আলহামদুলিল্লাহ যাবতীয় প্রশংসা নিবেদন করছি আল্লাহ সুবহানাতায় দরবারে যে আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদেরকে কোরআন এবং সহীহ সুন্নাহ বুঝা থামার তৌফিক দিয়েছেন যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে কোনটা হক কোনটা বাতিল কোনটা নেকির কাজ কোনটা সওয়াবের এবং গুনাহের কাজ এগুলো সবকিছু যে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আমাদেরকে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন বুঝিয়েছেন যে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আজকের এই পবিত্র জুমার দিনে সালাত সমা আদায় করার জন্য ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদ বাইতুল মাহমুদ জামাত জামে মসজিদ মসজিদে আসার তৌফিক দিয়েছেন সালাতুল জুমা আদায় পক্ষে সে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার শুকরিয়া আদায় করছি আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ দরুদ শান্তি দ্বারা বর্ষিত হও প্রিয় নবী শেষ নবী সাইদুল মুরসালিন খাতা নবীন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহুম্মা সাল্লি আলাইহি ওয়া বারকা সম্মানিত হাজিদেরিন আজকের একটি বিষয় ভাই তুলে ধরার চেষ্টা করবো।
আর সেটি হচ্ছে অসংখ্য পাপ মন্ত্রীলতা আমাদের মাধ্যমে হয়ে যায়। বা আমরা করি এ পাপগুলো এমন কিছু পাপ রয়েছে যে সব পাপের মধ্য থেকে বা গুনাহের মধ্য থেকে যে পাপগুলোর প্রতিদান বা শাস্তি আল্লাহ সুবহানাতালা দুনিয়াতে দিয়ে থাকেন এবং সেই সাথে পরে পালন দিলেন সে পাপগুলো কি এটা তুলে ধরার চেষ্টা করব একটা নিয়তে যেন আমরা পাপগুলো থেকে গুনাহগুলো থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারি দূরে রাখতে পারি এবং আল্লাহ সুবহানাতালার সন্তুষ্টির লক্ষে বেশি বেশি আমলে সহ হতে তে পারি এই লক্ষ্য উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এ বিষয়টি আপনাদের সামনে সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ সম্মানিত পাপ বা গুনাহ মানুষ দুই ধরনের করে থাকে কিছু কিছু পাপ রয়েছে যেগুলো আল্লাহ সুবহানা তায়ালার অধিকারের সাথে সংশ্লিষ্ট।
যেমন সালাত আদায় না করা, রোজা না রাখা, হজ না করা, মধ্যপান বা আল্লাহ সুবহানাতালা যেগুলো হারাম করেছেন খাবার সেগুলোকে করা বা সেগুলো খাওয়া গ্রহণ করা ইত্যাদি। এগুলো হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার আল্লাহ সুবহানা তায়ালার অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। এসব পাপের শাস্তি আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আখেরাতে দিবেন। আরেক প্রকার পাপ রয়েছে যে পাপগুলো আমাদের মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের সাথে সম্পর্কযুক্ত। বা মানুষের পারস্পরিক সংশ্লিষ্ট পাপ। এই পাপগুলো আল্লাহ সুবহানাতালা আখেরাতে তো শাস্তি দিবেন এর নগদ শাস্তি হিসেবে আল্লাহ তালা দুনিয়াতে দিবেন।
কারণ বান্দার হক আল্লাহ সুবহানাতালা ততক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমা করবেন না যতক্ষণ না এটা পরস্পরের মাঝে মিটমা করে নেওয়া যাবে বা পরস্পরের কাছ থেকে ক্ষমা নিয়ে নেওয়া হবে ততক্ষণ আল্লাহ সুবহানাতালা এটাকে ক্ষমা করবেন যদি দুনিয়াতে পারস্পরিক সংশ্লিষ্ট পাপ বা গুনাহগুলো হয়ে থাকে এবং আমরা যদি সেটা জানার পরে একজন আরেকজনের কাছ থেকে ক্ষমা করে দিই ক্ষমা চেয়ে দিই তাহলে তো এটা ইমাম সাব হয়েই গেল যে যদি ক্ষমা করে দেই আর যদি এই দুনিয়া জীবনে আমরা এটা করতে না পারি পারস্পরিক সংশ্লিষ্ট গুনাহ বা পাপ বা অন্যায়ের যদি প্রাশ্চিত্ব বা পরস্পরের ক্ষমা যদি আমরা না করে দিতে পারি তাহলে তার শাস্তি আল্লাহ তালা এই দুনিয়াতে নগদ দিবেন এবং পরকালে তো দিবেন এবং সেটা হবে অত্যন্ত কঠিন কঠিন এভাবে যে পরকালে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যার অধিকার যে নষ্ট করেছে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কেয়ামতের দিন তার কাছ থেকে সেটা বিশ্বাস নিবে ঈসা বলতে কি তার আমল সৎ আমল আল্লাহ রাব্বুল আলামিন জালেমের কাছ থেকে নিয়ে মজলুমকে দিলেন এভাবে যার যত এ দুনিয়াতে অন্যায় পারস্পরিক সংশ্লিষ্ট অন্যায় ঘটেছে পাপ ঘটেছে গুনাহ ঘটেছে হকের বিনষ্ট ঘটেছে এই অনুযায়ী আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ওই ব্যক্তির নেক আমলগুলোকে মাজলুমকে দিয়ে দিবেন।
একসময় দেখা যাবে ও জালেম ব্যক্তি বা যে হককে নষ্ট করেছে এবং এর মাধ্যমে পাপ সে করে দিয়েছে গুনাহ করেছে। একসময় দেখা যায় তার আর কোন নেকি থাকবে না। পরে আরো যদি মজলুম থাকে তখন ওদের গুনাহগুলো ওই ব্যক্তির গায়ে চাপিয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে জাহান্নামে দিয়ে নাউজুবিল্লাহ অনেক মারাত্মক বিষয় এটাকে বলা হাদিসে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবীদের বলছেন সাহাবী তোমরা কি জানো সবচাইতে হত দরিদ্র ব্যক্তিটা কে কাকে বলা হয় সাহাবীরা বললেন যে আল্লাহ রাসূ আমাদের মধ্যে দরিদ্র তো ওই ব্যক্তি যার নাই টাকা পয়সা যার কোন মূল্যায়ন নাই অর্থ নাই সেই তো হল দরিদ্র আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন ঠিক আছে এটা দুনিয়া দরিদ্র আসল দরিদ্র কে জানো দরিদ্র হল ঐ ব্যক্তি যে দুনিয়াতে অনেক নেকির কাজ করেছে করেছে সৎ আমল করেছে এবং তার সৎ আমলের নেকি বা সওয়াবের এককটা স্তুপ পাহাড় সমান সে করেছে।
