুতালাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন ছয়টা বিষয় গোপন বিষয় সম্পর্কে। তার একটা ছিল। আল্লাহ আমাকে জানান আপনার কোন বান্দা সবচাইতে হক পথে আছে। হেদায়েতের পথে আছে। তখন আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা তার জবাবে তাকে বলেছিলেন আল্লা যেই ব্যক্তি আমার পক্ষ থেকে হেদায়েত যেটা আসবে এই হেদায়েতটাকে যেই ব্যক্তি অনুসরণ করে সে হচ্ছে হেদায়েত প্রাপ্ত। তার মানে আমাদের কাছে কোরআন আমাদের কাছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের হাদিস আসছে। এখন আমরা যদি কোরআন এবং সুন্নাহর ইত্তেবা করি তাহলেই আমরা হেদায়েতের পথে আছি নয়তো নাই।
এ হাদিস ইমাম ইবনে সাহী ইবনে হিব্বানে রয়েছে ৬২১৭ এবং সিলসিলা আল হাদিস আস সাহিহার মধ্যে ৩৩৫০ এ রয়েছে আমি খুব দ্রুত বলতেছি যেহেতু সময় খুব সংকীর্ণ আপনারা এটা বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করবেন তার মানে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলা বলেছেন হেদায়াত মূলত আল্লাহর বন্দেগীর মাঝে আছে আল্লাহ থেকে আপনি বিমুখ তার মানে আপনি ইবাদত করেন না সেটা যারা দাড়ি রাখেন নাই আপনাকে আঙ্গুল দিয়ে দেখাইতে হবে না যে আল্লাহ আপনি আল্লাহর অভিমুখী নন। যার টাকনার নিচে প্যান্ট আপনাকে আঙ্গুল দিয়ে দেখাইতে হবে না। যারা হারাম কাজের সাথে জড়িত হারাম খান আপনাকে দেখাইতে হবে না। বারবার বলতে হবে না যে আপনি আল্লাহর অভিমুখী না।
বরং এটা আপনাকে মেনে নিতে হবে। কারণ আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন আমি কোনদিন আমার কোন বান্দার পাপের উপরে সন্তুষ্ট নয়। আল্লাহ বলেছেন আল্লাহ কোনদিন কোন বান্দার নাশুকরিতে আল্লাহ কোনদিন সন্তুষ্ট হবে না। তার মানে বেনামাজের উপর আল্লাহ সন্তুষ্ট। এটা কোনদিন কল্পনাও করবেন না। যারা প্রকাশ্যে পাপে লিপ্ত তারা যেন এটা কল্পনা না করে যে আল্লাহ আমার উপরে সন্তুষ্ট বরং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাআলা তিনি তার ইবাদতের উপরে তার বান্দার উপর সন্তুষ্ট হবে নয়তো না কারণ হাদিসে কুদসি যেটা আছে যে আল্লাহর ওলির হাদিস তাতে কিন্তু এটাই আছে যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা আমাদের উপরে যেই আমলগুলোকে ফরজ করেছেন আল্লাহ সেটাকে বেশি ভালোবাসেমা আল্লাহ বলেছেন আমি আল্লাহ পছন্দ করি ওই ইবাদত যেটা আমি আল্লাহ নিজে তোমার উপরে ফরজ করেছি আজকে আমাদের মুসলিম সন্তানদের অবস্থাটা কি আপনি দেখেন সুন্নত নফল অনেক দূরের ব্যাপার তারা ফরজ ইবাদত ছেড়ে দিয়ে বসে আছে তাহলে আল্লাহ অভিমুখে আমরা কোথায় আমরা ম্যাক্সিমাম মানুষ আল্লাহ বিমুখ আপনি দেখেন আজকে জুমার দিন জুমার