কিন্তু দুনিয়াতে কি করেছে? কাউকেও গালি দিয়েছে কাউরে পথ নষ্ট করেছে কাউকে জুলুম করেছে কাউকে অন্যায়ভাবে একটা থাপ্পর দিয়েছে মেরেছে বোনের সম্পত্তি দখলে নিয়েছে আরেক ভাইকে ঠকিয়েছে এরকম ধরনের নানান অন্যায় সে করেছে পাশাপাশি সব আমল করেছে তারপর আল্লাহ সাল্লাম উদাহণ দিছেন যে দুনিয়াতে যতগুলো মানুষকে সে গালি দিয়েছে অপমান করেছে অন্যায়ভাবে সম্পদ কেড়ে নিয়েছে চাদাবাজি করেছে লুটরাজ করেছে বা কাউকে কোনভাবে কষ্ট দিয়েছে মারার মাধ্যমে বা কোন কিছুর মাধ্যমে প্রত্যেকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে নারীশ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তখন যে স্তুপ আকৃতি পাহাড় সময় নেকিতে ছিল একে একে সব মাজলুম ব্যক্তিকে অত্যাচারী ব্যক্তি নিকৃত ব্যক্তিকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দিতে থাকে দেখা যাচ্ছে যে মজলুম ব্যক্তির শেষ হচ্ছে নেতার নেক আমল শেষে এখন সে মুখলিস সবচাইতে দরিদ্র অভাবি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তখন কি করবেন ওই ব্যক্তির বাকি যারা আরো দাবিদার রয়েছে পাওনাদার রয়েছে নিপীড়িত রয়েছে মজলুম রয়েছে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন অতএব সবগুলো গুনাকে ও ব্যক্তিকে দিয়ে বলে নাউজুবিল্লাহ এটা খুবই
ডেঞ্জারাস মারাত্মক তো এইরকম অবস্থা এই মানুষ বা বান্দা সংশ্লিষ্ট যে পাপ এগুলো খুবই খারাপ এজন্য কাউকে যদি এরকম আপনি করে থাকেন কোনভাবে তার হক আপনি নষ্ট করেছেন তার যথাসাধ্য দুনিয়াতি তার হকটাকে আপনি আদায় করেছেন আর নামে তার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিবেন মরে গিয়ে কিন্তু বিপদ খুব বড় ধরনের কঠিন বিপদ এজন্য যদি আপনি কাউকে ১০ টাকা ঢুকিয়ে থাকেন আপনি ওটা দিয়ে দিন এখন আপনি বলছেন যে আমি যদি না পাই লোককে যার হক আমি নষ্ট করে কোনভাবে এখন আমি বুঝতেছি হ্যাঁ এটা খুব বড় অন্যায় করেছে কিভাবে এ ব্যাপারে মাসালা হলো আপনি যদি ও ব্যক্তিকে না খুঁজে পান তাহলে আপনি কি করবেন যতটুকু তার আপনি হক নষ্ট করেছেন অর্থের দিক দিয়ে আপনি অতটুকু অর্থ বা তার চাইতে বেশি অর্থ আপনি ওই ব্যক্তির নামে সালা এবং আল্লাহর কাছে তওবা করে কিংবা আপনি কাউকে একটা থাপ্পড় মেরেছেন জুলুম করেছেন শারীরিকভাবে টরজা করেছেন ও ব্যক্তিকে খুজে আপনি তার কাছ থেকে
ক্ষমা নিয়ে প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তো এরকম পারস্পরিক সংশ্লিষ্ট পাপগুলো খুবই খারাপ খুবই ভয়াবহ এর অর্থ এই নয় যে আল্লাহ সুবহানাতায় হক সংশ্লিষ্ট পাপগুলো ছোট না ওগুলো একটা বড় মারাত্মক লেভেলের বড় ধরেন একটা মুমিন ব্যক্তি সালাত ত্যাগ করে তো কাফের সে ডাইরেক্ট জাহান্নামে এবং চিরস্থায়ী জাহান্নাম নামাজ পড়ে না তার সব ঠিক আছে কিন্তু সালাত আদায় করে না যদি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের হক সংশ্লিষ্ট এটা একটা এবাদত বা বিষয় কিন্তু ওই ব্যক্তি তো ঈমান থাকে যে সালাত আদায় করে যে ইচ্ছাকৃত সিয়াম রাখে না। যে হজ ফরজ হওয়ার পরেও আদায় করে না। এগুলো এককটা বড় বড় গুনাহ পাপ। যেগুলো আল্লাহ রাব্বুল আলামিন খুব কঠিনভাবে আমাকে আপনাকে সেটা শাস্তি সম্মুখীন করবেন।
প্রিয় ভাই তো মানুষের পারস্পরিক সংশ্লিষ্ট যে পাপ এই গুনাহগুলো আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এর শাস্তি দুনিয়াতে দেন এবং আখেরাতে দেন। আর মনে রাখতে হবে যে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কখনো কোন বান্দার উপর জুলুম করেন না। কখনো জুলুম করে না। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সূরা ফুসলাতের ৪৬ নম্বর আয়াতে বলছেন যে ব্যক্তি সব আমল করল নেকির কাজ করল সেটা তার ব্যক্তির জন্য তার নিজের জন্য খারাপ আমল করল এটা তার নেকির আমল করলে আপনার জন্য আমল গুনাহের আমল করল পাপ করল সেটা আপনার উপর আমার উপর আর তোমার বান্দাদের উপর কোনভাবে করেছেন আল্লাহ যেন ধরনের অন্যায় আমি আল্লাহ রাব্বুল আলান নিজের উপর হারাম করে দিয়েছে এবং সেটাকে আমি তোমাদের পরস্পরের মধ্যে হারাম করে দিয়েছি পরস্পরের জুলুম কষন করবে কেউ কাউকে জুলুম করবে না নষ্ট করবে না তারপরে আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হাদিস যেটা সহ ইবনে এসেছে আল্লাহ রাস বলছেন যে কিছু গুনাহের কাজ রয়েছে পাপ রয়েছে যেগুলো আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেগুলো শাস্তি তাড়াতাড়ি দুনিয়াতে দিয়ে থাকেন পাপিষঠ লোক এবং সেই সাথে তাকে আখেরাতেও নিয়ে থাকেন।
তারপরে আল্লাহ রাসূ বলছেন সেটা হচ্ছে কি? একে অপরের উপর জুলুম, অত্যাচার নিপীড়ন। আরেকটা হচ্ছে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা। অর্থাৎ পিতামাতার সাথে খারাপ ব্যবহার এবং ভাই বোনের সাথে খারাপ ব্যবহার খারাপ সম্পর্ক এবং এইভাবে আত্মীয়স্বজনের সাথে দুনিয়া কোন স্বার্থে সম্পর্ককে নষ্ট করা এই দুইটা শাস্তি আল্লাহ রাব্বুল আলামন দুনিয়াতে দিয়েছেন এবং আখেরাতের শাস্তি আল্লাহ রাব্বুল আলামন দিবেন প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তো এরকম কিছু কয়েকটা বাপ আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ। এক নাম্বার হচ্ছে ওয়াল অর্থাৎ পিতামাতার অবাধ্যতা। ওই হল পিতামাতার সাথে সৎব্যবহার। পৃথিবীতে যত বড় পাপ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম জঘন্যতম পাপ হলো পিতামাতার সাথে খারাপ ব্যবহার করা।