দিনে বলা হয়েছে যখন ডাক দেওয়া হবে তোমরা সমস্ত বেচা কিনা কাজ কারবার বন্ধ করে দিয়ে মসজিদে আসো কিন্তু আপনি বলতে পারবেন আমাদের সংখ্যা কত পারসেন্ট আজকে বাংলার জমিনের হয়তো ২% লোক হয়তো আল্লাহর এই ডাকের সাড়া দেয়নি ২% লোক হবে না আমাদের বাংলার মুসলিমদের মধ্যে যারা এখন মসজিদে আছে বরং আপনি মার্কেটের রাস্তাঘাটে দেখেন বিল্ডিং কনস্ট্রাকশনের কাজ যারা করতেছে দেখেন তাদের কাজ বন্ধ হয় নাই এটা চলতে থাকবে তাদের কোন মাথা ব্যথাই নাই ধর্মের ব্যাপার নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যথা নাই কিন্তু এটা যদি খেলার ওয়াক্ত হতো খেলা চলতেছে এমন ওয়াক্ত হতো তাহলে তারা সেখানে উপস্থিত থাকতো সেটার বাস্তবতা আপনারা সবাই চাক্ষ সাক্ষী একটু পরে সে কথাটা আসবে তার মানে আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেছেন যে তোমরা আল্লাহ অভিমুখী তোমাদেরকে হইতে হবে না হলে ইবাদত বিহীন কোন ব্যক্তি আল্লাহ অভিমুখী হওয়া যায় এজন্য আল্লাহ আমাদেরকে ডেকে বলেছেন তোমরা আল্লাহ অভিমুখী হও এবং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার কাছে তোমরা আত্মসমর্পণ কর আমাদেরকে ডাকের
সাড়া দিতে হবে যারা আল্লাহ সুবহানাহুতাালার অভিমুখী তাদের একটা মর্যাদা আছে খুব সূক্ষ একটা কথা আমি আপনাকে বলি এ আয়াতটা কালকে রাত্রে এড করেছি হঠাৎ করে চলে আসছে সেটা আমি আপনাকে দেখাই আপনি আমি যদি আল্লাহ অভিমুখী হই তাহলে আপনার আমার মর্যাদা কি জেনে নেন পৃথিবীর সমস্ত মানুষ হেদায়েত পাবে না এই আয়াতটা একটু ব্যতিক্রম একটা আয়াত পেলাম কারণ কোরআন বহু আয়াত আমি সিমিলার পেয়েছি একরকম কিন্তু এটা একটু ব্যতিক্রম আল্লাহ বলেছেন ইন্নাল্লাহা আপনি দেখতে পারবেন আল্লাহ যাকে খুশি গোমরাহ করে আবার প্রায় আয়াতে বলেছে আল্লাহ যাকে চায় হেদায়েত করে প্রায় আতে আল্লাহ যেখানে আমি যাকে খুশি গোমরা করি যাকে খুশি হেদায়েত করি যাকে খুশি সন্তান দেই যাকে খুশি দেই না খুশির কথাটা আসছে কিন্তু এই আয়াতের মধ্যে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতালা স্পষ্ট বলে দিয়েছেন যে আমি কাকে হেদায়েত করি? কার উপর আমার ইচ্ছা হয়? আল্লাহ সুবহানাহুতালা বলেন ইন্নাল্লাহা আল্লাহ যাকে তাকে তো গোমরা তো ঠিকই করে।