পক্ষান্তরে পিতামাতার সাথে ভালো ব্যবহার এটা হচ্ছে অত্যন্ত মূল্যবান অত্যন্ত নেকির কাজ সওয়াবের কাজ পিতামাতা হচ্ছে সন্তানের জন্য আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের পক্ষ থেকে বড় একটা নেয়ামত এই নিয়ামতের মূল্যায়ন যখন আমরা বড় হই তখন বুঝতে পারি না আর যখন না থেকে বাদ তখন আরো বেশি উপলব্ধি হতে পারে আল্লাহ রাব্বুল আলামন এজন্য সূরা মানস খুব স্পষ্টভাবে বলে তোমার রব ফায়সালা করে দিয়েছে অর্থাৎ ফরজ করে দিয়েছেন যে তোমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারো এবাদত করবে না। আর কাউকে এবাদত করবে না। আর কারো করবে না। আরেকটা কি? পিতামাতার সাথে ভালো ব্যবহার করবে। এটা আল্লাহ বলছেন আমি এটা ফরজ করে দিছি বান্দাদের।
আল্লাহর এবাদত এবং পিতামাতার সাথে সদাচরণ আল্লাহ পরস্পর এটাকে উল্লেখ করেছেন এবং পাশাপাশি বলে দিয়েছেন কিভাবে বাপার সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে আল্লাহতালা যদি পিতামাতার কোন একজন বাজন তোমার কাছে উপনীত হয় মৃত হয়ে গেছে বাপ এবং প্রথম কথা হল যে তুমি কথার মাধ্যমে তাদের সাথে ব্যবহার কর মানে কি কোন আপত্তি আমরা বলি না কেউ কিছু বললে উফ আল্লাহ এই শব্দটা ইউজ করেছেন আমি আপনি যেটা বুঝি উফ শব্দটা বলা যাবে না অর্থাৎ আপত্তি বারমা যেটা বলছে তার বিরুদ্ধে আপনি একটা বাক্য উচ্চারণ করবেন মুখ দিয়ে এটা আল্লাহ নিষেধ করে দিছে দুর্ব্যবহার দূরের কথা তারপরে আল্লাহ তালা বলছেন কি ধমক দিবেন প্রথমত আপত্তি করবে না তাদের কোন কথায় বরং তাদের কথার সাথে কথা মিলিয়ে কথা বলবে আরেকটা কি তাদের ধমক দিবে না এবং আল্লাহতালা আরো বলে দিয়েছেন কিভাবে কথা বলবে ভালো কথা বলবে সম্মানজনক বাক্য উচ্চারণ করবে মা বাবার জন্য আল্লাহ তালা অন্য কারো জন্য কিছু বলেননি পীর সাহেবের
জন্য বলেন বন্ধু বান্ধবদের জন্য বলেন শ্বশুর শাশ্রীর জন্য বলেননি কারো জন্য বলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পিতা মাতার কথাটাকে স্পষ্ট করে দিয়ে বলছেন তাদের সাথে কারিমা মানে সর্বোচ্চ পৃথিবীর সর্বোচ্চ সম্মানিত যে শব্দ চয়ন করা বাক্য চয়ন করা কথার উচ্চারণ সবচাইতে সুন্দর উন্নতমানের ভদ্র এরকম ভাষা ব্যবহার কর তারপরে আল্লাহতালা এবং তোমাদের মমতা ভালোবাসার সর্বোচ্চটা দিয়ে তাদের জন্য কি করবে তোমার রানারটাকে বিছিয়ে দিবে মমতা ভালোবাসা বিনয়ীতা বিনয় বলতে সর্বোচ্চ যেটা এটা তোমার বাপ মার জন্য তুমি বরাদ্ধ করাবে এবং পাশাপাশি আল্লাহ শিখিয়ে দিয়েছেন এবং তুমি বলবে তোমার বাপ মার জন্য কি হে আমার রবরহাম তুমি তাদেরকে দয়া কর অনুগ্রহ কর যেভাবে ভাবে আমাকে আমার শৈশবে তারা দয়া করে অনুগ্রহ করে আমাকে অনেক কষ্ট করে লালন পালন করে বড় করেছে আল্লাহ তুমি আমার বাপ মাকে এভাবে তুমি দয়া করো অনুগ্রহ করো এটা আল্লাহ তালা বলার কারণ কি যখন বৃদ্ধ হয়ে যায় বাপ মা তখন ছোট বাচ্চা হয়ে যায় আমি আপনি যেমন খুব ছোট বাচ্চা থাকা অবস্থায় বাপ মাকে জ্বালা যন্ত্রণা করেছি ও না বুঝে বাপ মাকে আপত্তিকর কথা বলে দিয়েছি গালি দিয়ে দিয়েছি।
বাবা মা যেটা বলেছে তার বিপরীত করেছি কিংবা পেশাব করে দিয়েছি। কিংবা এক কথায় সেসব যত ধরনের শিশুর সুলভ আচরণ আমরা দুনিয়াতে করেছি। বাপ মার ছোটকালে বাপ মার সাথে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তোমার বাপ মাও তোমার মত হয়ে যাবে। যদি আল্লাহ তালা তাদেরকে বয়স দেন তখন তোমাকে ওরা যেভাবে বিরক্ত হয়নি তোমাকে ফেলে দেয়নি বরং তোমাকে মায়া মমতায় ভালোবাসায় তোমাকে লালন পালন করেছে ঠিক তুমি তার বার্ধক্য অবস্থায় মত আল্লাহ রাব্বুল আলামন এত সুন্দরভাবে আমাদেরকে রিশন করেছেন আমাদের বলে দিয়েছেন বাবামার সাথে আচরণ কিন্তু দুঃখজন যন্ত্র আমরা কি বাপ মার সাথে ভালো ব্যবহার করতে পারি করি না বরং যত বড় হয় বাপ মাকে আমরা তত খারাপ ব্যবহার করি পৃথিবীতে আপনি এমন কোন ধর্ম পাবেন না যেখানে এভাবে আল্লাহ রাব্বুল আলামন বাপ মাকে এত সম্মানিত করেছেন এবং আপনার উপর আল্লাহ রাব্বুল আলামন এত বেশি অধিকার দিয়ে দিছেন বাপার পৃথিবীতে আপনি অন্য কোন ধর্ম পাবেন না এজন্য দেখবেন ইউরোপ আমেরিকায় বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে
দুঃখজনক যে আমাদের বাংলাদেশে এটা শুরু হয়েছে মুসলিম কান্ট্রি কিন্তু মুসলিম কান্ট্রিতে বৃদ্ধাশ্রমের কোন সুযোগ নাই এটা হারাম কারণ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রত্যেকটা সন্তানকে তার বাপ মার জন্য নিজের বাড়িটাকে বানায়ে ফেলেছেন তার সেবাযত বৃদ্ধাশ্রম নয় এবং কবর পর্যন্ত পিতামাতার সাথে আপনাকে সুন্দর আচরণ করতে হবে শুধু মরা পর্যন্ত না মরার পরেও তার সাথে ভালো ব্যবহার করবে কিভাবে তার জন্য তার সদকা করতে হবে তার জন্য দোয়া করতে হবে তার সাথে সৎ আচরণ করতে হবে দানের মাধ্যমে তার বন্ধু যারা রয়েছে যাদের সাথে উপাস করতে তাদের সম্মান শ্রদ্ধা করতে হবে এখন আপনি বলছেন যে আমি তো নামাজ পড়ি আমার বাপ মা নামাজ পড়ে না আমি খারাপ ব্যবহার করবো না সুযোগ নাই আপনার বাপ মা যদি নামাজ নাও পড়ে দ্বীনের উপর নাও চলে তবুও তার সাথে ভালো ব্যবহার করব আপনার বাবা মা যদি পূজারীও হয় আর আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপনাকে হেদায়েত দিয়ে দিয়েছেন সহি দ্বীনের বুঝ দিয়েছেন কিন্তু বাবা মা হল
পীর পুজারী হযরত পূজারী তবুত তাকে সম্মান করতে হবে দাওয়াত দিবেন সম্মান করবেন এজন্য আপনি এটা মনে করবেন না যে আমি তখন পাক্কা দ্বীনদার হয়ে গেছি সহি দিন বুঝে ফেলছি বললে জান্নাত আমার না বাপ মার সাথে খারাপ ব্যবহার করা যাবে না এ ব্যাপারে আমরা হাদিস পাই যে আল্লাহ রাসূ সাল্লালামকে আসতে আবু বকর উনি এসে বলেন যে আল্লাহ রাসূ আমার মা তো মুশকা সে আমার বাড়িতে আসে তা আমি তার সাথে কেমন ব্যবহার করব আল্লাহ নবী সাল্লাম বলেন তুমি তার সাথে নম্র তদ্র ব্যবহার করবে তার সেবা যত্ন করবে প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা তারপরে পিতা-মাতার কথা আমাকে আপনাকে অবশ্যই শুনতে হবে তার সাথে তর্ক করা যাবে তার সাথে কোন ধরনের মার্গে কিন্তু লিপ্ত হওয়া যাবে না এটা নিষেধ এখন আমরা তো এগুলো বুঝি না।
আমরা পিতা মাতার সাথে দুর্ব্যবহার করি নানানভাবে। তার কিছু উদাহরণ আপনাদের দিই। যেমন পিতামাতার সাথে বসে যে দুইটা গল্প করব আমাদের সময় হয় না। আমরা এটা করি না। এটাই কিন্তু একটা অবাধ্যতা যে বাপ মার সাথে কথাবার্তা আপনি বলছেন না। হ্যাঁ সবকিছু দিচ্ছেন কিন্তু তার সাথে কথা বলছেন না। অথচ সে আপনাকে কথা বলা শিখেছে। আপনাকে তার সাথে কথা বলতে হবে। তেমনিভাবে আরো কিছু আপনি একটা কিছু করছেন পরামর্শ করছেন স্ত্রীর সাথে স্ত্রী বাবার সাথে আপনার শ্বশুরের সাথে কিন্তু মা বাবার সাথে করছেন না ইসলাম বলছে যে আপনি যে কোন বিষয়ে পরামর্শ করুন বাপ মার সাথে আগে বাপ তাদের সাথে আগে পরামর্শ করবেন আমরা আরো যেভাবে অবাধ্যতা করি বাপ মার সাথে বাইরে যাচ্ছি না বলে বড় হয়ে গেছি মনে করছি আর তো বলার দরকার নাই আমার যা খুশি আমি যাব আসবো যেখানে খুশি সেখানে যাব যার সাথে আড্ডা দেব ইসলাম বলছে এটা চলবে না যতই বড় হও না কেন তুমি
তোমার বাপ মা শিশু শিশু এজন্য আপনি যখন বাইরেও যাবেন তখন বাপ মার সাথে কথা বলে যাবেন অনুমতি নিয়ে যাবেন এটাই ইসলাম বলছে তারপরে তাদের সাথে তর্ক করা ধরেন আপনি আমাকে এর উপর আছেন আপনি যেটা বলছেন বাপ মার সাথে কথা বলছেন যে বিষয়ে তর্ক করতে চাচ্ছেন মনে করেন আপনি ঠিক আছে আপনার বিষয়টা ঠিক আছে কিন্তু বাপ মার সাথে তর্ক করা যায় বিনা তর্কে মেনে নিতে হবে এ বিষয়টা আমরা যখন কোরআন হাদিস তো পড়েছি এখনো পড়ছি কিন্তু ধরেন আগেও আমরা এই বিষয়টা বুঝতাম মনে করতাম যে না আমি হক কথা বলে দিচ্ছি আমার ভাই বোনেরা তো বলে না আমি বলতে পারতেছি না অন্য জায়গায় চলবে কিন্তু পিতামের সাথে এটা চলে না বাবামার সাথে আপনি তর্ক করতে পারেন যদি একটা জিনিস বুঝানো দরকার হয় খুব নম্র ভদ্র ভাষায় বাপ মাকে বুঝাইতে এটাই হল তার বাপ মাকে ভালোবাসার লক্ষণ পক্ষান্তরে কর্কশ ভাষায় বা আপনি মনে করছেন রাইট আছেন এজন্য বাপ
মাকে এটা সেটা শোনাচ্ছেন বলছেন এটা বলেন এটা অবাধ্যতার স্বামী আরো রয়েছে যেমন আপনি যে জিনিস আপনার প্রয়োজনকে পিতামাতার প্রয়োজনের উপর প্রাধান্য দেওয়া আপনার প্রয়োজন একটা আছে কিন্তু বাবা কারো একটা প্রয়োজন একটা কিনা চেয়েছে একটা জিনিস কিন্তু আপনি চিন্তা করছেন না এটা আমার কিনা দরকার এটা করা যাবে না এটাও অবাধ্যতার স্বামী পিতামাতার সাথে খারাপ সম্পর্কের বা খারাপ ব্যবহারের সঙ্গে মিলে যান। তেমনভাবে তাদের আনুগত্য না করা। এবং পিতা-মাতা যেই জিনিসটা চেয়েছেন ওটাকে আপনার সামর্থ্য থাকার পরেও আপনি দিচ্ছেন না। এটা কি কন? আমাদের কাছে ইবলিশ এসে নানান ধরনের কথা বলেন। যে আমি বাপ মাকে যেটা দিই বোনকে দিয়ে দেয়।
কেন দিব? না আপনার বাপ মা যদি চেয়েছে আপনার সামর্থ্য আছে আপনাকে দিতে হবে। প্রিয় ভাইয়েরা তেমনিভাবে স্ত্রীর বিয়ের পরে স্ত্রীর কথা শুনে বাবার সাথে খারাপটা আজকাল প্রত্যেকটা ফ্যামিলিতে প্রায় এ সমস্যাগুলো বিয়ে করে নাই তার আগ পর্যন্ত কোন সমস্যা নাই বিয়ে করাইছেন ব্যাস শুরু হয়ে গেছে মনে হয় যেন বাপ মাই আপনার দুশমনে পরিণত হইছে কিন্তু আপনার বাপমা তো সবসময় হিতা বিয়ের পরেও হিতা যদিও আপনার কাছে মনে হয় এমনকি বাবা মা যদি আপনার অন্য ভাইকে বা বোনকে আপনাকে বঞ্চিত করে সমস্ত সম্পত্তি রেখে দিয়েছে তবেও খারাপ ব্যবহার করা যাবে ইসলাম করছে কি তার সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে এবং ধৈর্য ধারণ করতে হবে আল্লাহ রাব্বুল আলামনের কাছে প্রতি আশা করতে হবে যদি আপনি খারাপ ব্যবহার করেন তাহলে কি হবে তাহলে আপনার নিয়মকাল খারাপ পরকাল নিশ্চিতভাবে পৃথিবীতে যেই পাপগুলো দ্রুত শাস্তি আল্লাহ রাব্বুল আলামন দেন সেগুলো এক নাম্বার যদি আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসের মধ্যে বলছেন সবচাইতে পৃথিবীর
মধ্যে বড় পাশি মিথ্যা কসম পিতামাতার অবাধ্যতা পিতামাতাকে কষ্ট দেওয়া আল্লাহ হাদিসের মধ্যে বলছেন পতামাতার আল্লাহ তোমাদের উপর হারাম করেছে আল্লাহ রাস হাদিসের মধ্যে বলছেন যে তিন শ্রেণীর উপর আল্লাহ রাব্বুল আলামন জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন তার মধ্যে এক শ্রেণী হল যেই ব্যক্তি পিতামাতার সাথে দুর্ব্যবহার করে পিতামাতার সাথে অসাধচরণ করে কোনভাবে পিতামাতাকে কষ্ট দেয় ও ব্যক্তির উপর জান্নাত হারাম প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা এখন কথা হল যে হাদিসে এই দুনিয়াতে আমি আপনি কি শাস্তি পাব হাদিস কি বলছে নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লামের হাদিস কি বলে এক নাম্বার হলো আপনার যেটা ক্ষতি হবে সেটা হবে যে আপনি পিতামাতাকে যদি অসন্তুষ্ট করে তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে আপনি মনে করেন যে আমি দুনিয়াতে সাকসেসফুল হব এটা হতে পারে কখনো না পিতা মাতাকে সন্তুষ্ট করে আপনি দুনিয়াবী সাকসেসফুল হওয়ার চেষ্টা করবেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসের মধ্যে বলছেন এক নাম্বার ক্ষতি বাপ মার সাথে খারাপ অর্থাৎ নগদ শাস্তি সেটা হল যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক পিতামাতার