কিন্তু হেদায়েত কাকে করে? আল্লাহ বলছেন তবে আমার দিকে যারা ধাবিত আমি তাদেরকে শুধু হেদায়েত। এজন্য আমাদেরকে যদি হেদায়েতের পথে আসতে হয় আল্লাহ অভিমুখী ছাড়া আমাদের বিকল্প কোন রাস্তা নাই। আল্লাহ চেহারা সুন্দর বিদায় আপনাকে আল্লাহর বান্দা হিসেবে গ্রহণ করবে না। টাকা পয়সাওয়ালাদের পীরের আল্লাহর ওলিদের রাসূলদের সন্তানদের এটা আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার কাছে যাওয়ার সবাব না। বরং আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তায়ালা বলেছেন ইলাইহি আনা যে ব্যক্তি তার দিকে ধাবিত আল্লাহ কেবল তাকে হেদায়েত করে। এই আয়াতটা সূরা ২৭ নাম্বার আয়াতে রয়েছে। এজন্য আজকের খুতবার বিষয় হবে এটাই। যে আমাদেরকে আল্লাহর এবাদত গুলোর দিকে ঝুকতে হবে। এবাদত বিহীন আপনি নিজেকে পরহেজগার দাবিতে পারবেন না।
এবাদতের মধ্যে হালাল খাওয়া আছে, হারাম ছাড়াও আছে। ইবাদতের মধ্যে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত বেনামাজি হওয়া যাবে না। এবাদতের মধ্যে প্রকাশ্য দাড়ি রাখা আছে। প্রকাশ্য টাকনার উপর প্যান্ট আছে। প্রকাশ্য পর্দা করা আছে। এটা আপনাদের লাগবেই। অনেকে মনে করে আমাদের সোসাইটি নিয়ে একটা রুলস আমরা রেখেছি যে আমরা দাড়িওয়ালা ছাড়া কারো কাছে জমি বিক্রি করবো না। জানেন মানুষ কত ইতর হয় বা কত মানে কত নির্বোধ হয়। কথা যে বুঝে না এই কথাটা যখনই কাউকে বলি যখন সদস্য হতে চায় যখন বলি আপনার দাড়ি আছে সে বলতেছে আহলে হাদিস আমি বলছি ঠিক আছে আপনার দাড়ি আছে আপনাকে দেখতে হবে আমাকে এক মুরুব্বী ওইদিন একটা ঘটনা ঘটেছে সে লাইনটা কাটে নাই লাইনেই ছিল তার ঘরের ভিতরে এসে কথোপকথন বলতেছে বলতেছে হুজুর বলতেছে যে আমার দাড়ি আছে কিনা জিজ্ঞেস করছে আর বিড়ি সিগারেট খাই কিনা তো তার স্ত্রী বলতেছে তুমি তো বিড়ি খাও বুঝেন এই লোক বলতেছে শুধু দাড়িওয়ালারাই কি সৎ হয় দাড়িওালার তো কত চোর বাটপার আছে এটা কি অস্বীকার করা যাবে? আমরা তো বলি দাড়িওয়ালারা চোরবাটপার আছে।
আছে না? কিন্তু আমাদের দাবি হলো যে ইসলামের বহু বিধান আমরা কায়েম করতে পারি না। অন্তত একটা এপ্লাই করি যে আমরা যারা থাকবো সব দাড়িওালারা একসাথে থাকি। আমরা যারা থাকব এখানে সিগারেট বিড়ি চলবে না। এটা তো জাস্ট একটা ইচ্ছা। কিন্তু এখানে এসে আপনি এই নেগেটিভ সেন্সে কেন নিলেন যে দাড়িওয়ালারা কি সব মানে ফেরেশতা হয় নাকি? না দাড়িওয়ালারা সব ফেরেশতা হয় না। তবে আমাদের ইচ্ছা চোর বাটপার হলেও আমরা দাড়িওয়ালাদেরকে নিয়েই একটা সমাজ গরব। এটা হচ্ছে আমাদের প্রত্যয়। বিড়ি সিগারেট বিহীন লোকদেরকে নিয়ে আমরা সমাজ গরব। এটা আমাদের প্রত্যয়। তার অন্তরে কি আছে সে ভালো জানে। আমরা বাহ্যিক বিচার করতেছি।