সাথে দুর্ব্যবহারকারী ব্যক্তির রিজিক কোন বরকত লাভ করতে পারে এমনকি ব্যক্তি ধ্বংস্য শুধু আল্লাহ যে আল্লাহ আমি সম্পত্তি মালিক হবো টাকা পয়সার মালিক হবো আয় রোজগার করবো বেশি বেশি আমি বহু টাকা পয়সার মালিক হবো আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন তার উচিত হবে তার পিতামাতার সাথে ভালো ব্যবহার করা যদি না করে তাহলে বুঝে নিতে হবে তার রিজিক অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাবে যা সে ইনকাম করছে সব এজন্য প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা অক্ষ পিতামাতার সাথে দুব করবেন। আরেকটা হচ্ছে আল্লাহ রাব্বুল আলামনের সন্তুষ্টি থেকে আপনি অনেক জিনিস সরে যাবেন। অর্থাৎ আল্লাহর রেজা বঞ্চিত হবেন আপনি। আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলছেন পিতামাতার সন্তুষ্টির মধ্যেই রয়েছে আল্লাহ রাব্বুল আলামনের সন্তুষ্টি।
মনে করেন আপনি দুনিয়াতে বহু আমল করেছেন সৎ আমল করেছেন আমলে সলে করেছেন খুব আল্লাহ ব্যক্তি। কিন্তু আপনি কিন্তু আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেছেন মনে রাখবেন যে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপনার উপর অসন্তুষ্ট আপনি পাবেন আল্লাহর রেজা পাবেন আর আল্লাহর সন্তুষ্টি যদি আপনি অর্জন না করতে পারেন তাহলে আপনি আমলে সলেহ করেও জাহান্নামে যাবে আল্লাহ রাসূ বলছেন পিতামাতার সন্তুষ্টির মধ্যে রয়েছে আল্লাহ রাব্বুল আলামনের সন্তুষ্টি পক্ষান্তরে অসন্তুষ্টি রয়েছে পিতা-মাতার সন্তুষ্টির মধ্যে তারপরে হলো বদদোয়া বড় একটা বিপদ হলো দুনিয়া বা আল্লাহ তাালার পক্ষ থেকে দ্রুত শাস্তি পিতামাতার অবাধ্য হলে সেটা হল বদদোয়া পৃথিবীতে কেউ বদদোয়া দিলে যে আপনাকে লাগবে এটা না হে মজলুমের লাগতে পারে আল্লাহর নবী বলেছেন কিন্তু বাবা বদদোয়া আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে এর সাথে কবুল হইছে।
আমরা যখন কিশোর বয়সে এটা আমার গ্রামেরই একটা ঘটনা। আমার খুব ভালো মনে আছে। যে এক ব্যক্তি বাইরে থাকতো বিদেশে। বাড়িতে এসে যেহেতু হয়তো অর্থনৈতিক কোন কারণ নিয়ে স্ত্রীর পক্ষ নিয়ে বাপ মার সাথে দুর্ব্যবহার করছে খারাপ ব্যবহার করছে বাড়িতে যে কয়দিন থাকছে বাপ মার সাথে কথা বলে অথচ একই আঙ্গিনা একই জায়গায় আছে ছুটি শেষে চলে যাচ্ছে ঠিক আমার মনে হচ্ছে এরকম বর্ষা মসনের ঘটনা কিন্তু বাপ মাকে কিছু না বলেই চলে যাচ্ছে বাপ মাটা একটু মূর্খ যদি নামাজি মানুষ উনি কি করলেন চলে গেছে ছেলে বারবার পিছন থেকে ডাকছে শুনেন বৃষ্টির মধ্যে সে এভাবে হাত তুলে এমনভাবে বদদোয়া করে দিল সন্তানের জন্য ছোট ছেলে যে আল্লাহ যেন তোর সুস্থ মুখ আর না দেখে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে কবুল করে নিছে ঠিকই সে বিদেশে গেছে অল্প দিনের মধ্যে মারাত্মক অসুস্থতা নিয়ে ফিরে এসেছে।
এটা আমি প্রতিবেশীর গল্প করছি। তারপরে মহিলা তো বুঝে গেছে যে আমার বদদোয়া আল্লাহ মনে হয় কবুল করে নিছে। তারপরে এই মহিলা অনেক দোয়া করেছে আল্লাহর কাছে। কত কান্নাকাটি করেছে। কত দান সদকা করেছে সন্তানের সুস্থতার জন্য। কিন্তু আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আর কবুল করে না ওযে ওটা কবুল হয়ে গেছে ও বদদোয়াটা কি আল্লাহর আরশে আজিমে এটা কবুল হয়ে গেছে আল্লাহর কাছে হয়ে গেছে সে অসুস্থ হইতে পারেনি কিছুদিন অসুস্থ থাকার পরে ওই রোগ নিয়েছে একবার যুবক দরতাজা প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা কখনো বাবা মাকে অসন্তুষ্ট করবেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন তিন প্রকার দোয়া রয়েছে যেটা আল্লাহ প্রত্যক্ষ কবুল করে একটা হল পিতামাতার দোয়া সন্তানের জন্য যদি ভালো হয় তাহলে আল্লাহতালা কবুল করে যদি আপনার বাপ মা আপনার জন্য দোয়া করে দেন যে আল্লাহ তুমি আমার ছেলের হায়াত বাড়িয়ে দাও রিজিক বারকাত দান কর আল্লাহ ঠিক পক্ষান্তর তার বিপরীত যদি হয় কবুল করে আল্লাহ নবী বলছেন তিনটি দোয়া
রয়েছে যেটা আল্লাহর কাছে একেবারে বিদায়ভাবে কবুল হয়ে যায় একটি হল বাবা মার দোয়া সন্তানের জন্য দ্বিতীয় হচ্ছে সিয়াম পালনকারী দোয়া আরেকটা হচ্ছে মুসাফিরের দোয়া এই তিন শ্রেণীর ব্যক্তির দোয়া আল্লাহ তাালার কাছে কবুল হয়ে যায় এইজন্য বাপ মার কাছে যত পারেন ভালো দোয়া নেয়ার চেষ্টা করবেন বদদোয়া নিবেন কখনো বাবা মাকে অসন্তুষ্ট করবেন না কষ্ট পেয়েছেন চুপ থাকেন প্রত্যেকটা পরিবারে কিন্তু ঝামেলা আছে সমস্যা আছে মনে করেন আমারও আছে কিন্তু আমি অনেক সময় মনে করি আমার মাকে মনে হয় কথাটা আমার বলা উচিত বলে দিব আমার মা কি মনে করবে না করবে কিন্তু আল্লাহ বাপ মার সামনে যখন আসি তখন এটা আর বলার সাহস হয় না হাসি মনে মার সাথে কথা বলতে পারে কারণ তার দোয়া আমার কাছেও এ দুনিয়া জীবনের আখেরাতের জীবনের জন্য আমার খুব দরকার আমাকে পেতেই হবে হয়তো আমি যেটা মনে কষ্ট পেয়েছি এটা মিটে যাবে শেষ হয়ে যাবে কিন্তু বাবা মাকে যদি কষ্ট দেই তাহলে
তো এটা আর হবে না এজন্য প্রিয় দ্বীনি ভাইয়েরা পৃথিবীতে সবচাইতে আপনি এটাকে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করবেন আপনি বাপ মা যেটা চেয়েছেন আপনি দিলেন আমরা সামর্থ থাকার পরেও দেখবেন মৃত্যুর পরে আপনাকে সবসময় ঘুরে পড়ে খাবে কষ্ট দিবে তখন কিন্তু এটা করার আপনার থাকবে না এজন্য পিতামাতা জীবিত থাকা অবস্থায় মূল্যায়ন করবেন গভীর শ্রদ্ধা ভালোবাসা সর্বোচ্চ দিয়ে পিতামাতাকে আপনি সম্মান করবেন শ্রদ্ধা করবেন ভালোবাসবেন কোন একটা কথা বলে দিয়েছেন পরক্ষণে মা বাবার কাছে আপনি নেত হলেন বাপ চেয়ে মানে কষ্ট যদি বাপ মা রেখে দেয় কখনো আপনার সফলতা এই দুনিয়াতেও হবে না আখেরাতেও হবে এবং আপনাকে পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মুহূর্ত আপনাকে ধংশন করবেন পিতামাতার সাথে বসা এজন্য এই জিনিসটা থেকে সবসময় আমাদের প্রত্যেকেরই বিরত থাকা উচিত আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবী এক সাহাবী মুসলিম হয়েছেন।