তা আমাদের কথা বুঝতে হবে। আজকে আপনি বুঝাইতে চাচ্ছেন যে দাড়িওয়ালারা দুষ্ট। দাড়িওয়ালারা খারাপ। আপনি কতজন দাড়িওয়ালাকে খারাপ দেখেছেন? যদি কম্পেয়ার করা হয় দাড়িওয়ালা এবং বিনা দাড়িওয়ালা। তাহলে পৃথিবীর অধিকাংশতো চোর বাটপার তো বিনা দাড়িওয়ালা আর দাড়িওয়ালাদের মধ্যে কত ব্যক্তি বাটপার হতে পারে এটা অবিশ্বাস করার কিছু না কিন্তু আপনাকে এইভাবে যদি বুঝাই একটা দাড়িবিহীন বাটপার একটা দাড়িওয়ালা বাটপার প্লাস কি জানেন তার একটা ইবাদত বেশি আছে সেটা কি তার দাড়ি আছে আপনার সেটাও ঘাটতি আছে আপনি এইভাবে বিচার করেন একটা নামাজি বাটপার একটা বেনামাজি বাটপার তার একটা প্লাস আছে তার নামাজ আছে যেটা তাকে মুক্তি দিতে পারে কিন্তু আপনার তো সেটাও নাই এইজন্য এইভাবে ভাবলে চলবে না।
কে বাটপার কে সৎ এটা আল্লাহর উপরে ছেড়ে দেন। আপনি যেহেতু সৎ তাহলে আপনি দাড়ি রাখেন। তাইলে তো দাড়িওয়ালাদের গ্রেড একটা বেড়ে গেল যে আলহামদুলিল্লাহ এই লোকটা সৎ। কিন্তু আপনি দাড়িবিহীন সৎ হলে তো আপনাকে কেউ পাত্তাও দিচ্ছে না। আপনাকে তো কেউ সৎ হিসেবে নিচ্ছে না। আপনাকে চোরপাট করে ভাববে একটা সময়। জেনে রাখেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাললামের প্রত্যেকটা সুন্নাহ মানুষকে আল্লাহর দিকে ঝুকায়। এটাই বাস্তব। এখন যারা খারাপ চিন্তা নিয়ে দাড়ি রাখে তাদের কথাটা ভিন্ন। আমরা তাদেরকে আল্লাহর দিকে ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের সাথে ম্যাক্সিমাম দাড়িওয়ালারা বাটপারি করেছে। আমি মাহমুদ বিন কাসেমের সাথে করেছে। আমি এখন পর্যন্ত ১০ জনের কাছে টাকা পাই।
প্রত্যেকটা দাড়িওয়ালা সালাফি মানহাজের লোক। অথচ আমার টাকা দেয় না। আমি নাম বললে এখন তাদের প্রত্যেকের চেহারা কালো হয়ে যাবে। আজকের একটা ঘটনায় আমেরিকা থেকে নিউইয়র্ক থেকে আমাদের এমন এক ভাই সম্পর্কের তথ্য দিয়েছে। তার ৮ হাজার ডলার এই ব্যক্তি খুব এত লম্বা আমার চাইতে বড় দাড়ি। এত বেশি মানে সুন্দর আর দেখতে হ্যান্ডসাম ছেলেটা অথচ সে তার ৮০ হাজার ডলার নাকি দিচ্ছে না ফোন ব্লক করে রেখেছে অথচ দাড়িওয়ালা লোক সালাফি মানহাজের লোক কাকে কি বলবেন না এগুলো আমাদের মূল না আমি আর আপনি সৎ কিনা তাহলে আপনাকে সর্বোচ্চ সততার আসতে হবে আপনাকে অবশ্যই দাড়ি রাখতে হবে টাটার উপরে প্যান্ট তুলতে হবে আপনাকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি হতে হবে এটা হচ্ছে আল্লাহ অভিমুখী হওয়া আপনি ওদিকে কান দিয়েন না যে কে বাটপারি করলো কে কি করল তার মানে এটা বাটপার কারণে কি আমি দাড়ি ফেলে দিব।