এসে বলছেন যে আল্লাহর রাসূল আমি আপনার কাছে বায়াত করতে এসেছি যে আমি ফরজ যে হিজরত আমি আপনার সাথে হিজরত করে চলে যাব। কিন্তু আল্লাহ রাসূ আমি যখন বাড়ি থেকে বের হয়েছি তারা মা বাবা খেয়াল আমি যখন বাড়ি থেকে বের হয়েছি আমার বাপ মা তারা মুশরিক কাফের তারা কান্নাকাটি করছেন। আমি যে তাদের কাছ থেকে চলে আসছি এটা মেনে নিছিল আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন যে আলাইহি তুমি তাদের কাছে ফিরে যাও এবং তাদেরকে খুশি করে দাও যেমনভাবে তুমি তাদেরকে কান্না কাদিয়ে এসেছিলে ঠিক এর বিপরীতে তাদেরকে যাও তুমি সন্তুষ্ট করো কারণ এভাবে হিজন করার দরকার নাই তাইলে বা মুশরেক হওয়ার পরেও যদি স্পষ্ট আপনাদেরকে শোনাচ্ছি তোমাকে বাধ্য করে আমার সাথে কর আমার সাথে শিরিক করব বা কোন মাজারে অথবা নামাজ পড়তে বাধা দিচ্ছে আল্লাহতালা কি বলছেন যদি এরকম হয় করতে বলছে এটা মানা যাবে বাধা দিচ্ছে এটা মানা যাবে তবে কথা হল এরা যদি শিরিকের কথা বলে নামাজে
বাধা দেয় এই আদেশ আদেশ পালন করা যাবে না ঠিকই এর মানে ব্যবহার করবে আল্লাহতালা বলে দিচ্ছেন দুনিয়ার জীবনে তোমরা কি করবে তার সাথে সদ আচরণ করবে নম্র ভদ্র ব্যবহার করবে মানুষ তাহলে শিরিকের বিপরীতে যদি এরকম হয় তাহলে আমি আপনি আমার পিতামাতা যারা মুসলিম তাদের কেমন করে কষ্ট দিবেন বলেন সুযোগ আছে কোন নাই বিরোধি ভাইয়েরা এই জিনিসটা কখনোই করবেন না যে আপনার বাপ মা আপনার উপর অসন্তুষ্ট হয় কোনভাবেই বাপ মা হল অমূল্য সম্পদ পৃথিবীতে অন্য জ্ঞান পূরণ করা যায় কিন্তু বাপ মার করা যায় এইজন্য কখনো বাপ মাকে অবমল্যায়ন করবেন না আল্লাহ রাসূ সাল্লা বলেছেন এক সাহাবী এসে আল্লাহ রাসূ সাল্লাকে বলছেন যে আল্লাহ রাসূ আমি জিহাদে দিতে চাই আল্লাহ বলে তোমার বাপ বেচে আছে নাকি তোমার মাস তার কাছে করার সেবা করতার সাথে সুন্দর আচরণ ব্যবহার করার তোমার বাপ বা তোমার মায়ের পায়ের নিচে রয়েছে তোমার জন্য জান্নাতের পথ দিকে আল্লাহ রাসূ ঘুরিয়েছে মা বাবার খেদমতের
জন্য কারণ এটা ফরজে কেফায়া ছিল ফরজ জিহাদ ছিল না কিন্তু ফরজ জিহাদের ক্ষেত্রে বাপ মার কথা শোনা যাবে ফরজ জিহাদ বলতে বুঝতে পারছেন যদি আমেরিকা হামলা করে কিংবা ভারত আমাদের শত্রু রাষ্ট্র সবসময় তো আমাদের হামলা করার হুমকি দিচ্ছে না আপনারা তো খুব ভালো করে জানেন যখন তখন হুমকি দেয় একদিনের মধ্যে দখল করে যদি এরকম কখনো হয় তাহলে আমার আপনার সবার উপর জিহাদ ফরজ। কথা বুঝেছেন? জিহাদ কিন্তু একটা এবাদত। এটা ভুলভাবে আমরা ব্যাখ্যা করি বুঝি না। কোন কাফের যদি রাষ্ট্র আমার আপনার উপর হামলা করে তাহলে তখন সবার উপর জিহাদ ফরজ। এটা কিন্তু কোরআনেরই একটা বিষয়। ইসলামেরই একটা বিষয়।
প্রিয় ভাইয়েরা যাক এরকম অবস্থা হলেও পিতামাতার সাথে আপনার ভালো ব্যবহার করতে হবে যদি ফরজে আপনার দরকার নাই সরকার বলছে রাখেন তাহলে আপনি পিতামাতার সাথে তার সেবা করেন ভালো ব্যবহার করবেন সুন্দর ব্যবহার করবেন পিতামাতা এত বেশি মূল্যবান এত বেশি আল্লাহ সহা লেন পৃথিবীর সকল মানুষের মধ্যে কোন ব্যক্তি যার সাথে আমার ভালো ব্যবহার করা উচিত বেশি আল্লাহ রাসলে আল্লাহ তারপরে কে আল্লাহ তোমার মা তারপরে কে তোমার মা তারপরে কি আল্লাহ রাসুল আমার পিতা মার মর্যাদা কারণ সন্তানরা মার সাথে বেশি দুর্ব্যবহার করে মা একটু নরম হয়ে থাকে বাবা একটু বড় হয়ে থাকে যত রাত যে সবকিছু সন্তান ঝাড়ে কারণ মার এজন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামন বলছেন না এটা করা যাবে না তার সাথে ব্যবহার করতে হবে কারণ তোমার বাপ তোমার মা তোমাকে ১০ মাস ১০ দিন পেটে ধারণ করেছেন কত কষ্ট করে তোমাকে লাভ পালন করেছেন অন্য আয়াতে আল্লাহ তালা বলছেন বলে আমার শুকরিয়া আদায় করো এবং পিতামাতার শুকরিয়া আদায় কর আল্লাহু আকবার আল্লাহর শুকরিয়ার সাথে পিতামাতার শুকরিয়া এইজন্য মনে রাখবেন এক নাম্বার যে পাপ যেই পাপের কারণে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দুনিয়াতে মানুষকে নগদ শাস্তি দিয়ে থাকেন সেটা হল পিতামাতার সাথে দুর্ব্যবহার।
এজন্য কোন অবস্থাতে যেন আপনার আমার কাছ থেকে আমাদের বাবা মা যেন কষ্ট না পায়, দুঃখ না পায়। সবসময় সৎ ব্যবহার সর্ব অবস্থায় পিতার সাথে সৎ আচরণ আমাদেরকে অবশ্য করতে হবে। এটা ফরজ। এটা কি? ফরজ। বাবা মার সাথে সদাচরণ এটা হল ফরজ। তো সুতরাং এরকম অন্যায় থেকে আমরা পাপ থেকে বেঁচে থাকব। আরেকটা পাপ যেটা নগদ শাস্তি আল্লাহ তালা দুনিয়াতে দিয়ে থাকেন সেটা হল কি অশ্লীলতা বা জেনা ব্যভিচার জেনা ব্যভিচার বা অশ্লীলতা যদি জড়ায় তাহলে তার নগদ শাস্তি দুনিয়াতে আল্লাহ হাদিসের মধ্যে বলছেন যখন কোন সমাজে ছড়িয়ে পড়ে অশ্লীলতা বেহায়াপনা নির্লজ্যতা জেনা ব্যভিচার তখন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ওই সমাজের মধ্যে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মহামারীর রোগ এবং এমন রোগ ব্যাধি যেগুলো আগে মানুষ জান এই রোগ ব্যাধি আল্লাহ রাব্বুল আলামন দুনিয়াতে নগদ শাস্তি দিয়ে থাকে সুতরাং যারা জেনা ব্যভিচারে জড়িত এদের দেখবেন নানান ধরনের অসুস্থ অনিবার্য এটা হতে হবে জেনা ব্যভিচারে যে ব্যক্তি লিপ্ত হয়েছে তার দুনিয়াতে কিছু শাস্তি