এটা কখনো হইতে পারে না। এজন্য এই সমস্ত শয়তানি চক্রান্তে পড়বেন না। আমি মনে করি প্রত্যেকটা সৎ লোকের দাড়ি থাকা উচিত। প্রত্যেকটা সৎ লোকের টাকনার উপরে প্যান্ট পড়া উচিত। কারণ সে সৎ সে জান্নাতের হক রাখে। এজন্য আমরা চাই ইসলামের পরিপূর্ণ রূপটা তার মধ্যে প্রকাশ পাক। যে সমস্ত মহিলারা বরকা পড়ে পাপ করে তাদের কথাটা ভিন্ন। কিন্তু হিন্দু মহিলাকেও পর্দা করতে হবে। এটাই আমাদের থিওরি। হয়তো হতে পারে সে হিন্দু। কিন্তু সে পর্দা কেন করবে? যেহেতু সে একজন নারী। সেজন্য সে পর্দা করবে। সে মুসলিম সেজন্য পর্দা করবে না। একটা মহিলা মানেই তার দেহটা ঢেকে থাকতে হবে। এটা একটা মহিলাদের স্বভাব।
একটা মহিলার স্বভাব হইতে হবে। সে হিন্দু হোক খ্রিস্টান হোক খ্রিস্টানদের যারা মানে ধর্ম ধার্মিক তারা দেখেন না যে বরকা পড়ে। ওই যে কালো একটা সাদা এটা হেজাব পড়ে চেহারা শুধু খোলা থাকে। তার মানে এটাই ভদ্রতা। কিন্তু আমাদের মুসলিম নির্বোধ মহিলারা এটা বুঝলো না। যে এটার মধ্যে শান আছে। এটার মধ্যে মান আছে। এটার মধ্যে ইজ্জত সম্মান আছে। তারা বুঝলো না। আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত দান করুন। আমিন। তো কথা হচ্ছে যে হেদায়েত দাবি করা মানেই হলো আপনাকে পরাজগার হইতে হবে। যত সম্ভব পাপগুলাকে ছাড়তে হবে। নিজের অনুতপ্ততা স্বীকার করতে হবে। আল্লাহর কাছে ঝুকতে হবে। আপনার অন্তর কোনদিন কিন্তু আপনাকে সঠিক রাস্তা দেখাবে না।
আপনাকে বাধ্য করে আল্লাহর দিকে আপনার অন্তরকে ঝুকাইতে হবে। এটা বাধ্য করতে হবে। আর এ সম্পর্কে দিক নির্দেশনা রয়েছে। মানুষের অন্তর যে সবসময় মানুষকে খারাপ দিকে নিয়ে যায় এটা যে দোয়া ছাড়া কাজ হবে না। আসুন আমি আপনাকে দেখাই। তো আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা বলেছেন যারা আল্লাহমুখী আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত করবেন। এজন্য আপনাকে না অযু করে আল্লাহর সামনে দাঁড়াইতে হবে যে আপনাকে বলতো আল্লাহ তুমি আমাকে হেদায়েত করো। তাহলে আপনি হেদায়েত পাবেন। এই বর্তমানে সামান্য কিছুতেই মানুষের ঈমান হারিয়ে যাচ্ছে। আমি আর আপনি তো তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতে পারি। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন। আমিন। তো নিজের প্রচেষ্টা লাগবে ইচ্ছা লাগবে।
এখন আপনারা কি প্রস্তুত? আমরা কি প্রস্তুত? আমাদের পরিবার আমাদের সন্তানদেরকে বলতে হবে তোমরা কি প্রস্তুত? এখানে একটা কথা মনে পড়ে গেছে আপনি কি জানেন বাচ্চাদের স্বভাব ভিন্ন ভিন্ন হয় এই যে কেন বললাম উপদেশ কাজ হবে না ইচ্ছা ছাড়া আমাদের শেখের নাম বলতে আমার কোন দ্বিধা নাই যে তার ফ্যামিলিতে অনেকবার আমার যাতায়াত হয়েছে এবং তাদের ঘরের বহু কিছু সম্পর্কে আমার স্মৃতিতে এখনো বাজে শেখ মতিউর মাদানী হাফেজুল্লাহ তার ছোট ছেলেটা আব্দুল আজিজ এরপর তো আরো ছোট আছে এখন আব্দুল মাজিদ আসছে আব্দুল আজিজ যখন ছোট ওর বয়স তখন পাঁচ থেকে ছয় থেকে সাত সুবহানাল্লাহ ও তোপ বানাইছে চোপ এই চোপ ওর টাকনার উপরে ও মাপ দিয়েছে তো শেখ বলল তুমি তো ছোট তোমাদের উপর তো এটা ফরজ হয় নাই ওর একটা মন্তব্য আমার এত ভালো লেগেছে ও বলতেছে আমি ছোট তাতে কি হয়েছে আমি শেখের ছেলে না বোঝেন কথা ফিতরতগতভাবে আল্লাহ কাউকে ধর্ম দেয় ফিতরতগতভাবে এটা উপদেশ দিয়ে
কাজ হয় না আমাদের সন্তানগুলো এমন কেন হইলো না আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ তুমি আমাদের সন্তানদেরকে হেফাজত কর তার মানে অন্তর থেকে আল্লাহর দিকে ঝুকতে বাপ মা চোর বাটপার হোক না তাই বলে বাপমা আমাকে অনুসরণ করবে না কেউ ওর নিজে থেকে ওর ইসলামিক মেন্টালিটি নিয়ে বড় হইতে হবে কেন আমাদের সন্তানদের মুখ দিয়ে জিকির আজকার বের হয় না বলতে কেন বাধ্য করতে হয় কেন নামাজের জন্য আমি আরেকটা ভিডিও ক্লিপ দেখেছিলাম একজন ইউরোপিয়ান এক ভাই তার দুইটা মেয়েকে নিয়ে ভিডিও করেছিল তাদের বয়স ছয় থেকে সাত বা আট হবে সে বলেছিল যে তোমার কি মনে পড়ে যে আমি একদিন ফজরের সালাতে দাঁড়িয়েছি তোমাকে ডাকি নাই ছোট বিধায় আর তুমি উঠে আবার পেছনের দিক থেকে আমার জামাতে দাঁড়িয়ে টোকা দিয়েছিলা এই মেয়েটা যে কথাটা বলেছিল সুবহানাল্লাহ আল্লাহ আমাদের প্রত্যেকটা ঘরে এরকম সন্তান দান করুক।
সে বলেছিল বাবা তুমি আমাকে ডাকতে কেন হবে এটা আমাদের দায়িত্ব না। একটা সাত বছরের মেয়ে বলতেছে এটা যে আমাকে নামাজের কথা বলতে কেন হবে এটা আমাদের দায়িত্ব না। কিন্তু আমাদের নির্বোধ মানুষগুলো কেন বোঝে না? মুসলিম মহিলাগুলো কেন বোঝে না যে পর্দা করা এটা আমাদের দায়িত্ব। পর্দা করা আমাদের নামাজ পড়া এটা আমাদের দায়িত্ব। কেন বোঝে না? তাদের জন্য খুতবা দেওয়া হচ্ছে। তাদের ঘরে কোরআন তেলাওয়াত হচ্ছে। তাদের সমাজে এখনো মসজিদ আছে। কেন তারা এটা বোঝে না? আল্লাহ সুবহানাহুতালা আমাদেরকে হেদায়েত দান করুন। আমিন। এজন্য বলতেছি শুধু উপদেশ দিলে কাজ হবে না। নিজে থেকে সৎ হওয়ার ইচ্ছা থাকতে নিজে থেকে।
যেই ব্যক্তি নিজে থেকে সৎ সে আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তাালার পক্ষ থেকে অনেক বড় নেয়ামতের মাঝে আছেন। এই জাতি আপনাকে দরকার আছে। আপনার মত আমানতদার দরকার আছে। এজন্য আমাদের প্রত্যেকটা মুসলিম যারা দাড়ি রেখেছে তাকে আমানতদার হইতে হবে। ওয়াদা খেলাফি করা যাবে না। আপনি যেটা ওয়াদা করবেন কেয়ামত হয়ে যাবে। দুনিয়া উল্ট যাবে। আপনি আপনার ওয়াদাটাকে বহাল রাখার চেষ্টা করেন। লাখ টাকা ডুবে যাক না। আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তালা আপনাকে দুনিয়া এবং পরকালে সম্মানিত করবেন ইনশাআল্লাহ। এখন আমাদের ইচ্ছার সাথে যে প্রচেষ্টাগুলো লাগবে প্রথম প্রচেষ্টা হলো দোয়া। আল্লাহর কাছে বলতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের অন্তর যে খারাপ হয়ে গেছে আপনি জানেন একটা অন্তরের খারাবিটা কি জিনিস? মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি প্রতিনিয়ত আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন।
কি দোয়া? আল্লাহুম্মালা আল্লাহ তুমি আমার অন্তরে তোমার ভয় তোমার ভয়ভীতি আমার অন্তরে ঢেলে দাও। এটা বলতেন আর কি বলতেন? আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকামিন আমি এমন ইবাদত থেকে তোমার কাছে দোয়া থেকে আশ্রয় চায় যেটা কবুল হয় না। আর এমন অন্তর থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই যে অন্তর তোমাকে ভয় পায় না। আপনি জানেন আল্লাহকে যে অন্তর ভয় পায় না। যে নির্ভিগ হয়ে গেছে। এটা কত খারাপ অন্তর। এটা কত বড় রোগ। আজকে জেনা করার পরেও ওর কোন গিল্টি ফিল হয় না। একটা মহিলা খেলা দেখার পরে ও নিজের স্তন বের করে দেখায় দিবে। ওর এটা গিল্টি ফিল হয় না যে এটা একটা বড় পাপ।
একজন ব্যক্তি মানুষকে ক্ষমতার জন্য টাকার জন্য হত্যা করে দিচ্ছে। কারো লাখ টাকা মেরে খাচ্ছে। ওর অন্তর এটাকে অনুশূচনায় জায়গায় নাই যে এটা কত বড় পাপ। ও এটাকে নিজের মানে কি মনে করে? এটা বিচক্ষণতা হিসেবে নিয়েছে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু সাললাম প্রতিনিয়ত এই জিনিসটা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতো। আল্লাহকে যদি অন্তর ভয় না পায় এই ব্যক্তি যে কত বড় খারাপ হইতে পারে এর কাছে যে কোন ব্যক্তির আমানত যে সেফ না এজন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি প্রতিনিয়ত আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন এই খেলাকে কেন্দ্র করে যদি একটা ছোট্ট একটা উক্তি আপনাকে পেশ করি যে আমাদের সন্তানগুলা বুঝতেই পারতেছে না যে ধর্ম কি জিনিস মুসলিমত্ব কি জিনিস নালে এক ব্যক্তি ও বলছে মেসি নাকি ওর বাপ লাগেঝেন আরে মেসি তো খ্রিস্টান ইহুদি তার বাপ কি ইহুদি কি বলে এগুলা বরং এমন সব মন্তব্য এমন সব উক্তি তারা করে এমন সব অহন ঘটাচ্ছে এটা আমার মতন পাপী ব্যক্তিও আমাদের অন্তর
কেঁপে ওঠে এগুলো ব্যক্ত করার আল্লাহ আমাদেরকে এবং আমাদের সন্তানদেরকে আমরা হাজার বার আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই আল্লাহ তুমি আমাকে এবং আমাদের সন্তানদেরকে এদের মত বানাইও না এটা জাস্ট খেলতামশা আপনি খেলতামশাটাকে এই পর্যায়ে কেন নিলেন এই পর্যায়ে কেন নিলেন এটা আপনার জন্য মোটেও কাম্য না এটা মুসলিমত্বের কলঙ্ক আপনি জেনে নেন আপনার কাছ থেকে কিন্তু আল্লাহ কিন্তু হিদায়েত নেবে আপনার জন্মটা মুসলিম ঘরে হয়েছে বটে কিন্তু আপনার অন্তর থেকে কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহুতালা ইসলামটাকে ছিনিয়ে নেবে আল্লাহ বলেছেন ইন্নাল্লাহ আল্লাহ তার বান্দা এবং তার অন্তরের মাঝখানে থাকে যেইদিন আল্লাহ সরে যাবে আপনার অন্তরে কিন্তু কুফরি ঢুকে যাবে এটা আপনি মনে রেখে এজন্য আল্লাহর কাছে হাজারবার আশ্রয় চাইতে হবে যে আল্লাহ তুমি আমাকে হেদায়েতের উপরে রাখো মুহাম্মাদুর রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম সর্বশেষ দোয়া যেটা আমাদের সবার জন্য সেটা হচ্ছে রাসূুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তিনি প্রতিনিয়ত বলতেন ইয়াকাবালা আল্লাহ তুমি আমার অন্তরটাকে দ্বীনের উপরে কায়েম রাখো।
এই দোয়া বারবার বলতে থাকা আনাস রাদিয়াল্লাহু তালা আনহুর ভয় ঢুকে গেল। তিনি তার তিনি তার ভয়টাকে ব্যক্ত করেছেন। ইয়া রাসূল্লাহ আমরা তো আপনার প্রতি ঈমান এনেছি। কোরআনের প্রতি ঈমান এনেছি। যা আপনার উপর নাযিল করা হয়েছে। আপনি কি আমাদের ব্যাপারে ভয় পান? যে আমাদের সাহাবায়ে কেরামরাও কি বিপথে চলে যেতে পারি? রাস বলছে না রাস এ কথা বলে নাই যে না আমি ভয় পাই না বলছে না আমি ভয় পাই তোমরাও বেদিন হয়ে যাইতে পারো কারণ ইন্না যখন যাকে চায় তার অন্তরকে পরিবর্তন করে দেয়। আমি মাহমুদ আজকে বক্তা এখানে বক্তব্য দিয়েছি। আমারও কুফরের দিকে ইউটার্ন হইতে পারে। আল্লাহর কাছে আমি আশ্রয় চাই।
আল্লাহ তুমি আমাকে হেফাজত করো। আমরা যারা এখানে আছি আমরা যারা নামাজ পড়তেছি আমরা যারা এখন ইবাদত করি দাড়ি রেখেছি আল্লাহকে ডাকি আমাদের কারো দ্বারা পদস্খলন ঘটতে পারে। আপনাকে কি করা উচিত? আল্লাহর কাছে প্রতিনিয়ত আশ্রয় চাইতে হবে। যে আল্লাহ আমার পাপ যত হোক না কেন আল্লাহ তুমি আমার রব। আমি স্বীকার করে নিয়েছি। তুমি আমার কাছ থেকে ইসলামটাকে কেড়ে নিও না। কারণ হেদায়েত হচ্ছে সবচাইতে বড় পাওয়ারফুল জিনিস। একটা ব্যক্তিকে আল্লাহ দুনিয়া যদি দিয়ে দেয় কিন্তু হেদায়েত যদি না দেয় আরেক ব্যক্তিকে যদি আল্লাহ হেদায়েত দিয়ে দেয়, দুনিয়ার কিচছু যদি না দেয় তার মানে আল্লাহ তাকে দুনিয়া এবং পরকালের সবকিছু দিয়ে দিল।
এজন হেদায়েত হচ্ছে সবচাইতে দামি। আল্লাহ তুমি আমাদের পাকে স্থির রাখো। আল্লাহ যে ইসলাম তুমি আমাদেরকে দিয়েছো আল্লাহ সেই ইসলামের উপরে আমাদেরকে মৃত্যু পর্যন্ত বহাল রাখ।