রয়েছে যদি বিবাহিত হয় তাহলে তার মৃত্যুদন্ড আর কোন বাচার অধিকার আর যদি অবিবাহিত হয় ১০০ এবং এক বছরের জন্য এলাকা থেকে বিতাড়িত এটা হল ইসলামের শাস্তি নগদ শাস্তি কিন্তু আমাদের তো এই ঈমান নাই যেমন রাদিয়াল্লাহু আলাকে এসে বলছেন আল্লাহ রাসূ আমি এমন একটা পাপ করেছি যে পাপের শাস্তি আমার উপর আপনার কার্যকর করা আবশ্যিক হয়েছে আল্লাহ রাসূ বললেন কি এমন পাপ করে সেটা আলা বুঝা যাবে কয়েকবার করে বললাম আল্লাহর নবী ওর সাক্ষ্য বা কথা গ্রহণ করছিলেন চতুর্থবার যখন সে বলল যে আল্লাহ রাসূ আমি জেনা করেছি আপনি আমার উপর হক কায়েম করেন শাস্তি যখন নিজের এভাবে সাক্ষী দিয়ে দিল আল্লাহ নবী বললেন একে নিয়ে যাওকে রজন করে তাকে রজন করে কারণ সে বিবাহিত ছিল আরেক মহিলা সাহাবী উনি জেনার মাধ্যমে আল্লাহ নবীকে বলছেন আল্লাহ রাসূ আপনি আমার কায়েম করেন আমি পাপ করেছি।
আল্লাহর রাসুল বললেন যে তোমার অভিভাবক কই? অভিভাবক আসলে আল্লাহর নবী বললেন একে তার বাচ্চা প্রসব হওয়া পর্যন্ত তার দেখভাল করবে। বাচ্চা বড় হলে আমার কাছে নিয়ে আস। আল্লাহর রাসূলের কাছে নিয়ে আসা হল। বাচ্চা প্রসবের পর আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম ওই মহিলা মহিলা সাহাবীর রজনকে অর্থাৎ মৃত্যুদন্ড কার্যকর করলেন এবং তার জানাজা পড়লেন। ওমর রাদিয়াল্লাহু বললেন যে রাসূ এতো ব্যভিচারি না আপনি কেন জানাজা পড়লেন? আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন সে এমন তওবা করেছে আল্লাহ তাালার কাছে যদি এই তওবাটাকে মদিনাবাসীদের মাঝে ভাগ করে দাঁড়ানো তাহলে এটা। সুবহানাল্লাহ। এটা ছিল সাহাবীদের ঈমান।
আর আমাদের ঈমান আমরা কত অন্যায় করেও পাপাচার করেও আমরা এটা স্বীকার করি আল্লাহর কাছে ফিরে আসি প্রিয় দীনি ভাই তো নগদ শাস্তি কি সিফিলিস অনরিয়া এই বাংলাদেশে কিন্তু খুবই ছড়ে গেছে কারণ বাংলাদেশের অবস্থাটা অন্য দেশের কথা বাদ দিলাম আমাদের মুসলিম কান্ট্রির অবস্থা বলছি জেনা ব্যভিচার সমকামিতা বলাৎকারিত একেবারে ভরে মানে মানুষ এখন এটাকে পারতে মনে কর অথচ আল্লাহ রাব্বুল আলামন বলছেন কি বলে জেনারে জেনা করা দূরের কথা কাছে যেতে নিষেধ করেছেন কেন জেনা হল এমন একটা জিনিস যারা এই অন্যায় অশ্লীলতার কাছে চলে গেছে অর্থাৎ ব্যভিচারে লিপ্ত হয়ে গেছে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে নগদ শাস্তি দেন। একটা হল অর্থাৎ যেটা আল্লামা ইবজি রহমাতুল্লাহ আলাই বলেছেন যে এক নাম্বার তাকে আল্লাহতালা শাস্তি দেন দুনিয়াতে সেটা হল মানসিক।
মানসিক টেনশন আল্লাহ তার মধ্যে ঢুকে দেন। এজন্য যারা ব্যভিচারে জড়িত এরা কিন্তু ভালো থাকে না। মানসিক টেনশনকে তাকে এমনভাবে ধরে ফেলেন যে সে সেখানে বাঁচার উপায় পায় না। দ্বিতীয় শাস্তি হল অপমান অসস্থতা জেনে গেলে তো অপমান অপমান অবিবাহ্য আর যদি বিবাহিত হয় অপমান হয় স্বামী অপমান হয় শ্বশুর অপমান হয় নিজের পিতা-মাতা অপমান হয় নিজের সমাজ আত্মীয়স্বজন এইজন্য বিবাহিত ব্যক্তির বেশি বড় শাস্তি ইসলামের মধ্যে তৃতীয় যেটা শাস্তি সেটা এটা হলো দারিদ্রতা। যারা যেনা ব্যভিচারে জড়িত তারা যে দারিদ্রতা অবশ্যই ধরে ফেলবে। তার যে সম্পত্তি রয়েছে অন্যায় কাজে সে খরচ করে ফেলেছে। এজন্য দারিদ্রতা তাকে দ্রুত ধেয়ে আসে এবং পেয়ে বসে।
আরেকটি হাদিসের মধ্যে আরেকটা নগদ শাস্তি দুনিয়াতে পাওয়ার সেটি হল কি? রেবা বা সুদ। যারা সুদ খায় সুদ খায় সুদের ব্যবসা করে সুদের সাথে জড়িত কোনভাবে আল্লাহ এদের দুনিয়াতে শাস্তি দেন আল্লাহ আল্লাহ আলান সুদ ধ্বংস করেন মানে কি যারা সুদের সাথে জড়িত তাদের সম্পদ আল্লাহ রাব্বুল আলামন ধ্বংস করবেন দুনিয়াতে ধ্বংস করবেন সে একদিন না একদিন ফকির হবেই তাদের সাথে ব্যবসা সে বড় রকম হয়তো সে ফকির হবে না হয় তার সন্তান হবে না তার সন্তানের সন্তান হবে কিন্তু তার এই সুদ কেন্দ্রিক অর্জিত সম্পদ অবশ্যই ধ্বংস হবে কোন সন্তান নিশ্চিতভাবে এবং পাশাপাশি কি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের শাস্তিকে এই ধরনের প্রকৃতির লোকের অপরাধীরা অবধারিত করে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক হাদিসের মধ্যে বলছেন জেনা এবং সুদ ফিতি যে জনপদে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ে মোটামুটি আমরা সবাই ছড়িয়ে গেছে ঘরে ঘরে সুদের ব্যবসা সুদের লেনদেন এবং ব্যভিচার এটা এমনভাবে ছড়িয়ে গেছে আল্লাহ বলছেন জনপদে যখন ব্যাপক
হারে ছড়িয়ে পড়ে তখন আল্লাহ রাব্বুল আলামন কি বলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামন বলছেন যে তখন ওই জনপদকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ধ্বংস হয়ে যাওয়ার নির্দেশ জারি করে ধ্বংস করে দেওয়ার নির্দেশ জারি করেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আরেকটি হাদিসের মধ্যে বলছেন যারা সুদ এবং জেনার সাথে জড়িত এরা এরা কি করে? নিজেদের উপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের শাস্তিকে অবধারিত করে। নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক। এই হচ্ছে আমাদের অবস্থা। তো সুদ সুদ বলেন, যেনা বলেন দুর্ভাগ্যক্রমে আমাদের সমাজে, মুসলিম সমাজে ৯০% মুসলিম সমাজে একবারে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে গেছে। কোন না কোনভাবে এটাতে জড়িত।
সুদের কারবার এসে হয় নিজে খায় বা নিজে দেয় সে চাই বাংলাদেশে যতগুলো সমিতি দেখবেন সব বেশিরভাগ খাত পুরাটাই ইউনিভার্সিটি মানে এটা এমনভাবে ছড়িয়ে গেছে যা বলা এটাকে ুখা খুব মুশকিল অথচ আমরা মুসলিম সমাজ সুদ খাওয়া আল্লাহর রাসূ আল্লাহ এবং তার রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা শামিল না সুদ খাওয়া বাবা কি নিজের মায়ের সাথে জেনা করার মত অপরাধ না তারপরে আমরা এটা করছি তারপরে আমরা এটা করছি চোরের চাইতে চুরির চাইতে বড় অপরাধ না অবশ্যই কিন্তু আমরা চুরি করলে কেউ পায় না পিটা কিন্তু ঘরে ঘরে সুদ এটাকে আমরা কিছুই মনে করি না সম্মান করি কারণ কাচা টাকা তো অনেক উপকারী জিনিস যে যত এটা উপার্জন করতে পারে পরিবার পরিবার তত ফেলে উঠে সে তত টাকাওয়ালা হয়্যা সে তত অর্থশালী হয় এটা আমরা দেখি একটু মনে রাখবেন নগদ শাস্তি হল এই ব্যক্তি অবশ্যই ধ্বংস হবে এবং বিকার আল্লাহ কোরআনের মধ্যে বলেছেন যারা সুদের লেনদেন করে তাকে স্পষ্ট করেছে এজন
শান্তি পারিবারিক শান্তি পারিবারিক শান্তি থাকে প্রিয়দিন ভাইয়েরা তো সুদ এবং জেনা হল এত জঘন্য দুইটা অপরাধ যারা করে এরা তাদের অপরাধের মাধ্যমে যেই জনপদে যেই দেশে যে সমাজে বসবাস করে ওই সমাজ জনপদকে ধ্বংস করার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের আজবকে শাস্তিকে সে অবধারিত নাউজুবিল্লাহ আরেকটি হল জুলুম কে কারো উপর যদি জুলুম করে যদি এটা আগে কথা বলেছি তাহলে আল্লাহ শক্তিমান জুলুম অনেকভাবে করি কাউকে মারার মাধ্যমে কষ্টের মাধ্যমে আরেক প্রকার জুলুম হল কি কাউকে ঠকানোর মাধ্যমে ওজনে কম দেওয়া ভেজাল মিশ্রিত করা এগুলো তো কিন্তু জুলুম অন্যায় এগুলো আমাদের ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে আর কিছুই মনে করি না যত দেখবেন ব্যবসায়ী আর যত ডিজিটাল মিটার দেখবেন মান যন্ত্র দেখবেন ভেজাল আছে।
তো পুরা আমাদের বাংলাদেশের সেক্টরটা একেবারে বিজনেস সেক্টরটা ভরে গেছে। সবই তো ভরে গেছে। বিশেষ করে এটা তো দেখব। কিন্তু এটা আমরা মেনে নিছি। আমাদের মধ্যে সামাজিককরণ হয়ে গেছে। বলা যেতে পারে। এটা কিছু মনে করি না। এই জুলুম গলা যখন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে মানুষ নিমজ্জিত হয় আল্লাহ রাব্বুল আলামনের শাস্তি তখন অবধারিত আল্লাহুম করে এই ব্যাপারে আল্লাহ আলান গাফেলব খবর রাখেন কি করে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নোট করে রাখেন তার কেরামান কাজে লিখে রাখেন এর শাস্তি মনে আছে প্রিয় দ্বীনিবার আরেকটা অন্যায় যেই পাপের বা অন্যায়ের শাস্তি আল্লাহ আপনি দুনিয়াতে দেন সেটা হলো কি কার কাছ থেকে ঋণ নিচ্ছেন না দেওয়ার ঋণ বাংলাদেশের দেখবেন বড় বড় শিল্পপতি টাকাওয়ালারা দেখবেন বেশিরভাগই ঋণ খেলা খেলতকারী দুর্নীতিবাজ ব্যাংকটের দেখতে পাচ্ছেন না এইযে নির্বাচনে যারা মোটামুটি সচেতন সবাই তো জানেন কদিন আগে যে নির্বাচন এক দুই কোটি না কয়েকশ কোটি টাকা একজন ব্যক্তি ঋণ খেলাফি করে আসছে মানে কি ব্যাংক থেকে সে ঋণ
নিয়েছে এই নিয়তে যে সে আর ফিরে দিবে না আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এদেরকে দুনিয়াতে অবশ্যই শাস্তি দেন আল্লাহ রাসূ সহ বুখারী একটি হাদিস শেষ করব যে কাল্প বেশি হোক ব্যক্তি হোক বা সংস্থা থেকে প্রতিষ্ঠান থেকে যে ব্যক্তি ঋণ নেয় এবং সেটা আদায় নিয়ত করে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ও ব্যক্তির পক্ষ থেকে বা ব্যক্তিকে ওই ঋণটা পরিশোধ করার ব্যবস্থা সুবহানাল্লাহ নিয়ত জিনিস আর যে ব্যক্তি নিয়তই করেছে যে আমি এটা ফিরিয়ে দিব ধরেন এলাকায় আদা করে বাইরে কেউ আছে আপনার কাছ থেকে ১০০ টাকা দিয়েছে ও নিয়ত করে আছে যে আমি দিব না এটা দিব বা কোন সংস্থা থেকে নিয়েছে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ওই ব্যক্তিকে এবং ওই ব্যক্তির সম্পদকে ধ্বংস করে এটা দুনিয়া শাস্তি এই হচ্ছে মোটামুটি আজকে পাঁচটা পয়েন্টে ছয়টা পয়েন্ট যেগুলো শাস্তি আল্লাহ রাব্বুল আলামন দিয়ে আরেকটা হল কি যাকাত না দেওয়া এটার শাস্তি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নগদ দুনিয়াতে দেন
যারা যাকাত হিসাব করে আদায় করে না আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আল্লাহর রাসূল বলছেন যদি এই দুনিয়াতে এই দুনিয়াতে যদি চতুষ্ পর্যন্ত প্রাণী আবলা প্রাণীরা যদি না থাকতো আল্লাহর রাসূল বলছেন যাকাত অনদায়ের কারণে ওই এলাকা ওই জনপদে ওই রাষ্ট্রে ওই দেশে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আসমানের যে বৃষ্টি এটাকে বন্ধ করে যারা যাকাত আদায় করে অনেক বড় অন্যায় এবং তাকে আল্লাহ আলামিন ধ্বংস করবেন তার সম্পদকে ধ্বংস করবে অনিবার্য আর আখেরাত রয়েছে তার শাস্তি জান্নাত এজন্য প্রিয় দ্বীনি ভাই এই যে পাপগুলো কয়েকটি যেগুলোর শাস্তি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দুনিয়াতে নগদ দিয়ে থাকেন যে আলোচনা করলাম আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে এই পাপ সহ সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত থাকার পবিত্র জীবন যেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে দান করেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের শিরিক হোক জুলুম হোক পিতামাতার সাথে দুর্বল হোক কিংবা ঋণ খেলা হোক কিংবা জেনা ব্যভিচার সুদ এ সমস্ত যেগুলো শাস্তি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দুনিয়াতে মানুষকে নগদ দেন আখেরাত তার বাকি
থাকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এই সমস্ত পাপ থেকে আমাদের দূরে থাকার তৌফিক দান করেন সমস্ত পাপ থেকে আল্লাহ আমাদের দূরে রাখেন।